YouTube2Text

Science | বিজ্ঞান | Chapter 8 | রাসায়নিক বিক্রিয়া | Class 8 StarBatch | Fahad Sir — Transcript

by Fahad's Tutorial · 9,468 words · 1,705 segments · language en · Watch on YouTube

Full transcript

  1. 0:00আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। বিজ্ঞানের একটা
  2. 0:03গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় যার নাম হচ্ছে
  3. 0:04রাসায়নিক বিক্রিয়া। এই অধ্যায়টা শুরু
  4. 0:07করতে যাচ্ছি এবং এই অধ্যায়টা তোমরা বা
  5. 0:09আপনারা যারাই দেখা শুরু করেছেন আল্লাহ
  6. 0:11তাআালার রহমত বরকত নাযিল হোক। ক্লাস এইট
  7. 0:14এর গুরুত্বপূর্ণ একটা অধ্যায়। আমার কাছে
  8. 0:16ক্লাস এইট মানে পুরা মানে সিলেবাসটা
  9. 0:19ইম্পর্টেন্ট। একটা স্টুডেন্টের জন্য। একটা
  10. 0:20বেসিক নলেজের জন্য আমার কাছে মনে হয় যে
  11. 0:24ক্লাস এইট এর প্রত্যেকটা সাবজেক্ট
  12. 0:26ইম্পর্টেন্ট। এবং বিজ্ঞান ওয়ান অফ দ
  13. 0:28ফাইনাস্ট একটা সাবজেক্ট। তার মধ্যে একটা
  14. 0:31ফাইনাস্ট চ্যাপ্টার হচ্ছে এই রাসায়নিক
  15. 0:34বিক্রিয়া। এই যে বিক্রিয়া অধ্যায়টা এই
  16. 0:36অধ্যায়টাকে আজকে আমরা পড়ার চেষ্টা করব
  17. 0:37এবং আল্লাহ যদি সব ঠিকঠাক রাখে তাহলে
  18. 0:39আগামী 90 মিনিট চেষ্টা করব আমরা। আমি
  19. 0:42চেষ্টা করব আপনাদেরকে অথবা তোমাদেরকে মানে
  20. 0:45ভালোভাবে অধ্যায়টা বোঝানোর জন্য। আচ্ছা
  21. 0:48শুরুতে আমি বলি কি কি লাগবে এই
  22. 0:50চ্যাপ্টারে। আমাদের এই চ্যাপ্টার বোঝার
  23. 0:52জন্য আগে প্রতীক সংকেত যোজনী এটা বোঝার
  24. 0:57দরকার আছে। আমার এরপরে জানতে হবে যৌগের
  25. 1:01সংকেত কিভাবে লিখতে হয় কেমনে লিখতে হয়।
  26. 1:04বিক্রিয়ার প্রকারভেদ কত ধরনের বিক্রিয়া
  27. 1:06আছে। এই চ্যাপ্টারে আমরা সাধারণত যে
  28. 1:09বিক্রিয়াগুলো শিখবো এক দুই তিন চার। আমি
  29. 1:13যদি একটু ছোট্ট করে বলি প্রথমে সংযোজন
  30. 1:17একটা বিক্রিয়া আছে। সং যোজন এই
  31. 1:21বিক্রিয়াটা আমাদের শিখতে হবে। অথবা
  32. 1:23আমাদেরকে সংযোজনের সাথে ঠিক এটাকে একটু
  33. 1:26রিভার্স করলে যে বিক্রিয়াটা হয় বিযোজন
  34. 1:29এটা শিখতে হবে। তারপর এ অধ্যায়ের আরেকটা
  35. 1:31টপিক হচ্ছে প্রতিস্থাপন
  36. 1:34বিক্রিয়া। প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। দহন
  37. 1:38বিক্রিয়া। তারপরে হচ্ছে প্রসমন
  38. 1:40বিক্রিয়া। প্রসমন। তাহলে এই যে
  39. 1:44বিক্রিয়াগুলার ধরণ বিক্রিয়াগুললা যে আছে
  40. 1:47এই বিক্রিয়ার প্রকারভেদে নামগুলো আমাদেরকে
  41. 1:49জানা লাগবে, বোঝা লাগবে। ড্রাই সেল বা
  42. 1:52শুষ্ক কোষ কাকে বলে? তড়িৎ বিশ্লেষণ বা
  43. 1:54ইলেকট্রোলাইসিস জিনিসটা কি? এ সমস্ত কিছু
  44. 1:58একটু বুঝে আমাদেরকে পড়া লাগবে। এই যে আমার
  45. 2:00অধ্যায়ের যা যা শিখবো এটা যখন আমার কাছে
  46. 2:02ক্লিয়ার হয়ে যাবে দেন ইট ইস ভেরি
  47. 2:05ইম্পর্টেন্ট টু আন্ডারস্ট্যান্ড অল লাইনস
  48. 2:08অফ দা বুক। টেক্সট বুক ক্লিয়ারলি এন্ড
  49. 2:12কনসেপচুয়ালি। তাহলে আমি যদি একটু সামনে
  50. 2:15চিন্তা করি প্রতীক নিয়ে তাহলে স্যার এই
  51. 2:18দুইটাকে একসাথে আপনি কিভাবে চিন্তা করতে
  52. 2:20বলছি আমি? আমি একটু পরে অনেক কিছু বোঝানোর
  53. 2:22চেষ্টা করব ইনশআল্লাহ। এবং যদি সব ঠিকঠাক
  54. 2:25থাকে। এইযে প্রতীক। প্রতীক শব্দটার মানে
  55. 2:28হচ্ছে আমি যদি একটু সিম্পলি মডিফাই করি
  56. 2:31সংজ্ঞাটা। প্রতীক এইটাকে ইংলিশে বলা হয়
  57. 2:36সিম্বল। তাও সিম্বল যে মৌলের মৌলের
  58. 2:43ইংরেজি
  59. 2:46ল্যাটিন
  60. 2:49ল্যাটিন ও ল্যাটিন ও আরবি নামের নামের কি
  61. 2:57সংক্ষিপ্ত রূপকে আরবি নামের সংক্ষিপ্ত
  62. 3:01সংক্ষিপ্ত
  63. 3:03রূপকে
  64. 3:05রূপকে এই প্রতীক বলা হয়। এই সংক্ষিপ্ত
  65. 3:08রূপকে প্রতীক বলে। এখন আমি আজকে সাথে একটু
  66. 3:13বইটাকে রাখছি। হ্যা তোমাদেরকে আমি একটু বই
  67. 3:16সহ পড়ানোর চেষ্টা করব। এবং বইয়ের মধ্যে
  68. 3:18এই অধ্যায়টা তোমাদের সামনে আছে। বইয়ের
  69. 3:21মধ্যে কোন কোন লাইন ইম্পর্টেন্ট?
  70. 3:24কিভাবে ইম্পর্টেন্ট?
  71. 3:27এমসিকিউ কিভাবে আসবে? চেষ্টা করব পুরা
  72. 3:29জিনিসটাকে বোঝানোর। হ্যা। আচ্ছা এবার আসি
  73. 3:32স্যার এটা হচ্ছে সংকেত। যেমন আমি একটা
  74. 3:36সিম্পল একটা এক্সাম্পল দেই। সিম্পল একটা
  75. 3:37এক্সাম্পল। যেমন ধরো আমি বললাম সি। আমরা
  76. 3:41সবাই জানি সি মানে হচ্ছে কার্বন। কার্বন
  77. 3:46তো একটা ইংরেজি শব্দ তাই না? তো ইংরেজি
  78. 3:48শব্দটাকে কি দিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে? সি
  79. 3:51দিয়ে। সি দিয়ে প্রকাশ করা হচ্ছে। তো সি ফর
  80. 3:54কার্বন এটা আমি জানি। কিন্তু যখন আমি সি এ
  81. 3:57ফর চিন্তা করব এটার মানে ক্যালসিয়াম। আমি
  82. 4:01যখন সিই নিয়ে চিন্তা করব সিরিয়াম সিডি
  83. 4:05নিয়ে চিন্তা করব ভাববো সিডি কিসের নাম
  84. 4:08ক্যাডমিয়াম আচ্ছা তারপর এফজি এইচ আই জে
  85. 4:14কে এল ধর যে এল সি এল মানে হচ্ছে ক্লোরিন
  86. 4:20ক্লোরিন সি ও মানে হচ্ছে কোবাল্ট কোবাল্ট
  87. 4:26সি আর এটা হচ্ছে ক্রোমিয়াম
  88. 4:30সি এস এটা হচ্ছে সিজিয়াম।
  89. 4:34তারপর সি ইউ এটা হচ্ছে কপার।
  90. 4:39সিইউ হ্যা তো এই যে মোটামুটিভাবে আমি
  91. 4:42কয়েকটা জিনিস লেখার চেষ্টা করলাম। তো
  92. 4:44এগুলা প্রত্যেকটা হচ্ছে এই সকল মৌলের
  93. 4:48প্রতীক। এই পৃথিবীতে টোটাল মৌল এখন
  94. 4:52পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে 118 টা। এককর্ডিং
  95. 4:57টু ইউর বুক। মৌল আবিষ্কৃত হয়েছে 118 টা
  96. 5:00এবং এই 118 টা মৌলকে সাজানো হয়েছে যে
  97. 5:05টেবিলে যে টেবিলে সাজানো হয়েছে যে টেবিলে
  98. 5:13সাজানো হয়েছে
  99. 5:16যে টেবিলে সাজানো হয়েছে সেটা হচ্ছে সেটা
  100. 5:19হচ্ছে
  101. 5:21পর্যায় সারণী সেটা হচ্ছে পর্যায় সারণী
  102. 5:25তোমরা আস্তে আস্তে এগুলা জানবা পর্যায়
  103. 5:27সারণী হ্যা জানবা। তো এখন এই যে পর্যায়
  104. 5:30সারণী এটা অনেক বছরের ইতিহাসের একটা ফসল।
  105. 5:33তো 118 টা মৌলকে ওইখানে সাজানো হয়েছে।
  106. 5:36বুঝলাম। হচ্ছে মৌলের ধরণ। তো কার্বন,
  107. 5:39ক্যালসিয়াম, সিরিয়াম, ক্যাডমিয়াম,
  108. 5:41ক্লোরিন, কোবাল্ট, ক্রোমিয়াম, সিজিয়াম,
  109. 5:43কপার। এরা সবাই হচ্ছে বিভিন্ন মৌলের নাম।
  110. 5:47ইংরেজি নাম ল্যাটিন নাম। আবার ল্যাটিন
  111. 5:50নামের ক্ষেত্রে যেমন ধর ল্যাটিনামের
  112. 5:53ক্ষেত্রে এইযে কপার। এটা এইযে ল্যাটিন এই
  113. 5:56নামটা হচ্ছে ল্যাটিন এই নামটা হচ্ছে
  114. 6:00ল্যাটিন নাম কপার কাপরাম
  115. 6:03তো তোমাদের বইয়ের মধ্যে একটা চার্ট আছে
  116. 6:05সেই চার্টের মধ্যে দেখবা যে নামগুলো আছে
  117. 6:08নামগুলাকে একটু ফিল করতে হবে অনেকের কাছে
  118. 6:10কেমিস্ট্রিটা অত্যন্ত কঠিন একটা টপিক মানে
  119. 6:13মনে হয় যে কি কেন যেন পারে না সহজ জিনিসটা
  120. 6:16সহজ আবার ধরো এই যে বি এই বি মানে হচ্ছে
  121. 6:21বরণ
  122. 6:23এই যে নামটা বরণ নামটা এইটা আরবি নাম। এটা
  123. 6:28একটা আরবি নাম। কিন্তু ধর আমি যদি বলতাম
  124. 6:32বি
  125. 6:35এটা একটা ইংরেজি নাম বেরিলিয়াম। এই যে
  126. 6:38যৌগটা বা মৌলটা এই মৌলটার নাম হচ্ছে
  127. 6:43বেরিলিয়াম।
  128. 6:45তারপরে ধর আমি যদি বলতাম যে বি আই তাহলে
  129. 6:49তুমি কি বলতা? তাহলে এইটার নাম হচ্ছে
  130. 6:52বিসমাত।
  131. 6:54বি আই বিসমাত।
  132. 7:00তাহলে এখানে বি আর যদি হয় তাহলে এইটার নাম
  133. 7:05হচ্ছে ব্রোমিন। কি নাম? ব্রোমিন। তাহলে এই
  134. 7:09যে নামগুলা এই যে নাম আমি লিখতেছি এবং এই
  135. 7:12যে মানে ওর যে নামের সংক্ষিপ্ত রূপ
  136. 7:15লিখতেছি এটা হচ্ছে প্রতীক। এখন তুমি যদি
  137. 7:18একটু বইটাতে যাও তাহলে কিছু নাম তুমি
  138. 7:20পাবা। একটু আমার সাথে সাথে দাগাবা। হ্যাঁ।
  139. 7:22তোমাদের পক্ষে একটু সম্ভব হলে একটু আমার
  140. 7:24সাথে দাগাবা। দয়া করে সুন্দর করে একটু
  141. 7:28আমার সাথে দাগাও। এখন পর্যন্ত কয়টা মৌলিক
  142. 7:32পদার্থের কথা জানা গেছে? 118 টা। এবং
  143. 7:35মৌলের পুরো নাম না লিখে ইংরেজি ও ল্যাটিন
  144. 7:39নামের যে সংক্ষিপ্ত রূপ প্রকাশ করা হয় তার
  145. 7:41নাম প্রতীক। তাহলে প্রতীকের সংজ্ঞা কি?
