YouTube2Text

ভয়ংকর সিরিয়াল কিলারকে ধরতে গিয়ে পুলিশ অফিসার! নিজেই মৃত্যুর ফাঁদে Scene Movie Explained In Bangla — Transcript

by CinemaxBD · 8,571 words · 1,332 segments · language en · Watch on YouTube

Full transcript

  1. 0:00শহরে একের পর এক ঘটতে থাকে ভয়ঙ্কর
  2. 0:02হত্যাকাণ্ড। কিন্তু অবাক করার বিষয় হলো
  3. 0:04প্রতিটি খুনের পেছনে এমন কিছু রহস্যময়
  4. 0:06প্রমাণ পাওয়া যায় যা পুলিশকে নিয়ে যায়
  5. 0:08এক ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলারের দিকে। অথচ
  6. 0:11সেই খুনি আগে থেকেই জেলে বন্দী। তাহলে
  7. 0:13বাইরে খুনগুলো করছে কে? আর এই রহস্যের
  8. 0:15সমাধান করতে গিয়ে এক দুর্ধর্শ পুলিশ
  9. 0:17অফিসার কিভাবে জড়িয়ে পড়বেন মৃত্যুর এক
  10. 0:20ভয়ঙ্কর খেলায়। চলুন জেনে নেওয়া যাক
  11. 0:22সুপারস্টার সুরিয়া অভিনীত 2026 সালে
  12. 0:24মুক্তিপ্রাপ্ত রহস্য ও সাসপেন্সে ভরা
  13. 0:26সিনেমা সিনের সম্পূর্ণ কাহিনী। গল্পের
  14. 0:29শুরুতেই আমরা দেখতে পাই তামিলনাড়ু আর
  15. 0:31কেরালার সীমান্তবর্তী একটি নির্জন
  16. 0:33কবরস্থান। সময়টা রাত চারদিকে প্রচন্ড
  17. 0:36বৃষ্টি হচ্ছে। এমন পরিবেশে সাধারণত কেউ এই
  18. 0:39কবরস্থানের আশপাশেও আসতে চাইবে না। কিন্তু
  19. 0:41সেই রাতেই কয়েকজন যুবক একটি মৃতদেহ নিয়ে
  20. 0:44সেখানে হাজির হয়। আসলে এই যুবকেরা
  21. 0:46একসঙ্গে ঘুরতে বেরিয়েছিল। কিন্তু নিজেদের
  22. 0:48মধ্যে ঝগড়ার এক পর্যায়ে তাদের হাতেই
  23. 0:50দলের একজন মারা যায়। এখন তারা বুঝতে
  24. 0:52পারছে না কি করবে। মৃতদেহ নিয়ে ফিরে গেলে
  25. 0:55পুলিশ তাদের ধরে ফেলবে। আবার লাশ ফেলে
  26. 0:57রেখে গেলেও বিপদ। তাই তারা সিদ্ধান্ত নেয়
  27. 0:59এই নির্জন কবরস্থানেই মৃতদেহটা গোপনে পুতে
  28. 1:02ফেলবে। তাদের একজন বলে এখানে আগে থেকেই
  29. 1:04অনেক কবর রয়েছে। পুরনো কোনো কবর খুলে তার
  30. 1:07ভেতরে মৃতদেহটা রেখে দিলেই হবে। তাহলে কেউ
  31. 1:09বুঝতে পারবে না। সবাই এই পরিকল্পনায় রাজি
  32. 1:12হয়ে যায়। এরপর তারা একটি পুরনো কবর
  33. 1:14খুরতে শুরু করে। কিন্তু তারা বুঝতেই
  34. 1:15পারেনি। একটু দূর থেকে কেউ একজন তাদের
  35. 1:18সবকিছু দেখছে। কবরস্থানের আড়ালে
  36. 1:20দাঁড়িয়ে থাকা সেই ব্যক্তি আর কেউ নয়।
  37. 1:22স্কুল পড়ুয়া এক কিশোর। তার নাম ঈশ্বরন।
  38. 1:24দলের একজন হঠাৎ ছেলেটিকে দেখতে পেয়ে
  39. 1:26চিৎকার করে ওঠে। সে বাকিদের জানায় একটা
  40. 1:29ছেলে তাদের সবকিছু দেখে ফেলেছে এখন তাকে
  41. 1:31পালাতে দেওয়া যাবে না সঙ্গে সঙ্গে সবাই
  42. 1:33ঈশ্বর কে ধরার জন্য দৌড়াতে শুরু করে
  43. 1:35ঈশ্বরও বিপদ বুঝে কবরস্থান থেকে বেরিয়ে
  44. 1:37পালানোর চেষ্টা করে কিন্তু রাস্তা পার
  45. 1:39হওয়ার সময় একটি গাড়ির সঙ্গে তার ধাক্কা
  46. 1:41লাগে ফলে সে আর পালাতে পারে না যুবকেরা
  47. 1:44তাকে ধরে আবার কবরস্থানে নিয়ে আসে সেখানে
  48. 1:46তাকে বেঁধে ফেলে এখন তারা নিজেদের মধ্যে
  49. 1:48আলোচনা করতে থাকে একজনকে তো আগেই মেরে
  50. 1:51ফেলেছে এই ছেলেটাও যেহেতু সবকিছু দেখে
  51. 1:53ফেলেছে তাই একেও বাঁচিয়ে রাখা ঠিক হবে না
  52. 1:55কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় এত বড় বিপদের
  53. 1:58মধ্যেও ঈশ্বরের মুখে কোন ভয় নেই। বরং সে
  54. 2:00অত্যন্ত স্বাভাবিকভাবে তাদের সঙ্গে কথা
  55. 2:02বলতে শুরু করে। ঈশ্বর বলে তোমরা লাশ
  56. 2:05লুকানোর জন্য এত কষ্ট করছো কেন? পুরনো কবর
  57. 2:07খুললে তো সহজেই বোঝা যাবে কেউ সেটা নতুন
  58. 2:09করে খুরেছে। এতে মানুষের সন্দেহ হতে পারে।
  59. 2:12তার চেয়ে পাশেই যে নতুন কবরটা তৈরি
  60. 2:14হয়েছে সেখানে মৃতদেহটা রেখে দাও। তাহলে
  61. 2:16কেউ সন্দেহ করবে না। একটা স্কুল পড়ুয়া
  62. 2:18ছেলের মুখে এমন বুদ্ধি শুনে যুবকেরা অবাক
  63. 2:21হয়ে যায়। তবুও তারা বুঝতে পারে ছেলেটার
  64. 2:23কথায় যুক্তি আছে তাই সবাই মিলে নতুন
  65. 2:26কবরটার কাছে যায় এরপর তারা যখন কবরটা
  66. 2:28খুলে ফেলে তখন ভেতরের দৃশ্য দেখে
  67. 2:30প্রত্যেকে হতভম্ব হয়ে যায় কারণ সেই কবরে
  68. 2:32আগে থেকেই একটি মৃতদেহ রয়েছে আর মৃতদেহটা
  69. 2:35দেখেই বোঝা যাচ্ছে খুব বেশি সময় আগে তাকে
  70. 2:38সেখানে রাখা হয়নি এখন যুবকেরা ভয়ে একে
  71. 2:40অপরের মুখের দিকে তাকাতে থাকে তারা বুঝতে
  72. 2:42পারছে না এই নতুন কবরে আবার মৃতদেহ এলো
  73. 2:45কোথা থেকে ঠিক তখনই ঈশ্বর খুব শান্তভাবে
  74. 2:48তাদের জানায় ভয় পাওয়ার কিছু নেই এই
  75. 2:50মৃতদেহটা সে নিজেই কিছুক্ষণ আগে সেখানে
  76. 2:52পুতে রেখেছে। কথাটা শুনে সবাই আরো বেশি
  77. 2:54অবাক হয়ে যায়। একজন স্কুল পড়ুয়া ছেলে
  78. 2:56নিজের মুখে স্বীকার করছে সে একজন মানুষকে
  79. 2:59খুন করে কবর দিয়েছে। কিন্তু ঈশ্বর এখানেই
  80. 3:01থামে না। সে আরো জানায় কবরের ভেতরে থাকা
  81. 3:04মৃতদেহটা আসলে তার নিজের বাবার। অর্থাৎ
  82. 3:07ঈশ্বর নিজের বাবাকেই খুন করেছে। আর
  83. 3:09সবচেয়ে ভয়ঙ্কর বিষয় হলো এই কথা বলার
  84. 3:11সময় তার মধ্যে কোন অনুশোচনা নেই। কোন
  85. 3:13দুঃখ নেই। এমনকি সামান্য ভয়ও নেই। সে
  86. 3:16এমনভাবে কথাগুলো বলছে যেন কাউকে খুন করা
  87. 3:19তার কাছে খুব সাধারণ একটা ব্যাপার। এরপর
  88. 3:21ঈশ্বর যুবকদের একটা প্রস্তাব দেয় সে বলে
  89. 3:23তোমরা আমাকে ছেড়ে দাও আমি কাউকে তোমাদের
  90. 3:25ব্যাপারে কিছু বলব না বরং ভবিষ্যতে কাউকে
  91. 3:28খুন করার প্রয়োজন হলে আমাকে জানাতে পারো
  92. 3:30টাকার বিনিময়ে আমি সেই কাজ করে দেব কারণ
  93. 3:32আমি একজন প্রফেশনাল কিলার এবার যুবকেরা
  94. 3:34বুঝতে পারে তারা যাকে সাধারণ একটা স্কুল
  95. 3:36ছাত্র ভেবেছিল সে আসলে তাদের চেয়েও
  96. 3:38ভয়ঙ্কর তবে ছেলেটার এমন সাহস আর অদ্ভুত
  97. 3:41আচরণ দেখে তারা তাকে শত্রু বানানোর
  98. 3:42পরিবর্তে বন্ধুত্ব করার সিদ্ধান্ত নেয়
  99. 3:44এরপর তারা নিজেদের সঙ্গে আনা মৃতদেহটা
  100. 3:46কবরস্থানে পুতে ফেলে সব কাজ শেষ হওয়ার পর
  101. 3:49ঈশ্বর তাদের জিজ্ঞেস করে তোমরা কোন শহর
  102. 3:51থেকে এসেছো? তারা জানায় চেন্নাই থেকে।
  103. 3:54এটা শুনে ঈশ্বর বলে সেও খুব শিগগিরই
  104. 3:56স্কুলের পড়াশোনা শেষ করে কলেজে ভর্তি
  105. 3:58হবে। আর তার ইচ্ছা চেন্নাই গিয়ে পড়াশোনা
  106. 4:01করার। তাই ভবিষ্যতে হয়তো তাদের আবার দেখা
  107. 4:03হবে। এভাবেই এক ভয়ঙ্কর কিশোর খুনির
  108. 4:05পরিচয় দিয়ে গল্পের প্রথম ঘটনাটা শেষ
  109. 4:07হয়। এরপর কেটে যায় কয়েক বছর। এবার গল্প
  110. 4:10আমাদের নিয়ে আসে চেন্নাই শহরের ক্রাইম
  111. 4:11ব্রাঞ্চ অফিসে। সেখানে কার্তি নামের একজন
  112. 4:14পুলিশ অফিসার তার সহকর্মী সিবির সঙ্গে কথা
  113. 4:16বলছে কার্তি প্রচন্ড রেগে আছে সে জানায়
  114. 4:19আজ সে তাদের সিনিয়র অফিসার ইনবরাজের
  115. 4:21বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ করবে আর এই
  116. 4:23অভিযোগে অফিসের অন্য সবার স্বাক্ষরও দরকার
  117. 4:26কিন্তু সিবি তার কথা শুনে অবাক হয়ে যায়
  118. 4:28সে বলে ইনবোরাজ স্যারের বিরুদ্ধে অভিযোগ
  119. 4:31করবে কেন তিনি তো অসাধারণ একজন অফিসার তার
  120. 4:33মত মানুষকে সবাই সম্মান করে কিন্তু
  121. 4:35কার্তির অভিযোগের শেষ নেই সে বলে ইনবোরাজ
  122. 4:38তাকে দিয়ে অকারণে অনেক কাজ করায় একটা
  123. 4:41কেসের ফাইল বারবার পড়তে বলে একই জায়গায়
  124. 4:43একাধিকবার তদন্ত করতে পাঠায়। এমনকি কখনো
  125. 4:45কখনো এমন জায়গায় নিয়ে যায় যেখানে
  126. 4:47ঠিকমতো হাঁটাও কঠিন। কার্তির কাছে এসব
  127. 4:50একেবারেই অসহ্য। সে আরও বলে ইনবরাজের
  128. 4:53অহংকারও অনেক বেশি। অফিসে কেউ তাকে
  129. 4:55স্যালুট দিলে তিনি ফিরেও তাকান না। পাল্টা
  130. 4:57স্যালুট দেওয়া তো দূরের কথা। তাই কার্তি
  131. 5:00সিদ্ধান্ত নিয়েছে আজ থেকে সে আর ইনবরাজকে
  132. 5:02স্যালুট করবে না। সিবি তাকে শান্ত করার
  133. 5:04চেষ্টা করে। কিন্তু কার্তি নিজের
  134. 5:06সিদ্ধান্তে অটল। ঠিক তখনই অফিসে প্রবেশ
  135. 5:08করে ইনবরাজ। তবে তার প্রবেশটা অন্য পুলিশ
  136. 5:10অফিসারদের মতো নয়। সাধারণত একজন নামকরা
  137. 5:13ক্রাইম ব্রাঞ্চ অফিসারকে দেখলে আমরা ভাবি
  138. 5:15তিনি পরিবারের ইউনিফর্ম পরে অত্যন্ত
  139. 5:17গম্ভীরভাবে অফিসে ঢুকবেন। কিন্তু ইনবরাজের
  140. 5:19ব্যাপারটাই আলাদা। তারপরে সাধারণ টি-শার্ট
  141. 5:22আর শর্টস, পায়ে স্যান্ডেল, কানে হেডফোন
  142. 5:25আর মুখে সিগারেট। এমন অদ্ভুত পোশাকেই সে
  143. 5:27অফিসে প্রবেশ করে। তাকে দেখামাত্র সবাই
  144. 5:29উঠে দাঁড়িয়ে স্যালুট দেয়। শুধু কার্তি
  145. 5:31নিজের জায়গায় বসে থাকে। কারণ সে তো একটু
  146. 5:34আগেই ঘোষণা করেছে ইনবরাজকে আর স্যালুট
  147. 5:36করবে না। কিন্তু ইনবোরাজ যখন তার দিকে মুখ
  148. 5:38ঘুরিয়ে তাকায় তখন কার্তির সমস্ত সাহস
  149. 5:41মুহূর্তের মধ্যে উধাও হয়ে যায়। সে সঙ্গে
  150. 5:43সঙ্গে উঠে দাঁড়িয়ে স্যালুট করে ফেলে।
  151. 5:45এখান থেকেই বোঝা যায় অফিসের সবাই
  152. 5:47ইনবরাজকে কতটা সমীহ করে। এরপর ইনবরাজ সোজা
  153. 5:50চলে যায় তার উর্ধাতন কর্মকর্তা এসপি
  154. 5:52স্টিফেনের কক্ষে। স্টিফেনকে দেখেই সে
  155. 5:54জানিয়ে দেয় সে চাকরি ছেড়ে দেওয়ার
  156. 5:56সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ইতিমধ্যে পদত্যাগপত্র
  157. 5:58ইমেইল করে দিয়েছে। আর আজই অফিসে তার শেষ
  158. 6:01দিন। স্টিফেন কথাটা শুনে অবাক হয়ে যান।
  159. 6:03তিনি জানতে চান ক্যারিয়ারের এত ভালো সময়
  160. 6:05এসে ইনবোরাজ কেন চাকরি ছাড়তে চাইছে? এরপর
  161. 6:08কি করবে সে? ইনবোরাজ খুব স্বাভাবিকভাবে
  162. 6:10উত্তর দেয় এবার সে রাজনীতিতে যোগ দেবে।
  163. 6:12স্টিফেন বুঝতে পারেন ইনবোরাজ হয়তো
  164. 6:14বিষয়টা এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তাই
  165. 6:16তিনি তাকে বোঝাতে থাকেন। তিনি বলেন,
  166. 6:18ইনবোরাজের মত একজন দক্ষ অফিসারকে এত সহজে
  167. 6:21ছেড়ে দেওয়া সম্ভব নয়। কারণ সে ইতিমধ্যে
  168. 6:23অসংখ্য জটিল কেসের সমাধান করেছে। আর এখনো
  169. 6:26একটা গুরুত্বপূর্ণ কেস রয়েছে যেটা তার
  170. 6:28হাতে তুলে দিতে চান। স্টিফেন তখন চেন্নাই
  171. 6:30শহরে ঘটে যাওয়া একটি রহস্যময়
  172. 6:32হত্যাকাণ্ডের ফাইল বের করেন। তিনি
