YouTube2Text

Semi 04 — Transcript

by Do or Die - Physics · 9,185 words · 1,466 segments · language en · Watch on YouTube

Full transcript

  1. 0:00হ্যালো
  2. 0:07হ্যালো এন্ড ওয়েলকাম এভিওয়ান সবাইকে
  3. 0:09ওয়েলকাম জানাচ্ছি আমাদের আজকের লাইভে
  4. 0:13আচ্ছা হ্যালো এন্ড ওয়েলকাম এভিওয়ান সবাইকে
  5. 0:14ওয়েলকাম জানাচ্ছি আমাদের আজকের ক্লাসে সো
  6. 0:16হোফুলি সবাই ভালো আছো সো আজকের আমাদের
  7. 0:19সেমিকন্ডাক্টরের চার নাম্বার লাইভ ক্লাস
  8. 0:22তো সবাই যুক্ত হলে আমরা ক্লাসটা শুরু করতে
  9. 0:26পারব ঠিক আছে আচ্ছা হোপফুলি সবাই নিশ্চয়ই
  10. 0:29ভালো আছো? তো
  11. 0:32ফাইন। তো সবাই যুক্ত হও, কে কেমন আছো,
  12. 0:35কোথায় আছো একটু জানায় দাও।
  13. 0:38ওকে।
  14. 0:42ফাইন। সো অলরেডি
  15. 0:46যুক্ত হইতে শুরু করছো। আচ্ছা।
  16. 0:50স আমরা এর আগে তিনটা ক্লাস করেছিলাম এবং
  17. 0:52তিনটা ক্লাসে আমরা এর আগে হচ্ছে গিয়ে পড়ছি
  18. 0:56সেমিকন্ডাক্টরের
  19. 0:58লাস্টে যে ক্লাসটা আমরা ছোট একটা ক্লাস
  20. 0:59নিয়েছিলাম ওই ক্লাসটাতে আমরা পড়েছিলাম
  21. 1:01রেকটিফিকেশন। আজকের এই ক্লাসে আমরা
  22. 1:03রেকটিফিকেশনের পরের যে অংশগুলি আছে সেই
  23. 1:06অংশগুলো নিয়ে পড়বো। ঠিক আছে?
  24. 1:12আচ্ছা
  25. 1:14ফাইন। এইতো কমেন্ট দেখা যাচ্ছে। ওয়ালাইকুম
  26. 1:17আসসালাম।
  27. 1:19ফাইন
  28. 1:21ওকে তামিম ইকবাল খান কি অবস্থা কেমন আছো
  29. 1:28ওকে
  30. 1:30ফাইন ওয়ালাইকুম আসসালাম এটা একটু বড় করো
  31. 1:34তো কমেন্টটা
  32. 1:38ওকে
  33. 1:41তো আজকের এই ক্লাসে আমরা বেসিকলি হচ্ছে
  34. 1:45গিয়ে সেমিকন্ডাক্টর এর চার নাম্বার
  35. 1:48লেকচার করবো এবং তোমাদের নিশ্চয় মনে আছে
  36. 1:51যে আমরা এর আগে হচ্ছে গিয়ে ফুল স্ক্রিন
  37. 1:54করে দাও এটাকে ওই যে গ্রীন টা দিয়ে
  38. 1:59ওই গ্রীনটা দিয়ে ফুল স্ক্রিন করে দাও
  39. 2:02ওই যে কর্নারে কর্নারে কর্নারে ওই কর্নারে
  40. 2:06না না আমি করতেছি
  41. 2:15ফাইন ওকে তামিম ইকবাল খান ভাইয়া একটা
  42. 2:17কোশ্চেন
  43. 2:18আপনার আপনার এত সুন্দর সুন্দর টিশার্ট
  44. 2:21গুলা কোত থেকে কিনে ফাইন তো এইগুলা
  45. 2:24স্পেসিফিকলি তো আসলে একটা জায়গা থেকে
  46. 2:27কিনি না তবে হচ্ছে গিয়ে ভিন্ন ভিন্ন
  47. 2:30জায়গা থেকে কিনি আর কি যাই হোক তাল আহমেদ
  48. 2:32বলছে ভাই আপনি কি এসিএস এর স্টুডিওতে
  49. 2:35আচ্ছা এটা তোমাদের যে স্টুডিওতে ক্লাস
  50. 2:37হইতো আমার রুমে যে স্টুডিওতে ক্লাস হইতো
  51. 2:40ওই স্টুডিওতেই বাট সেটাপটা নিউ সেটাপটা
  52. 2:44নিউ ওকে মানে তোমরা এতদিন যে হ্যাঁ এতদিন
  53. 2:49যে ইসে ক্লাস করেছ যে বোর্ডে ক্লাস করেছো
  54. 2:52যে রুমে আমি ক্লাস নিছি ওই রুমেই আছি
  55. 2:55কিন্তু কথা হচ্ছে যে পুরো যে সেটাআপটা
  56. 2:58হ্যাঁ এই সেটাপটা হচ্ছে ক্যামেরা দিয়ে
  57. 3:00আজকে প্রথম ক্লাস নিচ্ছি আমি তোমাদের সো
  58. 3:04সেটাপটা একদমই হচ্ছে গিয়ে এসএস এর কথা
  59. 3:07বলছো এসএস এর মতো বুঝছি ফাইন ওকে
  60. 3:14ওকে তাহলে চল ওয়ালাইকুম আসসালাম হোপফুলি
  61. 3:16সবাই ভালো আছো। একজন লিখছে ভাইয়া ভিটি এর
  62. 3:19ভুল মিনিং কি? কোন জায়গা থেকে আসলে সানি
  63. 3:21কোন টপিকের আন্ডারে বলতেছো আমি ডিলিট করতে
  64. 3:23পারছি না আরকি। ফাইন। আচ্ছা ভাই ক্যামেরা
  65. 3:27কিনছেন নিহু। হ্যাঁ হ্যাঁ ক্যামেরা নিউ।
  66. 3:30হ্যাঁ। সো তোমাদের যে আক্ষেপটা ছিল যে
  67. 3:32আরেকটু বেটার সেটআপে যদি তোমাদের ক্লাস
  68. 3:34হইতো। তো আমি তোমাদের প্রমিস করছিলাম যে
  69. 3:36বেটার সেটআপে ক্লাস হবে। সো
  70. 3:38আলহামদুলিল্লাহ আজকে তোমাদের সেটআপটা আরো
  71. 3:40বেটার। তাই না? আমার ফোনে কমেন্ট পড়তে
  72. 3:42লাগতেছে না। আমি সামনে দেখতে পাচ্ছি
  73. 3:43তোমাদের কমেন্টগুলি। তো এটাই ভালো লাগছে
  74. 3:46আর কি সামথিং নিউ ওকে আলহামদুলিল্লাহ
  75. 3:50আচ্ছা ভাইয়া সব চ্যাপ্টার শেষ হওয়ার পর কি
  76. 3:52শুধু ম্যাথ সলভ করবেন হ্যাঁ এক্সাক্টলি
  77. 3:54সবচা সেট হওয়ার পরে আমরা ওগুললা রিভিশন
  78. 3:57আগে তোমাদের দিতে হবে তোমাদের একটা
  79. 3:58প্ল্যানার দিব যে প্ল্যানার অনুযায়ী তোমরা
  80. 4:00রিভিশন করবা হ্যাঁ তো রিভিশনটা করা হয়ে
  81. 4:02গেলে তারপরে আমরা হচ্ছে গিয়ে সেখানে
  82. 4:06আরো প্রবলেম সলভ করব পড়ালেখার কোন শেষ নাই
  83. 4:08তাই না এভাবে চলতেই থাকে ওকে তাহলে চলো
  84. 4:11আমরা আর দেরি না করে ধীরে ধীরে ক্লাসটা
  85. 4:13শুরু করে দেই ওকে ফাইন তাইলে আমরা এর আগের
  86. 4:18দিন রেকটিফিকেশন পড়েছিলাম তাই না হাফওয়ে
  87. 4:22রেকটিফিকেশন এবং ফুল ওয়েভ রেকটিফিকেশন এই
  88. 4:25দুই রেকটিফিকেশন আমরা এর আগের দিন পড়েছি
  89. 4:27আজকের ক্লাসে আমরা হচ্ছে তার পরের অংশ
  90. 4:30দেখব পরের অংশ বলতে রেকটিফিকেশন আমরা ফুল
  91. 4:33ওয়েব যেটা পড়ছিলাম সেটা একটা ইজিয়েস্ট
  92. 4:36ওয়েও আছে ফুলওয়ে রেক্টিফিকেশন আরেকটা
  93. 4:38ইজিস্ট ওয়ে আছে সেইটা আমরা আজকে দেখব ফুল
  94. 4:41ওয়েভ রেক্টিফিকেশন আরেকটা সার্কিট আছে
  95. 4:43ফুল ওয়েভ
  96. 4:46রেক্টিফিকেশন
  97. 4:51ফুল ওয়েভ
  98. 4:53রেক্টিফিকেশন ওকে আচ্ছা
  99. 4:56ফাইন ওয়ালাইকুম আসসালাম ওয়ালাইকুম আসসালাম
  100. 4:58সবাই যুক্ত হয়ে যাও চল আমরা ক্লাসটা শুরু
  101. 5:00করি এখন থেকে আমাদের কিন্তু স্টুডিও আরো
  102. 5:01জোস হবে তাই না ক্লাস হবে মজা চলো
  103. 5:08ফুল ওয়েব রেক্টিভেশন কিভাবে হয় কেমনে হয়
  104. 5:10এটা আমরা জানি আচ্ছা আচ্ছা ফাইন। সো ফুল
  105. 5:14ওয়েভ রেক্টিফিকেশনের গ্রাফগুলো আমরা গতদিন
  106. 5:17দেখছিলাম যে ফুলওয়ে রেক্টিফিকেশনের গ্রাফ
  107. 5:19হচ্ছে গিয়ে কি রকম হয়। গত ক্লাসটাতে আমরা
  108. 5:22এটা দেখছি। সো আজকে হচ্ছে গিয়ে ওটা আরেকটা
  109. 5:24সার্কিট দেখবো। ফুলওয়ে ভেক্টিফিকেশনের
  110. 5:27আরেকটা সার্কিট আমরা আজকে দেখবো। ফাইন।
  111. 5:30তাইলে লেটস সে আমরা ইনপুট এখানে হচ্ছে
  112. 5:33টাইম। টাইমের এগেন্স্টে আমরা গ্রাফ দেখবো।
  113. 5:35এইখানে আমরা হচ্ছে ভোল্টেজ ইনপুটটা দিলাম।
  114. 5:38আর এইখানে আমরা দেখবো হচ্ছে ভোল্টেজ
  115. 5:41আউটপুট। স আমরা এটা জানি যে ফুলওয়ে
  116. 5:45রেক্টিফিকেশন যখন হয় তখন আমাদের গ্রাফটা
  117. 5:49দেখতে এইরকম হয়। এইটা একটা এসি সিগনাল
  118. 5:52আমরা ইনপুট দিব। তাই না? এরকম একটা এসি
  119. 5:55সিগনাল আমরা হচ্ছে গিয়া এখানে ইনপুট
  120. 5:57দিচ্ছি। যেটা কিছুটা সময়ব্যাপী প্লাস
  121. 5:59থাকে। আর কিছুটা সময় এটা মাইনাস থাকে।
  122. 6:02তহলে এইযে প্লাস মাইনাস হ্যা প্লাস মাইনাস
  123. 6:06এভাবে করে হচ্ছে গিয়ে আমরা একটা ইনপুট
  124. 6:09সিগনাল দেই ওখান থেকে আমরা হচ্ছে গিয়ে
  125. 6:11আউটপুট সিগনাল পাই তাই না আচ্ছা ফাইন
  126. 6:16এখানে আমরা ইনপুট দিলে আউটপুট পাব
  127. 6:19আউটপুটটা যে পাবো সেটা কি হবে ফুল ওয়েভ
  128. 6:22রেক্টিফাইড হলে সেটাই আমরা দেখব গ্রাফের
  129. 6:24সাপেক্ষে ঠিক আছে আচ্ছা
  130. 6:28ওকে
  131. 6:34স আমরা আগে একটা ব্রিজ রেক্টিফিকেশন
  132. 6:36কিন্তু আগের দিন আমরা দেখছি ক্লাসে। ওকে?
  133. 6:39আজকে হচ্ছে গিয়ে আমরা দেখতে যাচ্ছি আরেকটা
  134. 6:42সার্কিট। ফুল রেকটিফিকেশন আরো একটি
  135. 6:44সার্কিট আছে। ওই সার্কিটটা আমরা একটু
  136. 6:46খেয়াল করি। আচ্ছা ফাইন। এই সার্কিটটা এরকম
  137. 6:49হবে যে
  138. 7:00উপরে একটা ডায়োড দিবা।
  139. 7:03দেন নিচে একটা ডায়োড দিবা। উপরে একটা
  140. 7:06ডায়োড এবং নিচে একটা ডায়োড দিবা। দেখতেছো
  141. 7:09দুইটা ডায়োড এভাবে করে যুক্ত করবা। তারপর
  142. 7:12এই জায়গাতে আমরা একটা হচ্ছে গিয়ে রোধ দিয়ে
  143. 7:16দিব। সরি এই জায়গাতে না এখান থেকে আমরা
  144. 7:19হচ্ছে গিয়ে এইটা এইভাবে করে নিব। এরপরে এই
  145. 7:22মাঝে যে জায়গাটা আছে এই জায়গাতে আমরা একটা
  146. 7:25রোধ দিয়ে দিব। ঠিক আছে? এবং এই রোডটা
  147. 7:28যেখানে দিচ্ছি সেই রোডটাতেই আমরা হচ্ছে
  148. 7:30আউটপুটটা মাপবো। এই রোডটা দিয়েই আমরা
  149. 7:34আউটপুট মাপবো। এই জায়গাতে যে ভোল্টেজটা
  150. 7:37সেটা হবে আমাদের ভি আউট। এই জায়গার যে
  151. 7:40ভোল্টেজটা এটাই হচ্ছে গিয়ে আমাদের আউটপুট
  152. 7:43ভোল্টেজ। ঠিক আছে? আচ্ছা। তাহলে এবার দেখো
  153. 7:47যে দেখো যে আমরা ইনপুটটা কোথায় দিব?
