YouTube2Text

Semi 03 — Transcript

by Do or Die - Physics · 4,779 words · 749 segments · language en · Watch on YouTube

Full transcript

  1. 0:16ওকে
  2. 0:22হ্যালো এন্ড ওয়েলকাম এভিওয়ান সবাইকে
  3. 0:24ওয়েলকাম জানাচ্ছি আমাদের আজকের ক্লাসে
  4. 0:26হোপফুলি সবাই ভালো আছো রাইট ফাইন সবাই
  5. 0:29সবাই যুক্ত হও।
  6. 0:34ওকে।
  7. 0:36কই সবাই?
  8. 0:45আচ্ছা।
  9. 0:47কি অবস্থা? কেমন আছি সবাই? সবাই যুক্ত হলে
  10. 0:50আমরা ক্লাসটা শুরু করে ফেলি। ছোট একটা
  11. 0:52ক্লাস নিবো আজকে। গতকালকের ক্লাসটা আজকে
  12. 0:55হচ্ছে গিয়ে রিশিডিউল করা হয়েছে সো
  13. 1:00সেটা নিয়েই আজকের এই ক্লাসটা ফাইন
  14. 1:05ওকে
  15. 1:07ওকে এইতো সবাই চলে আসছো ওয়ালাইকুম
  16. 1:11আসসালাম আমি আছি আলহামদুলিল্লাহ ভালো একটু
  17. 1:13প্রেশারে আছি ভাই ভয়ানক প্রেশারে আছি
  18. 1:16মানে এডমিশনের শেষের দিকে তো তোমরা সবাই
  19. 1:19জানো যে তোমাদের সিনিয়র যে ভাইয়া আপুরা
  20. 1:21আছে আর কি 24 ব্যাচের সো ওদের হচ্ছে
  21. 1:24এডমিশনের একদম লাস্টের দিকে চলে আসছে। তো
  22. 1:27ডেট দিয়ে দিছে ইঞ্জিনিয়ারিং এ সব
  23. 1:29জায়গায়। সো যতগুলা ক্লাস আমার ওদের
  24. 1:32কোর্সের আছে ওইগুলা একটু আর্লি শেষ করার
  25. 1:34প্রেশারে আছি আর কি। এজন্য তোমাদের ক্লাসে
  26. 1:37[মিউজিক]
  27. 1:39লাস্ট দু উইকে দুটা ক্লাস হচ্ছে মিসশিডিউল
  28. 1:42হইছে। হ্যাঁ। যেটা গতকালকে যেটা মিসশিডিউল
  29. 1:45হইছে ওইটা আমি আজকে নিয়ে নিচ্ছি আর কি।
  30. 1:47সো আজকেও আবার ক্লাস আছে তোমাদের এই
  31. 1:48ক্লাসের পরে। তো বুঝতেই পারতেছো জাস্ট এই
  32. 1:50উইকটাই আর কি। এই উইকটাই হচ্ছে গিয়ে
  33. 1:53তোমাদের ওই সিনিয়র ভাইয়া আপুদের যে
  34. 1:54ব্যাচগুলি আছে তাদেরও কি ক্লাসের একটু
  35. 1:56ব্যস্ততা যাচ্ছে। সো দ্যাটস হোয়াই তোমাদের
  36. 1:58দুটো ক্লাস এই মিস শিডিউল হইলো। আমি জানি
  37. 2:00যে তোমরা এটা নিশ্চয়ই ক্ষমাসুন্দর
  38. 2:01দৃষ্টিতে দেখবে। ঠিক আছে? ফাইন। তোমাদের
  39. 2:04জন্য তো টাইম যথেষ্ট পরিমাণে আছে।
  40. 2:06ডিসেম্বর মাস পুরাটাই পড়ে আছে। আর আমরা
  41. 2:08সেকেন্ড ইয়ারের লাস্ট চ্যাপ্টারে আছি।
  42. 2:09ওয়ালাইকুম আসসালাম। কেমন আছো তোমরা সবাই?
  43. 2:12ফাইন। তো সবাই নিশ্চয়ই ভালো আছো। তো আজকের
  44. 2:14গতকালকের ক্লাসটা আমি আজকে নিচ্ছি এবং
  45. 2:16আজকে খুব ছোট একটা ক্লাস নিব। সো এই
  46. 2:18ক্লাসটাতে সো এর আ থেকে সবগুলো ক্লাস
  47. 2:21ইনশাআল্লাহ অনেক লম্বা করে সুন্দর করে
  48. 2:24নিব। সো আজকে আমরা হচ্ছে সেমিকন্ডাক্টর
  49. 2:26পড়ছিলাম। তোমাদের নিশ্চয়ই মনে আছে যে
  50. 2:29সেমিকন্ডাক্টর পড়তেছিলাম। তো
  51. 2:31সেমিকন্ডাক্টরে আমরা ডায়োডের একটা অংশ
  52. 2:33পর্যন্ত পড়ছি। আজকে ছোট একটা অংশ হয়তোবা
  53. 2:3620 মিনিটের মত লাগবে। ওই অংশটা আমরা আজকে
  54. 2:38দেখব। আজকে আমরা যে অংশটা পড়বো সেটা হচ্ছে
  55. 2:41রেক্টিফিকেশন। এখান থেকে গ নাম্বারের
  56. 2:43কোশ্চেন আসে।
  57. 2:45রেক্টিফিকেশন।
  58. 2:50রেক্টিফিকেশন
  59. 2:53রেক্টিফিকেশন ওকে ফাইন রেকটিফিকেশন কে
  60. 2:57বাংলায় বলে হচ্ছে গিয়ে একমুখীকরণ
  61. 3:00রেকটিফিকেশন কে আমরা বলতেছি হচ্ছে গিয়া এক
  62. 3:03মুখীকরণ একমুখী
  63. 3:06করণ এখন কাকে আমরা আসলে একমুখীকরণ করব দিক
  64. 3:11পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহকে দিক পরিবর্তী তড়িৎ
  65. 3:15প্রবাহকে আমরা একমুখী করব। ওকে? দিক
  66. 3:18পরিবর্তী তড়িৎ প্রবাহকে আমরা একমুখী করব।
  67. 3:23ঠিক আছে ভাই। এখন কি নতুন করে ভেক্টর
  68. 3:27করাবেন ভাইয়া? হ্যাঁ করাবো করাবো। ভেক্টর
  69. 3:29আরকাইভ দেওয়া আছে। হ্যাভ ভেক্টর আরকাইভ
  70. 3:32দেওয়া আছে। ওইটা সাফিশিয়েন্ট আছে।
  71. 3:33তারপরও ভেক্টরের উপরে আমি একটা গো থ্রু
  72. 3:36করব। তারপরও ভেক্টরের উপরে আমি একটা গো
  73. 3:38থ্রু করব। ওকে? সবকিছু সুন্দর করে গুছিয়ে
  74. 3:41দিব। ভেক্টরের আরেকটা চ্যাপ্টার বাকি আছে
  75. 3:42আদর্শ গ্যাস। ফার্স্ট পেপারের ফারস্ট এই
  76. 3:44ট্র্যাপটা শেষ হলে ফার্স্ট পেপারে আদর্শ
  77. 3:46গ্যাস পড়বো। তারপরে ভেক্টরের উপর একটা গো
  78. 3:48থ্রু করব। এরপর নানা রকম জিনিসপত্র কিভাবে
  79. 3:50কি পড়তে হবে সেটা সাজেশন দিব। তোমাদের
  80. 3:52নানা রকম ভাবেই আমি তোমাদের সঙ্গে যুক্ত
  81. 3:54আছি। তোমরা কখনো ভেবো না তোমাদের সঙ্গে
  82. 3:56আমি নাই। তোমরা তো দেখছো গত এক বছর যাবত
  83. 3:58আমি পুরাটা সময় তোমাদেরকে নিয়ে অনেক বেশি
  84. 3:59অফস ছিলাম। এটাই থাকবে ইনশাআল্লাহ। তাহলে
  85. 4:02চল আজকে যে আমি বললাম যে ছোট একটা অংশ
  86. 4:04আমরা আজকে পড়বো। যেটা হচ্ছে একমুখীকরণ। তো
  87. 4:08আমরা ডায়োডের সবকিছুই পড়ছি। এর আগে ডায়ডের
  88. 4:10এই অংশটাই আমাদের বাকি আছে। তো এই অংশটা
  89. 4:12আজকের ক্লাসে আমরা পড়ে ফেলি। আচ্ছা ফাইন।
  90. 4:15সো একমুখীকরণ বলতে কি? আমরা জানি কারেন্ট
  91. 4:18দুই রকমের হয়। একটা হচ্ছে এসি কারেন্ট।
  92. 4:21এসি কারেন্ট মানে অল্টারিং কারেন্ট বা দিক
  93. 4:24পরিবর্তী প্রবাহ। দিক পরিবর্তী
  94. 4:30প্রবাহ।
  95. 4:31দিক পরিবর্তী প্রবাহ বলতে এইখানে
  96. 4:34কারেন্টের দিক হচ্ছে গিয়া চেঞ্জ হয়।
  97. 4:37ব্যাপারটা অনেকটা এরকম। সময়ের সঙ্গে
  98. 4:38সঙ্গে কারেন্টের দিক চেঞ্জ হয়। একটা
  99. 4:40আইডিয়াল এক্সাম্পল হচ্ছে গিয়ে
  100. 4:42সাইনোসাইয়েডাল এসি কারেন্ট। এই যে
