যে মানুষের এই ৩ টি গুণ আছে ভগবান তাঁর সঙ্গে থাকে। শুনুন গুণ ৩ টি কী কী? Gita srikrishna Bani — Transcript
Full transcript
- 0:01[মিউজিক]
- 0:05দেখতে গেলে এই সংসার বড়ই সুন্দর। [মিউজিক]
- 0:10কিন্তু আসল সত্যি এটাই যে সংসারে সবকিছু
- 0:14নসবর।
- 0:16[মিউজিক] যেটা কাল ছিল তা আজ নেই। যা আজ
- 0:21আছে তা কাল ছিল না। আর যা আজ আছে তা কালও
- 0:25থাকবে না।
- 0:29প্রত্যেক মানুষকেই যথাসময় কালের কাছে
- 0:32মাথা নত করতে হয়। এই রূপের বিনাশ করে
- 0:36বার্ধক্য। প্রাণের বিনাশ করে মৃত্যু।
- 0:40আলস্য ঈর্ষা ধর্মের বিনাশ করে। আর ক্রোধ
- 0:46ক্রোধ বিনাশ করে সম্পর্কের
- 0:50কিন্তু এরকম একটা অনুভূতি আছে যা একাই
- 0:54সমস্ত গুণ বিনাশ করতে সক্ষম হয়। [মিউজিক]
- 0:59আর সেটা হলো
- 1:01অহংকার।
- 1:03তাই জ্ঞানকে নিজের কাছে আসতে দিন কিন্তু
- 1:07অহংকারকে কখনোই নয়। কারণ যদি এই অহংকার
- 1:11আপনার কাছে চলে আসে তাহলে জীবনে যা কিছু
- 1:14আপনি অর্জন করেছেন তা সে গুণ হোক বা হোক
- 1:18ধন সে বন্ধু হোক বা হোক আনন্দ
- 1:25সবকিছু শেষ হয়ে যাবে
- 1:29[মিউজিক]
- 1:32রাধা রাধা এই [মিউজিক] পাথর দেখতে পাচ্ছেন
- 1:35আপনি কত গোর কতটা কতটা চকচকে
- 1:40[মিউজিক]
- 1:41বাচ্চাদের অনেক সময় এটা নিয়ে খেলতে ভালো
- 1:44লাগে আর কেনইবা লাগবে না কতটা সুন্দর আর
- 1:48মুসরিন এটা
- 1:52কিন্তু আপনি কি কখনো ভেবে দেখেছেন এই পাথর
- 1:55আগে কি ছিল
- 1:58কোন বিশাল আকার পর্বত কোন বিশাল আকার
- 2:02পাথরের একটা বড় ভেঙে যাওয়া অংশবিশেষ
- 2:06যেটা কোনভাবে নদীতে পড়ে নদীর ধারার সাথে
- 2:11বইতে থাকলো। মাটির সাথে ঘর্ষণ হলো। বালির
- 2:16কণার সাথে ঘর্ষণ হতে থাকলো। আর তারপর ধীরে
- 2:19ধীরে এই আকার পেল।
- 2:22এবার আমরাও এই পাথরের মতই। [মিউজিক] তাই
- 2:26মনে রাখবেন আপনার ব্যক্তিত্ব,
- 2:30আপনার এই স্বরূপ, [মিউজিক]
- 2:33ঈশ্বরের দেওয়া কখনোই না।
- 2:38হ্যাঁ প্রকৃতি অবশ্যই আপনাকে জন্ম
- 2:41দিয়েছেন কিন্তু আপনি নিজে নিজের
- 2:44ব্যক্তিত্বের রচয়িতা আর আপনি তা রচনা
- 2:47করেন কঠিন পরিস্থিতির মুখোমুখী হয়ে
- 2:52সংকটের ধারা পার করে
- 2:56তাই আপনিও এই পাথরের মত নিরন্তর চেষ্টা
- 2:59করতে থাকুন
- 3:01নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখুন এই অস্তিত্বকে
- 3:05মহান করতে থাকুন আর আমার সাথে ভালোবেসে
- 3:08বলুন
- 3:10রাধা রাধা
- 3:15[মিউজিক]
- 3:17ছোটবেলায় একটা জিনিস আমি কখনো বুঝে উঠতে
- 3:20পারিনি আমি সবসময় আশ্চর্য হয়ে থাকতাম যে
- 3:24এটা কি করে সম্ভব হতে পারে ব্যাপারটা ছিল
- 3:28এরকম আমি আমাদের গোয়াল ঘরে দেখতাম
- 3:32[মিউজিক]
- 3:33ভিন্ন ভিন্ন রং রূপের গাভ
- 3:36কারোর রং কালো তো কারোর রং সাদা। [মিউজিক]
- 3:40কেউ খয়রি
- 3:42তো কারোর রং বাদামি। [মিউজিক]
- 3:46এবার
- 3:48আমি দেখতাম কারোর কারো সিং বড়। তো কারোর
- 3:52এত ছোট যে দেখাই যায় না।
- 3:56কোন গাভ আকারে ছোট ছিল তো কেউ একটু বড়।
- 4:00কিন্তু যখন সেই সব গাভ দুধ দিত [মিউজিক]
- 4:05তখন আমি দেখতাম সেই সব দুধ সমান, রং সমান,
- 4:10[মিউজিক]
- 4:11স্বাদ সমান,
- 4:13গুণও সমান আর সমান, পুষ্টিও।
- 4:17এবার আমি এটা বুঝতে পারতাম না। আমার
- 4:20দৃষ্টিতে তো সমস্ত গাভ আলাদা আলাদা ছিল।
- 4:27আমি ভাবলাম আমি মাকে জিজ্ঞেস করি। মাকে
- 4:30জিজ্ঞেস করলাম। মা আমাকে বললেন কানাই
- 4:36রং রূপ পাল্টালেও গাভীদের বাস্তবিকতা তো
- 4:39পাল্টায় না। গাভ তো গাভই থাকবে। [মিউজিক]
- 4:44এবার আমি এটা বুঝতে পারি না যে মানুষ এটা
- 4:47আত্মসাৎ কেন করতে পারে না।
- 4:51দেখুন রং, রূপ, জাত, ধর্ম, ভাষা এই সবের
- 4:58উপরে হল মনুষ্যত্ব।
- 5:02আর মনুষ্যত্বের একটাই ধর্ম আর সেটা হলো
- 5:06প্রেম।
- 5:08তাই এই প্রেম আপনি সকলের সাথে ভাগ করে