  154. 7:51ইনপুটটা দিব হচ্ছে এই জায়গাটাতে। ইনপুটটা
  155. 7:54দিব এই জায়গাটাতে ওকে আচ্ছা ফাইন সো
  156. 8:00এইখানে আমরা একটা এসি সিগনাল ইনপুট দিব
  157. 8:03এইখানে আমরা একটা এসি সিগনাল ইনপুট দিবো
  158. 8:05আমরা জানি এসি সিগনালকে এইভাবে করে লিখা
  159. 8:08হয় ওকে ফাইন এইটা একটা এসি সিগনাল এবং
  160. 8:12এইটা হচ্ছে আমাদের আউটপুট সরি ইনপুট এটা
  161. 8:16আমাদের ইনপুট
  162. 8:19আচ্ছা এখন যে জিনিসটা খেয়াল করো সেটা
  163. 8:23হচ্ছে মাঝখানে তোমরা দেখতেছো দুইটা এরকম
  164. 8:25হচ্ছে গিয়া কয়েল দিয়ে
  165. 8:27এটা দ্বারা কি বোঝায়? এইটা আসলে তোমাদের
  166. 8:28সিলেবাসে ছিল না। দ্যাটস হয়াই তোমরা অনেকে
  167. 8:30হয়তোবা দেখলে এটা বুঝতে পারো না। এটা
  168. 8:32হচ্ছে ইন্ডাকশন। হ্যাঁ। এটা সেকেন্ড ইয়ারে
  169. 8:34চ্যাপ্টার ফাইভ যেটা আমাদের সিলেবাসে নাই
  170. 8:36সেইটার একটা অংশ। যেটাকে আমরা বলতে পারি
  171. 8:39ইন্ডাকশন বা আবেশ। ট্রান্সমিটার এরকম
  172. 8:41থাকে। এইটা থাকলে মাথায় রাখবা এটা যে এই
  173. 8:43জায়গার ভোল্টেজটা এই জায়গায় চলে আসে।
  174. 8:45হ্যাঁ? এরকম থাকলে চুম্বকত্বের কারণে
  175. 8:47চুম্বকীয় আবেশের কারণে, ম্যাগনেটিক
  176. 8:50ইন্ডাকশনের কারণে যেটা হয় এই জায়গার
  177. 8:52ভোল্টেজ এই জায়গায় চলে আসে। মানে সোজা কথা
  178. 8:54এই জায়গায় ভোল্টেজ দিলে এই সার্কিটে চলে
  179. 8:56আসছে। ঠিক আছে? ফাইন। তাহলে এবার এইটা
  180. 8:58দেখো যে যখন এই সাইকেলটা যাচ্ছে যখন এই
  181. 9:02সাইকেলটা যাচ্ছে এই যে প্লাস এই সাইকেলটা
  182. 9:04যখন যাচ্ছে হ্যা তখন আমরা জানি যে এসি
  183. 9:08কারেন্ট বারবার দিক পরিবর্তন করে এটাই
  184. 9:10ইনপুট। তাহলে এই জায়গাটা হয়ে যাবে
  185. 9:12প্লাস। এই জায়গাটা হয়ে যাবে মাইনাস।
  186. 9:14মানে সোজা কথা এই জায়গা প্লাস। এই জায়গা
  187. 9:17মাইনাস। ওকে? যখন এটা থাকতেছে আবার যখন এই
  188. 9:21সাইকেলে আসবে তখন প্লাস মাইনাস উল্টায়ে
  189. 9:23যাবে দিক চেঞ্জ হয়ে যাবে ফাইন তাহলে এখানে
  190. 9:26থাকলো প্লাস আর এখানে হচ্ছে মাইনাস এবার
  191. 9:29চিন্তা করে দেখো এই যে ডায়োডগুলি আছে
  192. 9:31ডায়োডগুলার ভিতরে এই ডায়োডটাকে আমরা
  193. 9:33বলতেছি ডায়োড ওয়ান আর এই যে ডায়োডটা আছে
  194. 9:36এই ডায়োডটাকে আমরা বলতেছি ডায়োডটু
  195. 9:39এখন কোন ডায়োডটা অন থাকবে বুঝতেই পারতেছি
  196. 9:42এই ডায়োডের পিএন প্রান্তে এই ডায়োডের এইটা
  197. 9:45হচ্ছে পি প্রান্ত এটা এন প্রান্ত এই ডোডের
  198. 9:48এটা পি প্রান্ত এটা হচ্ছে এন প্রান্ত।
  199. 9:50ওকে? ফাইন। তহলে যে পিএন ডায়োডটা আমরা
  200. 9:53দেখতে পাচ্ছি এই পিএন ডায়োডের
  201. 9:56পিএন ডায়োডের এই যে পি এর সঙ্গে খেয়াল করো
  202. 10:00পি এর সঙ্গে কিন্তু প্লাস আসছে। আর এন এর
  203. 10:03সঙ্গে আসছে হচ্ছে গিয়ে মাইনাস। এখানে
  204. 10:06মাইনাস মানে এন এর সঙ্গে এখানে মাইনাস
  205. 10:08আসছে। আর পি এর সঙ্গে প্লাস। পি এর সঙ্গে
  206. 10:10প্লাস মানে এইটা ফরওয়ার্ড বায়াসে আছে।
  207. 10:13মানে এইটা ওয়ান আছে। এই মুহূর্তে এইটা
  208. 10:15ওয়ান আছে। ফরোয়ার্ড বায়াসে আছে। ঠিক তেমন
  209. 10:18করে দেখো এইখানে পি এর সঙ্গে কি আছে? পি
  210. 10:20এর সঙ্গে মাইনাস। তার মানে এটা রিভার্স
  211. 10:23বায়াস আছে। তার মানে বুঝতেছো এই কেসটা যখন
  212. 10:26চলবে এই কেসটা যখন চলবে এই সাইকেলটা যখন
  213. 10:29চলবে তখন ডায়োড ওয়ানটা কিন্তু অন হয়ে
  214. 10:33থাকবে। আর ডায়োড টু যেটা আছে ওইটা হয়ে
  215. 10:36যাবে অফ। ডায়োড টুটা অফ হয়ে যাবে। মানে
  216. 10:40এইদিকে কোন কারেন্ট যাইতে পারবে না। বাট
  217. 10:42এইটা দিয়ে কারেন্ট যাইতে পারবে। এটা অন
  218. 10:44আছে। এইটা অফ হয়ে গেছে। একটা অন আছে
  219. 10:47আরেকটা অফ হয়ে গেছে। তাইলে এই অবস্থানে
  220. 10:50যদি আমরা একটু খেয়াল করি এই অবস্থায় যদি
  221. 10:52আমরা খেয়াল করি তাহলে কারেন্টের যাওয়ার
  222. 10:54দিক কোন দিক? আমরা সবাই জানি কারেন্টটা
  223. 10:56যাবে হচ্ছে গিয়ে কারেন্টটা যাবে প্লাস
  224. 10:59থেকে মাইনাসে। এখানে প্লাস আছে এখানে
  225. 11:01মাইনাসে। দ্যাট মিন্স কারেন্টটা যখন প্লাস
  226. 11:04থেকে মাইনাসে যাবে। তো দেখো এই পথে তো
  227. 11:06যাইতে পারবে না। এইখান থেকে কারেন্ট
  228. 11:07এইখানে আসলো। আসার পরে এই পথটা বন্ধ।
  229. 11:10তাইলে সে যাবে কোন দিক দিয়ে? এই মাঝের পথ
  230. 11:12দিয়ে এই মাইনাসে চলে যাবে। নিশ্চয় সবাই
  231. 11:15এটা আমরা বুঝতে পারছি। তাহলে আমি আরেকবার
  232. 11:18দেখায় দিচ্ছি। কারেন্টটা বেসিকলি প্লাস
  233. 11:21হয়ে এই পথ খোলা আছে। এরপরে রোধের ভিতরে
  234. 11:23এদিক থেকে ঢুকে এইভাবে মাইনাসে আসবে।
  235. 11:27আই থিংক সবাই বুঝতে পারছি। কারণ নিচেরটা
  236. 11:30তো বন্ধ। এদিক দিয়ে তো আসতে পারতেছে না।
  237. 11:32আচ্ছা তাহলে খেয়াল করে দেখো এই ক্ষেত্রে
  238. 11:35কারেন্টটা ঢুকবে কোন দিক থেকে? কারেন্টটা
  239. 11:37এই পাশ থেকে ঢুকবে। এই ক্ষেত্রে কারেন্টটা
  240. 11:39এই পাশ থেকে কিন্তু কারেন্টটা এখানে
  241. 11:41এন্ট্রি নিবে। এই ক্ষেত্রে কারেন্টটা এই
  242. 11:43পাশ থেকে ঢুকবে। তাহলে বুঝতেছো যখন এখানে
  243. 11:45কারেন্ট ঢুকবে তখন এখানে ভোল্টেজ এই যে
  244. 11:47কারেন্ট আই যখন এই পাশ থেকে ঢুকবে। তখন আই
  245. 11:50ইনটু আর এতটুকু ভোল্টেজ আমরা এখানে পেয়ে
  246. 11:53যাবো। তাহলে বুঝতেছ এই কারেন্টের মান যখন
  247. 11:55বাড়তে থাকে। এখানে দেখতেছো কারেন্টের মান
  248. 11:57বাড়ে। তো কারেন্টের মান বাড়লে এই গুণফলটাও
  249. 11:59বাড়ে।
  250. 12:00আইর তাহলে এই আউটপুটটাও বাড়ে। তার মানে
  251. 12:02বুঝতেছি এই অবস্থায় এখানে আমরা সেইম একটা
  252. 12:05আউটপুট এভাবে করে পেয়ে যাব। সেইম একটা
  253. 12:08আউটপুট এভাবে পেয়ে যাব। এবং ইম্পর্টেন্ট
  254. 12:10নোট এইখানে আমরা দেখতেছি কারেন্টটা এইদিক
  255. 12:13থেকে ঢুকতেছে। কারেন্টটা এইদিক থেকে
  256. 12:15এইখানটাতে ঢুকতেছে। ফাইন। আর এইদিকটাই
  257. 12:19হচ্ছে গিয়ে আমাদের যে আউটপুট নিচ্ছি তার
  258. 12:20প্লাস আর এইদিকটা মাইনাস। প্লাস থেকে
  259. 12:22ঢুকছে। প্লাস। এরপর দ্বিতীয় অংশ যখন এই
  260. 12:27সাইকেলটা আসবে এখান থেকে এইটা এইটা যখন
  261. 12:30আসবে তখন আমরা এটা সবাই বুঝতে পারতেছি
  262. 12:33এইটা আসলে এই সাইকেলটা যখন আসবে তখন পোল
  263. 12:37আবার ঘুরে যাবে তাহলে এইখানে ছিল প্লাস আর
  264. 12:40এখানে ছিল মাইনাস এবার ঘটনাটা ঘটবে এরকম
  265. 12:42যে এই জায়গাতে হয়ে যাবে হচ্ছে গিয়ে মাইনাস
  266. 12:45এটা মাইনাস আর এটা প্লাস এই জায়গাতে
  267. 12:48মাইনাস আর এই জায়গাতে হয়ে যাবে প্লাস
  268. 12:51উল্টয়ে গেছে তাইলে এই জায়গাতে মাইনাস আর
  269. 12:54এই জায়গাতে প্লাস তাহলে ঘটনা কি এবার
  270. 12:56উল্টে যাবে আগেরবার এইটা অন ছিল এইটা অফ
  271. 12:59ছিল এবার ঘটনা উল্টে যাবে যেহেতু পোল ঘুরে
  272. 13:01গেছে এবার এইটা অফ হয়ে যাবে এইটা অন হয়ে
  273. 13:03যাবে দ্যাট মিন্স এই সাইকেলটা যখন চলবে এই
  274. 13:06নেগেটিভ সাইকেলটা তখন আমরা বুঝতে পারছি
  275. 13:09ডায়োড ওয়ানটা অফ হয়ে যাবে প্রথম
  276. 13:12ডায়োডটা অফ হয়ে যাবে আর ডায়োড টুটা অন
  277. 13:14হয়ে যাবে ডায়োড টু অন হয়ে যাবে ডায়োড
  278. 13:17অন অফ হয়ে যাবে তার মানে এবার এই রাস্তা
  279. 13:20খোলা আছে এই রাস্তা বন্ধ হয়ে গেছে এটা
  280. 13:22বন্ধ হয়ে গেছে এখন এখন কারেন্টের টার্গেট
  281. 13:24কি? আমরা জানি কারেন্ট সবসময় প্লাস থেকে
  282. 13:26মাইনাসে যায়। প্লাস থেকে মাইনাসে যায়।
  283. 13:29যেহেতু এইটা অন আছে এইটা অফ হয়ে গেছে।
  284. 13:32ঠিক আছে? তাহলে দেখো এই যে প্লাস থেকে
  285. 13:34কারেন্টটা এই রাস্তা হয়ে এদিকে তো যেতে
  286. 13:37পারবে না এটা অফ। এই দিক থেকেই আবার ঘুরে
  287. 13:40এই দিক থেকেই আবার ঘুরে দেখো।
  288. 13:44আচ্ছা দেখো, কারেন্টটা এই প্লাস থেকে এই
  289. 13:46মাইনাসে যাবে। তাইলে ও কোন দিক দিয়ে
  290. 13:48যাবে? এই রাস্তা হয়ে এইখানে এসে উপরের
  291. 13:50রাস্তা বন্ধ। এইদিক থেকেই ঢুকে এই যে
  292. 13:52মাইনাসে আসলো। নিশ্চয়ই সবাই এটা আমরা
  293. 13:55বুঝতে পারছি। ক্লিয়ার আচ্ছা তাহলে দেখতে
  294. 13:58পাচ্ছ এবারও কারেন্টটা এবারও কারেন্টটা
  295. 14:01কিন্তু এই যে প্লাস থেকে এইদিক থেকে এসে
  296. 14:03উপরের রাস্তা বন্ধ। দ্যাটস হোয়াই এখান
  297. 14:05থেকে এইটা হয়ে এইভাবে আসছে। এবারও কিন্তু
  298. 14:07একই দিক থেকে ঢুকছে। এবারও হচ্ছে প্লাস
  299. 14:10থেকে ঢুকছে। দ্যাট মিন্স আমরা এখানে এটা
  300. 14:12বুঝে গেছি। এইবারও কারেন্টটা এই প্লাস পোল
  301. 14:15থেকেই ঢুকলো। তো ঠিক একই রকমভাবে একই পোল
  302. 14:19দিয়ে যেহেতু বারবার ঢুকতেছে প্লাস থেকে
  303. 14:21ঢুকতেছে মানে এইটারেও আমরা প্লাসই কাউন্ট
  304. 14:23করব। যেহেতু প্লাস এন থেকেই বারবার
  305. 14:24ঢুকতেছে একই দিক থেকে ঢুকতেছে। আর বুঝতেছো
  306. 14:27এই কারেন্টের মানের সঙ্গে সঙ্গে গুণফলটাও
  307. 14:29বাড়বে। দ্যাট মিন্স দুই ক্ষেত্রেই একই দিক
  308. 14:31থেকে ঢুকছে প্লাস পোল থেকে। তার মানে
  309. 14:33এবারও সে এই আউটপুটে প্লাস দেখাবে এবং
  310. 14:36এটার মত করেই সেই এই পাশে প্লাস দেখাবে।
  311. 14:38তাহলে ঠিক বুঝতে পারছো? এই সেইম কেসটাই
  312. 14:41আবার এটা আসলে ডায়োড অন। ডায়োড প্রথম
  313. 14:44ডায়োডটা অন হবে। দ্বিতীয় ডোটা অফ হবে।
  314. 14:46এরকম পাব। এরপরে আবার এটা আসলে প্রথম ডটটা
  315. 14:49অফ হবে। দ্বিতীয় ডটটা অন হবে। আবারও আমরা
  316. 14:51এটা পাব। তাহলে বুঝতেছো এভাবে করে আমরা
  317. 14:54হচ্ছে গিয়া পূর্ণ তরঙ্গ রেকটিফাইড অবস্থায়
  318. 14:57পাবো। দেখতে পাচ্ছ যে এই জায়গা থেকে এই
  319. 14:59জায়গায় আসা মানে কি হচ্ছে? ফুলওয়ে
  320. 15:01রেকটিফিকেশন। ফুল ওয়েভ রেক্টিফিকেশন।
  321. 15:06ফুলওয়ে
  322. 15:07রেক্টিফিকেশন।
  323. 15:11ফুলওয়ে রেক্টিফিকেশন।
  324. 15:14ক্লিয়ার।
  325. 15:16আচ্ছা ভাই এখন তো আর অত সময় নাই যে
  326. 15:22বইয়ের সব ম্যাথ শেষ করে বোর্ড প্র্যাকটিস
  327. 15:25করব
  328. 15:27এখন সময় নাই কেন এটা এটা তোমার কেন মনে
  329. 15:30হইছে
  330. 15:32হচ্ছে গিয়ে বস এটা কেন তোমার মনে হয়েছে
  331. 15:34কজ এখনো যথেষ্ট সাফিসিয়েন্ট সময় তো আছেই
  332. 15:37তাই না তোমাদের পরীক্ষা বহুত বাকি সো এখনো
  333. 15:39তোমাদের সাফিসিয়েন্ট টাইম আছে ওটা করেও
  334. 15:41করা যায় বাট তোমার জন্য সব থেকে প্রথম
  335. 15:44কাজ যেটা হবে যদি আমরা আগে জিনিস
  336. 15:45জিনিসপত্রগুলো গুছায়ে নেই তাইলে কিন্তু
  337. 15:47আমাদের পড়তে সুবিধা হয় ঠিক আছে তাহলে
  338. 15:50সেই ক্ষেত্রে আমি বলব যে তোমাদের এখন
  339. 15:53প্রথম কাজ যেটা হবে সেটা হচ্ছে যে আমার
  340. 15:56সকল ক্লাসের সকল অংক বুঝে নেওয়া আমি যেযে
  341. 15:59তোমাদেরকে পড়াই আমি জানি ইন্টারমিডিয়েটে
  342. 16:01পড়া যখন শুরু হয় তখন সবার ভিতরে অনেক
  343. 16:03এনার্জি থাকে এই করবো সেই করব হাজার হাজার
  344. 16:05অংক করব এরকম একটা আইডিয়া থাকে বাট
  345. 16:08পরবর্তীতে যখন পরীক্ষা আসতে থাকে এইচএসসি
  346. 16:10আসতে থাকে এরপর আবার এডমিশনে দেখবা এই
  347. 16:12রিয়েলিটি আরো ফেস করবা তখন টাইমের সঙ্গে
  348. 16:14রেস এগেন্স্ট টাইম আমরা সে কেউ কুলাইতে
  349. 16:16পারি না। তারপরে যেটা দেখা যায় যে আমাদের
  350. 16:19আউটপুট তখন খারাপ চলে আসে আর কি বা ওই
  351. 16:21টেনশনেই অবস্থা খারাপ হয়ে যায়। সো
  352. 16:23সবাইকে বলব যে তোমরা এই কাজটা করবা সেটা
  353. 16:26হলো যে যখন পড়তেছি তখন কম্প্যাক্টলি
  354. 16:29পড়বা। সো আমি তো তোমাদেরকে কম্প্যাক্টলিই
  355. 16:31পড়াইছি। আমার এক একটা অংকের ভিতরেই
  356. 16:32কিন্তু সব টপিকের কনসেপ্ট কনসেপ্ট চলে
  357. 16:34আসে। সো আগে ক্লাস শেষ করবা বইয়ের অংক
  358. 16:38প্র্যাকটিস করবা। দ্যাটস মোর দান ইনাফ।
  359. 16:39দ্যাটস মোর দান ইনাফ। বা এক কাজ করতে পারো
  360. 16:42আমার ক্লাস করে তুমি বইয়ের উদাহরণগুলা
  361. 16:44দেখবা উদাহরণগুলা সবই তোমার কমন পড়বে
  362. 16:46উদাহরণগুলা সবই তোমার ক্লাসের অংক দিয়ে
  363. 16:48এরে বুঝছি বুঝছি বুঝছি এমনে করে কমন পড়বে
  364. 16:50এরপরে গিয়ে তুমি টেস্ট পেপার সলভ করবা
  365. 16:52দ্যাটস ইনাফ এইচএসসির আগে এটা করলেই হবে
  366. 16:54ভাই
  367. 16:56ভালো করে প্র্যাকটিস করো তাহলে তোমার
  368. 16:58কনসেপ্টগুলা খুব ভালোভাবে ক্লিয়ার হবে
  369. 17:01তখন ইনশআল্লাহ পারবা এক্সাক্টলি ক্লাসের
  370. 17:03ভিতরেও দেখতে হবে রিডিং বিটুইন লাইন বলে
  371. 17:05একটা কথা আছে দুইটা লাইনের মাঝখানের
  372. 17:07লাইনটাও পড়তে পারতে হবে
  373. 17:11ওকে ক্লিয়ার ফাইন
  374. 17:15একজন বলছে ভাইয়া বায়োবসের ক্লাস চলতেছে
  375. 17:17একই টাইমে এটা তো চলা উচিত না আসলে
  376. 17:19ওভারল্যাপ করে ফেলছে বায়োবাবস হৃদয় নাই
  377. 17:22তাই না তো হৃদয়ের সঙ্গে কথা বলব আমি
  378. 17:24ওভারল্যাপ করলে অবশ্যই এটা ঠিক করা যাবে
  379. 17:26আর কি ঠিক আছে ক্লিয়ার ফাইন এতটুকু আমরা
  380. 17:29সবাই বুঝতে পারছি এখন এখান থেকে একটা
  381. 17:32কোশ্চেন এর আগে এইচএসসি পরীক্ষাতে আসছে
  382. 17:35ওকে তো ওই কোশ্চেনটা আমরা একটু আনসার করি
  383. 17:38ওকে ওই কোশ্চেনটা আমরা একটু আনসার করি।
  384. 17:41ফাইন। তো দেখো সেটা কোন কোশ্চেন আসছে।
  385. 17:43আসলে
  386. 17:47আমরা দুইটারই অর্ধতরঙ্গ রেকটিফিকেশন এবং
  387. 17:51পূর্ণতরঙ্গ রেকটিফিকেশন এই দুইটাই আমরা
  388. 17:54হচ্ছে গিয়ে দেখছি। সটাতে ফ্রিকোয়েন্সি
  389. 17:57চেঞ্জ হয় বা পর্যায়কাল চেঞ্জ হয় কোনটাতে
  390. 18:00হয় না সেই জিনিসটা নিয়ে এমসিকিউ। একটা
  391. 18:02জনপ্রিয় এমসিকিউ। ব্যাপারটা এরকম। লেটস সে
  392. 18:05আমরা হচ্ছে
  393. 18:19এরকম একটা ইনপুট সিগনাল দিলাম। হ্যা এইটা
  394. 18:22হচ্ছে আমাদের ইনপুট সিগনাল।
  395. 18:26ওকে? ফাইন। এখন আমরা এই ইনপুটের এগেন্স্টে
  396. 18:30আউটপুটগুলা নিশ্চয়ই খেয়াল করছি। প্রথমে
  397. 18:33হচ্ছে হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন এর আউটপুট
  398. 18:35গুলা দেখব। এরপরে আমরা ফুল ওয়েভ
  399. 18:37রেক্টিফিকেশন এর আউটপুট গুলা দেখবো। ঠিক
  400. 18:40আছে? এগুললা হচ্ছে হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন
  401. 18:43এর আউটপুট।
  402. 18:49দেখো এইটা হচ্ছে আমাদের ইনপুট ভোল্টেজ ছিল
  403. 18:52সময়ের সাপেক্ষে। আমরা জানি যখন হাফ ওয়েভ
  404. 18:55রেক্টিফাইড হইছে। যখন হাফ ওয়েভ রেক্টিফাইড
  405. 18:57হয় তখন প্লাসগুলা রাখে মাইনাসগুলা চলে যায়
  406. 18:59অথবা ইদার ওয়ে মাইনাসগুলা রাখে প্লাসগুলা
  407. 19:01চলে যায়। সো দেখো এইখানটাতে শুধু
  408. 19:03প্লাসগুলা আছে মাইনাস গুলা নাই শুধু
  409. 19:06প্লাসগুলা আছে মাইনাস গুলা নাই ওকে ফাইন
  410. 19:11এইটা হচ্ছে গিয়ে হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন এর
  411. 19:13আউটপুট হাফ ওয়েব রেক্টিফিকেশন আমরা এরকম
  412. 19:16আউটপুট দেখতে পাই আর ফুল ওয়েব
  413. 19:19রেক্টিফিকেশন আমরা কি আউটপুট পাইছি ফুলওয়ে
  414. 19:21রেক্টিফিকেশনে পাইছি যে আমরা সবগুলাকে
  415. 19:24প্লাস বানায় রাইখা দিছি সবগুলাকে আমরা
  416. 19:27পজেটিভ করে দিছি সবগুলাকে আমরা এখানে
  417. 19:30পজেটিভ করে ফেলছি। এটা হচ্ছে ফুলওয়ে
  418. 19:33রেক্টিফিকেশন। আর এখানে ছিল প্লাস মাইনাস।
  419. 19:36বারবার দিক পরিবর্তন হচ্ছিল। ঠিক আছে?