  146. 7:44মৌলের পুরো নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে মৌলের
  147. 7:47ইংরেজি বা ল্যাটিন নামের এই সংক্ষিপ্ত
  148. 7:49রূপকে প্রতীক বলা হয়। মৌলের ইংরেজি বা
  149. 7:52ল্যাটিন নামের সংক্ষিপ্ত রূপকে প্রতীক বলা
  150. 7:55হয়। ইজি জিনিসটা। আচ্ছা এরপর তুমি সামনে
  151. 7:59গেলা এবং কিছু জিনিস তুমি দেখলা। এরপরে
  152. 8:02এখানে আরেকটা সংজ্ঞা আছে সেটা হচ্ছে সংকেত
  153. 8:04কাকে বলে? কোন মৌল বা যৌগের অনুর
  154. 8:08সংক্ষিপ্ত রূপকে সংকেত বলে।
  155. 8:11জানা আছে হাইড্রোজেন ক্লোরাইড, সালফিউরিক
  156. 8:14এসিড, নাইট্রিক এসিড অভাব নাই যৌগের। এতসব
  157. 8:18যৌগ। এই যে যৌগগুলো এই যৌগগুলার অনুর যে
  158. 8:21সংকৃত রূপ তাকে বলা হয় সংকেত। আচ্ছা আমি
  159. 8:23পাইলাম। এরপর দেখো এখানে কিছু কথা লেখা
  160. 8:27আছে। এখন এই কথাগুলার দিকে তাকাইলে আগে
  161. 8:30মনে রাখতে হবে যে যোজনী জিনিসটা কি? যোজনী
  162. 8:33জিনিসটা কি? নাইট্রোজেন এবং কার্বনের
  163. 8:35যোজনী কত? তিন আর চার। এই যোজনী কোত থেকে
  164. 8:39আসল? এই যোজনী কোত থেকে আসলো এটা বোঝার
  165. 8:42জন্য আরেকটা কনসেপ্ট বোঝা লাগবে সেটা
  166. 8:43হচ্ছে আমি যাচ্ছি সেখানে যোজনী হচ্ছে
  167. 8:49সংজ্ঞাটা এইরকম হবে এটাকে ইংলিশে বলা হয়
  168. 8:54ভ্যালেন্সি
  169. 8:55যোজনীকে কি বলা হয় ভ্যালেন্সি সংজ্ঞা কি
  170. 8:58সংজ্ঞা হচ্ছে কোন
  171. 9:01মৌলের কোন মৌলের
  172. 9:05অন্য কোন মৌলের সাথে
  173. 9:10অন্য কোন মৌলের
  174. 9:14সাথে যুক্ত হবার
  175. 9:18ক্ষমতা। অন্য কোন মৌলের সাথে যুক্ত হওয়ার
  176. 9:23ক্ষমতা।
  177. 9:25এখন সবাই একরকমভাবে যুক্ত হয় না। কেউ কেউ
  178. 9:28একাধিকভাবে যুক্ত হইতে পারে। যখন কোন
  179. 9:31মৌলের একাধিক যোজনী থাকে তার নাম
  180. 9:34পরিবর্তনশীল যোজনী। এবং কিভাবে একাধিক
  181. 9:37যোজনী হয় এটা আবার তোমাদের এই ক্লাস এইট
  182. 9:40এর কনসেপ্ট না এটাকে বোঝার জন্য আরেকটু
  183. 9:42সময় লাগবে এটাকে বলা হয় পরিবর্তনশীল
  184. 9:45যোজনী হ্যা এটা আস্তে আস্তে তোমরা সামনে
  185. 9:48জানতে পারবা এইটার নাম হচ্ছে পরিবর্তনশীল
  186. 9:53যোজনী এইটার ইংরেজি হচ্ছে ভারিয়েবল
  187. 9:57ভ্যালেন্সি ভারিয়েবল
  188. 10:00ভ্যালেন্সি
  189. 10:03তো ভারিয়েবল ভ্যালেন্সি কাকে বলে যখন কোন
  190. 10:05মৌল কোন মৌল কোন মৌল যখন একাধিক যোজনী
  191. 10:11প্রকাশ করে
  192. 10:14কোন মৌল যখন একাধিক
  193. 10:19যোজনী
  194. 10:21প্রদর্শন করে বা দেখায়।
  195. 10:24তোমাদের বইয়ে যে এক্সাম্পলটা আছে এটা
  196. 10:27হচ্ছে এই ভারিয়েবল ব্যালেন্সের ক্ষেত্রে
  197. 10:29এক্সাম্পলটা হচ্ছে আয়রন। আয়রন। আয়রন
  198. 10:33তোমাদের বইয়ে আছে যার যোজনী দুইও হইতে
  199. 10:36পারে, তিনও হইতে পারে। এছাড়াও আরো একাধিক
  200. 10:39মৌলের যোজনী আছে যেগুললা যোজনী বেশি হইতে
  201. 10:41পারে। যেমন নাইট্রোজেন ওর যোজনী তিনও হইতে
  202. 10:45পারে, পাঁচও হইতে পারে। সালফার ওর যোজনী
  203. 10:49দুই হয়, চার হয়, ছয় হয়। আবার লেড প্লামবাম
  204. 10:54ওর যোজনী দুইও হয় চারও হয় আবার কপার ওর
  205. 10:59যোজনী একও হয় আবার দুইও হয় এরকম একাধিক
  206. 11:04যোজনী আছে এস এন স্টেনাম ওর যোজনী দুইও
  207. 11:09হতে পারে চারও হতে পারে কেন একাধিক যোজনী
  208. 11:12হয় এটার ব্যাখ্যাটা একটু জটিল এই মুহূর্তে
  209. 11:15নাই এটাকে বলা হয় উত্তেজিত অবস্থায় মৌলের
  210. 11:18ইলেকট্রন বিন্যাস যেহেতু এই সিলেবাসের
  211. 11:20মধ্যে এটা নাই তোমরা চাইলে আমার ভিডিও আছে
  212. 11:23দেখতে পারো পরিবর্তনশীল যোজনী অথবা
  213. 11:26উত্তেজিত মৌলের ইলেকট্রন বিন্যাস লিখে
  214. 11:28সার্চ দিলে পাবা এখানে হচ্ছে জাস্ট আমি
  215. 11:30একটু বলে রাখলাম সামনে গেলে তোমরা আরো
  216. 11:33কিছু টপিক পাবা এই টপিকগুলো হচ্ছে সুপ্ত
  217. 11:36যোজনী হ্যা সুপ্ত যোজনী তারপরে হচ্ছে
  218. 11:42সর্বোচ্চ যোজনী
  219. 11:45সর্বোচ্চ যোজনী তারপরে হচ্ছে সক্রিয়
  220. 11:50যোজনী। তো এই কনসেপ্টগুলো আমি এখন বলতে
  221. 11:54চাচ্ছি না। তাহলে সময় বেশি লাগবে বা এই
  222. 11:56সিলেবাসের মধ্যে নাই। সুপ্ত সর্বোচ্চ এবং
  223. 11:59সক্রিয় যোজনী। কিন্তু কনসেপ্ট অনেক সহজ।
  224. 12:02তুমি শুনে রাখো। তাহলে কিভাবে স্যার অনুর
  225. 12:05সংকেত হবে বা আমি এটা লিখবো কিভাবে? সে ফর
  226. 12:08এক্সাম্পল একটা ছোট্ট এক্সাম্পল তোমাদেরকে
  227. 12:11দেখাই। মনে করো দুইটা হাইড্রোজেন। এটা
  228. 12:13হাইড্রোজেনের একটা পরমাণু। এটা
  229. 12:16হাইড্রোজেনের আরেকটা পরমাণু। তো পরমাণু যে
  230. 12:18দেখতে এইরকম। এটা তোমরা জানো। তো এরা যখন
  231. 12:21যুক্ত হইয়া একটা হাইড্রোজেন অণু গঠন করল
  232. 12:26তহলে একটা হাইড্রোজেন অণুতে কয়টা পরমাণু
  233. 12:28আছে? দুইটা। আবার এই দুইটা হইল নাইট্রোজেন
  234. 12:33পরমাণু। তারা যুক্ত হয়ে এনটু অণু গঠন করল।
  235. 12:39কিন্তু সবাই কি সবসময় খালি দুইটা হয়ে
  236. 12:41যুক্ত হবে? না আবার এমনও আছে যে চারটা
  237. 12:46ফসফরাস একসাথে হয়ে একটা অনু গঠন করে তাহলে
  238. 12:49এই যে ফসফরাস একসাথে হইল তাহলে এইটার নাম
  239. 12:53হচ্ছে এইটার সংকেত হচ্ছে পি4 সুতরাং এইটা
  240. 12:57হইলো ফসফরাস
  241. 12:59অণু
  242. 13:01এটা আস্তে আস্তে তোমরা জানবা তোমরা এখন
  243. 13:03প্রশ্ন করতে পার কিভাবে বুঝবো কোনটাতে হবে
  244. 13:05আপাতত একটু মুখস্থ বিদ্যা লাগবে কিন্তু
  245. 13:08তুমি যদি একটু গুগলিং করো সে ফর এক্সাম্পল
  246. 13:11আমি একটু একটু লিখলাম যে ফসফরাস হ্যাঁ
  247. 13:15ফসফরাস
  248. 13:21এই যে ফসফরাস আমি যদি একটু সার্চ করি
  249. 13:23তাইলে ওর যে চেহারা সুরত এই চেহারা সুরতটা
  250. 13:27হচ্ছে কেমন মানে ফসফরাসের চেহারা
  251. 13:34এইযে এরকম কিন্তু এটা আসলে এরভাবে বোঝা
  252. 13:36যাবে না ওর এটমিক স্ট্রাকচারটা ফসফরাস
  253. 13:40মলিকিউল আমি ধরো একটা সিম্পল
  254. 13:44মলিকিউল স্ট্রাকচার আমি একটু দিলাম। তখন
  255. 13:47এই ফসফরাসের যে স্ট্রাকচারটা এটা দেখলে
  256. 13:50এইরকম দেখা যাবে যে চারটা পার্টিকেল
  257. 13:53একসাথে বা চারটা চারটা
  258. 13:57ফসফরাস একসাথে হয়ে একটা ফসফরাস মলিকিউল
  259. 14:00হইছে। তো ইউজুয়ালি এখানে অনেক কথা আত কথা
  260. 14:05এখন এই মুহূর্তে দেখাতে পারছি না। আমি
  261. 14:07হালকা করে দেখাই। এই যে ফসফরাসটা দেখতে
  262. 14:09হচ্ছে এইরকম। ত এখানে কয়টা বল দেখা
  263. 14:12যাচ্ছে? চারটা বল। তো এই যে একটা দুইটা
  264. 14:15তিনটা যে চারটা প্রত্যেকে মিলে একটা অনু
  265. 14:18তৈরি হইছে। আবার আমি যদি ধরো মলিকিউল
  266. 14:21স্ট্রাকচার সালফার চিন্তা করি সালফার।
  267. 14:25তাহলে তুমি দেখবা ওর মধ্যে আটটা সালফার
  268. 14:28আছে। আটটা। এইযে একটা সালফার দেখতে এমন
  269. 14:31এখানে মাঝখানে যে গোল্লাটা আছে না এই
  270. 14:33গোল্লাটা হচ্ছে সালফারের স্ট্রাকচার।
  271. 14:36এখানে টোটাল এখানে দেখো এই যে একটা সালফার
  272. 14:40দুইটা তিনটা চারটা পাঁচটা ছয়টা সাতটা আটটা
  273. 14:46এই যে আটটা সালফার একসাথে আছে এই সালফারের
  274. 14:50সংকেত হচ্ছে এস এস
  275. 14:53এ তাহলে আমি ফসফরাসের সংকেত কি বললাম পিফ
  276. 14:57আবার সালফারের সংকেত যদি আমি একটু চিন্তা
  277. 15:00করি তাহলে বিষয়টা এমন হবে একদু তন চার পা
  278. 15:05ছয়
  279. 15:08ছয় সাত আট তাহলে স্ট্রাকচারটা এরকম হচ্ছে
  280. 15:12যে এই সালফার ওর সাথে ওর সাথে যুক্ত হয় ওর
  281. 15:16সাথে যুক্ত হয় এইভাবে সালফার হয়। তো এইটা
  282. 15:20হল সালফার অণু যেটাকে বলা হয় এস এই। তাহলে
  283. 15:25কতটা পরমাণু যুক্ত হয়ে অণু হবে এই
  284. 15:29মুহূর্তে তুমি একটু মুখস্ত করবা। মুখস্ত
  285. 15:32করবা। তাহলে এটা হচ্ছে সালফার এইটা হচ্ছে
  286. 15:37সাল
  287. 15:38ফার তাহলে সালফার অণুতে কয়টা পরমাণু আছে
  288. 15:41আটটা ফসফরা আছে চারটা ওজন নামে একটা গ্যাস
  289. 15:46আছে ওজন গ্যাস ওজন গ্যাস এই ওজন গ্যাসের
  290. 15:51সংকেত হচ্ছে O3
  291. 15:53ও3 আচ্ছা আমি যদি সংকেতের কথা বলি আমি যদি
  292. 15:58ক্লোরিনের কথা বলি ক্লোরিন তাহলে এটাকে
  293. 16:01আমরা লিখতে হবে CL2 আমি যদি ফ্লোরিনের কথা
  294. 16:06বলি ফ্লোরিন তাহলে লিখতে হবে এফটু আমি যদি
  295. 16:11অক্সিজেনের কথা বলি অক্সিজেন তাহলে লিখতে
  296. 16:16হবে ওটু তাহলে এই যে এরা যে দুইটা দুইটা
  297. 16:20করে পরমাণু একসাথে হইল তাহলে এদেরকে বলা
  298. 16:24হবে এদেরকে বলা হয় দ্বিপরমাণুক
  299. 16:29দ্বিপর
  300. 16:31মানুক এটাকে ইংলিশে বলা হয় ডাইঅটমিক
  301. 16:36ডাইঅটমিক
  302. 16:39তোমরা যারা একটু এডভান্স বা একটু হলেও
  303. 16:41পারো ভালো পারো তারা মাথায় রাখবা অটম এই
  304. 16:45শব্দটার মানে হইল পরমাণু আর এইটার সাথে
  305. 16:50যখন ডাই শব্দটা আসবে ডাই তখন মনে রাখবা
  306. 16:53ডাই শব্দটার মানে হইলো দুই ডাই শব্দের
  307. 16:57মানে কি দুই আর কেমিস্ট্রিতে যখন একটা
  308. 17:01কিছু উচ্চারণ হবে এক তাহলে এর নাম হচ্ছে
  309. 17:04মনো। দুই হলে এইটার উচ্চারণ হবে ডাই। তিন
  310. 17:09হলে এইটার উচ্চারণ হবে ট্রাই। চার হলে
  311. 17:14এইটার উচ্চারণ হবে টেট্রা। আর পাঁচ হলে
  312. 17:18এইটার উচ্চারণ হবে পেন্টা।
  313. 17:22উচ্চারণ কি হবে? পেন্টা। তো এটা হচ্ছে
  314. 17:25হালকা একটা ছোট্ট কথা বললাম। জিনিসগুলো
  315. 17:28একটু বোঝার জন্য তোমাকে বললাম। এখন স্যার
  316. 17:30তুমি প্রশ্ন করবা তাহলে স্যার আমি
  317. 17:32রাসায়নিক সংকেত যে লিখবো সেক্ষেত্রে
  318. 17:34যোজনীকে মনে রাখতে হবে না? হ্যাঁ রাখতে
  319. 17:37হবে। তার আগে তোমার উচিত হচ্ছে তোমাদের যে
  320. 17:40বইটা সেই বইয়ের মধ্যে যে লেখা আছে দেখো
  321. 17:42এই যে স্ট্রাকচার গুলা তার মধ্যে একটা
  322. 17:45জিনিস মাথায় রাখবা তোমাদের বইয়ে যে
  323. 17:47সিইচ4 মিথেনের যে স্ট্রাকচার দেওয়া আছে
  324. 17:49এইটা আসলে ভুল স্ট্রাকচার দেওয়া আছে এবং
  325. 17:53এখানে যে অ্যামোনিয়া দেওয়া আছে এইটাও
  326. 17:55ভুল স্ট্রাকচার দেওয়া আছে কষনো এভাবে
  327. 17:57লিখতে হবে না কখনো লিখবা না অ্যামোনিয়া
  328. 18:00যদি লেখো তাহলে অ্যামোনিয়ার সাথে এই
  329. 18:03নাইট্রোজেন হাইড্রোজেন
  330. 18:06এই হাইড্রোজেন
  331. 18:07আর এই হাইড্রোজেন এভাবে লিখবা। তাহলে এটা
  332. 18:11এমোনিয়া হবে। আবার মিথেনের ক্ষেত্রে
  333. 18:14বিষয়টা হবে এক। মিথেনের ক্ষেত্রে বিষয়টা
  334. 18:18হবে এইরকম। এইরকম। ঠিক আমি যেভাবে লিখতেছি
  335. 18:23এইভাবেই লেখা উচিত। মিথেনের স্ট্রাকচারটা
  336. 18:26একমাত্রিক অবস্থায় এরকমই হবে। তোমরা
  337. 18:29তোমাদের বইয়ে এই স্ট্রাকচারটা কাটো। এই
  338. 18:31স্ট্রাকচারটা কাটো। এই দুইটা স্ট্রাকচারই
  339. 18:33ভুল। এইটা ঠিক আছে। এইটাও ঠিক আছে। বাট এই
  340. 18:37দুইটা ঠিক নাই। এখন চিন্তা করে দেখো তাহলে
  341. 18:41তোমাদের বইয়ের মধ্যে লেখা আছে যে সালফারের
  342. 18:45যোজনী দুই চার। পরীক্ষায় অবশ্যই আসবে
  343. 18:49এমসিকিউ। আয়রনের যোজনী দুই তিন। এমসিকিউতে
  344. 18:53আসবে। তা আমি এখানে লিখে রাখছি না যে
  345. 18:55আয়রনের যোজনী দুই আর তিন। এইযে এখানে
  346. 18:58আয়রনের যোজনী দুই তিন এফ। এটা একটা
  347. 19:00ল্যাটিন নাম। এটাকে বলা হয় ফেরাম। তাহলে
  348. 19:03এইটার নাম হচ্ছে এটার নাম হচ্ছে ফেরাম।
  349. 19:08হ্যা ফেরাম এই শব্দটার মানে হচ্ছে আয়রন।
  350. 19:13আর এই যে পিবি এইটার ল্যাটিন নাম হচ্ছে
  351. 19:18প্লামবাম। হ্যা এইটার মানে হচ্ছে শিষা। আর
  352. 19:23এই যে এস এন এটার নাম হচ্ছে
  353. 19:28স্টেনাম। হ্যা স্টেনাম। এইটার বাংলা হচ্ছে
  354. 19:32টিন টিন সালফার হ্যা এইযে এটার ইংলিশ
  355. 19:37হচ্ছে সাল ফার এইটার বাংলা হচ্ছে গন্ধক
  356. 19:44বাংলা কি গন্ধক কি সিইও হ্যা এটাকে
  357. 19:48ল্যাটিন নাম হচ্ছে কাপরাম
  358. 19:51কাপরাম এবং এটাকে ইংলিশে আমরা বলি কপার
  359. 19:56কপারের বাংলা হচ্ছে তামা কপার বাংলা কি
  360. 20:00তামা নাইট্রোজেন তো নাইট্রোজেন
  361. 20:04জব খারজান এটার নাম হাইড্রোজেন উজ্জয়ন আর
  362. 20:08অক্সিজেন অম্লজান আস্তে আস্তে পড়বা আস্তে
  363. 20:11আস্তে পড়বা এখন স্যার রাশিন সংকেত যে
  364. 20:14লিখবো আমি সংকেত লেখা শুরু করলাম বুঝলাম
  365. 20:17এখন স্যার কাহিনীটা হইল এই যে এখানে যে
  366. 20:21ছকটা দেওয়া আছে এটা কি 100 পারসেন্ মনে
  367. 20:23রাখা লাগবে 100 পারসেন্ট মনে রাখা লাগবে
  368. 20:26উইদাউট এনি মার্সি
  369. 20:30কার যোজনী কত? কোন যৌগমূলক? এই যে যৌগমূলক
  370. 20:34লেখা আছে না এটার ইংলিশ হচ্ছে রেডিকাল।
  371. 20:40রেডিকোল।
  372. 20:42তুমি আবার মনে করে না আমি স্লো হয়ে গেছি।
  373. 20:44এটা আস্তে করে স্লো করছি আর কি রেডিকাল।
  374. 20:46কার্বনের সালফেট সালফাইট। কোনভাবে মিস করা
  375. 20:49যাবে না। এটার নাম সালফাইট। এখানে সালফেট
  376. 20:52উচ্চারণী হবে। এটার নাম লাস্টে টই হবে। ড
  377. 20:56দেওয়া যাবে না। ড দেওয়া যাবে না। এই যে
  378. 20:59ফসফেট এইযে ট উচ্চারণ কি আছে? ট এটা টই
  379. 21:03হবে। এর যোজনী তিন। আর কোন যৌগের যদি
  380. 21:07একাধিক যোজনী থাকে বেশি হলে উচ্চারণ ইক
  381. 21:09হবে। বেশি হলে ইক হবে আর কম হলে আস হবে।
  382. 21:14অলওয়েজ মাথায় রাখবা। একাধিক যোজনী যাদের
  383. 21:16আছে। যেমন নামটা ঠান্ডা মাথায় শোন আমি কি
  384. 21:20বলি? ধরো এফই হ্যা এটার এটার ল্যাটিন নাম
  385. 21:25হচ্ছে ফেরাম ফেরাম হ্যা সুন্দর নাম হচ্ছে
  386. 21:31আয়রন
  387. 21:33আয়রন এবং এইটাকেই আমরা চিনি হিসাব এটা কি
  388. 21:37হিসেবে চিনি লোহা তহলে লোহার সংকেত এফি
  389. 21:40ফরশিওর কোন সন্দেহ নেই তাহলে লোহার
  390. 21:43ক্ষেত্রে যখন যোজনী দুই হয় আর যোজনী তিন
  391. 21:48হয় দুই আর তিন মাথায় রাখতে হবে এই যে দুই
  392. 21:52এইটার নামের শেষে উচ্চারণ হবে আস আর এই যে
  393. 21:57তিন নামের শেষে উচ্চারণ হবে ইক তাহলে
  394. 21:59স্যার কিভাবে নামের শেষে উচ্চারণ হবে তখন
  395. 22:02এইখানে বলতে হবে এইটার নাম ফেরাস আর এইটার
  396. 22:07নাম ফেরিক
  397. 22:10ফেরাস আর ফেরিক
  398. 22:12ঠিক আছে আচ্ছা আবার যেমন ধরো এইটা কেমনে
  399. 22:17বুঝাই
  400. 22:18সি ইউ হ্যা
  401. 22:20তহলে কপারের যোজনী আছে দুইটা। একটা হচ্ছে
  402. 22:23কপারের যোজনী এক আরেকটা হচ্ছে কপারের
  403. 22:26যোজনী দুই। যখন দুই উচ্চারিত হবে তখন এই
  404. 22:30দুই মানে হচ্ছে এটা হল আস। এর উচ্চারণ কি
  405. 22:34হবে? আস
  406. 22:36আর এইখানে উচ্চারণটা হবে ইক। মানে কমের
  407. 22:40মধ্যে যেটা আস। তাইলে এখানে কি বলতে হবে
  408. 22:42আমাদের? এখানে বলতে হবে কিউপ্রাস। নামটা
  409. 22:46হচ্ছে কিউপ্রাস।
  410. 22:49আর এইখানে নামটা হচ্ছে কিউপ্রিক।
  411. 22:55কিউপ্রিক। তাহলে নামের শেষে উচ্চারণটা
  412. 22:58হচ্ছে আস। এখন কথা হল স্যার তাহলে সি ইউ
  413. 23:01এটার ল্যাটিন নাম হচ্ছে কাপরাম। ল্যাটিন
  414. 23:06নাম কি? কাপম। এবং আমরা ইংলিশে এটাকে কি
  415. 23:10বলি স্যার? কপার। কপারের বাংলা কি? তামা।
  416. 23:16কপারের মামল তামা। আচ্ছা আবার মনে করো যে
  417. 23:20পিবি পিবি
  418. 23:23পিবি মানে লেড বা শিষা। তাহলে পিবির
  419. 23:26ক্ষেত্রে একটু চিন্তা করে দেখো ওর যোজনী
  420. 23:29ওর যোজনী দুইও হয় চারও হয়। তাহলে দুই যে
  421. 23:34যোজনীটা এটার নাম হচ্ছে
  422. 23:37আস।
  423. 23:39আর এইটার নাম হচ্ছে ইক। আসইক। তাহলে এই
  424. 23:44কষেত্রে মাথায় রাখতে হবে এইটা হচ্ছে
  425. 23:47প্লামবাস
  426. 23:50আর এইটার নাম হচ্ছে
  427. 23:54প্লামবিক
  428. 23:56প্লামবাস আরেকটা হচ্ছে প্লামক তাহলেযে
  429. 23:59পিবি এই পিবি হচ্ছে লেড্যা পিবি হচ্ছে লেড
  430. 24:05লেড
  431. 24:07লেড তাহলে এইটা হচ্ছে প্লাম বাস
  432. 24:13উচ্চারণ লেড। লেডের মানে হচ্ছে শিষা।
  433. 24:16শিষা। এটা হচ্ছে শিষা হবে।
  434. 24:21শিষা।
  435. 24:23মোটামুটি হচ্ছে এখানে কয়েকটা নমুনা
  436. 24:25দেখাইলাম। এখন স্যার রাসায়নিক সংকেত
  437. 24:27লিখবা কেমনে? এবার একটু মনোযোগ দিতে হবে
  438. 24:30তোমাদের। যেমন ধরো হাইড্রোজেন হাইড্রোজেন
  439. 24:34হ্যাঁ? ওর যোজনী ওর যোজনী এক। কারণ ও একটা
  440. 24:39এককভাবে যুক্ত হইতে পারে। কেমনে যুক্ত হতে
  441. 24:42পারে এটার ব্যাখ্যাটা আমি আসলে পরে দিতে
  442. 24:43হবে কারণ পরমাণুর গঠন তোমরা যখন পড়ছো মনে
  443. 24:47করে দেখো হাইড্রোজেনের পরমাণুতে একটা
  444. 24:50ইলেকট্রন আছে একটা তহলে সে স্থিতিশীল
  445. 24:53হওয়ার জন্য একটা ইলেকট্রনই শেয়ার করে
  446. 24:55আবার যেমন ধর অক্সিজেন ওর যোজনী দুই এবার
  447. 25:01ও যখন যৌগ গঠন করবে তাহলে হাইড্রোজেনের আর
  448. 25:05অক্সিজেনের ক্ষেত্রে খেলাটা হইল
  449. 25:07হাইড্রোজেনের যোজনী এক অক্সিজেনের দুই দুই
  450. 25:11হাইড্রোজেনের যোজনী এক তাহলে এই যোজনী
  451. 25:14নিচে আসলো আর এই যোজনীটা এইখানে আসে তখন
  452. 25:17ওদের অল্টারনেট হয় তখন এই দুইটা যদি আসে
  453. 25:22তাইলে এইটা হচ্ছে এইচ2
  454. 25:25এবং এই সংকেতটার নামই হচ্ছে এটা কিসের
  455. 25:28সংকেত পানির সংকেত এইভাবে করে চলমান থাকবে
  456. 25:33যেমন ধর অ্যামোনিয়ার ক্ষেত্রে পানি তাহলে
  457. 25:36অ্যামোনিয়ার ক্ষেত্রে তোমরা জানো
  458. 25:38নাইট্রোজেন আর এটা হচ্ছে হাইড্রোজেন
  459. 25:41তাহলে নাইট্রোজেনের যোজনী হচ্ছে তিন।
  460. 25:44হাইড্রোজেনের যোজনী এক। তো এই ওয়ান এখানে
  461. 25:48আসলো আর তিন এখানে আসলো। তাহলে সংকেতটা
  462. 25:52হচ্ছে সংকেতটা হচ্ছে এন এইচথ।
  463. 25:58এটার নাম কি? এটার নাম হচ্ছে অমোনিয়া।
  464. 26:02তাহলে এইটার নাম অমোনিয়া।
  465. 26:07পরমাণুর গঠন চ্যাপ্টারে তোমরা
  466. 26:09নাইট্রোজেনের স্ট্রাকচার দেখছো। তাই আমি
  467. 26:10যদি এটাকে স্ট্রাকচার বা গঠন দেখতে চাই
  468. 26:13তাহলে ওর গঠনটা হচ্ছে এইরকম হবে যে এই যে
  469. 26:16নাইট্রোজেন এই নাইট্রোজেনের সাথে তিনটা
  470. 26:19হাইড্রোজেন এইভাবে যুক্ত থাকে।
  471. 26:23এইভাবে যুক্ত থাকে। এটা হচ্ছে অ্যামোনিয়ার
  472. 26:26সংকেত।
  473. 26:27আবার চিন্তা করে দেখো সি মানে হচ্ছে
  474. 26:30কার্বন। ঠিক। হাইড্রোজেন। তো মাথায় রাখো
  475. 26:36কার্বনের যোজনী চার। দুইও হয়, চারও হয়।
  476. 26:39হাইড্রোজেনের সবসময়ই এক। এখন যদি আমি বলি
  477. 26:42এটা এখানে আর এটা এখানে আসলো। তাহলে
  478. 26:45চেহারাটা হচ্ছে সিইচফ
  479. 26:48হয়ে যায়। এবং এই যে সইচফ হইল এটার নাম
  480. 26:52হচ্ছে এইটার নাম হচ্ছে মিথেন। এটার নাম
  481. 26:57কি? মিথেন। তাহলে ওর চেহারাটা কেমন?
