কোলকাতা থেকে মাত্র ৩ ঘন্টায় বাংলার নীল সৈকত || Blue Beach of Bengal — Transcript
Full transcript
- 0:00নমস্কার নতুন একটা ভিডিওতে সবাইকে স্বাগত
- 0:02জানাচ্ছি পশ্চিমবঙ্গের ব্লু বিচ অফ বেঙ্গল
- 0:05বা বাংলার নীল সমুদ্র সৈকত থেকে আজকে
- 0:07আপনাদের ঘুরে দেখাবো বাংলার নীল সমুদ্র
- 0:10সৈকত কোথায় রয়েছে কিভাবে যেতে হয়
- 0:12কলকাতা থেকে কত কম খরচে এবং কম সময়ে
- 0:16যাওয়া যায় সেটা এবং সেইখানকার প্রাকৃতিক
- 0:19সৌন্দর্য সাথে সাথে ঘুরে দেখাবো সেই
- 0:22ব্লুবিচ অফ বেঙ্গল যে স্থানটা তার পাশের
- 0:25প্রকৃতি পরিবেশ মানুষজন খুব তথ্যপূর্ণ হতে
- 0:28চলেছে ভিডিওটি স্কিপ না করে দেখতে থাকুন
- 0:30আশা করি ভালো লাগবে
- 0:33[মিউজিক]
- 1:02এখন ভোর পাঁচটা দশ বাজে পাঁচটা 20 ট্রেন
- 1:05আমরা ধরবো সরাসরি নামখানা লোকাল নামবো
- 1:08কাকদ্বীপে আজকে যাত্রা হতে চলেছে বাংলার
- 1:11নীল সমুদ্র সৈকত কিভাবে যাব শিয়ালদা থেকে
- 1:14সেটা আপনাদের সম্পূর্ণ দেখাবো এখন রয়েছি
- 1:16শিয়ালদার দক্ষিণ শাখায় শিয়ালদা দক্ষিণ
- 1:19শাখায় নামখানা লোকাল দিয়েছে 17 নাম্বার
- 1:22প্লাটফর্মে বিশাল ভিড় সকালে এত
- 1:25কর্মব্যস্ত মানুষ এত কর্মব্যস্ত সকাল সবাই
- 1:27কাজে বেরিয়ে পড়েছে এরকম কাজের
- 1:30উদ্দেশ্যেই আর কি বা এই শ্রমিক শ্রেণীর
- 1:32মানুষগুলোই সকালে বেশি
- 1:34বেরিয়েছে এতক্ষণ টুপি পড়া ছিল এজন্য
- 1:36চুলের অবস্থা এই আমরা এগোই এগিয়ে ট্রেনটা
- 1:39আমাদের দিলে ট্রেনে উঠি
- 1:43ট্রেন মোটামুটি ফাঁকা থাকে সকাল
- 1:48বেলা
- 1:50অবস্থা মোটামুটি শিয়ালদা থেকে এক ঘন্টা
- 1:5340 মিনিট লাগলো চলে আসলাম লক্ষ্মীকান্তপুর
- 1:56একই ট্রেন লক্ষীকান্তপুরে দাঁড়াবে 10
- 1:58থেকে 12 মিনিট এই ট্রেনটা চলে যাবে
- 2:00কাকদ্বীপে তো আমরা এরপর যাব কাকদ্বীপে
- 2:02এখান থেকে কাকদ্বীপ যেতে সময় লাগবে আরো
- 2:04প্রায় ওই 40 মিনিট মতো মোটামুটি দু ঘন্টা
- 2:0820 মিনিট 30 মিনিট মতো লাগবে
- 2:11[মিউজিক]
- 2:28দু ঘন্টা 15 মিনিট পর আমরা নামলাম দ্বীপে
- 2:30তো কাকদ্বীপে নেমে এখান থেকে ওভারপ্রিজ
- 2:32দিয়েও যাওয়া যাবে আর নিচে যেই টোটো গুলো
- 2:34দেখা যাচ্ছে এখান থেকে সোজা গঙ্গাসাগরের
- 2:36দিকে চলে যায় বা লট নাম্বার এইট যেটি ঘাট
- 2:39গঙ্গাসাগরে যাওয়ার জন্য সেখান থেকে চলে
- 2:41যায় আমরা এদিক থেকেও যেতে পারবো কিন্তু
- 2:43আমরা উপর দিয়ে যাব গিয়ে টানেলের ওই পাশটাই
- 2:45যাব ওই পাশটায় গিয়ে আমরা যাব এইখান থেকে
- 2:47বা কাকদ্বীপ স্টেশন থেকে কাকদ্বীপ বাজার
- 2:49বা কাকদ্বীপ বাস স্ট্যান্ড পর্যন্ত ওখান
- 2:51থেকে বাস ধরে আমাদের যেতে হবে পাথর
- 2:53প্রতিমা বাজার তো স্টেশনের উপর থেকে নিচের
- 2:56দিকটা পুরো এরকম লাগছে আর এনারাও
- 2:59গঙ্গাসাগর যাবেন আর গাগদ্বীপ স্টেশনের ওই
- 3:02যে চুড়াটা দেখা যাচ্ছে এই চুরাটা কিন্তু
- 3:04গঙ্গাসাগর চূড়ার মত করা হয়েছে ওই
- 3:07জায়গাটা তো আমরা নিচে যাব
- 3:13এখন দূর থেকে যেটা দেখছি দেখাচ্ছিলাম
- 3:16কাগজী স্টেশনের চুড়া চুড়া হচ্ছে এটা আর এই
- 3:19নিচ দিয়ে নিয়ে আমরা চলে যাব
- 3:26এখন কাকদ্বীপ স্টেশনের নিচেই কাকার চায়ের
- 3:28দোকান কাকার চাটা হচ্ছে বিশাল টেস্টি চা
- 3:31তাইতো কাকা এটা এটা না টেস্টি চা আমরা
- 3:35জানি তো কাকার আমরা এদিকে আসলেই কাকার
- 3:38চায়ের দোকান থেকে চা খেয়ে থাকি তো ওখান
- 3:42থেকে চা খেয়ে বেরিয়ে আমরা এখান থেকে টোটো
- 3:43ধরবো টোটো ধরে যাব বাস স্ট্যান্ডে বাস
- 3:46স্ট্যান্ড কোনটা যাবে বাস স্ট্যান্ড কোনটা
- 3:48যাবে গো ঐদিকে কত করে ভাড়া গো নরমাল ৳10
- 3:51টাকা ভাড়া ৳10 টাকা ভাড়া তো বাস
- 3:53স্ট্যান্ডে যাব বাস স্ট্যান্ডে ৳10 টাকা
- 3:55করে ভাড়া বাস স্ট্যান্ডে যাই ওখান থেকে
- 3:56বাসে উঠে পাথর প্রতিমা
- 3:59[প্রশংসা]
- 4:03কাকদ্বীপ বাস স্ট্যান্ডে চলে এসছি আমরা
- 4:05যাব পাথর বাজারে পাথর প্রতিমার বাজারে এই
- 4:07বাসটা যাবে কাকা ভাড়া কত করে পাথর প্রতিমা
- 4:09বাজার পর্যন্ত এই পাথর ভাড়া কত এই সঞ্জা
- 4:13পাথর ভাড়া
- 4:15কত 26 টাকা 26 টাকা ভাড়া আর কত কিলোমিটার
- 4:19তাও 21 21 কিলোমিটার যেতে সময় লাগবে
- 4:22মোটামুটি 40 মিনিট 45 45 মিনিট সময় লাগবে
- 4:26আচ্ছা 45 মিনিট 26 কিলোমিটার এই 26 টাকা
- 4:2921 কিলোমিটার চলো বাসে
- 4:36উঠি পুরো ফাঁকা এখানে তোমার জন্য জায়গা
- 4:40রেখেছি আমাদের বাস এখান থেকে এখন ছেড়ে
- 4:42বেরিয়ে যাচ্ছে পাথর প্রতিমা বাজারের
- 4:44উদ্দেশ্যে
- 4:45[মিউজিক]
- 5:18[মিউজিক]
- 5:27আমরা এই বাসটায় করে আসলাম পাথর প্রতিমা
- 5:29বাজার বা পাথর বাজার বলে মানে পাথর
- 5:31প্রতিমাটাকে শর্টে পাথর বাজার বলে তো এখান
- 5:33থেকে আমরা যাব এখন যুধিষ্ঠি জানে
- 5:35ফেরারিঘাট তো আমরা সামনের দিকে
- 5:41এগোবো সামনের দিকে এগিয়ে কিছুটা সামনে
- 5:43গিয়ে সোজা চলে যাব আমরা যুধিষ্ঠি জানা
- 5:47ফেরিঘাটে এখানে চার মাথার মোড় পড়বো ওদিক
- 5:49থেকে আমরা এলাম এদিকে চলে যাবে ছোট রাক্ষস
- 5:52খালির ঘাট আর এদিকে আরেকটা আমরা যাব সোজা
- 5:54সোজা গেলে পড়বে যুধিষ্ঠি জানা ফেরিঘাট
- 5:57এখান থেকে আমরা যাব বড় রাক্ষস খালির দিকে
- 6:00তো অনেক সকালে বেরিয়েছি খিদে পেয়ে গেছে
- 6:02এখন খাবো ঘুগনি আর মুড়ি তো মুড়ি ঘুগনি
- 6:05এখানে রয়েছে ঘুগনির হাড়ি এটা
- 6:08নাকি তো এখান থেকে মুড়ি ঘুগনি খাবো খেতে
- 6:10এখান থেকে আবার যাব যদি জানা ফেরিঘাটের
- 6:13দিকে তো এখানে দামও খুব সস্তা এখানে 15
- 6:16টাকা 20 টাকা ঘুগনি আর মুড়ি দিয়ে এই যে
- 6:19ঘুগনি মুড়ি অনেকটা মুড়ি দিয়েছে উপরে
