মা এবং চার বোনকে খু*নের ভিডিও | Lucknaw Hotel Mu*rder Case | Documentary by Apurba — Transcript
Full transcript
- 0:0031 শে ডিসেম্বর 2024 একদিকে গোটা পৃথিবী
- 0:03যখন নিউ ইয়ার সেলিব্রেশনে মগ্ন ঠিক তখনই
- 0:06লাখনৌ একটা হোটেল থেকে একটা ছেলে তার
- 0:09সোশ্যাল মিডিয়ায় একটা সাত মিনিটের ভিডিও
- 0:11আপলোড করে আর ভিডিওটা আপলোড করার সাথে
- 0:13সাথে তোলপড় হয়ে যায় পুরো সোশ্যাল
- 0:15মিডিয়া হইচই শুরু হয়ে যায় গোটা দেশ
- 0:17জুড়ে ওই সাত মিনিটের ভিডিওটার নিঃৃশংসতা
- 0:20দেখে আটকে ওঠে দেশের মানুষ কিন্তু কি এমন
- 0:23ছিল ভিডিওটায় এমনি এমনি দেখলে একটা নরমাল
- 0:26সেলফি ভিডিও বলেই মনে হবে আপনার কিন্তু
- 0:28বিশ্বাস করুন আমি এটুকু বলতে পারি
- 0:30এর থেকে ভয়ঙ্কর ভিডিও এর আগে আপনি কোনদিন
- 0:33দেখেননি। এই ভিডিওটাতে 23 24 বছরের যে
- 0:35ছেলেটাকে দেখতে পাচ্ছেন ওর নাম মোহাম্মদ
- 0:37আরশাদ। এই মোহাম্মদ আরশাদ আর ওর বাবা মিলে
- 0:40একটা হোটেল রুমের মধ্যে আরশাদের মা সহ চার
- 0:43বোনের গলায় ওড়না পিছিয়ে তাদের হাতে
- 0:45শিরাক খুন করেছে। আর এই সেলফি ভিডিওটাতে
- 0:48সেই নিশংসতারই বিবরণ দিচ্ছে আরশাদ। মজবুরি
- 0:51আপনি জলা দাবাকে হাত মারনা পড়া দেখনা
- 0:55চাতে দেখি 24 বছরের একটা ছেলের মুখে এরকম
- 0:59নিঃশংসতার বিবরণ শুনে এক প্রকার স্তম্ভিত
- 1:01হয়ে যায় স্বয়ং পুলিশ প্রশাসন কিন্তু এই
- 1:04ভিডিওটাকে সবথেকে ভয়ঙ্কর কেন বললাম জানেন
- 1:06কারণ এই ভিডিওটার একটা অংশে স্পষ্ট দেখা
- 1:08গেছে আরশাদের বাবা তার সবথেকে ছোট মেয়ে
- 1:11যার বয়স ছিল মাত্র ন বছর তার গলায় ওরনা
- 1:15পিছিয়ে শক্ত করে ধরে আছে আর ঠিক সেই
- 1:17সময়েই নিজের সেলফি ক্যামেরায় ভিডিও শুট
- 1:19করতে করতে কথা বলছে আরশাদ শুধু তাই নয়
- 1:22তারপর নিজের সোশ্যাল মিডিয়া থেকে নিজেই
- 1:24ভিডিওটা আপলোডও করেছে। ভাবতে পারছেন এই
- 1:26ভোলা ভালা মুখের আড়ালে কতটা নিঃশংসতা
- 1:29লুকিয়ে আছে। আরশাদের এই নিঃশংসতার আরো
- 1:32ভালো পরিচয় পাওয়া যায় তখন যখন পরের দিন
- 1:34পুরো লখনৌ পুলিশ আরশাদকে হরণে হয়ে
- 1:37খুঁজছে। আর আরশাদ ওই রক্তমাখা জামাকাপড়
- 1:40নিয়েই পুলিশ স্টেশনে গিয়ে আত্মসমর্পণ
- 1:43করে। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে কেন? কেন নিজের