  482. 27:00চেয়ারটা হচ্ছে এই কার্বনের সাথে চারটা
  483. 27:03হাইড্রোজেন এইভাবে যুক্ত থাকে। কার্বনের
  484. 27:06সাথে চারটা হাইড্রোজেন এইভাবে যুক্ত থাকে।
  485. 27:10এইটা হচ্ছে CHইচ4 এবং আসলে এরকম
  486. 27:14আসলেই এরকম। তো অন্যান্য যৌগের ক্ষেত্রে
  487. 27:17যেমন ধর আমি যদি বলি ফেরাস ক্লোরাইড ফেরিক
  488. 27:21ক্লোরাইড। যেমন একটা সিঙ্গেল একটা
  489. 27:24এক্সাম্পল দেখাই তোমাদের। সিঙ্গেল হ্যা
  490. 27:27এটার দিকে একটু তাকাও।
  491. 27:30সিঙ্গেল একটা এক্সাম্পল দেখাই হ্যা সেটা
  492. 27:32হচ্ছে যেমন আয়রন এতো আমরা জানি ওযে আয়রন
  493. 27:36আচ্ছা আর ক্লোরিন খুবই কমন একটা যৌগ
  494. 27:40আয়রনের আবার এইখানে হচ্ছে আয়রন আর ক্লোরিন
  495. 27:44ইমাজিন করো আয়রনের যোজনী দুই আর ক্লোরিনের
  496. 27:47এক আয়রনের যোজনী তিন ক্লোরিনের এক এখন
  497. 27:52তুমি যদি বল যে একটা এখানে আসবে আর দুইটা
  498. 27:55এখানে যাবে ঠিক আছে তিন এখানে আসবে এক
  499. 27:58এখানে আসবে তহলে এটার চেহারাটা কেমন হয়?
  500. 28:01চেহারাটা হয় হচ্ছে এফসিএলটু।
  501. 28:06আর এইটার সংকেতটা হবে এফসিএল3। তাহলে
  502. 28:10এইটার নাম হচ্ছে
  503. 28:13ফেরাস ক্লোরাইড।
  504. 28:18ফেরাস ক্লোরাইড। আরেকটা হচ্ছে
  505. 28:24ফেরিক ক্লোরাইড।
  506. 28:28বিষয়টা এমন হয় ফেরাস ক্লোরাইড ফেরিক
  507. 28:30ক্লোরাইড আবার
  508. 28:33আবার ধরো এখানে যেটা দেখলে না এচ3 এটার
  509. 28:36একটা পরিবর্তন আছে হইতে পারে এমনও যৌগ আছে
  510. 28:40এনথ এইচ
  511. 28:42এনথ এটা এমনি লিখলাম জাস্ট এটা তোমাদের
  512. 28:45জানার জন্য এইটার নাম হচ্ছে
  513. 28:49হাইড্রোজোইক
  514. 28:52এসিড
  515. 28:55হাইড্রোজোইক এসিড
  516. 28:57এনথ এইচ এটা কিভাবে সম্ভব? এইটা সম্ভব
  517. 29:01হচ্ছে এভাবে যে একটা নাইট্রোজেন তিন হাত
  518. 29:04দিয়ে আরেক নাইট্রোজেন দুই হাত দিয়ে
  519. 29:07হাইড্রোজেনের সাথে যুক্ত। এটা আস্তে আস্তে
  520. 29:09তোমরা পরে শিখবা। আপাতত এখন জাস্ট একটু
  521. 29:11দেখে রাখো। এই নাইট্রোজেনের যোজনী তিন। এই
  522. 29:14নাইট্রোজেনের যোজনী পাচ। এই নাইট্রোজেনের
  523. 29:17তিন। হাইড্রোজেনের সবসময় এক। এ নাম
  524. 29:20হাইড্রোজইক এসিড।
  525. 29:23ঠিক আছে? আচ্ছা এই গেল একটা সিম্পল
  526. 29:26এক্সপ্লেনেশন। এখন স্যার যদি আমি চিন্তা
  527. 29:29করি যে যৌগমূলক নিয়ে চিন্তা করো। কি
  528. 29:32মূলক?
  529. 29:34যৌগমূলক।
  530. 29:36তাহলে এইটাকে ইংলিশে বলা হয় রেডিকেল।
  531. 29:42রেডিকেল। তাহলে রেডিকেলের সংজ্ঞা কি?
  532. 29:45বিভিন্ন মৌলের পরমাণু একসাথে। বিভিন্ন
  533. 29:52মৌলের
  534. 29:56পরমাণু বিভিন্ন
  535. 29:58মৌলের পরমাণু
  536. 30:04একত্রিত হয়ে বিভিন্ন মৌলের পরমাণু
  537. 30:08একত্রিত হয়ে
  538. 30:12একটি পরমাণু
  539. 30:15গুচ্ছ গঠন করে
  540. 30:22পরমাণু গুচছ গঠন করে একটি পরমাণু গুচ্ছ
  541. 30:25গঠন করে যা একটি পরমাণুর ন্যায় আচরণ করে
  542. 30:32কিসের ন্যায় পরমাণুর
  543. 30:35ন্যায় আচরণ করে
  544. 30:41আচরণ করে তাকে বলা হয় রেডিকেল যৌগমূলক বা
  545. 30:46রেডিকেল
  546. 30:49যৌগমূলক বা রেডিকেল তাহলে এই যে পরমাণু
  547. 30:52আচরণ করে এটার নাম কি? যৌগমূলক বা
  548. 30:55রেডিকেল। এখন এটা চেহারাটা কেমন? এ
  549. 30:58চেহারাটা বোঝো। এটা চেহারাটা আগে বোঝ
  550. 31:00ঠান্ডা মাথায় বোঝ। যেমন ধর আমি বললাম পি
  551. 31:05ঠান্ডা মাথায় বুঝ প এইচফ
  552. 31:09প্লাস।
  553. 31:11কেন প্লাস হল? আরো অনেক ব্যাখ্যা আছে।
  554. 31:13আপাতত শিখো। পিএইচফ প্লাস মানে এটা হল
  555. 31:16ফসফোনিয়াম। তাহলে ওর যোজনী ওর যোজনী এক।
  556. 31:21জানো পিএইচফ প্লাস এটার যোজনী এক
  557. 31:23ফসফোনিয়াম আরেকটা যৌগ আছে যৌগমূলক আছে
  558. 31:26এনইচ4 প্লাস এটা হচ্ছে অমোনিয়াম তাহলে
  559. 31:31অ্যামোনিয়ামের যোজনী হচ্ছে এক
  560. 31:34অমোনিয়ামের যোজনী কি এক এগুলো হচ্ছে
  561. 31:36ধনাত্মক যৌগমূলক আবার ধরো হাইড্রোক্সিল
  562. 31:40ওইচ মাইনাস ওর যোজনী এক3
  563. 31:44মাইনাস নাইট্রেট ওর যোজনী এক2
  564. 31:49মাইনাস নাইট্রাইট ওর যোজনী এক
  565. 31:53যোজনী এক আচ্ছা এইবার চিন্তা করে দেখোতো
  566. 31:58আমি যদি চিন্তা করি এসও4ট
  567. 32:01মাইনাস সালফেট ওর যোজনী দুই আবার সও3ট
  568. 32:09মাইনাস কার্বোনেট ওর যোজনী এক আবার এইটার
  569. 32:15ক্ষেত্রে আবার যদি বাইসালফেট চিন্তা করি
  570. 32:18এইচ এও4 মাইনাস এইটার নাম বাইসালফেট। ওর
  571. 32:22যোজনী কিন্তু এক। কার্বোনেট যোজনী এক।
  572. 32:27সালফেট যোজনী এক। সালফাইড
  573. 32:30এও3ট মাইনাস ওর যোজনী দুই। কিন্তু যদি
  574. 32:34চিন্তা করো ফসফেটের কথা পিও4
  575. 32:38পিও43
  576. 32:40মাইনাস ওর যোজনী তিন ফসফেট ওর যোজনী হচ্ছে
  577. 32:45তিন।
  578. 32:47তাহলে এইখানে তুমি যা দেখতে পাচ্ছ এইখানে
  579. 32:50তুমি যা দেখতে পাচ্ছ ও দিয়ে যদি আমি একটা
  580. 32:53সংকেত লেখার ট্রাই করি সংকেত তাইলে কি হবে
  581. 32:56দেখো ঠান্ডা মাথায় ভাবো চিন্তা করো
  582. 33:00সোডিয়াম ওর যোজনী এক কেন ওর যোজনী এক কেন
  583. 33:05কারণ স্যার এই যে এখানে সোডিয়ামের যোজনী
  584. 33:07এক ধাতু ম্যাগনেশিয়ামের যোজনী দুই জিংক
  585. 33:12ওর যোজনী দুই অ্যালুমিনিয়াম ওর যোজনী তিন
  586. 33:17হ্যা সিলিকন ওর যোজনী চার এগুলো ছকে লেখা
  587. 33:21আছে। এখন যদি স্যার আমি সোডিয়াম ওর যোজনী
  588. 33:24যে এক তার সাথে সালফেট কে চিন্তা করি
  589. 33:29সালফেট যার যোজনী দুই তাহলে ভাবতো কি হবে?