  101. 4:44কারেন্ট এবং সময় আমরা দেখবো দিক পরিবর্তী
  102. 4:47কারেন্টে দিক পরিবর্তী কারেন্টে কারেন্টটা
  103. 4:49এইরকম হয়। এই রকম হয়। তো দেখতে পাচ্ছ
  104. 4:53কারেন্টটা কিছু সময় থাকে হচ্ছে প্লাস। এই
  105. 4:56বিন্দু পর্যন্ত সময় প্লাস। উপরে চেঞ্জ
  106. 4:59হয়। মানও চেঞ্জ হয়। মান বাড়তে বাড়তে
  107. 5:01আবার কমে। দেখতেছো মানটা এখানে জিরো।
  108. 5:03বেড়ে এখানে সর্বোচ্চ হয়ে এখানে আবার
  109. 5:05জিরো হয়। মানও বাড়ে। আবার প্লাস প্লাসের
  110. 5:08দিকে আছে। আবার নিচের যে অংশ এখানে
  111. 5:11দেখতেছো কারেন্টের দিকটা মাইনাস। মাইনাস
  112. 5:13বলতে একবার কারেন্ট ডানে যায়। একবার
  113. 5:16কারেন্ট বামে যায়। মানে ইলেকট্রনগুলা
  114. 5:18সিম্পল হারমনিক মোশনে থাকে। একবার ডান
  115. 5:20থেকে বামে কারেন্ট পাই। একবার বাম থেকে
  116. 5:22ডানে কারেন্ট পাই। ওকে? এরপরে আবার প্লাস।
  117. 5:24এরপরে আবার মাইনাস। এই টাইপের কারেন্টকে
  118. 5:27আমরা বলতেছি হচ্ছে গিয়া দিক পরিক
  119. 5:30দিক পরিবর্তক প্রবাহ বা অল্টারিং কারেন্ট।
  120. 5:34এসি কারেন্ট। আরেকটা কারেন্ট আছে যেটাকে
  121. 5:36আমরা বলি হচ্ছে গিয়া ডিসি কারেন্ট। আরেকটা
  122. 5:39কারেন্ট যেটাকে আমরা বলতেছি ডিসি কারেন্ট
  123. 5:41বা
  124. 5:45একমুখী কারেন্ট। এক মুখী প্রবাহ। মানে এই
  125. 5:51কারেন্টে কারেন্টের প্রবাহ একমুখে থাকে।
  126. 5:53হ্যাঁ। মানে বারবার দিক চেঞ্জ হয় না।
  127. 5:55তাহলে এটার গ্রাফটা হবে এরকম। এটা সময়ের
  128. 5:58সাপেক্ষে। আমরা কারেন্টটাকে যদি দেখি
  129. 6:01তাহলে আমরা দেখবো সময়ের সাপেক্ষে।
  130. 6:03কারেন্টটা হচ্ছে গিয়া এরকম থাকবে। হ্যাঁ।
  131. 6:06সময়ের সাপেক্ষে কারেন্টটা এরকম থাকবে।
  132. 6:09দেখো মানও চেঞ্জ হচ্ছে না, দিকও চেঞ্জ
  133. 6:11হচ্ছে না। এটা প্লাসে যে আছে প্লাসই আছে।
  134. 6:14এটা প্লাসে যে আছে। দেখো এখানে ভ্যালুটা
  135. 6:17প্লাস। কারেন্টের ভ্যালুটা প্লাস। এটা
  136. 6:19প্লাসই আছে এবং একটা মানই ধরে রাখছে। ওকে?
  137. 6:23ফাইন। এখন ডায়োড ব্যবহার করে আমরা এই দিক
  138. 6:26পরিবর্তী কারেন্টকে
  139. 6:29একমুখী করতে পারি। মানে একমুখী করতে পারা
  140. 6:32মানে শুধু প্লাস থাকবে কোন মাইনাস থাকবে
  141. 6:35না। এইটাকে বলা হয় রেকটিফিকেশন। তাহলে
  142. 6:37ব্যাপারটা কিরকম? ব্যাপারটা এরকম আমি একটু
  143. 6:40গ্রাফে তোমাদের বুঝায় দেই। লেটস সে
  144. 6:48দেখো।
  145. 6:51প্রচন্ড দৌড়ের উপরে যাচ্ছে জীবন আর কি।
  146. 6:53প্রত্যেকদিন দু তিনটা করে ক্লাস থাকতেছে।
  147. 6:56বুঝতেছো এডমিশনের শেষের সময় এরকম হয়।
  148. 6:58তোমরাও যখন এডমিশনে আসবা তখন দেখবা যে ডেট
  149. 7:00টেট সব দিয়ে দিছে তো ক্লাসে অনেক রাশ
  150. 7:02চলতেছে আর কি ফাইন তো দেখো
  151. 7:10এইখানে আমরা একটা
  152. 7:13দিক পরিবর্তী প্রবাহ দেখতে পাচ্ছি দিক
  153. 7:16পরিবর্তী প্রবাহ কিভাবে দেখতেই পাচ্ছ
  154. 7:18এইটার মান হচ্ছে গিয়ে প্লাস মাইনাস প্লাস
  155. 7:21মাইনাস এভাবে করে বারবার চেঞ্জ হচ্ছে
  156. 7:24প্লাস মাইনাস এভাবে করে বারবার এটার মানটা
  157. 7:27চেঞ্জ হচ্ছে তার মানে এটা একটা ডিসি
  158. 7:29কারেন্ট দিক পরিবর্তী প্রবাহ। ঠিক আছে?
  159. 7:33এখন আমরা চাচ্ছি আমরা চাচ্ছি এটাকে
  160. 7:36একমুখীকরণ করতে। এটাকে আমরা একমুখীকরণ
  161. 7:40করতে চাই। একমুখী করতে চাই। এটাকে আমরা
  162. 7:44একমুখী করতে চাই। ফাইন। তাহলে দেখো
  163. 7:48ব্যাপারটা কিভাবে করে করে।
  164. 7:58ডায়োড ইউজ করে কারেন্টকে একমুখী করা যায়।
  165. 8:02ফাইন। এখন যদি কোনভাবে আমরা এটা করতে পারি
  166. 8:05যে মাইনাস গুলারে আটকে দিলাম আর প্লাসগুলা
  167. 8:08থাকলো। তাইলে তো একমুখী হয়ে গেল। দেখতে
  168. 8:10পাচ্ছ যে শুধু প্লাসগুলা আছে। শুধু
  169. 8:14প্লাসগুলা আছে। মাইনাসগুলা বাদ। মাইনাসের
  170. 8:17সময় কোন কারেন্ট পাই নাই। তাইলে এইটা
  171. 8:19কিন্তু একমুখী হয়ে গেল। শুধু মাইনাস গুলা
  172. 8:22রাখলেও একমুখী হবে প্লাস বাদ দিয়ে। তাহলে
  173. 8:24বুঝতেছে
  174. 8:26এটা একটা ডিসি কারেন্ট ছিল আর এটা একটা
  175. 8:30এসি কারেন্ট। এটা একটা ডিসি কারেন্ট ছিল।
  176. 8:32এটা একটা এসি কারেন্ট। ওকে? ফাইন। তহলে এই
  177. 8:36যে পূর্ণ তরঙ্গটাকে আমরা যে এখানে হাফ করে
  178. 8:40দিলাম এইটাকে বলা হয় হাফ ওয়েভ
  179. 8:42রেক্টিফিকেশন। এটাকে বলা হয় হাফ ওয়েভ
  180. 8:47রেক্টিফিকেশন।
  181. 8:50হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন। বা আমরা বলি
  182. 8:53অর্ধতরঙ্গ
  183. 8:55একমুখীকরণ। এটাকে আরেকটা নাম হচ্ছে অর্ধ
  184. 8:59তরঙ্গ। অর্ধতরঙ্গ
  185. 9:02একমুখীকরণ বা রেক্টিফিকেশন অর্ধতরঙ্গ এক
  186. 9:06মুখীকরণ ওকে ফাইন তাহলে এটা আমরা বুঝতে
  187. 9:11পারছি এখন এইটা কেমনে করা যায় একটা
  188. 9:12ডায়োডের সার্কিট দিয়ে করা যায় যেটা আমরা
  189. 9:14আজ ক্লাসে দেখব এটা গেল একটা ওয়ে আরেকটা
  190. 9:16কাজতো আমরা করতে পারি আমরা কি করতে পারি
  191. 9:18দেখো প্লাসগুলো রাখবো আবার মাইনাসগুলো
  192. 9:22ঘুরায় দিয়ে প্লাস করে দিব তাইলে তো সবাই
  193. 9:24প্লাস হয়ে গেল মানে ব্যাপারটা এরকম দেখো
  194. 9:26প্লাসগুলো তো প্লাস আছেই মাইনাসগুলো উল
  195. 9:29উলটা প্লাস করে দিলাম।
  196. 9:32প্লাসগুলা প্লাস থাকছে। মাইনাস গুলারে
  197. 9:35উল্টায়া প্লাস করে দিলাম। তহলে দেখো সবাই
  198. 9:37একদিকে আছে। তার মানে এটাকেও আমরা বলতে
  199. 9:40পারব এসি কারেন্ট। সরি এসি কারেন্ট না
