এক ক্লাসেই 'সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্স' এর BASIC, CQ, MCQ 100% শেষ || Apurbo Opu || HSC 2026 — Transcript
Full transcript
- 0:04ডিয়ার স্টুডেন্ট সবাইকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি
- 0:06সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেকট্রনিক্স চ্যাপ্টারের
- 0:08ওয়ান শর্ট ক্লাসে। আশা করি সবাই ভালো আছো,
- 0:10সবাই সুস্থ আছো এবং সবাই আমাদের আপলোড
- 0:13দেওয়া যে ওয়ান শর্ট ক্লাসগুলা এগুলা
- 0:15রেগুলার করতেছো। তোমার বোর্ড পরীক্ষাটা
- 0:18খুব ভালোভাবে যদি তুমি স্মুথলি পার করে
- 0:20আসতে চাও তাহলে রিভিশন দেওয়াটা কিন্তু
- 0:23খুবই জরুরি। তো রিভিশন দেওয়ার জন্য ওয়ান
- 0:25শর্ট ক্লাসগুলা অনেক উপকারী। এই ওয়ান শর্ট
- 0:28ক্লাসগুলো তোমাকে অনেক এডভান্টেজ দিবে বা
- 0:31কারো যদি আগে ক্লাস করা নাও থাকে তাও তুমি
- 0:34ওয়ান শর্ট ক্লাসগুলো করলে এটলিস্ট তোমার
- 0:36এই অধ্যায়ের উপরে বোর্ড পরীক্ষার জন্য
- 0:38যতটুকু দখল দরকার ততটুকু দখল কিন্তু চলে
- 0:41আসবে। তো আশা করব তোমরা ক্লাসগুলো ঠিকঠাক
- 0:43ভাবে করতেছো এবং তোমরা একটু জানাইও যে
- 0:46ক্লাসগুলো করার পরে তোমরা নিজেরা নিজে
- 0:48থেকে বোর্ড কোশ্চেনগুলা নিজেরা সলভ করতে
- 0:51পারতেছো কিনা। আশা করি সলভ করতে পারবা।
- 0:54আমরা চেষ্টা করতেছি ক্লাসে যতটা বেশি
- 0:57সংখ্যক বোর্ড কোশ্চেন সলভ করানো যায় যাতে
- 1:00হুবহু কমন পড়বে এমনটা আশা আমরাও করি না
- 1:02তুমিও করো না যাতে তুমি কোশ্চেনগুলো সলভ
- 1:05করার পরে কোশ্চেনের ধাসটা বুঝতে পারো
- 1:08প্যাটার্নটা বুঝতে পারো এবং পরীক্ষার হলে
- 1:10প্যাটার্নটা ধরে প্রবলেমটা সলভ যাতে করতে
- 1:13পারো একেবারে এই বোর্ড কোশ্চেনগুলো
- 1:16এনালাইসিস না করে বা বোর্ড কোশ্চেনগুলো
- 1:18একটু প্র্যাকটিস না করে তুমি পরীক্ষার হলে
- 1:20গেলে কিন্তু একটু থতমত খেয়ে যাবা তো এই
- 1:23কারণে ওয়ান শর্ট ক্লাসগুলোতে যে
- 1:25প্রবলেমগুলো সলভ করানো হচ্ছে পাশাপাশি আরো
- 1:27দুই একটা প্রবলেম একটু নিজে থেকে একটু সলভ
- 1:29করো। প্রাকটিস এর উপরে কিছু নাই। তোমার
- 1:32ভালো প্র্যাকটিস করা থাকলে তোমার পরীক্ষার
- 1:34হলে দেখবা কলম এমনিতেই চলবে। কলম থেমে
- 1:36থাকবে না। তো চল আমরা শুরু করি। আজকে আমরা
- 1:39সেমিকন্ডাক্টর ইলেকট্রনিক্স এই
- 1:41চ্যাপ্টারটা একেবারে খুঁটিনাটি যা কিছু
- 1:43আছে বোর্ড পরীক্ষার জন্য যা দরকার হয়।
- 1:45প্রথমে আমরা কনসেপ্ট দেখব। কনসেপ্টটা ভালো
- 1:47করে বুঝবো। এই অধ্যায় থেকে কিন্তু খুব
- 1:49সুন্দর সুন্দর এমসিকিউ প্রবলেম আসে। তো
- 1:51এটা একটু বইয়ের ভেতরে বোঝা না থাকলে বা
- 1:53পড়া না থাকলে প্রবলেমগুলা কিন্তু সলভ করা
- 1:56যায় না এমসিকিউ প্রবলেম গুলা আমরা
- 1:58কনসেপ্টটা একটু ভালো করে দেখব সূত্রগুলা
- 2:00ভালো করে এনালাইসিস করব সূত্রগুলা কিভাবে
- 2:02খাটাতে হয় এটা জানবো দেন আমরা বোর্ড
- 2:05কোশ্চেন সিকিউ কোশ্চেন এমসিকিউ কোশ্চেন
- 2:07আমরা সলভ করব তো আশা করি এই ক্লাসটা করার
- 2:10পরে তোমার যদি এই অধ্যায়টা পড়া নাও থাকে
- 2:12আগে একেবারে পড়া নেই তাও তুমি মনে করতে
- 2:16পারো যে তোমার এই অধ্যায়ের উপর একটা ভালো
- 2:17দখল চলে আসবে এইটুকু তুমি ভরসা আমাদের
- 2:19উপরে রাখতে পারো তো চলো আর আমরা কথা না
- 2:22বাড়িয়ে শুরু করে দিই। এই অধ্যায়ের হাতে
- 2:24গোনা কয়েকটি টপিক আছে। তো সবচেয়ে বেশি
- 2:27যে টপিকটা গুরুত্বপূর্ণ সেটা হচ্ছে
- 2:29ট্রান্জিস্টর। এই টপিকটা থেকে সবচেয়ে
- 2:31বেশি কোশ্চেন আছে। তুমি যদি মনে করো যে
- 2:34অধ্যায়টা একেবারে স্কিপ করে যাবা। তো আমি
- 2:36এটলিস্ট তোমাকে বলব যে তুমি যদি মনেই করে
- 2:39নাও ধরেই নাও আমি অধ্যায়টা পড়বই না। তো
- 2:42যখন তুমি এইটা করবা এই অপশনটা সিলেক্ট
- 2:44করবা। তখন আমি তোমাকে বলব এটলিস্ট এই
- 2:47অধ্যায়ের যে ট্রানজিস্টর টপিকটা আছে এই
- 2:50ট্রান্জিস্টর টপিকটা তুমি দেখে যাও কয়েকটা
- 2:53প্রবলেম সলভ করে যাও তাহলে তোমার বলা যায়
- 2:56যে এই এই অধ্যায়ের কোন সিকিউ কোশ্চেন আসলে
- 3:00তুমি ইজিলি আন্সার করতে পারবা তোমার যদি
- 3:03আমি তোমাকে যদি বলি যে তোমার ফিজিক্সে
- 3:06যতগুলো চ্যাপ্টার আছে এই চ্যাপ্টারগুলোর
- 3:08মধ্যে তুমি আমাকে এমন একটা চ্যাপ্টার বল
- 3:11যে চ্যাপ্টার থেকে প্রশ্ন আসার সমূহ
- 3:13সম্ভাবনা আছে এবং যে চ্যাপ্টার থেকে অনেক
- 3:16কম পড়াশোনা করে গেলেই প্রশ্ন কমন পাওয়া
- 3:18যাবে। তাহলে আমি তোমাকে এই চ্যাপ্টারটার
- 3:20নামই বলব। দেখো আমাদের অনেক চ্যাপ্টার আছে
- 3:24ইম্পর্টেন্ট। যেমন ভেক্টর ইম্পর্টেন্ট
- 3:26স্ত্রী তড়িৎ, চলতড়িৎ, নিউটনিয়ন
- 3:28বলবিদ্যা ইম্পর্টেন্ট। তো এই সকল অধ্যায়ে
- 3:30অনেক টপিক আছে না? অনেক টপিক আছে। কোন
- 3:33টপিক থেকে প্রশ্ন আসবে তুমি বলতে পারো না।
- 3:35বাট আমি বলতে পারি যে এই অধ্যায়ের
- 3:38ট্রান্জিস্টর এই টপিক থেকেই প্রশ্ন আসার
- 3:41চান্স হচ্ছে 95%।
- 3:43এই অধ্যায় থেকে কোশ্চেন আসলেই দেখবা যে
- 3:45ট্রান্জিস্টর থেকেই কোশ্চেন চলে আসছে। তো
- 3:47কোনভাবেই ট্রান্জিস্টর এই টপিকটা মিস করে
- 3:50যাওয়া যাবে না। তো চল আমরা শুরু করি। ছোট
- 3:53একটা অধ্যায়। আশা করতেছি খুবই কম সময়ের
- 3:56মধ্যে আমরা এটা শেষ করে ফেলতে পারব। ঠিক
- 3:58আছে? তো চল আমরা একটু প্রথমে বোর্ড
- 4:02কোশ্চেনগুলো একটু এনালাইসিস করে দেখি।
- 4:04যে কোন টপিক থেকে বেশি কোশ্চেন আসছে।
- 4:07অর্ধপরিবাহী বা ডায়োড এটা থেকে হ্যাঁ কিছু
- 4:10কিছু কোশ্চেন আসছে। কিন্তু দেখো যেটা
- 4:12বলতেছিলাম ট্রান্জিস্টর এটা থেকে সবচেয়ে
- 4:15বেশি কোশ্চেন আসছে। ম্যাক্সিমাম কোশ্চেন
- 4:17এখান থেকে আসছে। এবং সবই কিন্তু একই ধাচের
- 4:20কোশ্চেন। যতগুলো কোশ্চেন এখান থেকে আসছে
- 4:22দেখবা সবগুলো ঘুরে ফিরে একই রকম। সংখ্যা
- 4:25পদ্ধতি থেকে জাস্ট কুমিল্লা বোর্ডে একবার
- 4:27আসছে। এটা খুবই কম গুরুত্বপূর্ণ। বাট এই
- 4:29জিনিসগুলো তোমরা পারো। এগুলো আইসিটিতে
- 4:31পড়ছো। আর বুলিয়ান অ্যালজেব্রা এবং লজিক
- 4:33গেট এটা থেকে কিছু কিছু কোশ্চেন আসছে বাট
- 4:36এটা তোমরা আইসিটিতে পড়ছো এগুলার উপরে আমরা
- 4:38একটু কম গুরুত্ব দিব কারণ এগুলা তোমরা
- 4:40পারো ভাই এগুললা তোমরা পারো আইসিটিতে
- 4:43এটলিস্ট সংখ্যা পদ্ধতি আর লজিক গেট এটা
- 4:46মোটামুটি সবাই পারে ঝামেলা লাগে কোথায়
- 4:48ট্রান্জিস্টর ডায়োড এগুলা নিয়ে ঝামেলা
- 4:51লাগে তোচল ভয় পাওয়ার কিছু নাই আসো আমরা
- 4:53শুরু করি তড়িৎ পরিবহনের উপর ভিত্তি করে
- 4:57আমরা পরিবাহীকে বা পদার্থকে তিন ভাগে ভাগ
- 4:59করতে পারি কি কি সুপরিবাহী বা কন্ডাক্টর।
- 5:03সুপরিবাহী বা কন্ডাক্টর খুব ভালো তড়িৎ
- 5:05পরিবহন করে। অর্ধপরিবাহী বা
- 5:08সেমিকন্ডাক্টর। যার তড়িৎ পরিবহন ক্ষমতা
- 5:11সুপরিবাহীর তুলনায় কম। কিন্তু কুপরিবাহীর
- 5:14তুলনায় আবার বেশি। কুপরিবাহী কি তাহলে?
- 5:17কুপরিবাহী বা ইনসুলেটর হচ্ছে একেবারেই
- 5:19তড়িৎ পরিবহন করে না। আচ্ছা তড়িৎ
- 5:22পরিবহনের জন্য কি লাগে? তড়িৎ পরিবহনের
- 5:26জন্য চার্জ ক্যারিয়ার লাগে। অনেকে বলতে
- 5:28ভাই তড়িৎ পরিবহনের জন্য ফ্রি ইলেকট্রন
- 5:30লাগে। কথা সত্য। কিন্তু চার্জ ক্যারিয়ার
- 5:33শুধুমাত্র কিন্তু ফ্রি ইলেকট্রন না। চার্জ
- 5:35ক্যারিয়ার দুই ধরনের হয়। তুমি চলতড়িত
- 5:38অধ্যায়ে চার্জ ক্যারিয়ার শুধুমাত্র
- 5:40ইলেকট্রনের নামটাই শুনে আসছো। বাট
- 5:42ইলেকট্রন এবং হোল দুইটা চার্জ ক্যারিয়ার
- 5:46থাকে। ইলেকট্রন হচ্ছে নেগেটিভ টাইপ চার্জ
- 5:48ক্যারিয়ার। আর হোল হচ্ছে ধনাত্মক বা
- 5:51পজিটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার। হোলকে
- 5:53কিন্তু প্রোটন ভাবা যাবে না। হোল কিন্তু
- 5:56অন্য জিনিস। আমরা দেখব ধাপে ধাপে দেখব
- 5:58তাহলে কয় ধরনের চার্জ ক্যারিয়ার বল দুই
- 6:01ধরনের নেগেটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার
- 6:03ইলেকট্রন পজিটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার
- 6:04হচ্ছে হোল তো কোন পরিবাহী যদি তড়িৎ পরিবহন
- 6:08করতে চায় তাহলে তার চার্জ ক্যারিয়ার থাকতে
- 6:11হবে তো ইনসুলেটর মানে কুপরিবাহী এর কোন
- 6:15ধরনের কোন চার্জ ক্যারিয়ার নেই এর কোন
- 6:20চার্জ ক্যারিয়ার চার্জ ক্যারিয়ারের বাংলা
- 6:22হচ্ছে আধানবাহক এর কোন ধরনের কোন চার্জ
- 6:25ক্যারিয়ার নেই উদাহরণ কি? উদাহরণ হচ্ছে
- 6:29কাঠ। উদাহরণ হচ্ছে কাগজ। এগুললা তড়িৎ
- 6:33পরিবহন করে না। কোন চার্জ ক্যারিয়ার নেই।
- 6:35এটা হচ্ছে কুপরিবাহী। সুপরিবাহী এটা খুব
- 6:38ভালো তড়িৎ পরিবহন করে। যেমন কপার তার
- 6:42ধাতব তার। তোযে কপারের খন্ড। ধর এই হচ্ছে
- 6:45একটা কপার খন্ড। এই কপার খন্ডে প্রচুর
- 6:48পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন আছে। প্রচুর
- 6:50পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন আছে। এই ফ্রি
- 6:53ইলেকট্রন হচ্ছে নেগেটিভ টাইপ চার্জ
- 6:54ক্যারিয়ার। তার মানে কি? চার্জ
- 6:56ক্যারিয়ার আছে। তাহলে এর প্রচুর পরিমাণ
- 7:01প্রচুর পরিমাণ আদানবাহক
- 7:04বা চার্জ ক্যারিয়ার আছে।
- 7:08আদানবাহক বা চার্জ ক্যারিয়ার আছে। এ
- 7:11কারণে এ খুব ভালো তড়িৎ পরিবহন করে।
- 7:14সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী।
- 7:17এর কোন ধরনের কোন চার্জ ক্যারিয়ার নেই।
- 7:20তাই কি? না চার্জ ক্যারিয়ার আছে না হলে
- 7:23অর্ধপরিবাহী কেমনে হইলো কুপরিবাহীর কোন
- 7:26ধরনের কোন চার্জ ক্যারিয়ার নেই
- 7:28সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী এর দুই
- 7:30ধরনের চার্জ ক্যারিয়ারে আছে ইলেকট্রনও
- 7:33আছে হোল বা ভ্যাককেন্ট এটাও আছে দুই ধরনের
- 7:36চার্জ ক্যারিয়ার আছে কিন্তু কথা হচ্ছে
- 7:38দুই ধরনের চার্জ ক্যারিয়ার আছে তাহলে সে
- 7:41কেন অর্ধপরিবাহী হল সুপরিবাহীতে যেমন কপার
- 7:44তারে প্রচুর পরিমাণে চার্জ ক্যারিয়ার
- 7:46থাকে আধানবাহক থাকে ফ্রি ইলেকট্রন থাকে
- 7:48বাট সেমিকন্ডাক্টর বাঅ অর্ধপরিবাহিতে
- 7:51প্রচুর পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন থাকে না।
- 7:53ইভেন কক্ষ তাপমাত্রার নিচে কোন চার্জ
- 7:56ক্যার থাকেই না। অর্থাৎ কক্ষ তাপমাত্রার
- 7:59নিচে সেমিকন্ডাক্টর বা অর্ধপরিবাহী
- 8:01কুপরিবাহী বা ইনসুলেটের মত আচরণ করে।
- 8:03তড়িৎ কোন তড়িৎ পরিবহন করেই না। কেন?
- 8:06কারণ কক্ষ তাপমাত্রার নিচে কোন ধরনের কোন
- 8:07চার্জ ক্যারিয়ার থাকে না। আচ্ছা তুমি
- 8:09আমাকে বলতো অর্ধপরিবাহী নাম বলতো।
- 8:12অর্ধপরিবাহী হচ্ছে সিলিকন। তারপর
- 8:14জার্মেনিয়াম কার্বন এগুলো কিন্তু
- 8:16অর্ধপরিবাহী। তো সিলিকনের যে বন্ড
- 8:18স্ট্রাকচার সিলিকনের বন্ড স্ট্রাকচারটা
- 8:20কেমন বলতো? সিলিকনের সাথে সিলিকনের যে
- 8:23বন্ড এই বন্ড স্ট্রাকচার হচ্ছে সমযোজী
- 8:26চতুস্থলকীয় বন্ড স্ট্রাকচার। তো একটা
- 8:29সিলিকন সে কি করে? তার চারপাশে আরো চারটা
- 8:31সিলিকনের সাথে এই যে ইলেকট্রন শেয়ার করে
- 8:34অষ্টক পূর্ণ করে। বন্ধন গঠন করে। তড়িৎ
- 8:37পরিবহনের জন্য ইলেকট্রন লাগবে না। কিন্তু
- 8:40তড়িৎ পরিবহনের জন্য ফ্রি ইলেকট্রন চার্জ
- 8:42ক্যারিয়ার লাগবে। চার্জ ক্যারিয়ারকে মুভ
- 8:45করতে পারতে হবে। দৌড়াদৌড়ি করতে পারতে
- 8:47হবে। এখানে যে ইলেকট্রন আছে না ইলেকট্রন
- 8:49আছে কিন্তু এগুলা ফ্রি ইলেকট্রন নয়। এগুলা
- 8:53ফ্রি ইলেকট্রন নয়। এগুলা বন্ধনজোড়
- 8:55ইলেকট্রন। বন্ধনে আবদ্ধ ইলেকট্রন। এগুলা
- 8:58ফ্রি না। তড়িৎ পরিবহনের জন্য ফ্রি
- 9:01ইলেকট্রনটা দরকার। তাহলে এর কি চার্জ
- 9:04ক্যারিয়ার আছে? উত্তর হচ্ছে নাই। বিশুদ্ধ
- 9:07অবস্থায় এবং কক্ষ তাপমাত্রার নিচে এর কোন
- 9:10চার্জ ক্যারিয়ার নেই। কিন্তু তুমি যদি এর
- 9:12একটু হিট দাও কক্ষ তাপমাত্রার উপরে নিয়ে
- 9:14যাও তাহলে কি হবে? এই যে বন্ধন না সমযোজী
- 9:16বন্ধন এই বন্ধনটা ভাঙবে ভেঙে এখান থেকে
- 9:18একটা ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে চলে আসবে এই যে
- 9:21তো যখন বন্ধন ভেঙে যাবে তখন এই যে
- 9:23ইলেকট্রন চলে আসবে এই ইলেকট্রন তখন ফ্রি
- 9:25ইলেকট্রন এই ইলেকট্রন তখন চার্জ
- 9:27ক্যারিয়ার হিসেবে কাজ করবে তাহলে দেখো
- 9:30সুপরিবাহিতে প্রচুর পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন
- 9:32বা চার্জ ক্যারিয়ার ছিল কিন্তু
- 9:32অর্ধপরিবাহিতে তা নাই চার্জ ক্যারিয়ার
- 9:35আছে কক্ষ তাপমাত্রার উপরে খুব সামান্য
- 9:36পরিমাণ চার্জ ক্যারিয়ার আছে খুব সামান্য
- 9:39চার্জ ক্যারিয়ার খুব সামান্য
- 9:44চার্জ
- 9:47ক্যারিয়ার বা আদানবাহক আছে। এই কারণে সে
- 9:49তড়িৎ পরিবহন করে কিন্তু সুপরিবাহীর মত অত
- 9:52ভালো করে না। এই কারণে তার নাম হচ্ছে
- 9:54অর্ধপরিবাহী। তাহলে বুঝলাম আমাদের এই
- 9:56অধ্যায়ের আলোচনা অর্ধপরিবাহী নিয়ে।
- 9:58সুপরিবাহীর মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহ নিয়ে
- 10:00আলোচনা করছি আমরা চলতরিতে। এখানে আমাদের
- 10:02মেইন আলোচনা অর্ধপরিবাহী দিয়ে। কিভাবে
- 10:05আমরা অর্ধপরিবাহীর মাধ্যমে তড়িৎ পরিবহন
- 10:08পেতে পারি। এটা নিয়ে আমাদের আলোচনা। তো
- 10:10তোমাকে আমি একটু ছোট্ট করে বলি। আধান এবং
- 10:12আধান বাহুকের মধ্যে পার্থক্য আছে। চার্জ
- 10:15এবং চার্জ ক্যারিয়ার। সকল চার্জ কিন্তু
- 10:18চার্জ ক্যারিয়ার না। সকল চার্জ চার্জ
- 10:22ক্যারিয়ার না। বাট সকল চার্জ ক্যারিয়ার
- 10:25চার্জ। মানে কি? ঘটনা কি? আমি একটু উদাহরণ
- 10:28দিয়ে বুঝাই। তাহলে বুঝবা। দেখো আধান যে
- 10:31তাকে মুভ করতে হবে এমন কোন কথা নেই। মুভ
- 10:33করতেও পারে নাও পারে। যেমন একটা উদাহরণ
- 10:36দিলে খুব ভালো বুঝবা। ধর এটা একটা কপার
- 10:38তার। কিসের তার? কপারের। তাহলে কপার এটম
- 10:41আছে। এই যে কপার এটম এগুলা।
- 10:45এই কপার এটমের যখন এই যে ধাতব বন্ধনে কপার
- 10:49এখানে আবদ্ধ হয় ধাতব বন্ধনে তখন এই কপারের
- 10:53লাস্ট কক্ষপথ থেকে ইলেকট্রন ছুটে আসে। বের
- 10:55হয়ে আসে। এইযে লাস্ট কক্ষপথ থেকে মুক্ত
- 10:57ইলেকট্রন এগুলা। এগুলা সব
- 11:01লাস্ট কক্ষপথ থেকে মুক্ত ইলেকট্রন এগুলা।
- 11:04এই যে ইলেকট্রনগুলা এই ইলেকট্রনগুলা সব
- 11:06ফ্রি ইলেকট্রন। তো এই ইলেকট্রন কোত্থেকে
- 11:08আসছে রে ভাই? এই যে কপার এটম থেকে তাহলে
- 11:11কপার এটমের লাস্ট কক্ষপথের ইলেকট্রনটা
- 11:13মুক্ত হইছে সেটা ফ্রি ইলেকট্রন এটা ফ্রি
- 11:15ইলেকট্রন যখন দেখো কক্ষপথ আবদ্ধ থাকবে তখন
- 11:18কিন্তু সে ফ্রি না তো ইলেকট্রনটাকে কপার
- 11:21ছেড়ে দিছে ইলেকট্রন বাদ ত্যাগ করছে ত্যাগ
- 11:24করলে ইলেকট্রন ত্যাগ করলে সে পজিটিভ আয়ন
- 11:26তাহলে এগুলো সব কপার প্লাস আয়ন
- 11:30এইবার আসো দেখ এটা কি ফ্রি ইলেকট্রন এটাও
- 11:33চার্জ আর এই যে সিইউ প্লাস এটাও কিন্তু
- 11:37চার্জ দুইটাই চার্জ এটাও চার্জ। এটাও
- 11:41চার্জ। বাট এই যে ফ্রি ইলেকট্রন এটা চার্জ
- 11:45বাহক। এটা চার্জও হবে আবার চার্জ বাহকও
- 11:49হবে। চার্জও হবে চার্জ বাহকও হবে। কিন্তু
- 11:52এই কপার প্লাস আয়নটা এটা চার্জ। বাট চার্জ
- 11:57বাহক নয়। চার্জ বাহক হবে না। কেন? চার্জ
- 12:01হবে বাট চার্জ বাহক হবে না। কেন? চার্জ
- 12:04বাহক হতে গেলে তাকে দৌড়াদৌড়ি করতে হবে।
- 12:06মুভ করতে পারতে হবে। তো তুমি দেখোতো এই যে
- 12:09কপার এটমটা আছে বা কপার আয়নটা সে কিন্তু
- 12:13এখানেই আছে। এটা কিন্তু দৌড়ায় সামনে আসতে
- 12:15পারবে না। এটা কিন্তু দৌড়ায়ে পিছে যাইতে
- 12:17পারবে না। কিন্তু এই যে ফ্রি ইলেকট্রনটা
- 12:19সে অবশ্যই চার্জ ইলেকট্রনের চার্জ আছে
- 12:22মাইনাস.6 ইট টু দি পাওয়ার মাইনাস 19 কলাম।
- 12:25এটা ফ্রি ইলেকট্রন এটা চার্জ। এবং সাথে
- 12:28সাথে সে চার্জ ক্যারিয়ারও। কারণ এই ফ্রি
- 12:30ইলেকট্রন এই কপার এই যে ধাতব খন্ড এর উপর
- 12:33দৌড়াদৌড়ি করতে পারে। এর মধ্যে দৌড়াদৌড়ি
- 12:35করতে পারে। ছোটাছুটি করতে পারে মুভ করতে
- 12:37পারে তাহলে কি বুঝলা বলতো চার্জ ক্যারিয়ার
- 12:41হইতে গেলে তাকে অবশ্যই মুভ করতে হবে যেমন
- 12:46এটা চার্জ এবং এটা চার্জ কপার প্লাস চার্জ
- 12:50কিন্তু চার্জ বাহক না কিন্তু এটা চার্জ
- 12:52এবং সাথে সাথে চার্জ বাহক তার মানে কি
- 12:55এটাও চার্জ এটাও চার্জ দুইটাই চার্জ
- 12:58কিন্তু কপার প্লাস আয়নটা চার্জ বাহক নয়
- 13:02কিন্তু ফ্রি ইলেকট্রন যেটা সে কিন্তু
- 13:04চার্জ বাহকফ্রি ইলেকট্রন কি করতেছে?
- 13:06দৌড়াদৌড়ি করতে পারতেছে। তো যে চার্জ মুভ
- 13:09করতে পারবে, যে চার্জ মুভ করতে পারবে সেই
- 13:13হবে চার্জ বাহক। তাহলে এই যে আধান বা
- 13:16চার্জ তাহলে এটা মুভ করতেও পারে নাও পারে।
- 13:21মুভ করতে পারে
- 13:23আবার নাও পারে।
- 13:26আবার নাও পারে।
- 13:28ঠিক আছে? চার্জ কয় ধরনের হয়? দুই ধরনের
- 13:31হয়। পজিটিভ চার্জ চার্জ দুই ধরনের হয়।
- 13:35পজিটিভ চার্জ এবং নেগেটিভ চার্জ। ওকে?
- 13:39এইবার আসো আধান বাহক। আধান বাহককে অবশ্যই
- 13:42মুভ করতে পারতে হবে।
- 13:46অবশ্যই
- 13:48মুভ করতে
- 13:51পারতে হবে। তাহলেই সে আদানবাহক হবে।
- 13:54তাহলেই সে চার্জ ক্যারিয়ার হবে। ঠিক
- 13:56একইভাবে এই চার্জ ক্যারিয়ার বা আদানবাহকও
- 13:59দুই ধরনের হয়। একটা হচ্ছে নেগেটিভ টাইপ
- 14:03আরেকটা হচ্ছে পজিটিভ টাইপ।
- 14:06পজিটিভ টাইপ দুই ধরনের নেগেটিভ টাইপও হয়
- 14:10পজিটিভ টাইপ হয়। নেগেটিভ টাইপ কে? নেগেটিভ
- 14:12টাইপ হচ্ছে ইলেকট্রন।
- 14:14আর পজিটিভ টাইপ। পজিটিভ টাইপ হচ্ছে হোল।
- 14:17চার্জ কিন্তু একই। ইলেকট্রনের চার্জ হচ্ছে
- 14:20মাইনাসও প.6
- 14:23ইনটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস 19 কলাম। আর
- 14:26হোল হচ্ছে প্লাসও
- 14:28প6 ইনটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস 19 কম
- 14:32চার্জ সেম তুমি আবার ভুল করে এটাকে প্রোটন
- 14:35ভাইবো না এবার কথা হচ্ছে ভাই হোল বা
- 14:37ভ্যাককেন্ট কি আসলে এই যে হোল বা ভকেন্ট
- 14:40এটা আসলে ওখানে একটা ইলেকট্রন থাকার কথা
- 14:42ছিল কিন্তু ইলেকট্রনটা নেই ইলেকট্রনটা নেই
- 14:46ফাকা ফাকা চেয়ার এই ফাঁকা চেয়ারটাই
- 14:49হচ্ছে হোল বা ভ্যাকন্ট একটু আগে আমি এখানে
- 14:51দেখাইছিলাম এইযে এখান থেকে ইলেকট্রনটা
- 14:54ছুটে চলে আসল তাহলে ওইটা ওইযে ফাঁকা
- 14:55চেয়ারটা এই যে ফাকা চেয়ারটা এই ফাকা
- 14:57চেয়ারটা হচ্ছে একটা হোল বা ভন্ট যেমন আমি
- 15:00তোমাকে আরেকটু উদাহরণ দিয়ে বুঝাই। ধরো
- 15:01একটা অর্ধপরিবাহীর উদাহরণ দিয়ে বুঝাই।
- 15:03সিলিকনের একটা ক্রিস্টাল
- 15:06সিলিকনের একটা ক্রিস্টাল স্ট্রাকচার। একটা
- 15:08সিলিকন তার চারপাশে আরো চারটা সিলিকনের
- 15:10সাথে ইলেকট্রনগুলো শেয়ার করে বন্ধন তৈরি
- 15:14করছে। বন্ধন তৈরি করছে। ওকে? এইবার বোর্ডে
- 15:17দেখো। ধরো এই বন্ধন থেকে বন্ধন ভেঙে গিয়ে
- 15:20একটা ইলেকট্রন বের হয়ে আসলো। এইযে বন্ধন
- 15:22ভেঙে এখান থেকে এখান থেকে একটা ইলেকট্রন
- 15:25ছুটে আসলো। এই যে ইলেকট্রনটা ছুটে আসলো এই
- 15:28ইলেকট্রনটা হচ্ছে নেগেটিভ চার্জ
- 15:29ক্যারিয়ার।
- 15:31এই ইলেকট্রন যেটা এটা ফ্রি
- 15:35ইলেকট্রন।
- 15:36এটা ফ্রি ইলেকট্রন। এটা হচ্ছে নেগেটিভ
- 15:39চার্জ ক্যারিয়ার।
- 15:41নেগেটিভ চার্জ
- 15:43ক্যারিয়ার।
- 15:45আর যেখান থেকে উঠে আসলো সেখানে একটা ফাঁকা
- 15:48চেয়ার হয়ে গেছে না। সেখানে একটা হোল বা
- 15:50ভ্যাককেন্ট তৈরি হয়েছে। এই যেখানে
- 15:52ইলেকট্রন থাকার কথা ছিল। নে ইলেকট্রন
- 15:54ফাঁকা চেয়ার। চেয়ারে ইলেকট্রন বসে থাকার
- 15:57কথা ছিল নেই। ফাঁকা চেয়ার। এই ফাঁকা
- 15:59চেয়ারটা এটাই হচ্ছে হোল বা ভ্যাকান্ট।
- 16:01এইটা হচ্ছে পজিটিভ চার্জ ক্যারিয়ার। এটাই
- 16:04হচ্ছে পজিটিভ
- 16:07চার্জ
- 16:08ক্যারিয়ার। এইবার কারো কারো মনে প্রশ্ন
- 16:11আসছে ভাই দেখেন এই যে ফ্রি ইলেকট্রন। সে
- 16:15তো ফ্রি। সে এখন দৌড়াদৌড়ি করতে পারবে।
- 16:18সিলিকন ক্রিস্টালের মধ্যে দৌড়াদৌড়ি করতে
- 16:20পারবে। কিন্তু এই হোল বা ভ্যাকান্ট এইটা
- 16:23কেমনে ফ্রি? দেখো ও কিন্তু ফ্রি হইতে হবে
- 16:26ওকে। ওকে কিন্তু মুভ করতে পারতে হবে। এই
- 16:28হোল বাক্যান্ড সে চার্জ ক্যারিয়ার তখনই
- 16:30হবে যখন সে ফ্রি মুভ করতে পারবে। এরকম এই
- 16:34এটমের মত কপার এটমের মত যদি ফিক্স এখানে
- 16:36বসে থাকে তাহলে কিন্তু সে চার্জ ক্যারিয়ার
- 16:38হবে না। তাহলে একে মুভ করতে পারতে হবে।
- 16:40এটা কিভাবে মুভ করবে? যে ভাই হুল
- 16:42বাক্যান্ড কিভাবে মুভ করবে? ইলেকট্রন মুভ
- 16:44করতে পারে এটা আমরা বুঝলাম। হুলবা ভেকন
- 16:46কিভাবে মুভ করবে? কিভাবে মুভ করবে? দেখো।
- 16:49এই যে সিলিকন। এই সিলিকনের এই যে লাস্ট
- 16:51কক্ষপদে আটটা থাকার কথা ছিল। এখন আছে
- 16:54সাতটা। তো কি হবে? এই যে এই সিলিকন তার
- 16:56একটা ইলেকট্রনকে হারায় ফেলছে। তো তখন এই
- 16:58সিলিকন কান্নাকাটি করবে? এটা দেখে
- 16:59আশেপাশের কোন সিলিকনের ধর এই সিলিকনের
- 17:02মায়া হবে। মায়া হলে ও কি করবে? তার
- 17:03ইলেকট্রনটাকে এখানে পাঠায় দিবে। ওর
- 17:05ইলেকট্রনটা যখন এখানে চলে আসবে তখন এই হোল
- 17:08বা ভ্যাকানন্টা চলে যাবে কোথায়? এখানে।
- 17:10বুঝলা? আমার কথা বুঝলা? চিন্তা করো। এই
- 17:13ইলেকট্রনটা যখন এখানে উঠে চলে আসবে। এই যে
- 17:16বন্ধনগুলো এই বন্ধনগুলা খুবই দুর্বল বন্ধ।
- 17:18সমযোজী বন্ধ। এই বন্ধনগুলা ভাঙ্গে গড়ে
- 17:20ভাঙ্গে গড়ে ভাঙ্গে গড়ে এরকম চলতে থাকে।
- 17:22তাহলে কি হবে? এই বন্ধনটা ভেঙে এই
- 17:24ইলেকট্রনটা এখানে এসে বসে যাবে। এই
- 17:26ইলেকট্রনটা যখন এখানে বসে যাবে তখন এই
- 17:28ফাঁকা চেয়ারটা আল্টিমেটলি শিফট হয়ে এখানে
- 17:30চলে গেল না। তাহলে তখন আমি যদি রুমের
- 17:32বাইরে থেকে কাউকে এনে জিজ্ঞেস করি যে
- 17:34প্রথমে এখানে একটা হোল বা ভ্যাকউন্ড ফাঁকা
- 17:35চেয়ার দেখে গেছিল। সে এসে দেখবে ফাঁকা
- 17:37চেয়ারটা এখন এখানে। তাহলে তার কাছে কি মনে
- 17:39হবে? ফাঁকা চেয়ারটা দৌড়ায় সামনে চলে
- 17:40যাচ্ছে না। তাহলে এভাবেই আসলে হোল মুভ
- 17:43করে। মনে করো পাশাপাশি পাঁচটা চেয়ার আছে।
- 17:45পাশাপাশি এরকম পাঁচটা চেয়ার আছে। ঠিক আছে?