  420. 19:40ফাইন। তো এই জায়গাতে আমরা হচ্ছে গিয়ে যে
  421. 19:44ব্যাপারটা বুঝতে পারছি এইটা ছিল হাফ ওয়েভ
  422. 19:47রেক্টিফিকেশন। প্রথমটা ছিল হাফ ওয়েভ
  423. 19:49রেক্টিফিকেশন। আর এইটা হচ্ছে ফুল ওয়েভ
  424. 19:51রেক্টিফিকেশন। এখন দুই ক্ষেত্রে
  425. 19:53ফ্রিকোয়েন্সি চেঞ্জটা আমরা একটু দেখতে
  426. 19:54চাই। যেমন এইটা এটা হচ্ছে হাফ ওয়েভ।
  427. 19:58অর্ধেক তরঙ্গ রেকটিফিকেশন করছে। আর এটা
  428. 20:01হচ্ছে ফুল ওয়েভ রেক্টিফিকেশন। ফুল ওয়েভ।
  429. 20:06হ্যা পূর্ণ তরঙ্গ রেকটিফিকেশন। এখন
  430. 20:09পর্যায়কালের সম্পর্কটা দেখি। এইটা হচ্ছে
  431. 20:11আমাদের ইনপুট সিগনালের পর্যায়কাল। হ্যা।
  432. 20:16এখন এইখানে তোমরা একটা জিনিস খেয়াল করো।
  433. 20:17এটার পর্যায়কাল কতটুকু? এতটুকু? একটা
  434. 20:20পূর্ণ দোলনকেই তো আমরা পর্যায়কাল বলি।
  435. 20:22এতটুকু কিন্তু পর্যায়কাল। ইজেন্ট ইট? একটা
  436. 20:24প্লাস, একটা মাইনাস। পর্যায় বলতে কি
  437. 20:26বুঝায়? যে জিনিসটা বারবার আসে, যে জিনিসটা
  438. 20:29আমাদের বারবার আসে ওইটাকে আমরা বলি হচ্ছে
  439. 20:31গিয়া পর্যায়কাল। ঠিক আছে? ফাইন। তাহলে এই
  440. 20:34জিনিসটাই দেখো বারবার আসে। এই অংশটাই
  441. 20:36রিডান্ডেড। এই প্লাস মাইনাস এই চাংটাই
  442. 20:39বারবার আসতেছে তাই না? বারবার আসে।
  443. 20:41এরপরেরটা তো আমি আকি নাই। এরপরে ওইভাবে
  444. 20:43করেই আসতো আর কি। হ্যা। এই অংশটা হচ্ছে
  445. 20:45পর্যায়কাল। ইনপুটের পর্যায়কাল এতটুকু।
  446. 20:47ইনপুটের পর্যায়কাল এতটুকু। এখন আউটপুটের
  447. 20:51পর্যায়কাল কত? দেখো হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন
  448. 20:53যখন করতেছি এইটার পর্যায়কাল কিন্তু
  449. 20:55এতটুকু। খেয়াল করে দেখো এই অংশটাই বারবার
  450. 20:57আসতেছে। এইটাই কিন্তু আউটপুটের পর্যায়কাল।
  451. 21:00এই অংশটাই বারবার আসে। একটা প্লাস শূন্য।
  452. 21:03প্লাস শূন্য যে অংশটা দেখো এই প্লাস শূন্য
  453. 21:06অংশটাই বারবার আসতেছে। এই চাংটাই বারবার
  454. 21:08আসে। এই চাংটাই বারবার আসে। তারমানে আমরা
  455. 21:11বুঝতে পারতেছি যে এখানটাতে আমরা এটা
  456. 21:13ডেফিনেটলি সবাই বুঝে ফেলছি। যে এই অংশটা
  457. 21:16বারবার করে আসতেছে। দ্যাট মিন্স এটাই তার
  458. 21:20পর্যায়কাল। এবং খেয়াল করে দেখো। ইনপুটের
  459. 21:22যে পর্যায়কাল। ইনপুটের যে পর্যায়কাল
  460. 21:26ইনপুটটার যে পর্যায়কাল আউটপুটটারও
  461. 21:28পর্যায়কাল কিন্তু একুরেটলি তাই আছে।
  462. 21:31ইনপুট আউটপুট দেখো এতটুকুই আছে। তার মানে
  463. 21:34আমরা বুঝতেছি এই ক্ষেত্রে যে আউটপুটের
  464. 21:37পর্যায়কাল হাফওয়েব রেকটিফিকেশন দুইটা
  465. 21:39সমান। দুইটা সমান। এবং আমরা এখান থেকে
  466. 21:43বুঝতে পারবো হাফ ওয়েব রেক্টিফিকেশনের
  467. 21:45আউটপুটের পর্যায়কাল এর ইনপুটের
  468. 21:48পর্যায়কালের সমান। তাহলে এটা আমরা মনে
  469. 21:50রাখবো যে হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশনে
  470. 21:52পর্যায়কালের কোন চেঞ্জ হয় না। ওকে গেল
  471. 21:57এটা। এরপর আসো ফুলওয়ে রেক্টিফিকেশনে কি
  472. 21:59হইছে? খেয়াল করে দেখছো ফুলওয়ে
  473. 22:01রেক্টিফিকেশনে এই ডিবিটা এই গুম্বসটাই
  474. 22:04বারবার আসতেছে। এই গুম্বসটাই বারবার আসে।
  475. 22:06এটাই বারবার আসে। দ্যাট মিন্স ফুলওয়ে
  476. 22:09রেকটিফিকেশনের পর্যায়কাল কিন্তু এতটুকু।
  477. 22:11ফুলওয়ে রেক্টিফিকেশনের পর্যায়কাল এতটুকু।
  478. 22:15এই অংশটাই বারবার করে আমাদের আসতেছে। এই
  479. 22:18সেইম অংশটাই বারবার আসতেছে। তাহলে এখান
  480. 22:20থেকে তো এইটা আমরা সবাই বুঝে ফেলছি তাই
  481. 22:22না? যে এইখান থেকে আমরা এটা সবাই বুঝে
  482. 22:26ফেলছি যে এই অংশটা বারবার আসতে থাকে। তার
  483. 22:28মানে পর্যায়কাল অর্ধেক হয়ে গেছে। দেখো
  484. 22:30আগেরটার অর্ধেক। তারমানে আমরা বুঝতেছি
  485. 22:32ফুলওয়ে রেক্টিফিকেশনে আমাদের যে ইনপুট
  486. 22:35সিগনালটা আছে তার অর্ধেক হয়ে গেছে।
  487. 22:37পর্যায়কাল। দ্যাট মিন্স পর্যায়কাল ছোট হয়ে
  488. 22:40গেছে। ইনপুট সিগনালের পর্যায়কাল অর্ধেক।
  489. 22:43পর্যায়কালের অর্ধেকটা হবে আউটপুট
  490. 22:46সিগনালের পর্যায়কাল। নিশ্চয়ই সবাই
  491. 22:48এতটুকু আমরা বুঝে ফেলছি। ঠিক আছে? আচ্ছা
  492. 22:52তো মজা কিন্তু ব্যাপারটা।
  493. 22:54এখন দেখো আমরা দেখলাম আমরা এটা সবাই জানি।
  494. 22:59ইকুও বাই এফ। কম্পাঙ্ক টি ইকুও বাই এফ।
  495. 23:03কম্পাঙ্ক হচ্ছে পর্যায়কালের
  496. 23:04ব্যস্তানুপাতিক। কম্পাঙ্ক পর্যায়কালের
  497. 23:07ব্যস্তানুপাতিক। ঠিক আছে?
  498. 23:10আচ্ছা। মালিয়া বলছো হচ্ছে গিয়ে প্লাস
  499. 23:13মাইনাস উল্টা হয়ে গেছে ওইটা তো ঠিক করে
  500. 23:15দিছি দেখলাম তোমাদের মনোযোগ আছে কিনা আর
  501. 23:18কি হ্যাঁ ফাইন তো দেখো এইখান থেকে এইখান
  502. 23:22থেকে আমরা বুঝতেছি যেহেতু ব্যস্তানুপাতিক
  503. 23:26তাইলে এইখানে পর্যায়কাল কিন্তু কম্পাঙ্ক
  504. 23:28কিন্তু চেঞ্জ হবে না আউটপুটের কম্পাঙ্ক আর
  505. 23:31ইনপুটের কম্পাঙ্ক সেম থাকবে দেখতেছো
  506. 23:34কম্পাঙ্কের কোন চেঞ্জ হবে না যেহেতু
  507. 23:36পর্যায়কাল সমান আছে সো কম্পাঙ্ক সমানই আছে
  508. 23:39একই মান তাই না ফাইন ফাইন। কিন্তু এই
  509. 23:42জায়গাতে বুঝতেছো যেহেতু আমাদের
  510. 23:45পর্যায়কাল অর্ধেক হয়ে গেছে। তার মানে
  511. 23:47কম্পাঙ্ক দ্বিগুণ হয়ে যাবে।
  512. 23:48ব্যস্তানুপাতিক বিপরীত সম্পর্ক। তার মানে
  513. 23:50আমরা এখানে বুঝতে পারব যে ফুলওয়ে
  514. 23:53রেক্টিফিকেশনে আউটপুটের কম্পাঙ্ক হবে
  515. 23:55ইনপুটের কম্পাঙ্কের দ্বিগুণ। তাই না?
  516. 23:58উল্টো সম্পর্ক। মানে কম্পাঙ্ক হয়ে যাবে
  517. 24:02দ্বিগুণ। তাহলে সুন্দর। কিন্তু এখান থেকে
  518. 24:03এমসিকিউ এরকম আসে। কিরকম দেখো। লেটস সে
  519. 24:06এভাবে করে বলল। ইনপুটের পর্যায়কাল পাঁচ
  520. 24:09সেকেন্ড। বলেছে ইনপুটের পর্যায়কাল পাঁচ
  521. 24:12সেকেন্ড। ইনপুটের পর্যায়কাল যদি পাঁচ
  522. 24:14সেকেন্ড হয় তাহলে হাফ ওয়েব
  523. 24:16রেক্টিফিকেশনে আউটপুটের পর্যায়কাল কত
  524. 24:18আসবে? পাঁচ সেকেন্ডই সমানই থাকবে। এবং
  525. 24:22আমরা বুঝতেছি এই ফুল ওয়েভ রেকটিফিকেশনে
  526. 24:25আউটপুটের পর্যায়কাল কত আসবে? পাবাই 2
  527. 24:29মানে হচ্ছে আড়াই সেকেন্ড হয়ে যাবে। তাই
  528. 24:32না? তো পর্যায়কালে যদি এভাবে এমসিকিউ আসে
  529. 24:34আমরা পারব। আবার মনে করো কোন একটা কেস
  530. 24:36এভাবে বলল যে ইনপুট সিগনালের
  531. 24:39ইনপুট সিগনালের ফ্রিকোয়েন্সি ছিল 500
  532. 24:43হারজ।
  533. 24:45তাহলে হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশনে এইটার
  534. 24:47ফ্রিকোয়েন্সি কত হবে? সেমই থাকবে। 500
  535. 24:50হারজ।
  536. 24:52যদি বলে ফুলওয়ে রেক্টিফিকেশন পর্যায়কাল
  537. 24:55কত হবে? তাহলে সে কষেত্রে কত হবে? 2 ই
  538. 24:57500। তার মানে 1000 1000 হারজ। 1000 হারজ।
  539. 25:04তাহলে নিশ্চয়ই সবাই আমরা বুঝতে পারছি যে
  540. 25:07এরকম এমসিকিউ আসলে কম্পাঙ্ক ফ্রিকোয়েন্সি
  541. 25:09সম্পর্কটা আমরা বের করতে পারবো। এই
  542. 25:10একমাত্র এমসিকিউ একবার আসছিল।
  543. 25:12এখনো ভুল আছে ভাইয়া কে বলছো? ও আচ্ছা
  544. 25:15হ্যাঁ এইযে তোমাদের মনোযোগ একটু বেশি
  545. 25:17টেস্ট করে ফেলছি আমি মোস্ট প্রবাবলি।
  546. 25:19ফাইন। এইটা হচ্ছে গিয়ে ছিল হচ্ছে গিয়ে
  547. 25:23মাইনাস আর এটা হচ্ছে প্লাস। বুঝছ এটা। ঠিক
  548. 25:26আছে?