- 1:47পরিবারের সব মহিলাদের এইভাবে খুন করল
- 1:50আরশাদ এবং তার বাবা আর খুন করার জন্য
- 1:52কেনইবা ওদের বাড়ি আগ্রা থেকে প্রায় 350
- 1:55কিলোমিটার দূরে লখনৌের একটা হোটেলে নিয়ে
- 1:58গিয়েছিল পরিবারের সবাইকে এবং সবথেকে বড়
- 2:01প্রশ্ন এরকম নিঃশংসভাবে খুন করে কেন এবার
- 2:04সেটার ভিডিও করতে গেল
- 2:07আরশাদার জানিয়ে
- 2:10নমস্কার আমি অপূর্ব চলুন এই সমস্ত
- 2:13প্রশ্নের উত্তর খোজার চেষ্টা করব আজকের
- 2:15ভিডিওতে তবে ভিডিও শুরু করার আগে আপনাদের
- 2:17সবাইকে বলে দেই দুর্বল হৃদয়ের মানুষেরা
- 2:20প্লিজ ভিডিওটা এড়িয়ে যাবেন। তাহলে চলুন
- 2:22আর দেরি না করে শুরু করা যাক আমাদের আজকের
- 2:25কেস কেস অফ মোহাম্মদ আরশাদ এন্ড হিস
- 2:31ফাদার। মোহাম্মদ আরশাদের বাবার নাম
- 2:33মোহাম্মদ বদরুদ্দিন এবং মায়ের নাম আসমা।
- 2:36আরশাদের চার বোন যথাক্রমে আলিসফা,
- 2:40রাহিমিন, আকসা এবং সবথেকে ছোট বোনের নাম
- 2:43আলিয়া। উত্তরপ্রদেশের আগ্রায় একটা বস্তি
- 2:46এরিয়াতে একটা বাড়িতে থাকতো এই সাত জনের
- 2:48পরিবার। আরশাদের ছোটবেলা কখনোই একটা শহরে
- 2:50কাটেনি। রোজগারের তাগিদে আরশাদের বাবা
- 2:53মোহাম্মদ বদরুদ্দিন মাঝে মাঝেই নিজের পেশা
- 2:55পরিবর্তন করতেন এবং বসবাস করতেন বিভিন্ন
- 2:58শহরে গিয়ে। কখনো পাঞ্জাব তো কখনো দিল্লি
- 3:00আবার কখনো আগ্রা। আর পেশা হিসেবে কখনো
- 3:03ফেরিওয়ালা, কখনো ফ্যাক্টরি ওয়ার্কার মানে
- 3:05যখন যে কাজ পেত পরিবারের মুখে দুবেলা ভাত
- 3:07তুলে দেওয়ার জন্য সেটাই করতো বদরুদ্দিন।
- 3:10কিন্তু তার একটা খারাপ গুণ ছিল। তিনি মাঝে
- 3:12মাঝেই অকারণে তার স্ত্রী আসমার গায়ে হাত
- 3:15তুলতো। তাকে মাথর করত। কখনো কখনো কারো
- 3:18সাথে কথা বলতে দিত না। একটা ঘরে আটকে রেখে
- 3:21দিত। একবার এরকমও হয়েছে কন্যা সন্তান
- 3:23জন্ম দেওয়ার জন্য নিজের স্ত্রীকে জ্যাত্ত
- 3:26দেওয়ার চেষ্টা করেছিল
- 3:28বদরুদ্দিন। একদিকে আশাদ এবং তার বোনেরা
- 3:31ছোটবেলা থেকেই অভাব অনটনের মধ্যে বড়
- 3:33হয়েছে। দুবেলা ভাত জোগাড় করতে অনেক
- 3:35স্ট্রাগল করতে দেখেছে বাবাকে। অন্যদিকে
- 3:37মায়ের উপর বাবার এই অত্যাচার ছোটবেলা
- 3:40থেকেই বিশিয়ে তুলেছিল আরশাদের মন। তাই
- 3:42আরশাদ যখন একটু বড় হয় তখন সেও চাইতো
- 3:45বাড়ির সবাই যেন বাবার মত ওরও কথা মেনে