- 6:21চানাচুর গরম আছে ঘুগনি নাকি হ্যাঁ ঘুগনি
- 6:25গরম রয়েছে
- 6:30আচ্ছা প্রথমে খেয়ে নিই খেয়ে দিয়ে আবার বের
- 6:32হই আমরা চলে এসছি যুধিষ্ঠির জানা ফেরিঘাটে
- 6:36যুধিষ্ঠির জানা ফেরিঘাট থেকে নৌকা এক্ষুনি
- 6:38ছেড়ে যাবে ওই যে নৌকা ওখানে ছেড়ে দিয়েছে
- 6:40প্রায় আমরা এদিক থেকে যাব তো অনেক নৌকার
- 6:42উপর বাইক সাইক রয়েছে প্লাস আর্মিরাও রয়েছে
- 6:45যারা ওইদিকে সীমান্ত পাহারা দেয় আমরা যাব
- 6:47ওইদিকে এখন ভাটা জল নেমে
- 6:50গেছে তো এদিক দিয়ে আমরা যাব
- 6:56নৌকা প্রায় ছেড়ে দিয়েছে আমরা উঠলেই ছেড়ে
- 6:58দেবে আর কি
- 7:00এই কাকা যাচ্ছে এরকম মাথায় বস্তা নিয়ে
- 7:05ছেড়ো না ছেড়ো
- 7:08না তো এইখানে নৌকার টাইম খুব পাঙ্কচুয়াল
- 7:11মানে এক মিনিটও লেট করে না তো আসতে
- 7:13মোটামুটি ত্রিশানু আসতে একটু লেট করে যে
- 7:16দু মিনিট তো নৌকাটা ছেড়ে বেরিয়ে যাচ্ছে
- 7:18আর ওইদিক থেকে আরেকটা নৌকা আসছে তো ওইদিকে
- 7:20হচ্ছে এফ প্লট আর এইদিকে যুধিষ্ঠির জানা
- 7:24ফেরিঘাট এটা পরে পাথর প্রতিমা গ্রাম
- 7:26পঞ্চায়েতের মধ্যে পাথর প্রতিমা গ্রাম
- 7:28পঞ্চায়েতের শেষ সীমানা এটা যারা ফেরিঘাট
- 7:30পার করলেই ওদিকে চলে যাব আমরা এফ প্লটে ওই
- 7:33এফ প্লট থেকেই আমরা চলে যাব ওইখান থেকে
- 7:36টোটো বা ইঞ্জিন ভ্যান যা আছে সেটা ধরে
- 7:39ব্লু বিচ অফ বেঙ্গল বা বাংলার নীল সমুদ্র
- 7:43সৈকতে তো নৌকা একটা ছেড়ে গেল আরেকটা
- 7:45এখানে এসে
- 7:52ঢুকছে এইখানে বাইক টাইক সব নৌকার উপর
- 7:56দিয়ে মানে পারাপার হয় এদিক ওদিক হয়
- 7:58যেহেতু আর কোন মিডিয়া বাধ্য নেই
- 8:01এখানে আর ওইদিকে আর কিছু নেই আর শহর বলতে
- 8:04তাদের এখানেই হাসপাতাল শহর পুরো এদিকেই তো
- 8:08একটা তথ্য জানলাম ওই কাকার কাছ থেকে যেই
- 8:10নদীটা এখন আমরা পার হবো পার হয়ে বড়
- 8:12রাক্ষসখালীর দিকে যাব সেই নদীটার নাম
- 8:14কারজন কিক তো কোন এক সময় লর্ড কারজন এই
- 8:17নদী দিয়ে গেছিল তার থেকেই এই নদীর নামকরণ
- 8:20তিনি করেছেন কারজন কিক এই হচ্ছে নদী নদী
- 8:23পার হয়ে আমরা ওপাশে
- 8:26যাব আর এইভাবে গাড়ি তোলা হচ্ছে এখানে
- 8:31কতটা
- 8:32কষ্টকর এবং সুম সাধ্য ব্যাপার এটা এখন কি
- 8:35ভাটা চলছে
- 8:37দাদা জোয়ার চলছে ভাটা হলে আরো নিচে
- 8:45থাকে বাপরে বাপ ভারী গাড়ি তোলা তো খুব
- 8:48চাপের হয়ে যাবে তাহলে হ্যাঁ তোমার এখান
- 8:50থেকে বুলেট তোলো বুলেট টুলেট যায় এরকম
- 8:52ভাবে চলে যায় আচ্ছা আরেকটা কথা কাকা এই যে
- 8:55এই জিনিসগুলো এই জিনিসগুলোর নাম কি গো
- 8:58এমনি মানে মদিরাটা পোকাকে বলা হয় পাঙ্গা
- 9:01কিন্তু মদিরাটা পোকা পোকা না মানে এইগুলো
- 9:03পা কাটলে জ্যান্ত এগুলো সব জ্যান্ত আছে
- 9:06এগুলো সব জ্যান্ত আছে হ্যাঁ মানে এই যে
- 9:08এগুলো জ্যান্তর রয়েছে সব জ্যান্ত আছে
- 9:10আচ্ছা আচ্ছা এই যে হাত দিলে ভেঙে যাচ্ছে
- 9:14ঝিনুক ঝিনুক না না ঝিনুক না একটা অন্য
- 9:16কিছু আচ্ছা এই এতে কাটলে নাকি জোড়া লাগে
- 9:18না খুব সহজে না আর ব্যথা হয়
- 9:21অনেক আচ্ছা আচ্ছা এই যে আরেকটু দেখাচ্ছি
- 9:25এই যে এগুলো নাকি জ্যান্ত রয়েছে নদীর একটা
- 9:28পোকা কাঁকড়া বলে কিন্তু কাঁকড়া নয় এগুলো
- 9:30জ্যান্ত রয়েছে এগুলো হাত পা যদি কেটে
- 9:33যায় বিশাল ধার এগুলো ব্লেডের থেকেও বেশি
- 9:34ধার সেই অবসিডিয়ান ব্লেড বলে না একটা
- 9:37পাথর থেকে সেই অবসিডিয়ান ব্লেড তৈরি হয়
- 9:39সেই রকম ধার আর কি এগুলোর এগুলো যদি কেটে
- 9:42যায় রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না অনেকদিন ব্যথা
- 9:44থাকে এবং ক্ষতস্থান জোড়াও লাগে না খুব
- 9:46সহজে এই হচ্ছে ব্যাপার তো যারা এখানে আসবে
- 9:49জানে না তারা অবশ্যই একটু সাবধানে এগুলো
- 9:55দেখবে এখানে একটা কাঁকড়া দেখতে পেলাম
- 10:02কাকড়াটা মনে হয় অক্কা গেছে পাড়া খেয়ে যাই
- 10:05জলে ছেড়ে
- 10:08দিই আছে এই নদীতে কুমির দেখা যায় কাকা
- 10:11ভীষণ
- 10:13আছে মানে আজকে দেখতে পারবো যদি যাই এদিকে
- 10:16এটা কোথায় এখন চলে যাও এখানে চলে যাও না
- 10:19এটা ফাঁকার জায়গায় হচ্ছে
- 10:22ওখানে আচ্ছা
- 10:25আচ্ছা আরে ওখানে
- 10:27আছে উঠেছে আছে
- 10:30রোদ সেটারও ভালো আছে মানে এইরকম এরকম উপরে
- 10:33উঠে রোদ খায় ঠান্ডার সময় না ঠান্ডা ভরে
- 10:36গেছে আচ্ছা আচ্ছা বাপরে বাপ এই নদীতে নাকি
- 10:38কুমির রয়েছে বাঘ থাকছে নাকি এদিকে বাঘ নেই
- 10:41শুধু কুমির রয়েছে আচ্ছা আচ্ছা তো দেখি
- 10:44কুমির দেখা যায় নাকি আজকে এটা হচ্ছে মাছ
- 10:48ধরতে গেছিল এই ট্রলারটা তো মাছ ধরতে গেছিল
- 10:51মোটামুটি এখানে ট্রলার যদি মাছ ধরতে যায়
- 10:53অনেকদিন ধরে যায় মোটামুটি 10 থেকে 12 দিন
- 10:5515 দিন এরকম পেরিয়ে যায় তারপর ফেরে তা
- 10:58আপনাদের আপনাদের বাড়ি রাখো না আপনার বাড়ি
- 11:00রাক্ষস এই বড় রাক্ষসখালী ওই খেয়া পেরে বড়
- 11:02রাক্ষসখালী নাম হয়েছে কেন বড় রাক্ষসখালী
- 11:04নাম হয়েছে একটা দেশের নাম যেমন সূর্যপুর
- 11:06বনসমনগর পাথর প্রতিমা এই কি পাথর শুধু
- 11:09এখানে মানুষ নেই শুধু পাথরের বাঁশ না একটা
- 11:12জায়গার নাম পাথরের প্রতিমা আপনাদের রাক্ষস
- 11:14খালি ছিল তেমন হ্যাঁ বড় রাক্ষস রাক্ষস
- 11:16ঠাকস ছিল নাকি আগে না না বাপের জন্মে শুনি
- 11:18না দেখি না আর শুনিও না কানে দাদু ঠাকমার
- 11:21কাছেও শুনি না যে রাক্ষস ছিল এদেশে মানুষ
- 11:24ধরে ধরে খেত না আচ্ছা আচ্ছা এমনটাও না
- 11:27শুনে হাসি লাগছে কথা মজার মজার ছাড়া বলছি
- 11:30কিন্তু বাস্তব কথা বা সত্যি কথা সত্যি কথা
- 11:33আচ্ছা আরেকটা বিষয় আপনাদের এখানে তো আপনি