  549. 25:28ফাইন। তাহলে হোপফুলি সবাই এতটুকু আমরা
  550. 25:30বুঝে ফেলছি। তাই না? ক্লিয়ার এই অংশটুকু
  551. 25:33আমাদের সবার ক্লিয়ার হয়ে গেছে। এবার আসো
  552. 25:36আমরা চলে যাই এর পরের অংশে। ঠিক আছে? এর
  553. 25:39পরের অংশে। তো রেকটিফিকেশন গেল। আমরা তিন
  554. 25:42ধরনের রেকটিফিকেশনে সার্কিট কিরকম হবে
  555. 25:44সেটা সবাই বুঝতে পারছি। ওকে? ফাইন।
  556. 25:49ওকে। ওকে। এবার আসো। এরপরে।
  557. 25:55এরপরের যে অংশটা আছে এই অংশটাতে। এরপরের
  558. 25:59যে অংশটা আছে এই অংশটাতে আমরা দেখব হচ্ছে
  559. 26:03গিয়ে ট্রান্জিস্টর ট্রান্জিস্টর
  560. 26:07ট্রান্জিস্টর
  561. 26:13ট্রান্জিস্টর ওকে আচ্ছা
  562. 26:17সো ট্রাানজিস্টর হচ্ছে গিয়া বা এটাকে
  563. 26:20বিজিটিও বলে এটাকে বিজিটিও বলে বিজিটি
  564. 26:25এটার ফুল ফর্ম হচ্ছে বাইপোলার জাংশন
  565. 26:28ট্রানজিস্টর বাইপোলার জাংশন ট্রান্জিস্টর
  566. 26:32বা সোজা কথা যেটাকে আমরা বলতে পারি
  567. 26:36ট্রান্জিস্টর কত নাম্বার স্লাইড এটা চার
  568. 26:38নাম্বার স্লাইড হ্যা এর আগে আমরা তেমন
  569. 26:40কিছু দেখি নাই আমরা জাস্ট হচ্ছে গিয়ে এই
  570. 26:42জিনিসপত্রগুলো পড়েছি ঠিক আছে ফাইন
  571. 26:45ট্রানজিস্টর এবার আসো ট্রানজিস্টরের কিছু
  572. 26:48বেসিক জায়গা আমরা দেখে নেই হ্যাঁ তো
  573. 26:50ট্রানজিস্টর দেখতে কি রকম হয় তো
  574. 26:52ট্রানজিস্টর দুই টাইপের হয় ট্রানজিস্টর
  575. 26:55দুই টাইপের হয় একটা হচ্ছে
  576. 26:58এনপিএন ট্রান্জিস্টর আরেকটা হচ্ছে পিএনপি
  577. 27:00ট্রান্জিস্টর। সবথেকে বেশি ব্যবহৃত হয়
  578. 27:03এনপিএন ট্রান্জিস্টর। এন পিএন এটা একটা
  579. 27:06যন্ত্র। হ্যা এটা দিয়ে অনেক কিছু করা
  580. 27:08যায়। দেখতে থাকো সব বুঝতে থাকবা। এটা
  581. 27:10হচ্ছে এনপিএন ট্রান্জিস্টর। এইটা সবথেকে
  582. 27:14বেশি ব্যবহৃত হয়। আরেকটা হচ্ছে পি এন পি
  583. 27:18ট্রানজিস্টর। দুইটা দিয়েই একই কাজ করা
  584. 27:21যায়। জাস্ট দুইটা উল্টা একটা উল্টাভাবে
  585. 27:23কাজ করে। হ্যাঁ সো বহুল ব্যবহৃত এটা বহুল
  586. 27:27ব্যবহৃত বহুল ব্যবহিত বহুল ব্যবহৃত
  587. 27:32ট্রানজিস্টর হচ্ছে গিয়ে তোমার এনপিএন
  588. 27:34ট্রানজিস্টর পিএনপি খুব রেয়ারলি ব্যবহার
  589. 27:37করা হয় স আমরা আমাদের বইয়ে যত সার্কিট
  590. 27:39আছে সবকিছু এই এনপিএন দিয়েই করা আছে
  591. 27:42সবকিছু এনপিএন দিয়েই করা আছে স আমরা দেখব
  592. 27:45সার্কিট প্রত্যেকটা এনপিএন দিয়ে করা
  593. 27:46এনপিটা বেশি ইম্পর্টেন্ট এখন ট্রান্জিস্টর
  594. 27:49কিভাবে বানায় এটার ব্লক ডায়াগ্রাম আমি
  595. 27:51আকা দেখায় দিচ্ছি এরকম করে
  596. 27:55তিনটা
  597. 27:57মানে ই করা ডোপিং করা সেমিকন্ডাক্টর যুক্ত
  598. 28:01করা হয়। তিনটা ডোপিং করা সেমিকন্ডাক্টর
  599. 28:04এখানে আমরা যুক্ত করব। তো তিনটা বলতে
  600. 28:07এইখানে হচ্ছে এন টাইপ মাঝখানে একটা পি
  601. 28:09টাইপ। এখানে একটা এন টাইপ। অনেকটা
  602. 28:11স্যান্ডউইজ এর মত। তাই দুই পাশে বারন
  603. 28:13মাঝখানে হচ্ছে গিয়া হচ্ছে আমরা যে ফুডটা
  604. 28:16রাখি আর কি। চিকেনটাকে রাখি এরকম। এইটা
  605. 28:19হচ্ছে গিয়ে এনপিএন ট্রান্জিস্টর। তাহলে
  606. 28:21পিএনপি ট্রাানজিস্টার কেমন হবে বুঝতেই
  607. 28:23পারতেছো? দুই সাইডে দুইটা পি থাকবে। দুই
  608. 28:26সাইডে দুইটা পি থাকবে আর মাঝখানে থাকবে
  609. 28:29হচ্ছে গিয়ে এন। ওকে? ফাইন। এখন এইটার
  610. 28:33তিনটা হচ্ছে গিয়ে পোল থাকে। ওকে? ফাইন।
  611. 28:37তিনটা হচ্ছে গিয়ে আমাদের এন্ড এখানে
  612. 28:40থাকবে। তিনটা এন্ড আমাদের থাকবে। হ্যাঁ।
  613. 28:43তাহলে তিনটা এন্ডের ভিতরে বুঝতে পারতেছো
  614. 28:45যে তিনটা হচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর আছে। তো
  615. 28:48তিনটা সেমিকন্ডাক্টরে আমাদের তিনটা এন্ড
  616. 28:50থাকবে। স দেখো এই জায়গাতে এটা একটা এন্ড
  617. 28:55মাঝের। তারপর এখানে একটা এন্ড এবং এইখানে
  618. 28:59একটা এন্ড। মাঝের যেটা আছে সেটাকে আমরা
  619. 29:02বলব পিঠ। বাংলায় এটাকে বলা হয় পিঠ। আরেকটা
  620. 29:06নাম হচ্ছে ভূমি। এটাকে আমরা বলব পিঠ বা
  621. 29:09ভূমি। ওকে? পিঠ বা ভূমি। এটাকে ইংলিশে
  622. 29:12বলবে হচ্ছে বেইজ। ইংলিশে বলবে বেইস। বি্যা
  623. 29:17আচ্ছা। ঠিক তেমন করে এটা হচ্ছে পিঠ বা
  624. 29:20ভূমি বা বেস। এই প্রান্তে যেটা আছে এই
  625. 29:23দুইটা প্রান্তের একটাকে বলবে এমিটার। আর
  626. 29:26একটাকে বলবে হচ্ছে গিয়া কালেক্টর। এটা
  627. 29:29হচ্ছে এমিটার বা নিঃসারক। এটাকে বলা হয়
  628. 29:32এমিটার বা নিঃসারক। এমিটার বা নিঃসারক।
  629. 29:37ওকে। ফাইন। ইংলিশে এটাকে বলতেছে ইমিটার।
  630. 29:42ফাইন ই দ্বারা এটাকে সিগনিফাই করা হয়।
  631. 29:45ইমিটার আরেকটা যে প্রান্ত আছে এটাকে আমরা
  632. 29:48বলব হচ্ছে কালেক্টর। এটাকে আমরা বলব
  633. 29:51কালেক্টর।
  634. 29:53কালেক্টর বা সংগ্রাহক। এখান থেকে সংগ্রহ
  635. 29:56করে। কি সংগ্রহ করে? ওযে আউটপুট সংগ্রহ
  636. 29:58করে। এই মেশিন দিয়ে তো কিছু একটা করে। তো
  637. 30:00আউটপুটটা এখান থেকে সংগ্রহ করে। সংগ্রাহক।
  638. 30:03সংগ্রাহক। ওকে। ফাইন। এটাকে বলা হয়
  639. 30:06কালেক্টর।
  640. 30:10কালেক্টর ওকে আচ্ছা কালেক্টর
  641. 30:15এটা কালেক্টর ওকে আচ্ছা তাহলে দেখতেছো এটা
  642. 30:20নিঃসারক এটা হচ্ছে পিট বা হচ্ছে বেইস আর
  643. 30:24এটা হচ্ছে কালেক্টর এখন কালেক্টর ইমিটারের
  644. 30:26মধ্যে পার্থক্য কি হবে মনে রাখবা যে
  645. 30:28দুইটাই তো এন টাইপ এইটাতে হচ্ছে গিয়া
  646. 30:31ইলেকট্রনের ঘনত্ব একটু বেশি আমরা জানি
  647. 30:33এখানে হচ্ছে গিয়ে ইলেকট্রন বেশি থাকে এন
  648. 30:36টাইপ মানে ইলেকট্রন থাকে বেশিবা করলে
  649. 30:38ইলেট্রন বেশি থাকে দুইটাতে তো ইলেকট্রন
  650. 30:40বেশি আছে হ্যা বাট এইটার থেকে এইটাতে একটু
  651. 30:43বেশি থাকে আর কি ওকে ফাইন মানে দুইটা একই
  652. 30:47রকম থাকে না দুইটাতে ইলেকট্রনের ঘনত্ব একই
  653. 30:49রকম থাকে না ওকে বেশি কম থাকে এটাই ফাইন
  654. 30:52এইটা হচ্ছে গিয়ে আমাদের
  655. 30:55কি বলে এনপিএন ট্রান্জিস্টর এখানেও
  656. 30:57ব্যাপারগুলো সেইম এখানেও ব্যাপারগুলো সেইম
  657. 31:00এইটা একটা হচ্ছে গিয়ে ইমিটার
  658. 31:03একটা হচ্ছে ইমিটার একটা হচ্ছে বেস আরেকটা
  659. 31:07হচ্ছে কালেক্টর
  660. 31:09আরেকটা হচ্ছে কালেক্টর। ওকে? এটা একটা
  661. 31:12যন্ত্র। যন্ত্রের পরিচিতি আমরা পড়তেছি।
  662. 31:14এখন এই চিত্রগুলো হচ্ছে ব্লক ডায়াগ্রাম।
  663. 31:17এইভাবে করে আমরা সার্কিটে আকবো না।
  664. 31:18সার্কিট ডায়াগ্রাম ডিফারেন্ট হয়। এটা
  665. 31:20হচ্ছে ব্লক ডায়াগ্রাম। বাট সার্কিট
  666. 31:22ডায়াগ্রাম হচ্ছে গিয়ে ডিফারেন্ট হয়।
  667. 31:24সার্কিটে যখন আমরা এটা আকবো। বর্তনীতে যখন
  668. 31:27আমরা এটাকে আকবো তখন এইভাবে করে আকব। দেখো
  669. 31:29বর্তনীতে যখন আমরা আকবো তখন আমরা এইভাবে
  670. 31:33করে জিনিসটাকে আকবো। বর্তনীতে যখন আকবো
  671. 31:36তখন আমরা এইভাবে করে জিনিসটাকে আকবো। এই
  672. 31:39যে এইভাবে করে ওকে? এইখানেও ঠিক একই
  673. 31:42রকমভাবে এই যে দেখতেছো
  674. 31:45এইভাবে করে হচ্ছে আমরা বর্তনীতে এই
  675. 31:49জিনিসটাকে আঁকবো। কোন কোন সময় এখানে একটা
  676. 31:51গোল সাইন দেয়। কখনো কখনো এখানে একটা গোল
  677. 31:54দেখবা বইয়ে কিছু কিছু বইয়ে এখানে একটা গোল
  678. 31:57দিয়ে আটকায়ে দেয়। এটা মান্ডাটরি না।
  679. 31:59হ্যাঁ। এরকম একটা গোল দিয়ে রাখে। এরকম হয়।
  680. 32:02এখানে একটা গোল দিয়ে রাখে। এটা দেওয়া যেতে
  681. 32:04পারে। না দিলেও প্রবলেম নাই। আবার
  682. 32:06ডিরেক্টলিও দেওয়া যায়। মানে মেশিনের
  683. 32:08ভিতরেরটা বুঝায়। তাহলে এই যে কমিউনিকেশন
  684. 32:11এই যে এই ডায়াগ্রাম সার্কিট ডায়াগ্রাম এই
  685. 32:14ডায়াগ্রামে কোনটা এনপিএন আর কোনটা পিএনপি
  686. 32:17এটা কেমনে বুঝবো? এটা বুঝবা অ্যারোহেড
  687. 32:19দেইখা। এটা আমরা সবাই বুঝবো অ্যারোহেড
  688. 32:21দেইখা। দেখো অ্যারোহেডটা কি নিচের দিকে
  689. 32:24না? অ্যারোহ হেড যদি নিচের দিকে থাকে
  690. 32:27তাইলে ওটা হচ্ছে এন পি এন ট্রানজিস্টর।
  691. 32:32দেখো অ্যারোহ হেড নিচে। তার মানে এটা এন
  692. 32:34পিএন ট্রান্জিস্টর। আবার দেখতেছো এরোহেড
  693. 32:37উপরে এরোহেড উপরে। তাইলে এটা পি এন পি
  694. 32:42ট্রান্জিস্টর। এই এমসিকিউটাও আসছে বেশ
  695. 32:45কয়েকবার। যদি ছবি দেখে চিহ্নিত করো কোনটা
  696. 32:47পিএনপি এবং কোনটা এনপিএন। তো দেখেই
  697. 32:50বুঝতেছো অ্যারোহেড নিচের দিকে থাকলে
  698. 32:51এনপিএন। আর এইটাই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়।
  699. 32:53আর অ্যারোহেড যদি উপরের দিকে থাকে তাহলে
  700. 32:56সেটা পিএনপি। ঠিক আছে? আচ্ছা। গেল এইটা।
  701. 33:00এখন বেস কোনটা হবে? ডেফিনেটলি দেখে বুঝতে
  702. 33:03পারতেছো বেইজ হবে এইটা বি বেইজ এইটা হবে
  703. 33:07মাঝেরটা বেইজ এখানেও মাঝেরটা বেইজ মাঝেরটা
  704. 33:11বেইজ এবার দেখো যে ইমিটার কোনটা মনে রাখবা
  705. 33:15যে হাতে অ্যারো এই হাতটাতে এরো আছে তাইলে
  706. 33:17এইটা হচ্ছে গিয়ে ইমিটর এখানেও দেখো এই
  707. 33:20হাতে এরো আছে তাইলে এইটা হবে হচ্ছে আমাদের
  708. 33:23ইমিটার ওকে তাহলে আমরা ইমিটর চিনতে পারছি
  709. 33:26আর এইটা কি হবে এইটা হচ্ছে গিয়ে আমাদের
  710. 33:28কালেক্টর তাহলে বাকি যেটা থাকে সেটা টা
  711. 33:31কালেক্টর। তাহলে ট্রান্জিস্টর মেশিনটা
  712. 33:33কিরকম এবং এইটাতে কিভাবে করে হচ্ছে গিয়ে
  713. 33:37এনপিএন মাপা যায় সেই ব্যাপারটা আমরা সবাই
  714. 33:40দেখলাম। ঠিক আছে? মানে এনপিএন কোনটা
  715. 33:43কোনটাতে কি হয় সেটা। এখন এখানে মাইনাস
  716. 33:45এইখানে অ্যারোটা কেন উল্টা থাকে?
  717. 33:47ব্যাপারটা হচ্ছে কারেন্টের যখন নিষ্কাত
  718. 33:49হয়। কারেন্ট যখন নিষ্কাত হয়। হ্যাঁ।
  719. 33:52কারেন্ট যখন নিষ্কাত হয় তখন দেখা যায় এই।
  720. 33:57এনপিএন ট্রান্জিস্টরে কারেন্টটা এইখান
  721. 33:59থেকে নামে। কারেন্টটা এইখান থেকে নামে।
  722. 34:01দ্যাটস হোয়াই এরোহেডটা নিচে। এই বরাবর
  723. 34:04কারেন্টটা নামে। আর পিএনপিতে কারেন্টটা
  724. 34:07এইখান থেকে ওঠে। এখান থেকে উপরে ওঠে।
  725. 34:10নিশ্চয় বুঝতেছে। এখান থেকে উপরের দিকে
  726. 34:12ওঠে। দ্যাটস হয়াই এটা হচ্ছে গিয়ে এভাবে।
  727. 34:15আর এইখানে হচ্ছে কারেন্টটা এইভাবে করে
  728. 34:17নামে। নিশ্চয়ই সবাই এটা আমরা বুঝতে পারছি।
  729. 34:21ক্লিয়ার?
