Science | বিজ্ঞান | Chapter 8 | রাসায়নিক বিক্রিয়া | Class 8 StarBatch | Fahad Sir — Transcript
Full transcript
- 0:00আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। বিজ্ঞানের একটা
- 0:03গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যার নাম হচ্ছে
- 0:04রাসায়নিক বিক্রিয়া। এই অধ্যায়টা শুরু
- 0:07করতে যাচ্ছি এবং এই অধ্যায়টা তোমরা বা
- 0:09আপনারা যারাই দেখা শুরু করেছেন আল্লাহ
- 0:11তাআালার রহমত বরকত নাযিল হোক। ক্লাস এইট
- 0:14এর গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায়। আমার কাছে
- 0:16ক্লাস এইট মানে পুরা মানে সিলেবাসটা
- 0:19ইম্পর্টেন্ট। একটা স্টুডেন্টের জন্য। একটা
- 0:20বেসিক নলেজের জন্য আমার কাছে মনে হয় যে
- 0:24ক্লাস এইট এর প্রত্যেকটা সাবজেক্ট
- 0:26ইম্পর্টেন্ট। এবং বিজ্ঞান ওয়ান অফ দ
- 0:28ফাইনাস্ট একটা সাবজেক্ট। তার মধ্যে একটা
- 0:31ফাইনাস্ট চ্যাপ্টার হচ্ছে এই রাসায়নিক
- 0:34বিক্রিয়া। এই যে বিক্রিয়া অধ্যায়টা এই
- 0:36অধ্যায়টাকে আজকে আমরা পড়ার চেষ্টা করব
- 0:37এবং আল্লাহ যদি সব ঠিকঠাক রাখে তাহলে
- 0:39আগামী 90 মিনিট চেষ্টা করব আমরা। আমি
- 0:42চেষ্টা করব আপনাদেরকে অথবা তোমাদেরকে মানে
- 0:45ভালোভাবে অধ্যায়টা বোঝানোর জন্য। আচ্ছা
- 0:48শুরুতে আমি বলি কি কি লাগবে এই
- 0:50চ্যাপ্টারে। আমাদের এই চ্যাপ্টার বোঝার
- 0:52জন্য আগে প্রতীক সংকেত যোজনী এটা বোঝার
- 0:57দরকার আছে। আমার এরপরে জানতে হবে যৌগের
- 1:01সংকেত কিভাবে লিখতে হয় কেমনে লিখতে হয়।
- 1:04বিক্রিয়ার প্রকারভেদ কত ধরনের বিক্রিয়া
- 1:06আছে। এই চ্যাপ্টারে আমরা সাধারণত যে
- 1:09বিক্রিয়াগুলো শিখবো এক দুই তিন চার। আমি
- 1:13যদি একটু ছোট্ট করে বলি প্রথমে সংযোজন
- 1:17একটা বিক্রিয়া আছে। সং যোজন এই
- 1:21বিক্রিয়াটা আমাদের শিখতে হবে। অথবা
- 1:23আমাদেরকে সংযোজনের সাথে ঠিক এটাকে একটু
- 1:26রিভার্স করলে যে বিক্রিয়াটা হয় বিযোজন
- 1:29এটা শিখতে হবে। তারপর এ অধ্যায়ের আরেকটা
- 1:31টপিক হচ্ছে প্রতিস্থাপন
- 1:34বিক্রিয়া। প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। দহন
- 1:38বিক্রিয়া। তারপরে হচ্ছে প্রসমন
- 1:40বিক্রিয়া। প্রসমন। তাহলে এই যে
- 1:44বিক্রিয়াগুলার ধরণ বিক্রিয়াগুললা যে আছে
- 1:47এই বিক্রিয়ার প্রকারভেদে নামগুলো আমাদেরকে
- 1:49জানা লাগবে, বোঝা লাগবে। ড্রাই সেল বা
- 1:52শুষ্ক কোষ কাকে বলে? তড়িৎ বিশ্লেষণ বা
- 1:54ইলেকট্রোলাইসিস জিনিসটা কি? এ সমস্ত কিছু
- 1:58একটু বুঝে আমাদেরকে পড়া লাগবে। এই যে আমার
- 2:00অধ্যায়ের যা যা শিখবো এটা যখন আমার কাছে
- 2:02ক্লিয়ার হয়ে যাবে দেন ইট ইস ভেরি
- 2:05ইম্পর্টেন্ট টু আন্ডারস্ট্যান্ড অল লাইনস
- 2:08অফ দা বুক। টেক্সট বুক ক্লিয়ারলি এন্ড
- 2:12কনসেপচুয়ালি। তাহলে আমি যদি একটু সামনে
- 2:15চিন্তা করি প্রতীক নিয়ে তাহলে স্যার এই
- 2:18দুইটাকে একসাথে আপনি কিভাবে চিন্তা করতে
- 2:20বলছি আমি? আমি একটু পরে অনেক কিছু বোঝানোর
- 2:22চেষ্টা করব ইনশআল্লাহ। এবং যদি সব ঠিকঠাক
- 2:25থাকে। এইযে প্রতীক। প্রতীক শব্দটার মানে
- 2:28হচ্ছে আমি যদি একটু সিম্পলি মডিফাই করি
- 2:31সংজ্ঞাটা। প্রতীক এইটাকে ইংলিশে বলা হয়
- 2:36সিম্বল। তাও সিম্বল যে মৌলের মৌলের
- 2:43ইংরেজি
- 2:46ল্যাটিন
- 2:49ল্যাটিন ও ল্যাটিন ও আরবি নামের নামের কি
- 2:57সংক্ষিপ্ত রূপকে আরবি নামের সংক্ষিপ্ত
- 3:01সংক্ষিপ্ত
- 3:03রূপকে
- 3:05রূপকে এই প্রতীক বলা হয়। এই সংক্ষিপ্ত
- 3:08রূপকে প্রতীক বলে। এখন আমি আজকে সাথে একটু
- 3:13বইটাকে রাখছি। হ্যা তোমাদেরকে আমি একটু বই
- 3:16সহ পড়ানোর চেষ্টা করব। এবং বইয়ের মধ্যে
- 3:18এই অধ্যায়টা তোমাদের সামনে আছে। বইয়ের
- 3:21মধ্যে কোন কোন লাইন ইম্পর্টেন্ট?
- 3:24কিভাবে ইম্পর্টেন্ট?
- 3:27এমসিকিউ কিভাবে আসবে? চেষ্টা করব পুরা
- 3:29জিনিসটাকে বোঝানোর। হ্যা। আচ্ছা এবার আসি
- 3:32স্যার এটা হচ্ছে সংকেত। যেমন আমি একটা
- 3:36সিম্পল একটা এক্সাম্পল দেই। সিম্পল একটা
- 3:37এক্সাম্পল। যেমন ধরো আমি বললাম সি। আমরা
- 3:41সবাই জানি সি মানে হচ্ছে কার্বন। কার্বন
- 3:46তো একটা ইংরেজি শব্দ তাই না? তো ইংরেজি
- 3:48শব্দটাকে কি দিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে? সি
- 3:51দিয়ে। সি দিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে। তো সি ফর
- 3:54কার্বন এটা আমি জানি। কিন্তু যখন আমি সি এ
- 3:57ফর চিন্তা করব এটার মানে ক্যালসিয়াম। আমি
- 4:01যখন সিই নিয়ে চিন্তা করব সিরিয়াম সিডি
- 4:05নিয়ে চিন্তা করব ভাববো সিডি কিসের নাম
- 4:08ক্যাডমিয়াম আচ্ছা তারপর এফজি এইচ আই জে
- 4:14কে এল ধর যে এল সি এল মানে হচ্ছে ক্লোরিন
- 4:20ক্লোরিন সি ও মানে হচ্ছে কোবাল্ট কোবাল্ট
- 4:26সি আর এটা হচ্ছে ক্রোমিয়াম
- 4:30সি এস এটা হচ্ছে সিজিয়াম।
- 4:34তারপর সি ইউ এটা হচ্ছে কপার।
- 4:39সিইউ হ্যা তো এই যে মোটামুটিভাবে আমি
- 4:42কয়েকটা জিনিস লেখার চেষ্টা করলাম। তো
- 4:44এগুলা প্রত্যেকটা হচ্ছে এই সকল মৌলের
- 4:48প্রতীক। এই পৃথিবীতে টোটাল মৌল এখন
- 4:52পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে 118 টা। এককর্ডিং
- 4:57টু ইউর বুক। মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে 118 টা
- 5:00এবং এই 118 টা মৌলকে সাজানো হয়েছে যে
- 5:05টেবিলে যে টেবিলে সাজানো হয়েছে যে টেবিলে
- 5:13সাজানো হয়েছে
- 5:16যে টেবিলে সাজানো হয়েছে সেটা হচ্ছে সেটা
- 5:19হচ্ছে
- 5:21পর্যায় সারণী সেটা হচ্ছে পর্যায় সারণী
- 5:25তোমরা আস্তে আস্তে এগুলা জানবা পর্যায়
- 5:27সারণী হ্যা জানবা। তো এখন এই যে পর্যায়
- 5:30সারণী এটা অনেক বছরের ইতিহাসের একটা ফসল।
- 5:33তো 118 টা মৌলকে ওইখানে সাজানো হয়েছে।
- 5:36বুঝলাম। হচ্ছে মৌলের ধরণ। তো কার্বন,
- 5:39ক্যালসিয়াম, সিরিয়াম, ক্যাডমিয়াম,
- 5:41ক্লোরিন, কোবাল্ট, ক্রোমিয়াম, সিজিয়াম,
- 5:43কপার। এরা সবাই হচ্ছে বিভিন্ন মৌলের নাম।
- 5:47ইংরেজি নাম ল্যাটিন নাম। আবার ল্যাটিন
- 5:50নামের ক্ষেত্রে যেমন ধর ল্যাটিনামের
- 5:53ক্ষেত্রে এইযে কপার। এটা এইযে ল্যাটিন এই
- 5:56নামটা হচ্ছে ল্যাটিন এই নামটা হচ্ছে
- 6:00ল্যাটিন নাম কপার কাপরাম
- 6:03তো তোমাদের বইয়ের মধ্যে একটা চার্ট আছে
- 6:05সেই চার্টের মধ্যে দেখবা যে নামগুলো আছে
- 6:08নামগুলাকে একটু ফিল করতে হবে অনেকের কাছে
- 6:10কেমিস্ট্রিটা অত্যন্ত কঠিন একটা টপিক মানে
- 6:13মনে হয় যে কি কেন যেন পারে না সহজ জিনিসটা
- 6:16সহজ আবার ধরো এই যে বি এই বি মানে হচ্ছে
- 6:21বরণ
- 6:23এই যে নামটা বরণ নামটা এইটা আরবি নাম। এটা
- 6:28একটা আরবি নাম। কিন্তু ধর আমি যদি বলতাম
- 6:32বি
- 6:35এটা একটা ইংরেজি নাম বেরিলিয়াম। এই যে
- 6:38যৌগটা বা মৌলটা এই মৌলটার নাম হচ্ছে
- 6:43বেরিলিয়াম।
- 6:45তারপরে ধর আমি যদি বলতাম যে বি আই তাহলে
- 6:49তুমি কি বলতা? তাহলে এইটার নাম হচ্ছে
- 6:52বিসমাত।
- 6:54বি আই বিসমাত।
- 7:00তাহলে এখানে বি আর যদি হয় তাহলে এইটার নাম
- 7:05হচ্ছে ব্রোমিন। কি নাম? ব্রোমিন। তাহলে এই
- 7:09যে নামগুলা এই যে নাম আমি লিখতেছি এবং এই
- 7:12যে মানে ওর যে নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
- 7:15লিখতেছি এটা হচ্ছে প্রতীক। এখন তুমি যদি
- 7:18একটু বইটাতে যাও তাহলে কিছু নাম তুমি
- 7:20পাবা। একটু আমার সাথে সাথে দাগাবা। হ্যাঁ।
- 7:22তোমাদের পক্ষে একটু সম্ভব হলে একটু আমার
- 7:24সাথে দাগাবা। দয়া করে সুন্দর করে একটু
- 7:28আমার সাথে দাগাও। এখন পর্যন্ত কয়টা মৌলিক
- 7:32পদার্থের কথা জানা গেছে? 118 টা। এবং
- 7:35মৌলের পুরো নাম না লিখে ইংরেজি ও ল্যাটিন
- 7:39নামের যে সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করা হয় তার
- 7:41নাম প্রতীক। তাহলে প্রতীকের সংজ্ঞা কি?