- 3:48চলে। আর কেউ কথা না শুনলেই সেও একদম বাবার
- 3:51মতই আচরণ করত ছোট বোনদের সাথে। আর এই
- 3:54পাশবিক আচরণের ফলেই প্রতিবেশীদের কারোর
- 3:56সাথেও সম্পর্ক ভালো ছিল না আরশাদ এবং তার
- 3:58পরিবারের। প্রায়দিনই কারো না কারো সাথে
- 4:00ঝামেলা হতো আরশাদের বাবার। আর এরকমও শোনা
- 4:03গেছে ঝামেলা হলেই নাকি বাড়ির ছাদে উঠে
- 4:05প্রতিবেশীদের দিকে পাথর ছুড়েতো আরশাদ।
- 4:07তাই প্রতিবেশীরা আরশাদের পরিবারের প্রতি
- 4:09এতটাই বিরক্ত ছিল যে কথা বলা তো দূর
- 4:12আরশাদের বাড়ির সামনে দিয়েও কেউ যাতায়াত
- 4:15করতো না। তো আরশাদ এবং আরশাদের বাবা ঠিক
- 4:17কিরকম চরিত্রের মানুষ আশা করি বুঝতেই
- 4:19পারছেন। কিন্তু বাবা ছেলের মধ্যেও যে খুব
- 4:21মিল ছিল তেমনটা কিন্তু নয়। 2024 সালের
- 4:24শুরুর দিকে আরশাদের বাবা একটা উইল করেছিল।
- 4:27সেখানে স্পষ্ট লেখা ছিল তার সমস্ত
- 4:29সম্পত্তি চার মেয়ের মধ্যে সমান ভাগে ভাগ
- 4:32করে দেবেন এবং এটাও উল্লেখ করা ছিল যে তার
- 4:35সম্পত্তিতে তার ছেলের কোন অধিকার থাকবে না
- 4:38আরশাদ যখন এই উইলের কথা জানতে পারে তখন সে
- 4:40তার বাবাকে খুত করার জন্য উদ্ধত হয় এবং
- 4:43প্রচন্ড মারল করে কিন্তু এতেও যখন আরশাদের
- 4:45মন ভরে না তারপর আরশাদ যেটা করে সেটা দেখে
- 4:48প্রতিবেশীদের চোখ ও কপালে উঠে যায় আরশাদ
- 4:51তার বাবাকে ছাদে নিয়ে গিয়ে ছাদের রেলিং
- 4:53এ তাকে উল্টো করে ঝুলিয়ে ধমকি দিতে শুরু
- 4:56করে সেই সেই সময় যদি প্রতিবেশীরা এসে না
- 4:58আটকাতো হয়তো সেদিনই যাই হোক আরশাদের
- 5:01পরিবার মনে করেছিল ধীরে ধীরে হয়তো আরশাদ
- 5:04শুধরে যাবে এবং সেই কারণেই 2019 সালে
- 5:07চাঁদনী নামের একটি মেয়ের সাথে আরশাদের
- 5:09বিয়ে করিয়ে দেয় ভেবেছিল বিয়ে করলে
- 5:11হয়তো ছেলে শুধরে যাবে কিন্তু হলো তার ঠিক
- 5:14উল্টো বিয়ের মাত্র দু মাসের মধ্যেই
- 5:16আরশাদের অত্যাচারের শিকার হয়ে আরশাদকে
- 5:18ডিভোর্স দিয়ে নিজের বাড়ি ফিরে যায়
- 5:20চাঁদনী আর চাঁদনী চলে যাওয়ার পর থেকেই
- 5:22আরশাদ হয়ে ওঠে আরো বেপরোয়া আরশাদ পুরো
- 5:25বাড়িটাকে একটা জেল খানা বানিয়ে ফেলে আর
- 5:27পরিবারের সবাইকে তার কয়েদি আরশাদের কথার
- 5:30উপর কেউ কথা বলার সাহস পেত না বাড়িতে বরং
- 5:33কিছু বললেই মারধোর শুরু করতো এইভাবে চলতে
- 5:36চলতে অনেকটা ধার দেনায় জড়িয়ে পড়েছিল