- 11:35তো এখানকার বাসিন্দা হ্যাঁ মোটামুটি আপনার
- 11:37বয়স কত আমার বয়স 60 60 বছর বয়সে বাঘা
- 11:40দেখেছেন অনেক অনেক বাঘ একদম বাঘ দেখেছি
- 11:45ইঞ্জিন স্টার্ট হয়ে গেছে এখন আর কিছু সময়
- 11:47আসছে না আমরা ওই পাশে গিয়ে আপনার সাথে কথা
- 11:50বলবো আচ্ছা যাবেন কখন যাব একদম সৈকতের
- 11:54দিকে মানে দক্ষিণে যাবেন হ্যাঁ
- 11:57হ্যাঁ যাওয়া যাবে
- 12:05ভালো একটা
- 12:07কথা তো এখন ভাটা শেষ হচ্ছে আর জ্বর আসা
- 12:10শুরু হয়েছে আর পুরো জোয়ার আসলে এই যে
- 12:12চরগুলো জেগেছে এই চরগুলো পুরো ওই পর্যন্ত
- 12:14চলে যাবে ওই যে গাছগুলো দেখা যাচ্ছে এগুলো
- 12:16কিন্তু সুন্দরী গাছ ওই পাশের গুলো বান গাছ
- 12:18বড়গুলো ছোটগুলো এদিকে সুন্দরী গাছ আর
- 12:20এখানে হচ্ছে শ্বাসমূলও দেখা যাচ্ছে
- 12:22সুন্দরী গাছের তো আমরা এখন এখান থেকে উঠবো
- 12:24উঠে সামনের দিকে যাব গিয়ে আমাদের ইঞ্জিন
- 12:26ধান বাটো ধরে যেতে হবে তো ঘাট পাড়েও চলে
- 12:29এসছি এখান থেকে টোটো বা ইঞ্জিন ভ্যানে করে
- 12:31আমরা যাব ব্রজবল্লভল্ভপুর ব্রজবল্লপুর
- 12:33হচ্ছে এই বড় রাক্ষসখালীর মেইন বাজার সেই
- 12:36ব্রজবল্লভল্ভপুর থেকে বিভিন্ন দিকে যাওয়া
- 12:38যায় যেমন ব্রজবল্লভুর
- 12:42থেকে ব্রজবল্লভপুর থেকে আমরা ওই ব্লু বিচ
- 12:45অফ বেঙ্গলের দিকেও যেতে পারি
- 12:48আবার হ্যাঁ বলবেন আবার আমরা যেতে পারি
- 12:52বিভিন্ন গ্রামের দিকে তো এখান থেকে ইঞ্জিন
- 12:54ভ্যানে উঠেছি 20 টাকা ভাড়া তার বিনিময়ে
- 12:56আমরা চলে যাব প্রজবল্লভপুর বাজারে
- 13:00বাজারে যেতে আমাদের মোটামুটি সময় লাগবে
- 13:03এখান থেকে 10 থেকে 15 মিনিট আর ইঞ্জিন
- 13:06ভ্যানে ভাড়া 20 টাকা আর ইঞ্জিন ভ্যান
- 13:08পাঁচজন না হলে ছাড়ে না আমরা পাঁচজন হয়েছে
- 13:10কিছুক্ষণ বসে থাকতে হয়েছে পাঁচজন হয়েছে
- 13:13তারপর ছেড়েছে আমরা
- 13:26যাচ্ছি ব্রজবল্লভপুর বাজারে নেমেছি
- 13:28ব্রজবল্লপুর বাজারে থেকে আমাদের যেতে হবে
- 13:31ব্লু বিচ অফ বেঙ্গল বা নীল সৈকত মানে
- 13:34সুন্দরবনের নীল সৈকত বা বাংলার নীল সৈকত
- 13:36আসলে সেই জায়গাটার নাম গোবিন্দপুর আবাদ
- 13:38তো এখান থেকে হেঁটে যেতে হবে কিছুটা
- 13:39কিছুটা হেঁটে গিয়ে আমাদের বাদিকের
- 13:41রাস্তায় গেলে আমাদের পড়বে হচ্ছে ইঞ্জিন
- 13:44ভ্যান বা টোটো বাদিকের রাস্তায় গেলে
- 13:46ইঞ্জিন ভ্যানের টোটো ওখান থেকে টোটো নিয়ে
- 13:48আবার যেতে হবে মানে দুবার টোটো চেঞ্জ করতে
- 13:50হবে বা ইঞ্জিন ভ্যান চেঞ্জ করতে হবে
- 13:52আমাদের ওই ব্লু বিচ অফ বেঙ্গল বা বাংলার
- 13:54নীল সৈকতে যেতে গেলে বা গোবিন্দপুর আবাদে
- 13:57যেতে গেলে
- 14:00তো এরকম ঠেলা গাড়িতে করে ধান কেটে নিয়ে
- 14:02যাচ্ছে এখান থেকে তো আমরা যেখানে নেমেছি
- 14:05সেখান থেকে আমরা হেঁটেই ওই ব্লু বিচ অফ
- 14:07বেঙ্গল বা নীল সৈকতে যাব হেঁটে যাওয়ার
- 14:10একটাই কারণ দুই পাশের সৌন্দর্য ভূপ্রকৃতি
- 14:12সমস্তটাই দেখতে পারবো গাড়িতে গেলে
- 14:14ডাইরেক্ট নেবে 150 টাকা ব্রজবল্লপুর থেকে
- 14:17আর যদি আমরা হেঁটে যাই ওই স্ট্যান্ড
- 14:19পর্যন্ত আসতে হবে যদি আটজন হয়ে যায় 10
- 14:21টাকা করে আর যদি আটজন না হয় তো একটা
- 14:23গাড়ি বুক করতে গেলে 80 টাকা লাগবে সে
- 14:25একজন হলেও 80 টাকা আটজন হলেও 80 টাকা এটা
- 14:28হচ্ছে ব্যাপার তো আমরা হেঁটে হেঁটে যাচ্ছি
- 14:30তার একটাই কারণ দুই পাশের সৌন্দর্য দেখতে
- 14:32পারবো এবং এখানকার মানুষজনের জীবনযাপন
- 14:34দেখাতে পারবো হ্যান্ড ট্র্যাক্টরের চল
- 14:37এদিকে এখনো
- 14:38রয়েছে ব্রজবলপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের মধ্য
- 14:41দিয়ে এখন চলেছি আর দুপাশে বাড়িগুলো কিছু
- 14:44উঁচু বাড়ি রয়েছে তবে উঁচু বাড়িগুলো
- 14:45মাটির দোতলা আর এই পাশে সম্পূর্ণ এখন খাড়ি
- 14:49এখন ভাটার সময় জোয়ার আসছে আসছে ভাব ওর
- 14:51জন্য এগুলো এখনো শুকনো রয়েছে আর মোটামুটি
- 14:54এক দু ঘন্টা পরে এগুলো জলে পরিপূর্ণ হয়ে
- 14:56যাবে মোটামুটি এই পর্যন্ত জল চলে আসে আর
- 14:58কি
- 14:59তো এইরকম এইভাবেই পথ দিয়ে হেঁটে হেঁটে
- 15:02যাচ্ছি হেঁটে হেঁটেই আমরা পৌঁছাবো নীল
- 15:04সৈকত বা বাংলার নীল সমুদ্র
- 15:07সৈকতে তো ধার নিতে গিয়ে দেবে গেছে এটাকে
- 15:10মাটিতে দেবে গেছে হ্যাঁ ঠেলে দেবো কোথায়
- 15:14কোথায় ধরে ঠেলবো
- 15:16গো আমি এটা ধরে উঁচু করবো এই
- 15:19ধরেন বাবাকে ধরার জায়গায় তো পাচ্ছি না এটা
- 15:23নাও নাও
- 15:26ঠেলছি উঠেছে
- 15:30ও আচ্ছা এতটা ডেভে গেছিল এখানে ডেবেছিল ওর
- 15:33জন্যে আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা পেছনে আর কি আর
- 15:36কি এরকম রয়েছে না আর ভালো রাস্তা রয়েছে
- 15:38আচ্ছা গো না আচ্ছা এটা কি স্কুল নাকি
- 15:42হ্যাঁ হ্যাঁ এটা স্কুল না সাব সেন্টার সাব
- 15:45সেন্টারের শিক্ষার তাইতো আচ্ছা ওখানে লেখা
- 15:47আছে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র আচ্ছা আচ্ছা এটা
- 15:49হচ্ছে ব্রজবল্লভপুর দুই সুস্বাস্থ্য
- 15:51কেন্দ্র আমরা হেঁটে চলেছি গোবিন্দপুর আবাদ
- 15:54বাই নীল সৈকতের দিকে এই দাদু যাচ্ছে দাদু
- 15:57কি কাজে যাচ্ছ নাকি হ্যাঁ কাজে যাচ্ছ নাকি
- 16:00হ্যাঁ কাজ শেষ করে আমি যাচ্ছি বাড়ি কোথায়
- 16:02তোমার বাড়ি ওই স্কুলের পাশে রজনীকান্ত
- 16:05বাণীকেতন আচ্ছা রজনীকান্ত বাণীকেতন স্কুল
- 16:07ওর পাশে স্কুলের পাশে আচ্ছা এখানে যে ওই
- 16:10সৈকর্তা হয়েছে পর্যটকরা বাড়ি থেকে ঘুরতে
- 16:13আসে মাঝে মাঝে হ্যাঁ আসে তো তারা ঘুরতে