  590. 33:33তাহলে এই দুই এখানে আসবে আর এই এক এখানে
  591. 33:37আসবে। তখন এটার সংকেতটা হবে এরকম এ2
  592. 33:43এ4
  593. 33:45বুঝছো এইটার নাম দাঁড়াবে এইটার নাম
  594. 33:51দাঁড়াবে সোডিয়াম
  595. 33:54সালফেট
  596. 33:56সোডিয়াম সালফেট আচ্ছা এইবার এই
  597. 34:00সোডিয়ামটা যদি হাইড্রোক্সিলের সাথে যুক্ত
  598. 34:04হইতো হাইড্রোক্সিলের সাথে যুক্ত হইতো
  599. 34:07তাহলে
  600. 34:08সোডিয়ামের যোজনী এক হাইড্রোক্সিলের যোজনী
  601. 34:11এক কোন সন্দেহ নাই এক এক কাটা তাহলে ওয়ান
  602. 34:14ওয়ান অর্থাৎ সোডিয়াম ওয়ান হাইড্রোক্সিল
  603. 34:18ওয়ান এভাবে লেখার কোন দরকার নাই তখন আমরা
  604. 34:21কি লিখতাম এই সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  605. 34:26এই ওইচ ওর নাম হাইড্রোক্সিল কিন্তু এখানে
  606. 34:29যখন যৌগের নাম উচ্চারিত হবে তখন আমরা
  607. 34:32এখানে লিখবো হচ্ছে এইটা সোডিয়াম
  608. 34:37হাই হাইড্রোক্সাইড
  609. 34:41হাইড্রোক্সাইড
  610. 34:43সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড আবার তুমি চিন্তা
  611. 34:47করো এই সোডিয়ামের সাথে যখন ফসফেট হবে
  612. 34:53সোডিয়াম দিয়ে বুঝাই তাহলে সোডিয়ামের
  613. 34:56যোজনী তো এক এটা আমরা জানি ফসফেটের যোজনী
  614. 35:02তিন তাইলে এখন এই তিন যদি এখানে আসার এক
  615. 35:05এখানে আসে তাহলে ওর চেহারাটা কি হবে
  616. 35:08স্যার? ওর চেহারাটা হবে এ3
  617. 35:12পিও4
  618. 35:14সোডিয়াম ফসফেট এ3
  619. 35:18তহলে এই যৌগটার নাম কি দাঁড়াবে? এই
  620. 35:21যৌগটার নাম দাঁড়াবে
  621. 35:24সোডিয়াম
  622. 35:26সোডিয়াম
  623. 35:28ফসফেট।
  624. 35:30সোডিয়াম ফসফেট। আচ্ছা এটা গেল একটা
  625. 35:33নমুনা। এটা গেল একটা নমুনা। আচ্ছা এইবার
  626. 35:38স্যার সেইম জিনিসটা যদি এমন হইতো যে স্যার
  627. 35:40আমি ক্যালসিয়ামের সাথে ফসফেট চিন্তা করছি
  628. 35:44বা ক্যালসিয়ামের সাথে। এখন দেখো
  629. 35:47ক্যালসিয়াম আর ফসফেট। এই ক্যালসিয়ামের
  630. 35:50যোজনী কিন্তু দুই। ফসফেটের যোজনী তিন।
  631. 35:55তাহলে এই তিন যদি এখানে আসে আর দুই যদি
  632. 35:58এখানে আসে তাহলে ওর চেহারাটা হচ্ছে সি3
  633. 36:02পিও4 হোলটু।
  634. 36:05এই যৌগটার নাম হচ্ছে ক্যালসিয়াম ফসফেট।
  635. 36:10এটার নাম কি? এইটার নাম হচ্ছে
  636. 36:13ক্যালসিয়াম।
  637. 36:16ক্যালসিয়াম
  638. 36:22ফসফেট।
  639. 36:25ক্যালসিয়াম ফসফেট।
  640. 36:27তাহলে স3 পিও4 হোলট। এখন প্রশ্ন হচ্ছে এখন
  641. 36:32প্রশ্ন হচ্ছে
  642. 36:34ক্যালসিয়াম ফসফেট আমি বুঝলাম। এখন যদি
  643. 36:37আমি চিন্তা করি জিংক
  644. 36:40আর সালফেট। জিংকের যোজনী কত? দুই।
  645. 36:44সালফেটের কত? দুই। হ্যা। তাহলে এই দুই আর
  646. 36:50এই দুই সমান সমান। তাহলে এইটার নাম হচ্ছে
  647. 36:56জিংক সালফেট।
  648. 36:58এসও4
  649. 37:00জিংক সালফেট। এফ দুই দিয়ে কাটা। আবার আমি
  650. 37:06যদি এমনে চিন্তা করতাম অ্যালুমিনিয়াম আর
  651. 37:09অক্সিজেন তাহলে অ্যালুমিনিয়াম আর
  652. 37:13অক্সিজেন। ঠান্ডা মাথায় ভেবে দেখো
  653. 37:15অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী তিন অক্সিজেনের
  654. 37:19দুই তাহলে এইটা যদি এইখানে আসে আর এইটা
  655. 37:22যদি এখানে আসে তাহলে ওদের চেহারা মিলে হয়
  656. 37:25কি অ্যালুমিনিয়াম
  657. 37:27অক্সাইড এই যৌগের নাম হচ্ছে
  658. 37:30অ্যালুমিনিয়াম অক্সাইড এই যৌগের নাম
  659. 37:35অ্যালুমিনিয়াম
  660. 37:38মিনিয়াম অক্সাইড
  661. 37:42এভাবে লিখতে লিখতে
  662. 37:44শেষ হবে না। এভাবে লিখতে লিখতে শেষ হবে
  663. 37:47না। এবার তোমরা যদি একটু প্র্যাকটিস করো,
  664. 37:50একটু যদি প্র্যাকটিস করো নিজেরা নিজেদের
  665. 37:53মধ্যে তোমরা যারা কেমিস্ট্রি ভয় পাও যে
  666. 37:56কারণে কেমিস্ট্রি ভয় পাও। ওই ভয়ের
  667. 37:59কারণটাকে উড়ায় ফেলো। ভয়ের কারণটাকে উড়ায়
  668. 38:02ফেলো। যেমন মনে করো নাইট্রেট।
  669. 38:04অ্যালুমিনিয়াম নাইট্রেট। আমি লিখবো। হ্যা।
  670. 38:07ধর অ্যালুমিনিয়াম
  671. 38:10নাইট্রেট।
  672. 38:11তো অ্যালুমিনিয়ামের
  673. 38:14যোজনী হচ্ছে তিন। নাইট্রেটের যোজনী এক।
  674. 38:19তাহলে এবার এই অ্যালুমিনিয়াম
  675. 38:23এই নাইট্রেট চিন্তা করো তাহলে এইটা হচ্ছে
  676. 38:27এও3
  677. 38:31হোলথ
  678. 38:33এন3 হোলথ নাম হচ্ছে অ্যালুমিনিয়াম
  679. 38:36নাইট্রেট।
  680. 38:39অ্যালুমিনিয়াম নাইট্রেট। Alno3 হোল থ্রি
  681. 38:43অ্যালুমিনিয়াম নাইট্রেট। কিন্তু যদি আমি
  682. 38:46বলতাম অ্যালুমিনিয়াম সালফেট
  683. 38:50বা হ্যাঁ অ্যালুমিনিয়াম সালফেট তখন কি
  684. 38:52হইতো? এই যে অ্যালুমিনিয়াম
  685. 38:54এই যে অ্যালুমিনিয়াম
  686. 38:57আর এইটা হচ্ছে সালফেট। তাহলে
  687. 39:00অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী তিন।
  688. 39:04সালফেটের যোজনী দুই। তাহলে এই দুই যদি
  689. 39:07এখানে আসে আর এই তিন এখানে যায় তাহলে
  690. 39:10সংকেতটা কি হবে? এ2
  691. 39:13এ4
  692. 39:15হলথ এটার নাম কি? এটার নাম অ্যালুমিনিয়াম
  693. 39:19সালফেট।
  694. 39:21তাহলে স্যার এইখানে যে লেখা আছে এইখানে যে
  695. 39:24লেখা আছে এইযে তিন এই তিনটা স্যার কোথায়
  696. 39:28লেখা? এই যে যোজনী তিন নাইট্রোজেন যোজনী
  697. 39:31তিন ফসফরাস যোজনী তিন অ্যালুমিনিয়াম
  698. 39:34যোজনী তিন আয়রনের ইক তিন গোল্ডের ইকতিন
  699. 39:40গোল্ড অরম এ ইউ অরম এখন ফসফরাসের যোজনী
  700. 39:45তিন না তিন তলে এবার চিন্তা করে দেখো সে
  701. 39:47ফর এক্সাম্পল এইটা হইলো ফসফরাস এইটা হল
  702. 39:50ক্লোরিন আবার ধরো ফসফরাস আর ক্লোরিন তো
  703. 39:54ফসফরাসের যোজনীতো তিনও আছে পাঁচও আছে
  704. 39:57তাহলে তাহলে তিন ও পাঁচ যদি থাকে তাহলে এই
  705. 40:01যে ফসফরাসের যোজনী এখানে তিন এখানে
  706. 40:03ক্লোরিনের তো অলওয়েজ এক ফসফরাসের পাঁচ আর
  707. 40:07ক্লোরিনের এক তাহলে এই যে ওয়ান
  708. 40:11আর এই যে ওয়ান তো এই যে ওয়ান এই যে ওয়ান
  709. 40:16তো এখানে
  710. 40:18পি সিএল3
  711. 40:20আর এইটা হচ্ছে পিসিএল5
  712. 40:24তো পিসিএল3 মানে ফসফরাস ট্রাইক্লোরাইড
  713. 40:28পিসিএল ফাইভ মানে ফসফরাস পেন্টাক্লোরাইড।
  714. 40:33তহলে কেন ট্রাই আর পেন্টা হইলো? ওইযে আমি
  715. 40:35একটু আগে লিখে আসছি এখানে এখানে যে লিখে
  716. 40:37আসছি ওই যে এখানে যে এক মানে মনো, দুই
  717. 40:41মানে ডাই, তিন মানে ট্রাই, চার মানে
  718. 40:43টেট্রা। পাচ মানে পেন্টা। এই পেন্টাটা
  719. 40:46আসবে এখানে। তখন এই যৌগের নাম হবে এইটার
  720. 40:50নাম হবে ফসফরাস ট্রাই ক্লোরাইড।
  721. 40:55ফসফরাস
  722. 40:58ট্রাই
  723. 41:00ক্লোরাইড।
  724. 41:04আর এটার নাম হচ্ছে
  725. 41:08ফসফরাস
  726. 41:13পেন্টাক্লোরাইড।
  727. 41:17ফসফরাস পেন্টাক্লোরাইড।
  728. 41:20দ্যাটস ইট। এখানে এই স্লাইডটাতে আমি
  729. 41:23যতটুকু লিখেছি একটা স্টুডেন্ট বা একটা
  730. 41:26টিচার যেই হোক সাধারণ একটা মানুষ বুঝতে
  731. 41:29পারবে যে রাসায়নিক সংকেত লেখার নিয়ম কি।
  732. 41:32এখানে আমি যতটুকু লিখেছি যদি তোমাদের
  733. 41:35বোধগম্য হয়ে থাকে চিন্তা করো ভাবো আরেকটু
  734. 41:39ডিটেইল ভাবো তাহলে তোমাদের কাছে জিনিসগুলো
  735. 41:41ক্লিয়ার হবে।
  736. 41:44এখানে যে জিনিসগুলো লেখা আছে যেমন ধরো আমি
  737. 41:48কেমনে বুঝাই ধরো ক্যালসিয়াম
  738. 41:51আর ফ্লোরিন একসাথে হবে তাহলে
  739. 41:54ক্যালসিয়ামের যোজনী দুই তাই না দুই তাহলে
  740. 41:57এখানে সংকেত হবে ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড
  741. 42:02ক্যালসিয়াম ফ্লোরাইড বুঝাইতে পারছি আবার
  742. 42:06চিন্তা করো মানে সোডিয়ামের সাথে যদি
  743. 42:09আয়োডিন হয় তাহলে সোডিয়ামের সাথে আয়োডিন
  744. 42:13হইলে সোডিয়াম আয়োডাইড হবে। সেম সেম কোন
  745. 42:16সমস্যা নাই। কিন্তু ম্যাগনেশিয়ামের সাথে
  746. 42:18যখন ক্লোরিন আসবে ধর এই যে ক্লোরিন এই
  747. 42:22ম্যাগনেশিয়ামের সাথে বা ম্যাগনেশিয়ামের
  748. 42:24সাথে ব্রোমিন আসলো। তাইলে তখন এটা হবে
  749. 42:27এমজিবিআরট।
  750. 42:30এটার নাম হবে ম্যাগনেশিয়াম ব্রোমাইড।
  751. 42:33তো অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী তো তিন। তাহলে
  752. 42:36অ্যালুমিনিয়াম যখন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত
  753. 42:38হবে তখন এটা হবে এ2ও3।
  754. 42:42আয়রন যখন ক্লোরিনের সাথে যুক্ত হবে তখন
  755. 42:46এটা হবে এফ সিএল3।
  756. 42:50গোল্ড যখন ক্লোরিনের সাথে যুক্ত হবে তখন
  757. 42:53ওর নাম হবে ওরিক ক্লোরাইড।
  758. 42:57টিন চার যোজনী। তহলে টিন যখন ক্লোরিনের
  759. 43:00সাথে যুক্ত হবে তখন এইটার নাম হবে স্টেনিক
  760. 43:05ক্লোরাইড। আবার লেড যখন ক্লোরিনের সাথে
  761. 43:09যুক্ত হবে তখন ওর নাম হবে প্লাম্বিক
  762. 43:12ক্লোরাইড। সালফার যখন অক্সিজেনের সাথে
  763. 43:16যুক্ত হবে সালফার অক্সিজেনের সাথে। তখন
  764. 43:19উচ্চারণ হবে সালফার ডাইঅক্সাইড। আবার
  765. 43:23সালফার যখন অক্সিজেনের সাথে এইভাবে যুক্ত
  766. 43:25হবে তখন তার নাম হবে সালফার ট্রাইঅক্সাইড।
  767. 43:28এখানে সালফারের যোজনী কত? চার। এখানে
  768. 43:31সালফারের যোজনী ছয়।
  769. 43:34কার্বন যখন অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হবে তখন
  770. 43:36এটা হবে কার্বন মনোঅক্সাইড। আবার কার্বন
  771. 43:39যখন দুইটা অক্সিজেনের সাথেও যুক্ত হতে
  772. 43:42পারে তখন নাম হবে
  773. 43:44কার্বন ডাইঅক্সাইড। নাইট্রোজেন যখন
  774. 43:47হাইড্রোজেনের সাথে যুক্ত হয় তখন তার নাম
  775. 43:50হয় অ্যামোনিয়া। নাইট্রোজেন যখন ক্লোরিনের
  776. 43:53সাথে যুক্ত হয় তখন নাম হয় নাইট্রোজেন
  777. 43:55ট্রাইক্লোরাইড।
  778. 43:57আবার নাইট্রোজেন যখন অক্সিজেনের সাথে
  779. 43:59যুক্ত হয় তখন নাম হয় নাইট্রোজেন
  780. 44:02ডাইনাইট্রোজেন ট্রাইঅক্সাইড। ফসফরাস যখন
  781. 44:05অক্সিজেনের সাথে যুক্ত হয় তখন নাম হয়
  782. 44:08ফসফরাস পেন্টঅক্সাইড। ট্রাইঅক্সাইড।
  783. 44:11ফসফরাসের সাথে অক্সিজেন আবার পাঁচ যৌগ
  784. 44:14হয়ে যুক্ত হয়। এটার নাম হচ্ছে ফসফরাস
  785. 44:15পেন্টসাইড।
  786. 44:17ফসফেট একটা যৌগমূলক। তো ও যখন
  787. 44:21ক্যালসিয়ামের সাথে যুক্ত হবে তখন এইটার
  788. 44:23সংকেত হবে ca3 পিও4 হোলট মিস করা যাবে না
  789. 44:29আবার সোডিয়াম যখন ফসফেটের সাথে যুক্ত হবে
  790. 44:32তখন এইটা হবে এ3 পিও4
  791. 44:38এটা হচ্ছে সোডিয়াম ফসফেট তো এটা শেষ করা
  792. 44:41যায় না এখানে যৌগের সংকেত লেখা শুরু করলে
  793. 44:44অন্ততপক্ষে দুই ঘন্টা সময় লাগবে মোটামুটি
  794. 44:48পরিচিত যৌগগুলাকে লিখতে
  795. 44:50তো এই কারণে এই জিনিসগুলাকে ভালোবেসে
  796. 44:52পড়তে হয়। আবার যেমন ধর এইযে পটাশিয়াম।
  797. 44:56তো পটাশিয়ামের সাথে যখন ক্লোরিন যুক্ত
  798. 44:58হয় এটার নাম পটাশিয়াম ক্লোরাইড। আবার
  799. 45:01পটাশিয়ামের সাথে যখন অক্সিজেন যুক্ত হয়
  800. 45:04এটার নাম পটাশিয়াম অক্সাইড।
  801. 45:07জিংকের সাথে যখন ক্লোরিন যুক্ত হবে তখন
  802. 45:10তার নাম জিংক ক্লোরাইড। কিন্তু জিংকের
  803. 45:13সাথে যখন সালফেট যুক্ত হবে তখন তার নাম
  804. 45:16হচ্ছে জিংক সালফেট। কপারের সাথে যখন
  805. 45:21সালফার যুক্ত হবে কপার সালফেট যুক্ত হবে
  806. 45:24কপার। তহলে তার নাম হবে
  807. 45:27কিউপ্রিক সালফার কছে? এইযে সালফার। তো
  808. 45:30সালফারের সাথে অক্সিজেন, সালফারের সাথে
  809. 45:34অক্সিজেন, কার্বনের সাথে অক্সিজেন,
  810. 45:38কার্বনের সাথে অক্সিজেন, অন্য যেকোন কিছুর
  811. 45:40সাথে অক্সিজেন। এটা হচ্ছে জাস্ট একটু
  812. 45:42দেখানোর জন্য। চেহারাটা এইরকম। তাহলে
  813. 45:45স্যার পরীক্ষায় কেমন প্রশ্ন আসবে?
  814. 45:47পরীক্ষায় প্রশ্ন আসবে এরকম।
  815. 45:50সালফার ডাইঅক্সাইড
  816. 45:52একটা সালফার। এটা একটু মাথায় রাখো। একটা
  817. 45:56সালফারের সাথে অক্সিজেন এইভাবে যুক্ত
  818. 45:58থাকে। তাহলে এখানে সালফারের যোজনী চার
  819. 46:03কারণ অক্সিজেনের দুই তাহলে দুইটা হাতে
  820. 46:05অক্সিজেনকে দুই দুইটা অক্সিজেনকে ধরতে
  821. 46:08গেলে সালফারের যোজনী চার হইতে হবে
  822. 46:11সালফারের যোজনী চার পরীক্ষায় এরকম প্রশ্ন
  823. 46:14আসবে নিচের কোন মূল যোজনী দুই ও তিন দুই
  824. 46:19এবং তিন অবশ্যই আয়রন কারণ গোল্ড এইযে দেখো
  825. 46:23একটু আগে দেখো এইযে এখানে দেখো গোল্ড
  826. 46:25কোথায় আছে এখানে গোল্ড কোথায় আছে এইযে
  827. 46:29তিনে আছে গোল্ড তিনে গোল্ড আছে এবং
  828. 46:32এইখানেও আছে এইযে গোল্ড তাহলে এখানে
  829. 46:35গোল্ডের ক্ষেত্রে যোজনী হইতে পারে এক আর
  830. 46:40তিন ক্লোরিনের ক্ষেত্রে কোন কোন ক্ষেত্রে
  831. 46:42একও হয় আবার সাতও হয় নাইট্রাইট যৌগমূলকের
  832. 46:47যোজনী এক তাহলে দুই আর তিন কেবলমাত্র
  833. 46:51আয়রনের হবে
  834. 46:54কোনটি ধনাত্মক যৌগমূলক অবশ্যই অবশ্যই এটা
  835. 46:57অ্যামোনিয়াম হবে কেন অ্যামোনিয়ামের সংকেত
  836. 47:01হচ্ছে এচ4
  837. 47:03প্লাস কেন ধনাত্মক সামনে বুঝাবো নাইনের
  838. 47:06কোর্সে বুঝাবো ইনশাআল্লাহ এখানে হচ্ছে
  839. 47:08সালফেট তো সালফেট হচ্ছে এও4ট
  840. 47:13মাইনাস কার্বনেট সও3ট
  841. 47:16মাইনাস
  842. 47:18ফসফেট পিও4থ
  843. 47:21মাইনাস এই হল ফসফেট
  844. 47:26বুঝাতে পারছি এবার নিচের কোনটি চুনা
  845. 47:30পাথরের সংকেত? যখন চুনা পাথর আসবে সাথে
  846. 47:33সাথে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট কে মনে করবা
  847. 47:37এই ক্যালসিয়াম কার্বোনেট কিসের সংকেত?
