বরই গাছের পরী যখন রোমান্টিক বউ Horror Night আমাদের চ্যানেলটি সবাই সাবস্ক্রাইব করুন — Transcript
Full transcript
- 0:00শোন ভাগিনা আমার গ্রামে যেখানে ঘুরাঘুরি
- 0:02করিস না কেন কোন সমস্যা নেই কিন্তু ওই যে
- 0:05নদীর পাড়ে বড়ই গাছটা আছে সে বড়ি গাছের
- 0:08কাছে কখনো যাবি না ওই বড়ির গাছে বড়ি
- 0:11থাকে পরিটা গ্রামের মানুষদের ভয় দেখায়
- 0:13অনেক বড় ক্ষতিও করছে মামার কথায় আমি
- 0:17অবাক হয়ে বললাম সত্যি নাকি মামা বোরের
- 0:20গাছটাতে পড়ি থাকে তুমি [মিউজিক] কি কখনো
- 0:22দেখেছো পরিটাকে না বাগিনা আমি তো দেখিনি
- 0:25তবে গ্রামের অনেকে দেখেছে আমার বাবা মানে
- 0:28তোর নানাও দেখেছে পরিটাকে কে। একটা অবাক
- 0:31করা বিষয় দেখ বুড়ি গাছটাকে [মিউজিক] কত
- 0:33বড়ই বড়ি ধরেছে পেকি নিচেও পড়ে আছে।
- 0:36কিন্তু কেউ এই বড়ি খেতে বা কুরাতে আসেনি।
- 0:39তুই ভাগিনা শহরে পড়াশোনা করেছিস। তোর
- 0:42হয়তো এসব বিশ্বাস নাও থাকতে পারে। মামা
- 0:44হিসেবে আমার সতর্ক করার ছিল আমি করে
- 0:46দিলাম। এদিকে আসবি না কেমন? এখন চল।
- 0:49বাড়ির দিকে পুকুরে মাছ ধরবো চল। কথাটা
- 0:52বলে মামা আমাকে নিয়ে বাড়ির দিকে হাঁটতে
- 0:54লাগলেন। এদিকে তখন আমি পেছনে ফিরে বোর
- 0:57গাছটাকে আরেকবার দেখে [মিউজিক] নিলাম।
- 0:59বুড়ি গাছের দিকে তাকিয়ে চলে গেলাম নানা
- 1:01বাড়িতে। সেখানে গিয়ে কথামতো মামাসহ
- 1:04পুকুরে মাছ ধরলাম। মাছ ধরার শেষে গোসল করে
- 1:07ঘরে [মিউজিক] আসলাম আমি। ঘরে এসে এসে
- 1:10মুচকে মুচকে হাসছি আর মনে মনে বলছি মামা
- 1:12তো জানেনা [মিউজিক] আমার জিনপুরিদের নিয়ে
- 1:14কতটা আগ্রহ। আমি জিনপুরিদের নিয়ে ভিডিও
- 1:17বানিয়ে আমার ইউটিউব চ্যানেলে আপলোড করব।
- 1:19মামার কথা যদি সত্যি হয় তো আমার
- 1:21ক্যামেরায় [মিউজিক]
- 1:22ধরা পড়বে বড়ই গাছের পড়ি।
- 1:25কথাটা বলে ব্যাগ থেকে ক্যামেরার ব্যাটারি
- 1:28বের করে চার্জে [মিউজিক] লাগিয়ে দিলাম।
- 1:29ব্যাটারি চার্জে লাগানোর পর শুতে গেলে
- 1:32নানি এসে ডাক দিয়ে বললেন, নিশাদ [মিউজিক]
- 1:34তোর মামা খেতে রাখা চাই খেতে দেয়। নানির
- 1:37কথায় উঠে মামার ঘরে গেলাম। [মিউজিক]
- 1:39সেখানে গিয়ে খাবার খেয়ে আবারও ঘরে
- 1:41আসলাম। ঘরে এসে শুয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। কারণ
- 1:44রাতে যে বুড়ি গাছের পরিটাকে দেখতে যেতে
- 1:46হবে। আমি ঘুমানোর পর সন্ধ্যার [মিউজিক]
- 1:48আগে উঠে আশেপাশে একটু ঘোরাঘুরি করতে রাত
- 1:51নেমে আসলো। রাত হলে রাতের খাবার খাওয়ার
- 1:53সময় নানী বললেন ইশাদ তুই কি একা ঘুমাতে
- 1:56পারবি একা ঘুমাতে না পারলে তোর মামার সাথে
- 1:59ঘুমা নানির কথা আমি একটু চুপ [মিউজিক]
- 2:01থেকে বললাম না নানি আমি একা ঘুমাতে পারব
- 2:04আমার আবার অন্য কারো সাথে ঘুমাতে গেলেই
- 2:06ঘুম [মিউজিক] আসে না অবশ্য মামার সাথে
- 2:08ঘুমাতে পারলে ভালো হতো মামার সাথে গল্প
- 2:10করতে পারতাম কিন্তু কি করার একা ছাড়া যে
- 2:13ঘুমাতে পারি না আমার এরকম কথায় মামা
- 2:16বললেন আচ্ছা [মিউজিক] তুই একাই ঘুমাবি
- 2:18সমস্যা নেই মামার কথায় আমি আর কে না বলে
- 2:21খাবার খেয়ে ঘরে গেলাম। ঘরে যাবার পর
- 2:24অপেক্ষা করতে লাগলাম রাত কিছুটা গভীর
- 2:26হওয়ার জন্য। এই ভেবে ফেসবুকে বন্ধুদের
- 2:29সাথে কথা বলে সময় পার করছিলাম। ওদের সাথে
- 2:31কথা বলতে বলতে রাতে কিছুটা গভীর হলো। তখন
- 2:34আমি আমার [মিউজিক] ব্যাগের মধ্যে
- 2:35ক্যামেরাটা নিয়ে আসতে করে উঠে দরজা খুলে
- 2:38চলে গেলাম বাইরে। বাইরে গিয়ে হাঁটতে
- 2:41লাগলাম ওই বুড়ি [মিউজিক] গাছটার দিকে।
- 2:43আকাশের চাঁদের ঝলমলে আলোতে হাঁটতে ভালো
- 2:46লাগছিল। জিনভূতের ভয় না মানুষ দেখে ফেলার
- 2:49ভয়। হাটচার ভাবছি কেউ দেখে যেন না ফেলে।
- 2:53এসব ভাবতে ভাবতে [মিউজিক] একসময় পৌঁছে
- 2:55গেলাম বড়ই গাছের কাছে। ওখানে গিয়ে বড়ই
- 2:58গাছ থেকে একটু [মিউজিক] দূরে একটা গাছের
- 3:00গোড়ায় বসে পড়লাম। দিনের বেলা মামার
- 3:02সাথে এখানে [মিউজিক] এসেছিলাম তখন
- 3:04জায়গাটা স্বাভাবিক লাগলেও এখন ভয়ঙ্কর
- 3:07লাগছে। পাশে থাকা নদীর ঠান্ডা বাতাসে
- 3:10শরীরের লোম দাঁড়িয়ে যাচ্ছে। [মিউজিক]
- 3:12আমি গাছের গোড়ায় বসে ক্যামেরা অন করে
- 3:14বড় গাছের দিকে তাকিয়ে আছি কখন পড়ে আসে।
- 3:17কিন্তু অনেক সময় পার হয়ে গেলেও পরিকে
- 3:19দেখতে পারিনা। আমি পরীকে না দেখায় একসময়
- 3:23ভাবলাম চলে যাব কিনা। [মিউজিক] ঠিক সে
- 3:25সময় বড়ই গাছের নিচে কিছু একটার আওয়াজ
- 3:27পাই। বুড়ি গাছের নিচে আওয়াজ পেতে আমি
- 3:29ওদিকে তাকাই কিন্তু [মিউজিক] ওখানে কাউকে
- 3:32দেখতে পারিনা। আমি নিচের দিকে কাউকে না
- 3:34দেখে আবারো উপরের দিকে তাকিয়ে চমকে উঠি।
- 3:37উপরে তাকিয়ে দেখি বড়ই গাছের একটা ডালে
- 3:39বসে আছে একজন মহিলা অবয়। উনার মুখ আমি
- 3:43[মিউজিক] দেখতে পাচ্ছিলাম না। কারণ উনি
- 3:45উল্টো দিকে নদীর দিকে মুখ করে বসেছিল।
- 3:48ওনার সাদা সাদা বিশাল লম্বা বড় চুল
- 3:51চুলগুলো [মিউজিক] গাছ থেকে লম্বা হয়ে
- 3:53নিচে নেমে গেছে এরকম দৃশ্য দেখে মনের
- 3:56অজান্তে ভয় চলে আসলো আমার মাঝে আমি ভয়
- 3:59পেয়ে আমার [মিউজিক] ক্যামেরা অন করে
- 4:01ভিডিও করতে লাগলাম ভিডিও করছি আমি ওদিকে
- 4:04পরিটা গাছের ডালে বসে আছে এমন হঠাৎ
- 4:07[মিউজিক] আমার পেছনে কিছু একটা আওয়াজ
- 4:09পেয়ে পেছনে ঘুরে চমকে উঠে ধপাস করে
- 4:12মাটিতে পড়ে গেলাম ওদিকে তখন পেছনে থাকা
- 4:14শিয়ালের বাচ্চাটা ভয়ে পিছিয়ে গেল আমার
- 4:17পেছনে শিয়াল বাচ্চা ছিল একটি। আমি
- 4:20শেয়ালের বাচ্চাটাকে দেখে শব্দ না করে হাত
- 4:23ইশারা করে ভয় [মিউজিক] দেখাতে গেলে
- 4:25শেয়ালের বাচ্চাটা ভয়ে সেখান থেকে পালিয়ে
- 4:28গেলেন। ওদিকে তখন আবারো বড়ই গাছের নিচে
- 4:30তাকালে দেখলাম এবার পুরিটা গাছের ডালে
- 4:33নেই। [মিউজিক] পুরিটা নিচে নেমে হেঁটে
- 4:35হেঁটে নদীর দিকে যাচ্ছে। এমন সময় আমিও
- 4:38ক্যামেরা অন করে সামনের [মিউজিক] দিকে
- 4:40এগোতে লাগলাম। আমি সাবধানে লুকিয়ে সামনে
- 4:42এগিয়ে যাচ্ছি। ওদিকে পুরি হাঁটতে হাঁটতে
- 4:44নদীর একদম কাছে চলে গেলেন। পরীটা পানির
- 4:47কাছাকাছি [মিউজিক] গিয়ে এক লাফে পানিতে
- 4:49লাফ দিলেন। পুরি পানিতে লাফ দিয়ে নামার পর
- 4:52মাছ নদীতে গিয়ে ভেসে রইলেন। এদিকে
- 4:55[মিউজিক] আমি বেশ খুশি হয়ে ভিডিও করছি।
- 4:58বেশ কিছুক্ষণ ভিডিও করার পর হঠাৎ মাছ
- 5:00নদীতে পানি খুরপাক খেতে লাগলেন। পানি
- 5:02খুরপাক খেতে খেতে সেখানে হঠাৎ করে মিলিয়ে
- 5:05গেলেন পুরিটা। [মিউজিক]
- 5:06পুরি পানিতে মিলে যাবার পর আমি সেখানে আর
- 5:09দেরি করলাম না। আমি সেখানে দেরি না
- 5:11[মিউজিক] করে চলে আসলাম মামা বাড়িতে।
- 5:13সাবধানে বাড়িতে এসে ঘরে ঢুকে দরজা
- 5:15লাগিয়ে বিছানায় [মিউজিক] বসলাম।
- 5:17বিছানায় বসে লম্বা নিঃশ্বাস ফেলে বললাম,
- 5:19অবশেষে মামার কথাই সত্যি [মিউজিক] হল। আমি
- 5:22পরীকে দেখতে পারবো ভাবতে পারিনি। আমি
- 5:24পরীকে দেখে ভিডিও করতে পারছি এটা ভেবে
- 5:27অনেক আনন্দ হচ্ছিল। এই ভিডিও [মিউজিক]
- 5:29YouTube এ আপলোড করলে অনেক ভিউ হবে। এভাবে
- 5:32ভিডিও করা কেমন হয়েছে এটা ভেবে ক্যামেরা
- 5:35চেক করে অবাক হয়ে গেলাম। আরে এটা কিভাবে
- 5:37সম্ভব? আমার ক্যামেরায় পুরি ধরা পড়ে
- 5:40নিজে। আশেপাশে দৃশ্য বুড়ি গাছ সবই ঠিক
- 5:43আছে। [মিউজিক] কিন্তু পরিকে দেখতে পাচ্ছি
- 5:45না কেন? সব ভিডিও হলেও পরির ভিডিও হয়নি।
- 5:49এটা কেমনে সম্ভব? আমি তখন পরীকে ভিডিও
- 5:52করার সময় ক্যামেরায় দেখেছিলাম। কিন্তু
- 5:54এখন দেখতে পাচ্ছি না কেন?
