১ ক্লাসেই আদর্শ গ্যাস ১০০% কমপ্লিট | Ideal Gas One Shot | HSC 27 Physics 1st Paper | Mashrur Bhai — Transcript
Full transcript
- 0:00আসসালামু আলাইকুম সবাইকে। ফিজিক্স ফাস্ট
- 0:02পেপারের চ্যাপ্টার টেন আদর্শ গ্যাস এবং
- 0:04গ্যাসের গতিতত্ত্ব এ অধ্যায়ের ঝালাই
- 0:06ক্লাসে সবাইকে স্বাগতম জানাচ্ছি। তোমরা
- 0:08যদি বিগত বছরের প্রশ্ন একটু এনালাইসিস করো
- 0:10দেখবা এ অধ্যায় থেকে একটা করে সিকিউ
- 0:12কিন্তু মাস্ট আসে। আর এমসিকিউ এই অধ্যায়
- 0:14থেকে তিনটা কি পাঁচটা মতন তুমি এক্সপেক্ট
- 0:17করতে পারো। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন
- 0:19বোর্ডে কিন্তু এই অধ্যায় থেকে চারটা করে
- 0:21এমসিকিউ আসছে। তো আমরা আজকের ক্লাসে
- 0:23ইনশাল্লাহ এমনভাবে প্রত্যেকটা টপিক আলোচনা
- 0:25করব যাতে করে যত টাইপের সিকিউ এমসিকিউ
- 0:28পরীক্ষায় আসার মতন আছে সবগুলো টাইপ কাভার
- 0:31হয়ে যায়। এবং যারা আগে এই অধ্যায়টা
- 0:33একবার করছো তোমরা আজকের ক্লাসটা একটা
- 0:35পারফেক্ট রিভিশনের জন্য দেখতে পারো। আর
- 0:37যারা আগে কখনো এই অধ্যায়টা করো নাই।
- 0:39তোমাদের সামনেই পরীক্ষা। খুব অল্প সময়ে এ
- 0:42অধ্যায়টা কি কি আছে কি কি কনসেপ্টগুলো
- 0:45পড়লে পরীক্ষায় এানসার করতে পারবা সেগুলো
- 0:47দেখার জন্যও এই ক্লাসটা দেখতে পারো। তো এই
- 0:51অধ্যায়টা কিন্তু খুবই সহজও। তোমরা যদি
- 0:53মোটামুটি শুরুর দিকে টপিকগুলো দেখো দেখবা
- 0:56যে বয়েলের সূত্র, চার্লসের সূত্র,
- 0:57এভোগেড্রো সূত্র, পিভি সমান এনারটি এই
- 1:00রিলেটেড টপিকগুলো আছে। তো এগুলা কিন্তু
- 1:01তোমরা কেমিস্ট্রিতে অলরেডি পড়ছো। আর
- 1:04অধ্যায়ের পরের দিকের যে অংশগুলো আছে
- 1:06সেইগুলাও কিন্তু আসলে খুবই সহজ। তো এই
- 1:08অধ্যায়টা যারা চিন্তা করো যে ভাই এই
- 1:10অধ্যায়টা বাদ দিয়ে তারপর পরীক্ষার হলে
- 1:12যাব খবরদার এটা চিন্তাও করবা না সেটা
- 1:14তোমার যদি কলেজের পরীক্ষা হয় কলেজের
- 1:16পরীক্ষায় খুব অল্প কয়েকটা চ্যাপ্টার
- 1:17নিয়েও যদি পরীক্ষা হয় তুমি দেখবা এই
- 1:20অধ্যায়টা যদি থাকে এখান থেকে মাস্ট
- 1:22প্রশ্ন থাকবেই তো চলো দেরি না করে আমরা
- 1:24শুরু করি সবার আগে আমরা আজকের এই ক্লাসে
- 1:28আমাদের এই অধ্যায়ের মানে মূলত যে টাইপের
- 1:32রাশিগুলো জানা দরকার সেই রাশিগুলো
- 1:34সম্পর্কে আগে আমরা একটু আলোচনা করে নিব
- 1:36সেই রাশিগুলার বিভিন্ন একক যেগুললা আমাদের
- 1:38ম্যাথ করতে গেলে কাজে লাগবে সেই এককের
- 1:41কনভার্শনগুলো আমরা একটু দেখে ফেলবো।
- 1:42এগুললা পরীক্ষার জন্য খুবই খুবই
- 1:44গুরুত্বপূর্ণ এবং এই যতগুলো কথা লেখা
- 1:46থাকবে স্লাইডের মধ্যে প্রত্যেকটা ইনফরমেশন
- 1:49কিন্তু এমসিকিউ এর জন্য খুবই খুবই
- 1:51গুরুত্বপূর্ণ। কোন জিনিস বাড়তি লেখা নাই।
- 1:53প্রত্যেকটা কথা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ। তাই
- 1:55যেইটুকুতে
- 1:56আমি লেখা আছে যেটুকু লেখা আছে স্লাইডের
- 1:59মধ্যে বা যতটুকু লিখবো যতটুকু দাগাবো
- 2:02এগুলা কিন্তু খুব মনোযোগ দিয়ে খেয়াল
- 2:04করবা। নোট করতে পারো অথবা মাথায় রাখবা
- 2:08ঠিক আছে চলো তাহলে আমরা শুরু করি সো
- 2:10আমাদের প্রথমে দেখো গ্যাসের চাপ বলতে আমরা
- 2:13কি বুঝি আমরা জানি গ্যাসের যে অণুগুলা
- 2:15তারা সবসময় কিন্তু ছোটাছুটি করছে সো
- 2:17আমাদের কোন একটা পাত্রের মধ্যে যখন কিছু
- 2:19পরিমাণ গ্যাস রাখা হবে তখন ওই গ্যাসের
- 2:22অণুগুলা যেহেতু সবসময় তারা ছোটাছুটি করছে
- 2:24পাত্রের দেওয়ালেও কিন্তু তারা ধাক্কা
- 2:26দিবে তো এই পাত্রের দেওয়ালে ও গ্যাসের
- 2:29অণুগুলার ধাক্কার ফলে পাত্রের দেওয়ালে
- 2:31একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে প্রযুক্ত যে বলটা
- 2:33সেটাই কিন্তু গ্যাস গ্যাসের চাপ। আমরা এই
- 2:36চাপ সংক্রান্ত যেই সমস্ত এককগুলা আছে
- 2:40সেইগুলা একটু দেখে রাখো। চাপের যে এককগুলা
- 2:42আছে দেখো। 1 এটিএম এটা হচ্ছে আমাদের
- 2:46প্রমাণ চাপ। 1 এটিএম। তারপরে 101325 নিউটন
- 2:49পার মিটার স্কয়ার। বা এটা অনেক সময়
- 2:52দেখবা। নিউটন পার মিটার না দিয়ে
- 2:53প্যাস্কেল লেখা থাকতে পারে। অথবা এই
- 2:55101325 এটাকে কিন্তু 1.01 দিয়ে 10 টু দি
- 2:59পাওয়ার 5 গুণ দিয়ে থাকতে পারে। অথবা
- 3:01101.325 কিলো প্যাস্কেল আকারে থাকতে পারে।
- 3:03অথবা 10 টু দি পাওয়ার ফাইভ প্যাসকেল
- 3:05এভাবেও কিন্তু থাকতে পারে পরীক্ষার মধ্যে
- 3:07শুধু 10 টু দি পাওয়ার ফাইভ প্যাসকেল
- 3:09এভাবেও দেওয়া থাকতে পারে। তো এটা খেয়াল
- 3:11রেখো আমরা এক এটিএম কে যদি মিলিমিটার পারদ
- 3:14চাপে কনভার্ট করতে চাই তাহলে জানি এক
- 3:15এটিএম সমান 760 মিলিমিটার পারদ চাপ। অথবা
- 3:18এটাকে কনভার্ট করলে আসে 760 মিলিমিটার কে
- 3:20কনভার্ট করলে 76 সেন্টিমিটার পারদ চাপ।
- 3:22অর্থাৎ 76 সেন্টিমিটার একটা পারদের স্তম্ভ
- 3:25সেটা তলদেশে যে পরিমাণ চাপ দেয় সেইটাই
- 3:28কিন্তু আমাদের এই 76 সেন্টিমিটার পারদ
- 3:31চাপের সমান। ঠিক আছে? 760 টর এবং এক বার
- 3:35এই দুইটাই কিন্তু আমাদের এক এটিএম এর
- 3:39সমান। কিন্তু টর এবং বার এই দুইটা একক
- 3:41কিন্তু খুব একটা পরীক্ষায় আসে না। তবুও
- 3:43জেনে রাখো এগুলো অবজেক্টিভের জন্য কিন্তু
- 3:45ইম্পর্টেন্ট। পরীক্ষায় ক নাম্বার প্রশ্নের
- 3:47জন্য এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। প্রমাণচাপ। ক
- 3:49নাম্বার প্রশ্ন জ্ঞানমূলক প্রশ্নের জন্য
- 3:51কিন্তু এটা আসে। প্রমাণচাপ কাকে বলে বা
- 3:53প্রমাণচাপ বলতে কি বোঝো? সো এখানে যে
- 3:55ইনফরমেশনগুলো দেওয়া আছে এগুলো কিন্তু
- 3:57মাস্ট ক নাম্বার প্রশ্নে আসলে এই দুইটা
- 3:59তথ্য থাকতে হবে। সমুদ্রপৃষ্ঠে 45 ডিগ্রি
- 4:02অক্ষাংশে 273.15
- 4:04কেলভিন তাপমাত্রায় উলম্বভাবে অবস্থিত 760
- 4:07মিলিমিটার উচ্চতা বিশিষ্ট শুষ্ক এবং
- 4:09বিশুদ্ধ পারদের স্তম্ভ যে চাপ দেয় তাকে
- 4:13প্রমাণচাপ বলে। এই প্রমাণ চাপের মান কত?
- 4:15760 মিলিমিটার পারদ স্তম্ভ চাপ বা এটাকে
- 4:18অটমোসফেরিক প্রেসারে কনভার্ট করলেও এটিএম।
- 4:20ঠিক আছে? গেল। এটা গেল হচ্ছে চাপ। এবার
- 4:23আসো আমরা দেখে নেই গ্যাসের আয়তন। ভাইয়া
- 4:25গ্যাসের আয়তন বলতে আমরা কি বুঝি?
- 4:26গ্যাসটাকে তুমি যে পাত্রের মধ্যে রাখবা
- 4:28সেই পাত্রের আয়তনটাই কিন্তু গ্যাসের
- 4:31আয়তনের সমান হয়। তুমি একটা নির্দিষ্ট
- 4:32পরিমাণ গ্যাসকে যদি একটা বড় পাত্রে রাখো
- 4:34তাহলে সেই গ্যাসের আয়তন বড় হবে বেশি
- 4:36হবে। আর যদি একটা ছোট পাত্রের মধ্যে রাখো
- 4:39তাহলে ওই নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাসকে ছোট
- 4:41একটা পাত্রের মধ্যে ঢুকালে গ্যাসের আয়তন
- 4:43কিন্তু কমে যাবে। তো গ্যাসের আয়তন কিন্তু
- 4:45সল্ললি ডিপেন্ড করে কিসের উপরে? পাত্রের
- 4:46আয়তনের উপরে ডিপেন্ড করে। ঠিক আছে? এখন
- 4:49আসো আমাদের। আয়তনের যে কনভারসন গুলা
- 4:52এগুলা সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ
- 4:54পরীক্ষার মধ্যে অনেক সময় দেখবা যে এসআই
- 4:57এককে দেওয়া নাই। এসআই এককে কনভার্ট করা
- 4:58লাগতেছে। মিটার কিউবে দেওয়া আছে লিটারে
- 5:00কনভার্ট করা লাগছে বা লিটারে দেওয়া আছে।
- 5:02মিটার কিউবে কনভার্ট করতে হচ্ছে। এইগুলা
- 5:04একটু জেনে রেখো। সো আমি সরাসরি একবারে
- 5:06কনভার্শন না দেখা একটু ভেঙ্গে ভেঙ্গে
- 5:07দেখাইছি এখানে যে একদম বেসিকটা কোত থেকে
- 5:09আসছে। 1 মিটার কিউব মানে কত? এক মিটার গু
- 5:11মিটার গু এক মিটার এভাবে চিন্তা করা যায়।
- 5:13তাহলে এক মিটার মানে কত? 100 সেন্টিমিটার।
- 5:15100 সেন্টিমিটার 100 সেন্টিমিটার। একসাথে
- 5:17গুণ দিলে 1 মিটার কিউব সমান সমান 10 টু দি
- 5:19পাওয়ার সক্স সেন্টিমিটার কিউব। তাহলে এক
- 5:21সেন্টিমিটার কিউব মানে কত? 10 মাইনাস সক্স
- 5:22মিটার কিউব। এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই
- 5:24লাইনটা মাথায় রাখলেই হচ্ছে। অন্যদিকে দেখো
- 5:27এক সেন্টিমিটার কিউব মানে এক মিলিলিটার।
- 5:28এটা কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন। মাথায়
- 5:30রেখো। আবার দেখো এক মিটার কিউব কে যদি
- 5:33ভাঙ্গাও তাহলে দেখো 10 টু দি পাওয়ার থ্র
- 5:35ডেসিমিটার কিউব। এইযে এক মিটার মানে 10
- 5:37ডেসিমিটার। তাইতো? তাহলে এক মিটার কিউব
- 5:39সমান সমান হচ্ছে 10 টু দি পাওয়ার থ্র
- 5:41লিটার। এক লিটার মানে 10 টু দি পাওয়ার
- 5:42মাইনাসথ মিটার কিউব। এটা কিন্তু খুবই খুবই
- 5:45গুরুত্বপূর্ণ। ঠিক আছে? এই ইনফরমেশন মাথায়
- 5:48রাখতে হবে। এটা সরাসরি কিন্তু ম্যাথ করতে
- 5:50গেলে কাজে লাগবে। ডান। এখন আসো একটা ছোট্ট
- 5:53তথ্য একটু তোমাদের সাথে শেয়ার করে রাখি।
- 5:55সেটা হচ্ছে মনে করো আমাদের এখানে একটা
- 5:57নির্দিষ্ট পরিমাণ পাত্র সরি একটা
- 6:00নির্দিষ্ট আয়তনের পাত্র আছে। এই পাত্রের
- 6:02মধ্যে আমাদের নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাস আছে।
- 6:04ঠিক আছে? এখন আমি কি করলাম? বলতো যদি এই
- 6:09পাত্রের আয়তন ভি হয়। এখন দেখা গেল আমরা
- 6:12কি করলাম? এইখান থেকে মনে করো। একটা ফোটা
- 6:16করলাম। হ্যাঁ। ফুটালে ফোটা করার পরে পাইপ
- 6:18দিয়ে মনে করো কিছু পরিমাণ গ্যাসকে আমরা
- 6:20এখান থেকে সাকশন পাইপ দিয়ে টেনে বের করে
- 6:21নিছি। এখান থেকে কিছু পরিমাণ গ্যাসকে টেনে
- 6:24বের করে নিছি। বের করে আবার আমরা এটাকে
- 6:26বদ্ধ আটকায় দিছি। বন্ধ করে দিছি। এটাকে
- 6:29আবার বন্ধ করে দিছি। সো যদি এরকম হয় যে
- 6:32কিছু পরিমাণ গ্যাসের কণা বের হয়ে গেছে।
- 6:34তারপর আমি এটা সিল মেরে দিছি। আটকায়
- 6:35দিছি। তাহলে কি ভাইয়া গ্যাসের আয়তনের
- 6:38কোন পরিবর্তন হবে? পাত্রের ভিতরে যতটুকু
- 6:40গ্যাস ছিল গ্যাসের আয়তনের কি কোন
- 6:41পরিবর্তন হবে? না। গ্যাসের পরিমাণ কমে
- 6:44যাবে। গ্যাসের এখানে যে ভর ছিল এখানে
- 6:46গ্যাসের ভর কমে যাবে কারণ অনেকগুলা
- 6:48গ্যাসের অণু কিন্তু বাইরে বের হয়ে গেছে
- 6:50কিন্তু গ্যাসের আয়তন এখানেও যা এখানেও
- 6:53কিন্তু গ্যাসের আয়তন এক্স্যাক্টলি তাই
- 6:54হবে সো এখানেও কিন্তু গ্যাসের আয়তন যদি
- 6:56ভি হয় এই পাত্রের এই পাত্রেরও কিন্তু
- 6:58গ্যাসের আয়তন কি হবে ভিই হবে ঠিক আছে এটা
- 7:02মাথায় রেখো তারপরে আসো গ্যাসের তাপমাত্রা
- 7:06সো গ্যাসের তাপমাত্রা বেশি হলে আসলে কি
- 7:08হয় গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়লে গ্যাসের
- 7:10অণুগুলার গতিশক্তি কিন্তু বৃদ্ধি পায়
- 7:12তাপমাত্রা যখন কমায় দিবা গ্যাস গতিশক্তি
- 7:15কিন্তু হ্রস পায়। সো গতিশক্তি কিন্তু
- 7:17তাপমাত্রার সাথে সরাসরি সম্পর্কযুক্ত। এই
- 7:19সম্পর্কিত সূত্রও আছে সেগুলো আমরা সামনে
- 7:21দেখবো। আবার দেখো আমরা ওই যে তাপমাত্রার
- 7:24যে স্কেলগুলো আছে সেই স্কেলগুলার
- 7:26পারস্পরিক যে কনভার্শন কনভার্শন তো আমরা
- 7:28অলরেডি জানি। একটু রিভাইজ করে নিও এখান
- 7:30থেকে। আমরা এখান থেকে দেখি যে সেলসিয়াস
- 7:32স্কেল এটা সি মানে সেলসিয়াস স্কেল। এফ
- 7:34মানে ফোরেনহাট স্কেলের পার্ট। কে মানে
- 7:35কেভিন স্কেলের পার্ট। পারস্পরিক যে
- 7:37রূপান্তরের সূত্র সেটা হচ্ছে এইটা ছিল।
- 7:39এবং আমাদের এইটা কি ছিল বলতো? এইটা ছিল
- 7:43হচ্ছে গিয়ে এইটা ছিল হচ্ছে গিয়ে আমাদের
- 7:46যদি মনে করো সেলসিয়াস স্কেলে কোন একটা
- 7:49বস্তুর তাপমাত্রা সেলসিয়াস স্কেলে পাঁচ
- 7:51একক বাড়লো তাহলে ফারেনহাইট স্কেলে কতটুকু
- 7:54বাড়বে বা কেলভিন স্কেলে কতটুকু বাড়বে সেই
- 7:56সম্পর্কিত সূত্র হচ্ছে এইটা ধর ফারেনহাইট
- 7:59স্কেলে বলে দিল বৃদ্ধি পাইছে 18 একক তাহলে
- 8:02সেলসিয়াস স্কেলে কতটুকু বৃদ্ধি পাইছে
- 8:04অর্থাৎ ডেলটা এফ দেওয়া আছে ডেলটা সি বের
- 8:07করতে বলছে বা ডেলটা কে যদি বের করতে বলে
- 8:08তাইলেও কিন্তু আমরা পারব অর্থাৎ এইটা
- 8:10হচ্ছে পরিবর্তনের রূপান্তরের সূত্র যে
- 8:13আমাদের সেলসিয়াসে পরিবর্তন এত সেলসিয়াস
- 8:15স্কেলে পাঠের পরিবর্তন এত ফারেনহাইটে
- 8:17পাঠের পরিবর্তন কত কেলভিনে পাঠের পরিবর্তন
- 8:19কত স এইটা হচ্ছে এই সূত্রটা আর এইটা কি যে
- 8:22কোন একটা বস্তুর তাপমাত্রা যদি ফারেনহাইট
- 8:24স্কেলে হয় ধর 180 180 ডিগ্রি ফারেনহাইট
- 8:27তাহলে সেলসিয়াস স্কেলে সেটার পাঠ কত সেটা
- 8:29আমরা এফ এর জায়গায় 180 বসাই সি এর মান
- 8:31বের করি এফ এর জায়গায় 180 বসাই কে এর
- 8:33মান বের করি সো এগুলা কিন্তু খুবই সহজ
- 8:35খুবই সিম্পল তাপমাত্রার কনভার্শন রিলেটেড
- 8:38প্রশ্ন সরাসরি এই অধ্যায়ে তুমি পাবা না
- 8:40এটা পাবা তাপ গতিবিদ্যা অধ্যায় কিন্তু
- 8:42অনেক সময় দেখা যায় আমাদের বেশিরভাগ সময়
- 8:44এই অধ্যায়ে যে কনভার্শনটা বেশি লাগে সেটা
- 8:46হচ্ছে এই যে সি আর হচ্ছে কেলভিন এর মধ্যে
- 8:48যে পরস্পরিক সম্পর্ক সেটা। সো আমরা এখান
- 8:50থেকে দেখতেই পারি যে সি আর কে এর মধ্যে যে
- 8:52সম্পর্ক সেটা কিন্তুযে সি সমান সমান কে
- 8:54মাইনাস 273 বা যদি আমি কেলভিন স্কেলে কোন
- 8:57একটা ভ্যালু কনভার্ট করতে চাই তাহলে
- 8:59সেলসিয়াস এর সাথে 273 যোগ করলেই কিন্তু
- 9:01হয়ে যাচ্ছে। এইটাই মূলত বেশি আসে এই
- 9:04অধ্যায়ে কনভার্শন করতে গেলে এটাই বেশি
- 9:06লাগবে। আর এই রিলেটেড যত টাইপের প্রশ্ন
- 9:08আছে ফারেনহাইট থেকে সেলসিয়াসে কনভার্ট
- 9:11সেলসিয়াস থেকে কেভিনে কনভার্ট এগুলো
- 9:12তোমরা তাপগতিবিদ্যা অধ্যায়ে পাও। এবার
- 9:15আসো আমরা প্রায়ই দেখবা পরম তাপমাত্রার
- 9:17স্কেল। পরম তাপমাত্রা নিয়ে অনেক
- 9:19কথাবার্তা বলি। পরম তাপমাত্রা আসলে মানেটা
- 9:21কি? পরম তাপমাত্রার স্কেল এটা এমন একটা
- 9:24স্কেল। দেখো কি বলছে এখানে? লোয়েস্ট
- 9:27পসিবল টেম্পারেচারকে শূন্য ধরে যেই
- 9:30স্কেলটা তৈরি করা হইছে। লোয়েস্ট পসিবল
- 9:33টেম্পারেচার মানে বুঝতে যে যার নিচে আর
- 9:34তাপমাত্রা যাওয়া সম্ভব না। লোয়েস্ট পসিবল
- 9:37টেম্পারেচারকে শূন্য ধরে যেই স্কেলগুলা
- 9:41থাকে সেগুলাকে আমরা বলি হচ্ছে যে স্কেলটা
- 9:44তৈরি করা হইছে সেই স্কেলগুলোকে আমরা
- 9:46বলতেছি পরম তাপমাত্রার স্কেল যেমন কি হইতে
- 9:48পারে কেলভিন স্কেল এবং রেনকিন স্কেল হ্যা
- 9:51মূলত কেলভিন স্কেলটাই সবাই জানে পরম
- 9:54তাপমাত্রার স্কেল কিন্তু রনকিন স্কেলটাও
- 9:56কিন্তু এই যে আমাদের কি বলে লোয়েস্ট পসিবল
- 9:58টেম্পারেচারকে শূন্য ধরেই কিন্তু রেনকিন
- 10:00স্কেলে গণনা করা হয় ঠিক আছে ওকে আমরা
- 10:05প্রমাণ তাপমাত্রা কি বলছে দেখো প্রমাণ
- 10:07তাপমাত্রা কাকে বলে যে তাপমাত্রায় প্রমাণ
- 10:10চাপে বরফ গলে পানিতে পরিণত হয় বা পানি
- 10:13জমে বরফে পরিণত হয় সেই তাপমাত্রাকে
- 10:15প্রমাণ তাপমাত্রা বলে সেলসিয়াস স্কেলে
- 10:17এটা হচ্ছে জির ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং
- 10:20কেলভিন স্কেলে এবং কেলভিন এককে সেটা হচ্ছে
- 10:24আমাদের কত 273 কেলভিন ঠিক আছে এটা হচ্ছে
- 10:27প্রমাণ তাপমাত্রা যেমন প্রমাণ চাপ আমরা
- 10:29দেখছিও এটিএম প্রমাণ তাপমাত্রা কত 273.15
- 10:33কেলভিন বা জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 10:35তাপমাত্রা। তো আমাদের এগুললা কিন্তু ক
- 10:37নাম্বার প্রশ্নের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এইটা
- 10:39কিন্তু ক নাম্বার প্রশ্নের জন্য
- 10:41গুরুত্বপূর্ণ। ওকে দেখো গ্যাসের ক্ষেত্রে
- 10:44তাপগতীয় স্থানাঙ্কগুলা কোনটা? প্রথম
- 10:46এমসিকিউ একটু খেয়াল করো খুবই সহজ।
- 10:48গ্যাসের ক্ষেত্রে আমাদের বলছে তাপগতীয়
- 10:50স্থানাঙ্কগুলা কোনটা? তো এখানে হলো আমরা
- 10:53যেগুলো যেগুলো একটু আগে পড়লাম পিভিটি চাপ
- 10:56তাপমাত্রা এবং আয়তন চাপ তাপমাত্রা এবং
- 10:59আয়তন এগুলাই হচ্ছে আমাদের গ্যাসের
- 11:01তাপগতীয় স্থানাঙ্ক ঠিক আছে পিভিটি ওযে
- 11:05পিভি সমান এনরটি এর মধ্যে দেখো পি আছে ভি
- 11:07আছে টি আছে ঠিক আছে ওকে এবার আসো পিভি
- 11:11সমান সমান এনরটি এইবার আসো আমরা এই
- 11:14অধ্যায়ের অন্যতম একটা গুরুত্বপূর্ণ
- 11:16ফর্মুলা পিভি সমান সমান এনরটি নিয়ে
- 11:17আলোচনা করি দেখো এই সূত্র কিন্তু তোমরা
- 11:20খুব ভালোভাবেই পারো একদম বাচ্চাকাল থেকে
- 11:22এই সূত্র দেখে আসতেছো। চল আমরা একটু ছোট
- 11:24করে এইটা নিয়ে আলোচনা করে ফেলি। সো পি
- 11:26হচ্ছে কি? পি হচ্ছে গ্যাসের চাপ। ভি হচ্ছে
- 11:29গ্যাসের আয়তন। এন হচ্ছে মোল সংখ্যা। টি
- 11:31হচ্ছে পরম তাপমাত্রা। খেয়াল করে ওটা
- 11:33কেলভিন এককে বসাইতে হবে। আর হচ্ছে কি? আর
- 11:36হল মোলার গ্যাস ধ্রুবক। আমরা এই মোলার
- 11:39গ্যাস ধ্রুবকের দুইটা মান আছে। দুইটা
- 11:41ভিন্ন ভিন্ন এককে দুইটা ভিন্ন ভিন্ন মান।
- 11:43একটা হচ্ছে 8.314 একটা হচ্ছে 0.0821
- 11:46কখন কোনটা বসাবো? সো যখন আমরা এই
- 11:50প্রেসারটা থাকবে প্রেসার থাকবে হচ্ছে
- 11:53আমাদের মানে যখন এসআই এককে থাকবে প্রেসার
- 11:55যখন প্রেসার যখন থাকবে প্যাসকেলে বা নিউটন
- 11:59পার মিটার স্কয়ারে এবং ভলিউম যখন থাকবে
- 12:01মিটার কিউবে তখন আমরা কিন্তু এই মানটা
- 12:05বসাবো আর এর এবং কখন আমরা এটা বসাবো যখন
- 12:07প্রেসারটা থাকবে হচ্ছে এটিএম এককে এবং
- 12:10ভলিউমটা থাকবে হচ্ছে আমাদের ধরো ইয়াতে
- 12:14লিটার এককে তখন কিন্তু আমরা এই 0.082 082
- 12:17ভ্যালুটা আর এর জায়গাতে বসাবো। আচ্ছা এখন
- 12:20দেখো পরীক্ষার মধ্যে সরাসরি বেশিরভাগ
- 12:22ম্যাথগুলোতে এন এর মানটা সরাসরি দেওয়া
- 12:23থাকে। যদি দেওয়া না থাকে অনেক সময় বলা
- 12:26থাকে একটা গ্যাসের মধ্যে এত সংখ্যক অণু
- 12:28আছে। তাহলে এটা এন দেওয়া। আমরা মূল
- 12:31সংখ্যা বের করতে চাইলে এটাকে এভোগেড্রো
- 12:33নাম্বার দিয়ে ভাগ করে কিন্তু মোল সংখ্যা
- 12:35বের করে ফেলতে পারবো। অথবা অনেক সময় বলে
- 12:37দেয় যে আমাদের কোন একটা বক্সের মধ্যে বা
- 12:39কোন একটা পাত্রের মধ্যে সাপোজ বলে দিছে 10
- 12:42গ্রাম অক্সিজেন আছে। একটা নির্দিষ্ট ভর
- 12:45বলা থাকে। তাহলে নির্দিষ্ট ভর যদি বলা
- 12:47থাকে তাহলে সেক্ষেত্রে কি করব? ভর বলা
- 12:49থাকলে ওই এমটা বসাবো। ডিভাইডেড বাই নিচে
- 12:52লিখবো হচ্ছে মোলার ম্যাস। ঠিক আছে? অর্থাৎ
- 12:54অক্সিজেনের জন্য এটার মান 32 নাইট্রোজেনের
- 12:56জন্য এটার মান 28। ঠিক আছে? এভাবে করে করে
- 12:58আমরা মোল সংখ্যা কত বের করে ফেলতে পারব।
- 13:01ডান। এখন আসো যেটা বলছিলাম এই পিভি সমান
- 13:04এনআরটির কিন্তু আরেকটা ভারিয়েশন আছে। আমরা
- 13:07যদি ঘনত্ব দিয়ে এটাকে প্রকাশ করি তাহলে কি
- 13:09লেখা যায়? দেখো। পিভি সমান সমান এন আরটি।
- 13:12আমরা এন কে কি লিখতে পারি বলতো? কত কত
- 13:15গ্রাম ভরের গ্যাস আছে ওই পাত্রের মধ্যে
- 13:17ডিভাইডেড বাই মোলার ম্যাস ওই গ্যাসের
- 13:19মোলার ম্যাস ইনটু আরটি আর এখানে হচ্ছে
- 13:22পিভি সো এখান থেকে আমরা কিন্তু দেখো পিএম
- 13:25কে যদি বাম দিকে নিয়ে আসি তাহলে স্মল এম
- 13:27ডিভাইডেড বাই ভি ই আরটি তো বলতো এইযে এম
- 13:30বাইভি ভাইয়া এই জিনিসটাকে আমরা কি বলতে
- 13:32পারি ভি মানে হচ্ছে ওই গ্যাসের আয়তন এম
- 13:35মানে হচ্ছে গ্যাসের ভর তাহলে ভর বাই আয়তন
- 13:38এটা কি হয়ে গেল এটা কি একক আয়তনে ভর
- 13:40হয়ে গেল না তাহলে গ্যাসের একক আয়তনে যেই
- 13:42ভর সেটাকে আমরা কি বলি কোন বস্তুর একক
- 13:44আয়তনে ভরকে কি বলে? ঘনত্ব বলে। তাহলে পিএম
- 13:46সমান সমান আমরা কিন্তু লিখতে পারি রো
- 13:48আরটি। তো ভাইয়া এটা খেয়াল রেখো এটাও
- 13:51কিন্তু আরেকটা সূত্র পিভি সমান এনআরটির
- 13:52মতন। পিএম সমান সমান রো আরটি। ঠিক আছে?
- 13:56আচ্ছা এখন আসো আমরা যখন ম্যাথ প্রবলেম সলভ
- 13:58করবো তখন আসলে আমাদের দেখা যাবে।
- 14:02এই সূত্রটারই কয়েকটা ডিরাইভ ফর্মুলা আমরা
- 14:05ইউজ করব। যেমন দেখো পিভি সমান সমান
- 14:08এনআরটি। তাই না? তো এখানে বলতো আর যেহেতু
- 14:13কনস্ট্যান্ট তাইলে কি লেখা যায়? পিভি
- 14:15ডিভাইডেড বাই এনটি লেখা যায় এটা। এখন
- 14:19দেখো আর যেহেতু কনস্ট্যান্ট আমরা যদি
- 14:20এভাবে চিন্তা করি মনে করো আমার কাছে
- 14:22শুরুতে কিছু সংখ্যক একটা পাত্রের মধ্যে
- 14:25কিছু পরিমাণ গ্যাস ছিল। কতটুকু গ্যাস ছিল?
- 14:27এন ওয়ান পরিমাণ গ্যাস ছিল। তাদের
- 14:29তাপমাত্রা ছিল টি ওয়ান। গ্যাসের ভলিউম
- 14:31হচ্ছে ভি ওয়ান এবং এখানে চাপ ছিল পি
- 14:33ওয়ান। এরপরে আমরা কি করলাম? ধরো আমরা এই
- 14:36পাত্রটাকে বড় করলাম। বা যেকোনো ভাবে হোক
- 14:38এটার আয়তন বৃদ্ধি করলাম। এবং এর মধ্যে
- 14:40কিছু পরিমাণ আমরা গ্যাস প্রবেশ করাইছি। সো
- 14:43প্রবেশ করালে দেখা গেল এটার আমাদের ইয়া
- 14:45হয়ে গেল এনটু। এর মধ্যে গ্যাসের পরিমাণ
- 14:48হয়ে গেল এনটু। এর তাপমাত্রা এখন হয়ে গেল
- 14:50টি টু। এর ভলিউম হয়ে গেল ভিটু এবং নতুন
- 14:52প্রেসার হয়ে গেল পিটু। তাহলে কিন্তু দেখো
- 14:55দুইটা ক্ষেত্রের জন্যই তুমি যদি পিভি সমান
- 14:57এনার্টি সূত্র লেখো P1 ভি ওয়ান সমান সমান
- 14:59এনওয়ান আরটি ওয়ান। আবার এটার জন্যও কিন্তু
- 15:02লেখা যাবে পিটুভিটু সমান সমান এনটু
- 15:05আরটিটু। সো দুইটা ক্ষেত্রেই কিন্তু আর এর
- 15:07মানটা থাকবে কনস্ট্যান্ট। তাহলে আমরা এখান
- 15:09থেকে কিন্তু লিখতেই পারি যে পি ওয়ান ভি
- 15:11ওয়ান ডিভাইডেড বাই এন ওয়ান টি ওয়ান এন
- 15:14ওয়ান টি ওয়ান ইজ ইকুয়ালস টু পি টু ভি টু
- 15:16ডিভাইডেড বাই এন টু টিটু ঠিক আছে
- 15:19এক্ষেত্রে কিন্তু আমরা লিখতেই পারবো কারণ
- 15:21আমাদের আর এর মানটা তো দুইটা ক্ষেত্রের
- 15:23জন্যই কি আছে ফিক্সড অবস্থাতেই আছে এখন
- 15:26কথা হচ্ছে যেমন আমরা এখানে দেখো একই
- 15:29পাত্রের মধ্যে কিছু পরিমাণ গ্যাসকে
- 15:30ঢুকালাম পাত্রের আয়তন বেড়ে গেল
- 15:32তাপমাত্রা বাড়লো চাপ বাড়লো এই ক্ষেত্রে
- 15:34যেমন আমরা এই সূত্র এপ্লাই করতে পারছি ঠিক
- 15:36তেমনি যদি এরকমও কখনো কন্ডিশন থাকে যে
- 15:39সাপোজ আমাদের এখানে একটা ভিন্ন এখানে একটা
- 15:42পাত্র আছে এই পাত্র হচ্ছে এ পাত্র আর পাশে
- 15:44আরেকটা পাত্র আছে এই পাত্র হচ্ছে বি পাত্র
- 15:47এখানে আমি মনে করলাম কোন একটা নির্দিষ্ট
- 15:48গ্যাসের সাপোজ কোন একটা নির্দিষ্ট গ্যাসের
- 15:51এখানে হচ্ছে এন ওয়ান মোল গ্যাস আছে তার
- 15:54তাপমাত্রা আছে টি ওয়ান এ তার প্রেসার আছে
- 15:56পি ওয়ান এ ভলিউম হচ্ছে ভি ওয়ান আর বি
- 15:58পাত্রে মনে করো একদম ডিফারেন্ট টাইপের
- 16:00একটা গ্যাস আছে সো ডিফারেন্ট টাইপের একটা
- 16:02গ্যাস যদি থাকে তাহলে দেখো ডিফারেন্ট
- 16:05টাইপের একটা গ্যাস থাকলেও কিন্তু আমরা
- 16:06এখানে দেখো যদি এটা এটার আমাদের এর মধ্যে
- 16:09মনে করলাম ওই ডিফারেন্ট গ্যাসের এনটু মোল
- 16:11পরিমাণ গ্যাসের অণু আছে বা এনট মোল পরিমাণ
- 16:15গ্যাস আছে এর টেম্পারেচার হচ্ছে মনে
- 16:16করলামটিটু প্রেসার মনে করলাম পিট এবং
- 16:19ভলিউম মনে করলাম ভিটু তাহলেও কিন্তু দেখো
- 16:21এই গ্যাসের জন্য তুমি পিটু ভিট সমান এনট
- 16:24আরটিট সূত্র লিখতে পারবা এর জন্যও কিন্তু
- 16:26পিও ভিও সমান এনও আরটিও সূত্র লিখতে পারবা
- 16:30অর্থাৎ ডিফারেন্ট ডিফারেন্ট যদি গ্যাসও হয়
- 16:32তখনও কিন্তু তুমি এই ফর্মুলা এপ্লাই করতে
- 16:35পারবা সো বলতে পারো বেশিরভাগ ক্ষেত্রে যখন
- 16:37আমরা ম্যাথ প্রবলেম সলভ করবো বেশিরভাগ
- 16:39ক্ষেত্রে কিন্তু এই সূত্রটাই মূল ধরে আমরা
- 16:42আসলে ম্যাথ প্রবলেম সলভ করে ফেলব। এখন
- 16:44খেয়াল করো অনেক সময় আমরা সরাসরি এটাকে
- 16:46ব্যবহার না করে এরও কিছু ছোট ছোট ভার্সন
- 16:49আছে সেগুলো ইউজ করি। যেমন আমাদেরকে যদি
- 16:51কখনো বলে যে কোন একটা ক্ষেত্রে ধরো আমরা
- 16:54এখানে যেমন একটা নির্দিষ্ট গ্যাসকে এই
- 16:56জায়গা থেকে এই জায়গায় যে নিয়ে আসছি।
- 16:58আমরা কি করলাম? মনে করো কোন একটা গ্যাসের
- 17:00এন পরিবর্তন করলাম না এবং টি পরিবর্তন
- 17:03করলাম না। এই দুইটাকে মনে করো আমরা
- 17:04কনস্ট্যান্ট রাখছি। এর মানে কি বুঝ? মনে
- 17:06করো আমরা কোন একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাস
- 17:09নিছি। কোন একটা বাক্সের মধ্যে নিছি। কোন
- 17:10একটা পাত্রের মধ্যে নিছি। এবং সেইখানে
- 17:13আমরা কি করলাম? আমরা মোল সংখ্যার কোন
- 17:15পরিবর্তন করবো না। পাত্রের তাপমাত্রার কোন
- 17:17পরিবর্তন করবো না। স আমি যদি এখন চাই যে
- 17:20গ্যাসের আয়তন বাড়াতে বাধর পাত্রের আয়তন
- 17:22আমি বাড়াই বা কোনভাবে যদি গ্যাসের উপরে
- 17:24চাপ বৃদ্ধি করি। তাহলে সেই ক্ষেত্রে
- 17:27আমাদের দেখো এই যে মূল যে সূত্র ছিল না
- 17:30পিও ভিও ডিভাইডেড বাই এনও টিও ইকুয়ালস টু
- 17:34পিটুভিট ডিভাইডেড বাই এনটটিট যদি এনটি
- 17:37কনস্ট্যান্ট থাকে অর্থাৎ কোন পরিবর্তন না
- 17:39হয় তাহলে কি হবে এরা এরা কাটাকাটি হয়ে
- 17:41যাবে না তখন কি লেখা যাবে যে পিও ভিও সমান
- 17:44সমান পিটভিট এই যে সূত্রটা যখন আমাদের কোন
- 17:48একটা নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাস নির্দিষ্ট
- 17:51তাপমাত্রায় থাকে তখন তার প্রেসার এবং
- 17:54ভলিউমের যে সম্পর্ক এই সম্পর্কটা কিন্তু
- 17:56এরকম এবং এই সম্পর্কটাই কিন্তু দেখো এটা
- 17:58হচ্ছে মূলত বয়েলের সূত্রের গাণিতিক রূপ।
- 18:01এটা হচ্ছে বয়েলের সূত্রের
- 18:05বয়েলের সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ। ঠিক আছে?
- 18:10তারপরে ধরো আমাদের যদি এইরকম হয় যে আমরা
- 18:14পিটাকে কনস্ট্যান্ট রাখলাম এবং এনটাকে
- 18:17কনস্ট্যান্ট রাখলাম। আমরা এন এবং পি কে
- 18:20কনস্ট্যান্ট রাখলাম। তখন আমাদের এই
- 18:22ফর্মুলাটা আসলে কেমন হবে? তখন আমাদের এই
- 18:24ফর্মুলাটা কেমন হবে? সো যদি এন আর পি
- 18:26কনস্ট্যান্ট থাকে তখন কিন্তু আমরা লিখতে
- 18:27পারবো যে ভিও বাই টিও ইকয়াল ভিটু বাইটিট
- 18:31ভিট ডিভাইডেড বাইটিট। তো এইটা মনে আছে এটা
- 18:35কিসের সূত্র? যখন প্রেসার কনস্ট্যান্ট
- 18:37থাকে নির্দিষ্ট পরিমাণ কোন একটা গ্যাসের
- 18:39প্রেসার কনস্ট্যান্ট তখন ভলিউমের সাথে
- 18:40তাপমাত্রার যে চেঞ্জটা সেটা আমরা কোন
- 18:44সূত্রের সাহায্যে দেখি। এটাই কিন্তু
- 18:46আমাদের মূলত চার্লসের সূত্রের। চার্লসের
- 18:49সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ। তাই না? এটা
- 18:52হচ্ছে চার্লসের সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ।
- 18:56তারপরে আসো মনে করো আমরা এবার এন এবং ভি
- 18:59কে কনস্ট্যান্ট রাখবো। এন এবং ভি কে
- 19:01কনস্ট্যান্ট রাখবো। এটা কিন্তু ওযে চাপীয়
- 19:04সূত্রটাই নির্দেশ করবে। স আমাদের এন আর ভি
- 19:06যদি কনস্ট্যান্ট থাকে তাহলে কি লেখা যাবে?
- 19:08যে পিও বাইটিও ইকুয়ালস পিট ডিভাইডেড
- 19:12বাইটিটু। এইটা হচ্ছে আমাদের ওই যে চাপীয়
- 19:15সূত্র রেনোর চাপীয় সূত্র বা গেলুসিকের
- 19:17সূত্র যেটাই বল সেটার কিন্তু আমাদের
- 19:20গাণিতিক প্রকাশটা।
- 19:22চাপীয় সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ।
- 19:26ঠিক আছে? এবং ফাইনালি ওই যে যদি আমাদের
- 19:29প্রেসার এবং টেম্পারেচার যদি কনস্ট্যান্ট
- 19:31থাকে তখন আমরা কি লিখতে পারি? প্রেসার আর
- 19:34টেম্পারেচার কনস্ট্যান্ট থাকলে আমরা লিখতে
- 19:35পারি যে এনভিও বাই এনওয় ভিওয়ান বাই এনওয়ান
- 19:39ইকুয়াল ভিটু ডিভাইডেড বাই এনটু এইটা হচ্ছে
- 19:42আমাদের সেই চাপ ইয়া সূত্র। এভোগেড্র
- 19:45সূত্রের বিকল্পরূপটা
- 19:48এভোগড্রো
- 19:50[মিউজিক]
- 19:53সূত্রের
- 19:54গাণিতিক প্রকাশ তো এই চারটা সূত্র নিয়ে
- 19:58আমরা একটু পরে আবার ডিটেলসে আসবো আমরা
- 20:00হচ্ছে এই রিলেটেড যে সমস্ত গ্রাফটগুলো আছে
- 20:02সেগুলো নিয়ে আলোচনা করব কিন্তু খেয়াল
- 20:03করো পিভিনটি ভাইয়া এই ফর্মুলা মাথায়
- 20:06রাখলেই কিন্তু এগুলা একেবারে ইজি তাই না
- 20:08আবার দেখো এখান থেকে যে শুধুমাত্র এইগুলাই
- 20:11আমাদের আছে তা না আমরা চাইলে কিন্তু আরো
- 20:13এখান থেকে আরো খেলাধুলা করতে পারি যেমন কি
- 20:16করা যায় খেয়াল করো যদি এরকম হয় যে
- 20:18প্রেসার এবং ভলিউম যদি কনস্ট্যান্ট থাকে
- 20:20ধরো পি আর ভি কনস্ট্যান্ট কোন একটা
- 20:22গ্যাসের আমরা কি রাখলাম পি আরভি
- 20:24কনস্ট্যান্ট রাখলাম তাহলে জানতে চাই যে ওই
- 20:26গ্যাসের মধ্যে যদি আমি নির্দিষ্ট পরিমাণ
- 20:29এন ছিল আমি এন এর মান বাড়ালাম তাহলে
- 20:31টেম্পারেচার কিভাবে পরিবর্তন হবে সেই
- 20:33ক্ষেত্রে ফর্মুলা কি দাঁড়াচ্ছে দেখো যে
- 20:36পি আর ভি যদি কনস্ট্যান্ট থাকে তখন হবে
- 20:37এনও টিও ইকয়ালস এনটটিট ঠিক আছে আবার
- 20:42সাপোজ আমরা যদি
- 20:44এইরকম রাখি
- 20:47অনেকভাবেই এটা তোমার ম্যাথের কন্ডিশনের
- 20:48উপরে কিন্তু ডিপেন্ড করবে। তোমাকে ম্যাথটা
- 20:50পড়ে বুঝতে হবে যে এখানে আসলে কোন কোন
- 20:52ডেটাগুলা কনস্ট্যান্ট আছে। আয়তন
- 20:54কনস্ট্যান্ট আছে, প্রেসার কনস্ট্যান্ট
- 20:55আছে, টেম্পারেচার কনস্ট্যান্ট আছে। এগুলা
- 20:57যদি তুমি বুঝতে পারো তাহলে কিন্তু মূল
- 20:58ফর্মুলা এইযে যেটা বললাম এটা এখান থেকেই
- 21:00কিন্তু তুমি আসলে কাটাকাটি করে নিয়ে আসতে
- 21:03পারবা যে তোমার ওই ম্যাথের জন্য কোন
- 21:05ফর্মুলাটা আসলে এপ্লিকেবল হবে। সো ভাই
- 21:06এগুলা খালি খালি মুখস্ত করতে যেও না।
- 21:09মুখস্ত রাখবা এপিভি সমান এনআরটি বা মুখস্ত
- 21:11রাখবা এইটা। যদি এটা মাথায় রাখো তাহলেই
- 21:13কিন্তু কন্ডিশনের উপরে ভিত্তি করে আমাদের
- 21:15ম্যাথগুলা কিভাবে আছে সে কন্ডিশনের উপর
- 21:17ভিত্তি করে আমরা কিন্তু এখান থেকে যেইটা
- 21:20প্রয়োজন সেটাকে নিয়ে আসতে পারব। যেমন
- 21:22দেখো যদি আমাদের এরকম থাকে অনলি সাপোজ
- 21:25অনলি ভি কনস্ট্যান্ট বা অনলি এন
- 21:30কনস্ট্যান্ট অনলি এন কনস্ট্যান্ট তখনকার
- 21:33জন্য ফর্মুলা কি হবে? তখন এইযে পিও ভিও
- 21:36ডিভাইডেড বাইটিও ইকুয়াল পটভিট ডিভাইডেড
- 21:40বাইটিট তাইতো? আবার যদি এরকম হয় যে না
- 21:43অনলি হচ্ছে টেম্পারেচার কনস্ট্যান্ট
- 21:46কিন্তু ভর চেঞ্জ হচ্ছে ভর চেঞ্জ হচ্ছে তখন
- 21:49কি লেখা যাবে তখন হচ্ছে যে পিও ভিওয়
- 21:53ডিভাইডেড বাই এনওয়ান ইকয়ালস পিটভিট
- 21:56ডিভেডবা এনট তো যেটা বলছি অনেকভাবেই
- 21:58কিন্তু আসলে ফর্মুলা নিয়ে আসা যেতে পারে
- 22:01কন্ডিশনের উপরে ভিত্তি করে কোনটা কখন ইউজ
- 22:03করবা সেটা দেখলেই হয়ে যাবে ঠিক আছে ওকে
- 22:07ভেরি গুড এখন আসো
- 22:10আমরা এখানেও ঠিক সিমিলারলি হ্যাঁ যে পিএম
- 22:13সমান সমান রো আরটি যেটা দেখছিলাম পিএম
- 22:16সমান সমান আমরা যে রো আরটি সূত্রটা
- 22:19দেখেছিলাম
- 22:20সেটা নিয়ে যদি একটু আলোচনা করি যেমন দেখো
- 22:25যে পিএম সমান সমান
- 22:28পিএম সমান সমান রো আরটি এই ফর্মুলার মধ্যে
- 22:33ধরো কোন একটা নির্দিষ্ট গ্যাস অর্থাৎ এম
- 22:37ফিক্সড কোন
- 22:39নির্দিষ্ট
- 22:42কোন একটা নির্দিষ্ট গ্যাসের জন্য মনে রেখো
- 22:46কোন একটা নির্দিষ্ট গ্যাসের জন্য এম
- 22:49কিন্তু থাকবে ফিক্সড। তাহলে একটা
- 22:51নির্দিষ্ট গ্যাস যদি আমাদের থাকে তাহলে
- 22:54আমাদের পি এম সমান সমান রো আরটি যেহেতু
- 22:57তাহলে আমরা দেখো পি ডিভাইডেড বাই রোটি এটা
- 23:01সমান কি লিখতে পারি? আরবা এম আরও
- 23:03কনস্ট্যান্ট এমও কনস্ট্যান্ট। একটা
- 23:05নির্দিষ্ট কেসের জন্য কিন্তু পুরাটা আসলে
- 23:06কনস্ট্যান্ট থাকছে। তাহলে এখান থেকে আমরা
- 23:08লিখতে পারি কি? পিওয়ান ডিভাইডেড বাই
- 23:10রোওয়ান টিওয় ইকুয়ালস পিটু ডিভাইডেড বাই
- 23:14রোটটি।
- 23:15সো বিভিন্ন সূত্রের উপরে কিন্তু ভিত্তি
- 23:18করে বিভিন্ন কন্ডিশনের উপর ভিত্তি করে
- 23:21এইটারও কিন্তু বিভিন্ন চেঞ্জ আসতে পারে।
- 23:22যেমন যদি আমাদের বলে যে নির্দিষ্ট গ্যাস
- 23:25কিন্তু পি সেম।
- 23:27কোন একটা নির্দিষ্ট গ্যাস সেই গ্যাসের
- 23:30প্রেসার সেইম। তাইলে বলতো তখন প্রেসার সেম
- 23:33হলে নির্দিষ্ট গ্যাস বলে এমএম কাটাকাটি
- 23:35হয়ে গেল। আর পি সেম বলে আমরা কি লিখতে
- 23:38পারি? রো টিও ইকুয়ালস টু রোটটিটু
- 23:41রোও টিও ইকুয়ালস টু রোট টিটু এভাবে লেখা
- 23:46যায় আবার যদি এরকম হয় যে নির্দিষ্ট গ্যাস
- 23:52এবং টি সেম
- 23:54নির্দিষ্ট গ্যাস এবং মনে করো তাপমাত্রা
- 23:58সেম তখন কি লেখা যাবে নির্দিষ্ট গ্যাস এবং
- 24:02তাপমাত্রা সেম তখন লেখা যাবে পি ওয়ান
- 24:04ডিভাইডেড বাই রোওয়ান ইকুয়ালস পিট ডিভডেড
- 24:08রট ঠিক আছে তো যেটা বলছিলাম ভাইয়া এরকম
- 24:11অনেকগুলা টাইপের ফরমেশন কিন্তু সম্ভব
- 24:13তোমাকে জাস্ট সূত্র মেইনটা মাথায় রাখলেই
- 24:15কিন্তু এখান থেকে বিভিন্নভাবে ডিরাইভ
- 24:17ফর্মুলা তুমি চাইলে নিয়ে আসতে পারবা ঠিক
- 24:20আছে আশা করি বুঝতে পেরেছো
- 24:24ঠিক আছে চল এইটা দেখি কি প্রশ্ন বলছে
- 24:27নিচের কোনটি তাপমাত্রা এবং চাপের সাথে
- 24:30গ্যাসের ঘনত্বের সম্পর্ক নির্দেশ করে
- 24:32কুমিল্লা বোর্ড 2023 সালে আসা প্রশ্ন দেখো
- 24:35কোনটা চাপ তাপমাত্রা চাপের সাথে গ্যাসের
- 24:39ঘনত্ব তার মানে কি ওই যে একটু আগে দেখলাম
- 24:41না পি ডিভাইডেড বাই রটি পি ডিভাইডেড বাই
- 24:43রটি কোথায় আছে এই যে পি ডিভাইডেড বাই রটি
- 24:46এইটা হচ্ছে ধ্রুবক ঠিক আছে তাহলে এইটাই
- 24:49হচ্ছে আমাদের এসার আশা করি বুঝেছ পি
- 24:53ডিভাইডেড বাই রটি এই দেখো পি ডিভাইডেড বাই
- 24:55রটি বাটি ডিভাইডেডবা পি একই কথা ডান এবার
- 24:58আসো পরের প্রবলেম দেখে ফেলি দেখো এখানে কি
- 25:01বলছে রাজশাহী বোর্ড 2022 সালে আসার প্রশ্ন
- 25:0427 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা
- 25:07এটিএম চাপে 20 গ্রাম অক্সিজেন গ্যাসের
- 25:10আয়তন কত নির্ণয় করো? খুব সুন্দর একটা
- 25:12প্রশ্ন। বুঝতেই পারছো পিভি সমান এনটি
- 25:15সুন্দর বললাম এই কারণে কারণ একগুলো
- 25:16উল্টাপালটা দেওয়া আছে। টেম্পারেচার কি
- 25:18করবা? 273 এর সাথে 37 যোগ করতে হবে। তাহলে
- 25:24এখানে আসে 310 কেলভিন। ডান 1.5 এটিএম। 1.5
- 25:30এটিএম আমাদের এককগুলো দেখো মিটার কিউবে
- 25:33আছে যেহেতু তাহলে চেষ্টা করব এইটাকেও আমরা
- 25:35এসআই এককে নিয়ে যাওয়ার জন্য তাহলে 1.5 ফ
- 25:38ই 101তদ পা প্যাসকেল এক এটিএম মানে এত
- 25:43প্যাসকেল ছিল দেড় এটিএম মানে এত প্যাসকেল
- 25:45হবে তাহলে এখান থেকে আমরা কত প্যাসকেল বের
- 25:48হয়ে যাবে প্রেসারটা প্রেসারটা কত প্যাসকেল
- 25:50বের হয়ে যাবে এবং এন এর মান দেখো বলে দিছে
- 25:5420 গ্রাম তাহলে 20 ডিভাইডেডবা 32 এটা
- 25:56হচ্ছে এন এর মান হবে তাহলে আমরা একটু
- 25:58ভ্যালুগুলো যদি দেখি 20বা 32 এটা হচ্ছে
- 26:000.625
- 26:03এত মোল। তাহলে গ্যাসের আয়তন কত হবে? স
- 26:07আমরা পিভি সমান সমান এন আরটি
- 26:11এখান থেকে ভি সমান সমান লিখতে পারছি কত?
- 26:13এন আরটি ডিভাইডেড বাই পি। তাহলে এন এর যে
- 26:17মান এন এর যে মান এন এর মান কত? 0.625
- 26:23আর হচ্ছে 8 প.34
- 26:27টেম্পারেচার হচ্ছে 310
- 26:30প্রেসার হচ্ছে 1.5 ই 1012 পা তাহলে এখান
- 26:36থেকে ভ্যালুগুলা বের করি 8.34
- 26:38ই 310বা5
- 26:40101
- 26:41পা স এখান থেকে আসে 0 প05
- 26:47না এরকম টাইপের কিছু একটা মিটার কিউব এখান
- 26:50থেকে কোনটা তাহলে এইযে 105 এখান থেকে বি
- 26:54হচ্ছে আমাদের আনসার
- 26:57আশা করি বুঝতে পেরেছ এবার আসো আমরা দেখে
- 27:01ফেলি আমাদের বয়েলের সূত্র দেখো বয়েলের
- 27:04সূত্র চার্লসের সূত্র অভোগেড্রো সূত্র
- 27:06তারপরে চাপীয় সূত্র এই চারটা সূত্র মিলিয়ে
- 27:08সমন্বিত যে সূত্র ওটাই কিন্তু পিভিইক
- 27:10এনরটি। আমাদের ম্যাথমেটিক্স করার সুবিধার
- 27:14জন্য আমরা কিন্তু আগেই পিভি সমান এনরটি
- 27:16নিয়ে আলোচনা করে যে যে টাইপের প্রশ্ন আসতে
- 27:17পারে সেগুলো নিয়ে একটু দেখলাম। কিন্তু
- 27:20বয়েলের সূত্র স্টেটমেন্ট বল। বয়েলের সূত্র
- 27:22থেকে যে টাইপের খ নাম্বার প্রশ্ন আসে
- 27:24সেগুলো আমরা একটু দেখব। প্লাস সেই সাথে
- 27:27আমাদের যে এমসিকিউ টাইপে প্রশ্নগুলো আছে
- 27:29বিশেষ বিশেষ করে দেখবা গ্রাফ রিলেটেড বেশ
- 27:31কিছু প্রশ্ন আছে। সেগুলো আমরা এখন একটু
- 27:33দেখব। সো প্রত্যেকটা সূত্রই এখন আমরা একটু
- 27:37ডিগডাইভ করব। সো দেখো এইখানে যেটা বলছে যে
- 27:41স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের
- 27:43আয়তন গ্যাসটার চাপের সাথে ব্যস্তানুপাতে
- 27:46পরিবর্তিত হয়। অর্থাৎ কি বলছে দেখো যে
- 27:49কোন একটা নির্দিষ্ট উষ্ণতায় নির্দিষ্ট
- 27:51ভরের কোন গ্যাসের আয়তন গ্যাসের আয়তন
- 27:54চাপের সাথে ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়।
- 27:57অর্থাৎ তুমি যদি চাপ বাড়াও তার মানে
- 28:00আয়তন কমবে। গ্যাসের চাপ বাড়ালে আয়তন
- 28:02কমবে। গ্যাসের চাপ কমালে আয়তন বাড়তে
- 28:04থাকবে। খুবই স্বাভাবিক একটা কথা। এখান
- 28:06থেকে কিন্তু আমরা লিখতে পারি যে ভি ইজ
- 28:09প্রপোরশনাল টু কে ডিভাইডেড বাই পি। কে
- 28:11হচ্ছে একটা প্রপোরশনাল কনস্ট্যান্ট। তাহলে
- 28:13এখান থেকে লেখা যায় পি ইভি সমান সমান
- 28:16হচ্ছে কে। দেখো আমরা ফাইনালি যে সমন্বিত
- 28:19সূত্রটা নিয়ে আলোচনা অলরেডি করে আসছি
- 28:21সেখানে কিন্তু এই কে এর মানটাই আসলে কি
- 28:23ছিল? এন আরটি ছিল। কিন্তু তাই না? সো এখান
- 28:26থেকে দেখতো যে নির্দিষ্ট ভর নিট গ্যাসের
- 28:29আয়তন স্থির উষ্ণতায় নির্দিষ্ট ভরের
- 28:31গ্যাসের আয়তন অর্থাৎ স্থির উষ্ণতা যদি
- 28:34থাকে তাহলে কিন্তু আমাদের টি কি হবে স্থির
- 28:36উষ্ণতা যদি থাকে তার মানে কিন্তু টি টা
- 28:38থাকবে ফিক্সড এবং বলতো যদি আমাদের একটা
- 28:41গ্যাসের ভর যদি নির্দিষ্ট থাকে ফিক্স থাকে
- 28:44ভর ভর ফিক্স থাকা মানে কি তার মোল সংখ্যাও
- 28:47ফিক্সড না অর্থাৎ এন এর মানটাও কি হবে তখন
- 28:49ফিক্স থাকবে আর তো এমনিতেই ফিক্স তার মানে
- 28:51পুরা জিনিসটাই কিন্তু তখন কি থাকবে পুরা
- 28:54জিনিসটাই কিন্তু তখন ফিক্স থাকবে। অর্থাৎ
- 28:57পিওয়ান ভিওয়ান সমান সমান এখান থেকে কিন্তু
- 28:59আমরা লিখতে পারবো যে পিওয়ান ভিওয়ান সমান
- 29:01সমান পিটুভিটু। এটা হচ্ছে গাণিতিক প্রকাশ
- 29:04থাক। বয়েলের সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ। এখন
- 29:06দেখো বয়েলের সূত্রের অনুসিদ্ধান্ত যেটা
- 29:09বলছে যে চাপের সাথে ঘনত্বের সম্পর্ক কি?
- 29:11চাপের সাথে ঘনত্বের সম্পর্ক কি? দেখো বলছে
- 29:15স্থির উষ্ণতায় কোন নির্দিষ্ট গ্যাসের
- 29:17ঘনত্ব গ্যাসটার চাপের সাথে সমানুপাতে
- 29:20পরিবর্তিত হয়। গ্যাসটার ঘনত্ব বলছে যে
- 29:23চাপের সাথে সমানুপাতে পরিবর্তিত হয়। সো
- 29:26দেখো স্থির উষ্ণতায় কোন নির্দিষ্ট
- 29:28গ্যাসের ঘনত্ব গ্যাসের চাপের সাথে
- 29:30সমানুপাতে পরিবর্তিত হয়। বলতো আমরা এই
- 29:31সূত্রটা দেখছিলাম না। পিএম ইজ প্রপোরশনাল
- 29:34টু রো আরটি। আমাদের যদি একটা নির্দিষ্ট
- 29:38গ্যাস থাকে তার মানে এম ফিক্সড। স্থির
- 29:40উষ্ণতা থাকলে টি ফিক্সড। আর তো অলরেডি
- 29:42ফিক্সড। তার মানে কি লেখা যায়? পি ইজ
- 29:44প্রপোরশনাল টু রো বা রো ইজ প্রপোরশনাল টু
- 29:46পি আলটিমেটলি এখান থেকে কিন্তু আসছে। সো
- 29:48পি বাই রো এই পুরাটা হচ্ছে তাহলে
- 29:50কনস্ট্যান্ট। ঠিক আছে? অর্থাৎ পিও বাই রোও
- 29:54সমান সমান পিটু ডিভাইডেড বাই রোট। আচ্ছা
- 29:57এবার আসো রাজশাহী বোর্ড 19 সালে আসা একটা
- 29:59খ নাম্বার প্রশ্ন অনুধাবনমূলক প্রশ্ন। কি
- 30:02বলছে এখানে? একটা হাইড্রোজেন গ্যাস বেলুন
- 30:05ভূমি থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় উঠার পরে
- 30:07ফেটে যায় কেন? একটা হাইড্রোজেন বেলুন
- 30:09গ্যাস বেলুন ভূমি থেকে একটা নির্দিষ্ট
- 30:11উচ্চতায় উঠার পরে ফেটে যায় কেন? খুবই
- 30:14খুবই সহজ একটা ব্যাপার। দেখো স আমাদের মনে
- 30:17করো যখন এটা নিচে ছিল তখন মনে করো এইটা
- 30:20হচ্ছে আমাদের বেলুন। এইটা হচ্ছে গিয়ে
- 30:22আমাদের মনে করো বেলুনটা। এই বেলুনটা যত
- 30:25উপরের দিকে উঠবে বলতো ভাইয়া। বেলুনটা যত
- 30:28উপরের দিকে উঠবে তত বলতো বায়ুমন্ডলের চাপ
- 30:31আস্তে আস্তে কি হ্রাস পায় না। যত উপরে যায়
- 30:34বায়ুমন্ডলের চাপ কিন্তু আস্তে আস্তে কমতে
- 30:36থাকবে। তাহলে বায়ুমন্ডলের চাপ কমে।
- 30:39চাপ যেহেতু কমে তাহলে কি হয়? আয়তন বাড়ে।
- 30:43চাপ কমে আয়তন বাড়ে। এখন বল এই আয়তন কি
- 30:48ইচ্ছামতন অনেক পর্যন্ত বৃদ্ধি পাওয়া
- 30:50সম্ভব? না তো? এর তো একটা সর্বোচ্চ
- 30:53প্রসারণ ক্ষমতা আছে। যখন এটা উপরের দিকে
- 30:56যাচ্ছে যাচ্ছে যাচ্ছে যাচ্ছে যেতে যেতে
- 30:58যখন চাপ অনেক কমে যায় আয়তন বাড়তে
- 31:00বাড়তে দেখা গেল এমন বৃদ্ধি পাইছে যে তার
- 31:03প্রসারণ ক্ষমতার অতিক্রম করে ফেলছে। তখন
- 31:06কিন্তু সেটা ফ্রাস করে ফেটে যাবে। সো
- 31:08তাহলে দেখা যাবে এই যে বেলুনটা সেই
- 31:11বেলুনটা দেখা যাবে এভাবে করে পটাশ করে
- 31:14ফেটে গেছে। ফেটে চারিদিকে চারিদিকে পটাশ
- 31:16করে ফেটে গেছে। সো তাহলে এটা খেয়াল রেখো।
- 31:19এই জিনিসটাই ছোট্ট করে ব্যাখ্যা করে দিলে
- 31:21হবে। ছবি আকা তোমাদের বোঝানোর জন্য ছবি
- 31:23আবার পরীক্ষায় এখানে আগার দরকার নাই।
- 31:24জাস্ট এটা বললেই হবে। আমরা ভূপৃষ্ঠ থেকে
- 31:26যত উপরের দিকে উঠতে থাকি তত বায়ুমন্ডলের
- 31:28চাপ কমতে থাকে। বায়ুমন্ডলের চাপ যত কমতে
- 31:30থাকবে তত ওই গ্যাস বেলুনের আয়তন বাড়তে
- 31:33থাকবে। তো বেলুন তার একটা নির্দিষ্ট
- 31:36প্রসারণ ক্ষমতা আছে। এই প্রসারণ ক্ষমতা
- 31:38থেকেও যখন আয়তন আরো বৃদ্ধি পেতে যায়
- 31:41তখনই কিন্তু বেলুনটা ফেটে যায়। সো এই
- 31:43কারণে গ্যাস বেলুন ভূমি থেকে নির্দিষ্ট
- 31:44চৌধুর উঠার পরে ফেটে যাবে। এরপর আরেকটা
- 31:47প্রশ্ন এটাও অনুধাবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
- 31:49দেখে রাখো। অনুরূপ দুইটা পাত্রে অনুরূপ
- 31:52দুইটা পাত্রে সমান সংখ্যক অক্সিজেন এবং
- 31:55নাইট্রোজেন অণু আছে। অর্থাৎ এখানে যতটুকু
- 31:58পরিমাণ নাইট্রোজেন গ্যাস আছে এখানে
- 32:00নাইট্রোজেনের অণু আছে এখানে ঠিক ততটুকু
- 32:02পরিমাণ তত সংখ্যক পরিমাণ আমাদের এখানে
- 32:05যতটুকু অক্সিজেনের অণু আছে এখানে ঠিক তত
- 32:06সংখ্যক পরিমাণ নাইট্রোজেনের অণু আছে। এখন
- 32:09বল এদের তাপমাত্রাও সমান। এদের তাপমাত্রা
- 32:12সমান হলে গ্যাস দুইটার চাপের পার্থক্য কত
- 32:15হবে? গ্যাস দুইটার চাপের পার্থক্য কত হবে?