- 17:49পাশাপাশি পাঁচটা চেয়ার আছে এরকম প্রত্যেক
- 17:52চেয়ারে একজন করে বসা ছিল তো কি হয়েছে এই
- 17:54চেয়ার থেকে একজন উঠে গেছে উঠে চলে গেছে
- 17:56তাহলে এ সামনের চেয়ারে চলে আসলো সামনের
- 17:59চেয়ারে চলে আসলো এ তার সামনে চলে আসলো এ
- 18:01তার সামনে চলে আসলো এ তার সামনে চলে গেল
- 18:03তাহলে চেয়ারটা ফাঁকা ছিল এখানে তাহলে
- 18:05আল্টিমেটলি সেই ফাঁকা চেয়ারটা শিফট হয়ে
- 18:07এখানে চলে গেছে না তাহলে ধরো রুমের মধ্যে
- 18:11প্রথমে একজন ছিল সে দেখছিল এই চেয়ারটা
- 18:12ফাঁকা এইবার কি হয়েছে সে রুমের বাইরে
- 18:15গেছে এসে দেখতেছে আরে চেয়ার তো এটা ফাঁকা
- 18:17তাহলে সে তখন ভাববে না যে ফাঁকা চেয়ারটা
- 18:18আসলে শিফট হয়ে এখানে চলে আসছে। এটাই আসলে
- 18:22হোল কিভাবে মুভ করতেছে। তাই না? তাহলে মনে
- 18:24হবে ফাঁকা চেয়ারটা দৌড়ায় এখানে চলে আসছে।
- 18:26তো ঠিক তেমনিভাবে মনে হবে এখানে যে হোলটা
- 18:28ছিল সেটা দৌড় এখানে চলে গেছে। কথা কি
- 18:30বুঝতে পারছো? তাহলে হোল এবং ইলেকট্রন দুই
- 18:33ধরনের চার্জ ক্যারিয়ার হয়। আর চার্জ
- 18:34ক্যারিয়ারকে ফ্রি হইতে হবে। মুভ করতে
- 18:36পারতে হবে। না হলে কিন্তু সে চার্জ
- 18:37ক্যারিয়ার হবে না। এইবার আসো সুপরিবাহিতে
- 18:40এমন কি ঘটনা ঘটে যে এটা খুব ভালো তড়িৎ
- 18:43পরিবহন করে। অলরেডি এই জিনিসটা তোমাকে
- 18:44আলোচনা করে দিছি। যে সুপরিবাহীর প্রচুর
- 18:47পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন থাকে। সুপরিবাহীর
- 18:49প্রচুর পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন থাকে। ধর
- 18:51একটা কপার খন্ড। তাহলে এগুলা হচ্ছে কপার
- 18:54এটম।
- 18:56এগুলা হচ্ছে কপার এটম।
- 18:58এই কপার এটম কি করে? ধাতব বন্ধনে আবদ্ধ
- 19:01হওয়ার পরে তার লাস্ট কক্ষপথের
- 19:02ইলেকট্রনটাকে মুক্ত করে দেয়। লাস্ট
- 19:04কক্ষপথের ইলেকট্রনটা মুক্ত হয়ে আসলে
- 19:06ইলেকট্রনগুলো ফ্রিলি মুভ করতে পারে। এই
- 19:08ইলেকট্রনগুলো কিন্তু দৌড়াইতে পারবে।
- 19:09ফ্রিলি মুভ করতে পারবে। ফ্রিলি মুভ করতে
- 19:12পারবে। এরকম কোন দিকে মুভ করবে আমি বলছি
- 19:14কোন দিকে মুভ করবে। আর যখন ইলেকট্রনটাকে
- 19:17ছেড়ে দিচ্ছে তখন কপার কিন্তু আয়নে পরিণত
- 19:19হয়ে যাচ্ছে। এটা কিন্তু ফিক্সড আয়ন। এরা
- 19:22কিন্তু চার্জ বাট নট চার্জ ক্যারিয়ার।
- 19:24তাহলে চার্জ ক্যারিয়ার হচ্ছে
- 19:25ইলেকট্রনগুলা। এইবার তুমি যখন এই কপারের
- 19:29এই ধাতব খন্ডের সাথে এই কপার তারের সাথে
- 19:33দুই প্রান্ত একটা ব্যাটারি সংযোগ দিয়ে
- 19:34দিবা। একটা ব্যাটারি সংযোগ দিয়ে দিবা।
- 19:37ব্যাটারির কাজ হচ্ছে চার্জকে ঘুরানো। এটা
- 19:40মাইনাস প্রান্ত। এটা প্লাস প্রান্ত। তাহলে
- 19:42কি হবে? এই যে মাইনাস প্রান্ত এই
- 19:44প্রান্তের এই যে বিকর্ষণ এটা মাইনাস আর
- 19:46এটা প্লাস। তাহলে দেখো মাইনাস এই ফ্রি
- 19:48ইলেকট্রন গুলাকে বিকর্ষণ করবে। তাহলে এই
- 19:50ইলেকট্রনগুলা বিকর্ষিত হয়ে এই পজিটিভ
- 19:53প্রান্তের দিকে আগাবে। তাহলে এই প্লাস
- 19:56ইলেকট্রন গুলাকে টান দিবে আর মাইনাস কি
- 19:58করবে? ঠেলা দিবে। আল্টিমেটলি আমরা কি
- 20:00করছি? এই দুই প্রান্তের মধ্যে এই যে
- 20:02কপারের যে ধাতব তারটা এ দুই প্রান্তের
- 20:04মধ্যে একটা বিভব পার্থক্য ক্রিয়েট করছি।
- 20:06এটা হচ্ছে উচ্চবিভব প্রান্ত। পজিটিভ
- 20:08প্রান্ত মানে কি? উচ্চবিভব। আর নেগেটিভ
- 20:10প্রান্ত মানে কি? নিম্ন বিভব। তাহলে তড়িৎ
- 20:15[গলা পরিষ্কার করা] প্রবাহ উচ্চ বিভব থেকে
- 20:17নিম্ন বিভবের দিকে চলবে। তড়িৎ প্রবাহ।
- 20:20তাহলে এই কপারের যে তার মধ্য দিয়ে তড়িৎ
- 20:23প্রবাহ আই এই তড়িৎ প্রবাহ চলবে উচ্চ বিভব
- 20:28থেকে নিম্ন বিভবের দিকে। আর ইলেকট্রন
- 20:30প্রবাহ হবে তার উল্টা দিকে। আসলেই তো তাই।
- 20:32দেখো এটা মাইনাস আর এটা প্লাস। প্লাস
- 20:34ইলেকট্রনগুলোকে আকর্ষণ করবে। মাইনাস
- 20:37ইলেকট্রনগুলোকে বিকর্ষণ করবে। তাহলে
- 20:38ইলেকট্রনের গতি হবে নিম্ন বিভব থেকে উচ্চ
- 20:40বিভবের দিকে। তাহলে ইলেকট্রনের প্রবাহ।
- 20:44এইভাবে আমরা পরিবাহীর মধ্য দিয়ে তড়িৎ
- 20:46প্রবাহ হয়। তড়িৎ প্রবাহ পাই। আর
- 20:50এই পরিবাহী এই যে কপার তার সুপরিবাহী এর
- 20:54একটা রোধ থাকে। যে ধর্মের কারণে তড়িৎ
- 20:57প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় তাকে আমরা রোদ বলি।
- 21:00তারপরে দুই পাশে ব্যাটারি। এই রোদের দুই
- 21:01প্রান্তে যে ব্যাটারি দিয়ে আমরা বিভব
- 21:03পার্থক্য ক্রিয়েট করছি। এর মধ্য দিয়ে
- 21:05তড়িৎ প্রবাহ হয়। মাথায় রাখবা সবসময় তড়িৎ
- 21:06প্রবাহ প্লাস থেকে মাইনাসের দিকে প্লাস
- 21:09থেকে মাইনাসের দিকে আর ইলেকট্রনের প্রবাহ
- 21:10মাইনাস থেকে প্লাসের দিকে এবং আমরা ওহমের
- 21:13সূত্র কাটাই ভিই আই এটা পরিবাহীর ক্ষেত্রে
- 21:16প্রযোজ্য এবার কথা হচ্ছে অর্ধপরিবাহীতে কি
- 21:18ঘটে আমাদের টার্গেট কি আমাদের টার্গেট
- 21:21হচ্ছে তড়িৎ পরিবাহন কিন্তু এবার কি দিয়ে
- 21:24অর্ধপরিবাহী দিয়ে তাহলে চিন্তা করো
- 21:26অর্ধপরিবাহী মানে সিলিকন ক্রিস্টাল
- 21:29এই যে এরকম তো কথা হচ্ছে আমি তোমাকে আগে
- 21:32বলি এটা কিন্তু দুই মার্কের প্রশ্ন আসে যে
- 21:34বিশুদ্ধ অবস্থায়
- 21:37বিশুদ্ধ
- 21:40অবস্থায়
- 21:44কক্ষ তাপমাত্রার নিচে বিশুদ্ধ অবস্থায় এবং
- 21:47কক্ষ তাপমাত্রার নিচে
- 21:50অর্ধপরিবাহী
- 21:51তড়িৎ পরিবহন করে না। মানে সে কুপরিবাহীর
- 21:53মত আচরণ করে। অর্ধপরিবাহী
- 21:58তড়িৎ পরিবহন
- 22:02করে না। তো কিসের মত আচরণ করে? কুপরিবাহীর
- 22:05মত আচরণ করে। তো এটা কিন্তু ব্যাখ্যা করতে
- 22:07পারে। ঠিক আছে? ব্যাখ্যা ব্যাখ্যা করতে
- 22:10বলতে পারে। কিভাবে ব্যাখ্যা করবো? খুবই
- 22:11সহজ। একটা সিলিকনের ক্রিস্টাল এই
- 22:14ক্রিস্টাল স্ট্রাকচারে দেখো সিলিকন কি
- 22:17করবে? তার আশেপাশের যে সিলিকন এটম গুলো
- 22:20আছে তার সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করবে। তার
- 22:24সাথে সমযোজী বন্ধন গঠন করবে।
- 22:27সমযোজী বন্ধন করলে সিলিকনের লাস্ট কক্ষপথে
- 22:29কয়টা ইলেকট্রন আছে? লাস্ট কক্ষপথে আছে
- 22:32চারটা ইলেকট্রন। তাহলে একটা সিলিকন এইযে
- 22:35এই সিলিকন তার লাস্ট কক্ষপাতে চারটা এবং
- 22:38সে আরো চারটা সিলিকনের সাথে ইলেকট্রন
- 22:41শেয়ার করবে। এই সিলিকনের লাস্ট কক্ষপথে
- 22:43আছে চারটা। সে আরো চারটা সিলিকনের সাথে
- 22:46ইলেকট্রন শেয়ার করবে। এইভাবে
- 22:50সিলিকন অষ্টক পূর্ণ করবে। এইভাবে সিলিকন
- 22:53কি করবে? অষ্টক পূর্ণ করবে।
- 22:58এইভাবে সিলিকন অষ্টক পূর্ণ করবে। বলো
- 23:00বুঝছো কিনা? তাহলে এখানে দেখোতো কোন ফ্রি
- 23:02ইলেকট্রন আছে? আছে এখানে কোন ফ্রি
- 23:04ইলেকট্রন? না। এখানে কোন ফ্রি ইলেকট্রন
- 23:06নেই। তাহলে এখানে
- 23:10এখানে কোন ফ্রি ইলেকট্রন নেই। কোন চার্জ
- 23:12ক্যারিয়ার নেই। না আছে ফ্রি ইলেকট্রন না
- 23:15আছে ফ্রি হোল। কক্ষ তাপমাত্রার নিচে। ঠিক
- 23:18আছে? এইযে বিশুদ্ধ অবস্থায় কক্ষ
- 23:20তাপমাত্রার নিচে অর্ধপরিবাহিতে কোন ফ্রি
- 23:22ইলেকট্রন নেই। বিশুদ্ধ অবস্থায় এর মধ্যে
- 23:24কোন ভেজাল মিশানো নেই। ধর সিলিকনের মধ্যে
- 23:26কোন অ্যালুমিনিয়াম ফসফরাস বা জারমেনিয়াম
- 23:29সরি বা হচ্ছে আরসেনিক এরকম কোন এটম এখানে
- 23:32মিশানো নাই একেবারে সিলিকন বা ধর
- 23:34জার্মেনিয়াম জারমেনিয়াম হলে জাস্ট খালি
- 23:37একই একই রকম কথা তাহলে এখানে কোন ধরনের
- 23:41কোন চার্জ ক্যারেন্ট নেই ফ্রি ইলেকট্রন
- 23:46বা
- 23:47ফ্রি হোল ফ্রি ইলেকট্রন বা ফ্রি হোল নাই
- 23:52অর্থাৎ কোন চার্জ ক্যারিয়ার নেই
- 23:58কোন চার্জ ক্যারিয়ার
- 24:01বা
- 24:03আধান বাহক নেই। এই কারণে এটা তড়িৎ
- 24:07পরিবহনে অংশগ্রহণ করে না। তাহলে কি হইলো?
- 24:10তাহলে আমরা কি অর্ধপরিবাহী দিয়ে তড়িৎ
- 24:12পরিবহন পাবো না। পাব। কি করতে হবে?
- 24:15বন্ধনগুলা ভেঙ্গে ফ্রি ইলেকট্রন মানে
- 24:17চার্জ ক্যারিয়ার লাগবে। এখানে ইলেকট্রন
- 24:19আছে কিন্তু বন্ধনবদ্ধ ইলেকট্রন ফ্রি
- 24:21ইলেকট্রন না চার্জ আছে বাট নট চার্জ
- 24:22ক্যারিয়ার চার্জ ক্যারিয়ার নেই আমাদের
- 24:25চার্জ ক্যারিয়ার লাগবে তাহলে আমরা যদি এই
- 24:27বন্ধনগুলাকে ভেঙে দিতে পারি তাহলে বন্ধন
- 24:30ভেঙ্গে ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে আসবে তো তখন
- 24:33আমি ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে আসলে দেখ
- 24:35ইলেকট্রন চেয়ারে বসে আছে ইলেকট্রন যদি
- 24:37উঠে চলে আসে তাহলে আমি ফ্রি ইলেকট্রনও পাব
- 24:39ফ্রি চেয়ার ফাঁকা চেয়ারও পাব ফ্রি
- 24:42ইলেকট্রন নেগেটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার
- 24:43আর ফাঁকা চেয়ার হচ্ছে পজিটিভ টাইপ চার্জ
- 24:45ক্যারিয়ার হোল তাহলে আমি ইলেকট্রনও পাব
- 24:47হোল পাব তার জন্য কি করতে হবে আমার কক্ষ
- 24:50তাপমাত্রার উপরে নিয়ে যাইতে হবে কক্ষ
- 24:52তাপমাত্রায় বা তার উপরে নিয়ে যাইতে হবে
- 24:55তাহলে আমি বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী দিয়ে
- 24:57তড়িৎ পরিবহন পাব আমরা তড়িৎ পরিবহন
- 25:00দুইভাবে পাইতে পারি অর্ধপরিবাহী দিয়ে এক
- 25:02কক্ষ তাপমাত্রার উপরে নিয়ে গিয়ে দুই
- 25:05ভেজাল মিশায় বিশুদ্ধ অবস্থায় না ভেজাল
- 25:07মিশাইতে হবে তাহলে আমরা সেই জিনিসগুলো এখন
- 25:09দেখব দুই মার্কের একটা কোশ্চেন আসে খুবই
- 25:12ইম্পর্টেন্ট কোশ্চেন এটা তাপমাত্রা
- 25:14বাড়ালে পরিবাহী রোধ বাড়ে কিন্তু
- 25:16অর্ধপরিবাহী রোধ কমে কেন? পরিবাহীর রোধ
- 25:20বাড়ে কিন্তু অর্ধপরিবাহীর রোধ কমে কেন?
- 25:23আসো তো দেখি একটু ব্যাখ্যা। পরিবাহী
- 25:27তুমি আমাকে বলতো পরিবাহীর ক্ষেত্রে রোধ
- 25:29বলতে আসলে কি বুঝি? মানে রোধ কি আসলে? রোধ
- 25:32হচ্ছে তড়িৎ পরিবহনে বাধা। তড়িৎ পরিবহনটা
- 25:35হবে কার জন্য? চার্জ ক্যারিয়ারের প্রবাহের
- 25:38জন্য। তাহলে চার্জ ক্যারিয়ার প্রবাহ হইতে
- 25:41গিয়ে বাধা সম্মুখীন হবে। চার্জ ক্যারিয়ার
- 25:43ধর ফ্রি ইলেকট্রন। যেহেতু পরিবাহীর কথা
- 25:45বলছে। পরিবাহীতে এক ধরনের চার্জ ক্যারিয়ার
- 25:46থাকে। কোনটা? ফ্রি ইলেকট্রন। ফ্রি হোল
- 25:48কিন্তু পরিবাহীর ক্ষেত্রে থাকে না। তাহলে
- 25:50এতে প্রচুর পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন আছে। তো
- 25:52ধরো এটা কপার তার। তাহলে কপার তার হলে
- 25:55এগুলা হচ্ছে কপার এটম। সি ইউ প্লাস সি ইউ
- 25:59প্লাস সি ইউ প্লাস সি ইউ প্লাস সি ইউ
- 26:04প্লাস। এইযে এগুলা হচ্ছে কপার এটম। তাহলে
- 26:07প্রচুর পরিমাণে ধরো ফ্রি ইলেকট্রন আছে। এই
- 26:09যে ফ্রি ইলেকট্রন এগুলা। এগুলা ফ্রি
- 26:12ইলেকট্রন। এই ফ্রি ইলেকট্রনগুলো এর মধ্য
- 26:14দিয়ে প্রবাহিত হবে। ধরো এই পাশে আমরা উচ্চ
- 26:16বিভব দিছি। এই পাশে আমরা নিম্ন বিভব দিছি।
- 26:18তাহলে ইলেকট্রনগুলা এই নিম্ন বিভব থেকে
- 26:20উচ্চ বিভবের দিকে ইলেকট্রনগুলা প্রবাহিত
- 26:22হবে। ইলেকট্রনগুলা যখন পরিবাহীর মধ্য দিয়ে
- 26:25প্রবাহিত হয় তখন এরকম সোজা দৌড় দেয় না।
- 26:29ইলেকট্রনগুলা প্রবাহিত হয় কিভাবে? এগুলো
- 26:31চলতড়িত তারণ বেগ যখন তোমরা পড়ছো তখন তোমরা
- 26:34দেখছো ইলেকট্রনগুলো এভাবে এভাবে ছোটাছুটি
- 26:35করে। এভাবে ছোট ছুটে ছুটে ছুটে ছুটে ছুটে
- 26:37ছুটে ছুটে ছুটে ছুটে সামনের দিকে আগায়।
- 26:40এভাবে ছুটে ছুটে সামনের দিকে আগায়। অনেকটা
- 26:42হচ্ছে তুমি দেখবা তুমি যদি সন্ধ্যার দিকে
- 26:45বা বিকালের দিকে পুকুরপড়ে বা ধরো মাঠের
- 26:50মধ্যে বা হচ্ছে খোলা জায়গায় একটু
- 26:52দাঁড়াও তাহলে তুমি দেখবা মাথার উপর কিছু
- 26:56মশা বা পোকামাকর ভন ভনভন করে এরকম দেখছো
- 26:59কিনা এটা তুমি হেটে একটু হেটে সামনে যাবা
- 27:04একটু হেটে সামনে যাবা দেখবা ওই মাথার উপর
- 27:07যে পোকাগুলা এখান থেকে শিফট হয়ে আবার
- 27:09এখানে চলে আসছে এখানে এসে আবার মাথার উপর
- 27:11ভন করতেছে। তো তুমি আমাকে বলতো এই
- 27:14পোকাগুলা শিফট হয়ে যে এখানে চলে গেল। এই
- 27:16পোকাগুলা কি এরকম দৌড়ায় চলে গেল? বল এই
- 27:19পোকাগুলা কি এভাবে দৌড় দিয়ে চলে গেল? এরকম
- 27:21দৌড় দিয়ে সোজা দৌড় দিয়ে চলে গেল? না। ওরা
- 27:23কিভাবে গেল জান? এভাবে ছোটাছুটি করতে করতে
- 27:25করতে ছোটছুটি করতে করতে এদিকে যাচ্ছে।
- 27:28এইভাবে ছুটতে ছুটতে যাচ্ছে। ঠিক তেমনিভাবে
- 27:30ইলেকট্রনগুলোও এর মধ্য দিয়ে এরকম ছোটাছুটি
- 27:33করতে করতে ছোটাছুটি করতে করতে এভাবে সামনে
- 27:35আগায়। এভাবে ছোটাছুটি করতে করতে করতে
- 27:38সামনের দিকে আগাচ্ছে। তো যখন ইলেকট্রনগুলো
- 27:40এভাবে ছোটাছুটি করতে করতে সামনে গেছে তখন
- 27:42ইলেকট্রনের নিজেদের মধ্যে এবং ইলেকট্রন এই
- 27:45যে কপার এটম আছে না ফিক্সড এটম এদের সাথে
- 27:48সংঘর্ষে লিপ্ত হচ্ছে আর এই সংঘর্ষ থেকেই
- 27:51রোধের জন্ম যত বেশি সংঘর্ষ এই ফিক্সড
- 27:54এটমগুলার সাথে ইলেকট্রনের যত বেশি সংঘর্ষ
- 27:57চিন্তা করো তুমি এবং তোমার বন্ধুদের এক
- 27:59ঝাক বন্ধু তোমরা কি করতেছো একটা জঙ্গলের
- 28:01মধ্য দিয়ে দৌড়াচ্ছ চোখ বাধা এবং জঙ্গলে
- 28:04অনেক মোটা মোটা এরকম গাছ আছে সামনে তাহলে
- 28:06দৌড়াইতে গেলে গাছের সাথে ধাক্কা খাবা না
- 28:08সংঘর্ষ হবে তো ঠিক তেমনি ইলেকট্রনগুলো যখন
- 28:10এর মধ্য দিয়ে দৌড়ায় তখন এই ফিক্সড
- 28:12এটমগুলোর সাথে সংঘর্ষ হয়। এই সংঘর্ষের
- 28:14পরিমাণটা যত বেশি হবে তত রোধ বেশি হবে।
- 28:16তাহলে তুমি একটু চিন্তা করো তো তাপমাত্রা
- 28:18বাড়াইলে কি ঘটনা ঘটবে? চিন্তা করো।
- 28:20তাপমাত্রা যদি বাড়ানো হয় তাপমাত্রা বাড়ালে
- 28:24ইলেকট্রনগুলোর গতিশক্তি বাড়বে।
- 28:27ইলেকট্রনগুলোর গতিশক্তি আরো বাড়বে।
- 28:30ইলেকট্রনের
- 28:31গতিশক্তি বাড়বে। গতিশক্তি বাড়বে। মানে
- 28:34ছোটাছুটি বাড়বে। বেগ বাড়বে। ঠিক আছে?
- 28:37ছোটাছুটি বাড়বে বেগ বাড়বে এভাবে আগে
- 28:40যেভাবে ছোটাছুটি করতে করতে যাচ্ছিল এবার
- 28:41আরো বেশি ছোটাছুটি করবে তো যত বেশি
- 28:43ছোটাছুটি করবে এই ফিক্সড অটম কপার আয়ন
- 28:46এদের সাথে এবং ইলেকট্রনের নিজেদের মধ্যে
- 28:49বেশি বেশি বেশি বেশি সংঘর্ষ হবে তাহলে
- 28:51সংঘর্ষের পরিমাণ বাড়বে
- 28:54সংঘর্ষের
- 28:56পরিমাণ বাড়বে আর সংঘর্ষের পরিমাণ যত
- 29:00বাড়বে রোধ তত বাড়বে এইযে তাহলে পরিবাহীর
- 29:04ক্ষেত্রে কি হলো সংঘর্ষের পরিমাণ
- 29:06মানে বাধা বাধা বাড়বে তড়িৎ
- 29:08পরিবহনে বাধা চার্জ ক্যারিয়ার প্রবাহে
- 29:10বাধা বাড়বে বাধা বাড়বে মানে রোধ বাড়বে
- 29:12তাহলে পরিবাহীর ক্ষেত্রে তাপমাত্রা
- 29:13বাড়ালে কি হয় রোধ বাড়ে এবং এটা না
- 29:15ম্যাথমেটিক্যালি এটা ম্যাথমেটিক্যালি
- 29:18হিসাব নিকাশ করার উপায় আছে একটা সূত্র
- 29:20আছে সূত্রটা হচ্ছে আর থটা ইকুয়াল আর থটা
- 29:24মানে থ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রোধ
- 29:26হবে কোন পরিবাহীর জির ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 29:29তাপমাত্রায় রোধ আর নট এর সাথে ও প্লাস
- 29:31আলফা থিটা এই আলফা হচ্ছে রোধ প্রসারণ সহক
- 29:35যেমন দৈর্ঘ্য প্রসারণ সহক থাকে এল ইকয়ালটু
- 29:37এল নট মনে আছে ওান প্লাস আলফা থিটা তো তখন
- 29:40আলফা হচ্ছে দৈর্ঘ্য প্রসারণ সহক হয় তো ঠিক
- 29:44তেমনি এখানে আলফা হচ্ছে রোধ প্রসারণ সহক
- 29:47এটা হচ্ছে রোধ
- 29:50প্রসারণ
- 29:52সহক এর একক কি হবে জান থিটার একক হচ্ছে
- 29:56ডিগ্রি সেলসিয়াস তাহলে আলফার একক হবে পার
- 29:59ডিগ্রি সেলসিয়াস তাহলে ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 30:01পার ডিগ্রি সেলসিয়াস কাটাকাটি করে কোন একক
- 30:02থাকবে না আর কি ঠিক আছে তাহলে পার ডিগ্রি
- 30:05সেলসিয়াস এটা হচ্ছে একক আমি যদি একটু
- 30:07গ্রাফ আকি তো গ্রাফটা দেখতে এরকম হবে। এটা
- 30:09হচ্ছে ডিগ্রি সেলসিয়াসে আর এটা হচ্ছে রোদ
- 30:12আর তাহলে দেখো জির ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 30:16তাপমাত্রায় জির ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 30:18তাপমাত্রায় রোধ হচ্ছে আর নট আর নট এইটা
- 30:23এবার তাপমাত্রা বাড়াবো রোধ বাড়বে।
- 30:25তাপমাত্রা বাড়াবো রোধ বাড়বে। এইযে এরকম
- 30:27হবে। তাহলে কোন ধরো থটা ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 30:30তাপমাত্রায় এই যে থটা ডিগ্রি সেলসিয়াস
- 30:33তাপমাত্রায়
- 30:35থটা ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রোধ
- 30:36হচ্ছে এইখান থেকে এইটুকু এটা হচ্ছে আর থ
- 30:41ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় রোধ আরথ
- 30:44আচ্ছা এটা কার ক্ষেত্রে পরিবাহীর ক্ষেত্রে
- 30:48অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে আমরা দেখলাম এ
- 30:50প্লাস তাপমাত্রা বাড়াইলে রোধ বাড়ে
- 30:52ব্যাখ্যাটাও দেখলাম এবার অর্ধপরিবাহীর
- 30:55ক্ষেত্রে কি হয় দেখ মজার ব্যাপার হচ্ছে
- 30:58তুমি একটু আগে দেখছো অর্ধপরিবাহী বিশুদ্ধ
- 31:01অবস্থায় এবং কক্ষপতার নিচে তড়িৎ পরিবহনে
- 31:03অংশগ্রহণ করেই না এইযে তড়িৎ পরিবহন করেই
- 31:05না অংশগ্রহণ তার মানে কি এখানে তড়িৎ
- 31:07পরিবহন হচ্ছে না আধানবাহক নেই তড়িৎ
- 31:09পরিবহন হবে না এক্ষেত্রে তড়িৎ
- 31:14প্রবাহ নেই তড়িৎ প্রবাহ আইজ আইজ মানে রোধ
- 31:18অনেক বেশি রোদ আসলে অসীম রোধ
- 31:22তাহলে অর্ধপরিবাহী বিশুদ্ধ অবস্থায় কক্ষ
- 31:24তাপমাত্রার নিচে কুপরিবাহীর মত আচরণ করে
- 31:27অসীম রোধ। এখন আমি যদি তাপমাত্রা বাড়াই
- 31:30তাহলে কি হবে? কার ক্ষেত্রে? অর্ধপরিবাহীর
- 31:33ক্ষেত্রে। তাহলে একটু আসো একে দেখি।
- 31:36অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে যদি আমরা তাপমাত্রা
- 31:38বাড়াই
- 31:44তাহলে তাপমাত্রা বাড়ালে এই যে সমযোজী
- 31:46বন্ধনগুলো আছে সিলিকন ক্রিস্টালের মধ্যে
- 31:50এই যে সমযোজী বন্ধন বা কোভালেন্ট বন্ড
- 31:52এগুলো খুবই দুর্বল বন্ড। ভেন্ডারওয়ালস বল।
- 31:56তাহলে এই বন্ধনগুলা তখন না ভেঙে যাবে। তো
- 32:00কি অবস্থায় ছিল একটু বোর্ডে দেখাও। এরকম
- 32:03বন্ধনে আবদ্ধ ইলেকট্রন ছিল। অষ্টকপূর্ণ
- 32:05ছিল। তো যখন আমি তাপমাত্রা বাড়াবো
- 32:08তাপমাত্রা যখনই বাড়ানো হবে দেখা যাবে কি?