- 5:57পরি ভিডিও করতে না পেরে মন খারাপ করে সেই
- 6:00রাতের মত [মিউজিক] শুয়ে পড়লাম। পরেরদিন
- 6:02সকালে উঠে ব্রাশ করতে করতে বাইরে গিয়ে
- 6:04বসে ভাবতে লাগলাম আচ্ছা গতকাল রাতে এরকমটা
- 6:08কেন হলো? আগে ভূতের মুভিতে দেখতাম
- 6:10ক্যামেরায় ধরা পড়ে। এদিকে দেখে আমার
- 6:13বেধে উল্টো হলো। [মিউজিক]
- 6:15এসব ভাবছি আর ওখানে বসে ব্রাশ করছি। এমন
- 6:18সময় বাড়ি থেকে ডাক দিয়ে মামা বললেন,
- 6:20নিশাদ আয় হাত মুখ ধুয়ে এনে নাস্তা করব।
- 6:22মামার কথা উঠে হাত মুখ ধুয়ে খাবার খেয়ে
- 6:24নিলাম। খাবার খেয়ে ঘরে যাওয়ার সময় মামা
- 6:26বললেন নিশাদ আমি কাজে বাইরে যাচ্ছি ফিরতে
- 6:29বিকেল হবে তে কোথাও বেড়াতে গেলে
- 6:31তাড়াতাড়ি বাড়িতে আসিস মামার কথায় আমি
- 6:34মাথা নিয়ে বললাম ঠিক আছে মামা তখন মামা
- 6:36চলে গেলেন এদিকে আমি আরো কিছুক্ষণ শুয়ে
- 6:39থেকে বাইরে হাঁটতে বের হলাম বাইরে হাঁটার
- 6:41সময় হঠাৎই বড়ই গাছের পুরির কথা মনে হলো
- 6:44পরির কথা মনে হতে আমি [মিউজিক] সেখান থেকে
- 6:46চলে গেলাম বুড়ি গাছটার কাছে রাতে এখানে
- 6:51পুরিকে দেখেছিলাম মনে হয় না দিনের বেলা
- 6:53গাছটা ও জায়গাটা স্বাভাবিক [মিউজিক]
- 6:55লাগছে। আমি গাছটা চারিদিকে ঘুরলাম। ঘরে
- 6:57ক্যামেরা অন করে বুড়ি গাছটার [মিউজিক]
- 6:59একটা ভিডিও করলাম। বুড়ির কাছে ভিডিও করে
- 7:02আশেপাশে আরো কিছু সুন্দর জায়গার ভিডিও
- 7:05শেষে মনে মনে ভাবলাম কাল তো বুড়ির ভিডিও
- 7:08করতে [মিউজিক] পারিনি। আজ পারবো। আমি
- 7:10আজকেও আসবো এখানে। মনে মনে এসব চিন্তা করে
- 7:13গ্রামের কিছু জায়গা ঘুরে চলে [মিউজিক]
- 7:15গেলাম মামা বাড়িতে। ততক্ষণে দুপুর হয়ে
- 7:17গেছে। দুপুর হওয়ায় আমি গোসল করে খেয়ে ঘরে
- 7:20এসে শুয়ে রইলাম। এমন সময় আমার বন্ধু
- 7:22[মিউজিক] ফোন করে বললেন নিশাদ কোথায় তুই
- 7:25তোর বাবার কাছে শুনলাম তোর [মিউজিক]
- 7:27নানা বাড়িতে গেছিস তোরা কবে আসবি ওখান
- 7:29থেকে বন্ধুর কথা জবাবে ওকে জানিয়ে দিলাম
- 7:33দুদিন পর আমার কথায় ও আরো কিছুক্ষণ কথা
- 7:36বলে ফোনটা [মিউজিক] রেখে দিলেন। এদিকে তখন
- 7:38আমি বাকি দিনটুকু ঘুমিয়ে কাটিয়ে দিলাম।
- 7:41দিন পেরে রাত হলো। রাত হলে গত রাতের
- 7:43[মিউজিক] মতো সবাই ঘুমিয়ে গেলে আমি আস্তে
- 7:46করে ঘর থেকে বেরিয়ে হাঁটতে লাগলাম ওই
- 7:48বুড়ি গাছটার দিকে। গতকাল রাতে পুরিকে
- 7:51ভিডিও করে দেখতেও পারিনি। [মিউজিক] এ
- 7:53বিষয়টা কেন ঘটলো এটাই বুঝতে পারছিলাম না।
- 7:56গতকাল রাতের কথা ভাবতে ভাবতে [মিউজিক]
- 7:58একসময় চলে আসলাম বুড়ি গাছের পাশে।
- 8:00সেখানে এসে একটা বুড়ি গাছের আড়ালে বসে
- 8:02রইলাম। আমি সেখানে বসে বুড়ি গাছের দিকে
- 8:05তাকিয়ে আছি। ছি [মিউজিক] পোকা ডাক ছিল
- 8:07তখন। আমি মাঝে মধ্যে পেছনে তাকিয়েও দেখছি
- 8:10শিয়াল কুকুর কিছু আসে কিনা। আমি আশেপাশে
- 8:13তাকিয়ে ক্যামেরা অন করে বুড়ি গাছের দিকে
- 8:15তাকিয়ে আছি। এমন সময় পেছন থেকে হঠাৎ
- 8:18আমার কাঁধে কেউ হাত রাখে। এই গভীর এই
- 8:20জায়গায় আমার কাঁধে কেউ হাত রাখছে এটা
- 8:23[মিউজিক] তো নিশ্চয়ই সাধারণ কোন হাত নয়।
- 8:25এসব ভেবে ভয়ে ভয়ে পেছনে ঘুরে তাকাতেই
- 8:28দেখলাম একটা মেয়ে। [মিউজিক]
- 8:31মেয়েটাকে দেখে অবাক হয়ে বললাম, আরে আপনি
- 8:33কে? এই রাতের বেলা এখানে। আমার কথায়
- 8:36মেয়েটা বলল, আপনি [মিউজিক] যে কারণে
- 8:37এখানে এসেছেন, আমিও সেই কারণে এখানে
- 8:39এসেছি। এবার ভাবুন আমি কে? তখন আমি একটু
- 8:43চিন্তা করে বললাম আপনি আমার মত ভিডিও করতে
- 8:46আসছেন। [মিউজিক] আপনি এই বড়ই গাছের পুরির
- 8:48বিষয়ে জানলেন কিভাবে? আপনার বাসা কোন
- 8:50গ্রামে? আমার কথা একটা গ্রামের দিকে ইশারা
- 8:53করে ওই বললেন ওই গ্রামে। মেয়েটার কথা শেষ
- 8:56না হতে আমি বড়ি গাছের দিকে একটা আওয়াজ
- 8:59পেয়ে ওদিকে তাকাতেই দেখলাম, [মিউজিক]
- 9:01গতকাল রাতের মতোই বুড়ি গাছের ডালে উল্টো
- 9:04হয়ে বসে আছে সেই বুড়ি। পরিকে দেখে আমি
- 9:06পেছনে না তাকিয়ে মেয়েটাকে বললাম
- 9:08[মিউজিক] আচ্ছা আমি তো ওইদিক থেকে ভিডিও
- 9:11করছি আপনি অন্য সাইডে গিয়ে ভিডিও করুন
- 9:13কেমন? কিন্তু আমার কথার কোন আওয়াজ পেলাম
- 9:16না। আমার কথার আওয়াজ না পেয়ে পিছনে
- 9:18[মিউজিক] ঘুরে তাকিয়ে দেখলাম মেয়েটা
- 9:19কোথাও নেই। আরে এটা কিভাবে সম্ভব? মেয়েটা
- 9:23এই কয়েক সেকেন্ডের মধ্যে কোথায় গেল?
- 9:25মেয়েটাকে না দেখে ভাবলাম অন্যদিকে চলে
- 9:27গেছে হয়তো। এই ভিডিও বুড়ি গাছের ডালে
- 9:30বসে থাকা পুরির ভিডিও করছিলাম। এভাবে
- 9:33কিছুটা সময় [মিউজিক] চলে গেলে আজকে ঘরে
- 9:35গাছের ডালে পরীটা পেছনের দিকে ঘুরে সামনের
- 9:38দিকে হয়ে বসে [মিউজিক]
- 9:39পরিটা পেছন থেকে ক্যামেরার সামনের দিকে
- 9:41হওয়ায় আমি চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে থাকি
- 9:44কারণ এই পরীকেই [মিউজিক] তো আমি এতক্ষণ
- 9:46দেখলাম আমার পাশে মেয়েটার রূপে আমার সাথে
- 9:48একটু আগে যে মেয়েটা [মিউজিক] কথা বলছিল
- 9:50সেও না ও ছিল নিজেও ছিল সেই পরিটা পরি
- 9:54মেয়েটার রূপ নিয়ে আমার কাছে আসছে এর
- 9:56মানে পুরি আমার বিষয়ে [মিউজিক] জেনে গেছে
- 9:58পরিস্থিতি খারাপভাবে বুঝতে পেরে সেখান
- 10:00থেকে চলে যেতে চাইবো এমন সময় আমাকে অবাক
- 10:03করে দিয়ে আমার কাছ থেকে কিছুটা [মিউজিক]
- 10:05দূরে থাকা বড় গাছের ডালির উপর থেকে পরি
- 10:08তার গলাটা
- 10:09লম্বা করে ওর মাথাটা আমার সামনে নিয়ে
- 10:12আসলেন। গলাটা লম্বা করে মাথাটা আমার সামনে
- 10:14নিয়ে আসায় ভয়ে আমি চিৎকার করে দুপা
- 10:16পিছে [মিউজিক] গেলাম। আমি পিছে গিয়ে
- 10:18সেখানে আর দেরি না করে মামা বাড়ির দিকে
- 10:21দৌড়াতে লাগলাম। এদিকে এমন সময় আমার পিছন
- 10:24পিছন হাসতে হাসতে এগিয়ে আসতে লাগলেন একটা
- 10:26মাথা। আমি দৌড়াচ্ছি আমার পেছনে পরীর
- 10:29মাথাটা উড়ে উড়ে আসছে আর ভয়ঙ্করভাবে
- 10:31হাসছে পরির মাথা হাসে আর বলে কিরে ভিডিও
- 10:35করবি না নেকর ভিডিও এরকম কথা শুনে জীবন
- 10:39বাঁচাতে জোরে দৌড়াতে গিয়ে [মিউজিক]
- 10:40মাটিতে হুজুর খেয়ে পড়ে গেলাম আমি পড়ে
- 10:43যাওয়ার পর আমার আর কিছু মনে নেই আমি
- 10:45বেহুশ হয়ে যাই আমার যখন হুশ ফেরে তখন
- 10:47নিজেকে দেখি মামা বাড়িতে আমার পাশের নানি
- 10:50মামা ওরা বসে আছে আমার হুশ ফিরতেই মামা
- 10:53বললেন বাবা নিশাদ কি হয়েছিল তোর তুই এই
- 10:55রাস্তার মধ্যে পড়েছিলি কেন? গভীর রাতে
- 10:58ওখানে কি করছিলি? মামার কথায় আমি একটু
- 11:00চুপ থেকে বললাম। না মানে মামা রাতে ঘুমা
- 11:03আসছিল না তা ক্যামেরাটা নিয়ে আকাশের
- 11:05[মিউজিক] চাঁদের ভিডিও করতে বের
- 11:06হয়েছিলাম। এমন সময় ভয় পেয়ে জ্ঞান
- 11:09হারিয়েছি। আমার কথায় মামা [মিউজিক]
- 11:11বললেন তোকে না বলেছিলাম যেখানে সেখানে না
- 11:13যেতে। তা আবার রাত্রেবেলা ভাগ্য বলে আমি
- 11:16সঠিক সময় খুঁজতে বের হয়েছিলাম। আমি
- 11:18বাথরুমে যাবার জন্য বাইরে বের হয়ে দেখি
- 11:20বাতাসে তুই যে ঘরে ছিলি সে ঘরের দরজাটা
- 11:22খুলে গেছে। দরজা খোলা দেখে তোর ঘরে গিয়ে
- 11:26দেখলাম তুই ঘরে নেই। তোকে ঘরে না দেখে
- 11:28আশেপাশে খুঁজতে দেখে না পেয়ে লাইট নিয়ে
- 11:30খুঁজতে বের হলাম। খুঁজতে খুঁজতে তোকে
- 11:33[মিউজিক] ওই রাস্তায় বেহুশ অবস্থায়
- 11:35পেলাম। এ থেকে কোথাও যাবি না। মামার কথায়
- 11:39আমি আর কিছু বললাম [মিউজিক] না। তখন নানী
- 11:41বললেন, শরীরে মাটি লেগে আছে। যা হাত মুখ
- 11:44ধুয়ে ঘুমা। নানীর কথামতো তাই করলাম। হাত
- 11:46মুখ ধুয়ে ঘরে এসে দরজা লাগিয়ে শুয়ে পড়লাম।
- 11:49শুয়ে শুয়ে ভাবতে লাগলাম এটা কি ঘটলো
- 11:51[মিউজিক] আমার সাথে? আল্লাহর রহমতে পরীর
- 11:53হাত থেকে বেঁচে গেছি। এসব ভাবতে ভাবতে
- 11:56ঘুমিয়ে গেলাম। আমার যখন ঘুম ভাঙলো তখন
- 11:59বুঝতে পারলাম শরীরে প্রচুর জ্বর। আমার
- 12:01শরীরে অনেক জ্বর দেখে মামা আমাকে সাথে
- 12:04[মিউজিক] নিয়ে মসজিদের ইমাম সাহেবের কাছে
- 12:06গেলেন। সেখানে গিয়ে ঝাড়ফুঁক করে নিয়ে
- 12:08আসলেন আমাকে। বাড়িতে আসার পর মামাকে
- 12:11বললাম, মামা বলছিলাম আমি বাড়িতে চলে যাই।
- 12:13[মিউজিক] দুই তিনদিন ধরে তো এখানে আছি।
- 12:16আমার কথায় মামা বললেন না আজে চলে যাবি।
- 12:18তোর তো শরীরে জ্বর সুস্থ হও তারপর যাবি।
- 12:20[মিউজিক] মামার কথায় আমি বললাম না মামা।
- 12:22শরীরে বেশি জ্বর নেই সমস্যা হবে না। আমি
- 12:25কিছুক্ষণ আরাম করি জ্বর আরেকটু কমলে তারপর
- 12:27[মিউজিক] চলে যাব। আমার কথায় মামা রাজি
- 12:29হলে আমি সেখানে শুয়ে রইলাম আরো কিছুক্ষণ।
- 12:31বেশ কিছুক্ষণ শুয়ে থেকে জ্বর একটু কমলে
- 12:33[মিউজিক]
- 12:34রেডি হয়ে মামা ও নানীর কাছ থেকে বিদায়
- 12:36নিয়ে রওনা করলাম বাড়ির দিকে।
- 12:39আমি অটো করে বাড়িতে ফিরছিলাম। এমন সময়
- 12:41একটা সুন্দর জায়গা দেখে ভাবলাম ক্যামেরা
- 12:44দিয়ে ভিডিও করি। এভাবে ক্যামেরা বের করতেই
- 12:47একটা কথা মনে হলো। গতকাল রাতে পরির
- 12:49[মিউজিক] কোন ভিডিও করতে পারছিলাম কিনা।
- 12:51এভাবে গতকাল রাতে ভিডিও করা ভিডিওটা বের
- 12:54করে দেখলাম কিন্তু এবারও কোন লাভ হলো না।
- 12:58[মিউজিক] পরশুদিনের মতো গতকালের রাতের
- 13:00ভিডিও করেও কোন লাভ হয়নি। ভিডিওটা সব
- 13:02দেখা [মিউজিক] গেলেও পরীক্ষকে দেখা যাচ্ছে
- 13:04না। পরীক্ষকে দেখতে না পেয়ে মন খারাপ করে
- 13:07আগের ভিডিওটা দেখতে গেলাম। যে ভিডিওটা
- 13:09গতকাল দিনের বেলা করেছিলাম। বুড়িগাছ নদী।
- 13:12এগুলো ভিডিও করছিলাম। [মিউজিক]
- 13:13আমি গতকাল দিনের ওই ভিডিওটা চালু করতে
- 13:16চমকে উঠলাম। একি, দিনের বেলা বরি গাছটার
- 13:19ভিডিও করছিলাম। তখন শুধু বরি গাছটা ছিল।
- 13:21কিন্তু ক্যামেরার মধ্যে তো ভয়ঙ্কর এক
- 13:23পরীকে দেখা যাচ্ছে। [মিউজিক] পরিরা গাছের
- 13:25ডালে বসে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে ছিল। এটা
- 13:27কিভাবে সম্ভব? রাতের বেলা পরিকে দেখার পর
- 13:30[মিউজিক] ভিডিও করছিলাম। কিন্তু পরে পরীকে
- 13:32দেখতে পাচ্ছি না। ওদিকে পরীকে না দেখে যে
- 13:35ভিডিও করছি সে ভিডিওটি পরীকে দেখা যাচ্ছে।
- 13:38মামা ঠিকই বলেছে আমার ওই বট গাছের বড়ি
- 13:41গাছের ওখানে যাওয়াটা ঠিক হয়নি [মিউজিক]
- 13:43এ পরিটা নিশ্চয়ই ভয়ঙ্কর এখন বুঝতে পারছি
- 13:46পরির ভয়ে কেন সবাই বড়ি গাছের কাছে যায়
- 13:50না আমি অবাক হয়ে চলে গেলাম বাড়িতে
- 13:52বাড়িতে যাওয়ার পর মা বাবা বলল কে
- 13:55[মিউজিক] নানা বাড়িতে থাকা হলো তখন মাকে
- 13:57বলল দুই তিন দিন তো থাকলাম মা আর কতদিন
- 14:00থাকলাম তখন বাবা বললেন ভালো করেছিস এসেছিস
- 14:04তো পড়াশোনা আছে কয়েকদিন ধরে কলেজেও
- 14:06যাসনি যা ঘরে ঘরে গিয়ে জামাকাপড় পাল্টা।
- 14:09বাবার কথায় [মিউজিক] ঘরে গিয়ে সব চেঞ্জ
- 14:11করে শুয়ে রইলাম। বিকাল পর্যন্ত শুয়ে থেকে
- 14:14বিকালে আমার বন্ধু জয় ও হাসানের সাথে দেখা
- 14:16করলাম। ওদের সাথে দেখা হতেই মামা বাড়িতে
- 14:19গিয়ে কি কি ঘটেছে সবকিছু খুলে বললাম। সব
- 14:22শুনে জয় বলল, ধুর [মিউজিক] আমাদের বানিয়ে
- 14:24বানিয়ে মিথ্যা গল্প বলছিস তাই না? পরিকে
- 14:27ভিডিও করার পর দেখা যাবে না আর কেন? আর
- 14:29এখনো কি আগের মত যুগ আছে যে বট গাছ, তেতুল
- 14:32গাছ, বোড় [মিউজিক] গাছ এগুলোতে জিনপরি
- 14:34থাকবে? বন্ধু জয়ের কথায় ওকে বললাম, আরে
- 14:37বিশ্বাস কর এসব আমি [মিউজিক] সত্যি আমাদের
- 14:39গ্রামে একটা বুড়ি গাছ আছে যেখানে বুড়ি
- 14:42থাকে। এই গ্রামের অনেকেই দেখেছে বুড়টাকে।
- 14:45বুড়িটার ভয়ে কেউ গাছের কাছে যায় না। গাছের
- 14:48বুড়িও খায় [মিউজিক] না। তখন হাসান বলল,
- 14:52তোর কথাগুলো তো রূপকথার গল্পের মতো লাগছে।
- 14:54আমাদের বানিয়ে বানিয়ে গল্প বলছিস তাই না?