- 7:44মৌলের পুরো নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে মৌলের
- 7:47ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের এই সংক্ষিপ্ত
- 7:49রূপকে প্রতীক বলা হয়। মৌলের ইংরেজি বা
- 7:52ল্যাটিন নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে প্রতীক বলা
- 7:55হয়। ইজি জিনিসটা। আচ্ছা এরপর তুমি সামনে
- 7:59গেলা এবং কিছু জিনিস তুমি দেখলা। এরপরে
- 8:02এখানে আরেকটা সংজ্ঞা আছে সেটা হচ্ছে সংকেত
- 8:04কাকে বলে? কোন মৌল বা যৌগের অনুর
- 8:08সংক্ষিপ্ত রূপকে সংকেত বলে।
- 8:11জানা আছে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড, সালফিউরিক
- 8:14এসিড, নাইট্রিক এসিড অভাব নাই যৌগের। এতসব
- 8:18যৌগ। এই যে যৌগগুলো এই যৌগগুলার অনুর যে
- 8:21সংকৃত রূপ তাকে বলা হয় সংকেত। আচ্ছা আমি
- 8:23পাইলাম। এরপর দেখো এখানে কিছু কথা লেখা
- 8:27আছে। এখন এই কথাগুলার দিকে তাকাইলে আগে
- 8:30মনে রাখতে হবে যে যোজনী জিনিসটা কি? যোজনী
- 8:33জিনিসটা কি? নাইট্রোজেন এবং কার্বনের
- 8:35যোজনী কত? তিন আর চার। এই যোজনী কোত থেকে
- 8:39আসল? এই যোজনী কোত থেকে আসলো এটা বোঝার
- 8:42জন্য আরেকটা কনসেপ্ট বোঝা লাগবে সেটা
- 8:43হচ্ছে আমি যাচ্ছি সেখানে যোজনী হচ্ছে
- 8:49সংজ্ঞাটা এইরকম হবে এটাকে ইংলিশে বলা হয়
- 8:54ভ্যালেন্সি
- 8:55যোজনীকে কি বলা হয় ভ্যালেন্সি সংজ্ঞা কি
- 8:58সংজ্ঞা হচ্ছে কোন
- 9:01মৌলের কোন মৌলের
- 9:05অন্য কোন মৌলের সাথে
- 9:10অন্য কোন মৌলের
- 9:14সাথে যুক্ত হবার
- 9:18ক্ষমতা। অন্য কোন মৌলের সাথে যুক্ত হওয়ার
- 9:23ক্ষমতা।
- 9:25এখন সবাই একরকমভাবে যুক্ত হয় না। কেউ কেউ
- 9:28একাধিকভাবে যুক্ত হইতে পারে। যখন কোন
- 9:31মৌলের একাধিক যোজনী থাকে তার নাম
- 9:34পরিবর্তনশীল যোজনী। এবং কিভাবে একাধিক
- 9:37যোজনী হয় এটা আবার তোমাদের এই ক্লাস এইট
- 9:40এর কনসেপ্ট না এটাকে বোঝার জন্য আরেকটু
- 9:42সময় লাগবে এটাকে বলা হয় পরিবর্তনশীল
- 9:45যোজনী হ্যা এটা আস্তে আস্তে তোমরা সামনে
- 9:48জানতে পারবা এইটার নাম হচ্ছে পরিবর্তনশীল
- 9:53যোজনী এইটার ইংরেজি হচ্ছে ভারিয়েবল
- 9:57ভ্যালেন্সি ভারিয়েবল
- 10:00ভ্যালেন্সি
- 10:03তো ভারিয়েবল ভ্যালেন্সি কাকে বলে যখন কোন
- 10:05মৌল কোন মৌল কোন মৌল যখন একাধিক যোজনী
- 10:11প্রকাশ করে
- 10:14কোন মৌল যখন একাধিক
- 10:19যোজনী
- 10:21প্রদর্শন করে বা দেখায়।
- 10:24তোমাদের বইয়ে যে এক্সাম্পলটা আছে এটা
- 10:27হচ্ছে এই ভারিয়েবল ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে
- 10:29এক্সাম্পলটা হচ্ছে আয়রন। আয়রন। আয়রন
- 10:33তোমাদের বইয়ে আছে যার যোজনী দুইও হইতে
- 10:36পারে, তিনও হইতে পারে। এছাড়াও আরো একাধিক
- 10:39মৌলের যোজনী আছে যেগুললা যোজনী বেশি হইতে
- 10:41পারে। যেমন নাইট্রোজেন ওর যোজনী তিনও হইতে
- 10:45পারে, পাঁচও হইতে পারে। সালফার ওর যোজনী
- 10:49দুই হয়, চার হয়, ছয় হয়। আবার লেড প্লামবাম
- 10:54ওর যোজনী দুইও হয় চারও হয় আবার কপার ওর
- 10:59যোজনী একও হয় আবার দুইও হয় এরকম একাধিক
- 11:04যোজনী আছে এস এন স্টেনাম ওর যোজনী দুইও
- 11:09হতে পারে চারও হতে পারে কেন একাধিক যোজনী
- 11:12হয় এটার ব্যাখ্যাটা একটু জটিল এই মুহূর্তে
- 11:15নাই এটাকে বলা হয় উত্তেজিত অবস্থায় মৌলের
- 11:18ইলেকট্রন বিন্যাস যেহেতু এই সিলেবাসের
- 11:20মধ্যে এটা নাই তোমরা চাইলে আমার ভিডিও আছে
- 11:23দেখতে পারো পরিবর্তনশীল যোজনী অথবা
- 11:26উত্তেজিত মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস লিখে
- 11:28সার্চ দিলে পাবা এখানে হচ্ছে জাস্ট আমি
- 11:30একটু বলে রাখলাম সামনে গেলে তোমরা আরো
- 11:33কিছু টপিক পাবা এই টপিকগুলো হচ্ছে সুপ্ত
- 11:36যোজনী হ্যা সুপ্ত যোজনী তারপরে হচ্ছে
- 11:42সর্বোচ্চ যোজনী
- 11:45সর্বোচ্চ যোজনী তারপরে হচ্ছে সক্রিয়
- 11:50যোজনী। তো এই কনসেপ্টগুলো আমি এখন বলতে
- 11:54চাচ্ছি না। তাহলে সময় বেশি লাগবে বা এই
- 11:56সিলেবাসের মধ্যে নাই। সুপ্ত সর্বোচ্চ এবং
- 11:59সক্রিয় যোজনী। কিন্তু কনসেপ্ট অনেক সহজ।
- 12:02তুমি শুনে রাখো। তাহলে কিভাবে স্যার অনুর
- 12:05সংকেত হবে বা আমি এটা লিখবো কিভাবে? সে ফর
- 12:08এক্সাম্পল একটা ছোট্ট এক্সাম্পল তোমাদেরকে
- 12:11দেখাই। মনে করো দুইটা হাইড্রোজেন। এটা
- 12:13হাইড্রোজেনের একটা পরমাণু। এটা
- 12:16হাইড্রোজেনের আরেকটা পরমাণু। তো পরমাণু যে
- 12:18দেখতে এইরকম। এটা তোমরা জানো। তো এরা যখন
- 12:21যুক্ত হইয়া একটা হাইড্রোজেন অণু গঠন করল
- 12:26তহলে একটা হাইড্রোজেন অণুতে কয়টা পরমাণু
- 12:28আছে? দুইটা। আবার এই দুইটা হইল নাইট্রোজেন
- 12:33পরমাণু। তারা যুক্ত হয়ে এনটু অণু গঠন করল।
- 12:39কিন্তু সবাই কি সবসময় খালি দুইটা হয়ে
- 12:41যুক্ত হবে? না আবার এমনও আছে যে চারটা
- 12:46ফসফরাস একসাথে হয়ে একটা অনু গঠন করে তাহলে
- 12:49এই যে ফসফরাস একসাথে হইল তাহলে এইটার নাম
- 12:53হচ্ছে এইটার সংকেত হচ্ছে পি4 সুতরাং এইটা
- 12:57হইলো ফসফরাস
- 12:59অণু
- 13:01এটা আস্তে আস্তে তোমরা জানবা তোমরা এখন
- 13:03প্রশ্ন করতে পার কিভাবে বুঝবো কোনটাতে হবে
- 13:05আপাতত একটু মুখস্থ বিদ্যা লাগবে কিন্তু
- 13:08তুমি যদি একটু গুগলিং করো সে ফর এক্সাম্পল
- 13:11আমি একটু একটু লিখলাম যে ফসফরাস হ্যাঁ
- 13:15ফসফরাস
- 13:21এই যে ফসফরাস আমি যদি একটু সার্চ করি
- 13:23তাইলে ওর যে চেহারা সুরত এই চেহারা সুরতটা
- 13:27হচ্ছে কেমন মানে ফসফরাসের চেহারা
- 13:34এইযে এরকম কিন্তু এটা আসলে এরভাবে বোঝা
- 13:36যাবে না ওর এটমিক স্ট্রাকচারটা ফসফরাস
- 13:40মলিকিউল আমি ধরো একটা সিম্পল
- 13:44মলিকিউল স্ট্রাকচার আমি একটু দিলাম। তখন
- 13:47এই ফসফরাসের যে স্ট্রাকচারটা এটা দেখলে
- 13:50এইরকম দেখা যাবে যে চারটা পার্টিকেল
- 13:53একসাথে বা চারটা চারটা
- 13:57ফসফরাস একসাথে হয়ে একটা ফসফরাস মলিকিউল
- 14:00হইছে। তো ইউজুয়ালি এখানে অনেক কথা আত কথা
- 14:05এখন এই মুহূর্তে দেখাতে পারছি না। আমি
- 14:07হালকা করে দেখাই। এই যে ফসফরাসটা দেখতে
- 14:09হচ্ছে এইরকম। ত এখানে কয়টা বল দেখা
- 14:12যাচ্ছে? চারটা বল। তো এই যে একটা দুইটা
- 14:15তিনটা যে চারটা প্রত্যেকে মিলে একটা অনু
- 14:18তৈরি হইছে। আবার আমি যদি ধরো মলিকিউল
- 14:21স্ট্রাকচার সালফার চিন্তা করি সালফার।
- 14:25তাহলে তুমি দেখবা ওর মধ্যে আটটা সালফার
- 14:28আছে। আটটা। এইযে একটা সালফার দেখতে এমন
- 14:31এখানে মাঝখানে যে গোল্লাটা আছে না এই
- 14:33গোল্লাটা হচ্ছে সালফারের স্ট্রাকচার।
- 14:36এখানে টোটাল এখানে দেখো এই যে একটা সালফার
- 14:40দুইটা তিনটা চারটা পাঁচটা ছয়টা সাতটা আটটা
- 14:46এই যে আটটা সালফার একসাথে আছে এই সালফারের
- 14:50সংকেত হচ্ছে এস এস
- 14:53এ তাহলে আমি ফসফরাসের সংকেত কি বললাম পিফ
- 14:57আবার সালফারের সংকেত যদি আমি একটু চিন্তা
- 15:00করি তাহলে বিষয়টা এমন হবে একদু তন চার পা
- 15:05ছয়
- 15:08ছয় সাত আট তাহলে স্ট্রাকচারটা এরকম হচ্ছে
- 15:12যে এই সালফার ওর সাথে ওর সাথে যুক্ত হয় ওর
- 15:16সাথে যুক্ত হয় এইভাবে সালফার হয়। তো এইটা
- 15:20হল সালফার অণু যেটাকে বলা হয় এস এই। তাহলে
- 15:25কতটা পরমাণু যুক্ত হয়ে অণু হবে এই
- 15:29মুহূর্তে তুমি একটু মুখস্ত করবা। মুখস্ত
- 15:32করবা। তাহলে এটা হচ্ছে সালফার এইটা হচ্ছে
- 15:37সাল
- 15:38ফার তাহলে সালফার অণুতে কয়টা পরমাণু আছে
- 15:41আটটা ফসফরা আছে চারটা ওজন নামে একটা গ্যাস
- 15:46আছে ওজন গ্যাস ওজন গ্যাস এই ওজন গ্যাসের
- 15:51সংকেত হচ্ছে O3
- 15:53ও3 আচ্ছা আমি যদি সংকেতের কথা বলি আমি যদি
- 15:58ক্লোরিনের কথা বলি ক্লোরিন তাহলে এটাকে
- 16:01আমরা লিখতে হবে CL2 আমি যদি ফ্লোরিনের কথা
- 16:06বলি ফ্লোরিন তাহলে লিখতে হবে এফটু আমি যদি
- 16:11অক্সিজেনের কথা বলি অক্সিজেন তাহলে লিখতে
- 16:16হবে ওটু তাহলে এই যে এরা যে দুইটা দুইটা
- 16:20করে পরমাণু একসাথে হইল তাহলে এদেরকে বলা
- 16:24হবে এদেরকে বলা হয় দ্বিপরমাণুক
- 16:29দ্বিপর
- 16:31মানুক এটাকে ইংলিশে বলা হয় ডাইঅটমিক
- 16:36ডাইঅটমিক
- 16:39তোমরা যারা একটু এডভান্স বা একটু হলেও
- 16:41পারো ভালো পারো তারা মাথায় রাখবা অটম এই
- 16:45শব্দটার মানে হইল পরমাণু আর এইটার সাথে
- 16:50যখন ডাই শব্দটা আসবে ডাই তখন মনে রাখবা
- 16:53ডাই শব্দটার মানে হইলো দুই ডাই শব্দের
- 16:57মানে কি দুই আর কেমিস্ট্রিতে যখন একটা
- 17:01কিছু উচ্চারণ হবে এক তাহলে এর নাম হচ্ছে
- 17:04মনো। দুই হলে এইটার উচ্চারণ হবে ডাই। তিন
- 17:09হলে এইটার উচ্চারণ হবে ট্রাই। চার হলে
- 17:14এইটার উচ্চারণ হবে টেট্রা। আর পাঁচ হলে
- 17:18এইটার উচ্চারণ হবে পেন্টা।
- 17:22উচ্চারণ কি হবে? পেন্টা। তো এটা হচ্ছে
- 17:25হালকা একটা ছোট্ট কথা বললাম। জিনিসগুলো
- 17:28একটু বোঝার জন্য তোমাকে বললাম। এখন স্যার
- 17:30তুমি প্রশ্ন করবা তাহলে স্যার আমি
- 17:32রাসায়নিক সংকেত যে লিখবো সেক্ষেত্রে
- 17:34যোজনীকে মনে রাখতে হবে না? হ্যাঁ রাখতে
- 17:37হবে। তার আগে তোমার উচিত হচ্ছে তোমাদের যে
- 17:40বইটা সেই বইয়ের মধ্যে যে লেখা আছে দেখো
- 17:42এই যে স্ট্রাকচার গুলা তার মধ্যে একটা
- 17:45জিনিস মাথায় রাখবা তোমাদের বইয়ে যে
- 17:47সিইচ4 মিথেনের যে স্ট্রাকচার দেওয়া আছে
- 17:49এইটা আসলে ভুল স্ট্রাকচার দেওয়া আছে এবং
- 17:53এখানে যে অ্যামোনিয়া দেওয়া আছে এইটাও
- 17:55ভুল স্ট্রাকচার দেওয়া আছে কষনো এভাবে
- 17:57লিখতে হবে না কখনো লিখবা না অ্যামোনিয়া
- 18:00যদি লেখো তাহলে অ্যামোনিয়ার সাথে এই
- 18:03নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন
- 18:06এই হাইড্রোজেন
- 18:07আর এই হাইড্রোজেন এভাবে লিখবা। তাহলে এটা
- 18:11এমোনিয়া হবে। আবার মিথেনের ক্ষেত্রে
- 18:14বিষয়টা হবে এক। মিথেনের ক্ষেত্রে বিষয়টা
- 18:18হবে এইরকম। এইরকম। ঠিক আমি যেভাবে লিখতেছি
- 18:23এইভাবেই লেখা উচিত। মিথেনের স্ট্রাকচারটা
- 18:26একমাত্রিক অবস্থায় এরকমই হবে। তোমরা
- 18:29তোমাদের বইয়ে এই স্ট্রাকচারটা কাটো। এই
- 18:31স্ট্রাকচারটা কাটো। এই দুইটা স্ট্রাকচারই
- 18:33ভুল। এইটা ঠিক আছে। এইটাও ঠিক আছে। বাট এই
- 18:37দুইটা ঠিক নাই। এখন চিন্তা করে দেখো তাহলে
- 18:41তোমাদের বইয়ের মধ্যে লেখা আছে যে সালফারের
- 18:45যোজনী দুই চার। পরীক্ষায় অবশ্যই আসবে
- 18:49এমসিকিউ। আয়রনের যোজনী দুই তিন। এমসিকিউতে
- 18:53আসবে। তা আমি এখানে লিখে রাখছি না যে
- 18:55আয়রনের যোজনী দুই আর তিন। এইযে এখানে
- 18:58আয়রনের যোজনী দুই তিন এফ। এটা একটা
- 19:00ল্যাটিন নাম। এটাকে বলা হয় ফেরাম। তাহলে
- 19:03এইটার নাম হচ্ছে এটার নাম হচ্ছে ফেরাম।
- 19:08হ্যা ফেরাম এই শব্দটার মানে হচ্ছে আয়রন।
- 19:13আর এই যে পিবি এইটার ল্যাটিন নাম হচ্ছে
- 19:18প্লামবাম। হ্যা এইটার মানে হচ্ছে শিষা। আর
- 19:23এই যে এস এন এটার নাম হচ্ছে
- 19:28স্টেনাম। হ্যা স্টেনাম। এইটার বাংলা হচ্ছে
- 19:32টিন টিন সালফার হ্যা এইযে এটার ইংলিশ
- 19:37হচ্ছে সাল ফার এইটার বাংলা হচ্ছে গন্ধক
- 19:44বাংলা কি গন্ধক কি সিইও হ্যা এটাকে
- 19:48ল্যাটিন নাম হচ্ছে কাপরাম