  173. 6:33ইনবরাজকে অনুরোধ করেন অন্তত এই শেষ কেসটা
  174. 6:36সমাধান করে তারপর চাকরি ছাড়তে। কিন্তু
  175. 6:39ইনবরাজ কোনভাবেই রাজি হয় না। সে ফাইলটা
  176. 6:41পর্যন্ত হাতে নিতে চায় না। বরং স্টিফেনকে
  177. 6:43স্পষ্ট জানিয়ে দেয় তার সিদ্ধান্ত
  178. 6:45চূড়ান্ত। সে আর পুলিশ বিভাগে কাজ করবে
  179. 6:47না। এই বলে ইনবরাজ সেখান থেকে বেরিয়ে
  180. 6:49যায়। অন্যদিকে গল্প আবার ফিরে যায় কয়েক
  181. 6:52বছর আগের সেই যুবকদের কাছে যাদের সঙ্গে
  182. 6:54কবরস্থানে ঈশ্বরনের পরিচয় হয়েছিল সেই
  183. 6:57দলের দুজন এখন চেন্নাই শহরে বেশ পরিচিত
  184. 6:59তাদের একজন সোশ্যাল মিডিয়ায় জনপ্রিয়
  185. 7:01হয়ে উঠেছে আরেকজন লিঙ্গা নামে পরিচিত যে
  186. 7:04স্থানীয় অপরাধ জগতের একজন প্রভাবশালী
  187. 7:06ব্যক্তি একদিন সেই সোশ্যাল মিডিয়া
  188. 7:08সেলিব্রিটি নিজের প্রেমিকার সঙ্গে ভয়ঙ্কর
  189. 7:10ঝামেলায় জড়িয়ে পড়ে এক পর্যায়ে সে
  190. 7:12মেয়েটিকে এতটাই মারধর করে যে মেয়েটি
  191. 7:14প্রায় মৃত্যুর মুখে পৌঁছে যায় এখন সে
  192. 7:17বুঝতে পারে মেয়েটি বেঁচে গেলে তার
  193. 7:18বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ করতে পারে।
  194. 7:20তাই সে সিদ্ধান্ত নেয় মেয়েটিকে আর
  195. 7:22বাঁচিয়ে রাখা যাবে না। কিন্তু নিজে খুন
  196. 7:24করলে পুলিশের হাতে ধরা পড়ার ভয় রয়েছে।
  197. 7:27এই সমস্যার সমাধান খুঁজতে সে লিঙ্গার কাছে
  198. 7:29যায়। সেখানে গিয়ে কয়েক বছর আগের সেই
  199. 7:31কবরস্থানের ঘটনার কথা মনে করিয়ে দেয়। সে
  200. 7:33বলে কেরালার সীমান্তে যে স্কুল পড়ুয়া
  201. 7:35ছেলেটার সঙ্গে তাদের পরিচয় হয়েছিল, মনে
  202. 7:37আছে? যে নিজেকে প্রফেশনাল কিলার বলেছিল
  203. 7:40তাকে ডেকে আনলেই তো সমস্যার সমাধান হয়ে
  204. 7:42যাবে। লিঙ্গাও প্রস্তাবে রাজি হয়ে যায়।
  205. 7:44এরপর তারা ঈশ্বনের সঙ্গে যোগাযোগ করে।
  206. 7:46কিছু সময় পর সেখানে হাজির হয় ঈশ্বরন।
  207. 7:49তবে সে এখন আর স্কুল পড়ুয়া কিশোর নয়।
  208. 7:51সে বড় হয়েছে। কলেজে পড়ছে। আর তার
  209. 7:54চেহারা দেখে বোঝার উপায় নেই সে কতটা
  210. 7:56ভয়ঙ্কর একজন মানুষ। হাতে একটি ল্যাপটপ
  211. 7:58নিয়ে ঈশ্বর তাদের সামনে এসে দাঁড়ায়।
  212. 8:00তারপর সরাসরি জানতে চায় কি কাজ করতে হবে।
  213. 8:03তারা তাকে আহত মেয়েটিকে দেখায়। মেয়েটির
  214. 8:05অবস্থা দেখে ঈশ্বর বুঝতে পারে তাকে আগেই
  215. 8:08প্রচন্ড মারধর করা হয়েছে। সে জানায় এই
  216. 8:11অবস্থায় মেয়েটির মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে
  217. 8:13চালানো সম্ভব নয়। কারণ শরীরে আঘাতের
  218. 8:15চিহ্ন রয়েছে। তবে ঈশ্বর তাদের আশ্বস্ত
  219. 8:18করে সে অন্যভাবে পুরো ব্যাপারটা সামলে
  220. 8:20নেবে। শুধু তার পারিশ্রমিকটা ঠিকমতো দিতে
  221. 8:22হবে। এরপর ঈশ্বর লিঙ্গার সঙ্গে আলাদা করে
  222. 8:25কথা বলে। সে জানায় ভবিষ্যতে লিঙ্গার যদি
  223. 8:27কাউকে খুন করানোর প্রয়োজন হয় তাহলে
  224. 8:29সরাসরি তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে।
  225. 8:31পুরনো পরিচয়ের কারণে লিঙ্গাকে সে বিশেষ
  226. 8:34ছাড়ও দেবে। এমনকি খুনের পারিশ্রমিকে 20
  227. 8:36শতাংশ ডিসকাউন্ট দেওয়ার কথাও বলে। একজন
  228. 8:38মানুষ এত স্বাভাবিকভাবে হত্যার দরদাম করতে
  229. 8:41পারে সেটা সত্যিই ভয়ঙ্কর। কিন্তু ঈশ্বরের
  230. 8:43কাছে এগুলো কোন অস্বাভাবিক ব্যাপার নয়।
  231. 8:45কারণ এই কয়েক বছরে সে খুন করাকেই নিজের
  232. 8:47পেশা বানিয়ে ফেলেছে। এরপর সে আহত
  233. 8:50মেয়েটিকে সেখান থেকে নিয়ে যাওয়ার
  234. 8:51ব্যবস্থা করে। এ কাজে তাকে সাহায্য করে
  235. 8:53একজন অটোরিক্সাচালক। তবে এই অটোচালক
  236. 8:56সাধারণ কেউ নয়। সে ঈশ্বরনের অপরাধী দলের
  237. 8:58একজন সদস্য। এদের সঙ্গে আরো একজন মহিলা
  238. 9:01রয়েছে যিনি পেশায় দর্জি। বাইরে থেকে
  239. 9:03দেখলে তাকে একেবারে সাধারণ পরিবারের একজন
  240. 9:06মহিলা মনে হবে। কিন্তু বাস্তবে তিনিও
  241. 9:08ঈশ্বনের সঙ্গে বিভিন্ন হত্যাকাণ্ডে
  242. 9:10সহযোগিতা করেন। অর্থাৎ ঈশ্বর, অটোচালক আর
  243. 9:13সেই দর্জি মহিলা। এই তিনজন মিলে চেন্নাই
  244. 9:16শহরে একটি গোপন কন্ট্রাক্ট কিলিং চক্র
  245. 9:18পরিচালনা করছে। টাকার বিনিময়ে মানুষ খুন
  246. 9:20করাই তাদের কাজ। আর ঈশ্বর এই দলের প্রধান।
  247. 9:23মেয়েটিকে নিয়ে যাওয়ার পর ঈশ্বর তাকে
  248. 9:25হত্যা করে এবং তার সহযোগীদের নির্দেশ দেয়
  249. 9:28সে যখন বলবে তখন যেন মৃতদেহ সরিয়ে ফেলা
  250. 9:30হয়। এদিকে পরদিন আমরা দেখতে পাই একটি
  251. 9:33আক্ষেতের মধ্যে এক যুবক তার প্রেমিকাকে
  252. 9:35নিয়ে এসেছে। তারা দুজন কিছুটা নিরিবিলি
  253. 9:37সময় কাটাতে চেয়েছিল কিন্তু সেখানে
  254. 9:39পৌঁছানোর পর হঠাৎ মেয়েটির চোখে পড়ে
  255. 9:42আক্ষেতের ভেতরে একটি মৃতদেহ পড়ে আছে।
  256. 9:44মৃতদেহটা দেখামাত্র মেয়েটি ভয় পেয়ে
  257. 9:46যায়। তার মনে হয় নিজের প্রেমিকই হয়তো
  258. 9:49কাউকে খুন করে সেখানে ফেলে রেখেছে। আর এখন
  259. 9:51তাকেও একই ভাবে খুন করার পরিকল্পনা করেছে।
  260. 9:54এই ভয়ে সে দৌড়ে সেখান থেকে বেরিয়ে আসে।
  261. 9:56তারপর আশপাশের লোকজনকে ডেকে সবকিছু
  262. 9:58জানায়। কিছুক্ষণের মধ্যেই ঘটনাস্থলে
  263. 10:00পুলিশ হাজির হয়। এদিকে মেয়েটির প্রেমিক
  264. 10:03বারবার বোঝানোর চেষ্টা করছে সে সম্পূর্ণ
  265. 10:05নির্দোষ। সে শুধু প্রেমিকার সঙ্গে সময়
  266. 10:07কাটানোর জন্য সেখানে এসেছিল। এমনকি সঙ্গে
  267. 10:09খাবারও নিয়ে এসেছিল। কিন্তু এখন উল্টো
  268. 10:11তাকেই খুনি বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। পুলিশ
  269. 10:14তার কথায় খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না।
  270. 10:16ঠিক তখনই ঘটনাস্থলে আসে ক্রাইম ব্রাঞ্চের
  271. 10:18দুই অফিসার কার্তি আর সিবি। কার্তি
  272. 10:20মৃতদেহটা পরীক্ষা করতে শুরু করে। আর
  273. 10:22মৃতদেহের অবস্থা দেখেই সে চমকে ওঠে। কারণ
  274. 10:25মৃত ব্যক্তির বুকের উপর ইংরেজি এক্স
  275. 10:27অক্ষরের মত একটি চিহ্ন রয়েছে। মুখে
  276. 10:29রয়েছে অসংখ্য আঘাতের দাগ। আর সবচেয়ে
  277. 10:31অদ্ভুত ব্যাপার মৃতদেহ থেকে পারফিউম এর
  278. 10:34গন্ধ আসছে। এই তিনটি বিষয়ে কার্তির কাছে
  279. 10:36খুব পরিচিত। কারণ কয়েক বছর আগে চেন্নাই
  280. 10:38শহরে একজন ভয়ঙ্কর সিরিয়াল কিলার একই
  281. 10:40পদ্ধতিতে মানুষ খুন করত। পুলিশ তাকে
  282. 10:43পারফিউম কিলার নামে চিনত। সে খুনিই তার
  283. 10:45শিকারদের শরীরে বিশেষ চিহ্ন তৈরি করত এবং
  284. 10:47মৃতদেহে পারফিউম ব্যবহার করত। আর এই
  285. 10:49পারফিউম কিলকে গ্রেপ্তার করেছিল ইনবরাজ।
  286. 10:52বর্তমানে সে জেলে বন্দী। তাহলে একই
  287. 10:54পদ্ধতিতে আবার খুন হচ্ছে কিভাবে? কার্তির
  288. 10:57মাথায় সঙ্গে সঙ্গে একটা সন্দেহ তৈরি হয়।
  289. 10:59তার মনে হয় ইনবরাজ হয়তো আগের তদন্তে ভুল
  290. 11:02করেছিল। সে হয়তো প্রকৃত পারফিউম কিলারকে
  291. 11:04গ্রেপ্তার করতে পারেনি। বরং ভুল করে একজন
  292. 11:06নির্দোষ মানুষকে জেলে পাঠিয়েছে। এই
  293. 11:08সন্দেহ নিয়ে কার্তি দ্রুত এসপি স্টিফেনের
  294. 11:11কাছে যায়। সে পুরো ঘটনা খুলে বলে। কিন্তু
  295. 11:13স্টিফেন তার কথা শুনে বিরক্ত হন। তিনি
  296. 11:15জানেন কার্তি আগে থেকেই ইনবরাজকে পছন্দ
  297. 11:17করে না। তাই তিনি মনে করেন ব্যক্তিগত রাগ
  298. 11:20থেকেই কার্তি এমন অভিযোগ করছে। কিন্তু
  299. 11:22কার্তি নিজের বক্তব্যে অটল। সে বলে নতুন
  300. 11:25হত্যাকাণ্ডের ধরণ আগের পারফিউম কিলারের
  301. 11:27হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে।
  302. 11:29একজন নকল খুনির পক্ষে এত নিখুতভাবে একই
  303. 11:32পদ্ধতি অনুসরণ করা কঠিন। তাই সত্যিটা
  304. 11:34জানতে হলে জেলে থাকা পারফিউম কিলারকে আবার
  305. 11:36জিজ্ঞাসাবাদ করতে হবে। শেষ পর্যন্ত
  306. 11:38স্টিফেন তার কথায় রাজি হন। এরপর তিনি
  307. 11:40জেলে বন্দি সেই কুখ্যাত খুনির সঙ্গে দেখা
  308. 11:42করতে যান। তার নাম ভিক্টর। ভিক্টরকে
  309. 11:44জানানো হয় বাইরে কেউ একজন তার পদ্ধতি
  310. 11:47অনুসরণ করে মানুষ খুন করছে। পুলিশ জানতে
  311. 11:49চায় এই নতুন হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে তার কোন
  312. 11:52যোগাযোগ রয়েছে কিনা? কিন্তু প্রশ্নটা
  313. 11:54শুনেই ভিক্টর প্রচন্ড রেগে যায়। তার কাছে
  314. 11:56সবচেয়ে অপমানজনক ব্যাপার হলো অন্য কেউ
  315. 11:59তার খুনের পদ্ধতি ব্যবহার করে নিজের
  316. 12:01পরিচয় তৈরি করছে। সে মনে করে কেউ তার
  317. 12:04কুখ্যাতি আর পরিচিতি কেড়ে নেওয়ার চেষ্টা
  318. 12:06করছে। তাই সে স্টিফেনের সঙ্গে কোনো কথাই
  319. 12:08বলতে চায় না। বরং স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে
  320. 12:11অফিসার তাকে গ্রেপ্তার করেছিল সেই
  321. 12:13ইনবোরাজকে এখানে আসতে হবে। ইনবোরাজ ছাড়া
  322. 12:15সে আর কারো সঙ্গে কথা বলবে না। এখন
  323. 12:17স্টিফেনের সামনে নতুন সমস্যা তৈরি হয়।
  324. 12:19কারণ ইনবোরাজ তো ইতিমধ্যে চাকরি ছেড়ে
  325. 12:21দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তবুও তিনি
  326. 12:24কয়েকজন পুলিশ সদস্যকে পাঠান ইনবোরাজকে
  327. 12:26নিয়ে আসার জন্য। পুলিশ সদস্যরা তার
  328. 12:28বাড়িতে গিয়ে জানায় তাকে জেলে যেতে হবে।
  329. 12:30কিন্তু ইনবোরাজ সরাসরি বলে দেয় সে কোথাও
  330. 12:33যাবে না। তখন পুলিশ সদস্যরা জানায়
  331. 12:35প্রয়োজন হলে তাকে জোর করে নিয়ে যাওয়া
  332. 12:37হবে। এটা শুনে ইনবরাজ খুব স্বাভাবিকভাবে
  333. 12:39বলে তাহলে তাকে তুলে নিয়েই যেতে পারে।
  334. 12:41শেষ পর্যন্ত পুলিশ সদস্যরা তাকে নিয়ে
  335. 12:43জেলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয়। জেলে পৌঁছানোর
  336. 12:45পর সেখানকার কর্মকর্তারা বেশ চিন্তিত হয়ে
  337. 12:47পড়েন কারণ এই জেলে থাকা অনেক অপরাধীকে
  338. 12:49ইনবরাজ নিজেই গ্রেপ্তার করেছিল তাই তাকে
  339. 12:52দেখে বন্দীরা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠতে পারে
  340. 12:54নিরাপত্তার জন্য পুলিশ সদস্যরা তাকে ঘিরে
  341. 12:56ভেতরে নিয়ে যায় অবশেষে ইনবরাজ মুখোমুখি