  200. 9:43এগুলা সব হচ্ছে ডিসি কারেন্ট। এই দুইটাই
  201. 9:45ডিসি কারেন্ট। একমুখী হয়ে যাওয়া মানে সেটা
  202. 9:47ডিরেক্ট কারেন্ট হয়ে গেল। একমুখী মানে দিক
  203. 9:50পরিবর্তন করে না। অদিক পরিবর্তী বা একমুখী
  204. 9:52প্রবাহ। এখন দেখো এইটা যখন আমরা করতেছি
  205. 9:55এইটাকে বলা হয় ফুল ওয়েভ রেক্টিফিকেশন।
  206. 9:58এটাকে আমরা বলব ফুল ওয়েভ
  207. 10:02রেক্টিফিকেশন।
  208. 10:05রেক্টিফিকেশন।
  209. 10:07ফুল ওয়েভ রেক্টিফিকেশন বা পূর্ণ তরঙ্গ
  210. 10:10একমুখীকরণ। পূর্ণ তরঙ্গ
  211. 10:14একমুখীকরণ। পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকরণ।
  212. 10:18ওকে? ফাইন। এখন দুইটাই ডায়োডের সার্কিটে
  213. 10:21করা যায়। দুইটাই ডায়োডের সার্কিটে করা
  214. 10:24যায়। এখন রেকটিফিকেশন কি জিনিস সবাই
  215. 10:25নিশ্চয়ই বুঝছো যে দিক পরিবর্তী প্রবাহকে
  216. 10:28দিক পরিবর্তী প্রবাহকে দিক পরিবর্তী
  217. 10:31প্রবাহকে আমরা যদি অদিক পরিবর্তী প্রবাহ
  218. 10:34বানায় ফেলতে পারি। লাইক এখানে দেখতেছো এটা
  219. 10:37একটা দিক পরিবর্তী প্রবাহ ছিল। প্লাস
  220. 10:38মাইনাস হইতো বারবার কারেন্টের মানটা এবং
  221. 10:41সেটাকে শুধু প্লাস করছি। মাইনাসগুলা বাদ
  222. 10:44দিছি। এটাকে বলা হয় অর্ধতরঙ্গ একমুখীকরণ।
  223. 10:47আর মাইনাসগুলা জোর করে প্লাস করে দিছি।
  224. 10:48এটাকে বলা হয় পূর্ণ তরঙ্গ একমুখীকরণ। এখন
  225. 10:51এই দুইটা সার্কিট আমরা দেখব। ঠিক আছে? এখন
  226. 10:53এই দুইটার সার্কিট আমরা দেখব। ফাইন। তাহলে
  227. 10:57প্রথমে হচ্ছে গিয়া হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন।
  228. 10:59প্রথমে
  229. 11:01হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন।
  230. 11:04হাফ ওয়েভ
  231. 11:09রেক্টিফিকেশন।
  232. 11:11হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন।
  233. 11:15ওকে। আচ্ছা ফাইন।
  234. 11:18তাহলে দেখো হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন তো আমরা
  235. 11:21বুঝলাম। হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশনটা কি? এইযে
  236. 11:24আমরা গ্রাফেই দেখতে পাইছি হাফওয়ে
  237. 11:26রেক্টিিফিকেশনটা হচ্ছে গিয়া এই যে এরকম।
  238. 11:28এইযে এটা এটা থেকে আমরা এটা বানাবো। হ্যা
  239. 11:30তো সেটা কিভাবে বানাইতে পারি? দেখো
  240. 11:33সার্কিটটা আমরা ডিরেক্টলি মনে রাখবো।
  241. 11:35তাইলেই আমরা বুঝবো। বোঝাটাই ম্যাটার। অনেক
  242. 11:37সময় বই দেখে আমরা বুঝতে পারি না। ফাইন।
  243. 11:40মনে রাখবা এসি সোর্সকে এসি সোর্সকে আমরা
  244. 11:43এভাবে করে লিখি। এভাবে করে যদি একটা
  245. 11:46ব্যাটারি আকা হয় এরকম ঢেউ দেওয়া এটা
  246. 11:48দ্বারা বুঝায় এসি কারেন্ট হ্যা তাইলে আমরা
  247. 11:51এটা এখানে বুঝতে পারতেছি আমরা ইনপুট এটা
  248. 11:54হচ্ছে ইনপুট ইনপুট দিব একটা এসি কারেন্ট
  249. 11:57আউটপুট পাব একটা ডিসি কারেন্ট এরকম ঠিক
  250. 11:59আছে ফাইন তাইলে প্রথমে এই জায়গাতে
  251. 12:02সার্কিটটা ডিরেক্টলি আমরা মনে রাখবো এটা
  252. 12:05হচ্ছে সেই এসি কারেন্ট এবং যেটা কিনা
  253. 12:07ইনপুট এটা হচ্ছে ইনপুট ওকে আচ্ছা এরপর
  254. 12:13এইটার সঙ্গে আমরা হচ্ছে এই জায়গাতে একটা
  255. 12:16ডায়োড জুড়ে দিব। এই জায়গাতে একটা
  256. 12:18ডায়োড জুড়ে এই জায়গাতে একটা রোদ জুড়ে
  257. 12:21দিব এবং সার্কিটটা ফুলফিল করব। এটাই
  258. 12:24আমাদের হয়ে যাবে এই যে সার্কিটটা এটাই
  259. 12:28হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশনের সার্কিট।
  260. 12:31এবং আউটপুটটা কই দিয়ে নিব? মনে রাখবা যে
  261. 12:34ইনপুটটা এখানে দিলাম। আউটপুটটা হবে হচ্ছে
  262. 12:36এই যে রোডটা আমরা নিছি। এই রোধের দুই
  263. 12:39প্রান্তে যে ভোল্টেজটা পাবো সেটাই হচ্ছে
  264. 12:42আমাদের আউটপুট। এটাই হবে আমাদের আউটপুট।
  265. 12:46ওকে? ইনপুট দিব এখানে কারেন্ট আর আউটপুট
  266. 12:50পাব হচ্ছে গিয়া এখানে। ঠিক আছে? ফাইন।
  267. 12:53তাহলে দেখো ব্যাপারটা কিভাবে করে হবে।
  268. 12:55এইখান থেকে আউটপুট। এই রোধের দুই
  269. 12:57প্রান্তে। আর এইখানে যেটা দিছি এটা হচ্ছে
  270. 12:59গিয়ে আমাদের ইনপুট। এখানে যেটা দিব সেটা
  271. 13:02হচ্ছে ইনপুট। তাহলে আউটপুট ভারসেস ইনপুটের
  272. 13:05আমরা গ্রাফ দেখব। আউটপুট বনাম ইনপুটের
  273. 13:08আমরা গ্রাফটা দেখবো। ঠিক আছে? ফাইন।
  274. 13:12কিভাবে করে রেকটিফাইড হইলো এই সার্কিটে
  275. 13:14সেটাই আমরা এখন এখান থেকে বুঝবো। বইটা
  276. 13:17দেখে বুঝা একটু কঠিন মনে হয়। আমি যখন
  277. 13:19ইন্টারে ছিলাম বই পড়ে রেক্টিফিকেশন কিছুই
  278. 13:21বুঝি নাই। পরবর্তীতে যখন ইঞ্জিনিয়ারিং
  279. 13:23পড়েছি তখন আমাদের ট্রিপলই করছে যে এটা
  280. 13:25বুঝতে পারছি আসলে কাহিনীটা কি হয়। ফাইন।
  281. 13:28তাইলে এটা হচ্ছে গিয়া তোমার।
  282. 13:32এবং এটা আমরা সবাই জানি ভোল্টেজ এবং
  283. 13:35কারেন্ট পরস্পর সমানুপাতিক। তাহলে এখান
  284. 13:37থেকে বুঝতেছে কারেন্ট যেভাবে চেঞ্জ হবে
  285. 13:39ভোল্টেজ ওইভাবেই চেঞ্জ হবে। একই রকমেরই
  286. 13:41গ্রাফ হবে। হ্যা আমরা ভোল্টেজের গ্রাফটা
  287. 13:43আকতেছি এবং কারেন্টের গ্রাফটাও সেমই হবে।
  288. 13:46ওকে ফাইন। তাহলে এখানে ভি এটা হচ্ছে ইনপুট
  289. 13:49আর এটা সময় আর এখানে হচ্ছে ভি আউটপুট আর
  290. 13:53এটা হচ্ছে সময়। ওকে ফাইন। তাহলে ইনপুট
  291. 13:57গ্রাফটা তো একটা এসি কার্ভ। দেখতে পাচ্ছ?