- 32:12বন্ধনগুলা ভাঙবে।
- 32:14তাপমাত্রা বাড়ালে বন্ধনগুলা ভাঙবে।
- 32:18তা আমি এখানে তোমাকে জাস্ট কয়েকটা বন্ধন
- 32:21ভেঙে দেখাচ্ছি। দেখো এই ক্ষেত্রে। এই
- 32:24কষেত্রে দেখো অষ্টক পূর্ণ আছে কোন ফ্রি
- 32:26ইলেকট্রন ছিল না কিন্তু বন্ধন তো ভাঙবে
- 32:29বন্ধন ভেঙ্গে দেখো এইখান থেকে এইযে বন্ধন
- 32:31ভেঙ্গে এখান থেকে একটা ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে
- 32:33আসলো এই যে একটা ইলেকট্রন তাহলে একটা ফ্রি
- 32:36ইলেকট্রন পাইলাম ভালো করে বুঝ একটা ফ্রি
- 32:38ইলেকট্রন পাইলাম একটা ফ্রি হোল বা ভকেন্ট
- 32:39পাইলাম তারপরে এইখানে এই সিলিকনের দিকে
- 32:42তাকাও এই বন্ধন ভেঙ্গে এইখান থেকে একটা
- 32:44ফ্রি ইলেকট্রন বের হয়ে আসবে এইখান থেকে
- 32:47একটা ফ্রি ইলেকট্রন পাওয়া যাবে তাহলে
- 32:48এইখানে একটা ভ্যাকেন্ট এইখানে একটা হোল
- 32:50পাইলাম তারপরে এইখানে একটা ভ্যাকেন্ট
- 32:54এইখানে একটা হোল পাওয়া গেল। তারপর ধরো
- 32:57এইখানে একটা ভ্যাকেন্ট এখান থেকে আরেকটা
- 32:59ইলেকট্রন বের হয়ে আসলো। তাহলে আগে কিন্তু
- 33:01ইলেকট্রনগুলো ছিল না। এগ ইলেকট্রনগুলো কেন
- 33:03আসছে? তাপমাত্রা বাড়ানোর কারণে। তাহলে
- 33:06আমরা তাপমাত্রা বাড়ালেই বন্ধন ভাঙছে।
- 33:09তাপমাত্রা
- 33:11বাড়ালে
- 33:13বন্ধন ভাঙবে ফ্রি ইলেকট্রন পাওয়া যাবে।
- 33:16বন্ধন ভাঙবে এবং যখনই বন্ধন ভাঙবে তখন
- 33:20ফ্রি হোল
- 33:23এবং ফ্রি ইলেকট্রন মানে সহজ কথা চার্জ
- 33:25ক্যারিয়ার ফ্রি ইলেকট্রন ফ্রি ইলেকট্রন
- 33:29পাওয়া যাবে এগুলা কি চার্জ ক্যারিয়ার আর
- 33:31এই চার্জ ক্যারিয়ার কি করবে তড়িৎ
- 33:33পরিবহনে অংশগ্রহণ করবে আগে তো তড়িৎ
- 33:34পরিবহন হচ্ছিলই না কক্ষ তাপমাত্রার নিচে
- 33:38বিশুদ্ধ অবস্থায় তড়িৎ পরিবহন হচ্ছিল না
- 33:39তার মানে রোধ অসীম এইবার তো আমি দেখো
- 33:44বন্ধন ভেঙে ফ্রি ইলেকট্রন ফ্রি হোল নিয়ে
- 33:46আসতে পারছি তাহলে এইবার কি হবে এইবার
- 33:49চার্জ ক্যারিয়ার পাওয়া যাবে এবার তো
- 33:50তড়িৎ পরিবহন কিছুটা হলেও করবে
- 33:52আগে তো মোটেই করছিল না। এবার তো করবে।
- 33:54তাহলে এবার কি হলো? এবার রোধ কমে গেল।
- 33:57তাহলে রোধ কমে যাবে। বুঝ? দেখ একটা এমসিকউ
- 34:03আসে সেটা হচ্ছে পরিবাহীর ক্ষেত্রে আলফা
- 34:05হচ্ছে পজিটিভ। রোধ প্রসারণ সহক আলফা কি?
- 34:08পজিটিভ। দেখ প্লাস দেওয়া হয়েছে। আর এর
- 34:11ক্ষেত্রে রোধ প্রসারণ সহক আলফা হবে
- 34:13নেগেটিভ। অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে রোদ
- 34:16প্রসারণ সহক হবে নেগেটিভ। এমসিকউ এভাবে
- 34:18আসবে। নিচের কোনটির রোধ প্রসারণ সহক
- 34:20নেগেটিভ। তো ওখানে অপশন থাকবে সিলিকন
- 34:22অ্যালুমিনিয়াম কপার ইস্পাত এরকম থাকবে তো
- 34:26কোনটা সিলিকন কারণ ওটাই অর্ধপরিবাহী তার
- 34:28রোধ প্রসারণ সহ হবে নেগেটিভ কি বুঝতে
- 34:31পারছো এইবার তোমাকে একটা জিনিস দেখাই দেখো
- 34:33এখানে কয়টা হোল বলতো কয়টা হোল একদু তন
- 34:38চার আবার ফ্রি ইলেকট্রন কয়টা একদু তন চার
- 34:42তাহলে এখানে সমান সংখ্যক দেখো এটা কিন্তু
- 34:44বিশুদ্ধ অবস্থায় দেখো এই যে বিশুদ্ধ
- 34:46অবস্থায় কক্ষতাপমাতার উপরে সমান সংখ্যক
- 34:48পজিটিভ চার্জ ক্যারিয়ার এবং সমান সংখ্যক
- 34:51নেগেটিভ চার্জ ক্যারিয়ার আছে ঠিক আছে
- 34:53সমান সংখ্যক এক দুই এক দুই দুই তিন চার
- 34:58চারটা ফ্রি ইলেকট্রন চারটা ফ্রি ইলেকট্রন
- 35:02এবং চারটা হোল চারটা হোল তো হোলের চার্জ
- 35:05কত হোলের চার্জ হচ্ছে ই প্লাস তাহলে তাহলে
- 35:09এটা হচ্ছে
- 35:11ইলেকট্রন
- 35:13চারটা আর হোল এটাও চারটা তাহলে নিট চার্জ
- 35:17কত কিউজ সমান সমান কিভাবে ইলেকট্রনের
- 35:20চার্জ মাইনাসও.6 ইনটু 10 টু দি পাওয়ার
- 35:22মাইনাস 19 গুণচ আরই প্লাস প্লাসও.6 ইনটু
- 35:2710 টু দি পাওয়ার মাইনাস 19 গুণ আবার চার
- 35:29যোগ করলে আলটিমেটলি তুমি কিউ কি পাবা?
- 35:31জিরো পাবা। তাহলে এটা কি হবে? তড়িৎ
- 35:34নিরপেক্ষ হবে। তড়িৎ নিরপেক্ষ হবে। এবং
- 35:37আরেকটা জিনিস তোমাকে একটু বুঝাই দি। এখানে
- 35:39ধর এইটা হোল বা ভ্যাক ফাকা না। এখান থেকে
- 35:42ইলেকট্রন এসে এখানে বসে যাবে। হোলটা চলে
- 35:44যাবে এখানে। এখান থেকে ইলেকট্রন এসে বসে
- 35:45যাবে। হোলটা চলে যাবে এখানে। এখান থেকে
- 35:47ইলেকট্রন এখানে বসে যাবে। হোলটা চলে যাবে
- 35:49এখানে এখান থেকে ইলেকট্রন এসে এখানে বসবে
- 35:51হোলটা চলে যাবে এখানে এখান থেকে ইলেকট্রন
- 35:53গিয়ে এখানে বসবে হোলটা চলে আসবে এখানে
- 35:54তাহলে আল্টিমেটলি হোল ভ্যাকেন্ড কই ছিল
- 35:56এখানে সেটা ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে ঘুরতে
- 35:59এখানে চলে আসছে তাহলে এইভাবে ফ্রি হয়ে
- 36:02গেছে বুঝ এইভাবে কিন্তু হোল বাট মুভ করছে
- 36:06এবার আসো এনার্জি ব্যান্ড আমরা এই
- 36:10অর্ধপরিবাহী
- 36:12তারপর পরিবাহী কুপরিবাহী এই ব্যাপারটাকে
- 36:15একটু এনার্জি ব্যান্ড তত্ত্বের সাহায্যে
- 36:17আমরা বুঝতে চাই ব্যন্ড
- 36:19ব্যান্ড তত্ব কি ধর কোন একটা এটমের
- 36:20নিউক্লিয়াস আমরা জানি নিউক্লিয়াসে
- 36:22পজিটিভ চার্জ থাকবে এইযেটা হচ্ছে
- 36:25নিউক্লিয়াস এবার এই নিউক্লিয়াসের
- 36:27চারপাশে কক্ষপথ আছে বোর মডেল অনুযায়ী
- 36:29অনুমোদিত কিছু কক্ষপথ আছে তাই এরকম
- 36:32অনুমোদিত কক্ষপথ আছেতো দেখ এই যে এটা
- 36:36নিউক্লিয়াস
- 36:39তাহলে এটা হচ্ছে প্রথম কক্ষপথ
- 36:42এটা প্রথম কক্ষপথ এই প্রথম কক্ষপথের একটা
- 36:45কিন্তু শক্তি নির্দিষ্ট শক্তি আছে এগুলো
- 36:48তোমরা কিন্তু ওই যে নবম অধ্যায় হিসাব
- 36:50করছো যে এন তম কক্ষপথের শক্তিই এন মাইনাস
- 36:55জেড স্কয়ার এমই টু দি পাওয়ার ফর
- 36:58ডিভাইডেড বাই
- 37:00ডিভাইডেড বাই এ এইচ স্কয়ার এসাইন ন
- 37:03স্কয়ার এন স্কয়ার মনে আছে এইযে সূত্র
- 37:06এনতম কক্ষপথের শক্তির সূত্র তো প্রথম
- 37:08কক্ষপথের শক্তিইও দ্বিতীয় কক্ষপথের
- 37:10শক্তিইটু এইভাবে ডট ডট ডট ডট অনেকগুলো
- 37:13কক্ষপথ আছে দিয়ে একেবারে লাস্ট কক্ষপথ
- 37:16যেটা আছে সেটাকে আমরা বলব ভ্যালন্স
- 37:19ব্যান্ড বা যোজনী কক্ষপথ। যোজ্যতা স্তর
- 37:22লাস্ট কক্ষপথ। তাহলে এই যে লাস্ট কক্ষপথটা
- 37:25এটা হচ্ছে যোজ্যতা স্তর। যোজ্যতা স্তর।
- 37:30তো এইবার শোন দেখ প্রত্যেকটা স্তরে
- 37:34প্রত্যেকটা কক্ষপথে প্রথম কক্ষপথ,
- 37:36দ্বিতীয় কক্ষপথ, তৃতীয় কক্ষপথ এই
- 37:38কক্ষপথের শক্তির কিন্তু একটা নির্দিষ্ট
- 37:40মান আছে। তাই না? তো সেই শক্তির নির্দিষ্ট
- 37:43মানটা একটা নির্দিষ্ট রেঞ্জের মধ্যে ভারি
- 37:45করে। যেমন ধর প্রথম কক্ষপথের ক্ষেত্রে
- 37:49আমরা এখানে এই যে শক্তি নিচ্ছি শক্তিই
- 37:52তাহলে প্রথম কক্ষপথের ক্ষেত্রে শক্তির
- 37:54মানটা ধর এরকম যেই প্রথম কক্ষপথ থাকতে
- 37:57গেলে বা ধর আমরা একটু উদাহরণের জন্য বলি
- 37:59যে ধর এই প্রথম কক্ষপথ হচ্ছে একটা বিল্ডিং
- 38:02এর একতলা এই একতলায় থাকতে গেলে ভাড়া দিয়ে
- 38:05থাকতে হয় 100 থেকে 200 টাকার মধ্যে ভাড়া।
- 38:08তাহলে এই যে লোয়ার লেভেলের মান হচ্ছে 100
- 38:11আর আপার লেভেলের মান হচ্ছে 200 এটা হলে
- 38:13তুমি প্রথম কক্ষপথে থাকতে পারবা। এইবার
- 38:16আসো 250 এবং 200 200র মাঝখানে কেউ থাকতে
- 38:20পারে না। এই যে 200 এবং 250 এর মাঝখানে
- 38:22কেউ থাকতে পারবে না। এবার দোতলায় যদি
- 38:24থাকতে হয় অর্থাৎ দ্বিতীয় কক্ষপথে যদি
- 38:26থাকতে হয় তাহলে তার শক্তির রেঞ্জ হবে 250
- 38:28থেকে ধর 300।
- 38:31আবার এই 300 থেকে ধর 500র মধ্যে কেউ থাকতে
- 38:33পারে না। এরকম আর কি। তাহলে এর মধ্যে কেউ
- 38:36থাকতে পারে না। তাহলে এবার তৃতীয় তলায়
- 38:37থাকতে গেলে 500 থেকে লাগবে ধর 600। 500
- 38:39থেকে 600 অর্থাৎ 510 টাকা 520 টাকা হলে
- 38:42তুমি তৃতীয় তলায় থাকতে পারবা। যদি 250
- 38:44টাকা হয় তাহলে তুমি দ্বিতীয় তলায় থাকতে
- 38:46পারবা। 260 টাকা হলে দ্বিতীয় তলায় থাকতে
- 38:49পারবা। যদি তোমার কাছে 120 টাকা থাকে
- 38:51তাহলে তুমি প্রথম তলায় থাকতে পারবা। তো
- 38:53এই কক্ষপথের এই যেইও প্রথম কক্ষপথের
- 38:56শক্তির একটা রেঞ্জ হয়। তো সেই রেঞ্জ
- 38:58নিয়ে যদি আমরা একটা ব্যান্ড অঙ্কন করি
- 39:00ব্যান্ড। এইযে ব্যান্ড। আমরা অনেক সময়
- 39:02মাথায় ব্যান্ড পড়ি। হাতে ব্যান্ড পড়ি
- 39:03না। সেরকম একটা ব্যান্ড। এরকম একটা
- 39:05ব্যান্ড যদি অংকন করি শক্তির একটা
- 39:07ব্যান্ড। তাহলে এটা হচ্ছে প্রথম কক্ষপথের
- 39:08ব্যান্ড। প্রথম কক্ষপথের শক্তি ব্যান্ড।
- 39:12প্রথম কক্ষপথের
- 39:15শক্তি ব্যান্ড
- 39:17এই যে এটা আমরা প্রথম কক্ষপথের শক্তি
- 39:19ব্যান্ডকে আকলাম ঠিক একইভাবে দ্বিতীয়
- 39:21কক্ষপথের শক্তি ব্যান্ড এটা ধরইট তাহলে
- 39:24দ্বিতীয় কক্ষপথের শক্তি ব্যান্ড এইটা
- 39:26এইটুকু রেঞ্জের মধ্যে দ্বিতীয় কক্ষপথের
- 39:28শক্তি ব্যান্ড থাকবেটা দ্বিতীয়
- 39:32কক্ষপথের ইলেকট্রনের শক্তি ব্যান্ড
- 39:36শক্তি ব্যান্ড বুঝতে পারছো এইভাবে ধর
- 39:38অনেকগুলো কক্ষপথ ডট ডট ডট ডট ডট ডট আছে
- 39:41তৃতীয় কক্ষপথ, চতুর্থ কক্ষপথ, পঞ্চম
- 39:43কক্ষপথ আছে। এইবার লাস্ট যে কক্ষপথ
- 39:46একেবারে লাস্ট এইযে লাস্ট যেটা এটাকে আমরা
- 39:49বলব ভ্যালন্স ব্যান্ড কক্ষপথ। ভ্যালন্স
- 39:52মানে যোজ্যতা এটা হচ্ছে যোজ্যতা ব্যান্ড।
- 39:56যোজ্যতা
- 39:57ব্যান্ড। বা আমরা ইভি দিয়ে লিখতেছি
- 40:00ভ্যালেন্স ব্যান্ড এনার্জি লেভেল। এইযে
- 40:02এটা হচ্ছে ভ্যালেন্স ব্যান্ড এনার্জি
- 40:03লেভেল। এবার কথা হচ্ছে ভাই আপনি বললেন
- 40:05লাস্ট কক্ষপথটা হচ্ছে ভ্যালেন্স ব্যান্ড
- 40:08এনার্জি লেভেল। লাস্ট কক্ষপথ এইযে
- 40:10ভ্যালেন্স ব্যান্ড এরপরে আরো একটা কক্ষপথ
- 40:13আছে সেটা কি তুমি একটা জিনিস চিন্তা করো
- 40:16ইলেকট্রন কই থাকতে পারে কোথায় কোথায় থাকতে
- 40:19পারে প্রথম কক্ষপতে নয়তো দ্বিতীয় কক্ষপতে
- 40:21তৃতীয় কক্ষপতে চতুর্থ কক্ষপথ পঞ্চম কক্ষপথ
- 40:23একেবারে লাস্ট কক্ষপথে তাই না লাস্ট
- 40:25কক্ষপথের পরে আর ইলেকট্রন থাকতে পারে
- 40:27হ্যাঁ পারে যে ইলেকট্রন তড়িৎ পরিবহনে অংশ
- 40:31নেয় সে কি ফ্রি তাহলে সে কি কোন কক্ষপথে
- 40:33আবদ্ধ না সে কক্ষপথ থেকে মুক্ত অর্থাৎ যে
- 40:36ইলেকট্রন মুক্ত ফ্রি ইলেকট্রন ফ্রি
- 40:39ইলেকট্রন
- 40:40ফ্রি ইলেকট্রন তাহলে তার এনার্জি লেভেলটা
- 40:43তার এনার্জির যে মানটা এনার্জির যে স্তরটা
- 40:47সে তার লাস্ট কক্ষপথের যে ইলেকট্রন
- 40:50যোজ্যটা ব্যান্ডের যোজ্যতা ব্যান্ডের যে
- 40:52শক্তি স্তর তার চেয়ে অবশ্যই বেশি তাই না
- 40:55ফ্রি ইলেকট্রন তাহলে এই যে ফ্রি ইলেকট্রন
- 40:57সে কি করে তড়িৎ পরিবহনে অংশগ্রহণ করে এই
- 41:00তড়িৎ পরিবহনে অংশগ্রহণ করাকে বলা হয়
- 41:02কন্ডাকশন তাই না তড়িৎ পরিবহন কন্ডাকশন
- 41:04তাহলে এই যে ফ্রি ইলেকট্রন তার যে এনার্জি
- 41:07লেভেলটা সেটা হবে কন্ডাকশন ব্যান্ড।
- 41:10কন্ডাকশন ব্যান্ড। কথা বুঝছো? বা বাংলায়
- 41:14বললে পরিবহন ব্যান্ড। তাহলে এই যে এর পরে
- 41:16ভ্যালন্স ব্যান্ডের পরে বোঝ ভালো করে।
- 41:19ভ্যালন্স ব্যান্ডের পরে এই যে এটার
- 41:21কক্ষপথের এইযে শেষ কক্ষপথের যোজনী
- 41:24কক্ষপথের শক্তি স্তর। ভ্যালন্স ব্যান্ডের
- 41:26পরেও তাহলে আরেকটা কক্ষপথ থাকে। তাহলে সেই
- 41:29কক্ষপথের ইলেকট্রনকে কি বলব? কোন ইলেকট্রন
- 41:32বলব? ফ্রি ইলেকট্রন। যা তড়িৎ পরিবহনে
- 41:34অংশগ্রহণ করে। এই কারণে এর শক্তিস্তরটাকে
- 41:37বলা হয় কন্ডাকশন ব্যান্ড শক্তিস্তর। তাহলে
- 41:40এইটা হচ্ছে পরিবহন ব্যান্ড। বাংলায় বললে
- 41:43এটা পরিবহন ব্যান্ড। দেখ দুটো ব্যান্ডের
- 41:48মাঝখানে দুটো ব্যান্ডের মাঝখানে কোন
- 41:50ইলেকট্রন কিন্তু এক্সিস্ট করে না। এইযে
- 41:52এইটুকুর মাঝখানে এখানে কিন্তু কোন
- 41:54ইলেকট্রন থাকতে পারবে না। হয় দেখ যেমন হয়
- 41:57লাস্ট কক্ষপথে যোজ্যতা স্তরে থাকবে। নয়তো
- 42:00সে ফ্রি হয়ে ফ্রি ইলেকট্রন হবে। যেমন
- 42:02যোজ্যতা কক্ষপতে থাকতে গেলে আমি তোমার
- 42:04একটু উদাহরণ দিয়ে বুঝাই। ধর যোজ্যতা
- 42:06কক্ষপতে থাকতে গেলে লাগবে হচ্ছে
- 42:09300 থেকে 400র মধ্যে।
- 42:13আর কন্ডাকশন ব্যান্ডে থাকতে গেলে লাগবে
- 42:15ধরো 450 থেকে 600র মধ্যে। ওকে? আমি উদাহরণ
- 42:19দেওয়ার জন্য বুঝাচ্ছি। মনে করো এমন একটা
- 42:22ইলেকট্রন পাওয়া গেল যার শক্তি দাবি করা
- 42:25হয়েছে যার শক্তি হচ্ছে 430।
- 42:28বলতো হবে। এমন একটা ইলেকট্রন যার শক্তি
- 42:31430। তার মানে সে কোথায়? এই যে 400 আর 450
- 42:34এর মাঝখানে। তো 400 আর 450 এর মাঝখানে
- 42:36মানে কি? সে ফ্রি ইলেকট্রনও না আবার
- 42:38ভ্যালেন্স ব্যান্ডের ইলেকট্রনও না। তাহলে
- 42:40সে কোথায়? সে কোথায়? যে ভাই ফ্রি ইলেকট্রন
- 42:42এবং ভ্যালেন্স ব্যান্ডের মাঝখানে তা হয়।
- 42:44ভ্যান্স ব্যান্ড থেকে মুক্ত হয়ে গেলে সেতো
- 42:46ফ্রি। ভেন্স ব্যান্ড থেকে বের হয়ে গেলে তো
- 42:48সে ফ্রি। তার মানে এই যে 400 এবং 450 এই
- 42:52400 এবং 450 এর মধ্যে কোন ইলেকট্রন আসলে
- 42:55এক্সিস্ট করে না। এই যে এই যে ব্যান্ডটা
- 42:57এই ব্যান্ডের মধ্যে কোন ইলেকট্রন এক্সিস্ট
- 42:59করে? করে না। তাহলে এই যে ব্যান্ডের মধ্যে
- 43:01ইলেকট্রন এক্সিস্ট করে না। অর্থাৎ এই
- 43:03ভ্যালেন্স ব্যান্ড এবং কন্ডাকশন ব্যান্ডের
- 43:05মাঝখানে এই যে শক্তির যে অংশটুকু শক্তির
- 43:08যে স্তরটুকু এর মাঝে কোন ইলেকট্রন
- 43:10এক্সিস্ট করে না। এটাকে বলা হয় নিষিদ্ধ
- 43:11ব্যান্ড বা ফরবিডেন ব্যান্ড। ফরবিডেন
- 43:15ব্যান্ড। বা বাংলায় বললে নিষিদ্ধ ব্যান্ড।
- 43:20নিষিদ্ধ ব্যান্ড। কারণ এখানে ইলেকট্রনের
- 43:22থাকা কি? নিষিদ্ধ। এখানে ইলেকট্রন থাকতে
- 43:25পারবে না। তাহলে বল নিষিদ্ধ ব্যান্ড কাকে
- 43:27বলে? যোজ্যতা স্তর এবং পরিবহন স্তর পরিবহন
- 43:29কক্ষপথ বা পরিবহন ব্যান্ড এর মাঝখানে যে
- 43:35ফাঁকা জায়গা যে স্তরের মধ্যে ইলেকট্রন
- 43:37এক্সিস্ট করে না ইলেকট্রন থাকতে পারে না
- 43:39সেই স্তরটাকে শক্তির সেই ব্যান্ডটাকেই বলা
- 43:41হয় নিষিদ্ধ ব্যান্ড যে এই ব্যান্ডের
- 43:42মধ্যে এই নিষিদ্ধ ব্যান্ডের মধ্যে তুমি
- 43:44এমন কোন ইলেকট্রন পাবা না অর্থাৎ কেউ যদি
- 43:45এসে দাবি করে একটা ইলেকট্রন পাওয়া গেছে
- 43:47যার এনার্জি 430 তাহলে সেটা আসলে হয় না
- 43:50এটা আসলে মিথ্যা কথা ওখানে আসলে ইলেকট্রন
- 43:52থাকতে পারবে না বুঝলাম এইবার দেখো তিনটা
- 43:55চিত্র আছে ও তাহলে তুমি আমাকে বলতো তড়িৎ
- 43:59পরিবহনে থাকার জন্য তড়িৎ পরিবাহনে
- 44:00অংশগ্রহণ করার জন্য কোন পরিবাহীর ইলেকট্রন
- 44:03এখানে আছে তাহলে সে কি তড়িৎ পরিবাহনে
- 44:05অংশগ্রহণ করবে? এই যে এখানে আছে। কোথায়?
- 44:08ভ্যালেন্স ব্যান্ডে আছে। এখানে কোন
- 44:10ইলেকট্রন আছে? না। তাহলে সে কি তড়িৎ
- 44:12পরিবহনে অংশগ্রহণ করবে? নো। তড়িৎ পরিবহনে
- 44:15অংশগ্রহণ করতে গেলে কন্ডাকশন ব্যান্ডে
- 44:17ইলেকট্রন থাকা লাগবেই। এই কন্ডাকশন
- 44:19ব্যান্ডে ইলেকট্রন থাকা লাগবে। কেন? কারণ
- 44:21কন্ডাকশন ব্যান্ডের ইলেকট্রন মানেই ফ্রি
- 44:23ইলেকট্রন। তাহলে তড়িৎ পরিবহনের জন্য
- 44:27তড়িৎ পরিবহনের
- 44:31জন্য
- 44:33কন্ডাকশন
- 44:35ব্যান্ড বা
- 44:38পরিবহন ব্যান্ডে
- 44:40পরিবহন
- 44:43ব্যান্ডে
- 44:45ইলেকট্রন থাকতে হবে
- 44:47ইলেকট্রন থাকতে হবে ডান ওকে এবার দেখ
- 44:52তিনটা চিত্র আছে
- 44:55ডট ডট ডট প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় চতুর্থ
- 44:57পঞ্চম কক্ষপথ আছে এখানে আমরা জাস্ট দুইটা
- 44:59আখছি এটা হচ্ছে ভেলেন্স ব্যান্ড এটা হচ্ছে
- 45:01কন্ডাকশন ব্যান্ড ডট ডট ডট এখানে অনেকগুলো
- 45:04কক্ষপথ আছে প্রথম দ্বিতীয় তৃতীয় আছে
- 45:06ওগুলো আমরা আকি নাই আমরা লাস্ট দুইটা আখছি
- 45:09ভ্যালেন্স ব্যান্ড কন্ডাকশন ব্যান্ড
- 45:12ডট ডট ডট ডট ভ্যালেন্স ব্যান্ড
- 45:15কন্ডাকশন ব্যান্ড বলতো কোনটা পরিবাহী
- 45:18কোনটা অর্ধপরিবাহী আর কোনটা কুপরিবাহী বল
- 45:22কোনটা পরিবাহী কোনটা অর্ধপরিবাহী এবং
- 45:24কোনটা কুপরিবাহী
- 45:26এটা পরিবাহী এটা পরিবাহী দেখো এটা কেন
- 45:31পরিবাহী কারণ এর এই যে ভ্যালেন্স ব্যান্ডে
- 45:35ভেন্স ব্যান্ড এবং কন্ডাকশন ব্যান্ড দুইটা
- 45:37ওভারল্যাপ করছে দুইটা ওভারল্যাপ করছে এটা
- 45:39বুঝতে পারতে এইটা এইযে ওভারল্যাপ করতেছে
- 45:42একটার পরে একটা চলে আসছে একটার পরে একটা
- 45:45এরকম যদি ওভারল্যাপ করে যায় এইযে
- 45:47ওভারল্যাপ যদি করে তাহলে কি হচ্ছে তাহলে
- 45:50কিছু ইলেকট্রন আছে দেখ যে ইলেকট্রনগুলা
- 45:52আসলে ভ্যালেন্স ব্যান্ডের ছিল তাই না? যে
- 45:55ইলেকট্রনগুলা কি ছিল? ভ্যালেন্স ব্যান্ডে
- 45:57ছিল। তাহলে সেই ইলেকট্রনগুলা কোথায় চলে
- 45:59গেছে? কন্ডাকশন ব্যান্ডে চলে গেছে। কারণ
- 46:01ওভারল্যাপ করছে। ভালো করে বুঝো। জিনিসটা
- 46:03ভালো করে বুঝবা। ওভারল্যাপ করছে না এই
- 46:05জায়গাটা। তাহলে এই জায়গায় যে ইলেকট্রনগুলা
- 46:07ছিল ইলেকট্রনগুলো তো আসলে নিচের কক্ষপথ
- 46:10ভ্যালেন্স ব্যান্ডে ছিল। সেই ইলেকট্রনগুলা
- 46:12একই সাথে এখন কন্ডাকশন ব্যান্ডে আছে। কারণ
- 46:13কন্ডাকশন ব্যান্ড এবং ভ্যালেন্স ব্যান্ড
- 46:15পরস্পর ওভারল্যাপ করে গেছে। তো এরকম যদি
- 46:17ওভারল্যাপ করে যাই তাহলে সেটা হচ্ছে
- 46:18পরিবাহী খুব ভালো তড়িৎ পরিবহন করে। এর
- 46:21কন্ডাকশন ব্যান্ডে ইলেট্রন আছে। এইবার দেখ
- 46:24ব্যালেন্স ব্যান্ড এবং কন্ডাকশন ব্যান্ড
- 46:25ওভারল্যাপ করেনি। তাদের মধ্যে একটা
- 46:27পার্থক্য আছে। এই যে এতটুকু একটা পার্থক্য
- 46:30আছে। এই যে পার্থক্যটা এই পার্থক্যটা
- 46:32হচ্ছে 1.1 ইলেকট্রো ভোল্টের কম। 1.1
- 46:37ইলেকট্রো ভোল্ট তার থেকে কম। এইটুকুর
- 46:39পার্থক্য মান। তো এবার কন্ডাকশন ব্যান্ড
- 46:42এবং ভ্যালেন্স ব্যান্ডের মধ্যে একটা
- 46:43পার্থক্য আছে। বাট খুবই কম পার্থক্য।
- 46:46ইলেকট্রন আছে কোথায়? ভ্যালেন্স ব্যান্ডে।
- 46:49এইবার যদি কি করা হয়? একটু যদি ঠেলাঠেলা
- 46:52দেওয়া হয় মানে ধরো তুমি তাপ দিলা হিট
- 46:54দিলা
- 46:56কক্ষ তাপমাত্রার নিচে সব ইলেকট্রনগুলা
- 47:00কক্ষ তাপমাত্রার নিচে সব ইলেকট্রনগুলা
- 47:02কক্ষপথে আছে কক্ষ তাপমাত্রার নিচে বন্ধনজন
- 47:05ইলেকট্রন এবার যখনই আমি একটু হিট দিব তখন
- 47:09ইলেকট্রনগুলা কি ফ্রি তাহলে ইলেকট্রনগুলো
- 47:12ফ্রি হলে সেটা কোন ব্যান্ডের বল কন্ডাকশন
- 47:15ব্যান্ডের একটু যদি হিট দেওয়া হয় তাপ
- 47:17দেওয়া হয় তাহলে ইলেকট্রনগুলো ঢুকে যাবে
- 47:19কোথায় এইযে এইযে কন্ডাকশন ব্যান্ডে ঢুকে
- 47:21যাবে এবং যখন ইলেকট্রনগুলা কন্ডাকশন
- 47:23ব্যান্ডে চলে যাইতে পারবে তখন আমি
- 47:25কন্ডাকশন ব্যান্ডে ইলেকট্রন পেয়ে যাবো আর
- 47:27কন্ডাকশন ব্যান্ডে ইলেকট্রন পাইলে তড়িৎ
- 47:29পরিবহন হবে। তাহলে এইটা হবে অর্ধপরিবাহী।
- 47:33যে হ্যাঁ।
- 47:35বিশুদ্ধ অবস্থায় কক্ষ তাপমাপত্রার নিচে
- 47:36সবই ছিল ভেলেন্স ব্যান্ডে। কিন্তু একটু
- 47:39হিট দিলেই কন্ডাকশন ব্যান্ডে ইলেকট্রন চলে
- 47:40গেছে। তাহলে এটা তড়িৎ পরিবহন করবে।
- 47:42কিন্তু এর মত অত ভালো না। কিন্তু তারপরেও
- 47:44করবে। তাহলে সে হচ্ছে অর্ধপরিবাহী। কি
- 47:47ক্লিয়ার? আর এটা কি? এটার এই ভ্যালেন্স
- 47:50ব্যান্ড এবং কন্ডাকশন ব্যান্ডের মধ্যে
- 47:51এনার্জির গ্যাপ বিশাল। এটা হচ্ছে ধরছয়
- 47:54থেকে 15 ইলেকট্রো ভোল্ট। এরকম একটা গ্যাপ।
- 47:56আমাদের বইয়ে এটাই আছে। এরকম গ্যাপ যদি
- 47:58থাকে তাহলে তুমি হাজার চেষ্টা করো এই
- 48:01কন্ডা ভ্যালেন্স ব্যান্ডের ইলেকট্রনকে
- 48:04যোজ্যতা স্তরের ইলেকট্রনকে তুমি কন্ডাকশন
- 48:06ব্যান্ডে নিতে পারবা না। এটাও ইমপসিবল।
- 48:09ধরো আমার মত গরিব। আমাকে আমাকে তুমি
- 48:12আম্বানী বানাইতে পারবা। টাকা পয়সা দিয়ে?