- 5:38আরশাদের পরিবার পাওনাদাররা মাঝে মাঝেই
- 5:40দরজায় এসে ধুমকি দিয়ে যেত আরশাদের
- 5:42বাবাকে তারপর 2024 সালের 18ই ডিসেম্বর
- 5:45এরকমই এক পাওনাদারের সাথে তুমুল ঝামেলা
- 5:48হয় আরশাদ এবং ওর বাবার এবং খুব
- 5:50অদ্ভুতভাবে ঝামেলার পরে ওই দিন রাতেই দুম
- 5:53করে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায় সাত জনের
- 5:55পরিবার এবং সবথেকে আশ্চর্যের বিষয় হলো
- 5:58তারা এতটাই তাড়াহুড়ো করে বের হয় যে এই
- 6:00তাড়াহুড়োর মধ্যে বাইরে মেলে দেওয়া জামা
- 6:03কাপড়গুলো তুলতে ভুলে যায়। কিন্তু প্রশ্ন
- 6:05হচ্ছে কেন? তারা কি পাওনাদারদের থেকে
- 6:07পালানোর চেষ্টা করছিল? না। সেদিন রাতে
- 6:10তারা আগ্রা থেকে সপরিবারে ঘুরতে চলে যায়
- 6:13আজমির। এবং পরের দিন সেখান থেকে জয়পুর।
- 6:16জয়পুরে বেশ কিছুদিন কাটিয়ে তারপর 29শে
- 6:18ডিসেম্বর তারা রওনা দেয় লখনৌ এর
- 6:21উদ্দেশ্যে। কিন্তু এর মধ্যেই জয়পুরে আরো
- 6:23একটা ঘটনা ঘটে যায়। বেসিক্যালি প্রথমে
- 6:25জয়পুরেই সবাইকে খুন করার পরিকল্পনা ছিল
- 6:27আরশাদের। একদিন রাতে বাইরে থেকে আনা
- 6:30খাবারের সাথে ঘুমের ওষুধ মিশিয়ে খাইয়ে
- 6:32দিয়েছিল সবাইকে। কিন্তু সেখানে ভুলটা
- 6:34হয়ে যায় ওষুধের ডোজ ছিল কম। তাই পরের
- 6:37দিন সবাইকে স্বাভাবিকভাবে ঘুম থেকে উঠতে
- 6:39দেখে বেশ ক্ষুদ্র হয়েছিল আশ্শাদ। কিন্তু
- 6:41আশাদ তখনো থামেনি। মা বোনদের কিছু বুঝতে
- 6:44না দিয়েই সবাইকে নিয়ে লখনৌ এর উদ্দেশ্যে
- 6:47বেরিয়ে
- 6:48পড়ে। সেদিন লখনৌ পৌঁছাতে পৌঁছাতে অনেকটা
- 6:52রাত হয়ে গেছিল। তাই কোন হোটেল পায়নি
- 6:54ওরা। সেজন্য রাতটুকু কোনমতে বাস
- 6:56স্ট্যান্ডে কাটিয়ে পরের দিন 30শে
- 6:58ডিসেম্বর তারা গিয়ে ওঠে নাকার সরঞ্জিত
- 7:01নামে একটা হোটেলে। সাত জনের জন্য একটাই
- 7:03রুম বুক করে আরশাদের বাবা। তার পরের দুদিন
- 7:05সপরিবারে লাখনাওের সমস্ত টুরিস্ট স্পটগুলো
- 7:08ঘুরে বেড়ায়। ঘুরতে ঘুরতে একসাথে ছবিও
- 7:10তুলে খাওয়া-দাওয়াও করে। সেই সময় ওদেরকে
- 7:13দেখলে কেউ আন্দাজও করতে পারতো না আগামী
- 7:15কয়েক ঘন্টার মধ্যেই কি ভয়ঙ্কর অবস্থা
- 7:18হতে চলেছে ওদের।
- 7:20তারপরেই আসে সেই অভিশপ্ত রাত। 31শে
- 7:23ডিসেম্বর 2024 ঘড়িতে তখন রাত 10 টা বাজে।
- 7:27সবাই যেমন নিউ ইয়ার সেলিব্রেট করে তেমনি