  342. 12:58হয় পারফিউম কিলার ভিক্টরের ইনবরাজ তাকে
  343. 13:00জিজ্ঞেস করে সে কেন দেখা করতে চেয়েছে
  344. 13:03ভিক্টর কিছুক্ষণ চুপচাপ তার দিকে তাকিয়ে
  345. 13:05থাকে তারপর অদ্ভুতভাবে হাসতে শুরু করে
  346. 13:07ইনবরাজ বুঝতে পারে ভিক্টর নিশ্চয়ই কিছু
  347. 13:10একটা পরীক্ষা করছে কিন্তু সে বুঝতে পারে
  348. 13:12না ঠিক কি এরপর এরপর ভেক্টর নিজের হাত
  349. 13:15তুলে কয়েকটি আঙ্গুল দেখায়। সে ইনবরাজকে
  350. 13:17বলে তার হাতে কয়টি আঙ্গুল দেখতে পাচ্ছে
  351. 13:20সেটা বলতে। প্রশ্নটা শুনে ইনবরাজ
  352. 13:22মুহূর্তের মধ্যে অস্বস্তিতে পড়ে যায়।
  353. 13:24এতক্ষণ যে মানুষটা একেবারে আত্মবিশ্বাসের
  354. 13:26সঙ্গে কথা বলছিল তার মুখের ভাব হঠাৎ বদলে
  355. 13:28যায়। ভিক্টর সেটা লক্ষ্য করেই আরও জোরে
  356. 13:30হাসতে শুরু করে। আর ঠিক এখানেই গল্পের
  357. 13:33সবচেয়ে বড় রহস্যগুলোর একটি প্রকাশ পায়।
  358. 13:35ইনবরাজ আসলে চোখে দেখতে পায় না। হ্যাঁ।
  359. 13:37যে পুলিশ অফিসার এতদিন একের পর এক জটিল
  360. 13:40কেসের সমাধান করেছে যে অপরাধীদের কাছে
  361. 13:42আতঙ্কের নাম সেই ইনবরাজের দৃষ্টিশক্তি
  362. 13:45প্রায় পুরোপুরি নষ্ট হয়ে গেছে আর
  363. 13:47সবচেয়ে অবাক করার বিষয় সে দীর্ঘদিন ধরে
  364. 13:49এই সত্যিটা সবার কাছ থেকে লুকিয়ে রেখেছিল
  365. 13:52ভিক্টর এবার চিৎকার করে অন্য পুলিশ
  366. 13:54সদস্যদের জানাতে থাকে তাদের বিখ্যাত
  367. 13:56অফিসার ইনবরাজ আসলে অন্ধ হয়ে গেছে সে আরো
  368. 13:59বিদ্রুপ করে বলে এতদিন ধরে ইনবরাজের সঙ্গে
  369. 14:01কাজ করেও তারা কেউ বিষয়টা বুঝতে পারেনি
  370. 14:03ইনবরাজ ভীষণ অপমানিত বোধ করে এদিকে
  371. 14:06স্টিফেনও পুরো ঘটনা শুনে হতভম্ব হয়ে যান।
  372. 14:08তিনি জানতে চান ইনবরাজের দৃষ্টিশক্তি কবে
  373. 14:11থেকে নষ্ট হয়েছে। তখন জানা যায় প্রায়
  374. 14:13পাঁচ বছর আগেই ইনবরাজ বুঝতে পেরেছিল ধীরে
  375. 14:16ধীরে তার চোখের দৃষ্টি চলে যাচ্ছে। আর গত
  376. 14:18এক বছর ধরে সে প্রায় কিছুই দেখতে পায়
  377. 14:21না। বর্তমানে তার দৃষ্টিশক্তির প্রায় 90
  378. 14:23শতাংশ নষ্ট হয়ে গেছে। কিন্তু এই
  379. 14:25অবস্থাতেও সে পুলিশ বিভাগে কাজ চালিয়ে
  380. 14:27গেছে। এমনকি দৃষ্টিশক্তি হারানোর পরও সে
  381. 14:2910টি কেসের সমাধান করেছে। স্টিফেন এবার
  382. 14:32প্রচন্ড চিন্তায় পড়ে যান। কারণ বিষয়টা
  383. 14:34প্রকাশ পেলে শুধু ইনবরাজ নয় পুরো বিভাগের
  384. 14:36উপর প্রশ্ন উঠবে। তিনি রেগে গিয়ে জানতে
  385. 14:38চান এত বড় একটা ঘটনা ইনবরাজ আগে কেন
  386. 14:41জানায়নি। ইনবরাজ তখন তাকে মনে করিয়ে
  387. 14:43দেয় সে তো চাকরি ছাড়তেই চেয়েছিল।
  388. 14:45কিন্তু স্টিফেনই তাকে যেতে দিতে রাজি
  389. 14:47হচ্ছিলেন না। শেষ পর্যন্ত স্টিফেন
  390. 14:49সিদ্ধান্ত নেন। আপাতত এই সত্যিটা গোপন
  391. 14:51রাখা হবে। ইনবরাজ স্টিফেন আর কার্তি ছাড়া
  392. 14:54অন্য কেউ বিষয়টা জানতে পারবে না। তিনি
  393. 14:56ইনবরাজের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করতে রাজি হন।
  394. 14:58কিন্তু ঠিক তখনই ইনবরাজ নিজের সিদ্ধান্ত
  395. 15:01বদলে ফেলে। সে জানায় এখনই চাকরি ছাড়বে
  396. 15:04না। কারণ একটা অসমাপ্ত কাজ তার সামনে
  397. 15:06রয়েছে। সে নিশ্চিত জেলেবন্দি ভিক্টোরি
  398. 15:09আসল পারফিউম কিলার। কিন্তু বাইরে যে নতুন
  399. 15:11হত্যাকাণ্ড গুলো ঘটছে সেগুলোর পেছনে
  400. 15:13রয়েছে অন্য একজন অপরাধী। সেই অপরাধী
  401. 15:16অত্যন্ত পরিকল্পিতভাবে ভিক্টরের খুনের
  402. 15:18পদ্ধতি নকল করছে। আর ইনবরাজ সেই আসল
  403. 15:20অপরাধীকে খুঁজে বের না করা পর্যন্ত থামবে
  404. 15:22না। স্টিফেন তাকে বোঝানোর চেষ্টা করেন। এই
  405. 15:25অবস্থায় তদন্ত করা তার জন্য অত্যন্ত
  406. 15:27বিপদজনক। কিন্তু ইনবোরাজ কারো কথা শুনতে
  407. 15:29রাজি নয়। সে জানিয়ে দেয় প্রয়োজনে
  408. 15:31চাকরি হারাবে তবুও এই কেসের সমাধান করেই
  409. 15:34ছাড়বে। এরপর সে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়।
  410. 15:36স্টিফেন বুঝতে পারেন ইনবরাজকে সরাসরি
  411. 15:38আটকানো সম্ভব নয়। তাই তিনি কার্তিককে
  412. 15:41একটি বিশেষ দায়িত্ব দেন। কার্তিকে
  413. 15:42ইনবরাজের বাড়ির সামনে নজরদারি করতে হবে।
  414. 15:45সে কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে দেখা করছে,
  415. 15:48গোপনে তদন্ত চালাচ্ছে কিনা সবকিছু
  416. 15:50স্টিফেনকে জানাতে হবে। কার্তি এই দায়িত্ব
  417. 15:52পেয়ে বেশ খুশি হয়। কারণ যে অফিসারের উপর
  418. 15:55সে এতদিন বিরক্ত ছিল এবার তার উপর নজরদারি
  419. 15:57করার সুযোগ পেয়েছে। এদিকে ইনবরাজ নিজের
  420. 16:00বাড়িতে ফিরে একটি অদ্ভুত বিজ্ঞাপন দেয়।
  421. 16:02বিজ্ঞাপনে লেখা তার বাড়ির কাজের জন্য
  422. 16:04একজন সহকারীর প্রয়োজন। কিন্তু সহকারী
  423. 16:06নিয়োগের শর্তগুলো দেখে সবাই অবাক হয়ে
  424. 16:08যায়। কারণ সাধারণ বাড়ির কাজের জন্য এমন
  425. 16:10শর্ত কেউ দেয় না। আবেদনকারীর অত্যন্ত
  426. 16:12বুদ্ধিমান হতে হবে। পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা
  427. 16:14থাকতে হবে অসাধারণ। মার্শাল আর্ট জানতে
  428. 16:17হবে। আশপাশের ছোটখাটো বিষয়ও খেয়াল করার
  429. 16:19ক্ষমতা থাকতে হবে। এমন বিজ্ঞাপন দেখে
  430. 16:21অনেকেই ইন্টারভিউ দিতে আসে। আর তাদের
  431. 16:23মধ্যেই একজন হলো মায়া। মায়া একজন
  432. 16:25অত্যন্ত বুদ্ধিমান তরুণী। ছোটবেলা থেকেই
  433. 16:28তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা অন্যদের চেয়ে অনেক
  434. 16:30বেশি। একবার তার বাবা লক্ষ্য করেছিলেন
  435. 16:32গাড়িতে পেট্রোল স্বাভাবিকের চেয়ে দ্রুত
  436. 16:34শেষ হয়ে যাচ্ছে। সাধারণত 10 দিন পর পর
  437. 16:36পেট্রোল ভরতে হতো। কিন্তু সেবার সাত দিনের
  438. 16:39মধ্যেই পেট্রোল শেষ হয়ে যায়। ছোট্ট
  439. 16:40মায়া বিষয়টা খেয়াল করে সন্দেহ করেছিল।
  440. 16:43নিশ্চয়ই কোথাও কিছু একটা সমস্যা হচ্ছে।
  441. 16:45তাই সে রাতে জানালা দিয়ে গাড়ির দিকে নজর
  442. 16:47রাখে। আর তখনই দেখতে পায় এক চোর গোপনে
  443. 16:50তার বাবার গাড়ি থেকে পেট্রোল চুরি করছে।
  444. 16:52মায়া সঙ্গে সঙ্গে বাবাকে বিষয়টা জানায়।
  445. 16:54তার বাবা এসে দেখে মেয়ের সন্দেহ একদম
  446. 16:56ঠিক। সেদিন থেকেই বোঝা গিয়েছিল মায়ার
  447. 16:58পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা কতটা অসাধারণ। কিন্তু
  448. 17:01মায়ার জীবনেও একটা বড় সমস্যা রয়েছে।
  449. 17:03ছোটবেলায় মাকে হারানোর পর সে গভীর মানসিক
  450. 17:06আঘাত পেয়েছিল। এরপর থেকে তার হাত
  451. 17:08মাঝেমধ্যে প্রচন্ড কাঁপতে থাকে। এমনকি
  452. 17:10হঠাৎ খুব আনন্দের বা ভয়ঙ্কর কোন খবর
  453. 17:12শুনলে তার খিচুনি শুরু হতে পারে। এই
  454. 17:14সমস্যার কারণে স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে
  455. 17:16তাকে অনেক অসুবিধার মুখোমুখি হতে হয়।
  456. 17:19তবুও তার বুদ্ধিমত্তা, পর্যবেক্ষণ ক্ষমতা
  457. 17:21আর মার্শাল আর্টের দক্ষতা ইনবরাজের
  458. 17:23বিজ্ঞাপনের শর্তগুলোর সঙ্গে মিলে যায়।
  459. 17:25তাই মায়া ইন্টারভিউ দিতে যায়। সেখানে
  460. 17:27পৌঁছে তাকে একটি ফরম পূরণ করতে দেওয়া
  461. 17:29হয়। কিন্তু হাত কাঁপার কারণে সে ঠিকমত
  462. 17:32কিছুই লিখতে পারে না। এর মধ্যেই ভেতর থেকে
  463. 17:34ইনবরাজ তার নাম ধরে ডাকে। মায়া ফরম পূরণ
  464. 17:36না করেই ভেতরে প্রবেশ করে। ইনবরাজ তার হাত
  465. 17:39থেকে ফরমটা নেয়। তারপর এমনভাবে ফরম
  466. 17:41পরীক্ষা করার অভিনয় করে যেন সেখানে সব
  467. 17:43তথ্য লেখা রয়েছে সে বিভিন্ন প্রশ্ন করে
  468. 17:46এবং মায়ার উত্তর শুনে প্রশংসা করতে থাকে
  469. 17:48কিন্তু মায়া কিছুক্ষণের মধ্যেই বুঝতে
  470. 17:50পারে এখানে অদ্ভুত কিছু একটা হচ্ছে কারণ
  471. 17:52সে তো ফোরামে কিছুই লিখেনি অথচ ইনবরাজ এমন
  472. 17:55আচরণ করছে যেন সবকিছু পড়তে পারছে মায়া
  473. 17:58সরাসরি তাকে জিজ্ঞেস করে স্যার আপনি কি
  474. 18:00চোখে দেখতে পান না প্রশ্নটা শুনে ইনবরাজ
  475. 18:02চমকে ওঠে কারণ এতদিন ধরে যে সত্যিটা সে
  476. 18:04লুকিয়ে রেখেছিল এই মেয়েটি কয়েক মিনিটের
  477. 18:07মধ্যেই সেটা ধরে ফেলেছে তখনই ইনবরাজ বুঝতে
  478. 18:10সে ঠিক এমন একজন মানুষকেই খুঁজছিল। সে
  479. 18:12সঙ্গে সঙ্গে মায়াকে চাকরিতে নিয়োগ দেয়।
  480. 18:14এরপর জানায় মায়ার আসল কাজ বাড়ির সাধারণ
  481. 18:17কাজ করা নয়। বরং তাকে ইনবোরাজের চোখ হয়ে
  482. 18:20কাজ করতে হবে। ইনবোরাজ যেসব জিনিস দেখতে
  483. 18:22পায় না মায়াকে সেগুলো পর্যবেক্ষণ করে
  484. 18:24জানাতে হবে। এটাই তার প্রধান দায়িত্ব।
  485. 18:26তবে কাজ শুরু করার আগে ইনবোরাজ মায়ার
  486. 18:28একটা পরীক্ষা নিতে চায়। সে মায়াকে
  487. 18:30বাড়ির বাইরে পাঠিয়ে বলে, পুরো রাস্তাটা
  488. 18:32ভালোভাবে পর্যবেক্ষণ করে আসতে। মায়া
  489. 18:34বাইরে গিয়ে আশপাশের বিভিন্ন বিষয় দেখে
  490. 18:36ফিরে আসে। কিন্তু ইনবরাজ তার বর্ণনা শুনে
  491. 18:39বুঝতে পারে সে কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য বাদ
  492. 18:41দিয়েছে তাই তাকে আবার পাঠায় এভাবে
  493. 18:43কয়েকবার বাইরে গিয়ে মায়া প্রতিবারই
  494. 18:45নতুন কিছু লক্ষ্য করে শেষ পর্যন্ত সে এমন
  495. 18:48একটি তথ্য জানায় যেটা ইনবরাজের জন্য
  496. 18:50অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বাড়ির সামনের
  497. 18:52চায়ের দোকানে দুজন পুলিশ সদস্য দাঁড়িয়ে
  498. 18:54তাকে নজরদারি করছে এই কথাটা শুনে ইনবরাজ
  499. 18:56বুঝতে পারে মায়া এবার সত্যিই ভালোভাবে
  500. 18:58সবকিছু পর্যবেক্ষণ করেছে সে মায়ার
  501. 19:01প্রশংসা করে এরপর থেকে মায়া সব সময়
  502. 19:03ইনবরাজের সঙ্গে থাকতে শুরু করে তারা দুজন
  503. 19:05এয়ারবাড এর মাধ্যমে যোগাযোগ করে। ইনবরাজ
  504. 19:07রাস্তায় হাঁটার সময় মায়া তাকে জানায়
  505. 19:09সামনে কি রয়েছে? কোন দিকে যেতে হবে,
  506. 19:12কোথায় বাঁধা আছে, কে তার দিকে এগিয়ে
  507. 19:14আসছে? এভাবে মায়ার নির্দেশনা অনুসরণ করে
  508. 19:16ইনবরাজ এমনভাবে চলাফেরা করে যেন সে সবকিছু
  509. 19:19দেখতে পাচ্ছে। আর আশপাশের মানুষও বুঝতে