- 19:51কাপরাম এবং এটাকে ইংলিশে আমরা বলি কপার
- 19:56কপারের বাংলা হচ্ছে তামা কপার বাংলা কি
- 20:00তামা নাইট্রোজেন তো নাইট্রোজেন
- 20:04জব খারজান এটার নাম হাইড্রোজেন উজ্জয়ন আর
- 20:08অক্সিজেন অম্লজান আস্তে আস্তে পড়বা আস্তে
- 20:11আস্তে পড়বা এখন স্যার রাশিন সংকেত যে
- 20:14লিখবো আমি সংকেত লেখা শুরু করলাম বুঝলাম
- 20:17এখন স্যার কাহিনীটা হইল এই যে এখানে যে
- 20:21ছকটা দেওয়া আছে এটা কি 100 পারসেন্ মনে
- 20:23রাখা লাগবে 100 পারসেন্ট মনে রাখা লাগবে
- 20:26উইদাউট এনি মার্সি
- 20:30কার যোজনী কত? কোন যৌগমূলক? এই যে যৌগমূলক
- 20:34লেখা আছে না এটার ইংলিশ হচ্ছে রেডিকাল।
- 20:40রেডিকোল।
- 20:42তুমি আবার মনে করে না আমি স্লো হয়ে গেছি।
- 20:44এটা আস্তে করে স্লো করছি আর কি রেডিকাল।
- 20:46কার্বনের সালফেট সালফাইট। কোনভাবে মিস করা
- 20:49যাবে না। এটার নাম সালফাইট। এখানে সালফেট
- 20:52উচ্চারণী হবে। এটার নাম লাস্টে টই হবে। ড
- 20:56দেওয়া যাবে না। ড দেওয়া যাবে না। এই যে
- 20:59ফসফেট এইযে ট উচ্চারণ কি আছে? ট এটা টই
- 21:03হবে। এর যোজনী তিন। আর কোন যৌগের যদি
- 21:07একাধিক যোজনী থাকে বেশি হলে উচ্চারণ ইক
- 21:09হবে। বেশি হলে ইক হবে আর কম হলে আস হবে।
- 21:14অলওয়েজ মাথায় রাখবা। একাধিক যোজনী যাদের
- 21:16আছে। যেমন নামটা ঠান্ডা মাথায় শোন আমি কি
- 21:20বলি? ধরো এফই হ্যা এটার এটার ল্যাটিন নাম
- 21:25হচ্ছে ফেরাম ফেরাম হ্যা সুন্দর নাম হচ্ছে
- 21:31আয়রন
- 21:33আয়রন এবং এইটাকেই আমরা চিনি হিসাব এটা কি
- 21:37হিসেবে চিনি লোহা তহলে লোহার সংকেত এফি
- 21:40ফরশিওর কোন সন্দেহ নেই তাহলে লোহার
- 21:43ক্ষেত্রে যখন যোজনী দুই হয় আর যোজনী তিন
- 21:48হয় দুই আর তিন মাথায় রাখতে হবে এই যে দুই
- 21:52এইটার নামের শেষে উচ্চারণ হবে আস আর এই যে
- 21:57তিন নামের শেষে উচ্চারণ হবে ইক তাহলে
- 21:59স্যার কিভাবে নামের শেষে উচ্চারণ হবে তখন
- 22:02এইখানে বলতে হবে এইটার নাম ফেরাস আর এইটার
- 22:07নাম ফেরিক
- 22:10ফেরাস আর ফেরিক
- 22:12ঠিক আছে আচ্ছা আবার যেমন ধরো এইটা কেমনে
- 22:17বুঝাই
- 22:18সি ইউ হ্যা
- 22:20তহলে কপারের যোজনী আছে দুইটা। একটা হচ্ছে
- 22:23কপারের যোজনী এক আরেকটা হচ্ছে কপারের
- 22:26যোজনী দুই। যখন দুই উচ্চারিত হবে তখন এই
- 22:30দুই মানে হচ্ছে এটা হল আস। এর উচ্চারণ কি
- 22:34হবে? আস
- 22:36আর এইখানে উচ্চারণটা হবে ইক। মানে কমের
- 22:40মধ্যে যেটা আস। তাইলে এখানে কি বলতে হবে
- 22:42আমাদের? এখানে বলতে হবে কিউপ্রাস। নামটা
- 22:46হচ্ছে কিউপ্রাস।
- 22:49আর এইখানে নামটা হচ্ছে কিউপ্রিক।
- 22:55কিউপ্রিক। তাহলে নামের শেষে উচ্চারণটা
- 22:58হচ্ছে আস। এখন কথা হল স্যার তাহলে সি ইউ
- 23:01এটার ল্যাটিন নাম হচ্ছে কাপরাম। ল্যাটিন
- 23:06নাম কি? কাপম। এবং আমরা ইংলিশে এটাকে কি
- 23:10বলি স্যার? কপার। কপারের বাংলা কি? তামা।
- 23:16কপারের মামল তামা। আচ্ছা আবার মনে করো যে
- 23:20পিবি পিবি
- 23:23পিবি মানে লেড বা শিষা। তাহলে পিবির
- 23:26ক্ষেত্রে একটু চিন্তা করে দেখো ওর যোজনী
- 23:29ওর যোজনী দুইও হয় চারও হয়। তাহলে দুই যে
- 23:34যোজনীটা এটার নাম হচ্ছে
- 23:37আস।
- 23:39আর এইটার নাম হচ্ছে ইক। আসইক। তাহলে এই
- 23:44কষেত্রে মাথায় রাখতে হবে এইটা হচ্ছে
- 23:47প্লামবাস
- 23:50আর এইটার নাম হচ্ছে
- 23:54প্লামবিক
- 23:56প্লামবাস আরেকটা হচ্ছে প্লামক তাহলেযে
- 23:59পিবি এই পিবি হচ্ছে লেড্যা পিবি হচ্ছে লেড
- 24:05লেড
- 24:07লেড তাহলে এইটা হচ্ছে প্লাম বাস
- 24:13উচ্চারণ লেড। লেডের মানে হচ্ছে শিষা।
- 24:16শিষা। এটা হচ্ছে শিষা হবে।
- 24:21শিষা।
- 24:23মোটামুটি হচ্ছে এখানে কয়েকটা নমুনা
- 24:25দেখাইলাম। এখন স্যার রাসায়নিক সংকেত
- 24:27লিখবা কেমনে? এবার একটু মনোযোগ দিতে হবে
- 24:30তোমাদের। যেমন ধরো হাইড্রোজেন হাইড্রোজেন
- 24:34হ্যাঁ? ওর যোজনী ওর যোজনী এক। কারণ ও একটা
- 24:39এককভাবে যুক্ত হইতে পারে। কেমনে যুক্ত হতে
- 24:42পারে এটার ব্যাখ্যাটা আমি আসলে পরে দিতে
- 24:43হবে কারণ পরমাণুর গঠন তোমরা যখন পড়ছো মনে
- 24:47করে দেখো হাইড্রোজেনের পরমাণুতে একটা
- 24:50ইলেকট্রন আছে একটা তহলে সে স্থিতিশীল
- 24:53হওয়ার জন্য একটা ইলেকট্রনই শেয়ার করে
- 24:55আবার যেমন ধর অক্সিজেন ওর যোজনী দুই এবার
- 25:01ও যখন যৌগ গঠন করবে তাহলে হাইড্রোজেনের আর
- 25:05অক্সিজেনের ক্ষেত্রে খেলাটা হইল
- 25:07হাইড্রোজেনের যোজনী এক অক্সিজেনের দুই দুই
- 25:11হাইড্রোজেনের যোজনী এক তাহলে এই যোজনী
- 25:14নিচে আসলো আর এই যোজনীটা এইখানে আসে তখন
- 25:17ওদের অল্টারনেট হয় তখন এই দুইটা যদি আসে
- 25:22তাইলে এইটা হচ্ছে এইচ2
- 25:25এবং এই সংকেতটার নামই হচ্ছে এটা কিসের
- 25:28সংকেত পানির সংকেত এইভাবে করে চলমান থাকবে
- 25:33যেমন ধর অ্যামোনিয়ার ক্ষেত্রে পানি তাহলে
- 25:36অ্যামোনিয়ার ক্ষেত্রে তোমরা জানো
- 25:38নাইট্রোজেন আর এটা হচ্ছে হাইড্রোজেন
- 25:41তাহলে নাইট্রোজেনের যোজনী হচ্ছে তিন।
- 25:44হাইড্রোজেনের যোজনী এক। তো এই ওয়ান এখানে
- 25:48আসলো আর তিন এখানে আসলো। তাহলে সংকেতটা
- 25:52হচ্ছে সংকেতটা হচ্ছে এন এইচথ।
- 25:58এটার নাম কি? এটার নাম হচ্ছে অমোনিয়া।
- 26:02তাহলে এইটার নাম অমোনিয়া।
- 26:07পরমাণুর গঠন চ্যাপ্টারে তোমরা
- 26:09নাইট্রোজেনের স্ট্রাকচার দেখছো। তাই আমি
- 26:10যদি এটাকে স্ট্রাকচার বা গঠন দেখতে চাই
- 26:13তাহলে ওর গঠনটা হচ্ছে এইরকম হবে যে এই যে
- 26:16নাইট্রোজেন এই নাইট্রোজেনের সাথে তিনটা
- 26:19হাইড্রোজেন এইভাবে যুক্ত থাকে।
- 26:23এইভাবে যুক্ত থাকে। এটা হচ্ছে অ্যামোনিয়ার
- 26:26সংকেত।
- 26:27আবার চিন্তা করে দেখো সি মানে হচ্ছে
- 26:30কার্বন। ঠিক। হাইড্রোজেন। তো মাথায় রাখো
- 26:36কার্বনের যোজনী চার। দুইও হয়, চারও হয়।
- 26:39হাইড্রোজেনের সবসময়ই এক। এখন যদি আমি বলি
- 26:42এটা এখানে আর এটা এখানে আসলো। তাহলে
- 26:45চেহারাটা হচ্ছে সিইচফ
- 26:48হয়ে যায়। এবং এই যে সইচফ হইল এটার নাম
- 26:52হচ্ছে এইটার নাম হচ্ছে মিথেন। এটার নাম
- 26:57কি? মিথেন। তাহলে ওর চেহারাটা কেমন?
- 27:00চেয়ারটা হচ্ছে এই কার্বনের সাথে চারটা
- 27:03হাইড্রোজেন এইভাবে যুক্ত থাকে। কার্বনের
- 27:06সাথে চারটা হাইড্রোজেন এইভাবে যুক্ত থাকে।
- 27:10এইটা হচ্ছে CHইচ4 এবং আসলে এরকম
- 27:14আসলেই এরকম। তো অন্যান্য যৌগের ক্ষেত্রে
- 27:17যেমন ধর আমি যদি বলি ফেরাস ক্লোরাইড ফেরিক
- 27:21ক্লোরাইড। যেমন একটা সিঙ্গেল একটা
- 27:24এক্সাম্পল দেখাই তোমাদের। সিঙ্গেল হ্যা
- 27:27এটার দিকে একটু তাকাও।
- 27:30সিঙ্গেল একটা এক্সাম্পল দেখাই হ্যা সেটা
- 27:32হচ্ছে যেমন আয়রন এতো আমরা জানি ওযে আয়রন
- 27:36আচ্ছা আর ক্লোরিন খুবই কমন একটা যৌগ
- 27:40আয়রনের আবার এইখানে হচ্ছে আয়রন আর ক্লোরিন
- 27:44ইমাজিন করো আয়রনের যোজনী দুই আর ক্লোরিনের
- 27:47এক আয়রনের যোজনী তিন ক্লোরিনের এক এখন
- 27:52তুমি যদি বল যে একটা এখানে আসবে আর দুইটা
- 27:55এখানে যাবে ঠিক আছে তিন এখানে আসবে এক
- 27:58এখানে আসবে তহলে এটার চেহারাটা কেমন হয়?
- 28:01চেহারাটা হয় হচ্ছে এফসিএলটু।
- 28:06আর এইটার সংকেতটা হবে এফসিএল3। তাহলে
- 28:10এইটার নাম হচ্ছে
- 28:13ফেরাস ক্লোরাইড।
- 28:18ফেরাস ক্লোরাইড। আরেকটা হচ্ছে
- 28:24ফেরিক ক্লোরাইড।
- 28:28বিষয়টা এমন হয় ফেরাস ক্লোরাইড ফেরিক
- 28:30ক্লোরাইড আবার
- 28:33আবার ধরো এখানে যেটা দেখলে না এচ3 এটার
- 28:36একটা পরিবর্তন আছে হইতে পারে এমনও যৌগ আছে
- 28:40এনথ এইচ
- 28:42এনথ এটা এমনি লিখলাম জাস্ট এটা তোমাদের
- 28:45জানার জন্য এইটার নাম হচ্ছে
- 28:49হাইড্রোজোইক
- 28:52এসিড
- 28:55হাইড্রোজোইক এসিড
- 28:57এনথ এইচ এটা কিভাবে সম্ভব? এইটা সম্ভব
- 29:01হচ্ছে এভাবে যে একটা নাইট্রোজেন তিন হাত
- 29:04দিয়ে আরেক নাইট্রোজেন দুই হাত দিয়ে
- 29:07হাইড্রোজেনের সাথে যুক্ত। এটা আস্তে আস্তে
- 29:09তোমরা পরে শিখবা। আপাতত এখন জাস্ট একটু
- 29:11দেখে রাখো। এই নাইট্রোজেনের যোজনী তিন। এই
- 29:14নাইট্রোজেনের যোজনী পাচ। এই নাইট্রোজেনের
- 29:17তিন। হাইড্রোজেনের সবসময় এক। এ নাম
- 29:20হাইড্রোজইক এসিড।
- 29:23ঠিক আছে? আচ্ছা এই গেল একটা সিম্পল
- 29:26এক্সপ্লেনেশন। এখন স্যার যদি আমি চিন্তা
- 29:29করি যে যৌগমূলক নিয়ে চিন্তা করো। কি
- 29:32মূলক?
- 29:34যৌগমূলক।
- 29:36তাহলে এইটাকে ইংলিশে বলা হয় রেডিকেল।
- 29:42রেডিকেল। তাহলে রেডিকেলের সংজ্ঞা কি?
- 29:45বিভিন্ন মৌলের পরমাণু একসাথে। বিভিন্ন
- 29:52মৌলের
- 29:56পরমাণু বিভিন্ন
- 29:58মৌলের পরমাণু
- 30:04একত্রিত হয়ে বিভিন্ন মৌলের পরমাণু
- 30:08একত্রিত হয়ে
- 30:12একটি পরমাণু
- 30:15গুচ্ছ গঠন করে
- 30:22পরমাণু গুচছ গঠন করে একটি পরমাণু গুচ্ছ
- 30:25গঠন করে যা একটি পরমাণুর ন্যায় আচরণ করে
- 30:32কিসের ন্যায় পরমাণুর
- 30:35ন্যায় আচরণ করে
- 30:41আচরণ করে তাকে বলা হয় রেডিকেল যৌগমূলক বা
- 30:46রেডিকেল
- 30:49যৌগমূলক বা রেডিকেল তাহলে এই যে পরমাণু
- 30:52আচরণ করে এটার নাম কি? যৌগমূলক বা
- 30:55রেডিকেল। এখন এটা চেহারাটা কেমন? এ
- 30:58চেহারাটা বোঝো। এটা চেহারাটা আগে বোঝ
- 31:00ঠান্ডা মাথায় বোঝ। যেমন ধর আমি বললাম পি
- 31:05ঠান্ডা মাথায় বুঝ প এইচফ
- 31:09প্লাস।
- 31:11কেন প্লাস হল? আরো অনেক ব্যাখ্যা আছে।
- 31:13আপাতত শিখো। পিএইচফ প্লাস মানে এটা হল
- 31:16ফসফোনিয়াম। তাহলে ওর যোজনী ওর যোজনী এক।
- 31:21জানো পিএইচফ প্লাস এটার যোজনী এক
- 31:23ফসফোনিয়াম আরেকটা যৌগ আছে যৌগমূলক আছে
- 31:26এনইচ4 প্লাস এটা হচ্ছে অমোনিয়াম তাহলে
- 31:31অ্যামোনিয়ামের যোজনী হচ্ছে এক
- 31:34অমোনিয়ামের যোজনী কি এক এগুলো হচ্ছে
- 31:36ধনাত্মক যৌগমূলক আবার ধরো হাইড্রোক্সিল
- 31:40ওইচ মাইনাস ওর যোজনী এক3
- 31:44মাইনাস নাইট্রেট ওর যোজনী এক2
- 31:49মাইনাস নাইট্রাইট ওর যোজনী এক
- 31:53যোজনী এক আচ্ছা এইবার চিন্তা করে দেখোতো
- 31:58আমি যদি চিন্তা করি এসও4ট
- 32:01মাইনাস সালফেট ওর যোজনী দুই আবার সও3ট
- 32:09মাইনাস কার্বোনেট ওর যোজনী এক আবার এইটার
- 32:15ক্ষেত্রে আবার যদি বাইসালফেট চিন্তা করি
- 32:18এইচ এও4 মাইনাস এইটার নাম বাইসালফেট। ওর
- 32:22যোজনী কিন্তু এক। কার্বোনেট যোজনী এক।
- 32:27সালফেট যোজনী এক। সালফাইড
- 32:30এও3ট মাইনাস ওর যোজনী দুই। কিন্তু যদি
- 32:34চিন্তা করো ফসফেটের কথা পিও4
- 32:38পিও43
- 32:40মাইনাস ওর যোজনী তিন ফসফেট ওর যোজনী হচ্ছে
- 32:45তিন।
- 32:47তাহলে এইখানে তুমি যা দেখতে পাচ্ছ এইখানে
- 32:50তুমি যা দেখতে পাচ্ছ ও দিয়ে যদি আমি একটা
- 32:53সংকেত লেখার ট্রাই করি সংকেত তাইলে কি হবে
- 32:56দেখো ঠান্ডা মাথায় ভাবো চিন্তা করো
- 33:00সোডিয়াম ওর যোজনী এক কেন ওর যোজনী এক কেন
- 33:05কারণ স্যার এই যে এখানে সোডিয়ামের যোজনী
- 33:07এক ধাতু ম্যাগনেশিয়ামের যোজনী দুই জিংক
- 33:12ওর যোজনী দুই অ্যালুমিনিয়াম ওর যোজনী তিন
- 33:17হ্যা সিলিকন ওর যোজনী চার এগুলো ছকে লেখা
- 33:21আছে। এখন যদি স্যার আমি সোডিয়াম ওর যোজনী
- 33:24যে এক তার সাথে সালফেট কে চিন্তা করি
- 33:29সালফেট যার যোজনী দুই তাহলে ভাবতো কি হবে?