- 32:19খেয়াল করে দেখো আমরা পিভি সমান সমান জানি
- 32:22এন আরটি তাই না পিভি সমান সমান জানি এন
- 32:25আরটি আমাদেরকে বলে দিছে এদের তাপমাত্রা
- 32:27সেম আমরা তো আর এর মান তো ফিক্সড জানি এন
- 32:30কি দুইটার ফিক্সড বলতো দুইটার কি এন
- 32:33ফিক্সড হ্যা এনও ফিক্সড কারণ এন মানে
- 32:36হচ্ছে এন বাই এন এ খেয়াল করো আমাদের
- 32:39যেহেতু সমান সংখ্যক অণু আছে সমান সংখ্যক
- 32:42অক্সিজেন এবং নাইট্রোজেন অণু আছে তার মানে
- 32:45কি আমাদের এই এন এর মান কিন্তু বাম
- 32:47পাত্রেও যায় ডান পাত্রেও তাই ডিভাইডেড
- 32:49বাই এন এ যেটা এইটা তো হচ্ছে এভোগেড্রো
- 32:51নাম্বার এটা তো দুইটার জন্যই ফিক্সড তার
- 32:53মানে এইটাও কিন্তু আসলে ফিক্সড এবং অনুরূপ
- 32:56দুইটা পাত্র মানে ভিও কিন্তু তাহলে ফিক্সড
- 32:59তাহলে সবগুলাই যদি সেইম থাকে তাহলে অবশ্যই
- 33:01পি কেও কি থাকতে হবে পিকেও কিন্তু সেইম
- 33:04থাকা লাগবে অর্থাৎ গ্যাস দুইটার চাপের
- 33:07পার্থক্য হবে কত শূন্য আশা করি বুঝতে
- 33:10পারছো এইবার আসো আমরা চলে যাই বয়েলের
- 33:14সূত্র সংক্রান্ত গ্রাফে দেখ বিভিন্ন
- 33:17টাইপের গ্রাফ থেকে কিন্তু এমসিকিউতে
- 33:19প্রশ্ন আসে। খ নাম্বারে মাঝে মাঝে গ্রাফ
- 33:21থেকে কিছু প্রশ্ন দিলে দিতে পারে কিন্তু
- 33:23খুব রেয়ার। কলেজে বিভিন্ন প্রশ্ন দেয়।
- 33:25কিন্তু এমসিকিউতে বেশি প্রশ্ন আসে এগুলো
- 33:27থেকে। সো খেয়াল করো মনে করো অক্ষ বরাবর
- 33:29আমরা নিছি হচ্ছে প্রেসার। এক্স অক্ষ বরাবর
- 33:31রাখছি ভি কে। বয়েলের সূত্র যেটা আমরা
- 33:33দেখলাম সেটা হচ্ছে পিভি সমান সমান কিন্তু
- 33:35কনস্ট্যান্ট। তাইতো? তো এখান থেকে দেখো যে
- 33:39গ্রাফটা কেমন হয়? আমরা সবাই জানি যে, এই
- 33:42রকম টাইপের একটা গ্রাফ। এখানে কিন্তু
- 33:45খেয়াল করো মনে করো যে একটা নির্দিষ্ট
- 33:49বিন্দু যদি এটা হয় এখানকার যে প্রেসার
- 33:52সেটা মনে করলাম পিওয় এবং এই পয়েন্টের
- 33:54ভলিউম মনে করলাম ভিওয়ান আবার এখানে রেন্ডম
- 33:58আরেকটা পয়েন্ট এই গ্রাফের উপরে সেখানে
- 34:00প্রেসার মনে করলাম পিটু এবং এখানকার ভলিউম
- 34:02হচ্ছে ভিটু সো খেয়াল করো যখন ভলিউম বাড়ছে
- 34:05তখন প্রেসার কিন্তু কমছে আবার যখন ভলিউম
- 34:08কম তখন কিন্তু প্রেসারটা বেশি আমাদের
- 34:10কিন্তু এখানে পিওয়ান ভিওয় সমান সমান পিটু
- 34:14ভিটু এইটা কিন্তু মেইনটেইন করবে এবং
- 34:17গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন হচ্ছে এই গ্রাফের
- 34:20উপরে প্রত্যেকটা বিন্দুতে কিন্তু আমাদের
- 34:23টেম্পারেচার কনস্ট্যান্ট। তাই এই রেখাটাকে
- 34:27আমরা বলি সমষ্ণ রেখা। এই রেখাটাকে আমরা
- 34:30বলি
- 34:32সমষ্ণ রেখা। বা আইসোথারমাল লাইন।
- 34:39আইসোথারমাল
- 34:42লাইন। সো আমাদের এখানে খেয়াল রেখো এই
- 34:45সমষ্ণ রেখার তার মানে কি? এই প্রত্যেকটা
- 34:48পয়েন্টে কিন্তু টেম্পারেচার সেম। তুমি
- 34:51দেখো এই প্রত্যেকটা পয়েন্টের উপরে কিন্তু
- 34:53পি আর ভি এর গুণফল কনস্ট্যান্ট থাকবে। তা
- 34:56আমরা এই কে এর ভিতরে আসলে লুকায় লুকায় কে
- 34:58আছে বলতো? এন আর টি আছে না? সো তাহলে দেখো
- 35:01যদি একটা নির্দিষ্ট ভরের কোন একটা গ্যাস
- 35:04আমরা যদি টেম্পারেচার ফিক্সড রাখি তাহলে
- 35:06এর যদি প্রেসার বৃদ্ধি পায় তাহলে ভলিউম
- 35:10প্রেসার বৃদ্ধি পেলে ভলিউম কমবে প্রেসার
- 35:12হ্রাস পেলে ভলিউম বাড়বে। তো গ্রাফটা এই
- 35:16যে গ্রাফের শেপটা এই গ্রাফের শেপটাকে আমরা
- 35:18বলি রেকট্যাঙ্গুলার হাইপারবোলা বা
- 35:20আয়তাকার অধিবৃত্ত। এই সেপটা কেমন এটা
- 35:23নিয়ে কিন্তু অবজেক্টিভস আসে খেয়াল রেখো।
- 35:25এটা হচ্ছে আয়তাকার
- 35:28অধিবৃত্ত।
- 35:29বা এটাকে আমরা বলছি রেক্ট্যাঙ্গেুলার
- 35:35হাইপারবোলা।
- 35:37রেক্ট্যাঙ্গুলার হাইপারবোলা। ঠিক আছে?
- 35:41ওকে? এখন আসো আরেকটা টাইপের প্রশ্ন যেটা
- 35:44হতে পারে সেটা হচ্ছে যে মনে করো আমরা
- 35:49এখানে পিভি
- 35:51গ্রাফের মধ্যে দুইটা লাইন দিলাম। এইটা
- 35:55একটা লাইন। এইটা একটা লাইন। একটার
- 35:58টেম্পারেচার হচ্ছে টি ওয়ান এ আকা। আরেকটা
- 36:01গ্রাফ হচ্ছে টিটু টেম্পারেচারে আকা। সো
- 36:03পিভি ডায়াগ্রামেই একটা টিওয়ান টেম্পারেচার
- 36:05একটা হচ্ছে টিটু টেম্পারেচারে আকা। এখন
- 36:08আমাদেরকে বলতে হবে কোন টেম্পারেচারটা
- 36:10বেশি। কোন টেম্পারেচারটা বড়? টিওয়ান বড়
- 36:12নাকি টিটু বড়? আমরা এখান থেকে কিন্তু দেখো
- 36:16আমরা চাইলে যেকোন একটা কনস্ট্যান্ট
- 36:19প্রেসারের যদি এনালাইসিস করি। যেকোন একটা
- 36:22কনস্ট্যান্ট প্রেসারে যদি আমরা এনালাইসিস
- 36:24করি তাহলে দেখো কনস্ট্যান্ট একটা প্রেসারে
- 36:27এইখানে কিন্তু এই গ্রাফের ভলিউমটা কম আর
- 36:30এই গ্রাফের ভলিউমটা কিন্তু বেশি। সো আমরা
- 36:34এইখানকার যে ভলিউম এটাকে মনে করো বললাম ভি
- 36:37ওয়ান এটার ভলিউম মনে করলাম ভিটু। সো খেয়াল
- 36:40করো কনস্ট্যান্ট প্রেসারে বলতো তাপমাত্রা
- 36:43যদি বাড়ে। কনস্ট্যান্ট প্রেসার রেখে
- 36:45তাপমাত্রা যদি বাড়ে। ভলিউমটা কি হবে?
- 36:47বাড়তে থাকবে না। সো তার মানে খেয়াল করো
- 36:50যেই কনস্ট্যান্ট প্রেসারে খেয়াল করো
- 36:52এইখানকার আয়তনটা কিন্তু এটার থেকে কম।
- 36:56তাইলে এই তাপমাত্রাটা কিন্তু কম হবে। আর
- 36:59এই তাপমাত্রাটা কিন্তু বড় হবে। কেন? কারণ
- 37:02যত তাপমাত্রা বাড়বে কনস্ট্যান্ট প্রেসারে
- 37:05তো তার আয়তনটাও বাড়তে থাকবে। অথবা তুমি
- 37:08একদম সহজে এভাবে চিন্তা করতে পারো ভাইয়া।
- 37:11যে আমরা কি জানি পিভি সমান সমান এন আরটি।
- 37:14তাই না? তো এখান থেকে দেখো এই দুইটা
- 37:17পয়েন্টের প্রেসার কিন্তু ফিক্সড। এন
- 37:20ফিক্সড। দেখো প্রেসার কিন্তু ফিক্সড। এন
- 37:23কিন্তু ফিক্সড। আরও কিন্তু ফিক্সড। তাহলে
- 37:26যেই গ্রাফের এই দুইটা গ্রাফের মধ্যে যেই
- 37:29গ্রাফের ভলিউমটা বড় সেই গ্রাফের
- 37:31টেম্পারেচারটাও বড় হবে। তাহলে ক্লিয়ারলি
- 37:33এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে টিট ইজ গ্রেটার দেন
- 37:36টিওয়।
- 37:38এইটা গেল একটা টাইপের গ্রাফ। আরেকটা
- 37:41টাইপের গ্রাফ যদি একটু দেখাই অনেক সময়
- 37:45এরকম টাইপের প্রশ্ন করে যে একদিকে আছে পি
- 37:48একদিকে আছে ওান বাইভি আবার এরকমও থাকতে
- 37:52পারে একদিকে আছে হচ্ছে ভি একদিকে আছে ওান
- 37:55বাই পি তো এইখানকার গ্রাফগুলা কেমন হবে
- 37:59আমরা যদি সমীকরণের দিকে তাকাই পিভি সমান
- 38:01সমান ছিল কনস্ট্যান্ট তাহলে পি সমান সমান
- 38:04কে ইও বাইভি যদি একটু লক্ষ্য করো এইটা
- 38:08কিন্তু আমাদের y অক্ষ বরাবর একটা রাশি। এই
- 38:111 / v যেটা এটা হচ্ছে এক্স অক্ষ বরাবর
- 38:14একটা রাশি। আর কে যেটা এটা একটা
- 38:15কনস্ট্যান্ট। এটাকে আমি এম দিয়ে প্রকাশ
- 38:17করলাম। তাহলে এটা একটা মূলবিন্দুগামী সরল
- 38:20রেখা কিন্তু নির্দেশ করবে। একটা
- 38:22মূলবিন্দুগামী সরল রেখার মতন নির্দেশ
- 38:25করবে। সো আমাদের এইখানে বলতো যদি সাপোজ
- 38:29দুইটা এরকম গ্রাফ থাকে। এরকম যদি দুইটা
- 38:33গ্রাফ থাকে এরকম যদি দুইটা গ্রাফ থাকে।
- 38:36একটা হচ্ছে টি ওয়ান টেম্পারেচারে, একটা
- 38:38হচ্ছে টিটু টেম্পারেচারে। তাহলে কোন
- 38:40টেম্পারেচারটা এখানে বড় হবে? তুমি যদি
- 38:43একটু খেয়াল করো বলতো এই কে এর মধ্যে আসলে
- 38:46কে লুকায় আছে? কে এর মধ্যে লুকায় আছে
- 38:48এনআরটি। তাহলে দেখো এই এনআরটিটাই কিন্তু
- 38:51আমাদের সরল রেখার ঢালটাকে নির্দেশ করছে
- 38:53না। এই যে কে এর জায়গায় যদি এনরটি বসাও
- 38:55তাহলে কিন্তু আমাদের সরল রেখার যে ঢালটা
- 38:58এই ঢালটা কিন্তু এন আরটি এর সমান। তাহলে
- 39:01বলতো যেই গ্রাফের ঢাল বড় সেই গ্রাফের
- 39:05কিন্তু টেম্পারেচারটাও কি হবে? বড় হবে।
- 39:07তাহলে এখান থেকে বোঝা যাচ্ছে টিটু ইজ
- 39:09গ্রেটার দেন কিন্তু টিওয়।
- 39:12আবার একইভাবে এই গ্রাফের জন্যও যদি এরকম
- 39:15হয় যে আমাদের ভি আর এটা ওান বাই পি। আমরা
- 39:19তো দেখলাম পিভি সমান সমান কে ছিল। তাহলে
- 39:22ওয়াই অক্ষ বরাবর ভিটাকে রাখলাম। আর কে ইও
- 39:25বাই পি একদম সেইম কাইন্ড অফ গ্রাফ কিন্তু
- 39:27আমরা পাবো। এইটা হচ্ছে ওয়াই অক্ষ বরাবর।
- 39:29এইটা হচ্ছে আমাদের এক্স অক্ষ বরাবর। আর
- 39:32এটা হচ্ছে সেই কনস্ট্যান্ট। তাহলে আমাদের
- 39:34এখান থেকেও যদি গ্রাফটাকে আকো যে এইখানে
- 39:37একটা সরল রেখা পাওয়া যাবে। এখানে একটা
- 39:39সরলরেখা পাওয়া যাবে। একটা নির্দিষ্ট
- 39:42টেম্পারেচার এটা টিটু মনে করলাম। এটা টিওয়
- 39:44মনে করলাম। সো খেয়াল করো যেই গ্রাফের
- 39:46ঢালটা বড় হবে এই কে এর মধ্যে লুকা আছে কে?
- 39:49এন আরটি। তাহলে এখানে যার এম বড় হবে তার
- 39:53কে বড়। কে বড় মানে টেম্পারেচার বড়। অর্থাৎ
- 39:55এখানে কিন্তু টি টু এর মানটা বড় টিওয়ান
- 39:58এর থেকে সেইম কিন্তু জিনিসটা আচ্ছা আরেকটা
- 40:01টাইপের গ্রাফ এখানে আছে সেইটা হচ্ছে গিয়ে
- 40:05আমাদেরকে বলে
- 40:08যে যদি
- 40:12ওয়াই অক্ষ বরাবর থাকে পিভি এর গুণফল আর
- 40:15এক্স অক্ষ বরাবর আছে মনে করো ভি তাহলে
- 40:17বলতো ভলিউম যতই চেঞ্জ হোক না কেন ভলিউম
- 40:20যতই চেঞ্জ হোক না কেন আমাদের পিভি এর যে
- 40:24গুণফল এই গুণফল টা কি সবসময় কনস্ট্যান্ট
- 40:26থাকবে না। আমাদের ভলিউম যেভাবেই চেঞ্জ হোক
- 40:29না কেন যখন আমরা বয়েলের সূত্র দেখছি পি
- 40:31আরভি এর গুণফল সবসময় কিন্তু কনস্ট্যান্ট।
- 40:34তাহলে এই দুইটার মধ্যে দেখো গ্রাফটা যে
- 40:37কেমন হবে আশা করি বুঝতে পারছো যে ভলিউম
- 40:39যতই হোক না কেন পি আরভি এর গুণফল সবসময়
- 40:41ফিক্সড। আমি যদি এক্স অক্ষ বরাবর এখানে ভি
- 40:44না নিয়ে আমি যদি এখানে পি নিতাম তাহলেও
- 40:47কিন্তু গ্রাফটা সেইম হতো। এবং এখানে দেখো
- 40:49যার পিভি এর গুণফল বড় তার কিন্তু
- 40:51টেম্পারেচারটাও বড়। তাহলে এখানেও দেখা
- 40:53যাচ্ছে টিওয়ান ইজ গ্রেটার দেন টিট আশা করি
- 40:58বুঝতে পেরেছো
- 41:00ওকে এছাড়া বলতো আরেকটা টাইপের গ্রাফ যদি
- 41:05আমরা একটু দেখি সেইটা হচ্ছে ঘনত্বের সাথে
- 41:08যেটা ছিল আমরা বয়লের সূত্রে ঘনত্বের যে
- 41:12অনুসিদ্ধান্তটা বাযে এই যে বয়লের সূত্রে
- 41:15অনুসিদ্ধান্ত চাপের সাথে ঘনত্বের যে
- 41:16সম্পর্কটা সেইখান থেকে যদি নিয়ে আসি দেখো
- 41:18রো ইজ প্রপোরশনাল টু পি ছিল তাই না আমরা
- 41:21যদি রো ইজ প্রপোরশনাল প ছিল রো বা মেইন
- 41:26সূত্র কি ছিল বলতো পিএম সমান সমান রো আরটি
- 41:30স এইখান থেকে আমরা যদি এমটা তো
- 41:32কনস্ট্যান্ট একটা নির্দিষ্ট গ্যাসের জন্য
- 41:34আর কনস্ট্যান্ট বয়েলের সূত্রটিও
- 41:36কনস্ট্যান্ট তাই না তাহলে আমরা যদি ধরো
- 41:39এখানে একটা গ্রাফ আকতে চাই আরটি ডিভাইডেড
- 41:44বাই এম ইনটু রো আমাকে ধর বলল যে বয়েলের
- 41:50সূত্রে তুমি যদি প্রেসারের সাথে ঘনত্বের
- 41:53একটা সম্পর্ক দেখাও তাহলে গ্রাফটা কেমন
- 41:55হবে? এখানে দেখো প্রেসারটাকে আমি ওয় অক্ষ
- 41:57বরাবর রাখলাম। ঘনত্বটাকে আমি এক্স অক্ষ
- 41:59বরাবর রাখলাম এবং আমাদের আরটি বাই এম এটা
- 42:03হচ্ছে আমাদের সেই ঢাল। সেটাকে আমি এম
- 42:05বললাম। তাহলে খেয়াল করো এখানেও কিন্তু
- 42:07আমাদের গ্রাফটা দেখো পি ভার্সেস রো এর যে
- 42:10গ্রাফটা সেটা কিন্তু হবে একটা এরকম সরল
- 42:12রৈখিক গ্রাফ। এখানেও কিন্তু দুইটা
- 42:14টেম্পারেচারের জন্য দুইটা ভিন্ন ঢালের
- 42:16গ্রাফ পাওয়া যাবে। আমরা এখান থেকে দেখতে
- 42:18পাচ্ছি যে যার ঢাল বড় হবে তার কিন্তু
- 42:21টেম্পারেচারটাও কি হবে? বড় হবে। ঢালের মান
- 42:24যার বড় তার টেম্পারেচারটাও বড়। সো এখান
- 42:26থেকে দেখো কোন গ্রাফের ঢালটা বড়? টি ওয়ান
- 42:28এর ঢাল বড়। তাহলে টিওয় বড় টিট এর থেকে।
- 42:32আশা করি বুঝতে পারছো যে গ্রাফগুলা কিভাবে
- 42:34কিভাবে আসছে।
- 42:37ওকে। এইবার চলো আমরা একটু দেখি স্থির
- 42:40তাপমাত্রায় গ্যাসের ক্ষেত্রে নিচের কোন
- 42:42লেখচিত্রটা সঠিক নয়। সো কোন লেখচিত্রটা
- 42:46সঠিক নয়? দেখো এখানে কিন্তু বলেই দিছে
- 42:48আমাদেরকে স্থির তাপমাত্রায়। তার মানে
- 42:50বুঝতে হবে কি যে এখানে আমাদের বয়েলের
- 42:52সূত্রটা খাটবে। সো এখান থেকে দেখো যে এই
- 42:56গ্রাফটা কিন্তু ঠিক আছে। কারণ দেখো এইযে
- 42:57আয়তাকার অধিবৃত্তাকার একটা শেপের গ্রাফ
- 42:59হচ্ছে। আর এইখানে যদি দেখো বাইভি আর এখানে
- 43:03হচ্ছে পি। তো আমাদের পি এর সাথে ওান বাই
- 43:06ভি এর গ্রাফটা কি এরকম ছিল কখনো? না। এটা
- 43:08কিন্তু ভুল। আবার দেখো ওান বাই পি এর সাথে
- 43:10ভি এর গ্রাফ এটা কিন্তু ঠিক আছে এবং এই
- 43:13পিভি কনস্ট্যান্ট থাকলে পি থাকলে এটাও
- 43:15কিন্তু ঠিক আছে তার মানে এইটা কিন্তু আসলে
- 43:17ভুলভাবে দেওয়া আছে তার মানে এইটাই হচ্ছে
- 43:20সেই ভুল উত্তর ঠিক আছে আশা করি বুঝতে
- 43:24পেরেছ ওকে এবার আসো পরের প্রবলেমে যাই
- 43:28দেখো এখানে কি বলছে নির্দিষ্ট তাপমাত্রায়
- 43:31তাপমাত্রা ফিক্স রেখে যদি একটা গ্যাসের
- 43:33চাপ 5 পারসেন্ট বৃদ্ধি করা হয় তাহলে এর
- 43:36আয়তন কতটুকু হ্রাস পাবে সো যেহেতু
- 43:38নির্দিষ্ট তাপমাত্র টা বলেই দিছে। তাহলে
- 43:40আমরা ধরে নিচ্ছি এটা হলো বয়েলের সূত্র
- 43:41অনুযায়ী করবো আমরা। সো তাহলে দেখো পিও
- 43:44ভিওয় সমান সমান পিটভিট। সো আমাদের দেখো 5
- 43:47পারসেন্ট যেহেতু চাপ বৃদ্ধি করা হয়েছে তার
- 43:50মানে নতুন চাপ আসলে কত? একটু মাথায়
- 43:51ক্যালকুলেশন করে ফেলো তো। 5 পারসেন্ট
- 43:53বৃদ্ধি মানে হচ্ছে 1.05 অফ পিওয়। এটা
- 43:56হচ্ছে আমাদের পিটু এর ভ্যালু। সো পিও ভিওয়
- 44:00এটা হচ্ছে ভিট। এখান থেকে দেখো পিওয়ান
- 44:02পিওয়ান কাটাকাটি হয়ে যাচ্ছে। ভিটু সমান
- 44:04সমান হচ্ছে ও ডিভাইডেড বাই 1.05 ইনটু ভিও
- 44:10এটা কি বুঝছো কেন আমরা 5 পারসেন্ট বৃদ্ধি
- 44:12মানে এটা বললাম তুমি দেখো পি ফাইনাল যেটা
- 44:14বা পিটু যেটা সেটা হচ্ছে আগের চাপের সাথে
- 44:17এখন বৃদ্ধি করা হইছে 5 পারসেন্ট অফ আগের
- 44:20চাপ তাইলে 5 পারসেন্ট মানে কত 0.05 জ না
- 44:23এইযে পও প্লাস 0.0% মানে 100 দিয়ে ভাগ পি
- 44:28আই পও তাইলে এখান থেকে এই যে পিওয় কমন
- 44:30নিলে আসছে কত 1.05 পও এটাই হচ্ছে আমাদের
- 44:34পিট এর ভ্যালু তাহলে এখান থেকে দেখো আমরা
- 44:36ভিট সমান সমান যেটা লিখতে পারি সেটা কত
- 44:39হয়ওবা05
- 44:41এটা আসছে 0.952
- 44:430.952ভিও 952ভিও
- 44:46তাহলে আমরা যেহেতু বলছি আয়তন কত হ্রস পাবে
- 44:49খেয়াল করে দেখো অপশনের মধ্যে কিন্তু সব
- 44:50পারসেন্ট আকারে বলা তাহলে পারসেন্ট আকারে
- 44:52যেহেতু বলা তাহলে ডেলটাভি ডিভাইডেডবাভি
- 44:54ইনিশিয়ালটা নেওয়া লাগবে খেয়াল রেখো এটা
- 44:56তাইলে ডেলটাভি মানে কত ডেলটাভি হচ্ছে
- 45:00এখানে আমাদের ভিটু মাইনাস ভিওয় ডিভাইডেড
- 45:03বাই ভিওয়ান সভিট যেটা এটা হচ্ছে 0.952ভিও
- 45:08ডিভাইডেড বাইভিও স এইখান থেকে দেখো
- 45:120.95ভিও
- 45:13ভিওয় মাইনাস ভিওয় হবে রে বাবা সরি সরি সরি
- 45:160.952ভিও
- 45:20মাইনাস ভিওয় ডিভাইডেড বাইভিও এখান থেকে
- 45:24আসে এটাকে যদি মাইনাস ওয়ান করি তাইলে আসছে
- 45:28100 দিয়ে যদি গুণ দাও একবারে 100 দিয়ে গুণ
- 45:30দিয়ে পারসেন্টে বের করে ফেলো একবারে 100
- 45:32দিয়ে গুণ দিয়ে পারসেন্টে বের করে ফেল 4.76
- 45:35স পারসেন্ট রাস রাস কেন এইযে মাইনাস আসছিল
- 45:39সামনে এইযে এটা থেকে এটা বাদ দিলে মাইনাস
- 45:41আসবে মাইনাস মানে হচ্ছে রাস তাহলে আমাদের
- 45:43এখানে 4 প76 পারসেন্ট বি হচ্ছে তাহলে এটার
- 45:47আসার খেয়াল রেখো আশা করি পারবা পরের
- 45:50প্রশ্ন দেখো চার্লসের সূত্র কি বলছে
- 45:52চার্লসের সূত্রে এটা যে সহজে মনে রাখতে
- 45:54পারো যে বয়েল বয়েল হচ্ছে ফুটানো গরম গরম
- 45:58তো এটা হচ্ছে তাপমাত্রা তলে ফিক্স বয়েলের
- 46:00সূত্রে তাপমাত্রা ফিক্সড চার্লসের সূত্র
- 46:02চার্লসের সূত্রে হচ্ছে চাতে চার্লস চাতে
- 46:05চাপ ঠিক আছে তাহলে চাপটা কনস্ট্যান্ট
- 46:07থাকবে চার্লসের সূত্রে এটা মনে রাখতে পারো
- 46:09এভাবে করে সো স্থির চাপে কি বলছে দেখো
- 46:12চার্লসের সূত্রে যদি বলে চার্লসের সূত্র
- 46:14বিবৃতি করো তাহলে কিন্তু এইটাই বিবৃতিটা
- 46:16দেওয়া লাগবে হ্যাঁ এবং বিবৃতি করো এটা
- 46:19প্রশ্নে আসে সো স্থির চাপে প্রতি এক
- 46:21ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি বা
- 46:23হ্রাসের জন্য নির্দিষ্ট ভরের কোন গ্যাসের
- 46:26আয়তন উক্ত গ্যাসের জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 46:28তাপমাত্রায় যে আয়তন হয় তার ওয়ান বাই
- 46:31এত অংশ যথাক্রমে বৃদ্ধি বা হ্রাস পায়
- 46:34এই ভগ্নাংশটা হচ্ছে আয়তন প্রসারাঙ্ক বা
- 46:36কোইফিশিয়েন্ট অফ ভলিউম এক্সপানশন।
- 46:40ঠিক আছে?
- 46:42আমরা যদি বলে চালসের সূত্র বিবৃতি করো
- 46:45তাইলে না জাস্ট এখান থেকে এইটুকু পর্যন্ত
- 46:48লিখলেই হবে। চাসের সূত্র বিবৃতি ক নাম্বার
- 46:50প্রশ্নে বললে এখান থেকে এই পর্যন্ত লিখলেই
- 46:51হবে। এখন আসো এই স্টেটমেন্টটা আসলে কি বলল
- 46:54সেটা আমরা একটু চল ভেঙে জুড়ে দেখি। সো মনে
- 46:57করলাম আমাদের জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 46:59তাপমাত্রায় জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 47:02তাপমাত্রায় কোন একটা নির্দিষ্ট চাপে
- 47:05আমাদের একটা গ্যাসের আয়তন মনে করলাম ভি
- 47:07নট স আমরা এবার কি করলাম এক ডিগ্রি
- 47:10সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি করছি এক
- 47:13ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি করায়
- 47:19আয়তন কতটুকু বৃদ্ধি পাবে বলছে
- 47:23আয়তন বৃদ্ধি পাবে হচ্ছে বলছে যে জিরো
- 47:27ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় যে আয়তন
- 47:29হয় ভি নট ধরছিলাম জির ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 47:32তাপমাত্রায় আয়তন এত যে আয়তন হয় সেই
- 47:34আয়তনেরও ডিভাইডেড বাই 273.15
- 47:38এতটুকু পরিমাণ আয়তন বৃদ্ধি পায়। তাইলে
- 47:40ভাইয়া বলতো যদি আমি এখানে থিটা ডিগ্রি
- 47:42সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি করি তাহলে
- 47:45আমাদের আয়তনের বৃদ্ধিটা কতটুকু হবে?
- 47:47ডেলটা ভি সমান সমান ভি নট ইনটু থিটা
- 47:50ডিভাইডেড বাই 273.15
- 47:53হবে না? তহলে বলতো ভাইয়া নতুন আয়তন কত
- 47:56হবে? নতুন আয়তন ভি সমান সমান হবে ভি নট
- 47:59প্লাস ভি নট ইনটু থিটা ডিভাইডেড বাই বা
- 48:04রাখি ভি নট ডিভাইডেড বাই 273.15
- 48:08ইনটু থিটা ইনটু হচ্ছে থিটা। সো আমাদের
- 48:11চার্লসের সূত্রের গাণিতিক প্রকাশ কিন্তু
- 48:13ভাইয়া এটা। এবং এখানে গুরুত্বপূর্ণ
- 48:15ব্যাপার হচ্ছে এই থিটার মানটা কিসে বলতো?
- 48:18এটা কিন্তু ডিগ্রি সেলসিয়াস এককে হবে। এটা
- 48:20খেয়াল রেখো। আর এইটা হচ্ছে আমাদের 0
- 48:23ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় যেই আয়তনটা
- 48:26ঠিক আছে জির ডিগ্রি সেলসিয়াসে গ্যাসের
- 48:28আয়তন জিরো ডিগ্রিতে গ্যাসের আয়তন
- 48:34গ্যাসের আয়তন এটা অবশ্যই একটা নির্দিষ্ট
- 48:37চাপে ঠিক আছে কারণ চাপ পরিবর্তন করলে কি
- 48:41হবে চাপ পরিবর্তন করলে কিন্তু আয়তনের
- 48:44পরিবর্তন হয়ে যাবে এবার আসো আমরা যদি
- 48:47একটু এই রিলেটেড গ্রাফটা দেখে ফেলি
- 48:50গ্রাফটা যদি একটু দেখে ফেলি দেখো আমাদের
- 48:54মেইন যে সূত্র ছিল ভি সমান সমান ভি নট ভি
- 48:57সমান সমান ভি নট প্লাস ভি নট ইনটু
- 49:04এইযে এটা এখান থেকে দেখো অক্ষ বরাবর আমরা
- 49:07যদি ভিটাকে রাখি এক্স অক্ষ বরাবর যদি
- 49:10থিটাটাকে রাখি আমরা জানতে চাই যে
- 49:12তাপমাত্রা পরিবর্তনের সাথে সাথে গ্যাসের
- 49:14আয়তন কিভাবে পরিবর্তন হচ্ছে এখান থেকে
- 49:17দেখো আমাদের এইটাকে আমরা বসাই ওয়াই অক্ষ
- 49:20বরাবর এটাকে আমরা বসাইছি এক্স অক্ষ বরাবর
- 49:23এর সাথে যেই পার্টটা আছে এটা তো
- 49:25কনস্ট্যান্ট এটা এম দিলাম আর প্লাস হচ্ছে
- 49:28এটাও একটা কনস্ট্যান্ট এটাকে সি বললাম
- 49:31তাহলে দেখো এই কিন্তু আমাদের সেই
- 49:34সরল রেখার সমীকরণ তাই না এটা হচ্ছে আমাদের
- 49:37সেই সরল রেখার সমীকরণ তো এই সরল রেখার
- 49:40সমীকরণে
- 49:42আমরা যদি সরলরেখার সমীকরণটা আকি সরি এই
- 49:45গ্রাফটা যদি আকি গ্রাফ আকলে কেমন হবে দেখো
- 49:48যে সি যেহেতু পজিটিভ তার মানে এটাও অক্ষের
- 49:50পজিটিভ দিক থেকে কাট করবে। তাহলে অক্ষের
- 49:53পজিটিভ দিক থেকে কাট করলে এইরকম টাইপের
- 49:55একটা গ্রাফ কিন্তু আমরা এখানে পাবো। ঠিক
- 49:57আছে? যে এইখানে আমাদের এই যে সি অংশে
- 50:01যতটুকু এটা কাট করছে এইটাই কিন্তু আসলে কি
- 50:03নির্দেশ করছে বলতো? এই সিটাই কিন্তু
- 50:05আমাদের ভি নট নির্দেশ করছে। অর্থাৎ জিরো
- 50:07ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় গ্যাসের
- 50:09আয়তনটা কত? সেইটা। এবং মজার ব্যাপার
- 50:12হচ্ছে যে আমরা কিন্তু এইখানে যেই গ্রাফটা
- 50:15আকছি এই গ্রাফটা কিন্তু একটা প্রত্যেকটা
- 50:19পয়েন্টের চাপ কিন্তু সুষম। প্রত্যেকটা
- 50:21পয়েন্টে একই চাপ। একই চাপ। প্রত্যেকটা
- 50:23পয়েন্টের চাপটা একই রকম। এটা একটা
- 50:25সমচাপীয় রেখা। এইটা একটা কি রেখা? এইটা
- 50:28হচ্ছে একটা সমচাপীয় রেখা। এটাকে আমরা
- 50:32ইংরেজিতে বলি আইসোবারিক লাইন। আইসোবারিক
- 50:36লাইন। ঠিক আছে? আচ্ছা। তো এখান থেকে দেখো
- 50:41আমাদের
- 50:43গ্রাফটা এরকম হবে। ক্লিয়ার কোন সমস্যা
- 50:45নাই। এই পয়েন্টটা একটা স্পেশাল পয়েন্ট। এই
- 50:47পয়েন্টার দিকে তুমি যদি একটু লক্ষ্য করো
- 50:49তাইলে দেখো এই পয়েন্টে কিন্তু আমাদের
- 50:51গ্যাসের আয়তনটা দেখো শূন্য হয়ে গেছে।
- 50:53এখানে গ্যাসের আয়তন এতটুকু। এই তাপমাত্রায়
- 50:55গ্যাসের আয়তন এতটুকু। এই তাপমাত্রায়
- 50:57গ্যাসের আয়তন এতটুকু। এই জায়গায় কিন্তু
- 50:58গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়ে গেছে। তো এই
- 51:00তাপমাত্রাটা আসলে কত? সেই তাপমাত্রাটা
- 51:02আমরা মেজার করতে চাই। তাহলে দেখো মেইন যে
- 51:05সূত্র ছিল আমাদের এই যে সূত্রটা ছিল
- 51:08সূত্রটার দিকে তুমি যদি তাকাও তাহলে দেখো
- 51:12ভি এর মান কখন শূন্য হচ্ছে এইটা আমরা বের
- 51:14করতে চাই দেখোতোভি নট প্লাস ভি নট
- 51:17ডিভাইডেড বাই 273.15
- 51:20ই থিটা সো এখান থেকে যেটা আসছে তুমি একটু
- 51:24যদি এদিক ওদিক করো তাহলে দেখো এখান থেকে
- 51:26আসছে থিটা সমান সমান - 273.15
- 51:29ডিগ্রি সেলসিয়াস জাস্ট এপাশ ওপাশ করো
- 51:31দেখবা এই থিটা সমান এটা আসলো তার মানে কি
- 51:34যে এই তাপমাত্রাটা এমন একটা তাপমাত্রা যেই
- 51:37তাপমাত্রায়যে মাইনা 273.15
- 51:40ডিগ্রি সেলসিয়াস। এটা এমন একটা তাপমাত্রা
- 51:42যেই তাপমাত্রায় লক্ষ্য করে দেখো আমাদের
- 51:44গ্যাসের আয়তন কি হয়ে গেছে? শূন্য হয়ে
- 51:46গেছে। এই স্পেশাল তাপমাত্রাটার আমরা নাম
- 51:48দেই পরম শূন্য তাপমাত্রা।
- 51:51যেই তাপমাত্রায় গ্যাসের আয়তন শূন্য হয়
- 51:53সেই তাপমাত্রাটাকে আমরা বলছি পরম শূন্য
- 51:56তাপমাত্রা। ঠিক আছে। আশা করি বুঝতে পারছো।
- 52:00ওকে।
- 52:01গেল। আচ্ছা। যদি আমাদেরকে বলে যে
- 52:04তাপমাত্রা কি এর নিচে নামা সম্ভব? উত্তর
- 52:07হচ্ছে না। কারণ দেখো যদি তুমি এই লাইনটাকে
- 52:10আরো এক্সটেন্ড করো সমীকরণ তো সরল রেখার
- 52:12সমীকরণ। আরো এক্সটেন্ড করলে কি হবে? এই
- 52:14নিচের দিকে চলে গেল না? তাহলে নিচের দিকে
- 52:16চলে গেলে এই জায়গার আয়তনগুলা কি আর
- 52:18পজিটিভ থাকলো? নেগেটিভ আয়তন হয়ে যাচ্ছে।
- 52:20ভাইয়া গ্যাসের আয়তন নেগেটিভ কখনো হবে?
- 52:22হবে না। তো তাহলে এইটা কিন্তু এই পর্যন্তই
- 52:26থাকবে। আশা করি বুঝতে পারছো। এখন আরেকটা
- 52:29ছোট্ট জিনিস একটু বলে রাখি। এই গ্রাফটা তো
- 52:32আমরা দেখলাম কিসের জন্য বলতো? এইটা তো
- 52:35দেখলাম সমচাপীয় রেখা একটা কন্ডিশনের জন্য
- 52:39একটা চাপের জন্য একটা নির্দিষ্ট চাপের
- 52:41জন্য। এখন যদি আমাদের দুইটা ভিন্ন ভিন্ন
- 52:44চাপের জন্য গ্রাফ আঁকি তাহলে কিন্তু
- 52:46গ্রাফটা কেমন হবে দেখো দুইটা ভিন্ন ভিন্ন
- 52:49চাপের জন্য গ্রাফ আকলে একটা গ্রাফ হবে এমন
- 52:51একটা গ্রাফ হবে এমন। সো এটা মনে করলাম
- 52:53পিওয়ান চাপের জন্য গ্রাফটা আকা। এটা হচ্ছে
- 52:55পিটু চাপের জন্য গ্রাফটা আঁকা। খেয়াল করে
- 52:57দেখো এই গ্রাফের উপরে প্রত্যেকটা পয়েন্টে
- 53:00কিন্তু প্রেসার পিটু। প্রত্যেকটা পয়েন্টে
- 53:02প্রেসার পিটু। আর এই গ্রাফের উপরে
- 53:04প্রত্যেকটা পয়েন্টে কিন্তু প্রেসার কত?
- 53:05প্রত্যেকটা পয়েন্টে প্রেসার হচ্ছে পিও।
- 53:08ঠিক আছে? আশা করি বুঝতে পেরেছ। ওকে? সো
- 53:11আমরা এখান থেকে কোন প্রেসারটা বড় কোন
- 53:13প্রেসারটা ছোট এটা কিভাবে বুঝবো? খেয়াল
- 53:16করে দেখো আমরা এই দুইটা গ্রাফের যদি একটু
- 53:20ঢালের দিকে তাকাও। বলতো কোনটার ঢাল বড়?
- 53:22এই পিওয়ান এর ঢাল বড় না। আমাদের এখানে
- 53:25দেখোতো এই যে এম এই ঢাল সমান সমান কি ছিল?
- 53:29ভি নট ডিভাইডেড বাই 273.15।
- 53:34আচ্ছা তো বলতো এইটার মধ্যে যার আয়তন বড়
- 53:38যেটার আয়তন বড় সেটার ঢালটাও কি বড় হবে
- 53:41না বলতো? যেটার আয়তন ছোট সেটার ঢালটাও
- 53:44কিন্তু ছোট হবে। তুমি দেখো এই এম এর সাথে
- 53:45এটা তুলনা করছি। ঠিক আছে? সো যেখানে যেটার
- 53:48ঢাল বড়। যেই গ্রাফের ঢাল বড় সেই গ্রাফের
- 53:50কিন্তু শূন্য তাপমাত্রার আয়তনটা বড়। আর
- 53:52যেই গ্রাফের ঢাল ছোট সেইটার কিন্তু শূন্য
- 53:55তাপমাত্রার 0 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার
- 53:57আয়তনটা তার ছোট। এখন বলতো কখন আয়তন ছোট
- 54:01হয়? যখন চাপ বেশি? যখন আয়তন বড় তখন তো
- 54:04চাপ কম। তার মানে কি? যেইখানে ঢালটা বড়
- 54:08সেইখানের আয়তনটা বড় কিন্তু প্রেসারটা
- 54:11কিন্তু কম। কথা বুঝছো? তাহলে এই প্রেসারটা
- 54:14কিন্তু কম। এই প্রেসারটা বেশি অর্থাৎ পি
- 54:16ওয়ান কিন্তু বড়। পিট সরি পি ওয়ান
- 54:19কিন্তু ছোট। পি ওয়ান কিন্তু ছোট। পিটু
- 54:22কিন্তু বড় এটা কি বুঝতে পারছো কিনা দেখো।
- 54:24সো আমাদের। কাহিনী হচ্ছে যে এখান থেকে
- 54:28দেখলাম যে এইযে দেখো এম যেটা ঢাল এই ঢালটা
- 54:32কার বেশি পিওয়ান এর ঢাল বেশি তাহলে যার
- 54:35ঢাল বড় ঢাল কি নির্দেশ করে ভি নট বা এটাকে
- 54:38সো যার ঢাল বড় তার ভি নট বড় অর্থাৎ শ্য
- 54:40ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা তার আয়তন বড়
- 54:42তাহলে আয়তন বড় মানে কি চাপ কম না তার মানে
- 54:45পিওয়ানটা কিন্তু কম পিটটা কিন্তু বেশি
- 54:47অথবা তুমি সি এর দিকে তাকাও চিন্তা করতে
- 54:49পারো দেখো এইটার সিটা হচ্ছে ছোট্ট এইযে
- 54:52এইটার সিটা ছোট্ট আর এইটার সিটা বড় সো তো
- 54:55আমাদের যদি
- 54:58চাপ বেশি হয় তাইলে তো আয়তন ছোট হবে। তাই
- 55:00না? একটা নির্দিষ্ট
- 55:04ইয়াতে যদি আমরা চিন্তা করি একটা নির্দিষ্ট
- 55:05তাপমাত্রায় যদি আমরা চিন্তা করি দেখো এই
- 55:07যে একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রা হচ্ছে এইটা।
- 55:10সো এই নির্দিষ্ট তাপমাত্রায়,
- 55:12তুমি খেয়াল করো। এদিক বরাবর ছিল ভলিউম।
- 55:15সো এইখানে একটা পয়েন্ট আর এইখানে একটা
- 55:19পয়েন্ট। তাই না? সো এই পয়েন্টের কিন্তু
- 55:22ভলিউম টা কম। আর এই পয়েন্টের ভলিউমটা
- 55:24বেশি। স আমাদের এখান থেকেও তুমি যদি ওই যে
- 55:28কি বলে পিও ভিওয়ান পিটু ভিটু করো তাইলে
- 55:32কিন্তু এখান থেকেও সেইম রেজাল্ট আসছে। যে
- 55:34এই পয়েন্টে এখানে ভলিউম যেহেতু কম তাই
- 55:36এটার প্রেসার বেশি। এখানকার ভলিউম যেহেতু
- 55:38বড় তাই এটার প্রেসারটা কম। আশা করি বুঝতে
- 55:40পারছো। এই জিনিসটা কিন্তু যদি অবজেক্টিভে
- 55:42আসে অনেকে এটা পেচায় ফেলে। যে পিওয়ানটা বড়
- 55:45মনে করে পিটটা ছোট মনে করে। এটা খেয়াল
- 55:46রেখ। কিন্তু উল্টাটা আগেরটা একটু আগেরটার
- 55:49মতন না। ঠিক আছে? টিওয় যেমন আগে বেশি
- 55:51ছিলটিটু ছোট ছিল যেটা বাইরের দিকে ওটা বড়
- 55:53ছিল এখানে কিন্তু এরকমটা না ঢালের ঠিক
- 55:55ইনভার্সলি কিন্তু এটা চেঞ্জ হচ্ছে আচ্ছা
- 56:00ঠিক আছে এখন আসো আমরা দেখি স্থির চাপে কোন
- 56:02নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের আয়তন গ্যাসটা পরম
- 56:04তাপমাত্রার সমানুপাতিক এই সূত্রটা হচ্ছে
- 56:07চার্লসের সূত্রের বিকল্প রূপটা এটা হলো
- 56:09চার্লসের সূত্রের বিকল্প রূপটা আমরা যদি
- 56:12মূল সূত্রটার দিকে তাকাই সেটা কি ছিল ভি
- 56:14সমান সমান ছিল ভি নট প্লাসভি নট ডিভাইডেড
- 56:17বাই 273 পফ ই থিটা তাই না এখান থেকে খেয়াল
- 56:22করো যদি আমরা ভি নটটাকে কমন নেই তাহলে কি
- 56:24আসছে ও প্লাস থিটা ডিভাইডেড বাই 273.15
- 56:29এখান থেকে ভি নট ইনটু নিচের দিকে যদি রাখো
- 56:33273.15
- 56:34এখানে আসছে 273.15
- 56:37প্লাস থিটা বলতো এইযে 273.15 প্লাস থিটা।
- 56:41থিটাটা তো ডিগ্রি সেলসিয়াসে ছিল তাই না?
- 56:43তাহলে এই কনভার্শনটা মূলত কিসে হয়ে গেল?
- 56:46কেলভিন এককে হয়ে গেল না? অর্থাৎ এটা আমরা
- 56:48পরম তাপমাত্রা টি দিয়ে প্রকাশ করতে পারি।
- 56:50তাহলে খেয়াল করো তো এই পুরা পার্টটা তো
- 56:52আসলে ভাইয়া কনস্ট্যান্ট। এই পুরা পার্টটা
- 56:55তো কনস্ট্যান্ট। তাহলে ভি ইজ প্রপোরশনাল
- 56:57টু কি লেখা যায়? লেখা যায়। এটাই বলছে
- 56:59স্থির চাপে চাপ যদি স্থির থাকে নির্দিষ্ট
- 57:02ভরের কোন গ্যাসের আয়তন গ্যাসটার পরম
- 57:04তাপমাত্রার সমানুপাতিক। গ্যাসের আয়তন
- 57:06গ্যাসের পরম তাপমাত্রার সমানুপাতিক। তুমি
- 57:09যদি ওইখান থেকে একটু মিলাইতে চাও যে হ্যাঁ
- 57:11পিভি সমান এনরটি সূত্র থেকে একটু মিলাই
- 57:13তো। দেখো নির্দিষ্ট ভরের কোন একটা গ্যাস
- 57:16স্থির চাপে রাখলে আর তো ফিক্স টি তাহলে ভি
- 57:19ইজ প্রপোরশনাল টু টি না আশা করি বুঝছো সো
- 57:22আমরা যদি এখানে ভি ভারসেস টি এর গ্রাফটা
- 57:24দেখি ভাইয়া ভি ভারসেস টি এর গ্রাফ যে
- 57:27এদিকে হচ্ছে ভি এদিকে হচ্ছে টিভি ভারসেস
- 57:31টি এর গ্রাফ যদি দেখি ভি ভারসেস টি এর
- 57:35গ্রাফ যদি দেখি তাহলে গ্রাফটা কেমন হবে
- 57:37খুবই সিম্পল আমাদের এখানে দেখো এইযেভি
- 57:41সমান সমান যেহেতু এ আর ডিভাইডেড বাই পি
- 57:45ইনটুটি হচ্ছে এনর ডিভাইডেড বাই পি ইনটুটি
- 57:48হচ্ছে তাহলে এখান থেকে কিন্তু দেখো এই
- 57:51ভিটা হচ্ছে আমরা বসাইছি ওয়াই অক্ষ বরাবর
- 57:53টিটাকে আমরা বসাইছি এক্স অক্ষ বরাবর এবং
- 57:56এই পুরা পার্টটা হচ্ছে আমাদের ঢাল এম তার
- 57:58মানে এখানে কিন্তু গ্রাফটা কেমন হবে
- 58:01গ্রাফটা হবে এইরকম
- 58:04ঠিক আছে এইখানে যে গ্রাফটা হলো এখানে
- 58:06খেয়াল করে দেখো একটা পিওয়ান ধরলাম একটা
- 58:08পিটু ধরলাম এখান থেকে আসলে কিন্তু বোঝা
- 58:11একেবারে ইজি তুমি দেখো কোন প্রেসারটা বড়
- 58:13কোন প্রেসারটা ছোট হবে এখানে যার ঢাল বড়
- 58:16এম সমান সমান যেহেতু এন আর ডিভাইডেড বাই
- 58:19পি তাহলে যার ঢাল বড় তার কিন্তু প্রেসার
- 58:21কম তাহলে যার ঢাল বড় কার ঢাল বড় এখানে
- 58:23কোনটা বেশি খারাপ পিওয়ান বেশি খারাপ তার
- 58:25মানে পিওয়ান কিন্তু ছোট হবে কারণ এর ঢাল
- 58:27বড় যার ঢাল বড় তার পি কম সো পি কম পিটু বড়
- 58:31আশা করি বুঝতে পেরেছ ঠিক আছে এছাড়া আমরা
- 58:34যদি আরেকটা গ্রাফ একটু দেখে ফেলি যে ভি
- 58:38বাইটি ভারসেসভিবাটি
- 58:41টি ভারসেস
- 58:43আরেকটা ছোট্ট গ্রাফ একটু যদি দেখায় ফেলি
- 58:46যে ভি বাইটি ভারসেস হচ্ছে ভি সো বলতো
- 58:50ভলিউম যতই চেঞ্জ হোক না কেন ভি বাইটি এর
- 58:52অনুপাতটা কি ফিক্স থাকবে না এইযে আমরা এই
- 58:55এখান থেকে যদি দেখি দেখো এইখান থেকে যদি
- 58:57আসিভি বাইটি এটা সমান সমান কি হচ্ছে এন আর
- 59:01ডিভাইডেড বাই পি হচ্ছে তো আমাদের
- 59:03নির্দিষ্ট ভর স্থির চাপ তাহলে পুরা
- 59:05পার্টটা কি আসলে কনস্ট্যান্ট না
- 59:06তাহলেভিবাটি এর মানভি তুমি যতই বাড়াও না
- 59:08কেন সেই অনুপাতে কিন্তু টিও বাড়বে যতই
- 59:11বাড়াও না কেনভিবাটি এর অনুপাত কিন্তু
- 59:13সবসময় কনস্ট্যান্ট থাকবে। তাহলে এখান থেকে
- 59:15দেখোভিবাটি এর অনুপাত কনস্ট্যান্টভি বাটি
- 59:18এর অনুপাত কনস্ট্যান্ট। সো এখান থেকে বলতো
- 59:20এবার দেখি যে কোনটার প্রেসার বড় এটা
- 59:23পিওয়ান এর জন্য আখছি। এটা পিট এর জন্য
- 59:25আখছি। বলতো কোনটার প্রেসার বড় হবে। সো
- 59:28বুঝতেই পারছো যেইটার ভিবাটি এর রেশিওটা
- 59:31বড়। এইটার ভিবাটি বড়। এটার ভিবাটি ছোট। এই
- 59:34গ্রাফের। সো যেটার ভিবাটি এর মানটা বড় তার
- 59:36কিন্তু প্রেসারটা কি হবে? কম হবে। তাহলে
- 59:38এইটার ভিবাটি বড়। তাহলে এটার প্রেসার কম।
- 59:40এটারভিবাটি ছোট এটার প্রেসার বেশি স তার
- 59:43মানে কি পিওয়ান কিন্তু এখানে ছোট পিটু এর
- 59:46থেকে আশা করি বুঝতে পেরেছ ডান ডানা ডান
- 59:50ডান ওকে এইবার আসো আমাদের যে পরের
- 59:54অনুসিদ্ধান্তটা আছে সেটার দিকে যদি একটু
- 59:56যাই এখানে কি বলছে চার্লসের সূত্রের
- 59:59অনুসিদ্ধান্ত ঘনত্বের সাথে তাপমাত্রার
- 1:00:01সম্পর্ক স্থির চাপে কোন নির্দিষ্ট গ্যাসের
- 1:00:04ঘনত্ব গ্যাসটার পরম তাপমাত্রার সাথে
- 1:00:06ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয় তার মানে কি
- 1:00:08বলছে দেখো যে গ্যাসের ঘন ঘনত্ব তাপমাত্রার
- 1:00:11সাথে ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয় পরম
- 1:00:13তাপমাত্রার সাথে। সো তাপমাত্রা বাড়লে
- 1:00:15নাকি ঘনত্বটা কমবে।
- 1:00:18আচ্ছা আরেকটা জিনিস একটু ছোট করে মাথায়
- 1:00:20রাখো সেটা হচ্ছে দেখো এইযেভি প্রপোরশনাল
- 1:00:23টু কিন্তুটি যে লিখলাম এইখানে কিন্তু
- 1:00:26খেয়াল রেখো এটা কিন্তু টিটা কোন এককে?
- 1:00:28কেলভিন এককে। সো যখন আমরা এই যে কি বলে
- 1:00:32পিভি সমান এনরটি লিখছিটি কিন্তু সবসময়
- 1:00:34আমরা কেলভিন এককে এখানে বসাবো। এটা খেয়াল
- 1:00:36রেখো। সো রো ইজ প্রপোরশনাল টু ওয়ান বাই
- 1:00:39টি। এটা হচ্ছে আমাদের চার্লসের সূত্রের
- 1:00:40অনুসিদ্ধান্ত। ঘনত্বের সাথে তাপমাত্রা
- 1:00:42সম্পর্ক যে যদি চাপ ঠিক থাকে যদি আমরা
- 1:00:45একটা স্থির চাপ। চাপ যদি ফিক্সড রাখি
- 1:00:48তাহলে দেখা যাবে তাপমাত্রা যত বাড়ানো হবে
- 1:00:51গ্যাসের ঘনত্ব তত কমবে। তত দূরে দূরে
- 1:00:53যাবে। যত তাপমাত্রা বাড়ানো হবে তত গ্যাসের
- 1:00:56ঘনত্ব। কিন্তু যত তাপমাত্রা বাড়বে তত
- 1:00:59কিন্তু গ্যাসের ঘনত্ব কমতে থাকবে। কারণ
- 1:01:01কি? যদি বেশি ভলিউম তারা দখল করে ফেলে
- 1:01:05তাহলে সমান ভর বেশি ঘন বেশি আয়তন জুড়ে
- 1:01:08তারা যখন ছড়ায় যাবে ঘনত্ব কমে যাবে।
- 1:01:10অন্যদিকে তাপমাত্রা যদি কমায় দাও তারা
- 1:01:12যদি কাছাকাছি চলে আসে। আয়তন যদি কমে যায়
- 1:01:14তাহলে কি এখন ওই অল্প আয়তনে এখন বেশি
- 1:01:17পরিমাণ ভর তাহলে ঘনত্ব বেড়ে গেছে। সো
- 1:01:19তাহলে তাপমাত্রা কমালে ঘনত্ব বাড়বে।
- 1:01:21তাপমাত্রা বাড়ালে ঘনত্ব কিন্তু কমবে। সো
- 1:01:23ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়। এছাড়াও
- 1:01:25আমরা যে ওই যে মনে আছে একটা সূত্র দেখায়
- 1:01:27আসছিলাম না পিএম সমান সমান কি ছিল? রটি
- 1:01:30ছিল। সো এখান থেকেও খেয়াল করে দেখো যে
- 1:01:33আমাদের যদি প্রেসার থাকে ফিক্সড এম থাকে
- 1:01:36ফিক্সড আরও তো ফিক্স তাহলে কি রো আরটি
- 1:01:39হচ্ছে কনস্ট্যান্ট রো আরটি হচ্ছে
- 1:01:41কনস্ট্যান্ট তাহলে রো ইজ প্রপোরশনাল টু কি
- 1:01:43হবে এখান থেকে আমরা এটাও লিখতে পারি
- 1:01:46রোওয়ান টি ওয়ান ইজ ইকুয়ালস টু রোটটি
- 1:01:49ঠিক আছে এটা কিন্তু চার্লসের সূত্রের
- 1:01:51আরেকটা প্রকার ঠিক আছে বা চার্লসের
- 1:01:54সূত্রের অনুসিদ্ধান্ত অনুযায়ী আমরা এই
- 1:01:56সূত্রটা কিন্তু নিয়ে আসতে পারি আশা করি
- 1:01:59বুঝতে পেরেছো
- 1:02:02সো দেখি এবার পরের প্রশ্নটা দেখো কি বলছে
- 1:02:04এখানে একক চাপে একক চাপে এক মোল কোন
- 1:02:08গ্যাসের আয়তন বনাম পরম তাপমাত্রা
- 1:02:10লেখচিত্রের ঢাল কি নির্দেশ করে এটা একটা খ
- 1:02:13নাম্বার প্রশ্নর জন্য এটা দেওয়া হয়েছে
- 1:02:16চল আমরা কি বলছে একক চাপে তার মানে পি এর
- 1:02:19মান হচ্ছে ধর ওয়ান ইউনিট বলা আছে একক চাপ
- 1:02:23পি এর মান বলা আছে মনে করো ওয়ান ইউনিট এন
- 1:02:27এর মান বলা আছে ওয়ান মোল আচ্ছা কোন
- 1:02:30গ্যাসের আয়তন বনাম পরম তাপমাত্রা। সো ভি
- 1:02:33ভারসেস টি এর গ্রাফের কথা বলছে। ভি ভারসেস
- 1:02:36টি এর গ্রাফ আয়তন বনাম পরম তাপমাত্রার
- 1:02:39লেখচিত্রের ঢাল কি নির্দেশ করে। তো ভাইয়া
- 1:02:41লেখচিত্রটা কেমন হয় আমরা একটু আগে দেখছি।
- 1:02:43লেখচিত্রটা হয় একদম সরল রেখা। সভি সমান
- 1:02:46সমান সূত্রটা কি ছিল? এন আর ডিভাইডেড বাই
- 1:02:49পি ইটি ছিল। তাই না? পভি সমান এনরটি। তো
- 1:02:53এখান থেকে দেখো যে আমাদের এই যে ভিটা এটা
- 1:02:57হচ্ছেও অক্ষ বরাবর। দেখো আয়তন বনাম পরম
- 1:03:00তাপমাত্রা বলছে। সো এটা হচ্ছে আমরা y অক্ষ
- 1:03:02বরাবর নিছি। এই যেটা আছে সেটা আমরা এক্স
- 1:03:05অক্ষ বরাবর নিছি। তাহলে দেখো তো
- 1:03:07লেখচিত্রের যে ঢাল সে ঢাল আসলে কোনটা?
- 1:03:10লেখচিত্রের ঢাল হচ্ছে এইটা। তাহলে
- 1:03:12লেখচিত্রটার ঢাল হচ্ছে এন আর ডিভাইডেড বাই
- 1:03:15পি। এখন আমাদেরকে বলছে একক চাপ এবং এক মোল
- 1:03:18কোন গ্যাসের আয়তন। সো একক চাপ মানে পি এর
- 1:03:21মান ওয়ান হয়ে গেল। এন এর মান ওয়ান হয়ে
- 1:03:23গেলে এম এর মান থাকে কিন্তু শুধুমাত্র আর।
- 1:03:26তার মানে ভাইয়া যদি একক চাপে তুমি এক মোল
- 1:03:29কোন একটা গ্যাসের আয়তন বনাম তাপ পরম
- 1:03:32তাপমাত্রার একটা গ্রাফ আকো সেই গ্রাফের
- 1:03:34ঢাল কি নির্দেশ করবে? সেই গ্রাফের ঢাল
- 1:03:37কিন্তু নির্দেশ করবে আমাদের আর কে। এই
- 1:03:40গ্রাফের যে ঢাল সেই ঢাল কিন্তু নির্দেশ
- 1:03:43করবে আমাদের সার্বজনীন গ্যাস ধ্রুবক বা
- 1:03:47মোলার গ্যাস ধ্রুবকটাকে নির্দেশ করবে। আশা
- 1:03:49করি বুঝছো। ওকে? দেখো কোন লেখচিত্রটা
- 1:03:52চার্লসের সূত্রের জন্য প্রযোজ্য। সো দেখো
- 1:03:55খেয়াল করবা ভি এর সাথে ডিগ্রি সেলসিয়াস এর
- 1:03:57যখন তখন কি এটা খাটবে? খাটবে না। ভি এর
- 1:03:59সাথে ডিগ্রি সেলসিয়াস এমনে করে পরিবর্তন
- 1:04:01হবে? হবে না। ভি এর সাথে ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 1:04:03এমনে হবে না। সো গ নাম্বারটা কিন্তু
- 1:04:05আমাদের উত্তর আশা করি স্ক্রিনে দেখা
- 1:04:07যাচ্ছে। সো টেম্পারেচার বাড়ছে। সেই সাথে
- 1:04:09আমাদের কিভাবে পরিবর্তন হচ্ছে আশা করি
- 1:04:11বুঝতে পেরেছ। ওকে আচ্ছা একটু ছোট জিনিস
- 1:04:14দেখে আসি। যদিও খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ যে
- 1:04:17তা না। তবু একটু বলি। বলতো তোমরা কি চাইলে
- 1:04:19এই এঙ্গেলটা বের করতে পারবা না? এই থিটার
- 1:04:22মানটা কত? এটা কি বের করতে পারবা না যে এই
- 1:04:24গ্রাফটা আমাদের এটার সাথে কত কোণে আছে?