  510. 19:21পারে না। তার দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে।
  511. 19:23অন্যদিকে ঈশ্বর তার অপরাধের কাজ চালিয়ে
  512. 19:26যাচ্ছে। সে একের পর এক মানুষ খুন করে
  513. 19:28এমনভাবে মৃতদেহ সাজিয়ে রাখছে যেন সবাই
  514. 19:30মনে করে এগুলো পারফিউম কিলারের কাজ। ফলে
  515. 19:33পুলিশের তদন্তক্রমেই জটিল হয়ে উঠছে।
  516. 19:35এদিকে ইনবরাজ এবার মায়াকে নিয়ে একটি
  517. 19:37বৃদ্ধাশ্রমে যায়। সেখানে গিয়ে সে জানায়
  518. 19:39নিজের বাবাকে বাড়িতে ফিরিয়ে নিতে এসেছে।
  519. 19:42তার বাবার নাম হৃদয় রাজ কিন্তু বাবাকে
  520. 19:44দেখেই মায়া বুঝতে পারে তার আচরণ মোটেও
  521. 19:46স্বাভাবিক নয়। কারণ হরুদারা রাজ এক
  522. 19:49অদ্ভুত মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। মাঝেমধ্যে
  523. 19:51তিনি হঠাৎ সংখ্যা গুনতে শুরু করেন। আর সেই
  524. 19:54গণনা শেষ হওয়ার পর তার আচরণ পুরোপুরি
  525. 19:56বদলে যায়। কখনো তিনি ছোট বাচ্চার মত আচরণ
  526. 19:58করেন আবার কখনো নিজের পরিচয় আর স্বাভাবিক
  527. 20:01ব্যক্তিত্ব ভুলে সম্পূর্ণ অন্যরকম মানুষ
  528. 20:03হয়ে যান এই সমস্যার কারণে তাকে সামলানো
  529. 20:05বেশ কঠিন| তবুও ইনবরাজ বাবাকে বৃদ্ধাশ্রম
  530. 20:08থেকে বাড়িতে নিয়ে আসে এরপর মায়া জানতে
  531. 20:10চায় এবার তারা কোথায় যাবে ইনভবরাজ
  532. 20:13জানায় এবার তার মাকেও নিয়ে আসতে হবে তাই
  533. 20:16তারা তার মায়ের পুরনো বাড়িতে যায়
  534. 20:18সেখানে গিয়ে জানতে পারে ইনোভারাজের মা
  535. 20:20বাড়ির সামনে অবৈধভাবে মদ বিক্রি করতেন এ
  536. 20:23কারণে পুলিশ তাকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল
  537. 20:24কিন্তু ছাড়া পাওয়ার পরও তিনি আবার আবার
  538. 20:26একই কাজ শুরু করেন। এমনকি তিনি নিজেও
  539. 20:28প্রচুর মদ পান করেন। অনেক খোঁজাখুঁজির পর
  540. 20:31ঋণবরাজ নিজের মাকেও বাড়িতে ফিরিয়ে আনে।
  541. 20:33এখন মায়া এক অদ্ভুত পরিবারের মধ্যে পড়ে
  542. 20:35যায়। একদিকে ইনবরাজ যে চোখে দেখতে পায়
  543. 20:38না। অন্যদিকে তার বাবা যার আচরণ হঠাৎ বদলে
  544. 20:41যায়। আর তার মা যিনি প্রায়ই মদ্যপ
  545. 20:43অবস্থায় থাকেন। সবকিছু দেখে মায়ার মনে
  546. 20:46হতে থাকে এই পরিবার সামলানোই হয়তো তার
  547. 20:48জীবনের সবচেয়ে কঠিন কাজ হয়ে উঠবে। এদিকে
  548. 20:51কার্তি বাইরে থেকে সবকিছু পর্যবেক্ষণ
  549. 20:52করছে। সে স্টিফেনকে ফোন করে জানায়
  550. 20:55ইনবোরাজ কোন তদন্ত করছে বলে মনে হচ্ছে না।
  551. 20:57বরং বৃদ্ধাশ্রম থেকে নিজের বাবাকে আর অন্য
  552. 21:00জায়গা থেকে মাকে এনে বাড়িতে পারিবারিক
  553. 21:02সময় কাটাচ্ছে। কিন্তু কথাটা শুনে স্টিফেন
  554. 21:04হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ওঠেন। তিনি কার্তিকে
  555. 21:06জানান ইনবরাজ আসলে তদন্ত শুরু করে
  556. 21:08দিয়েছে। কারণ তার বাবা কোন সাধারণ মানুষ
  557. 21:10নন। হৃদয় রাজ একসময় ভারতের অন্যতম সেরা
  558. 21:13ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ ছিলেন। অপরাধস্থল,
  559. 21:16মৃতদেহ আর বিভিন্ন আলামত পরীক্ষা করে সত্য
  560. 21:18উদ্ঘাটনে তার অসাধারণ দক্ষতা রয়েছে। আর
  561. 21:21ইনবরাজের মাও সাধারণ কেউ নন। তিনি একজন
  562. 21:23অত্যন্ত দক্ষ ক্রিমিনাল সাইকোলজিস্ট।
  563. 21:25অপরাধীর আচরণ, মানসিকতা আর খুন করার
  564. 21:28পদ্ধতি বিশ্লেষণ করে সেই অপরাধীর
  565. 21:31ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে ধারণা দিতে পারেন।
  566. 21:33অর্থাৎ ইনবরাজ নিজের বাবা-মাকে শুধু
  567. 21:35পারিবারিক কারণে বাড়িতে আনেনি। সে আসলে
  568. 21:37এমন একটি তদন্তকারী দল তৈরি করেছে যেখানে
  569. 21:40প্রত্যেকের আলাদা দক্ষতা রয়েছে। তার বাবা
  570. 21:42ফরেনসিক আলামত বিশ্লেষণ করবেন। মা অপরাধীর
  571. 21:45মনস্তত্ব বোঝার চেষ্টা করবেন। মায়া তার
  572. 21:47চোখ হয়ে চারপাশের তথ্য সংগ্রহ করবে। আর
  573. 21:49ইনবোরাজ নিজের অভিজ্ঞতা আর বুদ্ধি দিয়ে
  574. 21:52পুরো তদন্ত পরিচালনা করবে। স্টিফেন বুঝতে
  575. 21:54পারেন ইনবরাজ এবার সত্যিই বড় কিছু করার
  576. 21:57প্রস্তুতি নিচ্ছে কিন্তু অন্যদিকে ঈশ্বর ও
  577. 21:59বসে নেই তার পুরনো পরিচিত লিঙ্গা এবার
  578. 22:02ঈশ্বরনের অপরাধের ব্যবসা থেকে ভাগ চাইতে
  579. 22:04শুরু করে লিঙ্গা মনে করে ঈশ্বরকে এতদিন
  580. 22:07আগে তারাই সুযোগ দিয়েছিল তাই এখন তার
  581. 22:09আয়ের একটা অংশ তাদের পাওয়া উচিত কিন্তু
  582. 22:11ঈশ্বর এসব মেনে নেওয়ার মানুষ নয় সে
  583. 22:13সিদ্ধান্ত নেয় লিঙ্গাকে সরিয়ে ফেলবে তবে
  584. 22:16সরাসরি খুন করলে পুলিশ সন্দেহ করতে পারে
  585. 22:18তাই ঈশ্বর এমন একটা পরিকল্পনা করে যাতে
  586. 22:21লিঙ্গার মৃত্যু দুর্ঘটনা বলে মনে সে
  587. 22:23লিঙ্গার ইলেকট্রিক গাড়িতে বিশেষ
  588. 22:25রাসায়নিক ব্যবহার করে এমন ব্যবস্থা করে
  589. 22:27রাখে যাতে গাড়ি চলন্ত অবস্থাতেই আগুন ধরে
  590. 22:30যায়। পরিকল্পনা অনুযায়ী গাড়িটিতে আগুন
  591. 22:32ধরে বিস্ফোরণ ঘটে। আর লিঙ্গার মৃত্যু হয়।
  592. 22:34এভাবেই ঈশ্বর নিজের পুরনো পরিচিত একজন
  593. 22:37মানুষকেও বিন্দুমাত্র দ্বিধা ছাড়াই
  594. 22:38সরিয়ে দেয়। তার কাছে সম্পর্ক, বন্ধুত্ব
  595. 22:41কিংবা বিশ্বাসের কোন মূল্য নেই। নিজের
  596. 22:43স্বার্থের পথে কেউ বাধা হয়ে দাঁড়ালেই সে
  597. 22:45তাকে শেষ করে দেয়। আর সবচেয়ে ভয়ঙ্কর
  598. 22:47ব্যাপার হলো সে প্রতিটি অপরাধ এমনভাবে
  599. 22:49সাজায় যাতে পুলিশ আসল সত্যিটা বুঝতে না
  600. 22:52পারে। কখনো হত্যাকাণ্ডকে দুর্ঘটনা বলে
  601. 22:54চালিয়ে দেয় আবার কখনো পারফিউম কিলারের
  602. 22:56পদ্ধতি নকল করে তদন্তকারীদের ভুল পথে
  603. 22:58পরিচালিত করে। একদিকে ঈশ্বর ক্রমেই
  604. 23:01ভয়ঙ্কর হয়ে উঠছে। অন্যদিকে ইনবরাজ তার
  605. 23:03নতুন দল নিয়ে সেই অদৃশ্য খুনির পরিচয়
  606. 23:05খুঁজে বের করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। দুজনই
  607. 23:07অত্যন্ত বুদ্ধিমান। একজন অপরাধ করে প্রমাণ
  608. 23:10লুকাতে ওস্তাদ। অন্যজন অপরাধের আড়ালে
  609. 23:12লুকিয়ে থাকা সত্য খুঁজে বের করতে ওস্তাদ।
  610. 23:14কিন্তু এখনো কেউ জানে না এ দুজনের
  611. 23:16মুখোমুখি সংঘর্ষ শেষ পর্যন্ত কতটা ভয়ঙ্কর
  612. 23:19হতে চলেছে। আর এখানেই সিনেমার ইন্টারভাল।
  613. 23:21ইন্টারভালের পর আমরা দেখতে পাই ইনভোরাজের
  614. 23:23বাবা ইরুদ রাজ আগের হত্যাকাণ্ডের সমস্ত
  615. 23:26কেস ফাইল এবং উদ্ধার হওয়া মৃতদেহগুলোর
  616. 23:28ফরেন্সিক রিপোর্ট নিয়ে গভীরভাবে
  617. 23:30পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছেন। দীর্ঘ সময় ধরে
  618. 23:32সবকিছু বিশ্লেষণ করার পর তিনি এমন কিছু
  619. 23:34গুরুত্বপূর্ণ তথ্য খুঁজে পান যেগুলো দিয়ে
  620. 23:36প্রায় পুরো কেসের রহস্য সমাধান করা
  621. 23:38সম্ভব। এমনকি তিনি অনেকটাই বুঝে ফেলেন আসল
  622. 23:41খুনি কিভাবে কাজ করছে এবং কেন প্রতিটি
  623. 23:43হত্যাকাণ্ডকে পারফিউম কিলারের কাজ বলে মনে
  624. 23:45হচ্ছে কিন্তু ঠিক যখন তিনি নিজের আবিষ্কার
  625. 23:48করা তথ্যগুলো ইনবরাজকে জানাতে যাবেন তখনই
  626. 23:50ঘটে যায় এক অদ্ভুত ঘটনা হঠাৎ তার মাথার
  627. 23:52মধ্যে সেই পরিচিত কাউন্টডাউন শুরু হয়ে
  628. 23:54যায় আমরা আগেই জেনেছি ইরুদয়ারাজ এক
  629. 23:57বিশেষ মানসিক সমস্যায় ভুগছেন। এই সমস্যার
  630. 23:59কারণে তিনি মাঝেমধ্যে সংখ্যা গুনতে শুরু
  631. 24:01করেন। আর গণনা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে তার
  632. 24:03ব্যক্তিত্ব সম্পূর্ণ বদলে যায়। কখনো তিনি
  633. 24:06ছোট্ট শিশুর মতো আচরণ করেন আবার কখনো
  634. 24:08নিজের স্বাভাবিক পরিচয় ভুলে অন্যরকম
  635. 24:10মানুষ হয়ে যান এখন তার মাথার মধ্যে সেই
  636. 24:12কাউন্টডাউন শুরু হওয়ায় তিনি বুঝতে পারেন
  637. 24:14হাতে আর খুব বেশি সময় নেই যদি এর মধ্যেই
  638. 24:16নিজের আবিষ্কার করা তথ্যগুলো কাউকে জানাতে
  639. 24:18না পারেন তাহলে কিছুক্ষণের মধ্যেই সবকিছু
  640. 24:20ভুলে যাবেন তাই তিনি দ্রুত নিজের স্ত্রীর
  641. 24:22কাছে ছুটে যান তিনি ভাবেন অন্তত স্ত্রীকে
  642. 24:24সবকিছু জানিয়ে রাখতে পারলে পরে ইনোভরাজ
  643. 24:27সেই তথ্যগুলো জানতে পারবে কিন্তু
  644. 24:29দুর্ভাগ্যবশত তার স্ত্রী তখন প্রচুর মদ
  645. 24:31পান করে গভীর ঘুমে অচেতন হয়ে পড়ে আছেন
  646. 24:33হৃদয়রাজ তাকে বারবার ডাকার চেষ্টা করেন
  647. 24:36কিন্তু কোন লাভ হয় না। এদিকে তার মাথার
  648. 24:38মধ্যে সংখ্যাগুলো গোনা শেষ হয়ে আসছে।
  649. 24:40তিনি বুঝতে পারছেন আর কয়েক মুহূর্তের
  650. 24:42মধ্যেই নিজের স্বাভাবিক অবস্থায় থাকতে
  651. 24:44পারবেন না। শেষ পর্যন্ত কাউকে কিছু
  652. 24:46জানানোর আগেই তার ব্যক্তিত্ব বদলে যায়।
  653. 24:49এক মুহূর্ত আগেও যে মানুষটা ভয়ঙ্কর এক
  654. 24:51হত্যাকাণ্ডের রহস্য সমাধান করার কাছাকাছি
  655. 24:53পৌঁছে গিয়েছিলেন তিনি এখন ছোট্ট শিশুর
  656. 24:55মতো আচরণ করতে শুরু করেন এদিকে কিছুক্ষণ
  657. 24:57পর ইনবরাজ সেখানে এসে দেখতে পায় তার বাবা
  658. 24:59তদন্তের সমস্ত তথ্য একটি বোর্ডে লিখে
  659. 25:01রেখেছেন। বোর্ডে বিভিন্ন তথ্য আলামত আর
  660. 25:04পর্যবেক্ষণ সাজানো রয়েছে। মায়াকে সেগুলো
  661. 25:06পড়ে শোনাতে বলে ইনবরাজ। মায়া একের পর এক
  662. 25:09তথ্য পড়তে শুরু করে। আর সেগুলো শুনেই
  663. 25:11ইনবরাজ বুঝতে পারে তার বাবা প্রায় পুরো
  664. 25:13কেসের সমাধান করে ফেলেছিলেন। কিন্তু
  665. 25:15সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যটা জানার আগেই
  666. 25:17তিনি আবার নিজের মানসিক সমস্যার কারণে
  667. 25:20শিশুর মত হয়ে গেছেন। ইনবরাজ তখন মায়ের
  668. 25:22কাছে জানতে চায় বাবা তাকে কিছু বলেছিলেন
  669. 25:24কিনা? তার মা তখনো নেশার ঘরে। তিনি জানান,
  670. 25:27হৃদয়জ নাকি কিছু একটা আবিষ্কার করার কথা
  671. 25:30বলতে এসেছিলেন। কিন্তু তিনি তখন এতটাই
  672. 25:32মাতাল ছিলেন যে কিছুই ঠিকমতো শুনতে
  673. 25:33পারেননি। কথাটা শুনে ইনবরাজের মাথায় রাগ
  674. 25:35চেপে যায়। সে বলে এই কেসের সমাধান করার
  675. 25:38জন্য এত কষ্ট করে তোমাদের দুজনকে বাড়িতে
  676. 25:40নিয়ে এলাম। আর এখন একজন সবকিছু ভুলে