- 5:11নিন। প্রেমের সাথে সকলের সেবা করুন। এই
- 5:15মনুষ্যত্বর অমৃত চেখে দেখুন।
- 5:19আর আপনি বুঝে যাবেন যে আমরা কেউ আলাদা
- 5:21আলাদা নই। আমরা সবাই সমান।
- 5:28রাধা রাধা।
- 5:33সাগর
- 5:35কত বিশাল হয় এই সাগর
- 5:38কি না করতে পারে এই সাগর এক মুহূর্তের
- 5:42মধ্যে সব ধ্বংস করে দিতে পারে প্রলয় ডেকে
- 5:47আনতে পারে
- 5:49সংসার মুছে ফেলতে পারে এই সাগর জীবন
- 5:54জ্যোতি নিভিয়ে দিতে পারে [মিউজিক]
- 5:58কিন্তু এই সাগর যা মেটাতে পারে না। তা হলো
- 6:02একজন তৃষ্ণার্তের তৃষ্ণা।
- 6:05[মিউজিক]
- 6:07অন্যদিকে এই ঘড়া
- 6:10যা এতটাই ছোট যে গোপিনীরা একসঙ্গে
- 6:14অনেকগুলো নিয়ে চলতে পারে।
- 6:17কিন্তু এই ছোট ঘড়া অনেকের তৃষ্ণা মেটাতে
- 6:21পারে। এবার বলুন
- 6:24জল সাগরেও আছে আবার এই ঘড়াতেও।
- 6:29তাহলে পার্থক্য কোথায়? এখানে পার্থক্য
- 6:33হলো
- 6:35তাদের আচরণের মধ্যে।
- 6:38একজন মাটির মধ্যে মিষ্টি জল ধরে রাখে তো
- 6:42আরেকজন নিজের নোনা জলের আঘাতে যে কাউকে
- 6:46মাটিতে মিশিয়ে দিতে পারে।
- 6:49আপনি কি হতে চাইবেন?
- 6:52সাগরের নোনা জল হয়ে কারোর আশা চূর্ণ
- 6:55বিচূর্ণ করে দিতে নাকি মিষ্টি জলের ঘরা
- 7:00হয়ে কারোর তৃষ্ণা মেটাতে সিদ্ধান্ত আপনার
- 7:05[মিউজিক]
- 7:07রাধা রাধা
- 7:10বর্ষাকালে যখন ভয়ানক বৃষ্টি হয় তীব্র
- 7:14গতিতে যখন হাওয়া চলে তখন আপনি নিশ্চয়ই
- 7:18দেখেছেন
- 7:20যে পাখিরা
- 7:22যাদের বাসা মাঝে মাঝে ভেঙে পড়ে নষ্ট হয়ে
- 7:26যায়।
- 7:27কিন্তু আপনি কি কখনো সেই পাখিদের বিলাপ
- 7:30করতে দেখেছেন?
- 7:34কখনো নয়। যখনই সেই বৃষ্টি থেমে যায় তারা
- 7:38আবার একটু একটু করে খরকুটো জোগাড় করে
- 7:42তাদের বাসা বানিয়ে ফেলে। নিজের সংসার সেই
- 7:46রকমই বানিয়ে দেয় যেমন আগে ছিল। এমন কেন?
- 7:50[মিউজিক]
- 7:51কারণ এই ঝড়ের তান্ডবের সাথে সেই পাখিদের
- 7:56কোন বোঝাপড়া করারই নেই। তারা শুধু সেটাই
- 8:00করতে থাকে যেটা তাদের হাতে আছে।
- 8:03আর সেটাই হল আর এটাই হলো সুখী জীবনের মূল
- 8:09মন্ত্র।
- 8:11যেটা আপনার হাতে নেই।
- 8:14তা নিয়ে বিলাপ করে আপনার কোন লাভ হবে না।
- 8:19মনোসংযোগ তাতেই করুন যা আপনার হাতে
- 8:23রয়েছে।
- 8:25যা বদলে গেছে তাকে আপনি আবার বদলাতে
- 8:28পারবেন না। কিন্তু যা আপনি বদলাতে পারবেন
- 8:31তাতে মনোসংযোগ করুন।
- 8:34এই জীবনে একটু ধনাত্মক হয়ে উঠুন।
- 8:38দেখবেন সব শুভ হবে।
- 8:44রাধা রাধা
- 8:47কতবার এমন হয় আপনি কোন কাজ করার জন্য
- 8:52কাউকে দায়িত্ব দেন কিন্তু সেই ব্যক্তি
- 8:55সেই কাজ সম্পন্ন করতে পারে না অসম্পূর্ণ
- 8:58রেখে দেয় অথবা ঠিকভাবে করতে পারে না এবার
- 9:02এই পরিস্থিতিতে কি হয়
- 9:06আপনি ক্রুদ্ধ হয়ে যান তার ওপরে আপনি রেগে
- 9:10যান তাকে তিরস্কার করেন
- 9:12আর তারপরে
- 9:14সেই কাজ সম্পন্ন করতে আপনি নিজেকেই
- 9:18নিযুক্ত করেন। আর শেষ পর্যন্ত সেই কাজ
- 9:21সম্পন্ন হয়েই যায়।
- 9:26এবার এই বিষয়ে সমস্যা সেই ব্যক্তির
- 9:28চেষ্টায় নয়।
- 9:31সমস্যা আপনি যে সেই ব্যক্তিকে ভরসা করলেন
- 9:35তার ছিল।
- 9:37আমরা অন্যের প্রতি ভরসা করাকে প্রথম
- 9:40পদক্ষেপ বানিয়ে।
- 9:43আর নিজের উপরে বিশ্বাসকে শেষ সম্বল।
- 9:48কিন্তু তার বদলে এটাই হওয়া উচিত যে নিজের
- 9:51উপরে ভর্ষাকে আমরা প্রথম পদক্ষেপ বানাই।
- 9:56তাকে নিজের সহায় মানতে হবে। যদি আপনি এমন
- 9:59করেন তাহলে পরিণাম আরো সুখকর আরো
- 10:03আনন্দদায়ক হবে।
- 10:05তাই মনে রাখবেন এই সংসারে আপনার সবথেকে
- 10:10বড় ভর্ষা আর কেউ নেই। এই সংসারে আপনার
- 10:15সবথেকে বড় রক্ষাকর্তা আর কেউ নেই। বরং
- 10:19আপনি নিজেই।
- 10:23রাধা রাধা।
- 10:26আসুন আপনাকে একটা প্রশ্ন করছি। [মিউজিক]
- 10:29সোনা আর লোহার মধ্যে তফাত কি?