  730. 34:24আচ্ছা ফাইন। গেল। সো আমাদের মেজরিটি কেসেই
  731. 34:27যেটা দরকার হবে সেটা হচ্ছে এনপিএন
  732. 34:30ট্রানজিস্টর। আমাদের মেজরিটি কেসে দরকার
  733. 34:32হবে হচ্ছে গিয়ে এনপিএন ট্রানজিস্টর। এটা
  734. 34:35দিয়েই আমরা সব ধরনের কাজ করব। এখন
  735. 34:37ট্রানজিস্টর সার্কিটে কেমনে আঁকে এটা আমরা
  736. 34:38জানলাম। ট্রানজিস্টর কয় টাইপের, কোনটা
  737. 34:40নিঃসারক, কোনটা হচ্ছে গিয়ে বেইজ, কোনটা
  738. 34:43হচ্ছে গিয়ে সংগ্রাহক এই ব্যাপারগুলো আমরা
  739. 34:45জেনে ফেলছি। এবার আসো
  740. 34:49ট্রানজিস্টরের মুড সম্পর্কে জানবো। এটা তো
  741. 34:51গেল ট্রানজিস্টর। এখন ট্রান্জিস্টরে দুই
  742. 34:53টাইপের জিনিস আছে। একটা হচ্ছে তার মুড
  743. 34:55আরেকটা হচ্ছে তার কনফিগারেশন। হ্যাঁ। একটা
  744. 34:58হচ্ছে তার মুড আরেকটা হচ্ছে কনফিগারেশন।
  745. 35:01সো আগে আমরা জানবো ট্রান্জিস্টরের মুড।
  746. 35:03বইয়ে কিন্তু এত ডিটেইলসে কিছু লেখা নাই।
  747. 35:05বইয়ে যা লেখা তৈরি পড়ে কিছু বুঝবা না
  748. 35:06কিন্তু। হ্যাঁ। সো এইজন্য বলতেছি একটু
  749. 35:08মনোযোগ দিয়ে ক্লাসগুলা করবা।
  750. 35:09সেমিকন্ডাক্টর আমি যতটুকু পড়াচ্ছি অতটুকু
  751. 35:11মোর দান ইনাফ। এতটুকু জানছো মানে অনেক
  752. 35:13কিছু জানছো। আমি এগুলো কিচ্ছু না বইয়ের
  753. 35:14চান্স পাইছি। আমি তোমাদের বলছি। ওকে?
  754. 35:16ফাইন। সো দেখতেছো মুড।
  755. 35:20ওকে ভাইয়া আপনি হেয়ার কেয়ার কিভাবে
  756. 35:24করেন একটু জানাবেন প্লিজ। আপনার থেকে
  757. 35:26ইন্সপায়ার হয়ে আমিও চুল বড় রাখছি।
  758. 35:28কিন্তু আমি তো কেটে ফেলছি। তুমি তো
  759. 35:30ইন্সপায়ার হয়ে বড় রাখছো। আমি তো কেটে
  760. 35:32ফেলছি। তো শীতকালে চুল বড় থাকলে অবশ্যই
  761. 35:34একদিক দিয়ে ভালো হয়। হেয়ার কেয়ার আমি
  762. 35:35কিচ্ছু করি না ভাই। হেয়ার কেয়ার আসলেই
  763. 35:37কিচ্ছু করি না। এই কোশ্চেনটা অনেকবার আমি
  764. 35:39শুনেছি। তো তোমাদের আনসারও দিচ্ছি। হেয়ার
  765. 35:41কেয়ারকেয়ার আমি ডেফিনেটলি আসলেই কিছু
  766. 35:42করি না। মনে রাখবা যে কোন হেয়ার ফেসিয়াল
  767. 35:45হেয়ার বলো, স্কাল হেয়ার বলো। এই
  768. 35:46প্রত্যেকটা জিনিসের প্রথম রুল হচ্ছে লেট
  769. 35:48দেম গ্রো। এইগুলাকে বড় হইতে দাও। ফেলে
  770. 35:51রেখে দাও। বেশি কেয়ার যারা দেয় না তাদের
  771. 35:53চুলের অবস্থা বেশি একটা ভালো না। আমি
  772. 35:55দেখছি যারা হচ্ছে এই সেই হেনতেরা অনেক
  773. 35:57কিছু মাখামাখি করে এদেরই চুল পড়ে যায়।
  774. 36:00বেসিক্যালি এটা জেনেটিক্যাল। মজা করে
  775. 36:02বললাম। তবে আমার কোন হেয়ার কেয়ার বলে
  776. 36:03কিচ্ছু নাই। বাই গড। গড গিভেন বলতে পারো।
  777. 36:07যে হচ্ছে আমারে আমার হেয়ার গ্রোথ
  778. 36:10আলহামদুলিল্লাহ। আর কি। এই। এমন কোন কেয়ার
  779. 36:12নাই। ওই মাসে এক দুই মাসে আমি পুয়ার
  780. 36:14কন্ডিশনার করা ছাড়া। তেলও দেই নাই ছোটবেলা
  781. 36:16থেকে কোনদিন। আচ্ছা মালিয়া বলছে ভাইয়া
  782. 36:19পিএনপিতে পিএনপিতে ইমিটার আর কালেক্টরের
  783. 36:23মধ্যে ডিফারেন্স কি?
  784. 36:25ইমিটার কালেক্টরের মধ্যে তেমন কোন
  785. 36:27ডিফারেন্স নাই। এই যে পিএনপি যে দেখতেছো
  786. 36:30এখানে তোমরা নিশ্চয় বুঝতে পারতেছো যে
  787. 36:32জাস্ট কারেন্টের ফ্লো উল্টা হয়। কারেন্টের
  788. 36:34ফ্লোটা উল্টা হয়। জাস্ট ঘনত্ব একটা এইটাতে
  789. 36:37যদি পিএনপিতে যদি ইমিটারের ঘনত্ব বেশি হয়
  790. 36:40ইলেকট্রনের তাইলে এনপিএন এইটাতে ইমিটারের
  791. 36:43ঘনত্ব কম হয়। উল্টা দেখতেছো কালেক্টর
  792. 36:46ইমিটারের একটার ঘনত্ব বেশি একটার
  793. 36:48ইলেকট্রনের ঘনত্ব কম এনপিএন এ যেটা
  794. 36:50পিএনপিতে তার উল্টা দুইটার ঘনত্বকে একটু
  795. 36:52চেঞ্জ করে দেয় এই আর কি বুঝছি ফাইন সো ইট
  796. 36:56এখানে হোলের ডেন্সিটি এইখানে হোলের
  797. 36:58ডেন্সিটি ডিফারেন্ট হয় আর এইখানে
  798. 37:01ইলেকট্রনের ডেন্সিটি ডিফারেন্ট হয় এনে
  799. 37:03থাকে ইলেকট্রন আর পিতে থাকে হচ্ছে গিয়ে
  800. 37:04হোলস ঠিক আছে ফাইন এটা জানলেই হবে এ
  801. 37:07ডিভাইস তৈরি করা একটা ডিভাইস এবং এটা
  802. 37:09দেখতে কেমন জানো এটা তোমাদের বলে দিই এটা
  803. 37:11দেখতে এরকম একটা ব্যারেলের মত ছোট একটা
  804. 37:14বাদামের
  805. 37:16ব্যারেলের মত হচ্ছে এটা দেখতে এরকম ছোট্ট
  806. 37:18একটা নাটের মত হ্যাব এবং এ তিনটা পা থাকে
  807. 37:21এটার হচ্ছে গিয়া তিনটা পা থাকে এরকম
  808. 37:27তিনটা পা থাকে একটা পা বড় থাকে এরকম দেখতে
  809. 37:30এরকম একটা ব্যারেলের মত চিকন একটা নাটের
  810. 37:33মত এবং এর তিনটা পা থাকে এইযে তিনটা এটা
  811. 37:36ব্রেডবোর্ডে আমরা বসাই এইযে তিনটা পা আছে
  812. 37:39যেটা বড় পা এইটা হচ্ছে ইমিটর যেই পাটা বড়
  813. 37:42সেটাকে এটাকে আমরা বলি হচ্ছে গিয়া ইমিটর।
  814. 37:45আর যেই মাঝের যে পা সেটা হচ্ছে গিয়ে বেইজ
  815. 37:48আরেকটা হচ্ছে কালেক্টর। মাঝেরটা বেইজ আর
  816. 37:50বড় পাটা হচ্ছে ইমিটর। আর আর এই পাশেরটা
  817. 37:53হচ্ছে গিয়ে তাহলে কালেক্টর। এরকম থাকে।
  818. 37:55হ্যাঁ। এটা ছোট একটা নাটের মত। ছোট্ট
  819. 37:57একদম। তোমরা অনেক সময় মাদারবোর্ড বা
  820. 37:59গ্রীনবোর্ড ভেঙ্গে দেখছো। ওর ভিতরে দেখবা
  821. 38:01এরকম করে হচ্ছে গিয়ে ট্রানজিস্টর থাকে।
  822. 38:03ফাইন। বুঝছি। ওকে। তো গেল এটা। এরপর
  823. 38:10এরপর
  824. 38:12আচ্ছা সো এরপরে
  825. 38:16এরপরে এইখানটাতে
  826. 38:19আমরা ওই যেটা বলতেছিলাম কইছিলাম মুড তাই
  827. 38:23না যে আমাদের দুই টাইপের হচ্ছে গিয়া মুড
  828. 38:26থাকে হ্যাঁ মুড হচ্ছে গিয়া দুই টাইপের হয়
  829. 38:31সরি মুড হচ্ছে তিন টাইপের হয় এগুলো কিন্তু
  830. 38:33ডিটেলসে বইয়ে বলা নাই মানে ওই যে
  831. 38:35ট্রানজিস্টরটা এটাও তো একটা মেশিন হ্যাঁ
  832. 38:37ট্রানজিস্টর ইটসেলফ এটাও তো একটা মেশিন
  833. 38:40ওকে সো সো ওর তো অন অফ মুড বলে একটা
  834. 38:43ব্যাপার আছে। এটা তো একটা মেশিন। তাহলে ওর
  835. 38:45অন অফ মুড গুলো কি রকম কি হয় সেইগুলো
  836. 38:47আমরা জানতে পারব। সো তিন ধরনের মুড আছে।
  837. 38:50নাম্বার ওয়ান মুড হচ্ছে গিয়ে কাট অফ
  838. 38:52মুড। কাট অফ। কাটঅফ মানে বন্ধ। কাটঅফ মানে
  839. 38:56কি? কোন কিছু একটা বন্ধ। মানে যন্ত্রটা
  840. 38:58বন্ধ। এটা একটা মুড।
  841. 39:01আরেকটা মুড হচ্ছে গিয়ে
  842. 39:04স্যাচুরেশন মোড। স্যাচুরেশন।
  843. 39:08স্যাচুরেশন মোড। আরেকটা মোড হচ্ছে
  844. 39:12গিয়েঅক্টিভ মোড।অক্টিভ
  845. 39:15মোড। হ্যাঅক্টিভ
  846. 39:17মোড।
  847. 39:19ফাইন। একটা হচ্ছে কাটঅফ মোড, একটা
  848. 39:21স্যাচুরেশন মোড, আরেকটা হচ্ছে গিয়েঅক্টিভ
  849. 39:23মোড। এই তিন ধরনের মোড থাকে যেকোন একটা
  850. 39:26ট্রান্জিস্টরের। হ্যাঁ। তার মধ্যে মনে
  851. 39:28রাখবা মোস্ট ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে গিয়েঅক্টিভ
  852. 39:30মোড।অক্টিভ মোড মানে এইটা অন।অক্টিভ মোড
  853. 39:33মানে এইটা অন। আর কাট অফ মোড মানে এইটা
  854. 39:36অফ। নামেই তো আছে অফ। আর স্যাচুরেশন হচ্ছে
  855. 39:38মাঝামাঝি। না অন না অফ। মানে ট্রানজিস্টর
  856. 39:40ক্যালিবারেট করার জন্য জিনিসটা ঠিকমত কাজ
  857. 39:42করতেছে না এটা দেখার জন্য বাট আমরা যখনই
  858. 39:44ট্রানজিস্টরকে ইউজ করবো তখন একটিভ মোডে
  859. 39:46রাখবো আর কাট অফ মোড মানে অফ এখন কখন কোন
  860. 39:49মুডে আছে এটা কিভাবে বুঝবো মনে রাখবা
  861. 39:52ট্রানজিস্টরে অনেকগুলা জাংশন থাকে বিভিন্ন
  862. 39:55কনফিগারেশনের উপরে জাংশন থাকে মনে রাখবা
  863. 39:58যে এই যে একটা ট্রানজিস্টর আমরা দেখলাম এই
  864. 40:01ট্রানজিস্টরে আমরা খেয়াল করেছি যে
  865. 40:04অনেকগুলা পোল আছে
  866. 40:06সবসময় এনপিএন আছে বইয়ে সব কেসেই এনপিএন
  867. 40:09দিয়ে সবকিছুর এপ্লিকেশন দেখানো হয়েছে
  868. 40:11এবং সব বইতে তুমি দেখবা এপ্লিকেশন এনপিএন
  869. 40:13হয়। তোমরা যখন ট্রিপল ইঞ্জিনিয়ারিং
  870. 40:15পড়বা বড় হয়ে তখনও দেখবা এনপিএন দিয়ে
  871. 40:16সবকিছু করে। আচ্ছা ফাইন। তাহলে এবার আসো
  872. 40:19এইখানে এইটা হচ্ছে কালেক্টর জাংশন। আর এটা
  873. 40:23হচ্ছে ইমিটর জাংশন। আর মাঝখানেটা তো বেইস।
  874. 40:26ওকে বেস তো কমন দুই সাইডে ধরে নিলাম। আর
  875. 40:28কি হ্যা মনে রাখবা এই যে কালেক্টর জাংশন
  876. 40:32মানে কালেক্টর যার সঙ্গে যুক্ত হবে তার
  877. 40:34সঙ্গে একটা জাংশন জোড়া তৈরি হবে। আর
  878. 40:36ইমিটর যার সঙ্গে যুক্ত হবে সেটাকে বলা হয়
  879. 40:39ইমিটার জাংশন। হ্যাঁ ফাইন। কালেক্টর
  880. 40:42যেখানে যুক্ত হয় সেটাকে আমরা বলি হচ্ছে
  881. 40:44কালেক্টর জাংশন। কালেক্টর
  882. 40:48জাংশন।
  883. 40:51আর ইমিটার জাংশ সঙ্গে যুক্ত হয় সেটাকে
  884. 40:53আমরা বলি ইমিটার জাংশন। ইমিটার
  885. 40:58জাংশন। ওকে? ফাইন। তো দুই ধরনের জাংশন আছে
  886. 41:02আর কি। হ্যাঁ। তো এবার দেখো যে এই যে
  887. 41:05দুইটা কেস মনে রাখবা কাটঅফ মোডে যখন থাকে
  888. 41:08তখন কালেক্টর জাংশন সিজি লিখলাম আমি হ্যাঁ
  889. 41:12সিজি কালেক্টর জাংশন হচ্ছে গিয়া রিভার্স
  890. 41:15বায়াসে থাকে আরবি আরবি মানে রিভার্স বায়াস
  891. 41:18আমরা জানি যেটা একটা জাংশন এইযে দেখ এখানে
  892. 41:21মিল আছে কালেক্টর জাংশন এটা থাকে রিভার্স
  893. 41:23বায়াসে আবার এইখানে যে জাংশন এখানে দুইটা
  894. 41:25ডায়োড হিসেবে কিন্তু চিন্তা করতে পারো এটা
  895. 41:27একটা ডায়োড পিএন ডোয়ড এটা একটা ডায়োড তো
  896. 41:29বুঝতে কালেকশন জাংশন থাকে হচ্ছে গিয়ে
  897. 41:32রিভার্স
  898. 41:33এবং ইমিটার জাংশন ইমিটার জাংশনও থাকে
  899. 41:36রিভার্স বায়াসে। তহলে দুইটাই যদি রিভার্স
  900. 41:39বায়াসে থাকে তাহলে আমরা জানবো সেইটা কাটঅফ
  901. 41:42মোডে আছে। এটাও অফ। এইটাও রিভার্স বায়াস।
  902. 41:45এইটাও রিভার্স বায়াস। ওকে? ফাইন। ঠিক তেমন
  903. 41:47করে স্যাচুরেশন মোডে কি হবে? স্যাচুরেশন
  904. 41:50মোডে কালেক্টর জাংশন থাকবে ফরোয়ার্ড
  905. 41:52বায়াসে
  906. 41:54এবং ইমিটার জাংশনও থাকবে ফরোয়ার্ড বায়াসে।
  907. 41:57জাস্ট এগুলো এমসিকিউর জন্য জানায় রাখতেছি।
  908. 42:00ওকে? ফাইন। দুইটাই যদি ফরওয়ার্ড বায়াসে
  909. 42:02থাকে তাহলে সেটাকে বলা হয় স্যাচুরেশন মোড।
  910. 42:04ওকে? আর সবথেকে ইম্পর্টেন্ট যে
  911. 42:06মোডটাঅক্টিভ মোড। এই কনফিগারেশনের এই মোডে
  912. 42:09যেটা হবে কালেক্টর জাংশন থাকবে হচ্ছে
  913. 42:11রিভার্স বায়াসে। আর ইমিটর জাংশন থাকবে
  914. 42:15হচ্ছে ফরোয়ার্ড বায়াসে। মানে সোজা কথা
  915. 42:18এইটা এইটা থাকবে ফরোয়ার্ড বায়াসে। আর এটা
  916. 42:22থাকবে হচ্ছে রিভার্স বায়াসে। এই মোডে থাকা
  917. 42:24মানেই আসলে আমাদের এই যে ইটা আছে এই কি
  918. 42:28বলে? এই ট্রান্জিস্টরটা তখন সেঅক্টিভ মোডে
  919. 42:32আছে।অক্টিভ মোডে আইনাই আমরা আমাদের কাজবাজ
  920. 42:34শুরু করব। তো কিছু কিছু বইয়ে এখানে অনেক
  921. 42:36আলোচনা করা আছে। বাট ওইগুলা বুঝতে পেরা
  922. 42:39হয়। দ্যাটস হই আমি হচ্ছে মুডগুলা বলে
  923. 42:40দিলাম। আচ্ছা। সাকিব বলছো কথা সত্যি?