- 1:04:25অবশ্যই পারবা। কারণ দেখো ঢাল সমান সমান
- 1:04:28যেহেতু এইটা দেওয়া আছে আমরা এই ঢাল সমান
- 1:04:30সমান কি লিখতে পারি? থিটা লিখতে পারি না।
- 1:04:32এই থিটাটা কিন্তু আবার খেয়াল রেখো এটা টাচ
- 1:04:35করি। এটাকে আলফা দিয়ে প্রকাশ করি। এই
- 1:04:37কোণটাকে একটু আলফা দিয়ে প্রকাশ করি।
- 1:04:40আমাদের এটা সমান কিন্তু লেখা যাবে টান
- 1:04:42আলফা। সো তুমি যদি সামহাউ ভি নট এর মান
- 1:04:45বের করতে পারো তাইলে কিন্তু আলফার মানটা
- 1:04:47কত সেটাও কিন্তু বের করে ফেলতে পারবা এটা
- 1:04:49আসে না তবুও গ্রাফ থেকে যেহেতু প্রশ্ন
- 1:04:52চাইলে করতেই পারে সো মাথায় রেখো ওকে ডান
- 1:04:55পরের প্রশ্নে যাই দেখো কি বলছে 40 ডিগ্রি
- 1:04:57সেলসিয়াস তাপমাত্রায় একটা গ্যাসকে স্থির
- 1:05:00চাপে উত্তপ্ত করে এই যে দেখো এটা হচ্ছে
- 1:05:02ক্লু স্থির চাপে উত্তপ্ত করা হয়েছে বলছে
- 1:05:05স্থির চাপে সো তার মানে এটা কিন্তু
- 1:05:07চার্লসের সূত্র ভিওবাটিও সমান ভিটবাটিট
- 1:05:10ওখান থেকে আসতে হবে আমরা এখান থেকে যদি
- 1:05:12দেখি যে উত্তপ্ত করে আয়তনটা দ্বিগুণ করা
- 1:05:15হলো। উত্তপ্ত করে আয়তন দ্বিগুণ করা হলো।
- 1:05:17উদ্দীপকের গ্যাস নিচের কোন সূত্রটা সমর্থন
- 1:05:21করে? তাহলে খেয়াল করো উদ্দীপকটির গ্যাস
- 1:05:23নিচের কোন সূত্র সমর্থন করবে? চার্লসের
- 1:05:25সূত্র সমর্থন করবে। এটা তো আর অংক করারই
- 1:05:26দরকার নাই। দেখি পরের অংশে আমাদেরকে কি
- 1:05:29বলছে যে গ্যাসটার চূড়ান্ত তাপমাত্রা কত
- 1:05:31বের করতে হবে। তো আমাদের প্রথমে তাপমাত্রা
- 1:05:34কত ছিল? 40 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা
- 1:05:36ছিল। স্থির চাপে আয়তন দ্বিগুণ করা
- 1:05:38হয়েছে। তো আমরা যদি এখানে দেখো যে
- 1:05:41চার্লসের সূত্রের জন্য আমরা কি লিখতে
- 1:05:43পারি? ভিও বাইটিও সমান সমান হচ্ছে ভিট
- 1:05:45ডিভেডবাটিট। ভাই এটা কোত থেকে আসলো? এই যে
- 1:05:48দেখো এইযে দেখো এখান থেকে যে আমরা লিখলাম
- 1:05:52যে আমাদের ভিজ প্রপোরশনাল টুটিভি
- 1:05:55প্রপোরশনাল টুটি। তাহলে কি লেখা যায়? ইকয়
- 1:05:58কে ইটি তহলে এখান থেকেই তো এইযেভিও
- 1:06:01বাটিও সমান সমান ভিটবাটিট সমান সমান
- 1:06:04কিন্তু এই কনস্ট্যান্ট আসছে তাই নাতো
- 1:06:07তাহলে আমরা এটা আগেও দেখছি যখন পিভি সমান
- 1:06:10এনরটি থেকে আসছিলাম আচ্ছা এখান থেকে যেটা
- 1:06:13বলছেটিট এর মান চূড়ান্ত তাপমাত্রা যেহেতু
- 1:06:15বের করতে হবে তাহলে ভিটু ডিভাইডেডবাও
- 1:06:17ইনটুটিও এখান থেকে আয়তন যেহেতু দ্বিগুণ
- 1:06:20হয়ে গেছে তাহলে ভিওয়ান ভিটু হয়ে গেছে
- 1:06:22হচ্ছেটুভিও ডিভাইডেড বাই ভিওয় আর এটা
- 1:06:25হচ্ছে কত ছিলটিটওয়ান
- 1:06:29টা খেয়াল রেখো খেয়াল রেখো খেয়াল রেখো এই
- 1:06:31টিওয়ান এর মানটা আমরা কি করি জানো টিওয়ান
- 1:06:34এর মানটা এখানে ঠাস করে 40 ডিগ্রি
- 1:06:36সেলসিয়াস বসায় দেই সো যখন এখানে আমরা 40
- 1:06:40ডিগ্রি সেলসিয়াস বসাবো তখন টিট এর মান কত
- 1:06:43আসবে টিট এর মান আসে হচ্ছে 80 ডিগ্রি
- 1:06:45সেলসিয়াস অপশনেও সুন্দর মতন 80 দেওয়া আছে
- 1:06:48দাগায় দেই কাজ শেষ কিন্তু এটা ভুল এটা
- 1:06:51খেয়াল রেখো মাথায় রেখো ভাইয়া আমরা কিন্তু
- 1:06:54সবসময় এখানে
- 1:06:55টেম্পারেচারটা বসাবো কোন এককে? সবসময়
- 1:06:58মাথায় রেখো এটা কিন্তু বসাবো কেলভিন এককে।
- 1:07:00স3 প্লাস 40 এটা খেয়াল রাখতে হবে। তাহলে
- 1:07:05এখান থেকেটিট সমান সমান কত হবে? 2 ই 273
- 1:07:08প্লাস 40 মানে কত হয়? 313 না 313। তাহলে
- 1:07:13আসছে 626।
- 1:07:15626
- 1:07:17এটা কি? 626 এটা হচ্ছে কেলভিনে। সো আমাদের
- 1:07:21এককগুলা সব ডিগ্রি সেলসিয়াসে আছে। তাহলে
- 1:07:23626 থেকে আমরা যদি 273 বাদ দেই তাহলে
- 1:07:26আসছেটিটু সমান সমান 353 ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- 1:07:30সো এখানে আসলো 353 ডিগ্রি সেলসিয়াস।
- 1:07:34ঠিক আছে? আশা করি বুঝতে পারছো। এটা কিন্তু
- 1:07:37খুবই খুবই সুন্দর একটা প্রবলেম। এইটা
- 1:07:39মাথায় রেখো। এই যে আগের অংকটা এটা
- 1:07:42কুমিল্লা বোর্ড 2022 সালের প্রশ্ন।
- 1:07:43বেশিরভাগ এটা এইযে 80 40 দুগুনে 80।
- 1:07:46খবরদার 80 কিন্তু না। এটা মাথায় রেখো।
- 1:07:49এবার আসো পরের প্রবলেমে যাই। দেখো কি
- 1:07:51বলছে? তাত্ত্বিকভাবে গ্যাসের আয়তন শূন্য
- 1:07:53হয় কোন তাপমাত্রায়? সো গ্যাসের আয়তন
- 1:07:56শূন্য হয় আমরা দেখছি দুই মাইনাস 273
- 1:07:58ডিগ্রি সেলসিয়াস বা জিরো কেলভিনে। অর্থাৎ
- 1:08:00ডি হচ্ছে এইটার আনসার। ডান। এবার আসো
- 1:08:04গেলোসেক রেনো বা চাপীয় সূত্র। এই সূত্রটা
- 1:08:08একদমই চার্লসের সূত্রের অনুরূপ। দেখো
- 1:08:10চার্লসের সূত্রে যেটা ছিল যে স্থির চাপে
- 1:08:13তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে আয়তনের পরিবর্তন
- 1:08:15কেমন হয় সেটা নিয়ে। আর গেলুসেকের সূত্র
- 1:08:17বা রেনো সূত্র চাপীয় সূত্রটা হচ্ছে স্থির
- 1:08:19আয়তনে তাপমাত্রা বাড়ার সাথে সাথে চাপের
- 1:08:21পরিবর্তনটা কেমন হয় সেটা নিয়ে। সো আমরা
- 1:08:23এখান থেকে একদম সেইমভাবে যদি আগাই দেখো
- 1:08:27মনে করো জির ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়
- 1:08:30কোন একটা নির্দিষ্ট আয়তনের গ্যাসের চাপ
- 1:08:33ছিল হচ্ছে পি নট। তো আমরা যখন এক ডিগ্রি
- 1:08:36সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলাম তখন
- 1:08:39চাপের বৃদ্ধি কতটুকু হলো? চাপের বৃদ্ধি
- 1:08:43হলো মনে করো
- 1:08:45এক ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে
- 1:08:48চাপের বৃদ্ধি কতটুকু হবে? চাপের বৃদ্ধি
- 1:08:52হবে জির ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার
- 1:08:54চাপেরও বাই 273.15
- 1:08:58এতটুকু পরিমাণ চাপ কিন্তু বৃদ্ধি পাবে।
- 1:09:00তাহলে থিটা ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা
- 1:09:02যদি বৃদ্ধি করি তাহলে চাপের বৃদ্ধি কতটুকু
- 1:09:04হবে? পি নট ডিভাইডেড বাই 273.15
- 1:09:08ইনটু থিটা। তাইতো? তাহলে নতুন চাপ সেটা কত
- 1:09:11হবে? পি সমান সমান পি নট প্লাস পি নট
- 1:09:15ডিভাইডেড বাই পি নট ডিভাইডেড বাই 273.15
- 1:09:21ইট থিটা। সো এখান থেকে খেয়াল করো
- 1:09:23এক্স্যাক্টলি আমরা চার্লসের সূত্রে
- 1:09:25যেরকমটা পাইছিলাম এখানেও কিন্তু সিমিলার
- 1:09:28জিনিস পাচ্ছি। সো এখান থেকে এই যে আমরা
- 1:09:30যদি
- 1:09:31এখান থেকে গ্রাফ আকতে চাই এটা হচ্ছে ওয়াই।
- 1:09:34এটা হচ্ছে সেই সি। এই যে পার্টটুকু আছে
- 1:09:37সেটা হচ্ছে আমাদের এম আর এইটা হচ্ছে
- 1:09:39আমাদের এক্স। সো যদি আমরা এই ওয়াই ভারসেস
- 1:09:42এক্স অর্থাৎ পি ভারসেস থিটার গ্রাফ যদি
- 1:09:44আমরা রাখতে চাই তাহলে কিন্তু দেখো একদম
- 1:09:47চার্লসের সূত্রে যেরকম গ্রাফ আমরা
- 1:09:48পেয়েছিলাম এখানেও কিন্তু এক্সাক্টলি সেই
- 1:09:50রকম গ্রাফই আমরা পাবো। সো এখানেও গ্রাফটা
- 1:09:53ওয় ইকয়াল এমএ প্লাস সি এইরকম গ্রাফটা হবে।
- 1:09:56যেখানে ওয়াই অক্ষ বরাবর কে আছে? পি আছে আর
- 1:09:58এক্স অক্ষ বরাবর আছে হচ্ছে থিটা। সো আশা
- 1:10:01করি বুঝতে পারছো এবং খেয়াল করো এইখানে
- 1:10:03যতটুকু পার্ট এইটুকু পার্ট কি নির্দেশ
- 1:10:05করছে জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার যে
- 1:10:08চাপটা একটা নির্দিষ্ট আয়তনের গ্যাসের
- 1:10:10জিরো ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় যে চাপ
- 1:10:12সেই চাপটা হচ্ছে পি নট আচ্ছা সো আমি আবারও
- 1:10:15যদি এরকম দুইটা গ্রাফ আঁকি সো দুইটা গ্রাফ
- 1:10:18এঁকে ধরো এইটা হচ্ছে আমাদের একটা
- 1:10:20নির্দিষ্ট আয়তনের জন্য এটা আরেকটা
- 1:10:22নির্দিষ্ট আয়তনের জন্য সো এই রেখা গুলাকে
- 1:10:24আমরা কি বলি এই রেখাগুলাকে বলা হয় সম
- 1:10:27আয়তনিক
- 1:10:29সম আয়তন আয়তনিক রেখা। অর্থাৎ এই রেখা
- 1:10:33বরাবর সম আয়তনিক বা আইসোকরিক বলে সম
- 1:10:36আয়তনিক রেখা। এই রেখা বরাবর কিন্তু
- 1:10:40প্রত্যেকটা পয়েন্টে আয়তন সেম। এই রেখা
- 1:10:43বরাবর প্রত্যেকটা পয়েন্টে প্রত্যেকটা
- 1:10:44পয়েন্টে কিন্তু আয়তন সেম। এখন প্রশ্ন
- 1:10:47হচ্ছে যে ভাইয়া কোন আয়তনটা বড়? ভি ওয়ান বড়
- 1:10:49নাকি ভিটু বড়? তো আমরা যদি এখান থেকে একটু
- 1:10:51দেখি বলতো একদম আগের মতন জিরো ডিগ্রি
- 1:10:55সেলসিয়াস তাপমাত্রায় একটা নির্দিষ্ট
- 1:10:57তাপমাত্রায় যদি চাপের মান কম হয় তাহলে
- 1:11:00আয়তনটা কি বেশি না অর্থাৎ ভি ওয়ান
- 1:11:02কিন্তু এখানে বড় ভিটু কিন্তু ছোট সো ভি
- 1:11:04ওয়ান এখানে বড় ভি টু কিন্তু ছোট সো এটা
- 1:11:08খেয়াল রেখো ঠিক আছে আশা করি বুঝতে পারছো
- 1:11:11সো আমরা যদি
- 1:11:13এইবার আমরা এটার যেই বিকল্প রূপটা বিকল্প
- 1:11:18রূপটার দিকে যদি তাকাই দেখো কি বলছে স্থির
- 1:11:20আয়তনে নির্দিষ্ট ভরের গ্যাসের চাপ এর পরম
- 1:11:24বা কেলভিন তাপমাত্রার সমানুপাতিক। অর্থাৎ
- 1:11:26বলছে চাপটা হচ্ছে কেলভিন তাপমাত্রার
- 1:11:29সমানুপাতিক। তো আমরা দেখো মূল যে সূত্রটা
- 1:11:32দেখলাম পি থিটা এটা সমান সমান ছিল পি নট
- 1:11:35প্লাস পি নট ডিভাইডেড বাই 273.15
- 1:11:38ইনটু হচ্ছে থিটা। সো এখান থেকে যদি আমরা
- 1:11:41পি নট টাকে কমন নেই তাহলে কি আসে? পি
- 1:11:44নটাকে কমন নিলে আসছে 273.15
- 1:11:48নিচে আর উপরে আসছে 273.5
- 1:11:51প্লাস থিটা। সো বলতো উপরের অংশটাকে আমরা
- 1:11:55এটাকে যদি 273.5 রাখি উপরের অংশটাকে আমরা
- 1:11:58কিন্তু কেলভিন তাপমাত্রাটি দিয়ে প্রকাশ
- 1:11:59করতে পারি। তাইলে দেখো পি থিটা যেটা বা
- 1:12:02যেকোন তাপমাত্রায় এটার পি থিটা লেখা
- 1:12:03দরকার নাই। শুধু পি থাকুক পি মানে
- 1:12:05বোঝাচ্ছি যেকোনো তাপমাত্রায় যেই চাপটা।
- 1:12:07তো আমাদের এই পার্টটা কিন্তু কনস্ট্যান্ট।
- 1:12:09তাহলে এখান থেকেও আসে পি ইজ প্রপোরশনাল
- 1:12:11টুটি। অথবা আমরা ওই যে মনে আছে যে সমন্বিত
- 1:12:14সূত্র শিখছিলাম পিভি সমান সমান এনআরটি
- 1:12:17সেখান থেকেও তুমি চিন্তা করে দেখো যদি
- 1:12:19আমাদের আয়তনটা নির্দিষ্ট থাকে নির্দিষ্ট
- 1:12:21ভরের কোন একটা গ্যাস আর তো সবসময়
- 1:12:23নির্দিষ্ট তাহলে পি ইজ প্রপোরশনাল টু কি
- 1:12:25হবেটি হবে এবং এখান থেকে কিন্তু আমরা
- 1:12:27লিখতে পারি যে পিও বাইটিও ইকুয়াল পিট
- 1:12:30ডিভাইডেড বাইটিট সো এটা কিন্তু আমাদের
- 1:12:32চাপীয় সূত্রের একটা রূপ আমরা যদি
- 1:12:35গ্রাফটার দিকে তাকাই লক্ষ্য করো গ্রাফটা
- 1:12:37যদি পি ভারসেসটি এর গ্রাফ হয়ও অক্ষ বরাবর
- 1:12:40পি এক্স অক্ষ বরাবরটি তাহলে তাহলে P
- 1:12:41ভার্সেস টি এর গ্রাফে কিন্তু আমরা একদম
- 1:12:44মূলবিন্দুগামী সরলরেখা পাবো। অর্থাৎ দুইটা
- 1:12:46গ্রাফ যদি এখানে হয় একটা ভি ওয়ান একটা ভি
- 1:12:49টু। তুমি খেয়াল করে দেখো এখান থেকে কিন্তু
- 1:12:52বোঝা যাচ্ছে PV সমান সমান এনআরটি। তো আমরা
- 1:12:55যেহেতু এখানে Pি ভার্সেস T এর গ্রাফটা
- 1:12:58নিছি। সো Y অক্ষ বরাবর আছে পি। ওয়াই অক্ষ
- 1:13:00বরাবর এটাকে রাখলাম। এনআর ডিভাইডেড বাই
- 1:13:03ভি। এনআর ডিভাইডেড বাই ভি ইনটুটি। খেয়াল
- 1:13:06করো এটা হচ্ছে আমাদের ওয়াই অক্ষ বরাবর
- 1:13:08এটাকে বসাইছি এক্স অক্ষ বরাবর। এই পুরা
- 1:13:10পার্টটা কিন্তু একটা কনস্ট্যান্ট। তাহলে
- 1:13:11এটাকে এম দিয়ে প্রকাশ করতে পারি। Y
- 1:13:13ইকুয়ালস টু এমএ। সো এইখান থেকে লক্ষ্য করো
- 1:13:16আমাদের ঢাল যেটা আছে সেই ঢালটা কিন্তু
- 1:13:18আসলে এন আর বাই ভি এর সমান। সো আমরা দেখতে
- 1:13:21পাচ্ছি এন আর বাই ভি। এইটা হচ্ছে আমাদের
- 1:13:23এম ঢালের সমান। তো খেয়াল করো যেইটার ঢাল
- 1:13:27বড় যেটা বেশি খাড়া সরলরেখাটা সেই সরলরেখার
- 1:13:30আয়তন কিন্তু আসলে কম নির্দেশ করবে। তো
- 1:13:33আমাদের এখান থেকে কোনটা বেশি খাড়া? ভিওয়ান
- 1:13:35বেশি খাড়া। তাইলে এইটা যেহেতু বেশি খাড়া
- 1:13:37এটার এম যেহেতু বড় তার মানে ভি টা কিন্তু
- 1:13:39ছোট অর্থাৎ এই ভি ওয়ান টা এখানে ছোট আর
- 1:13:41ভি টু টা কিন্তু বড় সো আমরা আশা করি
- 1:13:44কিভাবে করে গ্রাফ থেকে বুঝতে পারব কোন
- 1:13:46আয়তন বড় কোন আয়তন ছোট আশা করি এখন
- 1:13:49ক্লিয়ার ওকে সো আমরা চলো তারপরে কিছু
- 1:13:52আমাদের অনুধাবনমূলক প্রশ্ন একটু দেখে নেই
- 1:13:54চলমান অবস্থায় গ্যাসের চাকার চাপ বৃদ্ধি
- 1:13:57পায় কেন খেয়াল করো চলমান অবস্থায়
- 1:13:59গ্যাসের আমাদের গাড়ির চাকা গাড়ির চাকা
- 1:14:03কিন্তু একদম আয়তনটা ফিক্স থাকে। সো আয়তন
- 1:14:06যদি ফিক্স থাকে তাহলে যত গাড়িটা চলছে তত
- 1:14:10বলতো রাস্তার সাথে ঘর্ষণের ফলে সেখানে কি
- 1:14:12আস্তে আস্তে ওই গ্যাসের তাপমাত্রা বাড়তে
- 1:14:15থাকবে না। সো যত তাপমাত্রা বাড়বে তত কি
- 1:14:18হবে? তার চাপ কিন্তু বাড়তে থাকবে। সো
- 1:14:20এইখানে এটা সুন্দর একটা এক্সাম্পল। আমাদের
- 1:14:22যখন স্থির আয়তনে কিভাবে করে চাপ বাড়ছে
- 1:14:25সেইটার। আমাদের চলমান অবস্থায় কি থাকে?
- 1:14:28গাড়ির চাকার আয়তন চাকার। চাকার ভলিউম
- 1:14:32কিন্তু ফিক্স। তাহলে ফিক্সড ভলিউম থাকলে
- 1:14:34আমাদের যেহেতু রাস্তার সাথে ঘর্ষণে
- 1:14:38রাস্তার সাথে রাস্তার সাথে ঘর্ষণে যে তাপ
- 1:14:43উৎপন্ন হয় সেই তাপের ফলে গ্যাসের
- 1:14:46তাপমাত্রা বাড়ে রাস্তার সাথে ঘর্ষণে তাপ
- 1:14:50উৎপন্ন হয়
- 1:14:52তাপ উৎপন্ন হয় যা গ্যাসের তাপমাত্রা
- 1:14:57বৃদ্ধি করে যা গ্যাসের
- 1:15:01তাপমাত্রা
- 1:15:03বৃদ্ধি করে। সো গ্যাসের যদি তাপমাত্রা
- 1:15:06বৃদ্ধি করে তাহলে কিন্তু আমরা জানি চাপীয়
- 1:15:08সূত্র অনুযায়ী পি ইস প্রপোরশনাল টুটি।
- 1:15:10তাহলে স্থির আয়তনে যদি টিফিক্সটি বাড়তে
- 1:15:13থাকে তাহলে প্রেসারও কি হবে? বাড়তে থাকবে।
- 1:15:15সো চলমান অবস্থায় গাড়ির চাকার চাপ বৃদ্ধি
- 1:15:17পায়। কেন? আশা করি আমরা লিখতে পারব। এরপর
- 1:15:19কি বলছে দেখো। একই আয়তনের দুইটা বায়ুপূর্ণ
- 1:15:23বেলুনকে ভিন্ন তাপমাত্রায় রাখলে কোনটাতে
- 1:15:26চাপ বেশি হবে? রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়,
- 1:15:28নাকি রাজশাহী বোর্ড হবে, সরি 21- 22 এ।
- 1:15:30আচ্ছা সো এখানে দেখি কি বলছে একই আয়তনের
- 1:15:33অর্থাৎ ভি টা ফিক্সড যদি ভি ফিক্স থাকে
- 1:15:36দুইটা বায়ুপূর্ণ বেলুন দুইটা বায়ুপূর্ণ
- 1:15:38বেলুন এটা তো আর বেলুন হয় নাই ধরো এইটা
- 1:15:41হচ্ছে একটা বেলুন এবং সিমিলার আরেকটা
- 1:15:44বেলুন হচ্ছে আমাদের এইটা এইটা সো দুইটা
- 1:15:48বায়ুপূর্ণ বেলুনকে ভিন্ন তাপমাত্রায়
- 1:15:50রাখলে কোনটাতে চাপ বেশি হবে ভাই একই তো
- 1:15:52কথা সো ভি যেহেতু ফিক্সড ভি যেহেতু ফিক্সড
- 1:15:56চাপ কোনটায় বেশি হবে যেইটার তাপমাত্রা
- 1:15:59বেশি সেইটাই সো সো এটা আমরা আশা করি লিখে
- 1:16:02আসতে পারবো সো যেটার তাপমাত্রা বেশি যেটার
- 1:16:05টি বেশি
- 1:16:08সেটার
- 1:16:10চাপ বেশি হবে ডান গুড ওকে এবার আসো একটা
- 1:16:16এমসিকিউ দেখে ফেলি 27 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 1:16:18তাপমাত্রায় একটা গ্যাসের আয়তন স্থির
- 1:16:21রেখে এই দেখো আয়তন স্থির তার মানে বুঝতে
- 1:16:22হবে চাপীয় সূত্র চাপ দ্বিগুণ করা হলে
- 1:16:25উদ্দীপকের ঘটনা নিচের কোন সূত্রটাকে
- 1:16:27সমর্থন করে ঢাকা বোর্ড 2024 সো এটা হচ্ছে
- 1:16:29চাপীয় সূত্র সূত্রটাকে সমর্থন করে।
- 1:16:31পরেরটাতে যাচ্ছি। গ্যাসটার চূড়ান্ত
- 1:16:33তাপমাত্রা কত? সো গ্যাসের চূড়ান্ত
- 1:16:35তাপমাত্রা বের করতে বলছে। কেলভিন এককেই
- 1:16:37বের করতে বলছে। 27 ডিগ্রি মানে আমরা জানি
- 1:16:39300 কেলভিন। তাই না? তাহলে পিও ডিভাইডেড
- 1:16:42বাইটিও ইকুয়াল পিট ডিভাইডেড বাইটিট।
- 1:16:44যেহেতু ভলিউম ফিক্স ছিল। তাহলে চূড়ান্ত
- 1:16:46তাপমাত্রা টিটু সমান সমান কি হবে? পটিটু
- 1:16:49সমান সমান হচ্ছে পিটু ডিভাইডেড বাই পিও
- 1:16:52ইনটিও। সো চাপ যেহেতু দ্বিগুণ করা হয়েছে
- 1:16:55তাহলে এটা অনুপাতটা হবে দুই। দেখো চাপ
- 1:16:56দ্বিগুণ করা হইছে। তাহলে পিটু যেটা এটা
- 1:16:58হচ্ছে 2 ই পিও পিওয়ান পিওয়ান কাটাকাটি টু
- 1:17:00হয়ে গেল। আরটিও যেটা সেইটা হচ্ছে আমাদের
- 1:17:03কত ছিল? 27 ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার মানে
- 1:17:04এটাকে কেলভিনে কনভার্ট করলে কি করতে হবে?
- 1:17:0727 ডিগ্রি সেলসিয়াস মানে হচ্ছে 300
- 1:17:09কেলভিন। 300 কেলভিন। তাহলে এখানে আসছে 300
- 1:17:11দুগ 600 কেলভিন। তাহলে 600 কেলভিন হচ্ছে
- 1:17:15আমাদের চূড়ান্ত তাপমাত্রা।
- 1:17:18ঠিক আছে? আশা করি বুঝতে পারছো। এইবার আসো
- 1:17:22অ্যাভোকেড্রোর সূত্রটা কি বলে? আমরা একটু
- 1:17:24দেখে ফেলি। সো দেখো স্থির চাপ এবং
- 1:17:26তাপমাত্রায় কোন গ্যাসের আয়তন গ্যাসটির
- 1:17:29মোল সংখ্যার সমানুপাতিক। এটার মানে কি?
- 1:17:31দেখো কি বলছে? স্থির চাপ এবং তাপমাত্রায়
- 1:17:34অর্থাৎ চাপ যদি ফিক্স থাকে তাপমাত্রা যদি
- 1:17:36ফিক্স থাকে কোন গ্যাসের আয়তন আয়তনটা
- 1:17:39বলছে গ্যাসটার মোলার মোল সংখ্যার সাথে
- 1:17:41সমানুপাতিক। ভি ইজ প্রপোরশনাল টু এন। সো
- 1:17:43এখানে দেখো যে এটা কখনকার জন্য সত্য?
- 1:17:46অবশ্যই যখন পি এবং টি ফিক্সড। পি এবং টি
- 1:17:50ফিক্সড। তুমি একটু যদি খেয়াল করো আমরা যে
- 1:17:52সমন্বিত সূত্রটা দেখছিলাম আবারও বলছি
- 1:17:54সমন্বিত সূত্রটা কিন্তু এই যে চারটা সূত্র
- 1:17:55দেখলাম এই চারটা সূত্রে সমন্বয় তৈরি। তো
- 1:17:58আমাদের পি ভি ইকুয়াল টু এন আর তো সবসময়
- 1:18:00মনে থাকে। তো সেইটা যদি মনে রাখো তাহলে
- 1:18:02কিন্তু এটাও বের করা বা এটাও সূত্রটা কি
- 1:18:04ছিল সেটা মনে রাখা সহজ। তুমি যদি দেখো
- 1:18:06স্থির চাপ পি যদি ফিক্স থাকে পি যদি ফিক্স
- 1:18:09থাকে টি যদি ফিক্স থাকে আর তেমনি ফিক্স
- 1:18:11তাহলে দেখো ভিজ প্রপোরশনাল এন বা আমাদের
- 1:18:14অ্যাভোগেড্রো সূত্রের যে প্রকল্পটা সেটাকে
- 1:18:16কিন্তু এটা রিপ্রেজেন্ট করছে। আমরা এখান
- 1:18:18থেকে কি লিখতে পারি? এখান থেকে লিখতে পারি
- 1:18:20ভিওয় ডিভাইডেড বাই এনওয় ভিওয় বাই এনওয়ান
- 1:18:23ইকয় ভিটু ডিভাইডেড বাই এনট আচ্ছা এখন
- 1:18:26এখানে একটা সুন্দর কনসেপ্ট আছে একটু খেয়াল
- 1:18:28করো এখানে বলছে এঅভোগেড্রের অনুকল্প
- 1:18:30অনুসারে অভিন্ন চাপ এবং মানে একই চাপ এবং
- 1:18:33একই তাপমাত্রায় যে কোন গ্যাসের এক মোল একই
- 1:18:35আয়তন দখল করে প্রমাণ তাপমাত্রায় এবং চাপে
- 1:18:37এই আয়তন হচ্ছে 22.4 লিটার। একটু খেয়াল করো
- 1:18:39তোমাকে যদি আমি এরকম একটা প্রশ্ন করি যে
- 1:18:41সাপোজ আমরা দেখলাম এখানে। আমাদের পাঁচ মোল
- 1:18:45অক্সিজেন গ্যাস আছে। পাঁচ মোল অক্সিজেন
- 1:18:48গ্যাস আছে। এবং আমরা দেখলাম আরেকটা
- 1:18:51জায়গাতে ধরো পাঁচ মোল হাইড্রোজেন গ্যাস
- 1:18:54আছে। পাঁচ মোল হাইড্রোজেন গ্যাস আছে। তো
- 1:18:57এইটারও যেই প্রেসার এইটারও সেই একই
- 1:19:00প্রেসার দুইটা
- 1:19:02যেই গ্যাসের চাপ সেম এবং দুইটা গ্যাসের
- 1:19:06তাপমাত্রাও সেম রাখা হয়েছে। হ্যাঁ। তাইলে
- 1:19:08তোমাকে বলতে হবে কোনটার আয়তন বড়? পাঁচ
- 1:19:10মোল অক্সিজেনের আয়তন বেশি হবে নাকি পাঁচ
- 1:19:12মোল হাইড্রোজেনের আয়তন বেশি হবে? যেখানে
- 1:19:14আমরা দুইটা গ্যাসেরই প্রেসার সেইম রাখছি
- 1:19:17এবং টেম্পারেচারও সেইম রাখছি। সো
- 1:19:19সেক্ষেত্রে বলতে হবে যে কোনটার আয়তনটা
- 1:19:21বেশি হবে। দেখো এভোগেড্রো প্রকল্প
- 1:19:23অনুযায়ী কিন্তু আমাদের এখানে দুইটার যেই
- 1:19:28দুইটার যে তোমার হচ্ছে আয়তন সে আয়তন
- 1:19:32কিন্তু দুইটারই সেইম থাকবে। কারণ দেখো
- 1:19:35এখানে আমাদের যদি এই সূত্র দিয়েও তুমি
- 1:19:38দেখো পিভি সমান সমান এন আরটি এন আরটি সো
- 1:19:41দেখো দুইটা গ্যাসের কিন্তু পি সেম দুইটা
- 1:19:44গ্যাসেরই টি সেম একই মোল গ্যাস রাখছি এনও
- 1:19:47সেম আরও তো সেম তাহলে দুইটা গ্যাসের ভলিউম
- 1:19:49কি হইতে হবে অবশ্যই সেম হইতে হবে ঠিক আছে
- 1:19:52আচ্ছা এবং যদি এরকম দেখো তুমি এই এখানে যে
- 1:19:55কথাটা বলল এভোগেড্রের অনুকল্প অনুসারে একই
- 1:19:58চাপ এবং তাপমাত্রায় যে কোন গ্যাসের এক মোল
- 1:20:00একই আয়তন দখল করে যে কোন গ্যাস অর্থাৎ পাচ
- 1:20:03মোল অক্সিজেন হোক, পাঁচ মোল হাইড্রোজেন
- 1:20:06হোক যেকোন গ্যাস হোক না কেন একই চাপ এবং
- 1:20:08তাপমাত্রায় তারা একই পরিমাণ আয়তন দখল
- 1:20:10করবে। সো এটা এক মোলের জন্য সত্য। পাঁচ
- 1:20:12মোল পাঁচ মোল যদি হয় তাহলেও সেম হবে। 10
- 1:20:13মোল 10 মোল হলেও সেম হবে। ঠিক আছে? এবং
- 1:20:16যদি এরকম হয় যে ভাইয়া প্রমাণ তাপমাত্রা
- 1:20:18এবং চাপ। অর্থাৎ এসটিপিতে এসটিপি মানে কত?
- 1:20:21স্ট্যান্ডার্ড টেম্পারেচার এন্ড প্রেসার
- 1:20:22273 কেলভিন এবং ওয়ান এটিএম চাপ। যদি
- 1:20:24স্ট্যান্ডার্ড টেম্পারেচার এবং প্রেসারে
- 1:20:26রাখা হয় তাহলে যেকোনো গ্যাসের এক মোল
- 1:20:2822.4 লিটার আয়তন দখল করবে। ঠিক আছে। আশা
- 1:20:32করি বুঝতে পারছো। গেল। এবার আসো দেখি এই
- 1:20:35প্রশ্নটা কি বলছে। এত চাপে এবং 27 ডিগ্রি
- 1:20:38সেলসিয়াস। আচ্ছা ভালো কথা একটু ছোট করে
- 1:20:39ভি ভারসেস এন এর একটা গ্রাফও দেখায়
- 1:20:41দেওয়া যায় এখান থেকে। ভি ভারসেস এন এর
- 1:20:43গ্রাফ। সাপোজ এটা হচ্ছে ভি। এটা হচ্ছে এন।
- 1:20:45সো আমরা বুঝতেই পারছি যেহেতু একদম
- 1:20:47প্রপোরশনাল সম্পর্ক। তাহলে এখান থেকে
- 1:20:49গ্রাফটা কিন্তু মূলবিন্দুগামী সরল রেখা
- 1:20:51হবে। সো এটা হচ্ছে আমাদের ভি ভার্সেস এন
- 1:20:54যেটা। তোমার হচ্ছে দেখো। ভি ইকুয়ালস
- 1:20:57তাহলে কনস্ট্যট্ট এন লেখা যায়। তাহলে এটা
- 1:20:59হচ্ছে সেই ওয়াই। এইটা হচ্ছে সেই এক্স
- 1:21:01সমান সমান এমএ মূলবিন্দুগামী সরলরেখাটাকে
- 1:21:04নির্দেশ করবে। ওকে এত চাপ চাপ একটা দেওয়া
- 1:21:07আছে একটা নির্দিষ্ট চাপে এবং 27 ডিগ্রি
- 1:21:10সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কোন গ্যাসের আয়তন
- 1:21:12বলে দিছে 100 সিসি। 10 টু দি পাওয়ার সক্স
- 1:21:14নিউটন পার মিটার স্কয়ার চাপে ওই গ্যাসের
- 1:21:16আয়তন এত সিসি হলে তাপমাত্রা কত? একটু
- 1:21:19লক্ষ্য করো। এই ইয়াটার মধ্যে প্রশ্নটার
- 1:21:22মধ্যে কিন্তু আমাদের চাপ দেওয়া আছে।
- 1:21:24তাপমাত্রা দেওয়া আছে টি। আয়তন দেওয়া
- 1:21:25আছে ভি। পিভিটি তিনটা দেওয়া আছে এবং
- 1:21:27পরবর্তীতে আমাদের পি চেঞ্জ করছে এবং ভি
- 1:21:30চেঞ্জ করছে টি বের করতে বলছে তাহলে খেয়াল
- 1:21:32করো আমরা এখানে ধরে নিচ্ছি এন এর মান সেম
- 1:21:35সো তাইলে সেক্ষেত্রে আমরা কি লিখতে পারি
- 1:21:37পিও ভিওয়ান বাটিও ইকুয়ালস পিটভিটু
- 1:21:40ডিভাইডেডবাটিট যেহেতু এন এর কথা কিছু বলে
- 1:21:42নাই তাহলে এন আমাদের আনারই দরকার নাই ধরে
- 1:21:44নিচ্ছি একই নির্দিষ্ট পরিমাণ গ্যাসকে আমরা
- 1:21:47এইযে এখানে বলা আছে কোন একটা গ্যাসের
- 1:21:49আয়তন আগে একটা ফিক্সড আয়তনের গ্যাসের
- 1:21:53চাপ আমরা একটা নির্দিষ্ট দিছি তাপমাত্রা
- 1:21:55নির্দিষ্ট দি এবং আয়তন ছিল নির্দিষ্ট।
- 1:21:57এরপরে কি করছি? ওই গ্যাসটারই আমরা ওই
- 1:22:00গ্যাসেরই তার মানে এন সেম। ঠিক আছে? ওই
- 1:22:02গ্যাসেরই আমরা চাপ বৃদ্ধি করছি। আয়তন
- 1:22:04চেঞ্জ করছি। তাহলে তাপমাত্রা কত সেটা বের
- 1:22:07করতে বলছে। তাইলে দেখো এখান থেকে আমরা
- 1:22:09কিন্তু এইযেটিটুটা বের করা লাগবে। এখান
- 1:22:11থেকে আমাদের দেখো যেহেতু একটা ছোট্ট জিনিস
- 1:22:14একটু বলে রাখি। আমাদের এখানে আয়তনটা দেখো
- 1:22:17এটাও আছে সিসিতে। এটাও আছে কি? সিসিতে
- 1:22:19আছে। সো যখন আমরা সমীকরণটা এইভাবে করে
- 1:22:22লিখবো তখন না আমাদের এইখানে এককের
- 1:22:24পরিবর্তন করার দরকার নাই। এইটার এককের
- 1:22:26পরিবর্তন করার দরকার নাই। কারণ তুমি দেখো
- 1:22:29এইটাকে সিসি থেকে তুমি যদি মিটার কিউবে
- 1:22:32নিতে চাও এটাকেও তো মিটার কিউবে নেওয়া
- 1:22:34লাগবে। তো এটাকে মিটার কিউবে নিতে হলে যা
- 1:22:35দিয়ে গুণ করবা এটাকেও তাই দিয়ে গুণ করা
- 1:22:37লাগবে। সো এইজন্য আমাদের ওইটা কাটাকাটি
- 1:22:39হয়ে যাবে। আলটিমেটলি সহজ বুদ্ধি হচ্ছে
- 1:22:41আমরা এখান থেকে কখনোই যখন এভাবে সমীকরণটা
- 1:22:44দেওয়া থাকবে পিভি ইকুয়াল এনআরটি না সেটা
- 1:22:46আলাদা। কিন্তু যদি পি ওয়ান ভিওয়ান বাটি
- 1:22:48ওয়ান সমান পিটু ভিটু বাটিটু এরকম
- 1:22:50হোমোজেনিয়াস ইকুয়েশন থাকে সেই ক্ষেত্রে
- 1:22:52আমরা কিন্তু ভিওয়ান ভিটু যেটা আছে
- 1:22:56সেইগুলাকে কিন্তু ইয়াগুলা এককগুলাকে আলাদা
- 1:22:59করে কনভার্ট করে সময় নষ্ট করার দরকার নাই।
- 1:23:01আমরা এটা সিসি থাকলে এটাও সিসি রাখতে
- 1:23:02পারব। এটা যদি এটিএম এ থাকে এটাও এটিএম এ
- 1:23:05থাকতে পারবে। কিন্তু ঝামেলা কোন জায়গায়
- 1:23:06হবে আমি বলি। টেম্পারেচারটা কখনোই ডিগ্রি
- 1:23:08সেলসিয়াসে রাখা যাবে না। এটা সবসময় কি
- 1:23:10করতে হবে? কেলভিনে কেভিনে কনভার্ট করে
- 1:23:12নেওয়া লাগবে। এটা মাস্ট। এইটাকে কেলভিন
- 1:23:14ছাড়া করা যাবে না। এটা মাস্ট কেলভিন।
- 1:23:16মাস্ট কেলভিন। এটা যে যেখান যে এককেই
- 1:23:18থাকুক না কেন এটা মাস্ট কেলভিন করবা ভাই।
- 1:23:20এটা মাস্ট কেলভিন করবা। কিন্তু তুমি চাইলে
- 1:23:23পি যেটা আছে ভি যেটা আছে সেটা যেই একক দুই
- 1:23:26পাশের একক যেন সেইম থাকে এইটা এনসিওর
- 1:23:28করবা। দুই পাশের ইয়া যেন সেইম থাকে। ইউনিট
- 1:23:32যেন সেইম থাকে এটা এনসিওর করবা। তাইলেই
- 1:23:34হবে। সো আমাদের এখানে দেখো পিওয়ান কি
- 1:23:35দেওয়া ছিল? 5 ইনটু টু দি পাওয়ার ফাইভ।ফ
- 1:23:38ইনট টু দি পাওয়ারফ ইনটু ভিওয়ান কত ছিল? হ
- 1:23:41সিসি। দরকার নেই আমার এককে কনভার্শন টিও
- 1:23:43কত? 27 ডিগ্রি সেলসিয়াস অবশ্যই কেলভিনে
- 1:23:45কনভার্ট করব 300 কেভিনে। টিটটা বের করতে
- 1:23:47হবে। পিটু কত ছিল? 10 টু দি পাওয়ার সিক্স
- 1:23:49এবং ভিট হচ্ছে 58.3
- 1:23:52সোটিট সমান সমান কত আসছে?ট হচ্ছে আমাদের
- 1:23:5610 টু দি পাওয়ার সিক্স ইনফ.3
- 1:23:59ইট 300 ডিভাইডেড বাইফ ইনট টু দি পাওয়ারফ
- 1:24:02ইন 100 সো এখান থেকে হিসাব করে কত আসেট টু
- 1:24:06দি পাওয়ার সিক্স ইনফ.3
- 1:24:08ই 300 ডিভেডবাফ ডিভেডবাট টুদি পাওয়ারফ
- 1:24:12ডিভেডেবা 100টা 349 349.8
- 1:24:17কেলভিন আমাদের এক কেলভিনে লাগবে না ডিগ্রি
- 1:24:19সেলসিয়াসে লাগবে 273 বাদ দিলে এটা আসছে
- 1:24:22হচ্ছে 76.8
- 1:24:24ডিগ্রি সেলসিয়াস 76.8 ডিগ্রী সেলসিয়াস
- 1:24:27সি হচ্ছে এটার আনসার আশা করি বুঝতে পারছো
- 1:24:30এবার আসো আমরা যে প্রবলেমটা দেখবো এইটা
- 1:24:33খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভাই যত স্টারি দেই
- 1:24:36না কেন এটা কম হয়ে যাবে খুবই
- 1:24:37গুরুত্বপূর্ণ এই প্রবলেমগুলা একটু খেয়াল
- 1:24:40করো কি বলছে একটা গ্যাসপূর্ণ বেলুনকে রদের
- 1:24:42তলদেশে 50 মিটার গভীরতায় নিয়ে যাওয়ায়
- 1:24:452 লিটার আয়তন ধারণ করে রদের তলদেশে নিয়ে
- 1:24:49গেছি নিচে দেখা গেছে 2 লিটার আয়তন দখল
- 1:24:51করছে রদের তলদেশে বেলুনে আরও এক লিটার
- 1:24:54গ্যাস প্রবেশ করিয়ে ছেড়ে দেওয়া হলো
- 1:24:55তলদেশে কোন একজন ডুবুরি গিয়ে করছে কি আরো
- 1:24:57এক লিটার গ্যাস প্রবেশ করা দিছে। তারপরে
- 1:24:59ছেড়ে দেয়া হলো। এখন বলছে বেলুনের
- 1:25:01সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা হচ্ছে 14 লিটার।
- 1:25:04আচ্ছা বায়ুমন্ডলের চাপ দেওয়া আছে। পানির
- 1:25:06ঘনত্ব দেওয়া আছে। জি এর মান দেওয়া আছে।
- 1:25:08এখন বলছে পানির উপরিতলে বেলুনের প্রাথমিক
- 1:25:11আয়তন কত ছিল? তাহলে প্রাথমিকভাবে যখন
- 1:25:13এটাকে নিচে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। তখন
- 1:25:16আয়তন ছিল 2 লিটার। প্রাথমিকভাবে অর্থাৎ
- 1:25:18ওই 2 লিটার হওয়ার আগে যখন এটা উপরিতলে
- 1:25:20ছিল তখন এটার আয়তন কত এটা আমাদেরকে বের
- 1:25:22করতে বলছে। খেয়াল করো এই প্রবলেমে আসলে
- 1:25:26কাহিনীটা কি? আসলে ঘটনাটা কি? এইটা হলো
- 1:25:30আমরা একটা রদ রাখছি। রদের একটা
- 1:25:32প্রস্থচ্ছেদ। উপরে হচ্ছে পানির শুরু। উপরে
- 1:25:36বাতাস। বাতাস এখান থেকে পানির লেয়ার শুরু
- 1:25:39হইছে যত গভীরতায় যাচ্ছি। রদের গভীরতা
- 1:25:42বাড়ছে বাড়ছে বাড়ছে। এইটা হচ্ছে রিভার বেড
- 1:25:44বা এটা হচ্ছে রদের তলদেশটা।
- 1:25:47আমরা এখান থেকে দেখো এই পার্টটায় যখন একটা
- 1:25:52আমাদেরকে বলছে যখন তলদেশে নিয়ে যাওয়া
- 1:25:55হয়েছিল বেলুনটাকে তখন এটার আয়তন ছিল 2
- 1:25:57লিটার।
- 1:25:59তো বলতো নিচে যখন ছিল তখন যে আয়তন যখন
- 1:26:05এটা উপরে ছিল তখন কি সেইম আয়তন ছিল আসলে
- 1:26:08না। উপরে কিন্তু আয়তন
- 1:26:12কি হবে? কমবে না আরো বাড়বে? একটু লক্ষ্য
- 1:26:14করো। উপরে যে প্রেসার ছিল সেটা ছিল
- 1:26:17শুধুমাত্র বায়ুমন্ডলীয় প্রেসার।
- 1:26:19বায়ুমন্ডলীয় চাপ ছিল উপরে।
- 1:26:22বায়ুমন্ডলীয় চাপ ছিল। কিন্তু যত
- 1:26:25গভীরতায় নামা হইছে তত কিন্তু পানির
- 1:26:28গভীরতার কারণে চাপ বাড়ছে। সো যত চাপ
- 1:26:32বাড়ছে তত বলতো আয়তন কি হওয়ার কথা?
- 1:26:34সংকুচিত হওয়ার কথা না। এই নিচের
- 1:26:36পয়েন্টের যে চাপ এটাকে যদি পিটু বলি।
- 1:26:40আমাদের দেওয়া আছে রদের গভীরতা কত? এইচ
- 1:26:42সমান সমান দেওয়া আছে 50 মিটার।
- 1:26:45তাহলে দেখো যত গভীরতায় নামবা
- 1:26:48আমাদের এইচ রোজি পরিমাণ চাপ কিন্তু এই
- 1:26:52তরলের কারণে থাকবে। আর আগের থেকেই তো
- 1:26:56পানির উপরেই একটা বায়ুমন্ডলীয় চাপ ছিলই।
- 1:26:59তাহলে দেখো উপরে যে বায়ুমন্ডলীয় চাপ সেটা
- 1:27:02তো এর উপরে কাজ করবেই। সেই সাথে এই
- 1:27:05গভীরতার কারণে কিন্তু এর উপরে চাপের
- 1:27:08পরিমাণ আরো বাড়বে। এইচ রোজি পরিমাণ বাড়বে।
- 1:27:10তাহলে টোটাল চাপ নিচে কাজ করছে পি এটিএম
- 1:27:12প্লাস এইচ রজি। আর উপরে কাজ করছে পিটিএম।
- 1:27:14তাহলে দেখো নিচে চাপ বেশি। তাহলে আয়তন কম
- 1:27:16হবে। উপরে চাপ যত যাচ্ছ উপরে যত যাচ্ছে
- 1:27:19বেলুনটা তত কিন্তু আস্তে আস্তে চাপ কমছে।
- 1:27:22চাপ কমা মানে আয়তন বাড়ছে। তাহলে এইখানের
- 1:27:24আয়তন কিন্তু বেশি হবে। তাইলে এই
- 1:27:26আয়তনটাকে আমি মনে করলাম ভিওয়ান। এখানকার
- 1:27:29আয়তনকে মনে করলাম ভিটু। তাহলে আমাদেরকে
- 1:27:31বের করতে হবে যে এই ভিওয়ান এর মানটা কত?
- 1:27:35কি বলে? এখানকার যে ভিওয়ান সেই ভিওয়ান
- 1:27:37এর মানটা কত? এটা বের করতে হবে। তাহলে
- 1:27:40অনেকগুলো প্রশ্ন দেখবা। আমরা এর পরের
- 1:27:42প্রশ্নটাই সলভ করবো। সেখানে দেখবা উপরের
- 1:27:44টেম্পারেচার আর নিচের টেম্পারেচার আলাদা
- 1:27:46আলাদা বলা আছে। যদি এরকম মেনশন করা থাকে
- 1:27:49তখন টেম্পারেচার তো আলাদাই। কিন্তু যদি
- 1:27:51মেনশন করা না থাকে তাহলে আমরা ধরে নিব
- 1:27:53উপরের তাপমাত্রা আর নিচের তাপমাত্রা সেম।
- 1:27:56তাহলে সেই ক্ষেত্রে আমরা পিও ভিও ডিভাইডেড
- 1:28:01বাই এনও টিও ইকুয়ালস টু পিটুভিটু
- 1:28:04ডিভাইডেড বাই এনটুটিটু এটা ছিল না আমাদের
- 1:28:06ওই মেইন ফর্মুলা। তো বলতো এর ভিতরে যতটুকু
- 1:28:10গ্যাস এর ভিতরেও কি ঠিক ততটুকুই গ্যাস ছিল
- 1:28:12না? মানে তত মোল গ্যাস ছিল না। এখানে যত
- 1:28:15মোল গ্যাস ছিল এর মধ্যেও কিন্তু ঠিক তত
- 1:28:17মোল গ্যাসই ছিল। তাহলে এন এর মান কিন্তু
- 1:28:19দুই পাশ থেকে কাটাকাটি হয়ে যাবে। এন এন
- 1:28:22কাটাকাটি হয়ে যাবে। উপরে যতটুকু মোল
- 1:28:24গ্যাস ছিল এখানেও তত মোল গ্যাস ছিল। তাহলে
- 1:28:26এন এন সেম। উপরেও যে তাপমাত্রা নিচেও সেই
- 1:28:29সেই তাপমাত্রা। টিটিও সেম। তাহলে কি লেখা
- 1:28:32যায়? পি ওয়ান ভিওয়ান সমান সমান
- 1:28:33পিটুভিটু। আমাদের বের করতে হবে ভিওয়ান এর
- 1:28:37মান কত পিটু ভিটু ডিভাইডেড বাই পি ওয়ান
- 1:28:39তাহলে দেখো পিটু এর মান কত ছিল নিচের যে
- 1:28:43চাপ সে চাপ কত 50 ইনটু আমাদের ঘনত্ব বলে
- 1:28:47দিছেট টু দি পাওয়ার থ্রি জি হচ্ছে 9.8 এইচ
- 1:28:51রোজি প্লাস পি এটিএম কতট টু দি পাওয়ার
- 1:28:54ফাইভ ইনটু ভলিউম টু হচ্ছে 2 লিটার 2 লিটার
- 1:28:59হচ্ছে ভলিউম ডিভাইডেড বাই শুরুতে প্রেসার
- 1:29:02কত ছিলট টু দি পাওয়ার ফাইভ হ্যাঁ তহলে
- 1:29:06ভিওয়ান এর মান কত এটা আমরা বের করব
- 1:29:0950 ইনটু 10 টু দি পাওয়ারথ ইনটু 9.8 প্লাস
- 1:29:1310 টু দি পাওয়ার 5 ইট ডিভাইডেড বাই 10 দি
- 1:29:16পাওয়ারফ এটা 11.8 লিটার অর্থাৎ শুরুতে
- 1:29:21আমাদের যে বেলুনটা ছিল তার আয়তন ছিল 11.8
- 1:29:26লিটার যত নিচে যাওয়া হইছে চাপ বাড়ছে
- 1:29:28আয়তন কমছে কমতে কমতে 2 লিটার হয়ে গেছে
- 1:29:31আশা করি বুঝতে পারছো এখানে কাহিনীটা কি
- 1:29:34হইছে ভাইয়া একটা জিনিস বলে রাখি অনেক
- 1:29:37সময় আমাদেরকে না এই ভলিউমের চেঞ্জটা
- 1:29:42বা
- 1:29:44অনেক এখানে যেমন ভলিউমটা বের করতে বলল
- 1:29:46অনেকগুলো প্রশ্ন এরকম বলে যে নিচে ভলিউম
- 1:29:48এত ছিল উপরের তলে ভলিউম কত সরি এটাই তো
- 1:29:52আমাদের বের করতে বলছে অনেক সময় আমাদেরকে
- 1:29:55বলে যে ভলিউম তিন গুণ হয়ে গেছে চার গুণ
- 1:29:59হয়ে গেছে তাহলে গভীরতা কত নির্ণয় করো
- 1:30:01অর্থাৎ তুমি একটু খেয়াল করো আমরা যখন এই
- 1:30:04ম্যাথটা করলাম দেখো
- 1:30:08ভিওয়ান সমান সমান পিট এর মান কত পিট এর
- 1:30:12মান হচ্ছে পি এটিএম প্লাস এইচ রোজি
- 1:30:15ইনটুভিট ডিভাইডেড বাই হচ্ছে পিওয়ান এর
- 1:30:18মান কত পি এটিএম সো এইখান থেকে লক্ষ্য করো
- 1:30:22এই যে সূত্রটা না এইটার মধ্যে কিন্তু
- 1:30:25অনেকগুলো রাশি তোমাকে বের করতে বলতে পারে।
- 1:30:27ভিওয় ভিটু দিয়ে বলতে পারে এইচ কত নির্ণয়
- 1:30:29করো। এইচ দিয়ে বলতে পারে পানির ঘনত্ব গড়
- 1:30:32ঘনত্ব কত নির্ণয় করো। তারপরে তোমার হচ্ছে
- 1:30:35পি এটিএমও বের করতে বলতে পারে। মানে কি?
- 1:30:37এই সমীকরণের মধ্যে যতগুলা ভেরিয়েবল আছে
- 1:30:40সবগুলাই কিন্তু বের করা লাগতে পারে।
- 1:30:41সবগুলোই বের করতে বলতে পারে। এখন যেটা
- 1:30:43বললাম অনেক সময় আয়তন কতগুণ পরিবর্তন হয়ে
- 1:30:45গেছে এটা বলে দেয়। আবার অনেক সময় বলে কি
- 1:30:48যে ব্যাসার্ধ এতগুণ হয়ে গেছে। এখানে যে
- 1:30:51ব্যাসার্ধ ছিল উপরে যাওয়ার পর ব্যাসার্ধ
- 1:30:53দ্বিগুণ হয়ে গেছে। ব্যাসার্ধ তিন গুণ
- 1:30:54হয়ে গেছে। বলতো যদি ব্যাসার্ধ দ্বিগুণ
- 1:30:56তিন গুণের কথা বলে তাহলে আয়তন কত গুণ
- 1:30:58হয়ে যাবে এটা আমরা বের করতে পারবো না।
- 1:31:00তুমি শুরুতে মনে করো শুরুতে যখন এখানে ছিল
- 1:31:02তখন ব্যাসার্ধ ছিল হচ্ছে আরটু। আর পরে যখন
- 1:31:06গেছে তখন মনে করো ব্যাসার্ধ হয়ে গেছে
- 1:31:07আরও। সাপোজ আমাদেরকে যদি বলে দেয়
- 1:31:12বা কি বলে দিল বাদ। আগে দেখি এইখানে যদি
- 1:31:14ব্যাসার্ধ আর থাকে তাহলে এখানকার আয়তন কত
- 1:31:16হবে? ভিটু সমান সমান হবে 4বা3 π ইট আ2
- 1:31:21কিউব আর উপরে যখন ব্যাসার্ধ আরওয়ান তখন
- 1:31:24ভলিউম কত হবে? 4বাইথ পাই ইনটু আর ওান কিউব
- 1:31:29আর ওয়ান কিউব
- 1:31:32আরওয়ান কিউব তাইলে যদি আমাদেরকে বলে দেয়
- 1:31:36যে উপরে যখন যা হইছে ব্যাসার্ধ হয়ে গেছে
- 1:31:39নিচের দ্বিগুণ বা এন গুণ হয়ে গেছে বলে দিল
- 1:31:41কি ব্যাসার্ধ হয়ে গেছে এন গুণ ব্যাসার্ধ
- 1:31:44হয়ে গেছে আরওয়ান সমান সমান এন ই আর2
- 1:31:48অর্থাৎ এখানে যে ব্যাসার্ধ ছিল বেলুনটার
- 1:31:51উপরে যাওয়ার পরে ব্যাসার্ধ হয়ে গেছে এন
- 1:31:53গুণ তাহলে আয়তন কত গুণ হবে তাহলে আমরা এই
- 1:31:56সম্পর্কটা থেকে বলতে পারে যে নিচে যে
- 1:31:59ব্যাসার্ধ ছিল উপরে যাওয়ার পরে ব্যাসার্ধ
- 1:32:01হইছে 10 গুণ তিন গুণ দুই গুণ অনেক কিছুই
- 1:32:03বলতে পারে তা আমি জেনারেলাইজ ভাবে এন
- 1:32:04দিয়ে রাখলাম তাহলে ভলিউমের চেঞ্জটা আসলে
- 1:32:07কেমন হবে কিভাবে আমরা বের করব খেয়াল করো
- 1:32:09তখন কিন্তু আমাদের উপরে যেই ভলিউমটা এটা
- 1:32:13তো আরটু কিউব আছেই যদি এইটা আমাদের বলা
- 1:32:17থাকে
- 1:32:19যে ব্যাসার্ধ হয়ে গেছে এন গুণ ব্যাসার্ধ
- 1:32:23হয়ে গেছে এন গুণ
- 1:32:26তাহলে আমাদের যখন উপরিতলে যাচ্ছি আরওয়ান
- 1:32:30এর জায়গায় কি লিখবো 4বাইথ পাই ইনটু আরওয়ান
- 1:32:34এর জায়গায় লিখতে পারি এন ই আরটু কিউব
- 1:32:37তাহলে কি আসে এন কিউব ইফবাইথ
- 1:32:40পাই ইট
- 1:32:43আরটু কিউব বলতোফবা কিউ মানে কতভিট দেখ এন
- 1:32:47কিউব ইটুভিটু হয়ে গেছে তাহলে ভিওয়ান সমান
- 1:32:50কিন্তু তখন হয়ে যাবে এন কিউব ইভিট
- 1:32:53এইটা টা মাথায় রেখো। ঠিক আছে? আশা করি
- 1:32:58বুঝতে পারছো। এটা জাস্ট ভেরিয়েশনটা। এটা
- 1:33:01এই ম্যাথে লাগবে না। কিন্তু এই আইডিয়াটা
- 1:33:03মাথায় রেখো। কখনো কখনো দিয়েও দিতে পারে।
- 1:33:06ওকে।
- 1:33:08পরের প্রশ্নে যাই। দেখো কি বলছে। রদের
- 1:33:11তলদেশ থেকে বেলুনটা উপরিতলে অক্ষত অবস্থায়
- 1:33:13পৌঁছাবে কিনা গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করো।
- 1:33:16যখন এটা রদের তলদেশে ছিল। যখন এই গ্যাস
- 1:33:21বেলুনটা রদের তলদেশে ছিল শুরুতে তো ভাইয়া
- 1:33:24এটার আয়তন ছিলদুই লিটার। এরপরে কি করছে?
- 1:33:26ডুবুরি গিয়ে এখানে একটা পাম্প করছে আরো।
- 1:33:29সো করার ফলে দেখা গেছে এটা এখন তিন লিটার
- 1:33:31হয়ে গেছে। স আমাদের ভলিউম টু যেটা আগে 2
- 1:33:33লিটার ছিল সেটা এখন হয়ে গেছে তিন লিটার।
- 1:33:35প্রেসারের কি কোন পরিবর্তন হইছে? না।
- 1:33:38প্রেসার আগেও যা ছিল এখনো প্রেসার এখানে
- 1:33:40তাই থাকবে। উপরিতলের প্রেসার কত? P1 হচ্ছে
- 1:33:44এইচ। P1 হচ্ছে শুধুমাত্র পি এটিএম।
- 1:33:47উপরিতলের যেই চাপ সেটা হচ্ছে পি এটিএম।
- 1:33:50এখন আমাদের বলছে উপরিতলে অক্ষত অবস্থায়
- 1:33:52পৌঁছাবে কিনা? আমি যদি একদম উপরিতলের কথা
- 1:33:55চিন্তা করি যদি দেখি উপরিতলের আয়তনটা
- 1:33:59যত উপরে যাবে তত আয়তন বাড়বে। যদি এই
- 1:34:02উপরিতলের আয়তনটা বৃদ্ধি পেয়ে পেয়ে পেয়ে
- 1:34:04পেয়ে যদি আমি এখানে ম্যাথমেটিক্যালি
- 1:34:06ক্যালকুলেশন করে দেখি যে আমাদের আয়তন হয়ে
- 1:34:09গেছে 18 লিটার। আয়তন হয়ে গেছে 20 লিটার।
- 1:34:12তার মানে কি? তার মানে হচ্ছে যখন এটা উপরে
- 1:34:15যাবে তখন কিন্তু এটা এই জায়গায় অক্ষত
- 1:34:18থাকতে পারবে না। কারণ এখানে আয়তন হওয়ার
- 1:34:21কথা 18। ওর সর্বোচ্চ ধারণ ক্ষমতা 14।
- 1:34:24তাহলে কি উপরে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা
- 1:34:26করতে পারবে? পারবে না। উপরে যেতে যেতে
- 1:34:28আয়তন বাড়তে বাড়তে বাড়তে বাড়তে যেই
- 1:34:30মুহূর্তে 14 ক্রস করে ফেলবে ও সময় ঠাস
- 1:34:31করে ফেটে যাবে। তাইলে আমরা আগে দেখব যে
- 1:34:34একদম উপরিতলে যখন বেলুনটা পৌঁছাবে তখনকার
- 1:34:37ভলিউম কতটুকু হয়। তাহলে খেয়াল করো পিও
- 1:34:41ভিওয়ান ইকয়ালস টু পিটু ভিটু সো ভিওয়ান
- 1:34:44সমান সমান পিটু ভিটু ডিভাইডেড বাই পিও
- 1:34:48তাহলে এখান থেকে পিটু সমান হচ্ছে পি এটিএম
- 1:34:51মানে কতট টু দি পাওয়ার ফাই
- 1:34:55প্লাস এইচ রোজি 50 ইনটু
- 1:34:59রো হচ্ছেট টু দি পাওয়ার থ 9 প8 এটা হচ্ছে
- 1:35:04পিট
- 1:35:06ভিট হচ্ছে তিন লিটার পিওয়ান হচ্ছেট টু দি
- 1:35:09পাওয়ার ফাইভ। তাহলে এখান থেকে আমরা ভিওয়ান
- 1:35:12এর মান কত বের করে দেখি। টু দি পাওয়ার
- 1:35:15ফাইভ প্লাসফ ইট টু দি পাওয়ার থ ই 9.8 ইটথ
- 1:35:20ডিভডবাট টু দি পাওয়ার ফাই এটা আসে 17.7
- 1:35:23লিটার 17.7 লিটার। তাহলে দেখো উপরি তলে
- 1:35:26যখন যাবে তখন এটার আয়তন নাকি হয়ে যায়?
- 1:35:2917.7 লিটার। কিন্তু বাস্তবে সে তো 14
- 1:35:32লিটার এর বেশি এক্সপ্যান্ড করতেই পারবে
- 1:35:34না। তাহলে উপরে কি অক্ষত অবস্থায় পৌঁছাবে?