- 16:15হ্যাঁ আসে মানে অনেক অনেক আসে অনেক আসে
- 16:18হ্যাঁ অনেক তাই এখানে থাকার জায়গা কি আছে
- 16:20থাকার জায়গা আছে না থাকার জায়গা নেই থাকার
- 16:22জায়গা এদিকে করেনি তাইতো হ্যাঁ করেনি
- 16:24সরকার যদি সরকার করেনি আর এমনি পর্যটন
- 16:26স্থল হিসেবে জায়গাটা কেমন জায়গা ভালো ভালো
- 16:29জায়গা খুব সুন্দর জায়গা হ্যাঁ সুন্দর
- 16:31জায়গা ওদিকে বঙ্গোপসাগর তাইতো বঙ্গোপসাগর
- 16:33কিন্তু বঙ্গোপসাগরের জলটা এখানে দীঘা বা
- 16:36এই গঙ্গাসাগরের ওখান থেকে নাকি অনেকটা
- 16:38পরিষ্কার জল হ্যাঁ এখানে পরিষ্কার জল এবং
- 16:41একদম পুরো ওশিয়ান মানে নীল রঙের জল নীল
- 16:44রঙের জল একবার নীল রঙের জল বলেই এটাকে নাম
- 16:46দেওয়া হয়েছে নীল সৈকত নীল সৈকত হতে পারে
- 16:50নীল সৈকত আর হচ্ছে আপনার এখানে যদি কেউ
- 16:52আসে ঘুরতে এই জায়গাটায় থাকার জন্য কি
- 16:55ব্রজবল্লভপুর ঠিক হবে ব্রজবল্লভপুর হতে
- 16:58পারে না আমার এই স্কুল কিন্তু থাকতে পারে
- 17:00স্কুলে না স্কুলের তো স্কুলে থাকা যায় না
- 17:03না আমি বলছি যারা আসবে ব্রজপল্লপুরতে এরকম
- 17:06থাকার ঘর মানে হোটেল বা ঘর ওরকম কিছু
- 17:08রয়েছে আছে কিছু আছে ওটাই ভালো হবে মানে
- 17:10যারা আসবেন তারা ব্রজপল্লভপুরে থাকতে
- 17:12পারবেন হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ এটা বেশ
- 17:15ভালো তাই এখান থেকে মোটামুটি আরো 1 km না
- 17:201/2 km তাও হবে না 1/2 km আচ্ছা আচ্ছা
- 17:23সামনে একটা সার
- 17:26আসছে এটা কি আপনাদের এখানেই থাকে নাকি এই
- 17:29এই রাস্তায় ঘোরাঘিতে পারি একটা না ও অনেক
- 17:33সার আছে এখানে অনেক সার আছে হ্যাঁ আচ্ছা
- 17:36আপনাদের যে পুরো বড় দ্বীপটা বড় দ্বীপটার
- 17:38নাম কি বড় দ্বীপটার নাম হ্যাঁ বড় দ্বীপটার
- 17:42নাম হচ্ছে
- 17:46একটা বড় রাক্ষসখালী নাকি একটা বড়
- 17:49রাক্ষসখালী আচ্ছা বড়
- 17:53রাক্ষসখালী অঞ্চল আর বড় রাক্ষসখালী বড়
- 17:57রাক্ষসখালীর মধ্যে অনেকগুলো গ্রাম রয়েছে
- 17:59তো হ্যাঁ অনেকগুলো ক্ষেত্রে মোহনপুর রয়েছে
- 18:01ব্রজবল্লভপুর রয়েছে ব্রজল্লভপুর রয়েছে ছোট
- 18:03রক্ষক খালি রয়েছে দক্ষিণ ব্রজবল্লভপুর আদা
- 18:06দক্ষিণ বলব ছোট রক্ষসখালী তো সম্পূর্ণ
- 18:08আলাদা একটা দ্বীপ হয়ে যাচ্ছে জায়গাটা
- 18:09আলাদা দ্বীপ হয়ে যাচ্ছে অঞ্চলের ব্যাপার
- 18:12অঞ্চল একসাথে হলেও দ্বীপটা আলাদা দ্বীপটা
- 18:14আলাদা আচ্ছা আচ্ছা আপনাদের এই বড় ব্রজ বড়
- 18:17রাক্ষসখালীর মধ্যে স্কুল কটা রয়েছে দাও
- 18:20স্কুল
- 18:23রয়েছে হাই স্কুল আছে চারটে চারটে হাই
- 18:28স্কুল আর প্রাইমারি স্কুল মনে হয় স্কুলের
- 18:30মধ্যে আর প্রাইমারি স্কুল মানে অনেকগুলো
- 18:32রয়েছে অনেকগুলো মানে 10 12 টা মানে
- 18:34মোটামুটি বাচ্চারা এখানকার স্কুলে
- 18:36পড়াশোনা সরাসরি করে তাইতো হ্যাঁ
- 18:38আচ্ছা ভালো শিক্ষা মানে পড়াশোনা করাটাই
- 18:42ভালো
- 18:44ভালো হ্যাঁ নেই ঝরে আজ গাছ ভেঙে গেছে তো
- 18:48সব গাছ ভেঙে গেছে আবার কিছু ছাড়া আচ্ছা
- 18:51সমুদ্র সৈকত কি আরো ওপাশে ছিল এদিকে চলে
- 18:52এসছে এরকম কিছু না আর মোটামুটি কোন সময়
- 18:56পর্যটকটা বেশি আসে পর্যটক আসে ডিসেম্বর
- 19:01ডিসেম্বর 25 25শে ডিসেম্বরের লোকটা বেশি
- 19:0425শে ডিসেম্বর প্রায় তারপর তারপরে
- 19:06প্রত্যেকদিন আপাতত এক দেশে ফার্স্ট
- 19:07জানুয়ারি প্রতিদিন এক দেশে লোক আসে আসে
- 19:10আচ্ছা বেসিক্যালি কি ওখানে পিকনিক টিকনিক
- 19:12করতে আসে হ্যাঁ হ্যাঁ পিকনিক মানে স্নান
- 19:15করে স্নান করে আচ্ছা আচ্ছা স্নান করা যায়
- 19:17তাইতো হ্যাঁ রান্নাবান্না করে খাওয়া দাওয়া
- 19:19করে আচ্ছা এমনি ঘোরার জন্যও আসে এমনিতে
- 19:21তারা ত্রিপল ত্রিপল নিয়ে এসে গাছে
- 19:24গাছে মানে টেন্ট করেও থাকা যায় ওখানে বাহ
- 19:27টেন্টের একটা মজা নেওয়া যায় এটা খুব ভালো
- 19:28আর ওখানে দোকান দোকান রয়েছে ঠিকঠাক না
- 19:30দোকান ওখানে নেই সেরকম লোক জন হয়নি বলে
- 19:33দোকান করেনি আচ্ছা এখন অনেক জেলে আছে
- 19:36সেখানটায় জেলে আছে জেলারা মাছটা ধরে মাছ
- 19:40ধরছে আচ্ছা আমরা সোজা যাব তাইতো না আপনারা
- 19:43এই রাস্তায় চলে যান একবারে একবারে সেই
- 19:45দক্ষিণে কাকা কি মাছ ধরেছে একটু
- 19:48দেখাই এই পুকুর থেকে ধরলেন কাকু হ্যাঁ
- 19:51হ্যাঁ হ্যাঁ
- 19:53হ্যাঁ দেখাচ্ছি একটু হ্যাঁ দেখাও দেখাও
- 19:57মাছ দেখাও কি মাছ ধরলেন এটা মা
- 20:01ভালো এটা কি মাছ রুপচাদা আচ্ছা আচ্ছা ছোট
- 20:05মাছগুলো ফেলে দিচ্ছ হ্যাঁ ছোট মাছ আবার
- 20:07আবার ছেড়ে দেবে এই ছোট মাছগুলো হ্যাঁ এটা
- 20:10তো বড় নাকি হ্যাঁ এইটা একটু বড় এটা রেখে
- 20:12দেবে হ্যাঁ আচ্ছা এই এখানে আছে নাকি হ্যাঁ
- 20:16এই যে এটা কি মাছ এটা তো রূপচাদা আর এটা
- 20:20জাপানি পুটি জাপানি পুটি আচ্ছা আচ্ছা আর
- 20:23ছোটটা ছোটটা ওই পুটি মাছের বাচ্চা আচ্ছা
- 20:26এই আপনারা কি ওই ছোট ছোট বাচ্চা কিনে
- 20:28পুকুরে ছেড়ে দেন হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ হ্যাঁ
- 20:30হ্যাঁ ছাড়া তাও মোটামুটি এই যে এত বড়
- 20:32হয়েছে এটা কতদিন আগে ছাড়া হয়েছে দাও এটা
- 20:35দুই তিন মাস আগে দুই তিন মাস আচ্ছা আরেকটা
- 20:38কথা কাকু মনে করেন এই পুকুরে বড় মাছ রয়েছে
- 20:41তাহলে যদি ছোট মাছ ছাড়েন ছোট মাছদের খেয়ে
- 20:43নেয় না না খাবে না খাবে না না খাবে না
- 20:46এরকম মাছ ছাড়া হয় মানে ওইটা যদি পাঙ্গাস
- 20:48টাঙ্গাস ছাড়া হয় পাঙ্গাস মাছ ছাড়লে তাহলে
- 20:51খেয়ে নিবে আচ্ছা বড় পাঙ্গাস থাকলে ছোট
- 20:53মাছদের খেয়ে নেবে কিন্তু বড় এই যে রুপচাদা