  924. 42:43ছোটবেলা ছোটবেলা খেলনা গাড়ি
  925. 42:48কাটার পরে এইগুলা পাইতাম। হ্যাঁ। ছোটবেলায়
  926. 42:51খেলনা গাড়ি কাটার পরে তোমরা এইগুলা পাইতা।
  927. 42:53আচ্ছা। ফাইন। তো গেল এইটা। এই জিনিসপত্র
  928. 42:56আমরা বুঝছি। ঠিক আছে ফাইন এরপর
  929. 43:01এরপর এবার দেখো মুড সম্পর্কে আমরা জাস্ট
  930. 43:04জানলাম এইটাই ওরা এমন কোন কাজে লাগবে না
  931. 43:05আমরা সবসময় মনে রাখবো যে আমরা
  932. 43:07ট্রান্জিস্টরকে সবসময়অক্টিভ মোডে রাখবো
  933. 43:10একটিভ মোডে রাখলে এমপ্লিফিকেশন এন্ড মেনি
  934. 43:11আদার থিংস হয় এবার হচ্ছে গিয়ে কনফিগারেশন
  935. 43:19কনফিগারেশন সো কনফিগারেশনও তিন টাইপের হয়
  936. 43:22কনফিগারেশনও হচ্ছে গিয়ে তিন টাইপের হয় ওকে
  937. 43:26সো সো একটা হচ্ছে গিয়ে
  938. 43:29কমন বেইজ।
  939. 43:33কমন বেইজ।
  940. 43:36কমন বেইজ।
  941. 43:38একটা হচ্ছে কমন বেইজ।
  942. 43:42দুই নাম্বারটা হচ্ছে গিয়ে
  943. 43:44এটা একটা মোট কমন বেই। এটাকে শর্ট
  944. 43:47হ্যান্ডে লেখা হবে সিবি। কমন বেইজ। ওকে?
  945. 43:50ফাইন। আচ্ছা দুই নাম্বার কনফিগারেশন হচ্ছে
  946. 43:54গিয়ে
  947. 43:56কমন
  948. 43:59ইমিটার
  949. 44:02কমন ইমিটার
  950. 44:04কমন ইমিটার এটাকে সিই বলা হয় কমন ইমিটার
  951. 44:08ওকে ফাইন তিন নাম্বার হচ্ছে গিয়ে
  952. 44:12কমন কালেক্টর তিন নাম্বার হচ্ছে কমন
  953. 44:16কালেক্টর কমন
  954. 44:19কালেক্টর
  955. 44:22কমন কালেক্টর এটাকে বলা হয় সিসি ওকে ওকে
  956. 44:26ফাইন। তাহলে তিনটা কনফিউশন আমরা বুঝলাম।
  957. 44:28আর বাংলাতে যদি নামগুলা দেখি কমন বেসকে
  958. 44:30বলা হয় সাধারণ পিট সংযোগ। সাধারণ
  959. 44:36পিট
  960. 44:37সংযোগ। কমন ইমিটার কে বলা হয় সাধারণ
  961. 44:43নিঃস্বারক সংযোগ। সাধারণ নিঃস্বারক সংযোগ।
  962. 44:47সাধারণ নিঃস্বারক
  963. 44:49সংযোগ। আর কমন কালেক্টর কে বলা হয় সাধারণ
  964. 44:52সংগ্রাহক সংযোগ।
  965. 44:55সাধারণ
  966. 44:57সংগ্রাহক
  967. 45:00সংগ্রাহক
  968. 45:01সংযোগ। ওকে তাহলে এগুলো আমরা বুঝতে পারছি।
  969. 45:04এখন এককটা দেখতে কি রকম সেটা একটু আমরা
  970. 45:06জেনে নেই। এক একটা সংযোগ দেখতে কি রকম হবে
  971. 45:10সেটা একটু আমরা জেনে নেই। ওকে? তো প্রথমটা
  972. 45:17দেখো
  973. 45:21এই সংযোগগুলা দেখতে কি রকম সেটা একটু আমরা
  974. 45:25অবজার্ভ করি। ঠিক আছে? ফাইন।
  975. 45:28তো সংযোগগুলার ভিতরে
  976. 45:37প্রথমটা কমন বেইস। কমন বেইস। সিবি নাম
  977. 45:42শুনে বুঝতেছো কমন বেইজ এখানে কে কমন এখানে
  978. 45:44বেইসটা কম এখানে হচ্ছে গিয়ে আমাদের বেইসটা
  979. 45:47কম ওকে আচ্ছা তাহলে আমরা এনপিএন দিয়েই
  980. 45:51দেখবো লেটস সে
  981. 45:55এইটা একটা ট্রান্জিস্টর এভাবে করে আকলাম
  982. 45:59দেখেই বুঝতেছো দেখেই বুঝতেছো এইটা একটা
  983. 46:03ট্রান্জিস্টর এই যে সেই ট্রান্জিস্টরটা
  984. 46:05এবং এটা একটা এনপিএন ট্রান্জিস্টর কিভাবে
  985. 46:07বুঝতেছি অ্যারোহেডটা হচ্ছে এইদিকে
  986. 46:11এখানে দেখা যাচ্ছে অ্যারোহেডটা
  987. 46:13এইদিকে।অরোহেডটা
  988. 46:14যদি এইদিকে হয় তার মানে বুঝতেছো নিসারকের
  989. 46:17দিকে অ্যারোহেডটা। তাহলে এইটা হচ্ছে
  990. 46:19নিঃসারক।
  991. 46:21সেই কষেত্রে এইটা হচ্ছে আমাদের নিঃসারক।
  992. 46:25এইটা হচ্ছে আমাদের বেইস। মাঝেরটা আর এইটা
  993. 46:28হচ্ছে আমাদের কালেক্টর। কমনটা কে? কমন
  994. 46:31হচ্ছে বেইস। কমন হচ্ছে বেইস। বেইসটা কমন।
  995. 46:34হ্যা। তাহলে বেইস যদি কমন হয় মানে এ থাকবে
  996. 46:36কমন। এর সঙ্গেও বি কমন থাকবে। সি এর
  997. 46:39সঙ্গেও বি কমন থাকবে। তাইলে এইটার সংযোগটা
  998. 46:42এরকম হবে। দেখো সি এসে যুক্ত হইছে বি এর
  999. 46:45সঙ্গে। ইও এসে যুক্ত হইছে বি এর সঙ্গে। এর
  1000. 46:48মাঝে ব্যাটারি রোদ মোদ থাকবে এইটারে। তো
  1001. 46:50এভার জাস্ট স্কেলেটনটা আকা আর কি। হ্যাঁ।
  1002. 46:52তাহলে বুঝতেছো এই বি এর সঙ্গে গিয়ে কিন্তু
  1003. 46:54সবাই যুক্ত হইছে। এই বি এর সঙ্গে গিয়ে
  1004. 46:57সবাই যুক্ত হইছে। দ্যাটস হোয়াই কমন বেইজ।
  1005. 47:02কমন বেইজ। দেখতে পাচ্ছ বি এর সঙ্গে সবাই
  1006. 47:04যুক্ত হইছে। দ্যাটস হোয়াইস কমন বেইজ। ওকে।
  1007. 47:08আচ্ছা তো গেল এটা। এরপর
  1008. 47:12এরপর হচ্ছে কমন
  1009. 47:16ইমিটর। এরপরেরটার নাম হচ্ছে কমন ইমিটর।
  1010. 47:20তার মানে বুঝতেছো এইটা সব থেকে বেশি
  1011. 47:22ইম্পর্টেন্ট। কমন ইমিটরটা সব থেকে বেশি
  1012. 47:23ইম্পর্টেন্ট। এইখানে ইমিটরটা কমন থাকে।
  1013. 47:26হ্যা। এইখানে হচ্ছে আমাদের ইমিটরটা কমন
  1014. 47:29থাকে। তাহলে ব্যাপারটা কি রকম হয়?
  1015. 47:31ব্যাপারটা হয় হচ্ছে গিয়ে এরকম।
  1016. 47:34দেখো
  1017. 47:44তো আমরা দেখতেছি অ্যারোহেড এদিকে
  1018. 47:46প্রত্যেকটাই আমরা এনপিএন নিব প্রত্যেকটাই
  1019. 47:48এনপিএন নিব যত সার্কিট আছে সব এনপিএন এটাও
  1020. 47:50এনপিএন এইখানে দেখেও আমরা বুঝতেছি যে
  1021. 47:52কোনটা নিঃসারক কোনটা বেইজ আর কোনটা হচ্ছে
  1022. 47:55গিয়ে কালেক্টর স্পষ্টতই এই হাতে আরো আছে
  1023. 47:59তাইলে এটা ইমিটার মাঝেরটা বেইস আর উপরে
  1024. 48:03যেটা আছে এটা হচ্ছে কালেক্টর ওকে এই তিনটা
  1025. 48:07আছে ফাইন। তাহলে এবার কমনটাকে আমরা
  1026. 48:09দেখতেছি কমনটা হচ্ছে ইমিটার। ইমিটারটা কমন
  1027. 48:12কমন ইমিটার। মিন্স বি আইসাও ই এর সঙ্গে
  1028. 48:15যুক্ত হবে। সি আইসাও এর সঙ্গে যুক্ত হবে।
  1029. 48:18তাহলে এখান থেকে বুঝতে পারছ বি এসে ই এর
  1030. 48:21সঙ্গে যুক্ত হবে। সি এসেও এখানে ই এর
  1031. 48:24সঙ্গে যুক্ত হবে। তাহলে এটা হচ্ছে কমন
  1032. 48:26ইমিটর সার্কিট। মনে রাখবা কমন ইন্টিগ্রেশ
  1033. 48:29সার্কিটের সবথেকে ব্যবহার বেশি। কমন
  1034. 48:31ইমিটার সার্কিটের সবথেকে ব্যবহার হচ্ছে
  1035. 48:34গিয়ে বেশি। এটা ব্যবহার কোথায় কোথায়? সুইচ
  1036. 48:37হিসেবে এটা ব্যবহার করা হয় এবং
  1037. 48:40অ্যামপ্লিফায়ার হিসেবে এটা ব্যবহার করা
  1038. 48:42হয়। বিবর্ধক বা অ্যামপ্লিফায়ার। বিবর্ধক
  1039. 48:47বা হচ্ছে অ্যামপ্লিফায়ার।
  1040. 48:52অ্যামপ্লি
  1041. 48:54ফায়ার। বিবর্ধক বা অ্যামপ্লিফায়ার হিসেবে
  1042. 48:56এটা ব্যবহার করা হয়। অ্যামপ্লিফায়ার কোন
  1043. 48:58জিনিস? আমরা যে মাইকে কথা বলি আস্তে কথা
  1044. 49:00বলি জোরে শোনা যায় তাই না মাইক্রোফোনে যে
  1045. 49:03কথা বলি ওইটাকে আমরা বলি হচ্ছে গিয়ে
  1046. 49:05বিবর্ধক সার্কিট ঠিক আছে ফাইন এতটুকু আমরা
  1047. 49:09বুঝতে পারছি যে মাইকের ক্ষেত্রে কি হয় বা
  1048. 49:11আমরা আস্তে কথা বলি বা স্পিকার
  1049. 49:13স্পিকারগুলো হচ্ছে বিবর্ধক আমরা আস্তে কথা
  1050. 49:15বলি বাট স্পিকার অনেক জোরে মাইকে শোনা
  1051. 49:17যায় এই দুইটা জিনিস কিন্তু খুব
  1052. 49:19ইম্পর্টেন্ট আর কি হ্যা এর মধ্যে সব থেকে
  1053. 49:21বেশি ইম্পর্টেন্ট বিবর্ধ ওকে এটা আমরা
  1054. 49:23আলাদা একটা ক্লাসেই পড়ব কজ একমাত্র এখান
  1055. 49:26থেকে একবারই বুয়েট রিটেন পরীক্ষায়ন আস
  1056. 49:29যেটা আসছে হচ্ছে গিয়া বিবর্ধক থেকে। সো
  1057. 49:31আমরা সেটা দেখবো। ফাইন। তো গেল এইটা। এবং
  1058. 49:35সেই কম্বিনেশন কোনটা হয়? যখন আমি
  1059. 49:38ট্রানজিস্টরকে
  1060. 49:39এই প্যাটার্নে যুক্ত করি মানে কমন ইমিটার
  1061. 49:42প্যাটার্নে তখন সেটা বিভদ্যক হিসেবে কাজ
  1062. 49:44করে। গেল এটা। এরপর লাস্ট এটা হচ্ছে কমন
  1063. 49:48কালেক্টর। কমন কালেক্টর। এখানে কালেক্টর
  1064. 49:52কমন থাকবে তাই না? এখানে কমন থাকবে
  1065. 49:54কালেক্টর। তাহলে এইটা যদি আমাদের সেই
  1066. 49:56কনফিগারেশনটা হয়
  1067. 50:02তাহলে দেখতে পাচ্ছ কালেক্টর কোনটা
  1068. 50:04কালেক্টর এইটা এটা ইমিটর এইটা বেইস এইটা
  1069. 50:10বেইস ওকে আচ্ছা তাহলে এই দুইটার মধ্যে
  1070. 50:14আমরা দেখব সেটা হচ্ছে সবাই কমনটা থাকবে
  1071. 50:17হচ্ছে কালেক্টর মানে কালেক্টরের সঙ্গে
  1072. 50:19গিয়ে সবাই যুক্ত হবে দ্যাট মিন্স বেইস
  1073. 50:22গিয়ে কালেক্টরের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে ইমিটার
  1074. 50:24গিয়েও কালেক্টরের সঙ্গে যুক্ত হইছে।
  1075. 50:26দ্যাটস হোয়াই দিস ইজ কলড কমন কালেক্টর।
  1076. 50:29ওকে? এইভাবে নানা রকমভাবে আমরা চাইলে আসলে
  1077. 50:32একটা কনফিগারেশন করতে পারি। যেকোন একটা
  1078. 50:34ট্রানজিস্টরকে আমরা এরকম নানা রকম
  1079. 50:36কনফিগারেশনে কনফিগার করতে পারি। এগুলা সবই
  1080. 50:39জাস্ট মনে রাখার মত জিনিস। আমি জাস্ট ওই
  1081. 50:41বিবৃতিগুলা বলতেছি। ট্রানজিস্টরের
  1082. 50:44বেসিক আমরা বুঝে ফেলছি। ট্রানজিস্টরের
  1083. 50:46হচ্ছে গিয়া এই যে দুই টাইপের ট্রানজিস্টর
  1084. 50:48হয়। কেমনে দেখে বুঝবো ব্লক ডায়াগ্রাম বাই
  1085. 50:51ডায়াগ্রাম দেখে। কেমনে দেখে বুঝবো। যে
  1086. 50:54হচ্ছে কোনটা কি ট্রান্জিস্টর সেটা বুঝছি।
  1087. 50:55একচুয়ালি দেখতে ট্রান্জিস্টর কেমন সেটা
  1088. 50:57আমরা জেনেছি। তো এরপর আমরা দেখছি এইখানে
  1089. 51:00ট্রান্জিস্টরে তিন টাইপের মোড আছে। আমরা
  1090. 51:02সবসময় কোন মোডে রাখবো? আমরা রাখবো হচ্ছে
  1091. 51:04গিয়েঅক্টিভ মোডে। যখন কালেক্টর জাংশন
  1092. 51:07থাকবে রিভার্স বায়াসে। এমিটার জাংশন থাকবে
  1093. 51:10ফরওয়ার্ড বাস। জাস্ট এগুলো এমসিকউর জন্য
  1094. 51:11মাথায় রাখবা। আর এরপরে আমরা দেখলাম
  1095. 51:13কনফিগারেশন তিন টাইপের আছে। সাধারণ পিট
  1096. 51:16কনফিগারেশন, সাধারণ নিস্ক কনফিগারেশন এবং
  1097. 51:18সাধারণ সংরহক কনফিগারেশন। মনে রাখবা এর
  1098. 51:21ভিতরে সব থেকে বেশি ইম্পর্টেন্ট হচ্ছে কমন
  1099. 51:23ইমিটার কনফিগারেশন। এইটা দিয়ে সবথেকে বেশি
  1100. 51:25হচ্ছে গিয়ে কোশ্চেন আসে বা এর পরে যে
  1101. 51:27অংশটা আমরা দেখব সুইচ বা এমপ্লিফায়ার।
  1102. 51:30সেখানে এটা লাগবে। ওইটা আমি আলাদা একটা
  1103. 51:32ক্লাসে নিব। আজকে চার নাম্বার ক্লাস। তো
  1104. 51:34মাঝখানে একটা ছোট ক্লাস হইছে গতদিনথ
  1105. 51:37মিনিটস এর মত একটা ক্লাস হইছে। সো ওইটা
  1106. 51:39যদি ফুল নিতে পারতাম তাহলে সেক্ষেত্রে
  1107. 51:41হয়তোবা চার ক্লাসে হইতো। বাট ওইটার ওই