  292. 14:01ইনপুট ডিসি একটা এসি সিগনাল। মানে এরকম
  293. 14:03একটা ঢেউ খেলানো হচ্ছে গিয়ে সিগনাল আমরা
  294. 14:05ইনপুট দিয়েছি ঠিক আছে ফাইন এখন দেখবো এই
  295. 14:09আউটপুটে কিভাবে করে হাফ ওয়েভ রেক্টিফাইড
  296. 14:12হচ্ছে সেই ব্যাপারটা আমরা বোঝার চেষ্টা
  297. 14:15করব ওকে
  298. 14:18এটা গ নাম্বারে অনেক রকম ভাবে আসতে পারে
  299. 14:20যে এরকম ছবি দিয়ে দিবে এরকম ছবি দিয়ে
  300. 14:23দিবে যে এটা থেকে এইটা বানাইতে হবে তাহলে
  301. 14:25কিভাবে বানাবো তখন তুমি যেটা করবা সেটা
  302. 14:27হচ্ছে এই সার্কিটটা আকবা এখন দেখো কিভাবে
  303. 14:30করে এই জিনিসটা হবে এইটা প্লাস এটা মাইনাস
  304. 14:33এটা প্লাস এটা মাইনাস এখন মনে রাখবে এই
  305. 14:35জিনিসটা সেটা হলো
  306. 14:39এই থেকে এই টাইমের মাঝে জিরো থেকে এই
  307. 14:42টাইমের মাঝে এতটুকু সময়ের মাঝে এতটুকু
  308. 14:45সময়ের মাঝে দেখতেছো প্লাস এরপরে আবার দিক
  309. 14:48চেঞ্জ হবে তাইলে বুঝতেছো এই রাইট এট দিস
  310. 14:51মোমেন্ট যখন এই জিরো থেকে এইটুকু সময়ের
  311. 14:54মধ্যে আমরা চিন্তা করব তখন এই প্রান্তটা
  312. 14:57হচ্ছে গিয়ে প্লাস এই প্রান্তটা মাইনাস
  313. 15:00ব্যাটারির এই প্রান্তটা প্লাস এই প্রান্ত
  314. 15:02মাইনাস এর পরের যখন এইখানে আসবে তখন আবার
  315. 15:05এই প্লাস মাইনাস উল্টে যাবে এই মাইনাস
  316. 15:07যাবে উপরে প্লাস যাবে নিচে বুঝ তহলে আমরা
  317. 15:10এতটুকুর জন্য এখন দেখতেছি এতটুকুর জন্য
  318. 15:12এটা প্লাস এটা মাইনাস তহলে এখানে
  319. 15:15কারেন্টটা কি প্লাস থেকে বের হয়ে মাইনাসে
  320. 15:17যাবে তাহলে খেয়াল করে দেখো
  321. 15:20এই ডায়োডের এটা এন প্রান্ত আর এটা পি
  322. 15:23প্রান্ত আর এটা হচ্ছে এন প্রান্ত তাহলে
  323. 15:26এখান থেকে তোমরা খেয়াল করলে এটা বুঝতে
  324. 15:27পারতেছো সবাই যে পি এর সাথে প্লাস আছে
  325. 15:30দেখতেছো এই পি এর সঙ্গে প্লাস আছে। আর এই
  326. 15:33যে এন এনটা ঘুরে এসে এখানে মাইনাস আছে।
  327. 15:35কিন্তু খেয়াল করে দেখো পি এর সঙ্গে প্লাস
  328. 15:38আছে। এন এর সঙ্গে মাইনাস আছে। মানে
  329. 15:40ব্যাপারটা কি? পি হাই ভোল্টেজ আছে। আমরা
  330. 15:43সবসময় এটা জানি যে একটা ডায়োডের হচ্ছে
  331. 15:45গিয়া পি প্রান্তে। আগের ক্লাসগুলোতে আমরা
  332. 15:48দেখেছি। এটা পি এটা এন। পি প্রান্তে প্লাস
  333. 15:51আর এন প্রান্তে মাইনাস থাকা মানেই ডায়োডটা
  334. 15:53ফরোয়ার্ড বায়াসে আছে। আর ফরোয়ার্ড বায়াসে
  335. 15:56থাকলে ডায়োডে কারেন্ট যায়। ফরোয়ার্ড
  336. 15:58বায়াসে থাকলে ডায়োডের ভিতর থেকে কারেন্টটা
  337. 16:01পাস করতে পারে। তাহলে এবার দেখতেছো পিতে
  338. 16:04আছে প্লাস এনে আছে মাইনাস। তার মানে
  339. 16:07ডায়োডটা অন আছে। তাইলে এখান থেকে কারেন্ট
  340. 16:09যাবে। তাহলে কারেন্টটা কিভাবে যাবে?
  341. 16:11কারেন্টটা এখান থেকে পাস করবে। কারেন্টটা
  342. 16:13এখান থেকে যেতে পারবে। গিয়ে এই কারেন্টটা
  343. 16:16তো এখান থেকে নামবে।
  344. 16:19কারেন্ট যখন নামবে তাহলে এখানে ভোল্টেজ কি
  345. 16:21হবে? আমরা জানি ভোল্টেজ। আউটপুট ভোল্টেজ।
  346. 16:24আই ইনটু আর তাই না? এখানে কারেন্ট ইনটু
  347. 16:28হচ্ছে গিয়ে আর এই কারেন্ট গিয়ে এখান থেকে
  348. 16:30এখানে আসতেছে। তো কারেন্টটা যখন যাবে আর
  349. 16:32এর মধ্যে দিয়ে কারেন্টটা যাবে। তাহলে আই ই
  350. 16:35আর এর গুণফলটাই এখানে আউটপুট ভোল্টেজে
  351. 16:37পাব। এবং দেখতে পাচ্ছ যে এইখানে ভোল্টেজটা
  352. 16:40যেভাবে বাড়বে এই জায়গাতেও এই জায়গাতেও
  353. 16:44ভোল্টেজটা সেইভাবে করে বেড়ে চেঞ্জ হবে।
  354. 16:47কেন হবে? দেখো এখানে ভোল্টেজটা বাড়বে।
  355. 16:49এখানে যে ইনপুট ভোল্টেজ এখানে যে আমি
  356. 16:51ইনপুট ভোল্টেজ দিছি। ইনপুট ভোল্টেজটা
  357. 16:54আস্তে আস্তে কি বাড়তেছে মান। তো ভোল্টেজ
  358. 16:56বাড়লে কারেন্টের মানও কি হবে? বাড়বে।
  359. 16:58সমানুপাতিক। তাহলে এখানে কারেন্টের মানও
  360. 17:00বাড়বে। আর কারেন্টের মান যদি বাড়তে থাকে
  361. 17:02দেখো আর এর সঙ্গে এই গুণফলটাও বাড়বে। তার
  362. 17:04মানে ইনপুটের ভোল্টেজ যেভাবে বাড়বে
  363. 17:07আউটপুটের ভোল্টেজও সেভাবে বাড়বে। তাইলে
  364. 17:10এতটুকু ভোল্টেজ আমরা পাইলাম প্রথম অংশের
  365. 17:12জন্য। এরপরে একটু সময় পরে এইটা এই
  366. 17:15সাইকেলে চলে আসবে এই পাশে। তখন তো মাইনাস
  367. 17:18মানে দিক ঘুরে যাবে। তাহলে ব্যাপারটা কি
  368. 17:20হবে? এইবার যেটা হবে এই প্রান্তটা হয়ে
  369. 17:24যাবে মাইনাস। আর এই প্রান্তটা হয়ে যাবে
  370. 17:26প্লাস। নিশ্চয়ই বুঝতেছে উল্টায় গেছে। এইটা
  371. 17:28হয়ে গেছে মাইনাস আর এটা হয়ে গেছে প্লাস।
  372. 17:32এখন কাহিনী কি হইছে? দেখো পি এর সঙ্গে এখন
  373. 17:35আছে মাইনাস। আর এন এর সঙ্গে এখন আছে
  374. 17:38প্লাস। আমরা এটা সবাই জানি যে একটা
  375. 17:40ডায়োডের একটা ডায়োডের এই পিএন ডায়োডের
  376. 17:44পিএন ডায়োডের পি এর সঙ্গে মাইনাস আর এন এর
  377. 17:46সঙ্গে প্লাস থাকা মানে এটা রিভার্স বায়াসে