- 33:33তাহলে এই দুই এখানে আসবে আর এই এক এখানে
- 33:37আসবে। তখন এটার সংকেতটা হবে এরকম এ2
- 33:43এ4
- 33:45বুঝছো এইটার নাম দাঁড়াবে এইটার নাম
- 33:51দাঁড়াবে সোডিয়াম
- 33:54সালফেট
- 33:56সোডিয়াম সালফেট আচ্ছা এইবার এই
- 34:00সোডিয়ামটা যদি হাইড্রোক্সিলের সাথে যুক্ত
- 34:04হইতো হাইড্রোক্সিলের সাথে যুক্ত হইতো
- 34:07তাহলে
- 34:08সোডিয়ামের যোজনী এক হাইড্রোক্সিলের যোজনী
- 34:11এক কোন সন্দেহ নাই এক এক কাটা তাহলে ওয়ান
- 34:14ওয়ান অর্থাৎ সোডিয়াম ওয়ান হাইড্রোক্সিল
- 34:18ওয়ান এভাবে লেখার কোন দরকার নাই তখন আমরা
- 34:21কি লিখতাম এই সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
- 34:26এই ওইচ ওর নাম হাইড্রোক্সিল কিন্তু এখানে
- 34:29যখন যৌগের নাম উচ্চারিত হবে তখন আমরা
- 34:32এখানে লিখবো হচ্ছে এইটা সোডিয়াম
- 34:37হাই হাইড্রোক্সাইড
- 34:41হাইড্রোক্সাইড
- 34:43সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড আবার তুমি চিন্তা
- 34:47করো এই সোডিয়ামের সাথে যখন ফসফেট হবে
- 34:53সোডিয়াম দিয়ে বুঝাই তাহলে সোডিয়ামের
- 34:56যোজনী তো এক এটা আমরা জানি ফসফেটের যোজনী
- 35:02তিন তাইলে এখন এই তিন যদি এখানে আসার এক
- 35:05এখানে আসে তাহলে ওর চেহারাটা কি হবে
- 35:08স্যার? ওর চেহারাটা হবে এ3
- 35:12পিও4
- 35:14সোডিয়াম ফসফেট এ3
- 35:18তহলে এই যৌগটার নাম কি দাঁড়াবে? এই
- 35:21যৌগটার নাম দাঁড়াবে
- 35:24সোডিয়াম
- 35:26সোডিয়াম
- 35:28ফসফেট।
- 35:30সোডিয়াম ফসফেট। আচ্ছা এটা গেল একটা
- 35:33নমুনা। এটা গেল একটা নমুনা। আচ্ছা এইবার
- 35:38স্যার সেইম জিনিসটা যদি এমন হইতো যে স্যার
- 35:40আমি ক্যালসিয়ামের সাথে ফসফেট চিন্তা করছি
- 35:44বা ক্যালসিয়ামের সাথে। এখন দেখো
- 35:47ক্যালসিয়াম আর ফসফেট। এই ক্যালসিয়ামের
- 35:50যোজনী কিন্তু দুই। ফসফেটের যোজনী তিন।
- 35:55তাহলে এই তিন যদি এখানে আসে আর দুই যদি
- 35:58এখানে আসে তাহলে ওর চেহারাটা হচ্ছে সি3
- 36:02পিও4 হোলটু।
- 36:05এই যৌগটার নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম ফসফেট।
- 36:10এটার নাম কি? এইটার নাম হচ্ছে
- 36:13ক্যালসিয়াম।
- 36:16ক্যালসিয়াম
- 36:22ফসফেট।
- 36:25ক্যালসিয়াম ফসফেট।
- 36:27তাহলে স3 পিও4 হোলট। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এখন
- 36:32প্রশ্ন হচ্ছে
- 36:34ক্যালসিয়াম ফসফেট আমি বুঝলাম। এখন যদি
- 36:37আমি চিন্তা করি জিংক
- 36:40আর সালফেট। জিংকের যোজনী কত? দুই।
- 36:44সালফেটের কত? দুই। হ্যা। তাহলে এই দুই আর
- 36:50এই দুই সমান সমান। তাহলে এইটার নাম হচ্ছে
- 36:56জিংক সালফেট।
- 36:58এসও4
- 37:00জিংক সালফেট। এফ দুই দিয়ে কাটা। আবার আমি
- 37:06যদি এমনে চিন্তা করতাম অ্যালুমিনিয়াম আর
- 37:09অক্সিজেন তাহলে অ্যালুমিনিয়াম আর
- 37:13অক্সিজেন। ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখো
- 37:15অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী তিন অক্সিজেনের
- 37:19দুই তাহলে এইটা যদি এইখানে আসে আর এইটা
- 37:22যদি এখানে আসে তাহলে ওদের চেহারা মিলে হয়
- 37:25কি অ্যালুমিনিয়াম
- 37:27অক্সাইড এই যৌগের নাম হচ্ছে
- 37:30অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এই যৌগের নাম
- 37:35অ্যালুমিনিয়াম
- 37:38মিনিয়াম অক্সাইড
- 37:42এভাবে লিখতে লিখতে
- 37:44শেষ হবে না। এভাবে লিখতে লিখতে শেষ হবে
- 37:47না। এবার তোমরা যদি একটু প্র্যাকটিস করো,
- 37:50একটু যদি প্র্যাকটিস করো নিজেরা নিজেদের
- 37:53মধ্যে তোমরা যারা কেমিস্ট্রি ভয় পাও যে
- 37:56কারণে কেমিস্ট্রি ভয় পাও। ওই ভয়ের
- 37:59কারণটাকে উড়ায় ফেলো। ভয়ের কারণটাকে উড়ায়
- 38:02ফেলো। যেমন মনে করো নাইট্রেট।
- 38:04অ্যালুমিনিয়াম নাইট্রেট। আমি লিখবো। হ্যা।
- 38:07ধর অ্যালুমিনিয়াম
- 38:10নাইট্রেট।
- 38:11তো অ্যালুমিনিয়ামের
- 38:14যোজনী হচ্ছে তিন। নাইট্রেটের যোজনী এক।
- 38:19তাহলে এবার এই অ্যালুমিনিয়াম
- 38:23এই নাইট্রেট চিন্তা করো তাহলে এইটা হচ্ছে
- 38:27এও3
- 38:31হোলথ
- 38:33এন3 হোলথ নাম হচ্ছে অ্যালুমিনিয়াম
- 38:36নাইট্রেট।
- 38:39অ্যালুমিনিয়াম নাইট্রেট। Alno3 হোল থ্রি
- 38:43অ্যালুমিনিয়াম নাইট্রেট। কিন্তু যদি আমি
- 38:46বলতাম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট
- 38:50বা হ্যাঁ অ্যালুমিনিয়াম সালফেট তখন কি
- 38:52হইতো? এই যে অ্যালুমিনিয়াম
- 38:54এই যে অ্যালুমিনিয়াম
- 38:57আর এইটা হচ্ছে সালফেট। তাহলে
- 39:00অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী তিন।
- 39:04সালফেটের যোজনী দুই। তাহলে এই দুই যদি
- 39:07এখানে আসে আর এই তিন এখানে যায় তাহলে
- 39:10সংকেতটা কি হবে? এ2
- 39:13এ4
- 39:15হলথ এটার নাম কি? এটার নাম অ্যালুমিনিয়াম
- 39:19সালফেট।
- 39:21তাহলে স্যার এইখানে যে লেখা আছে এইখানে যে
- 39:24লেখা আছে এইযে তিন এই তিনটা স্যার কোথায়
- 39:28লেখা? এই যে যোজনী তিন নাইট্রোজেন যোজনী
- 39:31তিন ফসফরাস যোজনী তিন অ্যালুমিনিয়াম
- 39:34যোজনী তিন আয়রনের ইক তিন গোল্ডের ইকতিন
- 39:40গোল্ড অরম এ ইউ অরম এখন ফসফরাসের যোজনী
- 39:45তিন না তিন তলে এবার চিন্তা করে দেখো সে
- 39:47ফর এক্সাম্পল এইটা হইলো ফসফরাস এইটা হল
- 39:50ক্লোরিন আবার ধরো ফসফরাস আর ক্লোরিন তো
- 39:54ফসফরাসের যোজনীতো তিনও আছে পাঁচও আছে
- 39:57তাহলে তাহলে তিন ও পাঁচ যদি থাকে তাহলে এই
- 40:01যে ফসফরাসের যোজনী এখানে তিন এখানে
- 40:03ক্লোরিনের তো অলওয়েজ এক ফসফরাসের পাঁচ আর
- 40:07ক্লোরিনের এক তাহলে এই যে ওয়ান
- 40:11আর এই যে ওয়ান তো এই যে ওয়ান এই যে ওয়ান
- 40:16তো এখানে
- 40:18পি সিএল3
- 40:20আর এইটা হচ্ছে পিসিএল5
- 40:24তো পিসিএল3 মানে ফসফরাস ট্রাইক্লোরাইড
- 40:28পিসিএল ফাইভ মানে ফসফরাস পেন্টাক্লোরাইড।
- 40:33তহলে কেন ট্রাই আর পেন্টা হইলো? ওইযে আমি
- 40:35একটু আগে লিখে আসছি এখানে এখানে যে লিখে
- 40:37আসছি ওই যে এখানে যে এক মানে মনো, দুই
- 40:41মানে ডাই, তিন মানে ট্রাই, চার মানে
- 40:43টেট্রা। পাচ মানে পেন্টা। এই পেন্টাটা
- 40:46আসবে এখানে। তখন এই যৌগের নাম হবে এইটার
- 40:50নাম হবে ফসফরাস ট্রাই ক্লোরাইড।
- 40:55ফসফরাস
- 40:58ট্রাই
- 41:00ক্লোরাইড।
- 41:04আর এটার নাম হচ্ছে
- 41:08ফসফরাস
- 41:13পেন্টাক্লোরাইড।
- 41:17ফসফরাস পেন্টাক্লোরাইড।
- 41:20দ্যাটস ইট। এখানে এই স্লাইডটাতে আমি
- 41:23যতটুকু লিখেছি একটা স্টুডেন্ট বা একটা
- 41:26টিচার যেই হোক সাধারণ একটা মানুষ বুঝতে
- 41:29পারবে যে রাসায়নিক সংকেত লেখার নিয়ম কি।
- 41:32এখানে আমি যতটুকু লিখেছি যদি তোমাদের
- 41:35বোধগম্য হয়ে থাকে চিন্তা করো ভাবো আরেকটু
- 41:39ডিটেইল ভাবো তাহলে তোমাদের কাছে জিনিসগুলো
- 41:41ক্লিয়ার হবে।
- 41:44এখানে যে জিনিসগুলো লেখা আছে যেমন ধরো আমি
- 41:48কেমনে বুঝাই ধরো ক্যালসিয়াম
- 41:51আর ফ্লোরিন একসাথে হবে তাহলে
- 41:54ক্যালসিয়ামের যোজনী দুই তাই না দুই তাহলে
- 41:57এখানে সংকেত হবে ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড
- 42:02ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড বুঝাইতে পারছি আবার
- 42:06চিন্তা করো মানে সোডিয়ামের সাথে যদি
- 42:09আয়োডিন হয় তাহলে সোডিয়ামের সাথে আয়োডিন
- 42:13হইলে সোডিয়াম আয়োডাইড হবে। সেম সেম কোন
- 42:16সমস্যা নাই। কিন্তু ম্যাগনেশিয়ামের সাথে
- 42:18যখন ক্লোরিন আসবে ধর এই যে ক্লোরিন এই
- 42:22ম্যাগনেশিয়ামের সাথে বা ম্যাগনেশিয়ামের
- 42:24সাথে ব্রোমিন আসলো। তাইলে তখন এটা হবে
- 42:27এমজিবিআরট।
- 42:30এটার নাম হবে ম্যাগনেশিয়াম ব্রোমাইড।
- 42:33তো অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী তো তিন। তাহলে
- 42:36অ্যালুমিনিয়াম যখন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত
- 42:38হবে তখন এটা হবে এ2ও3।
- 42:42আয়রন যখন ক্লোরিনের সাথে যুক্ত হবে তখন
- 42:46এটা হবে এফ সিএল3।
- 42:50গোল্ড যখন ক্লোরিনের সাথে যুক্ত হবে তখন
- 42:53ওর নাম হবে ওরিক ক্লোরাইড।
- 42:57টিন চার যোজনী। তহলে টিন যখন ক্লোরিনের
- 43:00সাথে যুক্ত হবে তখন এইটার নাম হবে স্টেনিক
- 43:05ক্লোরাইড। আবার লেড যখন ক্লোরিনের সাথে
- 43:09যুক্ত হবে তখন ওর নাম হবে প্লাম্বিক
- 43:12ক্লোরাইড। সালফার যখন অক্সিজেনের সাথে
- 43:16যুক্ত হবে সালফার অক্সিজেনের সাথে। তখন
- 43:19উচ্চারণ হবে সালফার ডাইঅক্সাইড। আবার
- 43:23সালফার যখন অক্সিজেনের সাথে এইভাবে যুক্ত
- 43:25হবে তখন তার নাম হবে সালফার ট্রাইঅক্সাইড।
- 43:28এখানে সালফারের যোজনী কত? চার। এখানে
- 43:31সালফারের যোজনী ছয়।
- 43:34কার্বন যখন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হবে তখন
- 43:36এটা হবে কার্বন মনোঅক্সাইড। আবার কার্বন
- 43:39যখন দুইটা অক্সিজেনের সাথেও যুক্ত হতে
- 43:42পারে তখন নাম হবে
- 43:44কার্বন ডাইঅক্সাইড। নাইট্রোজেন যখন
- 43:47হাইড্রোজেনের সাথে যুক্ত হয় তখন তার নাম
- 43:50হয় অ্যামোনিয়া। নাইট্রোজেন যখন ক্লোরিনের
- 43:53সাথে যুক্ত হয় তখন নাম হয় নাইট্রোজেন
- 43:55ট্রাইক্লোরাইড।
- 43:57আবার নাইট্রোজেন যখন অক্সিজেনের সাথে
- 43:59যুক্ত হয় তখন নাম হয় নাইট্রোজেন
- 44:02ডাইনাইট্রোজেন ট্রাইঅক্সাইড। ফসফরাস যখন
- 44:05অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয় তখন নাম হয়
- 44:08ফসফরাস পেন্টঅক্সাইড। ট্রাইঅক্সাইড।
- 44:11ফসফরাসের সাথে অক্সিজেন আবার পাঁচ যৌগ
- 44:14হয়ে যুক্ত হয়। এটার নাম হচ্ছে ফসফরাস
- 44:15পেন্টসাইড।
- 44:17ফসফেট একটা যৌগমূলক। তো ও যখন
- 44:21ক্যালসিয়ামের সাথে যুক্ত হবে তখন এইটার
- 44:23সংকেত হবে ca3 পিও4 হোলট মিস করা যাবে না
- 44:29আবার সোডিয়াম যখন ফসফেটের সাথে যুক্ত হবে
- 44:32তখন এইটা হবে এ3 পিও4
- 44:38এটা হচ্ছে সোডিয়াম ফসফেট তো এটা শেষ করা
- 44:41যায় না এখানে যৌগের সংকেত লেখা শুরু করলে
- 44:44অন্ততপক্ষে দুই ঘন্টা সময় লাগবে মোটামুটি
- 44:48পরিচিত যৌগগুলাকে লিখতে
- 44:50তো এই কারণে এই জিনিসগুলাকে ভালোবেসে
- 44:52পড়তে হয়। আবার যেমন ধর এইযে পটাশিয়াম।
- 44:56তো পটাশিয়ামের সাথে যখন ক্লোরিন যুক্ত
- 44:58হয় এটার নাম পটাশিয়াম ক্লোরাইড। আবার
- 45:01পটাশিয়ামের সাথে যখন অক্সিজেন যুক্ত হয়
- 45:04এটার নাম পটাশিয়াম অক্সাইড।
- 45:07জিংকের সাথে যখন ক্লোরিন যুক্ত হবে তখন
- 45:10তার নাম জিংক ক্লোরাইড। কিন্তু জিংকের
- 45:13সাথে যখন সালফেট যুক্ত হবে তখন তার নাম
- 45:16হচ্ছে জিংক সালফেট। কপারের সাথে যখন
- 45:21সালফার যুক্ত হবে কপার সালফেট যুক্ত হবে
- 45:24কপার। তহলে তার নাম হবে
- 45:27কিউপ্রিক সালফার কছে? এইযে সালফার। তো
- 45:30সালফারের সাথে অক্সিজেন, সালফারের সাথে
- 45:34অক্সিজেন, কার্বনের সাথে অক্সিজেন,
- 45:38কার্বনের সাথে অক্সিজেন, অন্য যেকোন কিছুর
- 45:40সাথে অক্সিজেন। এটা হচ্ছে জাস্ট একটু
- 45:42দেখানোর জন্য। চেহারাটা এইরকম। তাহলে
- 45:45স্যার পরীক্ষায় কেমন প্রশ্ন আসবে?
- 45:47পরীক্ষায় প্রশ্ন আসবে এরকম।
- 45:50সালফার ডাইঅক্সাইড
- 45:52একটা সালফার। এটা একটু মাথায় রাখো। একটা
- 45:56সালফারের সাথে অক্সিজেন এইভাবে যুক্ত
- 45:58থাকে। তাহলে এখানে সালফারের যোজনী চার
- 46:03কারণ অক্সিজেনের দুই তাহলে দুইটা হাতে
- 46:05অক্সিজেনকে দুই দুইটা অক্সিজেনকে ধরতে
- 46:08গেলে সালফারের যোজনী চার হইতে হবে
- 46:11সালফারের যোজনী চার পরীক্ষায় এরকম প্রশ্ন
- 46:14আসবে নিচের কোন মূল যোজনী দুই ও তিন দুই
- 46:19এবং তিন অবশ্যই আয়রন কারণ গোল্ড এইযে দেখো
- 46:23একটু আগে দেখো এইযে এখানে দেখো গোল্ড
- 46:25কোথায় আছে এখানে গোল্ড কোথায় আছে এইযে
- 46:29তিনে আছে গোল্ড তিনে গোল্ড আছে এবং
- 46:32এইখানেও আছে এইযে গোল্ড তাহলে এখানে
- 46:35গোল্ডের ক্ষেত্রে যোজনী হইতে পারে এক আর
- 46:40তিন ক্লোরিনের ক্ষেত্রে কোন কোন ক্ষেত্রে
- 46:42একও হয় আবার সাতও হয় নাইট্রাইট যৌগমূলকের
- 46:47যোজনী এক তাহলে দুই আর তিন কেবলমাত্র
- 46:51আয়রনের হবে
- 46:54কোনটি ধনাত্মক যৌগমূলক অবশ্যই অবশ্যই এটা
- 46:57অ্যামোনিয়াম হবে কেন অ্যামোনিয়ামের সংকেত
- 47:01হচ্ছে এচ4
- 47:03প্লাস কেন ধনাত্মক সামনে বুঝাবো নাইনের
- 47:06কোর্সে বুঝাবো ইনশাআল্লাহ এখানে হচ্ছে
- 47:08সালফেট তো সালফেট হচ্ছে এও4ট
- 47:13মাইনাস কার্বনেট সও3ট
- 47:16মাইনাস
- 47:18ফসফেট পিও4থ
- 47:21মাইনাস এই হল ফসফেট
- 47:26বুঝাতে পারছি এবার নিচের কোনটি চুনা
- 47:30পাথরের সংকেত? যখন চুনা পাথর আসবে সাথে
- 47:33সাথে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট কে মনে করবা
- 47:37এই ক্যালসিয়াম কার্বোনেট কিসের সংকেত?