- 1:35:37উত্তর হচ্ছে অক্ষত অবস্থায়
- 1:35:41পৌঁছাতে পারবে না। পৌঁছাতে পারবে না।
- 1:35:48দেখো অংকটা আরেকটা প্রসেসে করা যায়। ওটা
- 1:35:50একটু কঠিন। একটু কঠিন মানে
- 1:35:54আসলে
- 1:35:56সহজ চিন্তা। কিন্তু একটু ম্যাথমেটিক্যাল
- 1:35:58প্রসেস একটু বেশি। প্রসেস দুই হচ্ছে
- 1:36:01আরেকটা প্রসেস। যে
- 1:36:04আরেকটা কাজ তুমি করতে পারো। আমরা দেখলাম
- 1:36:07যে কত উচ্চতায় উঠার পরে আয়তনটা
- 1:36:10আমাদেরফ লিটার হয়। কত উচ্চতায় উঠার পরে
- 1:36:14আয়তনটা 14 লিটার হয়। ওই উচ্চতাটা যদি 50
- 1:36:18এর চেয়ে কম হয় তার মানেই কি? এটা কি আর
- 1:36:20উপরিতলে পৌঁছাতে পারবে? পারবে না। তার
- 1:36:22আগেই কিন্তু এটা 14 লিটার যেহেতু হয়ে গেছে
- 1:36:24ও সময় সেটা ফেটে যাবে। তাহলে আমরা এখান
- 1:36:26থেকে নতুন একটা এইচ এর মান বের করে দেখতে
- 1:36:28পারি কত হয়। স এখান থেকে দেখো পিটু ভিটু
- 1:36:33সমান সমান হচ্ছে পিও ভিও সরি
- 1:36:39একটা কাজ করি এটাকে আমরা ভিওয় দেই ভিওয়
- 1:36:42প্রাইম দেই ভিওয় প্রাইম তাহলে এখান থেকে
- 1:36:45ভিওয়ান প্রাইম এর মান আমরা জানি আচ্ছা
- 1:36:47পিওয়ান কত পও কত পও কত এখানকার পিওয়ান
- 1:36:49প্রাইম কত হবে এই পয়েন্টের পি ওয়ান প্রাইম
- 1:36:51কত হবে
- 1:36:53খেয়াল করবা সবসময় যখন আমরা এই পিওয়ান টা
- 1:36:58হিসাব করব
- 1:37:00ভিতরের একটা পয়েন্টের পিওয়ান যখন হিসাব
- 1:37:02করব সেই সময় আমরা কিন্তু এইচটা এইটুকু
- 1:37:05নিলে হবে না। এটা খেয়াল রেখো। আমরা সবসময়
- 1:37:08মাথায় রাখতে হবে যে যখন আমরা চাপ হিসাব
- 1:37:13করছি তরলের স্তম্ভের কারণে চাপ হিসাব করছি
- 1:37:16চাপটা কিন্তু যত গভীরতা সারফেস থেকে যত
- 1:37:20গভীরে যাব সেই ইয়াটা নেওয়া লাগবে। সেই
- 1:37:24দূরত্বটা নেওয়া লাগবে। স আমাদের কখনো
- 1:37:27কিন্তু নিচ থেকে উপরে যতটুকু হাইট তত ইনটু
- 1:37:29এইচ রোজি এটা চিন্তা করলে কিন্তু হবে না।
- 1:37:32তাহলে আমাদের এইখানকার থেকে কতটুকু নিচে
- 1:37:35নামছে সেই এইচটা ইনটু রোজি করলে এখানে
- 1:37:39কতটুকু এক্সট্রা প্রেসার এড হলো সেটা আমরা
- 1:37:40বের করতে পারবো। কথা কি বোঝা গেছে? তাহলে
- 1:37:42খেয়াল করো পিওয়ান প্রাইম সমান সমান এটা
- 1:37:44কত হবে? সমান সমান এটা হবে আমরা 50 মাইনাস
- 1:37:48এইচ প্রাইম লিখতে পারি। তাহলে কতটুকু
- 1:37:50উচ্চতায় এটা ফেটে গেল সেটা বের করতে
- 1:37:52পারবো অথবা এক কাজ করি এটাকে এক্স ধরে
- 1:37:53নেই। তাহলে এক্স রোজি
- 1:37:57প্লাস বায়ুমন্ডলের চাপট টু দি পাওয়ার
- 1:37:59ফাইভ ভিওয়ান প্রাইম হচ্ছে 14 লিটার 14
- 1:38:03লিটার আর পিটু কত ছিল জান পিটু ছিল হচ্ছে
- 1:38:08পি এটিএম প্লাস
- 1:38:11পি এটিএম প্লাস
- 1:38:15এইচ রোজি এখানকার এইচ রোজি কত 50 ইট টু দি
- 1:38:19পাওয়ারথ ই 9.8
- 1:38:21আর নিচের ভলিউম কত ছিল? তিন লিটার ছিল।
- 1:38:24তাহলে সবকিছু দেওয়া আছে। এখান থেকে এক্স
- 1:38:26এর মানটা বের করলেই হয়ে যাবে। এখান থেকে
- 1:38:29এক্স এর মানটা বের করবা। তাইলে বুঝতে
- 1:38:31পারবা যে উপরিতল থেকে আসলে কতটুকু ডেপথে
- 1:38:36বেলুনটা ফেটে গেছিল। ঠিক আছে? যেহেতু
- 1:38:39বুঝতেই পারছো যে আগের ম্যাথে আমরা কি
- 1:38:40দেখলাম বা আগের প্রসেসে কি দেখলাম? উপরে
- 1:38:42যাওয়ার পরে 17 হয়ে গেছে। তাহলে 14 কি
- 1:38:44আরো নিচে থাকবে না। তাইলে এইটা কতটুকু
- 1:38:46নিচে গিয়ে ফেটে যাবে সেটাও কিন্তু তুমি
- 1:38:48আসলে এখান থেকে বের করতে পারবা। সো এটা
- 1:38:50খেয়াল রেখো প্রশ্ন যদি এটাও বলে যে
- 1:38:52কতটুকু গভীরতায় গিয়ে ফেটে গেছে বা
- 1:38:54কতটুকু ভূমি থেকে উপর থেকে উপরিতল থেকে
- 1:38:57কতটুকু গভীরতায় গিয়ে ফেটে যাবে তাহলে
- 1:38:59কিন্তু এই প্রসেসে করে তোমাকে এক্স টা আগে
- 1:39:01বের করতে হবে এবং এই এক্স এর মান যা হবে
- 1:39:04তত গভীরতাটা ফেটে যাবে সো এখানে বুঝতেই
- 1:39:06পারতেছো এক্স এর একটা যে মানটা থাকবে সেই
- 1:39:08মানটাই নির্দেশ করবে যে কতটুকু গভীরতা এটা
- 1:39:10ফেটে গেছে কারণ উপরে গেলে তো 17 তাইলে এই
- 1:39:13জায়গাতে 14 কতটুকু নিচে ছিল সেটা আমরা
- 1:39:15এখান থেকে বের করলাম আশা করি বুঝতে পেরেছ
- 1:39:18ডান
- 1:39:19এইবার আসো আমাদেরকে আরেকটা প্রশ্ন। এটাও
- 1:39:22খুব গুরুত্বপূর্ণ একটা প্রশ্ন। দেখো জাস্ট
- 1:39:24একটু ছোট্ট টুইস্ট। আর কিচ্ছু না। একটা
- 1:39:27রদের তলদেশ এবং পৃষ্ঠের পানির তাপমাত্রা
- 1:39:29যথাক্রমে 8 ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং 30
- 1:39:32ডিগ্রি সেলসিয়াস দেওয়া আছে। 8 ডিগ্রি
- 1:39:34এবং 30 ডিগ্রি দেওয়া আছে। দেখো এবার
- 1:39:35জাস্ট নতুন একটা ইনফরমেশন এড করল। যে
- 1:39:38উপরিতলের তাপমাত্রা এবং নিচের তলের
- 1:39:40তাপমাত্রাটা কত? সো এইটিটু যেটা সেটা
- 1:39:43আমাদেরকে বলে দিছে হচ্ছে নরমালি যেটা দেখা
- 1:39:46যায় যে নিচের তাপমাত্রাটা কিন্তু কম
- 1:39:48থাকে। উপরের তাপমাত্রাটা বেশি থাকে। তাহলে
- 1:39:51রদের তলদেশে একদম নিচে তাপমাত্রা হল 8
- 1:39:54ডিগ্রি সেলসিয়াস। 8 ডিগ্রি মানে কত
- 1:39:56কেলভিন হবে? 281 কেলভিন। আর উপরে
- 1:39:58তাপমাত্রাটা হচ্ছে 30 ডিগ্রি মানে হল 303
- 1:40:02কেলভিন। 2 লিটার আয়তন বিশিষ্ট একটা
- 1:40:05বায়ুপূর্ণ বেলুন রদের তলদেশ হতে ছেড়ে
- 1:40:07দেওয়া হলো। সো এইখানে আমাদের একটা বেলুন
- 1:40:10আছে। সেই বেলুনটা আমরা কি করছি? রদের
- 1:40:12তলদেশ থেকে ছেড়ে দিছি। এই ভলিউমটা হচ্ছে
- 1:40:142 লিটার। আচ্ছা
- 1:40:17বেলুনটা সর্বোচ্চ প্রসারণ ক্ষমতা 15
- 1:40:19লিটার। রদের পৃষ্ঠে বায়ুমন্ডলের চাপ 10
- 1:40:22টু দি পাওয়ার 5 নিউটন পার মিটার স্কয়।
- 1:40:24এইখানেট টু দি পাওয়ার 5 নিউটন পার মিটার
- 1:40:26স্কয়ার। এটা হচ্ছে আমাদের শুরুতে যে চাপ
- 1:40:28ছিল বা উপরিতলের যে চাপ সেইটা। রদের
- 1:40:30গভীরতা বলা আছে 15 মিটার। এই গভীরতা বলা
- 1:40:33আছে হচ্ছে 15 মিটার এবং পানির ঘনত্ব বলা
- 1:40:36আছে 1000। আচ্ছা ঠিক আছে। বেলুনটা রদের
- 1:40:39পৃষ্ঠে এসে বিস্ফরিত হওয়ার সম্ভাবনা
- 1:40:40গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করো। অর্থাৎ এটা যখন
- 1:40:42পৃষ্ঠে যাবে তখনকার ভলিউমটা আগে আমরা বের
- 1:40:44করব। সো সহজ জিনিস যদি ভলিউমটা দেখি যে 15
- 1:40:48থেকে বেশি তাহলে ফেটে যাবে। যদি 15 থেকে
- 1:40:49কম হয় তাহলে ফাটবে না। কিন্তু এখানে
- 1:40:52খেয়াল করো আমাদের তো এন এর মান সেম এখানে
- 1:40:54যত মোল গ্যাস আছে এখানেও ঠিক তত মোল গ্যাস
- 1:40:56আছে। তাহলে এন তো সেম। তাইলে আমাদের এখানে
- 1:40:59পি যেহেতু আলাদা তাইলে এবার সূত্র হবে
- 1:41:00পওয়ভিও বাইটিও ইকুয়াল পিটভিটু
- 1:41:03ডিভেডবাটিট।
- 1:41:05যেহেতু আমাদেরকে উপরিতলের আয়তনটা বের
- 1:41:08করতে হবে ভিওয়ান বের করতে হবে তাহলে পিটু
- 1:41:10ভিটু ডিভাইডেড বাই পিও ভিও ইনটুটিও
- 1:41:15এইটা আমরা হিসাব করতে পারি কি করলাম
- 1:41:19পিটভিটু
- 1:41:20ডিভাইডেড বাইটিটু ইনটুটিও
- 1:41:24ডিভাইডেড বাই পিও
- 1:41:27ডান তাহলে ভিওয়ানটা আমরা বের করতে চাই
- 1:41:29দেখো পিটু এর মান কত ছিল পিটু এর মান কত
- 1:41:33হবে উপরের বায়ুমন্ডলীয় চাপ তো থাকবেই
- 1:41:35সেই সাথে এইচ রোজি
- 1:41:40সেই সাথে এইচ রোজি তাহলে আমরা উপরে
- 1:41:44লিখলামট টু দি পাওয়ারফ প্লাস 15 ইটুট টু
- 1:41:48দি পাওয়ার থ্র ইট 9 প8
- 1:41:51ভলিউম টু কত 2 লিটার তাপমাত্রা টিটু কত
- 1:41:55281 ইনটুটিও হচ্ছে 303 টিও হচ্ছেট টু দি
- 1:42:01পাওয়ার ফাইভ তাহলে এখান থেকে উপরিতলে
- 1:42:04ভলিউমটা কত লিটার সেটা বের হয়ে যাবে। সো
- 1:42:06এই ভিওয়ান এর মান আসে 5.327
- 1:42:10[মিউজিক]
- 1:42:13লিটার। তাহলে দেখো সর্বোচ্চ প্রসারণ
- 1:42:15ক্ষমতা ছিল 15 লিটার পর্যন্ত। তাহলে এটা
- 1:42:19বিস্ফোরণ হবে না। কারণ উপরিতলে যাওয়ার
- 1:42:20পরেও সেটার আয়তন কত হচ্ছে? পা লিটার
- 1:42:23হচ্ছে। তাহলে বিস্ফরিত হবে না।
- 1:42:29বিস্ফরিত
- 1:42:32হবে না। আশা করি বুঝতে পেরেছো।
- 1:42:36ঠিক আছে? ডান। চলো পরে আরেকটা সিকিউ
- 1:42:39প্রবলেম দেখে ফেলি। কি বলছে এখানে? এখানে
- 1:42:41দেখো সিলেট বোর্ড 2022 সালের প্রশ্ন এত
- 1:42:44মিটার কিউব আয়তনের সিলিন্ডারে 300 কেলভিন
- 1:42:47তাপমাত্রা এবং এত চাপে অক্সিজেন গ্যাস
- 1:42:50ভর্তি করা আছে একটা সিলিন্ডারে চাপ দেওয়া
- 1:42:55আছে তাপমাত্রা দেওয়া আছে আয়তনও দেওয়া
- 1:42:57আছে তাপমাত্রা ফিক্সড রেখে কিছু পরিমাণ
- 1:42:59অক্সিজেন ব্যবহার করার পরে নতুন চাপ
- 1:43:02পাওয়া গেছে এত অক্সিজেনের আণবিক ভর 32
- 1:43:04গ্রাম পার মোল উদ্দীপকের বর্ণাতে যে
- 1:43:07পরিমাণ অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহৃত হয়েছে তা
- 1:43:09নির্ণয় করা সম্ভব কিনা
- 1:43:12সো খেয়াল করো আমরা
- 1:43:15একটা সিলিন্ডার যদি চিন্তা করি
- 1:43:22একটা সিলিন্ডার
- 1:43:24এই সিলিন্ডারে
- 1:43:27পচা সিলিন্ডার হইছে পচা একটা সিলিন্ডার
- 1:43:30হইছে
- 1:43:33ধর একটা বোতল টাইপের সিলিন্ডার ঠিক আছে
- 1:43:36এটা একটা সিলিন্ডার
- 1:43:38এই যে দুইটা সিলিন্ডারদুইটা অবস্থায়
- 1:43:40রাখলাম। প্রথমে এই সিলিন্ডারের আয়তন 4 *
- 1:43:4510 টু দি পাওয়ার মাইনাস টু। ভাইয়া বলতো
- 1:43:47যেটা বলছিলাম অক্সিজেন গ্যাস আছে। এখান
- 1:43:49থেকে কিছু অক্সিজেন গ্যাস পরে বের হয়ে
- 1:43:51যাবে। তারপরে আমি এটাকে আবার ছিপি দিয়ে
- 1:43:52আটকায় দিলাম। তো যদি কিছু বের হয়ে যায়
- 1:43:56তাহলে বলতো আয়তনের কি কোন পরিবর্তন হবে?
- 1:43:59আয়তন আগেও যা ছিল। এখনো কিন্তু অক্সিজেন
- 1:44:02গ্যাস বের হয়ে যাওয়ার পরেও আয়তন তাই
- 1:44:04থাকবে। তাপমাত্রা অপরিবর্তিত ছিল। অর্থাৎ
- 1:44:06তাপমাত্রা এখানেও ছিল 300 কেলভিন। এখানেও
- 1:44:09তাপমাত্রা কত? 300 কেলভিন। আচ্ছা শুরুতে
- 1:44:13চাপ ছিল পিও সমান সমান 2.5
- 1:44:17ইটুট টু দি পাওয়ার ফাইভ আর পরবর্তীতে যেই
- 1:44:21চাপ পাওয়া গেছে সেই চাপের মানটা হচ্ছে
- 1:44:261.3 ইটু
- 1:44:291.3 ইট টু দি পাওয়ার ফাইও প3 ইটুট টু দি
- 1:44:34পাওয়ারফ নিউটন পার মিটার স্কয়ার ঠিক আছে
- 1:44:38তাহলে এটা হচ্ছে এত প্যাসকেল এটা হচ্ছে এত
- 1:44:40প্যাসকেল আমরা বলছে যে কতটুকু অক্সিজেন
- 1:44:45গ্যাস ব্যবহৃত হয়েছে বের করো তাহলে খুব
- 1:44:47সহজ আমরা চল এখান থেকে একটা এনওয়ান বের
- 1:44:50করি আমরা এখান থেকে একটা এনটু বের করি
- 1:44:55দুইটা এন এর পার্থক্য নির্দেশ করবে কত মোল
- 1:44:57গ্যাস বের হয়ে গেছে ওইটাকে 32 দিয়ে গুণ
- 1:45:00দিলেই কত গ্রাম বের হয়ে গেছে বের হয়ে
- 1:45:02যাবে। সিম্পল অংক। তাহলে এনওয় যদি শুরুতে
- 1:45:04বের করি তাহলে পিওয়ভি সমান সমান এনওয় আরটি
- 1:45:08এনওয় সমান সমান আসবে। পিওয় হচ্ছে 2.5 ইটুট
- 1:45:13টু দি পাওয়ার ফাইভ ইনটু ভলিউম হচ্ছেফ
- 1:45:16ইনটুট টু দি পাওয়ার মাইনাসট ডিভাইডেড বাই
- 1:45:19আর হল 8.34
- 1:45:21ইনটু টেম্পারেচার হচ্ছে 300 কেলভিন। তাহলে
- 1:45:24এখান থেকে এনওয়ান পেয়ে যাব। এনটু পেয়ে যাব
- 1:45:27কিভাবে দেখো যে 2.5
- 1:45:31ইনটুট টু দি পাওয়ার 5 ইনটু
- 1:45:34ও সরি প্রেসার তো এটা ছিল না প্রেসার কত
- 1:45:37ছিল ইট টু দি পাওয়ার ফাই প্রেসার ছিল 1.3
- 1:45:43ইট টু দি পাওয়ার ফাইভ বাকিগুলা সব সেম
- 1:45:46ইনটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস টু ডিভাইডেড
- 1:45:48বাই 8.34
- 1:45:518.34
- 1:45:52ই 300 এখান থেকে একটা এনটু পাব এখান দুইটা
- 1:45:57পার্থক্য থেকে একটা ডেলেন এন পাব এবং এই
- 1:45:59ডলেনটা থেকে আমরা যদি কত মোল গ্যাস বের
- 1:46:03হয়ে গেছে এটা যদি বের করতে চাই তাহলে কি
- 1:46:06করব এই ডলেনটাকে পরে 32 দিয়ে গুণ দিয়ে কত
- 1:46:08গ্রাম বের হয়ে গেছে সেটা বের করে ফেলতে
- 1:46:10পারব
- 1:46:12দেখো এখান থেকে যদি হিসাব করি 2.5 ইট টুদি
- 1:46:15পাওয়ার ফাইভ ইটফ ইটুট পায়ার মাইনাস টু
- 1:46:18ডিভডবা
- 1:46:19300 এইটা আসে চার মোল এইটা আসে চার মোল আর
- 1:46:27এইটা আসে হচ্ছে দুই মোল 2.08 2.1 মোল
- 1:46:34তাহলে পার্থক্য করলে কত হবে?
- 1:46:381.9 মোল।
- 1:46:41তাইলে
- 1:46:43ইনটু 32 করলে আসছে 61.28
- 1:46:48গ্রাম। ঠিক আছে? তাইলে এখান থেকে হিসাব
- 1:46:51করে বের করে ফেলতে পারবো। দেখো এই অংকটা
- 1:46:55চাইলে তোমরা আরো একটু ছোট করে করতে পারো।
- 1:46:58যখন এডমিশনে আসবে ওই সময় আরো ছোট ছোট করে
- 1:47:00করতে পারো। কিন্তু বোর্ডের জন্য এটাই
- 1:47:01স্ট্যান্ডার্ড। পারফেক্ট নিয়ম আমরা এখানে
- 1:47:03কি দেখলাম ডেলটা পি বা পিও সমান সমান পিওয়
- 1:47:08ভি সমান সমান এনওয় আরটি এবং পিটুভি সমান
- 1:47:12সমান এনট আরটি যখন এডমিশন আসবে তখন একটা
- 1:47:15থেকে আরেকটাকে বাদ দিলে বলতো ফাইনাল
- 1:47:17লাইনটা কি আসবে কমন নিলে পিওয় মাইনাস পিটু
- 1:47:20না অর্থাৎ কি ডেলটা পিভি সমান সমান ডেলটা
- 1:47:24এন আরটি না যদি একটা থেকে আরেকটাকে বাদ
- 1:47:27দাও এটা মনে কর এক নাম্বার ইকুয়েশন এটা
- 1:47:28দুই নাম্বার ইকুয়েশন এক নাম্বার থেকে
- 1:47:30বাদুই নাম্বার এক নাম্বার থেকে দুই
- 1:47:31নাম্বার বাদ দাও তাহলে কিন্তু এই সমীকরণটা
- 1:47:33পাচ্ছ তাহলে এখান থেকেই তো আমরা ডেলটা এন
- 1:47:35একবারে বের করে ফেলতে পারতাম ডেলটা পিভি
- 1:47:38ডিভাইডেড বাই আরটি তাহলে ডল এন বের হয়ে
- 1:47:41গেলে এখান থেকেড
- 1:47:43ডবলিউ এর মান কত বা কত গ্রাম বের হয়ে গেছে
- 1:47:45ওটা আমরা বের করে ফেলতে পারতাম যে ডেলটা
- 1:47:48এন ই 32 দিয়ে গুণ দিয়ে বুঝতে পারছ তাহলে
- 1:47:51এই নিয়মে কিন্তু করে ফেলতে পারতা বোর্ডের
- 1:47:54জন্য এটাও এপ্লিকেবল নো প্রবলেম এটাও করতে
- 1:47:56পারো ভেঙ্গে ভেঙ্গে তাইলেও হবে কোন সমস্যা
- 1:47:58নাই গেল এইবার আমরা গ্যাসের গতিতত্ত্ব
- 1:48:01নিয়ে আলোচনা করবো। দেখো গ্যাসের
- 1:48:03গতিতত্ত্ব থেকে কিন্তু এমসিকিউ প্রশ্ন
- 1:48:05অনেক বেশি আসে। সো দেখো একটু রিডিং পড়ি
- 1:48:08আমরা। প্রত্যেকটা গ্যাস অসংখ্য অতি
- 1:48:10ক্ষুদ্র কণার সমন্বয়ে গঠিত। এই কণাগুলার
- 1:48:13কে ওই গ্যাসের অণু বলা হয়। সহজ জিনিস।
- 1:48:17একই গ্যাসের অণুগুলা দেখতে একই রকম।
- 1:48:19কিন্তু ভিন্ন ভিন্ন গ্যাসের অণুগুলা দেখতে
- 1:48:21ভিন্ন ভিন্ন রকম। অর্থাৎ মনে করো আমাদের
- 1:48:23একটা পাত্রের মধ্যে হাইড্রোজেনের গ্যাস
- 1:48:25আছে, হাইড্রোজেন গ্যাস আছে। হাইড্রোজেন
- 1:48:27গ্যাসের যে অণুগুলা সেই অণুগুলা সবগুলা
- 1:48:30অণু দেখতে একই রকম। আবার আমাদের ভিন্ন
- 1:48:33ভিন্ন গ্যাসের যে অণুগুলা থাকবে যেমন যদি
- 1:48:35হাইড্রোজেনের অনুর সাথে অক্সিজেন অণু
- 1:48:37মিলাও তাহলে দেখা যাবে তারা আলাদা আলাদা।
- 1:48:39এটাই বলছে বিভিন্ন গ্যাসের অণুগুলা ভিন্ন
- 1:48:41ভিন্ন একই গ্যাসের অণুগুলা একই রকম দেখবে।
- 1:48:43অণুগুলার মধ্যবর্তী দূরত্বের তুলনায় এদের
- 1:48:46আয়তন নগণ্য। এদের আয়তন উপেক্ষণীয়।
- 1:48:49অর্থাৎ গ্যাসের অণুগুলা কি করে? সবসময় তো
- 1:48:52তারা ছোটাছুটি করছে। তো তাদের মধ্যে
- 1:48:55পারস্পরিক যে দূরত্ব সেই দূরত্ব তাদের
- 1:48:58আয়তনের তুলনায় অনেক বেশি। তাদের আয়তন
- 1:49:00পিচ্ছি কিন্তু তাদের মধ্যবর্তী দূরত্ব
- 1:49:02কিন্তু তার তুলনায় অনেক বেশি। কোন
- 1:49:05গ্যাসের অণুগুলার মোট আয়তন উক্ত গ্যাসের
- 1:49:08পাত্রের আয়তনের তুলনায় নগণ্য। এটার মানে
- 1:49:10কি? মনে করো আমাদের কাছে একটা গ্যাস পাত্র
- 1:49:12আছে। এই পাত্রের মধ্যে কিছু পরিমাণ গ্যাস
- 1:49:14রাখা। আমরা যদি গ্যাসের অণুগুলাকে একদম
- 1:49:16বাইরে বের করে নিয়ে এসে একটা একটা একটা
- 1:49:18করে অণুগুলাকে সব এক জায়গাতে রেখে টোটাল
- 1:49:20আয়তনটা বের করি অর্থাৎ মোট গ্যাসের যে
- 1:49:23অণুগুলা অণুগুলার একটা অনুর আয়তন তো
- 1:49:24পিচ্চি। তো এরকম করে যদি সবগুলা গ্যাসের
- 1:49:27অণুকে একসাথে নিয়ে এসে তাদের মোট আয়তন
- 1:49:28বের করি সেটা দেখা যাবে পাত্রের আয়তনের
- 1:49:31তুলনায় নগণ্য।
- 1:49:33গ্যাসের অণুগুলা কঠিন এবং গোলাকার।
- 1:49:36গ্যাসের অণুগুলা সরল রৈখিক পথে ইতস্ততভাবে
- 1:49:40সদা সঞ্চারণশীল। অর্থাৎ এরা সবসময় মুভ
- 1:49:43করে। ইতস্ততভাবে মানে রেন্ডমলি তারা মুভ
- 1:49:45করছে এবং
- 1:49:47দুইটা ধাক্কা যখন খাবে গ্যাসের অণুগুলা তো
- 1:49:50সবসময় হয় পাত্রের দেয়ালে ধাক্কা খাচ্ছে
- 1:49:52অথবা অণুগুলা পরস্পরের সাথে ধাক্কা খাচ্ছে
- 1:49:54দুইটা ধাক্কার মধ্যবর্তী সময় কিন্তু এরা
- 1:49:56সরল রৈখিক পথে চলাচল করছে তো সরল রৈখিক
- 1:49:59পথে চলাচল করে ধাক্কা খেয়ে সেটা কোন দিকে
- 1:50:01যাবে এটা কিন্তু রেন্ডমলি মানে এটার কোন
- 1:50:04দিক ঠিক নাই এটা রেন্ডমলি কিন্তু মুভ করছে
- 1:50:06তো এটাই বলছে যে গ্যাসের অণুগুলা
- 1:50:08সরলরখিকভাবে ইতস্ততভাবে সর্বদা সঞ্চারণশীল
- 1:50:11অণুগুলা পরস্পরের এবং পাত্রের দেয়ালের
- 1:50:14সাথে অবিরত ধাক্কা খায়। গ্যাস অণুগুলা
- 1:50:17কর্তৃক পাত্রের দেয়ালে অবিরত ধাক্কার ফলে
- 1:50:19গ্যাসের চাপ সৃষ্টি হয়। যেটা বলছিলাম যে
- 1:50:21পাত্রের দেওয়ালে যখন সেটা ধাক্কা দিচ্ছে
- 1:50:24সেখান থেকে কিন্তু চাপের উৎপত্তি।
- 1:50:25অণুগুলার গতিবেগ শূন্য থেকে অসীম পর্যন্ত
- 1:50:28বিস্তৃত হতে পারে। অণুগুলার গতিবেগটা খুব
- 1:50:31কমও হতে পারে। আবার কোন কোন অণুর গতিবেগ
- 1:50:34অনেক বেশিও হতে পারে। কোন কোন অনুর গতিবেগ
- 1:50:37কমও হতে পারে বেশিও হতে পারে। ওকে?
- 1:50:39রেঞ্জটা শূন্য থেকে অসীম পর্যন্ত হতে
- 1:50:41পারে। গ্যাসের অণুগুলা অক্রম বা
- 1:50:43এলোমেলোভাবে যেটা বলছিলাম রেন্ডম ভাবে
- 1:50:45তারা মুভ করছে এবং এগুলা নিউটনের গতিসূত্র
- 1:50:47মেনে চলে। এটা কিন্তু অবজেক্টিভ। খেয়াল
- 1:50:48রেখো। অণুগুলা সকল দিকেই গতিশীল হতে পারে
- 1:50:51এবং এদের বেগের মান বিভিন্ন। যেটা বলছিলাম
- 1:50:54শূন্য থেকে অসীম পর্যন্ত কিন্তু এই বেগের
- 1:50:56রেঞ্জ থাকতে পারে। গ্যাস অণুগুলার
- 1:50:59পারস্পরিক সংঘর্ষ বা পাত্রের দেয়ালের
- 1:51:01সাথে এদের সংঘর্ষ পূর্ণ স্থিতিস্থাপক।
- 1:51:04আমরা জানি পূর্ণ স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষে কি
- 1:51:06হয়? গতিশক্তি কিন্তু সংরক্ষিত থাকে।
- 1:51:08ভরবেগের নিত্যতা তো যেকোনো সংঘর্ষের জন্যই
- 1:51:10অ্যাপ্লিকেবল। কিন্তু আমাদের হচ্ছে পূর্ণ
- 1:51:14স্থিতিস্থাপক সংঘর্ষ যদি হয় তাহলে
- 1:51:15গতিশক্তি কিন্তু কনজার্ভ থাকবে। শক্তির
- 1:51:19নিত্যতা মানে গতিশক্তি যেটা সেটা কনজার্ভ
- 1:51:22থাকবে। অর্থাৎ ধাক্কা খাওয়ার আগে টোটাল
- 1:51:23গতিশক্তি ধাক্কা খাওয়ার পরে টোটাল
- 1:51:25গতিশক্তি সেম থাকবে। ফলে সংঘর্ষের সময়
- 1:51:28অণুগুলার মোট গতিশক্তির কোন পরিবর্তন ঘটে
- 1:51:31না। গ্যাস অণুগুলার মধ্যে কোন আকর্ষণ বা
- 1:51:34বিকর্ষণ বল নেই। এটা একটা গুরুত্বপূর্ণ
- 1:51:37তথ্য। মাথায় রেখো। অর্থাৎ গ্যাস আধারে
- 1:51:40অণুগুলা স্বাধীনভাবে বিচরণ করে।
- 1:51:43গ্যাস অণুগুলার গড় গতিশক্তি পরম
- 1:51:46তাপমাত্রার সমানুপাতিক। এটা আমরা একটু পরে
- 1:51:48দেখবো। এটা আমরা শুরুতে একদম দেখছিলাম।
- 1:51:51তারপরে একটা ছোট্ট সমীকরণ আছে ওইটাতে আসবো
- 1:51:54একটু পরে। গতিশক্তি যত বাড়বে তার মানে
- 1:51:57তাপমাত্রা তত বাড়ছে। বা উল্টাভাবে বললে
- 1:51:58গ্যাসের তাপমাত্রা যত বাড়াবা গ্যাসের
- 1:51:59গতিশক্তি তত বাড়বে। দুইটা ধাক্কার
- 1:52:02মধ্যবর্তী সময়ে অণুগুলা সমবেগে সরল রেখা
- 1:52:06বরাবর চলে। পরপর দুইটা ধাক্কার মধ্যবর্তী
- 1:52:08দূরত্বকে বলা হয় মুক্ত পথ। একটা ধাক্কা
- 1:52:12সংঘটিত হতে যে সময় লাগে তা মুক্তপথ
- 1:52:15অতিক্রম করার সময়ের তুলনায় অতিন নগণ্য।
- 1:52:17তাই এই ধাক্কাগুলো হচ্ছে তাৎক্ষণিক।
- 1:52:21ধাক্কাগুলো ইনস্ট্যান্টেনিয়াসলি ঘটে।
- 1:52:24দুইটা অণু যখন পরস্পর ধাক্কা খাচ্ছে
- 1:52:26সাপোস। এই দুইটা অণু পরস্পরের সাথে ধাক্কা
- 1:52:29খেল। যখন ধাক্কা খাচ্ছে এই ধাক্কা খাওয়ার
- 1:52:33যে মানে একটা ধাক্কা খাইছে মনে করো এখানে
- 1:52:36এসে এখানে একটা অনুর সাথে এখানে একটা
- 1:52:38কলিশন হইছে ডিসডিশ করে কলিশন হইছে কলিশন
- 1:52:41হওয়ার পরে যখন এটা সরল রৈখিকভাবে সমবেগে
- 1:52:44যাচ্ছে যাওয়ার পরে এই যে একটা সংঘর্ষ এর
- 1:52:46সাথে হবে এই সময়ের তুলনায় সংঘর্ষের
- 1:52:49সময়টা একেবারে নগণ্য এবং এই মধ্যবর্তী
- 1:52:52সময় তারা কি সরল রৈখিক পথে যায় এই
- 1:52:55পথটাকে আমরা বলি মুক্ত পথ কারণ এইটুকু পথে
- 1:52:59সে একদম মুক্তভাবে চলা চলাচল করছে। কিন্তু
- 1:53:00তারপর ধাক্কা খেয়ে আবার দিক পরিবর্তন
- 1:53:02করছে। সো একটা ধাক্কা সংঘটিত হতে যে সময়
- 1:53:05লাগে তা মুক্তপথ হতে অতিক্রম করার সময়ের
- 1:53:07তুলনায় অতি নগণ্য। ধাক্কাগুলা তাৎক্ষণিক।
- 1:53:10আর এখানে কি বলল? দুইটা ধাক্কার মধ্যবর্তী
- 1:53:12সময়ে অণুগুলা সমবেগে সরলরেখায় চলে। পরপর
- 1:53:14দুইটা ধাক্কার মধ্যবর্তী দূরত্বকে বলা হয়
- 1:53:16মুক্তপথ। আমরা একটু পরে গড় মুক্তপথ বলব।
- 1:53:19এই মুক্ত পদগুলার গড় করে আমরা যেই গড়
- 1:53:21মুক্ত যে মুক্তপদটা পাই ওটাকে আমরা বলছি
- 1:53:23গড় মুক্ত পদ।
- 1:53:25ওকে। এই স্লাইডটা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এখানে
- 1:53:28যে সংজ্ঞাগুলো দেয়া আছে এখান থেকে ক
- 1:53:29নাম্বার প্রশ্ন আসে। দেখো আমাদের বলছে
- 1:53:32গড়বেগ। গড়বেগ কাকে বলে? গ্যাসের অণুর
- 1:53:33গড়বেগ। গ্যাস অণুগুলার বেগের গাণিতিক
- 1:53:36গড়কে আমরা বলি গড়বেগ। অর্থাৎ মনে কর
- 1:53:40আমাদের কাছে তিনটা অণু আছে। গ্যাসের তিনটা
- 1:53:42অণু। একটার বেগ সিও, একটার বেগ সিট, একটার
- 1:53:44বেগ হচ্ছে স3। তাহলে আমি যখন গড়বেগ বের
- 1:53:47করবো তখন জাস্ট তিনটা বেগকে যোগ করে তিন
- 1:53:50দিয়ে ভাগ করে ফেলব। তিনটা বেগকে যোগ করে
- 1:53:52তিন দিয়ে ভাগ করে ফেলব। ডান এটা হল
- 1:53:54গড়বেগ। গড় বর্গ বেগ মিন স্কয়ার ভেলোসিটি
- 1:53:57এটা কি? কোন গ্যাসের সকল অনুর বেগের
- 1:54:00বর্গের গড়কে গড়বেগ বলে। কোন গ্যাসের অনুর
- 1:54:03সবগুলো অনুর বেগগুলা নিবা। বেগগুলার বর্গ
- 1:54:07করবা। বর্গর গড় করবা। তাহলে গড় বর্গবেগ
- 1:54:11তাদেরকে আমরা বলব। যেমন দেখো প্রত্যেকটা
- 1:54:13অনুর অনুলাম সিওয় সিট সিথ। তাদের আমরা
- 1:54:17বর্গ করি। সিওয়ান স্কয়ার সিট স্কয়ার সিথ
- 1:54:19স্কয়ার। এই বর্গগুলার গড় করে ফেলব।
- 1:54:22এইগুলার গড় করে ফেলব। তাহলে এটা হচ্ছে গড়
- 1:54:24বর্গবেগ। তারপরে কি বলছে দেখো মূল গড়
- 1:54:28বর্গবেগ রুট মি স্কয়ার ভেলোসিটি আরএমএস
- 1:54:30বেগ বলে এটাকে। এইটাই বেশিরভাগ সময়
- 1:54:33প্রশ্নে আসে ক নাম্বার প্রশ্নের জন্য। এটা
- 1:54:35খুব গুরুত্বপূর্ণ। মুখস্ত করে রাখবা। কোন
- 1:54:37গ্যাসের অণুগুলার বেগের বর্গের গড়ের
- 1:54:42বর্গমূল। এদেরকে মূল গড় বর্গবেগ বলা হয়।
- 1:54:46দেখো প্রশ্নের মধ্যেই তোমার উত্তর চলে
- 1:54:48আসবে। যখন বলবে মূল গড় বর্গবেগ বের করো।
- 1:54:52সংজ্ঞাটা কি? অণুগুলার বেগের বর্গের গড়ের
- 1:54:57বর্গমূলকেই মূল গড় বর্গবেগ বলে। আর এখান
- 1:55:01থেকে আসলে এইযে রুট মি স্কয়ার ভেলোসিটি
- 1:55:05ভেলোসিটি এখানে লেখা নাই। ভেলোসিটি
- 1:55:07যেগুললা থাকবে বা স্পিড যেগুললা থাকবে
- 1:55:09সেগুলার আগে স্কয়ার করবা। তাদের মিন মানে
- 1:55:12গড় করবা। তাদের রুট করবা। একই কথা তাহলে
- 1:55:16খেয়াল করো আমরা আগে অণুগুলা যেগুললা
- 1:55:18নিলাম সিও সিটু সিথ এইগুলার আমরা বর্গ
- 1:55:21করলাম।
- 1:55:23তাদেরকে আমরা গড় করলাম এবং সেটার একটা
- 1:55:27বর্গমূল করে ফেললাম। এটাকে আমরা বলছি সি
- 1:55:30আরএমএস।
- 1:55:31একটা জিনিস খেয়াল করো সি আরএমএস কে যদি
- 1:55:34আমরা বর্গ করি সি আরএমএস কে যদি আমরা বর্গ
- 1:55:37করি তাহলে কি পাওয়া যায়? সিওয়ান স্কয়ার
- 1:55:40প্লাস সিটু স্কয়ার প্লাস সিথ স্কয়ার
- 1:55:43ডিভাইডেড বাইথ। এই জিনিসটা কিন্তু গড়
- 1:55:45বর্গবেগের সমান। এটা কিন্তু আমাদের গড়
- 1:55:48বর্গবেগের সমান।
- 1:55:53ঠিক আছে? সিআরএমএস কে স্কয়ার করলেও কিন্তু
- 1:55:54গড় বর্গগ পাওয়া যায়। মাথায় রেখো এটা। এই
- 1:55:57সংজ্ঞাগুলা খুব গুরুত্বপূর্ণ। এগুলা থেকে
- 1:55:59ক নাম্বার প্রশ্ন সরাসরি কমন পেতে পারো।
- 1:56:02এবার আসো তিনটা প্রশ্ন। দেখো সরি একটা
- 1:56:04এমসিকিউ প্রশ্ন। কি বলছে? তিনটা গ্যাস
- 1:56:06অনুর বেগ যথাক্রমে 10, 15, 20। এদের মূল
- 1:56:09গড় বর্গবেগ বের করো। তার মানে কি? বেগগুলা
- 1:56:12নিবা। 10 যোগ 15 যোগ 20। বর্গ করবা। বর্গ
- 1:56:19করলাম। বর্গ করলাম গড় করবা গড় করলাম
- 1:56:23বর্গমূল করবা যেটা আসে সেটা আনসার হিসাব
- 1:56:25করে দেখবা কত হয় এইবার আসো আমরা আমাদের এই
- 1:56:28অধ্যায়ের অন্যতম একটা গুরুত্বপূর্ণ
- 1:56:30ফর্মুলায় চলে যাই পিভি সমান সমানও বাইথ এম
- 1:56:34এন সি স্কয়ার এই সূত্রটা খুবই খুবই খুবই
- 1:56:37খুবই গুরুত্বপূর্ণ হ্যা কোনটার মানে কি পি
- 1:56:40মানে হচ্ছে গ্যাসের চাপ ভি মানে গ্যাসের
- 1:56:43আয়তন এম মানে হচ্ছে একটা অনুর ভর এন মানে
- 1:56:47হচ্ছে এই ভি আয়তন পাত্রের মধ্যে যতগুলা
- 1:56:49অণু ছিল সে অনুর সংখ্যা আর সিআরএমএস
- 1:56:51যথারীতি আরএমএস বেগ এই ফর্মুলাটার
- 1:56:55প্রমাণ যদি তোমরা দেখতে চাও প্রমাণ কিন্তু
- 1:56:57আমার এই চ্যানেলেরই তোমরা দেখবা আদর্শ
- 1:57:00গ্যাস এবং গ্যাসের গতিদত্তর একাডেমিক
- 1:57:01ক্লাস আছে তো সেই একাডেমিক ক্লাসের মধ্যে
- 1:57:03তোমরা এটার প্রমাণটা পেয়ে যাবা পরীক্ষার
- 1:57:05জন্য প্রমাণ কোন দরকার নাই জাস্ট এই
- 1:57:07ফর্মুলার কোনটা দিয়ে কি বোঝাচ্ছে এটা
- 1:57:09মাথায় রাখলেই হলো পিভি সমান সমানওবাথ
- 1:57:12এমএন সি আরএমএস স্কয়ার এবার একটু খেয়াল
- 1:57:16করো আমরা একটা কাজ করি
- 1:57:19এখান থেকে আমরা কয়েকটা সূত্র ডিরাইভ করব।
- 1:57:24স প্রথমে আগে দেখো এম ইট এন এটা বলতে কি
- 1:57:27বোঝাচ্ছে? এম ই এন এন মানে কি ছিল? এন
- 1:57:32মানে ছিল যে আমাদের ওই পাত্রের মধ্যে কত
- 1:57:34সংখ্যক অণু আছে। আর এম মানে হচ্ছে একটা
- 1:57:38অণুর ভর। তহলে বলতো এম ইন এন মানে কি?
- 1:57:42টোটাল যতগুলো গ্যাসের অণু আছে সবগুলার ভর।
- 1:57:46অর্থাৎ গ্যাসের মোট ভর হচ্ছে এম ইটু এম।
- 1:57:49এটা হচ্ছে গ্যাসের ভর। স আমরা খেয়াল করো
- 1:57:54এটাকে এভাবে লিখতে পারি যে পিভি সমান
- 1:57:58সমানও বাইথ এম ইট এন যেটা আছে পুরাটা
- 1:58:01হচ্ছে আসলে গ্যাসের ভর। সিআরএমএস স্কয়ার।
- 1:58:06সো আমরা এখান থেকে ওবাইথ এটাকে একটা কাজ
- 1:58:08করি। দুই দিয়ে গুণ করে। দুই দিয়ে ভাগ করে
- 1:58:11দেই। এম এন মানে কি? এম এন মানে হচ্ছে
- 1:58:14বললাম গ্যাসের ভর। চল এটাকে আমরা ডবলিউ
- 1:58:16দিয়ে প্রকাশ করি। টোটাল গ্যাসের ভরকে
- 1:58:19ডব্লিউ দিয়ে প্রকাশ করলাম। ইনটু সিআরএমএস
- 1:58:22স্কয়ার। তাহলে খেয়াল করো পিভি সমান সমান
- 1:58:26এখানে যেটা আসলো হাফ এম সি স্কয়ার মানে ভি
- 1:58:31স্কয়ার। সো হাফ এমভি স্কয়ার এটা মানে
- 1:58:34কিন্তু ওই ডব্লিউ পরিমাণ গ্যাসের
- 1:58:36গতিশক্তিটাকে বোঝাচ্ছে। তাহলে এখান থেকে
- 1:58:38আসে কত? 2 বাইথ গতিশক্তিটাকে ইয়ে প্রকাশ
- 1:58:42করলাম সমান সমান হচ্ছে পিভি পিভি সমান কি
- 1:58:46লেখা যায় এন আরটি লেখা যায় তাহলে আসলো
- 1:58:492বাইথ
- 1:58:51তাহলেই সমান সমান আমরা পাচ্ছি 3বাইটু এন
- 1:58:56আরটি
- 1:58:583বাইটু এন আরটি যদি আমরা এক মোল গ্যাসের
- 1:59:02গতিশক্তি বের করতে চাই
- 1:59:05এক মোল গ্যাসের
- 1:59:07গতিশক্তি বের করতে চাই তাহলে তাহলে এন এর
- 1:59:09জায়গায় এক বসায় দিবা। তাহলে 3 / 2 আর
- 1:59:14যদি আমরা চাই একটা অনুর গতিশক্তি বের করতে
- 1:59:19একটি অণুর
- 1:59:21গতিশক্তি ই সমান সমান কি হবে দেখো এইটা হল
- 1:59:25এক মৌলের গতিশক্তি। একটা অণুর গতিশক্তি
- 1:59:27বের করতে গেলে কি করতে হবে? এক মোলের
- 1:59:30মধ্যে কয়টা অণু থাকে? এক মৌলের মধ্যে
- 1:59:32থাকে এন এ সংখ্যক অণু। এন এ সংখ্যক অণুর
- 1:59:35গতিশক্তিই হলে একটা অণুর গতিশক্তি কত হবে?
- 1:59:38ই বাই এন এ অর্থাৎ এই পুরা সমীকরণটাকে আমি
- 1:59:41যদি এন এ দিয়ে ভাগ দেই তাহলে কিন্তু একটা
- 1:59:43অনুর গতিশক্তি পেয়ে যাব তাহলে 3 বাইট আর
- 1:59:47বাই এন এ ইনটুটি ইনটুটি
- 1:59:51আর বাই এন এ কে আমরা নতুন একটা
- 1:59:52কনস্ট্যান্ট দেই সেটাকে আমরা কি বলি
- 1:59:54বোলসম্যান কনস্ট্যান্ট এটাকে কে দিয়ে
- 1:59:57প্রকাশ করা হয়
- 1:59:59K এর মান কত 1.38 ইট টু দি পাওয়ার
- 2:00:03মাইনাসট 23
- 2:00:05প38 ইটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস 23 এইটার
- 2:00:11এককটা কি হবে
- 2:00:13দেখো কে এর যে একক এইটা হচ্ছে জুল পার
- 2:00:18কেলভিন জুল পার কেলভিন তুমি যদি এখানে এটা
- 2:00:22দেখো জুল এটা হচ্ছে টি তাহলে কিন্তু এটার
- 2:00:26একক জুল এটা কেলভিন তাহলে জুল পার কেলভিন
- 2:00:28হচ্ছে এটা একক ভোল্টসম্যান কনস্ট্যান্ট
- 2:00:33তহলে এটা গেল একটা অনুর গতিশক্তি। আচ্ছা
- 2:00:36ভালো কথা। এইবার আসো আমরা আরো কিছু
- 2:00:40ফর্মুলা একটু দেখে ফেলি।
- 2:00:43আরো কিছু ফর্মুলা একটু দেখে ফেলি।
- 2:00:46আমাদের
- 2:00:48সিআরএমএস রিলেটেড। রাইট?
- 2:00:51পিভি সমান সমান আমরা দেখছিও
- 2:00:54বাইথ এম এন সিআরএমএস স্কয়ার। এই
- 2:00:59প্রমাণগুলো একটু কেন দেখাচ্ছি? কারণ তুমি
- 2:01:01এটা যদি মনে রাখো পরীক্ষার হলে কোন কারণে
- 2:01:03ফর্মুলাগুলো ভুলে গেলেও যাতে করে একটু ছোট
- 2:01:05করে ডিরাইভ করে ফেলতে পারো। তাই দেখে
- 2:01:06রাখো। এখান থেকে সি আরএমএস যেটা এটা
- 2:01:10স্কয়ার সমান সমান হচ্ছে 3 পিভি ডিভাইডেড
- 2:01:14বাই এম এন এম এন তাহলে সিআরএমএস সমান সমান
- 2:01:20কত হচ্ছে?
- 2:01:23পিভি সমান কি লেখা যায়? এন আরটি
- 2:01:27ডিভাইডেড বাই এম ইটু এন বলতো এই স্মল এন
- 2:01:33কে আমরা কি লিখতে পারি
- 2:01:36এন ডিভাইডেড বাই এন ইনটু আরটি ডিভাইডেড
- 2:01:40বাই ডিভাইডেড বাই এম ইট এন তাহলে খেয়াল
- 2:01:45করো এই এন এই এন কাটাকাটি হয়ে যায় যদি
- 2:01:49তাহলে সি আরএমএস সমান সমান আসছে রুট ওভারথ
- 2:01:543r টি ডিভাইডেড বাই এ *
- 2:01:58বলতো এম ইন এ এইটার মানে কি? এন এ মানে
- 2:02:02হচ্ছে এক মৌলের অনুর সংখ্যা এম মানে ছিল
- 2:02:05একটা অনুর ভর। অর্থাৎ এইটা মানে কি? এক
- 2:02:07মৌলের ভর না? গ্যাসের এক মৌলের ভরকে আমরা
- 2:02:10কি বলি? মোলার ম্যাস। যেটাকে আমরা এম দিয়ে
- 2:02:13প্রকাশ করি। ক্যাপিটাল এম দিয়ে প্রকাশ
- 2:02:14করি। তাহলে থ্রি আরটি ডিভাইডেড বাই এম।
- 2:02:17একটা জিনিস লক্ষ্য করো। খুব গুরুত্বপূর্ণ
- 2:02:20এটা এটা। খেয়াল রেখো। গতিশক্তি যখন বের
- 2:02:23করছো তখন কিন্তু কত মোল এর উপরে ডিপেন্ড
- 2:02:26করবে গতিশক্তির মান। কারণ মোল যত বাড়বে
- 2:02:28তত গ্যাসের ভর বাড়বে। গতিশক্তি বাড়বে। স
- 2:02:31আমাদের এক মোলের গতিশক্তি যা হবে 10 মোলের
- 2:02:34গতিশক্তি কিন্তু 10 গুণ হবে। কিন্তু বলতো
- 2:02:37সি আরএমএস এর মান কি? কত মোল গ্যাস তার
- 2:02:39উপর ডিপেন্ড করছে? না। সিআরএমএস এর ভ্যালু
- 2:02:42কিন্তু দেখোথ আরটি ডিভাইডেড বাই ক্যাপিটাল
- 2:02:44এম এখানে কিন্তু কোন এন নাই। অর্থাৎ এক
- 2:02:47মোলের জন্যও গতিশক্তি যা 10 মোলের জন্যও
- 2:02:49তাই পাঁচ মোলের জন্যও তাই সব কিন্তু একই
- 2:02:51রকম হবে। এই যে গ্যাসের গতিবেগটা সে
- 2:02:54গতিবেগটা ডিপেন্ড করে কার উপরে? ডিপেন্ড
- 2:02:56করছে দেখো টেম্পারেচারের উপরে। একটা
- 2:02:58নির্দিষ্ট গ্যাসের তো এম সেইম আর তো সেইম।
- 2:03:01তাহলে সিআরএমএস এর যে ভ্যালু সেটা
- 2:03:03পুরাপুরিভাবে ডিপেন্ড করছে কিন্তু
- 2:03:04টেম্পারেচারের উপরে। অর্থাৎ তোমার যদি
- 2:03:06টেম্পারেচার বাড়াও তাহলে সিআরএমএস বাড়বে।
- 2:03:10টেম্পারেচার কমালে সিআরএমএস কমবে। আমাদের
- 2:03:13কখনো কখনো ফর্মুলা এরকম তুমি দেখতে পারো।
- 2:03:15cওয় বা রুট ওভারটি ওয়ান সমান সমান C2
- 2:03:18ডিভাইডেড বাই রুট ওভারটি
- 2:03:21আচ্ছা
- 2:03:22এইটা একটা ফর্মুলা গেল আবার খেয়াল করো
- 2:03:26আচ্ছা এই সূত্রটা কিন্তু সরাসরি কাজে লাগে
- 2:03:29এটা একটু মাথায় রেখো এছাড়া দেখো আমরা যদি
- 2:03:33আরেকটা ফর্মুলার দিকে একটু তাকাই
- 2:03:37সিআরএমএস সমান সমান আর কে আমরা কি লিখতে
- 2:03:41পারি
- 2:03:42আর কে আমরা কি লিখতে পারি দেখো
- 2:03:46আর বাই এন এ মানে কিন্তু কে তাহলে আমরা
- 2:03:50যদি
- 2:03:52এই জায়গাটাতে দেখো এইটুকু অংশ যেটা ছিল
- 2:03:56এই যে আর বাই এন এ যে অংশটুকু ছিল এইটাকে
- 2:04:00আমরা কি কে লিখতে পারি না তাহলে কি লেখা
- 2:04:03যায় 3 কেটি ডিভাইডেড বাই এম তো সিআরএমএস
- 2:04:07এর মান কিন্তু এভাবেও চাইলে বের করা যায়
- 2:04:09কে এর মানটা সেক্ষেত্রে ভোল্টম্যান
- 2:04:11কনস্ট্যান্ট বসাতে হবে আর এম এর মানটা এটা
- 2:04:13কি বোঝাচ্ছে একটি অনুর ভর
- 2:04:17একটি অনুর ভর
- 2:04:20আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন এটা মাস্ট
- 2:04:24খেয়াল রাখবা এখানে কিন্তু এমটাকে বসাতে
- 2:04:27হবে কেজি পার মোল এককে
- 2:04:30কেজি পার মোল এককে বসাতে হবে এটা খেয়াল
- 2:04:33রেখো অর্থাৎ 32 অক্সিজেন হলে 32 বসালে হবে
- 2:04:37না 32 ইট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ লিখতে হবে
- 2:04:39এখানেও এম যেটা সেটাও কিন্তু অবশ্যই
- 2:04:42কেজিতে কনভার্ট করে লিখবা
- 2:04:44ঠিক আছে? কারণ আর যেটা এটা তো এসই এককে
- 2:04:47আছে। এখানে গ্রাম লিখলে তো হইলো না। আচ্ছা
- 2:04:50এটা গেল সিআরএমএস এর আরেকটা ফর্মুলা।
- 2:04:53আচ্ছা আরেকটা ফর্মুলা লেখা যায়। তুমি দেখো
- 2:04:57এই যে সি আর স্কয়ার যে ছিল বলতো এইটা হলো
- 2:05:01আয়তন। আর এইটা হচ্ছে গ্যাসের ভর। তো আমরা
- 2:05:05কি চাইলে এভাবে লিখতে পারি না? যে থ্রি পি
- 2:05:07ডিভাইডেড বাই। এম এন মানে তো সম্পূর্ণ ভর
- 2:05:11ডিভাইডেড বাই আয়তন। এইটা কি বলতো? ভর বাই
- 2:05:14আয়তনকে কি বলে? ঘনত্ব বলে না। তাহলে আমরা
- 2:05:17কি লিখতে পারি? থ্রি পি বাই রো।
- 2:05:20পিবাই রো। তাহলে খেয়াল রেখো সিআরএমএমএস
- 2:05:23এর আরেকটা ফর্মুলাও কিন্তু হতে পারে
- 2:05:24রুটওভার থ পি ডিভাইডেড বাই রো। তাহলে এই
- 2:05:29তিনটা ফর্মুলা আমাদের পরীক্ষার জন্য
- 2:05:32গুরুত্বপূর্ণ। খেয়াল রেখো। অনেক সময় এটা
- 2:05:35প্রশ্ন করে যে সিআরএমএসটা কার উপর ডিপেন্ড
- 2:05:37করে? সো সিআরএমএস এর ভ্যালু সলি ডিপেন্ড
- 2:05:40করে কিন্তু টেম্পারেচারের উপরে। যদি
- 2:05:42টেম্পারেচার ফিক্সড রাখে চাপ তুমি যেমনেই
- 2:05:45চেঞ্জ করো না কেন সিআরএমএস এর ভ্যালু
- 2:05:48কিন্তু চেঞ্জ হবে না।
- 2:05:51দেখো আমরা এই সূত্র পড়ছিলাম না পিএম সমান
- 2:05:53সমান রো আরটি।
- 2:05:57বলতো তোমার যদি টেম্পারেচার ফিক্সড রাখো
- 2:05:59টেম্পারেচারে কোন পরিবর্তন না করো। তাহলে
- 2:06:02এই যে পি বাই রো এইটা সমান সমান কি আসে?
- 2:06:06আরটি বাই এম না তাহলে টি যদি সেম ফিক্স
- 2:06:10রাখো তাহলে কিন্তু এই রাশিটা কি হয়ে
- 2:06:12যাচ্ছে কনস্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে তাহলে টি
- 2:06:15ফিক্স রেখে প্রেসার পরিবর্তন করলে কিন্তু
- 2:06:17ঘনত্বের পরিবর্তন হয়ে যাবে এটা মাথায়
- 2:06:20রেখো সিআরএমএস এর ভ্যালু কিন্তু ডিপেন্ড
- 2:06:22করে কার উপরে টেম্পারেচারের উপরে যদি
- 2:06:24টেম্পারেচার বাড়াও সিআরএমএস বাড়বে
- 2:06:26টেম্পারেচার কমাইলে সিআরএমএস কমবে এবং
- 2:06:28খেয়াল রেখো টেম্পারেচার কিন্তু কোন এককে
- 2:06:29আছে কেলভিন এককে আছে ঠিক আছে অনেক সময়
- 2:06:32ডিগ্রি সেলসিয়াস দিয়ে ম্যাথ দিতে পারে
- 2:06:33সেক্ষেত্রে এগুলা কিন্তু সবগুলা কেলভিন
- 2:06:34এককে বসাইতে এটা খেয়াল রেখো ডান এটা
- 2:06:38বুঝলাম এইবার আসো আমরা গ্যাসের
- 2:06:40গতিতত্ত্বের সাহায্যে গ্যাসের সূত্রগুলা
- 2:06:43একটু আরেকবার রিভিজিট করে আসি আমাদের
- 2:06:46গতিতত্ত্বের যে ফর্মুলাটা আমরা পাইছি সেটা
- 2:06:48কি পিভি সমানওবাথ এমএন সি স্কয়ার পিভি
- 2:06:51সমান সমানওবাথ এম এন সি স্কয়ার স এই
- 2:06:55সূত্রটা থেকে আমরা বয়েলের সূত্র চার্লসের
- 2:06:57সূত্র চাপীয় সূত্র এই সূত্রগুলো আরেকবার
- 2:06:59নিয়ে আসবো এগুলা কিন্তু খ নাম্বার
- 2:07:01প্রশ্নের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ একটু দেখে
- 2:07:03রাখো আমাদের বয়েলের সূত্র অনুযায়ী আমরা কি
- 2:07:06জানতাম বলতো? বয়েলের সূত্র অনুযায়ী
- 2:07:11যদি একটা নির্দিষ্ট ভরের কোন একটা গ্যাসের
- 2:07:14তাপমাত্রা সেম থাকে অর্থাৎ এন এবং টি যদি
- 2:07:17সেম থাকে তাহলে পি এর সাথে ভি
- 2:07:18ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয় বা ভি এর সাথে
- 2:07:20ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়। তো খেয়াল করো
- 2:07:23আমরা এখান থেকে নিয়ে আসি পিভি সমান সমানও
- 2:07:26বাইথ এম এন সি আরএমএস স্কয়ার। বলতো
- 2:07:31সিআরএমএস স্কয়ার কে কি লেখা যায়? এটাকে
- 2:07:34লেখা যায় 3 আরটি ডিভাইডেড বাই এম। তাহলে
- 2:07:39দেখো যখন আমাদের টেম্পারেচার ফিক্সড তার
- 2:07:42মানে এইটি ফিক্সড যখন আমাদের এন ফিক্সড
- 2:07:46অর্থাৎ ওই পাত্রের মধ্যে কোন ভর ঢুকাবোও
- 2:07:49না গ্যাস কোনটা বের হবে না। তাহলে এমএন এর
- 2:07:51পরিমাণটাও এটাও কিন্তু ফিক্সড। তাহলে
- 2:07:54খেয়াল করো এই পুরা পার্টটাই কিন্তু আসলে
- 2:07:56কি হয়ে যাচ্ছে? কনস্ট্যান্ট হয়ে যাচ্ছে।
- 2:07:59তাপমাত্রা সেম থাকায়। তাহলে পিভি সমান
- 2:08:01সমান হচ্ছে কনস্ট্যান্ট।
- 2:08:04তাহলে আমরা লিখতে পারি আয়তন হচ্ছে চাপের
- 2:08:06ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়। এটাই হচ্ছে
- 2:08:08বয়েলের সূত্র। এইবার আসো আমরা দেখি
- 2:08:12চার্লসের সূত্রটাতে কি ছিল। চার্লসের
- 2:08:15সূত্র।
- 2:08:19দেখো চার্লসের সূত্রে আমাদের গ্যাসের ভর
- 2:08:24ফিক্স থাকতো এবং চাপ ফিক্স থাকতো। তাহলে
- 2:08:27আমরা লিখতে পারি দেখো পিভি সমান সমান ওান
- 2:08:31বাইথ
- 2:08:32এম এন সিআরএমএস স্কয়ার সিআরএমএস স্কয়ার এর
- 2:08:37জায়গায় আমরা লিখতে পারি 3 আরটি ডিভাইডেড
- 2:08:42বাই এম
- 2:08:44এবং যেহেতু প্রেসার কনস্ট্যান্ট থাকবে
- 2:08:47তাহলেও বাইথ এম ইট এন ডিভাইডেড বাই
- 2:08:51ক্যাপিটাল এম ইটু পি ইনটুথ আরটি
- 2:08:58খেয়াল করে দেখো চাপীয় সূত্রের সময় গ্যাসের
- 2:09:02ভর যদি সেম থাকে সরি আমি চার্লসের সূত্রের
- 2:09:05কথা বলতেছি চার্লসের সূত্রের ক্ষেত্রে
- 2:09:08আমাদের কিন্তু চাপ থাকবে সেইম অর্থাৎ এটার
- 2:09:10কোন পরিবর্তন হবে না এম পরিবর্তন হবে না
- 2:09:13এন পরিবর্তন হবে না সবকিছু কিন্তু ফিক্স
- 2:09:14তাহলে পুরাটা কিন্তু কনস্ট্যান্ট তাইলে
- 2:09:16আমরা দেখতে পারি কি ভি ইজ প্রপোরশনাল টুটি
- 2:09:19ভাইয়া এটা একটু দেখে যাও তুমি যেই
- 2:09:21জায়গাটা মিস করবা সিআরএমএস টাকে এইখানে
- 2:09:24কনভার্ট করা এটাই মিস করে যাবা এইটা একটু
- 2:09:27খেয়াল রেখো যদি এটা খ নাম্বারে আসে ঠাস
- 2:09:30করে চোখ বন্ধ করে দুই নাম্বার। এবার আসো
- 2:09:33চাপীয় সূত্র। চাপীয় সূত্রটা কি ছিল?