  378. 17:48আছে। বিমুখী ঝোক। আগের ক্লাসে আমরা দেখছি।
  379. 17:51আর বিমুখী ঝুকে থাকলে এর ভিতরে কোন
  380. 17:53কারেন্ট যাইতে পারে না। তাহলে যখন উল্টায়
  381. 17:56যাবে তখন এইখানে কোন কারেন্ট যেতে পারবে
  382. 17:59না। এই ডায়টা বন্ধ হয়ে গেছে। কারেন্ট যদি
  383. 18:02না যাইতে পারে তাহলে এখানে আউটপুট ভোল্টেজ
  384. 18:03কত পাব? দেখো কারেন্টের ভ্যালু যদি শূন্য
  385. 18:05হয় তাহলে আউটপুট ভোল্টেজ হয়ে যাবে শূন্য।
  386. 18:08কারেন্ট না গেলে এখানে রোধের সঙ্গে আই এর
  387. 18:10ভ্যালু শূন্য। তাহলে ভোল্টেজ জিরো হয়ে
  388. 18:12যাবে। তার মানে বুঝতেছো? যতক্ষণ পর্যন্ত
  389. 18:15মাইনাসে থাকবে ততক্ষণ পর্যন্ত এইখানে আমরা
  390. 18:17কোন কারেন্টই পাবো না। মানে এখানে কোন
  391. 18:20ভোল্টেজই পাবো না, কারেন্টও পাবো না। সোজা
  392. 18:22কথা। আবার যখন এইখানে আসবে আবার প্লাস হলে
  393. 18:26আবারও সাইন চেঞ্জ হয়ে এখানে প্লাস হয়ে
  394. 18:28যাবে। এখানে মাইনাস হয়ে যাবে। তখন আবার
  395. 18:30কারেন্ট যাবে। তো আবার কারেন্ট গেলে আবারও
  396. 18:32হচ্ছে গিয়ে আমরা এখানটাতে আগের মত ভোল্টেজ
  397. 18:35পেতে থাকবো। তারপরে এগেইন আবার মাইনাসে
  398. 18:38আসবে। মাইনাস আসলে আবার উল্টায়ে যাবে।
  399. 18:40উল্টায় গেলে এগেইন রিভার্স বায়াসে যাবে।
  400. 18:41কোন কারেন্ট যাবে না। দ্যাট মিন্স তখন
  401. 18:44এগেইন এখানে কোন কারেন্ট পাবো না। তাহলে
  402. 18:46দেখো এই সেটাপে এই জায়গায় শুধুমাত্র
  403. 18:49পজেটিভ কারেন্ট গুলাই থাকবে। নেগেটিভ
  404. 18:51কারেন্ট যখন আসার কথা তখন ওটা বন্ধ হয়ে
  405. 18:53যায়। কোন কারেন্ট আসতেছে না। তাহলে এটাই
  406. 18:55কি হয়ে গেল না? হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন।
  407. 18:57দেখে নিশ্চয়ই সবাই বুঝতে পারতেছি। এখান
  408. 18:59থেকে এই অবস্থায় চলে আসলো। মানে এইটা হয়ে
  409. 19:02গেল অর্ধতরঙ্গ
  410. 19:04রেক্টিফিকেশন বা হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন।
  411. 19:07এটাকে আমরা বলতে পারবো হাফ ওয়েভ
  412. 19:11রেক্টিফিকেশন।
  413. 19:13হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন।
  414. 19:16হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন। ঠিক আছে? তাহলে
  415. 19:19হোপফুলি সবাই এতটুকু আমরা বুঝতে পারছি।
  416. 19:22ক্লিয়ার?
  417. 19:31ওয়ালাইকুম আসসালাম মাহমুদুল ইসলাম ফাস্টটা
  418. 19:36এসছি না ভাইয়া হ্যাঁ ফার্স্টটা এসি বুঝতে
  419. 19:38পারছি ওখানে কনফিউশনটা তোমার দূর হইলো
  420. 19:40ভাইয়া আমাদের এক্সাম কি জুনে হবে হ্যাঁ
  421. 19:42হোপফুলি তোমাদের এক্সাম জুনে হবে ওকে বহুত
  422. 19:44টাইম আছে তোমাদের আমাদের তো সিলেবাসই শেষ
  423. 19:46হয়ে যাচ্ছে এই চ্যাপ্টার শেষ হলে সিলেবাস
  424. 19:48অলমোস্ট শেষ ফার্স্ট পেপার একটা চ্যাপ্টার
  425. 19:50পড়া বাকি আছে ওইটা পড়বো বাকি যেসব জিনিসের
  426. 19:52উপরে কাজ করার কথা ওগুলো ঠান্ডা মাথায়
  427. 19:54পড়তে পারবো সো বহুত টাইম আছে আনন্দ
  428. 19:56ফাইন দেখো নিশ্চয়ই সবাই হাফ ওয়েব
  429. 19:59রেক্টিফিকেশন বুঝতে পারছি ভাইয়া এই
  430. 20:01চ্যাপ্টারটা কি একাডেমিকের জন্য খুব বেশি
  431. 20:03ইম্পর্টেন্ট আসলে আমার কাছে একটু প্যারা
  432. 20:06লাগছে একাডেমিকের জন্য খুব একটা
  433. 20:08ইম্পর্টেন্ট না এটা সত্য কথা বাট তুমি
  434. 20:11আমার ক্লাস তিনটা তো গত দুইটা আজকের একটা
  435. 20:14এরপর আরেকটা হবে এই চারটা ক্লাস করো দেখো
  436. 20:17এতটুকু বুঝে যাও ক্লাসে তুমি বই পড়লা না
  437. 20:19লেটসে এটার বই পড়লা না ধরলাম তুমি বইটা
  438. 20:21পড়লা না এটা না করাই ভালো বাট পড়লা না
  439. 20:24ধরলা যে তুমি এখানে খুব অল্প দেখাইলা
  440. 20:26তাতেও প্রবলেম নাই। তুমি আমার এই চারটা
  441. 20:28ক্লাস করো। তুমি নিশ্চিন্তে থাকতে পারবা।
  442. 20:30দেখ কনফিডেন্ট পাবা। বই পইড়াও অনেকে দেখবা
  443. 20:32যে এরকম আউটপুট পাচ্ছে না। ফাইন। তাহলে
  444. 20:34এভাবে আমরা হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশনটা বুঝতে
  445. 20:37পারছি। ঠিক আছে? ফাইন। এবার আসো আমরা
  446. 20:42ফুলওয়ে রেকটিফিকেশন দেখবো। ফুল ওয়েভ
  447. 20:45রেক্টিফিকেশন ফুল ওয়েভ রেক্টিফিকেশন ফুল
  448. 20:50ওয়েভ রেক্টিফিকেশন
  449. 20:53রেক্টিফিকেশন
  450. 20:55ফুল ওয়েভ রেক্টিফিকেশন পূর্ণ তরঙ্গ
  451. 20:58একমুখীকরণ এইখানে যে জিনিসটা হবে এইখানে
  452. 21:02ব্যাপারটা এরকম হবে এরকম একটা সিগনাল দিব
  453. 21:05ইনপুটে ওইটা পুরাটা এরকম পাব পুরাটা প্লাস
  454. 21:08প্লাস পাব সেটা কিভাবে পাবো সার্কিটটা
  455. 21:11আমরা প্রথমে দেখে নেই সার্কিটটা এরকম হবে।
  456. 21:15প্রথমে হচ্ছে গিয়ে আমরা এভাবে করে ডায়োড
  457. 21:18নিব। অনেকটা হুইস্টন ব্রিজের রোধের মত। এই
  458. 21:20দুইটা সমান্তরাল থাকবে। দুইটা ডায়োড।
  459. 21:28আর এই দুইটা থাকবে উল্টা। এই দুইটা থাকবে
  460. 21:32হচ্ছে উল্টা। ওকে? ফাইন। এরকম থাকবে। ওকে?