  1108. 51:43অংশটাই আমরা আরেকটা ক্লাসে একটু ভাইঙ্গা
  1109. 51:45এমপ্লিফিকেশন পড়াইতে চাই। ওখানে বুয়েটে
  1110. 51:47একটা কোশ্চেন আসছে ওটাও সলভ করাইতে চাই।
  1111. 51:48তাই। ফাইন। তো গেল এইটা। পাশাপাশি আমরা
  1112. 51:51দেখলাম এই কনফিগারেশন তিনটা দেখতে কোনটা
  1113. 51:54কি রকম? আচ্ছা এবার আসো এই ট্রানজিস্টরে
  1114. 51:58কারেন্টের ব্যাপারটা একটু আমরা দেখে নিই।
  1115. 51:59হ্যাঁ। ট্রানজিস্টরে যে কারেন্ট।
  1116. 52:01কারেন্টের ব্যাপারটা আমরা একটু বোঝার
  1117. 52:03চেষ্টা করি। ওকে? তাহলে দেখো এই যে
  1118. 52:07ট্রানজিস্টর যে আছে এই ট্রানজিস্টরে
  1119. 52:09প্রত্যেকটা তারে কারেন্ট থাকে। কখন
  1120. 52:11কারেন্ট থাকে? যখন একটিভ মোডে থাকে। যখন
  1121. 52:13আমি ট্রানজিস্টর এমনভাবে বানাবো এমনভাবে
  1122. 52:16সাজাবো সার্কিটে যাতে করে সেটা সে একটিভ
  1123. 52:19মোডে থাকে। সো একটিভ মোডে যখন থাকে তখন
  1124. 52:21এখানে আমরা কারেন্ট পাই। সো মনে রাখবা
  1125. 52:24ইমিটরে কারেন্টটা নামবে কোন দিক দিয়ে? এই
  1126. 52:26দিক থেকে কারেন্টটা নেমে যাবে। দ্যাট
  1127. 52:28মিন্স এই বরাবর আমরা একটা কারেন্ট পাবো।
  1128. 52:31এই কারেন্টটা হচ্ছে গিয়া আই
  1129. 52:34ই। এই কারেন্টটা হচ্ছে আই। এখান থেকে আই
  1130. 52:38কারেন্ট নামে। আর এখানে কালটা দেখতে
  1131. 52:40সুন্দর লাগতেছে। আচ্ছা এইখান থেকে যে
  1132. 52:43কারেন্টটা নেমে আসবে সেটা হচ্ছে ইমিটারের
  1133. 52:46কারেন্ট। আমরা জানি এটা ইমিটর। এটা হবে
  1134. 52:48ইমিটারের কারেন্ট। আই এইভাবে নামবে। আর
  1135. 52:51এটা হচ্ছে বেইস। তাইলে বেইজে একটা কারেন্ট
  1136. 52:54থাকবে। এই জায়গাতে যে কারেন্টটা ঢোকে
  1137. 52:57সেটা হচ্ছে আইবি বেইজের কারেন্ট। ওকে? এবং
  1138. 53:01এটা হচ্ছে কালেক্টর। তাহলে কালেক্টর দিয়ে
  1139. 53:04যে কারেন্টটা নামে সেটাকে বলি আমরা হচ্ছে
  1140. 53:07আই সি। কালেক্টর দিয়ে যে কারেন্টটা নামে
  1141. 53:10সেটাকে আমরা বলি হচ্ছে গিয়ে আই সি। ওকে।
  1142. 53:13আচ্ছা। তাহলে আমরা এখানে মোট তিনটা
  1143. 53:15কারেন্ট দেখলাম। বেইজ থেকে আইবি, কালেক্টর
  1144. 53:18থেকে আই সি এবং ইমিটার থেকে আই। এবং এটা
  1145. 53:21কখন? যখনঅক্টিভ মোডে আছে হ্যাঅক্টিভ
  1146. 53:24মোডঅক্টিভ
  1147. 53:25মোড আমিঅক্টিভ মোড মানে জিনিসটারে অন
  1148. 53:28করছিঅক্টিভ মোডে অন যখন করছি তখন কালেক্টর
  1149. 53:31থেকে একটা কারেন্ট আসছে বেস থেকে একটা
  1150. 53:32কারেন্ট আসছে দুইটা কারেন্ট ইমিটার থেকে
  1151. 53:33বের হয়ে গেছে এইজন্যই নাম হচ্ছে নিসারক
  1152. 53:36নিসারক এখানে নিসারিত হয় ওকে ফাইন তাহলে
  1153. 53:40এটা দেখে বুঝতেছো না যে খুব কমন সেন্স
  1154. 53:43দেখলেই সবাই বুঝবা
  1155. 53:47যে
  1156. 53:49দেখলেই সবাই বুঝবা যে
  1157. 53:52এইখান থেকে বেইস থেকে একটা কারেন্ট এখানে
  1158. 53:55ইমিটরে আসে আর কালেক্টর থেকে একটা কারেন্ট
  1159. 53:57ইমিটরে আসে। এই দুইটা কারেন্টই এসে ইমিটর
  1160. 54:01থেকে বের হয়ে যায়। তাইলে আসলে কমনসেন্স কি
  1161. 54:03বলে? এই দুইটা কারেন্টের যোগফলই আসলে
  1162. 54:05ইমিটরের কারেন্ট। বেইজের কারেন্টও ইমিটর
  1163. 54:07থেকে বের হয়। কালেক্টরের কারেন্টও ইমিটার
  1164. 54:09থেকে বের হয়। তাহলে আমরা এটা তো এখান থেকে
  1165. 54:11এটা বলতেই পারি। দুইটা কারেন্ট এখান থেকে
  1166. 54:13বের হচ্ছে। দ্যাট মিন্স আই ই।
  1167. 54:16নিঃসারকের কারেন্ট ইকুয়ালস টু আই সি প্লাস
  1168. 54:21আইবি নিশ্চয়কের কারেন্ট আইসি ইকুয়ালস
  1169. 54:25কালেক্টরের কারেন্ট প্লাস বেইজের কারেন্ট
  1170. 54:27এইটা আমরা ফর্মুলা হিসেবে অবশ্যই অবশ্যই
  1171. 54:30সবাই মনে রাখবো এটা ফর্মুলা হিসেবে
  1172. 54:32ডেফিনেটলি সবাই আমরা মনে রাখবো ঠিক আছে
  1173. 54:37ফাইন গেল এই একটা ফর্মুলা
  1174. 54:40এবার আসো আরো কয়েকটা ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র
  1175. 54:41ফর্মুলা আমরা একটু দেখলেই আজকে ক্লাসের যে
  1176. 54:44অংশটা আমি পড়াইতে চাই ওটা হয়ে যাবে ঠিক
  1177. 54:46আছে? এই জায়গাতে মনে রাখবা আমি একটা কথা
  1178. 54:49তোমাদের অলরেডি বলছি যে সংগ্রাহক
  1179. 54:52সংগ্রাহক দিয়ে কি সংগ্রহ করে? এইযে নাম
  1180. 54:54যে দিছিলাম আমরা যে একটা হচ্ছে সংগ্রাহক।
  1181. 54:57সংগ্রাহক থেকে সবসময় আউটপুট সংগ্রহ করে।
  1182. 54:59যেকোন এক্সপেরিমেন্ট করলে ওইখানের
  1183. 55:01ভোল্টেজটা আমরা সংগ্রহ করি। আর বেইস তো
  1184. 55:04বেইজ। বেইজ মানে ভূমি। এটা সাপেক্ষে। মানে
  1185. 55:07বুঝতেই পারতেছো বেইজ মানে এর সাপেক্ষে
  1186. 55:10হচ্ছে গিয়ে আমরা এই সংগ্রহকে পাব আউটপুট।
  1187. 55:12সংগ্রহকে পাব আউটপুট। আর এর সাপেক্ষে মানে
  1188. 55:15এইটার ভোল্টেজের সাপেক্ষে কতটুকু ভোল্টেজ
  1189. 55:17এখানে পাইছি সেটাই হচ্ছে আউটপুট। আবার এই
  1190. 55:19ভোল্টেজের সাপেক্ষে এইখানে কতটুকু ভোল্টেজ
  1191. 55:21পাইছি সেটাই হচ্ছে গিয়ে আমাদের ইনপুট। মনে
  1192. 55:24রাখবো আমরা আউটপুট ইনপুট এরকম করে চিন্তা
  1193. 55:27করতে পারি। ঠিক আছে? একটা সাপেক্ষে।
  1194. 55:30যে কমন থাকে তার সাপেক্ষে হয়। ওকে? তবে
  1195. 55:33এইটা মনে রাখবা ইনপুট সবসময় নিঃসারক নাও
  1196. 55:36হতে পারে। কিন্তু আউটপুট সবসময় সংগ্রাহক
  1197. 55:40থেকেই কালেক্ট করি। ওইযে আছে না? আমরা যখন
  1198. 55:42ফুল সংগ্রহ করি, বাগান থেকে সংগ্রহ করি,
  1199. 55:44তাই ওখানে আমরা চাষ করি ওখান থেকে সংগ্রহ
  1200. 55:46করি। সো কালেকশন কালেক্ট করি। কালেক্ট করা
  1201. 55:48মানে সংগ্রাহক যেখান থেকে আমরা আউটপুট
  1202. 55:50কালেক্ট করি। এখন কনফিগারেশন তো এই তিন
  1203. 55:53টাইপের হইতে পারে। এই তিন টাইপের
  1204. 55:56কনফিগারেশনে আমরা কোনটা ইনপুট কোনটা
  1205. 55:58আউটপুট এটা একটু জানবো। একটা জিনিস সবাই
  1206. 56:01বুঝতে পারো। আম্পায়ার যে হচ্ছে গিয়ে খেলা
  1207. 56:04পরিচালনা করে। সে তো কোন পক্ষের না। এ
  1208. 56:07পক্ষের না বিপক্ষের। ইজেন্ট ইট। তাই না?
  1209. 56:09আম্পায়ার তো এবি কোন পক্ষের না। আম্পায়ার
  1210. 56:11তো হচ্ছে গিয়ে নিরপেক্ষ। তার মানে মনে
  1211. 56:13রাখবা সে কমন। নিরপেক্ষ যে সে কমন সবার
  1212. 56:16জন্য আছে। সো এই প্রত্যেকটা কম্বিনেশনে যে
  1213. 56:19কমন সে ইনপুটও না আউটপুটও না। এটা মনে
  1214. 56:22রাখবা যে কমন সে ইনপুটও না আউটপুটও না। এ
  1215. 56:25কথাটা খুব ইম্পর্টেন্ট। যে কমন থাকবে সে
  1216. 56:26ইনপুটও না, আউটপুটও না। তাহলে চিন্তা করে
  1217. 56:29দেখো এইখানে কমন কে? বেইজ।
  1218. 56:32দুইটা কথা মনে রাখবা। জীবনে দুইটা কথা মনে
  1219. 56:35রাখবা। একটা কথা হচ্ছে গিয়ে যে কমন সে
  1220. 56:38ইনপুটও না, আউটপুটও না। আর দুই নাম্বার
  1221. 56:40কথা হচ্ছে গিয়ে
  1222. 56:43কালেক্টর সবসময় আউটপুট। ওই যে আছে না
  1223. 56:46মহানগর সিরিজটা তোমরা দেখছো না যে দুইটা
  1224. 56:48কথা জীবনে মনে রাখবা। তো এরকম দুইটা কথা
  1225. 56:50মনে রাখবা। নাম্বার ওয়ান হচ্ছে গিয়ে এখানে
  1226. 56:52যে কমন থাকবে যে কনফিগারেশনে যে কমন থাকবে
  1227. 56:55সে আউটপুট ইনপুট কোনটা না। আর সংগ্রাহক
  1228. 56:59সবসময়ই আউটপুট। ওকে? তাহলে চিন্তা করে
  1229. 57:01দেখো এখানে কারেন্ট দেখতেছো কমন কে? বেস
  1230. 57:05বেস যেহেতু কমন দ্যাট মিন্স ও আউটপুটও না
  1231. 57:08ইনপুটও না।
  1232. 57:11আউটপুট কে? আউটপুট সবসময় কালেক্টর। তার
  1233. 57:14মানে বুঝতেছো এইখানে আউটপুট সবসময়
  1234. 57:17কালেক্টরের কারেন্ট। বেস যেহেতু কিছুই না
  1235. 57:20তাহলে ইনপুট কে? তাহলে এখানে ইনপুট ইমিটর।
  1236. 57:23তাহলে ইনপুট হচ্ছে গিয়া ইমিটার। ইনপুট
  1237. 57:25হচ্ছে গিয়ে এখানে ইমিটার। নিশ্চয়ই বুঝছো।
  1238. 57:28মানে আমরা এইখানে ইনপুট দিব। এখানে আউটপুট
  1239. 57:31দেখব। ইমিটরে ইনপুট দিব। একটা ভোল্টেজ
  1240. 57:33এখানে ইনপুট দিব। আর হচ্ছে কালেক্টরে
  1241. 57:35আউটপুট দেখব। এটা কখন? যখন কমন বেইস। এরপর
  1242. 57:40আসো এটা কি কমন কালেক্টর কমন ইমিটর কমন
  1243. 57:43ইমিটার যদি কমন ইমিটার হয় তাহলে ইমিটর
  1244. 57:46আউটপুটও না ইনপুটও না যে কমন সে কিছু না
  1245. 57:49আর তাহলে আউটপুট কে কালেক্টর সবসময় আউটপুট
  1246. 57:53তারমানে আমরা এখানে বুঝতেছি এখানে আউটপুট
  1247. 57:55হচ্ছে গিয়ে কালেক্টরের কারেন্ট কালেক্টর
  1248. 57:58থেকে কালেক্ট করি তাহলে এখানে ইনপুট কি
  1249. 58:00হবে এখানে ইনপুট হবে হচ্ছে গিয়ে বেস এখানে
  1250. 58:02ইনপুট বেইস এখানে আমরা বেইজে ইনপুট দিব
  1251. 58:05কালেক্টর থেকে আউটপুট দেখব এখানে ইনপুট
  1252. 58:08দিব এইখানে কালেক্টরের আউটপুট দেখবো।
  1253. 58:11বুঝতে পারছি? ফাইন। একটা ভোল্টেজ এখানে
  1254. 58:13দিব। এখানে সেই ভোল্টেজের আউটপুট কি হয়
  1255. 58:15দেখব। সেটা এরপর এটার নাম কি? কমন
  1256. 58:18কালেক্টর। তার মানে এইখানে কালেক্টর
  1257. 58:21আউটপুটও না ইনপুটও না। তাহলে এটা একটা
  1258. 58:25প্যারা। তাই না? যে আউটপুট ইনপুট কিছুই
  1259. 58:27না। কালেক্টরই যদি না থাকে তাহলে আসলে
  1260. 58:29কালেক্টটা করবো কি? এইটা আসলে বেসিক্যালি
  1261. 58:30এই কনফিগারেশনটা খুব একটা কাজের না। এটা
  1262. 58:32দিয়ে ক্যালিবারেট করে। এটা দিয়ে
  1263. 58:34যন্ত্রটারে একটা স্টেবেল অবস্থায় আনে। সো
  1264. 58:36ওইটা নিয়ে আসলে তেমন কোন অংক নাই। কারণ
  1265. 58:38কালেক্টরই তো নাই। তো যাই হোক তারপরও আমরা
  1266. 58:40এখানে এটা বুঝতে পারতেছি যে এটা কালেকশনের
  1267. 58:42জায়গায়ই নাই। তাহলে কি আউটপুট ইনপুট
  1268. 58:44লিখবো এটা দিয়ে যন্ত্রকে ঠিক করে। ওই যে
  1269. 58:46আছে না যে আমরা যে চশমা পড়ি চশমা পড়লে
  1270. 58:49একটা ইনপুট আলো পড়ে আমাদের চোখে তার
  1271. 58:50আউটপুট আসে। বাট চশমাটা তো বানানোর সময়
  1272. 58:53একটু ক্যালিবারেট করতে হয়। দেখতে হয় যে
  1273. 58:55লেন্সের পাওয়ার টাওয়ার এগুলো ঠিক আছে
  1274. 58:56কিনা। এই যন্ত্রটা ঠিকমত কাজ করতেছে কিনা
  1275. 58:59সেইটা আসলে টেস্ট করা যায় কালেক্টর
  1276. 59:00দিয়ে। আরো টুকটাক কিছু ইউজ আছে যেগুলো
  1277. 59:02আমাদের একদমই সিলেবাসে নাই। ঠিক আছে?