- 2:09:37চাপীয় সূত্রটা কি ছিল? চাপীয় সূত্র ছিল
- 2:09:41যদি গ্যাসের এন সেম থাকে ভি সেম থাকে।
- 2:09:44তাহলে খেয়াল করো আমরা এখান থেকে যেটা
- 2:09:48লিখতে পারি পিভি সমানও বাইথ এম এন সি
- 2:09:50স্কয়ার। সি স্কয়ার এর জায়গায় আবার এটা
- 2:09:52বসায় দেওয়া যায়। পি সমান সমান কি লেখা
- 2:09:55যাচ্ছে? ও বাইথ এম এনথ আর ডিভাইডেড বাই
- 2:10:00ক্যাপিটাল এম ইনটুভি ইনটুটি
- 2:10:04যদি আমাদের আয়তন স্থির থাকে দেখো তাহলে
- 2:10:07পুরা পার্টটা কিন্তু এটা কনস্ট্যান্ট
- 2:10:09তাহলে আমরা লিখতে পারি পি ইজ প্রপোরশনাল
- 2:10:11টুটি অর্থাৎ গ্যাসের চাপ তাপমাত্রার সাথে
- 2:10:15সমানুপাতে পরিবর্তিত হবে পরম তাপমাত্রার
- 2:10:17সাথে সমানুপাতে পরিবর্তিত হবে এই
- 2:10:19প্রমাণগুলা একটু দেখে রেখো পরীক্ষার জন্যে
- 2:10:22গুরুত্বপূর্ণ আরেকটা জিনিস একটু দেখায়
- 2:10:24রাখি সেটা হচ্ছে
- 2:10:26যে আমাদের
- 2:10:29সি আরএমএস বেগের সূত্র তো আমরা দেখছি
- 2:10:32তিনটা কি কি ছিল রুটওভার থ আরটি বাই এম
- 2:10:37অথবা রুটওভার থ কেটিবাই স্মল এম অথবা
- 2:10:43রুটওভার থ পি বাই রো এছাড়া আরেকটা সূত্র
- 2:10:48আছে একটু জেনে রাখো সি এভারেজের এটার কোন
- 2:10:51প্রমাণ বইতে নাই প্রমাণ লাগবেও না কিন্তু
- 2:10:53মুখস্ত করে রেখো এ আরটি ডিভাইডেড বাই পাই
- 2:10:57এম অথবা লেখা যায়
- 2:11:00এ আরটি ডিভাইড সরি এ কেটি এ কেটি ডিভাইডেড
- 2:11:06বাই পাই ইনটু স্মল এম আরেকটা আছে হচ্ছে
- 2:11:10মোস্ট প্রবাবল ভেলোসিটি বা সম্ভাব্যতম বেগ
- 2:11:13সেটা হচ্ছে টু এমট আরটি ডিভাইডেড বাই
- 2:11:18ক্যাপিটাল এম অথবা টু কেটি ডিভাইডেড বাই
- 2:11:21স্মল এম ডিভাইডেড বাই স্মল এম
- 2:11:25তো গড়বেগ তো বুঝছই কোনটা গড়বেগ? আর
- 2:11:28সিএমপিভি হচ্ছে সম্ভাব্যতম বেগ। মোস্ট
- 2:11:32প্রবাবল ভেলোসিটি বা সম্ভাব্যতম বেগ।
- 2:11:35সম্ভাব্যতম বেগটা কি জিনিস? দেখো মনে করো
- 2:11:38কোন একটা গ্যাস পাত্রের মধ্যে আমাদের কোন
- 2:11:40অনুর বেগ দেওয়া আছে 2দু 2
- 2:11:464 পাচ ছয় ছয় এরকম। তো এগুলার মধ্যে বলতো
- 2:11:52সবচাইতে বেশি সংখ্যক বেগ আছে এই বেগটা
- 2:11:57কোনটা? যেমন দেখো ছয় আছে দুইটা। পাঁচ আছে
- 2:12:01একটা। তিন আছে দুইটা, চার আছে একটা।
- 2:12:04কিন্তু দুই আছে তিনটা। তাহলে সবচাইতে বেশি
- 2:12:08সংখ্যক বেগ আছে দুইয়ের। তো আমরা এখান থেকে
- 2:12:12সম্ভাব্যতম বেগ দিয়ে আসলে এইটা বের করি।
- 2:12:14যে সবচাইতে বেশি
- 2:12:17মানে মানে কোন বেগটা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক
- 2:12:21অনুর আছে কোন বেগটা সবচেয়ে বেশি সংখ্যক
- 2:12:23অনুর আছে সেটাই হচ্ছে সম্ভাব্যতম বেগ তো
- 2:12:25এই ফর্মুলাগুলো মাথায় রেখে কিন্তু
- 2:12:26অবজেক্টিভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ আরেকটা
- 2:12:28জিনিস অবজেক্টিভে আসে যে কোনটার মান বড়
- 2:12:30কোনটার মান ছোট তুমি এখান থেকে সূত্র
- 2:12:33যেগুলা পাইছো সেগুলা থেকেই যদি একটু
- 2:12:34খেয়াল করো দেখো সি আরএমএস এর যেই সহগটা
- 2:12:37প্রত্যেকটার মধ্যে কিন্তু দেখো আরটি বাই
- 2:12:39এম আছে আরটিবা এম আছে এটার মধ্যে আরটিবা
- 2:12:41এম আছে এটার সহক তিন এটার সহক এবা বা এটা
- 2:12:44সহগট এবা দিয়ে যদি একে পাই দিয়ে যদি ভাগ
- 2:12:48দাও দেখবা 2.5 সামথিং আসতেছে। তার মানে
- 2:12:50কি? সিআরএমএস এর মানটা হচ্ছে তিন সহে।
- 2:12:53তাইলে এটার মান সবচেয়ে বড়। তারপরে হচ্ছে
- 2:12:55এভারেজেরটা আর তারপরে দুই যেটা এটা হচ্ছে
- 2:12:58মোস্ট প্রবল ভেলোসিটি।
- 2:13:00এটা অবজেক্টিভে আসে। কোনটার মান বড়
- 2:13:02কোনটার মান ছোট এইটা একটু খেয়াল রাখিও।
- 2:13:05ঠিক আছে। চল আমরা কিছু এমসিকিউ প্রবলেম
- 2:13:08একটু দেখে ফেলি। কি বলছে? গ্যাস অনুসমূহের
- 2:13:11গড় বর্গবেগের বর্গমূল মান সিআরএমএস এর
- 2:13:13মান এবং পরম তাপমাত্রার সম্পর্ক নিচের
- 2:13:15কোনটা? দেখো কতগুলা বোর্ডের প্রশ্ন আসছে।
- 2:13:17এটা আমরা সবাই জানি। সমান সমান হচ্ছে এই
- 2:13:20যে রুটওভারথ আরটিবা এম গেল এনটিপিতে
- 2:13:24হাইড্রোজেনের ঘনত্ব 0.09
- 2:13:26কেজি পার মিটার কিউব অণুগুলার মূল গড়
- 2:13:29বর্গবেগ নির্ণয় করো। খেয়াল করো এনটিপি
- 2:13:32মানে কি বলতো? নরমাল টেম্পারেচার প্রেসার।
- 2:13:35প্রেসার কিন্তু সেই 1013 পা প্রেসার হচ্ছে
- 2:13:391013
- 2:13:41পা প্যাসকেল।
- 2:13:43এনডিপির ক্ষেত্রে বা ওয়ান এটিএম যেটাই
- 2:13:45বল। তাহলে আমাদের সি আরএমএস যেহেতু ঘনত্ব
- 2:13:47দেওয়া আছে তাহলে আমরা এখান থেকে বের করতে
- 2:13:49পারি। রুট ওভার থ্রি পি ডিভাইডেড বাই রো।
- 2:13:53তাহলে 3 ইট 101325
- 2:13:58ডিভাইডেড বাই 0.09
- 2:14:01কত আসে এখান থেকে 3 ই 101325 ডিভবা09
- 2:14:06এটাকে রুট করলে আসছে
- 2:14:1137837.79
- 2:14:14না মিটার পার সেকেন্ড কিলোমিটারে কনভার্ট
- 2:14:17করলেও পয়েন্ট84 কিলোমিটার পার সেকেন্ড আশা
- 2:14:21করি বুঝতে পেরেছ পরের প্রবলেমে যাই দেখো
- 2:14:25কি বলছে কোন তাপমাত্রায় রিসেন্ট প্রশ্ন
- 2:14:28একদম কোন তাপমাত্রায় অক্সিজেন অণুর
- 2:14:30সিআরএমএস
- 2:14:33মাইনাস 200 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়
- 2:14:35হাইড্রোজেন অণুর মূল গর গড় বর্গবেগে সমান
- 2:14:38হবে মানে হাইড্রোজেনের সিআরমএস এ সমান হবে
- 2:14:40তো এখানে দেখো অক্সিজেনের সিআরএমএস সমান
- 2:14:43সমান হচ্ছে হাইড্রোজেনের সিআরএমএস বলে
- 2:14:45দিছে হাইড্রোজেনের তাপমাত্রা হচ্ছে 200। 3
- 2:14:49* - 200 মানে -2-
- 2:14:53200 ডিগ্রি সেলসিয়াস মানে কত? 73 কেলভিন
- 2:14:57না? 73 কেলভিন ডিভাইডেড বাই হাইড্রোজেনের
- 2:15:01এম কত? দুই। রুট ওভার
- 2:15:05ইনটু আর ইনটু কোন তাপমাত্রায় বলছে?
- 2:15:09অক্সিজেনেরটা সমান হবে। 32 দেখো এখানে
- 2:15:12কিন্তু 10 টু দি পাওয়ার মাইনাস থট টু দি
- 2:15:14পাওয়ার মাইনাস থ আর রাখতাম কাটাকাটি হয়ে
- 2:15:16গেছে তুমি যখন এগুলো প্র্যাকটিস করবা তখন
- 2:15:18দেখবা মুখে মুখে ক্যালকুলেট করে ফেলতে
- 2:15:20পারতেছো কিভাবে যে এই রুটের তো আর দরকার
- 2:15:23নাই কারণ দুই পাশে স্কয়ার করলে বাদ হয়ে
- 2:15:24যাবে এই থ্রি এর তো আর দরকার নাই দুই পাশে
- 2:15:27কাটাকাটি করলে বাদ আরও তো আর দরকার নাই
- 2:15:29কাটাকাটি করলে বাদ তহলে এখান থেকে আমাদের
- 2:15:34জাস্ট এই পাশে টি থাকবে এই পাশে একটা টি
- 2:15:36থাকবেটি সমান সমান কত আসে 73 * 32বাদ 2
- 2:15:431168
- 2:15:461168 কেলভিন তাহলে এখান থেকে 1168 কেলভিন
- 2:15:51এটাই হচ্ছে উত্তর ডান এইবার আসো আমাদের এ
- 2:15:54অধ্যায়ের একটু গুরুত্বপূর্ণ টপিক
- 2:15:57স্বাধীনতার মাত্রা এইটা সম্পর্কে আমরা
- 2:15:59একটু জেনে নেই দেখো স্বাধীনতার মাত্রা
- 2:16:02বলতে আসলে কি বোঝায়
- 2:16:05একটা গতিশীল বস্তু বা সিস্টেমের অবস্থাকে
- 2:16:09সম্পূর্ণরূপে প্রকাশ করার জন্য যত সংখ্যক
- 2:16:11স্বাধীন চলরাশির প্রয়োজন হয় তাকে
- 2:16:14স্বাধীনতার মাত্রা বলে। এখন দেখো
- 2:16:18স্বাধীনতার মাত্রা রিলেটেড যে ডিটেইলস
- 2:16:22আলোচনা সেগুলার মধ্যে আমরা এখন ঢুকবো না।
- 2:16:24পরীক্ষার জন্য যতটুকু লাগবে সেগুলো আমরা
- 2:16:26একটু দেখে ফেলি। আমাদের ডিটেইলস আলোচনা
- 2:16:28যেই একাডেমিক সাইকেল সেখানে করা আছে।
- 2:16:31তোমরা যারা 26 ব্যাচের আছো বা সামনে 27
- 2:16:33ব্যাচের কেউ যদি দেখে থাকো তাহলে ওই
- 2:16:35ক্লাসগুলা দেখতে পারো যেগুলো আমাদের
- 2:16:37একাডেমিক সাইকেলে নেওয়া। অথবা এই
- 2:16:39চ্যানেলেও তোমরা যদি প্রিভিয়াস ক্লাসগুলা
- 2:16:42দেখো 2022 না 23 সালের ব্যাচের জন্য নেওয়া
- 2:16:45ছিল তাদের সময় নেওয়া যে প্লেলিস্ট সেটাও
- 2:16:48এখানে আপলোড করা আছে সেখানেও স্বাধীনতার
- 2:16:49মাত্রা নিয়ে কিন্তু ডিটেইলস আলোচনা আছে সো
- 2:16:51ওইটাও দেখতে পারো আমরা এখন জাস্ট পরীক্ষার
- 2:16:53জন্য যতটুকু আমাদের জানা দরকার সেগুলো
- 2:16:55আমরা একটু কাভার করে ফেলি চলো এখানে বলছে
- 2:16:58এক পারমাণবিক গ্যাস খেয়াল করো অণুর গঠন
- 2:17:01আমরা এখানে তিন টাইপের অণু নিয়ে নিয়ে কথা
- 2:17:02বলবো মোটামুটি মোটা দাগে ভাগ করলে একটা
- 2:17:06গ্যাস যেকোনো গ্যাসকে তিন ভাগে ভাগ ভাগ
- 2:17:08করা যায়। আমরা এক পারমাণবিক গ্যাস,
- 2:17:12দ্বিপারমাণবিক গ্যাস এবং বহুপারমাণবিক
- 2:17:13গ্যাস। সো এক পারমাণবিক গ্যাস কোনগুলা? এক
- 2:17:16পারমাণবিক গ্যাস হচ্ছে যেই সমস্ত গ্যাসের
- 2:17:18অণুগুলা একটা পরমাণু দিয়ে তৈরি। যেমন
- 2:17:21বিভিন্ন নিষ্ক্রিয় গ্যাসের যে সমস্ত
- 2:17:23অণুগুলো আছে হিলিয়াম, নিয়ন, আর্গনেটটা।
- 2:17:26দ্বিপারমাণবিক বা সরলরখিক অণু কোনগুলা?
- 2:17:29যেই ধরনের অণুগুলা
- 2:17:32যেই ধরনের অণুগুলা দুইটা পরমাণু দিয়ে
- 2:17:34তৈরি। সেই ধরনের অণুর গঠন আমরা বলছি এগুলা
- 2:17:38হচ্ছে দ্বিপারমাণবিক অণু এবং এই অণু দিয়ে
- 2:17:41গঠিত গ্যাসকে আমরা বলতেছি দ্বিপারমাণবিক
- 2:17:42গ্যাস যেমন কি হতে পারে হাইড্রোজেন
- 2:17:45অক্সিজেন তারপরে নাইট্রোজেন এসেটটা বহু
- 2:17:49পারমাণবিক কারা যেই সমস্ত অণুর যে সমস্ত
- 2:17:54অণুগুলাতে দুই এর অধিক পরমাণু থাকে
- 2:17:56সেগুলাকে আমরা বলছি বহুপারমাণবিক গ্যাস
- 2:17:58ভালো কথা এখানে সরল রৈখিক অণু বলছে তোমরা
- 2:18:00জানো কার্বন ডাইঅক্সাইড কিন্তু সরল রৈখিক
- 2:18:03অণুর মধ্যে পড়বে এটার গঠনটা কেমন? এই যে
- 2:18:06ও তারপরে সিও এরকম। সো এগুলো সরল রৈখিক
- 2:18:09অণু। বহু পারমাণবিক গ্যাস কোনগুলা?
- 2:18:11যেগুললা ধরো যে এই যে অ্যামোনিয়া হতে
- 2:18:14পারে, মিথেন গ্যাস হতে পারে, এসেটটা
- 2:18:15যেগুলোতে দুই এর অধিক সংখ্যক পরমাণু থাকবে
- 2:18:18সেই ধরনের অণুগুলাকে আমরা বলছি আমাদের
- 2:18:21বহুপারমাণবিক
- 2:18:23অণু। আর ওই অণু দিয়ে গঠিত গ্যাসকে আমরা
- 2:18:25বলছি বহুপারমাণবিক গ্যাস। এখন দেখো এখানে
- 2:18:27স্বাধীনতার মাত্রা এইটাকে আমরা দুইটা ভাগে
- 2:18:30ভাগ করছি। একটা রৈখিক আরেকটা হলো ঘূ্ণন।
- 2:18:33আগে চল ভ্যালুগুলা একটু দেখে নেই। তারপর
- 2:18:34এগুলা কেন আসছে একটু ছোট্ট করে আলোচনা করে
- 2:18:36রাখবোনি। সো খেয়াল করো প্রত্যেকটারই
- 2:18:39কিন্তু রৈখিক ডিগ্রি অফ ফ্রিডম হচ্ছে তিন
- 2:18:41তিন তিন। প্রত্যেকটারই রৈখিক ডিগ্রি অফ
- 2:18:43ফ্রিডম হচ্ছে তিন। আর ঘূ্ণন ডিগ্রি অফ
- 2:18:45ফ্রিডম এক পারমাণবিকের শূন্য।
- 2:18:47দ্বিপারমাণবিকের দুই আর বহুপারমাণবিকের
- 2:18:50হচ্ছে তিন। দুইটাকে যোগ করে তিন আর জিরো
- 2:18:53যোগ করে টোটাল ডিগ্রি অফ ফ্রিডম তিন। তিন
- 2:18:55আর দুই যোগ করে টোটাল ডিগ্রি অফ ফ্রিডম
- 2:18:56পা। তিন আর তিন যোগ করে টোটাল ডিগ্রি অফ
- 2:18:59ফ্রিডমছয়।
- 2:19:00সো দেখো প্রথমে আমরা আসি চল বহু পারমাণবিক
- 2:19:04গ্যাসের ডিগ্রিজ অফ ফ্রিডম বলতে কি বোঝানো
- 2:19:07হচ্ছে? সংজ্ঞাটা দেখো বলছে কি যে একটা
- 2:19:11বস্তু বা সিস্টেমের অবস্থাকে সম্পূর্ণরূপে
- 2:19:13প্রকাশ করার জন্য যতগুলা স্বাধীন চলরাশির
- 2:19:15প্রয়োজন হয় তাকে স্বাধীনতার মাত্রা বলে।
- 2:19:18বহু পারমাণবিক গ্যাসের ক্ষেত্রে চিন্তা
- 2:19:19করো। মনে করো আমাদের কাছে এইরকম একটা
- 2:19:22গ্যাস আছে। যেই গ্যাসটা এরকম তিনটা পরমাণু
- 2:19:25দিয়ে তৈরি। বলতো আমি যদি চাই এই গ্যাসের
- 2:19:29অবস্থা। অবস্থা বলতে দুইটা জিনিসকে মোটা
- 2:19:31দাগে বোঝাচ্ছি। একটা হচ্ছে তার অবস্থান
- 2:19:34এবং আরেকটা হচ্ছে তার ওরিয়েন্টেশন।
- 2:19:37ওরিয়েন্টেশন ভিন্ন বলতে কি বোঝায়? মনে
- 2:19:39করো তুমি শুয়ে আছো। তোমার ওরিয়েন্টেশন
- 2:19:41একরকম। তুমি উঠে বসলা। তোমার তুমি একটা
- 2:19:43ডিফারেন্ট ওরিয়েন্টেশনে আসলা। তুমি
- 2:19:45দাঁড়ায় গেছো। তোমার অরিয়েন্টেশন আবার
- 2:19:47ডিফারেন্ট হয়ে গেছে। সো অরিয়েন্টেশন
- 2:19:49চেঞ্জ বলতে বোঝাচ্ছি। মনে কর একই জায়গায়
- 2:19:52আছো। শুয়ে আছো বসে আছো দাঁড়ায় আছো। সো
- 2:19:54এইটা তোমার ওরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হলো। সো
- 2:19:57দেখো আমরা আগে দেখি যে আমি যদি এর
- 2:20:00অবস্থানটাকে প্রকাশ করতে চাই তাহলে আমার
- 2:20:02কয়টা স্বাধীন চলরাশির প্রয়োজন হয়। তুমি
- 2:20:04খেয়াল করো এই একটা অনু সে কিন্তু এক্স
- 2:20:07অক্ষ বরাবর চলতে পারবে, ওয়াই অক্ষ বরাবর
- 2:20:09চলতে পারবে, জেড অক্ষ বরাবর চলতে পারবে।
- 2:20:11অর্থাৎ এইটার কিন্তু এক্স ওয়াই জেড এই
- 2:20:15তিনটা চলরাশি লাগবে যদি আমি এর
- 2:20:17অবস্থানটাকে প্রকাশ করতে চাই প্রপারলি।
- 2:20:20তাহলে
- 2:20:22আমরা দেখো এটাকে বলতেছি রৈখিক ডিগ্রি অফ
- 2:20:25ফ্রিডম। স এটা এক্স অক্ষ বরাবর চলতে পারে
- 2:20:28রৈখিক বরাবর ওয় অক্ষ বরাবর রৈখিক চলাচল
- 2:20:30করতে পারে জেড অক্ষ বরাবর চলাচল করতে পারে
- 2:20:32এই তিন অক্ষ বরাবর যেহেতু সে চলাচল করতে
- 2:20:34পারে তার ডিগ্রি অফ ফ্রিডম হচ্ছে তিন গেল
- 2:20:38এইবার আসো
- 2:20:40আমাদের এর অরিয়েন্টেশন আসলে কিভাবে
- 2:20:43পরিবর্তন হবে
- 2:20:46মনে করো আমাদের এই অণুটাকে আমি এইরকম একটা
- 2:20:51অক্ষের সাপেক্ষে ঘুরাচ্ছি এক্স অক্ষের
- 2:20:53সাপেক্ষে ঘুরাচ্ছি
- 2:20:54অর্থাৎ জিনিসটা এরকম ধরো আমাদের এইখানে
- 2:20:59একটা অনু আছে এখানে একটা অণু আছে এখানে
- 2:21:00একটা অণু আছে যদি আমি এরকম একটা অক্ষের
- 2:21:03সাপেক্ষে ঘুরাই তাহলে বলতো এর কি
- 2:21:04অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে না খেয়াল
- 2:21:06করতো আগে এটা এরকম ছিল একটু এ শেপের মতন
- 2:21:10বা উল্টা ভি এর মতন ছিল যখন আমি এটাকে এই
- 2:21:12অক্ষের সাপেক্ষে ঘুরাচ্ছি তখন দেখ এটা
- 2:21:14সোজা ভি হয়ে গেল তাহলে তার অরিয়েন্টেশন
- 2:21:15কিন্তু চেঞ্জ হয়ে গেছে তার মানে এই অক্ষের
- 2:21:18সাপেক্ষে ঘুরলে তার অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হয়
- 2:21:19অর্থাৎ থিটা এক্স এই অক্ষের সাপেক্ষে
- 2:21:21ঘুরলে তার অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হচ্ছে আচ্ছা
- 2:21:23বলতো যদি এইরকম একটা অক্ষের সাপেক্ষে
- 2:21:25ঘুরাও তাহলেও কি তার অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ
- 2:21:27হবে না? যদি এরকম একটা অক্ষের সাপেক্ষে
- 2:21:30ঘুরাও তাহলেও দেখো তার অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ
- 2:21:31হচ্ছে। তাহলে আমাদের থিটা ওয়াইও কিন্তু
- 2:21:35জানা লাগবে। আবার বলতো এই অক্ষের
- 2:21:39সাপেক্ষেও যদি ঘোরে তাহলেও তার
- 2:21:41অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হচ্ছে। দেখো যদি এইরকম
- 2:21:43একটা অক্ষের সাপেক্ষে ঘুরাও তাহলেও কিন্তু
- 2:21:45দেখো তার অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হয়ে যাচ্ছে।
- 2:21:48সো সেই ক্ষেত্রে দেখো যদি আমি এই অণুটার
- 2:21:52অবস্থান প্রকাশ করতে চাই তাহলে তিনটা
- 2:21:54চলরাশি দরকার হয়। ওরিয়েন্টেশন যদি
- 2:21:56প্রকাশ করতে চাই তাহলে আরো তিনটা চলরাশির
- 2:21:58দরকার হয়। এইটাকে আমরা বলছি রৈখিক
- 2:22:00ডিগ্রিজ অফ ফ্রিডম। এইটাকে আমরা বলছি
- 2:22:02ঘূ্ণন ডিগ্রিজ অফ ফ্রিডম। তিনটাকে এই
- 2:22:05দুইটাকে যোগ করে আমরা পাচ্ছি তিন আর তিন।
- 2:22:07টোটাল ছয়টা ডিগ্রি অফ ফ্রিডম হচ্ছে বহু
- 2:22:08পারমাণবিক গ্যাসের জন্য ডিগ্রিজ অফ
- 2:22:10ফ্রিডমের মান। দ্বিপারমাণবিক বা সরলরখিক
- 2:22:13অণুর ক্ষেত্রে ধর একটা সরলরখিক অণু আমার
- 2:22:16কাছে আছে। এখানে একটা অণু এখানে একটা অণু
- 2:22:20খেয়াল করো এটা হলো একটা অণু সরি এখানে
- 2:22:22একটা পরমাণু এখানে একটা পরমাণু এই
- 2:22:24পরমাণুটা এখানে একটা অণু আছে এখানে এই
- 2:22:27অণুটার এখানে একটা পরমাণু আছে এখানে একটা
- 2:22:28পরমাণু আছে বলতো দেখি যদি আমি এটাকে এই
- 2:22:32অক্ষের সাপেক্ষে ঘুরাই তাহলে দেখো তার
- 2:22:33দিকের পরিবর্তন হচ্ছে বা দিক বিন্যাস
- 2:22:35পরিবর্তন হচ্ছে তার অরিয়েন্টেশন পরিবর্তন
- 2:22:37হচ্ছে এই অক্ষের সাপেক্ষেও যদি ঘুরাও
- 2:22:39তাহলেও দেখো তার ওরিয়েন্টেশনের পরিবর্তন
- 2:22:41হচ্ছে কিন্তু বলতো যদি এই অক্ষের সাপেক্ষে
- 2:22:44এটাকে ঘুরাও তাহলে কি তার অরিয়েন্টেশনের
- 2:22:46কোন পরিবর্তন হচ্ছে তার দিকের কোন
- 2:22:48পরিবর্তন হচ্ছে অন্যত গোলাকার তো সে
- 2:22:50কষেত্রে এটাও যখন এভাবে করে ঘুরছে তখন
- 2:22:52কিন্তু তার অরিয়েন্টেশনের কোন পরিবর্তন
- 2:22:53হচ্ছে না কিন্তু যখন এভাবে করে ঘুরতেছে এই
- 2:22:56অক্ষের সাপেক্ষে তখন ওরিয়েন্টেশন চেঞ্জ
- 2:22:57হচ্ছে এই অক্ষের সাপেক্ষে ঘুরলে তার
- 2:22:58অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হচ্ছে তাহলে খেয়াল করো
- 2:23:00এক্স অক্ষের সাপেক্ষে ঘুরলে তার
- 2:23:01অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ নাই কিন্তু অক্ষের
- 2:23:03সাপেক্ষে ঘুরলে জেড অক্ষের সাপেক্ষে ঘুলে
- 2:23:04তার অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হচ্ছে তাই আবার এই
- 2:23:07অনুটাকে তুমি কিন্তু অবস্থান প্রকাশ করার
- 2:23:09জন্য এক্স অক্ষ বরাবর কোথায় আছে অক্ষ
- 2:23:11বরাবর কোথায় আছে জেড অক্ষ বরাবর কোথায় আছে
- 2:23:12সেটা তোমার জানা লাগবে তাইলে অবস্থানকে
- 2:23:14সম্পূর্ণভাবে প্রকাশ করার জন্য টোটাল পাচ
- 2:23:17দরকার হয় একটা হলো এক্স ওয়াইজেড কত আরেকটা
- 2:23:19হচ্ছে ওয় অক্ষের সাপেক্ষে কতটুকু ঘুরছে
- 2:23:21অক্ষের সাপেক্ষে কতটুকু ঘুরছে তাহলে তার
- 2:23:23ডিগ্রিজ অফ ফ্রিডম দেখো আমাদের
- 2:23:25দ্বিপারমাণবিকের জন্য এটা তিন এটা দুই
- 2:23:28টোটাল যোগ করে আসলো পাচ আর বহুপারমাণবিকের
- 2:23:30জন্য তিন তিন যোগ করে আসলো ছয় এবার আসো এক
- 2:23:33পারমাণবিক গ্যাস তো ভাইয়া এক পারমাণবিক
- 2:23:35গ্যাসের বলতো এর অবস্থান প্রকাশ করার জন্য
- 2:23:36আমার এক্স ওয়াই জেড তো লাগবেই কারণ এটা
- 2:23:38এক্স অক্ষ বরাবর কোথায় আছে Y অক্ষ বরাবর
- 2:23:40কোথায় আছে Z অক্ষ বরাবর কোথায় আছে এই
- 2:23:42অবস্থানটা প্রকাশ করার জন্য আমার এই তিনটা
- 2:23:44কিন্তু লাগবেই। অন্যদিকে বলতো থিটা এক্স
- 2:23:48থিটা ওয়াই থিটাজেড এই তিনটার সাপেক্ষে
- 2:23:51যতই ঘুক না কেন তার অরিয়েন্টেশনে কি কোন
- 2:23:53পরিবর্তন হবে একটা গোল বল এই বলের
- 2:23:56ক্ষেত্রে বলতো এটাকে তুমি এই অক্ষের
- 2:23:58সাপেক্ষে যতই ঘুরাও না কেন তার কি
- 2:23:59অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হবে এই অক্ষের
- 2:24:01সাপেক্ষে যতই ঘুরাও না কেন তার
- 2:24:02অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হবে এই অক্ষের
- 2:24:04সাপেক্ষে যতই ঘুরাও না কেন তার
- 2:24:05অরিয়েন্টেশন চেঞ্জ হবে কিচ্ছু চেঞ্জ হবে
- 2:24:07না সো তাহলে তার কিন্তু ঘুর্ণন ডিগ্রি অফ
- 2:24:09ফ্রিডম নাই এই কোনটাই নাই সো এইজন্য ঘূণন
- 2:24:12ডিগ্রি ফ্রিডম ফ্রিডম জিরো তাহলে এখান
- 2:24:14থেকে আমরা দেখি দেখলাম টোটাল ডিগ্রি অফ
- 2:24:15ফ্রিডম হচ্ছে তিন। এখন একটা গুরুত্বপূর্ণ
- 2:24:18কথা বলে রাখি। আমরা এই যে পিভি সমান 1 / 3
- 2:24:20এম সি স্কয়ার প্রুভ করছিলাম না? এইটা
- 2:24:22কিন্তু আমরা করছিলাম এক পারমাণবিক গ্যাসের
- 2:24:25জন্য। সো এক পারমাণবিক গ্যাসের ক্ষেত্রে
- 2:24:27কিন্তু আমরা গতিশক্তি পাইছিলাম 3বাট এন
- 2:24:30আরটি। সো এইখানে কিন্তু একটু চেঞ্জ আসবে
- 2:24:33যখন আমরা ভিন্ন
- 2:24:35ভিন্ন টাইপের গ্যাস নিয়ে আলোচনা করব। তার
- 2:24:37আগে আরেকটা সূত্র একটু দেখে নাও। সেটা
- 2:24:39হচ্ছে শক্তির সমবিভাজন নীতি বা
- 2:24:41ইকুইপার্টিশন ল অফ এনার্জি। এইটা কি বলছে?
- 2:24:45এটাও কিন্তু ক নাম্বার প্রশ্নের জন্য আসে
- 2:24:47ভাই। এগুলো একটু যেগুলো বক্স হলুদ বক্সের
- 2:24:48মধ্যে আছে এগুলো সব মুখস্ত করে ফেলবা।
- 2:24:50দেখো কি বলছে। কোন পদার্থের অণুগুলার গড়
- 2:24:53গতিশক্তি প্রতিটা স্বাধীনতার মাত্রার
- 2:24:57মধ্যে সমভাবে বন্টিত হয় এবং যেকোন একটা
- 2:25:00অণুর প্রতিটা স্বাধীনতার মাত্রার সাথে
- 2:25:03সংশ্লিষ্ট গতিশক্তির মান হচ্ছে হাফ কেটি।
- 2:25:05এর মানে কি? দেখো। আমাদের বলছে অণুগুলার
- 2:25:09গড় গতিশক্তি প্রত্যেকটা স্বাধীনতার
- 2:25:11মাত্রার মধ্যে সমভাবে বন্টিত হয়। অর্থাৎ
- 2:25:14অণুগুলার গড় গতিশক্তি ই এইটা হলো
- 2:25:18প্রত্যেকটা স্বাধীনতার মাত্রার মধ্যে
- 2:25:19সমভাবে বন্নিত হয় মনে আছে একটু আগে বললাম
- 2:25:21যে আমরা যেই 3বাট এনটি করছিলাম এই সূত্রটা
- 2:25:24ছিল এক পারমাণবিক গ্যাসের জন্য আমাদের
- 2:25:27এইযে 3বাট এনরটি 3বাইট কেটি ধর ওযে একটা
- 2:25:32অনুর যে গতিশক্তি ছিল 3বাটু কেটি তো কোন
- 2:25:36পদার্থের অণুগুলার গড় গতিশক্তি প্রতিটা
- 2:25:38স্বাধীনতার মাত্রার মধ্যে সমভাবে বন্ডিত
- 2:25:40হয় তো বলতো এক পারমাণবিক গ্যাসের টোটাল
- 2:25:43ডি ফ্রিডম কত ছিল? তিন। তাইলে তিন ডিগ্রি
- 2:25:46অফ ফ্রিডম এর জন্য এনার্জি হচ্ছে 3 বাইটু
- 2:25:49কেটি পাইছিলাম। তাইলে বলতো এক ডিগ্রি অফ
- 2:25:51ফ্রিডম এর জন্য এনার্জি কতটুকু থাকবে? হাফ
- 2:25:54কেটি থাকবে না। থ্রি কাটাকাটি করে হাফ
- 2:25:57কেটি থাকবে না। এটাই বলছে দেখো কোন
- 2:25:59পদার্থের অণুগুলার গড় গতিশক্তি গড়
- 2:26:01গতিশক্তি প্রতিটা স্বাধীনতার মাত্রার
- 2:26:04মধ্যে সমভাবে বন্টিত হয় এবং যেকোন একটা
- 2:26:06অনুর প্রতিটা স্বাধীনতার মাত্রার সাথে
- 2:26:08সংশ্লিষ্ট গতিশক্তির মান হলো হাফ কেটি।
- 2:26:10আশা করি বুঝছো।
- 2:26:12সো তাইলে খেয়াল করো যেগুলা ডিগ্রিজ ফ্রিডম
- 2:26:15তিনের অধিক সেগুলার জন্য গতিশক্তিও কিন্তু
- 2:26:17সেভাবে করে পরিবর্তন হবে। স এই দুইটা
- 2:26:19চার্ট এখানে দেওয়া আছে। খুবই সিম্পল।
- 2:26:20মুখস্ত করার দরকার নাই। তুমি যদি এইটা
- 2:26:23মাথায় রাখতে পারো তাহলেই কিন্তু এটাও তুমি
- 2:26:25মাথায় রাখতে পারবা। খেয়াল করো একটু রিড
- 2:26:28আউট করি। এক পারমাণবিক গ্যাসের রৈখিক
- 2:26:30গতিশক্তি দেখো 3বাটু কেটি। ঘূণন গতিশক্তি
- 2:26:33জিরো। মোট গতিশক্তি হচ্ছে 3বাটু কেটি।
- 2:26:36দেখো মোট গতিশক্তি দেখবা ফর্মুলাটা আসে
- 2:26:39এভাবে। এফবাইটু কেটি। যেখানে এফ মানে
- 2:26:41হচ্ছে টোটাল ডিগ্রিজ অফ ফ্রিডম। সো খেয়াল
- 2:26:44করো দ্বিপারমাণবিক গ্যাস যেগুললা ছিল
- 2:26:46সেগুললা টোটাল ডিগ্রি অফ ফাইভ ছিল। তাইফ
- 2:26:48বাট কেটি আর বহুপারমাণবিক গ্যাসের ডিগ্রি
- 2:26:51ফ্রিডম ছিল। তহলে ছিলবাটু কেটি হচ্ছে মোট
- 2:26:53গতিশক্তি একটা অনুর রৈখিক গতিশক্তি খেয়াল
- 2:26:57করো সবগুলাই এইযেথবাটু টিথবাটিবাথবাট
- 2:26:59কেটি। সো আমাদের
- 2:27:023 বাইটু কেটি যেটা এটা যে হাফ কেটি পরিমাণ
- 2:27:06এনার্জি বরাদ্দ রাখছে এক্স অক্ষ বরাবর
- 2:27:08চলাচলের জন্য হাফ কেটি পরিমাণ এনার্জি
- 2:27:10বরাদ্দ রাখছে ওয়াই অক্ষ বরাবরের জন্য আর
- 2:27:13হাফ কেটি পরিমাণ এনার্জি বরাদ্দ রাখছে জেড
- 2:27:15অক্ষ বরাবর চলাচলের জন্য স তিনটা অক্ষ
- 2:27:18বরাবর চলাচলের জন্য এরকম প্রত্যেকটা দেখযে
- 2:27:21যেটা বল প্রতিটা স্বাধীনতার মাত্রার সাথে
- 2:27:22সংশ্লিষ্ট গতিশক্তির মান হলো হাফ কেটি
- 2:27:25অর্থাৎ আমাদের প্রত্যেকটা স্বাধীনতার
- 2:27:29মাত্রার বরাবর পর চলাচলের জন্য তার যেই
- 2:27:32বরাদ্দকৃত গতিশক্তিটা সেটা হচ্ছে হাফ কেটি
- 2:27:35পরিমাণ। সো যেহেতু প্রত্যেকটারই ছিল রৈখিক
- 2:27:38গতিশক্তি রৈখিক ডিগ্রি অফ ফ্রিডম তিন করে
- 2:27:40তাই এটা হচ্ছে 3 ইটু হাফ কেটি এটাও 3 ই
- 2:27:42হাফ কেটি এটাও হচ্ছে 3 ইট হাফ কেটি আশা
- 2:27:44করি ওয়াশ করি বুঝছ ঘু গতিশক্তিটা দেখো
- 2:27:47এটা ছিল ডিগ্রি ফ্রিডম জি এটার হচ্ছে দুই
- 2:27:50ছিল তাইট ই হাফ কেটি এটার ছিল তিন তাইলে ই
- 2:27:54হাফ কেটি আশা করি বুঝছ এন মোল গ্যাসের
- 2:27:56গতিশক্তি কত হবে এখানেও সেম এক
- 2:27:58পারমাণবিকের জন্য 3বা এনরটি পারমাণবিকের
- 2:28:01জন্য 3বাটি বহু পারামাণবিকের জন্য রৈখিকটা
- 2:28:03হচ্ছেবাটি ঘুটা হচ্ছেটবাট এনরটি এটা
- 2:28:07হলথবাট এনরটি
- 2:28:093বাট এনরটি আর মোট গতিশক্তি তো এইটা এগুলো
- 2:28:13একটু খেয়াল রেখো এখন কথা হচ্ছে আমাদের
- 2:28:17অবজেক্টিভের পার্টে দেখো অনেক সময় আমাদের
- 2:28:21দ্বিপারমাণবিক গ্যাসের গতিশক্তি বের করতে
- 2:28:23বলে তুমি আগে দেখবা তোমার অপশনের মধ্যে
- 2:28:26যদি বলে গতিশক্তি নির্ণয় করো তুমি আগে
- 2:28:29অপশনের মধ্যে দেখবা যে এই অনুযায়ী অপশনে
- 2:28:33অ্যানসার আছে কিনা যদি থাকে সেটাই দাগাবা
- 2:28:36যদি না থাকে তাহলে
- 2:28:39গতিশক্তি বলতে বুঝে নিবা রৈখিক গতিশক্তি
- 2:28:41বুঝাইছে সেই ক্ষেত্রে 3বাটুথবাথবাট
- 2:28:44করে এানসার করতে হবে কথা বুঝছো এটা অপশনের
- 2:28:48উপর ডিপেন্ড করবে যদি প্রশ্নে বলে রৈখিক
- 2:28:51গতিশক্তি বের করো তাহলে সরাসরি এইটাই 3বাট
- 2:28:54এনটিবা
- 2:28:55কোন ডাউট নাই যদি বলে একটা অনুর রৈখিক
- 2:28:58গতিশক্তি বের করবা
- 2:29:00কোন ডাউট নাই যদি বলে ঘূ্ণন গতিশক্তি
- 2:29:02তাহলে এই অনুযায়ী যদি বলে ঘূ্ণন গতিশক্তি
- 2:29:03তাহলে এই অনুযায়ী যদি বলে মোট গতিশক্তি
- 2:29:06বের করো অনেক সময় ভাষাগত ত্রুটি থাকে বা
- 2:29:09শুধু যদি বলে গতিশক্তি বের করো তখন আগে
- 2:29:12দেখবা তোমার অপশনের মধ্যে এইটা দিয়ে এনসার
- 2:29:15আছে কিনা এইটা দিয়ে অ্যানসার আছে কিনা যদি
- 2:29:18থাকে তাহলে সেটাই দাগাবা যদি দেখো না এইটা
- 2:29:20দিয়ে অ্যানসার নাই তাও বলছে গতিশক্তি বের
- 2:29:22করো তার মানে বুঝেনি রৈখিক গতিশক্তিটাই
- 2:29:24বের করতে বলছে কথা বুঝছো ক্লিয়ার আশা করি
- 2:29:28আচ্ছা গেল এখন আসো অনেক সময় তোমাদের একটা
- 2:29:31ডাউট থাকে যে ভাইয়া তাহলে এমএস যেটা
- 2:29:34সেইটারও কি তাইলে ভাই এবাট হবে উত্তর
- 2:29:37হচ্ছে কখনোই না 3 আরটিবা এম এটা থ্রি ছিল
- 2:29:41আছে থাকবে এটা থ্রি সবসময় সেম থাকবে এটা
- 2:29:44সব ধরনের গ্যাসের জন্যই সেম থাকবে কারণ কি
- 2:29:47এইটা কিন্তু আমাদের রৈখিক গড়বেগ ছিল রৈখিক
- 2:29:50গড়বেগ ছিল সো বলতো রৈখিক বরাবর তার ডিগ্রি
- 2:29:53অফ ফ্রিডম কি এক্স অক্ষ ওয়াই অক্ষ জেড
- 2:29:55অক্ষ বরাবরই না এটা তো সবসময় তিনই না এটা
- 2:29:58কি আমরা ঘূ্ণন গড়বেগ বের করছিলাম না এটা
- 2:30:01কিন্তু রৈখিক গড়বেগ বের করছিলাম তো সবসময়
- 2:30:02এটা কিন্তু থ্রি ছিল আছে থাকবে ওটাই কোন
- 2:30:04পরিবর্তন হবে না কিন্তু গতিশক্তি যেহেতু
- 2:30:06রৈখিক গতিশক্তি ঘূ্ণন গতিশক্তি যোগ করে
- 2:30:08হয় তাই মোট গতিশক্তি কিন্তু রৈখিক প্লাস
- 2:30:10ঘূ্ণন যোগ করে করা লাগবে আশা করি বুঝছো
- 2:30:14ওকে গেল এবার আসো ছয় স্বাধীনতা মাত্রা
- 2:30:18সম্পন্ন কোন অণুর মোট শক্তি কত হবেছয়
- 2:30:21স্বাধীনতা মাত্রা সম্পন্ন মোট শক্তি হচ্ছে
- 2:30:24এই যে দেখো 3 কেটি কেন 3 কেটি কারণ দেখো
- 2:30:286বাট
- 2:30:30কেটি ছিল সো 6বাট কেটি থাকলে আমরা জানি
- 2:30:33এইযে দেখ গতিশক্তি সমান সমান কি ছিল
- 2:30:35এফবাইটু কেটি যেহেতু ছয় স্বাধীনতার মাত্রা
- 2:30:38তাহলে 6বাট ই কেটি তাহলে এখান থেকে
- 2:30:41আসছেছয়দ করলে হচ্ছেথ কেটি পরের প্রশ্ন
- 2:30:45দ্বিমাণবিক গ্যাসের গতিশক্তির পরিমাণ কত
- 2:30:48এই যে দেখ দ্বিমাণবিক গ্যাসের গতিশক্তির
- 2:30:51পরিমাণ অপশনের মধ্যে কিন্তু 5বাট কেটি আছে
- 2:30:54তাহলেসার এইটাই দেখাবা যদি আমাদেরকে বলতো
- 2:30:59রৈখিক গতিশক্তি তাহলে 3বাট যদি বলন
- 2:31:02গতিশক্তি তাহলেটু বাইটু যেহেতু দ্বিমাণবিক
- 2:31:04আসের কথা বলছে আর যদি আমাদের বলে হচ্ছে
- 2:31:10কি বলে যদি বলে শুধু গতিশক্তি এবং 5বাট
- 2:31:14অপশনে নাই তাহলে 3বাট দাগা আসতে হবে কিছু
- 2:31:16করার নাই কিন্তু যদিফবা থাকে তাহলে
- 2:31:19অবশ্যইফবা দাগাবা গেল 27 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 2:31:23তাপমাত্রায়চার গ্রাম অক্সিজেনের গতিশক্তি
- 2:31:25কত নির্ণয় করো
- 2:31:27দেখো গতিশক্তি অক্সিজেনের চার গ্রাম
- 2:31:30অক্সিজেন তাহলে
- 2:31:32এফ বাইটু কত? 5বাইট ইট এন আরটি এন মানে কত
- 2:31:36হবে? 4বা 32 আর মানে 8.34
- 2:31:40ইনটুটি মানে হচ্ছে 300 তাহলে এখান থেকে
- 2:31:43যদি ানসার আসে ভেরি গুড না আসলে তিন দিয়ে
- 2:31:46ট্রাই করে দেখব মিলে কিনা সফ ইফ ই 8.34
- 2:31:51ই 300 ডিভডেডবাদ ডিভবা 32 এটা সে না এটা
- 2:31:56অপশনে নাই তার মানে থ্রি দিয়ে করব স ভাগ
- 2:31:58পা গুত 47 67.66 সক্স আসতেছে তহলে এইটাই
- 2:32:04উত্তর দাগাইতে হবে ঠিক আছে স যদি আমাদের
- 2:32:07অপশন না থাকে তাহলে কিছু করার নাই আমরা
- 2:32:11এখানেফবাইটু
- 2:32:13দিয়ে যেহেতু এন্সারে নাই তাহলে এখানে আমরা
- 2:32:153বাটু দিয়েই করব বুঝছো আশা করি ক্লিয়ার
- 2:32:21ডান চল পরেরটাতে যাই
- 2:32:2527 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা একটা
- 2:32:26হিলিয়াম অনুর গতিশক্তি কত হবে একটা
- 2:32:29হিলিয়াম অনুর গতিশক্তি কত সমান সমান সমান
- 2:32:31হচ্ছে 3বাট কেটি সো কে এর মানও দেওয়া আছে
- 2:32:363বাট ই 1.38 38 ইট টু দি পাওয়ার মাইনাস
- 2:32:4023 * 300 তাহলে এখান থেকে 3 ই 1.38 ইট টু
- 2:32:47দি পাওয়ার মাইনাস 23
- 2:32:50ডিভাইডেড বাইটু ইটু 300 6.2 ইটুট টু দি
- 2:32:54পাওয়ার মাইনাস 21 সি হচ্ছে এইটার আনসার
- 2:32:56ডান পরেরটায় যাচ্ছি এক কোন আদর্শ গ্যাসের
- 2:33:01অণুর গতিশক্তি ইকে বনাম পরম তাপমাত্রা এর
- 2:33:03জন্য প্রযোজ্য লেখচিত্র কোনটা ভাইয়া
- 2:33:06খেয়াল করো ই কে বনামটি সূত্র কি ছিল ই কে
- 2:33:12সমান সমান এফ বাইটু এন আরটি আমাদের এইটা
- 2:33:16হচ্ছে ওয়াই অক্ষ বরাবর এইটা হচ্ছে এক্স
- 2:33:19অক্ষ বরাবর পুরা পার্ট এই বাকিটুকু
- 2:33:22কনস্ট্যান্ট এম লেখা যায় তাইলে ভাই এটা
- 2:33:24একটা মূলবিন্দুগামী সরলরেখা হবে এইটা একটা
- 2:33:28মূলবিন্দুগামী সরলরেখা হবে তাইলে কোনটা গ
- 2:33:32হচ্ছে আনসার সি হচ্ছে আনসার গেল কোন
- 2:33:35গ্যাসের চাপ তার একক আয়তনে অণুগুলার
- 2:33:38গতিশক্তির কত অংশ? তাহলে ভাইয়া দেখো আমরা
- 2:33:41জানি ইকে এইটা সমান সমান হচ্ছে 3বাইট
- 2:33:46এনরটি। তো এটাকে কি বলা যায়? পিভি বলা
- 2:33:48যায়। তো বলছে কোন গ্যাসের চাপ।
- 2:33:52তার একক আয়তনে আয়তন যদি একক হয় তাহলে দেখো
- 2:33:56কি আসছে? টু বাই থ্রি ই কে। অর্থাৎ একক
- 2:34:00আয়তনে কোন একটা গ্যাসের চাপ তার একক আয়তনে
- 2:34:02অণুগুলার গতিশক্তির। একক আয়তনে অণুগুলার
- 2:34:05গতিশক্তির 2 বাইথ অংশ 2বাইথ অংশ ডান পরের
- 2:34:10প্রশ্নে যাচ্ছি এটা খুব সুন্দর প্রশ্ন
- 2:34:12বরিশাল বোর্ড 2024 সালে আসা দেখো কি বলছে
- 2:34:14কোন গ্যাসের তাপমাত্রা 27 ডিগ্রি
- 2:34:16সেলসিয়াস হতে 227 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 2:34:18তাপমাত্রায় উন্নীত করলে গ্যাসের করলে গড়
- 2:34:21গতিশক্তি কতটুকু বৃদ্ধি পায় এবং
- 2:34:22এন্সারগুলা দেখো সব পারসেন্টেজ আকারে আছে
- 2:34:25আচ্ছা একটা জিনিস মাথায় রেখো কোন গ্যাসের
- 2:34:28তাপমাত্রা এটা যেহেতু বলছে এনও দেওয়া নাই
- 2:34:31আবার এটা কি ধরনের ধরনের গ্যাস এগুলো বলা
- 2:34:34নাই। সো আমরা
- 2:34:36সমান সমান কি জানতাম? এফবাইটু
- 2:34:40এন আরটি তাই না? তাইলে
- 2:34:43গড় গতিশক্তি কতটুকু বৃদ্ধি পায় যেহেতু
- 2:34:45বলছে পারসেন্টেজ আকারে চাইছে। তাহলে
- 2:34:47আমাদের মূলত এই জিনিসটা বের করা লাগবে যে
- 2:34:50গতিশক্তির পরিবর্তন ডিভাইডেড বাই আদি
- 2:34:52গতিশক্তি কত? এবং সেটাকে আমাদের ওই
- 2:34:54হান্ড্রেড পারসেন্ট দিয়ে গুণ করে হিসাব
- 2:34:56করতে হবে। তাহলে আমরা সেই মেথডে আগাবো।
- 2:34:59খেয়াল করোইও বাটিও সমান সমান কি লেখা
- 2:35:02যাবে? তাহলে ইটু বাটিটু লেখা যাবেইট
- 2:35:06বাইও এটা সমান সমান কি লেখা যাবেটিটু
- 2:35:10বাইটিও
- 2:35:11যদি আমরা বিয়োজন করিইটু মাইনাস ইও
- 2:35:14ডিভাইডেড বাই ওয়ান সমান সমান টিট মাইনাস
- 2:35:18টিওয় ডিভাইডেড বাই টি ওয়ান লেখা যাবে
- 2:35:21তাহলে দেখো টি টু মাইনাস টি ওয়ান মানে কত
- 2:35:24ডিগ্রি সেলসিয়াস এ পার্থক্য যা কেলভিনেও
- 2:35:26কিন্তু পার্থক্য তাই তাহলে 227 থেকে 27
- 2:35:29চেঞ্জ কতটুকু হচ্ছে 200 আর টি ওয়ান মানে
- 2:35:33কত? টি ওয়ান মানে হচ্ছে আমাদের 27 ডিগ্রী
- 2:35:37মানে 300। 300 কেলভিন। এটাও কিন্তু
- 2:35:40কেলভিনে আছে এটাও কেভিনে আসে। ভয় পাইও না।
- 2:35:42কারণ এটা ডিগ্রি সেলসিয়াসে এ চেঞ্জ যা হয়
- 2:35:44কেলভিনেও কিন্তু চেঞ্জ তাই হয়। তাহলে
- 2:35:47আমাদের এইটার ভ্যালুটা কত আসে? এইটার
- 2:35:50ভ্যালু এটা সমান। তাইলে এটা মানে কত? 0.6।
- 2:35:53তার মানে আসছে 66.66%।
- 2:35:57এটা খেয়াল রেখো এটা হচ্ছে তাহলে উত্তর।
- 2:36:00ওকে? চল আমরা কয়েকটা সিকিউ প্রবলেম একটু
- 2:36:04দেখে ফেলি। দেখি এখানে কি বলছে। 200 গ্রাম
- 2:36:08নাইট্রোজেন গ্যাস ভর্তি একটা গ্যাস একটা
- 2:36:12বেলুনকে সমুদ্রের তলদেশে নিয়ে যাওয়ায়
- 2:36:15আয়তন অর্ধেক হয়ে গেল।যে বলছিলাম না যত
- 2:36:17নিচের দিকে নিয়ে যাবা আয়তন কি হতে
- 2:36:19থাকবে? কমতে থাকবে। আয়তন অর্ধেক হয়ে
- 2:36:20গেছে। সমুদ্রের পৃষ্ঠের চাপ বলা আছে এত।
- 2:36:23তাপমাত্রা বলা আছে এত। পৃষ্ঠের চাপ
- 2:36:25তলদেশের তাপমাত্রা বলা আছে এত। পানির
- 2:36:27ঘনত্ব দেওয়া আছে 1000। জি দেওয়া আছে আর
- 2:36:29দেওয়া আছে বলছে সমুদ্রপৃষ্ঠে
- 2:36:31নাইট্রোজেনের মোট গতিশক্তি কত নির্ণয় করো
- 2:36:33অর্থাৎ এটা হলো পৃষ্ঠ আর এটা হচ্ছে তলদেশ
- 2:36:38সো এইখানে যখন আমাদের ওই বেলুনটাকে রাখা
- 2:36:40হয়েছে বেলুনটাকে রাখা হয়েছে তখন আমাদের
- 2:36:45তাপমাত্রা কত ছিল 30 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 2:36:47মানে হচ্ছে 303 কেলভিন ছিল 303 কেলভিন ছিল
- 2:36:53তাহলে মোট গতিশক্তি বের করতে বলছে গ মোট
- 2:36:56গতিশক্তি ই কে সমান সমান কি হবে
- 2:36:59নাইট্রোজেন যেহেতু তার মানেফাইভ বাইটু এন
- 2:37:02আরটি তাহলে দেখো 5বাইটু মোট গতিশক্তি আমরা
- 2:37:07বের করছি এন এর মান কত হবে 200 গ্রাম
- 2:37:09যেহেতু নাইট্রোজেন নাইট্রোজেনেরইয়া
- 2:37:14হচ্ছে 28 মোলার ম্যাস 28 আর হল 8.34
- 2:37:18এবংটি কতটি হচ্ছে এখানকার তাপমাত্রা ছিল
- 2:37:22303
- 2:37:24তাহলে এখান থেকে আমরা গতিশক্তি কত বের করে
- 2:37:26ফেলতে পারব পা ই 200 ই
- 2:37:29ই 303 ডিভেডবা 2 ডিভডেডবা 28 তহলে এখানে
- 2:37:33আসে গতিশক্তির মান এটারে 1000 দিয়ে ভাগ
- 2:37:36করি এটা আসে 44.98
- 2:37:3944.98
- 2:37:41আ কিলোজুল
- 2:37:44ওকে সো এইটা হচ্ছে আমাদের উত্তর গেল পরের
- 2:37:48প্রশ্ন দেখো একটা রদের তলদেশ এবং পৃষ্ঠের
- 2:37:52পানির তাপমাত্রা দেওয়া আছে 2 লিটার আয়তন
- 2:37:54বিশিষ্ট একটা বায়ুপূর্ণ বেলুন রদের তলদেশ
- 2:37:57থেকে ছেড়ে দেয়া হলো বেলুনটা সর্বোচ্চ
- 2:37:58প্রসারণ ক্ষমতা 15 লিটার রদের পৃষ্ঠে চাপ
- 2:38:01এত গভীরতা এত দেওয়া আছে বেলুনে আবদ্ধ
- 2:38:04বায়ুর অনুসমূহের গতিশক্তির পরিবর্তন
- 2:38:06নির্ণয় করে এরকম একটা প্রবলেম আমরা আগের
- 2:38:07করে আসছিলাম তো সময় যেহেতু গতিশক্তি শিখি
- 2:38:09নাই তাই ওটা দেখাই নাই
- 2:38:11সো খেয়াল করো কি বলছে বেলুনে আবদ্ধ বায়ুর
- 2:38:14অণু সমূহের গতিশক্তির পরিবর্তন নির্ণয়
- 2:38:17করো। ভাইয়া দেখো গতিশক্তির পরিবর্তন পি কে
- 2:38:20সমান সমান হবে এফ বাইটু
- 2:38:24এন আর ডেলটাটি তাই না? যেহেতু তাপমাত্রার
- 2:38:28পরিবর্তন হয়েছে এন ফিক্স ছিল। আমাদের
- 2:38:30এখানে কি ধরনের গ্যাস কিছু বলছে?
- 2:38:32বায়ুপূর্ণ। যেহেতু বায়ুপূর্ণ বায়ুতে
- 2:38:34কিন্তু অধিকাংশই দ্বিপারমাণবিক গ্যাস।
- 2:38:36তোমরা জানো 78 ভাগ নাইট্রোজেন বাকি।
- 2:38:39তারপরে এই যে কত অনেকখানি আছে অক্সিজেন
- 2:38:44তারপরে আছে হাইড্রোজেন সো আমাদের
- 2:38:46বেশিরভাগই কিন্তু বায়ুর ক্ষেত্রে
- 2:38:47দ্বিপারমাণবিক গ্যাসই বেশি তো এই কারণে
- 2:38:49আমরা বায়ুর যেহেতু বলছে তাই এটাকে
- 2:38:51দ্বিপারমাণবিক গ্যাসের জন্য ফাইভ লিখে
- 2:38:53করতে পারি আচ্ছা ফাইভ বাই টু এন আর ডেলটা
- 2:38:57তো বেলনটার সর্বোচ্চ প্রসারণ ক্ষমতা এত
- 2:38:59এইখান থেকে আমরা তার এন এর মানটা বের করব
- 2:39:03এন এর মানটা কিভাবে বের করা যায় দেখো আর
- 2:39:06এর মান তো জানি আমরা আর কত 8.3
- 2:39:09আর টেম্পারেচারের পরিবর্তন কতটুকু হইছে?
- 2:39:1230 থেকে আ তার মানে পরিবর্তন হচ্ছে 22
- 2:39:14ডিগ্রি সেলসিয়াসও বলা যায়। 22 কেলভিনও
- 2:39:16বলা তাই। এখন এন এর মানটা বের করবো
- 2:39:17কিভাবে? এর মান বের করার জন্য পিভি সমান
- 2:39:20সমান এনরটি এপ্লাই করতে পারো। দেখো এন
- 2:39:23সমান সমান হচ্ছে পি ইনভি ডিভাইডেড বাই
- 2:39:26আরটি। তাহলে এখান থেকে আসে পি এর মান
- 2:39:30আমাদের কোনটার ডেটাগুলো দেওয়া আছে। 2
- 2:39:33লিটার আয়তন বিশিষ্ট বেলুনকে বায়ু
- 2:39:34পপুনরদের তলদেশ থেকে ছেড়ে দেয়া হলো।
- 2:39:36আচ্ছা।
- 2:39:38ওকে ঠিক আছে তাহলে আমরা তলদেশে যখন যাচ্ছি
- 2:39:43তলদেশের এই পজিশনে
- 2:39:45আমাদের প্রেসার টোটাল কত প্রেসার হচ্ছেট
- 2:39:48টু দি পাওয়ার ফাইভ এটা হচ্ছে
- 2:39:49বায়ুমন্ডলীয় চাপ
- 2:39:52প্লাস হচ্ছে এইচ রজি তার মানে 15 ইনটু
- 2:39:56এইচ রজি তো তাহলে প্লাস এইচ এর মান হল
- 2:40:01গিয়ে 15 ইনটুট টু দি পাওয়ার থ্র বা 1000
- 2:40:05ইনটুজি হচ্ছে 9.8টা এটা হল পি এর মান
- 2:40:09ভলিউম হচ্ছেটু ইটুট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ
- 2:40:11মিটার কিউবে নিয়ে নিলাম যেহেতু সব এস
- 2:40:13এককে রাখতে হবে 8.34
- 2:40:15ইটু টেম্পারেচার কত ছিল? টেম্পারেচার ছিল
- 2:40:18আ ডিগ্রি সেলসিয়াস মানে হল 281। তলে এখান
- 2:40:21থেকে এন এর মানটা বের করব এবং এন এর মান
- 2:40:23বের করলেই হয়ে যাবে।
- 2:40:26টু দি পাওয়ার ফাইভ প্লাস এন এর মান আসে জ
- 2:40:29পয়েন্টও4
- 2:40:33মোল। তাহলে এইটাই যদি আমরা এখানে বসা দেই
- 2:40:36তাহলে কিন্তু হয়ে যাচ্ছে। স 0 প2ও4
- 2:40:41এটা বসালে আমাদের কাহিনী শেষ। সো তাহলে
- 2:40:455বাইট
- 2:40:46এটা আসে 96.66
- 2:40:53ঠিক আছে আশা করি বুঝতে পেরেছ পরের
- 2:40:56প্রবলেমে যাচ্ছি দেখো কি বলছে এখানে এত
- 2:40:59মিটার কিউব আয়তনের সিলিন্ডারে 300 কেলভিন
- 2:41:02তাপমাত্রা এবং 2.5 ইট পায়ারফ প্যাসকেল
- 2:41:05চাপে অক্সিজেন গ্যাস ভর্তি করা আছে।
- 2:41:07তাপমাত্রা অপরিবর্তিত রেখে কিছু পরিমাণ
- 2:41:10অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহার করার পরে চাপ হয়ে
- 2:41:13গেল এত। তাহলে এবং অক্সিজেন গ্যাসের আণবিক
- 2:41:16ভর দেওয়া আছে এত। বলল কি? উদ্দীপকের
- 2:41:18বর্ণিত অক্সিজেন গ্যাস ব্যবহারের পূর্বে
- 2:41:20এর অণুগুলোর মূল গড় বর্গবেগ কত ছিল?