- 10:34এবার বেশিরভাগ লোকের উত্তর এটাই হবে যে
- 10:37সোনা বহুমূল্য।
- 10:40সোনার মূল্য লোহার থেকে আমাদের আরো বেশি
- 10:43সুন্দর দেখায়।
- 10:45অন্যদিকে লোহা
- 10:48সেই সৈনিকদের ঢাল ও তলোয়ার হয়ে তাদের
- 10:52রক্ষা করে যারা আমাদের প্রাণকে রক্ষা
- 10:55করেন। [মিউজিক]
- 10:57এই সৈনিক না থাকলে আমাদের প্রাণও থাকবে
- 11:00না।
- 11:02এবারে বলুন সোনার [চিৎকার করা] মূল্য বেশি
- 11:06হওয়াতে কি লোহার মূল্য কমে যায়?
- 11:09কখনোই না। ঠিক সেইভাবে এই জীবনে আপনি যতই
- 11:15চেষ্টা করুন কিছু না কিছু এমন থেকে যাবে
- 11:19যা আপনি কখনোই পাবেন না। আর সেই কারণে
- 11:23নিজেকে অক্ষম মনে করা অনুচিত।
- 11:27হতে পারে আপনার কাছে সেই গুণ আছে যেটা
- 11:30সংসারে আর কারোর কাছে নেই। [মিউজিক]
- 11:33সেই গুণটাকে চিনুন। সেটাকে বাড়ান আর
- 11:36সেটাকে ব্যবহার করুন। তাই মনে রাখবেন
- 11:41সংসারে প্রত্যেকটা ব্যক্তি বিশ্বাস হয়। আর
- 11:45এই সংসারে সবাই সবকিছু পায় না। [মিউজিক]
- 11:50নিজেই দেখে নিন। সোনাকে যে দোকানে সাজিয়ে
- 11:55রাখা হয় সেই দোকানের তালা
- 11:59লোহা দিয়ে তৈরি হয়।
- 12:02রাধা রাধা।
- 12:05ধন খরচ করেও একটা জিনিস আমরা কিনতে পারবো
- 12:08না। আর তা হলো একটা মুহূর্ত। [মিউজিক]
- 12:15কি হলো? সত্যি সামনে এসে গেল।
- 12:19সত্যি হলো এটাই যে জগতে সবথেকে বেশি
- 12:22মূল্যবান সময়। সেই সময় যেটা আমরা এমনি
- 12:28নষ্ট করে দিই। অকাঝে।
- 12:31কখনো কোন আশাতে কখনো শোখ করে কখনো ঘটে
- 12:37যাওয়া দিনের কথা ভেবে তো কখনো ভবিষ্যতের
- 12:40চিন্তাতে এই সময়ের সৎব্যবহার আমাদের করা
- 12:43উচিত এই সময়ের সৎব্যবহার করে আমাদের ধন
- 12:46অর্জন করা উচিত মহান কাজ করা উচিত আমাদের
- 12:51ব্যক্তিত্বকে উদার করা উচিত ভালো কাজ করা
- 12:54উচিত সকলের সাথে আনন্দ ভাগ করা উচিত
- 13:00যদি আমরা এই সংসার থেকে চলেও যাই তাহলেও
- 13:04সময় আমাদের যেতে দেবে না।
- 13:08এখানেই স্থিত করে রাখব।
- 13:11কারোর না কারোর জন্য প্রেরণা হয়ে বা
- 13:14কারোর মুখে কৃতজ্ঞতার হাসি ফুটিয়ে।
- 13:20রাধা রাধা সূর্য
- 13:25[মিউজিক]
- 13:25এই সংসারে সবথেকে বেশি তেজস্বী এই সূর্য
- 13:30[মিউজিক]
- 13:30সবথেকে বেশি উজ্জ্বল
- 13:33সবথেকে বেশি শক্তিশালী
- 13:36কিন্তু আপনি কি কখনো সূর্যোদয় দেখেছেন
- 13:40[মিউজিক]
- 13:40এই শক্তিশালী সূর্য কিভাবে উদয় হয়
- 13:45লাল রঙের আভার সাথে
- 13:49সৌমতার সাথে শান্তির সাথে উদয় হয়।
- 13:53[মিউজিক]
- 13:54কখনো সূর্যাস্ত দেখেছেন?