  848. 47:40চুনা পাথর। আর চুন চুন। এই ক্যালসিয়াম
  849. 47:45অক্সাইড। এইটা হচ্ছে চুনের সংকেত।
  850. 47:48ক্যালসিয়াম
  851. 47:50হাইড্রোক্সাইড।
  852. 47:52এইটা হচ্ছে চুনের পানির সংকেত।
  853. 47:58স্ল্যাক্ট লাইম স্লট ভেজা তাহলে কোনটা
  854. 48:02চুনের বা চুনা পাথর এটা হচ্ছে ক্যালসিয়াম
  855. 48:04কার্বোনেট কপার সালফেট না
  856. 48:08অ্যালুমিনিয়াম অ্যামোনিয়াম নাইট্রেট
  857. 48:10পরীক্ষায় আসবে অ্যামোনিয়াম অমোনিয়াম
  858. 48:14ওর যোজনী কত এক এথ
  859. 48:18মাইনাস ওর যোজনী কত এক তাহলে একেক যদি
  860. 48:22এখানে আসে অবশ্যই এচফ এন3
  861. 48:27ডান এটা এমোনিয়াম নাইট্রেটের সংকেত বাকি
  862. 48:30একটাও ঠিক নাই
  863. 48:34এবার তাহলে স্যার আমি যদি এতক্ষণ ধরে খালি
  864. 48:38প্রতীক সংকেত যোজনী শিখি তাহলে স্যার
  865. 48:41সামনে তো আরো খেলা বাকি আছে তো রাসায়নিক
  866. 48:43সমীকরণটা কেমনে হবে স্যার সমীকরণের
  867. 48:46বিষয়টা হইলো মনে করো তোমার কাছে
  868. 48:50হাইড্রোজেন
  869. 48:52আছে এইবার হাইড্রোজেন এর সাথে তুমি
  870. 48:57অক্সিজেন দিলা এবং সাথে সাথে হাইড্রোজেন
  871. 49:02অক্সাইড উৎপন্ন হইলো যেটাকে আমরা ভালোবেসে
  872. 49:05পানি রাখি। এখন যারা বিক্রিয়া করলো এদেরকে
  873. 49:10বলা হয়
  874. 49:13বিক্রিয়ক।
  875. 49:15আর এইখানে যেটা উৎপন্ন হইলো এটার নাম
  876. 49:20উৎপাদ।
  877. 49:21বিক্রিয়ক এবং উৎপাদ। তাহলে স্যার চেহারাটা
  878. 49:25হইলো যখন হাইড্রোজেন
  879. 49:28আর অক্সিজেন বিক্রিয়া করে তখন আমি যদি
  880. 49:30একটা সমান চিহ্ন দেই তাহলে উভয় পক্ষে এটা
  881. 49:33সমতাকরণ করা সম্ভব তাহলে এইটার নাম হচ্ছে
  882. 49:36এইচ2o
  883. 49:38কিন্তু স্যার এখানে অক্সিজেন তো দুইটা
  884. 49:42পানির সংকেত লিখতে গেলে অক্সিজেনের সাথে
  885. 49:46দুইটা হাইড্রোজেন দেওয়া ছাড়া আমার কাছে
  886. 49:48উপায় নাই কেন নাই কারণ পানির সংকেতই এইটা
  887. 49:52এইটাই হইলো পানির সংকেত।
  888. 49:56এইটাই হলো পানির সংকেত। তাহলে এখানে
  889. 49:59অবশ্যই সমতাকরণ করা দরকার এবং সমতাকরণ
  890. 50:02করার জন্য এখানে দুই দিয়ে গুণ করতে হবে।
  891. 50:05তা না হলে এইখানে ঠুস করে অক্সিজেনের সাথে
  892. 50:08এখানে ঠুস করে মনে কর এখানে দুই বসায়
  893. 50:10দেওয়া যাবে না। এখানে দুই বসায় দেওয়া যাবে
  894. 50:13না। এটা সংকেতের মধ্যে পড়ে না। সুতরাং
  895. 50:17এখানে টুই থাকবে। আর টুই যদি থাকে তাহলে
  896. 50:20এখানে দুই দুই চার তাহলে হাইড্রোজেন দুইটা
  897. 50:22করা লাগবে। এইটা হচ্ছে একটা রাসায়নিক
  898. 50:26সমীকরণ। সমীকরণ হচ্ছে বিক্রিয়ার এমন একটা
  899. 50:30প্রকাশ যে সমান চিহ্নের পাশে বাম পাশে
  900. 50:35বিক্রিয়ক বা রিএক্টেন্ট
  901. 50:39রেখে এইখানে প্রোডাক্ট
  902. 50:43প্রোডাক্ট বা উৎপাদ
  903. 50:48নিয়ে আসার যে প্রসেস এটার নাম হচ্ছে
  904. 50:50রাসায়নিক বিক্রিয়া। আবার চিন্তা করো
  905. 50:54হ্যা আবার চিন্তা করো ধরো তোমরা
  906. 50:56নাইট্রোজেন চেয়ান জানো আর হাইড্রোজেন
  907. 50:59জানো হাইড্রোজেনের সংকেত এইচ2 আমি একটা
  908. 51:02সমান চিহ্ন দিলাম এবং এইখানে অ্যামোনিয়া
  909. 51:05হইল। তো অ্যামোনিয়ার সংকেত এনইচ3 আমি
  910. 51:08লিখতে বাধ্য। তো হাইড্রোজেন তো তিনটা।
  911. 51:11এখানে তো হাইড্রোজেন দুইটা। কিন্তু এখানে
  912. 51:14নাইট্রোজেন একটা। এখানে নাইট্রোজেন দুইটা
  913. 51:16সমান করতে হবে। সমান করার জন্য এইখানে দুই
  914. 51:20দিতে হবে।
  915. 51:22দুই দেওয়াতে হাইড্রোজেন হইছে তিন দুগুছ।
  916. 51:25তাহলে দিস সুড বি থ্রি। তাহলে এখানে এরা
  917. 51:30হইলো রিএক্টেন্ট।
  918. 51:34আর এরা হইলো
  919. 51:38প্রোডাক্ট।
  920. 51:40এরা কি? প্রোডাক্ট। তাহলে এই যে
  921. 51:42রিয়াক্ট্যান্ট আর এই যে প্রোডাক্ট। তাহলে
  922. 51:45বিক্রিয়ক উৎপাদ তৈরি করছে এবং আমরা
  923. 51:47রাসায়নিক সমীকরণকে এভাবেই প্রকাশ করি।
  924. 51:50সামনে আমরা বিক্রিয়া আস্তে আস্তে শিখবো।
  925. 51:53আস্তে আস্তে ভালোমতো শিখবো। এখানে কিছু
  926. 51:55নিয়ম কানুন আছে। যেটা আমার বলার দরকার
  927. 51:57নেই। এটা তোমরা বুঝে নিবা। এই জিনিস রিডিং
  928. 52:00পড়বা। রিডিং পড়ে চিন্তা করতে হবে। একটা
  929. 52:03টিচার সব বুঝায় দেওয়া উচিত না। একটা
  930. 52:05টিচারকে বলা উচিত যে কিভাবে বুঝতে হবে।
  931. 52:09এখন যদি আমি চিন্তা করি যে স্যার। সমতাকরণ
  932. 52:13তো স্যার আপনি একটু আগে দেখাইলেন। এটাকে
  933. 52:14একটু অন্যভাবে দেখানো যায় না। হ্যাঁ
  934. 52:16দেখানো যায়। যেমন ধরো এইটা হচ্ছে
  935. 52:20অ্যালুমিনিয়াম আর এইটা হল অক্সিজেন।
  936. 52:24আচ্ছা এখন অ্যালুমিনিয়াম আর অক্সিজেন যখন
  937. 52:28বিক্রিয়া করবে অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী
  938. 52:31তিন অক্সিজেনের যোজনী দুই। তাহলে স্যার এই
  939. 52:35দুইটা এখানে আর তিনটা এখানে আসে। তখন
  940. 52:38স্যার এইটার সংকেত হয় এট O3
  941. 52:43তাহলে আমি অ্যালুমিনিয়াম
  942. 52:46অক্সাইডে
  943. 52:49এ2o3 তে অ্যালুমিনিয়াম দুইটা অক্সিজেন
  944. 52:53তিনটা তাহলে সমতাকরণ করার জন্য কি করব
  945. 52:56স্যার? সমতাকরণ করার জন্য যদি আমি এইখানে
  946. 53:00দুই দেই দুই তাহলে স্যার এই যে দুই
  947. 53:05দেওয়াতে তিন দুগুনে ছয়টা অক্সিজেন হইলো
  948. 53:08স্যার কেমনে আমি যদি ওরে ভাঙ্গি তাহলে
  949. 53:11ভাঙলে এমন হবে যে এই দুই দিয়ে
  950. 53:14অ্যালুমিনিয়াম দুই হয় তাহলে তার মানে হইলো
  951. 53:18এখানে চারটা অ্যালুমিনিয়াম আছে আর এখানে
  952. 53:22দুই দিয়ে ওথ হয় তার মানে এখানে ছয়টা
  953. 53:25অক্সিজেন আছে
  954. 53:27ছয়টা অক্সিজেন 60 মনে করে না ছয়টা
  955. 53:29অক্সিজেন। তো এখানে চারটা অ্যালুমিনিয়ামকে
  956. 53:32সমতাকরণ করার জন্য আমার এখানে অবশ্যই চার
  957. 53:34দিয়ে গুণ দিতে হবে। আর এখানে ছয়টা
  958. 53:37অক্সিজেনকে ফিলাপ করার জন্য আমাকে এখানে
  959. 53:40তিন দিয়ে গুণ দিতে হবে। তাহলে এইখানে আমার
  960. 53:44চারটা অ্যালুমিনিয়াম হইলো। এইখানে আমার
  961. 53:47ছয়টা অক্সিজেন হইল। তাইলে শান্তিমত বলতে
  962. 53:51পারব এই বিক্রিয়কে যতটা পরমাণু আছে উৎপাদে
  963. 53:56ততটাই পরমাণু আছে। তাহলে এইটা হচ্ছে
  964. 54:00বিক্রিয়ক
  965. 54:04আর
  966. 54:07এইটা হল উৎপাদ।
  967. 54:09বিক্রিয়ক আর উৎপাদ। এটা হচ্ছে সমতাকরণের
  968. 54:13একটা ছোট্ট নমুনা দেখাইলাম। এইবার যদি
  969. 54:16স্যার অন্য আরেকটা দেখাই যেমন সে ফর
  970. 54:20এক্সাম্পল অ্যালুমিনিয়ামের সাথে ক্লোরিন
  971. 54:25অথবা একটু আগে ধর যে ভেরি সিম্পলি
  972. 54:30নাইট্রোজেন আর হাইড্রোজেনের যে কনসেপ্টটা
  973. 54:32দেখালাম একটু আগে যে নাইট্রোজেনের সংকেত
  974. 54:35এনট
  975. 54:37আর হাইড্রোজেনের সংকেত এইচ2 এরা যখন
  976. 54:41বিক্রিয়া করে তখন অ্যামোনিয়া উৎপন্ন হয়।
  977. 54:46তো অ্যামোনিয়া উৎপাদন করার জন্য
  978. 54:49হাইড্রোজেনের আগে নাইট্রোজেন তো একটা আছে।
  979. 54:52তো এটাকে যদি সমতাকরণ করতে হয় তাহলে এখানে
  980. 54:54দুই দিতে হবে। তাহলে এখানে দুই দেওয়াতে
  981. 54:58এইখানের কনসেপ্ট হচ্ছে এখানে নাইট্রোজেন
  982. 55:01আছে দুইটা। হাইড্রোজেন আছে ছয়টা।
  983. 55:04সমতাকরণ করার জন্য নাইট্রোজেন দুইটা তো
  984. 55:07এখানে ঠিকই আছে। এইখানে তিন দিতে হবে।
  985. 55:10তাহলে স্যার এইখানে নাইট্রোজেন দুইটা হবে।
  986. 55:14এইখানে হাইড্রোজেন ছয়টা হবে। তার মানে
  987. 55:18পরমাণুর সংখ্যা সমান।
  988. 55:22সমান। আরেকটা জিনিস তোমাদেরকে একটু বলে
  989. 55:24রাখি। সেটা হইলো যদি এমন হয় যে আমি
  990. 55:28অ্যালুমিনিয়াম
  991. 55:30আর অক্সিজেন
  992. 55:32বিক্রিয়া করছে। আমি যদি এখন এখানে একটা
  993. 55:35তীর চিহ্ন দিতাম স্যার। তীর চিহ্ন। তাইলে
  994. 55:39আমি A এ2O3
  995. 55:42লিখে দিলেই হইতো।
  996. 55:45কারণ ওই তীর চিহ্ন দিলে বিক্রিয়ক এবং
  997. 55:48উৎপাদের পরমাণুর সংখ্যা সমান করতে হয় না।
  998. 55:51তাহলে এখানে একটা সিম্পল লাইন সেটা হচ্ছে
  999. 55:58তীর চিহ্ন দিলে
  1000. 56:02উভয় পক্ষে
  1001. 56:06পরমাণুর সংখ্যা
  1002. 56:11সমান
  1003. 56:14করা
  1004. 56:16দরকার নাই।
  1005. 56:22উভয়পক্ষে পরমাণুর সংখ্যা সমান করার দরকার
  1006. 56:25নাই।
  1007. 56:27বুঝাতে পারছি? ওকে। এইবার বিক্রিয়া শুরু
  1008. 56:32হইলো। এবার সংযোজন বিক্রিয়া যদি আমি
  1009. 56:35চিন্তা করি সংযোজন এই কথাটার মানে হল
  1010. 56:38যুক্ত হওয়া। সংযোজন মানে যুক্ত হওয়া। এই
  1011. 56:44সংযোজন মানে যুক্ত হওয়ার কনসেপ্টটা কি?
  1012. 56:46একেবারে একটা সহজ জিনিস যে এক আর এক যোগ
  1013. 56:53করে কত হচ্ছে? দুই। দুই আর দুই যোগ করে কত
  1014. 56:58হচ্ছে? চার। এরকমের একটা জিনিস।
  1015. 57:01যেমন স্যার মনে করো একটু আগে যে এক্সাম্পল
  1016. 57:04গুলা লেখছে সেটা হচ্ছে হাইড্রোজেন আর
  1017. 57:08অক্সিজেন বিক্রিয়া করে কি হইলো পানি কয়
  1018. 57:12মোল পানি দুই মোল কয় মোল পানি দুই মোল
  1019. 57:16তাহলে এখানে হাইড্রোজেন দুই মোল আবার
  1020. 57:20ধরো
  1021. 57:22সালফার আর অক্সিজেন বিক্রিয়া করছে
  1022. 57:25বিক্রিয়া কইরা সালফার ডাইঅক্সাইড হচ্ছে
  1023. 57:29এটাও একটা সংযোজন
  1024. 57:31আবার ধরো
  1025. 57:33ফেরাস ক্লোরাইড
  1026. 57:36আর ক্লোরিন এরা যখন বিক্রিয়া করে তখন
  1027. 57:40এখানে উৎপন্ন হয় ফেরিক ক্লোরাইড ফেরি
  1028. 57:44ক্লোরাইডের আগে যদি দুই দেই তাহলে এখানে
  1029. 57:46ছয়টা হাইড্রোজেন হয় তাহলে এখানে দুইটা
  1030. 57:50দিলে এইবার বিক্রিয়াটা সমতাকরণ হয় তো
  1031. 57:54আসল কাহিনীটা হচ্ছে
  1032. 57:56দুইটি
  1033. 57:58দুইটি
  1034. 58:00মৌল
  1035. 58:02বা যৌগ
  1036. 58:05একত্রিত
  1037. 58:07হয়ে একত্রিত
  1038. 58:11হয়ে একটি
  1039. 58:14যৌগ গঠন করবে। একটি যৌগ গঠন করে। এটার নাম
  1040. 58:21হচ্ছে সংযোজন বিক্রিয়া। এইটার নাম সংযোজন
  1041. 58:25বিক্রিয়া।
  1042. 58:28এটার নাম কি বিক্রিয়া? সংযোজন বিক্রিয়া
  1043. 58:30মনে থাকবে
  1044. 58:33এবার এখানে তাকাও এটা একটু আগে দেখে আসছো
  1045. 58:37যে হাইড্রোজেন অফকোরস নাইট্রোজেনের সাথে
  1046. 58:41রিএকশন করে যখন অ্যামোনিয়া উৎপন্ন করে
  1047. 58:45দিশুড বিটু তো এনট বিক্রিয়াটা কি দিছে
  1048. 58:48বিক্রিয়াটা দিছে হচ্ছে এনট সরি আগে হচ্ছে
  1049. 58:53এইচ2 আর এনট বিক্রিয়া করে অমোনিয়া হইছে
  1050. 58:58তাহলে অবশ্যই এই হাইড্রোজেনের আগে তিন
  1051. 59:01দিতে হবে। তাহলে এখানে অনুপাত হচ্ছে 3ইওট
  1052. 59:10তাহলে এখানে এই যে থ্রি কিছু নাই বলে
  1053. 59:14এখানে ওয়ান আর কিছু আছে বলে এখানে টু
  1054. 59:16তাহলে অবশ্যই এটার অনুপাত হবে বা এটার
  1055. 59:20উত্তর হবে 32
  1056. 59:23ইজি না
  1057. 59:26এই বিক্রিয়ায় এক্স এর মান কোনটা পানি মানে
  1058. 59:29এখানে যে পানি হবে এটা পৃথিবীর সবাই জানে
  1059. 59:32কিন্তু এইচ2 বাট এইযে এইচ2O2 এই যৌগটার
  1060. 59:37নাম হচ্ছে হাইড্রোজেন
  1061. 59:41হাইড্রোজেন
  1062. 59:43কি পারক্সাইড
  1063. 59:49হাইড্রোজেন পারক্সাইড
  1064. 59:53এখনো সালফিউরিক এসিডে মজার জিনিস
  1065. 59:56সালফিউরিক এসিডের সংকেত হচ্ছে এইচ2 এসo4
  1066. 1:00:01এইখানে
  1067. 1:00:04দুইটা হাইড্রোজেন আছে। সালফার একটা আছে।
  1068. 1:00:09অক্সিজেন চারটা আছে। সমান সমান কয়টা আছে?