  461. 21:37এই চারটা ডায়োড নিলাম। এরপরে এই চারটা
  462. 21:39ডায়োডের মাঝের এই জায়গাতে একটা রোদ নিব।
  463. 21:43এই রোডটা হচ্ছে এইখানটাতে আমরা আউটপুটটা
  464. 21:46মাপবো। হ্যা চারটা ডজের এখান থেকে আমরা
  465. 21:48আউটপুটটা মাপবো। মানে আমাদের আউটপুটটা
  466. 21:51আসবে এই জায়গাতে। এই রোধের দুই প্রান্তে
  467. 21:53ভি আউট। আউটপুট ভোল্টেজটা দেখব।
  468. 21:57ওকে। আচ্ছা তহলে ইনপুটটা কই দিব? ইনপুটটা
  469. 22:00দিব হচ্ছে গিয়ে এই যে দুইটা প্রান্ত আছে
  470. 22:04এইখানটাতে আমরা হচ্ছে গিয়া ইনপুট ভোল্টেজ
  471. 22:07এসি সিগনালটা দিব। আমি যেমনে করে আকাইতেছি
  472. 22:09এমনিই আকবা। বইয়ে অনেক কিছু আছে। ওটা
  473. 22:11দেখেই বুঝবা না। সো ডেফিনেটলি এভাবে করে
  474. 22:14করবা। এই জায়গাতে আমরা এসি কারেন্ট দেখতে
  475. 22:17পাচ্ছ। এখানে আমরা ইনপুটটা দিব। এবার আমরা
  476. 22:20দেখবো কিভাবে আসলে ডায়োডের রেক্টিফিকেশনটা
  477. 22:23হইলো। কিভাবে হইলো সেটা এখন দেখতে পারবো
  478. 22:26আমরা। দেখো।
  479. 22:36ওকে। ফাইন। তাহলে এইদিকে নিলাম আমরা সময়।
  480. 22:40এইদিকে নিলাম সময়। আর এইদিকে হচ্ছে ইনপুট
  481. 22:43ভোল্টেজ। ইনপুটটা তো আমরা জানি। ইনপুটটা
  482. 22:46তো এজ ইউজুয়াল
  483. 22:49এরকম আসবে।
  484. 22:52হ্যা ফাইন। এটা প্লাস। এটা মাইনাস। এটা
  485. 22:56প্লাস। এটা মাইনাস।
  486. 22:59ওকে।
  487. 23:07তহলে এবার দেখো আউটপুটের কি অবস্থা হয়।
  488. 23:10আমরা এই জায়গাটাতে টাইমের এগেন্স্টে
  489. 23:15হচ্ছে গিয়ে আউটপুট ভোল্টেজটা দেখতে চাই যে
  490. 23:17আউটপুটের কি অবস্থা হয়। তো দেখো এইটাকে
  491. 23:20আমি বললাম ডায়োড অন। এটা ডায়োড অন। এটা
  492. 23:23ডায়োডটু এটা ডায়োড থ্রি আর এটা ডায়োডফোর।
  493. 23:27ওকে? এটাকে বলা হয় ব্রিজ রেক্টিিফিকেশন
  494. 23:29ফাইল। তাহলে দেখো
  495. 23:32প্রথমে এতটুকু টাইমে এই বিন্দু থেকে এই
  496. 23:34বিন্দু পর্যন্ত টাইমে প্লাস। প্লাস মানে
  497. 23:36বুঝতেছো? প্লাস মানে বুঝতেছো সিগনালের এই
  498. 23:40প্রান্তটা প্লাস। এই প্রান্তটা মাইনাস।
  499. 23:42পরে যখন মাইনাসে যাবে তখন এই দুইটা
  500. 23:44প্রান্ত ঘুরে যাবে। দিক পরিবর্তে ঘুরে
  501. 23:46যাবে। ফাইন। এই অবস্থায় যখন আছে। কোন
  502. 23:50ডায়োড কি অবস্থায় আছে আমরা একটু দেখি।
  503. 23:52সবাই মনোযোগ দাও। এই অবস্থায় থাকলে কোন
  504. 23:54ডায়োডটা কি অবস্থায় আছে এটা একটু দেখি। তো
  505. 23:56খেয়াল করে দেখো এই অবস্থায় যখন আছে তখন
  506. 24:00তখন এই যে ডায়োডন এটা হচ্ছে তার পি সাইড
  507. 24:04এটা হচ্ছে এন সাইড
  508. 24:15আচ্ছা এটা হয়ে প্লাস হবে
  509. 24:28আচ্ছা
  510. 24:31উল্টায় দেই
  511. 24:37এইটা ওয়ান
  512. 24:43মাইনাস আছে এটা ওয়ান ফাইন আচ্ছা এখানে
  513. 24:46ছোট্ট একটা কানেকশন আছে এই ডায়োডটার এই
  514. 24:48দুইটা ডায়োডের অরিয়েন্টেশন আমার একটু ভুল
  515. 24:50হইছে হ্যাঁ ফাইন
  516. 24:51এটা একটু কারেক্ট করে দেই। এখানে উল্টা
  517. 24:54দিছি। এই ডায়োডটা এরকম হবে এবং এই ডায়োডটা
  518. 24:57এরকম হবে। ঠিক আছে? তাইলে বাকি জিনিসপত্র
  519. 25:00ঠিক আছে। হ্যা তাইলে বাকি জিনিস ঠিক আছে।
  520. 25:02এবার দেখ ওকে? তো মনে রাখবা এভাবে উলটা
  521. 25:04করা যাবে না। কিন্তু এবার দেখ এইখানে আসছে
  522. 25:08প্লাস আর এখানে আসছে মাইনাস। এটা বুঝতেছো
  523. 25:13যে এই ডায়োডের এই প্রান্তটা।
  524. 25:17এই প্রান্তটা হচ্ছে গিয়ে পি সাইড। এই
  525. 25:20প্রান্তটা পি আর এই প্রান্তটা হচ্ছে গিয়া
  526. 25:23এন ওকে বড় মোটা প্রান্ত হচ্ছে পি তাহলে
  527. 25:27খেয়াল করে দেখো প্লাস আছে কিন্তু পি এর
  528. 25:29সাথে প্লাস আছে পি এর সঙ্গে তার মানে এইটা
  529. 25:32ওয়ান আছে আমরা জানি প্লাস যদি পি এর সঙ্গে
  530. 25:34থাকে তাহলে সেটা ওয়ান ওকে আচ্ছা আর দেখ
  531. 25:37মাইনাসটা ঘুরে ফিরে এইখানটাতে আসলে
  532. 25:39বেসিক্যালি গ্রাউন্ড করা থাকে এই জায়গাটা
  533. 25:41এভাবে করে মাটিতে চাপা দেওয়া থাকে মাটিতে
  534. 25:43চাপা দেওয়া মানে এইখানে ভোল্টেজ জিরো
  535. 25:45তাহলে চিন্তা করে দেখো এই প্রান্তে যদি
  536. 25:47গ্রাউন্ড করা থাকে তাইলে এন এ আছে জিরো আর
  537. 25:51পিতে আছে প্লাস। যেহেতু এখানে প্লাস এখানে
  538. 25:54মাইনাস। তাহলে পিতে যদি প্লাস হয় এ যদি
  539. 25:56জিরো হয় মানে পি সাইডে ভোল্টেজ বেশি। মানে
  540. 25:58এই ডায়োড ওয়ান এইটা ওয়ান আছে। তখন আমরা
  541. 26:01বলতে পারবো এই ক্ষেত্রে ডায়োড অনটা ওয়ান।
  542. 26:05মানে এইটাতে ফরোয়ার্ড বায়াস। কারেন্ট
  543. 26:06যাইতে পারবে। আবার দেখো এই ডায়োড থ্রিটা
  544. 26:09ওয়ান। কিভাবে ডায়োড থ্রিটা ওয়ান? এই
  545. 26:12জায়গাতে আছে মাইনাস। খেয়াল করো এই প্রান্ত
  546. 26:14মাইনাস। তাহলে এইখানে আছে মাইনাস। আর
  547. 26:17এইখানে জিরো। মানে এই জায়গাতে জিরো
  548. 26:19ভোল্ট। তাহলে খেয়াল করে দেখো ডায়োড থ্রি
  549. 26:22তে ডায়োড থ্রিতে এই পি এর প্রান্তে আছে
  550. 26:26হচ্ছে জিরো আর এন এর প্রান্তে আছে মাইনাস।
  551. 26:29তাহলে বুঝতেছো জিরো তো মাইনাস এর থেকে
  552. 26:32বেশি। তারমানে পিতে ভোল্টেজ বেশি। পিতে
  553. 26:34যদি ভোল্টেজ বেশি হয় তাহলে এই ডায়োডটাও
  554. 26:36ওয়ান আছে। তারমানে এই ক্ষেত্রে ডায়োড