  677. 25:42বাচ্চা হয়ে গেছে। অন্যজন মদ খেয়ে পড়ে
  678. 25:44আছে। এরপর সে সিদ্ধান্ত নেয়। আর কারো উপর
  679. 25:47নির্ভর করবে না। নিজেই খুনিকে খুঁজে বের
  680. 25:49করবে। এই বলে সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে
  681. 25:51গাড়ির কাছে চলে আসে। মায়া তার পেছন পেছন
  682. 25:53এসে অবাক হয়ে জিজ্ঞেস করে, স্যার, আপনি
  683. 25:56গাড়ি চালাবেন কিভাবে? আপনি তো চোখে দেখতে
  684. 25:58পান না। হিনবরাজ তখন বলে, তুমি থাকতে আমার
  685. 26:01আবার চোখের দরকার কি? তুমি আমাকে বলে দেবে
  686. 26:03কোন দিকে যেতে হবে। আমি গাড়ি চালাবো।
  687. 26:05এরপর মায়া তাকে নির্দেশনা দিতে শুরু করে।
  688. 26:07কিন্তু ইনবরাজ রাগের মাথায় এত দ্রুত
  689. 26:09গাড়ি রিভার্স করে যে পেছনে দাঁড়িয়ে
  690. 26:11থাকা একটি অটোরিক্সার সঙ্গে ধাক্কা লাগে।
  691. 26:13আর এতেই শুরু হয় নতুন ঝামেলা। অটোচালক সহ
  692. 26:16কয়েকজন লোক গাড়ি থেকে নেমে ইনবরাজের
  693. 26:18সঙ্গে ঝগড়া শুরু করে। তাদের একজন
  694. 26:20ইনবরাজকে চিনতে পেরে বলে, আরে তুই সেই
  695. 26:22পুলিশ অফিসার ইনবরাজ না। তোর জন্য কতবার
  696. 26:24আমাকে জেলে যেতে হয়েছে জানিস? শুনেছিলাম
  697. 26:26তুই চাকরি ছেড়ে দিয়েছিস। আজ তোকে হাতের
  698. 26:28কাছে পেয়েছি। এবার আর ছাড়বো না। এই বলে
  699. 26:31লোকগুলো ইনবরাজকে মারার জন্য এগিয়ে আসে।
  700. 26:33ইনবরাজ তখন মায়াকে বলে তুমি শুধু আমাকে
  701. 26:35বলে দাও কে কোথায় দাঁড়িয়ে আছে বাকিটা
  702. 26:38আমি সামলে নেব মায়াও তাকে নির্দেশনা দিতে
  703. 26:40থাকে কিন্তু সমস্যা হলো ইনবরাজ যতই
  704. 26:42মার্শাল আর্টের ভঙ্গিতে দাঁড়াক না কেন
  705. 26:44সামনে কে কোথায় আছে সেটা ঠিকমত বুঝতে না
  706. 26:46পারায় উল্টো নিজেই মার খেতে শুরু করে
  707. 26:49এদিকে লোকগুলো তাকে ঘিরে ধরে একের পর এক
  708. 26:51আঘাত করছে অবস্থা দেখে মায়া বুঝতে পারে
  709. 26:53এভাবে চলতে থাকলে ইনবরাজের অবস্থা আরো
  710. 26:56খারাপ হবে তাই এবার সে নিজেই মারামারিতে
  711. 26:58নেমে পড়ে আমরা আগেই জেনেছি মায়া মার্শাল
  712. 27:00আর্টে অত্যন্ত দক্ষ তাই সে একাই ইনবরাজকে
  713. 27:03মারতে আসা লোকগুলোকে একের পর এক আঘাত করে
  714. 27:05মাটিতে ফেলে দেয়। কেউ তার সামনে
  715. 27:07দাঁড়াতেই পারছে না। অথচ ইনবরাজ বুঝতেই
  716. 27:09পারছে না তার আশপাশে কি হচ্ছে। সে একপাশে
  717. 27:12দাঁড়িয়ে এখনো মার্শাল আর্টের বিভিন্ন
  718. 27:14ভঙ্গি দেখাচ্ছে। কখনো বলছে এভাবে ব্লক
  719. 27:16করো। কখনো বলছে ওভাবে আঘাত করো। শেষ
  720. 27:19পর্যন্ত যখন সব লোক মার খেয়ে পালিয়ে
  721. 27:21যায়। তখন ইনবরাজ আবার লড়াই করার জন্য
  722. 27:24প্রস্তুত হয়ে দাঁড়ায়। ঠিক তখনই তার
  723. 27:26সহকর্মী পুলিশ সদস্যরা এসে জানায়, স্যার,
  724. 27:28মারামারি তো অনেক আগেই শেষ। আপনার সঙ্গে
  725. 27:31থাকা মেয়েটাই সবাইকে মেরে তাড়িয়ে
  726. 27:33দিয়েছে। কথাটা শুনে ইনবলা অবাক হয়ে
  727. 27:35যায়। সে জিজ্ঞেস করে কি বলছো? মায়া একাই
  728. 27:38সবাইকে মেরেছে? তখনই সে বুঝতে পারে মায়া
  729. 27:40শুধু বুদ্ধিমান আর পর্যবেক্ষণ
  730. 27:42ক্ষমতাসম্পন্ন মেয়ে নয়। শারীরিকভাবে
  731. 27:44অত্যন্ত দক্ষ। আর এই ঘটনার পর থেকেই
  732. 27:46মায়ার প্রতি ইনবরাজের মনে অন্যরকম একটা
  733. 27:48ভালোলাগা তৈরি হতে শুরু করে। এরপর দুজন
  734. 27:51আবার বাড়িতে ফিরে আসে। এদিকে ইনবরাজের
  735. 27:53মায়ের নেশা কিছুটা কেটে গেছে। তিনি এবার
  736. 27:56ছেলেকে ডেকে জানান, তার বাবা আসলে কি
  737. 27:58আবিষ্কার করেছিলেন? তিনি বলেন প্রথমে
  738. 28:00আক্ষেত থেকে যে মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছিল
  739. 28:02সেই মানুষটাকে আসলে কেউ খুন করেনি লোকটি
  740. 28:05আগেই হৃদরোগে মারা গিয়েছিল কিন্তু খুনি
  741. 28:07সেই মৃতদেহ কবর থেকে তুলে এনে নতুন করে
  742. 28:09সাজিয়েছে বুকের উপর বিশেষ চিহ্ন তৈরি
  743. 28:12করেছে মুখে আঘাতের দাগ দিয়েছে এবং শরীরে
  744. 28:15পারফিউম ব্যবহার করেছে যাতে পুলিশ মনে করে
  745. 28:17এই মানুষটাকেও পারফিউম কিলার খুন করেছে
  746. 28:20এরপর সত্যিকারের একটি মেয়েকে খুন করে তার
  747. 28:22মৃতদেহ একই ধরনের চিহ্ন তৈরি করা হয়েছে
  748. 28:24অর্থাৎ প্রথম মৃতদেহটি ব্যবহার করা হয়েছে
  749. 28:26পুলিশের মনে বিভ্রান্তি তৈরি করার খুনি
  750. 28:29চেয়েছে পুলিশ যেন প্রতিটি হত্যাকাণ্ডকে
  751. 28:31পারফিউম কিলারের কাজ বলে মনে করে। কিন্তু
  752. 28:33ইনবরাজের মা নিশ্চিত এই নতুন অপরাধী কোন
  753. 28:35সাধারণ সিরিয়াল কিলার নয়। সে মূলত একজন
  754. 28:38কন্ট্রাক্ট কিলার। অর্থাৎ টাকার বিনিময়ে
  755. 28:40মানুষ খুন করাই তার পেশা। আর নিজের পরিচয়
  756. 28:42লুকানোর জন্য সে অন্য একজন কুখ্যাত খুনির
  757. 28:45পদ্ধতি নকল করছে। এরপর ইনবরাজের মা নিজের
  758. 28:48ক্রিমিনাল সাইকোলজির অভিজ্ঞতা ব্যবহার করে
  759. 28:50অপরাধীটির মানসিক গঠন বিশ্লেষণ করতে শুরু
  760. 28:52করেন। তিনি বলেন, এই খুনি অত্যন্ত
  761. 28:54বুদ্ধিমান। সে কোন কাজ করার আগে অনেক
  762. 28:56হিসাব করে। তার জীবনযাপনও সম্ভবত খুব
  763. 28:58সাধারণ। বাইরে থেকে দেখলে তাকে কোনভাবেই
  764. 29:01ভয়ঙ্কর অপরাধী মনে হবে না। সে হয়তো
  765. 29:03সাধারণ একটা বাড়িতে থাকে। সাধারণ স্কুটার
  766. 29:05ব্যবহার করে আর সবার মত স্বাভাবিক
  767. 29:07জীবনযাপন করে। তার পোশাকও খুব সাধারণ।
  768. 29:10বিশেষ করে চেক শার্ট পড়ার সম্ভাবনা বেশি।
  769. 29:12নীল কিংবা লাল রঙের পোশাক তার পছন্দ হতে
  770. 29:14পারে। কিন্তু সাধারণ চেহারার আড়ালে
  771. 29:16লুকিয়ে রয়েছে অত্যন্ত হিসাবী একজন খুনি।
  772. 29:18সে জানে কিভাবে অপরাধ করতে হয়, কিভাবে
  773. 29:21প্রমাণ লুকাতে হয় এবং কিভাবে পুলিশকে ভুল
  774. 29:24পথে পরিচালিত করতে হয়। এই বিশ্লেষণ শুনে
  775. 29:26ইনবরাজ বুঝতে পারে তারা ধীরে ধীরে আসল
  776. 29:28অপরাধীর কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে। অন্যদিকে
  777. 29:31ইনবরাজ আর মায়ার সম্পর্ক আগের চেয়ে অনেক
  778. 29:33গভীর হতে শুরু করেছে। মায়া সবসময় তার পাশে
  779. 29:36থাকে। রাস্তায় চলার সময় প্রতিটি বাধা
  780. 29:38সম্পর্কে জানায়। কোথায় কি হচ্ছে কে কি
  781. 29:41করছে সবকিছু বর্ণনা করে। ইনবরাজও ধীরে
  782. 29:43ধীরে মায়ার উপর নির্ভর করতে শুরু করে।
  783. 29:45একদিন সে মায়ার জন্য একটি বিশেষ উপহার
  784. 29:47নিয়ে আসে। উপহারটি হলো ছোট্ট একটি
  785. 29:50ব্রেসলেট যেটা নড়াচড়া করলে সুন্দর শব্দ
  786. 29:52হয়। ইনবরাজ মায়াকে ব্রেসলেটটা দিতে চায়।
  787. 29:55আসলে সে মায়াকে পছন্দ করতে শুরু করেছে।
  788. 29:57আর এই উপহারের মাধ্যমে নিজের অনুভূতি
  789. 29:59প্রকাশ করার চেষ্টা করছে। আসলে সে মায়াকে
  790. 30:01পছন্দ করতে শুরু করেছে। আর এই উপহারের
  791. 30:03মাধ্যমে নিজের অনুভূতি প্রকাশ করার চেষ্টা
  792. 30:05করছে। মায়ার মনেও ইনবরাজের জন্য ভালোবাসা
  793. 30:08তৈরি হয়েছে। তাই উপহারটা দেখে সে খুব
  794. 30:10খুশি হয়। কিন্তু আমরা আগেই জেনেছি মায়ার
  795. 30:13একটা শারীরিক সমস্যা রয়েছে। হঠাৎ
  796. 30:15অতিরিক্ত আনন্দ কিংবা ভয়ঙ্কর কোন খবর
  797. 30:17শুনলে তার খিচুনি শুরু হয়ে যায়। এবারও
  798. 30:19ঠিক সেটাই ঘটে। ইনবরাজের কাছ থেকে উপহার
  799. 30:22নেওয়ার জন্য মায়া হাত বাড়াতেই হঠাৎ তার
  800. 30:24শরীর কাঁপতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই
  801. 30:26সে খিচুনিতে আক্রান্ত হয়ে পড়ে যায়।
  802. 30:28ইনবরাজ কিছু বুঝে ওঠার আগেই পরিস্থিতি
  803. 30:30খারাপ হয়ে যায়। এমন সময় মায়ার বাবা
  804. 30:32সেখানে হাজির হন। মেয়ের অবস্থা দেখে তিনি
  805. 30:34দ্রুত তাকে হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু
  806. 30:36যাওয়ার আগে ইনবরাজকে নিয়ে নিজের
  807. 30:38অসন্তুষ্টিও প্রকাশ করেন। তিনি মনে করেন
  808. 30:40একজন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের সঙ্গে তার
  809. 30:42মেয়ের সম্পর্ক ভবিষ্যতে অনেক সমস্যার
  810. 30:45কারণ হতে পারে। মায়া সুস্থ হয়ে বাড়ি
  811. 30:46ফেরার সময় তার বাবা আবারও বোঝানোর চেষ্টা
  812. 30:49করেন তিনি বলেন ইনবোরাজ তোমার জন্য
  813. 30:51উপযুক্ত মানুষ নয় তোমার নিজেরই একটা
  814. 30:53শারীরিক সমস্যা আছে তার উপর সে চোখে দেখতে
  815. 30:56পায় না তোমাদের দুজনের জীবন একসঙ্গে
  816. 30:58চালানো খুব কঠিন হবে এমনকি তোমার এই
  817. 31:00অসুস্থতার কথা জানার পর ইনবরাজ হয়তো
  818. 31:02তোমাকে নিজের সহকারী হিসেবেও রাখতে চাইবে
  819. 31:04না কিন্তু মায়া বাবার কথায় খুব একটা
  820. 31:06গুরুত্ব দেয় না কারণ সে ইতিমধ্যেই
  821. 31:08ইনবরাজকে ভালোবেসে ফেলেছে এরপর মায়া আবার
  822. 31:11ইনবরাজের বাড়িতে ফিরে আসে তাকে দেখেই
  823. 31:13ইনবরাজ জানতে চায় এত বড় একটা শারীরিক
  824. 31:16সমস্যার কথা সে আগে কেন জানায়নি? মায়া
  825. 31:18কিছু বলার আগেই ইনবরাজ তার হাত ধরে
  826. 31:20পরীক্ষা করতে শুরু করে। আসলে সে দেখতে
  827. 31:22চাইছে তার দেওয়া ব্রেসলেটটা মায়ার হাতে
  828. 31:25পড়েছে কিনা। কিন্তু মায়ার হাতে
  829. 31:26ব্রেসলেটটা নেই। এটা বুঝতে পেরে ইনবরাজ
  830. 31:28কিছুটা অভিমান করে। সে বলে আমার কাউকে
  831. 31:31দরকার নেই। আমি নিজেই নিজের সবকিছু
  832. 31:32সামলাতে পারব। এই বলে সে বাড়ি থেকে
  833. 31:34বেরিয়ে রাস্তায় হাঁটতে শুরু করে। কিন্তু
  834. 31:36মায়া তাকে একা যেতে দেয় না। সে পেছন
  835. 31:38পেছন হাঁটতে থাকে এবং আগের মতোই চারপাশের
  836. 31:40সবকিছু বর্ণনা করতে শুরু করে। রাস্তার
  837. 31:43পাশে কি আছে? কোথায় সুন্দর ফুল ফুটেছে
  838. 31:45কোথায় মানুষ হাঁটছে চারপাশে কি কি দৃশ্য
  839. 31:48দেখা যাচ্ছে সবকিছু সে ইনবরাজকে বলতে থাকে
  840. 31:50ইনবোরাজ প্রথমে বিরক্ত হলেও ধীরে ধীরে
  841. 31:52মায়ার কথা শুনতে ভালো লাগতে শুরু করে
  842. 31:54কারণ যে পৃথিবীটা সে নিজের চোখে দেখতে
  843. 31:56পারে না মায়া সেই পৃথিবীটাকেই তার সামনে
  844. 31:59কথার মাধ্যমে জীবন্ত করে তুলছে একসময়
  845. 32:01ইনবরাজ মায়াকে একটা অদ্ভুত প্রশ্ন করে সে
  846. 32:04বলে আমি তো তোমাকে কখনো দেখতে পারিনি তুমি