- 47:40চুনা পাথর। আর চুন চুন। এই ক্যালসিয়াম
- 47:45অক্সাইড। এইটা হচ্ছে চুনের সংকেত।
- 47:48ক্যালসিয়াম
- 47:50হাইড্রোক্সাইড।
- 47:52এইটা হচ্ছে চুনের পানির সংকেত।
- 47:58স্ল্যাক্ট লাইম স্লট ভেজা তাহলে কোনটা
- 48:02চুনের বা চুনা পাথর এটা হচ্ছে ক্যালসিয়াম
- 48:04কার্বোনেট কপার সালফেট না
- 48:08অ্যালুমিনিয়াম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
- 48:10পরীক্ষায় আসবে অ্যামোনিয়াম অমোনিয়াম
- 48:14ওর যোজনী কত এক এথ
- 48:18মাইনাস ওর যোজনী কত এক তাহলে একেক যদি
- 48:22এখানে আসে অবশ্যই এচফ এন3
- 48:27ডান এটা এমোনিয়াম নাইট্রেটের সংকেত বাকি
- 48:30একটাও ঠিক নাই
- 48:34এবার তাহলে স্যার আমি যদি এতক্ষণ ধরে খালি
- 48:38প্রতীক সংকেত যোজনী শিখি তাহলে স্যার
- 48:41সামনে তো আরো খেলা বাকি আছে তো রাসায়নিক
- 48:43সমীকরণটা কেমনে হবে স্যার সমীকরণের
- 48:46বিষয়টা হইলো মনে করো তোমার কাছে
- 48:50হাইড্রোজেন
- 48:52আছে এইবার হাইড্রোজেন এর সাথে তুমি
- 48:57অক্সিজেন দিলা এবং সাথে সাথে হাইড্রোজেন
- 49:02অক্সাইড উৎপন্ন হইলো যেটাকে আমরা ভালোবেসে
- 49:05পানি রাখি। এখন যারা বিক্রিয়া করলো এদেরকে
- 49:10বলা হয়
- 49:13বিক্রিয়ক।
- 49:15আর এইখানে যেটা উৎপন্ন হইলো এটার নাম
- 49:20উৎপাদ।
- 49:21বিক্রিয়ক এবং উৎপাদ। তাহলে স্যার চেহারাটা
- 49:25হইলো যখন হাইড্রোজেন
- 49:28আর অক্সিজেন বিক্রিয়া করে তখন আমি যদি
- 49:30একটা সমান চিহ্ন দেই তাহলে উভয় পক্ষে এটা
- 49:33সমতাকরণ করা সম্ভব তাহলে এইটার নাম হচ্ছে
- 49:36এইচ2o
- 49:38কিন্তু স্যার এখানে অক্সিজেন তো দুইটা
- 49:42পানির সংকেত লিখতে গেলে অক্সিজেনের সাথে
- 49:46দুইটা হাইড্রোজেন দেওয়া ছাড়া আমার কাছে
- 49:48উপায় নাই কেন নাই কারণ পানির সংকেতই এইটা
- 49:52এইটাই হইলো পানির সংকেত।
- 49:56এইটাই হলো পানির সংকেত। তাহলে এখানে
- 49:59অবশ্যই সমতাকরণ করা দরকার এবং সমতাকরণ
- 50:02করার জন্য এখানে দুই দিয়ে গুণ করতে হবে।
- 50:05তা না হলে এইখানে ঠুস করে অক্সিজেনের সাথে
- 50:08এখানে ঠুস করে মনে কর এখানে দুই বসায়
- 50:10দেওয়া যাবে না। এখানে দুই বসায় দেওয়া যাবে
- 50:13না। এটা সংকেতের মধ্যে পড়ে না। সুতরাং
- 50:17এখানে টুই থাকবে। আর টুই যদি থাকে তাহলে
- 50:20এখানে দুই দুই চার তাহলে হাইড্রোজেন দুইটা
- 50:22করা লাগবে। এইটা হচ্ছে একটা রাসায়নিক
- 50:26সমীকরণ। সমীকরণ হচ্ছে বিক্রিয়ার এমন একটা
- 50:30প্রকাশ যে সমান চিহ্নের পাশে বাম পাশে
- 50:35বিক্রিয়ক বা রিএক্টেন্ট
- 50:39রেখে এইখানে প্রোডাক্ট
- 50:43প্রোডাক্ট বা উৎপাদ
- 50:48নিয়ে আসার যে প্রসেস এটার নাম হচ্ছে
- 50:50রাসায়নিক বিক্রিয়া। আবার চিন্তা করো
- 50:54হ্যা আবার চিন্তা করো ধরো তোমরা
- 50:56নাইট্রোজেন চেয়ান জানো আর হাইড্রোজেন
- 50:59জানো হাইড্রোজেনের সংকেত এইচ2 আমি একটা
- 51:02সমান চিহ্ন দিলাম এবং এইখানে অ্যামোনিয়া
- 51:05হইল। তো অ্যামোনিয়ার সংকেত এনইচ3 আমি
- 51:08লিখতে বাধ্য। তো হাইড্রোজেন তো তিনটা।
- 51:11এখানে তো হাইড্রোজেন দুইটা। কিন্তু এখানে
- 51:14নাইট্রোজেন একটা। এখানে নাইট্রোজেন দুইটা
- 51:16সমান করতে হবে। সমান করার জন্য এইখানে দুই
- 51:20দিতে হবে।
- 51:22দুই দেওয়াতে হাইড্রোজেন হইছে তিন দুগুছ।
- 51:25তাহলে দিস সুড বি থ্রি। তাহলে এখানে এরা
- 51:30হইলো রিএক্টেন্ট।
- 51:34আর এরা হইলো
- 51:38প্রোডাক্ট।
- 51:40এরা কি? প্রোডাক্ট। তাহলে এই যে
- 51:42রিয়াক্ট্যান্ট আর এই যে প্রোডাক্ট। তাহলে
- 51:45বিক্রিয়ক উৎপাদ তৈরি করছে এবং আমরা
- 51:47রাসায়নিক সমীকরণকে এভাবেই প্রকাশ করি।
- 51:50সামনে আমরা বিক্রিয়া আস্তে আস্তে শিখবো।
- 51:53আস্তে আস্তে ভালোমতো শিখবো। এখানে কিছু
- 51:55নিয়ম কানুন আছে। যেটা আমার বলার দরকার
- 51:57নেই। এটা তোমরা বুঝে নিবা। এই জিনিস রিডিং
- 52:00পড়বা। রিডিং পড়ে চিন্তা করতে হবে। একটা
- 52:03টিচার সব বুঝায় দেওয়া উচিত না। একটা
- 52:05টিচারকে বলা উচিত যে কিভাবে বুঝতে হবে।
- 52:09এখন যদি আমি চিন্তা করি যে স্যার। সমতাকরণ
- 52:13তো স্যার আপনি একটু আগে দেখাইলেন। এটাকে
- 52:14একটু অন্যভাবে দেখানো যায় না। হ্যাঁ
- 52:16দেখানো যায়। যেমন ধরো এইটা হচ্ছে
- 52:20অ্যালুমিনিয়াম আর এইটা হল অক্সিজেন।
- 52:24আচ্ছা এখন অ্যালুমিনিয়াম আর অক্সিজেন যখন
- 52:28বিক্রিয়া করবে অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী
- 52:31তিন অক্সিজেনের যোজনী দুই। তাহলে স্যার এই
- 52:35দুইটা এখানে আর তিনটা এখানে আসে। তখন
- 52:38স্যার এইটার সংকেত হয় এট O3
- 52:43তাহলে আমি অ্যালুমিনিয়াম
- 52:46অক্সাইডে
- 52:49এ2o3 তে অ্যালুমিনিয়াম দুইটা অক্সিজেন
- 52:53তিনটা তাহলে সমতাকরণ করার জন্য কি করব
- 52:56স্যার? সমতাকরণ করার জন্য যদি আমি এইখানে
- 53:00দুই দেই দুই তাহলে স্যার এই যে দুই
- 53:05দেওয়াতে তিন দুগুনে ছয়টা অক্সিজেন হইলো
- 53:08স্যার কেমনে আমি যদি ওরে ভাঙ্গি তাহলে
- 53:11ভাঙলে এমন হবে যে এই দুই দিয়ে
- 53:14অ্যালুমিনিয়াম দুই হয় তাহলে তার মানে হইলো
- 53:18এখানে চারটা অ্যালুমিনিয়াম আছে আর এখানে
- 53:22দুই দিয়ে ওথ হয় তার মানে এখানে ছয়টা
- 53:25অক্সিজেন আছে
- 53:27ছয়টা অক্সিজেন 60 মনে করে না ছয়টা
- 53:29অক্সিজেন। তো এখানে চারটা অ্যালুমিনিয়ামকে
- 53:32সমতাকরণ করার জন্য আমার এখানে অবশ্যই চার
- 53:34দিয়ে গুণ দিতে হবে। আর এখানে ছয়টা
- 53:37অক্সিজেনকে ফিলাপ করার জন্য আমাকে এখানে
- 53:40তিন দিয়ে গুণ দিতে হবে। তাহলে এইখানে আমার
- 53:44চারটা অ্যালুমিনিয়াম হইলো। এইখানে আমার
- 53:47ছয়টা অক্সিজেন হইল। তাইলে শান্তিমত বলতে
- 53:51পারব এই বিক্রিয়কে যতটা পরমাণু আছে উৎপাদে
- 53:56ততটাই পরমাণু আছে। তাহলে এইটা হচ্ছে
- 54:00বিক্রিয়ক
- 54:04আর
- 54:07এইটা হল উৎপাদ।
- 54:09বিক্রিয়ক আর উৎপাদ। এটা হচ্ছে সমতাকরণের
- 54:13একটা ছোট্ট নমুনা দেখাইলাম। এইবার যদি
- 54:16স্যার অন্য আরেকটা দেখাই যেমন সে ফর
- 54:20এক্সাম্পল অ্যালুমিনিয়ামের সাথে ক্লোরিন
- 54:25অথবা একটু আগে ধর যে ভেরি সিম্পলি
- 54:30নাইট্রোজেন আর হাইড্রোজেনের যে কনসেপ্টটা
- 54:32দেখালাম একটু আগে যে নাইট্রোজেনের সংকেত
- 54:35এনট
- 54:37আর হাইড্রোজেনের সংকেত এইচ2 এরা যখন
- 54:41বিক্রিয়া করে তখন অ্যামোনিয়া উৎপন্ন হয়।
- 54:46তো অ্যামোনিয়া উৎপাদন করার জন্য
- 54:49হাইড্রোজেনের আগে নাইট্রোজেন তো একটা আছে।
- 54:52তো এটাকে যদি সমতাকরণ করতে হয় তাহলে এখানে
- 54:54দুই দিতে হবে। তাহলে এখানে দুই দেওয়াতে
- 54:58এইখানের কনসেপ্ট হচ্ছে এখানে নাইট্রোজেন
- 55:01আছে দুইটা। হাইড্রোজেন আছে ছয়টা।
- 55:04সমতাকরণ করার জন্য নাইট্রোজেন দুইটা তো
- 55:07এখানে ঠিকই আছে। এইখানে তিন দিতে হবে।
- 55:10তাহলে স্যার এইখানে নাইট্রোজেন দুইটা হবে।
- 55:14এইখানে হাইড্রোজেন ছয়টা হবে। তার মানে
- 55:18পরমাণুর সংখ্যা সমান।
- 55:22সমান। আরেকটা জিনিস তোমাদেরকে একটু বলে
- 55:24রাখি। সেটা হইলো যদি এমন হয় যে আমি
- 55:28অ্যালুমিনিয়াম
- 55:30আর অক্সিজেন
- 55:32বিক্রিয়া করছে। আমি যদি এখন এখানে একটা
- 55:35তীর চিহ্ন দিতাম স্যার। তীর চিহ্ন। তাইলে
- 55:39আমি A এ2O3
- 55:42লিখে দিলেই হইতো।
- 55:45কারণ ওই তীর চিহ্ন দিলে বিক্রিয়ক এবং
- 55:48উৎপাদের পরমাণুর সংখ্যা সমান করতে হয় না।
- 55:51তাহলে এখানে একটা সিম্পল লাইন সেটা হচ্ছে
- 55:58তীর চিহ্ন দিলে
- 56:02উভয় পক্ষে
- 56:06পরমাণুর সংখ্যা
- 56:11সমান
- 56:14করা
- 56:16দরকার নাই।
- 56:22উভয়পক্ষে পরমাণুর সংখ্যা সমান করার দরকার
- 56:25নাই।
- 56:27বুঝাতে পারছি? ওকে। এইবার বিক্রিয়া শুরু
- 56:32হইলো। এবার সংযোজন বিক্রিয়া যদি আমি
- 56:35চিন্তা করি সংযোজন এই কথাটার মানে হল
- 56:38যুক্ত হওয়া। সংযোজন মানে যুক্ত হওয়া। এই
- 56:44সংযোজন মানে যুক্ত হওয়ার কনসেপ্টটা কি?
- 56:46একেবারে একটা সহজ জিনিস যে এক আর এক যোগ
- 56:53করে কত হচ্ছে? দুই। দুই আর দুই যোগ করে কত
- 56:58হচ্ছে? চার। এরকমের একটা জিনিস।
- 57:01যেমন স্যার মনে করো একটু আগে যে এক্সাম্পল
- 57:04গুলা লেখছে সেটা হচ্ছে হাইড্রোজেন আর
- 57:08অক্সিজেন বিক্রিয়া করে কি হইলো পানি কয়
- 57:12মোল পানি দুই মোল কয় মোল পানি দুই মোল
- 57:16তাহলে এখানে হাইড্রোজেন দুই মোল আবার
- 57:20ধরো
- 57:22সালফার আর অক্সিজেন বিক্রিয়া করছে
- 57:25বিক্রিয়া কইরা সালফার ডাইঅক্সাইড হচ্ছে
- 57:29এটাও একটা সংযোজন
- 57:31আবার ধরো
- 57:33ফেরাস ক্লোরাইড
- 57:36আর ক্লোরিন এরা যখন বিক্রিয়া করে তখন
- 57:40এখানে উৎপন্ন হয় ফেরিক ক্লোরাইড ফেরি
- 57:44ক্লোরাইডের আগে যদি দুই দেই তাহলে এখানে
- 57:46ছয়টা হাইড্রোজেন হয় তাহলে এখানে দুইটা
- 57:50দিলে এইবার বিক্রিয়াটা সমতাকরণ হয় তো
- 57:54আসল কাহিনীটা হচ্ছে
- 57:56দুইটি
- 57:58দুইটি
- 58:00মৌল
- 58:02বা যৌগ
- 58:05একত্রিত
- 58:07হয়ে একত্রিত
- 58:11হয়ে একটি
- 58:14যৌগ গঠন করবে। একটি যৌগ গঠন করে। এটার নাম
- 58:21হচ্ছে সংযোজন বিক্রিয়া। এইটার নাম সংযোজন
- 58:25বিক্রিয়া।
- 58:28এটার নাম কি বিক্রিয়া? সংযোজন বিক্রিয়া
- 58:30মনে থাকবে
- 58:33এবার এখানে তাকাও এটা একটু আগে দেখে আসছো
- 58:37যে হাইড্রোজেন অফকোরস নাইট্রোজেনের সাথে
- 58:41রিএকশন করে যখন অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে
- 58:45দিশুড বিটু তো এনট বিক্রিয়াটা কি দিছে
- 58:48বিক্রিয়াটা দিছে হচ্ছে এনট সরি আগে হচ্ছে
- 58:53এইচ2 আর এনট বিক্রিয়া করে অমোনিয়া হইছে
- 58:58তাহলে অবশ্যই এই হাইড্রোজেনের আগে তিন
- 59:01দিতে হবে। তাহলে এখানে অনুপাত হচ্ছে 3ইওট
- 59:10তাহলে এখানে এই যে থ্রি কিছু নাই বলে
- 59:14এখানে ওয়ান আর কিছু আছে বলে এখানে টু
- 59:16তাহলে অবশ্যই এটার অনুপাত হবে বা এটার
- 59:20উত্তর হবে 32
- 59:23ইজি না
- 59:26এই বিক্রিয়ায় এক্স এর মান কোনটা পানি মানে
- 59:29এখানে যে পানি হবে এটা পৃথিবীর সবাই জানে
- 59:32কিন্তু এইচ2 বাট এইযে এইচ2O2 এই যৌগটার
- 59:37নাম হচ্ছে হাইড্রোজেন
- 59:41হাইড্রোজেন
- 59:43কি পারক্সাইড
- 59:49হাইড্রোজেন পারক্সাইড
- 59:53এখনো সালফিউরিক এসিডে মজার জিনিস
- 59:56সালফিউরিক এসিডের সংকেত হচ্ছে এইচ2 এসo4
- 1:00:01এইখানে
- 1:00:04দুইটা হাইড্রোজেন আছে। সালফার একটা আছে।
- 1:00:09অক্সিজেন চারটা আছে। সমান সমান কয়টা আছে?