- 2:41:22নির্ণয় করো। স আমরা অক্সিজেন গ্যাস
- 2:41:24ব্যবহারের পূর্বে মূল গড় বর্গবেগ কত ছিল
- 2:41:27বের করতে বলেছে। তাহলে তাপমাত্রা জানতে
- 2:41:30হবে সিআরএমএস বের করতে গেলে সিআরএমএস সমান
- 2:41:32সমান হচ্ছে রুট ওভারথ আরটি ডিভেডবা এম তাই
- 2:41:35না মূল গড় বর্গবেগের ফর্মুলা তো এইটাই
- 2:41:38আমরা এখান থেকে দেখো কি কি দেওয়া আছে থ
- 2:41:41দেওয়া আছে সরি দেওয়াতো না এটা সূত্রের
- 2:41:43মধ্যে আছে টেম্পারেচার কত ছিল 300 কেলভিন
- 2:41:46তাপমাত্রায়
- 2:41:47ডিভাইডেড বাই এম মানে হচ্ছে 32 খবরদার
- 2:41:50এভাবে রেখো নাট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ
- 2:41:52কেজিতে কনভার্ট করে নিবা কেজি পার মোল 3 ই
- 2:41:558.34 ই 300 ডিভেডবা 32বা 10 টু দি পাওয়ার
- 2:41:59মাইনাসথ এটা আসে 1000 দিয়ে ভাগ দেই এই
- 2:42:04দাড়াও 3 ই 8.34 ই 300 ডিভডেডবা 32 ডিভবা
- 2:42:09পাওয়ার মাইনাসথ ওকে
- 2:42:14এইটা রুট করলে আসতেছে 483দ
- 2:42:17483.56
- 2:42:20এত মিটার পার সেকেন্ড সো মূল গড় বর্গবেগ
- 2:42:23কত ছিল? আশা করি বের করতে পারব। পরের
- 2:42:27প্রশ্নে যাই। দেখো কি বলছে চিত্রে এ এবং
- 2:42:30বি দুইটা ঘনক আকৃতির গ্যাসপাত্র যাদের
- 2:42:32প্রতিটা বাহুর দৈর্ঘ্য 20 সেন্টিমিটার এবং
- 2:42:35উভয় পাত্রে গ্যাসের চাপ দেওয়া আছে এত।
- 2:42:38ভালো কথা। প্রত্যেকটা বাহুর দৈর্ঘ্য
- 2:42:39যেহেতু দেওয়া আছে এবং ঘন আকৃতির বাক্স।
- 2:42:41তার মানে কিন্তু আমরা আয়তনটা জানি। আয়তন
- 2:42:44কত? আয়তন হচ্ছে এ কিউব। অর্থাৎ 20
- 2:42:47সেন্টিমিটার মানে 0.2 মিটার। তাইলে এখান
- 2:42:49থেকে আসলো এত কিউব আমাদের আয়তনটা উভয়
- 2:42:53পাত্রে গ্যাসের চাপ সেইম। সো এইখানেও
- 2:42:55গ্যাসের চাপ যা এ পাত্রেও বি পাত্রেও
- 2:42:57সেইম। সো 24 ইটু 10 টু দি পাওয়ার 5 নিউটন
- 2:43:00পার মিটার স্কয়ার এটা হচ্ছে আমাদের দুইটা
- 2:43:02পাত্রে গ্যাসের চাপ। তাপমাত্রা স্থির রেখে
- 2:43:04পাত্রের বাহুর দৈর্ঘ্য অর্ধেক করা হলে
- 2:43:07পরিবর্তিত চাপ নির্ণয় করো। অর্থাৎ টি সেম
- 2:43:10রাখতে চাই। তাইলে বলতো সেম রাখলে যেহেতু
- 2:43:14আমরা এখানে
- 2:43:19আচ্ছা তাপমাত্রা স্ত্রীকে পাত্রের বাহুর
- 2:43:21দৈর্ঘ্য অর্ধেক করে হলে পরিবর্তিত চাপ কত
- 2:43:22নির্ণয় করো দুইটা পাত্র কেন দিছে আপাতত
- 2:43:24বুঝতেছি না হয়তো পরের প্রশ্ন থাকবে যাই
- 2:43:26হোক গ নাম্বার প্রশ্ন দেখো তাহলে আমাদের
- 2:43:29যেহেতু এখানে একটা নির্দিষ্ট পাত্রের কথা
- 2:43:31যদি চিন্তা করো যতটুকু গ্যাস ছিল শুরুতে
- 2:43:33এখনো ততটুকুই গ্যাস আছে তাহলে পিও ভিওয়ান
- 2:43:36সমান সমান পিটুভিটু
- 2:43:39তাহলে পরিবর্তিত চাপ বের বলেছে তাহলে পিটু
- 2:43:42সমান সমান হবে পিওয়ান ভিওয়ান ডিভাইডেড বাই
- 2:43:45ভিটু শুরুতে চাপ ছিল হচ্ছে 24 ইটুট টুদি
- 2:43:49পাওয়ার ফাইভ ইনটু বলতো ভিওয় শুরুতে এটার
- 2:43:54আয়ত আয়তন ছিল এ কিউব পরবর্তীতে এটা কত হয়ে
- 2:43:59গেছে বাহুর দৈর্ঘ্য যদি অর্ধেক করা হয়
- 2:44:01তাহলে এবাট হোল কিউব হয়ে গেছে তাইলেটু
- 2:44:03কিউব মানে এইট তাহলে এখানে কত আসবে এ ইট
- 2:44:0624ফ ইট টুদি পাওয়ার ফাই অর্থাৎ আট গুণ
- 2:44:10বেড়ে যাবে তহলে কত হয় এ ইট 24 ইট টু দি
- 2:44:15পাওয়ার ফাইভ এটা আসে
- 2:44:191000 দিয়ে ভাগ করলে 19200 কিলোপ্যাসকেল
- 2:44:23আচ্ছা এটা এভাবে দেখার দরকার নাই আমরা
- 2:44:271920
- 2:44:29না 192 ই 192 ইট টু দি পাওয়ার ফাইভ এভাবেও
- 2:44:33লিখতে পারি তাহলে আশা করি উত্তর পেয়েছি
- 2:44:38গেল পরের প্রশ্নের যাই দেখো হ্যা কি বলছে
- 2:44:42এ এবং বি উভয় পাত্রের প্রাথমিক অবস্থায়
- 2:44:45গ্যাসের সিআরএমএস এর মানের বেগের মান সমান
- 2:44:48হবে কিনা
- 2:44:50গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করো উভয় পাত্রে
- 2:44:53প্রাথমিক অবস্থায় গ্যাসের সিআরএমএস বেগের
- 2:44:56মান সমান হবে কিনা গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ
- 2:44:58করো আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা ভালো কথা আমাদের
- 2:45:00এইখানে যেই সিআরএমএস এবং এখানে যে
- 2:45:03সিআরএমএস দুইটা সেম হবে কিনা বের করতে
- 2:45:04বলছে ভালো কথা একটা অক্সিজেন আছে একটা
- 2:45:06হাইড্রোজেন আছে বাকি সব ডাইমেনশন কিন্তু
- 2:45:08সেম স আমাদের প্রথমে আসো অক্সিজেন গ্যাসের
- 2:45:11জন্য সিআরএমএস বেগ যদি বের করি তাহলে এটা
- 2:45:13কত আসবে 3 আরটি ডিভাইডেড বাই এম অফ
- 2:45:17অক্সিজেন তো এইখানে যে তাপমাত্রা
- 2:45:20তাপমাত্রাটা কি আমরা বের করতে পারব ভলিউম
- 2:45:23জানি প্রেসার জানি এনও জানি হ্যাঁ
- 2:45:25তাপমাত্রা বের করতে পারব সো তাপমাত্রা
- 2:45:27যেটা হবে আমরা যদি অক্সিজেন গ্যাসের কথা
- 2:45:30আগে চিন্তা করি দেখো অক্সিজেন গ্যাসের
- 2:45:32জন্য তাপমাত্রা কত হবে পিভি ডিভাইডেড বাই
- 2:45:36এন আর তাহলে প্রেসার দেওয়া আছে হচ্ছে 24
- 2:45:40ইটুট টু দি পাওয়ার ফাইভ
- 2:45:43ভলিউম দেওয়া আছে হচ্ছে 0.2
- 2:45:46কিউব এন দেওয়া আছে 16বাই 32 আর হচ্ছে 8
- 2:45:51পয়ে34
- 2:45:53এটা হচ্ছে অক্সিজেন গ্যাসের যেই তাপমাত্রা
- 2:45:56সেইটা
- 2:45:57অক্সিজেন গ্যাসের জন্য যেই তাপমাত্রাটা
- 2:46:00আমরা পাচ্ছি সেটা হল 24 ইট টু দি পাওয়ার
- 2:46:02ফাইভ ইনটু পয়ে2
- 2:46:05কিউব
- 2:46:07ডিভাইডেড বাই পয়ে5 ডিভবা4 এটা আসে 468
- 2:46:12কেলভিন 468
- 2:46:15কেলভিন
- 2:46:16ইনটু 3 ইটু 8.314 ডিভাইডেড বাই 32
- 2:46:21ডিভাইডেড বাইট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ
- 2:46:25এখানে আসে অক্সিজেনের জন্য যে সিআরএমএস
- 2:46:30অক্সিজেনের যে সিআরএমএস এটার মান আসছে
- 2:46:321897.36
- 2:46:36মিটার পার সেকেন্ড। এটা গেল অক্সিজেনের
- 2:46:39জন্য হিসাব।
- 2:46:50সো এইটা হচ্ছে আমাদের অক্সিজেনের জন্য যে
- 2:46:53হিসাব নিকাশ সেটা। এবার দেখি হাইড্রোজেনের
- 2:46:56জন্য কি হবে? হাইড্রোজেনের জন্য টি সমান
- 2:47:00সমান তো পিভি ডিভাইডেড বাই এন আর পি এবং
- 2:47:04ভি এর মান এক্স্যাক্টলি যা ছিল অক্সিজেনের
- 2:47:07জন্য হাইড্রোজেনের জন্যও তাই হবে। এন এর
- 2:47:10মান হচ্ছে দেখ এটাও ছিল 16 গ্রাম। তাহলে
- 2:47:1416 ডিভাইডেড বাই দুই ইনটু আর হচ্ছে 8.314।
- 2:47:19ক্যালকুলেশনটা একটু ছোট করে করা যায়। আর
- 2:47:21যেহেতু এটার মান 46 18 আসছে এখানে ছিল
- 2:47:24পয়েন্ট। তাহলে একটা কাজ করি 46 18 কে
- 2:47:27পয়েন্ট দিয়ে গুণ করি। আর যেটা আসলো
- 2:47:31এটাকে ভাগ দিব হচ্ছে আট দিয়ে। 288 দশমিক
- 2:47:34কত আসে? 288.625
- 2:47:39পা কি করছি না বুঝলে জাস্ট ক্যালকুলেশনটা
- 2:47:42করো তাইলেই হবে এবার দেখো 288 যেহেতু
- 2:47:45পাইছি তাহলে হাইড্রোজেনের জন্য সিআরএমএস
- 2:47:48কত হবে রুটওভারথ আরটি ডিভাইডেড বাই এম অফ
- 2:47:53হাইড্রোজেন
- 2:47:54এখান থেকে আসো এটাও হাইড্রোজেনের
- 2:47:57তাপমাত্রা
- 2:47:58ভ্যালুগুলা বসাই ইনটুথ ইট 8 প34
- 2:48:04ডিভাইডেড বাইদ ডিভেডবাইট টু দি পাওয়ার
- 2:48:06মাইনাসথ এটা কত আসে 1897 বাহ পারফেক্ট।
- 2:48:091897 দশমিক
- 2:48:13যা আছে তাই। সো আমরা মোটা দাগে বলতে পারি
- 2:48:15হ্যাঁ সমান।
- 2:48:17সুতরাং
- 2:48:19বেগদ্বয় পরস্পর সমান হবে।
- 2:48:23ঠিক আছে। আশা করি বুঝতে পেরেছ। ওকে। পরের
- 2:48:28প্রশ্নে যাচ্ছি।
- 2:48:30এ এবং বি দুইটা সিলিন্ডারে যথাক্রমে 5
- 2:48:33গ্রাম ভরের নাইট্রোজেন এবং অক্সিজেনের
- 2:48:34গ্যাস আছে। উভয় সিলিন্ডারের আয়তন 8
- 2:48:37লিটার। এ সিলিন্ডারে গ্যাসের চাপ দেওয়া
- 2:48:40আছে। বি সিলিন্ডারে গ্যাসের চাপ দেওয়া
- 2:48:42আছে। বাহ বলছে বি সিলিন্ডারের তাপমাত্রা
- 2:48:45কত? সবকিছুই দেওয়া আছে। হোমওয়ার্ক দিয়ে
- 2:48:47দিলাম। এটার উত্তরটা স্লাইডের মধ্যে লেখা
- 2:48:50থাকবে। পরে উত্তর মিলায় নিবা। এটার গ
- 2:48:52নাম্বার এবং ঘ নাম্বার। দুইটারই
- 2:48:56হোমওয়ার্ক দিয়ে রাখলাম। এানসার দিয়ে দিব
- 2:48:58এই স্লাইডের মধ্যে। ওকে এবার আসো আমরা
- 2:49:02আদর্শ গ্যাস এবং বাস্তব গ্যাস এই দুইটার
- 2:49:04একটু পার্থক্য পড়ে ফেলি। আমাদের কিন্তু এই
- 2:49:07টপিকটা আসলে বইগুলাতে শুরুতে আলোচনা করা
- 2:49:09আছে। কিন্তু ওই আদর্শ গ্যাসের যেই সংজ্ঞা
- 2:49:13আদর্শ গ্যাস কাকে বলে? সে সংজ্ঞা আলোচনার
- 2:49:16সময় শুরুতে যেটা বলে যে, যেই ধরনের
- 2:49:19গ্যাসগুলা গ্যাসের সূত্র মেনে চলে এবং
- 2:49:21গ্যাসের গতিতত্ত্ব মেনে চলে তাদেরকে আদর্শ
- 2:49:23গ্যাস বলে। তো গ্যাসের সূত্র কি জানিনা।
- 2:49:25গ্যাসের গতিতত্ত্ব বলতে কি বুঝায় জানিনা।
- 2:49:28সো ওই সময় আদর্শ গ্যাসটা নিয়ে আলোচনা না
- 2:49:30করে এজন্য ভাবলাম যে গ্যাসের সূত্রগুলো
- 2:49:33আগে দেখাইনি তারপর গতিতত্ত্ব দেখায়নি।
- 2:49:35এরপরে হচ্ছে এই টপিকটা আসুক। সো এখন তাহলে
- 2:49:37রিলেট করতে আরো সহজ হবে। সো দেখো আদর্শ
- 2:49:39গ্যাস এবং বাস্তব গ্যাস এখানে পার্থক্য
- 2:49:42যতগুলা আছে একটু পড়ে রেখো কারণ খ নাম্বার
- 2:49:44প্রশ্ন এটা আসে। একটু আমরা রিডিং পড়ি।
- 2:49:46দেখো কি বলছে আদর্শ গ্যাস কোনগুলা? আদর্শ
- 2:49:48গ্যাস যেগুলা যে কোন উষ্ণতা এবং চাপে
- 2:49:51গ্যাসের সূত্রগুলো সম্পূর্ণ মেনে চলে।
- 2:49:53বাস্তব গ্যাস কেবলমাত্র নিম্নচাপ এবং উচ্চ
- 2:49:56তাপমাত্রায়
- 2:49:58আংশিকভাবে মেনে চলে। খুবই গুরুত্বপূর্ণ
- 2:50:01এটা অবজেক্টিভের জন্য কিন্তু মাস্ট।
- 2:50:03নিম্নচাপ এবং উচ্চ তাপমাত্রা। সো বলতো যদি
- 2:50:06গ্যাসগুলা নিম্ন
- 2:50:08চাপে থাকে তাহলে বলতো এবং উচ্চ
- 2:50:11তাপমাত্রায় থাকে তাহলে এদের মধ্যে যেই
- 2:50:13দূরত্ব সেই দূরত্বগুলো কি অনেক অনেক বেড়ে
- 2:50:15যাবে না? মনে আছে আমরা গ্যাসের গতিত্বে
- 2:50:18পড়ছিলাম যে অণু গুলার মধ্যে পারস্পরিক
- 2:50:20কোন রকমের আকর্ষণ-বিকর্ষণ বল থাকতে পারবে
- 2:50:22না। সো যখন এই বাস্তব গ্যাসের অণুগুলাকেও
- 2:50:25আমরা অনেক দূরে দূরে নিয়ে যাই তখনও
- 2:50:27কিন্তু তাদের মধ্যে আকর্ষণ বল নেগলিজেবল
- 2:50:30হয়ে যায় বা থাকেই না। অর্থাৎ তারা
- 2:50:32অনেকটাই কিন্তু আদর্শ গ্যাসের মতন তখন
- 2:50:34আচরণ করে। সো কোন কোন ক্ষেত্রে যখন আমরা
- 2:50:37তাপমাত্রাটা বৃদ্ধি করে দিচ্ছি এবং চাপটা
- 2:50:40অনেক কমায় দিচ্ছি। চাপ কয়েম দিলে কি
- 2:50:41হবে? আয়তন বাড়বে। তাদের মধ্যে দূরত্ব
- 2:50:43বাড়বে এবং তাপমাত্রাও যত বাড়াবো তত
- 2:50:45কিন্তু এদের মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকবে।
- 2:50:48সো তাহলে যত দূরত্ব বাড়বে এদের মধ্যে
- 2:50:50পারস্পরিক আকর্ষণ বল নাই হতে থাকবে এবং
- 2:50:53তারা ততটা আদর্শ গ্যাসের মতন আচরণ করবে।
- 2:50:55সো এটা মাথায় রেখো। আদর্শ গ্যাসের
- 2:50:57অণুগুলার মধ্যে আকর্ষণ বল থাকে না। বাস্তব
- 2:51:00গ্যাসের অণুগুলার মধ্যে আকর্ষণ বল থাকে।
- 2:51:02প্রকৃতিতে আদর্শ গ্যাসের কোন অস্তিত্ব
- 2:51:04নেই। প্রকৃতিতে প্রাপ্ত সকল গ্যাসই বাস্তব
- 2:51:07গ্যাস। আদর্শ গ্যাসকে তরল করা সম্ভব হয়
- 2:51:09না। বাস্তব গ্যাসকে তরল করা যায়। গ্যাসের
- 2:51:12গতিতত্ত্বের মৌলিক সীকার্যগুলো মেনে চলে।
- 2:51:15গ্যাসের গতিতত্ত্বের মৌলিক সে কার্যগুলা
- 2:51:16মেনে চলা নাই। এই যে এইটার কারণে হচ্ছে
- 2:51:18একটু পরে আসলাম গতিতত্ত্বসহ। অর্থাৎ
- 2:51:20গতিতত্ত্বে আমরা যা কিছু পড়ছি সেগুলা
- 2:51:22কিন্তু প্রত্যেকটা জিনিস ছিল কার জন্য?
- 2:51:24আদর্শ গ্যাসের জন্য ছিল। বাস্তব গ্যাস
- 2:51:26কিন্তু গতিতত্ত্বের মৌলিক স্বীকার্য
- 2:51:28যেগুলা ছিল সেগুলা মেনে চলবে না। ওকে। সো
- 2:51:31এগুলা যদি পরীক্ষায় আসে তাহলে একটু একবার
- 2:51:34মাথায় থাকলে একবার রিং পড়লেই যদি দুই
- 2:51:36নাম্বারের জন্যই তো আসবে। আসলে চারটা লিখে
- 2:51:38আসার চেষ্টা কইরো। ঠিক আছে। ওকে গেল।
- 2:51:42গ্যাসের মৌলিক স্বীকার্য অনুসারে বল একটা
- 2:51:44গ্যাসের সকল অণু সদৃশ একটা গ্যাসের সকল
- 2:51:48অণু সদৃশ রাইট এইটা ট্রু গ্যাসের শক্তি
- 2:51:52বিভব শক্তি না গ্যাসের শক্তি হচ্ছে
- 2:51:54গতিশক্তি গ্যাসের শক্তিগুলো গতিশক্তি কারণ
- 2:51:57আদর্শ গ্যাসে কনসিডার করা হয় তাদের মধ্যে
- 2:51:59কোন আকর্ষণ বিকর্ষণ বল নাই তার মানে কোন
- 2:52:02সংরক্ষণশীল বল নাই আন্তণবিক আকর্ষণ বল না
- 2:52:04থাকলে কোন সংরক্ষণশীল বল নাই সংরক্ষণশীল
- 2:52:07বলের এগেন্স্টে তার মানে কোন কৃত কাজ
- 2:52:09হচ্ছে না তার মানে কোন বিভব শক্তিও কিন্তু
- 2:52:11এখানে জমবে না। সো আদর্শ গ্যাসের মধ্যে
- 2:52:13সহজ কথা হলো যেহেতু কোন আকর্ষণ বল নাই বা
- 2:52:16কোন সংরক্ষণশীল বল নাই এখানে কিন্তু কোন
- 2:52:18রকম বিভব শক্তি থাকবে না। তাপমাত্রার সাথে
- 2:52:20অণুগুলার বেগ বাড়ে। হ্যাঁ তাপমাত্রার সাথে
- 2:52:23অণুগুলার বেগ বাড়ে। ঠিক আছে? ওইযেথ আরটিবা
- 2:52:26এম এটা হল এক আর তিন এটা হচ্ছে আনসার। আশা
- 2:52:30করি বুঝতে পেরেছ। চল এবার পরের প্রবলেম
- 2:52:33পরেরটা দেখি। গ্যাসের গতিতদ অনুসারে কোনটা
- 2:52:36সঠিক? অণুগুলার সংঘর্ষ অস্থিতিস্থাপক।
- 2:52:39কোনটা সঠিক? না এটাতো ভুল। স্থিতিস্থাপক
- 2:52:41সংসয় অণুগুলার স্থিতিশক্তি নেই হ্যাঁ এটা
- 2:52:44সত্য অণুগুলার কোন বিভব শক্তি থাকবে না
- 2:52:47গতিশক্তি তো আছে অণুগুলার ভরবেগ নেই ওমা
- 2:52:50আছে তো ভরবেগ আছে এটা হচ্ছে ভুল তাহলে
- 2:52:53অণুগুলার স্থিতিশক্তি নেই এটা হচ্ছে সঠিক
- 2:52:57ওকে গেল গ্যাসের গতিতত্ত্বের মৌলিকীকার্য
- 2:53:00অনুসারে তাপমাত্রা বৃদ্ধির সাথে সাথে
- 2:53:02অনুরবেগ বৃদ্ধি পায় রাইট অণুগুলার
- 2:53:05মধ্যবর্তী দূরত্বের তুলনায় অণুগুলার
- 2:53:07আয়তন উপেক্ষণীয় রাইট
- 2:53:10দুইটা ধাক্কার মধ্যবর্তী বর্ত সময় অনুগুলা
- 2:53:11সমবে সররেখা চলে না সমবেগে সররেখা চলে এটা
- 2:53:14ভুল তহলে এক আর দুই হচ্ছে সঠিক এক আর দুই
- 2:53:17হচ্ছে সঠিক হায় হায় হায় হায় হায় নিচের
- 2:53:19কোনটা সঠিক এক আর দুই এটা কেন অপশনে নাই
- 2:53:22অবশ্যই অপশনে থাকার কথা এক আর দুই ক
- 2:53:26নাম্বারটাই ছিল এটা ভুলে দুই চলে আসছে এ
- 2:53:28হচ্ছে এটার উত্তর আশা করি বুঝতে পেরেছো
- 2:53:33ডান ডানা ডান ডান এইবার চল আমরা পরের
- 2:53:35টপিকে যাই গড় মুক্তপথ বাবা বা মিন ফ্রিপাথ
- 2:53:38এটা নিয়ে আমরা অলরেডি কিন্তু গতিতত্ত্বের
- 2:53:40পড়ছিলাম আরেকবার একটু দেখে আসি এখানে আরো
- 2:53:44বেশ কিছু জিনিসপত্র আছে এটা কিন্তু ক
- 2:53:45নাম্বার প্রশ্নের জন্য খুবই খুবই
- 2:53:47গুরুত্বপূর্ণ এই সংজ্ঞাটা কি বলছে দেখো
- 2:53:49কোন অণুর পরপর দুইটা সংঘর্ষের মধ্যবর্তী
- 2:53:52দূরত্বগুলার গড় নিলে যেই দূরত্ব পাওয়া
- 2:53:54যায় তাকে গড় মুক্ত পথ বলে মনে করো
- 2:53:57আমাদের এখানে একটা অণু সেই অণুটা একটা
- 2:54:00নির্দিষ্ট দূরত্ব গেল যাওয়ার পরে এখানে
- 2:54:01একটা অণুর সাথে ধাক্কা খেল তারপরে কিছুদূর
- 2:54:04যাওয়ার পর আবার ধাক্কা খেল আবার কিছুদূর
- 2:54:06যাওয়ার পর এখানে আরেকটা অণুর সাথে ধাক্কা
- 2:54:07খেল এই যে পরপর দুইটা ধাক্কা খাওয়ার
- 2:54:10মধ্যবর্তী যে দূরত্বগুলা এই দূরত্বগুলার
- 2:54:12যদি আমরা গড় করি সেটাকে আমরা বলছি গড়
- 2:54:14মুক্ত পথ। একটা ধাক্কা থেকে আরেকটা ধাক্কা
- 2:54:16খাওয়ার মধ্যবর্তী যতটুকু দূরত্ব সে
- 2:54:18অতিক্রম করে সেটাকে আমরা বলি মুক্ত পথ। এই
- 2:54:20মুক্ত পথগুলার গড়ই হচ্ছে গড় মুক্ত পথ।
- 2:54:23ডান। পরপর দুইটা সংঘর্ষের মধ্যবর্তী
- 2:54:26দূরত্বগুলোর গড় নিলে যে দূরত্ব পাওয়া
- 2:54:27যায় সেটাই হচ্ছে গড় মুক্ত পথ। এখন দেখো
- 2:54:31আমরা গড় মুক্ত পথের যে রাশিমালা সেটা
- 2:54:33ক্লসিয়াসেরটা প্রমাণ করা আছে বইতে। এবং
- 2:54:36সেখানে কিন্তু একটা অণুকে গতিশীল ধরে বাকি
- 2:54:39সব অণুকে স্থির চিন্তা করে প্রমাণ করা
- 2:54:41হয়েছে। সো এই রাশিমালা হচ্ছে ল্যামডা
- 2:54:43সমান ওান ডিভাইডেড বা এন পাই সিগমা
- 2:54:45স্কয়ার এন কি? এন হচ্ছে একক আয়তনে অনুর
- 2:54:47সংখ্যা আর সিগমা হচ্ছে অনুর ব্যাস। এটা
- 2:54:50মনে রেখো সিগমা হচ্ছে অনুর ব্যাস। এছাড়াও
- 2:54:55আরো কতগুলো রাশিমালা আছে। দেখো
- 2:54:56বোল্টসম্যানের রাশিমালা হচ্ছে ল্যামডা
- 2:54:58সমান 3বা4 এবা সিগমা স্কয়। এটা দিয়ে
- 2:55:00আমাদের কখনো ম্যাথ করা লাগবে না।
- 2:55:01অবজেক্টিভ আসতে পারে। একটু খেয়াল রেখো।
- 2:55:03আর ম্যাক্সওয়েলের রাশি মানা ল্যামডা সমান
- 2:55:05সমানও বা রুটট এন বাই সিগমা স্কয়ার এইখানে
- 2:55:08এই প্রমাণটা নরমালি দেখা যায় সবগুলা
- 2:55:10গ্যাসের অণুগুলাকেই গ্যাসের সবগুলো অণুকেই
- 2:55:13চলমান ধরে এই ম্যাক্সওয়েলের রাশিমালাটা
- 2:55:15প্রমাণ করা হয়েছে বইতে এটার প্রমাণ নাই
- 2:55:16কিন্তু ম্যাথ করতে দিলে আমরা এই সূত্রটা
- 2:55:19দিয়েই ম্যাথ করব যদি কিছু বলে দেয় যে
- 2:55:24ক্লসিয়াসটা দিয়ে গড় মুক্তপদ বের করো তখন
- 2:55:26তো স্পেসিফিক যেটা বলবে সেটা দিয়ে করতে
- 2:55:28হবে কিন্তু কিছু বলে না দিলে আমরা ম্যাথ
- 2:55:30করার জন্য এই ফর্মুলাটা ইউজ করব অনেক সময়
- 2:55:32আমাদের এই তিনটা রাশিমালার অনুপাত জানতে
- 2:55:34চাই এমসিকিউতে তখনও কিন্তু এই সূত্রগুলা
- 2:55:37খেয়াল রাখো এগুলা তখন কাজে আসতে পারে।
- 2:55:39আচ্ছা সো এখানে দেখো একক আয়তনে অনুর
- 2:55:42সংখ্যা এই জিনিসটা আমরা যদি একটু ছোট করে
- 2:55:45দেখে আসি আমি পরের দুইটাতে আসতেছি। এই যে
- 2:55:47একক আয়তনে অনুর সংখ্যা এটা বলতে আসলে কি
- 2:55:49বুঝলাম দেখো। মনে করো আমাদের কোন একটা
- 2:55:52পাত্র এই পাত্রের মধ্যে মনে করলাম এই
- 2:55:54পাত্রটার মধ্যে মনে করলাম আমাদের পাত্রের
- 2:55:57আয়তন হচ্ছে ভি এবং এর মধ্যে এন সংখ্যক
- 2:55:59অণু আছে তাহলে দেখো ভি আয়তনে অণু আছে এন
- 2:56:02সংখ্যক একক আয়তনে অণু আছে কত এন বাইভি
- 2:56:04এটাই কিন্তু একক আয়তনে অনুর সংখ্যা
- 2:56:06যেটাকে আমরা স্মল এন দিয়ে প্রকাশ করেছি
- 2:56:09তাহলে খেয়াল করো আমরা যদি ওই গড়মুক্ত
- 2:56:12পথের রাশিমালাতে যাই সিগমা সমান সমান ছিল
- 2:56:14ওয়ান ডিভাইডেড বাই এন পাই সিগমা স্কয়ার
- 2:56:18তাহলে এন এর জায়গায় আমরা কি লিখতে পারি
- 2:56:20এন এর জায়গায় আমরা লিখতে পারি এন ডিভাইডেড
- 2:56:22বাই ভি ইটু পাই সিগমা স্কয়ার এখন লক্ষ্য
- 2:56:27করো এই যে এনবাইভি এইটাকে আবার কি লেখা
- 2:56:29যায় আমরা পিভি সমান সমান এনআরটি পাইছি
- 2:56:34কিন্তু এই সূত্র জানি এন মানে হচ্ছে
- 2:56:37অনুসংখ্যা ডিভাইডেড বাই এভোগেড্রো নাম্বার
- 2:56:40ইনটু আরটি এখানে থাকলো পিভি খেয়াল করে
- 2:56:44দেখো আমরা এখান থেকে লিখতে পারি এন বাই ভি
- 2:56:47যেটা এটাই কিন্তু আমাদের একক আয়তনের অনুর
- 2:56:49সংখ্যা ই আরটি তহলে দেখো এন বাইভি এর বদলে
- 2:56:53আমরা যেটা লিখতে পারি পি ইটু এন এ
- 2:56:56ডিভাইডেড বাই আরটি
- 2:56:58তাহলে এই যে সিগমা ল্যামডার যেই সমীকরণটা
- 2:57:02আমরা পেলাম এখান থেকে ল্যামডার যে
- 2:57:04সমীকরণটা আমরা এখান থেকে পেলাম ল্যামডা
- 2:57:06সমান সমান ওান ডিভাইডেড বাই এনবাইভি
- 2:57:10পাই সিগমা স্কয়ার এখানে এন বাইভি এর
- 2:57:13জায়গায় আমরা কিন্তু যদি এটা দিয়ে
- 2:57:15প্রতিস্থাপন করি দেখো এ পই এ পি ইনটু এন এ
- 2:57:20ডিভাইডেড বাই আরটি ছিল। সো আরটিটাকে উপরে
- 2:57:22রাখলাম। আর এখানে থাকবে পাই ইনটু সিগমা
- 2:57:25স্কয়ার। খেয়াল করো এখান থেকে আমরা
- 2:57:27ক্লিয়ারলি কিন্তু দেখতে পাচ্ছি ল্যামডাটা
- 2:57:29কার কার সাথে সমানুপাতিক।
- 2:57:31এখান থেকে দেখতে পাচ্ছ ল্যামডার মানটা
- 2:57:34কিন্তু তাপমাত্রার সাথে সমানুপাতিক। যখন
- 2:57:37স্থির চাপ থাকবে। চাপ যদি স্থির থাকে দেখো
- 2:57:40এখানে সবগুলো কিন্তু কনস্ট্যান্ট। আমরা
- 2:57:41যদি একটু লক্ষ্য করি দেখো। আর একটা
- 2:57:43কনস্ট্যান্ট, এন একটা কনস্ট্যান্ট, সিগমা
- 2:57:46একটা কনস্ট্যান্ট। অনুর ব্যাস এটাও
- 2:57:48কনস্ট্যান্ট। তাহলে দেখো উপরে থাকছে টি
- 2:57:51নিচে থাকছে পি। অর্থাৎ যদি আমাদের
- 2:57:53কনস্ট্যান্ট প্রেসারে বলে যে গরম মুক্ত পথ
- 2:57:57এর পরিবর্তন টেম্পারেচারের সাথে কেমন
- 2:57:59তাহলে আমরা এখান থেকে এগুলো অবজেক্টিভের
- 2:58:03জন্য গুরুত্বপূর্ণ। একটু দেখে রাখো। অনেক
- 2:58:04সময় সাবজেক্টিভ সিকিউতে দিয়ে দিতে পারে।
- 2:58:07যদি পি স্থির থাকে পি স্থির থাকলে কিন্তু
- 2:58:11ল্যামডা ইজ প্রপোরশনাল টুটি। আবার টি
- 2:58:15স্থির থাকলে আমরা এখানে দেখতে পাই ল্যামডা
- 2:58:18ইজ প্রপোরশনাল টু ওান বাই পি। ঠিক আছে?
- 2:58:22অর্থাৎ গ্যাসের চাপ যত বাড়বে গড় মুক্ত
- 2:58:25পথের মান তত কমবে। তুমি খেয়াল করো যত
- 2:58:27একটা গ্যাসের চাপ বাড়াচ্ছ তত কি অণুগুলার
- 2:58:29মধ্যে ডিস্টেন্স এখন কম থাকবে। তো
- 2:58:33স্বাভাবিকভাবেই তারা কিন্তু খুব ঘন ঘন এখন
- 2:58:36ধাক্কা খাবে। সো যদি চাপ দেয়া হয় যদি
- 2:58:38তাদের ধাক্কার সংখ্যার ধাক্কার
- 2:58:41ফ্রিকোয়েন্সি যদি বেড়ে যায় তাহলে কিন্তু
- 2:58:43গড় মুক্ত পথের মানটাও কমে যাবে। সো তাহলে
- 2:58:45পি বাড়লে ল্যামডা কমছে। অন্যদিকে ধরো পি
- 2:58:48স্থির রাখছো তুমি টেম্পারেচার বাড়াইছো যত
- 2:58:50বেশি টেম্পারেচার বাড়াবা তাদের কি হবে?
- 2:58:52পরস্পর দূরত্ব বাড়তে থাকবে না। সো ধাক্কা
- 2:58:55পরপর দুইটা ধাক্কা খাওয়ার মধ্যবর্তী যে
- 2:58:56দূরত্ব দূরত্বগুলো কিন্তু বাড়বে। সোটি
- 2:58:58বাড়লে ল্যামডাও কিন্তু এখান থেকে বাড়বে।
- 2:59:01এইবার আসো আমরা আরেকটা সূত্র দেখে ফেলি।
- 2:59:05সেইটা হচ্ছে আরেকটা সূত্র হচ্ছে যে আমরা
- 2:59:10যেটা দেখলাম ল্যামডা সমান সমান ওান
- 2:59:12ডিভাইডেড বাই এন পাই সিগমা স্কয়ার একটা
- 2:59:15কাজ করি উপরে একটা অণু দিয়ে গুণ দেই একটা
- 2:59:19অনুর ভর দিয়ে গুণ দেই আর নিচেও একটা অনুর
- 2:59:22ভর দিয়ে আমরা গুণ দেই এন পাই সিগমা স্কয়ার
- 2:59:26এম ডিভাইডেড বাই এম দিয়ে উপরে নিচে আমরা
- 2:59:29গুণ দিলাম এন পাই সিগমা স্কয়ার খেয়াল করো
- 2:59:33এন মানে ছিল একক আয়ত অনুর সংখ্যা আমরা যখন
- 2:59:37এম দিয়ে গুণ দিচ্ছি তখন কি হয়ে গেল? একক
- 2:59:40আয়তনে অনুর ভর হয়ে গেল না? দেখো এন মানে
- 2:59:43কি ছিল? এন মানে ছিল এন বাইভি। একক আয়তনে
- 2:59:45অনুর সংখ্যা। যখন এম দিয়ে আমরা গুণ দিচ্ছি
- 2:59:48এনবাইভি। তখন খেয়াল করো এইটা আসলে কি
- 2:59:52নির্দেশ করছে? আমাদের এম যদি গুণ দেওয়া হয়
- 2:59:55এটার সাথে এটা কি নির্দেশ করছে? এন মানে
- 2:59:58হচ্ছে পাত্রে কতগুলা অণু আছে। পাত্রে
- 3:00:01কতগুলো অণু আছে। একটা অনুর ভর দিয়ে গুণ
- 3:00:03দিলে টোটাল কি গ্যাসের ভর বের হয়ে গেল
- 3:00:05না? তাহলে এটা হচ্ছে টোটাল গ্যাসের ভর
- 3:00:07ডিভাইডেড বাই হচ্ছে v। তার মানে একক
- 3:00:10আয়তনের ভর এটা কিন্তু ঘনত্ব পেয়ে গেলাম।
- 3:00:12তার মানে খেয়াল করো আমরা এখান থেকে পাই
- 3:00:15এম এন এটা মানে কিন্তু ঘনত্ব নির্দেশ
- 3:00:18করছে। তাহলে ঘনত্ব ইনটু রো ইন সিগমা
- 3:00:22স্কয়ার। তাহলে এটাও খেয়াল রেখো ল্যামডার
- 3:00:24যে ভ্যালু সেটা কিন্তু ঘনত্বের সাথে
- 3:00:26ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয়। যখন পি এম
- 3:00:30তো ফিক্সড তাইলে ল্যামডা ইজ প্রপোরশনাল টু
- 3:00:32কিন্তু রো। আমরা এটা লিখতে পারি ল্যামডা
- 3:00:34ইজ প্রপোরশনাল টু ওান বাই রো ঠিক আছে
- 3:00:38বুঝলাম এখন আসো আমরা দুইটা জিনিস একটু
- 3:00:42দেখে রাখি সেটা হচ্ছে পরপর দুইটা ধাক্কার
- 3:00:45মধ্যবর্তী সময় অর্থাৎ এই যে এখান থেকে যে
- 3:00:49একটা অণু ধাক্কা খেয়ে এই জায়গাতে আসলো
- 3:00:51এই সময়টা আমরা কিভাবে বের করতে পারি
- 3:00:55আমরা যদি
- 3:00:58এভাবে চিন্তা করি দেখো পরপর দুইটা ধাক্কা
- 3:01:00খাওয়ার মধ্যবর্তী সময় স আমরা মনে করলাম
- 3:01:04মনে করো যে কোন একটার গড় মুক্ত পথ হচ্ছে
- 3:01:08গড় মুক্ত পথ হচ্ছে 10 মিটার সাপোজ কোন
- 3:01:12একটা অনুর মনে করো গড় মুক্ত পথ হচ্ছে 10
- 3:01:15মিটার আমি বা 10 একক সাপোজ 10 মিলিমিটার
- 3:01:18হতে পারে যেকোন কিছু 10 একক এবং সি আরএমএস
- 3:01:21এইটা মনে করলাম টু মিটার পার সেকেন্ড
- 3:01:25আচ্ছা এমনি ধরি হিসাবের সুবিধার জন্য আমরা
- 3:01:27এটা মিটার নিলাম এটা মিটার পার সেকেন্ড
- 3:01:29নিলাম সো খেয়াল করো এইটা মানে কি
- 3:01:32বোঝাচ্ছে প্রতি সেকেন্ডে একটা অণু 2 মিটার
- 3:01:35করে দূরত্ব অতিক্রম করে 2 মিটার করে
- 3:01:38দূরত্ব অতিক্রম করে প্রতি সেকেন্ডে
- 3:01:41এবং 10 মিটার দূরত্ব অতিক্রম করার পরে পরে
- 3:01:44সে একটা ধাক্কা খায় ল্যামডার মান কি ছিল
- 3:01:47গড় মুক্ত পথ অর্থাৎ গড় সে কত দূরত্ব
- 3:01:50যাওয়ার পর পর ধাক্কা খায় এটাই তো গড়
- 3:01:52মুক্ত পথ না তাহলে দেখো গড়ে সে 10 মিটার
- 3:01:54দূরত্ব পরপর ধাক্কা খায় আর সেকেন্ডে সে 2
- 3:01:57মিটার করে যায় তাহলে বলতো সেকেন্ডে যদি 2
- 3:02:00মিটার যায় তাহলে 10 মিটার দূরত্ব যেতে কত
- 3:02:03সময় লাগবে? 10 বাই 2 10 বাইদ অর্থাৎ পা
- 3:02:08সেকেন্ড সময় লাগবে। তার মানে কি? পাঁচ
- 3:02:10সেকেন্ড পর পর সে আসলে একটা করে ধাক্কা
- 3:02:12খাবে। কথা কি ক্লিয়ার? দেখো পরপর দুইটা
- 3:02:15ধাক্কা খাওয়ার মধ্যবর্তী সময় হচ্ছে
- 3:02:16ল্যামড। উপরে ল্যামডা নিচে হচ্ছে
- 3:02:18সিআরএমএস। তুমি চাইলে এটাকে এভাবেও চিন্তা
- 3:02:21করতে পারো
- 3:02:23যে দেখো
- 3:02:25যে আমাদের 2 মিটার দূরত্ব
- 3:02:29অতিক্রম করতে সময় লাগে কতক্ষণ এক সেকেন্ড
- 3:02:33এক মিটার দূরত্ব অতিক্রম করতে কত সময়
- 3:02:35লাগে একবাদ তাহলে 10 মিটার দূরত্ব অতিক্রম
- 3:02:39করতে কত সময় লাগবে 10বাদ ঠিক আছে তাহলে
- 3:02:43আমি যদি জেনারালাইজ ভাবে দেখাই যে
- 3:02:45সিআরএমএস পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করতে সময়
- 3:02:48লাগে এক সেকেন্ড এক একক দূরত্ব অতিক্রম
- 3:02:51করতে লাগে ওান বাই সিআরএমএস। তাহলে
- 3:02:53ল্যামডা পরিমাণ দূরত্ব অতিক্রম করতে সময়
- 3:02:55লাগে ল্যামডা ডিভাইডেড বাই সিআরএমএস।
- 3:02:57তাইলে এটা হচ্ছে পরপর দুইটা ধাক্কা
- 3:02:58খাওয়ার মধ্যবর্তী সময়। সহজে মনে রাখার
- 3:03:01জন্য একক নিয়ে চিন্তা করতে পারো। তুমি
- 3:03:03খেয়াল করো ল্যামডার একক হচ্ছে মিটার। আর
- 3:03:05সিআরএমএস এর একক হচ্ছে মিটার পার সেকেন্ড।
- 3:03:07তাহলে পার সেকেন্ড উপরে উঠে গিয়ে কিন্তু
- 3:03:09সেকেন্ড হয়ে গেল। তাহলে এটা সহজে মনে
- 3:03:11রাখতে পারো এভাবে একক দিয়ে যে পরপর দুইটা
- 3:03:14ধাক্কার মধ্যবর্তী সময় হচ্ছে ল্যামডা বাই
- 3:03:16সিআরএমএস গেল। আরেকটা হচ্ছে প্রতি
- 3:03:18সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা। অর্থাৎ এক
- 3:03:21সেকেন্ডে সে কয়টা করে ধাক্কা খাচ্ছে। এবার
- 3:03:24আমি সংখ্যাগুলো একটু চেঞ্জ করে নেই যাতে
- 3:03:25বুঝতে সুবিধা হয়। মনে করো ল্যামডার মান
- 3:03:28আমি এবার ধরলাম পাচ একক। পা মিটার ধরলাম।
- 3:03:31আর সিআরএমএস এর মান ধরলাম
- 3:03:34ধরো কত ধরব? 15 মিটার পার সেকেন্ড ধরলাম।
- 3:03:38সাপোজ তাইলে খেয়াল করো আমরা
- 3:03:43এখানে দেখি যে ল্যামডা দূরত্ব সে যখন
- 3:03:46অতিক্রম করে
- 3:03:47আমরা মূলত কি বের করতে চাই যে প্রতি
- 3:03:50সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা কত তাই না? প্রতি
- 3:03:52সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা কত? তো আমাদের
- 3:03:55খেয়াল করো আমরা ল্যামডা দূরত্ব যাইতে গিয়ে
- 3:03:57একটা করে ধাক্কা খাই। তাই না? ল্যামডা
- 3:04:00দূরত্ব পরপর কিন্তু একটা করে ধাক্কা খায়
- 3:04:02অনুটা। তহলে একক দূরত্ব যাওয়ার পরে কয়টা
- 3:04:06করে ধাক্কা খাবে? ওান বাই ল্যামডা। তাহলে
- 3:04:08সিআরএমএস পরিমাণ দূরত্ব যাওয়ার পরে কতটুকু
- 3:04:11ধাক্কা খাবে? কয়বার ধাক্কা খাবে?
- 3:04:14সিআরএমএস ডিভাইডেড বাই ল্যামড। আশা করি
- 3:04:16বুঝতে পারছো। দেখো ল্যামডা দূরত্ব পরপর গড়
- 3:04:20মুক্ত পথ ল্যামডা মানে কি? যে ল্যামডা
- 3:04:22দূরত্ব যাওয়ার পর পর সে একটা করে ধাক্কা
- 3:04:24খায়। তা ল্যামডা দূরত্ব যাওয়ার পরে একটা
- 3:04:26ধাক্কা খাচ্ছে। তাহলে এক মিটার দূরত্ব
- 3:04:28যেতে কয়টা ধাক্কা খাবে? আর এই সিআরএমএস
- 3:04:31দূরত্ব পরিমাণ যাওয়ার পরে সে যদি যায়
- 3:04:33তাহলে কয়টা করে ধাক্কা খাবে? অর্থাৎ এই এক
- 3:04:36সেকেন্ডে যে সে 15 মিটার দূরত্ব যাচ্ছে এই
- 3:04:3915 মিটার দূরত্ব যেতে গিয়ে সে কয়বার করে
- 3:04:42ধাক্কা খাবে? দেখো পাঁচ মিটার দূরত্ব পরপর
- 3:04:44সে একটা করে ধাক্কা খায়। তাহলে পাঁচ
- 3:04:45মিটারে একটা ধাক্কা আরো পাঁচ মিটারে
- 3:04:47আরেকটা ধাক্কা আরো পাঁচ মিটারে আরেকটা
- 3:04:48ধাক্কা টোটাল 15 মিটার দূরত্ব অতিক্রম করল
- 3:04:50এক সেকেন্ডে এবং সে তিনটা করে ধাক্কা
- 3:04:52খাইছে টোটাল তিনটা ধাক্কা খাইছে তাহলে
- 3:04:54এটাও মনে রাখার উপায় কি এটার একক কি
- 3:04:57প্রতি সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা তাহলে
- 3:04:58ইউনিটটা কি পার সেকেন্ড সামথিং হবে তাহলে
- 3:05:01খেয়াল করো সি আরএমএস এর একক কি ছিল মিটার
- 3:05:03পার সেকেন্ড আর ল্যামডার একক কি মিটার
- 3:05:05তাহলে এখানে দেখো পার সেকেন্ড কিন্তু একক
- 3:05:07থাকছে প্রতি সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা জানতে
- 3:05:10চাইলে আমরা এককটা দিয়ে চিন্তা করতে পার
- 3:05:13না হলে কিন্তু উল্টা যাবে বা সিআরএস না
- 3:05:15সিআরএমএস বা ল্যামডা প্রতি সেকেন্ডে
- 3:05:16ধাক্কা সংখ্যা এটার একক কি হবে পার
- 3:05:18সেকেন্ড সামথিং আর এটা কি পরপর দুইটা
- 3:05:20ধাক্কার মধ্যবর্তী সময় এটা সময় চাইছে
- 3:05:23সেকেন্ড চাইছে তাহলে এটার এককটা সেকেন্ড
- 3:05:25হবে তাহলে সেকেন্ড বানানোর জন্য কি করবা
- 3:05:27সেকেন্ড বানানোর জন্য ল্যামডা বাই
- 3:05:29সিআরএমএস আর এটা কি পার সেকেন্ড বানানোর
- 3:05:30জন্য কি করবা সেভাবে মনে রাখতে পারো সহজে
- 3:05:33এখন দেখো এই যে পরপর দুইটা ধাক্কা খাওয়ার
- 3:05:35মধ্যবর্তী সময় এই যে ল্যামডা বাই
- 3:05:37সিআরএমএস এইটা কি তাহলে তাপমাত্রার সাথে
- 3:05:40কিভাবে সম্পর্কিত চাপের সাথে কিভাবে
- 3:05:41সম্পর্কিত এটাও কি বের করতে পারবা না একটু
- 3:05:43খেয়াল করে দেখো যে আমাদের এইযে ্যামডবা
- 3:05:46সি আরএমএস এই ভ্যালুটা
- 3:05:48ল্যামড বা সিআরএমএস তাহলে প্রপোরশনালটা কি
- 3:05:50যেহেতু ল্যামডটি এর সাথে প্রপোরশনাল তাইলে
- 3:05:52এটাওটি এর সাথে প্রপোরশনাল ল্যামড বা
- 3:05:54সিআরএমএস এটাও তাহলে কি পি এর সাথে
- 3:05:56ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয় ল্যামডবা
- 3:05:59সিআরএমএস তাইলে এটাও কি আমাদের রো এর সাথে
- 3:06:02ব্যস্তানুপাতে পরিবর্তিত হয় অর্থাৎ
- 3:06:04ল্যামড বা সিআরএমএস কি ছিল ল্যামডবাছিল
- 3:06:07পরপর দুইটা ধাক্কার মধ্যবর্তী সময় তাহলে
- 3:06:09দেখো যত তাপমাত্রা বাড়বে পরপর দুইটা
- 3:06:11ধাক্কা খাওয়ার মধ্যবর্তী সময় কিন্তু
- 3:06:13বাড়বে
- 3:06:14পরপর দুইটা ধাক্কা খাওয়ার মধ্যবর্তী সময়
- 3:06:16বাড়বে। কারণ কি? তারা তো দূরে চলে গেছে।
- 3:06:18তাহলে পরপর দুইটা ধাক্কা খাওয়ার
- 3:06:20মধ্যবর্তী সময় এখন বাড়বে না। যত চাপ
- 3:06:23বাড়ানো হবে তত কিন্তু পরপর দুইটা ধাক্কা
- 3:06:25খাওয়ার মধ্যবর্তী সময় কমে যাবে এবং
- 3:06:27ঘনত্বের ক্ষেত্রে ব্যথানুপাতিক সম্পর্ক।
- 3:06:29আশা করি বুঝছো। এবং দেখো আমরা যদি বের করি
- 3:06:33প্রতি সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা। প্রতি
- 3:06:36সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা কিন্তু টি এর সাথে
- 3:06:39ব্যস্তানুপাতিক।
- 3:06:41প্রতি সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা কিন্তু পি
- 3:06:43এর সমানুপাতিক
- 3:06:45এবং প্রতি সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা কিন্তু
- 3:06:47আমাদের রো এর সমানুপাতিক। অর্থাৎ দেখো
- 3:06:50তাপমাত্রা যত বাড়বে তত কিন্তু প্রতি
- 3:06:52সেকেন্ডে ধাক্কা সংখ্যা কমবে। কারণ যেহেতু
- 3:06:54দূরে দূরে চলে গেছে তাহলে
- 3:06:56প্রতি সেকেন্ডে এক সেকেন্ডে কিন্তু আগে
- 3:06:58যদি কাছাকাছি থাকতো যতগুলো ধাক্কা যেত।
- 3:07:01যদি তাপমাত্রা বাড়ানো হয় অণুগুলা দূরে
- 3:07:03দূরে চলে যায় তখন কিন্তু প্রতি সেকেন্ডে
- 3:07:05ধাক্কার পরিমাণ কিন্তু তখন কমে যাবে। সোটি
- 3:07:08বাড়লে এই প্রতি সেকেন্ডে ধাক্কার সংখ্যা
- 3:07:10কমবে। আবার প্রেসার যদি বাড়ানো হয় তাহলে
- 3:07:12প্রতি সেকেন্ডে ধাক্কার সংখ্যা কিন্তু
- 3:07:14বৃদ্ধি পাবে। যত প্রেসার বাড়াচ্ছ তত
- 3:07:16কিন্তু প্রতি সেকেন্ডে ধাক্কার পরিমাণটা
- 3:07:18বাড়ছে। ঘনত্বের ক্ষেত্রেও সেইম। সো এগুলো
- 3:07:20অবজেক্টিভের জন্য খুব গুরুত্বপূর্ণ। একটু
- 3:07:22মাথায় রেখো। ওকে। দেখো কোন অবস্থায়
- 3:07:25বাস্তব গ্যাস আদর্শ গ্যাস হিসেবে আচরণ
- 3:07:27করবে? এটা অনেকবার আসছে দেখো পরীক্ষায়।
- 3:07:30আমরা জানি এটা কোন সময় আগে অপশন দেখবা
- 3:07:33না। তাইলে আবার প্যাস লেগে যাবে। আমরা
- 3:07:34জানি উচ্চ তাপমাত্রা যদি থাকে তখন তারা
- 3:07:37দূরে দূরে চলে যাবে এবং নিম্নচাপ। তাহলে
- 3:07:39নিম্নচাপ উচ্চ তাপমাত্রা কোথায় আছে? ক
- 3:07:41নাম্বার ডান। পরেরটাতে যাচ্ছি। আচ্ছা পরে
- 3:07:45আমরা একটা সিকিউ প্রবলেম দেখবো এখন। কি
- 3:07:48বলছে দেখো। একটা গ্যাস সিলিন্ডারের আয়তন
- 3:07:511.5 মিটার কিউব। সিলিন্ডারটিতে 27 ডিগ্রি
- 3:07:54সেলসিয়াস তাপমাত্রায় কোন গ্যাসের 30
- 3:07:56ইনটু 10 টু দি পাওয়ার 25 টা অণু আবদ্ধ
- 3:07:59আছে। গ্যাস অণুর ব্যাসও দেওয়া আছে। বাহ।
- 3:08:02পরবর্তীতে উক্ত গ্যাস সিলিন্ডারটি সম
- 3:08:04আয়তনের অপর একটি সিলিন্ডারের সাথে যুক্ত
- 3:08:07করা হলো। তার মানে কি দেখো এখানে আমাদের
- 3:08:10একটা সিলিন্ডার দেওয়া আছে ধরো এইটা হচ্ছে
- 3:08:12আমাদের একটা সিলিন্ডার
- 3:08:14হ্যাঁ সিলিন্ডারটাতে 27 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 3:08:16তাপমাত্রায় কোন গ্যাসের এতটা অণু আবদ্ধ
- 3:08:19আছে তাইলে দেখো আয়তন দেওয়া আছে কতটা অণু
- 3:08:23সেটাও বলা আছে তাহলে কিন্তু আমরা এন এর
- 3:08:25মান বের করে ফেলতে পারবো খবরদার এন মানে
- 3:08:27কিন্তু মৌল সংখ্যা পাইবো না এন মানে হচ্ছে
- 3:08:29একক আয়তন অণুর সংখ্যা এটার ক্ষেত্রে
- 3:08:31চেঞ্জটা খেয়াল কইরো কতটা অণু আছে 30 ইনটু
- 3:08:3410 টু দি পাওয়ার 25 ডিভাইডেড বাই আয়তন
- 3:08:37হচ্ছে 1.5 মিটার কিউব। তাহলে একক আয়তনে
- 3:08:41কতটা অণু সেটা এখান থেকে বের হয়ে যাবে।
- 3:08:43গ্যাসের অনুর ব্যাসও দেওয়া আছেটু 25 ইনটু
- 3:08:4610 টু দি পাওয়ার মাইনাসট 25ফ ইনটু 10 টু
- 3:08:49দি পাওয়ার মাইনাসট মিটার। আচ্ছা। সো
- 3:08:53পরবর্তীতে কি করা হয়েছে? উক্ত গ্যাস
- 3:08:56পূর্ণ সিলিন্ডারটা সম আয়তনের অপর একটা
- 3:08:58খালি সিলিন্ডারের সাথে যুক্ত করা হলো।
- 3:09:00এইটা তো আমাদের প্রথমে যে সিলিন্ডারটা
- 3:09:03ছিল।
- 3:09:05সিলিন্ডারটা ছিল সেইটা। পরবর্তীতে আমরা কি
- 3:09:08করছি? পরবর্তীতে এইটার সাথে আরেকটা সম
- 3:09:12আয়তন বিশিষ্ট আরেকটা সিলিন্ডার আমরা
- 3:09:14যুক্ত করছি। সম আয়তন বিশিষ্ট আরেকটা
- 3:09:16সিলিন্ডার আমরা যুক্ত করি। তাহলে খেয়াল
- 3:09:19করো আয়তন হয়ে যাবে কিন্তু এখন তিন মিটার
- 3:09:21কিউব। 3 মিটার কিউব। তাহলে একক আয়তনে
- 3:09:25অনুসংখ্যা কি হয়ে যাবে? আগেরটার অর্ধেক
- 3:09:26হয়ে যাবে না? জাস্টথ ইট টু দি পাওয়ার 25
- 3:09:30ডিভাইডেড বাইথ।
- 3:09:32তাহলে এখানে আমাদেরকে বলছে খালি সিলিন্ডার
- 3:09:35যুক্ত করায় গ্যাসের অনুর গড় মুক্তপথের
- 3:09:36পরিবর্তন হবে কিনা গাণিতিক বিশ্লেষণ
- 3:09:38পূর্বক মতামত দাও অবশ্যই হবে কারণ এখানে
- 3:09:41আমাদের আয়তন একক আয়তন অনুসংখ্যা যা ছিল
- 3:09:43এখানে একক আয়তন অনুসংখ্যা পরিবর্তন হয়ে
- 3:09:45গেছে তাহলে আমাদের যেহেতু পরিবর্তন হবে
- 3:09:47কিনা বের করতে বলছে স আমরা একটা কাজ করি
- 3:09:49ল্যামডাট বা ল্যামডাওয় এটা সমান কি লিখতে
- 3:09:52পারি এনট এনওয়ান ডিভাইডেডবা এনট না আমাদের
- 3:09:56মূল সূত্র কি ছিল ল্যামডা সমান সমান ও
- 3:09:59ডিভাইডেড বাই এন পাই সিগমা স্কয়ার ও
- 3:10:02ডিভাইডেড বা এন বা সিগমা স্কয়ার তাহলে
- 3:10:03ল্যামডার সাথে এন এর তো ব্যস্তানুপাতে
- 3:10:04সম্পর্কিত। তাহলে আমরা নতুন যেই ল্যামডটু
- 3:10:08আর পুরান ল্যামডটু দুইটার মধ্যে যে অনুপাত
- 3:10:10সে অনুপাতটা করলেই কিন্তু বের হয়ে যাবে।
- 3:10:11সো এখান থেকে আসলে সরাসরি বলে দেওয়া যায়
- 3:10:14যে এনওয়ান বাই এনটু। বলতো আমাদের এটা যদি
- 3:10:19হয় এন ওয়ান এটা যদি হয় এনটু বলতো এটা কি
- 3:10:22আসলে এন ওয়ান এর অর্ধেক হয়ে যাবে না?
- 3:10:25তাহলে এনটু যেহেতু এনওয়ান এর অর্ধেক তাহলে
- 3:10:29আমরা বলতে পারি এনওয়ান সমানটু ইট এনট
- 3:10:32ডিভাইডেড বাই এনট কাটাকাটি করে ফেললে
- 3:10:35ল্যামডটু হয়ে যাবেটু ই ল্যামডওয় তাহলে
- 3:10:37কতটুকু পরিবর্তন হবে এটা আমরা বের করে
- 3:10:39ফেলছি গড় মুক্ত পথের পরিবর্তন হবে এবং
- 3:10:41সেটা প্রথমে যে ল্যামডা ছিল তার ডাবল হয়ে
- 3:10:44যাবে আশা করি বুঝতে পারছো পরের প্রশ্নে
- 3:10:47যাই দেখো কি বলছে গড় মুক্ত পথের ক্ষেত্রে
- 3:10:50কোনটা সঠিক গড় মুক্ত পথ তাপমাত্রার
- 3:10:53ব্যস্তানুপাতিক না আমরা দেখছি গড় মুক্ত
- 3:10:56পথ হচ্ছে টি এর সাথে সমানুপাতিক ছিল। গড়
- 3:10:59মুক্ত পথ চাপের সাথে ব্যস্তানুপাতিক।
- 3:11:02হ্যাঁ এটা সত্য। চাপ বাড়লে গড় মুক্ত পথ
- 3:11:05কমবে। গড় মুক্ত পথ ঘনত্বের সমানুপাতিক
- 3:11:08না। আমরা দেখছি এটা ওয়ান বাই রো ছিল। গড়
- 3:11:11মুক্ত পদ অনুর সংখ্যার সমানুপাতিক না।
- 3:11:14ওয়ান বাই এন ছিল কিন্তু। ঠিক আছে। আমাদের
- 3:11:18এটাও ব্যস্তানুপাতিক। সো তার মানে এই খ
- 3:11:20নাম্বার যেটা সেটাই হচ্ছে সঠিক আনসার। ওকে
- 3:11:24গেল। পরেরটা কি বলছে? গ্যাস অনুর গড়
- 3:11:27মুক্ত পথ গ্যাসের ঘনত্বের সাথে কিভাবে
- 3:11:30সম্পর্কিত? সো গ্যাস অনুর গড় মুক্ত পথ
- 3:11:32গ্যাসের ঘনত্বের কিন্তু ব্যস্তানুপাতিক।
- 3:11:34ওই যে ল্যামডা সমান প্রপোরশনাল টু ও বাই
- 3:11:38রো। এটা আমরা দেখেছি। তারপরে আসো পরের
- 3:11:41প্রশ্নে যাই। দেখো কি বলছে? কোন গ্যাসের
- 3:11:44অনুর গড় মুক্ত পথ দেওয়া আছে এবং ব্যাস
- 3:11:47দেওয়া আছে। তহলে বলছে যে প্রতি ঘন
- 3:11:50সেন্টিমিটার অনুসংখ্যা অর্থাৎ এন বের করতে
- 3:11:52বলছে। স আমাদেরকে যদি কোন কিছু দেওয়া না
- 3:11:54থাকে তাহলে আমরা কি করতাম? ওয়ান ডিভাইডেড
- 3:11:56মানে কোন কিছু বলা না থাকলে ম্যাক্স দিয়ে
- 3:11:58করব। সো বাই রুটট এন পাই সিগমা স্কয়ার।
- 3:12:02তাইলে এন সমান সমান কত হবে? আমাদের ওান
- 3:12:06ডিভাইডেড বাই রুট ওভারটু ইটু পাই ইনটু
- 3:12:10ল্যামডার মান হচ্ছে 2.2 ইটুট টু দি
- 3:12:14পাওয়ার মাইনাস এ মিটার ইনটু সিগমা
- 3:12:17স্কয়ার হচ্ছেটু ইনটুট টু দি পাওয়ার
- 3:12:19মাইনাসট এর উপরে হচ্ছে স্কয়ার মাইনাসট এর
- 3:12:23উপরে হচ্ছে স্কয়ার তো ভ্যালু যা আসে তাই
- 3:12:26স্কয়ারটা 2.55
- 3:12:28ইট টু দি পাওয়ারট6 আমাদেরকে বের করতে
- 3:12:31বলছে প্রতি ঘন সেন্টিমিটারে কত তাইলে
- 3:12:33খেয়াল করো এখানে আমরা যেই ভ্যালুটা পেলাম
- 3:12:35এন সমান সমান 2.55 ইট টু দি পাওয়ার 26
- 3:12:40এটা কিন্তু পার এতটা পার মিটার কিউবে তাই
- 3:12:44না তাহলে বল সেন্টিমিটার কিউবে আমাদের
- 3:12:46অনুসংখ্যা কি আরো বাড়বে না কমবে আরো কমবে
- 3:12:49না তাহলেট টু দি পাওয়ার সিক্স দিয়ে ভাগ
- 3:12:51দিবট টু দি পাওয়ার সিক্স দিয়ে যদি ভাগ
- 3:12:53দেই তাহলে আসতেছে হচ্ছে 2.55
- 3:12:56ইট টু দি পাওয়ারট 2.5
- 3:12:59পায়ারট এত পার সেন্টিমিটার কিউব দেখো সহজ
- 3:13:02জিনিস এটা আমরা এটা তো পার মিটার কিউব ছিল
- 3:13:07তাই না তাহলে পার সেন্টিমিটার কিউবে যদি
- 3:13:09করতে চাও পার সেন্টিমিটার কিউবে যদি করতে
- 3:13:12চাও এক মিটার কিউব মানে আমরা কত দেখছি 10
- 3:13:14টু দি পাওয়ার সক্স সেন্টিমিটার কিউব ছিল
- 3:13:17না এক মিটার সমান সমান এক মিটার কিউব সমান
- 3:13:19সমান 10 টু দি পাওয়ার সক্স সেন্টিমিটার
- 3:13:21কিউব তাইলে প্রতি সেন্টিমিটার কিউবে
- 3:13:23কতটুকু এক মিটার কিউবে এত থাকলে
- 3:13:24সেন্টিমিটার কিউবে কত সো এটাই আমরা বের
- 3:13:26করলাম এখান থেকে আশা করি বুঝছ।
- 3:13:30এবার চলো পরের টপিকে যাই। দেখো বাষ্প এবং
- 3:13:34গ্যাসের মধ্যে মৌলিক পার্থক্য বাষ্প কি আর
- 3:13:37গ্যাস কি? এটা নিয়ে ক নাম্বার প্রশ্ন
- 3:13:39আসতে পারে। অনেক সময় এমসিকিউ দিয়ে দেয়।
- 3:13:40একটু জেনে রাখো। স্বাভাবিক তাপমাত্রায়
- 3:13:42বাষ্পকে শুধুমাত্র চাপ প্রয়োগে তরলে
- 3:13:45পরিণত করা যায়। কিন্তু গ্যাসকে শুধুমাত্র
- 3:13:47চাপ প্রয়োগে তরলে পরিণত করা যায় না। সকল
- 3:13:50বাষ্পই সংকট তাপমাত্রার উপরে গেলে গ্যাস
- 3:13:53এবং সকল গ্যাসই সংকট তাপমাত্রার নিচে
- 3:13:55বাষ্প। সো একটা সার্টেইন টেম্পারেচার আছে
- 3:13:57যেটাকে আমরা বলছি সংকট তাপমাত্রা। এই
- 3:14:00তাপমাত্রার উপরে যদি কোন একটা পদার্থকে
- 3:14:03নিয়ে যাও তাহলে সেটা থাকবে গ্যাসিয়াস
- 3:14:04অবস্থায়। আর এই তাপমাত্রার নিচে এই
- 3:14:09যেটা গ্যাসিয়াস অবস্থায় থাকবে সেটাকে
- 3:14:11আমরা বলবো হচ্ছে বাষ্প। সো আমাদের সকল
- 3:14:14বাষ্পই দেখো সংকট তাপমাত্রার উপরে গেলে
- 3:14:16গ্যাস আর সকল গ্যাসে সংকট তাপমাত্রার নিচে
- 3:14:18আসলে কিন্তু সেটা বাষ্প। সো স্বাভাবিক
- 3:14:21তাপমাত্রায় বাষ্পকে শুধুমাত্র চাপ
- 3:14:22প্রয়োগে তরলে পরিণত করা যায়। কিন্তু যদি
- 3:14:24টেম্পারেচার একটা সার্টেন লেভেলের উপরে
- 3:14:26থাকে তাহলে গ্যাসকে শুধুমাত্র চাপ
- 3:14:28প্রয়োগে কিন্তু তরলে পরিণত করা যাবে না।
- 3:14:30এই ইনফরমেশন গুলা মাথায় রেখো। এবার আসো
- 3:14:33জলীয় বাষ্পচাপ। কাকে বলে? কোন তরলকে একটা
- 3:14:36আবদ্ধ পাত্রে রেখে দিলে ওই পাত্র ক্রমশ ওই
- 3:14:38তরলের বাষ্প দ্বারা পূর্ণ হতে থাকে। ওই
- 3:14:40তরলের বাষ্প দ্বারা পূর্ণ হতে থাকে।
- 3:14:45তরল থেকে নির্গত বাষ্প সাধারণ গ্যাসের মতন
- 3:14:48পাত্রের গায়ে চাপ প্রয়োগ করে। ওই চাপকে
- 3:14:50বাষ্পচাপ বলে। সো যখন তুমি একটা আবদ্ধ
- 3:14:54পাত্রের মধ্যে কিছু পরিমাণ তরলকে রেখে
- 3:14:55দিবা তখন কিন্তু শতবাস্পীভবন প্রক্রিয়ায়
- 3:14:58তরল থেকে বাষ্পে পরিণত হওয়া শুরু করবে।
- 3:15:01সো ওই যে বাষ্পটা সেই বাষ্পটা পাত্রের
- 3:15:05দেয়ালে যে চাপ দিবে সেটাকে আমরা বলছি
- 3:15:06বাষ্পচাপ।
- 3:15:08ঠিক আছে? নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন
- 3:15:11স্থানে সর্বাধিক বাষ্প থাকলে উক্ত স্থানকে
- 3:15:13বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত বলা হয়। উক্ত
- 3:15:15বাষ্প বাষ্পকে সম্পৃক্ত বাষ্প বলে। এই
- 3:15:18অবস্থায় বাষ্প সর্বাধিক চাপ প্রয়োগ করে
- 3:15:19এবং এই চাপকে সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ বলে।
- 3:15:22অর্থাৎ একটা স্থানের মধ্যে যতটুকু বাষ্প
- 3:15:24থাকা সর্বোচ্চ পক্ষে পসিবল ম্যাক্সিমাম
- 3:15:27যতটুকু জলীয় বাষ্প থাকতে পারে কোন একটা
- 3:15:29স্থানে সেই পরিমাণ বাষ্পকে আমরা বলতেছি
- 3:15:32সম্পৃক্ত বাষ্প। ওই বাষ্প যেই চাপ দেয়
- 3:15:34সেটাকে আমরা বলছি সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ।
- 3:15:36নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন স্থানে
- 3:15:37সর্বাধিক বাষ্প থাকলে উক্ত স্থানে মানে
- 3:15:39যতটুকু বাষ্প থাকা সম্ভব যদি সবটুকুই থাকে
- 3:15:43পূর্ণ থাকে বাষ্প দিয়ে তাহলে সেটাকে আমরা
- 3:15:45বলছি সম্পৃক্ত বাষ্প। যদি পূর্ণ না থাকে
- 3:15:46তাহলে আমরা বলব অসম্পৃক্ত বাষ্প।
- 3:15:48নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় কোন বদ্ধপাত্রে
- 3:15:50সর্বোচ্চ যে পরিমাণ বাষ্প থাকতে পারে তার
- 3:15:52চেয়ে কম পরিমাণ বাষ্প থাকলে ওই বাষ্পকে
- 3:15:54অসম্পৃক্ত বাষ্প বলে। অসম্পৃক্ত বাষ্প
- 3:15:56পাত্রের দেয়ালে যেই চাপ দেয় সেটাকে আমরা
- 3:15:58অসম্পৃক্ত বাষ্পচাপ বলি। একটা
- 3:16:00গুরুত্বপূর্ণ ইনফরমেশন একটু মনে রেখো।
- 3:16:02সেইটা হচ্ছে পি ভার্সেস ভি এর একটা গ্রাফ।
- 3:16:06বইতে আছে একটু জেনে রাখো। পি ভার্সেস ভি
- 3:16:09এর একটা গ্রাফ। এইখানে অসম্পৃক্ত যেই
- 3:16:12বাষ্পটা। অসম্পৃক্ত বাষ্পটা একদম আমাদের
- 3:16:14নরমাল যেরকম বয়েলের সূত্র সেটাকে মেনে
- 3:16:17চলে। অসম্পৃক্ত বাষ্পটা বয়েলের সূত্র
- 3:16:19মেনে চলে। যে যত বেশি আয়তন বাড়বে চাপ
- 3:16:22কমতে থাকবে। আয়তন কমলে চাপ বাড়তে থাকবে।
- 3:16:25কিন্তু সম্পৃক্ত বাষ্প যেটা সেটা কিন্তু
- 3:16:27বয়েলের সূত্র মানে না। সো এইটা হচ্ছে
- 3:16:30আমাদের অসম্পৃক্ত বাষ্প যেটা সেটা।
- 3:16:33অসম্পৃক্ত বাষ্প। আর এইটা হচ্ছে সম্পৃক্ত
- 3:16:37বাষ্প। এইটা হচ্ছে সম্পৃক্ত বাষ্প। সো
- 3:16:40আমাদের দেখা যায় যে আমরা যদি আয়তন কমাতে
- 3:16:43কমাতে কমাতে কমাতে এটা মনে করো এ বিন্দু
- 3:16:44আয়তন কমাতে কমাতে এই পয়েন্টে চলে আসি এই
- 3:16:48তাপমাত্রাতে পরিবেশটা বা ওই পাত্রটা
- 3:16:50সম্পৃক্ত হয় ওই বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত
- 3:16:52হয় যত আমরা এরপরে আয়তন কমাবো তত দেখা
- 3:16:55যাবে যে আস্তে আস্তে সম্পৃক্ত বাষ্পের
- 3:16:57পরিমাণ কমতে থাকবে অর্থাৎ বাষ্পটা তরলে
- 3:16:59পরিণত হতে থাকবে এই জায়গাটায় বাষ্পটা
- 3:17:01তরলে পরিণত হতে থাকবে কিন্তু সম্পৃক্ত
- 3:17:02বাষ্পচাপের যে পরিমাণটা সেই পরিমাণটা
- 3:17:04ফিক্স থাকে এই পয়েন্টে আসার পরে সম্পূর্ণ
- 3:17:07বাষ্প কিন্তু তরলে পরিণত হয়ে যায় সো এই
- 3:17:10গ্রাফটা একটু মাথায় রেখো। যদি কখনো গ্রাফে
- 3:17:12অবজেক্টিভে আসে তাহলে এন্সার করতে পারবা।
- 3:17:16সো এটা কিন্তু অবজেক্টিভে আসে। খেয়াল রেখো
- 3:17:18যে অসম্পৃক্ত বাষ্প গ্যাসীয় সূত্র মানে
- 3:17:20কিন্তু সম্পৃক্ত বাষ্প সম্পৃক্ত বাষ্পগুলা
- 3:17:22গ্যাসের সূত্রগুলো মানে না। আচ্ছা
- 3:17:25সম্পৃক্ত বাষ্পের ক্ষেত্রে কোনটা সঠিক?