  1069. 1:00:13সাতটা আছে। পরমাণু এখানে পরমাণুর সংখ্যা
  1070. 1:00:17সাতটা। তোমাদের পরীক্ষায় এত সহজ যদি নাও
  1071. 1:00:21দেয় তখন কি দিতে পারে? যদি ধরি বলে
  1072. 1:00:24অ্যালুমিনিয়াম ফসফেট বা অ্যালুমিনিয়াম
  1073. 1:00:26সালফেট অণুসংখ্যা কত? আচ্ছা সেক্ষেত্রে
  1074. 1:00:29একটু কনসেপচুয়ালি একটু ঠান্ডা মাথায়
  1075. 1:00:31ভাবো। অ্যালুমিনিয়াম সালফেট। তাহলে সংকেত
  1076. 1:00:34হচ্ছে অ্যালুমিনিয়াম
  1077. 1:00:37সালফেট। অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী হইল
  1078. 1:00:40অ্যালুমিনিয়ামের যোজনী তিন। সালফেটের
  1079. 1:00:43যোজনী দুই। যদি তাই হয় তাই হয় তাহলে এই
  1080. 1:00:48দুই এখানে আর এই তিন এখানে। তাহলে এইটার
  1081. 1:00:52নাম হচ্ছে এ2
  1082. 1:00:55এও4 হোলথ।
  1083. 1:00:58এখন এই যৌগে
  1084. 1:01:01অ্যালুমিনিয়াম দুইটা
  1085. 1:01:04এখন ঠান্ডা মাথায় ভাবো এটা কিন্তু গুণ
  1086. 1:01:07আকারে নাই তাহলে সালফার তিনটা
  1087. 1:01:11সালফার তিনটা অক্সিজেন আগেই ছিল চার তিন
  1088. 1:01:15চারে 12 তাহলে অক্সিজেন হচ্ছে 12
  1089. 1:01:20তাহলে অ্যালুমিনিয়াম সালফাইড যৌগে
  1090. 1:01:23পরমাণুর সংখ্যা হচ্ছে 17 টা
  1091. 1:01:29বুঝাতে পারছি আমি যদি বলি এখন গ্লুকোজের
  1092. 1:01:32সংকেত কি গ্লুকোজ ঠান্ডা মাথায় বুঝো
  1093. 1:01:36গ্লুকোজ
  1094. 1:01:37এইটার সংকেত হচ্ছে সিক্স এইচটও
  1095. 1:01:42সিক্স তাহলে কার্বন এইখানে ছয়টা
  1096. 1:01:47হাইড্রোজেন 12 টা অক্সিজেন ছয়টা তাহলে
  1097. 1:01:52এখানে টোটাল পরমাণু 24 টা
  1098. 1:01:56পরমাণু 24 টা মোট পরমাণু মোট পরমাণু
  1099. 1:02:04কয়টা 24 টা ইজি না
  1100. 1:02:07সহজ না
  1101. 1:02:10সহজ
  1102. 1:02:13অ্যামোনিয়ার একটি অণুতে অ্যামোনিয়া এন
  1103. 1:02:17এইচ3
  1104. 1:02:19অন্ধের বাই কানাও জানে হাইড্রোজেন তিনটা
  1105. 1:02:23নাইট্রোজেন একটা অবশ্যই
  1106. 1:02:25এখানে আসার হচ্ছে চারটি।
  1107. 1:02:29তোমাদের পরীক্ষায় এরকম প্রশ্ন আসলে তোমরা
  1108. 1:02:31আনন্দে আসার করবা। আনন্দে এন্সার করবা।
  1109. 1:02:35এখানে আরেকটা বিক্রিয়া আছে। এটা বিযোজন
  1110. 1:02:37বিক্রিয়া। বিযোজন বিক্রিয়া। পটাশিয়াম
  1111. 1:02:41ক্লোরেড। এটা অত্যন্ত দামি একটা বিক্রিয়া।
  1112. 1:02:44হাসপাতালে ওই যে রোগীকে যখন অক্সিজেন দিতে
  1113. 1:02:48হয় তখন তখন এটা মাথায় রাখতে হবে যে এটা
  1114. 1:02:51হয়। যে পটাশিয়াম ক্লোরেডকে তাপ দিতে হয়।
  1115. 1:02:53পটাশিয়াম ক্লোরেড কে তাপ দিলে এইদিকে
  1116. 1:02:57উৎপন্ন হবে পটাশিয়াম ক্লোরাইড আর
  1117. 1:02:59অক্সিজেন।
  1118. 1:03:02এখন অক্সিজেন তো দুইটা এখানে তিনটা। জীবনে
  1119. 1:03:04কোনদিন সমতাকরণ করা যাইতে গেলে এখানে
  1120. 1:03:07অবশ্যই থ্রি দিতে হবে। তাহলে তিন দুগছয়
  1121. 1:03:11হয়। তাহলে এখানে তিনটাকে ছয় বানাইতে
  1122. 1:03:14গেলে অবশ্যই দুই দিতে হবে। আর দুই দিতে
  1123. 1:03:16গেলে এখানে পটাশিয়াম ক্লোরাইড দুইটা
  1124. 1:03:18লাগবে। তাহলে এ চিহ্নিত স্থানে উৎপন্ন
  1125. 1:03:21গ্যাসটির তাহলে এই এ চিহ্নিত স্থানে
  1126. 1:03:24উৎপন্ন গ্যাসটির পরমাণুর সংখ্যা অক্সিজেন
  1127. 1:03:27হচ্ছে তিনটা অণু দুই পরমাণু দ্যাট ইজ
  1128. 1:03:31সিক্স তাহলে এইটা হল ছয় এই যে প্রশ্ন
  1129. 1:03:35এইভাবে হবে যে এই এ হচ্ছে একটা গ্যাস এন্ড
  1130. 1:03:40দ্যাট গ্যাস ইস অক্সিজেন
  1131. 1:03:43তিন মোলতন
  1132. 1:03:45ইদ সমানছয়
  1133. 1:03:49এবং এই জিনিস পারা অনেক সহজ।
  1134. 1:03:53অনেক সহজ।
  1135. 1:03:56দহন বিক্রিয়া। দহন। এই শব্দটার ইংলিশ
  1136. 1:04:01হচ্ছে কম্বাসন।
  1137. 1:04:05কম্বাশন শব্দের মানে হচ্ছে পুড়িয়ে ফেলা।
  1138. 1:04:08পুড়িয়ে ফেলা। যখন কোন কিছুকে পুড়ানো হয়
  1139. 1:04:14যেকোন কিছু। সে ফর এক্সাম্পল তো একটা
  1140. 1:04:17সিম্পল জিনিস চিন্তা করো। কার্বনের সাথে
  1141. 1:04:20অক্সিজেন বিক্রিয়া করে কি হয়? কার্বন
  1142. 1:04:22ডাই অক্সাইড।
  1143. 1:04:25কার্বন ডাই অক্সাইড। সালফারের সাথে
  1144. 1:04:27অক্সিজেন বিক্রিয়া করে কি হয়? সালফার
  1145. 1:04:31ডাই অক্সাইড। ফসফরাসের সাথে অক্সিজেন
  1146. 1:04:36বিক্রিয়া করে কি হয়? ফসফরাস
  1147. 1:04:39পেন্টাঅক্সাইড।
  1148. 1:04:41ফসফরাস পেন্টা অক্সাইড। পিটওফ
  1149. 1:04:45এখন পিটওফ যে লিখলাম তাতেও তো সমান হয়
  1150. 1:04:48নাই তাহলে অবশ্যই সমতাকরণ করার জন্য এখানে
  1151. 1:04:51দিতে হবে টু পিটফ তাহলে দিস সুডবি ফর এন্ড
  1152. 1:04:56দিস সুডবি ফাই
  1153. 1:04:58পটফ
  1154. 1:05:00এখন আমি যদি ম্যাগনেশিয়ামকে পড়াই
  1155. 1:05:04ম্যাগনেশিয়ামকে
  1156. 1:05:06পড়াই তাহলে এখানে উৎপন্ন হবে
  1157. 1:05:09ম্যাগনেশিয়াম
  1158. 1:05:10অক্সাইড
  1159. 1:05:12এখানে যত কিছু করানো হচ্ছে সব জায়গায়
  1160. 1:05:15অক্সিজেন আছে না তার মানে যেকোন কিছুকে
  1161. 1:05:18পোড়ানো অর্থাৎ আগুনের উপস্থিতিতে পড়ানো
  1162. 1:05:21মানে অক্সিজেনের সাথে বিক্রিয়া তাহলে
  1163. 1:05:23যেকোন পোড়ানো পোড়ানো হ্যা পুড়িয়ে ফেলা
  1164. 1:05:28পোড়ানো
  1165. 1:05:29এইটার মানে হচ্ছে দহন এবং দহন মানে
  1166. 1:05:34অক্সিজেন যুক্ত
  1167. 1:05:39হওয়া
  1168. 1:05:40অক্সিজেন যুক্ত হওয়া
  1169. 1:05:42ইজি
  1170. 1:05:45বহুনির্বাচনীর প্রশ্ন গাড়ো ধুষর বর্ণের
  1171. 1:05:48হঠাৎ করে স্যার কোত থেকে ধুষর বর্ণের
  1172. 1:05:50পদার্থ আসলো এটা কোথায়? আচ্ছা এই যে ধুষর
  1173. 1:05:54বর্ণটা এটা তোমাদের বইয়ে ফেরাস সালফেটের
  1174. 1:05:57ক্ষেত্রে লেখা আছে। এখানে আমি যত কথা বলছি
  1175. 1:06:00তোমরা ঠান্ডা মাথায় যারা বুঝছো একটু যদি
  1176. 1:06:02ঠান্ডা মাথায় একটু রিভিশন দাও ক্লিয়ার
  1177. 1:06:04হবে। দেখো এখানে লেখা আছে বস্তুটি থেকে
  1178. 1:06:07গেল সেটা ধুষর বর্ণের।
  1179. 1:06:10একটু রিডিং দিও। এই যে ধুষার বর্ণের
  1180. 1:06:12পদার্থ হচ্ছে ফেরাস সালফাইড।
  1181. 1:06:17এখন প্রশ্ন যদি হয় যে সালফারের কালার
  1182. 1:06:20কেমন? তাহলে সালফারের কালার হচ্ছে হলুদ
  1183. 1:06:22রঙের। তোমরা এই লাইনগুলারে অবশ্যই পড়বা।
  1184. 1:06:27তাহলে এখানে দূষর বর্ণের পদার্থ কি? দূষর
  1185. 1:06:29বর্ণের পদার্থ হচ্ছে ফেরাস সালফেট।
  1186. 1:06:33এককর্ডিং টু ইউর বুক।
  1187. 1:06:36এই যে বিক্রিয়া জীবনভর
  1188. 1:06:39কার্বন ডাইঅক্সাইড আর ক্যালসিয়াম
  1189. 1:06:44হাইড্রোক্সাইড এর বিক্রিয়ায় আজীবন
  1190. 1:06:47ক্যালসিয়াম কার্বোনেট হইছে আর পানি হইছে।
  1191. 1:06:52ক্যালসিয়াম কার্বোনেট কি? চুনা পাথর।
  1192. 1:06:54তাহলে এইখানে উৎপন্ন হবে ক্যালসিয়াম
  1193. 1:06:56কার্বোনেট। এন্ড দ্যাটস কলড চুনা
  1194. 1:07:02পাথর।
  1195. 1:07:05এই যে বিক্রিয়া যে একটা মৌল আরেকটা মৌল
  1196. 1:07:10বাট দিস ইস নট অক্সিজেন। এরা বিক্রিয়া
  1197. 1:07:12করে একটা যৌগ উৎপন্ন হয়েছে জিংক সালফাইড।
  1198. 1:07:15এটা নিশ্চিতভাবে সংযোজন বিক্রিয়া।
  1199. 1:07:19বিয়োজন বিক্রিয়া হচ্ছে ভাঙ্গন
  1200. 1:07:21বিক্রিয়া। অর্থাৎ এই বিক্রিয়াটা হচ্ছে
  1201. 1:07:24এরকম চার ভেঙ্গে দুই আর দুই হইছে।
  1202. 1:07:30প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। এটা হচ্ছে
  1203. 1:07:32প্রতিস্থাপন মানে হচ্ছে এক্সচেঞ্জ। অর্থাৎ
  1204. 1:07:35একটার জায়গায় আরেকটাকে সরায় দিতে হবে।
  1205. 1:07:37দহন মানে হচ্ছে পোড়ানো। পোড়ানো।
  1206. 1:07:41দহন এই শব্দটার মানে পোড়ানো।
  1207. 1:07:46চুনের পানিতে তো চুনের পানি। চুন যদি
  1208. 1:07:51পানির সাথে বিক্রিয়া করে তাইলে আমরা ওকে
  1209. 1:07:55ভালোবেসে চুনের পানি বলি। তাই না? চুনের
  1210. 1:08:00পানি বলি। চুন এই সংকেত হচ্ছে ক্যালসিয়াম
  1211. 1:08:03অক্সাইড। পানির সাথে বিক্রিয়া করার পর
  1212. 1:08:08এইটা হচ্ছে চুনের পানি ক্যালসিয়াম
  1213. 1:08:11হাইড্রোক্সাইড
  1214. 1:08:12এবং এই চুনের পানিতে ক্যালসিয়াম
  1215. 1:08:16হাইড্রোক্সাইডে একটু আগে পড়লাম কার্বন
  1216. 1:08:19ডাইঅক্সাইড চালাইলে ক্যালসিয়াম কার্বোনেট
  1217. 1:08:23হয় আর পানি হয়। তা একটু আগে আমি যেটা
  1218. 1:08:27পড়ছি ক্যালসিয়াম কার্বোনেট।
  1219. 1:08:30এই বিক্রিয়া না পারার কোন রিজন নাই। কোন
  1220. 1:08:33রিজন নাই। তো চুনের পানি এবং কার্বন
  1221. 1:08:36ডাইঅক্সাইডের বিক্রিয়ায় অবশ্যই চুনের
  1222. 1:08:39চুনা পাথর উৎপন্ন হবে। চুনের পানি ঘোলা
  1223. 1:08:42হবে। ক্যালসিয়াম অক্সাইড উৎপন্ন হয় না।
  1224. 1:08:47কারণ চুনের পানিটাই হচ্ছে ক্যালসিয়াম
  1225. 1:08:53হাইড্রোক্সাইড। এটার সাথে কার্বন
  1226. 1:08:56ডাইঅক্সাইডের বিক্রিয়ায় ক্যালসিয়াম
  1227. 1:08:59কার্বোনেট হবে
  1228. 1:09:01আর পানি হবে। তাহলে এক আর দুই হবে রাইট
  1229. 1:09:04আন্সার এক আর দুই রাইট আন্সার এক আর দুই
  1230. 1:09:10এটা কি বিক্রিয়া প্রতিস্থাপন এটাকে বলা হয়
  1231. 1:09:13রিপ্লেসমেন্ট মানে কেমন যেমন ধর জিংক বা
  1232. 1:09:18দস্তা ও সিম্পলি
  1233. 1:09:21সালফিউরিক এসিডের সাথে যদি বিক্রিয়া করে
  1234. 1:09:24তোমাদের বইয়ে আছে জিংক হাইড্রোজেনটাকে
  1235. 1:09:28সরাইয়া ফেলতে পারে। এই যে হাইড্রোজেন
  1236. 1:09:32এই হাইড্রোজেনটাকে সরায় ফেলবে। ফেলে ও এই
  1237. 1:09:36জায়গাটা দখল করে এখানে উৎপন্ন করবে জিংক
  1238. 1:09:41সালফেট
  1239. 1:09:42প্লাস হাইড্রোজেন। এইযে এখানে উৎপন্ন করল
  1240. 1:09:45না জিংক সালফেট। এইটা হচ্ছে একটা লবণ।
  1241. 1:09:51তাহলে কি করলো? এখানে কি হইছে? এখানে
  1242. 1:09:54হচ্ছে জিংক
  1243. 1:09:56হাইড্রোজেনকে
  1244. 1:09:58সরিয়ে দিয়েছে।
  1245. 1:10:01সরিয়ে দিয়েছে।
  1246. 1:10:04যদি সরিয়ে দেয় সরিয়ে দিতে পারে এটার নাম
  1247. 1:10:08প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। আবার সেইম সেম
  1248. 1:10:10আরেকটা রিএকশন আছে এরকম। জিংক যদি কপার
  1249. 1:10:15সালফেটেরর সাথে বিক্রিয়া করে তাহলে জিংক
  1250. 1:10:19কপার কেও সরিয়ে দিতে পারে।
  1251. 1:10:22এটা প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া। কেন? এটার কারণ
  1252. 1:10:25হচ্ছে জিংক
  1253. 1:10:29কপারের চেয়ে কপারের চেয়ে শক্তিশালী
  1254. 1:10:37শক্তিশালী
  1255. 1:10:39জিংক কপারের চাইতে শক্তিশালী
  1256. 1:10:42তাহলে পরীক্ষায় কেমন প্রশ্ন আসবে তাতে আগে
  1257. 1:10:45আমি আসি বিয়োজন এই যে বিযোজন বিক্রিয়া
  1258. 1:10:49এটার মানে হইল আমি কোন কিছু ভেঙ্গে ফেলব
  1259. 1:10:52কোন যোগ যৌগ ভেঙ্গে
  1260. 1:10:57কোন যৌগ ভেঙ্গে মৌল
  1261. 1:11:02বা যৌগ সৃষ্টি করা যৌগ
  1262. 1:11:07উৎপন্ন হওয়া
  1263. 1:11:11এটার নাম হচ্ছে বিয়োজন বিক্রিয়া। যেমন
  1264. 1:11:13স্যার একটু আগে যে বিক্রিয়াটা দেখাইলাম
  1265. 1:11:17সেটা হচ্ছে কে সিও3 পটাশিয়াম ক্লোরেড। এই
  1266. 1:11:23পটাশিয়াম ক্লোরাইড ভাইঙ্গা পটাশিয়াম
  1267. 1:11:26ক্লোরাইড আর অক্সিজেন হয়। সমতা করলাম না।
  1268. 1:11:30এইটা হচ্ছে বিক্রিয়া। আবার ক্যালসিয়াম
  1269. 1:11:35কার্বোনেট ওকে যদি আমি একটু তাপ দেই তাইলে
  1270. 1:11:39ও ক্যালসিয়াম অক্সাইড আর কার্বন
  1271. 1:11:43ডাইঅক্সাইড হবে। এটা একটা বিক্রিয়া। সো
  1272. 1:11:46এই যে বিক্রিয়া
  1273. 1:11:49এই বিক্রিয়ায়
  1274. 1:11:51এই বিক্রিয়ায় যৌগ এই যে যৌগ
  1275. 1:11:57এই যৌগ ভেঙে গেল। যৌগ
  1276. 1:12:02ভেঙ্গে যৌগ ভেঙ্গে কি উৎপন্ন হইলো? মৌল
  1277. 1:12:05উৎপন্ন হইল।
  1278. 1:12:08মৌল বা যৌগ উৎপন্ন হইল। কেমনে? কারণ এই
  1279. 1:12:12অক্সিজেনটা হচ্ছে মৌল। এটাও যৌগ এইটাও যৌগ
  1280. 1:12:16কিন্তু অক্সিজেনটা মৌল সুতরাং একটা যৌগ
  1281. 1:12:19ভেঙ্গে যদি মৌল বা যৌগ হয় তার নাম
  1282. 1:12:21বিয়োজন বিক্রিয়া
  1283. 1:12:24স্যার এক্সাম্পল কি এ কি স্যার সালফারের
  1284. 1:12:27দহনের ফলে সালফার এটা যে তোমাদের বইয়ের
  1285. 1:12:31মধ্যে আছে এই যে দহন বিক্রিয়া দহন
  1286. 1:12:34বিক্রিয়া সালফার ডাইঅক্সাইড দেখো
  1287. 1:12:39প্রথমে সালফার গুলে গেল এইযে নীল আগুনের
  1288. 1:12:42শিখা দেখতে পাচ্ছ
  1289. 1:12:44এবং ঝাঝালো গন্ধ পেয়েছে। কারণ তাপ
  1290. 1:12:48দেওয়ার ফলে সালফার বাতাসে অক্সিজেন সাথে
  1291. 1:12:50বিক্রিয়া করে সালফার ডাইঅক্সাইড গ্যাস
  1292. 1:12:51উৎপন্ন করছে। এই যে সালফার ডাইঅক্সাইড
  1293. 1:12:54গ্যাস উৎপন্ন করল। এটা একটা দহন
  1294. 1:12:56বিক্রিয়া। আর এই যে দহন বিক্রিয়া আগুনের
  1295. 1:12:59শিখা এটা হচ্ছে এইযে নীল।
  1296. 1:13:03নীল। পরীক্ষায় এই ধরনের এমসিকিউই লুকিয়ে
  1297. 1:13:07লুকিয়ে থাকে এবং আসে। তোমরা পারলে পারবা।
  1298. 1:13:10নিচের কোনটি দহন বিক্রিয়া? অবশ্যই অবশ্যই
  1299. 1:13:14এটা না এই বিক্রিয়াটা হচ্ছে বিয়োজন
  1300. 1:13:17বিক্রিয়া।
  1301. 1:13:19এই বিক্রিয়াটা হচ্ছে
  1302. 1:13:22সংযোজন বিক্রিয়া। দুইটা মিলে একটা হইছে।
  1303. 1:13:26কেবলমাত্র এই বিক্রিয়াটা হচ্ছে দহন
  1304. 1:13:29বিক্রিয়া। আর এইযে এইটা এইটা হচ্ছে
  1305. 1:13:34প্রতিস্থাপন
  1306. 1:13:36বিক্রিয়া।
  1307. 1:13:38প্রতিস্থাপন বিক্রিয়া।
  1308. 1:13:41ম্যাগনেশিয়াম প্লাস অক্সিজেন
  1309. 1:13:43ম্যাগনেশিয়াম অক্সাইড এটা কি প্রতিস্থাপন
  1310. 1:13:45বিক্রিয়া কোনদিনও না ম্যাগনেশিয়াম
  1311. 1:13:47অক্সিজেন যুক্ত হয়ে এটা কি বিয়োজন হবে
  1312. 1:13:49জীবনেও না অক্সিজেন যুক্ত হচ্ছে তাহলে এটা
  1313. 1:13:52দহন বিক্রিয়া তাহলে রাইট আনসার অবশ্যই
  1314. 1:13:55দহন হবে
  1315. 1:13:59সালফার অক্সিজেন বিক্রিয়া করে সালফার
  1316. 1:14:01ডাইঅক্সাইড হচ্ছে এই বিক্রিয়াটি কোন
  1317. 1:14:04ধরনের এখ এটা অবশ্যই দহন বিক্রিয়া এবং
  1318. 1:14:07এটাকে সংযোজন বলা যাবে
  1319. 1:14:11এক্স যৌগটি তাইলে এই যে যৌগ এক্স তাইলে
  1320. 1:14:16এটা সালফার ডাইঅক্সাইড একটু আগে আমরা
  1321. 1:14:18পড়লাম না যেটা ঝাজালো গন্ধ বিশিষ্ট
  1322. 1:14:22এবং সালফার অক্সিজেনের প্রত্যক্ষ সংযোগে
  1323. 1:14:25প্রত্যক্ষ এই শব্দটার মানে হইল সরাসরি
  1324. 1:14:31এখানে রাইট আন্সার কি কি হবেসার হবে দুই
  1325. 1:14:34তিন একদম সহজ কোন টেনশন নাই
  1326. 1:14:39রাসায়নিক বিক্রিয়ায় তাপ শক্তি
  1327. 1:14:41রূপান্তর। এটা কেমন স্যার বিষয়টা?