  555. 26:39থ্রিটাও ওয়ান আছে। তারমানে দুইটা ডায়োড
  556. 26:42অন। আমরা বুঝতে পারছি। এই কেসগুলাতে দুইটা
  557. 26:45ডায়োড অন আছে। বাকি দুইটা অফ হবে। ডিও ডিথ
  558. 26:50ওান এই দুইটা ফরওয়ার্ড বায়াস আছে। এই
  559. 26:52দুইটা অফ হয়ে গেছে। কিভাবে? দেখেই বুঝতে
  560. 26:54পারতেছো যে এই জায়গাতে এইটা পি আর এটা এন।
  561. 26:58তাহলে দেখো এন এর সঙ্গে আছে প্লাস। আর পি
  562. 27:02এর সঙ্গে আছে জিরো। তাহলে বুঝতে পারতেছো
  563. 27:05পিতে জিরো আর এন এ প্লাস। মানে এন সাইডে
  564. 27:07বেশি ভোল্টেজ। তার মানে এইটা আছে রিভার্স
  565. 27:10বায়াসে। রিভার্স বায়াস মানে এখান থেকে
  566. 27:12কারেন্ট যাইতে পারবে না। তার মানে আমরা
  567. 27:15বুঝতেছি ডিটু টা অফ আছে। ঠিক তেমন করে এই
  568. 27:19ডিফ টা অফ। এই দুইটা অফ। সমান্তরাল দুইটা
  569. 27:22অফ। কিভাবে অফ? দেখো এখানে পি এর সঙ্গে
  570. 27:24মাইনাস এন এর সঙ্গে জিরো। মানে পি সাইডে
  571. 27:27মাইনাস। মানে বুঝতেছো এটাও অফ। দ্যাট
  572. 27:30মিন্স আমরা বুঝতেছি ডিফোর টাও অফ। তার
  573. 27:34মানে যখন এই সাইকেলটা চলতেছে যখন এই
  574. 27:38কারেন্টটা ইনপুট নেয় তখন এটা আর এটা অন।
  575. 27:41এটা আর এটা অফ। তাহলে কারেন্ট যাবে
  576. 27:44কিভাবে? কারেন্ট যাবে কিভাবে? আমরা এটা
  577. 27:46সবাই জানি। কারেন্ট যায় হচ্ছে কারেন্ট যায়
  578. 27:50হচ্ছে প্লাস থেকে মাইনাসে। তাইলে এইখানে
  579. 27:52প্লাস এখানে মাইনাস। কারেন্ট এখান থেকে
  580. 27:55এখানে আসলো। ব্যাপারটা একটু খেয়াল করবা
  581. 27:57সবাই। কারেন্ট মনে করো। এইখান থেকে এইখানে
  582. 28:01আসলো। যাওয়ার পথ কোনটা আছে দেখতেছো
  583. 28:04যাওয়ার পথ এটা তো অফ তাইলে যাওয়ার পথ
  584. 28:06আছে এইদিকে এইদিকে যাবে কজ এটা অন আছে
  585. 28:10এরপরে দেখো এই এটাও তো অফ তাইলে এরপরে
  586. 28:14যাবে কোন দিকে এইদিকে
  587. 28:16তারপরে এটা অন আছে এটা হয়ে এখানে চলে
  588. 28:19আসবে সবাই নিশ্চয়ই এই জিনিসটা আমরা বুঝতে
  589. 28:22পারছি আমি আরেকবার দেখাচ্ছি এই দুইটা অন
  590. 28:25আর এই দুইটা অফ মানে এখানে যাওয়া যাবে না
  591. 28:27এখানেও যাওয়া যাবে না তাহলে কারেন্ট
  592. 28:29প্লাস থেকে যখন মাইনাসে আসবে এভাবে আসবে
  593. 28:31দেখো প্লাস থেকে এই রাস্তা অন আছে। এটা
  594. 28:34হয়ে এই রাস্তা অন আছে। এটা হয়ে এই রাস্তা
  595. 28:36অন আছে। এভাবে চলে আসবে। নিশ্চয়ই সবাই
  596. 28:40দেখে বুঝতে পারতেছি। কজ এই দুইটা পথ অফ।
  597. 28:43তাইলে দেখো এই ক্ষেত্রে কারেন্টটা কিন্তু
  598. 28:45এইদিক থেকে ঢুকলো। তাই না? এইযে এখান থেকে
  599. 28:48এসে এইটা হয়ে এভাবে করে যখন আসছে তখন
  600. 28:50দেখতেছো কারেন্টটা এইদিক থেকে ঢুকছে।
  601. 28:53তাইলে আমরা বুঝলাম এইখান থেকে যখন
  602. 28:55কারেন্টটা ঢুকবে। এখান থেকে যখন কারেন্টটা
  603. 28:59ঢুকবে এখান থেকে যখন কারেন্টটি ঢুকবে ওকে
  604. 29:04ফাইন দেখো কারেন্টটা এই পাশ থেকে ঢুকবে এই
  605. 29:07পাশ থেকে ঢুকলে এখানে রোধের সঙ্গে এই
  606. 29:09কারেন্টটা গুণ হবে গুণ হওয়ার ফলে এখানে
  607. 29:11আমরা আউটপুট পাব প্লাসের মতই আমরা
  608. 29:13আউটপুটটা পেয়ে যাব প্লাসের মতই আমরা
  609. 29:16আউটপুট পেয়ে যাব কারেন্টটা এই সাইড থেকে
  610. 29:18ঢুকছে আর আউটপুটের
  611. 29:21আউটপুটের এই প্রান্তটা প্লাস এই প্রান্তটা
  612. 29:24মাইনাস দেখ প্লাস দিয়ে কারেন্টটা ঢুকছে
  613. 29:27এই ক্ষেত্রে গেল এটা
  614. 29:30এরপর দ্বিতীয় ক্ষেত্রে কি হবে সবাই
  615. 29:33মনোযোগ দিয়ে কিন্তু দুইবার বোঝানো কঠিন
  616. 29:35যখন মাইনাস সাইকেলটা আসবে যখন মাইনাস
  617. 29:38সাইকেল আসবে তখন এই প্লাস মাইনাস উল্টে
  618. 29:40যাবে এখানে চলে আসবে এখানে চলে আসবে
  619. 29:44মাইনাস আর এখানে চলে আসবে প্লাস তাহলে
  620. 29:47এখানে মাইনাস আর এখানে হচ্ছে প্লাস উল্ট
  621. 29:50গেছে এইযে এই সাইকেলে আসলে উল্ট যায় গেল
  622. 29:54উল্ট যখন যাবে তখন তখন ঘটনা কি? এইগুলা
  623. 29:56উল্টে যাবে। খুব সিম্পল। এটা তো জাস্ট
  624. 29:59প্রতিসম রুল অনুযায়ী। যখন এইখানে প্লাস
  625. 30:01এখানে মাইনাস তখন এই দুইটা অন ছিল। এই
  626. 30:03দুইটা অফ ছিল। যখন প্লাস মাইনাস উল্টায়
  627. 30:06গেছে মানে এরা দুইটা অফ হয়ে যাবে। এরা
  628. 30:08দুইটা অন হয়ে যাবে। এবং দেখলেও দেখা যাবে
  629. 30:10তাই হইছে। তাহলে এই ক্ষেত্রে যেটা হবে। এই
  630. 30:13ক্ষেত্রে ডি ওয়ান অফ হয়ে যাবে। ডি থ্রি ও
  631. 30:18অফ হয়ে যাবে। এই দুইটা অফ। এবং ডি টু অন
  632. 30:22হয়ে যাবে। এবং ডিফরও অন হয়ে যাবে। তার
  633. 30:26মানে বুঝতেছো ঘটনা উল্টায়ে গেছে। তাহলে
  634. 30:29ঘটনা যদি উল্টায়ে যায় এবার এই দুইটা অন।
  635. 30:33আর এই দুইটা অফ।
  636. 30:36তাই না? তাহলে কারেন্ট এবার কি করবে?
  637. 30:38কারেন্টের তো সবসময় কাজ একটা। কারেন্টের
  638. 30:41কাজ কি? প্লাস থেকে মাইনাসে যাওয়া।
  639. 30:43কারেন্টের কাজ প্লাস থেকে মাইনাসে যাওয়া।
  640. 30:45মানে কারেন্ট এই প্লাস থেকে এই মাইনাসে
  641. 30:47যাইতে চায়। তাইলে দেখো কারেন্ট এখান থেকে
  642. 30:49আসল। এবার কিন্তু এই দুইটা অন। এই দুইটা
  643. 30:51অফ হয়ে গেছে। তাহলে কারেন্ট এখান থেকে
  644. 30:53এখানে আসলো। এসে কোন দিকে যাবে? এটা তো
  645. 30:55অফ। এইদিকে যাবে।
  646. 30:57এরপরে এটাও তো অফ। তাহলে কোন দিকে যাবে?