- 20:56বললেন বড় রূপচাদা ছোট রূপচাদা কি খাবে না
- 20:58না ওটা খায় না আর এই জাপানি পুটি কেউ খাবে
- 21:00না বাহ ঠিক আছে আপনাদের প্রত্যেকের বাড়িতে
- 21:03একটা করে পুকুর রয়েছে সুন্দরবন এটা একটা
- 21:05বৈশিষ্ট্য ঠিক আছে আসছি আমরা এদিক দিয়ে
- 21:07যাব তাইতো হ্যাঁ এই রাস্তা দিয়ে যাব একবার
- 21:10চলে যাব কোথায় যাবেন ওই সমুদ্র সৈকতে ও
- 21:14আচ্ছা ছবি করবেন মোবাইলে ঠিক আছে আসছি
- 21:17হ্যাঁ তো আমরা যাই সামনে গিয়ে এই
- 21:21রাস্তাটায় আমরা
- 21:22ঢুকি আমরা যাব কাকু ওই সমুদ্র সৈকতের
- 21:27দিকে এখান থেকে সোজা তাইতো হ্যাঁ আচ্ছা
- 21:32আচ্ছা এরকম ভাঙ্গাচোড়া বাড়ি আর এখানে কি
- 21:35মানুষ থাকে এই বাড়িগুলো পুরো ভাঙ্গাচোড়া
- 21:38অবস্থা ও আচ্ছা এটা
- 21:41দোকান দোকান এখন বন্ধ দুপুর
- 21:48বলে আচ্ছা আমরা এগোই আরো সোজা আর ডানদিকের
- 21:52এই জায়গাটায় বাই পুকুরটা মাছ চাষ করেছে
- 21:54ওপর থেকে যাতে ওই বকঠক মাছ না খেয়ে নেয়
- 21:57ওর জন্য এবার এই জালটা দিয়ে ঘিরে রেখেছে
- 22:00বেসিক্যালি ছোট মাছ চাষ করলে এটা করা হয়
- 22:04বেশ দারুন সুন্দর গ্রাম্য পথ এই
- 22:07জায়গাটায় একটু ইট দেওয়া রয়েছে আগের যে
- 22:10জায়গাটায় গাড়ি বসে গেছিল ধানের গাড়িটা
- 22:12ওই জায়গাটার অবস্থা আরো বেশি খারাপ ছিল
- 22:16ডানদিকে পুকুর আর বাদিকে মাটির বাড়ি
- 22:22ঠাকুরমাও কি মাছ ধরছেন জাল দিয়ে মাছ
- 22:25ধরছেন জাল দিয়ে কি মাছ ধরবেন না না বাবা
- 22:29আচ্ছা ঠিক
- 22:30আছে যাই আমরা সামনের দিকে এগোই তো একটা
- 22:34জায়গায় এসছি এই জায়গাটার ভিউ হচ্ছে
- 22:36অসাধারণ সুন্দর দারুন সুন্দর লাগছে এই
- 22:39জায়গাটা মানে একটু পর যখন জল চলে আসবে বা
- 22:42জোয়ার চলে আসবে এই অংশগুলো পুরো জ্বরে
- 22:43পরিপূর্ণ হয়ে যাবে আর এই যে খাড়ি গুলো
- 22:46রয়েছে দাদা বলল যে জোয়ারের সময় এখান
- 22:48থেকে আর কি ওই কুমির এদিকে প্রবেশ করে এই
- 22:51খাড়ি বা খাল দিয়ে কুমির প্রবেশ করে এখন
- 22:53ভাটার জন্য ওদিকে এখন কিছু নেই আর এই
- 22:56অংশগুলোতে আমি যদি আরেকটু সামনের দিকে
- 22:58এগোই পুরো পেরি কাঁদা
- 23:00এরকম খাড়ি চলে গেছে এরকম এসে এরকম বেঁকে
- 23:02চলে গেছে আর এদিকেও কিছু অংশ রয়েছে তো
- 23:05দারুন লাগছে এই অংশটা ভাই এই জায়গাটার
- 23:08ভিউসটা খুব সুন্দর লাগছে সুন্দরবনের একদম
- 23:11কোর এরিয়ার ভিউ বলা যায় এটাকে শ্বাসমূল
- 23:15হয়ে রয়েছে এদিকে শ্বাসমূল বেরিয়ে
- 23:17বেরিয়ে রয়েছে পুরো অংশগুলোতে আর ওদিকে
- 23:19কিছু কিছু জায়গা যেখানে নিচু জায়গা
- 23:21সেখানে পেরিকাদা হয়ে রয়েছে আর ওইদিকটা
- 23:23সম্পূর্ণ এরকম
- 23:25জঙ্গল আপনি ধানগুলো কেটে কেটে রাখছেন
- 23:28তাইতো কাঁচা ধান আচ্ছা বিয়ে করতে হবে জল
- 23:31আছে মানে গোড়া পচে গেছে নাকি না না তোলা
- 23:34ফেলবো তা কাঁচা ধান তুলে ধান পাবেন এখানে
- 23:38ওরে বাবু খানিকটা জায়গায় 30 কিলো ধান
- 23:40ফেলবো ফেটে জায়গায় আর পাঁচ কিলো ধান কম
- 23:42হবে কিন্তু আমার তলাটা এই বাধায় জলটা আজ
- 23:44তোলা করে দিতে পারবো ও আচ্ছা আচ্ছা ওই
- 23:46পাশে গুলো সব শুয়ে পড়েছে তো কিছুই পাবেন
- 23:48না তাহলে পড়েছে জল আছে এই জলটা থাকলে
- 23:50তলাটা ফেললে আমার এখন আর জল লাগবে না মানে
- 23:53পুকুরে জল লাগবে ও আচ্ছা আচ্ছা আচ্ছা জলটা
- 23:56কম আছে এই জলটা কম আছে এই যে হ্যাঁ অনেকটা
- 23:58রয়েছে মানে তিন কে কেজি ধানের মত আমি
- 24:00কাটবো আচ্ছা কেটে ওখানে কি করবেন কাটাকাটি
- 24:03তোলা ফেলবে তোলা আচ্ছা ধানের তোলা ফেলবেন
- 24:06আচ্ছা আচ্ছা না এটা ধরো আর এ পাকতে গেলে
- 24:10অনেক দেরি হয় তখন জল তখন জল থাকবে না এটা
- 24:13পুকুরে জল তুলে ফেলতে হবে না জল ফেলতে হবে
- 24:16জল থাকবে এই জল শুকনো হবে আর ধানও পাকবে
- 24:19আরাম দেরি হয়ে যাবে তোলা আচ্ছা তো কাঁচা
- 24:22পাকা ধান কাঁচা পাকা ধান যদি তোলেন কাঁচা
- 24:24ধান গুলো পাবেন না তো না তলাটা
- 24:27যদি ধরুন গঙ্গা হুম সাড়ে চার মাসের দাম
- 24:31এবারে যদি আমি এইটা যদি এই জল থাকতে থাকতে
- 24:35তোলাটা করে নিতে পারি আচ্ছা তাহলে এ জলটা
- 24:37আমার কম লাগবে রোয়ার সময় আচ্ছা বয়স হয়ে
- 24:40যাবে বয়স হয়ে যাবে এটা কি গঙ্গাধান না না
- 24:43এটা গঙ্গা না গঙ্গাটা করবো আর কি করে
- 24:45গঙ্গাটা করবো আচ্ছা আচ্ছা আর এটা তো ইয়ে
- 24:49আগো সন্তোষী সন্তোষী সন্তোষী আচ্ছা এদিকে
- 24:52ওই বাঁশ কাটি মিনিকেট এগুলা হয়
- 24:54না মেনিকেট ফেটে ওগুলো তো খরটি খরচ আচ্ছা
- 24:58পরে অনেকে নিয়ে আসে
- 25:00করে আমরা বাবু এই কম জায়গায় ভাত খাবো বলে
- 25:03গঙ্গা ফোঙ্গা করি আচ্ছা ও গঙ্গাটা ফলনও
- 25:07খারাপ না সার্ভিস ওর কম লাগে পোকা ধরে কম
- 25:09আচ্ছা গঙ্গায় পোকা ধরে কম গঙ্গায় পোকা
- 25:11ধারে কম আর ভাতটা খেতে ভালো লাগে আচ্ছা আর
- 25:14ওর পুড়া দিয়ে মুরগির হাঁস ঠাঁস গুলো খায়
- 25:16তো হ্যাঁ স্বাদে হয় আচ্ছা আচ্ছা ঠিক আছে
- 25:19কাজ করেন আসছি তাহলে কেমন
- 25:22আছি এই হচ্ছে ব্যাপার তো কাঁচা পাকা ধান
- 25:25রয়েছে অর্ধেক কাঁচা অর্ধেক পাকা তুলে
- 25:27ফেলছেন উনি মানে এরও আবার অনেক রকম হিসেব
- 25:29রয়েছে মানে কাঁচা বাঁকা ধান তুললে অর্ধেক
- 25:31পাওয়া যাবে অর্ধেক পাওয়া যাবে না এরকম
- 25:32একটা হিসেব রয়েছে আবার কিছুটা অংশ ধান
- 25:35তুলে কেটে ওখানে ধান তোলা করবে তোলা ধান
- 25:37বলতে যা ধানের ওই বীজ রুয়ে ছোট ছোট ধান
- 25:39গাছ যেগুলো হয় যেগুলো পরবর্তীকালে আবার
- 25:41পোতে বিভিন্ন জায়গায় সেগুলো করবে সেই
- 25:44হিসেব অনুযায়ী আবার উনার লাভ হচ্ছে ওর