- 13:57সেই লাল রঙের আভা,
- 14:00সেই সৌমতা, সেই একই শান্তি।
- 14:05আর এটাই একজন মহান ব্যক্তিত্বের গুণ।
- 14:08[মিউজিক]
- 14:10যখন জীবনে উত্থান ঘটে তখনও অহংকার করেন
- 14:14না। সৌমতা বজায় রাখেন। আবার যখন জীবনে
- 14:18[মিউজিক] ক্ষতি হয়
- 14:20তখনো সৌমতা বজায় রাখেন। যদি আপনিও চান
- 14:25সূর্যের মত আপনি সম্মান পাবেন তাহলে
- 14:29সূর্যের মতন হোন।
- 14:32যখন জীবনে আনন্দ আসে, কুশল আসে তখন সীমা
- 14:37লঙ্ঘন করবেন না। যখন জীবনে দুঃখ আসে, কষ্ট
- 14:42আসে,
- 14:43বিনাশের পথে অগ্রসর হবেন না। সৌম থাকুন,
- 14:48শান্ত থাকুন। সূর্যের মত চকচক করতে থাকুন।
- 14:53কারণ সব মুহূর্তের মতোই এটাও একটা
- 14:56মুহূর্ত।
- 14:57তাতে আপনি আনন্দ লাভ করুন। বা পান দুঃখ এই
- 15:03মুহূর্ত
- 15:05অবশ্যই চলে যাবে। [মিউজিক]
- 15:09রাধা
- 15:11>> আপনি ওই কথাটা নিশ্চয়ই শুনেছেন
- 15:14যখন ভগবান একটা দরজা বন্ধ করেন
- 15:18তখন অন্যদিকে অনেক দরজা খুলে দেন [মিউজিক]
- 15:23এবার এই দরজা এই সমস্ত পথ আমরা দেখতে পাই
- 15:27না অনেক সময় আমরা বুঝতে পারি না হারিয়ে
- 15:30যায় সব কখনো কখনো মনে হয় যে এই কথাটাই
- 15:34মিথ্যে
- 15:36কিন্তু আসলে তা তো নয়
- 15:39তাহলে হারিয়ে যায় কেন?
- 15:42[মিউজিক]
- 15:44কারণ আমরা সময় নষ্ট করি। এই দরজার দিকে
- 15:47তাকিয়ে থেকে।
- 15:50ভাবি এই বুঝি দরজা খুলবে। এবার দরজা
- 15:52খুলবে। অপেক্ষা করতে করতে আমরা অনেক সময়
- 15:56নষ্ট করে ফেলি।
- 15:58[মিউজিক]
- 15:58এত সময় নষ্ট করি যে আমরা দেখতে পাই না,
- 16:01খুঁজে পাই না সেই সমস্ত দরজা আর পথ যা
- 16:04আমাদের জন্য খোলা রয়েছে।
- 16:06>> [মিউজিক]
- 16:07>> যদি খুঁজেই না পাই তাহলে তা ব্যবহার করবো
- 16:10কি করে? [মিউজিক]
- 16:12মনে রাখুন ভগবান
- 16:15সবসময় আমাদের সাথে রয়েছেন। আমাদের
- 16:18সাহায্য করছেন। এই পথ সবসময় আছে সর্বত্র
- 16:23আছে। দরকার রয়েছে
- 16:26শুধুমাত্র দৃষ্টির দৃষ্টিভঙ্গি
- 16:30এবং ভাবনার [মিউজিক]
- 16:32এই দৃষ্টিকে বিস্তৃত করুন। এই
- 16:35দৃষ্টিভঙ্গিকে ধন্নাত্মক করে তুলুন। আর এই
- 16:40ভাবনা
- 16:42এর সীমা একটু বাড়িয়ে তুলুন।
- 16:46তারপর দেখবেন
- 16:48সব খুঁজে পাবেন।
- 16:51আসলে কি [মিউজিক]
- 16:53এই যে ঈশ্বর এই যে পরমাত্মা
- 16:57তা আমাদের সাথে রয়েছে। আমাদের মনের মধ্যে
- 17:00রয়েছে।
- 17:02যিনি তাকে মন থেকে চাইবেন।
- 17:05তিনি তাকে মনের মধ্যে অবশ্যই খুঁজে পাবেন।
- 17:09যদি উনি মন থেকে চান পথ খুঁজে পেতে তাহলে
- 17:13[মিউজিক]
- 17:16তিনি অবশ্যই পথ খুঁজে পাবেন। তাহলে আসুন
- 17:19আমার সাথে ভালোবেসে বলুন রাধা রাধা।
- 17:25ধর্ম
- 17:28[মিউজিক]
- 17:29আমরা সকলে ধর্মের বিষয়ে কথা বলি। কখনো
- 17:33নিজের ধর্মের বিষয় আর কখনো অন্যের ধর্মের
- 17:36বিষয়ে। কখনো আমরা অধর্ম দেখলে সেই বিষয়ে
- 17:40কথা বলি। অনেক রকম আলোচনা হয়। কিন্তু এই
- 17:44ধর্ম
- 17:46এই ধর্ম আসলে কি?