  647. 31:00এইদিকে যাবে। এরপর এটা অন আছে। এটা হয়ে
  648. 31:03এখানে চলে আসবে। নিশ্চয়ই সবাই আমরা বুঝতে
  649. 31:06পারছি। আমি আবার কারেন্টের ফ্লোটা
  650. 31:08দেখাচ্ছি। এই প্লাস থেকে মাইনাসে আসবে। অন
  651. 31:10এই দুইটা। এই দুইটা নাই। এবার তাহলে এইযে
  652. 31:13দেখ এইটা হয়ে এইটা হয়ে একই দিক থেকে ঢুকে
  653. 31:16এইটা হয়ে এখানে আসবে। নিশ্চয় সবাই
  654. 31:20জিনিসটা ভিজুয়ালাইজ করতে পারতেছি। ফাইন।
  655. 31:25তহলে এবারও খেয়াল করে দেখো। এই যে
  656. 31:26কারেন্টটা এখান থেকে ঢুকে এটা হয়ে এটা হয়ে
  657. 31:29এটা হয়ে এখানে আসলো। এখানে তোমরা বুঝতেছো
  658. 31:32যে কারেন্টটা এবারও এইদিক দিয়ে ঢুকতেছে।
  659. 31:35কারেন্টটা এবারও হচ্ছে গিয়ে এই একই দিক
  660. 31:38দিয়েই ঢুকতেছে। কারেন্টটা এবারও এইদিক
  661. 31:40থেকে ঢুকতেছে। এবারও কারেন্টটা এদিক থেকে
  662. 31:44ঢুকতেছে। আগেরবারও এদিক থেকে ঢুকছে। তাহলে
  663. 31:46দেখ কারেন্টটা প্রত্যেকবারই প্লাস থেকে
  664. 31:48ঢুকতেছে। আমরা তো বুঝে ফেললাম। কারেন্টটা
  665. 31:50প্রত্যেকবারই এই প্লাস থেকে ঢুকতেছে।
  666. 31:53আগেরবারও এইভাবে এসে এইভাবে ঢুকছে। এবার
  667. 31:55এই পাশ থেকে এসে এইভাবে ঢুকছে। মানে এবারও
  668. 31:58প্লাস থেকে ঢুকছে। দ্যাটস হোয়াই আর
  669. 32:00কারেন্ট যখন ঢুকছে এটা তো আমরা জানি।
  670. 32:02কারেন্ট ঢুকলে এখানে কারেন্ট এই রোধের
  671. 32:04সঙ্গে গুণ হয়ে এখানের ভোল্টেজটাও বাড়বে।
  672. 32:06এটার মত করে। বাট দুইবারই একই দিক থেকে
  673. 32:08ঢোকার কারণে দুই ক্ষেত্রেই এটা প্লাস হবে।
  674. 32:11ঠিক তেমন করে এটাও প্লাস হয়ে যাবে। এরপরে
  675. 32:15এগেইন মনে করে প্লাস আসবে। আবার এটা প্লাস
  676. 32:17এটা মাইনাস হবে। আগের মত করে ঠিক আগের মত
  677. 32:20করে এটা প্লাস আসবে তারপর আবার উল্টাবে
  678. 32:23আগের মত করে এটাও আবার প্লাস হয়ে যাবে
  679. 32:26তাহলে এই যে আমরা পেয়ে গেলাম দ্বিমুখী
  680. 32:30ওই যে হাফ ওয়েভ ফুল ওয়েভ রেক্টিফিকেশন
  681. 32:36আচ্ছা শুধু ক্লাস করতেছি বেসিক ক্লাসে
  682. 32:38আচ্ছা এই চ্যাপ্টার
  683. 32:40চ্যাপ্টার থেকে আনসার করব না ইনশাল্লাহ
  684. 32:43ফাইন আনসার করবা না বেসিক ক্লিয়ার জন্য
  685. 32:45ক্লাস করতেছো করো দেখবা আনসার করবা না যে
  686. 32:47চ্যাপ্টার দিয়ে মনে হচ্ছে ওই চ্যাপ্টারে
  687. 32:48কোশ্চেনটা আসলে আনসার করা যায়। তবে কথা
  688. 32:51হচ্ছে এটা সেটা হচ্ছে যে এখান থেকে
  689. 32:53কোশ্চেন আসার চান্স আসলে খুবই কম। ফাইন
  690. 32:56এটা ট্রুকি
  691. 33:03ক্লাস শেষ করলে সব পড়ব তো আমি জানি। ভেরি
  692. 33:04গুড ক্লিয়ার। হোফুলি সবাই এটা বুঝতে
  693. 33:06পারছো।
  694. 33:08ক্লিয়ার
  695. 33:10আজকের ক্লাসে আমি জাস্ট এই অংশটা পড়াইছি।
  696. 33:12এতটুকুই পড়াতে চাইছি যে রেকটিফিকেশনটা পড়া
  697. 33:14রাখি। এই ক্লাসটাতে রেক্টিফিকেশনটা আমরা
  698. 33:16পড়া রাখি। আমরা হাফ ওয়েভ রেক্টিফিকেশন
  699. 33:18তোমাদের কাজ কি হবে? রেকটিফিকেশন কি?
  700. 33:20তোমরা বুঝছো। এইখান থেকে এটা বানাইলে বলে
  701. 33:22হাফ ওয়েব রেক্টিফিকেশন। এখান থেকে এটা
  702. 33:24বানাইলে বলে ফুল ওয়েভ রেকটিফিকেশন। হাফ
  703. 33:26ওয়েভ রেক্টিফিকেশন সার্কিটটা সবাই মুখস্ত
  704. 33:28করবা। খাতায় আই ফেলবা। হাফ ওয়েভ হলে এটা
  705. 33:30আকব। এইটা এখানে ইনপুট দিব। এখানে আউটপুট
  706. 33:32দিব। আর গ্রাফ হিসেবে এটা আই দিব। এইটা আই
  707. 33:34তুমি যাই লেখো টিস নাম্বার দিয়ে দিবে।
  708. 33:36তারপরও তোমাদেরকে আমি বুঝাইছি। যখন এই
  709. 33:38সাইকেলটা আসে এটা প্লাস এটা মাইনাস হয়।
  710. 33:40এটা তখন অন থাকে। ভোল্টেজ বাড়ে। যখন উল্টে
  711. 33:42যায় তখন এটা অফ হয়ে যায়। তখন এখানে কোন
  712. 33:44আউটপুট পাই না। সেটা এটা সোজা। আর এই
  713. 33:47রেক্টিফিকেশনে আমরা কি দেখছি যখন এখানে
  714. 33:49প্লাস এখানে মাইনাস থাকে ডি ও সার্কিটটা
  715. 33:52প্রথমে আইক মুখস্ত করে ফেলবা ডি ও ডি3 ও
  716. 33:55থাকে কারেন্টটা এভাবে করে ঢুকে একবার ছবি
  717. 33:57আখবা এ মানে এটা তিনবার আখতে হবে কিন্তু
  718. 34:00আমি তো একটার উপরে দেখাইছি এটা এসে এদিক
  719. 34:02দিয়ে ঢুকে এটা দেখাবা আর এই দুইটা অফ থাকে
  720. 34:04পরে যখন এখানে মাইনাস এখানে প্লাস হয় তখন
  721. 34:07এই দুইটা অন হয় এই দুইটা অফ হয় তখন
  722. 34:09কারেন্ট মাইনাস এই পাশ থেকে এসে একই দিক
  723. 34:11থেকে ঢুকে তারপরে গ্রাফ এটা আমরা একে দিব
  724. 34:15ঠিক আছে ফাইন। বই পড়লে এটা একদমই বুঝবা
  725. 34:18না। বই পড়লে মনে হবে এ কোন জগতে আমি
  726. 34:20আসছি। বাট আমি তোমাদেরকে এটা ততটুকু
  727. 34:23ক্লিয়ার করে দিছি। ঠিক আছে? সইট। আজকে
  728. 34:27ক্লাস আর লম্বা করবো না। এই দু তিন মিনিট
  729. 34:30পরে আরেকটা ক্লাস এডমিশনে তোমাদের সিনিয়র
  730. 34:32ভাইয়া আপু যারা আছে ওদের একটা ক্লাসে
  731. 34:34এটেন্ড করতে হচ্ছে। ওদের কি বলে পরীক্ষা
  732. 34:37আগে আসছে। আগে আসছে মানে কি? ডেট দিয়ে
  733. 34:39দিছে। সো ক্লাসের একটু ফ্রিকোয়েন্সি
  734. 34:41চলতেছে। সো গতকালকে যে ক্লাসটা মিশিডিউল
  735. 34:43হইছে ওইটা আমি চাই নাই। যে লেট হোক। স
  736. 34:47আজকে আমরা ইউজুয়ালি ক্লাস থাকে না। আজকে
  737. 34:49আমরা এই ক্লাসটা একটু নিয়ে নিলাম। এতটুকু
  738. 34:51আগায় থাকলে আগামীকাল সোমবার ক্লাস আছে।
  739. 34:53ইনশআল্লাহ সোমবার আমরা বাকি অংশটাকে
  740. 34:55সুন্দর করে গুছিয়ে পড়তে পারব। ঠিক আছে?
  741. 34:58আল্লাহ হাফেজ। বাই। লাভ ইউ।
  742. 34:59রেক্টিফিকেশনের পুরা এই যে পার্টটা আছে।
  743. 35:01এই দুইটা পার্ট সবাই ডেফিনেটলি ছবি এঁকে
  744. 35:05খাতায় গুছিয়ে রাখবা। এটুক জেনে রাখো।
  745. 35:07কাজে লাগবে। এইচএসসি পরীক্ষায় অনেকে
  746. 35:09আনসার করবা না এখান থেকে। বাট আনসার করার
  747. 35:11মত যদি কোশ্চেন আইসা যায় তখন কেন করবা
  748. 35:13না। ঠিক আছে? বাই বাই। লাভ ইউ বাই, টেক
  749. 35:16কেয়ার।

About this transcript

This page contains the full transcript of Semi 03 by Do or Die - Physics, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 4,779 words across 749 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.

What you can do with it

Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.

Free YouTube transcript tool

YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.