- 7:29ওরাও ডিসাইড করে নিউ ইয়ার সেলিব্রেট
- 7:31করবে। এবং কথামতো আরশাদ এবং ওর বাবা
- 7:34বেরিয়ে যায় খাবার দাবার নিয়ে আসতে।
- 7:36বেরিয়ে যাওয়ার প্রায় 45 মিনিট পরে
- 7:38কয়েকটি খাবারের প্যাকেট আর তিনটে মদের
- 7:40বোতল নিয়ে আবার দুজনেই একসাথে ফিরে আসে
- 7:43হোটেল রুমে। এবার আরশাদের মা এবং বোনেরা
- 7:45এর আগে কোনদিন মদ খায়নি। তাই
- 7:47প্রাথমিকভাবে ওরা আপত্তি করে। কিন্তু আশাদ
- 7:50এক প্রকার জোর করেই তাদেরকে রাজি করায় মদ
- 7:52খাওয়ার জন্য। তারপর সবাই মিলে শুরু করে
- 7:54পার্টি। বেশ অনেকক্ষণ ধরেই পার্টি চলার পর
- 7:57একটু রাতের দিকে সবাই খাওয়া-দাওয়া করে
- 7:59ঘুমিয়ে পড়ে। আর ঠিক এই সময়টারই অপেক্ষা
- 8:01করছিল আরশাদ এবং ওর বাবা
- 8:05বদরুদ্দিন। ঘড়িতে তখন রাত দুটো বাজে।
- 8:08আরশাদের মা আর চার বোন তখন গভীর ঘুমে
- 8:11আচ্ছন্ন। তার উপর মদের নেশায় কারো হুশ
- 8:14নেই বললেই চলে। আর ঠিক তখনই আরশাদের বাবা
- 8:17বদরুদ্দিন প্রথমে তার স্ত্রী আসমার কাছে
- 8:20যায় এবং তারই ওড়না দিয়ে তার গলাকে ধরে
- 8:23সাথে সাথে ছটফট করতে শুরু করে আসমা এবং
- 8:25তখন আরশাদ গিয়ে চেপে ধরে তার মায়ের পা
- 8:28নেশাতুর অবস্থায় বেশিক্ষণ বাধা দিতে
- 8:30পারেনি আসমাত্র কিছুক্ষণের মধ্যেই ঢলে
- 8:33পড়ে মৃত্যুর কোলে এদিকে চার বোনেরও সেইম
- 8:35অবস্থা তাই গুণাক্ষরেও টের পায়নি কিছু
- 8:38এরপরে আরশাদ এবং ওর বাবা এক এক করে একটা
- 8:41সার্জিক্যাল ব্লেড দিয়ে প্রথমে আলিসফা
- 8:43এবং তারপর রেহেমিন এবং আকসার গলা এবং
- 8:46হাতের শিরা হত্যা করে
- 8:49তিনজনকে। এবং সবশেষে সবথেকে ছোট বোন যার
- 8:52বয়স ছিল মাত্র নয় বছর। তাকেও হাতের শিরা
- 8:55হত্যার চেষ্টা করে আরশাদ। চেষ্টা বললাম
- 8:57কারণ ও মারতে পারেনি। ও মারতে যাবে ঠিক
- 9:00তখনই ছেলের হাত থেকে ব্লেডটা নিয়ে সোজা
- 9:02বসিয়ে দেয় ছোট্ট মেয়েটির ঘাট। সাথে
- 9:04সাথে অবশিষ্ট প্রাণটুকুও বেরিয়ে যায় ওই
- 9:07ন বছরের ক্ষুদে আলিয়ার। এবং এইভাবে
- 9:09সবাইকে একে একে খুন করার পর আরশাদ নিজের
- 9:12মোবাইলে ক্যামেরা অন করে একটা ভিডিও করে।
- 9:14যে ভিডিওর কথা একদম শুরুতেই বলেছি।
- 9:16ভিডিওটা আপলোড করার পর নিজের ফোন সুইচ অফ
- 9:19করে আরশাদ তখনই সেখান থেকে পালিয়ে যায়।
- 9:21সাথে আরশাদের বাবাও কিন্তু দুজন একসাথে