- 1:00:13সাতটা আছে। পরমাণু এখানে পরমাণুর সংখ্যা
- 1:00:17সাতটা। তোমাদের পরীক্ষায় এত সহজ যদি নাও
- 1:00:21দেয় তখন কি দিতে পারে? যদি ধরি বলে
- 1:00:24অ্যালুমিনিয়াম ফসফেট বা অ্যালুমিনিয়াম
- 1:00:26সালফেট অণুসংখ্যা কত? আচ্ছা সেক্ষেত্রে
- 1:00:29একটু কনসেপচুয়ালি একটু ঠান্ডা মাথায়
- 1:00:31ভাবো। অ্যালুমিনিয়াম সালফেট। তাহলে সংকেত
- 1:00:34হচ্ছে অ্যালুমিনিয়াম
- 1:00:37সালফেট। অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী হইল
- 1:00:40অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী তিন। সালফেটের
- 1:00:43যোজনী দুই। যদি তাই হয় তাই হয় তাহলে এই
- 1:00:48দুই এখানে আর এই তিন এখানে। তাহলে এইটার
- 1:00:52নাম হচ্ছে এ2
- 1:00:55এও4 হোলথ।
- 1:00:58এখন এই যৌগে
- 1:01:01অ্যালুমিনিয়াম দুইটা
- 1:01:04এখন ঠান্ডা মাথায় ভাবো এটা কিন্তু গুণ
- 1:01:07আকারে নাই তাহলে সালফার তিনটা
- 1:01:11সালফার তিনটা অক্সিজেন আগেই ছিল চার তিন
- 1:01:15চারে 12 তাহলে অক্সিজেন হচ্ছে 12
- 1:01:20তাহলে অ্যালুমিনিয়াম সালফাইড যৌগে
- 1:01:23পরমাণুর সংখ্যা হচ্ছে 17 টা
- 1:01:29বুঝাতে পারছি আমি যদি বলি এখন গ্লুকোজের
- 1:01:32সংকেত কি গ্লুকোজ ঠান্ডা মাথায় বুঝো
- 1:01:36গ্লুকোজ
- 1:01:37এইটার সংকেত হচ্ছে সিক্স এইচটও
- 1:01:42সিক্স তাহলে কার্বন এইখানে ছয়টা
- 1:01:47হাইড্রোজেন 12 টা অক্সিজেন ছয়টা তাহলে
- 1:01:52এখানে টোটাল পরমাণু 24 টা
- 1:01:56পরমাণু 24 টা মোট পরমাণু মোট পরমাণু
- 1:02:04কয়টা 24 টা ইজি না
- 1:02:07সহজ না
- 1:02:10সহজ
- 1:02:13অ্যামোনিয়ার একটি অণুতে অ্যামোনিয়া এন
- 1:02:17এইচ3
- 1:02:19অন্ধের বাই কানাও জানে হাইড্রোজেন তিনটা
- 1:02:23নাইট্রোজেন একটা অবশ্যই
- 1:02:25এখানে আসার হচ্ছে চারটি।
- 1:02:29তোমাদের পরীক্ষায় এরকম প্রশ্ন আসলে তোমরা
- 1:02:31আনন্দে আসার করবা। আনন্দে এন্সার করবা।
- 1:02:35এখানে আরেকটা বিক্রিয়া আছে। এটা বিযোজন
- 1:02:37বিক্রিয়া। বিযোজন বিক্রিয়া। পটাশিয়াম
- 1:02:41ক্লোরেড। এটা অত্যন্ত দামি একটা বিক্রিয়া।
- 1:02:44হাসপাতালে ওই যে রোগীকে যখন অক্সিজেন দিতে
- 1:02:48হয় তখন তখন এটা মাথায় রাখতে হবে যে এটা
- 1:02:51হয়। যে পটাশিয়াম ক্লোরেডকে তাপ দিতে হয়।
- 1:02:53পটাশিয়াম ক্লোরেড কে তাপ দিলে এইদিকে
- 1:02:57উৎপন্ন হবে পটাশিয়াম ক্লোরাইড আর
- 1:02:59অক্সিজেন।
- 1:03:02এখন অক্সিজেন তো দুইটা এখানে তিনটা। জীবনে
- 1:03:04কোনদিন সমতাকরণ করা যাইতে গেলে এখানে
- 1:03:07অবশ্যই থ্রি দিতে হবে। তাহলে তিন দুগছয়
- 1:03:11হয়। তাহলে এখানে তিনটাকে ছয় বানাইতে
- 1:03:14গেলে অবশ্যই দুই দিতে হবে। আর দুই দিতে
- 1:03:16গেলে এখানে পটাশিয়াম ক্লোরাইড দুইটা
- 1:03:18লাগবে। তাহলে এ চিহ্নিত স্থানে উৎপন্ন
- 1:03:21গ্যাসটির তাহলে এই এ চিহ্নিত স্থানে
- 1:03:24উৎপন্ন গ্যাসটির পরমাণুর সংখ্যা অক্সিজেন
- 1:03:27হচ্ছে তিনটা অণু দুই পরমাণু দ্যাট ইজ
- 1:03:31সিক্স তাহলে এইটা হল ছয় এই যে প্রশ্ন
- 1:03:35এইভাবে হবে যে এই এ হচ্ছে একটা গ্যাস এন্ড
- 1:03:40দ্যাট গ্যাস ইস অক্সিজেন
- 1:03:43তিন মোলতন
- 1:03:45ইদ সমানছয়
- 1:03:49এবং এই জিনিস পারা অনেক সহজ।
- 1:03:53অনেক সহজ।
- 1:03:56দহন বিক্রিয়া। দহন। এই শব্দটার ইংলিশ
- 1:04:01হচ্ছে কম্বাসন।
- 1:04:05কম্বাশন শব্দের মানে হচ্ছে পুড়িয়ে ফেলা।
- 1:04:08পুড়িয়ে ফেলা। যখন কোন কিছুকে পুড়ানো হয়
- 1:04:14যেকোন কিছু। সে ফর এক্সাম্পল তো একটা
- 1:04:17সিম্পল জিনিস চিন্তা করো। কার্বনের সাথে
- 1:04:20অক্সিজেন বিক্রিয়া করে কি হয়? কার্বন
- 1:04:22ডাই অক্সাইড।
- 1:04:25কার্বন ডাই অক্সাইড। সালফারের সাথে
- 1:04:27অক্সিজেন বিক্রিয়া করে কি হয়? সালফার
- 1:04:31ডাই অক্সাইড। ফসফরাসের সাথে অক্সিজেন
- 1:04:36বিক্রিয়া করে কি হয়? ফসফরাস
- 1:04:39পেন্টাঅক্সাইড।
- 1:04:41ফসফরাস পেন্টা অক্সাইড। পিটওফ
- 1:04:45এখন পিটওফ যে লিখলাম তাতেও তো সমান হয়
- 1:04:48নাই তাহলে অবশ্যই সমতাকরণ করার জন্য এখানে
- 1:04:51দিতে হবে টু পিটফ তাহলে দিস সুডবি ফর এন্ড
- 1:04:56দিস সুডবি ফাই
- 1:04:58পটফ
- 1:05:00এখন আমি যদি ম্যাগনেশিয়ামকে পড়াই
- 1:05:04ম্যাগনেশিয়ামকে
- 1:05:06পড়াই তাহলে এখানে উৎপন্ন হবে
- 1:05:09ম্যাগনেশিয়াম
- 1:05:10অক্সাইড
- 1:05:12এখানে যত কিছু করানো হচ্ছে সব জায়গায়
- 1:05:15অক্সিজেন আছে না তার মানে যেকোন কিছুকে
- 1:05:18পোড়ানো অর্থাৎ আগুনের উপস্থিতিতে পড়ানো
- 1:05:21মানে অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া তাহলে
- 1:05:23যেকোন পোড়ানো পোড়ানো হ্যা পুড়িয়ে ফেলা
- 1:05:28পোড়ানো
- 1:05:29এইটার মানে হচ্ছে দহন এবং দহন মানে
- 1:05:34অক্সিজেন যুক্ত
- 1:05:39হওয়া
- 1:05:40অক্সিজেন যুক্ত হওয়া
- 1:05:42ইজি
- 1:05:45বহুনির্বাচনীর প্রশ্ন গাড়ো ধুষর বর্ণের
- 1:05:48হঠাৎ করে স্যার কোত থেকে ধুষর বর্ণের
- 1:05:50পদার্থ আসলো এটা কোথায়? আচ্ছা এই যে ধুষর
- 1:05:54বর্ণটা এটা তোমাদের বইয়ে ফেরাস সালফেটের
- 1:05:57ক্ষেত্রে লেখা আছে। এখানে আমি যত কথা বলছি
- 1:06:00তোমরা ঠান্ডা মাথায় যারা বুঝছো একটু যদি
- 1:06:02ঠান্ডা মাথায় একটু রিভিশন দাও ক্লিয়ার
- 1:06:04হবে। দেখো এখানে লেখা আছে বস্তুটি থেকে
- 1:06:07গেল সেটা ধুষর বর্ণের।
- 1:06:10একটু রিডিং দিও। এই যে ধুষার বর্ণের
- 1:06:12পদার্থ হচ্ছে ফেরাস সালফাইড।
- 1:06:17এখন প্রশ্ন যদি হয় যে সালফারের কালার
- 1:06:20কেমন? তাহলে সালফারের কালার হচ্ছে হলুদ
- 1:06:22রঙের। তোমরা এই লাইনগুলারে অবশ্যই পড়বা।
- 1:06:27তাহলে এখানে দূষর বর্ণের পদার্থ কি? দূষর
- 1:06:29বর্ণের পদার্থ হচ্ছে ফেরাস সালফেট।
- 1:06:33এককর্ডিং টু ইউর বুক।
- 1:06:36এই যে বিক্রিয়া জীবনভর
- 1:06:39কার্বন ডাইঅক্সাইড আর ক্যালসিয়াম
- 1:06:44হাইড্রোক্সাইড এর বিক্রিয়ায় আজীবন
- 1:06:47ক্যালসিয়াম কার্বোনেট হইছে আর পানি হইছে।
- 1:06:52ক্যালসিয়াম কার্বোনেট কি? চুনা পাথর।
- 1:06:54তাহলে এইখানে উৎপন্ন হবে ক্যালসিয়াম
- 1:06:56কার্বোনেট। এন্ড দ্যাটস কলড চুনা
- 1:07:02পাথর।
- 1:07:05এই যে বিক্রিয়া যে একটা মৌল আরেকটা মৌল
- 1:07:10বাট দিস ইস নট অক্সিজেন। এরা বিক্রিয়া
- 1:07:12করে একটা যৌগ উৎপন্ন হয়েছে জিংক সালফাইড।
- 1:07:15এটা নিশ্চিতভাবে সংযোজন বিক্রিয়া।
- 1:07:19বিয়োজন বিক্রিয়া হচ্ছে ভাঙ্গন
- 1:07:21বিক্রিয়া। অর্থাৎ এই বিক্রিয়াটা হচ্ছে
- 1:07:24এরকম চার ভেঙ্গে দুই আর দুই হইছে।
- 1:07:30প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। এটা হচ্ছে
- 1:07:32প্রতিস্থাপন মানে হচ্ছে এক্সচেঞ্জ। অর্থাৎ
- 1:07:35একটার জায়গায় আরেকটাকে সরায় দিতে হবে।
- 1:07:37দহন মানে হচ্ছে পোড়ানো। পোড়ানো।
- 1:07:41দহন এই শব্দটার মানে পোড়ানো।
- 1:07:46চুনের পানিতে তো চুনের পানি। চুন যদি
- 1:07:51পানির সাথে বিক্রিয়া করে তাইলে আমরা ওকে
- 1:07:55ভালোবেসে চুনের পানি বলি। তাই না? চুনের
- 1:08:00পানি বলি। চুন এই সংকেত হচ্ছে ক্যালসিয়াম
- 1:08:03অক্সাইড। পানির সাথে বিক্রিয়া করার পর
- 1:08:08এইটা হচ্ছে চুনের পানি ক্যালসিয়াম
- 1:08:11হাইড্রোক্সাইড
- 1:08:12এবং এই চুনের পানিতে ক্যালসিয়াম
- 1:08:16হাইড্রোক্সাইডে একটু আগে পড়লাম কার্বন
- 1:08:19ডাইঅক্সাইড চালাইলে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
- 1:08:23হয় আর পানি হয়। তা একটু আগে আমি যেটা
- 1:08:27পড়ছি ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
- 1:08:30এই বিক্রিয়া না পারার কোন রিজন নাই। কোন
- 1:08:33রিজন নাই। তো চুনের পানি এবং কার্বন
- 1:08:36ডাইঅক্সাইডের বিক্রিয়ায় অবশ্যই চুনের
- 1:08:39চুনা পাথর উৎপন্ন হবে। চুনের পানি ঘোলা
- 1:08:42হবে। ক্যালসিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন হয় না।
- 1:08:47কারণ চুনের পানিটাই হচ্ছে ক্যালসিয়াম
- 1:08:53হাইড্রোক্সাইড। এটার সাথে কার্বন
- 1:08:56ডাইঅক্সাইডের বিক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম
- 1:08:59কার্বোনেট হবে
- 1:09:01আর পানি হবে। তাহলে এক আর দুই হবে রাইট
- 1:09:04আন্সার এক আর দুই রাইট আন্সার এক আর দুই
- 1:09:10এটা কি বিক্রিয়া প্রতিস্থাপন এটাকে বলা হয়
- 1:09:13রিপ্লেসমেন্ট মানে কেমন যেমন ধর জিংক বা
- 1:09:18দস্তা ও সিম্পলি
- 1:09:21সালফিউরিক এসিডের সাথে যদি বিক্রিয়া করে
- 1:09:24তোমাদের বইয়ে আছে জিংক হাইড্রোজেনটাকে
- 1:09:28সরাইয়া ফেলতে পারে। এই যে হাইড্রোজেন
- 1:09:32এই হাইড্রোজেনটাকে সরায় ফেলবে। ফেলে ও এই
- 1:09:36জায়গাটা দখল করে এখানে উৎপন্ন করবে জিংক
- 1:09:41সালফেট
- 1:09:42প্লাস হাইড্রোজেন। এইযে এখানে উৎপন্ন করল
- 1:09:45না জিংক সালফেট। এইটা হচ্ছে একটা লবণ।
- 1:09:51তাহলে কি করলো? এখানে কি হইছে? এখানে
- 1:09:54হচ্ছে জিংক
- 1:09:56হাইড্রোজেনকে
- 1:09:58সরিয়ে দিয়েছে।
- 1:10:01সরিয়ে দিয়েছে।
- 1:10:04যদি সরিয়ে দেয় সরিয়ে দিতে পারে এটার নাম
- 1:10:08প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। আবার সেইম সেম
- 1:10:10আরেকটা রিএকশন আছে এরকম। জিংক যদি কপার
- 1:10:15সালফেটেরর সাথে বিক্রিয়া করে তাহলে জিংক
- 1:10:19কপার কেও সরিয়ে দিতে পারে।
- 1:10:22এটা প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। কেন? এটার কারণ
- 1:10:25হচ্ছে জিংক
- 1:10:29কপারের চেয়ে কপারের চেয়ে শক্তিশালী
- 1:10:37শক্তিশালী
- 1:10:39জিংক কপারের চাইতে শক্তিশালী
- 1:10:42তাহলে পরীক্ষায় কেমন প্রশ্ন আসবে তাতে আগে
- 1:10:45আমি আসি বিয়োজন এই যে বিযোজন বিক্রিয়া
- 1:10:49এটার মানে হইল আমি কোন কিছু ভেঙ্গে ফেলব
- 1:10:52কোন যোগ যৌগ ভেঙ্গে
- 1:10:57কোন যৌগ ভেঙ্গে মৌল
- 1:11:02বা যৌগ সৃষ্টি করা যৌগ
- 1:11:07উৎপন্ন হওয়া
- 1:11:11এটার নাম হচ্ছে বিয়োজন বিক্রিয়া। যেমন
- 1:11:13স্যার একটু আগে যে বিক্রিয়াটা দেখাইলাম
- 1:11:17সেটা হচ্ছে কে সিও3 পটাশিয়াম ক্লোরেড। এই
- 1:11:23পটাশিয়াম ক্লোরাইড ভাইঙ্গা পটাশিয়াম
- 1:11:26ক্লোরাইড আর অক্সিজেন হয়। সমতা করলাম না।
- 1:11:30এইটা হচ্ছে বিক্রিয়া। আবার ক্যালসিয়াম
- 1:11:35কার্বোনেট ওকে যদি আমি একটু তাপ দেই তাইলে
- 1:11:39ও ক্যালসিয়াম অক্সাইড আর কার্বন
- 1:11:43ডাইঅক্সাইড হবে। এটা একটা বিক্রিয়া। সো
- 1:11:46এই যে বিক্রিয়া
- 1:11:49এই বিক্রিয়ায়
- 1:11:51এই বিক্রিয়ায় যৌগ এই যে যৌগ
- 1:11:57এই যৌগ ভেঙে গেল। যৌগ
- 1:12:02ভেঙ্গে যৌগ ভেঙ্গে কি উৎপন্ন হইলো? মৌল
- 1:12:05উৎপন্ন হইল।
- 1:12:08মৌল বা যৌগ উৎপন্ন হইল। কেমনে? কারণ এই
- 1:12:12অক্সিজেনটা হচ্ছে মৌল। এটাও যৌগ এইটাও যৌগ
- 1:12:16কিন্তু অক্সিজেনটা মৌল সুতরাং একটা যৌগ
- 1:12:19ভেঙ্গে যদি মৌল বা যৌগ হয় তার নাম
- 1:12:21বিয়োজন বিক্রিয়া
- 1:12:24স্যার এক্সাম্পল কি এ কি স্যার সালফারের
- 1:12:27দহনের ফলে সালফার এটা যে তোমাদের বইয়ের
- 1:12:31মধ্যে আছে এই যে দহন বিক্রিয়া দহন
- 1:12:34বিক্রিয়া সালফার ডাইঅক্সাইড দেখো
- 1:12:39প্রথমে সালফার গুলে গেল এইযে নীল আগুনের
- 1:12:42শিখা দেখতে পাচ্ছ
- 1:12:44এবং ঝাঝালো গন্ধ পেয়েছে। কারণ তাপ
- 1:12:48দেওয়ার ফলে সালফার বাতাসে অক্সিজেন সাথে
- 1:12:50বিক্রিয়া করে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস
- 1:12:51উৎপন্ন করছে। এই যে সালফার ডাইঅক্সাইড
- 1:12:54গ্যাস উৎপন্ন করল। এটা একটা দহন
- 1:12:56বিক্রিয়া। আর এই যে দহন বিক্রিয়া আগুনের
- 1:12:59শিখা এটা হচ্ছে এইযে নীল।
- 1:13:03নীল। পরীক্ষায় এই ধরনের এমসিকিউই লুকিয়ে
- 1:13:07লুকিয়ে থাকে এবং আসে। তোমরা পারলে পারবা।
- 1:13:10নিচের কোনটি দহন বিক্রিয়া? অবশ্যই অবশ্যই
- 1:13:14এটা না এই বিক্রিয়াটা হচ্ছে বিয়োজন
- 1:13:17বিক্রিয়া।
- 1:13:19এই বিক্রিয়াটা হচ্ছে
- 1:13:22সংযোজন বিক্রিয়া। দুইটা মিলে একটা হইছে।
- 1:13:26কেবলমাত্র এই বিক্রিয়াটা হচ্ছে দহন
- 1:13:29বিক্রিয়া। আর এইযে এইটা এইটা হচ্ছে
- 1:13:34প্রতিস্থাপন
- 1:13:36বিক্রিয়া।
- 1:13:38প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।
- 1:13:41ম্যাগনেশিয়াম প্লাস অক্সিজেন
- 1:13:43ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড এটা কি প্রতিস্থাপন
- 1:13:45বিক্রিয়া কোনদিনও না ম্যাগনেশিয়াম
- 1:13:47অক্সিজেন যুক্ত হয়ে এটা কি বিয়োজন হবে
- 1:13:49জীবনেও না অক্সিজেন যুক্ত হচ্ছে তাহলে এটা
- 1:13:52দহন বিক্রিয়া তাহলে রাইট আনসার অবশ্যই
- 1:13:55দহন হবে
- 1:13:59সালফার অক্সিজেন বিক্রিয়া করে সালফার
- 1:14:01ডাইঅক্সাইড হচ্ছে এই বিক্রিয়াটি কোন
- 1:14:04ধরনের এখ এটা অবশ্যই দহন বিক্রিয়া এবং
- 1:14:07এটাকে সংযোজন বলা যাবে
- 1:14:11এক্স যৌগটি তাইলে এই যে যৌগ এক্স তাইলে
- 1:14:16এটা সালফার ডাইঅক্সাইড একটু আগে আমরা
- 1:14:18পড়লাম না যেটা ঝাজালো গন্ধ বিশিষ্ট
- 1:14:22এবং সালফার অক্সিজেনের প্রত্যক্ষ সংযোগে
- 1:14:25প্রত্যক্ষ এই শব্দটার মানে হইল সরাসরি
- 1:14:31এখানে রাইট আন্সার কি কি হবেসার হবে দুই
- 1:14:34তিন একদম সহজ কোন টেনশন নাই
- 1:14:39রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ শক্তি
- 1:14:41রূপান্তর। এটা কেমন স্যার বিষয়টা?