  847. 32:06দেখতে কেমন সেটা আমাকে একটু বর্ণনা করবে
  848. 32:09মায়া তখন নিজের চেহারার বর্ণনা দিতে শুরু
  849. 32:11করে তার মুখের গঠন চোখ চুল আর অন্যান্য
  850. 32:14বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বলতে থাকে। আর ইনভবরাজ
  851. 32:17সেই বর্ণনা শুনে নিজের কল্পনায় মায়ার
  852. 32:19একটা চেহারা তৈরি করে। মজার ব্যাপার হলো
  853. 32:21তার কল্পনায় যে মেয়েটির চেহারা ফুটে ওঠে
  854. 32:24সেটা অভিনেত্রী জ্যোতিকার মতো। এই দৃশ্যের
  855. 32:26মাধ্যমে বোঝানো হয় ইনবরাজ নিজের মনের
  856. 32:28মধ্যে মায়াকে কিভাবে কল্পনা করছে। আর এই
  857. 32:31মুহূর্তের পর তাদের সম্পর্ক আরো গভীর হয়ে
  858. 32:33ওঠে। এদিকে অন্যদিকে খুনি ঈশ্বর বুঝতে
  859. 32:36শুরু করেছে কেউ একজন ধীরে ধীরে তার
  860. 32:38অপরাধের রহস্য উন্মোচন করছে। বিশেষ করে
  861. 32:40তার সহযোগী অটোচালক ইনবরাজকে নিয়ে সন্দেহ
  862. 32:43প্রকাশ করে। সেই ঈশ্বরকে জানায় তাদের
  863. 32:45এলাকায় একজন পুলিশ অফিসার বলাবলি করছে
  864. 32:47ইনবরাজ নাকি চোখে দেখতে পায় না। কথাটা
  865. 32:50শুনে ঈশ্বর অবাক হয়ে যায়। কারণ ইনবরাজ
  866. 32:52যদি সত্যিই চোখে দেখতে না পায় তাহলে তার
  867. 32:54জন্য তদন্ত করা অনেক কঠিন হওয়ার কথা।
  868. 32:57কিন্তু তবুও সে কিভাবে এত দ্রুত খুনির
  869. 32:59কাছাকাছি পৌঁছে যাচ্ছে। ঈশ্বর সিদ্ধান্ত
  870. 33:01নেয় বিষয়টা নিজেই পরীক্ষা করে দেখবে
  871. 33:04এরপর একদিন সে সরাসরি ইনবরাজের এলাকায়
  872. 33:06চলে আসে ইনবরাজ তখন রাস্তা দিয়ে হেঁটে
  873. 33:09যাচ্ছে ঈশ্বর তার সামনে গিয়ে এমনভাবে
  874. 33:11দাঁড়ায় যাতে বোঝা যায় ইনবরাজ তাকে
  875. 33:13দেখতে পাচ্ছে কিনা কিন্তু ঠিক সেই সময়
  876. 33:15মায়া রাস্তার অন্য পাশ থেকে পুরো
  877. 33:17ব্যাপারটা লক্ষ্য করে সে সঙ্গে সঙ্গে
  878. 33:19ইয়ারবার্ডের মাধ্যমে ইনবরাজকে জানায় তার
  879. 33:21সামনে একজন লোক দাঁড়িয়ে আছে তারপর বলে
  880. 33:24লোকটার দিকে মুখ ঘুরিয়ে তোমার পরিচিত
  881. 33:25হাসিটা দিয়ে স্বাভাবিকভাবে হেঁটে চলে যাও
  882. 33:27ইনবরাজ ঠিক সেটাই করে সেই স্মরণের দিকে
  883. 33:29মুখ ঘুরিয়ে আসে এবং এমনভাবে পাশ কাটিয়ে
  884. 33:32চলে যায় যেন সবকিছু পরিষ্কার দেখতে
  885. 33:34পাচ্ছে ঈশ্বর এটা দেখে নিশ্চিত হয়ে যায়
  886. 33:36ইনবরাজের চোখ ঠিকই আছে তাই সে আর সন্দেহ
  887. 33:39না করে সেখান থেকে চলে যায় কিন্তু দর্শক
  888. 33:41হিসেবে আমরা জানি আসলে মায়ার বুদ্ধির
  889. 33:43কারণেই ইনবরাজ এই পরীক্ষায় পার পেয়ে
  890. 33:45গেছে এদিকে ইনবরাজের বাবা ইরুদরাজ ধীরে
  891. 33:48ধীরে নিজের স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসেন
  892. 33:50স্বাভাবিক হওয়ার পর তিনি আবার তদন্তের
  893. 33:52বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলতে শুরু করেন তিনি
  894. 33:54ইনবরাজকে জানান তিনি প্রায় পুরো কেসের
  895. 33:57রহস্য সমাধান করে ফেলেছেন। প্রথমেই তিনি
  896. 33:59বলেন এই হত্যাকাণ্ডগুলো পারফিউম কিলারের
  897. 34:01কাজ নয়। ইনবরাজ তখন বলে এটা তো আমরা আগেই
  898. 34:04বুঝেছি। এরপর ইরুদরাজ বলেন আসল খুনি একজন
  899. 34:07কন্ট্রাক্ট কিলার। ইনবরাজ আবারও জানায় এই
  900. 34:10তথ্যটাও তারা ইতিমধ্যে বের করেছে। কিন্তু
  901. 34:12এবার হৃদয়রাজ এমন কিছু তথ্য দেন যেগুলো
  902. 34:14সত্যিই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি জানান খুনি একা
  903. 34:17কাজ করছে না। তার সঙ্গে আরো দুজন সহযোগী
  904. 34:19রয়েছে। আর সেই দুজনের মধ্যে অন্তত একজন
  905. 34:22নারী। ইনবরাজ জানতে চায় তিনি এত নিশ্চিত
  906. 34:25হলেন কিভাবে? তখন ইরুদরাজ ফরেনসিক
  907. 34:27রিপোর্টের ব্যাখ্যা দিতে শুরু করেন। তিনি
  908. 34:29জানান সর্বশেষ খুন হওয়া মেয়েটির শরীরে
  909. 34:32এমন কিছু চিহ্ন পাওয়া গেছে যেগুলো থেকে
  910. 34:34বোঝা যায় মৃতদেহ সরানোর সময় একাধিক
  911. 34:36ব্যক্তি তাকে ধরেছিল। একজন মেয়েটির হাত
  912. 34:39ধরে রেখেছিল আরেকজন পা ধরে রেখেছিল।
  913. 34:41পায়ের দিকে যে আঙ্গুলের ছাপের চিহ্ন
  914. 34:43পাওয়া গেছে সেগুলো তুলনামূলক হালকা। এ
  915. 34:46থেকে তার ধারণা ওই ব্যক্তি সম্ভবত একজন
  916. 34:48নারী। অন্যদিকে হাত ধরে থাকা ব্যক্তির
  917. 34:50হাতের চামড়া ছিল শক্ত এবং সেখানে বিশেষ
  918. 34:53ধরনের ঘসার চিহ্ন রয়েছে। এ ধরনের চিহ্ন
  919. 34:55সাধারণত দীর্ঘদিন অটোরিক্সা কিংবা পুরনো
  920. 34:58স্কুটার চালানো মানুষের হাতে থাকতে পারে।
  921. 35:00এর পাশাপাশি মৃতদেহের গায়ে ছোট ছোট
  922. 35:02কাপড়ের টুকরাও পাওয়া গেছে। এগুলো দেখে
  923. 35:04ইরুদারাজের ধারণা মেয়েটিকে এমন কোন
  924. 35:06জায়গায় রাখা হয়েছিল যেখানে কাপড়ের কাজ
  925. 35:09করা হয়। অর্থাৎ খুনের সহযোগীদের একজন
  926. 35:11সম্ভবত অটোচালক এবং অন্যজন কাপড়ের কাজের
  927. 35:14সঙ্গে যুক্ত কোন নারী। এই তথ্যগুলো শুনে
  928. 35:16ইনবরাজ বুঝতে পারে তার বাবা আসল অপরাধীদের
  929. 35:19খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছেন কারণ আমরা দর্শক
  930. 35:21হিসেবে আগেই জেনেছি ঈশ্বরের সঙ্গে সত্যিই
  931. 35:24একজন অটোচালক আর একজন দর্জি মহিলা রয়েছে
  932. 35:26এখন ইনবরাজের সামনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন
  933. 35:28হলো সেই দুজনকে খুঁজে বের করা সে মায়াকে
  934. 35:31ডেকে বলে আমার ধারণা যদি ঠিক হয় তাহলে
  935. 35:33খুনি এতক্ষণে বুঝে গেছে আমরা তার পেছনে
  936. 35:36লেগেছি হয়তো সে আমাদের উপর নজরদারিও করছে
  937. 35:38তুমি জানালা দিয়ে বাইরে ভালোভাবে দেখো
  938. 35:40আমাদের এলাকায় নতুন কোন মানুষ এসেছে কিনা
  939. 35:43মায়া জানালা দিয়ে চারপাশে তাকাতে শুরু
  940. 35:45করে। কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণ করার পর সে
  941. 35:47জানায় রাস্তায় একজন নতুন মহিলা এসেছে যে
  942. 35:50কাপড় স্ত্রী করছে। মহিলাটিকে আগে এই
  943. 35:52এলাকায় দেখা যায়নি। আসলে এই মহিলা আর
  944. 35:54কেউ নয় ঈশ্বরণের সেই দর্জি সহযোগী। ঈশ্বর
  945. 35:57তাকে ইনবরাজের বাড়ির উপর নজরদারী করার
  946. 36:00জন্য পাঠিয়েছে। কিন্তু ইনবরাজ তখনো
  947. 36:02নিশ্চিত নয় মহিলাটি সত্যিই খুনির দলের
  948. 36:04সদস্য কিনা। তাই সে মায়াকে বলে, কিছু
  949. 36:07কাপড় নিয়ে ওই মহিলার কাছে যাও এবং
  950. 36:09স্ত্রী করয়ে নিয়ে আসো। মায়া তার কথামত
  951. 36:11কাপড় নিয়ে মহিলার কাছে যায়। মহিলা খুব
  952. 36:14দ্রুত কাপড় স্ত্রী করে তাকে ফেরত দিয়ে
  953. 36:16দেয়। এরপর মায়া বাড়িতে ফিরে আসে।
  954. 36:18ইনভারাজ জানতে চায় মহিলার আচরণে
  955. 36:20অস্বাভাবিক কিছু লক্ষ্য করেছে কিনা? মায়া
  956. 36:23বলে না তেমন কিছু মনে হয়নি। আমি যাওয়ার
  957. 36:26পর সে খুব তাড়াতাড়ি কাপড় স্ত্রী করে
  958. 36:28দিয়েছে। তখন ইনবরাজ জানতে চায় তোমার আগে
  959. 36:30সেখানে অন্য কোন ক্রেতা ছিল কিনা? মায়া
  960. 36:32জানায় হ্যাঁ ছিল। এই কথাটা শুনেই
  961. 36:35ইনবরাজের সন্দেহ আরো বেড়ে যায়। সে বলে
  962. 36:38তোমার আগে অন্য ক্রেতা থাকা সত্ত্বেও
  963. 36:40মহিলা তোমার কাপড় আগে স্ত্রী করে দিল
  964. 36:41কেন? কারণ সে চায়নি তুমি সেখানে বেশি
  965. 36:43সময় দাঁড়িয়ে থাকো অর্থাৎ তোমাকে যত
  966. 36:45দ্রুত সম্ভব সেখান থেকে সরিয়ে দিতে
  967. 36:47চেয়েছে এ থেকেই ইনবরাজ নিশ্চিত হয়ে যায়
  968. 36:49মহিলাটি সাধারণই নয় সে সম্ভবত খুনির
  969. 36:52সহযোগী এদিকে সেই মহিলা পুরো ঘটনাটা
  970. 36:55ঈশ্বরকে ফোন করে জানায় কথা শুনে ঈশ্বর
  971. 36:57বুঝতে পারে ইনবরাজ তার সহযোগীকে সন্দেহ
  972. 36:59করে ফেলেছে সে সঙ্গে সঙ্গে মহিলাকে বলে আর
  973. 37:02এক মুহূর্তও সেখানে থেকো না দ্রুত পালিয়ে
  974. 37:04যাও মহিলাটি সবকিছু ফেলে পালানোর চেষ্টা
  975. 37:06করে কিন্তু ইনবরাজ আগে এই বিষয়টা বুঝে
  976. 37:08ফেলেছে সে সঙ্গে সঙ্গে কার্তিককে ফোন করে
  977. 37:11জানায় তাদের এলাকায় একজন সন্দেহভাজন
  978. 37:13মহিলা পালিয়ে যাচ্ছে। তাকে দ্রুত আটকাতে
  979. 37:15হবে। কার্তি আর সিবি তখন কাছেই নজরদারী
  980. 37:18করছিল। তারা সঙ্গে সঙ্গে মহিলার পেছনে
  981. 37:20দৌড়াতে শুরু করে। কিছুক্ষণের মধ্যেই তাকে
  982. 37:22ধরে ফেলে। ইনবরাজ ফোনে নির্দেশ দেয়
  983. 37:24মহিলাকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে আসতে। কিন্তু
  984. 37:27কার্তি তখন নতুন ঝামেলা শুরু করে। সে বলে,
  985. 37:30স্যার, মহিলা পুলিশ ছাড়া একজন নারীকে
  986. 37:32কিভাবে গ্রেপ্তার করব? নিয়ম অনুযায়ী তো
  987. 37:34মহিলা পুলিশ দরকার। ইনোভরাজ রেগে গিয়ে
  988. 37:36বলে, এখন এসব নিয়ম নিয়ে বসে থাকার সময়
  989. 37:38নেই। এই মহিলা একজন ভয়ঙ্কর খুনির সহযোগী।
  990. 37:41তাকে পালাতে দেওয়া যাবে না। কিন্তু
  991. 37:43কার্তি নিয়মের কথা বলতে থাকে। এদিকে
  992. 37:45মহিলাটি ধরা পড়েছে জানতে পেরে ঈশ্বর
  993. 37:47দ্রুত সেখানে পৌঁছানোর পরিকল্পনা করে। সে
  994. 37:49মহিলাকে ফোন করে জানায় এখন আর পালানোর
  995. 37:52সুযোগ নেই। তাই তাকে একটা বিশেষ কাজ করতে
  996. 37:54হবে। ঈশ্বর তাকে মোবাইলের সিম কার্ড খুলে
  997. 37:56মুখে রাখতে বলে। মহিলাটি তার নির্দেশমত
  998. 37:58কাজ করে। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই তার মুখ
  999. 38:00দিয়ে ফেনা বের হতে শুরু করে। সে মাটিতে
  1000. 38:03পড়ে অচেতন হয়ে যায়। এই অবস্থা দেখে
  1001. 38:05আশপাশের লোকজন আতঙ্কিত হয়ে পড়ে। ঠিক
  1002. 38:07তখনই ঈশ্বর তার অটোচালক সহযোগীকে নিয়ে
  1003. 38:10ঘটনাস্থলে হাজির হয়। তারা এমনভাবে
  1004. 38:12পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করে যেন অসুস্থ
  1005. 38:14মহিলাকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যেতে
  1006. 38:16এসেছে। এরপর মহিলাটিকে অটোরিক্সায় তুলে
  1007. 38:18সেখান থেকে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে।
  1008. 38:20কিন্তু ঠিক সেই সময় ইনবরাজও মায়াকে
  1009. 38:22নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে যায়। মায়া তার
  1010. 38:24চোখ হয়ে পুরো পরিস্থিতি বর্ণনা করতে
  1011. 38:26থাকে। কোন অটোরিক্সায় মহিলাকে তোলা