- 48:15পারবা না। ঠিক আছে? আমাকে যতই তুমি মনে
- 48:17করো টাকা পয়সা দাও না কেন আমাকে তুমি বিল
- 48:19গেটস বানাইতে পারবা না। এখান থেকে ঠেলে
- 48:21ইলেকট্রনকে কন্ডাকশন ব্যান্ডে পাঠানো খুব
- 48:23মুশকিলের ব্যাপার। কারণ বিশাল এনার্জি
- 48:25গ্যাপ। এনার্জি গ্যাপ যদি একটু কম থাকতো
- 48:27তাহলে হিট দিলেই ইলেকট্রন ফ্রি হয়ে চলে
- 48:30যাইতো। তাহলে এখান থেকে আসলে ফ্রি
- 48:32ইলেকট্রন পাওয়া যাবে না। তুমি যদি ফ্রি
- 48:34ইলেকট্রন পাওয়ার জন্য ধর একটা কাঠ। একটা
- 48:36কাঠের টুকরা। ঠিক আছে? ধর এরকম একটা কাঠের
- 48:38টুকরা। কাঠ। এই কাঠের দুই পাশে যদি একটা
- 48:42ব্যাটারি বসায় দাও। দিয়ে এই ব্যাটারির
- 48:43ভোল্টেজ বাড়াও বাড়াও বাড়াও বাড়াও ভোল্টেজ
- 48:45বাড়াতে থাকো বাড়াতে থাকো তাহলে তড়িৎ
- 48:49প্রবাহ তো পাবাই না উল্টা দেখবা কারটা
- 48:51একসময় পুড়ে গেছে ঠিক আছে তড়িৎ প্রবাহ
- 48:54এখানে পাওয়া যাবে না তাহলে এখানে কোন ফ্রি
- 48:55ইলেকট্রন আসলে পাওয়া যাবে না তাহলে কোন
- 48:58চার্জ ক্যারিয়ার পাওয়া যাবে না
- 49:01কোন
- 49:03চার্জ ক্যারিয়ার
- 49:05বা কন্ডাকশন ব্যান্ড ইলেকট্রন কোনভাবেই
- 49:07পাওয়া যাবে না কোন চার্জ ক্যারিয়ার পাওয়া
- 49:09যাবে তাহলে বুঝতে পারছো তাহলে এটা কি এটা
- 49:11হচ্ছে কুপরিবাহী
- 49:13বা ইনসুলেটর
- 49:15কুপরিবাহী বা ইনসুলেটর ডান
- 49:20আমরা কি চাই অর্ধপরিবাহী দিয়ে তড়িৎ
- 49:22পরিবহন চাই তো অর্ধপরিবাহী দুই ধরনের হয়
- 49:26একটা হচ্ছে অন্তর্জাত অর্ধপরিবাহী বা
- 49:28ইন্ট্রিনসিক সেমিকন্ডাক্টর আরেকটা হচ্ছে
- 49:31বহির্জাত অর্ধপরিবাহী বা এক্সট্রিনসিক
- 49:33সেমিকন্ডাক্টর
- 49:36সহজ কথা বিশুদ্ধ এবং ভেজাল যেটা অন্তর্জাত
- 49:41সেটা সেটা হচ্ছে বিশুদ্ধ। এটা হচ্ছে
- 49:43বিশুদ্ধ। বিশুদ্ধ অর্থ পরিবাহী। আর আরেকটা
- 49:47হচ্ছে বহির্জাত মানে ভেজাল মিশানো। ডোপিং
- 49:49করা। ভেজাল মিশানো। এই ভেজাল মিশানোর
- 49:52ব্যাপারটাকে বলা হয় ডোপিং করা।
- 49:57ডোপিং করা। কেন ডোপিং করা কেন? দেখো বল।
- 50:02ভেজাল মিশানো ভালো না খারাপ? এবার ভেজাল
- 50:05মিশানো তো খারাপ? হ্যাঁ খারাপ। কিন্তু
- 50:08ক্ষেত্রবিশেষে ভেজাল মিশানোটা ভালো। কেন
- 50:10ভালো? তুমি অর্ধপরিবাহী দিয়ে তড়িৎ
- 50:13পরিবহন চাও না। এটাই তো আমাদের টার্গেট।
- 50:16যে ভাই আমরা অর্ধপরিবাহী দিয়ে তড়িৎ
- 50:17পরিবহন চাই। অর্ধপরিবাহী দিয়ে তড়িৎ
- 50:20পরিবহন কেন চাই? কেন অর্ধপরিবাহী দিয়ে
- 50:22কেন চাই? আমি তো পরিবাহী দিয়েই তড়িৎ
- 50:25পরিবহন পাচ্ছি। অর্ধপরিবাহী দিয়ে কেন
- 50:27লাগবে? দেখ বর্তমান যুগ হচ্ছে
- 50:29ইলেকট্রনিক্সের যুগ। আমরা যে বাসাবাড়িতে
- 50:33বিভিন্ন ইলেকট্রিক্যাল ইকুইপমেন্ট গুলো
- 50:34ব্যবহার করি। ম্যাক্সিমাম
- 50:37মানে ইকুইপমেন্ট গুলা ইলেকট্রনিক।
- 50:40এই যে ইলেকট্রনিক ইকুইপমেন্ট গুলা এগুলার
- 50:43বেস বা ভিত্তি আসলে সেমিকন্ডাক্টর। কারণ
- 50:45এই ইলেকট্রনিক ইকুইপমেন্ট গুলার ক্ষেত্রে
- 50:47আমাদের সবচেয়ে যে জিনিসটা দরকার হয় সেটা
- 50:49হচ্ছে কন্ট্রোল। কন্ট্রোল মিন্স আমরা চাই
- 50:52কারেন্ট এখন যাবে না। কন্ট্রোল করতে চাই,
- 50:54বাড়াইতে চাই, কমাইতে চাই, কন্ট্রোল করতে
- 50:56চাই। আমরা চাই এসি না ডিসি হবে? কন্ট্রোল
- 50:59করতে চাই। আমরা চাই ডিসি হইলেও ডিসির যেন
- 51:02পিক ভ্যালুটা কমে যায়। আমরা শারপ ডিসি
- 51:05চাই। আমরা স্কয়ার ডিসি চাই স্কয়ার চাই।
- 51:09বিভিন্ন জিনিস ভাই আমরা চাই। এটা ধরো
- 51:13পরিবাহীর ক্ষেত্রে এই কন্ট্রোলটা করা যায়
- 51:15না। কিন্তু অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে এটা
- 51:17যায়। আমরা বিভিন্ন ধরনের অর্ধপরিবাহী
- 51:19দিয়ে বিভিন্ন ধরনের ইলেকট্রনিক
- 51:21ইকুইপমেন্ট আমরা তৈরি করি। এই যে মোবাইল
- 51:23বল, টেলিফোন বল, রেডিও বল, কম্পিউটার বল
- 51:26যাই বলো না কেন। সবকিছুর মধ্যে দেখবা যে
- 51:30বিভিন্ন ডায়োড তারপর ট্রানজিস্টর,
- 51:33অপ্যাম্প, আইসি। ঠিক আছে? লজিক গেট এরকম
- 51:37বিভিন্ন জিনিস থাকে আসলে। তো আমরা এই
- 51:39জিনিসটা চাই। তো এর জন্য আসলে আমাদের এই
- 51:42অর্ধপরিবাহী লাগবে। অর্ধপরিবাহীর পাওয়ার
- 51:45কনজামশনটা কম। পরিবাহীর পাওয়ার কনজামশনটা
- 51:48অনেক বেশি। অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে
- 51:50পাওয়ারটাকে কন্ট্রোল করা কারেন্ট ভোল্টেজ
- 51:52কন্ট্রোল করাটা আমাদের সুবিধাজনক। তো এই
- 51:55কারণে আমরা অর্ধপরিবাহীতে তড়িৎ পরিবহন
- 51:56চাই। এখন অর্ধপরিবাহী দিয়ে তড়িৎ পরিবহন
- 51:58কি আমরা পাচ্ছি না? পাচ্ছি? বিশুদ্ধ
- 52:01অবস্থায় কক্ষ তাপমাত্রার নিচে পাচ্ছি না।
- 52:03বিশুদ্ধ অবস্থায় কক্ষ তাপমাত্রার উপরে
- 52:05গেলে পাচ্ছি। তাহলে চিন্তা করো কেউ মনে
- 52:08করো একটা মোবাইল ফোনের মধ্যে একটা
- 52:10ট্রান্জিস্টর আছে সেই ট্রান্জিস্টর বা
- 52:13মোবাইল ফোনের যে প্রসেসর সেই প্রসেসরের
- 52:15মধ্যে ধরো সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে কোন কিছু
- 52:17তৈরি করা আছে। তো যদি সেটা বিশুদ্ধ
- 52:20সেমিকন্ডাক্টর দিয়ে তৈরি করা হয়। তো
- 52:22কক্ষ তাপমাত্রার নিচে তো সেটা কাজ করবে
- 52:24না। এখন ওই মোবাইল ফোন নিয়ে তুমি ধরো যে
- 52:26শীত প্রধান কোন দেশে গেছো আইসল্যান্ড বা
- 52:28গ্রীনল্যান্ডে গেছো ওইখানে গিয়ে দেখতেছো
- 52:31তাপমাত্রা কক্ষ তাপমাত্রার নিচে। তাহলে ওই
- 52:33ফোনের ভিতর যে প্রসেসর আছে ওতো কাজই করবে
- 52:35না। কেন? কারণ বিশুদ্ধ পরিবাহী
- 52:36অর্ধপরিবাহী দিয়ে তুমি তৈরি করছো। কক্ষ
- 52:38তাপমাত্রার নিচে তো ওখান থেকে তড়িৎ
- 52:39পরিবহন পাওয়া যাবে না। তাহলে ওটা কি তুমি
- 52:41মাইক্রোভেনের মধ্যে দিয়ে একটু গরম টরম
- 52:43করে তারপরে মোবাইল ফোন চালু করবা। প্রসেসর
- 52:46কাজ করাবা না। এটা তো ভালো সলুশন না।
- 52:48ইয়েস এটাই তো কথা। এটা তো ভালো কোন
- 52:51সলিুশন না। আমরা ভালো বেটার সলিউশন চাই।
- 52:53এই কারণে আমরা কি করব? বিশুদ্ধ
- 52:54অর্ধপরিবাহী নিয়ে কাজ করবো না। ওই
- 52:56বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীর মধ্যে ভেজাল মিশাবো।
- 52:59ভেজাল মিশাইলে স্থায়ীভাবে চার্জ
- 53:01ক্যারিয়ার পাব। বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহীতে
- 53:03আমরা স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ার পাই না।
- 53:04দেখো বিশুদ্ধ অর্ধপরিবাহী যেটা তার মধ্যে
- 53:07কোন ভেজাল নেই। সিলিকন। এই যে সিলিকন। তো
- 53:12এটা হচ্ছে বিশুদ্ধ অবস্থা। তো তুমি দেখতো
- 53:14বিশুদ্ধ অবস্থায় এর মধ্যে কোন ফ্রি
- 53:17ইলেকট্রন কক্ষ তাপমাত্রা নিচে থাকে না। এই
- 53:20যে এগুলো হচ্ছে ফ্রি ইলেকট্রন। সরি এগুলো
- 53:22হচ্ছে ইলেকট্রন।
- 53:24এই এই ইলেকট্রনগুলো বন্ধন জোড়। তাহলে কি
- 53:27হলো? তাপ দিলে বন্ধন ভেঙে আসবে। তাপ দিলে
- 53:29বন্ধন ভেঙ্গে আসবে। তাহলে আমি যদি একটু
- 53:31হিট দিই হিট দিলেই বন্ধন ভাঙবে।
- 53:35তাহলে দেখ এই যে এখান থেকে একটা ইলেকট্রন
- 53:39বের হয়ে আসলো। এখান থেকে একটা ইলেকট্রন
- 53:41বের হয়ে আসলো। তাহলে এই দুইটা হচ্ছে ফ্রি
- 53:44ইলেকট্রন। তাহলে দুটো ফ্রি ইলেকট্রন। দুটো
- 53:46হোল বা ভ্যাকন্ট। এটা হচ্ছে কক্ষ
- 53:48তাপমাত্রার উপরে। যখনই কক্ষ তাপমাত্রা
- 53:51নিচে হবে তখন এই ইলেকট্রন গিয়ে টুপ করে
- 53:53এখানে বসে পড়বে। এই ইলেকট্রন গিয়ে টুপ করে
- 53:54এখানে বসে পড়বে। আমি আবার কোন চার্জ
- 53:57ক্যারিয়ার আর পাবো না। আমার তো ভাই চার্জ
- 53:59ক্যারিয়ার দরকার। তো ঠিক আছে? কক্ষ
- 54:01তাপমাত্রার উপরে ঠিক আছে। চার্জ ক্যারিয়ার
- 54:03পাওয়া যাচ্ছে। কিন্তু কক্ষ তাপমাত্রা নিচে
- 54:04চলে গেলে আর চার্জ ক্লিয়ার থাকছে না। ঠিক
- 54:06আছে? কক্ষ তাপমাত্রার
- 54:10বিশুদ্ধ অবস্থায় কক্ষ তাপমাত্রার
- 54:14উপরে
- 54:16চার্জ ক্যারিয়ার পাওয়া যাচ্ছে।
- 54:19চার্জ ক্যারিয়ার আছে। কিন্তু কক্ষ
- 54:22তাপমাত্রার নিচে নেই।
- 54:25কিন্তু কক্ষ
- 54:28তাপমাত্রার
- 54:30নিচে আর চার্জ ক্যারিয়ার নেই।
- 54:33তো এইটা তো ভাই হলো না। আমরা স্থায়ী
- 54:36চার্জ ক্যারিয়ার চাই। সি এ আর আই
- 54:40আমরা স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ার চাই।
- 54:44আমাদের স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ারটা দরকার।
- 54:47তো কি করা যায়? স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ার
- 54:48পাওয়ার জন্য আমরা ডোপিং করব। ভেজাল
- 54:50মিশাবো। তাহলে ভেজাল মিশানো কি? ভালো।
- 54:53জনগণের কল্যাণে ভালো। আমরা এখন জনগণের
- 54:56কল্যাণ করতে চাই। এই কারণে আমরা ভেজাল
- 54:58মিশাবো। এবার তুমি আমাকে বলতো বিশুদ্ধ
- 55:01অর্ধপরিবাহী অন্তর্জাত অর্ধপরিবাহী তড়িৎ
- 55:03নিরপেক্ষ নাকি
- 55:06পজিটিভ বা নেগেটিভ বল তড়িৎ নিরপেক্ষ নাকি
- 55:09পজিটিভ টাইপ নেগেটিভ টাইপ কোনটা তড়িৎ
- 55:12নিরপেক্ষ কেন কারণ দেখো দুটো ফ্রি
- 55:14ইলেকট্রন ইলেকট্রন কয়টা
- 55:18ইলেকট্রন ইলেকট্রন মানে নেগেটিভ চার্জ
- 55:20ক্যারিয়ার ইলেকট্রন কয়টা দুইটা দুইটা
- 55:22মানে চিন্তা কর 2 লক্ষ ইলেকট্রন আর হোল বা
- 55:25ভ্যাকান কয়টা হোল বা ভান দুইটা আলমেটলি
- 55:28একটা পজিটিভ চার্জ একটা নেগেটিভ চার্জ ঠিক
- 55:30আছে একটা পজিটিভ চার্জ একটা নেগেটিভ চার্জ
- 55:34টু এটা হচ্ছে মাইনাস আর এটা হচ্ছে প্লাস
- 55:36তাই না দুইটা ইলেকট্রন তাহলেট
- 55:41মাইনাস আর এটাট প্লাস আর তো যোগ করলে
- 55:44আল্টিমেটলি কোন চার্জ নেই কিউ হবে কত জ
- 55:47তাহলে এটা তড়িৎ নিরপেক্ষ বুঝতে পারছো এটা
- 55:50এটাও আগে একবার বলছি কিন্তু তড়িৎ
- 55:52নিরপেক্ষ
- 55:54দুটো ইলেকট্রন তো তার চার্জ হবে মাইনাস প6
- 55:57ইট পাওয়ার মাই 19 দুটো হোল বা
- 56:00ভ্যাকন্ট তাহলে তার চার্জ হচ্ছে প্লাসও প6
- 56:03ইটার মাইনাস 19 যোগ করলে জির তার মানে
- 56:07তড়িৎ নিরপেক্ষ এইবার আস বহির্জাত বা
- 56:11ভেজাল মিশ্রিত এক্সট্রিনসিক এটা দুই ধরনের
- 56:14হয় আমরা ভেজাল মিশাব এই ভেজাল মিশানোটাকে
- 56:17বলা হয় ডোপিং করা তাহলে স্থায়ী চার্জ
- 56:19ক্যারিয়ারের জন্য আমরা বিশুদ্ধ
- 56:20অর্ধপরিবাহীর সাথে অপদ্রব্য বা ভেজাল
- 56:23হিসাবে ত্রিযোজী বা পঞ্চযোজী মৌল মিশাবো
- 56:25তাহলে আমরা স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ার
- 56:27পেয়ে যাব
- 56:28এই ডোপিং ব্যাপারটা আসছে এইযে ডোপ টেস্ট
- 56:30না এই ডোপ টেস্ট আসছে ডোপিং থেকে যেমন
- 56:33দেখবা বিভিন্ন জায়গায় ডোপ টেস্ট করে কেন
- 56:36ডোপ টেস্ট করে কারণ এই যে কেউ মাদক সেবন
- 56:39করে কিনা কারো রক্তে মনে কর ভেজাল টেজাল
- 56:41আছে কিনা মাদক আছে কিনা এটার জন্য বিশুদ্ধ
- 56:43মানে রক্তে বিশুদ্ধ রক্তে থাকা উচিত এখন
- 56:45ওটা টেস্ট করলে বোঝা যাবে যে রক্তের মধ্যে
- 56:46ভেজাল আছে রক্তের মধ্যে মাদক আছে তো এই
- 56:49মাদক আছে কিনা এটার বোঝার জন্য ডোপ টেস্ট
- 56:51করা হয় ডোপ টেস্ট মানে ভেজাল টেস্ট ডপিং
- 56:54থেকে কথাটা আসছে ঠিক আছে তাহলে আমরা ডোপিং
- 56:56করে যদি আমরা ত্রি যদি মৌল মিশাই ত্রি যদি
- 56:59মৌল মিশাই তাহলে ত্রি যদি মৌল মিশালে সেটা
- 57:04হবে পি টাইপ অর্ধপরিবাহী
- 57:08পি টাইপ
- 57:10অর্ধপরিবাহী।
- 57:12আর যদি আমরা পঞ্চ যদি মৌল মিশাই
- 57:18ভেজাল হিসাবে বা অপদ্রব্য হিসেবে পঞ্চ যদি
- 57:21মৌল মিশাই তাহলে সেটা হবে এন টাইপ।
- 57:26এন টাইপ অর্ধপরি
- 57:28বাহী কথা কি বুঝলা এবার আসো এই এন টাইপ আর
- 57:32পি টাইপ দেখ এন টাইপ অর্ধপরিবাহী ওটা পি
- 57:35টাইপ অর্ধপরিবাহী এখনো কিন্তু কোন এন টাইপ
- 57:37পি টাইপ হয়নি বোর্ডে থাকো ভালো করে বোর্ডে
- 57:39থাকো দেখ এটা হচ্ছে একটা বিশুদ্ধ সিলিকনের
- 57:42ক্রিস্টাল সিলিকন চারপাশে চারটা সিলিকনের
- 57:46সাথে ইলেকট্রন শেয়ার করছে সিলিকন চারপাশে
- 57:48চারটা সিলিকনের সাথে ইলেকট্রন শেয়ার করে
- 57:50অষ্টক পূর্ণ করছে বুঝছো তো এইবার আমরা
- 57:54প্রথমে দেখো একটু কক্ষ তাপমাত্রার আগে
- 57:56উপরে দেখাই। কোন ভেজাল আমি কিন্তু এখনো
- 57:58মিশাইনি। তো কক্ষ তাপমাত্রার উপরে থাকতে
- 58:00পারে না? ভেজাল মিশাইনি। মিশাইনি এখনো।
- 58:03মিশায়নি কিন্তু তাও কক্ষ তাপমাত্রার উপরে
- 58:05থাকতে পারে না। তাহলে এখানে কি কোন চার্জ
- 58:06ক্যারিয়ার থাকবে না? থাকবে তো? কক্ষ
- 58:08তাপমাত্রার উপরে হলে তো এমনি এমনি চার্জ
- 58:09ক্যারিয়ার পাওয়া যাবে। কিন্তু সমান সংখ্যক
- 58:13পজেটিভ চার্জ ক্যারিয়ার। সমান সংখ্যক
- 58:15নেগেটিভ চার্জ ক্যারিয়ার। তাহলে আমি সেটা
- 58:16একটু দেখাই। এই যে বন্ধন কক্ষ তাপমাত্রার
- 58:19উপরে এই দেখো। এই বন্ধনটা ভাঙলাম। আর এই
- 58:22বন্ধনটা ভাঙলাম। দুটো বন্ধন ভেঙ্গে দেখাই।
- 58:24তাহলে কক্ষ তাপমাত্রার উপরে দুটো বন্ধন
- 58:28ভেঙে ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে আসতেছে।
- 58:32তাহলে এখান থেকে একটা ইলেকট্রন আর এখান
- 58:34থেকে একটা ইলেকট্রন মুক্ত হয়ে আসবে। এই
- 58:36ফ্রি ইলেকট্রনগুলোকে আমি একটু অন্য কালার
- 58:38দিয়ে দেখাচ্ছি বোঝার জন্য। দেখ তাহলে
- 58:40বলতো কক্ষ তাপমাত্রার উপরে। এইযে এখন
- 58:43কয়টা ফ্রি ইলেকট্রন? দুটো ফ্রি ইলেকট্রন?
- 58:45দুটো হোল। সমান সংখ্যক। যতটুকু পজেটিভ
- 58:48চার্জ ক্যারিয়ার ততটুকুই কিন্তু নেগেটিভ
- 58:50চার্জ ক্যারিয়ার। মাথায় রেখো কথাটা।
- 58:52এইবার আসো এটা কি স্থায়ী বল এটা কি
- 58:55স্থায়ী সমাধান? স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ার
- 58:58আমি পাচ্ছি নো। স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ার
- 59:00আমি পাচ্ছি না। কক্ষ তাপমাত্রার উপরে দুটো
- 59:02ফ্রি ইলেকট্রন দুটো হোল বা ভ্যাকেন্ট।
- 59:05কক্ষ তাপমাত্রার নিচে গেলে ওই দুটো
- 59:07ইলেকট্রন টুপ করে আবার ফাঁকা চেয়ারে
- 59:09গিয়ে হোল বা ভ্যাকেন্টে গিয়ে বসে পড়বে।
- 59:11তখন আমি আর চার্জ ক্যারিয়ার পাবো না।
- 59:13তাহলে স্থায়ী সলুশন তো হলো না। স্থায়ী
- 59:15সলুশন চাই। এর জন্য আমরা এন টাইপ
- 59:18অর্ধপরিবাহী তৈরি করব। কিভাবে ভেজাল
- 59:20মিশাবো কেমন ভেজাল পঞ্চযোজী মৌল পঞ্চযোজী
- 59:24মৌল পঞ্চযোজী মৌল যেমন ধর আরসেনিক আরসেনিক
- 59:28হচ্ছে পঞ্চযোজী মৌল তাহলে আমরা কি করব এর
- 59:31মধ্যে ডোপিং করব আরসেনিক মিশায় দিব তাহলে
- 59:35ধরো এই জায়গাটাতে আমি আরসেনিক মেশাবো
- 59:37একটা আর এই জায়গাটাতে ধর একটা আর্সেনিক
- 59:40মিশায় দিব তাহলে এই যে এস ঠিক আছে এই যে
- 59:45এখানে একটা এস এইবার বোর্ডে দেখ আরসেনিকে
- 59:49লাস্ট কক্ষপথ ইলেকট্রন কয়টা আছে? লাস্ট
- 59:51কক্ষপথে ইলেকট্রন পাঁচটা। পঞ্চতি মৌল।
- 59:54তাহলে ব্যাপারটা বোঝো এবার। সিলিকন তো
- 59:57চারটা ইলেকট্রন দিবে। কিন্তু আর্সেনিকের
- 1:00:00আছে এক দুই তিন চার আরো একটা পাঁচটা।
- 1:00:05এইবার শোনো সবসময় মৌল চাইবে সুস্থিত
- 1:00:08অবস্থা অর্জন হইতে। বলতো সুস্থিত অবস্থা
- 1:00:11কখন অর্জন হয়? যখন অষ্টক পূর্ণ করে। লাস্ট
- 1:00:13কক্ষপথে আটটা থাকলে সুস্থিত অবস্থা অর্জন
- 1:00:15হয়। এবার তুমি বলতো এর লাস্ট কক্ষপথে এখন
- 1:00:18ইলেকট্রন কয়টা আছে? নয়টা। একদু তন চার পাচ
- 1:00:22ছয় সাত আট। অষ্টক পূর্ণ করার পরও আরসেনিক
- 1:00:25যেহেতু পঞ্চ যদি তাহলে আরো একটা আছে।
- 1:00:27তাহলে টোটাল কয়টা আছে? পাঁচটা। এবার অষ্টক
- 1:00:29পূর্ণ হওয়ার জন্য কি হবে জান? সাতটা হইলে
- 1:00:32যদি সাতটা থাকতো। যদি সাতটা থাকতো তাহলে
- 1:00:36মেরে আরেকটা নিয়ে আসতো। আর যদি আটটা নয়টা
- 1:00:39থাকে তাহলে একটা বের করে দিবে। একটা
- 1:00:40উদাহরণ চিন্তা কর। ধর একটা বাস। ঢাকা থেকে
- 1:00:43রাজশাহী যাবে। বাসে সিট হচ্ছে আটটা লোক
- 1:00:47উঠছে নয়জন একজন দাঁড়ায় আছে লং রুট একজন
- 1:00:51লোক দাড়ায় দাঁড়ায় যাবে এইটা আসলে নিয়ম নাই
- 1:00:54বাসের কোন যাত্রীও এটা সহ্য করবে না তাহলে
- 1:00:56কি হবে বাসের সব যাত্রী মিলে বলবে ভাই
- 1:00:58তুমি নামো ড্রাইভার বা কন্ট্রাক্টর ওরে
- 1:01:00নামায় দিবে ঠিক আছে যেহেতু নিয়ম কি আটটা
- 1:01:02সিট আটটা সিটে আটজন যাইতে পারবে বেশি
- 1:01:04যাইতে পারবে না তাহলে তখন ওই লোকটা নেমে
- 1:01:06যাবে ঠিক তেমনি এই ইলেকট্রনটাই হচ্ছে সেই
- 1:01:09বারডেন তখন এই আরসেনিক কি করবে অষ্টক
- 1:01:11পূর্ণ হয়ে থাকার জন্য ওই যে ইলেক্ট্রনটা
- 1:01:14ইলেট্রন তখন বের করে দিবে তখন ওই
- 1:01:16ইলেকট্রনটা আসলে ফ্রি হয়ে থাকবে এই
- 1:01:19ইলেকট্রনটা কিন্তু আর্সেনিকের সম্পত্তি
- 1:01:20ছিল সে ত্যাগ করে দিছে ত্যাগ করে দিলে সে
- 1:01:23ইলেকট্রন ত্যাগ করে দিছে তাহলে সে কি
- 1:01:24চার্জ হয়ে গেছে ইলেকট্রন ত্যাগ করে
- 1:01:26পজিটিভ চার্জ হয়ে গেছে তাহলে এটা কিন্তু
- 1:01:27এখন আর আর্সেনিক আয়ন মানে এটম নেই সে
- 1:01:30কিন্তু এখন আয়ন এই কারণে আমরা গোল্লা
- 1:01:32দিলাম বলতো এই আর্সেনিকটা কি এটা কিন্তু
- 1:01:34চার্জ বাট নট চার্জ ক্যারিয়ার কেন কারণ
- 1:01:36এটা মুভ করে এখানে আসতে পারবে না এটা মুভ
- 1:01:38করে এখানে যাইতে পারবে না বুঝলা এটা মুভ
- 1:01:40করতে পারবে না তাহলে এটা কিন্তু আয়ন এবং
- 1:01:42চার্জ নট চার্জ ক্যারিয়ার কে চার্জ
- 1:01:44ক্যারিয়ার এই যে ফ্রি ইলেকট্রন এই হচ্ছে
- 1:01:46চার্জ ক্যারিয়ার তো আমি দেখো যে কটা
- 1:01:49আর্সেনিক ঢুকাবো সেই কটা ফ্রি ইলেকট্রন
- 1:01:51পাওয়া যাবে ঠিক একইভাবে এই আরসেনিকের
- 1:01:53লাস্ট কক্ষপ ইলেকট্রন আছে পাচটা সে কি
- 1:01:55করবে একটা ইলেকট্রনকে ত্যাগ করে দিবে দান
- 1:01:58করে দিবে যখন এটাকে ত্যাগ করে দিবে তখন
- 1:02:00এটা হয়ে যাবে প্লাস আয়ন তাহলে এইবার তুমি
- 1:02:02আমাকে বলতো ফ্রি ইলেকট্রন কয়টা টোটাল বলতো
- 1:02:06এক দুই তন চার ফ্রি ইলেকট্রন চারটা বুঝলা
- 1:02:11কেন এন টাইপ বলা হচ্ছে ভালো করে বঝ এবার
- 1:02:14আর ফ্রি হোল বা ভ্যাকন্ড কয়টা দুটো একটা
- 1:02:17দুইটা তাহলে বলতো এখানে কয় ধরনের চার্জ
- 1:02:20ক্যারিয়ার আছে চার্জ ক্যারিয়ার কিন্তু
- 1:02:23ভাইয়া দুই ধরনেরই আছে চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:02:25কিন্তু দুই ধরনের আছে পজিটিভ টাইপ চার্জ
- 1:02:28ক্যারিয়ারও আছে আবার নেগেটিভ টাইপ চার্জ
- 1:02:30ক্যারিয়ার আছে বিশ্বাস হচ্ছে না এইযে যে
- 1:02:33পজিটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার পজিটিভ
- 1:02:36চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:02:40পজিটিভ চার্জ ক্যারিয়ার হচ্ছে হোল তাহলে
- 1:02:43হোল কয়টা আছে? হোল আছে হচ্ছে দুইটা। দুইটা
- 1:02:46মানে ধর 2000। তা আমি সংখ্যা লিখলাম টু।
- 1:02:50আর নেগেটিভ চার্জ ক্যারিয়ার কি? ইলেকট্রন
- 1:02:54[প্রশংসা] ইলেকট্রন কয়টা আছে? ইলেকট্রন
- 1:02:56গুন ফ্রি ইলেকট্রন একদু তন চার। চারটা।
- 1:03:01তাহলে এইবার বল চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:03:05কোনটা বেশি আছে? কোনটা বেশি আছে? চার্জ
- 1:03:09ক্যারিয়ার কোনটা বেশি? নাম্বার অফ
- 1:03:11ইলেকট্রন অর্থাৎ নেগেটিভ টাইপ চার্জ
- 1:03:13ক্যারিয়ার ইজ গ্রেটার দেন নাম্বার অফ
- 1:03:15পজিটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার। তাহলে
- 1:03:17ইলেকট্রন ফ্রি ইলেকট্রন এর সংখ্যাটা ফ্রি
- 1:03:21হোল বা ভ্যাকেন্ট তার চেয়ে বেশি। তাহলে
- 1:03:23নেগেটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার পজিটিভ
- 1:03:25টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার থেকে বেশি। যে টাইপ
- 1:03:28চার্জ ক্যারিয়ার বেশি সেই টাইপ অনুযায়ী
- 1:03:32তার নাম হবে। তাহলে নেগেটিভ টাইপ চার্জ
- 1:03:34ক্যারিয়ার বেশি। এই কারণে তার নাম হবে এন
- 1:03:36টাইপ অর্ধপরিবাহী। অর্থাৎ নেগেটিভ টাইপ
- 1:03:38সেমিকন্ডাক্টর। বুঝতে পারছো? তাহলে
- 1:03:40ইলেকট্রন যেহেতু বেশি নেগেটিভ টাইপ চার্জ
- 1:03:42কে বেশি এই কারণে তার নাম এন টাইপ
- 1:03:45অর্ধপরিবাহী।
- 1:03:46এন টাইপ সেমিকন্ডাক্টর।
- 1:03:51বুঝলা? আচ্ছা বলতো তড়িৎ নিরপেক্ষ কিনা?