- 14:57আরে না সব সত্যি। তোরা বিশ্বাস করবি না
- 14:59জানি তাই আমার ক্যামেরায় সাথে করে নিয়ে
- 15:01আসছি। দেখ এখানে ভিডিও করা আছে। এই বলে
- 15:04আমি যে ভিডিওটা করছিলাম ওটা [মিউজিক] চালু
- 15:07করলাম। কিন্তু একি এখন তো কিছুই দেখা
- 15:10যাচ্ছে না। আরে হঠাৎ কি হলো? আমি মাও
- 15:13বাড়ি থেকে ফেরার সময় ভিডিওগুলো
- 15:14দেখেছিলাম যেখানে পুরিটা ক্যামেরার দিকে
- 15:16তাকিয়েছিল। [মিউজিক]
- 15:17এখন তাহলে দেখা যাচ্ছে না কেন? ওদিকে
- 15:20ভিডিওতে কিছু দেখতে না পেয়ে জয় বলল, কই
- 15:23এখানে তো কাউকে দেখা যাচ্ছে না। [মিউজিক]
- 15:24তুই তো শুধু বড় গেছে ভিডিও করছিস। সাথে
- 15:27নদীটার দিনের বেলা ভিডিও করছিস। পড়ি পাবি
- 15:29কোথা থেকে? আমাদের মিছে মিছে [মিউজিক]
- 15:31মিথ্যা কেন বললি? আরে জয় মিথ্যা না আমার
- 15:34সব কথা সত্যি। আমি পুরির ভিডিও করতে গিয়ে
- 15:37ভয়ে বেহুশ হয়েও গিয়েছিলাম। ওখানে সত্যি
- 15:39পুরি আছে। আমার কথা বিশ্বাস না হলে নিজে
- 15:41[মিউজিক] দেখে আয়। আমার কথা তখন হাসান
- 15:44বলল, হ্যাঁ তাই করব। আমাদের তাহলে নিয়ে
- 15:46[মিউজিক] চল। নিয়ে চল মানে কোথায় নিয়ে
- 15:48যাব? আমার কথায় জয় বলল, কোথায় আবার নিয়ে
- 15:51যাবি? তোর মামার বাড়ি যে ওই গ্রামে বুড়ি
- 15:54গাছের কাছে। আরে কি বলিস? না না। আমি এসব
- 15:56পারবো না। আমি যে ভয় পাইছি পাগল হলি। আমি
- 15:59আরো ওখানে [মিউজিক] যাই। আমি তোদের সব
- 16:01ঠিকানা দিচ্ছি তোরা যা দেখতে পাবি। তখন
- 16:03হাসান বললেন তুই থাকতে আমরা একা যাবো কেন?
- 16:06তুই আমাদের নিয়ে যাবি। তোর ভয় কিসের?
- 16:08আমরা দুজন তোর সাথে তো যাবই থাকবো তাই না?
- 16:11ওদের কথায় আমি কোনভাবে রাজি হচ্ছিলাম
- 16:13[মিউজিক] না। আমি রাজি না হওয়ায় জয়
- 16:15বলল, নিশাদ? আমাদের মিথ্যা বলছিস তাই না?
- 16:18এখন যদি নিজের চোখে দেখতে যেতে চাইতাম তো
- 16:21যেতে চাচ্ছিস না। এসব নাটক করার দরকার কি
- 16:24ছিল বলতো? বন্ধুদের কথা এবার মনে হলো ওদের
- 16:26নিয়ে যাওয়া উচিত। যতই ভয় লাগুক আমার
- 16:29কথা ওরা কোনভাবে বিশ্বাস করছে [মিউজিক]
- 16:32না। ওদের এরকম কথা আমি বললাম ঠিক আছে আমি
- 16:35যাব কিন্তু আমি দূরে বসে থাকবো। তোরা
- 16:38বড়িগাছের কাছে যাবি। ওখানে গিয়ে ভয়
- 16:40পেলে বা তোদের কিছু হলে [মিউজিক] কিন্তু
- 16:42আমাকে বলতে পারবি না।
- 16:45আমার কথা হাসান ও জয় রাজি হয়ে বললেন
- 16:47আচ্ছা [মিউজিক] ঠিক আছে। আমাদের যা হয়
- 16:49হবে তোকে কিছু বলবো না। ওরা রাজি হয়। আমি
- 16:52বললাম ওকে আমার শরীরে অনেক জ্বর। [মিউজিক]
- 16:54আর আজকে আমি মামা বাড়ি থেকে আসছি। আজকে
- 16:57যাওয়া ঠিক হবে না। আমি কাল তোদেরকে নিয়ে
- 16:59যাব। আমার কথায় ওরা রাজি হলে [মিউজিক]
- 17:02আমি চলে গেলাম বাড়িতে। এই ঘটনার পরে
- 17:04বিকালে কথামতো জয় হাসান আমার কাছে আসলে
- 17:07আমি বললাম, [মিউজিক]
- 17:08শোন ভাই আমি কিন্তু আবারও তোদের সাবধান
- 17:10করছি। ওখানে সত্যি পড়ি আছে। তোদের কিন্তু
- 17:13সমস্যা হবে। আমার কথা ওরা বলল, আরে তুই তো
- 17:16নিয়ে চল। তারপর দেখা যাবে ওখানে পুরি
- 17:18থাকলে তো বুঝতে পারছি ওদের বুঝে কোন
- 17:20[মিউজিক] লাভ হবে না। তাদের বললাম চল রওনা
- 17:23করি।
- 17:27কথাটা বলে ওদেরকে নিয়ে রওনা করলাম মামার
- 17:30বাড়ির গ্রামের দিকে। আমি ওখানে যাচ্ছি।
- 17:32এটা মা-বাবা মামাকে বলিনি। প্রিয়
- 17:35[মিউজিক] লিসেনার মাঝখানে একটু বিরোতি
- 17:38দিলাম। আপনারা যারা মুভি এক্সপ্লেনেশন
- 17:40ভিডিও দেখতে পছন্দ করেন তারা অবশ্যই আমার
- 17:42ভয়েস অফ ইফতি চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করে
- 17:45দিবেন। ধন্যবাদ সবাইকে। চলুন আমার গল্পে
- 17:47ফেরা যাক। আমরা তিনজন গল্প করতে করতে
- 17:49সন্ধ্যার দিকে [মিউজিক] পৌঁছে গেলাম সেই
- 17:51গ্রামে। সেখানে গিয়ে একটা দোকানে বসে
- 17:53কিছু খাবার খেলাম। খাবার খেয়ে রাত
- 17:55[মিউজিক] 8:00টা নয়টা বাজলে সবার চোখের
- 17:57আড়ালে তিনজনে রওনা করলাম ওই বুড়ি গাছটার
- 18:00দিকে। আমরা রওনা করার পর আমি শেষবারের মতো
- 18:03আরেকবার [মিউজিক] ওদেরকে না করে দিলাম।
- 18:05কিন্তু এতেও কোন লাভ হলো না। ওরা আমার কথা
- 18:08শুনলো না। এদিকে তখন আমরা নদীর পাড় ধরে
- 18:10বোরি গাছের কাছাকাছি [মিউজিক] চলে আসলাম।
- 18:12সেখানে আসার পর আমি বললাম, এই তোরা যা। ওই
- 18:15যে চাঁদের আলোতে একটা গাছ দেখতে [মিউজিক]
- 18:17পাচ্ছিস ওটা বোরি গাছ। ওখানে গিয়ে লুকিয়ে
- 18:19তাকিয়ে ধাক্কা দেখতে পারবি। আমার কথা ওরা
- 18:22বললেন, তুই এখানে কি করবি? মনে রাখিস আমরা
- 18:25দুজন গেলে তুই তো একা [মিউজিক] হয়ে পড়বি।
- 18:27তখন ভয় যেনও না পাস। ওদের কথাতেই আমার ভয়
- 18:30চলে আসলো। [মিউজিক] আমি ভাবলাম ঠিকই তো
- 18:32ওরা গেলে তো একা হয়ে যাব। তখন আবার পড়ি
- 18:35এসে আমাকে ধরবে না তো? এসব ভেবে উপায় না
- 18:37পেয়ে ওদের সাথে বড়ি গাছের কাছাকাছি চলে
- 18:40গেলাম। সেখানে যাবার পর ঝোপের আড়ালে
- 18:43লুকিয়ে ওদের বললাম, এখানে চুপ করে বসে থাক
- 18:45দেখতে পারবি। আমার কথায় ওরা সেখানে চুপ
- 18:47[মিউজিক] করে কিছুক্ষণ বসে রইলেন। বেশ
- 18:49কিছুক্ষণ চুপ থেকে জয় বললেন, আরে দূর কই
- 18:52এখানে থেকেও নেই। কথাটা বলে জয় উড়ে ভরে
- 18:56গাছের দিকে এগিয়ে যেতে লাগলেন।
- 18:59এদিকে আমিও হাসান পেছন থেকে ডাকছি
- 19:01[মিউজিক] আর বলছি, এই জয় কি করছিস? আরে
- 19:03এদিকে আয় ওদিকে যাসনে সমস্যা হয়ে যাবে শোন
- 19:06কিন্তু আমারও হাসানের কোন কথা না শুনে
- 19:08হাসান এই বুড়ি গাছের কাছে চলে গেলেন।
- 19:11সেখানে গিয়ে জয় কি কি জানি করতে লাগলেন।
- 19:13রাতের বেলা স্পষ্ট কিছুই বোঝা যাচ্ছিল না।
- 19:16এভাবে বেশ কিছুক্ষণ হয়ে গেলে জয় আবারো
- 19:18ফিরে আসলেন [মিউজিক] আমাদের কাছে। জয় ফিরে
- 19:20এসে ওর হাত ধরে টেনে বসে বললাম, এই, কই
- 19:24গিয়েছিলি? এভাবে? যদি কিছু হয়ে যেত। আমার
- 19:27কথায়। জয় [মিউজিক] বলল, এখানে কিছু থাকলে
- 19:30তো হবে। চল এখানে থেকে লাভ নেই। এখানে
- 19:32কিছুই নেই। জয়ের কথা জয়। আমি কিছু বলার
- 19:35আগেই হাসান [মিউজিক] বললেই দেখ বড়ি গাছের
- 19:38দিকে তাকা। হাসানের কথায় বড়ি গাছের দিকে
- 19:40তাকালে দেখলাম সাদা কাপড় পরা লম্বা চুল বড়
- 19:44গাছের ডালে [মিউজিক] উল্টোয়ে বসে আছে
- 19:46পরিটা। পরিকে দেখে আমি ফিসফিস করে বললাম,
- 19:48কিরে দেখলি তো? আমার কথা তো বিশ্বাস করিস
- 19:51নি। এখন তো বিশ্বাস হলো। আমার কথায় জয়
- 19:54হাসান হা হয়ে পরীর দিকে তাকিয়ে বলল, তুই
- 19:57তো সত্যি বলেছিলি নিশাদ? এখানে তো সত্যি
- 19:59পুরি আছে। কিন্তু পুরির মুখ তো দেখতে
- 20:01পাচ্ছি না। আমার পুরির বিষয়ে কথা বলছি।
- 20:04এমন সময় হঠাৎ বুড়ি গাছে থাকা পুরিটা
- 20:06বাতাসে মিশে গেলেন। পুরি বাতাসে মিশে গেলে
- 20:10আমরা বড়ি গাছের দিকে তাকিয়ে বললাম আরে
- 20:12পুরিটা হঠাৎ কই [মিউজিক] গেল? কথাটা বলে
- 20:14বড়ি গাছ নিচ উপরে দেখতে লাগলাম। কিন্তু
- 20:16ওখানে কাউকে দেখতে পেলাম না। এদিকে তখন
- 20:19পেছন থেকে একটা আওয়াজ পেয়ে পেছনের দিকে
- 20:21তাকানোর [মিউজিক] সাথে সাথেই আমরা দেখলাম
- 20:23মাথাবিহীন একটা শরীর পেছনে দাঁড়িয়ে আছে।
- 20:26মাথা ছাড়া শরীর দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে
- 20:28তিনজনই ভয়ে একটা চিৎকার দিয়ে সেখান থেকে
- 20:31দৌড় দিলাম। আমরা ভয়ে এক দৌড়ে ওই জায়গা
- 20:34থেকে বড় রাস্তায় চলে আসি। বড় রাস্তায়
- 20:36আসার একটু পর একটা অটো পেলে [মিউজিক]
- 20:38অটোতে উঠে বসি। অটোতে বসে হাপাতা হাপাতাতে
- 20:42বলি এটা কি ছিল? [মিউজিক] তোদের আগেই
- 20:44বলেছিলাম ওখানে যাওয়া ঠিক হবে না। ঠিক
- 20:46কারোর কোন ক্ষতি হতো? যদি আমার কথায় ওরা
- 20:50হাঁপাতে লাগলেন। কিছুই বলছিলেন না ওরা।
- 20:52[মিউজিক] এভাবে অটো করে আমাদের গ্রামে চলে
- 20:54আসলাম। ঘড়িতে তখন রাত 11:00 টা। আমরা
- 20:57গ্রামে এসে যে যারা বাড়িতে [মিউজিক] চলে
- 20:58যাই। ওদের মত আমি বাড়িতে গেলে মা
- 21:00জিজ্ঞাসা করলেন, কোথায় গিয়েছিলাম? তখন
- 21:03মাকে বন্ধুর কথা বলে দিলাম। মাকে বললাম,
- 21:05বন্ধুদের বাড়িতে দাওয়াত ছিল। [মিউজিক]
- 21:07আমার কথায় মা কিছু না বললে আমি ঘরে গিয়ে
- 21:10খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে গেলাম। আমি ঘুমানোর
- 21:12[মিউজিক] পর সে রাতে আমার সাথে আর কিছু
- 21:14ঘটলো না। আমার সাথে ঘটনা [মিউজিক] ঘটলো
- 21:17পরের রাতে। পরের দিন রাতে যথারীতি খাবার
- 21:20খেয়ে ঘরে শুয়ে আছি। ঘড়িতে তখন রাত
- 21:2212:00 টা। এরকম একটা [মিউজিক] সময় আমি
- 21:24ঘুমিয়ে যাব এমন সময় আমার রুমে কারো
- 21:27উপস্থিতি পেয়ে চোখ খুললাম। চোখ খুলে
- 21:29দেখলাম। আমার ঘরে বড়ি গাছের ওই পরিটা
- 21:32দাঁড়িয়ে আছে। আমি পরিটাকে ভালোভাবে
- 21:34[মিউজিক] চিনি। কারণ উনি ভালোরূপে এসে
- 21:36আমার সাথে সেদিন কথা বলেছিলেন। আমি পরীকে
- 21:39[মিউজিক] দেখে কিছু বলার আগে পরী বললেন,
- 21:41আপনি ভয় পাবেন না আপনার সাথে জরুরি কিছু
- 21:43কথা বলার আছে। তখন আমি ভয় পেয়ে বললাম,
- 21:46আমার সাথে জরুরি কি কথা? তখন পরীটা বললেন,
- 21:48[মিউজিক] আপনার মামা আপনাকে বুড়ি গাছের
- 21:50কাছে যেতে নিষেধ করছে। এটা শোনার পর আপনি
- 21:53বুড়ি গাছের কাছে গেলেন। আপনি বড়ি গাছের
- 21:56কাছে যাওয়ায় আমি বুঝতে পারি আমি বুঝতে
- 21:58পারি আপনাকে প্রথমদিন কিছু বলিনি। কিন্তু
- 22:01যখন দেখলাম আপনি দ্বিতীয় রাতেও [মিউজিক]
- 22:03আমাকে দেখতেও ভিডিও করতে আসছেন তখন আপনাকে
- 22:06ভয় দেখায়। আমি আপনাকে [মিউজিক] শুধু ভয়
- 22:08দেখিয়েছি আপনি যেন আমার ওখানে আর না
- 22:11আসেন। আমি চাইলে আপনার ক্ষতি করতে পারতাম
- 22:13আপনাকে মেরে ফেলতে পারতাম। কিন্তু আমি তা
- 22:15করিনি। আমি আপনাকে ভয় দেখানোর পর আপনি
- 22:18ভয় পেয়ে [মিউজিক] বাড়িতে আসছেন। এখান
- 22:20পর্যন্ত ঠিক ছিল। কিন্তু বাড়িতে এসে