- 1:14:44বিষয়টা হইলো আমি যখন চুনের সাথে
- 1:14:49স্যার পানি দেই
- 1:14:52তখন এইখানে
- 1:14:56চুনের পানি উৎপন্ন হয়। চুনের সাথে পানি
- 1:14:59দিলে
- 1:15:04এইটার নাম হল চুনের পানি। চুনের পানি এটা
- 1:15:08হচ্ছে এমন বিক্রিয়া যেই বিক্রিয়ায় এটার
- 1:15:11সাথে সাথে তাপ উৎপন্ন হবে। তাপ কিছু
- 1:15:16বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয়। কিছু
- 1:15:18বিক্রিয়ায় তাপ কমে যায়। তাপ শোষিত
- 1:15:21হয়।যে তাপ শক্তির রূপান্তর এটা তোমরা
- 1:15:23পরবর্তীতে জানতে পারবা। বিক্রিয়াকে
- 1:15:27বিক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
- 1:15:30একটা হচ্ছে কিছু বিক্রিয়ায় পরিবেশ গরম
- 1:15:33হয়। তাপ উৎপাদী
- 1:15:36আর কিছু বিক্রিয়ায় পরিবেশটা ঠান্ডা হয়।
- 1:15:39এটা হচ্ছে তাপহারী।
- 1:15:41তাপোৎপাদী আর তাপহারী। তো এখানে
- 1:15:44ক্যালসিয়াম অক্সাইড আর পানি বিক্রিয়া
- 1:15:49করে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড হচ্ছে কল
- 1:15:51চুনের পানি।যে চুনের পানি বিক্রিয়া করল
- 1:15:54যে তাপ উৎপন্ন হইল। এরকম আরো ঘটনা হচ্ছে
- 1:15:58প্রসমন বিক্রিয়ায়।
- 1:16:00প্রশমন বিক্রিয়ায়। প্রসমন বিক্রিয়া।
- 1:16:04কেন? প্রসমন বিক্রিয়ায় কাহিনীটা হচ্ছে
- 1:16:09অম্ল আর ক্ষারক বিক্রিয়া করে
- 1:16:15লবণ
- 1:16:16আর পানি উৎপন্ন করে। তো অম্ল একটা
- 1:16:19এক্সাম্পল দেই। মনে করেন স্যার সালফিউরিক
- 1:16:23এসিডেরর সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
- 1:16:26বিক্রিয়া করল।
- 1:16:28তাহলে এই সোডিয়ামটা সালফেটের সাথে যুক্ত
- 1:16:31হইয়া এ2 এo4 আর দুই অনু পানি হবে। স্যার
- 1:16:36কেন? কারণ এখানে দুই হবে। এখানেও তাপ
- 1:16:40উৎপন্ন হবে। তোমরা সামনে পড়তে গেলে দেখতে
- 1:16:43পাবা যে এই ডল এইচ এর মান হচ্ছে মাইনাসফ7
- 1:16:48প.3 কিলোজ পার মোল। কিলোজ
- 1:16:53পার মোল। আস্তে আস্তে এটা জানবা তোমরা।
- 1:16:56আস্তে আস্তে জানবা।
- 1:16:58ঠিক আছে আস্তে আস্তে 57.3 কিলোজ পার মোল।
- 1:17:03এই যে বিক্রিয়া হইলো, এই বিক্রিয়া কিসের
- 1:17:06পরিবর্তন হলো? তাপশক্তির পরিবর্তন। একটা
- 1:17:09এক্সাম্পল দেই। তোমরা তোমাদের বইয়ের মধ্যে
- 1:17:11এখানে দেখবা
- 1:17:14লেখা আছে ম্যাগনেশিয়ামকে আমি পড়াইছি।
- 1:17:16কিন্তু ম্যাগনেশিয়াম আসলে একটা ফিতা।
- 1:17:17ফিতা।
- 1:17:19ফিতা। মাথায় রাখবা যে ম্যাগনেশিয়াম একটা
- 1:17:22ফিতা। ম্যাগনেশিয়াম রিবন কোন এক জায়গায়
- 1:17:24লেখা আছে। রিবনটা ফিতার মত। এখানে
- 1:17:27প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার একটা কিছু
- 1:17:29এক্সাম্পল দিছে। খুবই সহজ। এটা একটু মাথায়
- 1:17:32রেখো। এমসিকিউতে তোমাদের বৃত্তি পরীক্ষায়
- 1:17:34আসতে পারে। ফেরাস সালফেটের রং হালকা সবুজ।
- 1:17:38এই যে এইটার রং এটার রং কি? সবুজ।
- 1:17:42পরীক্ষায় আসবেই।
- 1:17:45আসবেই। সবুজ।
- 1:17:49তারপর দেখো এখানে লেখা আছে না অনেক কথা।
- 1:17:53অনেক কথা। এই যে ক্যালসিয়াম অক্সাইড,
- 1:17:55ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড সবকিছু এতক্ষণ
- 1:17:57যা বলছি সব লেখা আছে। এইগুলারে একবার
- 1:18:00রিডিং দিও। ঠান্ডা মাথায় বুঝে রিডিং দিও।
- 1:18:03বুঝে
- 1:18:05যেমন এটা এক্সাম্পল আছে সেটা হচ্ছেযে
- 1:18:07বেকিং সোডা। এটার সংকেত সোডিয়াম
- 1:18:10কার্বোনেট। আস্তে আস্তে পড়বা তোমরা।
- 1:18:13বেকিং সোডা। এটার একটু সেভ করি। নাইলে ও
- 1:18:15হচ্ছে হঠাৎ করে বলবে যে আমি নাই।
- 1:18:19জুনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম সাইন্সের
- 1:18:21ক্লাস এইট বুক। ওকে এটা একটু সেভ দিয়ে
- 1:18:24রাখলাম। সাইট্রিক এসিড এটা লেবুতে থাকে।
- 1:18:28পরীক্ষায় আসবেই আসবে।
- 1:18:32আসবেই আসবে। পরে দেখ একবার রিডিং পরে
- 1:18:35দেখো। এইযে এসিটিক এসিড। এটার সংকেত CH3
- 1:18:38সিডবলচ। এটা একটা জৈব এসিড। দুইটা
- 1:18:41কার্বনের যৌগ এসিড এবং ইটস কলড ক্যালসিয়াম
- 1:18:44অ্যাসিটেট।
- 1:18:46ক্যালসিয়াম অসিটেট।
- 1:18:49এইবার খুকু চোখ খুলল।
- 1:18:53এখানে একটা মজার ব্যাপার আছে। কষনো ভুলো
- 1:18:56না। কষনো ভুলো না। সেটা হইলো
- 1:19:01ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড যে উৎপন্ন হয়
- 1:19:03এটা স্ল্যাকেড লাইম নামে পরিচিত।
- 1:19:06দ্বিতীয়ত হচ্ছে স্ল্যাকেড লাইমেরই আরেক
- 1:19:09নাম ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড। মোস্ট
- 1:19:11ইম্পর্টেন্টলি ক্যালসিয়াম
- 1:19:13হাইড্রোক্সাইডের সম্পৃক্ত দ্রবণকে চুনের
- 1:19:15পানি বলা হয়। চুনের পানি বা লাইম
- 1:19:17ওয়াটার। চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার।
- 1:19:21পরীক্ষায় আসবে।
- 1:19:23এরপরে ব্যাটারি শুষ্ক কোষ
- 1:19:27এই শুষ্ক কোষের কনসেপ্টটা কি? এই শুষ্ক
- 1:19:30কোষ হচ্ছে ইলেকট্রন পাস করে। ইলেকট্রন
- 1:19:34ব্যাটারি ইলেকট্রন পাস করে। এবং এইটার
- 1:19:37এক্সাম্পলটা এখানে আসবে যে ওই ইলেকট্রন বা
- 1:19:41ওই ইলেকট্রিসিটির সাহায্যে যৌগকে ভেঙে
- 1:19:43ফেলা যায়। এটাকে বলা হয় তড়িৎ বিশ্লেষণ।
- 1:19:47কি বলে? তড়িৎ বিশ্লেষণ। এই দুইটা জিনিস
- 1:19:50পড়াবো এখন আমি। তো তোমরা একটু দেখো
- 1:19:53বিক্রিয়ার আগে প্রশ্ন কেমনে আসে। লোহা
- 1:19:55প্লাস তুতে এইযে এ প্লাস তামা তো লোহা
- 1:20:00হচ্ছে এইটা প্লাস তুতে হচ্ছে কপার সালফেট।
- 1:20:05এই যে বিক্রিয়া করে ফেরাস সালফেট আর
- 1:20:10কপার। এটা যে হইল একটু আগে আমি বললাম না
- 1:20:13ফেরাস সালফেট। এটা কেমন কালার? সবুজ
- 1:20:15কালার। এই যে সংকেতটা হচ্ছে এটা ফেরাস
- 1:20:18সালফেট হবে।
- 1:20:20এরকম প্রশ্ন আসবে। কপার সালফেটের সংকেত
- 1:20:24পৃথিবীর সবাই জানে। এই হচ্ছে কপার
- 1:20:26সালফেটের সংকেত। এটার নাম হচ্ছে কিউপ্রিক
- 1:20:30অক্সাইড।
- 1:20:36কিউপ্রিক অক্সাইড। এটার নাম হচ্ছে
- 1:20:40কিউপ্রিক
- 1:20:43কার্বোনেট।
- 1:20:48কিউপ্রিক কার্বোনেট এটা কি জানি একমাত্র
- 1:20:51আল্লাহ মাবুদ জানে আচ্ছা যাই হোক এটাকে
- 1:20:54ভাঙলাম তো ভাঙ্গা জিনিস যেটা ভাঙ্গে
- 1:20:56যাচ্ছে এটা বিয়োজন বিক্রিয়া ক্যালসিয়াম
- 1:21:00কার্বনকে তাপ দিচ্ছি না ভেঙ্গে যাচ্ছে
- 1:21:02বিয়োজন বিক্রিয়া চুনের পানির সংকেত
- 1:21:04পৃথিবীর সবাই জানে এইটা
- 1:21:07কোনটি কুইক লাইম নামে পরিচিত এইযে একটু
- 1:21:10আগে দাগাইছি একটু আগে কই জানি কই এইযে
- 1:21:12দাগাইছি এইযে কুইক লাইম চুনের পানি লাইম
- 1:21:15ওয়াটার স্লেকেড লাইম নামে পরিচিত। ও আচ্ছা
- 1:21:17এখানে কুইক লাইমটা নাই তাই না?
- 1:21:21লাইম যখনই আমি লাইমের কথা বলবো তার মানে
- 1:21:23এটা ক্যালসিয়ামই হবে। ক্যালসিয়াম। সো
- 1:21:26রিমেম্বার
- 1:21:28এবার আসি
- 1:21:31শুষ্ক কোষ। কেন এটাকে ড্রাই সেল বলে?
- 1:21:34এটাকে ড্রাই সেল কেন বলে? ভাবো। একটা
- 1:21:38দস্তা একটা দস্তার
- 1:21:41চোংের মাঝে
- 1:21:44দস্তার চোংের মাঝে একটা
- 1:21:48একটা কার্বন দন্ডকে এমনভাবে দিতে হবে যে
- 1:21:53কার্বন দন্ডটা স্পর্শ না করে স্পর্শ না
- 1:21:57করে কার্বন দন্ডটা স্পর্শ করবে না এই
- 1:22:00হচ্ছে কার্বন দন্ড দেওয়ার পর এটা চারপাশে
- 1:22:06এ চারপাশে লেই দিতে হবে পেস্ট পেস্ট আছে
- 1:22:09না পেস্ট দিতে হবে পেস্ট কিসের পেস্ট এই
- 1:22:12যে লাই লেই বা পেস্ট দিতে হবে এটা কিসের
- 1:22:16পেস্ট একটু আগে বলতেছি একটু বলি এটা কিসের
- 1:22:19পেস্ট দিতে হবে দেয়ার পরে একটু এখান
- 1:22:23থেকেই দেখাই এখান থেকেই দেখাই দেখ
- 1:22:27এখানে পেস্ট দিতে হবে অ্যামোনিয়াম
- 1:22:30ক্লোরাইডের
- 1:22:32অমোনিয়াম ক্লোরাইডের
- 1:22:34পেস্ট কয়লার গুড়া ওমা এটা মনে হয় গেছে না
- 1:22:38গেছে আছে কয়লার গুড়া এবং ম্যাঙ্গানিজ
- 1:22:41ডাইঅক্সাইড
- 1:22:43তিনটা জিনিস অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
- 1:22:47কার্বনের গুড়া আর ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড
- 1:22:50ভালোভাবে মিশিয়ে যদি এটা এমন করে দেখাচ্ছি
- 1:22:52মনে হচ্ছে ঝালমুড়ি মাখাচ্ছি বিষয়টা এরকম
- 1:22:54না ভালোভাবে মিশিয়ে অল্প পরিমাণ পানি দিতে
- 1:22:57হবে পানি
- 1:22:59এই যে লেই বানাইলা এই মিশ্রণটিকে
- 1:23:02সিলিন্ডার আকৃতির ওইযে ওই জায়গাটার মধ্যে
- 1:23:04ঢুকা
- 1:23:05উপরে ধাতব টুপি দিয়ে একটা কার্বন দন্ড
- 1:23:08দিয়ে দিতে হবে। এটা কি টুপি পড়ানো হয়?