  1278. 59:04ফাইন। এটা বাদ।
  1279. 59:06এই দুইটা নিয়ে আমাদের মেজরিটি কনসার্ন।
  1280. 59:09ওকে ফাইন। তাহলে এবার দেখো আমরা এই দুইটা
  1281. 59:13কেসেই আউটপুট ইনপুট কারেন্টের অনুপাত পেতে
  1282. 59:16পারি। ঠিক আছে? এইখানে দেখো আমাদের আমরা
  1283. 59:20সবসময় জানি অনুপাত কেমনে বর করে। আউটপুট
  1284. 59:23বাই ইনপুট। হ্যা আউটপুট বাই ইনপুট এখানে
  1285. 59:26কত হবে? এইখানে আউটপুট হচ্ছে গিয়ে
  1286. 59:28কালেক্টর কারেন্ট। আর ইনপুট হচ্ছে গিয়া
  1287. 59:31ইমিটর কারেন্ট। আই সি বাই আই। এই আই সি
  1288. 59:35বাই আই যে জিনিসটা এইটাকে আমরা বলি হচ্ছে
  1289. 59:38আলফা এটাকে আমরা কি বলি আলফা হ্যাঁ এটাকে
  1290. 59:42আমরা বলব আলফা আলফার পরিচয় আলফার পরিচয়
  1291. 59:46আলফাকে ইংলিশে বলে প্রবাহ লাভ ইংলিশে বলে
  1292. 59:49কারেন্ট গেইন ইংলিশে বলে কারেন্ট গেইন
  1293. 59:54কারেন্ট গেইন এবং এটার বাংলা নামটা হচ্ছে
  1294. 59:57প্রবাহ লাভ এটার বাংলা নাম হচ্ছে প্রবাহ
  1295. 1:00:00লাভ ওইযে জাস্ট কারেন্ট গেইনের বাংলা করে
  1296. 1:00:03দিছে কারেন্ট গেইন গেইন মানে লাভ কাইন
  1297. 1:00:05মানে প্রবাহ। ঠিক আছে? তাহলে আলফা ইকয়ালস
  1298. 1:00:07আমরা জানবো আলফা ইকয়ালস টু আমরা জানবো
  1299. 1:00:10আলফা ইকুয়ালস টু আলফা ইকয়ালস আই সি বাই
  1300. 1:00:15আই। আলফা ইকয়ালস আই সি বাই আই। বুঝতে
  1301. 1:00:19আউটপুট বা ইনপুট। এই অনুপাত। এটাকেই তো
  1302. 1:00:21গেইন বলা উচিত। কারেন্ট গেইন। মানে
  1303. 1:00:23আউটপুটে কতটুকু কারেন্ট পাইছি আর ইনপুটে
  1304. 1:00:25কতটুকু কারেন্ট দিছি। তাদের অনুপাতটাই
  1305. 1:00:27হচ্ছে কারেন্ট গেইন।
  1306. 1:00:30আর এইখানে
  1307. 1:00:33আউটপুট বাই ইনপুটের অনুপাত। আউটপুট হচ্ছে
  1308. 1:00:35আইসি। ইনপুট হচ্ছে আইবি। এই অনুপাতকে আমরা
  1309. 1:00:39বলি হচ্ছে গিয়া বিটা। এইটার নাম হচ্ছে
  1310. 1:00:42বিটা। ওকে? এটাকে আমরা বলছি হচ্ছে বিটা।
  1311. 1:00:46এটা হচ্ছে বিটা। এইযে আই সি বাই আইবি।
  1312. 1:00:49এটাকে আমরা বলি হচ্ছে বিটা। এবং এই বিটার
  1313. 1:00:51নাম হচ্ছে প্রবাহ বিবর্ধক গুণক। এটার নাম
  1314. 1:00:54হচ্ছে প্রবাহ বিবর্ধক গুণক। প্রবাহ
  1315. 1:00:59বিবর্ধক
  1316. 1:01:01বিবর্ধক গুণক। প্রবাহ বিবর্ধক গুণক। যাকে
  1317. 1:01:05ইংলিশে বলা হয় হচ্ছে গিয়া কারেন্ট
  1318. 1:01:08অ্যামপ্লিফিকেশন ফ্যাক্টর। এটার ইংলিশ নাম
  1319. 1:01:10হচ্ছে কারেন্ট
  1320. 1:01:14অমপ্লিফিকেশন।
  1321. 1:01:16অমপ্লিফিকেশন
  1322. 1:01:20কারেন্ট অ্যামপ্লিফিকেশন
  1323. 1:01:22ফ্যাক্টর। কারেন্ট অমপ্লিফিকেশন ফ্যাক্টর
  1324. 1:01:26প্রবাহ বিবর্ধক গুণক কারেন্ট
  1325. 1:01:29অ্যামপ্লিফিকেশন ফ্যাক্টর এইটা আবার
  1326. 1:01:32বাংলাতেও অনেক সময় লেখে হ্যাঁ প্রবাহ
  1327. 1:01:34বিবর্ধক গুণক কেন কজ এখানে প্রবাহ বেড়ে
  1328. 1:01:36যায় আউটপুটে প্রবাহটা বড় হয় কারেন্টের
  1329. 1:01:40মানটা বেড়ে যায় আমরা দেখছি এটাকে
  1330. 1:01:42বিবর্ধক সার্কিট বলা হয় দেখা যায় এখানে
  1331. 1:01:43আমি একটা ভোল্টেজ দিলে এখানে বেশি ভোল্টেজ
  1332. 1:01:45পাই মানে সোজা কথা এখানে একটা ছোট কারেন্ট
  1333. 1:01:48দিলে এখানে বড় কারেন্ট পাই তার মানে এটা
  1334. 1:01:50কারেন্টকে বড় করে দেয় স্পিকার আমরা
  1335. 1:01:51আস্তে কথা বলি জোরে কথা বের হয় ওরকম ওকে
  1336. 1:01:54দ্যাটস হয়াই এটাকে বলায় প্রবাহ বিবর্ধক
  1337. 1:01:56গুণক আউটপুট বা ইনপুটের অনুপাত এখানে
  1338. 1:01:58কারেন্টটা বেড়ে যায় আর এইটাকে বলায় প্রবাহ
  1339. 1:02:01লাভ এইটাতে বেসিকলি যেটা হয় কারেন্টের
  1340. 1:02:03মানটা ছোট হয়ে যায় তোমরা খেয়াল করলে দেখবা
  1341. 1:02:05আলফার ভ্যালু তোমরা দেখবা সবসময় এরকম হয়
  1342. 1:02:08আলফার ভ্যালু কখনোই এক এর থেকে বড় না
  1343. 1:02:10আলফার ভ্যালু সবসময় এক এর থেকে ছোট হয় এবং
  1344. 1:02:14এই আলফার ভ্যালু নরমাল সকল ট্রানজিস্টরের
  1345. 1:02:17ক্ষেত্রেই খেয়াল করে দেখবা পয়েন্ট না এরকম
  1346. 1:02:20আসে বা পয়েন্ট না পয়েন্ট8 এরকম রেঞ্জ হয়।
  1347. 1:02:23একের থেকে সবসময় ছোট আসে। আর এই যে বিটার
  1348. 1:02:26ভ্যালু দেখবা বিটার ভ্যালু অনেকটা এরকম
  1349. 1:02:29হয়। 70 থেকে 100 রেঞ্জের কাছাকাছি হয়। 70
  1350. 1:02:32থেকে 100 মানে বুঝতেছো এই অনুপাতটা একের
  1351. 1:02:35থেকে বড়। মানে প্রবাহকে বড় করে দেয়।
  1352. 1:02:37কারেন্টকে বড় করে দেয়। এইখানে আমি একটা
  1353. 1:02:39ভোল্টেজ দিলাম। এইখানে ভোল্টেজটা বড় করে
  1354. 1:02:41দিবে। 70 গুণ অথবা 100 গুণ এরকম বড় করে
  1355. 1:02:44দিবে। আর এইটাতে যেটা হয় দেখতেছো এক এর
  1356. 1:02:46থেকে ছোট। এইখানে আমি একটা ইনপুট দিলাম।
  1357. 1:02:48এখানে এখানে একটা ইনপুট দিলাম। এই আউটপুটে
  1358. 1:02:51দেখবা কারেন্টটা একটু ছোট হয়ে গেছে বা
  1359. 1:02:52ভিপিটা ছোট হয়ে গেছে। যদি আমরা কখনো
  1360. 1:02:54কারেন্ট ছোট করতে চাই তাহলে সবসময় আমরা
  1361. 1:02:57যেটা করব সেটা হচ্ছে এই কমন বেইজ নিব।
  1362. 1:03:00এইখানে ইনপুট দিব ইমিটরে। আর এই কালেক্টরে
  1363. 1:03:03দেখব ছোট ভোল্টেজ আসছে। আর যখন আমরা
  1364. 1:03:05কারেন্টকে বিবর্ধিত করতে যাব তখন আমরা কমন
  1365. 1:03:08ইমিটর নিব এবং সেখানে আমরা দেখব যে এই
  1366. 1:03:11জায়গাতে বেইজে ইনপুট দিব। এখানে
  1367. 1:03:13কালেক্টরে আউটপুটটা বড় হয়ে গেছে। থিং।
  1368. 1:03:17ঠিক আছে? ফাইন। তাহলে আমরা ক্ষুদ্র
  1369. 1:03:19ক্ষুদ্র
  1370. 1:03:20অনেকগুলো ফর্মুলা দেখে ফেলছি। ক্ষুদ্র
  1371. 1:03:23ক্ষুদ্র অনেকগুলো ফর্মুলা আমরা দেখে
  1372. 1:03:25ফেললাম। তো এই ফর্মুলাগুলোই আমরা জাস্ট
  1373. 1:03:28মাথায় রাখবো। আজকে ক্লাসকে আর লম্বা করবো
  1374. 1:03:30না। এর পাঁচ নাম্বার ক্লাসে কিন্তু সবথেকে
  1375. 1:03:33ইম্পর্টেন্ট পার্টটা যেটা এই চ্যাপ্টারের
  1376. 1:03:35সেটা আমরা দেখব। ফাইন। তাহলে আমরা কি কি
  1377. 1:03:37দেখছি আজকে? আই
  1378. 1:03:40ইকুয়ালস
  1379. 1:03:42আই সি প্লাস আইবি। আই ইকয়ালস টু আই সি
  1380. 1:03:47প্লাস আইবি এরপর আমরা দেখলাম যে প্রবাহ
  1381. 1:03:51লাভ আলফা ইকয়ালস টু আই সি বাই আই প্রবাহ
  1382. 1:03:56আলফা ইক আই সি বা আই এবং এরপরেরটা হচ্ছে
  1383. 1:04:01কারেন্ট এমপ্লিফিকেশন ফ্যাক্টর এটা ইকয়ালস
  1384. 1:04:04আই সি বাই আই পি ওকে ফাইন হোফুলি সবাই এই
  1385. 1:04:10ফর্মুলাগুলোকে আমরা মনে রাখব
  1386. 1:04:13একটা কোশ্চেন আমরা সলভ করে আজকে ক্লাসটা
  1387. 1:04:16শেষ করতে পারি। এই নামগুলা ডেফিনেটলি সবার
  1388. 1:04:19মনে থাকবে। এই কোশ্চেনটা একবার গ নাম্বারে
  1389. 1:04:21আসছে বা এখান থেকে অনেক ছোট ছোট এমসিকিউ
  1390. 1:04:23আসে। সেটা হচ্ছে আলফা এবং বিটার মাঝে
  1391. 1:04:25সম্পর্ক নির্ণয় করো। আলফা বিটা এর সম্পর্ক
  1392. 1:04:30নির্ণয় করো। আলফা বিটা এর সম্পর্কটা
  1393. 1:04:33নির্ণয় করো। আলফা বিটা এর মাঝে সম্পর্ক চল
  1394. 1:04:36আমরা নির্ণয় করি। কিভাবে নির্ণয় করব? আমরা
  1395. 1:04:38এটা সবাই দেখছি যে আই ইকুয়ালস টু আই সি
  1396. 1:04:43প্লাস আইবি
  1397. 1:04:45ওকে এই যে এইটা এবার একটা কাজ করব সেটা
  1398. 1:04:49হচ্ছে গিয়ে
  1399. 1:04:51আমরা
  1400. 1:04:53যে কাজটা করতে পারি আলফা বিটার মাঝে
  1401. 1:04:55সম্পর্ক বের করতে হবে দেখতো এই লাইনটা
  1402. 1:04:57থেকে এইটা লেখা যায় না যে আই ইকুয়ালস টু
  1403. 1:05:02আই সি বাই আলফা
  1404. 1:05:04দেখো আই ইকুয়ালস আই সি বাই আলফা আবার এখান
  1405. 1:05:08থেকে এটা লেখা যায় দেখো আইবি ইকয়ালস টু আই
  1406. 1:05:12সি বাই বিটা
  1407. 1:05:15দেখতেছো আইবি ইক আই সি বাই বিটা এইবার এই
  1408. 1:05:18আই এবং আইবি এর এখানে এই দুইটা ডেটা বসায়
  1409. 1:05:21দিব
  1410. 1:05:23তাহলে দেখো আই এখান থেকে আমরা দেখতেছি আই
  1411. 1:05:26সি বাই আলফা এটা হচ্ছে আই সি বাই আলফা
  1412. 1:05:31এখানে হচ্ছে আই সি আর বিটার ভ্যালু আমরা
  1413. 1:05:34দেখতেছি এই বিটা আইবি ইকয়ালস টু হচ্ছে
  1414. 1:05:37গিয়ে আইবিক আই সি বাই বিটা তাহলে আইবির
  1415. 1:05:41এখানে বসাইতে পারব আই সি বাই বিটা এখন লাভ
  1416. 1:05:45কি হলো লাভ হলো এটা দেখতে পাচ্ছ এই আই এই
  1417. 1:05:49আই এই আই কমন নিয়ে কাটা ঠিক আছে তাহলে
  1418. 1:05:52এগুলো যদি কেটে যায় এখান থেকে লেখা যাবে ও
  1419. 1:05:54বাই আলফা ইকুয়ালস ওান প্লাস ও বাই বিটা
  1420. 1:06:00তাইলে তো সম্পর্ক বের হয়ে গেছে এখান থেকে
  1421. 1:06:02সম্পর্কটা এভাবে লেখা যায় দেখো ও বাই আলফা
  1422. 1:06:05মাইনাস ওবা বা বিটা ইকুয়ালস ওয়ান। এইটাই
  1423. 1:06:09হচ্ছে এদের মাঝে সম্পর্ক। এইটাই এদের মাঝে
  1424. 1:06:12সম্পর্ক। এই সম্পর্কটাকে
  1425. 1:06:15হচ্ছে গিয়ে আমরা আরেকটু গুছিয়ে লিখতে
  1426. 1:06:17পারি। কিভাবে লিখতে পারি? দেখো এইটাকে যদি
  1427. 1:06:21আমি এভাবে লিখি। দেখ ওান বাই আলফা এক
  1428. 1:06:24সাইডে রেখে অন্য পাশে লিখলাম ওান প্লাস
  1429. 1:06:26ওান বাই বিটা। তাহলে এখানে লসাগু করলে আসে
  1430. 1:06:30বিটা প্লাস ওান বাই বিটা। উল্টায় দিলে
  1431. 1:06:33আলফা ইকুয়ালস টু বিটা ডিভাইডেড বাই বিটা
  1432. 1:06:36প্লাস ওান এইভাবে করে তোমার বইয়ে দেওয়া
  1433. 1:06:40আছে এভাবে লিখে আবার এভাবেও লিখা যায় দেখো
  1434. 1:06:43এই সম্পর্কে ওান বাই বিটা কে এক সাইডে
  1435. 1:06:47রেখে ও বাই বিটা কে এক সাইডে রেখে এক কে
  1436. 1:06:50এই সাইডে নিয়ে আসলাম এটাকে এই সাইডে রেখে
  1437. 1:06:51এককে এই পাশে নিয়ে আসলাম মানে ওান বাই
  1438. 1:06:53আলফা মাইনাস ও এই পাশে লসাগু করলে আলফা ও
  1439. 1:06:57মাইনাস আলফা এখান থেকে দেখতেছো উল্টয় দিলে
  1440. 1:06:59বিটা ইকয়াল আলফা ডিভাইডেডবা ও মাইনাস
  1441. 1:07:02আলফা। তাইলে দেখো এইখানে হচ্ছে গিয়ে
  1442. 1:07:05আমাদের বিটা বের হয়ে গেছে। ঠিক আছে? তাহলে
  1443. 1:07:08এভাবে করেও লিখা হয়ে থাকে মাঝে মধ্যে।
  1444. 1:07:10আলফা ইকয় বিটা ডিভাইডেড বা বিটা প্লাস ওয়
  1445. 1:07:13আর বিটা ইকয়াল আলফা ডিভবা ও মাইনাস আলফা।
  1446. 1:07:17ওকে? এটাকে গুছা এভাবে লেখা যেতে পারে।
  1447. 1:07:20বিটা ডিভাইডেড বাই ও প্লাস বিটা। তাহলে এই
  1448. 1:07:24বিটা যখন হয় বিটা ডিভবা প্লাস বিটা। আলফা
  1449. 1:07:27যখন হয় আলফা ডিভবা মাইনাস আলফা। এভাবে
  1450. 1:07:29লেখা যায় অথবা এই সম্পর্কটাও লেখা যায় ও
  1451. 1:07:31বাই আলফা মাইনাস ও বাই বিটা ইকুয়ালস টু
  1452. 1:07:35ওয়ান ঠিক আছে সো
  1453. 1:07:39দ্যাটস ইট আমরা আজকে এতটুকুই পড়বো সো
  1454. 1:07:43একটা চাঙ্ক অংশ যেটা যেইটা মোস্ট
  1455. 1:07:45ইম্পর্টেন্ট অংশ ওখান থেকে একটা অংক
  1456. 1:07:46বুয়েট পরীক্ষাতে রিটেনে 10 মার্কে আসছে
  1457. 1:07:48ট্রানজিস্টর একটা অংক যেই অংকটা আজকে আমরা
  1458. 1:07:51সলভ করতেছি না ওইটাকে আমি আলাদাই রাখতে
  1459. 1:07:52চাইছি অ্যামপ্লিফায়ার সার্কিটের সঙ্গে
  1460. 1:07:54আমরা ওই জিনিসটাকে গুছিয়ে পড়বো ঠিক আছে
  1461. 1:07:57এমপ্লিফায়ার সার্কিটের সঙ্গে আমরা ওই
  1462. 1:07:59জিনিসটাকে গুছিয়ে পড়বো। সো আল্লাহ
  1463. 1:08:01হাফেজ। টেক কেয়ার। বাই। দেখা হচ্ছে।
  1464. 1:08:04আরেকটা ক্লাস আছে। পাঁচ নাম্বার ক্লাসে
  1465. 1:08:06গেলেই কিন্তু এটা শেষ হবে। বাই বাই। লাভ
  1466. 1:08:08ইউ। বাই।

About this transcript

This page contains the full transcript of Semi 04 by Do or Die - Physics, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 9,185 words across 1,466 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.

What you can do with it

Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.

Free YouTube transcript tool

YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.