- 25:46জন্য উনি কাঁচা বাকারার অবস্থাতেই ধান
- 25:47কেটে ফেলছেন তো সামনে যাচ্ছি ডানদিকে
- 25:50সম্পূর্ণ ধানের ক্ষেত ওইদিকে পানির বরফ
- 25:53হয়েছে কটা আর বাঁদিকে এরকম জাল বুনছে
- 25:57কাকু বসে
- 26:05আর এটা হয়তো চাষ করবেন এরকম
- 26:08করেছেন
- 26:10সুন্দরবনে এটা পুরোপুরি নদীমাত্রিক এলাকা
- 26:13মানে নদীর উপর নির্ভর করেই এই সুন্দরবনের
- 26:1670 থেকে 80% মানুষ তাতে জীবিকা নির্বাহ
- 26:19করেন ওর জন্য মাছের জাল
- 26:22রয়েছে মাছের জাল বোনা মাছ ধরা আমরা
- 26:24সুন্দরবনের অনেক ভিডিওতে দেখি মাছ ধরার
- 26:26ভিডিও এই মাছ ধরার বিষয়টা সুন্দরবনের
- 26:29সবচেয়ে বেশি আর সেকেন্ড যদি কোন জীবিকা
- 26:31হয় সেটা হচ্ছে
- 26:35চাষবাস এখন হাঁটছি একটা উঁচু জায়গা দিয়ে
- 26:38আর উঁচু জায়গার দুই দিকের দৃশ্যটা ঠিক
- 26:41এইরকম গভীর জঙ্গল এখানে পুরো ফাঁকা কিচ্ছু
- 26:44নেই একটা রোমাঞ্চকর অনুভূতি যদি এই জঙ্গল
- 26:47থেকে এখন বাঘ বেরিয়ে আসে আমার কিচ্ছু
- 26:49করার থাকবে না কারণ বাড়িঘর এদিক থেকে
- 26:52অনেকটা
- 26:53দূরে এখন ভাটা বলে এইরকম অবস্থায় রয়েছে
- 26:56জোয়ার হলে এই পর্যন্ত জল চলে আসে আর এইসব
- 26:58জায়গায় কুমির তো আছে কুমির নিচের দিকে
- 27:00বেশি আছে উপরে উঠতে পারে না কারণ উপরে
- 27:02এরকম একটা প্রত্যেকটা জায়গায় এরকম একটা
- 27:06সমান বা এরকম ঢালু একটা জায়গা করা থাকে
- 27:08ঢালু জায়গা করার জন্য কুমির উঠতে পারে না
- 27:11আর এই ডানদিকে আবার নিচু জায়গা এবং পুকুর
- 27:15রয়েছে কিছু তারপরে ওই দিকে গেলে কিছু
- 27:17বাড়ি পাবো আমরা আর বাঁদিকের দৃশ্য ঠিক
- 27:19এইরকম পুরো ঘন জঙ্গল যারা সুন্দরবন টুর
- 27:24করেন ওই বিভিন্ন নৌকোতে দু রাত তিন দিন বা
- 27:28এইরকম আর কি তারা সুন্দরবনের জলপথটাই
- 27:31ঘোরেন সুন্দরবনের গ্রাম ঘুরতে গেলে আপনাকে
- 27:35সুন্দরবন টরে গেলে হবে না ওই রকম টরে গেলে
- 27:37হবে না সুন্দরবন গ্রামে এসে ঘুরতে হবে এবং
- 27:39এই ভিডিও গুলো দেখতে
- 27:41হবে তো আরেকটু সামনের দিকে এগোই এরকম ঘন
- 27:45জঙ্গলের পথ
- 27:47দিয়ে সামনে এখান থেকেই হচ্ছে বাজটা শুরু
- 27:51আর ওইদিকে খাড়ি রয়েছে খাড়িতে নৌকো রাখা
- 27:54রয়েছে মাছ ধরতে যাওয়ার নৌকো আর এখান
- 27:56থেকে বাঁধ শুরু হচ্ছে সেই ব্লু বিচ অফ
- 27:59বেঙ্গল বা বাংলার নীল সমুদ্র সৈকতের
- 28:03সামনেই উন্মুক্ত বঙ্গোপসাগর আমরা সেদিকেও
- 28:06যাব এদিকে জল নেই ভাটার জন্য এখন এই
- 28:09অবস্থায় রয়েছে জল থাকলে ভালোই উঁচু থাকে
- 28:12এবং এই অংশ দিয়ে দারুণ ভিউ দেখা যায়
- 28:17দুইদিকে বান গাছ নিম গাছ রয়েছে এখানে
- 28:20কিছু তো এইরকম গাছের শাড়ি গাছ দেয়া
- 28:23হয়েছে তার একটাই কারণ যাতে বাঁধটা না খসে
- 28:25পড়ে যায় ওদিকে বাঁধটা ভেঙে যায় এবং এই
- 28:28রাস্তাটা রক্ষিত থাকে কারণ এই একটাই
- 28:30রাস্তা আছে ব্লুবিচ অফ বেঙ্গলে যাওয়ার
- 28:33জন্য একটা অন্যরকম একটা অনুভূতি
- 28:38এখানে আপনারা যারা আসবেন ব্লুবিচ অফ
- 28:41বেঙ্গলে তারা ওই বললাম থাকার জায়গা একদম
- 28:44এই জায়গাটায় নেই কারণ এই জায়গাটা জ্বর
- 28:46ভাটার জন্য অনেকটা জল বাড়ে কমে আর থাকতে
- 28:50পারবেন ব্রজবল্লভপুরে ব্রজবল্লভপুরে থাকার
- 28:52হোটেল রয়েছে সমস্ত কিছুই রয়েছে
- 28:54ব্রজপল্লভপুর থেকে এখানে আসতে মোটামুটি 15
- 28:56থেকে 20 km 20 মিনিট মতো সময় লাগে যদি
- 28:59আপনার ডাইরেক্ট ইঞ্জিন ভানে বা টোটোতে
- 29:01আসেন তা আমরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্য দেখব
- 29:03ঘুরে ঘুরে আসবো জন্য আর এটা করা হয়নি তো
- 29:06এইদিকের দৃশ্য যা দেখতে পাচ্ছি চোখ
- 29:08জুড়িয়ে যাওয়া দৃশ্য সুন্দরবনের দৃশ্য
- 29:11কাকে
- 29:14বলে একদম আসল সুন্দরবনের
- 29:19দৃশ্য দারুণ দৃশ্য ওইখানে মাছ ধরা
- 29:23নৌকাগুলো রয়েছে আর এইরকম জায়গা জুড়ে
- 29:27পুরোটা জল নেই জন্যে জেগে উঠেছে
- 29:30এখন মানে এখন মনে করছি যদি সাথে একটা
- 29:34ড্রোন থাকতো সেই ড্রোন ওড়ালে অসাধারণ
- 29:37ভিউজ আসতো মানে অসাধারণ ভিউ নিজেও দেখতে
- 29:39পারতাম আপনাদের দেখাতেও পারতাম খুব ভালো
- 29:41হতো তার জন্য ভিডিওটা অনেক শেয়ার করতে
- 29:43হবে যাতে ভিডিওর রিচ অনেক বাড়ে বা অনেক
- 29:46মানুষের কাছে পৌঁছায় এবং তারা অনেক দেখে
- 29:49এবং আমার ডোন কেনার মত অবস্থা হয় এই
- 29:51হচ্ছে ব্যাপার তো আমরা আরেকটু সামনের দিকে
- 29:54এগিয়ে যাই বাঁধের উপর দিয়ে হাঁটছি এখন
- 29:56বাঁধের উপর দিয়ে হেঁটে সামনের দিকে
- 29:58এগিয়ে গেলে আমরা ওইদিকে সমুদ্র দেখতে
- 30:00পারবো ওইদিকে একটা দ্বীপ রয়েছে দ্বীপের
- 30:02ওই ডান সাইডেই
- 30:04সমুদ্র এটা কি মাছ ধরা নৌকো মাছ ধরা নৌকো
- 30:08এটা আর নৌকোর সামনে ওরকম মালা দেওয়া রয়েছে
- 30:10কি ওইটা ওখানটাই পুজো করা হয় আচ্ছা আচ্ছা
- 30:13তোমাদের বাড়ি এখানেই না কোথায় মানে এই
- 30:16সুন্দরবনে তো এই অংশটায় বা এই অঞ্চলটায়
- 30:19অনেকে ঘুরতে আসে প্রায় লোকই আসে প্রায়
- 30:21লোকই আসে সময় আরো ডিসেম্বরে বেশি আসে তাও
- 30:25মোটামুটি কিরকম ভিড় হয় অনেক অনেক বৃষ্টি
- 30:27হয় এখানটায় এখানে পিকনিক হয় আর যারা বাইরে
- 30:30থেকে কলকাতা বা অন্যান্য জায়গা থেকে আসে
- 30:32ঘুরতে তারা ওই ব্রজপালপুরে থাকে তাইতো
- 30:34ওখান থেকে এখানে ঘুরে আছে নিউ বকখালি
- 30:36সেখানে চলে যায় সেখানটা নিউ বকখালি কি
- 30:38করে যায় এখান থেকে ওই ওখানে খিয়া পারবার
- 30:40বলে দিয়ে ওখানে চলে যায় সেখানে প্রায় অনেক
- 30:43লোক খিয়া কোন জায়গা থেকে বারবার হয় সেই
- 30:45টের ঘাটের সেই টের ঘাট আচ্ছা আচ্ছা