- 9:24যায়নি। গেছে আলাদা আলাদা দিকে। ততক্ষণে
- 9:26লাখনউ পুলিশের কাছে ভিডিওটা পৌঁছে গেছে।
- 9:28পুলিশ তন্নতন্ন করে খুঁজতে শুরু করেছে
- 9:30আরশাদকে। কিন্তু সেই রাতে আর তাকে কোথাও
- 9:33খুঁজে পাওয়া যায়নি। পরের দিন মানে
- 9:36ফারস্ট জানুয়ারি দুপুর একটার দিকে। আরশাদ
- 9:39খুব ক্যাজুয়ালি হেঁটে হেঁটে পুলিশ
- 9:41স্টেশনে এসে উপস্থিত হয় এবং ভেতরে ঢুকে
- 9:43সামনে বসে থাকা পুলিশ অফিসারকে জানায় তার
- 9:45নাম মোহাম্মদ আরশাদ সে তার মা এবং চার
- 9:48বোনকে লাখনউের সরঞ্জিত হোটেলের একটা রুমে
- 9:51হত্যা করেছে আরশাদের জামা কাপড়ে তখনো
- 9:54লেগে থাকা রক্তের দাগ দেখে পুলিশও রীতিমতো
- 9:56থমকে যায় এবং সাথে সাথে আরশাদকে গ্রেফতার
- 9:59করে শুরু করে তদন্ত তদন্ত চলাকালীন আরশাদ
- 10:02বারবার নিজের বক্তব্য বদলাতে থাকে এবং
- 10:04একটা সময় পুলিশের যেরার চাপে সবটা নিজের
- 10:07মুখেই স্বীকার করে। কিন্তু পুলিশের সামনে
- 10:09এখনো দুটো বড় প্রশ্ন। প্রথমত আরশাদের
- 10:13বাবা মোহাম্মদ বদরুদ্দিন এখন কোথায়? এবং
- 10:15দ্বিতীয়ত এই নিঃশংস হত্যার পেছনে আসলে
- 10:19মোটিভটা কি
- 10:20ছিল? এই ব্যাপারে যখন পুলিশ আরশাদকে
- 10:23জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে সে জানায় সেদিন ওই
- 10:26ঘটনার পর আরশাদ এবং ওর বাবা দুজনেরই
- 10:29সুইসাইড করার প্ল্যান ছিল। এবং সেই কথামত
- 10:31আরশাদ ওর বাবাকে লখনৌ রেলওয়ে স্টেশনে
- 10:34ছেড়ে দিয়ে আসে। আর এই কথা শোনা মাত্রই
- 10:36পুলিশ সাথে সাথে খোঁজ করতে শুরু করে
- 10:38আরশাদের বাবা কিন্তু বদরুদ্দিনকে কোথাও
- 10:41খুঁজে পাওয়া যায় না পরে বাধ্য হয়ে
- 10:43বিভিন্ন জায়গায় বদরুদ্দিনের ছবি দিয়ে
- 10:4525 হাজার টাকা পুরস্কার ঘোষণা করে লখনৌ
- 10:48পুলিশ এবং এই নিঃৃশংস ঘটনার 26 দিন পর
- 10:51মানে 27শে জানুয়ারি 2024 একটা চায়ের
- 10:54দোকান থেকে হনুমান টুপি পড়ে থাকা একজন
- 10:57সন্দেহভাজন লোককে গ্রেফতার করলেন লাখনৌ
- 10:59পুলিশ এবং তার কাছে তার পরিচয় জানতে চায়
- 11:02ইনিই ছিলেন মোহাম্মদ বদরুদ্দিন যে হনুমান
- 11:05টুপি পড়ে গত 26 দিন ধরে পুলিশের চোখে
- 11:08ধুলো দিয়ে
- 11:09বেড়াচ্ছিল। এইবার যে প্রশ্নটা বাকি থেকে
- 11:12যায় সেটা হচ্ছে মোটিফ। কি মোটিভ থাকতে
- 11:15পারে এরকম নিঃশংসতার?