- 22:22আপনার বন্ধুদের আমার কথা বলা ঠিক করেননি।
- 22:25আপনি কি জানেন? আপনার দুজন বন্ধুর মধ্যে
- 22:27আপনার যে জয় নামে বন্ধু আছে উনার চাচা
- 22:29[মিউজিক] একজন তান্ত্রিক। তখন আমি একটু
- 22:32চিন্তা করে বললাম, হ্যাঁ আমি শুনেছি
- 22:34কিন্তু কখনো দেখিনি। তা আপনি হঠাৎ জয়ের
- 22:37[মিউজিক] চাচার কথা কেন বলছেন? তখন বুড়ি
- 22:39গাছের পুরি আমাকে বলতে লাগলেন। পুরি
- 22:42বললেন, আপনার বন্ধু [মিউজিক] জয় আপনার
- 22:43কাছ থেকে আমার কথা শোনার পর ওর তান্ত্রিক
- 22:46চাচাকে গিয়ে বলে। পরেও তান্ত্রিক
- 22:48[মিউজিক] চাচা আমাকে বন্দি করে বুদ্ধি
- 22:49করে। সে তান্ত্রিক আমাকে বন্দি করানোর
- 22:52জন্য জয়কে বলেন আমি যে বুড়ি গাছে থাকি
- 22:54ওই গাছের ডাল গাছের পড়ে [মিউজিক] যাওয়া
- 22:56পাতা ও গাছের গোড়ার একটু মাটি নিয়ে আসতে
- 23:00তান্ত্রিক চাচার কথায় জয় তাই করেন
- 23:02তোমাকে আমাকে দেখতে বুড়ি গাছের ওখানে
- 23:05যাবার পর জয় আমি যে গাছে থাকি ও গাছের
- 23:07পাতা গাছের ছাল সেখানকার মাটি নিয়ে ওর
- 23:10চাচাকে [মিউজিক] এনে দেন জয় যখন এসব
- 23:12নিয়েছিল তখন আমি বুড়ি গাছের আশেপাশে
- 23:15ছিলাম না আমি ওখানে থাকলে পাতা দিতাম
- 23:17আপনারা ওখান থেকে পালিয়ে আসার পর সব
- 23:19জানতে পারছি পরি কথায় আমি যেন আকাশ থেকে
- 23:22পড়লাম তাহলে তলে তলে জয় এসব কাজ করেছেন।
- 23:25[মিউজিক] আমাকে চিন্তা করতে দেখে পরি
- 23:27বললেন দেখুন আমি তো আপনাদের ক্ষতি করিনি।
- 23:30তাহলে আপনারা আমার কোন ক্ষতি করতে চাইছেন
- 23:33কেন? আমি বুড়ির কাছে থাকি অনেক বছর হলো।
- 23:36আমার মা-বাবা বেঁচে নেই। ওই জায়গাটা আমার
- 23:38পছন্দের ওই কাছের ওখানে। অনেক ইতিহাস মিশে
- 23:42আছে আমার। আপনার জন্য এসব শুরু হয়েছে।
- 23:44আপনি দয়া করে কাল [মিউজিক] আপনার বন্ধু
- 23:46জয়কে বুঝিয়ে বলবেন। জয় যেন ওর
- 23:48তান্ত্রিক চাচাকে বলে আমাকে যেন বন্দি
- 23:50[মিউজিক] করার চেষ্টা না করে। পরির এরকম
- 23:54কথায় আমি মাথা নাড়িয়ে বললাম ঠিক আছে
- 23:56তাই হবে। আমি কালকেই জয়ের সাথে কথা বলব।
- 23:58আমার কথায় পরি বাতাসে মিশে [মিউজিক]
- 24:00গেলেন। এদিকে তখন একটু চিন্তা করে ঘুমিয়ে
- 24:03গেলাম। পরেরদিন সকালে খাবার খেয়ে বন্ধু
- 24:05হাসানকে ফোন করে দেখা করতে বললাম। আমার
- 24:08কথায় [মিউজিক] হাসান দেখা করলে আমি ওকে
- 24:09সব খুলে বললাম। সব শুনে হাসান অবাক হল।
- 24:13তখন আমরা দুজনে জয়ের সাথে দেখা করলাম।
- 24:15জয়ের সাথে দেখা হলে আমি বললাম জয় তুই না
- 24:18আমার ভালো বন্ধু। তুই এরকম একটা কাজ করতে
- 24:20পারলি? তুই তোর তান্ত্রিক [মিউজিক] চাচার
- 24:22কথায় পরিকে বন্দি করতে বড়ি গাছের পাতা
- 24:25গাছের ছাল ও মাটি নিয়ে এনে দিয়েছিস।
- 24:27আমার কথা জয় বললেন, কি বলিস কই? আমি তো
- 24:30এসব কিছু করিনি। তখন আমি বললাম, দেখ জয়
- 24:32একদম মিথ্যা বলবি না। আমার মনে আছে তুই
- 24:35[মিউজিক] ওখানে যাবার পর আমাকেও হাসানকে
- 24:37রেখে বোরের কাছে নিচে গিয়েছিলি। ওখানে
- 24:39গিয়ে কি যেন করছিলি। [মিউজিক] এখন বুঝতে
- 24:41পারছি ওখানে কি করছিলি। দেখ জয় পরী তো
- 24:44আমাদের কোন ক্ষতি করেনি। শুধু ভয়
- 24:46দেখিয়েছে। তাহলে তুই কেন পরীকে বন্দি
- 24:49করতে সাহায্য করছিস। আমার কথা জয় কোনভাবে
- 24:51স্বীকার করছিলেন না এই কাজটা কে করেছে।
- 24:54জয়কে যতই বুঝেও বুঝে না উল্টো বলে ও কিছু
- 24:57করেনি। জয়কে বুঝাতে না পেরে রাগ করে
- 24:59বাড়িতে চলে আসি আমি। [মিউজিক] বাড়িতে
- 25:01আসার পর মন খারাপ করে বসে রইলাম। জয় এরকম
- 25:03একটা কাজ করবে ভাবতে পারিনি। মন খারাপ করে
- 25:07সেই দিনটা কাটিয়ে দিলাম। সেদিন রাতে বড়ই
- 25:09গাছের পুড়ি আবারো আমার কাছে আসে পড়ে আসে
- 25:12আমি মন খারাপ করে বলি জয় আমার কথা শুনে নি
- 25:14ও তো স্বীকারই করছে না ওই কাজটা [মিউজিক]
- 25:17করেছে আমার কথায় পড়ি বলেন ওর স্বীকার করবে
- 25:20না কারণ ওর চাচা বারণ আছে জয়ের চাচা কাজ
- 25:23শুরু করে দিয়েছে উনি কালো জাদু করে
- 25:25[মিউজিক] আমাকে বন্দি করার চেষ্টা করবে
- 25:27তখন আমি বললাম তাই নাকি না আমি থাকতে এটা
- 25:30হতে দেব না আপনি চিন্তা করবেন না আমি কাল
- 25:32সরাসরি জয়ের [মিউজিক] চাচার সাথে কথা বলতে
- 25:34যাব আমার কথায় পড়ে বললেন ঠিক আছে জান
- 25:37কিন্তু মনে হয় না এতে [মিউজিক] কোন লাভ
- 25:39হবে। শোনেন আপনাকে একটা কথা বলে রাখি। আমি
- 25:42এখন থেকে রোজ রাতে আপনার [মিউজিক] কাছে
- 25:44একবার করে আসবো। যদি দেখেন কোন এক রাত
- 25:47থেকে আমি আপনার কাছে আসছি [মিউজিক] না
- 25:49তাহলে ভাববেন জয়ের তান্ত্রিক চাচা আমাকে
- 25:52বন্দি করে ফেলছে। যদি বুঝেন আমাকে বন্দি
- 25:54করছে তাহলে আমার একটা উপকার করেন। কি
- 25:56উপকার বলেন? আমার কথায় পড়ে বললেন
- 25:59রাঙ্গামাটির [নাক ডাকা]
- 26:00[মিউজিক] এক পাহাড়ি গ্রামে একজন মসজিদের
- 26:02ইমাম আছেন। আমি আপনাকে সব ঠিকানা বলে দিব।
- 26:05আপনি কখনো না আসলে আপনি কষ্ট করে উনার
- 26:07কাছে যাবেন আর আমার বিষয়ে সব খুলে বলবেন।
- 26:10আমার বিষয়ে উনাকে বললে উনি নিশ্চয়ই
- 26:12আপনাকে [মিউজিক] আমাকে সাহায্য করবে। এই
- 26:14বলে পরি আমাকে সব রকম ঠিকানা দিলেন। সব
- 26:17ঠিকানা [মিউজিক] দিয়ে পড়ি বললেন আমার
- 26:18বলা কথাগুলো ভালো করে মনে রাখবেন। আমি
- 26:21আজকে আসি। কথা বলে সেই রাতের মত পরি চলে
- 26:24গেলেন। বুড়ি চলে যাবার পরের দিন কথামত
- 26:26আমি [মিউজিক] জয়ের চাচার কাছে গেলাম।
- 26:28সেখানে গিয়ে সব কথাগুলো জয়ের চাচাকে
- 26:31বলেই জয়ের চাচা বললেন তুমি কার কাছে
- 26:33গিয়ে শুনে আমার এখানে এসেছো আমি এসব কিছু
- 26:36করিনি এগুলো কাজ আমি করি না আমি উনার
- 26:38কথায় খুব অনুরোধ করলাম দেখুন আপনি
- 26:40[মিউজিক] জয়ের চাচা মানে আমারও চাচা আপনি
- 26:42দয়া করে এরকম কাজ করবেন না তখন উনি বললেন
- 26:45আমি এসব কিছু করিনি করবো না তুমি এখন চলে
- 26:48যাও আমার অনেক কাজ করতে হবে কথাটা বলে উনি
- 26:51আমাকে উনার বাড়ি থেকে বের করে দিলে আমি
- 26:54সেখান থেকে বাড়িতে চলে [মিউজিক] আসলাম
- 26:56বাড়িতে আসার পর সে রাতে পুরি আবার আসেন
- 26:59আমার সাথে কথা বলে চলে যান এভাবে [মিউজিক]
- 27:01একদিন একদিন করে দুদিন চলে যায় দুদিন পর
- 27:04হঠাৎ পুরি আমার কাছে আসে না পুরি রাত্রি
- 27:07বেলা আমার কাছে না [মিউজিক] আসায় আমি
- 27:09শুরুতে চিন্তা করিনি কিন্তু যখন দুই
- 27:11তিনদিন পুরি আমার কাছে না [মিউজিক] আসে
- 27:13তখন চিন্তায় পড়ে যাই পরি দি তিন রাত
- 27:16আমার কাছে আসলো না তাহলে কি পরির কথাই
- 27:19সত্যি জয়ের চাচা কি তাহলে [মিউজিক] পরিকে
- 27:21বন্দি করেছে এসব নিয়ে চিন্তা করতে করতে
- 27:23জয়ের চাচার কাছে আবার গিয়ে বললাম উনি
- 27:26পরিকে বন্দি [মিউজিক] করছে কিনা কিন্তু
- 27:28জয়ের চাচা অস্বীকার করলেন উনি বিষয়টা
- 27:31স্বীকার না করে আমি বাড়িতে এসে মনে মনে
- 27:33বললাম পরিকে আমার সাহায্য করতে হবে পুরি
- 27:35বলছিল রাঙ্গামাটিতে [মিউজিক]
- 27:37একজন ইমামের কথা আমার উনার সাথে দেখা করতে
- 27:40হবে হ্যাঁ পরিকে বাঁচা তো ওটাই করতে হবে
- 27:43আমাকে রাঙ্গামাটি যেতে [মিউজিক] হবে আমি
- 27:45রাঙ্গামাটি যাবার কথা ফাইনাল করার পর
- 27:47মা-বাবাকে বলি আমার কলেজের ঘনিষ্ঠ এক
- 27:50বন্ধুর [মিউজিক] বোনের বিয়ে ওদের বাড়িতে
- 27:52একদিন কি দুদিন থাকতে হবে [মিউজিক] বন্ধুর
- 27:56বাড়িতে যাবার কথা বলে আমি চলে যাই
- 27:57রাঙ্গামাটি। সেখানে গিয়ে পুরীর কথামতো এক
- 28:00পাহাড়ি গ্রামে যাই আমি। [মিউজিক] সেখানে
- 28:02গিয়ে অনেক কষ্ট করে পুরীর দেখা কথা মত
- 28:04দেয়া কথামত ওই ইমাম সাহেবকে খুঁজে বের
- 28:07করি। ইমাম সাহেবের নাম ইসমাইল [মিউজিক]
- 28:09হুজুর। ওনাকে খুঁজে পাবার পর আমি সালাম
- 28:11দিই। আমার সালামের উত্তর দিয়ে উনি বলেন,
- 28:13তুমি কে বাবা কোথা থেকে আসছো? তখন আমি
- 28:16ওনাকে সব খুলে বললাম। আমি পরীর কথায় ওনার
- 28:18কাছে [মিউজিক] গিয়েছি। পরীর কথা শুনে আমি
- 28:21উনাকে আমার বাড়িতে নিয়ে যান। এরপর আরো
- 28:24সব ঘটনা আমার কাছ থেকে শুনে বলেন তুমি যে
- 28:27পরির কথা বলছো ওর নাম জেসমিন আমি হলাম ওই
- 28:29পরির বাবার বন্ধু [মিউজিক] ওর বাবার সাথে
- 28:32অনেক ভালো বন্ধুত্ব ছিল আমার বন্ধুর মেয়ে
- 28:35বিপদে পড়েছে আমি সাহায্য [মিউজিক] করবো
- 28:36না তা কি হয় নাকি তুমি একটু বসো আমি আগে
- 28:40আমার সাথে থাকা দুজন শক্তিশালী জিনকে খোঁজ
- 28:42নিতে পাঠাই পরি আসলে কোথায় ও কার কাছে
- 28:45আছে কথা বলে উনি দুজন জিনকে পাঠালেন খোঁজ
- 28:48নিতে উনার কথামত দুজন জিন খোঁজ নিতে গিয়ে
- 28:51সব খোঁজ নিয়ে ফিরে এসে বললেন জয়ের
- 28:53তান্ত্রিক চাচা এই পরিকে বন্দি করে রাখছে।
- 28:56তান্ত্রিক পরিকে বন্দি করেছে শুনে উনি
- 28:58আমার সাথে থাকা তিনটা জিনকে [মিউজিক] আদেশ
- 29:00করলেন পরিকে মুক্ত করে নিয়ে আসতে। ইমাম
- 29:04সাহেবের কথায় তিনজন জীন চলে গেলেন জয়ের
- 29:06তান্ত্রিক চাচার [মিউজিক] কাছে। ওখানে
- 29:07গিয়ে পরীকে ছাড়ানোর চেষ্টা করলেন কিন্তু
- 29:10জয়ের তান্ত্রিক চাচার সাথে বিশ্বাস জীন
- 29:13আছে তাই ওরা যুদ্ধ না করতে পেরে ফিরে আসে।
- 29:16তিনজন জিন ভয়ে পালিয়ে আসায় [মিউজিক]
- 29:18ইমাম সাহেব এবার তার ওস্তাদ জিনকে ডাকেন
- 29:21আর সাহায্য চান ইমাম সাহেবের কথায় উনার
- 29:24ওস্তাদ জিন তান্ত্রিকের কাছে আসে আর
- 29:26তান্ত্রিকের জীনদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকে
- 29:29বেশ কিছুক্ষণ [মিউজিক] যুদ্ধ করার পর ইমাম
- 29:31সাহেবের ওস্তাদ জিন তান্ত্রিকের জীনদের
- 29:33মেরে ফেলে শুধু তান্ত্রিকের জীনদের না
- 29:35তান্ত্রিককে আঘাত করতে করতে ওর অবস্থা
- 29:37খারাপ করে ফেলে পরে নিজের জীবন বাঁচাতে
- 29:40তান্ত্রিক পরীকে মুক্ত করে দেন পরীকে
- 29:42মুক্ত করে ইমাম সাহেবের ওস্তাদ জীন
- 29:44[মিউজিক] চলে আসে তখন তখন ইমাম সাহেব উনার
- 29:46ওস্তাজিনকে ধন্যবাদ জানান। এদিকে পরীকে
- 29:49মুক্ত করার পরী ইমাম সাহেবকে ধন্যবাদ