- 30:47জায়গাটার নাম কি তটের ঘাটই বলে টের ঘট
- 30:50আচ্ছা তটের ঘাট থেকে পুরো পার হয়ে ওইদিকে
- 30:52চলে যায় পুরো পার হয়ে ভ্যান ধরে বা যেকোনো
- 30:55ধরে আচ্ছা আচ্ছা যান বানান ধরে চলে যায় আর
- 30:57যেই জায়গাটা পার্ক টাইপের হয়েছে সেটা
- 30:58কোথায়
- 31:00এদিকে হুম আচ্ছা আর এই যে জালটা দিয়ে
- 31:02রেখেছেন কি মাছ ধরার জাল মানে যখন জোয়ার
- 31:05আসবে তখন এদিকে মাছ চলে আসবে আর যখন ভাটা
- 31:07হবে ভাটা হবে জল চলে যাবে কিন্তু মাছ আটকা
- 31:10পড়বে তাইতো হচ্ছে জোয়ার এখন হচ্ছে আচ্ছা
- 31:13আচ্ছা আমি জুম করে দেখাচ্ছি জালটা পুরো
- 31:15এরকম জাল আন্দামান হান্টারস এর ভিডিও
- 31:18গুলোতে আবার এরকম জাল দেখা যায় মানে
- 31:20জোয়ার আসলে এপাশে আর জল আসবে মাছ এদিকে
- 31:22আটকা পড়ে যাবে আবার ওদিকে চলে যাবে অনেক
- 31:25রকম জাল আচ্ছা আচ্ছা এই জালটার নাম কি জাল
- 31:29এমনি জাল আর এমনি হয় খ্যাপলা জাল ছিটকি
- 31:31জাল এরকম অনেক অনেক আচ্ছা আচ্ছা একটু কথা
- 31:35বলবি আয় তাহলে আমরা সামনের দিকে এগোই না
- 31:38তুমি কথা বলে নাও আমি
- 31:41এগোচ্ছি তো আমরা সামনের দিকে এগোই দারুন
- 31:45ভিউ দারুন দারুন ভিউ মানে খুব সুন্দর
- 31:47জায়গা আর এত সুন্দর লাগছে এখানে এসে সে
- 31:51বলার মতো না মোটামুটি কলকাতা থেকে একদিনের
- 31:54জন্য বা দুদিনের জন্য ঘোড়ার বেস্ট জায়গা
- 31:56হবে এটা মোটামুটি ভোরবেলা বের হলে এখানে
- 31:58পৌঁছে যাবেন ওই দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে আর
- 32:01মানে সব মিলে আর কি সামনের ওই নৌকোর
- 32:05সময়ের পার্থক্য এইদিক ওইদিক মিলে সব মিলে
- 32:08মোটামুটি যদি ভোরবেলা বেরন তাহলে এখানে
- 32:12দশটা সাড়ে দশটার মধ্যে পৌঁছে যাবেন আর
- 32:15তারপরে এই অংশটা পুরো সারাদিন ধরে ঘুরবেন
- 32:18ঘুরে গোবিন্দপুর গোবিন্দপুর বলছি
- 32:20ব্রজবল্লপুর থাকতে পারবেন থেকে আবার পরের
- 32:22দিন ঘুরে চলে যেতে পারবেন বা নিউ বকলে চলে
- 32:24যেতে
- 32:27পারেন তো এইখানে মাছের গন্ধ
- 32:36পাচ্ছি আচ্ছা মাছের যারা মাছ ধরতে যায়
- 32:38তাদের জাল ঠাল সব এখানে রাখা একটা ছোট্ট
- 32:41ঘর মতো করে বা চালা মতো করে এখানে রাখা
- 32:44রয়েছে এই অংশটাই হচ্ছে মাছ ধরতে যায় এই
- 32:47অংশটায় মাছ ধরতে এখান থেকেই যায় আবার
- 32:50এখানেই আসে ওর জন্য এখানেই সমস্ত রকম জাল
- 32:53রয়েছে যে জালগুলো থাকার কথা আর এই যে
- 32:56জালগুলো ঢাকা রয়েছে এখানে মাছের গন্ধও
- 32:58বের হচ্ছে
- 33:04খুব সুন্দর দৃশ্য লাগছে
- 33:08এখানে তো ভাটার জন্য এখন আমি এখান থেকে
- 33:10হাঁটতে পারছি জোয়ার হলে হাঁটতে পারবো না
- 33:12জোয়ার হলে এই অংশটুকু জলে ডুবে থাকবে আর
- 33:14ভাটার জন্যে সুন্দরবনের আসল যে সৌন্দর্য
- 33:18সুন্দরী গাছ এবং তার শ্বাসমূল সেটা দেখাতে
- 33:21পারছি তো দারুন লাগছে এখানে বিশাল পিছল পা
- 33:25দুবার পিছল খেয়েছে আরেকটু গেলে পড়ে যাব
- 33:27কারণ এখানে যে কাঁদা রয়েছে পুরোটা পেরে
- 33:29কাদা উঠে আসে তো আরেকটু গেলে ওদিকে পড়ে
- 33:31যাব আমি দূর থেকে দেখানোর চেষ্টা করছি কত
- 33:34শ্বাসমূলের যে বিশেষত্বগুলো এবং কাছ থেকে
- 33:36শ্বাসমূল এবং সুন্দরী
- 33:51গাছ তো এই যে শ্বাসবুলগুলো দেখা যাচ্ছে এই
- 33:54ব্লু বিচ অফ বেঙ্গলের এপাশে ভাটার জন্য
- 33:57এখন পুরোটা জেগে উঠেছে জোয়ার হলে এগুলো
- 33:59জলের নিচে থাকতো তো শ্বাসমূলটা আমি জুম
- 34:01করে দেখাচ্ছি আমরা অনেক ভিডিও দেখি যারা
- 34:04মাছ ধরতে যায় তারা এই শ্বাসমূলের উপর
- 34:06দিয়ে মানে খালি পায়ে হেঁটে চলে যায় তো
- 34:09একটা জিনিস ভয় লাগে যে এই শ্বাসমূল পায়ে
- 34:11ফোটে কিনা এই ভয়টা লাগে কিন্তু মানে এটা
- 34:13মনে হয় তবে এখন আমি শ্বাসমূল ওখান থেকে
- 34:16চারটে তুলে এনেছি মানে কোন মতে গিয়ে এই
- 34:19চারটে তুলে এনেছি তো এই চারটে তুলে এনে
- 34:22দেখছি এর মাথাটা অনেকটাই নরম এই যে এই
- 34:27দুটো ভাঙ্গা হয়ে গেছে এই যে এর মাথাটা
- 34:29অনেকটাই নরম যদি পা দেয় এরকম ভাবে ভেঙে
- 34:31যাবে বা পা দিলে এরকম ভাবে বেঁকে যাবে
- 34:33পায়ে কোনদিন ফুটবে না তো দেখে ভয় লাগে
- 34:37যে এরকম এতটা মোটা এবং ছুঁচল হয়ে উঁচু
- 34:40হয়ে রয়েছে পায়ে ফুটে যেতে পারে কিন্তু
- 34:42শ্বাসমূল নরম হয় পায়ে ফোটে না এই তার
- 34:48প্রমাণ তো এখানকার ইটগুলোর উপর দিকটা পুরো
- 34:51খয়ে গেছে জোয়ার ভাটার জল এত ওঠানামা করে
- 34:54এখানে আর নোনা জল নোনা জলের কারণে পুরো
- 34:56উপরটা খোঁয় গেছে আর ওইদিকে শাওলা পড়ে
- 34:58গেছে পেরি কাঁদা সাদা ওই পর্যন্ত রয়েছে
- 35:01আর জোয়ারের জল আসলে এই পর্যন্ত উঠে যায়
- 35:03তো এখানে অনেকে পিকনিক টিকনিক করতেও আসে
- 35:06দারুন জায়গা খুব সুন্দর জায়গা মনোরম
- 35:09পরিবেশ আরেকটু এগিয়ে পুরোপুরি সমুদ্র
- 35:11সৈকতের সামনের দিকে
- 35:14যাব না এখন যেমন ফাঁকা দেখছি এমনি অন্য
- 35:16সময় লোক পাবো আমরা হ্যাঁ হ্যাঁ আপনি ওই
- 35:19ডিসেম্বর মাস থেকে আসতে পারবেন হ্যাঁ
- 35:21ডিসেম্বর 25শে ডিসেম্বর 25শে ডিসেম্বর আরো
- 35:24স্পেশাল দিন স্পেশাল দিন হ্যাঁ হ্যাঁ
- 35:26প্রচুর লোক থাকে তাও কত লোক থাকে আপনি
- 35:29হাজার দুই এক লোক পাবেন হাজার দুই এক লোক
- 35:31সব কি আশেপাশে না কলকাতা থেকেও আসে হ্যাঁ
- 35:33বাইর থেকে লোক আসে সব বাইরে থেকে আসে ওইটা
- 35:35ডিসেম্বরে আমাদের এখানে খ্রিস্টান চার্জ
- 35:37আছে হ্যাঁ এখানে ওদের অনুষ্ঠান হয় আচ্ছা
- 35:40আচ্ছা হ্যাঁ ওই সমস্ত কলকাতার লোকেরাই আছে
- 35:42আচ্ছা সম্পূর্ণ একটা নির্জন জায়গা একটা বড়