- 17:50সেটা কি কেউ বোঝে? [মিউজিক]
- 17:52যদি আমি আপনাকে উত্তর দিই এই উত্তর সরল।
- 17:57ধর্ম হলো তাই যা মানুষকে অন্য মানুষের
- 18:02সাথে সমস্ত বিশ্ব সংসারের সাথে আনন্দ
- 18:06সহকারে বাঁচতে শেখায়।
- 18:09সেইজন্য আপনি যদি কখনো কোন ধর্মীয় স্থানে
- 18:13যান সেই ধর্মীয় স্থানে গিয়ে আপনার
- 18:16শান্তির অনুভূতি হয়। তাই না? [মিউজিক]
- 18:20কিন্তু দেখুন ধর্মের জ্ঞান থাকলেই
- 18:23সেই মানুষ ধর্মের পথে চলতে পারবে এমন কোন
- 18:27কথা নেই। অনেক সময়
- 18:31সম্পর্কে যখন সংঘর্ষ বেড়ে যায় তখন ইচ্ছে
- 18:36জন্ম হয়। ক্রোধের জন্ম হয়, অহংকারের
- 18:41জন্ম হয় আর তারপর বিনাশ হয়ে যায় এই
- 18:45ধর্মে। সেইজন্য দ্বিতীয় সবথেকে
- 18:48গুরুত্বপূর্ণ গুণ যা আমার সারথীর মধ্যে
- 18:51থাকা উচিত
- 18:53তা হলো ধর্মবীর হওয়া।
- 18:57এবার দেখতে হবে সেটাই যে কে হবে সেই
- 19:00ব্যক্তি
- 19:02যিনি এই স্বয়ম্বরে নিজের ধর্মে অটল
- 19:06থাকবেন।
- 19:08[মিউজিক]
- 19:12কারণ সেই ব্যক্তি এই সংসার থেকে সরে এসে
- 19:18ধর্মের পুনঃস্থাপনের এই মহাকার্যে
- 19:23আমার সারথী হতে পারবেন।
- 19:26তাহলে আসুন আমার সাথে ভালোবেসে বলুন রাধা
- 19:32রাধা
- 19:34কর্ম
- 19:35ধর্ম
- 19:37জ্ঞান
- 19:39এই তিন স্তরে অনেক মানুষ পৌঁছাতে পারেন
- 19:43অনেকে এই পরীক্ষা দিয়ে তাতে উত্তীর্ণ
- 19:46হয়ে যেতে পারেন [মিউজিক] কিন্তু শিখরে
- 19:49পৌঁছে শাসন তিনিই করতে পারেন যার কাছে এই
- 19:54চতুর্থ গুণ
- 19:56থাকে
- 20:00সমর্পণ
- 20:03অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা গুণ এটা এই
- 20:06সমর্পণ আসলে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
- 20:10পূর্ণ সমর্পণ দরকার নিজের লক্ষ্যের প্রতি
- 20:14সমর্পণ নিজের কর্তব্যের প্রতি
- 20:18সমর্পণ নিজের আত্মার থেকে নির্গত স্বরের
- 20:22প্রতি
- 20:24সমর্পণ নিজের রথির প্রতি অর্থাৎ
- 20:29আমার প্রতি।
- 20:31এবার
- 20:33এই পরীক্ষায় অত্যন্ত কঠিন এক বাক আসতে
- 20:36চলেছে।
- 20:38যেখানে সারথীকে
- 20:41সমর্পণের নিরিখে পরীক্ষা করা হবে।
- 20:45আর তাতে উত্তীর্ণ হওয়ার পরেই তার হাতে
- 20:50ধর্মস্থাপনের রথের রাস তুলে দেওয়া হবে।
- 20:55[মিউজিক]
- 20:56দেখা যাক কি হয়। ততক্ষণ আপনি প্রসন্ন
- 21:00থাকুন আর আমার সাথে ভালোবেসে বলুন।
- 21:04রাধা রাধা
- 21:07মাকসারা ভীষণ পরিশ্রম করে এটা তৈরি করে।
- 21:10নিজের শরীরের রস দিয়ে এই জাল বনে।
- 21:13[মিউজিক]
- 21:15আপনি কি এটার উদ্দেশ্য জানেন?
- 21:18আসলে
- 21:21মাকরষা এই জালে ছোট কীটপতঙ্গ ধরে তাদেরকে
- 21:25খাদ্যরূপে গ্রহণ করে। [মিউজিক]
- 21:28কিন্তু আপনি কি এই কথা জানেন যে একদিন
- 21:32মাকর্ষা নিজেই নিজের জালে জড়িয়ে
- 21:35মৃত্যুবরণ করে থাকে।
- 21:38বলুন কি করেন আপনি এই জাল দেখতে পেলে?
- 21:42দেখতে পেলেই মুছে ফেলেন এর অস্তিত্ব।
- 21:46তাই না?
- 21:50[মিউজিক]
- 21:50তেমনি অন্যদিকে পাখির বাসা।
- 21:54পাখিরাও ভীষণ পরিশ্রম করে এটা তৈরি করে।
- 21:59কিন্তু যদি পাখি একদিন এটা ছেড়ে চলে যায়
- 22:02তাহলেও লোকে এটা নষ্ট করে দেয় না।
- 22:07কারণটা কি? [মিউজিক]
- 22:10এর কারণ হলো এর নির্মাণ জীবন সঞ্চারের
- 22:15জন্য করা হয়েছিল। নষ্ট করার জন্য নয়।
- 22:22তাই মনে রাখবেন
- 22:25জীবনে আপনার পরিশ্রম যতই বেশি হোক না কেন
- 22:29যদি আপনার লক্ষ্য শুভ না হয় [চিৎকার করা]
- 22:34তাহলে আপনারও বিনাশ নিশ্চিত।
- 22:38তাই সৃজন করতেই থাকুন আর মুগ্ধ হয়ে বলুন
- 22:45রাধা রাধা [মিউজিক]
- 22:53আপনার কি মনে হয় আমি কি করছি [মিউজিক]
- 22:57আপনি বলবেন আমি প্রদীপ জ্বালাচ্ছি
- 23:00[মিউজিক]
- 23:02সঠিক
- 23:04কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে যে আমি কি আপনাকে
- 23:07বলেছি যে একে প্রদীপ বলা হয় না।
- 23:12এই প্রদীপ কি নিজেই নিজের পরিচয় আপনাকে
- 23:15দিয়েছে?
- 23:17না।
- 23:19তাহলে আপনি কি করে জানলেন যে একে প্রদীপ
- 23:24বলা হয়?