- 29:52জানান আর বলেন আমরা অনেক বড় উপকার করলেন।
- 29:55তখন ইমাম সাহেব বললেন, [মিউজিক]
- 29:56তুমি আমার বন্ধুর মেয়ে তোমার বাবা এখন
- 29:59বেঁচে নেই তা দেখতে। আমি তো আছি। তখন আমার
- 30:01সাহায্যের প্রয়োজন হলে বলিও। ইমাম
- 30:03সাহেবের কথায় খুশি [মিউজিক] হয়ে চলে যাই
- 30:05পুরি। এদিকে তখন আমি ইমাম সাহেবের কাছে
- 30:07বিদায় নিয়ে পরের দিন চলে আসি বাড়িতে।
- 30:10আমি বাড়িতে আসার পর হাসান আসে আমার কাছে
- 30:12আর বলেন [মিউজিক] নিশাদ জয়ের অবস্থা তো
- 30:15খুব খারাপ ওকে কে জানি অনেক মেরেছে ও
- 30:17অসুস্থ হয়ে পড়ে আছে বিছানায় হাসানের
- 30:20কথা আমি বুঝতে পারছিলাম এটা কার কাজ এটা
- 30:23নিশ্চয়ই পরিছে [মিউজিক] যে কি করেছে
- 30:25জয়ের একটা শিক্ষা হয়েছে আমি হাসান
- 30:28কিছুক্ষণ কথা বলার পর চলে যাই এদিকে এই
- 30:30ঘটনার দিন রাতে পরি [মিউজিক] আমার কাছে
- 30:32এসে বলে ধন্যবাদ আপনাকে আপনি সাহায্য না
- 30:36করলে হয়তো ইমাম সাহেব আমাকে সাহায্য করতে
- 30:38পারতেন না আমি আপনার উপকার আর কখনো বলবো
- 30:40না। পরি কথায় আমি খুশি হই। এরপর [মিউজিক]
- 30:43দুজনে বেশ কিছুক্ষণ গল্প করি। এভাবে রোজ
- 30:46রাতে পরি আমার কাছে আসতে থাকেন। পরি রোজ
- 30:48রাতে আমার কাছে আসেন কথা বলার জন্য। একসময়
- 30:51পরিকে অনেক ভালো লেগে যায় আমার। পরিকে
- 30:53ভালো লাগে এক রাতে পরিকে বলি আচ্ছা তোমাকে
- 30:56[মিউজিক] একটা কথা বলার ছিল। তোমাকে আমার
- 30:58ভালো লেগে গেছে। আমি তোমাকে ভালোবেসে
- 31:00ফেলেছি। তুমি চাইলে আমরা বিয়ে করব। আমার
- 31:03কথায় পরি মন খারাপ করে বললেন আমি বুঝতে
- 31:06পারছি তুমি আমাকে ভালোবাসছো। [মিউজিক]
- 31:07কিন্তু নিশাদ আমি তোমাকে ভালোবাসতে পারবো
- 31:10না ভালোবাসার জন্য না তাও আমার মানুষের
- 31:13সাথে [মিউজিক] নিশা তুমি তো জানো আমার
- 31:15বাবা মা বেঁচে নেই ওরা কিভাবে মারা গেছে
- 31:18জানো জানো না শোনো আমার বাবা জীন হলেও
- 31:22আমার মা
- 31:22>> [মিউজিক]
- 31:22>> ছিলেন একজন মানুষ বাবা ও মা ভালোবেসে
- 31:25বিয়ে করছে ওদের বিয়ে কেউ মেনে নেয়নি
- 31:27আমার মায়ের বাবা ও ভাই সবাই সবসময় চাইতো
- 31:30মা বাবার সংসার যেন না হয় ওরা সবসময়
- 31:33বাবার খারাপ চাইতো [মিউজিক] এভাবে কয়েক
- 31:35বছর কেটে যায় আমার জন্ম
- 31:37আমার জন্মের কয়েক বছর পর আমার নানা
- 31:39[মিউজিক] ও মামা একজন কবিরাজ দিয়ে আমার
- 31:42বাবাকে বন্দি করে মেরে ফেলে। বাবা মারা
- 31:44যাওয়ার পর বাবাকে হারানোর কষ্টে মাও
- 31:47কিছুদিন পর মারা যায়। [মিউজিক] মা মারা
- 31:49যাবার আগে আমাকে বলেছিল আমি যেন প্রতিশোধ
- 31:52নিতে নানা ও মামাকে কিছু [মিউজিক] না করি।
- 31:55মায়ের কথা রাখতে আমি সব ছেড়ে চলে যাই।
- 31:58আমি তখন থেকে নদীর পাড়ে বড় বড় বুড়ির
- 32:00কাছে একা একা থাকি। কোন মানুষের দিক দিয়ে
- 32:03আমাকে বিরক্ত করলে ভয় দেখাই। আমার বাবার
- 32:06হত্যাকারী মানুষ তখন থেকে আমি মানুষদের
- 32:09এড়িয়ে চলি আর সামনেও চলবো নেশাদ তুমি
- 32:12অনেক ভালো কিন্তু আমরা আলাদা জাতি আমরা
- 32:15বিয়ে করলে কোন একদিন তোমার ও আমার
- 32:17[মিউজিক] পরিণতি আমার মা-বাবার মতো হবে
- 32:20আমি আজকের পর তোমার কাছে আর আসবো না চলে
- 32:22যাব [মিউজিক] অনেক দূরে তুমি ভালো থেকো
- 32:24সবসময় ভালো থাকবে কথাটা বলে পড়ি চলে
- 32:28[মিউজিক] যাই ও চলে যাবার পর আমি অনেক
- 32:30কষ্ট পাই রোজ রাতে ওর অপেক্ষা করি কিন্তু
- 32:33[মিউজিক] পুরি আর আমার কাছে কখনো আসেনা না
- 32:36প্রিয় লিসেনার কেমন লাগলো বড়ি [মিউজিক]
- 32:38গাছের পরিকল্পটি সবাই অবশ্যই কমেন্ট করে
- 32:40জানাবেন। আমি এখন শুরু করছি একটা ডাইনির
- 32:43গল্প।
- 32:44বাংলার এক প্রত্যন্ত গ্রাম। [মিউজিক] নাম
- 32:46শালবনপুর। চারিদিকে সবুজ, মাঠ, তাল, খেজুর
- 32:50গাছ আর মাঝখানে একটা বিশাল পুকুর। এই
- 32:52পুকুরটা গ্রামের সবার কাছে পরিচিত ছিল
- 32:54তালুকদার পুকুর নামে। পুকুরটার মালিক
- 32:57ছিলেন গ্রামের সবচেয়ে প্রভাবশালী মানুষ।
- 32:59তালুকদার সাহেব। বয়স 50 [মিউজিক] এর
- 33:01কাছাকাছি। গভীর স্বভাবের মানুষ। গ্রামের
- 33:04সবাই তাকে ভয় করত আবার সম্মানও করত। এই
- 33:07পুকুরটা ছিল অদ্ভুত। দিনের বেলা দেখলে মনে
- 33:10হতো শান্ত সুন্দর একটা জায়গা। পানি একদম
- 33:13[মিউজিক] আইনের মতো পরিষ্কার। চারিদিকে
- 33:15বড় বড় গাছ, বট, অসুস্থ তেঁতুল আর কদম
- 33:18গাছ। কিন্তু রাত হলে জায়গাটা বদলে যেত।
- 33:21গ্রামের মানুষ আগে থেকে বলতো, ওই পুকুরে
- 33:23কি আছে। কেউ রাতে ওই পুকুর পানি যেত না।
- 33:26যারা ভুল করে গেছে তারা বলতো, পানির ভেতর
- 33:28কেউ নড়াচড়া করে। মাঝরাতে [মিউজিক] মাছ
- 33:30লাফানোর শব্দ হয়। কিন্তু সেটা স্বাভাবিক
- 33:33না। কখনো কখনো গাছের ডালে বসে অদ্ভুত
- 33:36ছায়া দেখা যায়। একদিন সন্ধ্যায় গ্রামের
- 33:38দুই যুবক রাশেদ আর কালাম পুকুরের পাশ
- 33:40দিয়ে যাচ্ছিল। হঠাৎ তারা শুনতে পেল
- 33:43[মিউজিক] ঝাপ ঝাপ ঝাপ। মনে হচ্ছিল কেউ
- 33:45পুকুরের পানি থেকে মাছ তুলে খাচ্ছে। রাশেদ
- 33:48ফিসফিস করে বলল, এটা কিসের শব্দ রে? কালাম
- 33:52বলল, ভয় পেয়ে বলল, চল [মিউজিক] ভাই। এটা
- 33:54ভালো কিছু না মনে হয়। কিন্তু রাশেদ একটু
- 33:56সাহসী ছিল। সে ধীরে ধীরে পুকুরের দিকে
- 33:59এগুলো। তারপর যা দেখল সে জীবনে ভুলতে
- 34:02পারিনি। পুকুরের ধারে গিয়ে রাশেদ [মিউজিক]
- 34:04দেখল পানির উপরে একটা কালো ছায়া বসে আছে।
- 34:08মানুষের মত কিন্তু পুরো মানুষ না। তার হাত
- 34:12লম্বা, চোখ জলজল [মিউজিক] করছে। আর সে
- 34:14একের পর এক মাছ ধরে খাচ্ছে। মাছগুলো যেন
- 34:17নিজেরাই তার হাতে চলে আসছে। হঠাৎ সে
- 34:20ছায়াটা থেমে [মিউজিক] গেল। ধীরে ধীরে মাছ
- 34:22ঘুরিয়ে রাশেদের দিকে তাকালো। চোখ দুটো লাল
- 34:25আগুনের মতো জ্বলছে। [মিউজিক] রাশেদ চিৎকার
- 34:27দিয়ে দৌড় দিল। জিন জিন বলে, কালামু দৌড়ে
- 34:30পালালো। পরদিন সকালে পুরো গ্রাম খবর
- 34:33ছড়িয়ে গেল। সবাই বলতে লাগল তালুকদার
- 34:35পুকুরে জিন আছে। [মিউজিক] কেউ বলল আমি
- 34:37আগেই বলেছিলাম। কেউ বলল ওই পুকুর অভিশপ্ত।
- 34:39তালুকদার সাহেব এসব কথা শুনে রেগে গেলেন।
- 34:42তিনি বললেন, "এইসব বাজে কথা?" আমার পুকুর
- 34:45কোন জিন নেই। তো মাছ চুরি করছে। তারপর
- 34:47তিনি সিদ্ধান্ত নিলেন পুকুর পাহারা
- 34:49[মিউজিক] বসাবেন।" তারুকদার সাহেব গ্রামের
- 34:51এক লোককে ডাকলেন। তার নাম ছিল মুক্তার।
- 34:54মুক্তা ছিল একটু সাহসী আর টাকার [মিউজিক]
- 34:56লোভ ছিল। দলুকদার বললেন, তুই রাতে পুকুর
- 34:58পাহারা দিবি। কেউ মাছ চুরি করলে ধরে
- 35:01ফেলবি। ভালো টাকা পাবি। মুক্তার রাজি হয়ে
- 35:04গেল। সেদিন রাতে এসে একটা লাঠি আর একটা
- 35:06লন্ঠন নিয়ে পুকুর পাড়ে বসে রইল।
- 35:09চারিদিকে নিস্তব্ধতা শুধু ঝিঝি পোকার
- 35:11শব্দ। রাত যত গভীর হচ্ছে ততই পরিবেশ
- 35:14অদ্ভুত হয়ে উঠছিল। হঠাৎ পুকুরের [মিউজিক]
- 35:16পানি নিজে নিজে নড়তে শুরু করল। ঝাপ ঝাপ
- 35:19ঝাপ। মুক্তার লন্ঠন তুলে তাকালো। তার গা
- 35:22কাটা দিয়ে উঠল। সে দেখল পানির ভেতর থেকে
- 35:25ধীরে ধীরে কিছু একটা উঠছে কালো লম্বা
- 35:27ভয়ঙ্কর একটা অবয়ূপ তার চোখে লাল মুখে
- 35:30অদ্ভুত হাসি মুখ তার কাঁপতে কাঁপতে বলল কি
- 35:33কে কে [মিউজিক] তুমি কোন উত্তর নেই শুধু
- 35:36সেই জিনিসটা ধীরে ধীরে এগিয়ে আসছে হঠাৎ
- 35:39চারপাশের বাতাস ঠান্ডা হয়ে গেল লন্ঠনের
- 35:42আলো নেভে গেল অন্ধকারের মধ্যে শুধু সেই
- 35:44লাল চোখ [মিউজিক] দুটো জলজল করছিল তারপর
- 35:47শোনা গেল এক ভয়ঙ্কর চিৎকার
- 35:50পরদিন সকালে পুকুরপড়ে মানুষের ভিড়
- 35:53মুক্তার লাশ পড়ে আছে। তার চোখ দুটো বড়
- 35:56বড় করে খোলা। মুখে ভয় জমে [মিউজিক] আছে।
- 35:58শরীরে কোন বড় আঘাত নেই। কিন্তু মনে হচ্ছে
- 36:01ভয়ে সে মারা গেছে। মুক্তারের মৃত্যুর পর
- 36:03পুরো শালবনপুর গ্রাম আতঙ্কে জমে গেল।
- 36:06পুকুরপড়ে কেউ যেতে চায় না। সন্ধ্যা হলে
- 36:08মানুষ দরজা জানালা বন্ধ করে দেয়।
- 36:10তারুকদার সাহেব বাইরে থেকে শক্ত থাকলেও
- 36:13ভেতরে ভেতরে চিন্তায় পড়ে গেলেন। কারণ
- 36:15মুক্তার [মিউজিক] শুধু মারা যায়নি। তার
- 36:17মৃত্যুর মধ্যে ছিল এক অদ্ভুত ভয়। গ্রামের
- 36:20মুরুব্বীরা মুক্তারের লাশ দেখে বলছিল এটা
- 36:22সাধারণ মৃত্যু না ওর চোখের দিকে তাকান কত
- 36:25ভয় পেয়েছে একজন বৃদ্ধ বলল জিনের হাত
- 36:28ছাড়া এমন হয় না তালুকদার রে গিয়ে বলে
- 36:30উঠলেন চুপ [মিউজিক] এসব ঘুষকার কিন্তু তার
- 36:33কন্ঠে আগের মতো জোর ছিল না নতুন পাহারার
- 36:35ব্যবস্থা তালুকদার সাহেব ভাবলেন একজন না
- 36:38এবার একসাথে কয়েকজন পাহারা দিবে [মিউজিক]
- 36:41তিনি গ্রামের চারজন শক্ত সমর্থক যুবককে
- 36:44ডাকলেন জাহিদ মনির সোহেল আর কাদের বললেন
- 36:47তোমরা [মিউজিক] চারজন একসাথে পাহারা দিবা।
- 36:49ভয় পাওয়ার কিছু নাই আমি আছি। জাহিদ একটু
- 36:51ভয় পেয়ে বলল। কিন্তু মুক্তার যেটা
- 36:54হয়েছে তালুকদার কঠিন গলায় বললেন, ওটা
- 36:56দুর্ঘটনা। তোমরা ভয় পেয়ে [মিউজিক] চলবে
- 36:58না। অবশেষে টাকার লোভে তারা রাজি হয়ে
- 37:00গেল। রাত নামতে চারজন পুকুর পাড়ে গেল।
- 37:03তাদের হাতে লাঠি, টর্চ আর একটা হারিকেন।
- 37:05পুকুরটা অদ্ভুত নীরব। মনে হচ্ছে কিছু একটা
- 37:08অপেক্ষা [মিউজিক] করছে। মনির ফিসফিস করে
- 37:11বলল, আমার ভালো লাগতেছে না। সল বলে, চুপ
- 37:13থাক কিছু [মিউজিক] হবে না। কিন্তু তার
- 37:15নিজেরও গলা কাপছিল। হঠাৎ পুকুরের মাঝখানে
- 37:19পানি ঘূর্ণর মত ঘুরতে লাগলো। চারজন
- 37:21[মিউজিক] একসাথে তাকিয়ে রইল। কাদের বলে
- 37:24দেখেছো পানি নিজে নিজে ঘুরতেছে। তারপর
- 37:27পানির ভেতর থেকে ধীরে ধীরে [মিউজিক] কিছু
- 37:29উড়তে লাগল। আগের চেয়েও আরো ভয়ঙ্কর।
- 37:32এবার তার স্পষ্ট দেখল একটা বিশাল কালো
- 37:34অবয়ব। মানুষের মত কিন্তু স্বাভাবিক না।
- 37:37[মিউজিক] তার হাত পা স্বাভাবিক লম্বা। চোখ