- 11:19আগে যখন পুলিশ আরশাদকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছিল
- 11:22আরশাদ অনেক কিছুই বলেছে। যেমন ওর
- 11:24প্রতিবেশীরা নাকি ওর বোনেদেরকে তুলে নিয়ে
- 11:26যাবে বলে হুমকি দিয়েছে। আরশাদের কথায়
- 11:28কোর্ট আনকোট তাদেরকে বিক্রি করে দেবে এই
- 11:30ধরনের হুমকি দিয়েছে। সেই কারণে আশাদ নাকি
- 11:33নিজের ধর্মও পরিবর্তন করতে চেয়েছিল।
- 11:35কিন্তু সেটা পারেনি। আর তাই প্রতিবেশীদের
- 11:38হাত থেকে বাঁচানোর জন্য নাকি খুনগুলো
- 11:40করেছে। কিন্তু মোহাম্মদ বদরুদ্দিন এবার
- 11:42পুলিশকে সবটা খুলে বলে। আসলে আগ্রার
- 11:44প্রতিবেশীদের সাথে হামেশাই ঝামেলা লেগে
- 11:46থাকতো আর সাদদের। মাঝে মাঝে অপমানিত হতে
- 11:48হতো আরশাদ এবং ওর বাবাকে। তাই সেই অপমানের
- 11:51বদলা নেওয়ার জন্য নিজের চার মেয়ে এবং
- 11:54স্ত্রী আসমাকে খুব করে পুরো দায় চাপিয়ে
- 11:56দিতে চেয়েছিল প্রতিবেশীদের ঘাড়ে। ভাবতে
- 11:59পারছেন প্রতিশোধের কি আগুন? কিন্তু এখানেও
- 12:02একটা প্রশ্ন থেকেই যায়। প্রতিবেশীদের
- 12:04উপরেই যদি দায় দেওয়ার ছিল তাহলে আগ্রা
- 12:07থেকে 350 কিলোমিটার দূরে লখনৌ নিয়ে গেল
- 12:10কেন? সেই বিষয়টা কিন্তু এখনো পরিষ্কার
- 12:13নয়। আর এই কারণে অনেকেই মনে করেন
- 12:15মোহাম্মদ বদরুদ্দিন আসলে একজন সাইকোপ্যাট।
- 12:17তার মানসিক ভারসাম্য ঠিক নেই। আর ছেলে
- 12:20আসাদও হয়েছে একদম তারই মতো। কিন্তু এই
- 12:22ব্যাপারে এখনো কিছু স্পষ্ট বলা যায় না।
- 12:25কারণ এই কেসটা এখনো চলছে লখনও আদালতে।
- 12:28এবার এটাই দেখার আদালত কি বিচার করে। আমি
- 12:32যখন প্রথমে এই কেসটার ব্যাপারে জানতে
- 12:34পেরেছিলাম আমার একটা উর্দু পোয়েট্রির কথা
- 12:36বারবার মনে হচ্ছিল। পোয়েট লিখেছিলেন কন
- 12:40বাচায়েগা ফির তোরনেস। কন বাচায়েগা ফির
- 12:44তোরনেওয়ালো সে ফুল আগার শাখস ধোকা খাতে হে
- 12:48মানে যদি একটা গাছের শাখাই তার ফুলকে ধোকা
- 12:50দেয় তাহলে যারা ফুল ছিড়তে আসে তাদের থেকে
- 12:54বাঁচাবে কে অদ্ভুত তাই না আমরা আমাদের
- 12:58পরিবারের কাছে সবথেকে বেশি সেফ এন্ড
- 13:00সিকিউর ফিল করি কিন্তু সেই পরিবারই যদি
- 13:02কারো কাছে ইনসিকিউরিটির কারণ হয়
- 13:06তাহলে তবে এই কেসটা থেকে আমরা একটা জিনিস
- 13:10অবশ্যই শিখতে পারি আমাদের পরিবার পরিবার
- 13:12এবং আশেপাশের পরিবেশ আমাদের জীবনে একটা
- 13:14বিরাট বড় ভূমিকা পালন করে। আমাদের সমস্ত
- 13:17রকম চারিত্রিক বৈশিষ্ট্যগুলো আসলে ওখান
- 13:20থেকেই তৈরি হয়। কে বলতে পারে যদি আশা তার
- 13:23বাবাকে ছোটবেলা থেকেই তার মায়ের উপর এরকম
- 13:25অত্যাক্র করতে না দেখতো তাহলে হয়তো আজকের
- 13:27গল্পটা অন্যরকম হতে পারতো। যাই হোক যা
- 13:30হবার তা হয়ে গেছে। এবার শুধু অপেক্ষা
- 13:33বিচারের। ততক্ষণ অব্ধ সবাই ভালো থাকবেন,
- 13:36সুস্থ থাকবেন এবং অবশ্যই সাবধানে থাকবেন।
- 13:39দেখা হচ্ছে পরের ভিডিওতে। এরকমই কোন সত্য
- 13:41ঘটনা নেই।
About this transcript
This page contains the full transcript of মা এবং চার বোনকে খু*নের ভিডিও | Lucknaw Hotel Mu*rder Case | Documentary by Apurba by Apurba Das, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 2,057 words across 317 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.
What you can do with it
Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.
Free YouTube transcript tool
YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.