- 1:23:11ধাতব টুপি পড়ানো হয় কার্বন দন্ডের
- 1:23:14মাথায়। তখন বিক্রিয়াটা হয়। এই যে
- 1:23:18বিক্রিয়া হয় যে এটা এখানে দেও না। এটা
- 1:23:21ক্লাস টেন এর বইয়ে আছে। তোমরা সামনে পাবা
- 1:23:24এখানে দেখো একটা লাইন লেখা আছে দস্তার
- 1:23:27চোংটি একটি শক্ত কাগজ দিয়ে ঘিরে দেওয়া
- 1:23:30হয়। খেলাটা হচ্ছে দস্তার চোং ঋণাত্মক
- 1:23:34তড়িৎদ্বার বা অানোড আর কার্বন দন্ডের
- 1:23:38উপরিভাগ ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড
- 1:23:40হিসেবে কাজ করে কিভাবে এটা অানোড কি আর
- 1:23:44ক্যাথোড কি এটা একটু ফিল করো আগে
- 1:23:48এই দস্তার চোং থেকে
- 1:23:51ইলেকট্রনগুলা এই কার্বন দন্ডের মাঝে যাইতে
- 1:23:56থাকে এখানে একটা বিক্রিয়া হয় বিক্রিয়া
- 1:23:59অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড ম্যাঙ্গানিজ
- 1:24:01ডাইঅক্সাইডের বিক্রিয়া ইলেকট্রনটা উৎপন্ন
- 1:24:03হয়। সেই ইলেকট্রন এইযে এখানে দেখো ছবিটার
- 1:24:06দিকে তাকাও। এই যে দস্ততার পাত্র আছে না
- 1:24:09দেখো এই দস্তার পাত্রে
- 1:24:13মাইনাস দেওয়া আছে। কারণ এটা অানোড।
- 1:24:16দস্ততার যে চোং এটা অানোড। ঋণাত্মক
- 1:24:19প্রান্ত। আরেকটা জিনিস খেয়াল করো যেটা
- 1:24:21ধাতব ত্রুপি এটা ক্যাথোড আকারে বা ক্যাথোড
- 1:24:25হিসেবে যে কাজ করে এজন্য প্লাস হিসেবে
- 1:24:27আছে। তার মানে হইল এই প্রান্তটা নেগেটিভ।
- 1:24:32এই প্রান্তটা পজিটিভ। কারণ ও হচ্ছে
- 1:24:34ইলেকট্রন ক্যারি করতেছে। ইলেকট্রন ক্যারি
- 1:24:37করতেছে। ইলেকট্রন ক্যারি করে। এবং এই
- 1:24:41ইলেকট্রন যখন ক্যারি হয়, ইলেকট্রন যখন বহন
- 1:24:45করে তখন ও হচ্ছে উৎপাদক বা ইলেকট্রন
- 1:24:48পরিবহন হিসেবে কাজ করে। তাহলে মাথায় রাখতে
- 1:24:51হবে এইটা হচ্ছে জিংক।
- 1:24:56জিংকের কি আবরণ?
- 1:25:01এইটা হচ্ছে
- 1:25:03কার্বন দন্ড।
- 1:25:05কি দন্ড? কার্বন দন্ড।
- 1:25:12আর এই যে এটা হচ্ছে ধনাত্মক প্রান্ত। এটা
- 1:25:16ঋণাত্মক প্রান্ত। তাহলে
- 1:25:21এইটা হচ্ছে ধনাত্মক প্রান্ত
- 1:25:29ঋণাত্মক
- 1:25:31প্রান্তটা অানোড আর এটা ক্যাথোড অানোড
- 1:25:34ক্যাথোড কি এখানে মাথায় রাখবা এখানে
- 1:25:37ইলেকট্রন বহন করতেছে এই যে দস্তাদ
- 1:25:43দস্তা এই দস্তা
- 1:25:47জিংক টু প্লাস আয়ন হয়ে ও হচ্ছে দুইটা
- 1:25:52ইলেকট্রন দিয়ে দিচ্ছে।
- 1:25:54এই দুইটা ইলেকট্রন ওইখানে এটা তোমরা আচ্ছা
- 1:26:01অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
- 1:26:04ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড
- 1:26:08এবং এই দুইটা ইলেকট্রন ক্যারি হয়ে এখানে
- 1:26:12দুই অণু অ্যামোনিয়া
- 1:26:15ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড
- 1:26:19এম এনটও3 প্লাস পানি উৎপন্ন হচ্ছে। এ
- 1:26:24বিক্রিয়াটা এমনি লিখে দিলাম। দরকার নাই।
- 1:26:26জিংক বা দস্তা এই যে ইলেকট্রন প্রডিউস
- 1:26:30করতেছে এই ইলেকট্রন টুকটুক করে করে করে
- 1:26:33করে এই কার্বনের মাধ্যমে আমরা ব্যাটারি
- 1:26:36যখন কোন একটা জায়গায় বসাই তখন ব্যাটারি
- 1:26:38ইলেকট্রিসিটি প্রডিউস করে যেন বিদ্যুৎ
- 1:26:41পরিবহন হয়। যেন বিদ্যুৎ পরিবহন হয়। ঠিক এই
- 1:26:45গল্পটাই যখন আমি এইখানে নিয়ে আসবো এটার
- 1:26:48নাম হচ্ছে তড়িৎ বিশ্লেষণ এবং এটার সহজ
- 1:26:52বাংলা হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিবহনের মাধ্যমে বা
- 1:26:56বিদ্যুৎ প্রবাহের
- 1:26:59মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে তরলের
- 1:27:05বা দ্রবণের বিশ্লেষণ
- 1:27:08মাধ্যমে
- 1:27:10দ্রবণের
- 1:27:14বিশ্লেষণ
- 1:27:16দ্রবণের বিশ্লেষণ তার মানে খেলাটা হইলো
- 1:27:20এখানে এই যে হইলো যেহ
- 1:27:26আচ্ছা
- 1:27:28এই হইলো কেমনে বুঝাই এমনে না
- 1:27:34তোমাদেরকে আচ্ছা এখানেই বুঝাই
- 1:27:39ওকে
- 1:27:41ওকে ওকে
- 1:27:44তারপরে এইটা
- 1:27:53ওকে তারপর হচ্ছে
- 1:27:57এখানে ধরো একটা লিকুইড আছে। আমি এটাকে
- 1:28:00দিয়ে একটু তরল অবস্থা বোঝানোর চেষ্টা
- 1:28:02করলাম। তরল অবস্থা। তো
- 1:28:06ধরো এটা হচ্ছে একটা ধনাত্মক অংশ।
- 1:28:11এই যে আর এইটা হল একটা ঋণাত্মক অংশ। এটা
- 1:28:15কিভাবে বুঝলেন স্যার? বুঝলাম হচ্ছে
- 1:28:18ওকে যদি
- 1:28:25ওকে যদি এইভাবে যুক্ত করা হয় প্লাস
- 1:28:30মাইনাস প্লাস মাইনাস। এটা ব্যাটারির একটা
- 1:28:33চিত্র। এটা হচ্ছে পজিটিভ অংশ। এটা
- 1:28:36নেগেটিভ। তাইলে ও যখন এখানে এসে যুক্ত হবে
- 1:28:45তাইলে এই পজিটিভ অংশের সাথে যুক্ত যে
- 1:28:48অংশটা এইটার নাম হচ্ছে অানোড
- 1:28:54আর নেগেটিভ অংশের সাথে যুক্ত যেটা এইটার
- 1:28:57নাম হচ্ছে ক্যাথোডতো
- 1:29:01ক্যাথোডে ক্যাটায়ন আকৃষ্ট হবে এখন আবার
- 1:29:03ক্যাটায়ন কি জিনিস একটা সিম্পল এক্সাম্পল
- 1:29:06দেই মনে মনে করো এইখানে তুমি লবণের পানি
- 1:29:09দিছো। মানে সোডিয়াম ক্লোরাইডের গাঢ়
- 1:29:11জলীয় দ্রবণ দিছো। তো সিম্পলি সোডিয়াম
- 1:29:14ক্লোরাইডটা কেমনে ভাঙবে? সোডিয়াম প্লাস
- 1:29:17আর ক্লোরিন মাইনাস। তো প্লাসটা যাবে
- 1:29:20মাইনাসের কাছে আর মাইনাসটা আসবে প্লাসের
- 1:29:23কাছে। আসার পরে এই যে ভাঙলো বিশ্লেষণ হইলো
- 1:29:28এটার নাম তড়িৎ বিশ্লেষণ। কোন কোন পদার্থ
- 1:29:31এরকম হয়? ঠান্ডা মাথায় বুঝে রেখো। তড়িৎ
- 1:29:36বিশ্লেষ্য।
- 1:29:39আরেকটা হচ্ছে
- 1:29:42তড়িৎ অবিশ্লেষ্য।
- 1:29:46যে সকল যৌগকে দ্রবীভূত করার পরে এভাবে
- 1:29:51বিদ্যুৎ সংযোগ করলে দ্রবণের মধ্যে
- 1:29:53আয়নগুলা ভাগ হয়ে যায় সেইগুলা পদার্থকে
- 1:29:56তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। আর যেগুলা ভাগ হয়
- 1:29:59না তার নাম তড়িৎ অবিশ্লেষ্য। তোমাদের
- 1:30:02বইয়ের মধ্যে একটা মজার ব্যাপার আছে। দেখো
- 1:30:04তড়িৎ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে এটা মাথায়
- 1:30:08রাখো একটু মাথায়। হ্যাঁ। এই যে এইযে এই
- 1:30:10জিনিসগুলা
- 1:30:12এই যে এখানে কে কি করবে? এখানে দেখো একটু
- 1:30:16জিনিস লেখা আছে। ভাব যে সমস্ত পদার্থ
- 1:30:20দ্রবীভূত বা বিগলিত অবস্থায় তড়িৎ পরিবহন
- 1:30:24করে এবং তড়িৎ প্রবাহের ফলে রাসায়নিক
- 1:30:26বিক্রিয়া অন্য পদার্থে পরিণত হয় তাদের
- 1:30:28তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। পরীক্ষায় আসবে আসবে
- 1:30:32আসবে।
- 1:30:34যে সকল পদার্থ রাসায়ন বিক্রিয়া করে না
- 1:30:36তাদেরকে তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। যেমন
- 1:30:39চিনি আর গ্লুকোজ কনফার্ম পরীক্ষায় আসবে।
- 1:30:43চিনি গ্লুকোজ। তাহলে স্যার এইখানে এমন কি
- 1:30:47হইলো?
- 1:30:52এইখানে এমন কি হইলো?
- 1:30:57আচ্ছা ঠান্ডা মাথা একটু বলি এখানে এমন
- 1:31:00হইলো কি সেটা হইলো এই যে সোডিয়াম প্লাস
- 1:31:05ওযে ক্যাথোডে গেল ক্যাথোডে গিয়ে স্যার
- 1:31:08একটা ইলেকট্রন রিসিভ করে রিসিভ কইরা
- 1:31:12সোডিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয় তাহলে এই যে
- 1:31:17স্যার সোডিয়াম ক্লোরাইড এটা যে স্যার
- 1:31:21ভাইঙ্গা গেল তাহলে ও ভাইঙ্গা একটা পজিটিভ
- 1:31:24আরেকটা নেগেটিভ আয় রুপান্তরিত হইল। এইজন্য
- 1:31:28এই পজেটিভ আয়নটাকে
- 1:31:31বলা হয় ক্যাটায়ন। আর এই নেগেটিভ আয়নটাকে
- 1:31:37বলা হয় এনায়ন। তো ক্যাটায়ন কোন দিকে যায়?
- 1:31:41ক্যাটায়ন ক্যাথোডে যায়।
- 1:31:46ক্যাটায়ন ক্যাথোডে যায়। আর এনায়ন অানোডে
- 1:31:51যায়।
- 1:31:54এনায়ন কই যায়? এানোডে
- 1:31:57মনে থাকবে ক্যাটায়ন ক্যাথোডে এনায়ন
- 1:32:00অানোডে। তোঅানোডে যখন যায় এটা কি
- 1:32:03ক্যাটায়ন? এখন এখানে কোথায় রিএকশনটা হবে?
- 1:32:07ক্যাথোডে রিএকশন হবে।
- 1:32:11আর অানোডে রিএকশন হবে কোনটা? এানোডে এনায়ন
- 1:32:15যাবে। এনায়নের চেহারা কোনটা? এই ক্লোরিন।
- 1:32:18ও গিয়া এখানে ইলেকট্রন দিয়ে দিবে। কিন্তু
- 1:32:22ক্লোরিন তো একা একা থাকে না। ক্লোরিন
- 1:32:23দ্বিপরমাণুক। তাহলে এই ক্লোরিন আরেকটা
- 1:32:27ক্লোরিনের সাথে রিএকশন করে cl2 হবে।
- 1:32:33তো ক্যাটায়ন যাবে ক্যাথোডে, এনায়ন যাবে
- 1:32:35এানোডে। এই হল এই চ্যাপ্টারটার বেসিক।
- 1:32:39এবং এই বেসিকের পরে যদি ঠান্ডা মাথায় একটু
- 1:32:43দেখো তোমরা।
- 1:32:45মনে করো
- 1:32:47একটা এক্সাম্পল চুন এসিটিক এসিড।
- 1:32:50ক্যালসিয়াম এসিডেট পানি চুন ক্যালসিয়াম
- 1:32:53অক্সাইড এসিড তার মানে এইটা চুন হইল
- 1:32:59ক্ষার এইটা হইল এসিড আজীবন এসিড আর ক্ষার
- 1:33:04বিক্রিয়া করে লবণ আর পানি হইছে এটা
- 1:33:09অবশ্যই এটা অবশ্যই এটা একটা প্রশমন
- 1:33:12বিক্রিয়া নিউট্রিলাইজেশন বিক্রিয়া
- 1:33:15নিউট্রালাইজেশন বিক্রিয়া এটা কি ড্রাই
- 1:33:19নিচের কোনটা ব্যবহৃত হয়? অবশ্যই
- 1:33:22অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড। শুষ্ক কোষ বিদ্যুৎ
- 1:33:25উৎপাদন করার জন্য। আচ্ছা নিচের কোনটি
- 1:33:28তড়িৎ অবিশ্লেষ্যক? কনফার্ম চিনি? চিনি
- 1:33:31এবং চিনির সংকেত হচ্ছে সিট
- 1:33:35এইচট
- 1:33:37ওলেন। এটা চিনির সংকেত।
- 1:33:42নিচের কোনটি তড়িৎ অবিশ্লেষ্য? সেইম। এই
- 1:33:45যে গ্লুকোজ। চিনি গ্লুকোজ। তো তোমরা জানো
- 1:33:48যে তোমাদের বইয়ে গ্লুকোজ লেখা আছে কিন্তু
- 1:33:52সংকেত নাই। তোমাদের বৃত্তি পরীক্ষায় এভাবে
- 1:33:55প্রশ্ন আসবে। এভাবেই প্রশ্ন আসবে। শুষ্ক
- 1:33:59গোষ তরিতে কোনটা ব্যবহৃত হয়? শুষ্ক গোষ
- 1:34:02তৈরিতে পানি ব্যবহৃত হয়, ম্যাঙ্গানিজ
- 1:34:04ডাইঅক্সাইড হয়, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড হয়।
- 1:34:06তিনটাই ব্যবহৃত হয়। তিনটাই ব্যবহৃত হয়
- 1:34:10লে বানানোর জন্য। তাহলে এখানে এই সকল
- 1:34:13প্রশ্নগুলো যে আছে যেগুললা আমি তোমাদেরকে
- 1:34:15স্লাইড আকারে দিচ্ছি এগুলা নিজে মুখস্ত
- 1:34:18করবা পড়ে পড়ে এখানে যতগুলা সিকিউর ক দেওয়া
- 1:34:22আছে জ্ঞানমূলক দেওয়া আছে যতগুলা জ্ঞানমূলক
- 1:34:25দেওয়া আছে প্রত্যেকটা জ্ঞানমূলকের প্রশ্নর
- 1:34:29উত্তর পড়ে অনুধাবনের প্রশ্নের উত্তর পড়ে
- 1:34:32তারপর তোমরা এই সিকিউ গুলা করবা এখানে যে
- 1:34:35সিকিউ গুলো আছে প্রত্যেকটা সিকিউ করবা এই
- 1:34:39সিকিউ পরীক্ষায় আসবে
- 1:34:41আমি করবো না। এটা যদি আমি করে দেই তাহলে
- 1:34:44তোমাদের পড়া হবে না। তোমরা নিজেরা এগুলাকে
- 1:34:48প্র্যাকটিস করবা। এখানে যতগুলা সিকিউ আছে
- 1:34:51প্রত্যেকটা সিকিউ প্র্যাকটিস করবা। এই
- 1:34:53উদ্দীপকগুলা দেখবা। এগুলা তোমাদের ফাইনাল
- 1:34:56পরীক্ষার সাজেশন। আমি যদি করে দেই তাহলে
- 1:34:59পরীক্ষার মানে এটার কোন লাভ নাই। এখানে
- 1:35:03আমি যতগুলা সাজেশন দিয়েছি প্রত্যেকটা
- 1:35:06সৃজনশীল নিজে চেষ্টা করে লিখবা। আর যদি না
- 1:35:10পারো তাহলে এই ইউটিউব এর কমেন্টের নিচে
- 1:35:13আমাকে জানাইও।
- 1:35:15না পারার কোন রিজন নাই। আমি স্লাইডগুলা সব
- 1:35:18দিয়ে রাখছি। তো এই ছিল আমার বেসিক ক্লাস।
- 1:35:22আমি সিকিউ সলভ পরে করবো। এখন না এই ক্লাসে
- 1:35:26না। তোমরা নিজেরা সলভ করো।
- 1:35:29বৃত্তি পরীক্ষার জন্য মানে স্বাগত
- 1:35:32জানাচ্ছি। আমরা আমাদের ক্লাস এইট এর
- 1:35:34কোর্সে ইনশাআল্লাহ তোমাদেরকে ভালোমতো
- 1:35:36পড়ানোর চেষ্টা করতেছি। ভবিষ্যৎ আল্লাহ
- 1:35:39ভালো জানেন। আমি একজন নগণ্য বান্দা।
- 1:35:43তোমাদের জন্য দোয়া করছি। তোমরা ভালো
- 1:35:45থাকো, সুস্থ থাকো। থ্যাংক ইউ সো ভেরি মাচ।
- 1:35:48আসসালামু আলাইকুম
About this transcript
This page contains the full transcript of Science | বিজ্ঞান | Chapter 8 | রাসায়নিক বিক্রিয়া | Class 8 StarBatch | Fahad Sir by Fahad's Tutorial, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 9,468 words across 1,705 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.
What you can do with it
Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.
Free YouTube transcript tool
YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.