- 1:03:55এটা পজিটিভ চার্জ যুক্ত না নেগেটিভ চার্জ
- 1:03:57যুক্ত না তড়িৎ নিরপেক্ষ? তড়িৎ নিরপেক্ষ।
- 1:03:59কিন্তু এইখানে এসে অনেকের মাথায় কাঠাল
- 1:04:01ভেঙ্গে পড়ে। যে ভাই কি বললেন? এই দেখেন
- 1:04:03ইলেকট্রন বেশি হোল কম। তাহলে এটা তো
- 1:04:05নেগেটিভ টাইপ। ভাই নেগেটিভ টাইপ চার্জ
- 1:04:07ক্যারিয়ার। চার্জ ক্যারিয়ার নেগেটিভ
- 1:04:10টাইপটা বেশি আছে। এখানে কিন্তু দুই ধরনের
- 1:04:12চার্জ ক্যারিয়ার আছে। ভালো করে শোন।
- 1:04:14এগুলা কিন্তু এমসিকিউতে আসবে। এন টাইপ
- 1:04:16অর্ধপরিবাহিতে চার্জ ক্যারিয়ার কয়
- 1:04:18ধরনের? দুই ধরনের। পজিটিভ টাইপও আছে,
- 1:04:20নেগেটিভ টাইপও আছে। সংখ্যাগুরু কারা?
- 1:04:23সংখ্যাগুরু হচ্ছে ইলেকট্রন। অর্থাৎ
- 1:04:25নেগেটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার।
- 1:04:26সংখ্যাগুরু আর পজিটিভ টাইপ চার্জ
- 1:04:29ক্যারিয়ার। সংখ্যালঘু যারা সংখ্যাগুরু
- 1:04:32তাদের নাম অনুযায়ী নামটা হবে। সংখ্যা
- 1:04:34গুরু ইলেকট্রন তারা কোন টাইপের চার্জ
- 1:04:37ক্যারিয়ার নেগেটিভ টাইপের চার্জ
- 1:04:39ক্যারিয়ার এই কারণে নামটা তাদের নাম
- 1:04:41অনুযায়ী হবে এন টাইপ অর্ধপরিভাই বুঝতে
- 1:04:44পারছো কিন্তু এর চার্জ কিন্তু শূন্য ভাই
- 1:04:48কেমনে ইলেকট্রন বেশি ভোল কম চার্জ কেমনে
- 1:04:50শূন্য হয় এটাই তো কাহিনী আসতো আমরা
- 1:04:52চার্জের হিসাব করি এখানে ছোট্ট করে একটু
- 1:04:54চার্জের হিসাব করি নট চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:04:57চার্জের হিসাব করি তাহলে চার্জের হিসাব
- 1:04:59করলে তুমি দেখ একটু তাকাও পজিটিভ চার্জ
- 1:05:02পজিটিভ চার্জ পজিটিভ চার্জ হচ্ছে দুইটা
- 1:05:05হোল। তাহলে দুইটা হোল। হ্যাঁ দুইটা হোল।
- 1:05:10আর এই যে দুইটা আর্সেনিক আয়ন এটাও তো
- 1:05:12পজিটিভ চার্জ। ভাই ওরা তো চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:05:14না। হ্যাঁ আমিও তো তাই বলতেছি। ওরা চার্জ
- 1:05:17ক্যারিয়ার না। বাট চার্জ তো চার্জ তো আমি
- 1:05:19এখন চার্জের হিসাব করতেছি। চার্জ
- 1:05:21ক্যারিয়ারের হিসাব ডান। চার্জের হিসাব
- 1:05:23করতেছি। তাহলে দুইটা হোল আর দুইটা আরসেনিক
- 1:05:26প্লাস আয়ন আছে। তাহলে দেখো সমান সংখ্যক
- 1:05:30পজিটিভ চার্জ। পজিটিভ চার্জ আছে এবং সমান
- 1:05:33সংখ্যক নেগেটিভ চার্জ দেখবা নেগেটিভ চার্জ
- 1:05:35হচ্ছে ইলেকট্রন ফ্রি ইলেকট্রন এক দুই তিন
- 1:05:38চার তাহলে চারটা ফ্রি ইলেকট্রন তাহলে
- 1:05:41চারটা ইলেকট্রন এবার বল কার চার্জ বেশি
- 1:05:44যোগ কর কিউ কত জটই
- 1:05:49প্লাস টুই প্লাস আরফই মাইনাস যোগ করলে কত
- 1:05:51জির তাহলে এটা কিন্তু তড়িৎ নিরপেক্ষ
- 1:05:53চার্জ শূন্য কিন্তু নাম্বার অফ নেগেটিভ
- 1:05:56চার্জ ক্যারিয়ার ইজ গ্রেটার দেন নাম্বার
- 1:05:58অফ পজিটিভ চার্জ
- 1:06:00যে চার্জ সংখ্যাগুলো তাদের অনুযায়ী নাম
- 1:06:02হবে। এইবার আসো পিটাইপ অর্ধপরিবাহী পিটাই
- 1:06:05বানানোর জন্য ত্রিযোজি মৌল লাগবে।
- 1:06:08ত্রিযোজী মৌলকে অ্যালুমিনিয়াম লাস্ট
- 1:06:11কক্ষপথে তিনটা ইলেকট্রন থাকবে। আস তাহলে
- 1:06:14ভেজাল হিসাবে আমরা তিনটা ভেজাল হিসেবে
- 1:06:17অ্যালুমিনিয়াম ত্রিযোজী মৌল মিশাব। তো
- 1:06:19প্রথমে আস ভেজাল মিশাইনি। যখন যখন ভেজাল
- 1:06:22মিশায়নি তখন এইটা ভাঙলাম আর এই যে একটা
- 1:06:27বন্ধন ভাঙলাম। কি ঘটনা? কক্ষ তাপমাত্রার
- 1:06:31উপরে। ইয়েস কক্ষ তাপমাত্রার উপরে। তাহলে
- 1:06:34এইখান থেকে একটা ইলেকট্রন বের হয়ে আসবে।
- 1:06:37আর
- 1:06:39এইখান থেকে একটা ইলেকট্রন বের হয়ে আসলো।
- 1:06:42এইযে বন্ধন ভেঙ্গে বল আমি কি স্থায়ী
- 1:06:45চার্জ কলার পেলাম? না। কক্ষ তাপমাত্রার
- 1:06:48উপরে দুটো ফ্রি হোল। দুটো ইলেকট্রন।
- 1:06:50তাপমাত্রা কক্ষ তাপমাত্রার নিচে গেলে এই
- 1:06:52ইলেকট্রন আবার এখানে বসে পড়বে। এই
- 1:06:54ইলেকট্রন গিয়ে আবার ওখানে বসে পড়বে।
- 1:06:55তাহলে আল্টিমেটলি আর কোন চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:06:57থাকবে না। কিন্তু আমরা স্থায়ী চার্জ
- 1:06:58ক্যারিয়ার চাই। স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:07:00চাই। স্থায়ী চার্জ ক্যারিয়ারের জন্য
- 1:07:02আমরা কি করব? ভেজাল হিসাবে এখানে একটা
- 1:07:05অ্যালুমিনিয়াম নিয়ে যাব। এখানে একটা
- 1:07:08অ্যালুমিনিয়াম নিয়ে যাব। এইখানে একটা
- 1:07:10অ্যালুমিনিয়াম নিয়ে যাব। তাহলে এই যে
- 1:07:12দেখো অ্যালুমিনিয়াম।
- 1:07:14অ্যালুমিনিয়াম নিয়ে যাব।
- 1:07:15অ্যালুমিনিয়ামের লাস্ট কক্ষপথে ইলেকট্রন
- 1:07:17আছে তিনটা। গণ এক দুই
- 1:07:20তিন। এইযে তিন। এটা সিলিকনের। এটা
- 1:07:23সিলিকনের ছিল। সিলিকনের তাহলে তিনটা
- 1:07:25ইলেকট্রন আছে তাহলে একটা হাত ফাঁকা আবার
- 1:07:28এই অ্যালুমিনিয়ামে দেখো এক দুই তিন একটা
- 1:07:30হাত ফাঁকা এখন কি চাইবে অষ্টক পূরণ করতে
- 1:07:35চাইবে এইবার চিন্তা করো ঢাকা থেকে
- 1:07:36রাজশাহীতে একটা বাস যাচ্ছে আটটা সিটের বাস
- 1:07:40কিন্তু সাতজন আছে একজন ফাঁকা তখন ড্রাইভার
- 1:07:44কন্টাক্টর সবাই মিলে কি করবে জানো রাস্তা
- 1:07:46দিয়ে লোক টেনে বাসের মধ্যে উঠ নিবে কেন
- 1:07:49কারণ বাসটা সুস্থিত অবস্থা অর্জন হইতে হবে
- 1:07:51আটটা সিট পূরণ করে যাইতে হবে একটা সিট
- 1:07:53ফাঁকা থাকা যাবে না। পারলে বাড়ি থেকে লোক
- 1:07:55ডেকে নিয়ে আসবে। এই অ্যালুমিনিয়াম এখনো
- 1:07:57তাই কাজ করবে। অ্যালুমিনিয়াম চাইবে যে
- 1:07:59লাস্ট কক্ষপাতে দুই দুই চার পাঁচ ছয় সাত
- 1:08:02আট হোক। অষ্টক পূর্ণ হোক। তো অষ্টক পূর্ণ
- 1:08:06করার জন্য এই অ্যালুমিনিয়াম কি করবে?
- 1:08:08আশেপাশের সিলিকন থেকে মেরে ধরে ইলেকট্রন
- 1:08:10নিয়ে আসবে। তাহলে এই ইলেকট্রনটা এখানে
- 1:08:12চলে আসবে। চিন্তা করো ভালো করে বোঝো। এই
- 1:08:14ইলেকট্রনটা এখানে চলে যাবে। চলে গেলে
- 1:08:16এইখানে ইলেকট্রন চলে আসলো। চলে এসে কি
- 1:08:19হলো? অষ্টক পূর্ণ হয়ে গেল। তখন
- 1:08:20অ্যালুমিনিয়াম কি করলো? ইলেকট্রন গ্রহণ
- 1:08:22করল। তাহলে সে কি আর অ্যালুমিনিয়াম এটম
- 1:08:24আছে? না ইলেকট্রন গ্রহণ করে আয়নে পরিণত
- 1:08:27হয়েছে। আর যখন এখান থেকে ইলেকট্রনটা
- 1:08:29গিয়ে এখানে বসে গেছে তখন কিন্তু এই
- 1:08:31জায়গাটা ফাঁকা হয়ে গেছে।
- 1:08:33এটা কিন্তু ফ্রি হোল। সবসময় ফ্রি হোলটাকে
- 1:08:36এখানে পাবা তা না। এই ইলেকট্রন আবার এখানে
- 1:08:38যাবে গিয়ে হোলটা এখানে চলে আসবে। এই
- 1:08:40ইলেকট্রন আবার এখানে যাবে গিয়ে হোলটা
- 1:08:41এখানে চলে আসবে। এই ইলেকট্রন এখানে যাবে
- 1:08:43গিয়ে হোলটা এখানে চলে আসবে। এভাবে না মুভ
- 1:08:45করতে থাকবে। তাহলে বুঝতে পারফ্রি হোল
- 1:08:47পাওয়া গেল। এবার ঠিক এই অ্যালুমিনিয়াম
- 1:08:49সে কি করবে? আশেপাশে ধর এই সিলিকন এই
- 1:08:51সিলিকনকে মেরে একটা ইলেকট্রনকে এখানে
- 1:08:53নিয়ে আসবে তাহলে মেরে একটা ইলেকট্রনকে
- 1:08:55যদি এখানে নিয়ে আসে এই ইলেকট্রনটা যদি
- 1:08:57এখানে চলে আসে এই যে ইলেকট্রনটা এখানে চলে
- 1:09:00আসলো তাহলে অ্যালুমিনিয়াম ইলেকট্রন গ্রহণ
- 1:09:02করে মাইনাস আয়নে পরিণত হলো আর এই
- 1:09:04ইলেকট্রনটা এখানে চলে গেল তো ইলেকট্রনটা
- 1:09:06যদি ওখানে চলে যায় তাহলে আল্টিমেটলি
- 1:09:09এখানে ভ্যাকন্ট বা হোল ক্রিয়েট হইল এইযে
- 1:09:13তার মানে হোলবা কোথায় ছিল চিন্তা করো
- 1:09:15হোলবা ছিল এখানে চলে আসল এখানে ভ্যানটা
- 1:09:18ছিল এখানে চলে আসল এখানে তাহলেযে মুভ করে
- 1:09:21এখানে চলে আসলো। মুভ করে এখানে হোলবাটা
- 1:09:23চলে আসলো। এইবার আসো দেখো স্থায়ীভাবে যখন
- 1:09:28কক্ষ তাপমাত্রার নিচে নিয়ে যাবা তখন এই
- 1:09:30দুটো ইলেকট্রন গিয়ে এই ফাঁকা চেয়ারে বসে
- 1:09:32পড়লেও এই দুটো ফাঁকা চেয়ার কিন্তু এই
- 1:09:35পুরো ফাঁকা চেয়ার মানে হোল এটা কিন্তু
- 1:09:38পুরো এই সিলিকন ক্রিস্টালের মধ্যে ঘুরে
- 1:09:39ঘুরে ঘুরে ঘুরে ঘুরে ঘুরে বেড়াবে। ঠিক
- 1:09:42আছে? যখনই ওখানে গিয়ে একটা ইলেকট্রন বসে
- 1:09:43যাবে হোলটা চলে যাবে সামনে। তাই না?
- 1:09:45ব্যাপারটা চিন্তা কর। একটা রাস্তা চিন্তা
- 1:09:48কর একটা রাস্তা। এই রাস্তায় এখান থেকে
- 1:09:50মাটি খুরে ধর এখান থেকে মাটি খুরছো গর্ত
- 1:09:53এবার তুমি কি করলা সামনে এখান থেকে মাটি
- 1:09:55খুরে এই মাটিটা নিয়ে এসে এখানে বসায় দিলা
- 1:09:57তাহলে গর্ত চলে গেল কোথায় গর্ত চলে গেল
- 1:09:58এখানে তাহলে কেউ মনে কর রাস্তায় অনেকদিন
- 1:10:00পরে আসে সে বলবে কি আরে গর্ত এখানে ছিল সে
- 1:10:02গর্ত আজকে এখানে চলে গেল কেমনে তাহলে তার
- 1:10:04কাছে মনে হবে গর্ত মুভ করে সামনে আগা গেছে
- 1:10:06তো ব্যাপারটা হচ্ছে সেরকম
- 1:10:09তাহলে আমরা কিন্তু এবার স্থায়ীভাবে চার্জ
- 1:10:10ক্যারিয়ার পেয়ে গেছি তাহলে এবার তুমি একটু
- 1:10:12চার্জ ক্যারিয়ারের হিসাব করতো আসতো পজিটিভ
- 1:10:15চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:10:17পজিটিভ
- 1:10:19চার্জ ক্যারিয়ার তো পজিটিভ চার্জ
- 1:10:22ক্যারিয়ার হচ্ছে হোল হোল কয়টা চারটা
- 1:10:27এক দুই তিন চার চারটা মানে 4000 আর
- 1:10:30নেগেটিভ চার্জ ক্যারিয়ার কে ইলেকট্রন
- 1:10:34ইলেকট্রন কয়টা ইলেকট্রন ফ্রি ইলেকট্রন
- 1:10:36দুটো দুটো তাহলে কোনটা বেশি হোল নাম্বার
- 1:10:40অফ হোল গ্রেটার দেন নাম্বার অফ ইলেকট্রন
- 1:10:43ইলেকট্রন বেশি ইলেকট্রনের তুলনায় হোল বেশি
- 1:10:46তাহলে পজিটিভ টাইপ চার্জ যেহেতু বেশি
- 1:10:49তাহলে সংখ্যা গুরু কারা হোল পজিটিভ টাইপ
- 1:10:52সংখ্যা লঘু কারা ইলেকট্রন বল পি টাইপ
- 1:10:55অর্ধপরিবাহিতে কোন ধরনের চার্জ আছে আছে
- 1:10:57দুই ধরনেরই এটাই ভুল করে অনেকে পি টাইপে
- 1:11:00ভাবে পজিটিভ টাইপ চার্জ শুধু আছে হোল আছে
- 1:11:02শুধু হল আছে ইলেকট্রন আছে কিন্তু সংখ্যা
- 1:11:04গুরু কারা সংখ্যা গুরু হচ্ছে হল তাহলে এই
- 1:11:07কারণে এর নাম হবে পি টাইপ সেমিকন্ডাক্টর
- 1:11:11পি টাইপ সেমিকন্ডাক্টর বুঝ এবার চার্জের
- 1:11:14হিসাব করতো দেখবা চার্জ কিন্তু সমান সমান
- 1:11:17চার্জ আমি যদি বলি পজিটিভ চার্জ তাহলে
- 1:11:21পজিটিভ চার্জ দেখো পজিটিভ চার্জ হচ্ছে
- 1:11:22চারটা হোল চারটি হোল
- 1:11:27তাহলে ফোর হোল আর নেগেটিভ চার্জ নেগেটিভ
- 1:11:31চার্জ হচ্ছে দুটো ইলেকট্রন
- 1:11:34দুটো ইলেকট্রন
- 1:11:37টু ইলেকট্রন
- 1:11:39আর নেগেটিভ চার্জ আরো আছে দুইটা
- 1:11:42অ্যালুমিনিয়াম আয়ন দুইটা অ্যালুমিনিয়াম
- 1:11:44আয়ন তাহলে টু ফোর প্লাস চার্জ
- 1:11:47টু ইলেকট্রন মাইনাস চার্জ টু মাইনাস চার্জ
- 1:11:49দুটো অ্যালুমিনিয়াম আয়ন তাহলে
- 1:11:51আল্টিমেটলি টোটাল চার্জ কত জির তার মানে
- 1:11:54তড়িৎ নিরপেক্ষ
- 1:11:56এটাও যেমন তড়িৎ নিরপেক্ষ ঠিক আছে চার্জের
- 1:11:59দিক দিয়ে কিন্তু দুটোই তড়িৎ নিরপেক্ষ
- 1:12:02চার্জের দিক দিয়ে দুটোই তড়িৎ নিরপেক্ষ
- 1:12:07কিন্তু চার্জ ক্যারিয়ারের দিক দিয়ে এন
- 1:12:09টাইপে নেগেটিভ টাইপ চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:12:11ইলেকট্রন বেশি আর পি টাইপে পজিটিভ টাইপ
- 1:12:13চার্জ ক্যারিয়ার হোল বেশি শেষ এইবার আমরা
- 1:12:15তো তড়িৎ পরিবহন চাই তাই না? স্থায়ী
- 1:12:18সমাধান চাই। এবার আমরা কি করব? পি টাইপ আর
- 1:12:21এন টাইপ কে পাশাপাশি নিব। অথবা একটা
- 1:12:24সিলিকন ক্রিস্টালের মধ্যে সিলিকনের একটা
- 1:12:26পাত নিব। পাত নিয়ে মাঝখানে অর্ধেক করে
- 1:12:29একপশে পি টাইপের ডোপিং আরেক পাশে এন
- 1:12:31টাইপের ডোপিং করব। কেন? কেন এটা করব? কারণ
- 1:12:35এন টাইপের ডোপিং ওখানে ইলেকট্রন আছে।
- 1:12:37বেশি। আর পি টাইপের ডোপিং ওখানে হোল বা
- 1:12:39ভ্যাকেন্ট আছে বেশি। হোল বা ভ্যাকেন্ট
- 1:12:41মানে কি? ফাঁকা চেয়ার আর ইলেকট্রন তাহলে
- 1:12:44ইলেকট্রন আর ফাঁকা চেয়ারকে যখন পাশাপাশি
- 1:12:46রাখবো চিন্তা করো তো 10 জন মানুষ দাঁড়ানো
- 1:12:49আছে তাদের পাশে 10 টা চেয়ার ফাঁকা আছে
- 1:12:51তাহলে মানুষগুলো কি দাঁড়ায় থাকবে
- 1:12:52মানুষের প্রবণতা কি বসে যাওয়ার প্রবণতা
- 1:12:54চেয়ারে বসে যাইতে চাই তাহলে পাশাপাশি
- 1:12:5610টা চেয়ার 10 জন মানুষ ওরা কি করবে ওই
- 1:12:5910টা চেয়ারে বসে যাইতে চাইবে ঠিক তেমনি
- 1:13:02একটা সিলিকন ক্রিস্টালের মধ্যে অর্ধেক পি
- 1:13:04টাইপ অর্ধেক এন টাইপ এন টাইপ মানে
- 1:13:06ইলেকট্রন বেশি আছে আর পি টাইপ মানে হোল বা
- 1:13:08ভ্যাকন্ট বেশি আছে ইলেকট্রনগুলো দৌড়ায়ে
- 1:13:10এই হোল বা ভ্যাকনগুলার দিকে যাইতে চাইবে।
- 1:13:13আর ইলেকট্রনের প্রবাহ মানেই তো তড়িৎ
- 1:13:14প্রবাহ। আমরা তো এটাই চাই। তাহলে এইভাবে
- 1:13:17আমরা পিএন জাংশন ডায়োড তৈরি করব। বুঝছো?
- 1:13:20কি করব? পিএন জাংশন ডায়োড আমরা তৈরি করব।
- 1:13:24তাহলে একটু তোমারে বুঝাই। পিএন জাংশন
- 1:13:26ডায়োড হবে দুই ধরনের। একটা হচ্ছে ফরোয়ার্ড
- 1:13:30বায়াস ডায়োডিং। ফরওয়ার্ড বায়াসিং। ডায়োডের
- 1:13:33ক্ষেত্রে ফরোয়ার্ড বায়াস আরেকটা হচ্ছে
- 1:13:35রিভার্স বায়াস। তো দেখ সেটা কিভাবে হয়।
- 1:13:38আমি একটু ছোট্ট করে দেখাই। এগুলা ধরো
- 1:13:40থিওরিটিক্যাল অনেক কথাবার্তা আছে। তো আমরা
- 1:13:42অত ডিটেলসে যাচ্ছি না।
- 1:13:45এই যে অর্ধেক অর্ধেক ধরো এই পাশে পি
- 1:13:48টাইপের ডপিং। এই পাশে এন টাইপের ডপিং।
- 1:13:51অর্ধেক
- 1:13:56এই পাশে পি টাইপের ডপিং। এই পাশে এন
- 1:13:58টাইপের ডপিং।
- 1:14:00তাহলে পি টাইপে কি থাকবে? পজিটিভ টাইপ
- 1:14:03চার্জ ক্যারিয়ার বেশি থাকবে। পি টাইপে
- 1:14:05তাহলে পি টাইপে দেখ এই দেখ এদিকে থাকো।
- 1:14:07এইযে এটা পি টাইপ। পি টাইপ তার মানে
- 1:14:09অ্যালুমিনিয়াম আয়ন যেটা মাইনাস আয়ন এই
- 1:14:11মাইনাস আয়নের জন্য হোল বা ভ্যাকেন্ট
- 1:14:13থাকবে যেটা প্লাস পজিটিভ চার্জ ক্যারিয়ার
- 1:14:15আমরা ওটাই আকবই দেখো এই যে মাইনাস যে
- 1:14:17আকতেছি না এগুলা হচ্ছে অ্যালুমিনিয়াম
- 1:14:19আয়ন এই মাইনাসগুলা কিন্তু অ্যালুমিনিয়াম
- 1:14:21আয়ন মাইনাসগুলা অ্যালুমিনিয়াম আয়ন
- 1:14:26ঠিক আছে আর এই অ্যালুমিনিয়াম আয়নের একটা
- 1:14:29করে কি থাকবে হোল বা ভ্যাকন্ট থাকবে এইযে
- 1:14:31এগুলা হচ্ছে হোল
- 1:14:35এইযে পজিটিভ চার্জ ক্যারিয়ার আর এন টাইপে
- 1:14:38কি থাকবে এন টাইপে হচ্ছে আরসেনিক আরসেনিক
- 1:14:41প্লাস আয়ন তাহলে এগুলো হচ্ছে প্লাস আয়ন
- 1:14:46প্লাস আয়ন
- 1:14:50আর এগুলার কি থাকবে এগুলার থাকবে ইলেকট্রন
- 1:14:53কি থাকবে ফ্রি ইলেকট্রন
- 1:14:56তাহলে ফ্রি ইলেকট্রনকে আমরা
- 1:15:01এইযে ফ্রি ইলেকট্রন
- 1:15:04তাহলেযে পাশাপাশি ডোপিং করা হয়েছে বুঝ
- 1:15:07পাশাপাশি ডপিং করা হয়েছে। এইবার হবে কি?