  1012. 38:28হচ্ছে, কারা সেখানে রয়েছে, কোন দিকে
  1013. 38:30গাড়ি যাচ্ছে, সবকিছু সে ইনবরাজকে জানায়।
  1014. 38:33ইনবরাজ অটোরিক্সার নম্বর সংগ্রহ করে এবং
  1015. 38:35সেটিকে অনুসরণ করার নির্দেশ দেয়। এদিকে
  1016. 38:37ঈশ্বর বুঝতে পারে পুলিশ তাদের পিছু
  1017. 38:39নিয়েছে। তাই সে নিজের সহযোগীদের ব্যবহার
  1018. 38:41করে পালানোর চেষ্টা করতে থাকে। কিন্তু
  1019. 38:43ইনবরাজ এবার সহজে কাউকে ছাড়তে রাজি নয়।
  1020. 38:46মায়ার পর্যবেক্ষণ আর পুলিশের সহায়তায়
  1021. 38:48অটোরিক্সাটিকে শনাক্ত করার চেষ্টা চলতে
  1022. 38:49থাকে। এর মধ্যেই ঘটনাস্থলে তৈরি হয় আরো
  1023. 38:52উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। একদিকে ঈশ্বনের
  1024. 38:54সহযোগীরা পালানোর চেষ্টা করছে। অন্যদিকে
  1025. 38:57পুলিশ তাদের ধরার জন্য চারপাশ ঘিরে ফেলছে।
  1026. 38:59শেষ পর্যন্ত অটো চালক পুলিশের হাতে ধরা
  1027. 39:01পড়ে। কিন্তু ঈশ্বর তখনো পুলিশের নাগালের
  1028. 39:03বাইরে। ইনবরাজ বুঝতে পারে মূল খুনি
  1029. 39:06কাছাকাছি কোথাও রয়েছে। সে মায়াকে বলে
  1030. 39:08ভালোভাবে চারপাশে দেখো। এমন কেউ আছে কিনা
  1031. 39:11যার আচরণ সন্দেহজনক। মায়া চারপাশে তাকাতে
  1032. 39:14শুরু করে। ঠিক তখনই তার চোখে পড়ে লাল
  1033. 39:16রঙের চেক শার্ট পরা একজন যুবক অন্য একটি
  1034. 39:18অটোরিক্সায় উঠে চলে যাচ্ছে। মায়া
  1035. 39:20বিষয়টা ইনবরাজকে জানায়। আর এই যুবকই
  1036. 39:23আসলে ঈশ্বরন। কিন্তু পুলিশ তাকে ধরার আগেই
  1037. 39:25সে সেখান থেকে পালিয়ে যায়। তবুও
  1038. 39:27ইনবরাজের জন্য এটা একটা বড় অগ্রগতি। কারণ
  1039. 39:29এখন সে খুনির সহযোগীদের একজনকে হাতে
  1040. 39:31পেয়েছে। এরপর ধরা পড়া অটোচালককে থানায়
  1041. 39:34নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। প্রথমে সে
  1042. 39:36কিছু বলতে চায় না। কিন্তু পরে বুঝতে পারে
  1043. 39:38ঈশ্বরনের মত ভয়ঙ্কর মানুষের সঙ্গে কাজ
  1044. 39:40করে সে নিজেই বিপদে পড়ে গেছে। সে পুলিশকে
  1045. 39:43জানায় ঈশ্বর অত্যন্ত নিষ্ঠুর একজন খুনি।
  1046. 39:45সে শুধু টাকার জন্য তার সঙ্গে কাজ করছিল।
  1047. 39:48এখন যদি পুলিশ তাকে ছেড়ে দেয় তাহলে
  1048. 39:50ঈশ্বর নিশ্চিত তাকে খুন করবে। তাই সে
  1049. 39:52পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চায়।
  1050. 39:54জিজ্ঞাসাবাদের সময় ঈশ্বরের পরিচয়
  1051. 39:56সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া যায়।
  1052. 39:58পুলিশ তার বাড়ির ঠিকানাও জানতে পারে।
  1053. 40:00এরপর কয়েকজন অফিসার দ্রুত ঈশ্বনের
  1054. 40:02বাড়িতে অভিযান চালাতে যায়। তারা মনে করে
  1055. 40:05এবার হয়তো খুনিকে হাতে নাতে ধরা সম্ভব
  1056. 40:07হবে কিন্তু ঈশ্বর এত সহজে ধরা পড়ার মানুষ
  1057. 40:10নয়। সে আগেই বুঝে ফেলেছিল পুলিশ খুব
  1058. 40:12শিগগিরই তার বাড়ির সন্ধান পেয়ে যাবে।
  1059. 40:14তাই বাড়ি ছেড়ে পালানোর আগে সেখানে
  1060. 40:16বিস্ফোরক রেখে গেছে। পুলিশ যখন বাড়িতে
  1061. 40:18প্রবেশ করে তখন হঠাৎ ভয়ঙ্কর বিস্ফোরণ
  1062. 40:20ঘটে। মুহূর্তের মধ্যে পুরো বাড়ি ধ্বংস
  1063. 40:23হয়ে যায়। আর সেই সঙ্গে ঈশ্বরনের
  1064. 40:24বিরুদ্ধে থাকা গুরুত্বপূর্ণ প্রমাণগুলো
  1065. 40:26নষ্ট হয়ে যায়। এই খবর শুনে ইনবরাজ
  1066. 40:28প্রচন্ড রেগে যায় কারণ এত কষ্ট করে তারা
  1067. 40:31খুনির পরিচয়ের কাছাকাছি পৌঁছেছিল কিন্তু
  1068. 40:33এখন সব প্রমাণ আবার নষ্ট হয়ে গেল এর
  1069. 40:35মধ্যেই ঘটে আরো একটি ভয়ঙ্কর ঘটনা পুলিশের
  1070. 40:38হাতে আটক অটোচালকের কাছে একটি অদ্ভুত
  1071. 40:40মোবাইল ফোন রয়েছে হঠাৎ সেই ফোনটি বাঁচতে
  1072. 40:42শুরু করে প্রথমে কেউ বিষয়টা গুরুত্ব দেয়
  1073. 40:44না কিন্তু কিছুক্ষণের মধ্যেই বোঝা যায়
  1074. 40:46ফোনটি সাধারণ কোন মোবাইল নয় ইস্ন আগেই
  1075. 40:49এমন ব্যবস্থা করে রেখেছে যাতে প্রয়োজন
  1076. 40:51হলে ফোনটির মাধ্যমে অটোচালককেও মেরে ফেলা
  1077. 40:54যায় আর শেষ পর্যন্ত সেটাই ঘটে ফোনে
  1078. 40:56বিস্ফোরণ ঘটে এবং অটোচালক মারা যায়।
  1079. 40:58এভাবে ঈশ্বর নিজের সহযোগীকেও শেষ করে
  1080. 41:00দেয়। কারণ সে চায় না তার সম্পর্কে কোন
  1081. 41:02তথ্য পুলিশের হাতে পৌঁছাক। এখন ঈশ্বরের
  1082. 41:05বিরুদ্ধে থাকা প্রায় সব গুরুত্বপূর্ণ
  1083. 41:07প্রমাণ ধ্বংস হয়ে গেছে। তার সহযোগীরাও আর
  1084. 41:09পুলিশের কাজে লাগবে না। আর ঈশ্বর
  1085. 41:11সিদ্ধান্ত নিয়েছে এবার শহর ছেড়ে পালিয়ে
  1086. 41:14যাবে। এদিকে ইনবরাজ এই পরিস্থিতিতে ভীষণ
  1087. 41:16হতাশ হয়ে পড়ে। সে বুঝতে পারছে খুনি তার
  1088. 41:19চেয়ে এক ধাপ এগিয়ে থাকার চেষ্টা করছে।
  1089. 41:21ঠিক তখনই কার্তি এসে তাকে আশ্বস্ত করে।
  1090. 41:23কার্তি জানায় চেন্নাই শহর থেকে বের
  1091. 41:25হওয়ার মোট 54 টি প্রধান পথ রয়েছে। পুলিশ
  1092. 41:28যদি সবগুলো পথে নজরদারি বসায় তাহলে
  1093. 41:30ঈশ্বরণের পক্ষে শহর ছেড়ে পালানো কঠিন
  1094. 41:32হবে। সেই ইনবোরাজকে বলে স্যার আপনি চিন্তা
  1095. 41:35করবেন না। আমরা সব রাস্তা বন্ধ করে দেব।
  1096. 41:37এবার খুনিকে ধরেই ছাড়বো। আপনি বরং
  1097. 41:40বাড়িতে গিয়ে বিশ্রাম নিন। এরপর কার্তি
  1098. 41:42ইনবরাজকে বাড়িতে পৌঁছে দিয়ে চলে যায়।
  1099. 41:44কিন্তু ইনব্রাজ যখন নিজের বাড়ির সিঁড়ি
  1100. 41:46দিয়ে উপরে উঠতে যায়। তখনই সে অস্বাভাবিক
  1101. 41:48কিছু একটা বুঝতে পারে। আসলে ইনবরাজ নিজের
  1102. 41:50বাড়ির সিঁড়ি এবং আশপাশের নির্দিষ্ট
  1103. 41:52জায়গায় ছোট ছোট পাথরের টুকরো ছড়িয়ে
  1104. 41:54রেখেছিল। এটা সে ইচ্ছা করেই করেছে। কারণ
  1105. 41:57কেউ যদি তার অনুপস্থিতিতে বাড়িতে প্রবেশ
  1106. 41:59করে তাহলে পাথরের উপর পায়ের চাপ পড়বে।
  1107. 42:02আর সেই চিহ্ন বা শব্দ থেকে ইনবরাজ বুঝতে
  1108. 42:04পারবে কেউ সেখানে এসেছিল। এবার সিঁড়িতে
  1109. 42:07পা রাখতেই সে বুঝতে পারে পাথরগুলোর
  1110. 42:09অবস্থান বদলে গেছে। অর্থাৎ তার
  1111. 42:11অনুপস্থিতিতে কেউ একজন বাড়িতে প্রবেশ
  1112. 42:13করেছে। ইনবরাজ সঙ্গে সঙ্গে সতর্ক হয়ে
  1113. 42:15যায়। সে বুঝতে পারে ঈশ্বরন হয়তো শহর
  1114. 42:18ছেড়ে পালায়নি বরং তাকে খুন করার জন্য
  1115. 42:20সরাসরি তার বাড়িতেই এসেছে ইনবরাজ নিজের
  1116. 42:23লুকিয়ে রাখা অস্ত্র বের করে ধীরে ধীরে
  1117. 42:25বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে আর তার সন্দেহ
  1118. 42:27সত্যি হয় কারণ বাড়ির ভেতরে আগে থেকেই
  1119. 42:29অপেক্ষা করছে ঈশ্বর এবার ঈশ্বর জানে
  1120. 42:32ইনবরাজ চোখে দেখতে পায় না তাই সে অত্যন্ত
  1121. 42:34আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বাড়ির ভেতরে চলাফেরা
  1122. 42:37করতে থাকে ইনবোরাজকে উদ্দেশ্য করে ঠাট্টা
  1123. 42:39করে বলে কি ব্যাপার ইনবরাজ বাড়ি ফিরতে এত
  1124. 42:41দেরি হলো কেন ইনবরাজ তার কন্ঠস্বর শুনে
  1125. 42:44বুঝতে পারে খুনি ঠিক কোথায় দাঁড়িয়ে
  1126. 42:46আছে। সে সঙ্গে সঙ্গে অস্ত্র তাক করে গুলি
  1127. 42:48চালায়। কিন্তু ঈশ্বর খুব দ্রুত জায়গা
  1128. 42:50বদলে ফেলে। ফলে গুলি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়।
  1129. 42:53এরপর ঈশ্বর ইচ্ছা করে বাড়ির বিভিন্ন
  1130. 42:55জায়গায় শব্দ করতে থাকে। সে চায় ইনভারাজ
  1131. 42:57যেন সেই শব্দ অনুসরণ করে গুলি চালায়।
  1132. 43:00কিন্তু তার পরিকল্পনার পেছনে রয়েছে আরো
  1133. 43:02ভয়ঙ্কর উদ্দেশ্য। কারণ ঈশ্বর ইতিমধ্যেই
  1134. 43:04মায়াকে ধরে ফেলেছে। সে মায়ার হাত-পা
  1135. 43:06বেঁধে রেখেছে এবং মুখে টেপ লাগিয়ে
  1136. 43:08দিয়েছে যাতে সে চিৎকার করতে না পারে।
  1137. 43:10এরপর মায়াকে এমন জায়গায় রেখেছে, যেখানে
  1138. 43:13ইনবরাজ শব্দ শুনে গুলি চালালে মায়ার
  1139. 43:15গায়ে গুলি লাগতে পারে। অর্থাৎ ঈশ্বরনের
  1140. 43:18পরিকল্পনা হলো ইনবোরাজকে দিয়েই মায়াকে
  1141. 43:20খুন করানো। কারণ ঈশ্বর মনে করে ইনবরাজের
  1142. 43:23কারণে তার সহযোগীরা মারা গেছে। তাই এবার
  1143. 43:26সেই ইনবরাজের সবচেয়ে কাছের মানুষটিকে তার
  1144. 43:28নিজের হাত দিয়ে মেরে ফেলতে চায়। ইনবরাজ
  1145. 43:30তখনও বুঝতে পারছে না মায়া কোথায় রয়েছে।
  1146. 43:32সে ঈশ্বরের তৈরি করা শব্দ অনুসরণ করে গুলি
  1147. 43:35চালাতে থাকে। এক পর্যায়ে এমন পরিস্থিতি
  1148. 43:37তৈরি হয় যখন ইনবরাজ প্রায় মায়ার দিকেই
  1149. 43:39গুলি চালিয়ে দিচ্ছিল কিন্তু ঠিক সেই
  1150. 43:41মুহূর্তে তার কানে আসে খুব পরিচিত একটা
  1151. 43:43শব্দ সেটা হলো ছোট্ট একটি ব্রেসলেটের
  1152. 43:45ঘন্টার আওয়াজ আমরা আগেই দেখেছি ইনবরাজ
  1153. 43:48মায়াকে একটি বিশেষ ব্রেসলেট উপহার
  1154. 43:50দিয়েছিল সেই ব্রেসলেট নড়াচড়া করলে শব্দ
  1155. 43:52হয় আর এবার মায়া সেটাই হাতে পড়ে রয়েছে
  1156. 43:55ব্রেসলেটের শব্দ শুনেই ইনবরাজ বুঝতে পারে
  1157. 43:57সামনে যে মানুষটি রয়েছে সে ঈশ্বর নয়
  1158. 44:00সেখানে মায়া রয়েছে তাই সে শেষ মুহূর্তে
  1159. 44:02নিজের গুলির দিক পরিবর্তন করে ফলে মায়া
  1160. 44:05অল্পের বেচে যায়। এই দৃশ্য দেখে ঈশ্বর
  1161. 44:07নিজেই অবাক হয়ে যায়। সে বুঝতে পারে না
  1162. 44:10চোখে না দেখেও ইনবরাজ কিভাবে মায়াকে চিনে
  1163. 44:12ফেলল। ঈশ্বর রেগে গিয়ে বলে এতক্ষণ তো ঠিক
  1164. 44:15জায়গাতেই গুলি করছিলে। কিন্তু নিজের
  1165. 44:17প্রেমিকাকে মারার সময় হঠাৎ লক্ষ্য বদলে
  1166. 44:19ফেললে কিভাবে? সে আরো বলে তুমি আমার
  1167. 44:21লোকদের আমার হাতেই মারিয়েছো। তাই আমি
  1168. 44:23চেয়েছিলাম তোমার প্রিয় মানুষটিকেও তোমার
  1169. 44:25নিজের হাতেই মারাতে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে
  1170. 44:27তুমি আমার পরিকল্পনা নষ্ট করে দিলে। এরপর
  1171. 44:29ঈশ্বর সিদ্ধান্ত নেয়। আর কোন চালাকি নয়।
  1172. 44:32এবার সে নিজেই ইনবরাজ আর মায়াকে খুন
  1173. 44:34করবে। সে ঠাট্টা করে জানায় জীবনে সে
  1174. 44:36প্রায় 100 মানুষকে খুন করেছে আর প্রতিটি
  1175. 44:39খুনের বিনিময়ে টাকা নিয়েছে কিন্তু এবারই
  1176. 44:42প্রথম এমন দুজন মানুষকে খুন করতে যাচ্ছে
  1177. 44:44যাদের জন্য সে কোন টাকা পাবে না এই বলে