  1328. 1:14:44বিষয়টা হইলো আমি যখন চুনের সাথে
  1329. 1:14:49স্যার পানি দেই
  1330. 1:14:52তখন এইখানে
  1331. 1:14:56চুনের পানি উৎপন্ন হয়। চুনের সাথে পানি
  1332. 1:14:59দিলে
  1333. 1:15:04এইটার নাম হল চুনের পানি। চুনের পানি এটা
  1334. 1:15:08হচ্ছে এমন বিক্রিয়া যেই বিক্রিয়ায় এটার
  1335. 1:15:11সাথে সাথে তাপ উৎপন্ন হবে। তাপ কিছু
  1336. 1:15:16বিক্রিয়ায় তাপ উৎপন্ন হয়। কিছু
  1337. 1:15:18বিক্রিয়ায় তাপ কমে যায়। তাপ শোষিত
  1338. 1:15:21হয়।যে তাপ শক্তির রূপান্তর এটা তোমরা
  1339. 1:15:23পরবর্তীতে জানতে পারবা। বিক্রিয়াকে
  1340. 1:15:27বিক্রিয়াকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে।
  1341. 1:15:30একটা হচ্ছে কিছু বিক্রিয়ায় পরিবেশ গরম
  1342. 1:15:33হয়। তাপ উৎপাদী
  1343. 1:15:36আর কিছু বিক্রিয়ায় পরিবেশটা ঠান্ডা হয়।
  1344. 1:15:39এটা হচ্ছে তাপহারী।
  1345. 1:15:41তাপোৎপাদী আর তাপহারী। তো এখানে
  1346. 1:15:44ক্যালসিয়াম অক্সাইড আর পানি বিক্রিয়া
  1347. 1:15:49করে ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড হচ্ছে কল
  1348. 1:15:51চুনের পানি।যে চুনের পানি বিক্রিয়া করল
  1349. 1:15:54যে তাপ উৎপন্ন হইল। এরকম আরো ঘটনা হচ্ছে
  1350. 1:15:58প্রসমন বিক্রিয়ায়।
  1351. 1:16:00প্রশমন বিক্রিয়ায়। প্রসমন বিক্রিয়া।
  1352. 1:16:04কেন? প্রসমন বিক্রিয়ায় কাহিনীটা হচ্ছে
  1353. 1:16:09অম্ল আর ক্ষারক বিক্রিয়া করে
  1354. 1:16:15লবণ
  1355. 1:16:16আর পানি উৎপন্ন করে। তো অম্ল একটা
  1356. 1:16:19এক্সাম্পল দেই। মনে করেন স্যার সালফিউরিক
  1357. 1:16:23এসিডেরর সাথে সোডিয়াম হাইড্রোক্সাইড
  1358. 1:16:26বিক্রিয়া করল।
  1359. 1:16:28তাহলে এই সোডিয়ামটা সালফেটের সাথে যুক্ত
  1360. 1:16:31হইয়া এ2 এo4 আর দুই অনু পানি হবে। স্যার
  1361. 1:16:36কেন? কারণ এখানে দুই হবে। এখানেও তাপ
  1362. 1:16:40উৎপন্ন হবে। তোমরা সামনে পড়তে গেলে দেখতে
  1363. 1:16:43পাবা যে এই ডল এইচ এর মান হচ্ছে মাইনাসফ7
  1364. 1:16:48প.3 কিলোজ পার মোল। কিলোজ
  1365. 1:16:53পার মোল। আস্তে আস্তে এটা জানবা তোমরা।
  1366. 1:16:56আস্তে আস্তে জানবা।
  1367. 1:16:58ঠিক আছে আস্তে আস্তে 57.3 কিলোজ পার মোল।
  1368. 1:17:03এই যে বিক্রিয়া হইলো, এই বিক্রিয়া কিসের
  1369. 1:17:06পরিবর্তন হলো? তাপশক্তির পরিবর্তন। একটা
  1370. 1:17:09এক্সাম্পল দেই। তোমরা তোমাদের বইয়ের মধ্যে
  1371. 1:17:11এখানে দেখবা
  1372. 1:17:14লেখা আছে ম্যাগনেশিয়ামকে আমি পড়াইছি।
  1373. 1:17:16কিন্তু ম্যাগনেশিয়াম আসলে একটা ফিতা।
  1374. 1:17:17ফিতা।
  1375. 1:17:19ফিতা। মাথায় রাখবা যে ম্যাগনেশিয়াম একটা
  1376. 1:17:22ফিতা। ম্যাগনেশিয়াম রিবন কোন এক জায়গায়
  1377. 1:17:24লেখা আছে। রিবনটা ফিতার মত। এখানে
  1378. 1:17:27প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ার একটা কিছু
  1379. 1:17:29এক্সাম্পল দিছে। খুবই সহজ। এটা একটু মাথায়
  1380. 1:17:32রেখো। এমসিকিউতে তোমাদের বৃত্তি পরীক্ষায়
  1381. 1:17:34আসতে পারে। ফেরাস সালফেটের রং হালকা সবুজ।
  1382. 1:17:38এই যে এইটার রং এটার রং কি? সবুজ।
  1383. 1:17:42পরীক্ষায় আসবেই।
  1384. 1:17:45আসবেই। সবুজ।
  1385. 1:17:49তারপর দেখো এখানে লেখা আছে না অনেক কথা।
  1386. 1:17:53অনেক কথা। এই যে ক্যালসিয়াম অক্সাইড,
  1387. 1:17:55ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড সবকিছু এতক্ষণ
  1388. 1:17:57যা বলছি সব লেখা আছে। এইগুলারে একবার
  1389. 1:18:00রিডিং দিও। ঠান্ডা মাথায় বুঝে রিডিং দিও।
  1390. 1:18:03বুঝে
  1391. 1:18:05যেমন এটা এক্সাম্পল আছে সেটা হচ্ছেযে
  1392. 1:18:07বেকিং সোডা। এটার সংকেত সোডিয়াম
  1393. 1:18:10কার্বোনেট। আস্তে আস্তে পড়বা তোমরা।
  1394. 1:18:13বেকিং সোডা। এটার একটু সেভ করি। নাইলে ও
  1395. 1:18:15হচ্ছে হঠাৎ করে বলবে যে আমি নাই।
  1396. 1:18:19জুনিয়র স্কলারশিপ প্রোগ্রাম সাইন্সের
  1397. 1:18:21ক্লাস এইট বুক। ওকে এটা একটু সেভ দিয়ে
  1398. 1:18:24রাখলাম। সাইট্রিক এসিড এটা লেবুতে থাকে।
  1399. 1:18:28পরীক্ষায় আসবেই আসবে।
  1400. 1:18:32আসবেই আসবে। পরে দেখ একবার রিডিং পরে
  1401. 1:18:35দেখো। এইযে এসিটিক এসিড। এটার সংকেত CH3
  1402. 1:18:38সিডবলচ। এটা একটা জৈব এসিড। দুইটা
  1403. 1:18:41কার্বনের যৌগ এসিড এবং ইটস কলড ক্যালসিয়াম
  1404. 1:18:44অ্যাসিটেট।
  1405. 1:18:46ক্যালসিয়াম অসিটেট।
  1406. 1:18:49এইবার খুকু চোখ খুলল।
  1407. 1:18:53এখানে একটা মজার ব্যাপার আছে। কষনো ভুলো
  1408. 1:18:56না। কষনো ভুলো না। সেটা হইলো
  1409. 1:19:01ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড যে উৎপন্ন হয়
  1410. 1:19:03এটা স্ল্যাকেড লাইম নামে পরিচিত।
  1411. 1:19:06দ্বিতীয়ত হচ্ছে স্ল্যাকেড লাইমেরই আরেক
  1412. 1:19:09নাম ক্যালসিয়াম হাইড্রোক্সাইড। মোস্ট
  1413. 1:19:11ইম্পর্টেন্টলি ক্যালসিয়াম
  1414. 1:19:13হাইড্রোক্সাইডের সম্পৃক্ত দ্রবণকে চুনের
  1415. 1:19:15পানি বলা হয়। চুনের পানি বা লাইম
  1416. 1:19:17ওয়াটার। চুনের পানি বা লাইম ওয়াটার।
  1417. 1:19:21পরীক্ষায় আসবে।
  1418. 1:19:23এরপরে ব্যাটারি শুষ্ক কোষ
  1419. 1:19:27এই শুষ্ক কোষের কনসেপ্টটা কি? এই শুষ্ক
  1420. 1:19:30কোষ হচ্ছে ইলেকট্রন পাস করে। ইলেকট্রন
  1421. 1:19:34ব্যাটারি ইলেকট্রন পাস করে। এবং এইটার
  1422. 1:19:37এক্সাম্পলটা এখানে আসবে যে ওই ইলেকট্রন বা
  1423. 1:19:41ওই ইলেকট্রিসিটির সাহায্যে যৌগকে ভেঙে
  1424. 1:19:43ফেলা যায়। এটাকে বলা হয় তড়িৎ বিশ্লেষণ।
  1425. 1:19:47কি বলে? তড়িৎ বিশ্লেষণ। এই দুইটা জিনিস
  1426. 1:19:50পড়াবো এখন আমি। তো তোমরা একটু দেখো
  1427. 1:19:53বিক্রিয়ার আগে প্রশ্ন কেমনে আসে। লোহা
  1428. 1:19:55প্লাস তুতে এইযে এ প্লাস তামা তো লোহা
  1429. 1:20:00হচ্ছে এইটা প্লাস তুতে হচ্ছে কপার সালফেট।
  1430. 1:20:05এই যে বিক্রিয়া করে ফেরাস সালফেট আর
  1431. 1:20:10কপার। এটা যে হইল একটু আগে আমি বললাম না
  1432. 1:20:13ফেরাস সালফেট। এটা কেমন কালার? সবুজ
  1433. 1:20:15কালার। এই যে সংকেতটা হচ্ছে এটা ফেরাস
  1434. 1:20:18সালফেট হবে।
  1435. 1:20:20এরকম প্রশ্ন আসবে। কপার সালফেটের সংকেত
  1436. 1:20:24পৃথিবীর সবাই জানে। এই হচ্ছে কপার
  1437. 1:20:26সালফেটের সংকেত। এটার নাম হচ্ছে কিউপ্রিক
  1438. 1:20:30অক্সাইড।
  1439. 1:20:36কিউপ্রিক অক্সাইড। এটার নাম হচ্ছে
  1440. 1:20:40কিউপ্রিক
  1441. 1:20:43কার্বোনেট।
  1442. 1:20:48কিউপ্রিক কার্বোনেট এটা কি জানি একমাত্র
  1443. 1:20:51আল্লাহ মাবুদ জানে আচ্ছা যাই হোক এটাকে
  1444. 1:20:54ভাঙলাম তো ভাঙ্গা জিনিস যেটা ভাঙ্গে
  1445. 1:20:56যাচ্ছে এটা বিয়োজন বিক্রিয়া ক্যালসিয়াম
  1446. 1:21:00কার্বনকে তাপ দিচ্ছি না ভেঙ্গে যাচ্ছে
  1447. 1:21:02বিয়োজন বিক্রিয়া চুনের পানির সংকেত
  1448. 1:21:04পৃথিবীর সবাই জানে এইটা
  1449. 1:21:07কোনটি কুইক লাইম নামে পরিচিত এইযে একটু
  1450. 1:21:10আগে দাগাইছি একটু আগে কই জানি কই এইযে
  1451. 1:21:12দাগাইছি এইযে কুইক লাইম চুনের পানি লাইম
  1452. 1:21:15ওয়াটার স্লেকেড লাইম নামে পরিচিত। ও আচ্ছা
  1453. 1:21:17এখানে কুইক লাইমটা নাই তাই না?
  1454. 1:21:21লাইম যখনই আমি লাইমের কথা বলবো তার মানে
  1455. 1:21:23এটা ক্যালসিয়ামই হবে। ক্যালসিয়াম। সো
  1456. 1:21:26রিমেম্বার
  1457. 1:21:28এবার আসি
  1458. 1:21:31শুষ্ক কোষ। কেন এটাকে ড্রাই সেল বলে?
  1459. 1:21:34এটাকে ড্রাই সেল কেন বলে? ভাবো। একটা
  1460. 1:21:38দস্তা একটা দস্তার
  1461. 1:21:41চোংের মাঝে
  1462. 1:21:44দস্তার চোংের মাঝে একটা
  1463. 1:21:48একটা কার্বন দন্ডকে এমনভাবে দিতে হবে যে
  1464. 1:21:53কার্বন দন্ডটা স্পর্শ না করে স্পর্শ না
  1465. 1:21:57করে কার্বন দন্ডটা স্পর্শ করবে না এই
  1466. 1:22:00হচ্ছে কার্বন দন্ড দেওয়ার পর এটা চারপাশে
  1467. 1:22:06এ চারপাশে লেই দিতে হবে পেস্ট পেস্ট আছে
  1468. 1:22:09না পেস্ট দিতে হবে পেস্ট কিসের পেস্ট এই
  1469. 1:22:12যে লাই লেই বা পেস্ট দিতে হবে এটা কিসের
  1470. 1:22:16পেস্ট একটু আগে বলতেছি একটু বলি এটা কিসের
  1471. 1:22:19পেস্ট দিতে হবে দেয়ার পরে একটু এখান
  1472. 1:22:23থেকেই দেখাই এখান থেকেই দেখাই দেখ
  1473. 1:22:27এখানে পেস্ট দিতে হবে অ্যামোনিয়াম
  1474. 1:22:30ক্লোরাইডের
  1475. 1:22:32অমোনিয়াম ক্লোরাইডের
  1476. 1:22:34পেস্ট কয়লার গুড়া ওমা এটা মনে হয় গেছে না
  1477. 1:22:38গেছে আছে কয়লার গুড়া এবং ম্যাঙ্গানিজ
  1478. 1:22:41ডাইঅক্সাইড
  1479. 1:22:43তিনটা জিনিস অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
  1480. 1:22:47কার্বনের গুড়া আর ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড
  1481. 1:22:50ভালোভাবে মিশিয়ে যদি এটা এমন করে দেখাচ্ছি
  1482. 1:22:52মনে হচ্ছে ঝালমুড়ি মাখাচ্ছি বিষয়টা এরকম
  1483. 1:22:54না ভালোভাবে মিশিয়ে অল্প পরিমাণ পানি দিতে
  1484. 1:22:57হবে পানি
  1485. 1:22:59এই যে লেই বানাইলা এই মিশ্রণটিকে
  1486. 1:23:02সিলিন্ডার আকৃতির ওইযে ওই জায়গাটার মধ্যে
  1487. 1:23:04ঢুকা
  1488. 1:23:05উপরে ধাতব টুপি দিয়ে একটা কার্বন দন্ড
  1489. 1:23:08দিয়ে দিতে হবে। এটা কি টুপি পড়ানো হয়?
  1490. 1:23:11ধাতব টুপি পড়ানো হয় কার্বন দন্ডের
  1491. 1:23:14মাথায়। তখন বিক্রিয়াটা হয়। এই যে
  1492. 1:23:18বিক্রিয়া হয় যে এটা এখানে দেও না। এটা
  1493. 1:23:21ক্লাস টেন এর বইয়ে আছে। তোমরা সামনে পাবা
  1494. 1:23:24এখানে দেখো একটা লাইন লেখা আছে দস্তার
  1495. 1:23:27চোংটি একটি শক্ত কাগজ দিয়ে ঘিরে দেওয়া
  1496. 1:23:30হয়। খেলাটা হচ্ছে দস্তার চোং ঋণাত্মক
  1497. 1:23:34তড়িৎদ্বার বা অানোড আর কার্বন দন্ডের
  1498. 1:23:38উপরিভাগ ধনাত্মক তড়িৎদ্বার বা ক্যাথোড
  1499. 1:23:40হিসেবে কাজ করে কিভাবে এটা অানোড কি আর
  1500. 1:23:44ক্যাথোড কি এটা একটু ফিল করো আগে
  1501. 1:23:48এই দস্তার চোং থেকে
  1502. 1:23:51ইলেকট্রনগুলা এই কার্বন দন্ডের মাঝে যাইতে
  1503. 1:23:56থাকে এখানে একটা বিক্রিয়া হয় বিক্রিয়া
  1504. 1:23:59অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড ম্যাঙ্গানিজ
  1505. 1:24:01ডাইঅক্সাইডের বিক্রিয়া ইলেকট্রনটা উৎপন্ন
  1506. 1:24:03হয়। সেই ইলেকট্রন এইযে এখানে দেখো ছবিটার
  1507. 1:24:06দিকে তাকাও। এই যে দস্ততার পাত্র আছে না
  1508. 1:24:09দেখো এই দস্তার পাত্রে
  1509. 1:24:13মাইনাস দেওয়া আছে। কারণ এটা অানোড।
  1510. 1:24:16দস্ততার যে চোং এটা অানোড। ঋণাত্মক
  1511. 1:24:19প্রান্ত। আরেকটা জিনিস খেয়াল করো যেটা
  1512. 1:24:21ধাতব ত্রুপি এটা ক্যাথোড আকারে বা ক্যাথোড
  1513. 1:24:25হিসেবে যে কাজ করে এজন্য প্লাস হিসেবে
  1514. 1:24:27আছে। তার মানে হইল এই প্রান্তটা নেগেটিভ।
  1515. 1:24:32এই প্রান্তটা পজিটিভ। কারণ ও হচ্ছে
  1516. 1:24:34ইলেকট্রন ক্যারি করতেছে। ইলেকট্রন ক্যারি
  1517. 1:24:37করতেছে। ইলেকট্রন ক্যারি করে। এবং এই
  1518. 1:24:41ইলেকট্রন যখন ক্যারি হয়, ইলেকট্রন যখন বহন
  1519. 1:24:45করে তখন ও হচ্ছে উৎপাদক বা ইলেকট্রন
  1520. 1:24:48পরিবহন হিসেবে কাজ করে। তাহলে মাথায় রাখতে
  1521. 1:24:51হবে এইটা হচ্ছে জিংক।
  1522. 1:24:56জিংকের কি আবরণ?