- 3:17:27বয়েলের সূত্র মেনে চলে? না। চার্লসের
- 3:17:28সূত্র মেনে চলে? না। বয়েল চার্লসের সূত্র
- 3:17:30মানে না। হ্যাঁ। বদ্ধ স্থানে তৈরি করা যায়
- 3:17:32না। বদ্ধ স্থানে তৈরি করা যায়। তাইলে এইটা
- 3:17:35হচ্ছে সি নাম্বার উত্তর। পরেরটা কি আসলো?
- 3:17:36দেখ আদ্রতা। পদার্থ বিজ্ঞানে যে শাখায়
- 3:17:39নির্দিষ্ট আয়তনের বায়ুতে জলীয় বাষ্পের
- 3:17:40পরিমাণ নিয়ে আলোচনা করা হয় জলীয়
- 3:17:42বাষ্পের পরিমাণ নিয়ে আলোচনা করা হয় তাকে
- 3:17:44আদ্রতামিতি বলে। এটা ক নাম্বার প্রশ্নের
- 3:17:46জন্য গুরুত্বপূর্ণ। দেখে দেখো। বায়ু
- 3:17:48কতখানি শুষ্ক বা ভিজা তা নির্দেশ করতে
- 3:17:51আরদ্রতা শব্দটা ব্যবহৃত হয়। অনেক সময়
- 3:17:54শীতকালের বায়ু শুষ্ক এবং গ্রীষ্বকালের
- 3:17:56বায়ু আরদ্র বলা হয়। এটা দ্বারা কি
- 3:17:59বোঝায়? দেখো শীতকালের বায়ু শুষ্ক মানে
- 3:18:02বোঝানো হয় যে শীতকালের বায়ুতে জলীয়
- 3:18:05বাষ্পের পরিমাণ কম। আর গ্রীষ্বকালের বায়ু
- 3:18:07আদ্র বলতে বোঝানো হয় যে গ্রীষ্বকালের
- 3:18:09বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণটা বেশি
- 3:18:11থাকে। বায়ুর আদ্রতাকে দুইভাবে প্রকাশ করা
- 3:18:15হয়। একটা হচ্ছে পরমাদ্রতা একটা হচ্ছে
- 3:18:17আপেক্ষিক আদ্রতা। কোন সময় কোন স্থানের
- 3:18:20একক আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়
- 3:18:23বাষ্প থাকে তাকে ওই বায়ুর পরমাদ্রতা বলে।
- 3:18:26একক আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়
- 3:18:28বাষ্প থাকে তাকে বলে। যেমন সাধারণত এক
- 3:18:29ঘনমিটার আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয়
- 3:18:31বাষ্প থাকে তা বায়ুর পরমাদ্রতা নির্দেশ
- 3:18:33করে। যেমন দেখো পরমাদ্রতার একক দেখলে
- 3:18:36বুঝবা 10 টু দি পাওয়ার মাইনাস টু কেজি
- 3:18:37পার মিটার কিউব এর মানে কি? এর মানে হচ্ছে
- 3:18:40দেখো এক মিটার কিউবে কত জলীয় বাষ্প আছে
- 3:18:43কত কেজি জলীয় বাষ্প আছে সেইটা বোঝানো
- 3:18:46হচ্ছে এটাকে বলে পরমা আদ্রতা আর আপেক্ষিক
- 3:18:49আদ্রতা কোনটা আপেক্ষিক আদ্রতা হচ্ছে আমি
- 3:18:51একটু সহজে লিখে নিই তারপরে হিজিবিজি
- 3:18:53লেখাগুলো বলছি আপেক্ষিক আদ্রতাকে আর দিয়ে
- 3:18:55প্রকাশ করা হয় রিলেটিভ হিউমিডিটি এটা
- 3:18:58মানে হচ্ছে কতটুকু জলীয় বাষ্প এখন
- 3:18:59উপস্থিত আছে আর ম্যাক্সিমাম কতটুকু জলীয়
- 3:19:02বাষ্প থাকতে পারে এদের যে অনুপাতটা
- 3:19:04সেইটাকেই আমরা আপেক্ষিক আদ্রতা বলি যে
- 3:19:06ম্যাক্সিমাম যতটুকু জলীয় বাষ্প থাকতে আর
- 3:19:09আছে কতটুকু আছে বাই ম্যাক্স ঠিক আছে আছে
- 3:19:12কতটুকু আর ম্যাক্সিমাম কতটুকু থাকতে পারে
- 3:19:14এবার খেয়াল করো সংজ্ঞাটা কি বলছে কোন
- 3:19:16নির্দিষ্ট তাপমাত্রা এটা খুব গুরুত্বপূর্ণ
- 3:19:18একটা নির্দিষ্ট তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট
- 3:19:20আয়তনের বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকে
- 3:19:24ওই তাপমাত্রায় ওই আয়তনের বায়ুতে যে থাকে
- 3:19:27যতটুকু এখন আছে ওই তাপমাত্রায় ওই আয়তনের
- 3:19:30বায়ুতে সম্পৃক্ত করতে যে পরিমাণ জলীয়
- 3:19:32বাষ্পের প্রয়োজন তাদের অনুপাতকে আপেক্ষিক
- 3:19:35আদ্রতা বলে সিম্পল জিনিস খুবই খুবই সিম্পল
- 3:19:38জিনিস কি বলছে দেখো আপেক্ষিক আদ্রতা সমান
- 3:19:41বায়ুর তাপমাত্রায় নির্দিষ্ট আয়তনের
- 3:19:43বায়ুতে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের ভর
- 3:19:45ডিভাইডেড বাই ওই তাপমাত্রার উক্ত আয়তনের
- 3:19:48ওই বায়ুকে সম্পৃক্ত করতে প্রয়োজনীয়
- 3:19:50জলীয় বাষ্পের ভর সম্পৃক্ত করতে
- 3:19:51প্রয়োজনীয় জলীয় বাষ্পের ভর অর্থাৎ
- 3:19:53কতটুকু আছে ডিভাইডেড বাই ম্যাক্সিমাম
- 3:19:55কতটুকু থাকতে পারে আমরা দেখো
- 3:19:59যতটুকু ভর ভর যত বাড়বে তত কিন্তু পাত্রের
- 3:20:02দেয়ালে চাপের পরিমাণও তত বাড়বে বাষ্পের
- 3:20:05মানে বাষ্পের ভর যত বাড়বে বাষ্পচাপের এর
- 3:20:08পরিমাণও কিন্তু তত বাড়বে। সো এইজন্য আমরা
- 3:20:10যেমন ভর বাই ভর অনুপাত করতে পারি ঠিক
- 3:20:12তেমনি উপস্থিত জলীয় বাষ্পের চাপ ডিভাইডেড
- 3:20:15বাই সম্পৃক্ত করতে প্রয়োজনীয়
- 3:20:16জলীয়বাষ্পের চাপ এই দুইটা অনুপাতও কিন্তু
- 3:20:18আপেক্ষিক আদ্রতা নির্দেশ করবে এবং
- 3:20:20প্রশ্নের মধ্যে বেশিরভাগ সময় দেখবা তুমি
- 3:20:22চাপ হিসেবেই দেওয়া আছে। চাপের অনুপাত বের
- 3:20:25করে আমাদেরকে কিন্তু এই আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:20:27কত এটা বের করতে হয়। ওকে। এইবার আসো আমরা
- 3:20:31কয়েকটা অনুধাবন মূলক প্রশ্ন একটু
- 3:20:33এানসারগুলো কি হবে জেনে নেই। কোন অঞ্চলের
- 3:20:36আপেক্ষিক আদ্রতা 50% বলতে কি বোঝো? খুবই
- 3:20:38সহজ জিনিস। দেখো আর সমান সমান 50% মানে
- 3:20:41কি? মানে হচ্ছে ওই অঞ্চলের জলীয়
- 3:20:45বাষ্পটাকে সম্পৃক্ত করার জন্য আরো 50%
- 3:20:48বায়ু দরকার। অথবা এভাবে বলা যায় যে ওই
- 3:20:52বায়ুটাকে সম্পৃক্ত করতে যতটুকু জলীয়
- 3:20:54বাষ্প দরকার তার 50% এখন উপস্থিত আছে। যদি
- 3:20:59বলতো 40% আপেক্ষিক আদ্রতা মানে কি বুঝো?
- 3:21:01তাইলে কি বলতাম? যে ওই তাপমাত্রায় ওই
- 3:21:05অঞ্চলের জলীয় বাষ্পকে সম্পৃক্ত করতে যদি
- 3:21:09100 গ্রাম জলীয় বাষ্পের প্রয়োজন হয়
- 3:21:12তাহলে ওই মুহূর্তে ওই অঞ্চলে ওই
- 3:21:15তাপমাত্রায় উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ
- 3:21:16হচ্ছে 40 গ্রাম। সো এভাবে করে তুমি
- 3:21:19ব্যাখ্যাটা দিতে পারো। তবে অনুধাবনমূলক
- 3:21:22প্রশ্নের ক্ষেত্রে প্রথমে আগে আপেক্ষিক
- 3:21:24আদ্রতা বলতে কি বোঝায় সেইটা আগে একটু এক
- 3:21:26লাইনে ব্যাখ্যা করলে। তারপরে থাকবে যে 50%
- 3:21:30বলতে কি বোঝায়? ঠিক আছে? সো তাহলে উত্তর
- 3:21:32সহজ যে আপেক্ষাতা 50% মানে হচ্ছে ওই
- 3:21:35অঞ্চলের বায়ুকে সম্পৃক্ত করতে যতটুকু
- 3:21:38জলীয় বাষ্প প্রয়োজন তার 50% জলীয় বাষ্প
- 3:21:41ওই অঞ্চলে এখন উপস্থিত আছে। এই শীতকাল
- 3:21:44অপেক্ষা বর্ষাকালে কাপড় দেরিতে শুকায়
- 3:21:47কেন? কারণ শীতকালে কিন্তু জলীয় বাষ্প
- 3:21:51থাকে। মানে ওই বাতাস থাকে শুষ্ক। বাতাস
- 3:21:54শুষ্ক মানে কি বলতো? আর কম। জলীয় বাষ্প
- 3:21:56কম। অর্থাৎ জলীয় বাষ্পের পরিমাণ শীতকালে
- 3:22:00থাকে। মানে বাতাসে শীতকালে জলীয় বাষ্পের
- 3:22:04পরিমাণ থাকে কম পরিমাণে। অন্যদিকে
- 3:22:06বর্ষাকালে কিন্তু আপেক্ষিক আদ্রতা বেশি
- 3:22:08থাকে অর্থাৎ জলীয় বাষ্পের পরিমাণ থাকে
- 3:22:10বেশি। এখন চিন্তা করো কাপড় যদি শুকাতে
- 3:22:13হয় তাহলে কিন্তু কাপড়ে যে পানি আছে সে
- 3:22:16পানিগুলো বাষ্পে পরিণত হতে হবে। এখন
- 3:22:19পরিবেশে বা শীতকালের কথা চিন্তা করো।
- 3:22:21শীতকালে বায়ু থাকে শুষ্ক। বায়ুতে জলীয়
- 3:22:23বাষ্পের পরিমাণ কম থাকে। তাহলে শীতকালে
- 3:22:26কোন একটা ভেজা কাপড় নেড়ে দিলে সেখান
- 3:22:29থেকে পানিগুলা সহজে বাষ্পীভূত হওয়ার
- 3:22:32সম্ভাবনা বাড়বে। সহজে বাষ্পীভূত হবে
- 3:22:34শীতকালে। কিন্তু বর্ষাকালে অলরেডি কিন্তু
- 3:22:37পরিবেশের মধ্যে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ
- 3:22:40বেশি। তাহলে একটা ভেজা কাপড় নেড়ে দিলা।
- 3:22:44ওই সময় কিন্তু যেহেতু অলরেডি পরিবেশে
- 3:22:46জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি তাহলে ভেজা
- 3:22:48কাপড় থেকে পানি বের হয়ে পরিবেশে যাবে।
- 3:22:52এটা কিন্তু খুব কম পরিমাণে হবে। সো এই
- 3:22:55কারণে দেখা যায় যেহেতু খুব সহজে পানিগুলা
- 3:22:57কাপড় ছাড়তে পারে না সেই কারণে আমাদের
- 3:23:00বর্ষাকালে কাপড় দেরিতে শুকাবে শীতকালে
- 3:23:04কাপড় অপেক্ষাকৃত দ্রুত শুকাবে তারপর কি
- 3:23:07বলছে একই তাপমাত্রায় ঢাকা অপেক্ষা
- 3:23:09কক্সবাজারে অস্বস্তিকর অনুভূত হয় কেন খুব
- 3:23:13সহজ জিনিস দেখো আমরা যখন বাইরে বের হই
- 3:23:16আমরা ঘেমে যাই ঘাম যখন শুকায় ঘাম পরিবেশে
- 3:23:21যখন আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ কম থাকে বা
- 3:23:24বাষ্পের পরিমাণ যখন কম থাকে সেই সময়
- 3:23:26কিন্তু আমাদের যে ঘাম সে ঘাম কিন্তু খুব
- 3:23:30সহজে বাষ্পীভূত হয়ে যেতে পারে। ঘাম
- 3:23:32বাষ্পীভূত হয়ে গেলে আমাদের শরীর কিন্তু
- 3:23:34ঠান্ডা অনুভব করে। কি কারণে ঠান্ডা অনুভব
- 3:23:37করে? কারণ যখন
- 3:23:39একটা পানির ফোটা সেটা যখন বাষ্পে পরিণত
- 3:23:42হচ্ছে তার জন্য তাকে সুপ্ততাপ গ্রহণ করতে
- 3:23:44হয়। সো ওই সুপ্ততাপটা কিন্তু আমাদের শরীর
- 3:23:46থেকে যখন ঘাম গ্রহণ করে নেয় তখন কিন্তু
- 3:23:49আমাদের শরীরের কিছুটা ঠান্ডা অনুভূত হয়।
- 3:23:52সো এই কারণে যখন পরিবেশে আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:23:56কম থাকবে অর্থাৎ জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম
- 3:23:59থাকবে সে সময় কিন্তু খুব দ্রুতই বা খুব
- 3:24:03সহজেই জলীয় বাষ্পটা মানে ঘামগুলা জলীয়
- 3:24:07বাষ্পে পরিণত হতে পারবে। সো যদি জলীয়
- 3:24:09বাষ্পে পরিণত হয় তাহলে কিন্তু আমাদের দেহ
- 3:24:11থেকে সেটা শুপ্ততাপ গ্রহণ করছে। আমাদের
- 3:24:13একটু ঠান্ডা অনুভূত হবে। অন্যদিকে যদি
- 3:24:16আপেক্ষিক আদ্রতা পরিবেশে বেশি থাকে জলীয়
- 3:24:18বাষ্প অলরেডি অনেক বেশি আছে তাহলে কিন্তু
- 3:24:20খুব সহজে ঘামগুলা জলীয় বাষ্পে পরিণত হতে
- 3:24:23পারবে না। তাহলে আমাদের কিন্তু অপেক্ষাকৃত
- 3:24:26যে ঠান্ডা লাগতো সে ঠান্ডা লাগবে না। সো
- 3:24:28এই কারণে দেখো একই তাপমাত্রায় আছে কিন্তু
- 3:24:30হিউমিডিটির উপর ভিত্তি করে আদ্রতার উপরে
- 3:24:32ভিত্তি করে কিন্তু ঢাকা অপেক্ষা
- 3:24:34কক্সবাজারে অস্বস্তিকর অনুভূত হয়। কারণ
- 3:24:39ঢাকায় কম্পারেটিভলি আদ্রতা কম।
- 3:24:42কক্সবাজারে আদ্রতা বেশি। ঠিক আছে। ওকে।
- 3:24:46এবার আসো আমরা দেখি। কোন স্থানে সম্পৃক্ত
- 3:24:48বাষ্পচাপ ক্যাপিটাল এফ এবং অসম্পৃক্ত
- 3:24:51বাষ্পচাপ এফ বাইথ হলে আপেক্ষিক আদ্রতা কত
- 3:24:54হবে? দেখো আমরা জানি আর সমান সমান কিন্তু
- 3:24:56স্মল এফ ডিভাইডেড বাই ক্যাপিটাল এফ। তাহলে
- 3:24:59স্মল এফ যেহেতু এক তৃতীয়াংশ। তাহলে
- 3:25:02ক্লিয়ারলি বলা যাচ্ছে যে 30 পার্সেন্ট হবে
- 3:25:04আপেক্ষিক আদ্রতা।
- 3:25:06বলছে আপেক্ষিক আদ্রতা কত হবে? সো 1/3 বা
- 3:25:09পার্সেন্ট এ কনভার্ট করলে এটা হচ্ছে।
- 3:25:12এই সরি সরি সরি সরি কি লিখলাম আমি এটাও
- 3:25:14বাইথ মানেওবাথ
- 3:25:17মানে 33.33 3 পারসেন্ট যদি পারসেন্টে
- 3:25:20কনভার্ট করো তাহলে এইটা আদারওয়াইজ আমাদের
- 3:25:22হচ্ছে ও বাইথ দিয়ে রাখলেই হবে। পরেরটা
- 3:25:27দেখো একই স্থানে একটি স্থানে শিশিরাঙ্কে
- 3:25:30সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ এবং আপেক্ষিক দেওয়া
- 3:25:33আছে। আচ্ছা এটা একটু পরে করতেছি। আগে একটু
- 3:25:34শিশিরাঙ্কটা দেখে আসা লাগবে এটা সলভ করার
- 3:25:37জন্য। এই এমসিকিউটা আমি একটু পরে দিয়ে
- 3:25:40দিচ্ছি বাচ্চারা। ঠিক আছে।
- 3:25:44দেখ কি বলছে? বায়ুর তাপমাত্রার সাথে
- 3:25:47আপেক্ষিক আদ্রতার সম্পর্ক কি? তাপমাত্রা
- 3:25:49বাড়লে আপেক্ষিক আদ্রতা কিভাবে পরিবর্তন
- 3:25:51হবে? এটা আমরা দেখতে চাই। একটা জিনিস মনে
- 3:25:54রাখবা তাপমাত্রা বাড়লে
- 3:25:57তাপমাত্রা
- 3:25:59বৃদ্ধি করলে
- 3:26:04বাষ্প ধারণ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- 3:26:08বাষ্প ধারণ
- 3:26:11ক্ষমতা
- 3:26:14বৃদ্ধি পায়।
- 3:26:16তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে বাষ্প ধারণ ক্ষমতা
- 3:26:18বৃদ্ধি পায়। এর মানে কি? মনে করো
- 3:26:20তাপমাত্রা যদি এখন থাকে 30 ডিগ্রি
- 3:26:22সেলসিয়াস। সাপোজ তাপমাত্রা আমি ধরলাম 30
- 3:26:25ডিগ্রি সেলসিয়াস এখন আছে। তো ওই স্থানের
- 3:26:28বায়ুর তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয়
- 3:26:30বাষ্পের ভর কত? অর্থাৎ বাষ্প যদি আমি
- 3:26:33তাপমাত্রা বাড়াই তাহলে ওই পরিবেশে আগের
- 3:26:38তুলনায় বেশি পরিমাণ জলীয় বাষ্প থাকতে
- 3:26:40পারবে। বা সহজ কথায় যত আমি তাপমাত্রা
- 3:26:44বাড়াবো তত সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ
- 3:26:47কিন্তু বাড়বে। অর্থাৎ মনে করো 30 ডিগ্রি
- 3:26:49সেলসিয়াসে ম্যাক্সিমাম জলীয় বাষ্প থাকতে
- 3:26:52পারতো 30 গ্রাম। যদি তাপমাত্রা আমি বাড়ায়
- 3:26:5440 করি তাহলে এখন ম্যাক্সিমাম জলীয় বাষ্প
- 3:26:57থাকতে পারবে হয়তো 40 গ্রাম। অর্থাৎ
- 3:27:00তাপমাত্রা বাড়ালে উপস্থিত তাপমাত্রা
- 3:27:03বাড়ালে ম্যাক্সিমাম যতটুকু জলীয় বাষ্প
- 3:27:05সেখানে থাকতে পারতো সেই সংখ্যাটাও কিন্তু
- 3:27:07বাড়বে। আশা করি বুঝছো। সো দেখো ওই স্থানে
- 3:27:10বায়ুর তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয়
- 3:27:13বাষ্পের ভর আমি মনে করলাম যে 30 ডিগ্রি
- 3:27:15সেলসিয়াস তাপমাত্রায় ম্যাক্সিমাম জলীয়
- 3:27:17বাষ্প থাকতে পারে 30 গ্রাম। কিন্তু
- 3:27:19বায়ুতে বিদ্যমান জলীয় বাষ্প আছে মনে
- 3:27:21করলাম 20 গ্রাম। তাহলে বলতো আপেক্ষিক
- 3:27:23আদ্রতা কত হচ্ছে? 20 ডিভাইডেড বাই 30।
- 3:27:26কারণ কতটুকু আছে? ডিভাইডেড বাই
- 3:27:27ম্যাক্সিমাম কতটুকু থাকতে পারে? এটা কি
- 3:27:29সম্পৃক্ত না অসম্পৃক্ত? এটা অসম্পৃক্ত।
- 3:27:32এবার আসো তাপমাত্রা আমি কি করলাম? একটু
- 3:27:34কমালাম। কমায়ে আমি 28 ডিগ্রি সেলসিয়াস এ
- 3:27:37নিয়ে আসলাম। আমি আমার হিসাবের সুবিধার
- 3:27:40জন্য ধরে নিচ্ছি তাপমাত্রা যতটুকু কমবে
- 3:27:42আমাদের ওই সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের
- 3:27:44পরিমাণটাও বা ম্যাক্সিমাম যতটুকু জলীয়
- 3:27:46বাষ্প থাকতে পারে সেটার পরিমাণটাও কমবে।
- 3:27:48তাহলে 28 ডিগ্রি তাপমাত্রায় নামায় নিয়ে
- 3:27:50আসলে আমি ধরে নিচ্ছি আমাদের ম্যাক্সিমাম
- 3:27:53জলীয় বাষ্প যতটুকু থাকতে পারে সেটার মান
- 3:27:55হচ্ছে 28 গ্রাম। কিন্তু বলতো যতটুকু আবদ্ধ
- 3:27:59ওই রুমের মধ্যে যতটুকু জলীয় বাষ্প
- 3:28:01উপস্থিত আছে। উপস্থিত জলীয় বাষ্পের
- 3:28:04পরিমাণ কি কোন চেঞ্জ হবে? কোন চেঞ্জ হবে
- 3:28:06না। উপস্থিত জলীয় বাষ্পের পরিমাণ আগেও যা
- 3:28:08ছিল এখনও কিন্তু তাই থাকবে। স আমাদের
- 3:28:11আপেক্ষিক আদ্রতা যেটা সেটা হচ্ছে 20
- 3:28:13ডিভাইডেড বাই 28। সম্পৃক্ত না অসম্পৃক্ত?
- 3:28:16অসম্পৃক্ত। কিন্তু খেয়াল করো তো আমাদের
- 3:28:18এই আপেক্ষিক আদ্রতার পরিমাণ কি আগের থেকে
- 3:28:20বাড়ছে না কমছে। খেয়াল করো আদ্রতা কিন্তু
- 3:28:23আগের চেয়ে বেড়ে গেছে। কারণ নিচেরটা যদি
- 3:28:26কমে তাহলে উপরেরটা তাহলে অনুপাতটা কিন্তু
- 3:28:29মান বেশি হবে। ঠিক আছে? আমি তাপমাত্রা আরো
- 3:28:32কমায় দিলাম। 25 ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামায়
- 3:28:34নিয়ে আসলাম। ম্যাক্সিমাম জলীয় বাষ্প এখন
- 3:28:37থাকতে পারে। অর্থাৎ ওই পরিবেশ বা ওই
- 3:28:39রুমটাকে সম্পৃক্ত করতে জলীয় বাষ্প দিয়ে
- 3:28:41সম্পৃক্ত করতে আমাদের জলীয় বাষ্প দরকার
- 3:28:44হয় 25 গ্রাম। কিন্তু জলীয় বাষ্প আছে মনে
- 3:28:47করো 20 গ্রাম। তাহলে কি হলো? আপেক্ষিক
- 3:28:50আদ্রতা কিন্তু আরো বেড়ে গেল। কিন্তু এখন
- 3:28:52এটা অসম্পৃক্ত অবস্থায় আছে। এইভাবে করতে
- 3:28:55করতে আমি কি করলাম? ধরো 22 ডিগ্রি
- 3:28:56সেলসিয়াসে নিয়ে আসলাম। ম্যাক্সিমাম ধরে
- 3:28:59নাও থাকতে পারে 22 গ্রাম। এবং আমাদের
- 3:29:01উপস্থিত জলীয় বাষ্প হচ্ছে 20 গ্রাম।
- 3:29:04তাহলে 20 ডিভাইডেড বাই 22। এখানেও কিন্তু
- 3:29:07এটা অসম্পৃক্ত থাকবে। তাপমাত্রা কিন্তু
- 3:29:10কমাচ্ছি। কমাতে কমাতে এবার আমি কি করলাম?
- 3:29:1220 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় নামায়
- 3:29:14নিয়ে আসলাম। এইরকম অবস্থায় দেখলাম যে
- 3:29:17ম্যাক্সিমাম জলীয় বাষ্প থাকতে পারে 20
- 3:29:19গ্রাম এবং জলীয় বাষ্প আছেও উপস্থিত 20
- 3:29:22গ্রাম। তাহলে বলতো আমাদের এখন কি? এই
- 3:29:25জলীয় বাষ্পটা
- 3:29:27সম্পৃক্ত হয়ে গেল না? সম্পৃক্ত হয়ে গেল।
- 3:29:30যে তাপমাত্রায় উপস্থিত জলীয় বাষ্প দিয়ে
- 3:29:34ওই স্থানের বায়ুটা সম্পৃক্ত হয় সেই
- 3:29:36তাপমাত্রাটাকে আমরা বলছি শিশিরাঙ্ক। তাহলে
- 3:29:39শিশিরাঙ্ক একটা কি? এটা একটা তাপমাত্রা।
- 3:29:42খেয়াল রেখো শিশিরাঙ্ক কিন্তু একটা
- 3:29:44তাপমাত্রাকে নির্দেশ করে। যে তাপমাত্রায়
- 3:29:47উপস্থিত জলীয় বাষ্পটা সম্পৃক্ত হয়
- 3:29:49উপস্থিত জলীয় বাষ্পটা যেই তাপমাত্রায়
- 3:29:51সম্পৃক্ত হয় সেই তাপমাত্রাটাকে আমরা বলছি
- 3:29:53শিশিরাঙ্ক। শিশিরাঙ্কের থেকে যদি তুমি
- 3:29:55তাপমাত্রা আরো কমায় এবার 18 ডিগ্রি
- 3:29:57সেলসিয়াসে এ নিয়ে আসো তাহলে কি হবে?
- 3:29:59ম্যাক্সিমাম জলীয় বাষ্প থাকতে পারে 18
- 3:30:01গ্রাম। কিন্তু উপস্থিত ছিল 20 গ্রাম।
- 3:30:04কিন্তু ম্যাক্সিমাম থাকতে পারে 18 গ্রাম।
- 3:30:06তাহলে কি 20 গ্রাম থাকবে? থাকবে না। সো
- 3:30:08জলীয় বাষ্প থাকবে এখন 18 গ্রাম। বাকি যেই
- 3:30:11দুই গ্রাম এই দুই গ্রাম কিন্তু কি হয়ে
- 3:30:13যাবে? শিশির হয়ে যাবে। শিশির হয়ে যাবে।
- 3:30:17বা পানি হয়ে যাবে। তাহলে এই অবস্থাটাকে
- 3:30:20আমরা বলছি অতিপৃক্ত অবস্থা। এখানেও কিন্তু
- 3:30:22যদি আমরা আপেক্ষিক আদ্রতা হিসাব করি এটাও
- 3:30:24100% সো এটা একটা অতিবৃক্ত অবস্থা।
- 3:30:28ওকে তাহলে শিশিরাঙ্ক কনসেপ্ট আমরা আশা করি
- 3:30:30বুঝতে পারছি। এখন কথা হচ্ছে আমরা যদি বের
- 3:30:33করতে চাই যে ভাইয়া এই শিশিরাঙ্কটা কি আসলে
- 3:30:36তাপমাত্রার উপরে নির্ভর করে? উত্তর হচ্ছে
- 3:30:40না। শিশিরাঙ্ক তাপমাত্রার উপর নির্ভর করে
- 3:30:44না। তাপমাত্রার উপরে নির্ভর করবে না। কেন
- 3:30:49করবে না? বলতো দেখি আমি বায়ুতে বিদ্যমান
- 3:30:53জলীয় বাষ্পটা ফিক্সড রাখলাম। এখন আমি যে
- 3:30:56তাপমাত্রার ক্যালকুলেশনটা ধরো রুমের
- 3:30:58তাপমাত্রা 30 ডিগ্রি ছিল। কিন্তু 30
- 3:31:01ডিগ্রি থেকে আমি ক্যালকুলেশন শুরু না করে
- 3:31:03আমি 40 ডিগ্রি থেকে ক্যালকুলেশন করা শুরু
- 3:31:04করছি। বা ধরো আমি রুমের তাপমাত্রা এখন 35
- 3:31:08ডিগ্রি সেলসিয়াসে এ নিয়ে গেছি বা ধরো 25
- 3:31:10ডিগ্রি সেলসিয়াসে এ নিয়ে গেছি। যাই করি
- 3:31:12না কেন রুমের তাপমাত্রা যাই করি না কেন
- 3:31:15উপস্থিত জলীয় বাষ্পের যদি কোন পরিবর্তন
- 3:31:17আমি না করি তাহলে বলতো তাপমাত্রার কি কোন
- 3:31:20তাপমাত্রা পরিবর্তনে শিশিরাঙ্কের কি কোন
- 3:31:22পরিবর্তন হবে? হবে না। কারণ আমি ধর এই
- 3:31:27চার্টটা এবার 40 থেকে যদি শুরু করি তাহলেও
- 3:31:30কিন্তু উপস্থিত সে 20 গ্রাম ছিল। আমাদের
- 3:31:3220 ডিগ্রিতে আসার পরেই কিন্তু এটা 20
- 3:31:33গ্রামে সম্পৃক্ত হয়ে যাবে। স আমি যদি 35
- 3:31:36থেকেও শুরু করি, 28 থেকে শুরু করি, 25
- 3:31:38থেকে শুরু করি, যেখান থেকে শুরু করি না
- 3:31:39কেন শিশিরাঙ্ক কিন্তু আমাদের সেই 20 এ
- 3:31:42গিয়েই থাকবে। আবারো বলে রাখি ডেটাগুলো
- 3:31:44কিন্তু জাস্ট মিলানোর জন্য সহজভাবে
- 3:31:46নেওয়া। এটা কখনোই মনে করো না যে 28 এ
- 3:31:48সবসময় 28 গ্রাম হবে, 25 এ সবসময় 25 হবে
- 3:31:50এরকম কিন্তু না। ডান। এবার একটা ছোট্ট
- 3:31:54জিনিস। আমরা বলতো আপেক্ষিক আদ্রতা যখন বের
- 3:31:57করছিলাম তখন আমরা কি লিখছিলাম? যে কতটুকু
- 3:32:00জলীয় বাষ্প আছে? সহজে লিখি। কতটুকু জলীয়
- 3:32:02বাষ্প আছে? ডিভাইডেডবা ম্যাক্সিমাম কতটুকু
- 3:32:04থাকতে পারে? এই উপরেরটাকে আমরা বলছিলাম
- 3:32:06এইযে স্মল এফ ডিভাইডেড বাই ছিল ক্যাপিটাল
- 3:32:08এফ। এখন বলতো কতটুকু উপস্থিত? কতটুকু
- 3:32:11উপস্থিত? এইটা যা
- 3:32:14এই উপস্থিত যে 20 গ্রাম এইটাকে আমরা কি
- 3:32:17বলতে পারি বলতো? এই উপস্থিত পরিমাণটা কি
- 3:32:20বলতো? 20 ডিগ্রি সেলসিয়াস এ সম্পৃক্ত
- 3:32:22পরিমাণের সমান না। আবার শোনো কথাটা ভালো
- 3:32:25করে। উপস্থিত যেই মানটা এটা কি এটার সমান?
- 3:32:29না? এটা কি এটার সমান না? এটা কি এটার
- 3:32:31সমান না? কিন্তু এইখানে গিয়ে দুইটা সমান
- 3:32:32হয়ে গেছে। সো উপস্থিত মানটা কিন্তু দেখো
- 3:32:36শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের সমান।
- 3:32:40তাইলে আমরা আছে কি একটু ভদ্র ভাষায় এভাবে
- 3:32:42লিখতে পারি না? যে এইটা হচ্ছে শিশিরাঙ্কে
- 3:32:46সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ। আর এইটা হচ্ছে
- 3:32:49ম্যাক্সিমাম যেটা থাকতে পারে এটা হচ্ছে
- 3:32:51বায়ুর তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ। মানে
- 3:32:54নিচে যেটা ছিল সেটা থাকবেই। সম্পৃক্ত
- 3:32:56বাষ্পচাপ। কথা বুঝছো? এই জিনিসটাই পরের
- 3:32:59লাইনে দেওয়া আছে। দেখো পরের স্লাইডে
- 3:33:01দেওয়া আছে। এখানে কি বলছে দেখো যে
- 3:33:03তাপমাত্রা একটা নির্দিষ্ট আয়তনে বায়ু
- 3:33:04তার ভেতরের জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত
- 3:33:07হয়। ভেতরের জলীয় বাষ্প দ্বারা সম্পৃক্ত
- 3:33:09হয় তাকে বায়ুশিরাঙ্ক বলে। বায়ুর
- 3:33:11তাপমাত্রার কোন একটা নির্দিষ্ট আয়তনের
- 3:33:13বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প উপস্থিত
- 3:33:14থাকে শিশিরাঙ্কে ওই একই পরিমাণ জলীয়
- 3:33:17বাষ্প সম্পৃক্ত অবস্থা ধারণ করে। এই কথাটা
- 3:33:19কি বলছে? এইযে এখানে যেটা বুঝাইলাম না যে
- 3:33:21শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ হচ্ছে
- 3:33:22উপস্থিত জলীয় বাষ্প সমান। এটাই এখানে
- 3:33:24বলছে যে বায়ুর তাপমাত্রায় কোন নির্দিষ্ট
- 3:33:26আয়তন বায়ুতে যে পরিমাণ জলীয় বাষ্প
- 3:33:28উপস্থিত থাকে শিশিরাঙ্কে ওই একই পরিমাণ
- 3:33:30জলীয় বাষ্প সম্পৃক্ত অবস্থা ধারণ করে।
- 3:33:33সুতরাং বায়ুর তাপমাত্রায় একটা নির্দিষ্ট
- 3:33:35আয়তনের অসম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের চাপ যা
- 3:33:37হবে শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের
- 3:33:38চাপের সমান হবে। তাই আমরা কিন্তু সূত্রটা
- 3:33:40এভাবেও লিখতে পারি যে আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:33:42সমান সমান শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত জলীয়
- 3:33:44বাষ্পচাপ ডিভাইডেড বাই বায়ুর তাপমাত্রায়
- 3:33:45সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ। এইবার এই অংকটা
- 3:33:48আমরা করতে পারবো। দেখো একটা স্থানে
- 3:33:50শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ দেওয়া আছে।
- 3:33:52তার মানে কি? এটাই কিন্তু উপস্থিত জলীয়
- 3:33:55বাষ্পের চাপ দেওয়া। এবং আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:33:57বলা আছে 75%। বলছে বায়ুর তাপমাত্রায়
- 3:33:59সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ কত? তাহলে আর সমান সমান
- 3:34:02হচ্ছে স্মল এফ ডিভাইডেড বাই ক্যাপিটাল এফ
- 3:34:05ছিল। সো আমাদের বায়ুর তাপমাত্রায়
- 3:34:06সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ মানে ক্যাপিটাল এফ
- 3:34:08জানতে চাইছে। স্মল এফ ডিভাইডেড বাই আর
- 3:34:10স্মল এফ হচ্ছেট টু দি পাওয়ারফ 10.5
- 3:34:13মিলিমিটার পারচাপ। আর এখানে হচ্ছে 0.75
- 3:34:18তাহলে
- 3:34:1952বা75
- 3:34:21এটা করলে কত আসছে 14দমিক সামথিং 14.027 0
- 3:34:25স এত মিলিমিটার পারদ চাপ ডান গেল আমরা আশা
- 3:34:31করি বুঝতে পারছি ওকে এবার আসো শিশিরাঙ্ক
- 3:34:34রিলেটেড আমরা কিছু এই অনুধাবন মূলক প্রশ্ন
- 3:34:37দেখে ফেলি কোন স্থানে শিশিরাঙ্ক 22 ডিগ্রি
- 3:34:39সেলসিয়াস এটার মানে কি
- 3:34:42শিশিরাঙ্ক 22 ডিগ্রি সেলসিয়াস মানে হচ্ছে
- 3:34:45যদি আমরা কোন একটা মানে ওই জায়গাটার
- 3:34:48তাপমাত্রা যদি 22 ডিগ্রি সেলসিয়াসে নিয়ে
- 3:34:50যাই তাহলে আপেক্ষিক আদ্রতা হয়ে যাবে 100
- 3:34:52পারসেন্ট অর্থাৎ উপস্থিত জলীয় বাষ্পটা
- 3:34:56আমাদের এই তাপমাত্রাতে গিয়ে সম্পৃক্ত
- 3:34:59হয়ে যাবে। ঠিক আছে? যতটুকু জলীলবায়ী
- 3:35:00বাষ্প পরিবেশে তখন উপস্থিত ছিল বায়ুর
- 3:35:03তাপমাত্রায় যতটুকু তখন উপস্থিত ছিল 22
- 3:35:06ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা নামায় নিয়ে
- 3:35:07আসলে উক্ত বায়ুটা
- 3:35:09স্যাচুরেটেড হয়ে যাবে। উক্ত বায়ুটা
- 3:35:11সম্পৃক্ত হয়ে যাবে। বা সহজ কথা হচ্ছে
- 3:35:14আপেক্ষিক আদ্রতা 100% হয়ে যাবে। ব্যাস
- 3:35:16শীতের সকালে শিশির দেখা যায় কেন? দেখো
- 3:35:19শীতকালে যেটা দেখা যায় যে দিনের
- 3:35:21তাপমাত্রার সাথে রাতের তাপমাত্রার কিন্তু
- 3:35:23অনেক বড় একটা পার্থক্য থাকে। সো যখন
- 3:35:27রাত্রেবেলা ওই সময় কিন্তু তাপমাত্রা অনেক
- 3:35:30কমে যায়। সো যখন তাপমাত্রা অনেক কমে যায়
- 3:35:33তখন শিশিরাঙ্কের নিচে যদি তাপমাত্রা নেমে
- 3:35:35যায় তাহলে কি হবে? ওযে আমরা দেখছিলাম না
- 3:35:36দুই গ্রাম শিশির পড়তেছে। যখন জলীয় বাষ্প
- 3:35:40যতটুকু ধারণ ক্ষমতা
- 3:35:42উপস্থিত জলীয় বাষ্প যদি তার থেকে বেশি
- 3:35:45হয় তাহলে বাকিটাই তো শিশির হয়ে যায়। সো
- 3:35:47শীতকালের তাপমাত্রা যখন শীতকালে যখন
- 3:35:49রাত্রেবেলা তাপমাত্রা অনেক কমে যায় তখন
- 3:35:51কিন্তু দেখা যায় পরিবেশের তাপমাত্রা যখন
- 3:35:55অনেক কমে গেছে তখন
- 3:35:58আমাদের ইয়ার যে পরিমাণটা
- 3:36:01কি বলে যখন একটা শিশিরাঙ্কের থেকেও নিচে
- 3:36:03নেমে যায় তখন কিন্তু জলীয় বাষ্প ধারণ
- 3:36:06ক্ষমতা কমে যায়। সো জলীয় বাষ্প ধারণ
- 3:36:08ক্ষমতা কমতে কমতে কমতে ওই যে আগের মতন
- 3:36:10চিন্তা করে দেখো যখন 20 গ্রাম এর থেকেও
- 3:36:11কমে 18 গ্রাম হয়ে গেল ধারণ ক্ষমতা
- 3:36:13পরিবেশে ছিল 20 গ্রাম বাকি দুই গ্রাম কি
- 3:36:14হয়ে গেছে শিশির হয়ে গেছে সো শীতের সকালে
- 3:36:16দেখা যায় মূল কারণ হচ্ছে রাত্রেবেলা
- 3:36:18যেহেতু তাপমাত্রা অনেক কমে যায়
- 3:36:19শিশিরাঙ্কের নিচে চলে আসে এই কারণে তখন
- 3:36:22শিশির জমা হয় এবং সকালে শিশিরটাই আমরা
- 3:36:24কিন্তু দেখি গ্রীষ্মবকালে বাতাসে জলীয়
- 3:36:27বাষ্পের পরিমাণ অধিক হলেও শিশির পড়ে না
- 3:36:29কেন কারণ হচ্ছে দেখো খুব সহজ গ্রীষ্মবকালে
- 3:36:32কিন্তু জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বেশি হলেও
- 3:36:35পরিমাণ বেশি পরমাদ্রতা হয়তো বেশি হবে।
- 3:36:37কিন্তু আমাদের
- 3:36:40গ্রীশবকালে জলীয় বাষ্পের ধারণ ক্ষমতাও
- 3:36:42অনেক বেশি। তাপমাত্রা যেহেতু বেশি থাকে
- 3:36:43ধারণ ক্ষমতা বেশি থাকে। তাহলে ধরো উপস্থিত
- 3:36:46আছে 18 গ্রাম বা 20 গ্রাম উপস্থিত আছে
- 3:36:50কিন্তু ম্যাক্সিমাম ধারণ করতে পারে 30
- 3:36:52গ্রাম। তাহলে কি শিশির পড়বে? পড়বে না।
- 3:36:54আশা করি আইডিয়া গুলা পাইছো। এবার চল আমরা
- 3:36:58এই রিলেটেড কিছু এমসিকিউ প্রবলেম একটু
- 3:37:00দেখে ফেলি। দেখো শিশিরাঙ্ক কি? শিশিরাঙ্ক
- 3:37:03হচ্ছে তাপমাত্রা। আচ্ছা বায়ুর তাপমাত্রা
- 3:37:06শিশিরাঙ্কে উপনীত হলে বাষ্পায়ন দ্রুত হবে
- 3:37:09ধীরে ধীরে হবে না একই থাকবে দেখো
- 3:37:11শিশিরাঙ্কে উপত্নীত যখন হয়ে যাবে তার
- 3:37:14মানে কি আমাদের অলরেডি বায়ুটা জলীয়
- 3:37:16বাষ্প দিয়ে পরিপূর্ণ তাহলে কি আর
- 3:37:18বাষ্পায়ন হবে অর্থাৎ কোন একটা কিছু
- 3:37:20পরিমাণ পানি যদি তুমি ছিটায় দাও তাহলে কি
- 3:37:23সেই পানিগুলা বাষ্পে পরিণত হবে আর হবে না
- 3:37:26কারণ পরিবেশে অলরেডি বায়ু দিয়ে কিন্তু
- 3:37:30পরিবেশটা অলরেডি কিন্তু বাষ্প দিয়ে
- 3:37:32সম্পৃক্ত তার মানে যতটুকু বাষ্প থাকার কথা
- 3:37:34সম্পূর্ণটাই আছে ফুল ক্যাপাসিটিতে আছে।
- 3:37:36তাইলে এখন পানি ছিটায় দিলে ওখান থেকে কি
- 3:37:38আর বাষ্পে পরিণত হবে? হবে না। সো তাহলে
- 3:37:41বায়ুর তাপমাত্রা শিশিরাঙ্কে উপনীত হলে
- 3:37:43কিন্তু বাষ্পায়ন হবে না। আচ্ছা পরেরটা
- 3:37:46নিচের বক্তব্যগুলোর মধ্যে কোনটা সঠিক?
- 3:37:48সম্পৃক্ত বাষ্প বয়েল চার্জের সূত্র মেনে
- 3:37:50চলে। না চলে না। অসম্পৃক্ত বাষ্প
- 3:37:52শুধুমাত্র আবদ্ধ স্থানে তৈরি করা হয় না।
- 3:37:54এটা সব জায়গাতেই তৈরি করা যায়। আপেক্ষিক
- 3:37:58আদ্রতা বেশি থাকলে বাষ্পায়ন দ্রুত হয়। না।
- 3:38:01বাষ্পায়ন আরো কমে যায়। কারণ দেখো আপেক্ষিক
- 3:38:04আদ্রতা যখন বেশি তার মানে কি বায়ুতে
- 3:38:06অলরেডি জলীয় বাষ্প বেশি তাহলে নতুন জলীয়
- 3:38:08বাষ্প যাওয়ার পরিমাণ কিন্তু কমে যাবে
- 3:38:09তাহলে বাষ্পায়ন দ্রুত হবে না স্লো হবে
- 3:38:11শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ এবং বায়ুর
- 3:38:13তাপমাত্রায় অসম্পৃক্ত বাষ্পচাপ পরস্পর
- 3:38:15সমান গুড ওকে তারপরের প্রশ্ন দেখি আচ্ছা
- 3:38:20টপিক দেখি আদ্রতামাপক যন্ত্র এটা খুব
- 3:38:23গুরুত্বপূর্ণ দেখো আমরা আদ্রতামাপক যন্ত্র
- 3:38:27দিয়ে কি করি আদ্রতামাপক যন্ত্র দিয়েই
- 3:38:29কিন্তু মূলত আমরা বায়ুতে আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:38:31পরিমাপ করা হয় একটু একটু খেয়াল করো এই
- 3:38:33যন্ত্রটার দিকে যদি তাকাও দেখো এখানে
- 3:38:35দুইটা থার্মোমিটার আছে একটাকে একটার সাথে
- 3:38:38দেখো এই যে যেই বাল্বটা এই বাল্বটা কিন্তু
- 3:38:41পরিবেশে উন্মুক্ত আছে কিন্তু আরেকটা
- 3:38:43থার্মোমিটারের বাল্বটাতে আমরা কি করছি
- 3:38:45মসলিনের কাপড় জড়ায় এই মসলিনের কাপড়টা
- 3:38:47আবার পানির মধ্যে দিয়ে রাখছি সো এতে করে
- 3:38:50কি হয় মসলিনের কাপড়টা ভেজা থাকে মসলিনের
- 3:38:52কাপড়টা যদি ভেজা থাকে তাহলে এখানে থেকে
- 3:38:56পানিগুলা যখন বাষ্পীভূত হয়ে যাবে পানি
- 3:38:59বাষ্পীভূত হবার জন্য তার একটা সুপ্ততাপ
- 3:39:01দরকার ওই সুপ্ততাপটা সে কিন্তু বাল্বের
- 3:39:04থেকে গ্রহণ করবে। বাল্বের থেকে যদি
- 3:39:06সুপ্ততাপ গ্রহণ করে তাহলে কিন্তু আমাদের
- 3:39:09এই তাপমাত্রাটা কি হবে? কমে যাবে। কারণ
- 3:39:12তাপ শক্তি গ্রহণ করলেও তাপমাত্রা কমে
- 3:39:14যাবে। সো দেখা যায় ড্রাই বাল্ব যেটা এটা
- 3:39:17তো বাতাসের তাপমাত্রা বা পরিবেশের
- 3:39:19তাপমাত্রাটাকে নির্ণয় করছে। কিন্তু ওয়েট
- 3:39:21বাল্ব যেটা বা শিক্ত
- 3:39:24থার্মোমিটার যেটা সেটা কেন শিক্ত বলা
- 3:39:26হচ্ছে? কারণ এখানে এইযে পানি দিয়ে ভেজানো
- 3:39:28তাই। তো এইটার তাপমাত্রা কিন্তু নরমালি
- 3:39:30বায়ুর তাপমাত্রার থেকে কম থাকবে। সো এখন
- 3:39:34খেয়াল করো তো জাস্ট কিছু কমন সেন্সের
- 3:39:36উত্তর দাও। যদি এরকম হয় বলতো যে আমাদের
- 3:39:39রুমটা অলরেডি সম্পৃক্ত। আমি এখানে
- 3:39:41আদ্রতামাপক যন্ত্রকে নিয়ে আসলাম। যদি
- 3:39:44রুমটা সম্পৃক্ত থাকে কোন জলীয় বাষ্প আর
- 3:39:46নতুন ওখানে ঢুকতে পারবে? পারবে না। তাহলে
- 3:39:48যদি কোন নতুন জলীয় বাষ্প এখানে ঢুকতে না
- 3:39:50পারে তাহলে কি জলীয় বাষ্প এখান থেকে বের
- 3:39:52হতে পারবে? পারবে না। তাহলে জলীয় বাষ্প
- 3:39:54যদি বের না হয় তাহলে তো এখান থেকে কোন
- 3:39:58পানি আর তাপ শক্তি শোষণ করে বাষ্পে পরিণত
- 3:40:01হতে পারবে না। তাইলে তাপমাত্রাও কিন্তু আর
- 3:40:03কমবে না। স তার মানে তাপমাত্রা বায়ুর
- 3:40:07তাপমাত্রাও যা থাকবে শিক্ত বাল্বের
- 3:40:09তাপমাত্রাও কিন্তু তাই থাকবে। আশা করি
- 3:40:12বুঝতে পারছো। যেটা হয় যে যখন
- 3:40:16বায়ুতে আপেক্ষিক আদ্রতা কম থাকবে। তার
- 3:40:19মানে কি? অনেক বেশি জলীয় বাষ্পে কনভার্ট
- 3:40:21হতে পারবে। অনেক বেশি জলীয় বাষ্প
- 3:40:24মানে
- 3:40:26জলীয় বাষ্পের উপস্থিতি যেহেতু বায়ুতে
- 3:40:29এখন কম তাহলে এখান থেকে কিন্তু বা এই
- 3:40:32মসলিনের কাপড় থেকে কিন্তু জলীয় বাষ্প
- 3:40:34বেশি বেশি পরিমাণে যেতে পারবে বায়ুতে।
- 3:40:36তাহলে বলতো যদি রুমের মধ্যে আপেক্ষিক
- 3:40:38আদ্রতা কম থাকে তার মানে জলীয় বাষ্প কম
- 3:40:40থাকে তাহলে বেশি বেশি জলীয় বাষ্প এখান
- 3:40:42থেকে যেতে পারবে। তাহলে জলীয় বাষ্প যদি
- 3:40:44যায় তার মানে কি? ওই পানিটাই তো জলীয়
- 3:40:47বাষ্প হইছে। পানিটা জলীয় বাষ্প হওয়ার
- 3:40:48জন্য সুপ্ততাপ গ্রহণ করছে। শুপ্ততাপ কার
- 3:40:50থেকে গ্রহণ করছে? বাল্ব থাকে গ্রহণ করছে।
- 3:40:52তাহলে এই তাপমাত্রাটা কিন্তু কমে গেছে। সো
- 3:40:55যতই ডিফারেন্সটা বাড়বে তত বুঝবা যে
- 3:40:58আপেক্ষিক আদ্রতা ওই রুমের মধ্যে কিন্তু কম
- 3:41:01ছিল। সো তার মানে দেখে রাখো যদি এই
- 3:41:04ডিফারেন্সটা
- 3:41:06ডিফারেন্সটা যদি বেশি হয় তাপমাত্রার
- 3:41:09পার্থক্যটা যদি বেশি হয় তার মানে কিন্তু
- 3:41:12আদ্রতা আসলে কম ছিল। কারণ জলীয় বাষ্পের
- 3:41:15পরিমাণ কম ছিল বলেই বেশি বেশি কনভার্ট
- 3:41:17হয়েছে এবং এটা কমে গেছে। আর অন্যদিকে যদি
- 3:41:20মনে করো এই ডেলটা থিটার পরিমাণটা কম বা
- 3:41:23প্রায় শূন্য কমে গেছে। তার মানে কোন
- 3:41:25জলীয় বাষ্প আর কনভার্ট হচ্ছে না। অর্থাৎ
- 3:41:27এখন আর এর মানটা কিন্তু বেশি। কনসেপ্টটা
- 3:41:29মাথায় রেখো। এখন আসো আমরা ড্রাই বাল্বের
- 3:41:33টেম্পারেচারকে থিটাডি দিয়ে যদি প্রকাশ
- 3:41:34করি আর ওয়েট বাল্বের টেম্পারেচারকে থিটা
- 3:41:37ডবলিউ দিয়ে প্রকাশ করি তাহলে আমাদের
- 3:41:39গ্লেসারের সূত্র অনুযায়ী আমরা কিন্তু ওই
- 3:41:42পরিবেশেরই কত? শিশিরাঙ্ক কত? শিশিরাঙ্কটা
- 3:41:44বের করতে পারবো। সো শিশিরাঙ্কের যে
- 3:41:46ফর্মুলা সেটা হচ্ছে এইটা। এখান থেকে বের
- 3:41:49করতে পারবা। থিটাডিটা হচ্ছে ড্রাই বাল্বের
- 3:41:51টেম্পারেচার। গ্লেসারের কনস্ট্যান্টটা
- 3:41:53হচ্ছে এই থিটাডি তাপমাত্রায় একটা
- 3:41:56কনস্ট্যান্ট। থিটাডি তাপমাত্রায়
- 3:42:01থিটাডি তাপমাত্রায় একটা ধ্রুবক।
- 3:42:06একটা ধ্রুবক। এই ধ্রুবকটা কিন্তু এই
- 3:42:08তাপমাত্রা অনুযায়ী পরিবর্তন হয়। এই বায়ুর
- 3:42:11তাপমাত্রা অনুযায়ী এটা কিন্তু পরিবর্তন
- 3:42:12হয়। এটা কিন্তু দুইটা তাপমাত্রা হলেও
- 3:42:15থিটাডি থিটাড দুইটা থাকলেও গ্লেসারে
- 3:42:17কনস্ট্যান্ট কিন্তু কার উপর নির্ভর করতেছে
- 3:42:19বায়ুর তাপমাত্রা থিটা ডি এর রেসপেক্টে কত
- 3:42:21জি সেটা আমাদের বের করতে হয় আর এই থিটাটা
- 3:42:24হচ্ছে আমাদের শিশিরাঙ্ক এই থিটাটা হচ্ছে
- 3:42:26আমাদের শিশিরাঙ্ক সূত্রটা ঠাটা মুখস্ত করে
- 3:42:28ফেলবা এটা অনেক সময় সিকিউতেও লাগে অনেক
- 3:42:30সময় এমসিকিউতেও লাগে আর এটা হচ্ছে আমাদের
- 3:42:33শিক্ত বাল্বের তাপমাত্রা থিটা ডবলিউ ওকে
- 3:42:36আপেক্ষিক আদ্রতা কিভাবে আমরা মাপবো এইটা
- 3:42:39একটা গুরুত্বপূর্ণ
- 3:42:41একটা চার্ট এটা হলো পুরা প্রসেসটা এখানে
- 3:42:44বলা আছে। আমরা চল একটু ধীরে ধীরে আগে
- 3:42:47প্রথম থেকে আসি। স আমরা মনে আছে আর যখন
- 3:42:50বের করতে চাইতাম আর বের করার জন্য আমাদের
- 3:42:52কি লাগতো? আমাদের লাগতো উপস্থিত জলীয়
- 3:42:54বাষ্প ডিভাইডেড বাই ম্যাক্সিমাম কতটুকু
- 3:42:56জলীয় বাষ্প নিতে পারে সেটা। এখন দেখো এই
- 3:43:00উপস্থিত জলীয় বাষ্প পরিমাণটা কি ছিল?
- 3:43:02শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত
- 3:43:05শিশিরাঙ্কের তাপমাত্রাতে সম্পৃক্ত জলীয়
- 3:43:08বাষ্পচাপ। সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ। আর
- 3:43:11ক্যাপিটাল এফ টা কি ছিল? যে বায়ুর
- 3:43:13তাপমাত্রায়
- 3:43:16বায়ুর তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয়
- 3:43:20বাষ্পচাপ। তাই না? তাহলে খেয়াল করো আমরা
- 3:43:23যদি এই দুইটার অনুপাত বের করি তাহলেই
- 3:43:25কিন্তু আমরা আপেক্ষিক আদ্রতাটা পেয়ে যাব।
- 3:43:27এখন কথা হচ্ছে আমাদের শিশিরাঙ্কটা ধর জানি
- 3:43:31না। তাহলে শিশিরাঙ্ক বের করা লাগবে।
- 3:43:33শিশিরাঙ্কটা আমরা কেমনে বের করব?