  1178. 44:46সেই ইনবরাজের দিকে এগিয়ে আসে কিন্তু
  1179. 44:48ইনবরাজ এবার অন্য পরিকল্পনা করে রেখেছে সে
  1180. 44:51জানে চোখে দেখতে না পারার কারণে সাধারণ
  1181. 44:53অবস্থায় ঈশ্বরের সঙ্গে লড়াই করা তার
  1182. 44:55জন্য কঠিনতা তাই সে এমন একটা পরিবেশ তৈরি
  1183. 44:57করতে চায় যেখানে দুজনের অবস্থা প্রায়
  1184. 45:00সমান হয়ে যাবে প্রথমে সে বাড়ির বিভিন্ন
  1185. 45:02জিনিসপত্র সরিয়ে ফেলে এরপর ঘরের এর সব
  1186. 45:04আলো নিভিয়ে দেয়। মুহূর্তের মধ্যে পুরো
  1187. 45:06বাড়ি অন্ধকার হয়ে যায়। ঈশ্বর এবার
  1188. 45:08কিছুই দেখতে পাচ্ছে না। আর এখানেই
  1189. 45:10ইনবরাজের সবচেয়ে বড় সুবিধা। কারণ ইনভরাজ
  1190. 45:13তো দীর্ঘদিন ধরেই অন্ধকারের মধ্যে জীবন
  1191. 45:15যাপন করছে। তার কাছে আলো আর অন্ধকারের
  1192. 45:17মধ্যে খুব বেশি পার্থক্য নেই। কিন্তু
  1193. 45:19ঈশ্বরের কাছে অন্ধকার মানে বিপদ। অন্যদিকে
  1194. 45:21এসপি স্টিফেন জানতে পারেন ইনবরাজকে
  1195. 45:24বাড়িতে একা রেখে আসা হয়েছে। খবরটা শুনেই
  1196. 45:26তিনি চিন্তিত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন,
  1197. 45:28ঈশ্বর যদি ইনবরাজকে খুন করতে চায় তাহলে
  1198. 45:31সবার আগে তার বাড়িতেই যাবে। তাই দ্রুত
  1199. 45:33পুলিশ বাহিনী নিয়ে সেখানে যেতে হবে।
  1200. 45:35কিন্তু ঠিক তখনই ইনবরাজের বাবা হৃদয় রাজ
  1201. 45:38সবাইকে শান্ত করেন। তিনি বলেন, তোমরা আমার
  1202. 45:40ছেলেকে চেনো না। ওই বাড়িটা ইনবরাজের
  1203. 45:42নিজের বাড়ি। সে নিজের প্রয়োজন অনুযায়ী
  1204. 45:44পুরো বাড়িটা সাজিয়েছে। কোথায় কি আছে,
  1205. 45:47কোন জায়গায় দাঁড়ালে কি শব্দ হয়, কোন
  1206. 45:49পথে চললে, কোথায় পৌঁছানো যায় সবকিছু তার
  1207. 45:51জানা। তাই ওই বাড়ির ভেতরে ইনবরাজি
  1208. 45:54সবচেয়ে শক্তিশালী। বরং খুনিটার জন্য
  1209. 45:56চিন্তা করা উচিত। তিনি এমনকি মজা করে
  1210. 45:58বলেন, কিছুক্ষণ পর হয়তো পুলিশ নয়
  1211. 46:00অ্যাম্বুলেন্স পাঠানোর প্রয়োজন হবে।
  1212. 46:02এদিকে বাড়ির ভেতরে ইনবরাজ আর ঈশ্বনের
  1213. 46:05লড়াই শুরু হয়ে গেছে। সব আলো নিভিয়ে
  1214. 46:07দেওয়ার পর ইনবরাজ ঈশ্বরকে উদ্দেশ্য করে
  1215. 46:09বলে অন্ধকার তাদের জন্য সমস্যা যারা চোখে
  1216. 46:12দেখতে অভ্যস্ত। কিন্তু আমি তো অনেকদিন
  1217. 46:14ধরেই অন্ধকারের মধ্যে বেঁচে আছি। তাই এই
  1218. 46:16অন্ধকার আমার জন্য কোন সমস্যা নয়। এরপর
  1219. 46:18ইনবরাজ ধারালো অস্ত্র হাতে নিয়ে ঈশ্বরের
  1220. 46:21অবস্থান বোঝার চেষ্টা করে। আসলে সে বাড়ির
  1221. 46:23মেঝেতে এমন কিছু ছোট ছোট বস্তু ছড়িয়ে
  1222. 46:25রেখেছে, যেগুলোর উপর পা পড়লে শব্দ হয়।
  1223. 46:28ঈশ্বর যখনই জায়গা পরিবর্তন করে তখনই তার
  1224. 46:30পায়ের নিচে শব্দ তৈরি হয়। আর সেই শব্দ
  1225. 46:33অনুসরণ করেই ইনবরাজ তার অবস্থান বুঝতে
  1226. 46:35পারে। এরপর সে একের পর এক ধারালো অস্ত্র
  1227. 46:37ছুড়ে মারতে থাকে। কয়েকটি অস্ত্র
  1228. 46:39ঈশ্বরনের হাত পায়ে গিয়ে লাগে। ঈশ্বর
  1229. 46:41যন্ত্রণায় চিৎকার করে ওঠে। সে বুঝতে পারে
  1230. 46:44অন্ধকারের মধ্যে ইনবরাজের সঙ্গে লড়াই করা
  1231. 46:46তার ধারণার চেয়েও অনেক কঠিন। তাই সে
  1232. 46:48কোনভাবে ঘরের সুইচ খুঁজে আলো জ্বালানোর
  1233. 46:50চেষ্টা করে। কিন্তু ইনবরাজ তাকে সেই
  1234. 46:52সুযোগও সহজে দিতে চায় না। সে সরনকে
  1235. 46:54উদ্দেশ্য করে বলে তুমি যখন ছোট ছিলে তখন
  1236. 46:57থেকেই আমি পুলিশের ইউনিফর্ম পরে অপরাধীদের
  1237. 46:59ধরছি। আমার অভিজ্ঞতা তোমার ধারণার চেয়েও
  1238. 47:02অনেক বেশি। তুমি যতই চালাক হও না কেন আমার
  1239. 47:04নিজের বাড়িতে এসে আমাকে হারানো এত সহজ
  1240. 47:06নয়। এদিকে ইনবরাজ মায়ার মুখে লাগানোর
  1241. 47:09টেপও খুলে দেয়। ফলে মায়া আবার কথা বলতে
  1242. 47:11পারে। এরপর মায়া আগের মতই ইনবরাজকে
  1243. 47:13নির্দেশনা দিতে শুরু করে। ঈশ্বর কোথায়
  1244. 47:15দাঁড়িয়ে আছে, কোন দিকে যাচ্ছে, কখন আঘাত
  1245. 47:18করতে আসছে, সবকিছু সে জানাতে থাকে। ইনবরাজ
  1246. 47:21সেই নির্দেশনা অনুসরণ করে ঈশ্বরকে আক্রমণ
  1247. 47:23করতে থাকে। এবার ঈশ্বর পুরোপুরি বিপদে
  1248. 47:26পড়ে যায়। কারণ একদিকে ইনবরাজ নিজের
  1249. 47:28বাড়ির প্রতিটি জায়গা চেনে। অন্যদিকে
  1250. 47:30মায়াও তাকে সবকিছু জানিয়ে দিচ্ছে। ফলে
  1251. 47:33ঈশ্বরের কোন চালাকি আর কাজে আসছে না।
  1252. 47:35দুজনের মধ্যে ভয়ঙ্কর লড়াই চলতে থাকে। এক
  1253. 47:37পর্যায়ে ইনবরাজ ঈশ্বরকে ধরে ফেলে। তারপর
  1254. 47:40এমনভাবে আটকে ফেলে যাতে ঈশ্বর আর নড়াচড়া
  1255. 47:42করতে না পারে। ইনবরাজ তার গলা চেপে ধরে
  1256. 47:45তাকে অচেতন করে ফেলে। শেষ পর্যন্ত ঈশ্বর
  1257. 47:47আর লড়াই চালিয়ে যেতে পারে না সে জ্ঞান
  1258. 47:49হারিয়ে মাটিতে পড়ে যায় এরপর পুলিশ
  1259. 47:51সেখানে পৌঁছে ঈশ্বর কে উদ্ধার করে
  1260. 47:53অ্যাম্বুলেন্সে তুলে নিয়ে যায় আর এভাবেই
  1261. 47:55প্রায় 100র বেশি হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে
  1262. 47:56জড়িত ভয়ঙ্কর কন্ট্রাক্ট কিলার ঈশ্বর শেষ
  1263. 47:59পর্যন্ত পুলিশের হাতে ধরা পড়ে ইনবরাজ
  1264. 48:01নিজের দৃষ্টিশক্তি হারিয়েও প্রমাণ করে
  1265. 48:03দেয় একজন মানুষের সবচেয়ে বড় শক্তি শুধু
  1266. 48:05তার চোখ নয় বরং তার বুদ্ধি অভিজ্ঞতা সাহস
  1267. 48:09আর পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়ার
  1268. 48:11ক্ষমতা এদিকে এত বড় একটা কেস সফলভাবে শেষ
  1269. 48:14করার পর ইনবরাজের জীবনেও নতুন পরিবর্তন
  1270. 48:16আসে। সে এবার নিজের পোশাক পরিচ্ছদ বদলে
  1271. 48:19একেবারে নতুনভাবে মায়ার বাড়িতে হাজির
  1272. 48:21হয়। কারণ সে সিদ্ধান্ত নিয়েছে মায়াকে
  1273. 48:24বিয়ে করবে। কিন্তু মায়ার বাবা এখনো এই
  1274. 48:26সম্পর্ক নিয়ে সন্তুষ্ট নন। তিনি মেয়েকে
  1275. 48:28আবারো বোঝানোর চেষ্টা করেন। তিনি বলেন,
  1276. 48:30একজন বৃষ্টি প্রতিবন্ধী মানুষের সঙ্গে
  1277. 48:32সংসার করা সহজ নয়। ভবিষ্যতে যদি কোন বিপদ
  1278. 48:35ঘটে তাহলে মায়াকেই সবকিছু সামলাতে হবে।
  1279. 48:37তাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে ভালোভাবে
  1280. 48:39চিন্তা করা উচিত। কিন্তু মায়া এবার নিজের
  1281. 48:41সিদ্ধান্তে অটল। সে জানিয়ে দেয়
  1282. 48:43ইনবরাজকেই সে ভালোবাসে। আর তার সঙ্গেই
  1283. 48:46বাকি জীবন কাটাতে চায়। এদিকে ইনবরাজও
  1284. 48:48মায়ার সামনে এসে নিজের অনুভূতি প্রকাশ
  1285. 48:50করতে চায়। আমরা হয়তো ভাবছি সে এবার
  1286. 48:52মায়াকে বলবে তুমি শুধু আমার চোখ নও তুমি
  1287. 48:55আমার হৃদয়। কিন্তু ইনবরাজ তো আর সাধারণ
  1288. 48:57প্রেমিক নয়। সে নিজের স্বভাবসুলভ মজার
  1289. 49:00ভঙ্গিতে মায়াকে জানায়। এখন থেকে সে তার
  1290. 49:02সারা জীবনের সহকারী। তবে আগের মতো সবসময়
  1291. 49:05তার চোখ হয়ে পাশে থাকার প্রয়োজন নেই।
  1292. 49:07কারণ ইনবরাজ এবার একটি নতুন প্রযুক্তির
  1293. 49:09সাহায্য নিতে যাচ্ছে। সে একটি স্মার্ট
  1294. 49:11গ্লাস বের করে। এই চশমায় এমন প্রযুক্তি
  1295. 49:13রয়েছে, যেটা আশপাশের বিভিন্ন তথ্য শব্দের
  1296. 49:16মাধ্যমে জানাতে পারে। ফলে ইনবরাজ এখন এই
  1297. 49:18স্মার্ট গ্লাস ব্যবহার করে চলাফেরা করতে
  1298. 49:20পারবে। এতে মায়ার উপর তার আগের মতো
  1299. 49:23পুরোপুরি নির্ভর করতে হবে না। তবে তাদের
  1300. 49:25সম্পর্কের গুরুত্ব একটুও কমে যায়নি। বরং
  1301. 49:27এবার তারা একসঙ্গে নতুন জীবন শুরু করার
  1302. 49:30প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে
  1303. 49:32অবশেষে ইনবরাজের জীবনে শান্তি ফিরে এসেছে।
  1304. 49:35ভয়ঙ্কর খুনি স্মরণ ধরা পড়েছে। জটিল
  1305. 49:37হত্যাকাণ্ডের রহস্যের সমাধান হয়েছে। আর
  1306. 49:39ইনবোরাজ নিজের ভালোবাসার মানুষটিকেও খুঁজে
  1307. 49:42পেয়েছে। কিন্তু ঠিক তখনই ঘটে যায় আরেকটি
  1308. 49:44অপ্রত্যাশিত ঘটনা। হঠাৎ ক্রাইম ব্রাঞ্চ
  1309. 49:46থেকে ইনবরাজের কাছে একটি ফোন আসে। ফোনের
  1310. 49:48ওপাশ থেকে তাকে জানানো হয় জেলে বন্দি
  1311. 49:50কুখ্যাত পারফিউম কিলার ভিক্টর পালিয়ে
  1312. 49:53গেছে। হ্যাঁ। সেই ভিক্টর। যাকে ইনবরাজ
  1313. 49:55নিজেই কয়েক বছর আগে গ্রেপতার করেছিল। যে
  1314. 49:58জেলের ভেতরে ইনবরাজের দৃষ্টিশক্তি হারানোর
  1315. 50:00বিষয়টা সবার সামনে প্রকাশ করে দিয়েছিল
  1316. 50:02সেই ভয়ঙ্কর খুনি এবার জেল থেকে পালিয়েছে
  1317. 50:05আর শুধু পালিয়েই যায়নি ইনবরাজের জন্য
  1318. 50:07একটি বার্তাও রেখে গেছে বার্তায় লেখা
  1319. 50:10ইনবরাজ আমি তোমাকেই খুঁজতে আসছি আই এম
  1320. 50:12কামিং এই খবর শুনে ইনবরাজ বুঝতে পারে তার
  1321. 50:15সামনে আবার নতুন বিপদ অপেক্ষা করছে কিন্তু
  1322. 50:18এবারও সে ভয় পায় না বরং মায়ার দিকে
  1323. 50:20ফিরে জানায় তাদের জন্য নতুন একটা কেস এসে
  1324. 50:23গেছে অর্থাৎ ঈশ্বরের অধ্যায় শেষ হলেও
  1325. 50:25ইনবরাজের অপরাধীদের বিরুদ্ধে লড়াই এখনো
  1326. 50:27শেষ হয়নি। আর এই নতুন রহস্যের ইঙ্গিত
  1327. 50:30দিয়েই সিনেমার গল্প শেষ হয়ে যায়। এই
  1328. 50:32ছিল সুপারস্টার সুরিয়া অভিনীত সিনেমা
  1329. 50:34সিনের সম্পূর্ণ কাহিনী। গল্পটি ভালো লাগলে
  1330. 50:37ভিডিওতে একটা লাইক দিন আর এমন আরো সিনেমার
  1331. 50:39গল্প শুনতে চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে
  1332. 50:41আমাদের সঙ্গেই থাকুন।

About this transcript

This page contains the full transcript of ভয়ংকর সিরিয়াল কিলারকে ধরতে গিয়ে পুলিশ অফিসার! নিজেই মৃত্যুর ফাঁদে Scene Movie Explained In Bangla by CinemaxBD, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 8,571 words across 1,332 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.

What you can do with it

Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to choose a caption track available on the video.

Free YouTube transcript tool

YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, caption language selection, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.