- 35:45গাছে আছে বড় গাছে বড় গাছে বড় গাছে কি আছে
- 35:48ও আচ্ছা বড় গাছে বসে আছে আচ্ছা আচ্ছা
- 35:51আচ্ছা তুমি কোন ক্লাসে পড়ো বাবা পড়ো
- 35:53স্কুলে কেজি ওয়ান আচ্ছা আচ্ছা আরেকটা যে
- 35:56কথা যেটা বলবো সেটা ডিসেম্বর মাসে আর মাসে
- 36:00বেশি আসে বলে হ্যাঁ হ্যাঁ আর এইখানে এসে
- 36:02তো থাকে না নিশ্চয়ই না থাকে না ওই সমস্ত
- 36:05আত্মীয় বাড়ি আসে ঐরকম আর কি আর এমনি
- 36:08ব্রজবল্লপুরে থাকা যায় শুনলাম
- 36:09প্রজাল্লপুরে থাকা যায় পাথর থাকা যায়
- 36:11পাথর এখান থেকে এক ঘন্টা রাস্তা এক ঘন্টার
- 36:13রাস্তা এক ঘন্টা রাস্তা ওখানে আর
- 36:14ব্রজপল্লপুর এখান থেকে মোটামুটি 10 থেকে
- 36:1615 মিটার রাস্তা হ্যাঁ 15 মিনিট রাস্তা
- 36:18মানে মোটামুটি এখানে আসতে গেলে এখানে পুরো
- 36:20একটা অফবিট জায়গা হ্যাঁ আচ্ছা আপনারা তো
- 36:23এই স্থানেরই মানুষ এত লোক এখানে আসছেন তা
- 36:26আপনারা সরকারের কাছে দাবি করছেন না এখানে
- 36:28একটা পর্যটন স্থান গড়ে উঠে
- 36:30একান্ত ইচ্ছা কিন্তু কি করে উপায় হবে তা
- 36:33জানিনা যদি সহযোগিতা করে সরকার অবশ্যই হবে
- 36:36হ্যাঁ অবশ্যই হবে কারণ আপনার এখানে যদি
- 36:38পর্যটন স্থান গড়ে ওঠে তাহলে পর্যটন
- 36:40শিল্পটা হবে অবশ্যই এবং আপনাদের এই
- 36:43গ্রামের মানুষের কর্মসংস্থান হবে হ্যাঁ
- 36:45হ্যাঁ দুটো কয়েকটা দোকান দিতে পারবে
- 36:46উপার্জনও ভালো হবে তাদের আর্থিক অবস্থাটা
- 36:49সচ্ছল হবে অবশ্যই এটাই আর কি হুম হুম হুম
- 36:52তো ঠিক
- 36:54আছে তো আমরা সামনের দিকে এগোই দারুন
- 36:57সুন্দর জায়গাটা অসাধারণ সুন্দর
- 37:00মানে খুব সুন্দর এখানকার যে সমুদ্র
- 37:02সমুদ্রের যে জলটা এদিকে দ্বীপ ওইদিকে
- 37:05দ্বীপ মাঝখান থেকে এখানে সমুদ্র সরু অংশটা
- 37:07বেরিয়ে গেছে মানে সমুদ্রের এই সরু অংশটা
- 37:09এখানটায় রয়েছে বাদবাকি এই দুটো দ্বীপ
- 37:11ক্রস করলে ওপাশে গেলে সমুদ্র আরো বেশি
- 37:14চওড়া এইখানকার জল অনেক স্বচ্ছ অনেক নীল
- 37:18পুরোপুরি ওসিয়ান ব্লু টাইপের আর কি এখন
- 37:20শীতকালের আকাশ শীতকালের আকাশ বলে আকাশটা
- 37:23নীল নয় আকাশ নীল হলে কি হয় আকাশের ছায়া
- 37:27জলে পড়ে জল আরো বেশি নীল দেখায় তবুও
- 37:30এখানকার জল ভালোই নীল দেখাচ্ছে আমি
- 37:32দেখানোর চেষ্টা
- 37:42করছি দারুন দারুন দারুন সুন্দর লাগছে
- 37:45এখানে একটা পাখি
- 37:49উঠছে ওহ পাখিটা উঠছে উঠতে উঠতে জলে ঝুপ
- 37:52করে পড়ছে আবার উড়ে যাচ্ছে এটা হচ্ছে
- 37:54পানকৌড়ি পাখি
- 38:02খুব সুন্দর দারুণ সুন্দর জায়গা যদি
- 38:04আপনারা আসেন একদিনের জন্য আসতেই পারেন এসে
- 38:07ঘুরে যেতে পারেন এত সুন্দর জায়গা থেকে বা
- 38:11বাংলার বা পশ্চিমবঙ্গের বা বাংলার একমাত্র
- 38:13নীল সমুদ্র সৈকত বা যাকে বলা হয় ব্লুবিচ
- 38:16অফ বেঙ্গল অনেকে আবার অতিরঞ্জিত করে বলেও
- 38:19থাকেন যে এটা বাংলার লাক্ষাদ্বীপ তবে
- 38:21লাক্ষাদ্বীপ অন্যরকম এটা একটু অন্যরকম
- 38:22অনেকটাই আলাদা তবে বলা যেতে পারে নীল
- 38:26সৈকত আর এই পাশে নৌকাগুলো দাঁড়িয়ে
- 38:29রয়েছে সিনারি গুলো দারুন
- 38:32লাগছে তো ব্লু বিচ অফ বেঙ্গল বা নীল
- 38:35সৈকতের সাগর এটা এইদিকে যেই আইল্যান্ডটা
- 38:38দেখা যাচ্ছে ওটা হচ্ছে লোথিয়াল আইল্যান্ড
- 38:39লোথিয়াল দ্বীপ আর এইদিকে জি প্লটের একটা
- 38:42অংশ জি প্লটে আমরা আগে গেছি আগে গিয়ে জি
- 38:44প্লটের একদম শেষ অংশটা দেখিয়েছি ওই
- 38:47জায়গাটা রয়েছে আরেকটা সমুদ্রত শেষ
- 38:50সমুদ্রত সেটাও দেখিয়েছি তো ওই যে জিপ লট
- 38:54আর এই লোথিয়াল আইল্যান্ড এই দুটোর
- 38:56মাঝখানে যে অংশটা সাগরের সংকীর্ণ অংশ
- 38:58এখানে এসে এটাই হচ্ছে ব্লুবিচ অফ
- 39:01বেঙ্গল বা নীল সমুদ্র
- 39:06[মিউজিক]
- 39:17সৈকত তো এখানে হচ্ছে মাছ ছাড়ানোর জায়গা
- 39:21মাছ আলাদা করার জায়গা তাইতো ঠাকুমা এটা
- 39:24কি মাছ আলাদা করার জায়গা মাছ ওটা মাছ
- 39:28করতে ভুরি হয়
- 39:30একটা ভুলি মেলা না হয় আচ্ছা ভুলি ভুলিয়ে
- 39:35শরীরে এখন হয়নি এখন ইয়ে আইছে ওই আমেদি
- 39:39আচ্ছা আমদি মাছ হ্যাঁ আমেদি ওই যে আমাদের
- 39:42দাড়ি ছিল না ওই আমেদি মাছ ছাড়িবো বলে
- 39:45আচ্ছা আর এই অংশটায় বাঁধ ভেঙে গেছে বাঁধ
- 39:49ভেঙে যায় বাঁধ ভেঙে যাওয়ার জন্য এই অংশটায়
- 39:52এরকম ভাবে শালঠের খুঁটি ঢাকনা দেওয়া হয়েছে
- 39:54দারুন দৃশ্য অসাধারণ সুন্দর লাগছে দেখা
- 39:58যায় এই যে ছিল আজকের ভিডিও ব্লুবিচ অফ
- 40:01বেঙ্গল বা বাংলার নীল সমুদ্র সৈকত কিভাবে
- 40:03আসবেন কলকাতা থেকে কত কম সহজে কম খরচে এবং
- 40:07সহজ পথে পুরোটাই আছে এই ভিডিওর মধ্যে তার
- 40:10সাথে রয়েছে এই ব্লুবিস্ট অফ বেঙ্গল বা এই
- 40:12গোবিন্দপুর আবাদ তট এই তটের মানুষের
- 40:15কিছুটা জনজীবনের চিত্র কেমন লাগলো ভিডিওটা
- 40:18অবশ্যই কমেন্ট করে জানাবেন আর ভিডিওটা
- 40:20ভালো লাগলে লাইক এবং শেয়ার করবেন শেয়ার
- 40:22করবেন যাতে আরো অনেক মানুষ দেখতে পারে তো
- 40:25দেখা হচ্ছে পরবর্তী একটা নতুন ভিডিওতে
- 40:27ততদিন ভালো থাকবেন টাটা
About this transcript
This page contains the full transcript of কোলকাতা থেকে মাত্র ৩ ঘন্টায় বাংলার নীল সৈকত || Blue Beach of Bengal by Travel with Rajesh, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 5,622 words across 837 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.
What you can do with it
Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.
Free YouTube transcript tool
YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.