- 37:39দুটো আগুনের মত জ্বলছে। মুখে হালকা হাসি
- 37:42যেন [মিউজিক] শিকার পেয়েছে। জাহিদ কাঁপতে
- 37:44কাঁপতে বলল, এটা মানুষ না এটা জিন? হঠাৎ
- 37:47সেই জিন এক লাফে পুকুর থেকে উঠে পাড়ে
- 37:49[মিউজিক] চলে এল। মাটি কেঁপে উঠলো। এক
- 37:52সেকেন্ডের মধ্যে সবকিছু ঘটে গেল। জিনটা
- 37:54হাত বাড়িয়ে কাদেরকে ধরে ফেলল। কাদের
- 37:56চিৎকার করে উঠলো। বাঁচাও। কিন্তু তার
- 37:59চিৎকার থেমে গেল। [মিউজিক]
- 38:02অন্যরা ভয় জমে গেছে। মনির দৌড় দিতে গেল।
- 38:05কিন্তু তার পাজন আটকে গেল। জিনটা একের পর
- 38:08এক তাদের গিয়ে [মিউজিক] এগিয়ে আসতে
- 38:10লাগলো। তার চোখে ছিল ক্ষুধা। রাতভর পুকুর
- 38:13পাড়ে অদ্ভুত শব্দ শোনা গেল। চিৎকার হাসি
- 38:16পানির শব্দ। কিন্তু গ্রামের কেউ সাহস করে
- 38:18বের হয়নি। [মিউজিক] পরদিন সকালে গ্রামের
- 38:20মানুষ ভয়ে ভয়ে পুকুর পাড়ে গেল। তারপর
- 38:23যা দেখল। চারজনই মরে পড়ে আছে। কেউ পানির
- 38:26ধারে [মিউজিক] কেউ গাছের নিচে। তাদের চোখ
- 38:28খোলা। মুখে ভয় জমে আছে। মনে হচ্ছে
- 38:31মৃত্যুর আগে তারা ভয়ঙ্কর কিছু দেখেছে।
- 38:32[মিউজিক] এবার আর কেউ সন্দেহ করলো না।
- 38:34সবাই বলে এটা জীনের কাজ। মহিলারা কান্না
- 38:37শুরু করল। পুরুষরা দিশাহারা। গ্রামের একজন
- 38:40বৃদ্ধ বলল, এই পুকুরে শক্তিশালী জিন আছে।
- 38:43এটা সাধারণ না। এবার তালুকদার সাহেব নিজেও
- 38:45[মিউজিক] ভয় পেয়ে গেলেন। তিনি বুঝতে
- 38:47পারলেন এটা মানুষের কাজ না। তার নিজের
- 38:50পুকুর এখনো অভিশপ্ত হয়ে গেছে। তিনি
- 38:52চুপচাপ বসে থাকলেন অনেকক্ষণ। তারপর বললেন,
- 38:54এবার বড় কবিরাজ আনতে হবে। গ্রামের সবাই
- 38:57একমত হল। এই জিনকে না থামালে পুরো গ্রাম
- 39:00শেষ হয়ে যাবে। তালুকদার লোক পাঠালেন
- 39:02দূরের এক বিখ্যাত কবিরাজের কাছে। [মিউজিক]
- 39:05শালবনপুর গ্রাম এখন যেন এক ভয়ঙ্কর
- 39:07ছায়ায় নিচে ঢেকে গেছে। সন্ধ্যা নামলেই
- 39:10চারিদিকে নিস্তব্ধটা নেমে আসে। পাখিরাও
- 39:12যেন ওই পুকুরের দিকে এড়িয়ে চলে।
- 39:14তালুকদার সাহেবের মুখে এখন আর আগের মত
- 39:16কঠোর ভাব নেই। তার চোখে স্পষ্ট [মিউজিক]
- 39:19ভয়। কারণ এক রাতে তিনি পাঁচজন মানুষ
- 39:21হারিয়েছেন। দুদিন পর বিকেলের দিকে
- 39:24গ্রামের রাস্তায় ধুলো উড়িয়ে একটা গরুর
- 39:26গাড়ি এসে থামলেন। সেখান থেকে নামলেন একজন
- 39:28[মিউজিক] বৃদ্ধ লোক। লম্বা দাড়ি সাদা
- 39:30পাঞ্জাবি কাঁধে একটা জোলা ব্যাগ চোখে
- 39:33[মিউজিক] অদ্ভুত এক তীঘ্ন দৃষ্টি
- 39:36তিনি হচ্ছেন কবিরাজ হাফিজউদ্দিন চারপাশে
- 39:38তাকিয়ে তিনি ধীরে ধীরে বললেন এই গ্রামে
- 39:41অশক্তি আছে আমি আসার আগেই বুঝতে [মিউজিক]
- 39:43পারছি গ্রামের মানুষ তাকে ঘিরে ধরল
- 39:46তালুকদার সাহেব এগিয়ে এসে বললেন হুজুর
- 39:48আমার পুকুরে কিছু একটা আছে [মিউজিক] অনেক
- 39:50মানুষ মরে গেছে কবিরাজ চোখ বন্ধ করে
- 39:53কিছুক্ষণ চুপ করে রইলেন। তারপর বললেন এটা
- 39:56সাধারণ জিন না খুব পুরনো আর শক্তিশালী
- 39:59সন্ধ্যার আগে কবিরাজ পুকুর পাড়ে যেতে
- 40:01চাইলেন সবাই ভয় পেয়ে গেল একজন বলল হুজুর
- 40:04সন্ধ্যার পর গেলে ভালো হয় না কবিরাজ
- 40:06শান্ত গলায় বললেন ভয় পেলে [মিউজিক] হবে
- 40:08না ভয় তাদেরই শক্তি বাড়াই তিনি একাই
- 40:11পুকুরের দিকে হাঁটা শুরু করলেন তালুদর
- 40:13[মিউজিক] সাহেবও কয়েকজন সাহস করে তার
- 40:15সাথে গেল পুকুরের কাছে যেতেই একটা ঠান্ডা
- 40:18বাতাস বইতে [মিউজিক] লাগলো গাছের পাতা
- 40:20হঠাৎ করে কাঁপতে শুরু করল কবিরাজ মাটিতে
- 40:23বসে চোখ বন্ধ করলেন। কিন্তু মন্ত্র পড়তে
- 40:26লাগলেন। হঠাৎ তিনি চোখ খুলে বললেন, এই
- 40:28পুকুরে একজন জিন থাকে। আর সে একা না? সবাই
- 40:31চমকে উঠলো। তালুকদার কাঁপা গলায় বললেন,
- 40:34মানে কবিরাজ ধীরে বললেন, ওর পরিবার আছে।
- 40:37ওরা ওখানে বাসা বানিয়েছে। সে রাতেই
- 40:39কবিরাজ পুকুরপড়ে ব্যবস্থা নিলেন।
- 40:41[মিউজিক]
- 40:43তিনি চারিদিকে লবণ ছিটালেন। কিছু তাবিজ
- 40:45গাছে ঝুলালেন। আগুন জ্বালালেন। তারপর
- 40:47বললেন, আজ রাতে ওরা আসবে। গ্রামে কেউ সাহস
- 40:50করে থাকতে চাইল না। শুধু তালুকদার সাহেব
- 40:52দূরে দাঁড়িয়ে রইলেন। রাত গভীর হতে
- 40:55লাগলো। হঠাৎ পুকুরের পানি [মিউজিক] কাঁপতে
- 40:57শুরু করল। ঘর আগুনের আলো হঠাৎ দবদব করতে
- 41:01লাগল। কুবরাজ জোরে মন্ত্র পড়তে লাগলেন।
- 41:03তার কন্ঠে এক অদ্ভুত শক্তি ছিল। পানি ভেতর
- 41:06থেকে [মিউজিক] ধীরে ধীরে উঠে এল সেই জিন
- 41:08আগের অনেক বড় লাগছে। তার চোখ লাল শরীর
- 41:11কালো ধোয়ার মত। সে গর্জে উঠল। [মিউজিক]
- 41:14কে আমার জায়গা এসছো? কবিরাজ দাঁড়িয়ে
- 41:16বললেন এই জায়গা মানুষের তুই এখান থেকে
- 41:19চলে যা জিন এসে হেসে উঠলো এই পুকুর
- 41:21[মিউজিক] এখন আমার জিনটা এক লাফের সামনে
- 41:24চলে এলো কবিরাজ মাটিতে কিছু ছুড়ে মারলেন
- 41:27সাথে সাথে আগুনের মত একটা আলো ছড়িয়ে
- 41:29পড়ল জিনটা চিৎকার করে উঠল কিন্তু সে
- 41:32থামলো না সে আরো ভয়ঙ্কর [মিউজিক] হয়ে
- 41:34উঠলো তার শরীর থেকে কালো ধোঁয়া বেরোতে
- 41:36লাগলো চারদিকে ঝড়ের মত বাতাস শুরু হলো
- 41:39গাছগুলো দুলতে লাগলো পুকুরের পানি উঁচু
- 41:41[মিউজিক] হয়ে উঠেছে কুবরাত জোরে মন্ত্র
- 41:43পড়ছে জিন এগিয়ে আসছে দুই শক্তির মধ্যে
- 41:46লড়াই শুরু হয়ে গেল। হঠাৎ পুকুরের ভিতর
- 41:49থেকে আরেকটা ছায়া [মিউজিক] নড়ল। কবিরাজ
- 41:51সেটা দেখে থমকে গেলেন। তিনি ধীরে বললেন,
- 41:53না এটা শুধু একজন না। রাত তখন গভীর।
- 41:56চারিদিকে শুধু বাতাসের গর্জনের পুকুরের
- 41:59উত্তাল পানি। কবিরাজ হাফিজউদ্দিন
- 42:01দাঁড়িয়ে আছেন পুকুরপড়ি। চোখে [মিউজিক]
- 42:03কঠোর দৃষ্টি। তার সামনে এসে ভয়ঙ্কর ঝিন।
- 42:06আগুনের মত চোখ, কালো ধোয়ার শরীর। কিন্তু
- 42:08এবার পরিস্থিতি আগের চেয়ে ভয়ঙ্কর। কারণ
- 42:11পুকুরের ভিতর থেকে আরেকটা ছায়া নড়ছে।
- 42:14কবিরাজ ধীরে ধীরে পিছিয়ে এসে বললেন,
- 42:17এখানে একাধিক [মিউজিক] জিন আছে। আমি ভুল
- 42:20করেছিলাম। তালুদার সাহেব দূরে দাঁড়িয়ে
- 42:22কাঁপতে [মিউজিক] লাগলেন। হঠাৎ পুকুরের
- 42:24পানি ফেটে যেন আরেকটা অবয়ব উঠে এল। এটা
- 42:27প্রথমটার চেয়েও ছোট। কিন্তু চোখে
- 42:29[মিউজিক] ভয়ঙ্কর রাগ। দুইটা জিন একসাথে
- 42:32এখন দাঁড়িয়ে। প্রথম জিনটা গর্য বললেন,
- 42:34তুই আমাদের জায়গায় এসেছিস। [মিউজিক] এখন
- 42:36থেকে মরতে হবে। কবিরা যেবার আর দেরি করলেন
- 42:39না। তিনি দ্রুত ঝোলা থেকে একটা লাল কাপড়
- 42:41বের করলেন। তার উপর কিছু লেখা ছিল।
- 42:43[মিউজিক] তিনি সেটা মাটিতে ছুড়ে মারলেন।
- 42:45সাথে সাথে আগুনের মত একটা বৃত্ত তৈরি হলো।
- 42:48জেনেগুলো একটু পিছিয়ে গেল। কিন্তু
- 42:50বেশিক্ষণ না। একসাথে তারা আক্রমণ [মিউজিক]
- 42:52করল। চারিদিক থেকে যেন ঝড় শুরু হলো।
- 42:55গাছের ডাল ভেঙে পড়তে লাগলো। পুকুরের পানি
- 42:58উঁচু হয়ে আকাশ ছুতে [মিউজিক] চাইছে।
- 43:00কবিরাজ জোরে মন্ত্র পড়তে লাগলেন। তার
- 43:02কন্ঠে যেন আগুন। একটা জিন হঠাৎ সামনে এসে
- 43:05আঘাত করল। কবিরাজ মাটিতে পড়ে গেলেন।
- 43:07তালুকদার চিৎকার করে উঠলেন হুজুর। কবিরাজ
- 43:10উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, আজ শেষ [মিউজিক]
- 43:12করতেই হবে। তিনি চোখ বন্ধ করে একটা
- 43:14শক্তিশালী মন্ত্র পড়তে লাগলেন। তার
- 43:16চারপাশে আলো জ্বলতে শুরু করল। জিনগুলো
- 43:18চিৎকার করতে লাগল। থামা থামা। কিন্তু
- 43:21কবিরাজ থামলেন না। হঠাৎ তিনি মাটিতে হাত
- 43:24রাখলেন। আর [মিউজিক] পুকুরের দিকে তাকিয়ে
- 43:26চিৎকার করে বললেন, নষ্ট হয়ে যা। একটা
- 43:28বিশাল শব্দ। ধুম। পানি পুকুরের পানি ফেটে
- 43:31গেল। প্রথম জিনটা চিৎকার করতে করতে ধোয়ার
- 43:34মত ভেঙে গেল। তার শরীর টুকরো টুকরো হয়ে
- 43:37মিলিয়ে গেল বাতাসে। জিনটা ভয়ে পুকুরের
- 43:40ভিতরে পালিয়ে গেল। সবকিছু থমকে গেল। বাতাস
- 43:44থেমে গেল। পানি শান্ত হয়ে গেল। [মিউজিক]
- 43:46মাটি শান্ত হয়ে গেল। কবিরাজ হাপাতাপাতে
- 43:48বসে পড়লেন। তার দৌড়ে এসে বললেন হুজুর শেষ।
- 43:52কবিরাজ [মিউজিক] ধীরে বললেন, একটা শেষ
- 43:55হয়েছে। কিন্তু সবগুলো তার না। কবিরাজ
- 43:57বললেন, যে জিনটা মারা গেছে [মিউজিক] তার
- 43:59শক্তি বেশি ছিল। কিন্তু তিনি থামলেন।
- 44:02তালুকদার বলল কিন্তু কি? কবিরাজ গভীর গলায়
- 44:05বললেন, ওর স্ত্রী আছে আর সে আরো ভয়ঙ্কর।
- 44:08তালুকদারের [মিউজিক] শরীর ঠান্ডা হয়ে গেল।
- 44:10সে রাতেই দূরে জঙ্গলের দিক থেকে একটা
- 44:13ভয়ঙ্কর চিৎকার শোনা গেল। মনে হচ্ছিল কেউ
- 44:16প্রতিশোধ নিতে আসছে। জিনটা মারা যাওয়ার পর
- 44:18দুদিন ধরে গ্রামটা অস্বাভাবিক শান্ত হয়ে
- 44:21গেল। [মিউজিক] মানুষ ভাবলো সবশেষ অভিশাপ
- 44:23কেটে গেছে। তারকদার সাহেবও একটু স্বস্তি
- 44:25পেলেন। পক্ষপারে [মিউজিক] আবার কিছু লোক
- 44:27যেতে শুরু করল। কিন্তু এই শান্তি ছিল
- 44:30ঝড়ের আগের নীরবতা। দ্বিতীয় রাত গ্রামের
- 44:33আকাশ হঠাৎ কালো [মিউজিক] হয়ে গেল। কোন
- 44:35মেঘ নেই তবুও চাঁদ দেখা যাচ্ছে না। হঠাৎ
- 44:38গ্রামের উত্তর দিকের জঙ্গল থেকে একটা
- 44:40ভয়ঙ্কর শব্দ শোনা গেল। একটা নারীর হাসি
- 44:43কিন্তু সেটা মানুষের না। গ্রামের এক মহিলা
- 44:46রহিমা রাতের বেলা ঘর থেকে বাইরে বের
- 44:48হয়েছিল। হঠাৎ সে দেখল দূরে একটা গাছের
- 44:51ডালে [মিউজিক] কেউ বসে আছে। লম্বা চুল
- 44:53সাদা কাপড়। চোখে লাল আগুনের মত জলজল। সে
- 44:56ধীরে ধীরে নিচে নামল। তার পা মাটিতে ছুয়েও
- 44:59না। রহিমা কাঁপতে কাঁপতে বলল, কে তুমি? সে
- 45:02শুধু হাসল। পরদিন সকালে।
- 45:06রহিমাকে পাওয়া গেল তার ঘরের পাশে। সে মরে
- 45:09পড়ে আছে। তার মুখে ভয় জমে আছে। চোখ খোলা
- 45:12ঠিক আগের মৃতদের মত। গ্রামের মানুষ বুঝে
- 45:15গেল নতুন কিছু শুরু হয়েছে। কবিরাজ
- 45:17হাফিসউদ্দিন আবার পুকুর [মিউজিক] পাড়ে এসে
- 45:19দাঁড়ালেন। তিনি চারিদিকে তাকিয়ে বললেন, কে
- 45:22এসেছে? তার কাপাক গলায় বললেন," কে?