- 3:43:35শিশিরাঙ্ক বের করব। ওই যে থিটাডি মাইনাস
- 3:43:37শিশিরাঙ্ক সমান সমান জি ইনটু থিটাডি
- 3:43:40মাইনাস থিটা ডব্লিউ তাহলে এখান থেকে আমরা
- 3:43:43শিশিরাঙ্কের মানটা বের করে ফেলব
- 3:43:45শিশিরাঙ্কের মানটা যদি তুমি জানো তাহলেই
- 3:43:48কিন্তু শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত বাষ্পচারটা
- 3:43:50বের করতে পারবা শিশিরাঙ্ক না জানলে তখন এই
- 3:43:52সূত্রটা তোমার এপ্লাই করতে হবে গেল এছাড়া
- 3:43:56দেখো আমাদের যেই জি এর মান এটা যদি দেওয়া
- 3:43:59না থাকে তাহলে তোমাকে আরেকটা চার্ট দেখা
- 3:44:01লাগবে আমাদের নরমালি প্রশ্নের মধ্যে বলেই
- 3:44:04দেয় জি এর মান কত কিন্তু যদি জি বলা না
- 3:44:06থাকে তাহলে তোমাকে দেখতে হবে একটা চার্ট
- 3:44:08থেকে যে আচ্ছা আমার যে থিটাডি এখন
- 3:44:10তাপমাত্রা এই থিটাডি তাপমাত্রায় জি এর
- 3:44:12মানটা কত? সেই অনুযায়ী জি এর মানটা এখানে
- 3:44:14বসাই তারপরে হিসাব করতে হবে। সো দেখো যেই
- 3:44:17প্রসেসটা বললাম সেভাবে করে এখানে লাইন বাই
- 3:44:19লাইন বলা আছে। প্রথমে গ্লেসারের তালিকা
- 3:44:21থেকে থিটাডি তাপমাত্রায় জি এর মানটা বের
- 3:44:23করব। তারপরে এই সূত্র থেকে আমরা
- 3:44:25শিশিরাঙ্কের মানটা বের করব। তারপরে
- 3:44:27শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ এবং বায়ুর
- 3:44:29তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ চার থেকে
- 3:44:31বের করব। নরমালি এটা প্রশ্নেই দেওয়া
- 3:44:33থাকে। এবং এরপরে আমরা আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:44:35সূত্র বসাই আপেক্ষিক আদ্রতার মান বের করব।
- 3:44:37ব্যাস আশা করি প্রসেসগুলা কি? সিস্টেমগুলা
- 3:44:40কি বুঝতে পারছো। এবার আসো বায়ুমন্ডলের
- 3:44:43চাপের উপর জলীয় বাষ্পের প্রভাব।
- 3:44:47দেখো
- 3:44:48থিটাডি মাইনাস থিটাডব্লিউ যদি বেশি হয়
- 3:44:51ওযে যেটা বললাম যে আমাদের ইয়াটা যদি বেশি
- 3:44:54থাকে তার মানে কি? বায়ুতে আপেক্ষিক
- 3:44:56আদ্রতা তখন কম। ওযে ব্যস্তানুপাত
- 3:44:58দেখাইছিলাম না যে ডেলটা থিটা যত বেশি হবে
- 3:45:00আর এর মান তত কম হবে। সো আমাদের তার মানে
- 3:45:03তখন জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কম। এটা বলতে কি
- 3:45:05বোঝায়? আবহাওয়াটা শুষ্ক। এগুলা থেকে
- 3:45:06অবজেক্টিভ আসে একটু খেয়াল রেখো। যদি এটার
- 3:45:09পার্থক্যটা কম হয় তার মানে জলীয় বাষ্পের
- 3:45:10পরিমাণ বেশি এবং আবহাওয়াটা আদ্র। ধীরে
- 3:45:14ধীরে যদি দেখা যায় যে আমরা কোন একটা
- 3:45:16জায়গায় দেখলাম যে থিটাডি মাইনাস থিটা
- 3:45:18এটার মান ধীরে ধীরে কমছে। সো ধীরে ধীরে
- 3:45:21কমা মানে কি? আবহাওয়াটা আস্তে আস্তে আদ্র
- 3:45:23হচ্ছে। সো যদি এইটা ধীরে ধীরে কমে তার
- 3:45:28মানে জলীয় বাষ্পের পরিমাণটা কি? ধীরে
- 3:45:29ধীরে বাড়ছে। আশা করি বুঝছো। দেখো যদি এই
- 3:45:32পার্থক্যটা ধীরে ধীরে কমতে থাকে আস্তে
- 3:45:35আস্তে পার্থক্যটা কমছে। তার মানে কি? আসলে
- 3:45:38জলীয় বাষ্পের পরিমাণ ধীরে ধীরে বাড়ছে।
- 3:45:41তাহলে যদি জলীয় বাষ্প বাড়তে থাকে তার
- 3:45:43মানে মনে রেখো বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা
- 3:45:44বাড়ে। আর যদি হঠাৎ কমে যায় তার মানে
- 3:45:48কিন্তু জলীয় বাষ্পের পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে
- 3:45:50গেছে। আর জলীয় বাষ্পের পরিমাণ হঠাৎ বেড়ে
- 3:45:52গেলে ঝড়। সো যদি ধীরে ধীরে বাড়ে জলীয়
- 3:45:54বাষ্প তার মানে বৃষ্টি। যদি জলীয় বাষ্প
- 3:45:56হঠাৎ বেড়ে যায় তাহলে ঝড় হওয়ার
- 3:45:57সম্ভাবনা বাড়বে। পার্থক্য শূন্য মানে কি?
- 3:46:00পার্থক্য শূন্য মানে জলীয় বাষ্পে নাই
- 3:46:02ওইখানে এবং বাতাস জলীয় বাষ্প দ্বারা
- 3:46:05সম্পৃক্ত। ঠিক আছে?
- 3:46:08দেখো কি বলছে? কোন স্থানে আদ্র এবং
- 3:46:10শুষ্কবাল হাইগ্রোমিটারের শিক্ত বালুরের
- 3:46:12তাপমাত্রা ওই স্থানের বায়ুর তাপমাত্রা
- 3:46:14সমান হলে আপেক্ষিক আদ্রতার মান কত? সো
- 3:46:17যেহেতু সমান হয়ে গেছে তার মানে কোন জলীয়
- 3:46:19বাষ্পই আর পরিবেশে যাচ্ছে না। অর্থাৎ
- 3:46:21জলীয় বাষ্পটা কিন্তু অলরেডি সম্পৃক্ত
- 3:46:23অবস্থায় আছে। অর্থাৎ আপেক্ষিক আদ্রতার
- 3:46:24মান তখন হচ্ছে 100%। যদি কিছুটা কম থাকতো
- 3:46:27তাহলে কিন্তু জলীয় বাষ্পটা যেতে পারতো
- 3:46:29আদ্র আদ্র ওই ইয়াটা থেকে। তার মানে তখন
- 3:46:32কিন্তু কমে যেত। কিন্তু যেহেতু কোন জলীয়
- 3:46:34বাষ্পই যেতে পারছে না তার মানে দুইটা সমান
- 3:46:37হয়ে গেছে তাপমাত্রা এবং তার মানে
- 3:46:39আপেক্ষিক আদ্রতা 100%।
- 3:46:41বায়ুমন্ডলের উপর জলীয় বাষ্পের প্রভাব।
- 3:46:43এটা একটু গুরুত্বপূর্ণ। একটু মাথায় রেখো
- 3:46:45আইডিয়াগুলা। বায়ুতে জলীয় বাষ্পের
- 3:46:47পরিমাণ বৃদ্ধিতে বায়ুর ঘনত্ব কমে যায়।
- 3:46:49এটা আমি একটু ছোট একটা এক্সাম্পল দেই।
- 3:46:51দেখো যে মনে করো আমাদের একটা নির্দিষ্ট
- 3:46:54পাত্রের মধ্যে আমি এখানে
- 3:46:58এক মোল অক্সিজেন ছিল শুধুমাত্র ঠিক আছে এক
- 3:47:01মোল অক্সিজেন ছিল আর জাস্ট এক মোল এক মোল
- 3:47:05নাইট্রোজেন ধরি যেহেতু বাইতে বেশিরভাগই
- 3:47:06নাইট্রোজেন আর আরেকটা পাত্র একদম সেইম
- 3:47:09একটা পাত্র সেম আয়তনের একটা পাত্র
- 3:47:11সেইখানে আমি কি করলাম এক মোল জলীয় বাষ্প
- 3:47:13নিয়ে আসলাম এখন বলতো এক মোল জলীয় এক মোল
- 3:47:17নাইট্রোজেনের ভর কত ছিল 28 গ্রাম ছিল না
- 3:47:20আর এইটার এক মোলের ভর কত? 18 গ্রাম। তাইলে
- 3:47:24বলতো যদি এখানে অক্সিজেন থাকতো তাইলে তো
- 3:47:27আরো বাড়তো। 32 হয়ে যেত। সো তাহলে দেখো
- 3:47:30আমরা জানি চাপ সমান সমান কি? বল বা
- 3:47:32ক্ষেত্রফল। এইখান থেকে কিন্তু যেটা ভারী
- 3:47:36বেশি সেটা স্বাভাবিকভাবে পাত্রের দেয়ালে
- 3:47:38ধাক্কাও দিবে বেশি। কারণ ভরবেগের
- 3:47:39পরিবর্তনের হার বেশি। তাহলে যদি ভর কমে
- 3:47:44যায় তার মানে কিন্তু আচ্ছা আগে ঘনত্বের
- 3:47:46ব্যাপারটাই আসি। যদি আমাদের ভর কমে যায়
- 3:47:49তাহলে এখানে কি ঘনত্বটা কমে যাচ্ছে না?
- 3:47:50কারণ ঘনত্ব সমান সমান কি? এম বাভি ছিল। সো
- 3:47:53ভি এর মান সেম এটার যেহেতু এম কম তাই এটার
- 3:47:55ঘনত্ব কম হবে। এক্ষেত্রে ঘনত্ব কমে যাবে।
- 3:47:57বায়ুর ঘনত্ব কমে যাবে। আর এখানে বায়ুর
- 3:47:59ঘনত্ব কিন্তু তুলনামূলক বেশি থাকবে। এটা
- 3:48:01তো জাস্ট একটা একটা করে দেখালাম। কিন্তু
- 3:48:03মূলত কি হয়? নাইট্রোজেন, হাইড্রোজেন
- 3:48:07এরপর অক্সিজেন তারপর জলীয় বাষ্প সব তো
- 3:48:09বায়ুতে মিক্স অবস্থাতেই থাকে। সো যদি কোন
- 3:48:12জায়গায় দেখা যায় যে আমাদের জলীয়
- 3:48:14বাষ্পের পরিমাণ বেড়ে গেছে। তার মানে কি?
- 3:48:17যে হয়তো অন্য যে অণুগুলা ছিল নাইট্রোজেন
- 3:48:19আর অক্সিজেন সেগুলা সরে গেছে। তো তার মানে
- 3:48:21ওই জায়গাটাই দখল করছে জলীয় বাষ্প। তার
- 3:48:23মানে কিন্তু আল্টিমেটলি হালকা মানে ভারী
- 3:48:25পরমাণুর ভারী অণুগুলার বদলে হালকা অণুগুলো
- 3:48:28এসে প্রবেশ করছে। তাহলে স্বাভাবিকভাবেই
- 3:48:29সেটার ঘনত্ব কিন্তু কমে যাবে। তাহলে আর
- 3:48:32ঘনত্ব কমে গেলেও কি হবে? চাপও কিন্তু কমে
- 3:48:35যাবে। সেখানকার বায়ুমন্ডলের চাপও কিন্তু
- 3:48:37কমে যাবে। আচ্ছা কোন স্থানের বায়ুতে জলীয়
- 3:48:40বাষ্প পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে বায়ু হালকা হয়ে
- 3:48:41যায়। রাইট? গেল।
- 3:48:44কোন স্থানে জলীয় বাষ্পচাপ সম্পর্কে বলা
- 3:48:46যায় সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ সর্বাধিক
- 3:48:48চাপ দেয়। অবসলিউটলি কারেক্ট। সম্পৃক্ত
- 3:48:51জলীয় বাষ্পচাপ সর্বাধিক চাপ দেয়।
- 3:48:53সম্পৃক্ত জীবা সর্বাধিক চাপ দেয়।
- 3:48:54অসম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প বয়েলের সূত্র মেনে
- 3:48:57চলে। রাইট। এটাও রাইট। কারেক্ট। ঠিক আছে।
- 3:49:00বায়ুতে জলীয় বাষ্প কমে গেলে বায়ুর
- 3:49:03ঘনত্ব বৃদ্ধি পায়। হ্যাঁ এটাও কারেক্ট।
- 3:49:06কারণ জলীয় বাষ্প যদি কমে যায় তার মানে
- 3:49:08কিন্তু সেখানে ভারী পরমাণুগুলা ঢুকছে ভারী
- 3:49:11অণুগুলা ঢুকছে এবং ঘনত্ব কিন্তু বাড়ছে
- 3:49:13তার মানে এক দুই তিন তিনটাই কারেক্ট এখানে
- 3:49:17ওকে গেল
- 3:49:20এবার দেখো যে বায়ুমন্ডলের চাপের উপরে
- 3:49:23জলীয় বাষ্পের প্রভাব মেঘলা দিনে
- 3:49:26বায়ুমন্ডলের চাপ যদি মেঘলা দিনে অনেক কমে
- 3:49:29যায় তাহলে বায়ুতে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ
- 3:49:31তার মানে অত্যাধিক বেড়ে গেছে। দেখো যদি
- 3:49:34চাপ কমে যায় বায়ুমন্ডলের চাপ কমে যাওয়া
- 3:49:37মানে জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কিন্তু বেড়ে
- 3:49:38গেছে এটা দেখেও বোঝা যায়। কারণ জলীয়
- 3:49:40বাষ্প যেহেতু যেটা বললাম যে হালকা অণু
- 3:49:43দিয়ে তৈরি তাহলে স্বাভাবিকভাবেই সেগুলা
- 3:49:45কিন্তু কম পরিমাণ চাপ দিবে। তো তার মানে
- 3:49:47যখন আমরা দেখব যে বায়ুমন্ডলের চাপ মেঘলা
- 3:49:50দিনে কমে গেছে। তার মানে জলীয় বাষ্প
- 3:49:52বাড়ছে। আর জলীয় বাষ্প মানে সেখানে
- 3:49:54বৃষ্টি আসন্ন। আচ্ছা যদি বায়ুমন্ডলের চাপ
- 3:49:58হঠাৎ কমে যায়। হঠাৎ কমে গেছে। জলীয়
- 3:50:00বাষ্প হঠাৎ বেড়ে গেছে। তার মানে এটা
- 3:50:02কিন্তু চারদিক থেকে বায়ু প্রবল বেগে ওই
- 3:50:05অঞ্চলের দিকে প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা
- 3:50:06রয়েছে। এটা ঝড়ের পূর্বাভাস। আমরা কি
- 3:50:09জানি বায়ু সবসময় কিন্তু উচ্চাপ থেকে
- 3:50:10নিম্নচাপের দিকে যায়। সো যদি আমাদের চাপ
- 3:50:13হঠাৎ কমে যায় তাহলে কি হবে? উচ্চাপের
- 3:50:15বায়ুগুলা নিম্নচাপের দিকে দ্রুত আসতে
- 3:50:17থাকবে। তো স্বাভাবিকভাবেই তখন কিন্তু একটা
- 3:50:19ঝড়ের সম্ভাবনা বাড়বে। হঠাৎ যদি বেড়ে
- 3:50:23যায় বায়ুমন্ডলের চাপ হঠাৎ বেড়ে যায়
- 3:50:24তার মানে কি? জলীয় বাষ্প কমে গিয়েছে
- 3:50:26দ্রুত কমে গিয়েছে এবং সেখানে ক্ষণস্থায়ী
- 3:50:28শুষ্ক আবহাওয়ার পূর্বাভাস যদি ধীরে ধীরে
- 3:50:31কমে যায় তার মানে কি জলীয় বাষ্পটা আসলে
- 3:50:34ক্রমশ আস্তে আস্তে বাড়ছে এবং সেটা
- 3:50:37দীর্ঘস্থায়ী বৃষ্টির পূর্বাভাস নির্দেশ
- 3:50:40করে
- 3:50:41দেখো জলীয় বাষ্প বাড়লে কিন্তু জলীয়
- 3:50:44বাষ্প যদি বাড়ে তার মানে কিন্তু আসলে
- 3:50:46বৃষ্টির সম্ভাবনা বা ঝড়ের সম্ভাবনা
- 3:50:48বাড়ে। ঠিক আছে? যদি ধীরে ধীরে বাড়ে
- 3:50:51বায়ুমন্ডলের চাপ যদি ধীরে ধীরে বাড়ে তার
- 3:50:53মানে কি? জলীয় বাষ্প কিন্তু কমে যাচ্ছে
- 3:50:55এবং কমে গেলে সেখানে দীর্ঘস্থায়ী শুষ্ক
- 3:50:58আবহাওয়ার পূর্বাভাস। স যদি হঠাৎ বেড়ে
- 3:51:01যায় তাহলে ক্ষণস্থায়ী যদি ধীরে ধীরে
- 3:51:04মানে ধৈর্য নিয়ে যদি বাড়ে তাহলে মনে
- 3:51:06রেখো ধৈর্য নিয়ে বাড়ে সেটা দীর্ঘস্থায়ী
- 3:51:08শুষ্ক আবহাওয়ার পূর্বাভাস। ঠিক আছে? আশা
- 3:51:11করি বুঝতে পারছো। এখান থেকে কিন্তু অনেক
- 3:51:12অনেক অবজেক্টিভ দেয় মাঝে মাঝে। এগুলো
- 3:51:14একটু খেয়াল রেখো। ওকে। এইবার আসো আমরা।
- 3:51:18আমাদের কয়েকটা সিকিউ প্রবলেম এই রিলেটেড
- 3:51:21কয়েকটা সিকিউ প্রবলেম আমরা একটু দেখে
- 3:51:23ফেলি। কি বলছে দেখো কোন একটি পরীক্ষণে
- 3:51:26খাগড়াছড়িতে বায়ুর তাপমাত্রা 28 ডিগ্রি
- 3:51:28সেলসিয়াস। শিশিরাঙ্ক 7.8 ডিগ্রি
- 3:51:31সেলসিয়াস পাওয়া গেল। হঠাৎ সৈত্য
- 3:51:34প্রবাহের ফলে ওই স্থানের তাপমাত্রা কমে 14
- 3:51:36ডিগ্রি সেলসিয়াস হলে 7 ডিগ্রি 8 ডিগ্রি
- 3:51:39এবং 28 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়
- 3:51:41আচ্ছা এটা হলো। তারপর বলছে 7 ডিগ্রিতে
- 3:51:43সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ দেওয়া আ
- 3:51:45ডিগ্রিতে দেওয়া 28 ডিগ্রিতে দেওয়া আছে
- 3:51:46তা বলল খাগড়াছড়ির আপেক্ষিক আদ্রতা কত
- 3:51:49নির্ণয় করো তাইলে আমরা যে ডেটাগুলো
- 3:51:51দেওয়া আছে দেখো 7 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 3:51:53তাপমাত্রার জন্য 7 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 3:51:57তাপমাত্রার জন্য
- 3:52:00একটা মিনিট
- 3:52:027 ডিগ্রী সেলসিয়াস তাপমাত্রার জন্য যে এই
- 3:52:04সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ সেটা হচ্ছে নাকি 7.51
- 3:52:08মিলিমিটার পারদচাপ। এটা আমি রাফে একটু
- 3:52:10লিখে রাখছি। তারপরে হচ্ছে 8 ডিগ্রি
- 3:52:12সেলসিয়াস এর জন্য সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ
- 3:52:14দেওয়া 8.05
- 3:52:16মিলিমিটার পারদচাপ। এবং 28 ডিগ্রি
- 3:52:19সেলসিয়াসে আমাদের সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ
- 3:52:22দেওয়া আছে 28.35
- 3:52:25মিলিমিটার পারদচাপ। একদম সিম্পল প্রশ্ন।
- 3:52:28দেখো খাগড়াছড়ি আপেক্ষিক আদ্রতা নির্ণয়
- 3:52:30কর। তা আমরা কি জানি? আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:52:32সমান সমান হচ্ছে বায়ুর তাপমাত্রায় নিচে
- 3:52:34বসবে সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ। বায়ুর তাপমাত্রা
- 3:52:36সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ নিচে বসবে। সো আমাদের
- 3:52:38বায়ুর তাপমাত্রা দেয়া ছিল 28 ডিগ্রি
- 3:52:40সেলসিয়াস। 28 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা
- 3:52:41সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ কত? 28.35।
- 3:52:45আর উপরে কি বসবে? শিশিরাঙ্ক সম্পৃক্ত
- 3:52:47বাষ্পচাপ। কিন্তু আমাদের শিশিরাঙ্ক ছিল
- 3:52:497.8 ডিগ্রি সেলসিয়াস। তো এখানে তো আমাদের
- 3:52:52শুধুমাত্র 7 ডিগ্রি সেলসিয়াসের টা
- 3:52:54দেওয়া। 8 ডিগ্রি সেলসিয়াসের টা দেওয়া।
- 3:52:56তাহলে আমরা এখানে কিভাবে 7.8 টা বের করব?
- 3:52:59আমরা এখান থেকে লিনিয়ার ইন্টারপোলেশন
- 3:53:01করব। জাস্ট ঐকিক নিয়মে বের করব। দেখো এক
- 3:53:03ডিগ্রি সেলসিয়াস পার্থক্যের জন্য কতটুকু
- 3:53:06চাপের পার্থক্য পাওয়া যায়? এই দেখো 8-ও
- 3:53:11সে মানে সমান সমান এক ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 3:53:15পার্থক্যের জন্য এক ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 3:53:18পার্থক্যের জন্য
- 3:53:21পার্থক্যে চাপের পার্থক্য হয় কত? চাপের
- 3:53:26পার্থক্য পাওয়া যায় এই 8.05
- 3:53:30মাইনাস 7.5
- 3:53:32মিলিমিটার পারদচাপ। মিলিমিটার পারদ চাপ।
- 3:53:37এরপরে আমাদের যেহেতু এটা 7.8 লাগবে। 7.8
- 3:53:42ডিগ্রি সেলসিয়াসে কত চাপ সেটা লাগবে।
- 3:53:44তাইলে আমি দেখি 0.8 ডিগ্রি সেলসিয়াস এর
- 3:53:46জন্য চাপের পার্থক্য কতটুকু হয়? সো 0.8
- 3:53:50ডিগ্রি সেলসিয়াসে পার্থক্যে চাপের
- 3:53:52পার্থক্য কত হবে? এইটা ইনটু 0.8 তাহলে।
- 3:53:568.05
- 3:53:58- 7.51
- 3:54:00ইটু হচ্ছে পয়েন্ট8 তহলে কত হয় 8 প05
- 3:54:05মাইনাস 7.5
- 3:54:07ইটু প8 এটা আসছে 0.432
- 3:54:11অর্থাৎ 7.8 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়
- 3:54:157.8 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়
- 3:54:19তাপমাত্রায়
- 3:54:21সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ পরীক্ষায় এটা
- 3:54:25পুরাটা লিখবা। সমান সমান কত হবে? সাত
- 3:54:27ডিগ্রির জন্য হচ্ছে 7.5
- 3:54:30আর 0.8 এর জন্য হচ্ছে 0.432
- 3:54:33মিলিমিটার পারদচা চাপ। তাহলে 7.5 যদি যোগ
- 3:54:36করি তাহলে আসছে 7.942
- 3:54:39মিলিমিটার পারদ চাপ। তাহলে এখান থেকে 7
- 3:54:43প42
- 3:54:45যদি বসাও তাহলে দেখো কত আসে? 28.35।
- 3:54:48এটা আসছে 0.28
- 3:54:52বা আমরা যদি পারসেন্টে হিসাব করি তাহলে 28
- 3:54:54পারসেন্ট হচ্ছে খাগড়াছড়ির আপেক্ষিক
- 3:54:57আদ্রতা 28.014 0 একচ ঠিক আছে সহজ আশা করি
- 3:55:01এটা বের করতে পারবা পরের প্রবলেমটা দেখি
- 3:55:04চলো কি বলছে একজন আবহাওয়াবিদ দৈনিক
- 3:55:06প্রতিবেদন তৈরির জন্য একদিন ঢাকা এবং
- 3:55:08রাজশাহীতে স্থাপিত দুইটা শিক্ত এবং শুষ্ক
- 3:55:11বাল বাদ্রতামাপক যন্ত্রের মাধ্যমে নিচের
- 3:55:12উপাদ্যগুলো সংগ্রহ করলেন। ভাই এখানে
- 3:55:14অনেকগুলো ডেটা দেওয়া আছে। এবং বলা আছে
- 3:55:16স্বাস্থ্যের জন্য আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:55:17স্বাচ্ছন্দকর মান হলো 40 এবং 40 থেকে 60র
- 3:55:20মধ্যে। আমাদের বলছে ওইদিন ঢাকার শিশিরাঙ্ক
- 3:55:23কত ছিল? খেয়াল করো এখানে আবার পাশাপাশি
- 3:55:25আরেকটা চার্ট দেওয়া আছে যে এখানে আমাদের
- 3:55:27শুষ্ক বাল্বের পাঠ কত শিক্ত বাল্বের পাঠ
- 3:55:29কত দেওয়া এবং বায়ুর তাপমাত্রায়
- 3:55:30গ্লেসারের উৎপাদকের মানও দেওয়া আছে সো
- 3:55:32আমাদের বলছে ওইদিন ঢাকা শিশিরাঙ্ক কত ছিল
- 3:55:34আমরা যে গ্লেসারের উৎপাদক থেকে যে ফর্মুলা
- 3:55:36জানি থিটাডি মাইনাস থিটা সমান সমান হচ্ছে
- 3:55:38গ্লেসারের উৎপাদক ইনটু থিটাডি মাইনাস থিটা
- 3:55:41ডব্লিউ তাহলে খেয়াল করো আমাদের যেহেতু
- 3:55:44থিটার মানটা বের করতে বলেছে তাহলে থিটাডি
- 3:55:47মাইনাসজি ইনটু থিটাডি মাইনাস থিটাবলিউ
- 3:55:51এমনে আমরা বের করব স থিটাডি হচ্ছে 28 প6
- 3:55:56মাইনাস জি এর মান হল 1.664
- 3:56:00থিটাডি হচ্ছে 28.6
- 3:56:03মাইট এখান থেকে কিন্তু ইজিলি আমরা বের করে
- 3:56:06ফেলতে পারবো শিশিরা অংক কত ছিল
- 3:56:1028.6 মাইনাস 20 ই6648
- 3:56:14প6 মাইনাস এটা করলে আসেফ প2896.2896
- 3:56:2196 ডিগ্রি এইটা হচ্ছে আমাদের ওইদিন ঢাকার
- 3:56:24শিশিরাঙ্ক ছিল ডান এইবার আসো আমরা ঘ
- 3:56:27নাম্বার প্রশ্নে চলে যাই দেখো কি বলছে
- 3:56:29উদ্দীপকের আলোকে কোন ব্যক্তি কোথায়
- 3:56:31অধিকতর স্বস্তিবোধ করবেন গাণিতিক
- 3:56:33বিশ্লেষণপূর্বক মতামত দাও অর্থাৎ দেখো
- 3:56:35আমরা প্রথমে ঢাকার আপেক্ষিক আদ্রতাটা
- 3:56:38মেজার করবো তারপর রাজশাহীর আপেক্ষিক
- 3:56:39আদ্রতা মেজার করবো তারপর দুইটার মধ্যে
- 3:56:41তুলনা করব তো আমরা কি জানি ঢাকার আপেক্ষিক
- 3:56:44আদ্রতা যদি বের করতে চাই তাহলে এখানে
- 3:56:48আপেক্ষিক আদ্রতা সমান সমান হবে শিশিরাঙ্কে
- 3:56:51সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ তাই না
- 3:56:54শিশিরাঙ্কে
- 3:56:56শিশিরাংকে
- 3:56:59সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প চাপ আর নিচে কি হয়
- 3:57:04নিচে হয় বায়ুর তাপমাত্রায়
- 3:57:08বায়ুর তাপমাত্রায়
- 3:57:10সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্প চাপ। এখন দেখো
- 3:57:16শিশিরাঙ্ক কত ছিল? আগের প্রশ্নে এটা আমরা
- 3:57:18বের করে ফেলছি। শিষিরাঙ্ক ছিল 14.2896।
- 3:57:22তাহলে আসো আমরা 14.2896
- 3:57:26ডিগ্রি সেলসিয়াস এ আমাদের সম্পৃক্ত জলীয়
- 3:57:30বাষ্পচাপ কত বের করব? সম্পৃক্ত জলীয়
- 3:57:32বাষ্পচাপ কত বের করব? এখন এটার একটা
- 3:57:35টেকনিক দেখাই। একটু দেখো। লিনিয়ার
- 3:57:36ইন্টারকুলেশনই একদম অনুরূপ। আমরা এর আগের
- 3:57:39ম্যাথটা কি করছি। ওই যে তাপমাত্রার
- 3:57:41পার্থক্য, চাপের পার্থক্য দুই এর জন্য কত
- 3:57:44ছিল? পয়েন্ট সিক্স এর জন্য বা একের জন্য
- 3:57:45কত এর জন্য কত ছিল সেটা আমরা দেখছি
- 3:57:47এইখানেও একই কাহিনী করব কিন্তু এক লাইনে
- 3:57:50লিখে ফেলব এটা কিভাবে লিখবো দেখো পরীক্ষার
- 3:57:52হলে ওটা করতে পারবা কোন সমস্যা নাই যখন
- 3:57:54অনেকগুলা এরকম হিসাব নিকাশ করতে হবে তখন
- 3:57:56এভাবে করতে পারবা 14.2896
- 3:57:58ডিগ্রি সেলসিয়াসে সম্পৃক্ত জলীয়
- 3:58:00বাষ্পচাপ বের করতে চাই তো সবার আগে দেখো
- 3:58:0214 ডিগ্রি সেলসিয়াসে আমাদের সম্পৃক্ত
- 3:58:03বাষ্পচাপ কত ছিল 11.99
- 3:58:07যেটা 14.28
- 3:58:09মানে আমরা কমটা নিব মানে 15 নিব না 14টা
- 3:58:12নিব ঠিক আছে 14 তে আমাদের আপেক্ষিক আদ্রতা
- 3:58:15কত দেয়া ছিল 119 সেটা লিখলাম প্লাস করব
- 3:58:18কি দেখো প্লাস করব 14 আর 16র যে আপেক্ষিক
- 3:58:23আদ্রতার পার্থক্য সেটা কত ছিল 13
- 3:58:2663 মাইনাস 11.99
- 3:58:30ডিভাইডেড বাই নিচে বসবে হচ্ছে তাপমাত্রার
- 3:58:32পার্থক্যগুলা কত? 16 মাইনাস 14 এবং এর
- 3:58:36সাথে আমরা গুণ দিব। এর সাথে আমরা
- 3:58:38মাল্টিপ্লাই করব এই যে বাকি যে ভগ্নাংশটা
- 3:58:41আছে না 0.2896 এইটাকে 0.2896
- 3:58:46না স তাহলে ব্যাস এক লাইনে পেয়ে গেলাম যে
- 3:58:49আমাদের এই জলীয় বাষ্প কত তাহলে উপরে খেয়াল
- 3:58:51করো যেহেতু আমরা এখানে
- 3:58:54জলীয় বাষ্পচাপটা বের করছি তাহলে উপরে
- 3:58:56থাকবে জলীয় বাষ্পচাপ আর নিচে দেখো
- 3:58:57তাপমাত্রার পার্থক্য এটাও কিন্তু
- 3:58:59তাপমাত্রার একটা পার্থক্য এইযে 0.2896 896
- 3:59:01তো এই তাপমাত্রা তাপমাত্রা কাটাকাটি হয়ে
- 3:59:03গেল এইখানে হচ্ছে শুধুমাত্র জলীয় বাষ্প
- 3:59:05চাপটা থাকবে তো এটা যদি ভুলে যাও যে
- 3:59:06ভাইয়া উপরে তাপমাত্রা ছিল নাকি চাপ ছিল
- 3:59:08এভাবে মনে রাখতে পারো যে আমরা তো2896 এর
- 3:59:11জন্য এক্সট্রা কতটুকু চাপ বৃদ্ধি পাবে এটা
- 3:59:12বের করতে যাচ্ছি তাহলে এটা দিয়ে তো
- 3:59:13লাস্টে গুণ হবে তাহলে ভাগ হবে তাপমাত্রা
- 3:59:15দিয়ে আর উপরে হচ্ছে জলীয় বাষ্পচাপটা
- 3:59:17তাইলে আমরা এখান থেকে হিসাব করি 4.63
- 3:59:19মাইনাস 11.99
- 3:59:21ডিভাইডেডবাই 2 ই2896
- 3:59:24এটা কত আসে প23 এটা আসলো 11.99
- 3:59:28যদি যোগ দেই তাহলে আসছে 12.22
- 3:59:3274 তহলে এইটা উপরে বসে গেল 12.2274
- 3:59:36ডান এরপরে আমাদের বের করতে হবে বায়ুর
- 3:59:39তাপমাত্রায় বায়ুর তাপমাত্রা কত ছিল 28.6
- 3:59:41তাহলে 28.6 ডিগ্রি সেলসিয়াস সম্পৃক্ত
- 3:59:43বাষ্পচাপ বের করতে চাই 28.6 ডিগ্রিতে
- 3:59:46সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ কত বের করতে চাই
- 3:59:48সমান সমান কি হবে দেখো 28 ডিগ্রিতে আমাদের
- 3:59:50জলীয় বাষ্পচাপ কত দেওয়া 28.35 তাহলে
- 3:59:52লিখে ফেলব কম যেটা মানে 28.6 ছয় তো আগের
- 3:59:55ভ্যালুটা কত? 28 তহলে 28 এর ভ্যালুটা কত
- 3:59:58ছিল? 28.35 28.35
- 4:00:00প্লাস আমরা লিখবো দেখো 28 এর সাথে 30 এর
- 4:00:03পার্থক্য দেওয়া আছে। তাহলে নিচে হবে হচ্ছে
- 4:00:0530 ম 28 আর উপরে হবে 30 এর জন্য কত ছিল?
- 4:00:0931.83 31.83
- 4:00:12মাইনাস এখানে হবে হচ্ছে 28। ওকে। আর এর
- 4:00:16সাথে গুণ দিব কত? ভগ্নাংশটা পয়েন্ট6 0.6
- 4:00:19টাকে গুণ দিয়ে দিব। তাহলে দেখি কত আসে।
- 4:00:2131.83
- 4:00:22মাই 28 ডিভডেডবাই 2 ই প6 প্লাস 28.35 এটা
- 4:00:28আসছে 29.49
- 4:00:31প499
- 4:00:33তাহলে একটা দিয়ে যদি ভাগ দেই 29.499
- 4:00:37দিয়ে যদি ভাগ দেই তাহলে 12.274 ডিভাইডেড
- 4:00:40বাই আসার করলে আসছে পারসেন্ট হিসাব 0.4
- 4:00:43আসছে পারসেন্ট হিসাব করলে 41.45
- 4:00:46পারসেন্ট। তাহলে ঢাকার আপেক্ষিক আদ্রতা
- 4:00:48হচ্ছে এত। আশা করি বুঝতে পেরেছ। এবার আসো
- 4:00:52আমরা রাজশাহীরটা হিসাব করে ফেলি। রাজশাহীর
- 4:00:55আপেক্ষিক আদ্রতা কত হবে সেটাও আমরা একটু
- 4:00:57হিসাব করে ফেলি। দেখো এই অংকটা কিন্তু
- 4:00:59খুবই কমপ্রিহেন্সিভ একটা অংক। আমাদের
- 4:01:00মোটামুটি এটা করলে অনেকগুলাই এরকম টাইপের
- 4:01:04প্রবলেম আছে। সব কাভার হয়ে যায়। আমাদের
- 4:01:06সবার আগে কিন্তু রাজশাহীর শিশিরাঙ্ক কত?
- 4:01:08এটা বের করা নাই। এটা আগে বের করা লাগবে।
- 4:01:10উপরে আমরা যেটা লিখি শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত
- 4:01:13জলীয় বাষ্পচাপ।
- 4:01:15আর নিচে লিখবো হচ্ছে বায়ুর তাপমাত্রায়
- 4:01:22সম্পৃক্ত
- 4:01:24জলীয় বাষ্পচাপ।
- 4:01:27আমাদের শিশিরাঙ্কটা চল আগে আমরা বের করে
- 4:01:29ফেলি।
- 4:01:31শিশিরাঙ্ক এর সূত্র কি ছিল? থিটাডি মাইনাস
- 4:01:34থিটা সমান সমান
- 4:01:37জি ইনটু থিটাডি মাইনাস থিটা ডবলিউ। তাহলে
- 4:01:40থিটা সমান সমান হচ্ছে থিটাডি মাইনাসজি
- 4:01:43ইনটু থিটাডি মাইনাস থিটাবলিউ। রাজশাহীর
- 4:01:46তাপমাত্রা ছিল 32.5
- 4:01:48মাইনাস গ্লেসারের কনস্ট্যান্ট হচ্ছে 1.625
- 4:01:52আর এটা হচ্ছে 32.5 মাইনাস 22
- 4:01:56ফিক্ত বাল্বের তাপমাত্রা ছিল 22 তলে 32.5
- 4:02:01মাইনাস 22 ইট5
- 4:02:0532সার
- 4:02:06এটা আসছে 15.4375
- 4:02:11তাহলে এত ডিগ্রি সেলসিয়াস হচ্ছে আমাদের
- 4:02:13শিশিরাঙ্ক তাহলে আসো আমরা এবার বের করি
- 4:02:1615.43
- 4:02:1715.4375
- 4:02:20ডিগ্রি সেলসিয়াস এ সম্পৃক্ত জলীয়
- 4:02:24বাষ্পচাপ কত? তাহলে 15 ডিগ্রির জন্য কত
- 4:02:28ছিল? আচ্ছা ভালো কথা। এটার জন্য কি নিবা?
- 4:02:30কমটা কত দেওয়া আছে? 14 আর 16 দেওয়া।
- 4:02:31এখানে 15.43 এরটা বের করতে হবে। তাহলে
- 4:02:34দুইটার মধ্যে ছোট কোনটা? 14 আর 16র মধ্যে
- 4:02:3614 ছোট। তাইলে 14 এর জন্য কত ছিল? 11.99।
- 4:02:40সেটা লিখলাম। 14 এর জন্য জলীয় বাষ্চাপ
- 4:02:42ছিল 11.99। খেয়াল করো 15.4375
- 4:02:45স5 এর জন্য আমাদেরকে বের করতে বলছে
- 4:02:47সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ কত কারণ এটাই তো
- 4:02:50আমাদেরকে শিশিরাঙ্ক এটা শিষিরাঙ্ক
- 4:02:52শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত জীবাচাপ বসাইতে হবে
- 4:02:54তাহলে 15.4375
- 4:02:56এর জন্য যদি সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ বের
- 4:02:58করতে চাই আমাদের দেওয়া আছে 14 আর 16
- 4:03:00তাহলে দুইটার মধ্যে ছোট কোনটা 14টা তাহলে
- 4:03:0214র জন্য সম্পৃক্ত জবাব যত ছিল এটা লিখে
- 4:03:04ফেলব ডিভাইডেড বাই প্লাস কি করব এই 13.63
- 4:03:09ম 11.99
- 4:03:11বা 16 ম 14 ইটু কত হবে বল ইনটু কিন্তু 14
- 4:03:15থেকে এই 15.4375 কত বেশি? 1.14375
- 4:03:20বেশি না? তাহলে এখান থেকে আমরা বের করে
- 4:03:22ফেলবো। সো কত আসে দেখি 13.63 মাইনাস 11.99
- 4:03:26ডিভাইডেড বাই 2 ই 1.4375
- 4:03:32প্লাস 11.99। এটা কত আসে দেখো 12. 12.93
- 4:03:37আসছে। এত মিলিমিটার পারদ চাপ। তাহলে উপরে
- 4:03:41বসে যাবে 12.93মি
- 4:03:44মিলিমিটার পারচাপ। ওকে এবং আস বায়ুর
- 4:03:46তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ কত?
- 4:03:48বায়ুর তাপমাত্রা কত ছিল? 32.5 তাই না?
- 4:03:51তাহলে 32.5 ডিগ্রি সেলসিয়াস এ সম্পৃক্ত
- 4:03:55জলীয় বাষ্পচাপ কত হবে? 32 ডিগ্রিতে কত
- 4:04:00দেওয়া ছিল? 31 না 32 এ কত দেওয়া? হয়। 32 এ
- 4:04:04দেওয়া হচ্ছে 35। আর 34 এ দেওয়া আয়ত। তাহলে
- 4:04:0732 এ দেওয়া ছিল হচ্ছে 35.66
- 4:04:11প্লাস আমাদের দুইটার তাপমাত্রা পার্থক্য
- 4:04:1334 মাইনাস 32 34 এর ভ্যালু হচ্ছে 39.90
- 4:04:19মাইনাস হচ্ছেথ5
- 4:04:22প6 ইনটু কত দিয়ে গুণ করব 0.5 দিয়ে গুণ করব
- 4:04:27কারণ 32.5 এটা বের করতে হবে আমাদের আছে
- 4:04:29হচ্ছে 32 এটা দেওয়া তাহলে এখান থেকে আসো
- 4:04:3239.9 মাইনাস 35.66
- 4:04:36ডিভাইডেড বাইথডবা
- 4:04:39সরি ইনটুফ প্লাস হচ্ছে 35.66 তাইলে এটা
- 4:04:43আসে 36.72
- 4:04:46মিলিমিটার পারদচাপ
- 4:04:48তাহলে এখান থেকে 36 পয়ে
- 4:04:5336.72
- 4:04:55মিলিমিটার পারদচাপ। ব্যাস এখান থেকে বের
- 4:04:58হয়ে যাবে 32 12.93বা
- 4:05:0036.72।
- 4:05:03এইটা আসে হচ্ছে 35 পারসেন্ট। 35.21%।
- 4:05:08তাহলে দেখো এটা কি স্বাচ্ছন্দ করার মানের
- 4:05:10মধ্যে পড়ল পড়ল না তাহলে কোথায় অধিকতর
- 4:05:13স্বস্তিবোধ করবে ঢাকাতে বেশি স্বস্তিবোধ
- 4:05:15করবে ইয়ার থেকে কি বলে রাজশাহীর থেকে
- 4:05:19এবার আসো পরের প্রবলেমটা দেখে ফেলি দেখো
- 4:05:22এখানে কি বলছে কোন একটা নির্দিষ্ট দিনে
- 4:05:25একটা বদ্ধ ঘরের ভিতরে রক্ষিত হাইগ্রোমিটার
- 4:05:28শুষ্ক এবং আদ্রবাল পাঠ দেওয়া আছে তার
- 4:05:31মানে থিটাডি দেওয়া আছে এবং থিটাডি দেওয়া
- 4:05:35আছে 25 ডিগ্রি সেলসিয়াস থি থিটা ডব্লিউ
- 4:05:38দেওয়া আছে 20 ডিগ্রি সেলসিয়াস। একই সময়
- 4:05:41ঘরের বাইরের তাপমাত্রা দেওয়া 15 এবং
- 4:05:43আপেক্ষিক আদ্রতা দেওয়া আছে 70%। 14 16 18
- 4:05:46সম্পৃক্ত জীলিবাস দেওয়া আছে। এখন বলছে
- 4:05:48ঘরের ভিতরে শিশিরাঙ্ক নির্ণয় করো। সো বলা
- 4:05:51আছে দেখো 25 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়
- 4:05:52গ্লেইসারের উৎপাদক 1.7। সো গ্লেইসারের
- 4:05:56উৎপাদক দেওয়া আছে 1.70 এবং এটা কিন্তু
- 4:05:58ড্রাই টেম্পারেচারে কত সেটাই কিন্তু বলা
- 4:06:00আছে। ড্রাই বাল্ব টেম্পারেচারে কত সেটাই
- 4:06:02বলা আছে। তাহলে বলছে ঘরের ভিতরের
- 4:06:03শিশিরাঙ্ক বের করো। থিটাডি মাইনাস থিটা
- 4:06:06সমান সমান জি ইনটু থিটাডি মাইনাস থিটা
- 4:06:09ডবলিউ তাহলে এখান থেকে থিটা সমান সমান
- 4:06:11লিখতে পারি থিটাডি মাইনাসজি ই থিটাডি
- 4:06:14মাইনাস থিটাডব
- 4:06:16থিডি হচ্ছে 25 মাইনাসও.7
- 4:06:1925 মাইনাস 20 তাহলে এখান থেকে আমরা বের
- 4:06:23করতে পারবো 5 ইও
- 4:06:2625 মাইনাস এন্সার এটা আসে 16.5 পা ডিগ্রি
- 4:06:30সেলসিয়াস। প্রথম প্রশ্ন ডান। ঘরের ভিতরে
- 4:06:32শিশিরাঙ্ক কত বের করে ফেললাম। এইবার বলল
- 4:06:36ঘরের জানালা খুলে দিলে জলীয় বাষ্প কোন
- 4:06:38দিক থেকে কোন দিকে প্রবাহিত হবে? দেখো
- 4:06:40জলীয় বাষ্প কোন দিক থেকে কোন দিকে
- 4:06:42প্রবাহিত হবে? দিক দুইটা। দিক আছে দুইটা।
- 4:06:45একটা হচ্ছে ঘরের ভিতরে একটা হচ্ছে ঘরের
- 4:06:46বাইরে। আমরা যেটা করব ঘরের ভিতরে আগে
- 4:06:50জলীয় বাষ্পচাপ কত? এইটা আগে বের করব।
- 4:06:52মানে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের চাপ কত? এটা
- 4:06:54আগে বের করব এবং ঘরের বাইরে উপস্থিত জলীয়
- 4:06:56বাষ্পের চাপ কত? সেটা আগে বের করব।
- 4:06:58শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ বা
- 4:07:00আমাদের
- 4:07:02একটা পরিবেশে সরি একটা পরিবেশে
- 4:07:04ম্যাক্সিমাম কতটুকু জলীয়বাস থাকতে পারে
- 4:07:06সেইটার উপরে কিন্তু কোন দিক থেকে কোন দিকে
- 4:07:08প্রবাহিত হবে এটা ডিপেন্ড করে না সবসময়
- 4:07:11বায়ু কোন দিক থেকে কোন দিকে ফ্লো হয়
- 4:07:12উচ্চাপ থেকে নিম্নচাপের দিকে তাহলে আমরা
- 4:07:15আগে দেখব যে ওই যে জানালা সে জানালার
- 4:07:18ভিতরে আর বাইরে এই দুইটা পাশের মধ্যে কোন
- 4:07:20পাশটাতে উপস্থিত জলীয় বাষ্পের চাপ বেশি
- 4:07:24আর কোন পাশটাতে কম যেখানে বেশি সেখান থেকে
- 4:07:26কমের দিকে কিন্তু জলীয় বাষ্পটা পাস করবে।
- 4:07:29সিম্পল জিনিস। তাইলে আমরা প্রথমে আসো দেখি
- 4:07:32ঘরের বাইরে আমরা আগেরটা কিসের শিশিরাঙ্ক
- 4:07:35বের করছি? ঘরের ভিতরে শিশিরাঙ্ক বের করছি।
- 4:07:38দেখ শিশিরাঙ্ক বের করার সুবিধাটা হচ্ছে
- 4:07:40আমরা যদি শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ
- 4:07:42বের করি এটাই কিন্তু উপস্থিত বাষ্পচাপের
- 4:07:44সমান। তাই না? তাহলে দেখো ঘরের ভিতরে
- 4:07:48ঘরের
- 4:07:50ভিতরের প্রসঙ্গে যদি আসো তাহলে দেখো
- 4:07:55উপস্থিত জলীয় বাষ্প এটাই আমাদের বের করা
- 4:07:57লাগবে। কিন্তু সো উপস্থিত জলীয় বাষ্পের
- 4:08:02চাপ সেটা সমান সমানই কিন্তু শিশিরাঙ্কে
- 4:08:10সম্পৃক্ত
- 4:08:11জলীয় বাষ্প চাপ। তাহলে শিশিরাঙ্কে
- 4:08:15সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ মানে আমাদের 16.5
- 4:08:18ডিগ্রি সেলসিয়াস এ
- 4:08:20সম্পৃক্ত
- 4:08:22জলীয় বাষ্পচাপ কত এটা আমাদেরকে বের করতে
- 4:08:25হবে। তাইলে দেখোতো 16 ডিগ্রির জন্য দেওয়া
- 4:08:27আছে 16 ডিগ্রির জন্য দেওয়া আছে হচ্ছে
- 4:08:2913.63.63
- 4:08:33প্লাস কি করব? 16 আর 18র মধ্যে পার্থক্য
- 4:08:36নাও। তাহলে নিচে আসবে দুই আর উপরে কত
- 4:08:39আসবে?
- 4:08:4216 তে আছে এত আর 18 তে আছে হচ্ছে এত। তার
- 4:08:44মানে 15.48
- 4:08:48মাইনাস 13.63
- 4:08:51ইনটু করব কত দিয়ে? 0.5 দিয়ে করব। কারণ
- 4:08:55আমরা 16র জন্য এটা লিখছি। তাহলে এটার সাথে
- 4:08:58গুণ করে দিব হচ্ছে 0.5 তাইলে দেখি কত আসে।
- 4:09:03এখান থেকে আসছে 15.48 মাইনাস 13.63
- 4:09:08ডিভেডবাট ইফ প্লাস 13.63
- 4:09:10এটা আসে 14দমিক
- 4:09:130925
- 4:09:15মিলিমিটার পারদ চাপ। তাইলে এটা হলো আমাদের
- 4:09:19শিশিরাঙ্কে সম্পৃক্ত মানে শিশিরাকে
- 4:09:20সম্পৃক্ত জীবাচাপ বা ঘরের ভিতরে কতটুকু
- 4:09:23জলীয় বাষ্প উপস্থিত আছে সে উপস্থিত
- 4:09:25জলবায়ী বাষ্প চাপটা আমরা বের করলাম। এখন
- 4:09:26দেখি ঘরের বাইরে উপস্থিত জলীয় বাষ্পচাপ
- 4:09:29এটার থেকে বেশি। তাহলে বাইরে থেকে ভিতরে
- 4:09:31বায়ু প্রবেশ করবে। আর যদি দেখি বাইরে কম
- 4:09:34এটার থেকে তাহলে কিন্তু ভিতর থেকে বাইরে
- 4:09:36জলীয় বাষ্প যাবে। তাহলে এবার আস আমরা
- 4:09:37ঘরের বাইরে হিসাবটা করে ফেলি।
- 4:09:40সো ভাইয়া ঘরের বাইরে
- 4:09:44ঘরের বাইরে যদি আমরা হিসাব করি দেখি সো
- 4:09:48ঘরের বাইরে কি কাহিনী ঘরের বাইরে আমাদের
- 4:09:50ঘরের বাইরে তাপমাত্রা দেওয়া আছে 15 ডিগ্রি
- 4:09:52সেলসিয়াস এবং আপেক্ষিক আদ্রতা দেওয়া আছে
- 4:09:5470%
- 4:09:56বলতো 15 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায়
- 4:10:00আমাদের
- 4:10:03তো দেখো যদি আমরা ঘরের বাইরে আর বের করি
- 4:10:08আর বের করতে চাই তাহলে কি স্মল বা
- 4:10:09ক্যাপিটাল এফ আমাদের কিন্তু এফ এর মান
- 4:10:11দেওয়া আছে 70% অর্থাৎ 0.7 সে এটা দেওয়া
- 4:10:14আছে। এখন আমাদের বের করা লাগবে মূলত স্মল
- 4:10:16এফ। কারণ উপস্থিত বায়ু কত চাপ দেবে এটা
- 4:10:18বের করা লাগবে। তাহলে ক্যাপিটাল এফটা
- 4:10:19কেমনে বের করব? ক্যাপিটাল এফ কি ছিল?
- 4:10:21বায়ুর তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পের
- 4:10:23চাপ। বায়ুর তাপমাত্রা কত? 15 ডিগ্রি
- 4:10:25সেলসিয়াস। তাহলে 15 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 4:10:27তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত জীবায় বাষ্পের চাপ
- 4:10:28কত? এটাকে বের করি। 15 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 4:10:31তাপমাত্রায়
- 4:10:33তাপমাত্রায়
- 4:10:35সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ কত হবে? সো দেখো
- 4:10:4014 টা দেওয়া আছে 14 ডিগ্রি সেলসিয়াসে
- 4:10:42সম্পৃক্ত বাষ্পচাপ ছিল 13.63 প্লাস কি
- 4:10:45হবে? প্লাস নিচে হবে হচ্ছে 16- 14 আর উপরে
- 4:10:50হবে 16র জন্য হচ্ছে
- 4:10:53এই দাড়াও আমাদের 15 বলছিল ওই সরি সরি সরি
- 4:10:57সরি সরি সরি সরি 15 বলছে তো। সো 15 বললে
- 4:11:0014 আর 16 নিয়ে কাজ করব। তাহলে কম কোনটা?
- 4:11:03কম হচ্ছে 11. কম হচ্ছে 14। 14 এর জন্য হবে
- 4:11:0711.99
- 4:11:08প্লাস পার্থক্য নিব হচ্ছে 16 আর 14র মধ্যে
- 4:11:12কারণ 15 তো বের করতে হবে দুইটার
- 4:11:14মাঝখানেরটা তাইলে 13.63 13.63 মাইনাস
- 4:11:1811.99
- 4:11:19ডিভাইডেড বাই হচ্ছে 16 মাইনাস 14 ইনটু হবে
- 4:11:22হচ্ছে এক দিয়ে কারণ আমাদের 14 টা হিসাব
- 4:11:26করা আছে 15 টা বের করতে হবে তাই এক বেশি
- 4:11:2814 থেকে সেই কারণে এক দিলাম কত হচ্ছে
- 4:11:3113.63 মাইনাস 11.99
- 4:11:34ডিভাইডেডবাদ
- 4:11:36প্লাস 11.99
- 4:11:39তাহলে আসছে হল 12.81
- 4:11:42মিলিমিটার পারদ চাপ। তাহলে এখানে আমরা
- 4:11:46লিখলাম 12.81।
- 4:11:48তাহলে এফ এর মান কত হয়? পয়েন্ট সে দিয়ে
- 4:11:51গুণ দাও। 0.7 ই 12.81 এটার মান আসে 8.967
- 4:11:57মিলিমিটার পারদ চাপ। তাহলে আমরা এখান থেকে
- 4:12:00কিন্তু বের করতে পারছি। যেহেতু
- 4:12:04যেহেতু
- 4:12:06ঘরের
- 4:12:08বাইরে
- 4:12:10উপস্থিত জলীয় বাষ্পের চাপ কম
- 4:12:17ভরের
- 4:12:19ভিতরের
- 4:12:21উপস্থিত
- 4:12:23জলীয় বাষ্পচাপের থেকে সেই কারণে
- 4:12:27বাষ্প
- 4:12:30ভিতর থেকে বাইরে যাবে
- 4:12:34ভিতর থেকে বাইরে যাবে।
- 4:12:38ওকে
- 4:12:40এবার আসো আরেকটা প্রবলেম দেখে ফেলি।
- 4:12:42প্রশ্নটা কি বলছে? দেখো কোন একদিন দুপুরের
- 4:12:44তাপমাত্রা হচ্ছে 30 ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং
- 4:12:46আদ্রতা হচ্ছে 80 পারসেন্ট। হেলেন বাসায়
- 4:12:49এসি চালু করায় তাপমাত্রা 21 ডিগ্রি
- 4:12:52সেলসিয়াস এ নেমে এল। সেদিন শিশিরাঙ্ক ছিল
- 4:12:559.5 ডিগ্রি সেলসিয়াস। 30 ডিগ্রিতে কত? সব
- 4:12:59ডেটা দেওয়া আছে। বলছে তাপমাত্রা নেমে
- 4:13:00আসায় বায়ুস্থ জলীয় বাষ্পের কত অংশ
- 4:13:02ঘনিভূত হবে নির্ণয় করো। দেখো অংকটা ওই যে
- 4:13:04ওরকম তোমাদের একটা টেবিল দেখালাম না একটু
- 4:13:07আগে। ওখানে বলছিলাম যে 30 ডিগ্রিতে
- 4:13:10ম্যাক্সিমাম থাকতে পারে 30 গ্রাম। উপস্থিত
- 4:13:12আছে 20 গ্রাম। তাপমাত্রা কমায় 25 করলাম।
- 4:13:15ম্যাক্সিমাম থাকতে পারে 25। আর উপস্থিত
- 4:13:17আছে হচ্ছে 20। তাইলে যত তাপমাত্রা
- 4:13:20কমাচ্ছিলাম অপেক্ষা খাদ্রতা বাড়ছিল।
- 4:13:21এভাবে করতে করতে যখন 20 নিয়ে গেলাম তখন
- 4:13:2320 গ্রাম থাকতে পারে ম্যাক্সিমাম। উপস্থিত
- 4:13:25ছিল 20 গ্রাম। এরপর যখন 18 ডিগ্রি করে
- 4:13:27ফেললাম তখন ম্যাক্সিমাম থাকতে পারে 18 আর
- 4:13:3020 গ্রাম যেটা ছিল 2 গ্রাম কিন্তু জলীয়
- 4:13:32বাষ্প হয়ে যায় আর 18 গ্রাম বাষ্প হিসেবে
- 4:13:34থেকে যায় সরি 2 গ্রাম শিশির হয়ে যায়
- 4:13:36ঘনিভূত হয়ে যায় আর বাকি 18 গ্রাম কিন্তু
- 4:13:39জলীয় বাষ্প হিসেবে থেকে যায় সো কতটুকু
- 4:13:40ঘনিভূত হইছে ওখানে যেমন দুই গ্রাম ঘনিভূত
- 4:13:43হয়েছিল এখানেও কতটুকু ঘনিভূত হইছে ওইটাই
- 4:13:45আমাদেরকে বের করতে বলে তাইলে দেখো এইখানে
- 4:13:48আমাদের যে ডেটাগুলো দেওয়া আছে আমরা
- 4:13:49আপেক্ষিক আদ্রতা থেকে যদি শুরু করি
- 4:13:52আপেক্ষিক আদ্রতা দেওয়া আছে হচ্ছে 80%
- 4:13:5680%। সো এখান থেকে প্রথমে আগে আমরা যদি
- 4:13:59বের করি আমার উপস্থিত জলীয় বাষ্প কত? 30
- 4:14:03ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় আমাদের দেখো
- 4:14:0530 ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় সম্পৃক্ত
- 4:14:07বাষ্পচাপ দেওয়া ছিল 28.02।
- 4:14:10সো 28.02 হচ্ছে 30 ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 4:14:13তাপমাত্রার যে সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ
- 4:14:15সেটা। আর তাইলে উপস্থিত জলীয় বাষ্প কত?
- 4:14:18আমার বায়ুতে কতটুকু উপস্থিত আছে? সেটা
- 4:14:21হচ্ছে 0.8 ই 28.02
- 4:14:25তাহলে কতটুকু উপস্থিত আছে? পয়েন্ট8 *
- 4:14:2828.02 এটা করলে আসে 22দ
- 4:14:34416 মিলিমিটার পারদচাপ।
- 4:14:38আচ্ছা তাহলে এই পরিমাণ কিন্তু আমাদের
- 4:14:40বায়ুতে উপস্থিত আছে। অর্থাৎ ওই যে উপস্থিত
- 4:14:43যেটা ছিল চারটা খেয়াল করো। উপস্থিত ছিল
- 4:14:46কিন্তু 20 গ্রাম। 20 গ্রাম 20 গ্রাম।
- 4:14:47আমাদের বায়ুর মধ্যে উপস্থিত আছে এত গ্রাম।
- 4:14:50এখন বলছে যে বায়ুর তাপমাত্রা নেমে আসছে 21
- 4:14:54ডিগ্রি সেলসিয়াসে। তাহলে বলতো 21 ডিগ্রি
- 4:14:56সেলসিয়াসে আমাদের সম্পৃক্ত জলীয় বাষ্পচাপ
- 4:15:00কত? 20.35। অর্থাৎ
- 4:15:04আমাদের তাপমাত্রা এখন যখন নেমে আসলো 21শে
- 4:15:06তখন 21 ডিগ্রি সেলসিয়াস এ সর্বোচ্চ জলীয়
- 4:15:09বাষ্প থাকতে পারে 20 গ্রাম। আমি গ্রাম বলে
- 4:15:12ফেলতেছি। গ্রাম দিয়ে চিন্তা করাটা সহজ।
- 4:15:14তুমি চাপ দিয়ে হিসাব না করে জিনিসটাকে
- 4:15:17জাস্ট এভাবে চিন্তা করবা যে মিলিমিটার পার
- 4:15:19চাপ আছে ঠিক আছে কিন্তু মনে মনে এটাকে
- 4:15:21চিন্তা করবা একটা গ্রাম ঠিক যেমন 18 গ্রাম
- 4:15:2320 গ্রাম ছিল যে 20 গ্রাম জলীয় বাষ্প
- 4:15:26শুরুতে ছিল যখন টেম্পারেচার 18 হয়ে গেল
- 4:15:28তখন 2 গ্রাম পানি হয়ে গেছিল বা ঘনিভূত
- 4:15:31হয়ে গেছিল তাহলে গ্রাম দিয়ে চিন্তা করলে
- 4:15:32কিন্তু চিন্তা করা সহজ যদিও এখানে চাপ আছে
- 4:15:35কিন্তু এটাকে চিন্তা করবা যে এটা হচ্ছে
- 4:15:37আসলে গ্রামের মতন ঠিক আছে তাহলে দেখো যে
- 4:15:40আমাদের উপস্থিত জলীয় বাষ্পের যেই চাপ
- 4:15:43উপস্থিত উপস্থিত জীবাসপের চাপ মনে করো
- 4:15:45আমাদের বায়ুতে উপস্থিত জলবায়ী ভর দেওয়া
- 4:15:47আছে 22.416
- 4:15:49ঠিক আছে তাহলে খেয়াল করো আমাদের 21
- 4:15:52ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় 21 ডিগ্রি
- 4:15:54সেলসিয়াসে ম্যাক্সিমাম কতটুকু জলীয়
- 4:15:56বাষ্প থাকতে পারে মানে সম্পৃক্ত জলীয়
- 4:15:57বাষ্পের চাপ কত দেওয়া আছে 20.35 20.35 পা
- 4:16:01মিলিমিটার পারদচাপ। তাহলে খেয়াল করো
- 4:16:03ম্যাক্সিমাম থাকতে পারে এইটা। আর উপস্থিত
- 4:16:06আছে হচ্ছে এইটা। তাহলে আমরা কত অংশ ঘনিভূত
- 4:16:10হবে? স যদি আমরা দেখতে চাই যে ঘনিভূত হবে
- 4:16:14কতটুকু?
- 4:16:17ঘনিভূত হবে কতটুকু? ঘনিভূত হবে। টোটাল
- 4:16:21আমরা নিচে কোনটা বসাবো? নিচে বসাবো।
- 4:16:24উপস্থিত কতটুকু ছিল? কারণ এইটার একটা অংশই
- 4:16:26তো ঘনিভূত হবে। এবং বাকি ঘনিভূত হবে
- 4:16:29কতটুকু? এইযে 22.416
- 4:16:31থেকে 20.35 বাদ দিলে যা হয় তাই। তাহলে
- 4:16:35এখান থেকে দেখি 22.416
- 4:16:38মাইনাস 20.35
- 4:16:40ডিভাইডেড বাই 22.416।
- 4:16:42তাহলে এটাকে যদি 100 পারসেন্ট দিয়ে গুণ
- 4:16:45দেই কত পারসেন্ট ঘনিভূত হবে? 9.2 পারসেন্ট
- 4:16:50এটা হচ্ছে ঘনিভূত হবে। ঠিক আছে? অর্থাৎ এত
- 4:16:54পারসেন্ট মানে টোটাল আগে যত বাষ্প ছিল আগে
- 4:16:57যতটুকু বাষ্প ছিল সেই বাষ্পের এত পারসেন্ট
- 4:16:59কিন্তু ঘনিভূত হয়ে যাবে। ঠিক আছে? আশা
- 4:17:01করি বুঝতে পারছো। সো এই ছিল আমাদের আদর্শ
- 4:17:04গ্যাস এবং গ্যাসের গতিতত্ত্বের
- 4:17:06ঝালাই ক্লাস। তোমরা হচ্ছে ইনশাআল্লাহ আমি
- 4:17:09চেষ্টা করছি যত টাইপের প্রবলেম আসলে এখানে
- 4:17:12থাকতে পারে, আসতে পারে। ইনশাআল্লাহ সকল
- 4:17:14টাইপের প্রবলেম নিয়ে আলোচনা হইছে। তোমরা
- 4:17:17টেস্ট পেপার হোক, কম্প্যাক্ট সিরিজ হোক
- 4:17:19এখান থেকে নিজেদের প্র্যাকটিসের জন্য আরো
- 4:17:22প্র্যাকটিস করবা। তাহলে দেখবা যে পরীক্ষার
- 4:17:25হলে একটা কনফিডেন্স পাওয়া যায় না। ঠিক
- 4:17:26আছে? নিজে হাতে কিছু করছো। আর এই যে
- 4:17:28প্রবলেমগুলো সলভ করাইছি ভালো হয়। যদি
- 4:17:30প্রবলেমগুলাও তোমরা যখন সলভ করতেছো পজ করে
- 4:17:33আগে নিজেরা ট্রাই করে তারপরে সলভ করো। তবে
- 4:17:35যেই প্রবলেমগুলো দেখাচ্ছি এগুলো কিন্তু
- 4:17:37রিপিটে না। প্রত্যেকটা টাইপ কিন্তু আমরা
- 4:17:39এখানে কাভার করছি। সো ইনশাআল্লাহ আবার
- 4:17:41নতুন কোন চ্যাপ্টার নিয়ে দেখা হবে। দোয়া
- 4:17:42করো আমাদের জন্য আসসালামু আলাইকুম আল্লাহ
- 4:17:44হাফেজ
About this transcript
This page contains the full transcript of ১ ক্লাসেই আদর্শ গ্যাস ১০০% কমপ্লিট | Ideal Gas One Shot | HSC 27 Physics 1st Paper | Mashrur Bhai by LOBDHI, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 37,190 words across 5,761 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.
What you can do with it
Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.
Free YouTube transcript tool
YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.