- 1:15:10এই যে কাছাকাছি লেয়ারে এইখানে এইখানে এই
- 1:15:14ইলেকট্রনগুলো এসে এই ফাঁকা হোল বা
- 1:15:16ভ্যাকান্টের মধ্যে বসে যাবে। এইযে এখানে
- 1:15:18এসে বসে যাবে। কেন? কারণ ইলেকট্রন তো
- 1:15:20দৌড়ায় ফাঁকা চেয়ারে গিয়ে বসবে।
- 1:15:21দৌড়ায়ে বসবে। তাহলে এখানে দেখো মাঝখানে
- 1:15:23কোন বাধাটা কিছু নাই। তাহলে এই
- 1:15:25ইলেকট্রনগুলা দৌড়ায় গিয়ে ফাঁকা চেয়ারে
- 1:15:27বসে পড়বে। যখনই এই ফাঁকা চেয়ারে বসে
- 1:15:29পড়বে। যখন এই ফাঁকা চেয়ারে বসে পড়বে
- 1:15:32তখন কি হবে? এই মাঝখানে একটা নিরপেক্ষ
- 1:15:34অঞ্চল তৈরি হবে। মাঝখানে একটা নিরপেক্ষ
- 1:15:38অঞ্চল তৈরি হবে। এইখানে দেখা যাবে আর কোন
- 1:15:40চার্জ ক্যারিয়ার নেই। ভালো করে বুঝো।
- 1:15:42চার্জ ক্যারিয়ার নেই। চার্জ থাকতে পারে
- 1:15:44কিন্তু চার্জ ক্যারিয়ার নেই। কারণ ফাঁকা
- 1:15:46চেয়ারে ইলেকট্রন বসে পড়ছে।
- 1:15:49দেখো ফাঁকা চেয়ারে ফাঁকা চেয়ার গায়েব
- 1:15:51হয়ে গেছে। ইলেকট্রনও গায়েব হয়ে গেছে।
- 1:15:52কিভাবে? ফাঁকা চেয়ারে ইলেকট্রন বসে
- 1:15:54পড়ছে। সবচেয়ে ভালো বুঝবা। এই
- 1:15:57ব্যাপারটাকে যদি এভাবে ব্যাখ্যা করি।
- 1:15:58চিন্তা করতো। একটা গর্ত ছিল। একটা মাটির
- 1:16:01ডিবি ছিল। এই এই মাটির ডিবিটা এই মাটির
- 1:16:05ডিবিটা গিয়ে গর্তে বসে গেছে তাহলে মাটির
- 1:16:08ডিবিও নেই গর্তও নেই না আছে ইলেকট্রন না
- 1:16:11আছে হোল তাহলে কি আছে নিরপেক্ষ এই অঞ্চলটা
- 1:16:14হচ্ছে নিরপেক্ষ অঞ্চল এই যে অঞ্চলটা এই
- 1:16:16অঞ্চলটা নিরপেক্ষ অঞ্চলতো এই অঞ্চলের
- 1:16:19নামটা হচ্ছে ডিপ্লেশন লেয়ার
- 1:16:23এই অঞ্চলটার নাম হবে ডিপ্লেশন লেয়ার
- 1:16:27বা নিরপেক্ষ অঞ্চল
- 1:16:30ঠিক আছে এই অঞ্চলটার নাম
- 1:16:32ডিপ্লেশন লেয়ার
- 1:16:37বা নিরপেক্ষ অঞ্চল
- 1:16:41নিরপেক্ষ
- 1:16:42অঞ্চল তৈরি হবে। এবং খুব ভালো করে শোনো।
- 1:16:46এই ডিপ্লেশন লেয়ার বা নিরপেক্ষ অঞ্চলের
- 1:16:48জন্য অনেকে বলতে ভাই এই ইলেকট্রনগুলো কি
- 1:16:50এই পাশে আসবে না? না আসতে পারবে না। কেন
- 1:16:53আসতে পারবে না জানো? কারণ এই ডিপ্লেশন
- 1:16:55লেয়ারের বাধা অতিক্রম করে এই পাশে আর আসতে
- 1:16:57পারবে না। এই ইলেকট্রনগুলো যখন আসতে চাইবে
- 1:16:59এই পাশে তখন চিন্তা করো এই ইলেকট্রনগুলা
- 1:17:03যখন এই ইলেকট্রনগুলো যখন এই পাশে আসতে
- 1:17:05চাইবে আসতে চাইলে তখন এই যে মাইনাসের যে
- 1:17:08দেওয়ালটা আছে তাই না? এটা মাইনাসের যে
- 1:17:11চার্জ আছে চার্জের আয়নগুলো আছে এগুলা
- 1:17:15কিন্তু চার্জ ক্যারিয়ার না। এগুলা কিন্তু
- 1:17:17চার্জ। তাহলে এই ইলেকট্রনগুলো যখনই এই
- 1:17:19পাশে আসতে চাইবে তখন এই ইলেকট্রনগুলো ওরে
- 1:17:20বিকর্ষণ করবে। একটা সুন্দর উদাহরণ দিই।
- 1:17:23ধরো দুইটা দেশ এগুলা একাডেমিতে অনেক
- 1:17:26সুন্দর করে মজা করে আমরা পড়ছিলাম ধর
- 1:17:28দুইটা দেশ দুইটা দেশের এটা হচ্ছে একটা
- 1:17:29বর্ডার তাহলে বর্ডারে এরা হচ্ছে ধরো
- 1:17:34ইন্ডিয়ান বিএসএফ আর এরা হচ্ছে বাংলাদেশি
- 1:17:37বিজিবি তাহলে এই পাশ থেকে এই পাশে কাউকে
- 1:17:42আসতে দিবে না কারণ কি এই যে এরা এরা গুলি
- 1:17:46করে দিবে আবার এই পাশ থেকে ওই পাশে কাউকে
- 1:17:48যাইতে দিবে না এই হোল বাক্যান্ড গুলাকে ওই
- 1:17:50পাশে যাইতে দিবে না এরা তখন গুলি করে দিবে
- 1:17:53ব্যাপারটা কেমন? [সশব্দ হাসি]
- 1:17:55দেখো
- 1:17:56এই যে ইলেকট্রনটা এটা এর সম্পত্তি ছিল। এই
- 1:17:59ইলেকট্রনটা এর সম্পত্তি ছিল। এই
- 1:18:01ইলেকট্রনটা এর সম্পত্তি ছিল। এই
- 1:18:02ইলেকট্রনটা এর সম্পত্তি ছিল। এই হোল বা
- 1:18:05ভ্যাকনগুলা এই মাইনাস আয়নের সম্পত্তি ছিল।
- 1:18:08কি হইছে? এই যে এদেরকে ফাঁকি দিয়ে মাইনাস
- 1:18:10আয়ন গুলাকে আর এই প্লাস আয়ন গুলাকে ফাঁকি
- 1:18:13দিয়ে এই যে ফ্রি ইলেকট্রনগুলা আর এই ফ্রি
- 1:18:15হোল গুলা পরস্পর বি এটিএ করে সংসার করা
- 1:18:17শুরু করছে। গায়েব হয়ে গেছে। ভস হয়ে গেছে
- 1:18:19দেখো নাই।
- 1:18:21তো কি হলো? এরা এখন জোড়া হারায় ফেলছে।
- 1:18:25জোড়া হারায়ে ওরা এখন বঞ্চিত। এই অঞ্চলটার
- 1:18:28একটা সুন্দর নাম আছে। বঞ্চিত অঞ্চল। এদের
- 1:18:31চার্জ ক্যারিয়ার হারায় গেছে। জোড়া হারায়ে
- 1:18:33গেছে। বুঝছ? জোড়া হারানো বোঝ জোড়া হারায়ে
- 1:18:36গেছে। এদেরও জোড়া হারায় গেছে। এখন এরা কি
- 1:18:39করবে? যেন একটা চিরকুমার সংঘ তৈরি করবে।
- 1:18:43ঠিক আছে? বঞ্চিত সংঘ তৈরি করবে। তারা
- 1:18:45চাইবে যে আমাদের জোড়া হারায়ে গেছে। আমরা
- 1:18:48আর কাউ কারো জোড়া হারাইতে দিব না। এই
- 1:18:50ইলেকট্রনগুলাও চাই এই পাশে চলে আসতে
- 1:18:52বর্ডার অতিক্রম করে। তখন এরা চাইবে যে না
- 1:18:55ওই ইলেকট্রনগুলাকে এই পাশে আসতে দিব না।
- 1:18:57নিজেদের ঘর ভাঙছে অন্যদের ঘর ভাঙতে দিব
- 1:19:00না। আবার এই পাশের যে হোল বা ভ্যাকানগুলো
- 1:19:02আছে এগুলা ওই পাশে যাইতে পারে। কিন্তু এই
- 1:19:05প্লাস আয়ন এর যে বেড়াটা এর যে দেওয়ালটা
- 1:19:08সেই দেওয়াল টপকে ওই পাশে যাইতে আর দিবে
- 1:19:11না। তাহলে কি হলো? এই অংশে একটা বাধার
- 1:19:14সৃষ্টি হলো। যে বাধা আসলে চার্জের
- 1:19:16প্রবাহটাকে রোধ করে দিছে। এই বাধাটা ভালো
- 1:19:18করে শোনো। এটা হচ্ছে ডিপ্লেশন লেয়ারের
- 1:19:20বাধাটা যেটা সিলিকন ডায়োডের জন্য এর একটা
- 1:19:23ভোল্টেজ আছে যেটা সিলিকন ডায়োডের জন্য 0.7
- 1:19:26ভোল্ট আর জার্মেনিয়াম ডায়োডের জন্য 0.3
- 1:19:30ভোল্টের বাধা
- 1:19:32আমরা প্রবাহ চাই তড়িৎ প্রবাহ চাই
- 1:19:37পাইলাম না তড়িৎ প্রবাহতো আটকে গেছে তাহলে
- 1:19:39তড়িৎ প্রবাহ পাওয়ার জন্য কি করতে হবে
- 1:19:41বলতো তড়িৎ প্রবাহ পাওয়ার জন্য আমাদের
- 1:19:43একটা
- 1:19:45আমাদের একটা তড়িৎ মানে চার্জের প্রবাহ
- 1:19:47লাগবে এই ইলেকট্রনগুলোকে ওই পাশে পাঠাইতে
- 1:19:50হবে দিয়ে ইলেকট্রনের একটা ফ্লো দরকার
- 1:19:53ঠিক আছে তা আমরা কি করব এই ইলেকট্রনগুলো
- 1:19:55দেখ ওই পাশে যাইতে চাই আন্দোলন করতেছে
- 1:19:57সংগ্রাম করতেছে আমরা ওই পাশে যাইতে চাই
- 1:19:59কিন্তু যাইতে পারতেছে না। এই যে বাধা
- 1:20:01বন্দুক তাক করে রাখছে। তো তখন কি করা
- 1:20:04লাগবে? এই যে ইলেকট্রনগুলা যারা ওই পাশে
- 1:20:06যাইতে চায় ঠিক আছে? ওই ফ্রি হোল বা
- 1:20:08ভ্যাকানন্টে গিয়ে ফাঁকা চেয়ারে বসতে চাই
- 1:20:11ওদেরকে মোটিভেট করার জন্য আমার একটা নেতা
- 1:20:13আনতে হবে। যে নেতা ভাষণ দিবে ভাষণ দিয়ে
- 1:20:15বলবে তোমরা যাও ভেঙ্গে ছড়িয়ে ও পাশে যাও।
- 1:20:17ঠিক আছে। এরকম একটা নেতা লাগবে। তো তুমি
- 1:20:20কি করছো এরকম একজন নেতাকে নিয়ে আসছো। দেখো
- 1:20:22কেমন নেতাকে নিয়ে আসছো চিন্তা করো। তুমি
- 1:20:25সবনাস।
- 1:20:27তুমি একজন নেতাকে নিয়ে আসছো।
- 1:20:30তো কেমন নেতাকে নিয়ে আসছো একটু চিন্তা
- 1:20:32করো। দেখো
- 1:20:37[গলা পরিষ্কার করা]
- 1:20:41পি টাইপ এন টাইপ ছিল। তো যে নেতাকে আসছো
- 1:20:45সেই নেতা হচ্ছে একটা ব্যাটারি। ব্যাটারি
- 1:20:47নেতা।
- 1:20:49এইযে এই পি টাইপের সাথে আর এন টাইপের সাথে
- 1:20:51একটা ব্যাটারি লাগা দিবা। এবার তুমি কি
- 1:20:53করছো দেখো। এন টাইপের সাথে লাগাইছো মাইনাস
- 1:20:56আর পি টাইপের সাথে লাগাইছো প্লাস একটা
- 1:20:58ব্যাটারি লাগায় দিছে
- 1:21:00এটা এই যে নেতা নিয়ে আসলা এই নেতা কি করবে
- 1:21:03এই ইলেকট্রনগুলাকে মোটিভেট করে ছুরের পাশে
- 1:21:05পাঠাবে কিন্তু এই নেতা মোটিভেট করার পর
- 1:21:08পরিবর্তে ডিমোটিভেট করতেছে কেমনে এটা কি
- 1:21:12মাইনাস না এটা কি প্লাস না তাহলে এই যে এই
- 1:21:14প্রান্ত হচ্ছে মাইনাস এই প্রান্ত প্লাস
- 1:21:18তাহলে কি হইলো লাভ কি হইল উল্টাতো এই
- 1:21:21মাইনাস কি করবে ইলেকট্রন গুলাকে ও সরি সরি
- 1:21:23সরি সরি দুঃখিত দুঃখিত দুঃখিত তুমি নেতা
- 1:21:27এনে এভাবে নেতা যুক্ত করছো
- 1:21:30এইযে এই পাশে মাইনাস আর এই পাশে প্লাস এই
- 1:21:34এরকম নেতা যুক্ত করছো এই পাশে মাইনাস এই
- 1:21:36পাশে প্লাস তাহলে এটা প্লাস আর এটা মাইনাস
- 1:21:40তাহলে দেখ যে নেতা আনছো সেই নেতা উল্টা
- 1:21:43এদেরকে মোটিভেট করবে কি উল্টা ডিমোটিভেট
- 1:21:45করতেছে প্লাস মাইনাস মাইনাস মাইনাস মাইনাস
- 1:21:48মাইনাস ইলেকট্রন গুলাকে এই প্লাস আকর্ষণ
- 1:21:51করে এই প্লাস আকর্ষণ করে আরো এদিকে টানবে
- 1:21:54আবার এখানে যে মাইনাস আছে সেই মাইনাস এই
- 1:21:56হোল বা ভেকান গুলাকে এদিকে টানবে। তাহলে
- 1:21:59আল্টিমেটলি ইলেকট্রনগুলাকে এই পাশে
- 1:22:01পাঠানোর দরকার ছিল। এই প্লাস এসে
- 1:22:02ইলেকট্রনগুলাকে আরো টেনে এদিকে সরা নিয়ে
- 1:22:04আসতেছে। টেনে আরো এদিকে সরাই নিয়ে
- 1:22:06আসতেছে। কথা কি বুঝছো? তাহলে যখন
- 1:22:07ইলেকট্রনগুলাকে দেখ প্লাস ইলেকট্রনগুলাকে
- 1:22:09এদিকে টান দিবে। তখন এই যে ইলেকট্রনের
- 1:22:12লেয়ারটা এইযে ফ্রি ইলেকট্রনগুলো আছে এই
- 1:22:15ফ্রি ইলেকট্রনগুলা এদিকে সরে আসবে। এই
- 1:22:17ফ্রি ইলেকট্রনগুলা এই ফ্রি ইলেকট্রনগুলা
- 1:22:20এদিকে সরে আসবে। তাহলে এই ফ্রি
- 1:22:21ইলেকট্রনগুলো আরো এদিকে সরে আসবে। তাহলে
- 1:22:23এদিকে সরে আসা মানে কি? সরে আসা মানে
- 1:22:26হচ্ছে ডিপ্লেশন লেয়ারের পরিধিটা আরো বেড়ে
- 1:22:28যাওয়া। এই ডিপ্লেশন লেয়ারের পরিধিটা আরো
- 1:22:30বেড়ে যাওয়া। ঠিক একইভাবে এখানে প্লাসগুলাই
- 1:22:33এই যে হোল বা ভ্যাক গুলা এগুলো আরো এদিকে
- 1:22:36সরে আসবে। সরে আসার মানে কি? সরে আসার
- 1:22:38মানে হচ্ছে ডিপ্লেশন লেয়ারের পরিধি বেড়ে
- 1:22:39যাওয়া। দেখ নিরপেক্ষ অঞ্চলের পরিধিটা আরো
- 1:22:41বড় হয়ে যাবে।
- 1:22:44পরিধিটা আরো বড় হয়ে যাবে। দেখ কিভাবে?
- 1:22:47এইযে দেখো পরিধিটা আরো বড় হয়ে গেল। মানে
- 1:22:51আরো দেখো বঞ্চিত জনসংখ্যার সংখ্যা বেড়ে
- 1:22:54গেল। তাহলে এইভাবে তুমি এখানে যত বেশি
- 1:22:58ভোল্টেজ দিবা তত চার্জ ক্যারেটিকে এদিকে
- 1:23:00টেনে নিয়ে আসবে। তত দেখা যাবে কি? এই
- 1:23:02ডিপ্লেশন লেয়ারের অঞ্চলটা বেড়ে যাইতে
- 1:23:05থাকবে। তাহলে এটা তো উল্ট আরো ডিপ্লেশন
- 1:23:09লেয়ার বড় হলো। ডিপ্লেশন লেয়ার উল্টো আরো
- 1:23:12বড় হলো। উল্টা আরো বড় হলো। ডিপ্লেশন
- 1:23:14লেয়ার। আমরা তো ইলেকট্রনের প্রবাহ পাইলাম
- 1:23:16না। এইযে এখানে তো ইলেকট্রনের প্রবাহ
- 1:23:18পাইলাম না। এটাকে বলা হয় প্রবাহ কিন্তু
- 1:23:20নাই। এখানে কিন্তু কোন তড়িৎ প্রবাহ হচ্ছে
- 1:23:22না। তাহলে এখানে তড়িৎ প্রবাহ আই কত? তড়িৎ
- 1:23:25প্রবাহ আই কত? শূন্য। কোন প্রবাহ পাওয়া
- 1:23:26যাচ্ছে না। তো এইটাকে বলা হয় সম্মুখী যোগ
- 1:23:29বা ফরোয়ার্ড বায়াস।
- 1:23:33সম্মুখী যোগ। বা ইংরেজিতে বলা হয় ফরোয়ার্ড
- 1:23:36বায়াস।
- 1:23:38ওকে। তাহলে তুমি বলতো কি করা লাগবে? এই
- 1:23:42নেতাকে একটু উল্টায় দেওয়া লাগবে। উল্টয়
- 1:23:44দেওয়া লাগবে ব্যাটারিটাকে। উল্টয় দিলেই
- 1:23:46কাজ হয়ে যাবে। আমি যদি উল্টয় দিতে পারি
- 1:23:50তাহলেই কাজ হয়ে যাবে।
- 1:23:54তাহলে যদি ব্যাটারিটাকে এইভাবে যুক্ত করা
- 1:23:57যায় যার সাথে যা। মাথায় রাখবা এভাবে। যার
- 1:24:00সাথে যা তার সাথে তা। অর্থাৎ মাইনাসের
- 1:24:02সাথে ব্যাটারির মাইনাস টার্মিনাল। আর
- 1:24:05প্লাস পি টাইপের সাথে প্লাস টার্মিনাল।
- 1:24:07এভাবে যদি যুক্ত করতে পারি তাহলে এই
- 1:24:09প্রান্ত মাইনাস। এই যে মাইনাস। এই প্রান্ত
- 1:24:12প্লাস এইটা প্লাস ভালো করে এবার শোনো
- 1:24:15তাহলে এই মাইনাস গিয়ে এই পাশে যে মাইনাস
- 1:24:18ইলেকট্রনগুলাকে ঠেলবে ইলেকট্রনগুলাকে
- 1:24:20ঠেলবে বিকর্ষণ করবে এবং কথা হচ্ছে তুমি
- 1:24:24এখানে একটা ব্যাটারি লাগায় দিলে যে
- 1:24:25ইলেকট্রনগুলা এই প্রাচীর ভেঙ্গে এ পাশে
- 1:24:27চলে আসবে এমনটা না তোমার কি করতে হবে
- 1:24:30এখানে যে ভোল্টেজটা দিতে হবে সেই
- 1:24:31ভোল্টেজটা জার্মেনিয়াম যদি হয় তাহলে
- 1:24:33এটলিস্ট 0.3র বেশি দিতে হবে আর সিলিকন যদি
- 1:24:36হয় তাহলে এটলিস্ট 0.7 ভোল্টের বেশি দিতে
- 1:24:38হবে কারণ এই যে বেড়া এই বেড়া ভাঙতে 0.3
- 1:24:42ভোল্টেজ 0.7 ভোল্টেজ খরচ হয়ে যাবে। তাহলে
- 1:24:45এখানে যে ভোল্টেজটা দিতে হবে সেই
- 1:24:46ভোল্টেজটা যেন 0.3 এবং 0.7 এর বেশি হয়।
- 1:24:49তাহলে এই পাশের ইলেকট্রন এই যে বেড়া এই
- 1:24:52বেড়া ভেঙ্গে এই পাশে চলে আসতে পারবে। এই
- 1:24:55বেড়া ভেঙ্গে এই পাশে চলে আসতে পারবে। তখন
- 1:24:57এই ইলেকট্রনগুলা ঝাকে ঝাকে ইলেকট্রনগুলো
- 1:24:59সব এই পাশে চলে আসবে। ঝাকে ঝাকে
- 1:25:01ইলেকট্রনগুলো সব এই পাশে চলে আসবে। চলে
- 1:25:03এসে এই ফাঁকা জায়গায় ইলেকট্রনগুলো বসে
- 1:25:05পড়বে। বসে পড়ার পরে এটা প্লাস না। এই
- 1:25:07প্লাস কি করবে? ওই ইলেট্রনগুলাকে আবার টান
- 1:25:09দিয়ে শিফট করে সামনের দিকে নিয়ে আসবে। এই
- 1:25:11যে পরে পরবর্তী ফাঁকা চেয়ারগুলোতে নিয়ে
- 1:25:13আসবে। এইভাবে ভালো করে বোঝ এইভাবে এক
- 1:25:16চেয়ার থেকে এক চেয়ার এক চেয়ার থেকে এক
- 1:25:18চেয়ার এক চেয়ার থেকে একচেয়ার ইলেকট্রনগুলা
- 1:25:20উঠে চলে আসবে। মানে সহজ কথা কি হচ্ছে? এটা
- 1:25:23মাইনাস দিচ্ছে এটা প্লাস দিচ্ছি। তাহলে
- 1:25:24মাইনাস কি করবে? এই পাশের ইলেকট্রনগুলোকে
- 1:25:26ঠেলে এই পাশে পাঠাবে। আর প্লাস কি করবে?
- 1:25:28ইলেকট্রনগুলাকে টেনে নিয়ে আসবে। টেনে আবার
- 1:25:30ব্যাটারির কাজ হচ্ছে ঘুরানো। জমা করে না।
- 1:25:33তাহলে সেই ইলেকট্রনগুলাকে টেনে আবার এখানে
- 1:25:35পাঠা দিবে। ব্যাটারি আবার ইলেকট্রনগুলোকে
- 1:25:37এই পাশ দিয়ে পাঠাবে। তাহলে এই দেখো
- 1:25:38ইলেকট্রনের প্রবাহ। দেখছো? এইটা হচ্ছে
- 1:25:41ইলেকট্রনের প্রবাহ। ইলেকট্রনের প্রবাহ
- 1:25:44এভাবে ইলেকট্রনের প্রবাহ হতে থাকবে। আমি
- 1:25:46একটু দেখাই। এইভাবে ইলেকট্রনের প্রবাহ
- 1:25:48চলতে থাকবে। এই যে আমরা প্রবাহ পাচ্ছি।
- 1:25:51এটাই আমাদের দরকার ছিল। ইলেকট্রনের
- 1:25:53প্রবাহ। ওই পাশ থেকে বেড়া ভেঙ্গে ইলেকট্রন
- 1:25:54আসবে। আর এই পাশে প্লাস ইলেকট্রনগুলোকে
- 1:25:56টেনে আবার এদিক দিয়ে পাঠায় দিবে।
- 1:26:00আমরা তো এটাই চাচ্ছিলাম। তাহলে ইলেকট্রন
- 1:26:02প্রবাহ হচ্ছে কোন দিক থেকে? কোনদিক? এন
- 1:26:03থেকে পি এর দিক। আমরা এখানে ইলেকট্রনের
- 1:26:06প্রবাহ পাচ্ছি দ্যাট মিন্স তড়িৎ প্রবাহ
- 1:26:07পাব তাহলে এখানে তড়িৎ প্রবাহ নট জিরো হবে
- 1:26:10এইটাকে বলা হচ্ছে
- 1:26:12এইটাকে বলা হচ্ছে
- 1:26:16উলটা উল্টা লিখছি সরি সরি সরি দুঃখিত
- 1:26:20আগেরটা হচ্ছে এইটা হচ্ছে বিমুখী বায়াস
- 1:26:24সরি বিমুখী যোগ
- 1:26:28এটা হচ্ছে বিমুখী যোগ আমি একটু ভুলে লিখে
- 1:26:30ফেলছি এটা হচ্ছে রিভার্স বায়াস রিভার্স
- 1:26:32বায়াস বুঝলা
- 1:26:35আর এইটা হচ্ছে ফরওয়ার্ড ব্যাস। নরমালি কি
- 1:26:38হয়? আমরা প্রথমে সম্মুখী যোগ লিখি না তো
- 1:26:40ভুলে লিখে ফেলছি। ঝোকে লিখে ফেলছি।
- 1:26:43সম্মুখী যোগ। এইটা হচ্ছে ফরওয়ার্ড বাস।
- 1:26:46তাহলে দেখ এইবার এইযে আমরা ফরোয়ার্ড
- 1:26:48বায়াসে তড়িৎ প্রবাহ পেয়ে যাচ্ছি। ঠিক আছে?
- 1:26:52তাহলে তুমি বল তড়িৎ প্রহ কোনদিক থেকে কোন
- 1:26:53দিকে হচ্ছে বল? ইলেকট্রনের প্রবাহ এন থেকে
- 1:26:56পি এর দিকে। এইযে এন পি এন থেকে পি হচ্ছে
- 1:27:00ইলেকট্রনের প্রবাহ। তাহলে পি থেকে এন হবে
- 1:27:03তড়িৎ প্রবাহ। তড়িৎ প্রবাহ। আমাদের এই
- 1:27:06তড়িৎ প্রবাহটা দরকার ছিল। এটাই আমাদের
- 1:27:08বহুল কাঙ্খিত জিনিস। যে আমরা
- 1:27:10সেমিকন্ডাক্টরের মাধ্যমে তড়িৎ প্রবাহ
- 1:27:11চাই। এই পিএন জাংশন ডায়োড। এটাকে বলা হবে
- 1:27:15পিএন জাংশন ডায়োড। এই পিএন জাংশন ডায়োডে
- 1:27:18আমরা দ্বিমুখী ঝোকে কোন তড়িৎ প্রবাহ
- 1:27:20পাচ্ছি না। কিন্তু সম্মুখী ঝোকে আমরা তড়িৎ
- 1:27:23প্রবাহ পাচ্ছি। বোঝা গেছে? তাহলে ভাই
- 1:27:26বিমুখী ঝোকের কি কোন কাজ নাই? কাজ আছে?
- 1:27:28আমরা কন্ট্রোল চাই। কন্ট্রোল কন্ট্রোল তাই
- 1:27:31না যখন আমরা চাই কারেন্ট লাগবে না তখন
- 1:27:34বিমুখী যোগ যখন আমরা চাই কারেন্ট লাগবে
- 1:27:37তখন সম্মুখী যোগ মানে আমরা তো কন্ট্রোল
- 1:27:39করতে চাই তাহলে কন্ট্রোল করার জন্য বিমুখী
- 1:27:41যোগের কিন্তু দরকার আছে ঠিক আছে সামনে
- 1:27:43তুমি দেখতে পাবা বিমুখী যোগ এইবার এই পিএন
- 1:27:46জাংশন ডায়োডকে আমরা আর এইভাবে আকবো না বুঝ
- 1:27:48এইবার দেখ এইবার কিভাবে আকবো এই যে পিএন
- 1:27:51জাংশন ডায়োড এই ডায়োডকে আমরা এবার এইভাবে
- 1:27:54আকব
- 1:27:58এইযে এটা পি টাইপ এটা এন টাইপ এইযে পিএন
- 1:28:02জাংশন ডায়োড পি টাইপ এটা এন টাইপ এই পিএন
- 1:28:05জাংশন ডায়োড এটার সিম্বল কেমন হবে আগে আমি
- 1:28:08তোমাকে একটু আচ্ছা গুগ এ দেখাই ডায়োড
- 1:28:11দেখতে কেমন দেখো
- 1:28:15ডায়োড
- 1:28:19এই দেখ এইযে এগুলো হচ্ছে ডায়োডের চিত্র
- 1:28:24এক্সাক্ট চিত্র হচ্ছে ডায়োডের এগুলো এই
- 1:28:26বহুত ডায়োড যেমন এই একটা চিত্র দেখছো
- 1:28:29ডায়োডের চিত্র তো এই হচ্ছে পিএন জাংশন
- 1:28:32ডায়োড অর্থাৎ এর মধ্যে এইযে সিলিন্ডার
- 1:28:34আকৃতি একটা শেপ এর মধ্যে পি আছে এন আছে
- 1:28:36ভালো করে বুঝবা এন প্রান্ত দেখে বুঝবো
- 1:28:39কেমনে বাজার থেকে কেনার পরে কিভাবে বুঝবো
- 1:28:41এইযে দেখো সিলিন্ডার আকৃতির যে
- 1:28:43শেপটাশেপগুলো দেখো আমরা এন বুঝব হচ্ছে যে
- 1:28:46পাশে এরকম একটা দাগ দেওয়া থাকবে এইযে সাদা
- 1:28:48দাগ দেওয়া আছে দেখো কালোর উপর সাদা একটা
- 1:28:49দাগ এই যে সাদা দাগটা দেখব বুঝব ওটা এন
- 1:28:53প্রান্ত ওটা এন প্রান্ত বা ক্যাথোড
- 1:28:55নেগেটিভ টার্মিনাল আর বাকিটা হচ্ছে পি
- 1:28:58প্রান্ত অানোড পজিটিভ টার্মিনাল এভাবে
- 1:29:00আমরা বুঝব আমি তোমার সুন্দর করে বুঝা
- 1:29:01দিচ্ছি দেখ তড়িৎ প্রবাহ আকার সুন্দর
- 1:29:04নিয়ম আছে তড়িৎ প্রবাহ কোন দিকে পি থেকে
- 1:29:06এন এর দিকে তড়িৎ প্রবাহ আই তড়িৎ প্রবাহ
- 1:29:09প থেকে এন দিকে তাহলে তুমি কি করবা
- 1:29:10ডায়োডের যেমন রোধের যেমন এরকম চিত্র আছে
- 1:29:13সিম্বল ঠিক তেমনি ডায়োডের সিম্বল হচ্ছে
- 1:29:15এরকম একটা তীর চিহ্ন এই তীর চিহ্নটা কেমন
- 1:29:18ভাবে দিবা দিবা হচ্ছে তড়িৎ প্রবাহ যেদিকে
- 1:29:20সেইদিকে অর্থাৎ প থেকে এন এর দিকে তাহলে
- 1:29:22আমি সুন্দর করে এটা দেখে বুঝে যাব দেখ এটা
- 1:29:25হচ্ছে পি এটা হচ্ছে এন তড়িৎ প্রবাহ প
- 1:29:28থেকে এন এর দিকে এইযে তড়িৎ প্রবাহ তড়িৎ
- 1:29:31প্রবাহ পি থেকে এন এর দিকে হবে এদিকে বলতো
- 1:29:33তড়িৎ প্রবাহ কি এন থেকে পি এর দিকে হবে
- 1:29:35নো হবে না তাহলে তড়িৎ প্রবাহ যদি এদিক
- 1:29:38থেকে যাওয়া শুরু করে সেটা হবে না সেটা
- 1:29:40হবে না মানে কি এদিক থেকে তড়িৎ প্রবাহ
- 1:29:42আসা শুরু করলে দরজা বন্ধ এই দরজা বন্ধ
- 1:29:44মানে একটা দাগ দিয়ে বুঝা দরজা বন্ধ এদিক
- 1:29:47থেকে তড়িৎ প্রবাহ আসলে দরজা বন্ধ তাহলে
- 1:29:49এই কারণে এরকম এখানে একটা দাগ কোথায় দাগ
- 1:29:51এন টার্মিনাল একটা দাগ এইটা হচ্ছে
- 1:29:53ডায়োডের সিম্বল এভাবে আমরা ডায়োডকে আকব
- 1:29:56পিএন জাংশন
- 1:29:57ডায়োড এর মধ্যে এইযে এর মধ্যে যেটাকে আমরা
- 1:30:01বাস্তবে যদি চিত্রটা দেখি বাস্তব চিত্রটা
- 1:30:03হচ্ছে এরকম
- 1:30:07এর বাস্তব চিত্রটা যদি আমরা দেখি
- 1:30:10তাহলে বাস্তব চিত্রটা হচ্ছে এরকম যেটা পি
- 1:30:13আর এটা এন
- 1:30:15তাহলে এই যে এন যেখানে থাকবে সেখানে এরকম
- 1:30:18একটা দাগ থাকবে এইযে এন যেখানে থাকবে
- 1:30:21সেখানে এরকম একটা দাগ থাকবে এটা পি বুঝতে
- 1:30:24পার
- 1:30:26জাংশন ডায়োড
- 1:30:28এবার আসো ডায়োডের দুই ধরনের বায়াসিং
- 1:30:31সম্মুখী যোগ আর বিমুখী যোগ আমরা ওই চিত্র
- 1:30:34দুইটা একটু আকতে চাই তাহলে এক নম্বর
- 1:30:39এক নম্বর
- 1:30:43সম্মুখী ঝোক
- 1:30:47বা
- 1:30:49ফরোয়ার্ড বায়াস
- 1:30:52সম্মুখী ঝোক বা ফরোয়ার্ড বায়াসটাকে কেমন
- 1:30:54ভাবে আকব
- 1:30:58তো দেখো
- 1:31:00সম্মুখী যোগ বা ফরোয়ার্ড বায়াসে
- 1:31:04চিত্র এটা পি এটা এন নিয়ম কি যার সাথে
- 1:31:08মানে সম্মুখী যোগে উল্টা
- 1:31:10সরি সম্মুখী যোগে যার সাথে যা তার সাথে তা
- 1:31:14সম্মুখী যোগে যার সাথে যা
- 1:31:17নিয়ম শর্টকাট যার সাথে যা
- 1:31:22তার সাথে তা
- 1:31:24যার সাথে যা তার সাথে তাহলে পি এর সাথে
- 1:31:27ব্যাটারির প্লাস
- 1:31:30এন এর সাথে
- 1:31:32ব্যাটারির মাইনাস এইযে পি এর সাথে প্লাস
- 1:31:35এন এর সাথে মাইনাস তাহলে তড়িৎ প্রবাহ হবে
- 1:31:38পি থেকে এন এর দিকে এইযে এটা হচ্ছে তড়িৎ
- 1:31:40প্রবাহের ডিরেকশন আমরা যখন ডায়োডটাকে
- 1:31:43এভাবে আকবো
- 1:31:48এভাবে না একে এভাবে যখন আকবো তখন এরকম হবে
- 1:31:52এই
- 1:31:53যেটা পি এটা এন
- 1:31:55তাহলে পি এর সাথে থাকবে প্লাস
- 1:32:00আর এন এর সাথে থাকবে মাইনাস প্লাস মাইনাস
- 1:32:04এইযে এটা এটা হল সম্মুখী যোগ বুঝতে পারছো
- 1:32:08ক্লিয়ার এইবার ব্যাপারটা হচ্ছে সম্মুখী
- 1:32:10যোগ এটা কি হিসেবে কাজ করবে ডায়োডটা তুমি
- 1:32:13কি করবা এবার শুনে রাখো সুন্দর করে যখন
- 1:32:15সার্কিটের ম্যাথ করবা সম্মুখী যোগ কিনা
- 1:32:18এটা আগে দেখবা সম্মুখী যোগ কিভাবে পি এর
- 1:32:20সাথে প্লাস এন এর সাথে মাইনাস বল আমার
- 1:32:22সাথে বল পি এর সাথে প্লাস এন এর সাথে