- 45:24কুবিরাজ ধীরে [মিউজিক] বললেন যে জিনটা
- 45:26মারা গেছে এটা তার স্ত্রী এক ভয়ঙ্কর
- 45:28ডাইনি সবাই স্তব্ধ এরপর থেকে প্রতি রাতে
- 45:31গ্রামের কোথাও [মিউজিক] না কোথাও ভয়ঙ্কর
- 45:33ঘটনা ঘটতে লাগলো কেউ ঘুম থেকে উঠে দেখে
- 45:36দরজার বাইরে কেউ দাঁড়িয়ে কেউ শুনতে পায়
- 45:38জানলার পাশে কেউ হাঁটছে গাছের ডাল থেকে
- 45:40অদ্ভুত হাসির শব্দ আসে এক এক করে মানুষ
- 45:43মারা যেতে লাগল এক রাতে তালুকদার সাহেব
- 45:46নিজেই সে ডাইনিকে দেখলেন। তিনি বারান্দায়
- 45:48[মিউজিক] বসেছিলেন। হঠাৎ দেখলেন তার সামনে
- 45:50উঠানে একটা নারী দাঁড়িয়ে চুল পুরো মুখ
- 45:53ঢেকে রেখেছে ধীরে ধীরে সে মাথা তুলল চোখ
- 45:56দুটো লাল সে বলল তুই [মিউজিক] আমাকে তুই
- 45:58আমার স্বামীকে মেরেছিস তালুকদার ভয় জমে
- 46:00গেল ডাইনি ধীরে ধীরে বলল আমি সব শেষ করে
- 46:03দেব তারপর সে হঠাৎ অদৃশ্য হয়ে গেল
- 46:05তালুকদার চিৎকার করে উঠলেন সে রাত থেকে
- 46:08তিনি ঘুমাতে পারছেন না কবিরাজ চেষ্টা
- 46:10করলেন তাবিজ দিলেন মন্ত্র পড়লেন কিন্তু
- 46:12ডাইনি আরো [মিউজিক] শক্তিশালী সে
- 46:14সবকিছুতেই ভয় পায় না বরং আরো রেগে যায়
- 46:17ভয়ঙ্কর আক্রমণ এক রাত রাতে [মিউজিক]
- 46:19গ্রামের তিনজন মানুষ একসাথে মারা গেলেন।
- 46:21কি কিছু বুঝতেই পারলো না? শুধু শোনা গেল
- 46:24একটা ভয়ঙ্কর হাসি। কবিরাজ হাফিজউদ্দিন
- 46:27একদিন চুপ করে বসে রইলেন। সবাই অবাক এই
- 46:30ডাইনি আমার শক্তির বাইরে। গ্রামের মানুষ
- 46:32এখন দিশাহারা। [মিউজিক] কেউ আর জানিনা কি
- 46:34করবে। একটার পর একটা মৃত্যু। ডাইনি যেন
- 46:37পুরো গ্রাম শেষ করে দেবে। শালবনপুর এখন আর
- 46:40আগের মতো নেই। দিনের বেলা তো মানুষ
- 46:42[মিউজিক] ভয় পায়। রাস্তাঘাট ফাঁকা।
- 46:43সন্ধ্যা নামলেই পুরো গ্রাম যেন মৃত।
- 46:46ডাইনির অত্যাচার [মিউজিক] দিন দিন বাড়তে
- 46:47লাগল। প্রতিদিন সকালে কারো না কারো লাশ
- 46:50পাওয়া যায়। কারো উঠানে কারো দরজার সামনে
- 46:52আবার কেউ পুকুর পাড়ে পড়ে থাকে। সব লাশের
- 46:55একই অবস্থা। চোখ বড় বড় করে খোলা। মুখে
- 46:59ভয় জমে [মিউজিক] আছে। কোন আঘাত নেই। মনে
- 47:01হয় ভয়েই তারা মারা গেছে। গ্রামের মানুষ
- 47:04সিদ্ধান্ত নিল আরেকজন কবিরাজ আনতে হবে।
- 47:06এবার তারা দূরের এক [মিউজিক] বিখ্যাত
- 47:08কবিরাজকে নিয়ে এলো। তার নাম কবিরাজ
- 47:10সোলাইমান। তিনি আসতে বললেন আমি অনেক
- 47:13শক্তিশালী শক্তির মোকাবেলা [মিউজিক]
- 47:14করেছি। এটা কিছুই না। তার আত্মবিশ্বাস
- 47:17দেখে গ্রামের মানুষ একটু সাহস পেল। সে
- 47:19রাতে তিনি পুকুর পাড়ে [মিউজিক] গেলেন।
- 47:21চারিদিকে তাবিজ, আগুন, লবণ সব ব্যবস্থা
- 47:23করলেন। তারপর মন্তর পড়তে শুরু করলেন।
- 47:26কিছুক্ষণ পর হঠাৎ [মিউজিক] বাতাস থেমে
- 47:28গেল। সবকিছু নিস্তব্ধ। হঠাৎ পেছন থেকে
- 47:30একটা কন্ঠ। তুই আমাকে থামাবি। কবিরাজ ঘুরে
- 47:33দাঁড়ালেন। তার সামনে সে ডাইনি। লম্বা
- 47:35চুল, সাদা কাপড়, চোখ [মিউজিক] লাল।
- 47:37কিন্তু এবার তার চেহারা আরো ভয়ঙ্কর।
- 47:39মুখের আগ আর প্রতিশোধের আগুন। কবিরা
- 47:42সোলাইমান জোরে মন্ত্র পড়তে লাগলেন। তিনি
- 47:45একটা তাবিজ [মিউজিক] ছুড়ে মারলেন। ডাইনি
- 47:46একটু পিছে গেল। কিন্তু সে হেসে উঠলো। এসব
- 47:49দিয়ে আমাকে থামানো যাবে না। হঠাৎ ডাইনি এক
- 47:52[মিউজিক] ঝটকায় সামনে এসে দাঁড়ালো। কবিরাজ
- 47:54কিছুই বোঝাটার আগেই চারিদিকে অন্ধকার নেমে
- 47:57এল। শুধু শোনা গেল একটা চিৎকার। পরদিন
- 48:00সকালে। কবিরাজ সোলাইমানের লাশ পাওয়া গেল
- 48:03পুকুর পাড়ি। [মিউজিক] এবার গ্রামের মানুষ
- 48:05পুরো ভেঙ্গে পড়ল। একজন না দুইজন কবিরাজ
- 48:08মারা গেছে। কেউ বিশ্বাস করতে পারছে না এই
- 48:10ডাইনিকে থামানো সম্ভব। তালুকদার সাহেব
- 48:12মাথা [মিউজিক] হাত দিয়ে বসে আছেন। তিনি
- 48:14বললেন আমার জন্য সব হয়েছে। তার চোখে
- 48:17পানি। গ্রামের মানুষ তাকে দোষ দিতে শুরু
- 48:19করল। আপনার [মিউজিক] পুকুরের জন্যই
- 48:21সর্বনাশ। সে রাতেই গ্রামের কয়েকজন একসাথে
- 48:24ডাইনিকে দেখল। সে গাছের উপর দিয়ে
- 48:26[মিউজিক] দাঁড়িয়েছিল। তার চুল বাতাসে
- 48:28উঠছে। হঠাৎ সে চিৎকার করে উঠলো। সবাই
- 48:31মরবে। তার [মিউজিক] কন্ঠে ছিল ভয়ঙ্কর
- 48:33শক্তি। আরেকজন কোভিদ জানা হলো কিন্তু সে
- 48:36পুকুরপড়ে যেতে ভয়ে [মিউজিক] পালিয়ে গেল
- 48:38সে বলল এই শক্তি মানুষের না আমি পারবো না
- 48:42গ্রামের মানুষ এখন বুঝে গেছে সাধারণ কেউ
- 48:44এই ডাইনিকে [মিউজিক] থামাতে পারবে না একজন
- 48:46বৃদ্ধা বললেন একজন আছে কিন্তু তাকে আনা
- 48:48কঠিন সবাই তাকালো তার দিকে [মিউজিক]
- 48:51কি বৃদ্ধ বলল কালো পাহাড়ের কবিরাজ সে
- 48:53একাই বাড়ি শালবনপুর গ্রাম এখন মৃত্যুর
- 48:56গ্রাম দিনে সূর্য ওঠে কিন্তু মানুষের মুখে
- 48:59আলো নেই প্রতিটি ঘরে কান্না প্রতিটি রাতে
- 49:01ভয় ডাইনির আতঙ্কে কেউ ঘর থেকে বেরও
- 49:04[মিউজিক] হয় না। গ্রামের এক বৃদ্ধ মসজিদ
- 49:06চাচা সবাইকে ডেকে বললেন, এই ডাইনিকে
- 49:08সাধারণ কেউ থামাতে পারবে না। আমি একজনকে
- 49:11চিনি। সবাই আগ্রহ করে জিজ্ঞাসা করল, কে?
- 49:13তিনি ধীরে ধীরে বললেন, কালো পাহাড়ের
- 49:16কবিরাজ। তার নাম গাজী কাদের। [মিউজিক]
- 49:18সবাই চমকে উঠলো কারণ, এই নাম তারা শুনেছে।
- 49:21কিন্তু কেউ তাকে কখনো দেখেনি। তালুকদার
- 49:23সাহেব আর কয়েকজন সাহসী মানুষ রওনা দিল
- 49:26সেই কবিরাজকে আনতে। তাদের যেতে হলো
- 49:29[মিউজিক] জঙ্গল পার হয়ে নদী পেরিয়ে
- 49:30পাহাড়ের দিকে। দুইদিনের পথ অনেক কষ্টে
- 49:33তারা পৌঁছালো এক নির্জন [মিউজিক] জায়গায়
- 49:35একটা ছোট করে ঘর চারিদিকে অদ্ভুত
- 49:37নিস্তব্ধতা সেখানে বসেছিলেন একজন [মিউজিক]
- 49:39বৃদ্ধ চোখ বন্ধ মনে হচ্ছিল সবকিছু তিনি
- 49:42আগেই জানেন তালুকদার এগিয়ে গিয়ে বললেন
- 49:45হুজুর আমাদের গ্রাম শেষ হয়ে যাচ্ছে গাজী
- 49:48[মিউজিক] কাদের চোখ খুললেন তার চোখে ছিল
- 49:50ভয়ঙ্কর শান্তি তিনি বললেন আমি জানি গাজী
- 49:52কাদের ধীরে বললেন তোমরা যাকে মেরেছো সে
- 49:55ছিল একটা জায়গার রক্ষক [মিউজিক] চিহ্ন
- 49:57সবাই অবাক মানে সে খারাপ ছিল না সে
- 50:00পুকুরপড়ের ভারসম্য রক্ষা করত। তালুকদার
- 50:03কাঁপতে লাগলেন তাহলে তোমরা তাকে মেরে তার
- 50:06স্ত্রীকে জাগিয়ে তুলেছ আর সে প্রতিশোধ
- 50:08নিচ্ছে। গাজী কাদের বললেন, [মিউজিক] এই
- 50:10ডাইনি শুধু প্রতিশোধ নিচ্ছে না সে শক্তি
- 50:13সংগ্রহ করছে। যত মানুষ মরছে তত সে
- 50:15শক্তিশালী হচ্ছে। সবাই স্তব্ধ। তালুকদার
- 50:18হাটু কেড়ে বসে বললেন, হুজুর আমাদের
- 50:20বাঁচান। গাজী কাদের [মিউজিক] কিছুক্ষণ চুপ
- 50:23থেকে বললেন, এ লড়াই সহজ হবে না। অনেক বড়
- 50:26মূল্য দিতে হবে। তারা গাজী কাদেরকে নিয়ে
- 50:29গ্রামে ফিরল। গ্রামের মানুষ তাদেরকে দেখে
- 50:32আসার [মিউজিক] আলো পেল। কিন্তু তিনি
- 50:34প্রথমেই বললেন আজ রাতেই শেষ যুদ্ধ হবে।
- 50:36প্রস্তুতি গাজী কাদের পুকুর পাড়ি গিয়ে
- 50:39চারিদিকে বিশেষ চিহ্ন আঁকলেন। মাটিতে কিছু
- 50:42লিখলেন। কিছু গাছ কেটে ফেলতে [মিউজিক]
- 50:44বললেন তিনি বললেন আজ কেউ ঘর থেকে বের হবে
- 50:46না। রাত নামলেও চারিদিকে নিস্তব্ধতা।
- 50:49পুকুরের পানি অস্বাভাবিকভাবে স্থির। হঠাৎ
- 50:52একটা ঠান্ডা বাতাস বইতে শুরু করল। দূরে
- 50:55জঙ্গলের দিকে সেই ভয়ঙ্কর হাসি। ডাইনি
- 50:58আসছে। গাজী কাদের চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে
- 51:00রইলেন। তিনি বললেন এবার শেষ। রাত তখন
- 51:03গভীর। আকাশ কালো চারিদিকে অস্বাভাবিক
- 51:05নিস্তব্ধতা। তালুকদার [মিউজিক] পুকুরের
- 51:08চারপাশে দাঁড়িয়ে আছেন গাজী কাদের। আর
- 51:10তার চারিদিকে আঁকা অদ্ভুত চিহ্নগুলোর মৃত
- 51:13আলো ছড়াচ্ছে। [মিউজিক] মনে হচ্ছে এই
- 51:15জায়গাটা এখন যুদ্ধক্ষেত্র। হঠাৎ ঝড় শুরু
- 51:17হলো। গাছপালাগুলো ভয়ঙ্করভাবে দুলতে
- 51:20লাগলো। পুকুরে পানি কাঁপতে লাগলো।
- 51:21[মিউজিক] তারপর অন্ধকার ভেদ করে ধীরে ধীরে
- 51:24সামনে এলো সেই ডাইনি। সে আগের চেয়ে অনেক
- 51:27বেশি ভয়ঙ্কর। তার চুল বাতাসে উঠছে চোখ
- 51:29দুটো আগুনের [মিউজিক] মত জ্বলছে সে হাসতে
- 51:31লাগলো। তুই এসছিস আমাকে থামাতে। গাজী
- 51:34কাদের শান্ত গলায় [মিউজিক] বললেন, তোর
- 51:36সময় শেষ। ডাইনি হেসে উঠল। আমাকে কেউ
- 51:39থামাতে পারবে না। আমি সব শেষ করে দেব।
- 51:42ডাইনি হঠাৎ এক ঝটকায় সামনে চলে এল।
- 51:44চারিদিকে অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ল। গাজী
- 51:47কাদের মাটিতে হাত রাখলেন। সাথে সাথে আলো
- 51:49ছড়িয়ে [মিউজিক] পড়ল। ডাইনি একটু
- 51:51পিছিয়েও গেল। হঠাৎ পুকুরের পানি নিজে
- 51:53নিজে উঠতে লাগলো। মনে হচ্ছে ডাইনি পানির
- 51:56শক্তি ব্যবহার করছে। সে চিৎকার করে উঠলো
- 51:58এই পুকুর আমার। গাজী কাঁদে জোরে মন্ত্র
- 52:01পড়তে লাগলেন। তার চারপাশে [মিউজিক]
- 52:02আগুনের মত আলো তৈরি হলো। ডাইনি আক্রমণ
- 52:05করল। দুই শক্তি একসাথে ধাক্কা খেল। ধুম।
- 52:08মাটি কেঁপে উঠলো। ঘরে বাতাস ভিতরে মানুষ
- 52:11কাঁপছে। [মিউজিক] তারা বাইরে আসতে পারছে
- 52:13না। শুধু দূর থেকে শব্দ শুনতে পাচ্ছে।
- 52:16ঝড়, চিৎকার, বিস্ফোরণ। হঠাৎ গাজী
- 52:18[মিউজিক] কাদের চিৎকার করে বললেন তার
- 52:20সত্যি পুকুর থেকে ডাইনি থেমে গেল সেটা
- 52:23এগিয়ে বলল চুপ গাজী কাদের দ্রুত পুকুরের
- 52:26দিকে চারিদিকে ছুটতে লাগলেন তিনি মাটিতে
- 52:28কিছু চিহ্ন আকলেন তারপর [মিউজিক] চিৎকার
- 52:30করে বললেন এই শক্তি বন্ধ হয়ে যাক পুকুরের
- 52:33পানি হঠাৎ থেমে গেল ডাইনি দুর্বল [মিউজিক]
- 52:35হয়ে পড়ল ডাইনি চিৎকার করে উঠলো না আমি
- 52:38হারবো না সে শেষ শক্তিতে আক্রমণ করল গাজী
- 52:42কাদের চোখ বন্ধ করে দাঁড়িয়ে রইলেন। হঠাৎ
- 52:44একটা বিশাল আলো চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল।
- 52:46[মিউজিক] ডাইনি চিৎকার করতে লাগলো। তার
- 52:48শরীর ধীরে ধীরে ভেঙে যেতে লাগলো। শেষে সে
- 52:52ধোঁয়ার মতো মিলে গেল। সবকিছু থেমে গেল।