- 23:27উত্তর হচ্ছে
- 23:29প্রকাশ। [মিউজিক]
- 23:32যে স্বয়ং জ্বলে অন্ধকারের মধ্যে সংসারকে
- 23:36পথ দেখায় সেটাই প্রদীপ।
- 23:40যা নিরাশার মাঝে আশার আলো প্রদর্শন করে।
- 23:45সেটাই প্রদীপ।
- 23:47অপরদিকে
- 23:50আছে সাপ।
- 23:52যাকে না দেখেও তার ফনার আওয়াজ শুনেই লোকে
- 23:55ভয় পেয়ে যায়।
- 24:01তার মানে ব্যক্তির পরিচয় তার কর্মের
- 24:05দ্বারা পাওয়া যায়। তাই আপনার এটা বলার
- 24:08প্রয়োজন নেই যে আপনার পরিচয় কি? এটা
- 24:12আপনার কর্মই নিশ্চিত করবে যে লোকে আপনাকে
- 24:16প্রদীপ ভেবে ভালোবাসবে।
- 24:19নাকি সাপ ভেবে ভীত হয়ে থাকবে। [মিউজিক]
- 24:26রাধা রাধা সময়
- 24:29>> [মিউজিক]
- 24:30>> কত বিচিত্র হয়।
- 24:33সময় আমাদের পক্ষে থাকলে আমরা নিজেদের
- 24:37রাজা মনে করিনি। [মিউজিক]
- 24:40আর সেই সময় যদি বিপক্ষে চলে যায় তাহলে
- 24:44নিঃশ্ব হতে সময় লাগে না।
- 24:49তাই মানুষের একটা অভ্যাস আছে।
- 24:54খারাপ সময়ের জন্য কিছু সঞ্চয় করা।
- 25:00আত্মীয়
- 25:01বন্ধু
- 25:03খারাপ সময় পাশ থেকে সরে যায় যস মান
- 25:10প্রতিকূল সময় চিরস্থায়ী হয় না তাই
- 25:13মানুষ মনে করে অর্থ সঞ্চয় করাই শ্রেয়
- 25:18অর্থের কোন হৃদয় নেই যা সময়ের সাথে
- 25:21পরিবর্তিত [মিউজিক] হবে
- 25:23সংসার বলে সর্বদা অর্থ সঞ্চয় করতে থাকো
- 25:28খারাপ সময় অবশ্যই কাজে লাগবে। কিন্তু আমি
- 25:32বলব শুভ কর্ম করতে থাকুন। আনন্দে থাকুন।
- 25:37নিজের উপর আর ঈশ্বরের উপরে বিশ্বাস রাখুন।
- 25:42খারাপ সময় কখনো আসবেই না।
- 25:47রাধা রাধা।
- 25:52প্রকৃতি মানুষকে এক বিশেষ শক্তি দিয়েছে।
- 25:56>> [মিউজিক]
- 25:57>> অন্য জীবের থেকে বেশি শক্তি দিয়েছে।
- 26:03স্মরণ শক্তি।
- 26:05এই শক্তি মানুষকে অন্য জীবের থেকে ভিন্ন
- 26:09করে।
- 26:11ইতিহাস রচনা করার প্রেরণা দেয়। জ্ঞানকে
- 26:15বংশানুক্রমে [মিউজিক] এগিয়েও নিয়ে যায়।
- 26:19আর যারা ভুলে যান
- 26:23অধিকাংশ সময় তারা উপহাস আর দয়ার পাত্র
- 26:26হয়ে যান।
- 26:28কিন্তু এটাই কি প্রকৃতরূপে সত্য?
- 26:32না।
- 26:34এই স্মরণ শক্তিই মানুষের বিকাশের সবথেকে
- 26:38বড় বাধা হয়ে দাঁড়ায়। তার মনকে দূষিত
- 26:43করে দেয়।
- 26:45খারাপ অভিজ্ঞতা।
- 26:47কারোর করা বিশ্বাসঘাতকতা।
- 26:49কারোর কটাক্ষ বেশিরভাগ মানুষই ভুলতে পারেন
- 26:53না।
- 26:54আর তারপর প্রতিশোধ নিতে উদ্যত হন। প্রথমে
- 26:59সময় নষ্ট করেন প্রতিশোধের প্রস্তুতিতে।
- 27:03আর তারপর সময় নষ্ট করেন প্রতিশোধ নেওয়ার
- 27:06সুযোগ খুঁজতে।
- 27:11যদি সন্তুষ্টি পেতে চান, [মিউজিক]
- 27:13যদি জীবনে আনন্দ পেতে চান,
- 27:16তাহলে স্মরণ শক্তির সৎব্যবহার করুন। নিজের
- 27:21স্মরণ শক্তিকে চালনা করুন শুধুমাত্র ভালো
- 27:24কথা আর ভালো স্মৃতির দিকে।
- 27:28জীবনে আনন্দ পাবেন।
- 27:33রাধা রাধা
- 27:38মানুষ
- 27:40নিজের পরিবারের জন্য কত [মিউজিক] কিছুই না
- 27:44করে।
- 27:45দিন রাত পরিশ্রম করতে থাকে যাতে তার
- 27:49পরিবারের প্রয়োজন পূরণের জন্য অর্থ
- 27:51রোজগার করতে পারে।
- 27:56কিন্তু শুধু অর্থ রোজগার করাটাই কি
- 27:59যথেষ্ট?
- 28:02আপনি বলবেন হ্যাঁ নিশ্চয়ই। অর্থ দিয়ে
- 28:06সবকিছু পাওয়া যায়। বিদ্যা পাওয়া যায়,
- 28:09বাড়ি পাওয়া যায়, ওষুধ পাওয়া যায় আর
- 28:12কত কিছুই না পাওয়া যায়।
- 28:16এইসব একটা পর্যায় পর্যন্ত সঠিক। কিন্তু
- 28:20একটু মন দিয়ে ভেবে দেখুন। [মিউজিক] যখন
- 28:24কোন শিশু অসুস্থ হয়ে পড়ে তখন সে ওই
- 28:27তিক্ত ওষুধ কেন খেয়ে নেয়?