  1523. 1:25:01এইটা হচ্ছে
  1524. 1:25:03কার্বন দন্ড।
  1525. 1:25:05কি দন্ড? কার্বন দন্ড।
  1526. 1:25:12আর এই যে এটা হচ্ছে ধনাত্মক প্রান্ত। এটা
  1527. 1:25:16ঋণাত্মক প্রান্ত। তাহলে
  1528. 1:25:21এইটা হচ্ছে ধনাত্মক প্রান্ত
  1529. 1:25:29ঋণাত্মক
  1530. 1:25:31প্রান্তটা অানোড আর এটা ক্যাথোড অানোড
  1531. 1:25:34ক্যাথোড কি এখানে মাথায় রাখবা এখানে
  1532. 1:25:37ইলেকট্রন বহন করতেছে এই যে দস্তাদ
  1533. 1:25:43দস্তা এই দস্তা
  1534. 1:25:47জিংক টু প্লাস আয়ন হয়ে ও হচ্ছে দুইটা
  1535. 1:25:52ইলেকট্রন দিয়ে দিচ্ছে।
  1536. 1:25:54এই দুইটা ইলেকট্রন ওইখানে এটা তোমরা আচ্ছা
  1537. 1:26:01অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড
  1538. 1:26:04ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড
  1539. 1:26:08এবং এই দুইটা ইলেকট্রন ক্যারি হয়ে এখানে
  1540. 1:26:12দুই অণু অ্যামোনিয়া
  1541. 1:26:15ম্যাঙ্গানিজ ডাইঅক্সাইড
  1542. 1:26:19এম এনটও3 প্লাস পানি উৎপন্ন হচ্ছে। এ
  1543. 1:26:24বিক্রিয়াটা এমনি লিখে দিলাম। দরকার নাই।
  1544. 1:26:26জিংক বা দস্তা এই যে ইলেকট্রন প্রডিউস
  1545. 1:26:30করতেছে এই ইলেকট্রন টুকটুক করে করে করে
  1546. 1:26:33করে এই কার্বনের মাধ্যমে আমরা ব্যাটারি
  1547. 1:26:36যখন কোন একটা জায়গায় বসাই তখন ব্যাটারি
  1548. 1:26:38ইলেকট্রিসিটি প্রডিউস করে যেন বিদ্যুৎ
  1549. 1:26:41পরিবহন হয়। যেন বিদ্যুৎ পরিবহন হয়। ঠিক এই
  1550. 1:26:45গল্পটাই যখন আমি এইখানে নিয়ে আসবো এটার
  1551. 1:26:48নাম হচ্ছে তড়িৎ বিশ্লেষণ এবং এটার সহজ
  1552. 1:26:52বাংলা হচ্ছে বিদ্যুৎ পরিবহনের মাধ্যমে বা
  1553. 1:26:56বিদ্যুৎ প্রবাহের
  1554. 1:26:59মাধ্যমে বিদ্যুৎ প্রবাহের মাধ্যমে তরলের
  1555. 1:27:05বা দ্রবণের বিশ্লেষণ
  1556. 1:27:08মাধ্যমে
  1557. 1:27:10দ্রবণের
  1558. 1:27:14বিশ্লেষণ
  1559. 1:27:16দ্রবণের বিশ্লেষণ তার মানে খেলাটা হইলো
  1560. 1:27:20এখানে এই যে হইলো যেহ
  1561. 1:27:26আচ্ছা
  1562. 1:27:28এই হইলো কেমনে বুঝাই এমনে না
  1563. 1:27:34তোমাদেরকে আচ্ছা এখানেই বুঝাই
  1564. 1:27:39ওকে
  1565. 1:27:41ওকে ওকে
  1566. 1:27:44তারপরে এইটা
  1567. 1:27:53ওকে তারপর হচ্ছে
  1568. 1:27:57এখানে ধরো একটা লিকুইড আছে। আমি এটাকে
  1569. 1:28:00দিয়ে একটু তরল অবস্থা বোঝানোর চেষ্টা
  1570. 1:28:02করলাম। তরল অবস্থা। তো
  1571. 1:28:06ধরো এটা হচ্ছে একটা ধনাত্মক অংশ।
  1572. 1:28:11এই যে আর এইটা হল একটা ঋণাত্মক অংশ। এটা
  1573. 1:28:15কিভাবে বুঝলেন স্যার? বুঝলাম হচ্ছে
  1574. 1:28:18ওকে যদি
  1575. 1:28:25ওকে যদি এইভাবে যুক্ত করা হয় প্লাস
  1576. 1:28:30মাইনাস প্লাস মাইনাস। এটা ব্যাটারির একটা
  1577. 1:28:33চিত্র। এটা হচ্ছে পজিটিভ অংশ। এটা
  1578. 1:28:36নেগেটিভ। তাইলে ও যখন এখানে এসে যুক্ত হবে
  1579. 1:28:45তাইলে এই পজিটিভ অংশের সাথে যুক্ত যে
  1580. 1:28:48অংশটা এইটার নাম হচ্ছে অানোড
  1581. 1:28:54আর নেগেটিভ অংশের সাথে যুক্ত যেটা এইটার
  1582. 1:28:57নাম হচ্ছে ক্যাথোডতো
  1583. 1:29:01ক্যাথোডে ক্যাটায়ন আকৃষ্ট হবে এখন আবার
  1584. 1:29:03ক্যাটায়ন কি জিনিস একটা সিম্পল এক্সাম্পল
  1585. 1:29:06দেই মনে মনে করো এইখানে তুমি লবণের পানি
  1586. 1:29:09দিছো। মানে সোডিয়াম ক্লোরাইডের গাঢ়
  1587. 1:29:11জলীয় দ্রবণ দিছো। তো সিম্পলি সোডিয়াম
  1588. 1:29:14ক্লোরাইডটা কেমনে ভাঙবে? সোডিয়াম প্লাস
  1589. 1:29:17আর ক্লোরিন মাইনাস। তো প্লাসটা যাবে
  1590. 1:29:20মাইনাসের কাছে আর মাইনাসটা আসবে প্লাসের
  1591. 1:29:23কাছে। আসার পরে এই যে ভাঙলো বিশ্লেষণ হইলো
  1592. 1:29:28এটার নাম তড়িৎ বিশ্লেষণ। কোন কোন পদার্থ
  1593. 1:29:31এরকম হয়? ঠান্ডা মাথায় বুঝে রেখো। তড়িৎ
  1594. 1:29:36বিশ্লেষ্য।
  1595. 1:29:39আরেকটা হচ্ছে
  1596. 1:29:42তড়িৎ অবিশ্লেষ্য।
  1597. 1:29:46যে সকল যৌগকে দ্রবীভূত করার পরে এভাবে
  1598. 1:29:51বিদ্যুৎ সংযোগ করলে দ্রবণের মধ্যে
  1599. 1:29:53আয়নগুলা ভাগ হয়ে যায় সেইগুলা পদার্থকে
  1600. 1:29:56তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। আর যেগুলা ভাগ হয়
  1601. 1:29:59না তার নাম তড়িৎ অবিশ্লেষ্য। তোমাদের
  1602. 1:30:02বইয়ের মধ্যে একটা মজার ব্যাপার আছে। দেখো
  1603. 1:30:04তড়িৎ বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে এটা মাথায়
  1604. 1:30:08রাখো একটু মাথায়। হ্যাঁ। এই যে এইযে এই
  1605. 1:30:10জিনিসগুলা
  1606. 1:30:12এই যে এখানে কে কি করবে? এখানে দেখো একটু
  1607. 1:30:16জিনিস লেখা আছে। ভাব যে সমস্ত পদার্থ
  1608. 1:30:20দ্রবীভূত বা বিগলিত অবস্থায় তড়িৎ পরিবহন
  1609. 1:30:24করে এবং তড়িৎ প্রবাহের ফলে রাসায়নিক
  1610. 1:30:26বিক্রিয়া অন্য পদার্থে পরিণত হয় তাদের
  1611. 1:30:28তড়িৎ বিশ্লেষ্য বলে। পরীক্ষায় আসবে আসবে
  1612. 1:30:32আসবে।
  1613. 1:30:34যে সকল পদার্থ রাসায়ন বিক্রিয়া করে না
  1614. 1:30:36তাদেরকে তড়িৎ অবিশ্লেষ্য পদার্থ বলে। যেমন
  1615. 1:30:39চিনি আর গ্লুকোজ কনফার্ম পরীক্ষায় আসবে।
  1616. 1:30:43চিনি গ্লুকোজ। তাহলে স্যার এইখানে এমন কি
  1617. 1:30:47হইলো?
  1618. 1:30:52এইখানে এমন কি হইলো?
  1619. 1:30:57আচ্ছা ঠান্ডা মাথা একটু বলি এখানে এমন
  1620. 1:31:00হইলো কি সেটা হইলো এই যে সোডিয়াম প্লাস
  1621. 1:31:05ওযে ক্যাথোডে গেল ক্যাথোডে গিয়ে স্যার
  1622. 1:31:08একটা ইলেকট্রন রিসিভ করে রিসিভ কইরা
  1623. 1:31:12সোডিয়াম পরমাণুতে পরিণত হয় তাহলে এই যে
  1624. 1:31:17স্যার সোডিয়াম ক্লোরাইড এটা যে স্যার
  1625. 1:31:21ভাইঙ্গা গেল তাহলে ও ভাইঙ্গা একটা পজিটিভ
  1626. 1:31:24আরেকটা নেগেটিভ আয় রুপান্তরিত হইল। এইজন্য
  1627. 1:31:28এই পজেটিভ আয়নটাকে
  1628. 1:31:31বলা হয় ক্যাটায়ন। আর এই নেগেটিভ আয়নটাকে
  1629. 1:31:37বলা হয় এনায়ন। তো ক্যাটায়ন কোন দিকে যায়?
  1630. 1:31:41ক্যাটায়ন ক্যাথোডে যায়।
  1631. 1:31:46ক্যাটায়ন ক্যাথোডে যায়। আর এনায়ন অানোডে
  1632. 1:31:51যায়।
  1633. 1:31:54এনায়ন কই যায়? এানোডে
  1634. 1:31:57মনে থাকবে ক্যাটায়ন ক্যাথোডে এনায়ন
  1635. 1:32:00অানোডে। তোঅানোডে যখন যায় এটা কি
  1636. 1:32:03ক্যাটায়ন? এখন এখানে কোথায় রিএকশনটা হবে?
  1637. 1:32:07ক্যাথোডে রিএকশন হবে।
  1638. 1:32:11আর অানোডে রিএকশন হবে কোনটা? এানোডে এনায়ন
  1639. 1:32:15যাবে। এনায়নের চেহারা কোনটা? এই ক্লোরিন।
  1640. 1:32:18ও গিয়া এখানে ইলেকট্রন দিয়ে দিবে। কিন্তু
  1641. 1:32:22ক্লোরিন তো একা একা থাকে না। ক্লোরিন
  1642. 1:32:23দ্বিপরমাণুক। তাহলে এই ক্লোরিন আরেকটা
  1643. 1:32:27ক্লোরিনের সাথে রিএকশন করে cl2 হবে।
  1644. 1:32:33তো ক্যাটায়ন যাবে ক্যাথোডে, এনায়ন যাবে
  1645. 1:32:35এানোডে। এই হল এই চ্যাপ্টারটার বেসিক।
  1646. 1:32:39এবং এই বেসিকের পরে যদি ঠান্ডা মাথায় একটু
  1647. 1:32:43দেখো তোমরা।
  1648. 1:32:45মনে করো
  1649. 1:32:47একটা এক্সাম্পল চুন এসিটিক এসিড।
  1650. 1:32:50ক্যালসিয়াম এসিডেট পানি চুন ক্যালসিয়াম
  1651. 1:32:53অক্সাইড এসিড তার মানে এইটা চুন হইল
  1652. 1:32:59ক্ষার এইটা হইল এসিড আজীবন এসিড আর ক্ষার
  1653. 1:33:04বিক্রিয়া করে লবণ আর পানি হইছে এটা
  1654. 1:33:09অবশ্যই এটা অবশ্যই এটা একটা প্রশমন
  1655. 1:33:12বিক্রিয়া নিউট্রিলাইজেশন বিক্রিয়া
  1656. 1:33:15নিউট্রালাইজেশন বিক্রিয়া এটা কি ড্রাই
  1657. 1:33:19নিচের কোনটা ব্যবহৃত হয়? অবশ্যই
  1658. 1:33:22অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড। শুষ্ক কোষ বিদ্যুৎ
  1659. 1:33:25উৎপাদন করার জন্য। আচ্ছা নিচের কোনটি
  1660. 1:33:28তড়িৎ অবিশ্লেষ্যক? কনফার্ম চিনি? চিনি
  1661. 1:33:31এবং চিনির সংকেত হচ্ছে সিট
  1662. 1:33:35এইচট
  1663. 1:33:37ওলেন। এটা চিনির সংকেত।
  1664. 1:33:42নিচের কোনটি তড়িৎ অবিশ্লেষ্য? সেইম। এই
  1665. 1:33:45যে গ্লুকোজ। চিনি গ্লুকোজ। তো তোমরা জানো
  1666. 1:33:48যে তোমাদের বইয়ে গ্লুকোজ লেখা আছে কিন্তু
  1667. 1:33:52সংকেত নাই। তোমাদের বৃত্তি পরীক্ষায় এভাবে
  1668. 1:33:55প্রশ্ন আসবে। এভাবেই প্রশ্ন আসবে। শুষ্ক
  1669. 1:33:59গোষ তরিতে কোনটা ব্যবহৃত হয়? শুষ্ক গোষ
  1670. 1:34:02তৈরিতে পানি ব্যবহৃত হয়, ম্যাঙ্গানিজ
  1671. 1:34:04ডাইঅক্সাইড হয়, অ্যামোনিয়াম ক্লোরাইড হয়।
  1672. 1:34:06তিনটাই ব্যবহৃত হয়। তিনটাই ব্যবহৃত হয়
  1673. 1:34:10লে বানানোর জন্য। তাহলে এখানে এই সকল
  1674. 1:34:13প্রশ্নগুলো যে আছে যেগুললা আমি তোমাদেরকে
  1675. 1:34:15স্লাইড আকারে দিচ্ছি এগুলা নিজে মুখস্ত
  1676. 1:34:18করবা পড়ে পড়ে এখানে যতগুলা সিকিউর ক দেওয়া
  1677. 1:34:22আছে জ্ঞানমূলক দেওয়া আছে যতগুলা জ্ঞানমূলক
  1678. 1:34:25দেওয়া আছে প্রত্যেকটা জ্ঞানমূলকের প্রশ্নর
  1679. 1:34:29উত্তর পড়ে অনুধাবনের প্রশ্নের উত্তর পড়ে
  1680. 1:34:32তারপর তোমরা এই সিকিউ গুলা করবা এখানে যে
  1681. 1:34:35সিকিউ গুলো আছে প্রত্যেকটা সিকিউ করবা এই
  1682. 1:34:39সিকিউ পরীক্ষায় আসবে
  1683. 1:34:41আমি করবো না। এটা যদি আমি করে দেই তাহলে
  1684. 1:34:44তোমাদের পড়া হবে না। তোমরা নিজেরা এগুলাকে
  1685. 1:34:48প্র্যাকটিস করবা। এখানে যতগুলা সিকিউ আছে
  1686. 1:34:51প্রত্যেকটা সিকিউ প্র্যাকটিস করবা। এই
  1687. 1:34:53উদ্দীপকগুলা দেখবা। এগুলা তোমাদের ফাইনাল
  1688. 1:34:56পরীক্ষার সাজেশন। আমি যদি করে দেই তাহলে
  1689. 1:34:59পরীক্ষার মানে এটার কোন লাভ নাই। এখানে
  1690. 1:35:03আমি যতগুলা সাজেশন দিয়েছি প্রত্যেকটা
  1691. 1:35:06সৃজনশীল নিজে চেষ্টা করে লিখবা। আর যদি না
  1692. 1:35:10পারো তাহলে এই ইউটিউব এর কমেন্টের নিচে
  1693. 1:35:13আমাকে জানাইও।
  1694. 1:35:15না পারার কোন রিজন নাই। আমি স্লাইডগুলা সব
  1695. 1:35:18দিয়ে রাখছি। তো এই ছিল আমার বেসিক ক্লাস।
  1696. 1:35:22আমি সিকিউ সলভ পরে করবো। এখন না এই ক্লাসে
  1697. 1:35:26না। তোমরা নিজেরা সলভ করো।
  1698. 1:35:29বৃত্তি পরীক্ষার জন্য মানে স্বাগত
  1699. 1:35:32জানাচ্ছি। আমরা আমাদের ক্লাস এইট এর
  1700. 1:35:34কোর্সে ইনশাআল্লাহ তোমাদেরকে ভালোমতো
  1701. 1:35:36পড়ানোর চেষ্টা করতেছি। ভবিষ্যৎ আল্লাহ
  1702. 1:35:39ভালো জানেন। আমি একজন নগণ্য বান্দা।
  1703. 1:35:43তোমাদের জন্য দোয়া করছি। তোমরা ভালো
  1704. 1:35:45থাকো, সুস্থ থাকো। থ্যাংক ইউ সো ভেরি মাচ।
  1705. 1:35:48আসসালামু আলাইকুম

About this transcript

This page contains the full transcript of Science | বিজ্ঞান | Chapter 8 | রাসায়নিক বিক্রিয়া | Class 8 StarBatch | Fahad Sir by Fahad's Tutorial, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 9,468 words across 1,705 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.

What you can do with it

Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.

Free YouTube transcript tool

YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.