- 52:54ঝড় থেমে গেল পানি শান্ত। গাজী কাদের ধীরে
- 52:57[মিউজিক] বসে পড়লেন। তিনি ক্লান্ত।
- 52:59কিন্তু হঠাৎ পুকুরের পানি আবার একটু নড়ল।
- 53:02[মিউজিক] গাজী কাদের চোখ খুললেন। তিনি
- 53:04ধীরে পড়লেন। শেষ হয়নি। ডানিটা ধ্বংস
- 53:06হয়ে গেছে। সবাই তাই ভেবেছিল। কিন্তু গাজী
- 53:09কাদেরের মুখের কথা শুনে শেষ হয়নি।
- 53:12তালুকদার সাহেব [মিউজিক] বুকের ভিতর আবার
- 53:14কাপন ধরল। পুকুরটা এখন অদ্ভুত শান্ত।
- 53:17এতটাই শান্ত যে সেটা স্বাভাবিক না। কোন
- 53:20পাখির ডাক নেই, কোন ব্যাঙের শব্দ নেই। মনে
- 53:22হচ্ছে পুরো জায়গাটা নিঃশ্বাস বন্ধ করে
- 53:25আছে। [মিউজিক] গাজী কাদের ধীরে ধীরে
- 53:27পুকুরের দিকে তাকিয়ে বললেন, এই নীরবতা
- 53:29ভালো না। তালুকদার কাঁপা গলায় বললেন,
- 53:32হুজুর ডানি তো শেষ হয়েছে তাই না? গাজী
- 53:34কাদের চুপ রইলেন। তারপর বললেন, ওটা ছিল
- 53:37তার শরীর। কিন্তু তার শক্তি? তালুকদারের
- 53:40গলা শুকিয়ে গেল। মানে ডাইনি শক্তি এখনো
- 53:43এই পুকুরে আছে। [মিউজিক] গাজী কাদের
- 53:45পুকুরের ধারে গিয়ে মাটিতে বসে পড়লেন।
- 53:47তিনি চোখ বন্ধ করে কিছু পড়তে লাগলেন।
- 53:49হঠাৎ তিনি চোখ খুলে বললেন, এই পুকুরের
- 53:52নিচে কিছু একটা লুকানো আছে। [মিউজিক]
- 53:54গ্রামের কয়েকজন সাহস করে কাছে এল তারা
- 53:56দেখল, পুকুরের মাঝখানে হালকা কালো একটা
- 53:59[মিউজিক] দাগ দেখা যাচ্ছে। মনে হচ্ছে
- 54:00পানির নিচে কিছু আছে। গাজী কাদের বললেন,
- 54:03ডাইনি তার শক্তি এখানে বেঁধে রেখে গেছে।
- 54:06এটা না ভাঙলে সে আবার ফিরে আসবে। তালুকদার
- 54:08বললেন, তাহলে কি করতে হবে? গাজী [মিউজিক]
- 54:10কাদের ধীরে বললেন পুকুর শুকাতে হবে সবাই
- 54:13হতবাক এই বিশাল পুকুর হ্যাঁ না হলে এই
- 54:16অভিশাপ কখনো শেষ হবে না পরদিন থেকে কাজ
- 54:19শুরু হলো গ্রামের মানুষ ভয় পেলেও বাঁচার
- 54:22জন্য সবাই এক হলো [মিউজিক] দিন-রাত পানি
- 54:24তোলা হলো কিন্তু অদ্ভুত ঘটনা ঘটতে লাগলো
- 54:26পানি কমে না যতই পানি তোলা হয় আবার ভয়ে
- 54:29ভরে যায় মাঝে মাঝে পানির ভেতর থেকে শব্দ
- 54:32আসে এক রাতে যারা [মিউজিক] পানি তুলতেছিল
- 54:34তারা হঠাৎ শুনল পানির ভেতর থেকে কেউ বলছে
- 54:38থাম সবাই থেমে [মিউজিক] গেল।
- 54:41তারপর আবার থাম না হলে মরবি। লোকগুলো
- 54:44দৌড়ে পালালো। গাজী কাদের বুঝলেন এই কাজ
- 54:47অসহজ না। তারা চারিদিকে নতুন করে তাবিজ
- 54:50[মিউজিক] বসালেন। মন্ত্র পড়লেন। তারপর
- 54:52বললেন, আজ রাতে শেষ চেষ্টা করব। রাত
- 54:54নামতেই আবার অদ্ভুত পরিবেশ। পুকুরের পানি
- 54:57কালো [মিউজিক] হয়ে গেল। হঠাৎ মাঝখান থেকে
- 54:59একটা কালো ধোয়া উঠতে লাগলো। গাজি কাদের
- 55:01চিৎকার করে বললেন, সে ফিরে আসছে। [মিউজিক]
- 55:04ধোয়ার ভেতর থেকে একটা অবয়ব তৈরি হতে
- 55:06লাগলো। পুরনো অর্থে কিন্তু সেটা স্পষ্ট।
- 55:08ডাইনি তার চোখে আগের মধ্যে চলছে। সে
- 55:11দুর্বল কিন্তু বেঁচে আছে। [মিউজিক] ডাইনি
- 55:13হাসতে লাগলো তুই ভেবেছিস আমি শেষ। গাজি
- 55:16কাদের দাঁড়িয়ে বললেন, আজ সত্যি শেষ হবে।
- 55:19ডাইনি আবার আগের মতোই [মিউজিক] শক্তিশালী
- 55:21না। কিন্তু সে ধীরে ধীরে শক্তি নিচ্ছেন।
- 55:24পুকুরের ভেতর থেকে গাজী কাদের বুঝলেন,
- 55:26সময় কম। তিনি তালুকদারকে ডাকলেন, এ পুকুর
- 55:29তোমার তোমাকে [মিউজিক] শেষ করতে হবে।
- 55:31তালুকদার ভয় পেয়ে বললেন, আমি হ্যা তোমার
- 55:34হাতে এই অভিশাপ শুরু হয়েছে। তোমার হাতে
- 55:36শেষ হবে? তালুকদারের চোখে পানি চলে এলো।
- 55:39তিনি ধীরে ধীরে বললেন, আমি কি করব? গাজী
- 55:41কাদের একটা তাবিজ দিলেন। এটা পুকুরের
- 55:43মাঝখানে ছুড়ে মারো। তালুকদার কাঁপতে
- 55:45কাঁপতে পুকুরের [মিউজিক] দিকে এগলেন।
- 55:47ডাইনি চিৎকার করে উঠলো। না তিনি চোখ বন্ধ
- 55:50করে তাবিজটা ছুড়ে মারলেন। হঠাৎ ধুম।
- 55:53পুকুরে পানি ফেটে গেল। চারিদিকে আলো
- 55:55ছড়িয়ে পড়ল। ডাইনি চিৎকার করতে লাগল।
- 55:58ধীরে ধীরে [মিউজিক] তার অবয়ব ভেঙে গেল।
- 56:00এবার পুরোপুরি কোন কিছুই আর রইল না।
- 56:03সবকিছু থেমে গেল। পুকুর শান্ত বা তার
- 56:05স্বাভাবিক গাজি কাঁধের হাপাতাতে বললেন
- 56:08এবার শেষ কিন্তু সবার অজান্তে পুকুরের এক
- 56:11কোণে হালকা একটা ছায়া নড়ল
- 56:14শালবনপুর গ্রাম রাতের আকাশ অর্ধেক
- 56:17[মিউজিক] চাঁদ দিয়ে ঢাকা বাতাসে অদ্ভুত
- 56:20শীতলতা গ্রামে মানুষ ঘরবন্দি আর কেউ
- 56:23বেরোতে সাহসও পাচ্ছে না তালুকদার পুকুর
- 56:26পুকুরের পানি এখন অদ্ভুতভাবে স্থির কিন্তু
- 56:28সে স্থিরতার মধ্যে একটা অদ্ভুত ছয়ান উঠছে
- 56:31পুকুর পাড়ে [মিউজিক] দাঁড়িয়ে আছেন গাজী
- 56:33কাদের এর। তার পাশে তালুকদার সাহেব এখন
- 56:36খুবই কাঁপছে। হুজুর কি হবে এখন? গাজী
- 56:39কাদের ঠান্ডা গলায় বললেন, আজ [মিউজিক]
- 56:40রাতে সব শেষ হবে তবে সবাইকে সতর্ক থাকতে
- 56:43হবে। রাত গভীর পুকুরের পানির মধ্যে থেকে
- 56:47হঠাৎ অন্ধকার [মিউজিক] ধোয়ার মত ছায়া
- 56:49বের হতে শুরু করল। সে ছায়া আগের ডাইনি।
- 56:52কিন্তু এবার সে পরিবর্তিত আরো ভয়ঙ্কর
- 56:55রূপে। চুল লম্বা বাতাসে ছড়িয়ে চোখ লাল
- 56:58আগুনের মত জ্বলছে। চেহারায় [মিউজিক]
- 57:00প্রাক প্রতিশোধ এবং শীতকারের আগুন
- 57:02মিশাচ্ছে।
- 57:04গ্রামের মানুষ ঘর থেকে হঠাৎ চিৎকার করতে
- 57:06করতে পিছু হোটে। তারা জানে এবার আর কোন
- 57:09দৌড় আছে না। গাজী কাদের ধীরে ধীরে
- 57:12[মিউজিক] পুকুরপড়ি পৃত্র আকলেন। তার হাত
- 57:14থেকে ঝরে পড়েছে বিশেষ তাবিজ। এই বৃত্তের
- 57:17মধ্যে না ঢুকলে কেউ বেঁচে যাবে না। তিনি
- 57:19তালুকদারের দিকে তাকালেন। তোমাকে প্রথম
- 57:22বৃত্তের ভেতর [মিউজিক] থাকতে হবে।
- 57:24তারুকদার কাঁপতে কাঁপতে বললেন কিন্তু আমি
- 57:27কি পারবো? গাজী কাদের কঠিন গলায় বললেন,
- 57:30তুমি শুরু করেছো? শুরু করলে শেষ করতে হবে।
- 57:33অন্য কারো হাতেই দায়িত্ব নেই। হঠাৎ ডাইনি
- 57:36আকাশ থেকে ঝাপ [মিউজিক] দিয়ে বৃত্তের
- 57:38দিকে এল। তার কন্ঠে বাজলো আর সাপ শেষ হবে।
- 57:41ডাইনির শক্তি চরমে পুকুরের পানি ঝলসে
- 57:43উঠলো। গাছগুলো [মিউজিক] কেঁপে উঠলো। মাটির
- 57:45মধ্যে যেন ভেতরের শক্তি স্পন্দিত হচ্ছে।
- 57:49গাজী কাদের এবং তালুকদার বৃত্তের মধ্যে
- 57:51দাঁড়িয়ে মন্ত্র পড়া শুরু করলেন। তাবিজ
- 57:53ঝলসে উঠলো। আলো চারিদিকে [মিউজিক] ছড়িয়ে
- 57:55পড়ল। ডাইনি চিৎকার করে না এই শক্তি আমার।
- 58:00ডাইনি আক্রমণ করল। তার হাত থেকে আগুনের মত
- 58:02শক্তি বের হচ্ছে। [মিউজিক] গাজী কাদের
- 58:04একদিকে ঠেকালেন। অন্যদিকে আবার নতুন শক্তি
- 58:07বের করলেন। প্রথমবার এই সংঘর্ষে ডাইনি
- 58:09পিছিয়ে গেল না। তবে তার শক্তির হ্রাস
- 58:12পাড়ছেন। গাজী কাদের ধীরে ধীরে তাকে
- 58:15বললেন, ডাইনি নিঃশ্বাস করতে হবে। তার
- 58:20শক্তি পুকুরে [মিউজিক] বাঁধা। তিনি মাটিতে
- 58:22একটি রহস্যময় মন্ত্র লিখলেন। লাল তাবিজ,
- 58:25কালোকালি সব মিশে বিশেষ শক্তি তৈরি হল।
- 58:28ডাইনি আক্রমণ [মিউজিক] করছিল। কিন্তু
- 58:30শক্তি হ্রাস পাচ্ছে। ধীরে ধীরে সে পিছিয়ে
- 58:33এলো। ডাইনি বুঝতে পারল কাজী কাদিরের হাতের
- 58:35[মিউজিক] মন্ত্র ও তাবিজে তার ধ্বংসের
- 58:37চাবি। সে হঠাৎ পানিতে ভাঙতে শুরু করল।
- 58:41পুকুরের ঢেউ উঠল। গ্রামের মানুষ ছুটে গেল।
- 58:43ডাইনি চিৎকার করে আমি ফিরে আসবো। তুমি
- 58:45[মিউজিক] পারবে না। গাজী কাদির ধীরে
- 58:48কিন্তু দৃঢ় গলায় বললেন, আজই শেষ হবে। এই
- 58:51পুকুরে তুমি আর কাউকেই ভয় দেখাবে না।
- 58:55গাজী কাদের এবং ডাইনির দিকে তাবিজ ছড়ে
- 58:57মারলেন। একসাথে পুকুরের পানি চাপে উঠলো।
- 59:00ডাইনি চিৎকার [মিউজিক] করতে করতে ধীরে
- 59:02ধীরে ভেঙে গেল। চূড়ান্ত মুহূর্ত। ডাইনি
- 59:05এর শক্তি পুকুরের মধ্যে আটকা পড়ল। বৃত্ত
- 59:08সম্পন্ন বন্ধ [মিউজিক] হলো। ডাইনি ধোয়ার
- 59:10মত মিলে গেল। তার চিরকাল শেষ। শূন্যতা
- 59:13নেমে এল গাজী কাদের বললেন, এখন সত্যি
- 59:15শান্তি। তালুকদার সাহেব কেঁপে কেঁপে
- 59:18দাঁড়িয়েছিলেন। গ্রামের মানুষ ধীরে ধীরে
- 59:20উৎসাহ পেল। পরদিন সকালে গ্রাম আলোই ভরে
- 59:23গেল। পুকুর শান্ত পাখি কুড়কুরে গান করতে
- 59:26শুরু করল।
- 59:28তালুকদার সাহেব গাজী [মিউজিক] কাদেরের
- 59:30দিকে তাকালেন। আপনি কি সত্যি সব শেষ
- 59:33করেছেন? গাজী কাদের মাথা নাড়লেন। হ্যাঁ।
- 59:36কিন্তু অভিশাপ চিরকালের মতো মুছে যায়নি।
- 59:38যিনি আবার লোভ বা বিদ্বেষ দেখাবে তার
- 59:41শক্তি কখনো ফিরে আসবে না। সবাই যখন
- 59:44বিশ্বাস করেছিল সব শেষ
- 59:46পুকুরের এক কোণে হালকা [মিউজিক] ছায়া নড়ল।
- 59:49কেউ কিছু দেখলো না কিন্তু অনুভব হলো। কিছু
- 59:52শক্তি এখনো পুকুরের মধ্যে বাধা আছে। গাজী
- 59:54কাদির ধীরে বললেন, শক্তি আছে কিন্তু এবার
- 59:57[মিউজিক] কেউ সাহস করবে না। এভাবেই গ্রাম
- 1:00:00ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরল। ভয়,
- 1:00:02মৃত্যু আর অভিশাপের স্মৃতি মনে থাকলো।
- 1:00:05প্রিয় লিসেনার কেমন লাগলো আজকের গল্প দুটো
- 1:00:08সবাই কমেন্ট করে [মিউজিক] জানাবেন।
- 1:00:10আপনাদের কেমন গল্প পছন্দ করেন এটা আমাকে
- 1:00:12জানিয়ে দিতে পারেন। আমি চেষ্টা করব
- 1:00:14আপনাদের মনের মত গল্প নিয়ে আসতে। যারা
- 1:00:17এখনো চ্যানেলটি সাবস্ক্রাইব করেননি তারা
- 1:00:19প্লিজ করে দিন নিত্য নতুন গল্প পেতে। আজকে
- 1:00:21এখানে বিদায় নিচ্ছি। সবাই অনেক ভালো
- 1:00:23থাকবেন, সুস্থ থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
About this transcript
This page contains the full transcript of বরই গাছের পরী যখন রোমান্টিক বউ Horror Night আমাদের চ্যানেলটি সবাই সাবস্ক্রাইব করুন by ভৌতিক আসর, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 9,768 words across 1,447 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.
What you can do with it
Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.
Free YouTube transcript tool
YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.