- 1:32:24মাইনাস পি এর সাথে উচ্চ বিভব পি এর সাথে
- 1:32:27উচ্চ বিভব
- 1:32:29আর এন এর সাথে নিম্ন বিভব পি এর সাথে উচ্চ
- 1:32:34বিভব এন এর সাথে নিম্ন বিভব পি এর সাথে
- 1:32:35উচ্চ বিভব এন এর সাথে নিম্ন বিভব তড়িৎ
- 1:32:38প্রবাহ পি থেকে এন এর দিকে তাহলে এটা
- 1:32:41ফরোয়ার্ড বাস ফরোয়ার্ড বাস আমরা তড়িৎ
- 1:32:43প্রবাহ পাব তা আমরা যখন সার্কিটে আকবো তখন
- 1:32:46এই ডায়োডটাকে কি কি করে আকবো ডায়োডটাকে
- 1:32:48মুছে দিয়ে কিভাবে আকবো তিনটা জিনিস ভালো
- 1:32:50করে শোন তিনটা আমরা যখন সার্কিটে আকব তখন
- 1:32:53ডায়োডটাকে তিনটা তিনটা জিনিস যদি
- 1:32:55আইডিয়াল ডায়োড হয় আইডিয়াল ডায়োড যেটা
- 1:32:58আসলে বাস্তবে হয় না আইডিয়াল গ্যাস যেমন
- 1:33:01হয় না তেমনি আইডিয়াল ডায়োড হয় না
- 1:33:03ডায়োডটাকে মুছে ফেলব মুছে ফেলে ওই
- 1:33:06ডায়োডের জায়গাটাতে একটা কি করব শর্ট
- 1:33:08সার্কিট বসা দিব ডায়োডটাকে মুছে ফেলে
- 1:33:11শর্ট সার্কিট অর্থাৎ আইডিয়াল ডায়োডের
- 1:33:12কোন ভোল্টেজ ড্রপ হবে না কিন্তু যদি এটা
- 1:33:15সিলিকন ডায়োড হইতো দেখ ভালো করে বোঝ
- 1:33:18সিলিকন ডায়োড যদি হয় তাহলে আমরা কি করব
- 1:33:21ওখানে ওইখানে ডায়োডটাকে মুছে ফেলবো। মুছে
- 1:33:25ফেলে পি মানে প্লাস, এন মানে মাইনাস। পি
- 1:33:28মানে প্লাস এন মানে মাইনাস। একটা ব্যাটারি
- 1:33:30বসা দিব। সিলিকন ডায়োড হলে তখন এর মান হবে
- 1:33:320.7 ভল্ট।
- 1:33:35সহজ উপায় ডায়োড ঘেচাং ঘেচা ঘেচাং মুছে
- 1:33:38ফেলব। পি প্লাস এন মাইনাস পি প্লাস এন
- 1:33:42মাইনাস 0.7 তাহলে তুমি বল জারমেনিয়াম হলে
- 1:33:44কি হবে? জারমেনিয়াম ডায়োড হলে আমরা চিত্রে
- 1:33:48আমরা চিত্রে ডায়োডটাকে গেচংেচাং মুছে
- 1:33:51ফেলব। মুছে ফেলে পি প্লাস এন মাইনাস তখন
- 1:33:55হবে 0.3 ভ আমরা সার্কিট সলভ করব যেটা আমরা
- 1:33:58চলতরিতে করি
- 1:34:01ঠিক আছে সম্মুখী যোগ বুঝে গেছি এবার আস
- 1:34:03বিমুখী যোগ দুই নম্বর
- 1:34:07বিমুখী ঝোক
- 1:34:11বা রিভার্স বায়াস
- 1:34:16বিমুখী যোগ বা রিভার্স বায়াস ভাই এটা কেমন
- 1:34:19হবে বিমুখী যোগ হচ্ছে যার সাথে যা তার
- 1:34:22সাথে তা না উল্টা যার সাথে যা তার সাথে তা
- 1:34:25না কেমন উলটা
- 1:34:27এটা পি এটা এন
- 1:34:30তাহলে পি এর সাথে থাকবে মাইনাস এন এর সাথে
- 1:34:32থাকবে প্লাস এইযে এটা তখন আমরা কি করব
- 1:34:36এইযে এই ডোডের সিম্বল দিয়ে যদি আকিড
- 1:34:39সিম্বল দেখে খুবই সহজে বুঝতে পারব এটা পি
- 1:34:41এটা প এর সাথে হবে মাইনাস টার্মিনাল পি এর
- 1:34:45সাথে উল্টা উল্টা রিভার্স বায়াস মানে
- 1:34:48উল্টা উল্টা যার সাথে যা তার সাথে তা না
- 1:34:51পি এর সাথে মাইনাস এন এর সাথে প্লাস
- 1:34:55তাহলে এর মধ্যে দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ হবে
- 1:34:57না। ঠিক আছে? কারণ দেখো দেখো তড়িৎ প্রবাহ
- 1:35:00হবে যে না সেটা তুমি নিজেই বুঝতে পারবা।
- 1:35:02প্লাস থেকে ব্যাটারি প্লাস থেকে তড়িৎ
- 1:35:03প্রবাহ যায় না। তো তড়িৎ প্রবাহ এদিকে
- 1:35:05দিয়ে ঢুকতেছে। দেখো দরজা বন্ধ। দূর এশ
- 1:35:08থেকে আসলে হবে না তড়িৎ প্রবাহ। দরজা
- 1:35:09বন্ধ। তুমি বুঝে যাবা ও আচ্ছা তড়িৎ
- 1:35:11প্রবাহতো হবে না। তড়িৎ প্রবাহ হওয়া যাবে
- 1:35:13না এখানে। আই এখানে জিরো হবে। তাহলে আমরা
- 1:35:16যখন সার্কিট সলভ করব তখন সার্কিটে এটাকে
- 1:35:18কিভাবে আকব? সার্কিটে কি করব? ওই জায়গা
- 1:35:20থেকে ডায়োডটাকে মুছে দিব। মুছে দিয়ে
- 1:35:22ওপেন সার্কিট। কি এটা ওপেন সার্কিট ওপেন
- 1:35:26হিসেবে কাজ করবে সেটা আইডিয়াল ডায়োডের
- 1:35:28জন্য আইডিয়াল ডায়োড হলেও এটা হবে সিলিকন
- 1:35:32ডায়োড হলেও এটা হবে জার্মেনিয়াম ডায়োড
- 1:35:35হলেও এটা হবে
- 1:35:37আইডিয়াল ডায়োড হলেও এটা হবে সিলিকন ডায়োড
- 1:35:40হলে ওটা হবে জারমেনিয়াম ডায়োড হলেও এটা
- 1:35:42হবে গেছে মজার জিনিস না ডান এইবার বলতো
- 1:35:48এখানে ছয়টা চিত্র আছে এই ছয়টা চিত্র তোমার
- 1:35:51খুঁজে বের করতে হবে কোনটা ফরওয়ার্ড বায়াস
- 1:35:52কোনটা রিভার্স বাস
- 1:35:54পি এর সাথে উচ্চ এন এর সাথে নিম্ন হলে
- 1:35:57ফরোয়ার্ড।
- 1:36:00পি এর সাথে উচ্চ
- 1:36:03এন এর সাথে নিম্ন হলে ফরোয়ার্ড বায়াস।
- 1:36:06কারণ কারেন্ট পি থেকে এন এর দিকে যায়। তো
- 1:36:09তীরচিহনের সাথে মিলে গেছে। এ কারেন্ট
- 1:36:11যাচ্ছে সেই তীর চিহ্নের সাথে উচ্চ নিম্ন
- 1:36:13তীর চিহ্নটা মিলে যাচ্ছে। তাহলে এটা
- 1:36:15ফরোয়ার্ড বাস। এরকম যদি হয় তাহলে এটা
- 1:36:18ফরওয়ার্ড বাস। আর যদি এরকম না হয় এরকম না
- 1:36:22হয় বোর্ডে তাকাও এরকম যদি না হয় এটা এন
- 1:36:25এটা পি এন এর সাথে উচ্চ পি এর সাথে নিম্ন
- 1:36:30তাহলে কারেন্ট তো উচ্চ থেকে নিম্ন দিকে এই
- 1:36:33যে কারেন্ট তো এদিক দিয়ে আসে না রে ভাই
- 1:36:35দরজা বন্ধ এই যে দরজা বন্ধ এই দরজা বন্ধ
- 1:36:38দাগ যদি দেখি তাহলে কারেন্ট আর আসতেছে না
- 1:36:39তাহলে এইটা রিভার্স বায়াস হয়ে গেল এবার
- 1:36:43সেটা এখানে যাচাই করব আসতো
- 1:36:46এটা ডায়োডের এই যে এটা পি এটা এন তাহলে
- 1:36:49দেখো পি এর সাথে প্লাস পাঁচ ভোল্ট আছে আর
- 1:36:52এন এর সাথে জিরো ভোল্ট জিরো ভোল্ট আর
- 1:36:55প্লাস পাঁচ ভোল্ট তাহলে প্লাস পাঁচ ভোল্ট
- 1:36:58তো উচ্চ আর তার তুলনায় জিরো ভোল্ট তো
- 1:37:01নিম্ন নিম্ন তাহলে উচ্চ থেকে নিম্ন
- 1:37:05কারেন্ট এদিক দিয়ে আসবে দেখ তীর চিহ্ন
- 1:37:06মিলে গেছে ওকে তীর চিহ্ন মিলে গেছে
- 1:37:08কারেন্ট এদিক দিয়ে আসবে তীর চিহ্ন মিলে
- 1:37:10গেছে তাহলে এইটা ফরওয়ার্ড বাস
- 1:37:14দুই নম্বর দেখ মাইত আর জ ভই মাইত তিন বড়
- 1:37:18না জিরো বড় জিরো বড় তাহলে এটা উচ্চ আর এটা
- 1:37:23নিম্ন
- 1:37:25তো কারেন্ট তো উচ্চ থেকে নিম্নের দিকে
- 1:37:28যাবে তাহলে উচ্চ থেকে নিম্নের দিকে যাবে
- 1:37:30এইযে কারেন্ট যাইতে গিয়ে বাধা পেয়ে গেছে
- 1:37:32এই দেখ দরজা বন্ধ তাহলে কারেন্ট যাবে না
- 1:37:35তাহলে এটা রিভার্স বাস
- 1:37:38পা আর তিন প্লাস পা প্লাস তিন তাহলে প্লাস
- 1:37:42তিন নিম্ন প্লাস পা উচ্চ কারেন্ট উচ্চ
- 1:37:46থেকে নিম্নর দিকে যাবে আচ্ছা তীর চিহ্ন
- 1:37:48মিলে গেছে। তীর চিহ্ন মিলে গেছে। উচ্চ
- 1:37:50বিভব নিম্ন বিভব উচ্চ থেকে নিম্ন দিকে
- 1:37:52কারেন্ট যাবে। তীর চিহ্ন মিলে গেছে দেখো।
- 1:37:53এই যে তীর চিহ্ন এই যে তীর চিহ্ন মিলে
- 1:37:55গেছে। মিলে গেলেই ফরোয়ার্ড বায়াস।
- 1:37:58মিলে গেলেই ফরোয়ার্ড বাস। ওকে? মিলে গেলেই
- 1:38:02ফরোয়ার্ড বায়াস। আস মাইত মাই পা মাইত মাই
- 1:38:08পা দুটাই মাইনাস। কি? বেশি মাইনাস। বেশি
- 1:38:10মাইনাস কে? এটা বেশি মাইনাস। তাহলে এটা
- 1:38:13নিম্ন। আর এটা উচ্চ। তাহলে কারেন্ট উচ্চ
- 1:38:17থেকে নিম্নর দিকে যাবে উচ্চ থেকে নিম্ন
- 1:38:19দিকে কারেন্ট যাবে উচ্চ থেকে নিম্ন দিকে
- 1:38:21মিলে গেছে তীর চিহ্ন তাহলে এটা ফরওয়ার্ড
- 1:38:22ব্যাস
- 1:38:24এটা জিরো ভোল্ট এটা মাইনাস পা ভোল্ট
- 1:38:26মাইনাস পাস বড় না জিরো বড় জিরো বড় তাহলে
- 1:38:28এটা উচ্চ আর মাইনাস পাস তার তুলনায় নিম্ন
- 1:38:32তাহলে কারেন্ট উচ্চ থেকে নিম্ন দিকে এই যে
- 1:38:34তীর চিহ্ন মিলে গেছে এটাও তাহলে ফরোয়ার্ড
- 1:38:37বায়াস
- 1:38:39জিরো বড় না প্লাস তিন বড় প্লাস তিন বড়
- 1:38:42উচ্চ
- 1:38:44আর জিরো নিম্ন
- 1:38:46তাই না প্লাস তিন এর তুলনায় জিরো কম উচ্চ
- 1:38:50নিম্ন কারেন্ট উচ্চ বিভব থেকে আসবে তীর
- 1:38:52চিহনের সাথে মিলতেছে না দরজা বন্ধ তাহলে
- 1:38:54রিভার্স বায়াস আশা করি বুঝতে পার খুবই সহজ
- 1:38:57জিনিস এগুলা কিন্তু এমসিকউতে আসবে দেখবা
- 1:38:59অনুশীলনীতে আছে এমসিকউ গুলা [নাক ডাকা]
- 1:39:02ওকেড এই উচ্চ বিভব নিম্ন বিভব আমরা বুঝে
- 1:39:07দেন আমরা দেখব ফরওয়ার্ড বায়াস নাকি
- 1:39:09রিভার্স বায়াস ডায়োডের ম্যাথ তেমন
- 1:39:11পরীক্ষাতে আসে না জাস্ট নিয়ম রক্ষার জন্য
- 1:39:12আমরা একটা ম্যাথ করব যে এইখানে এরকম একটা
- 1:39:15সার্কিট আছে আমাদের বলতেছে ভি আউটপুট এবং
- 1:39:18এই টু এর মধ্য দিয়ে কারেন্ট আই বের করো।
- 1:39:20তাহলে ভি আউটপুট বের করো এবং আই বের করো।
- 1:39:24এটা হচ্ছে আমাদের কোশ্চেন।
- 1:39:26দেখো ডায়োডের সার্কিট দেখলে অনেকে ভয় পায়।
- 1:39:29প্রথম ভয়টা কি? যে ভাই এই প্রান্তের সাথে
- 1:39:31তো এই প্রান্তের কোন সংযোগ নাই। দেখো মানে
- 1:39:34সেমিকন্ডাক্টর সার্কিটে এই প্রান্তের সাথে
- 1:39:37এই প্রান্তের সংযোগ একে দেওয়া থাকে না।
- 1:39:40বুঝে নিতে হবে। বুঝে নিতে হবে। কিভাবে
- 1:39:42বুঝে নিতে হবে? আসো। দেখো ভালো করে বোঝ।
- 1:39:44এটা কি প্লাস প্লাস 10 ভোল্ট আর তার
- 1:39:47তুলনায় এটা জিরো ভোল্ট এইযে গ্রাউন্ড মানে
- 1:39:49জিরো ভোল্ট আর এটা 10 ভোল্ট তাহলে 10
- 1:39:52ভোল্ট এটা উচ্চ এটা উচ্চ তাহলে উচ্চ থেকে
- 1:39:56নিম্নের দিকে কারেন্ট যাবে কারেন্ট এভাবে
- 1:39:58যাবে তীর চিহ্ন মিলে গেছে কারেন্ট এভাবে
- 1:40:00যাবে তীরচিহ্ন মিলে গেছে তাহলে দুটাই
- 1:40:01ফরওয়ার্ড বাস আছে এটাও ফরওয়ার্ড বাস এটাও
- 1:40:04ফরওয়ার্ড বাস প্রথমে আগে বুঝতে হবে
- 1:40:05ফরওয়ার্ড বাস না রিভার্স দুটোই ফরওয়ার্ড
- 1:40:08বাসে আছে ওকে এইবার আমরা কি করব সার্কিটকে
- 1:40:12রিড্র করব
- 1:40:14সার্কিটকে রিড্র করবো। তাহলে এটা ফরওয়ার্ড
- 1:40:17বাসে আছে। এটাও ফরওয়ার্ড বাসে আছে। প্রথমে
- 1:40:20আসো। এই 10 ভোল্টকে আগে রিড্র করবো। ভালো
- 1:40:23করে বোঝো। এখানে কি যুক্ত বল? মাইনাস 10
- 1:40:26ভোল্ট নাকি প্লাস 10 ভোল্ট যুক্ত বলতো?
- 1:40:29প্লাস 10 ভোল্ট। তাহলে আমি তোমাকে একটা
- 1:40:31জিনিস দেখাই একটু শিখাই। যদি এরকম থাকে
- 1:40:34ধর। যদি থাকে এটা মাইনাস 10 ভোল্ট। তাহলে
- 1:40:38কি করতে হবে জানো? এটাকে যখন আমি আকবো এটা
- 1:40:41এটার অর্থ হচ্ছে এই যে এই ডায়োডের সাথে এই
- 1:40:45ডায়োডের এই পি এর সাথে পি এর সাথে
- 1:40:48ব্যাটারির মাইনাস টার্মিনালটা যুক্ত
- 1:40:49মাইনাস 10 ভোল্ট পি এর সাথে ব্যাটারির
- 1:40:53মাইনাস টার্মিনালটা যুক্ত তাহলে পি এর
- 1:40:55সাথে পি এর সাথে ব্যাটারির মাইনাস
- 1:40:58টার্মিনালটা যুক্ত
- 1:41:01এইযে মাইনাস টার্মিনালটা যুক্ত পি এর সাথে
- 1:41:04এটা মাইনাস এটা প্লাস
- 1:41:07এইযে এরকম 10 ভোল্ট। যদি এমন হয় তাহলে
- 1:41:10বলতো কি হবে?
- 1:41:13পি এর সাথে এটা প্লাস 10 ভোল্ট। এবার বলতো
- 1:41:15কি? তাহলে পি এর সাথে ব্যাটারির প্লাস
- 1:41:18টার্মিনাল যুক্ত।
- 1:41:21এটা পি পি এর সাথে ব্যাটারির প্লাস
- 1:41:24টার্মিনাল প্লাস। এইযে এরকম এইযে প্লাস
- 1:41:28টার্মিনাল যুক্ত। তাহলে এইযে এটা 10 ভল্ট।
- 1:41:32এটা 10 ভুতো?
- 1:41:34এই হচ্ছে ঘটনা। এটা একটু মাথায় রাখবা। আস
- 1:41:38এই যে সার্কিটটা
- 1:41:40এই যে সার্কিটটা এই সার্কিটের ক্ষেত্রে
- 1:41:42এখানে আমাদের ছিল 10 ভোল্ট প্লাস 10 ভোল্ট
- 1:41:45তাহলে আমি প্রথমে এই জায়গাটা আকব প্লাস
- 1:41:48যুক্ত এইযে বুঝতে পারছো প্লাস 10 ভলে এর
- 1:41:52সাথে প্লাস প্রান্তটা যুক্ত থাকবে প্লাস
- 1:41:55যুক্ত করলাম এবার এটার সাথে আসলে এর একটা
- 1:41:57এইযে সংযোগ আছে এই সংযোগটা আসলে
- 1:41:59অলিখিতভাবে আমরা দিয়ে নিব এটা কিন্তু
- 1:42:01আসলে বুঝাচ্ছে কিন্তু সার্কিটের জায়গা
- 1:42:04নষ্ট হবে তাই আকে নাই কিন্তু এই বিন্দুর
- 1:42:06সাথে আসলে এই বিন্দুর একটা সংযোগ
- 1:42:07আছে বুঝলে আমরা কি করলাম এইযে এই বিন্দুর
- 1:42:10সাথে এই বিন্দুর সংযোগ দিয়ে দিলাম এইবার
- 1:42:12দেখ এই যে এই যে পি এর সাথে প্লাস যুক্ত এ
- 1:42:16প্লাস যুক্ত তার মানে এটা ফরয়ার্ড যেটা
- 1:42:18আমরা আগেও দেখলাম ফরয়ার্ড তাহলে সিলিকনটা
- 1:42:20মুছে দিব এইযে সিলিকনটা মুছে দিলাম মুছে
- 1:42:23দিয়ে ভালো করে বোঝ প্লাস
- 1:42:26মাইনাস তাহলে এটাকে মুছে দিয়ে এখানে আমরা
- 1:42:29একটা ব্যাটারি বস দিব
- 1:42:32এখানে একটা ব্যাটারি বসা দিব এইযে সিলিকন
- 1:42:35ডায়োড না 07 সেভ এটা হবে প্লাস এটা হবে
- 1:42:39মাইনাস বুঝ এটাটু কে কে মানে কিলোহম
- 1:42:42জারমেনিয়াম এটাও ফরওয়ার্ড বাসে আছে ফরবাসে
- 1:42:45থাকলে এটা প্লাস এইযেটা মাইনাস এটা 03 ভব
- 1:42:51সার্কিট কমপ্লিট হয়ে গেল এবার আমাদেরভি
- 1:42:54আউটপুট বের করতে বলছে আর কারেন্ট বের করতে
- 1:42:55বলছে আগে আমরা কারেন্টটা বের করি দেখ এই
- 1:42:57পুরো লাইনে একটাই কারেন্ট পুরো লাইনে
- 1:42:59একটাই কারেন্টের
- 1:43:02সূত্র মনে আছে সূত্র খাটাও এর মধ্য দিয়ে
- 1:43:05কারেন্ট কত আ এর মধ্য দিয়ে কারেন্ট যাচ্ছে
- 1:43:07কত? আই। তারপরে সেই কারেন্ট আবার এর মধ্য
- 1:43:09দিয়ে যাচ্ছে। সেই কারেন্ট আবার এই একই
- 1:43:11কারেন্ট এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। তাই না?
- 1:43:12তাহলে একটা লুপ ঘুরাও। এভাবে একটা লুপ টুপ
- 1:43:14ঘুরাও। তাহলে লুপ ঘতো দেখতো চলতরিত। এভাবে
- 1:43:17লুপ ঘু ঘ আসো। এই যে আস দেখ কি পাচ্ছ?
- 1:43:22মাইনাস 10 তারপরে তারপরে এটা কিন্তু আবার
- 1:43:25প্লাস নিবা না। কারণ ঢোকার সময় নিতে হয়।
- 1:43:27নিয়ম কি? ঢোকার সময় মাই 10 মাই 10 দেন এটা
- 1:43:31দিয়ে ঢুকো। এর মধ্যে ঢোক। তাহলে এর মধ্যে
- 1:43:34এইদিক দিয়ে এইযে এইভাবে ঢুকতেছো কি পাচ্ছ
- 1:43:36প্লাস 0.7 লুপ ঘুরাচ্ছি কেবিএল কাটাচ্ছি
- 1:43:40কেবিএল কাটাচ্ছি তাহলে মাইনাস 10 মাইনাস
- 1:43:45প্লাস 0.7
- 1:43:47রোধের আগে সবসময় প্লাস রোদের আগে কি সবসময়
- 1:43:50প্লাস তাহলে প্লাসট
- 1:43:52আইট কিলোম আই কিলোকে করা লাগবে না যে ভাই
- 1:43:562 না দরকার নাই আমরা লাস্টে গিয়ে করব
- 1:44:00প্লাস 03 দেন দেন দেন দেন প্লাস ফাইভ আই
- 1:44:06দেন দেন ও আই শেষ ইকুয়াল জির লুপ ঘ নিলাম
- 1:44:12ভোল্টেজ যোগ করলাম কেবিএল কাটালাম তাহলেদ
- 1:44:15পাছ স আ এ আই
- 1:44:21এ আই
- 1:44:23এটা ইকয়ালটু
- 1:44:2610 [নাক ডাকা] বিয় প7 বিয় প3 তার মানেন
- 1:44:30ভোল্ট তাহলে আইকন 9/8 এই 9/8 দেখো ভালো
- 1:44:35করে বোঝো আমরা কিন্তু ভোল্ট ভোল্টে নিছি
- 1:44:37আর রোধ কিলোমে নিছি যদি ভোল্ট ভোল্টে থাকে
- 1:44:40রোধ যদি কিলোমে থাকে মাথায় রাখবা কারেন্ট
- 1:44:43হবে মিলিঅম্পিয়ারে তা কেন ভাই মাথায় রাখবো
- 1:44:45কেন আসো দেখাই কারেন্ট আই না আই বাভি
- 1:44:49ইকয়াল আই আর না এবার দেখো আই কি
- 1:44:53অ্যাম্পিয়ার আর কি ওহম ওহম যদি কিলোহম হয়
- 1:44:57তাহলে এম্পিয়ার হবে মিলিঅম্পিয়ার একই কথা
- 1:45:01কেমনে মিলি মিলি এম্পিয়ার মানে কি? 10 টু
- 1:45:03দি পাওয়ার মাইনাস থ্রি অ্যাম্পিয়ার। আর
- 1:45:04কিলোম মানে কি? 10 টু দি পাওয়ার থ্রি ওম।
- 1:45:06তাহলে 10 টু দি পাওয়ার 3 -থ কাটাকাটি।
- 1:45:08তাহলে কথা কি? কথা হচ্ছে ভোল্ট যদি বিভব
- 1:45:12যদি ভোল্ট এককে থাকে বিভব যদি ভোল্ট এককে
- 1:45:15থাকে কারেন্ট অ্যাম্পিয়ারে হলে রোধ হবে
- 1:45:16কিলোহম। সরি রোধ হবে ওহম। কারেন্ট
- 1:45:20অ্যাম্পিয়ারে থাকলে রোধ হবে ওহম। কারেন্ট
- 1:45:23মিলি এম্পিয়ারে আসলে রোধ হবে কিলোহম। কি
- 1:45:26মাথায় থাকবে? এই কারণে আমরা রোদগুলাকে
- 1:45:28কনভার্ট করি নাই। রোদগুলা ওহম কিলোহম আছে
- 1:45:30কিলোহমই আছে আমরা কারেন্ট পেয়ে গেছি মিলি
- 1:45:32এম্পিয়ারে ডান এইবার আমাদের কি বলছে এই
- 1:45:35বিন্দুর ভি আউটপুট ভি আউটপুট দেখো এই
- 1:45:38বিন্দুর ভি আউটপুট মানে কি এই বিন্দুর
- 1:45:41ভোল্টেজ ভি আউটপুট আর এই বিন্দুর ভোল্টেজ
- 1:45:43জির তাহলে এই দুই বিন্দুর বিভব পার্থক্য
- 1:45:45দেখতো এই ওান কে এর জন্য ও কে এর জন্য দুই
- 1:45:49বিন্দুর বিভব পার্থক্য বল বিভব পার্থক্য
- 1:45:51কতভি আউটপুট মাইনাস জইক আই ই আর আই ইও শেষ
- 1:45:59অতএব বি আউটপুট হবে আই এর মান 9বা আ গু এক
- 1:46:03তার মানে 9বা আ ভুলা
- 1:46:06বিভব পার্থক্যের সূত্র কিভিক আইর তাহলে এই
- 1:46:09বিন্দু আর এই বিন্দুর বিভব পার্থক্যভি
- 1:46:12আউটপুট আর গ্রাউন্ড মানে জ ভোল্ট তাহলেভি
- 1:46:15আউটপুট মাইনাস জ মানে বিভব পার্থক্য
- 1:46:17ইকুয়াল আই ই আর তাই করছি আর কিছু ঠিক আছে
- 1:46:21এইযে নিয়ম রক্ষার জন্য ম্যাথ করলাম
- 1:46:22চলতড়িতের ম্যাথ এইটাকে যদি সার্কিটটাকে
- 1:46:25রিড্র করতে পারো তাহলে চলতড়িতের ম্যাথ
- 1:46:27এবার এবার নিজেরা এটা একটু করার ট্রাই করো
- 1:46:29তো মনে মনে করো
- 1:46:33নিজেরা এটা করার একটু ট্রাই করো তো কিভাবে
- 1:46:36করতে হবে
- 1:46:39একটু ভাবো মনে মনে
- 1:46:43দেখো কি আছে এটা 15 ভোল্ট সিলিকন
- 1:46:46জারমেনিয়াম টু কে সিলিকন থ কে তাহলে আগে
- 1:46:51বোঝ যে কোনটা কি বের করতে হবে ভি আউটপুট
- 1:46:54আর আই বের করতে হবে ধর এইযে এবং ভি আউটপুট
- 1:46:59আই ওভি আউটপুট বের করতে হবে
- 1:47:02তাহলে একটু ভাবনা চিন্তা করো
- 1:47:05দেখতো
- 1:47:08এটা 15 ভোল্ট প্লাস 15 ভোল্ট না প্লাস 15
- 1:47:11ভোল্ট উচ্চ বিভব ঠিক আছে এটা উচ্চ বিভব আর
- 1:47:14এটা গ্রাউন্ড জিরো ভোল্ট নিম্ন বিভব এটা
- 1:47:17উচ্চ তাহলে এই যে কারেন্ট এদিক দিয়ে
- 1:47:20যাচ্ছে তীরচিহ্ন মিলে গেছে তাহলে এটা
- 1:47:21ফরওয়ার্ড বাস কিন্তু এদিক দিয়ে তো ঢুকতে
- 1:47:23পারবে না দেখ
- 1:47:25বাধা বাধা দরজা দরজা বাধা দরজা আটকানো
- 1:47:28তাহলে এইটা ভাই রিভার্স বাস তাহলে এইটা
- 1:47:30ফরওয়ার্ড বাসে আছে এইটা রিভার্স বাসে আছে
- 1:47:34কারেন্ট এদিক দিয়ে গিয়ে এই যে এটার সাথে
- 1:47:37মিলে গেছে তাহলে এইটা ফরওয়ার্ড আছে তীর
- 1:47:40চিহ্ন মিলে গেলে ফরয়ার্ড না মিললে রিভার্স
- 1:47:43তাহলে যে দুইটা ফরওয়ার্ড বাসে আছে সেই
- 1:47:46দুইটা থাকবে বাকিগুলারে ভ্যানিশ করে ফেলব
- 1:47:50এইযেটা ভ্যানিশ হয়ে গেল এইটা ভ্যানিশ
- 1:47:53কিন্তু এইটা থাকবে সিলিকন থাকবে এই সিলিকন
- 1:47:57থাকবে। এই দুইটা মুছে ফেলব। মুছে ফেলে
- 1:47:58ওখানে দুটো ব্যাটারি বসা দিব। তাহলে 0.7
- 1:48:03এটাও সিলিকন ছিল। তাহলে এটাও 0.7 সে
- 1:48:07ভোল্ট। এটা প্লাস 15। তাহলে প্লাস 15 কে
- 1:48:10সাজায়? এই যে প্লাস এটা মাইনাস। কত ভোল্ট?
- 1:48:1515 ভোল্ট। আর এই বিন্দুর সাথে এই বিন্দুর
- 1:48:17একটা সংযোগ আছে। হয়ে গেল। এবার লুপ ঘুরাও।
- 1:48:20নাও। লুপ ঘরাও। এইযে লুপ কারেন্ট আই। এইযে
- 1:48:24আই কারেন্ট আই তাহলে লুপ ঘুরাও আসো আসো
- 1:48:28আসো আসো মাইনাস 15 মাইনাস 15 কি কাটাচ্ছি
- 1:48:32আমরা কেভিএল কাটাচ্ছি তাহলে মাইনাস 15
- 1:48:36এদিক দিয়ে এসে মাইনাস 15 প্লাস 0.7
- 1:48:40তারপরে 2 আই
- 1:48:44তারপরে প্লাস 0.7 সে তারপরে থ্রি আই
- 1:48:50ইকুয়াল জির
- 1:48:53তাহলে 15
- 1:48:55অতএব আই ইকুয়ালটু
- 1:48:5815 বিয় পয়ে7 মাইনাস পয়ে7 তাহলে 13.6
- 1:49:05ভাগ হচ্ছে পাচ আর তিন সরি দুই আর তিন পা
- 1:49:10ফাই তাহলে এত ভাগ পা
- 1:49:142 প72 এত মিলিঅম্পিয়ার ওকে ডান এত
- 1:49:18মিলিপিয়ার ঠিক করছি না ঠিক করছি এইবার ভি
- 1:49:22আউটপুট চাইছে এইযে এই বিন্দুর ভোল্টেজ
- 1:49:23এটাতো গ্রাউন্ড তাহলে বিভব পার্থক্য নাও
- 1:49:26এই দুই বিন্দুর মধ্যে বিভব পার্থক্য হিসাব
- 1:49:27করো তাহলেভি আউটপুট মাইনাস জভি আই তাহলে
- 1:49:32আই ইথ
- 1:49:34অতএব ভি আউটপুট আই এর মান 2.72 ইথ
- 1:49:39এন্সার গুণ থ্রি 8 পয়েন্ট
- 1:49:43স ভল্ট
- 1:49:458 প6 ভ কি বোঝা গেছে এইতো সহজ জিনিস
- 1:49:53এবার আসো আমরা একটা খুব ইম্পর্টেন্ট গ্রাফ
- 1:49:55আকবো সম্মুখী ঝোক এবং বিমুখী ঝোকের গ্রাফ
- 1:49:58আকবো আমরা একটা জিনিস দেখলাম না যে
- 1:50:00সম্মুখী ঝোকে আমরা কারেন্ট পাই বিমুখী
- 1:50:03ঝোকে আমরা কারেন্ট পাই না। তো আমরা একটা
- 1:50:05গ্রাফ আকবো। গ্রাফ আসলে দুইটা। তো দুইটা
- 1:50:07গ্রাফকে আমরা একসাথে করব। কিভাবে? এটা
- 1:50:09হচ্ছে ফরোয়ার্ড কারেন্ট আর এটা হচ্ছে
- 1:50:12ফরোয়ার্ড ভোল্টেজ। আরেকটা হচ্ছে রিভার্স
- 1:50:15কারেন্ট। রিভার্স কারেন্ট আর রিভার্স
- 1:50:19ভোল্টেজ। ওকে? তো দুটো গ্রাফকে যদি একসাথে
- 1:50:22আকা যায় তাহলে বেটার না। দুটো গ্রাফকে
- 1:50:24আমরা একসাথে করে ফেলব। কিভাবে একসাথে করা
- 1:50:27যায়? এইযে দেখ কিভাবে একসাথে করা যায়। এটা
- 1:50:31আমি যদি ফরওয়ার্ড ভোল্টেজ নিই তাহলে উল্টা
- 1:50:34দিকে আমরা নিব রিভার্স ভোল্টেজ।
- 1:50:37রিভার্স ভোল্টেজ নিব। আর এদিকে যদি আমরা
- 1:50:40ফরওয়ার্ড কারেন্ট নিই তাহলে এদিকে নিব
- 1:50:44আমরা রিভার্স কারেন্ট। তাহলে বোর্ডে
- 1:50:47দেখাও। এটা মূলবিন্দু জির। তাহলে সম্মুখী
- 1:50:51যোগে কিন্তু কারেন্টের প্রবাহ হয়। ভালো
- 1:50:53করে বোঝ। সম্মুখী যোগে কারেন্টের প্রবাহ
- 1:50:56হয়। এটা প্লাস, এটা মাইনাস। তাহলে প্লাসের
- 1:51:00সাথে এই যে মাইনাস যার সাথে যা তার সাথে
- 1:51:02তাই লাগায় দিব। এই তাহলে এটা হচ্ছে
- 1:51:04ফরওয়ার্ড ব্যাস।
- 1:51:07আর
- 1:51:10পি এর সাথে এইযে পি প্লাস এর সাথে
- 1:51:15এটা [গলা পরিষ্কার করা] পি এটা এন। তাহলে
- 1:51:17পি এর সাথে
- 1:51:20পি এর সাথে মাইনাস
- 1:51:23আর এন এর সাথে প্লাস লাগায় দিব। এটা হচ্ছে
- 1:51:26রিভার্স বাস। ভাই রিভার্স বায়াসে ওপেন
- 1:51:28হিসেবে থাকবে। রিভার্স বায়াসে ওপেন থাকবে।
- 1:51:30কোন কারেন্ট নাই। আই জিরো। আর ফরোয়ার্ড
- 1:51:32বায়াসে কি হবে? ফরোয়ার্ড বায়াসে আই থাকবে।
- 1:51:34আই পাওয়া যাবে। আই নট জিরো। ঠিক আছে?