- 28:31এইজন্য কারণ ওর পিতা সেই ওষুধ অর্থ দিয়ে
- 28:35কিনেছে
- 28:37না।
- 28:39বরং এইজন্য কারণ তার পিতা যে তার সামনে
- 28:42দাঁড়িয়ে
- 28:43তার উপরে তার বিশ্বাস আছে। বিশ্বাস আছে যে
- 28:48উনি তার কিচ্ছু হতে দেবেন না।
- 28:53এই বিশ্বাস,
- 28:55এই সংস্কার,
- 28:58এই শিক্ষা কখনো অর্থ দিয়ে পাওয়া যায়
- 29:00না। এটা পাওয়া যায় সেই সময় থেকে যা
- 29:05মাতা-পিতা তাদের সন্তানের সাথে
- 29:07কাটিয়েছেন।
- 29:10তাই জীবনে অর্থ অবশ্যই উপার্জন করুন।
- 29:14কিন্তু নিজের [মিউজিক] পরিবারকেও সময়
- 29:16দিন।
- 29:18আনন্দ পাবে।
- 29:22রাধা রাধা
- 29:25[মিউজিক]
- 29:26বিরোধিতা
- 29:29এমন এক শব্দ
- 29:31যা শুনে আমরা সবাই ভয় পেতে থাকি। যদি কেউ
- 29:36আমাদের বিরোধিতা করে তা আমাদের সহ্য হয়
- 29:38না। আমরাও কারোর বিরোধিতা করে কোন শত্রুতা
- 29:42করতে চাই না। এই ধরনের ভাবনা আমাদের মনে
- 29:46আসতেই থাকে।
- 29:49কিন্তু [মিউজিক] বিরোধিতা
- 29:51এই শব্দ
- 29:53আপনার শান্তির জন্য আপনার সুখের জন্য
- 29:58কতটা গুরুত্বপূর্ণ তা আপনারা জানেন না।
- 30:03[মিউজিক]
- 30:03তাই যদি কাল এসে কেউ আপনার বিরোধিতা করে
- 30:07তখন সবার আগে নিজেকে যাচাই করুন। আপনি কি
- 30:12ভুল করেছেন? আপনার দোষ কি? নিজের মধ্যে কি
- 30:16ত্রুটি আছে সেটা বোঝার চেষ্টা করুন।
- 30:19নিজেকে সংশোধন করার চেষ্টা করুন। তারপর
- 30:22দেখুন
- 30:24বিরোধিতার এই আগুন আপনাকে স্বর্ণ থেকে
- 30:28কুন্দন বানিয়ে তুলবে।
- 30:33বলা হয় এই সংসারে খারাপ বেড়েই চলেছে।
- 30:37কিন্তু তার কারণ এ নয় যে খারাপ মানুষ বেড়ে
- 30:41চলেছে। তার কারণ হলো
- 30:44যে ভালো মানুষ যাদের ভালো চিন্তা ভালো
- 30:48বিচারধারা আছে তারা খারাপের বিরোধিতা করতে
- 30:51পারে না।
- 30:53যদি আপনার সম্মুখে কোন খারাপ কর্ম হয়
- 30:58তাহলে তার বিরোধিতা করতে সংকোচ করবেন না।
- 31:05কারণ বিরোধিতার এই আগুন
- 31:08মন্দকে পিছুপা হতে অবশ্যই বাধ্য করে।
- 31:13[মিউজিক]
- 31:15রাধা রাধা
- 31:19[মিউজিক]
- 31:21বিশ্বাস
- 31:24জীবনে বিশ্বাস কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
- 31:27[মিউজিক]
- 31:32একজন স্ত্রী
- 31:34তার স্বামীর হাত ধরে
- 31:38যেকোনো জায়গায় যেতে পারেন।
- 31:41এর কারণ হলো বিশ্বাস।
- 31:45তার নিজের স্বামীর উপরে বিশ্বাস আছে। যখন
- 31:49একজন মা তার ছোট বাচ্চাকে কোলে তুলে
- 31:52হাওয়ায় উঠায় তখন সেই বাচ্চা ভয়ভীত হয়ে যায়
- 31:55না। তার কারণ হল বিশ্বাস।
- 32:00তার বিশ্বাস আছে যে তার মা তার কিচ্ছু হতে
- 32:04দেবে না। এক বৈদ্যের দেওয়া ঔষধ সন্তান
- 32:09কিছু না বুঝে শুনেই খেয়ে ফেলে। [মিউজিক]
- 32:13সেই বৈদ্যের জ্ঞানের বিষয়ে তার কোন
- 32:15ধারণাই থাকে না। শুধু নিজের পিতার উপরে
- 32:20বিশ্বাস আছে যে তার পিতা তাকে খারাপ কিছুই
- 32:24দেবে না।
- 32:26যখন এই সংসারের প্রতিটা বন্ধন বিশ্বাসের
- 32:30উপরে দাঁড়িয়ে আছে। তাহলে কেন এই
- 32:33বিশ্বাসকে আমরা জীবনে আনতে পারি না? আপনি
- 32:37নিজেই দেখুন। এই বিশ্বাস নিজের জীবনে এনে
- 32:41দেখুন।
- 32:43সবকিছু
- 32:44আরো সুন্দর হয়ে যাবে।
- 32:48তাই ভালোবেসে বলুন
- 32:50রাধা রাধা। [মিউজিক]
- 32:57[মিউজিক]
- 32:58অহংকার।
- 33:01এই শব্দটা সবাই শুনেছেন।
- 33:04বহু মানুষকে আপনি এটা বলতে শুনেছেন
- 33:08যে ওই ব্যক্তির অহংকার আছে। ওই মানুষটির
- 33:12ক্ষমতার অহংকার আছে। ওই ব্যক্তির নিজের
- 33:15রূপ নিয়ে অহংকার আছে। ওই ব্যক্তির নিজের
- 33:19অর্থের অহংকার আছে। ইত্যাদি ইত্যাদি।
- 33:24কিন্তু এই অহংকার
- 33:27এর অস্তিত্ব হয় কি করে?
- 33:30>> [মিউজিক]
- 33:32>> এবারে একবার এই হাতটা দেখুন।
- 33:36যদি এই হাতের পাঁচ আঙ্গুল উঠে দাঁড়ায়
- 33:41আশীর্বাদ।
- 33:43আর যদি এই হাতের পাঁচটা আঙ্গুল একসাথে
- 33:46মুঠো হয়ে যায়
- 33:49শক্তি।
- 33:51সংকটের বিরুদ্ধে ঢাল। [মিউজিক]
- 33:56কিন্তু
- 34:01এই একটা আঙ্গুল
- 34:05সংকটের কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। এই একটা
- 34:09আঙ্গুল
- 34:11শত্রুকে আহবান জানায়।
- 34:14এবার অহংকার বলে শব্দটাই দেখে নি।
- 34:19আমাদের থেকে আলাদা হয়ে গেলে হয় অহম।
- 34:24অহম অর্থাৎ ব্যক্তির মনে হয় যে সে আপনদের
- 34:29থেকে নিজের বন্ধুদের এবং সঙ্গীদের থেকে
- 34:33নিজের পরিবারের থেকে অনেক উপরে
- 34:37অনেক শ্রেষ্ঠতরশী।
- 34:40কিন্তু মনে রাখবেন
- 34:42এই অহংকার
- 34:46[চিৎকার করা]
- 34:47কোন ব্যক্তির অস্তিত্বের বিনাশের প্রথম
- 34:51ধাপ।
- 34:54তাই ঝেড়ে ফেলে দিন এই অহংকারকে।
- 34:58আর বিশ্বাস করুন আমাদের উপর।
- 35:02কারণ তখনই আপনি শান্তি পাবেন।
- 35:06আর সেই শান্তির সাথেই বলে উঠবেন
- 35:10রাধা রাধা। [মিউজিক]
- 35:17>> [মিউজিক]
- 35:22[মিউজিক]
- 35:24>> আমি
- 35:30[মিউজিক]
- 35:36[মিউজিক]
- 35:38সাফল্য
- 35:40যদি আপনাকে জীবনে সাফল্য পেতে হয় তাহলে
- 35:45আপনি একাধিক মানুষ পাবেন যারা একাধিক
- 35:49উপায় বলবে আপনাকে সাফল্য পাওয়ার।
- 35:52দীর্ঘ সময় ধরে পরিশ্রম, চেষ্টা,
- 35:56নির্ধারণ, নিষ্ঠা এই বিষয়ে ভাষণ দিতে
- 36:01থাকবেন। একাধিক রকমের উদাহরণ আপনার সামনে
- 36:05তুলে ধরবেন। [মিউজিক]
- 36:08কিন্তু আমার এটা মনে হয়
- 36:11আমরা কেন সেই বিষয়ে কথা বলি না যা
- 36:14মানুষকে
- 36:16অসফল করে তোলে। শুধু দুটো ব্যাপার অসফল
- 36:21হওয়া নিশ্চিত করে। শুধু দুই ধরনের মানুষ
- 36:26বেশিরভাগ অসফল হন।
- 36:30প্রথম তারা যারা ভাবে অনেক কিছুই
- 36:35করে না। আর দ্বিতীয় তারা যারা অনেক কিছু
- 36:39করতে থাকে
- 36:42কিন্তু ভাবনা চিন্তা না করে।
- 36:47ভাবনা আর কর্ম
- 36:50এদের মাঝে সামঞ্জস্য রাখা খুব জরুরি।
- 36:55যদি এটা থাকে
- 36:58তাহলে জীবনে কখনো অসফল হবেন না।
- 37:04রাধা রাধা।
- 37:08আপনি অনেককে এই কথা নিশ্চয়ই বলতে
- 37:11শুনেছেন। [মিউজিক]
- 37:14এই ব্যক্তির দৃষ্টিতে দম্ভ আছে।
- 37:18এই ব্যক্তির চোখের উপর অহংকারের পর্দা
- 37:21পড়ে আছে। ইত্যাদি ইত্যাদি।
- 37:26[মিউজিক]
- 37:27চলুন আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করছি।
- 37:31আপনি
- 37:32দেখেন কি দিয়ে?
- 37:35দৃষ্টি দিয়ে।
- 37:37নাকি দৃষ্টিভঙ্গির সাহায্যে
- 37:41ভাবুন
- 37:43চিন্তায় পড়ে গেলেন নিশ্চয়ই
- 37:48দৃষ্টি
- 37:50যেকোন বস্তুর বা যেকোন মানুষের শুধু
- 37:54বাইরের রূপটা দেখায় যেখানে দৃষ্টিভঙ্গি
- 37:58আপনাকে সোজা আসল পরিচয়ের সাথে সাক্ষাত
- 38:02করায় উদাহরণ হিসেবেচন্দ
- 38:08চন্দ্র আমরা সবাই দেখেছি। বহু মানুষ আছেন
- 38:13যাদের চন্দ্র অত্যন্ত সুন্দর লাগে। আবার
- 38:17কিছু মানুষ এমনও আছেন যারা এই চন্দ্রের
- 38:21মধ্যেই দাগ খুঁজে বার করে।
- 38:25এই হলো দৃষ্টিভঙ্গি।
- 38:29যদি নিজের দৃষ্টিভঙ্গিতে প্রেম রাখেন,
- 38:32ভালোবাসা রাখেন, সম্ভ্রম রাখেন তাহলে তার
- 38:36বদলে আপনিও প্রেম আর সম্মান অবশ্যই পাবেন।
- 38:42এবারে দেখুন
- 38:45যে জল দিয়ে ঈশ্বরের মূর্তি ধোয়া হয়
- 38:49তাকে চরণামৃত বলা হয়। এটার কারণ
- 38:53দৃষ্টিভূমি।
- 38:56এখন আপনি পাথরকে ভগবান ভেবে পূজো করবেন
- 39:00[মিউজিক]
- 39:01নাকি ভগবানকে পাথর ভেবে পরিত্যাগ করবেন?
- 39:06>> [মিউজিক]
- 39:06>> সিদ্ধান্ত আপনার। কিন্তু এই সিদ্ধান্ত
- 39:09নির্ভর করে আপনার দৃষ্টিভঙ্গির উপর।
- 39:15তাই নিজের দৃষ্টিভঙ্গি শুভ রাখুন। নিজের
- 39:18দৃষ্টিভঙ্গিতে ভালোবাসা রাখুন। আর আনন্দে
- 39:22বলুন
- 39:24রাধা রাধা।
About this transcript
This page contains the full transcript of যে মানুষের এই ৩ টি গুণ আছে ভগবান তাঁর সঙ্গে থাকে। শুনুন গুণ ৩ টি কী কী? Gita srikrishna Bani by Krishna Bani 0.2, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 3,249 words across 671 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.
What you can do with it
Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.
Free YouTube transcript tool
YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.