- 1:51:38তাহলে শোন প্রথমে ফরোয়ার্ড বায়াস। তাহলে
- 1:51:40আমরা একটু এই চিত্রে ফেরত আসি। এইযে এখানে
- 1:51:44এইযে ফরওয়ার্ড বাস। কারেন্টের প্রবাহ
- 1:51:46হচ্ছিল। তাহলে একটা জিনিস চিন্তা করো।
- 1:51:48এখানে যদি আমি ধর সিলিকন ডায়োড। 0 দিব
- 1:51:52ভোল্টেজ তাহলে কিন্তু কারেন্ট পাওয়া যাবে
- 1:51:54না। কেন? কারণ এই ব্যারিয়ার পটেনশিয়াল
- 1:51:56ভোল্টেজ ব্যারিয়ার পটেনশিয়াল ভোল্টেজ
- 1:51:59এইটা হচ্ছে ব্যারিয়ার পটেনশিয়াল হচ্ছে
- 1:52:01সিলিকনের জন্য 0.7 সেভেন। ঠিক আছে? এই এই
- 1:52:05অংশটার আরেকটা বাংলা নাম আছে নিঃশেষিত
- 1:52:07অঞ্চল। এটা একটু লিখে রাখি। নিরপেক্ষ
- 1:52:09অঞ্চল বা নিঃশেষিত অঞ্চল। নিঃশেষিত
- 1:52:14অঞ্চল। তাহলে একটু বইট কম পড়লেও হবে। ঠিক
- 1:52:17আছে? কি লিখলাম? এটা কোন ভাষায় লিখলাম?
- 1:52:20নিঃশেষিত অঞ্চল। ওকে? তাহলে দেখো এখানে
- 1:52:23ভোল্টেজ 0.1 কারেন্ট পাওয়া যাবে না। কারণ
- 1:52:26সিলিকনের জন্য ব্যারিয়ার পটেনশিয়াল 0.7
- 1:52:28এটলিস্ট 0.7 লাগবে। 0.2 না 0.3 0 থেকে
- 1:52:33জারমেনিয়ামের জন্য পাওয়া যাবে। অর্থাৎ
- 1:52:350.3র বেশি হলে জারমেনিয়ামের জন্য
- 1:52:36ব্যারিয়ার ভাঙবে। কেন? কারণ
- 1:52:38জার্মেনিয়ামের ব্যারিয়ার পটেনশিয়াল 0.3
- 1:52:40ভোল্টেজ। তারপরে 0.4 0.5 0.6 0.7 এর জন্য
- 1:52:44সিলিকনের ব্যারিয়ারটা ভাঙবে। 0.7 এর থেকে
- 1:52:48বেশি হলে ভোল্টেজটা মানে কারেন্টটা পাওয়া
- 1:52:50যাবে। তখন কারেন্টের মানে এখানে ভোল্টেজ
- 1:52:52যত বাড়াবো কারেন্ট তত বাড়বে। ভোল্টেজ যত
- 1:52:53বাড়াও কারেন্ট তত বাড়বে। তো এটা কিন্তু
- 1:52:55পুরোপুরি ওহমের সূত্র মেনে ভি ইকালটু আই
- 1:52:58আর সূত্রটা ফলো করে না। এরকম হয় না। মূল
- 1:53:00বিন্দুগামী সরলরেখা পাওয়া যাবে না। ভালো
- 1:53:02করে থাকো। 0.1 0.2 0.3 ভোল্ট।
- 1:53:08জার্মেনিয়ামের জন্য এখান থেকে শুরু হবে।
- 1:53:100.3 থেকে শুরু হবে জার্মেনিয়ামের জন্য।
- 1:53:13তাহলে এটা জার্মেনিয়াম। তারপর
- 1:53:15[গলা পরিষ্কার করা]
- 1:53:170.4 0.5 0.6 0.7 ভোল্ট। ঠিক আছে? 0.7 ভ
- 1:53:250.7 ভোল্ট এর জন্য সিলিকনের সিলিকন এর
- 1:53:29জন্য আমরা তড়িৎ প্রবাহ পাওয়া শুরু করব।
- 1:53:31এইযে তড়িৎ প্রবাহ পাওয়া শুরু হবে। সরল
- 1:53:34রেখা না কিন্তু ওহমের সূত্র মানে না
- 1:53:35কিন্তু ওহমের সূত্র মানে না। পরিবাহী না
- 1:53:38এটা অর্ধপরিবাহী। তাহলে এইটা হবে সিলিকনের
- 1:53:41জন্য। তাহলে একটা জিনিস শোন আমরা কত থেকে
- 1:53:43ভোল্টেজ পাইলাম? জার্মেনিয়ামের জন্য 0.3
- 1:53:45সিলিকনের জন্য পয়েন্ট সেই 0.3 এবং পয়েন্ট
- 1:53:49সে যার জন্য ভোল্টেজ পাওয়া শুরু হইছে
- 1:53:52এদেরকে বলা হয় অপারেটিং ভোল্টেজ। এই
- 1:53:54ভোল্টেজ দুইটাকে বলা হয় অপারেটিং ভোল্টেজ।
- 1:54:00অপারেটিং
- 1:54:03অপারেটিং ভোল্টেজ।
- 1:54:06এই ভোল্টেজটাকে বলা হয় অপারেটিং ভোল্টেজ।
- 1:54:080.3 আর 0.7। ঠিক আছে? এবার আসো এবার
- 1:54:13বিমুখী যোগ।
- 1:54:15বিমুখী যোগে
- 1:54:18দ্বিমুখী ঝোকে দেখা যাবে কি আমি যদি
- 1:54:21ভোল্টেজটা বাড়াইতে থাকি বোর্ডে তাকাও এই
- 1:54:24যে বিমুখী ঝোঁকের চিত্র দেখো এই ভোল্টেজটা
- 1:54:28যত বাড়াবো ডিপ্লেশন লেয়ারের পরিধি তত
- 1:54:31বাড়বে কেন কারণ এই ভোল্টেজটা যত বাড়াবো এই
- 1:54:33প্লাস তত বেশি তত বেশি ইলেকট্রনগুলোকে
- 1:54:36এদিকে টেনে সরায় নিয়ে আসবে মাইনাস তত বেশি
- 1:54:40হোল এদিকে টেনে সরে নিয়ে আসবে তাহলে
- 1:54:42ইলেকট্রন এদিকে সরে যাবে হোল এদিকে সরে
- 1:54:44যাবে ইলেকট্রন এদিকে সরে যাবে হোল এদিকে
- 1:54:46সরে যাবে এই ভোল্টে ভোল্টেজ বাড়তে থাকলে
- 1:54:48এইভাবে ইলেকট্রন আর হোল সরতে থাকবে। তাহলে
- 1:54:51ডিপ্লেশন লেয়ারের পরিধি নিঃশ্বাসিত
- 1:54:53অঞ্চলের পরিধি বাড়তে থাকবে। এ বাড়তে
- 1:54:54থাকবে। বাড়তে থাকবে বাড়তে থাকবে। একটা
- 1:54:56সময় এই যন্ত্র ছেড়ে বের হয়ে আসবে। তখনই
- 1:54:59আসলে ডায়োড পুড়ে যাবে বা ডায়োড নষ্ট
- 1:55:02হয়ে যাবে। তো দেখা যাবে কি? আমি যদি
- 1:55:06দ্বিমুখী ঝোকে ভোল্টেজের মানটা বাড়াইতে
- 1:55:08থাকি। বিমুখী ঝোকে আমি যদি ভোল্টেজের
- 1:55:11মানটা বাড়াইতে থাকি। আচ্ছা আমি একটা
- 1:55:13জিনিস উল্টা করে ফেলছি রে।
- 1:55:18এটা তো [গলা পরিষ্কার করা] কারেন্ট না এটা
- 1:55:20তো ভোল্টেজ
- 1:55:22এটা ভোল্টেজ ভি
- 1:55:26এফ এফ এক্স অক্ষে ভোল্টেজ তো এটা ভোল্টেজ
- 1:55:32এটা আই এফ ওকে কোন ব্যাপার না এগুলো হতেই
- 1:55:36পারে ভি আর আই আর ওকে তাহলে
- 1:55:42গ্রাফটা আসলে ভি আর এই যে আই আর
- 1:55:48ভি
- 1:55:51আই এফ ভি এফ ভি এফ গ্রাফটা হচ্ছে এই ঠিক
- 1:55:55আছে তাহলে এবার দেখো বিমুখী ঝোকে আমি যদি
- 1:55:58ভোল্টেজ বাড়াইতে থাকি ভোল্টেজ যদি বাড়াইতে
- 1:56:01থাকি বাড়াইতে থাকি বাড়াইতে থাকি কোন
- 1:56:03কারেন্ট পাওয়া যাবে না কিন্তু একটা সময়
- 1:56:05গিয়ে দেখবা ভোল্টেজ এরকম বাড়াচ্ছি
- 1:56:09মানে সামান্য কারেন্ট প্রবাহ হবে ভোল্টেজ
- 1:56:12বাড়াইতে থাকলে সামান্য কারেন্ট প্রবাহ হবে
- 1:56:13তাকে বলা লিকেজ কারেন্ট ঠিক আছে খুবই
- 1:56:16সামান্য কারেন্ট লিকেজ কারেন্ট একটা সময়
- 1:56:18গিয়ে ধর এই যে ভোল্টেজটা এই ভোল্টেজের
- 1:56:21জন্য দেখা যাবে হুট করে কারেন্ট বেড়ে গেছে
- 1:56:23মানে কি গেছে ডোড গেছে ডোড পড়ে গেছে ডায়ড
- 1:56:26নাই যন্ত্র ছেড়ে ডিপ্লেশন লেয়ার বের হয়ে
- 1:56:30চলে আসছে ডিপ্লেশন লেয়ার বাড়তে বাড়তে
- 1:56:32বাড়তে বাড়তে যন্ত্র ছেড়ে বের হয়ে আসছে তখন
- 1:56:34আর ডায়োড তো নাই ডায়োড পুড়ে গেছে তাহলে
- 1:56:36পুড়ে গেলে হিউজ কারেন্ট প্রবাহিত হইছে
- 1:56:38দিয়ে ডায়োড পুড়ে গেছে তাহলে যে ভোল্টেজ
- 1:56:41দিলে হুট করে হুহু করে কারেন্ট বাড়বে যে
- 1:56:43ভোল্টেজে ডায়োড পুড়ে যাবে সেই ভোল্টেজটাকে
- 1:56:46বলা হয় জেনার ভোল্টেজ বা ব্রেকডাউন
- 1:56:47ভোল্টেজ। এটা হচ্ছে জেনার ভোল্টেজ বা
- 1:56:51ব্রেকডাউন ভোল্টেজ।
- 1:56:54ব্রেকডাউন
- 1:56:56ভোল্টেজ। বুঝতে পারছো? এই গ্রাফটা একটু
- 1:56:59মাথায় রাখবা। এখান থেকে কিন্তু এমসিকউ
- 1:57:01কোশ্চেন আসে। অপারেটিং ভোল্টেজ আর
- 1:57:03ব্রেকডাউন বা জেনারেল ভোল্টেজ। বুঝলাম? এই
- 1:57:06অপারেটিং ভোল্টেজ মানে কিন্তু ব্যারিয়ার
- 1:57:08পটেনশিয়াল।
- 1:57:10ব্যারিয়ার
- 1:57:13পটেনশিয়াল
- 1:57:15ব্যারিয়ার পটেনশিয়াল ওকে বিভব প্রাচীর মান
- 1:57:19ঠিক আছে বিভব প্রাচীরের মান
- 1:57:22এইবার আসো এই ডায়োডের একটা খুব
- 1:57:25গুরুত্বপূর্ণ অপ্লিকেশন হচ্ছে রেকটিফায়ার
- 1:57:28রেক্টিফায়ার বাংলায় বললে একমুখী কারক কি
- 1:57:31করে এটা তড়িৎ প্রবাহকে একমুখী করে একমুখে
- 1:57:36করে ট মিন্স এসিকে ডিসি করে এসি কি
- 1:57:40অল্টারনেটিং অল্টারনেটিক প্রবাহ তাকে
- 1:57:43একমুখী করবে বা ডিসিতে কনভার্ট করবে। এখন
- 1:57:46এসি আর ডিসি যদি না চিনি তাহলে কেমনে
- 1:57:48বুঝবো যে একমুখী কারক কি করে? তাহলে
- 1:57:51একমুখী কারক বা রেকটিফায়ার হচ্ছে এমন একটা
- 1:57:53সার্কিট যে এই যে এইখানে ধরো আরএফ সার্কিট
- 1:57:57আছে। আর এফ রেকটিফায়ার সার্কিট।
- 1:58:02এই রেকটিফায়ার সার্কিটে আমি ইনপুট দিব
- 1:58:05এসি।
- 1:58:07ইনপুট দিব এসি। এসি প্রবাহ ইনপুট দিব বা
- 1:58:11এসি ভোল্টেজ এসি সোর্স ইনপুট দিব এসি
- 1:58:13সিগনাল ইনপুট দিব আউটপুট হিসেবে যেটা আমরা
- 1:58:16পাব সেটা হচ্ছে ডিসি অর্থাৎ একমুখী পাব
- 1:58:20এটা অল্টারনেটিং সেখান থেকে আমরা একমুখী
- 1:58:23পাব একমুখী প্রবাহ বা একমুখী ভোল্টেজ পাব
- 1:58:27আচ্ছা এসি কারেন্ট বা এসি ভোল্টেজটা কেমন
- 1:58:30ধর এসি হচ্ছে এরকম এসি সিম্বল এসি
- 1:58:33ভোল্টেজের সিম্বল হচ্ছে এরকম এসি
- 1:58:35ব্যাটারির বা এসি সোর্সের সিম্বল হচ্ছে
- 1:58:38এরকম
- 1:58:39ধরো
- 1:58:41এই যে একটা রোধ
- 1:58:44এই রোদের সাথে একটা এসি সোর্স যুক্ত আছে।
- 1:58:47এটার মানে কি? এই এসি সিগনালের এরকম
- 1:58:50সিগনালটা হয় এরকম। এটা আমরা পঞ্চম অধ্যায়
- 1:58:52পড়ছি। যে এসি ভোল্টেজ সিগনাল এইযেভি এইটা
- 1:58:56হচ্ছে ধরভি। এম হচ্ছে হচ্ছে ম্যাগনিচিউড
- 1:58:59অ্যামপ্লিচউড।
- 1:59:00সাইন ওমেগাটি দিক পরিবর্তন করে। এটা সাই
- 1:59:04ওয়ে দিক পরিবর্তন করে। দিক পরিবর্তন করবে
- 1:59:06মানে কি? সাইন এর ওয়েভ কেমন দেখতে বলতো
- 1:59:10সাইন ওয়েভ এরকম না তার মানে কি মান জিরো
- 1:59:14থেকে বাড়তে বাড়তে বাড়তে বাড়তে পজিটিভ কমতে
- 1:59:16কমতে জিরো দেন আবার নেগেটিভ দেন আবার কমতে
- 1:59:18কমতে জির ঠিক আছে তো এরও তাই হবে কারেন্ট
- 1:59:22প্রথমে এদিক দিয়ে যাবে এইটা হচ্ছে পজিটিভ
- 1:59:25হাফ সাইকেল পজিটিভ হাফ সাইকেল কারেন্ট
- 1:59:28এদিক দিয়ে যাবে
- 1:59:30আর কিছুক্ষণ পরে কারেন্ট উল্টা দিকে যাবে
- 1:59:34এইযে উলটা কিছুক্ষণ পরে দেখা যাবে কারেন্ট
- 1:59:36এদিক যাচ্ এই রোদের মধ্য দিয়ে প্রথমে
- 1:59:39কারেন্ট এদিক দিয়ে আসলো তারপরে কারেন্ট
- 1:59:40এদিক দিয়ে যাবে তাহলে উল্টা কারেন্টের
- 1:59:43প্রবাহ হবে এরকম উল্টা উল্টা কারেন্ট
- 1:59:45প্রবাহিত হবে তাহলে এই রোধের মধ্য দিয়ে
- 1:59:48একবার এদিকে একবার এদিকে একবার এদিকে
- 1:59:50একবার এদিকে এইটাই হচ্ছে এসি কারেন্ট
- 1:59:53বাংলাদেশের এসি কারেন্টের কম্পাঙ্ক হচ্ছে
- 1:59:5550 হ সেকেন্ডে 50 বার দিক পরিবর্তন করে
- 1:59:57কিন্তু তোমরা বাসাবাড়িতে যা ব্যবহার করো
- 1:59:59সেইগুলো হচ্ছে এসি তাহলে এটা পজিটিভ হাফ
- 2:00:03সাইকেল আর এইটা হবে নেগেটিভ হাফ সাইকেল
- 2:00:07নেগেটিভ হাফ সাইকেল। আমি আরো সুন্দর করে
- 2:00:09বুঝাচ্ছি। যখন এই পজিটিভ হাফ সাইকেল
- 2:00:11পিরিয়ডটা চলবে তখন ব্যাটারি এরকম থাকবে।
- 2:00:14এটা প্লাস থাকবে। এটা মাইনাস থাকবে। এইযে
- 2:00:17এটা রোধ। কারেন্ট এদিক দিয়ে প্লাস।
- 2:00:20কারেন্ট প্লাসের দিক দিয়ে মাইনাসের দিক
- 2:00:22দিয়ে কারেন্ট যাবে। এভাবে আর যখন মাইনাস
- 2:00:24হাফ সাইকেল চলবে তখন উল্টে যাবে। ঘুরে
- 2:00:26যাবে। তখন এটা হবে মাইনাস আর এটা হবে
- 2:00:28প্লাস। এটা হবে মাইনাস আর এটা হবে প্লাস।
- 2:00:32তাহলে তখন কারেন্ট এদিক দিয়ে প্রবাহিত
- 2:00:34হবে। তাহলে এই রোধের মধ্যে দিয়ে কারেন্ট
- 2:00:36একবার এদিকে একবার এদিকে একবার এদিকে
- 2:00:38একবার এদিকে এভাবে প্রবাহিত হবে ওকে তাহলে
- 2:00:42এইটা হচ্ছে এ আর ডিসি কি ডিসি হচ্ছে
- 2:00:44একদিকে প্রবাহিত হবে এই যে ডিসি ডিসি
- 2:00:48সোর্স কেমন ডিসি সোর্স হচ্ছে এরকম
- 2:00:51এটা হচ্ছে ডিসি মানে সবসময় এটা প্লাস এটা
- 2:00:53মাইনাস তাহলে এই যে রোধটা এই রোধের মধ্য
- 2:00:56দিয়ে কারেন্ট সবসময় একই দিকে যাবে
- 2:00:59কারেন্ট সবসময় একই দিকে একমুখী
- 2:01:02একমুখী প্রবাহ থাকবে তখনো এইদিক দিয়ে
- 2:01:04যাবে না আর
- 2:01:06এদিক দিয়ে আবার যাবে না। সবসময় একই দিকে
- 2:01:08প্রবাহিত হবে। এটা হচ্ছে একমুখী হবে। তা
- 2:01:11আমরা চাই
- 2:01:13যে আমাদের কাছে কোন একটা ইলেকট্রিক্যাল
- 2:01:15ইকুইপমেন্ট আছে। সেইটা চালাইতে গেলে ডিসি
- 2:01:17লাগে। ডিসি সোর্স লাগে। আমাদের কাছে আছে
- 2:01:20এসি। আমরা কি করব? রেকটিফায়ার এমন একটা
- 2:01:23ম্যাজিক বক্স। রেকটিফায়ার এমন একটা
- 2:01:26ম্যাজিক সার্কিট। এর মধ্যে আমরা ইনপুট
- 2:01:29দিয়ে দিব এসি সোর্স। এসি সিগনাল। আউটপুট
- 2:01:33হিসেবে পাব। ডিসি তাহলে কি করবে
- 2:01:36রেকটিফায়ার কি করবে এসি কে ডিসি করে ফেলবে
- 2:01:38এই কারণে তার নাম একমুখী কারক বুঝছো এই
- 2:01:42কারণে তার মান তার নাম হচ্ছে একমুখী কারক
- 2:01:44কয়টা এসি আর ডিসি আমি একটু একে দেখাই তো
- 2:01:47এইযে কয়টা এসি আকব ডিসি আকব অনেকে ভাবে কি
- 2:01:51এই যে সাইনোসডাল ওয়েভ দেখলে এইভাবে এসি
- 2:01:54ঠিক আছে এটা এ ঠিক আছে কিন্তু এরকম কিন্তু
- 2:01:58এরকম কিন্তু ডিসিও হতে পারে এইযে
- 2:02:01দেখ এইটা হচ্ছে এক্স অক্ষ এক্স অক্ষের
- 2:02:04উপরে নিচে উপরে নিচে উপরে নিচে পজেটিভ হাফ
- 2:02:06সাইকেল নেগেটিভ হাফ পজেটিভ নেগেটিভ পজেটিভ
- 2:02:08নেগেটিভ এরকম যদি হয় তাহলে এটা এসি আর
- 2:02:11এখানে দেখো কখনো এক্স অক্ষের নিচে নামে
- 2:02:14নাই নেগেটিভ হয় নাই মান কমছে বাড়ছে মান
- 2:02:17কম বাড়ছে কমছে আবার বাড়ছে আবার কমছে
- 2:02:21কিন্তু নেগেটিভ দিকে যায়নি অর্থাৎ এই যে
- 2:02:24এই রোধের মধ্য দিয়ে কারেন্ট ধর জিরো থেকে
- 2:02:26বেড়ে পাঁচ হইছে পাঁচ থেকে কমে দুই হইছে
- 2:02:29দুই থেকে আবার বেড়ে সাত হইছে সাত থেকে
- 2:02:31কমে আবার তিন হইছে কিন্তু কখনো
- 2:02:34মাইনাস আসে নাই অর্থাৎ উল্টা দিকে প্রবাহ
- 2:02:36আসে নাই এইটা হচ্ছে ডিসি তাহলে বলতো এইটা
- 2:02:38কি এটা এডি অনেকে ভাবে কি সোজা সোজা দেখলে
- 2:02:41ভাবে ডি ভাই সোজা সোজা দেখলে ডি না মানে
- 2:02:44সোজা সোজা দেখলে আমাদের দেখতে হবে এইযে
- 2:02:47এক্স অক্ষ সহজ কথা শর্টকাট এইযে এক্স অক্ষ
- 2:02:50দাগ তার উপরে নিচে উপরে নিচে পজিটিভ
- 2:02:52নেগেটিভ পজিটিভ নেগেটিভ তাহলে এটা হবে এ
- 2:02:56ঠিক আছে আর যদি এরকম থাকে তাহলে বলতো কি
- 2:02:58হবে
- 2:03:01শুধু এক্স অক্ষের উপরে যদি থাকে শুধু উপরে
- 2:03:03এই যে এরকম আছে তাহলে এইগুলা হবে ডিসি ঠিক
- 2:03:06আছে এগুলা হবে ডিসি তাহলে আমরা এখন এইটাই
- 2:03:09এখন চাই তো দুই ধরনের রেকটিফায়ার বা
- 2:03:12একমুখী কারক হয় একমুখী কারক বা রেকটিফায়ার
- 2:03:15দুই ধরনের হয় হাফ ওয়েভ একমুখী কারক
- 2:03:17অর্ধরঙ্গ একমুখী কারক আরেকটা হচ্ছে ফুল
- 2:03:20ওয়েভ রেকটিফায়ার মানে পূর্ণ তরঙ্গ একমুখী
- 2:03:23কারক
- 2:03:25হাফ ওয়েভ মানে কি এই যে ফুল সাইকেলের এটা
- 2:03:29অর্ধেক সাইকেল এটা অর্ধেক সাইকেল তাই না
- 2:03:31এইযে ফুল সাইকেলের পুরো সাইকেল এটা হাফ
- 2:03:34সাইকেল এটা হাফ সাইকেল তো হাফ রেক্টিফায়ার
- 2:03:38সে কি করবে হাফ সাইকেলকে রেকটিফাই করবে
- 2:03:40বাকিটাকে জিরো বানায় ফেলবেডিসি
- 2:03:43বানাবে কিন্তু হাফ সাইকেলকে সে রেক্টিফাই
- 2:03:46করবে ফুল সাইকেলকে রেক্টিফাই করবে না আর
- 2:03:49পূর্ণ তরঙ্গকে ফুল সাইকেলকে রেকটিফাই করবে
- 2:03:51তাহলে আমি একটু তোমাকে দেখাই একে দেখাই
- 2:03:54রেকটিফায়ার সার্কিট এইযে রেকটিফায়ার
- 2:03:57এই রেকটিফায়ার সার্কিটে ইনপুট আমরা দিব
- 2:04:01এধর ধর এরকম ইনপুট দিলাম। এই যে এটা তাহলে
- 2:04:05আউটপুট আমরা যেটা পাবো সেটা ডিসি পাব। ঠিক
- 2:04:07আছে? কিন্তু আউটপুট ডিসিটা হবে এরকম। এইযে
- 2:04:10হাফ ওয়েব। দেখ অর্ধেক বা এইযে এটাকে
- 2:04:14রেকটিফাই করে ডিসি বানাইছে। কিন্তু
- 2:04:16এইটুকুকে এইটুকুকে জিরো বানা ফেছে। জির
- 2:04:19বানা ফেছে। এইটা হচ্ছে হাফ ওয়েব
- 2:04:22রেটিক্টিফায়ার সার্কিট। আর ফুল রেটিফায়ার
- 2:04:24সার্কিট কেমন? ফুলওয়ে রেক্টিফায়ার সার্কিট
- 2:04:26হচ্ছে আমরা ইনপুট দিব এটা।
- 2:04:29ফুলওয়ে রেক্টিফায়ার সার্কিট।
- 2:04:31আর এফ এটা তার ইনপুট আর ফুল ওয়েও
- 2:04:36রেক্টিফায়ার সার্কিটের আউটপুট পাওয়া যাবে
- 2:04:39এরকম এই এটা হচ্ছে ফুল রেক্টিফায়ার
- 2:04:41সার্কিট
- 2:04:43তো আমরা এখন এই হাফ ওয়েব আর ফুল ওয়েব
- 2:04:45রেক্টিফায়ার সার্কিটটা তৈরি করতে চাচ্ছি
- 2:04:47কি দিয়ে ডায়োড দিয়ে আস হাফ ওয়েভ
- 2:04:51রেক্টিফায়ার হাফ রেক্টিফার হচ্ছে কিছুই না
- 2:04:53খুবই সিম্পল একটা সার্কিট তো প্রথমে
- 2:04:55তোমাকে অনেক সময় প্রশ্নে বলবে হাফ
- 2:04:58রেটিফায়ার সার্কিট আক তুমি হাফ রেক্টিফার
- 2:05:00সার্কিট রাখবা। এই যে এইটা হচ্ছে আমাদের
- 2:05:02ইনপুটটা। এই ইনপুটটা হচ্ছে এসি। ঠিক আছে?
- 2:05:05এই ইনপুটটা এসির। তো
- 2:05:09এইটাকে
- 2:05:11এটাকে আমরা
- 2:05:13একটা ডায়োডের সাথে সংযুক্ত করে দিব। জাস্ট
- 2:05:15একটা ডায়োড। এইযে এরকম। একটা ডায়োডের সাথে
- 2:05:19সংযুক্ত করে দিব। এইযে এইটা হচ্ছে
- 2:05:20সার্কিট।
- 2:05:22এইযে এইটা হচ্ছে আমাদের
- 2:05:25এসি ইনপুট।
- 2:05:27ঠিক আছে? এই এ ইনপুট আমরা ইনপুট দিচ্ছি।
- 2:05:30ইনপুট দিচ্ছি। এই রোধের একসে আমরা আউটপুট
- 2:05:32ভোল্টেজটা কালেক্ট করব। এই রোধের এক্রসে
- 2:05:35আমরা আউটপুট ভোল্টেজটা কালেক্ট করব। তো এই
- 2:05:38আউটপুট ভোল্টেজটা ডিসি হবে। ইনপুট কিন্তু
- 2:05:41আমরা এদি এটা ভি ইনপুট এই ইনপুটটা হচ্ছে
- 2:05:46এরকম ভিএম সাই ওমেগাটি দেখতে কেমন সাইওয়ে
- 2:05:50এরকম এইযে সাই যার এই যে পিক ভ্যম
- 2:05:56পিক ভ্য মাইনাস ভিম
- 2:06:00তাহলে দেখি তো এটা হাফ ওয়েভ রেক্টিফার
- 2:06:03সার্কিট হয় কিনা। তাহলে এই যে ইনপুটটা আছে
- 2:06:06ইনপুটটা তো এসি। তাহলে এর দুইটা সাইকেল
- 2:06:07এইযে পজিটিভ হাফ সাইকেল নেগেটিভ হাফ
- 2:06:09সাইকেল। তাহলে যখন পজিটিভ হাফ সাইকেলটা
- 2:06:11চলবে তখন এই প্রান্ত হবে প্লাস। এই
- 2:06:13প্রান্ত হবে মাইনাস। কারেন্ট এদিক দিয়ে
- 2:06:16যাবে। আর যখন নেগেটিভ হাফ সাইকেল তখন এটা
- 2:06:18হবে প্লাস। এটা হবে মাইনাস। কারেন্ট তখন
- 2:06:20এদিক দিয়ে যাবে। উলটা। তাহলে আমরা সেটা
- 2:06:22একটু আলাদা আলাদা করেই আকতে চাই। আলাদা
- 2:06:25আলাদা করেই দেখাইতে চাই। ধরো যখন পজিটিভ
- 2:06:28হাফ সাইকেল পজিটিভ হাফ সাইকেল দেখিতো
- 2:06:32পজিটিভ হাফ সাইকেলের হিসাবটা কেমন হবে যখন
- 2:06:34পজিটিভ হাফ সাইকেল তখন এটা
- 2:06:38এটা হবে প্লাস এটা হবে মাইনাস
- 2:06:43এই যে ডায়োডটা ধর এটা সিলিকন ডায়োড বাধর
- 2:06:46যেকন ডায়োড তার ভোল্টেজ দেখ এটা প্লাস এটা
- 2:06:49মাইনাস ভালো করে বুঝবা ডায়োডটা কিন্তু
- 2:06:51এভাবে আছে ডায়োডটা কিন্তু এভাবে আছে এই
- 2:06:55এটা হচ্ছে রোদ এটা হচ্ছে ডায়োড তাহলে
- 2:06:58প্রথমে এটা প্লাস তাহলে প্লাস হলে এটা
- 2:07:01প্লাস এটা মাইনাস তাহলে এই পাশে মাইনাস
- 2:07:04দেখলে ডায়োডটা কি বাসে আছে দেখ প্লাস
- 2:07:09প্লাস এটা মাইনাস বা সহজ কথা এটা প্লাস
- 2:07:14এইযে এটা প্লাস এদিক দিয়ে কারেন্ট যাবে
- 2:07:16তাহলে তীর চিহনের সাথে মিলে গেছে তাহলে
- 2:07:18এটা ফরয়ার্ড বাস বুঝতে পার প্লাস এদিক
- 2:07:20দিয়ে কারেন্ট যাবে তীর চিহনের সাথে মিলে
- 2:07:22গেছে এটা ফরওয়ার্ড বায়াস
- 2:07:25এটা ফরওয়ার্ড বায়াস। তাহলে ফরওয়ার্ড
- 2:07:28বায়াসে আমি যদি সার্কিটকে রিড্র করি তাহলে
- 2:07:31ফরওয়ার্ড বায়াসে ওই জায়গায় ডায়োডটা খুলে
- 2:07:33ফেলবো। খুলে একটা ব্যাটারি বসায় দিব।
- 2:07:35যেটার এটা হবে প্লাস এটা হবে মাইনাস। আর
- 2:07:37ডায়োড ভোল্টেজ ভিডি। যেমন সিলিকন হলে সেটা
- 2:07:390.7। বুঝতে পেরেছ? সিলিকন হলে সেটা 0.7।
- 2:07:43এই রোধের একসে আউটপুট নিব আমরা। তাহলে
- 2:07:46তুমি এবার একটু খুব মনোযোগ দিয়ে খেয়াল করে
- 2:07:48দেখোতো এই রোধের মধ্যে কারেন্টটা কোন দিক
- 2:07:51থেকে কোন দিকে যাচ্ছে? দেখতো। এটার এটা তো
- 2:07:54দেখো সবসময় তো একই মান আমরা পিক ভ্যালুটা
- 2:07:56নিয়ে একটু হিসাব দেখাচ্ছি পিক ভ্যালু দেখো
- 2:07:58মান কিন্তু আস্তে আস্তে আস্তে আস্তে বাড়ছে
- 2:08:00কমে আবার শূন্য হইছে পজিটিভ হাফ সাইকেলে
- 2:08:02আমরা পজিটিভ হাফ সাইকেলের পিক ভ্যালুটা
- 2:08:04নিয়ে কাজ করতেছি ভিএম তাহলে এটা প্লাস এটা
- 2:08:06মাইনাস তাহলে কারেন্ট কোন দিক দিয়ে যাবে
- 2:08:09এইদিক দিয়ে কারেন্ট এইভাবে ঘুরবে তাহলে
- 2:08:12দেখো
- 2:08:13এই যে রোধ এই রোধের এই বিন্দুকে বললাম এবি
- 2:08:17এবি
- 2:08:19এবি
- 2:08:21কারেন্ট তুমি দেখতো এ থেকে বিতে গেল না বি
- 2:08:24থেকে এতে গেল দেখো কারেন্ট এদিক দিয়ে
- 2:08:26এইভাবে যাচ্ছে এ থেকে বিতে যাচ্ছে কারেন্ট
- 2:08:30কারেন্ট এভাবে যাচ্ছে এইভাবে এ থেকে বিতে
- 2:08:32যাচ্ছে কারেন্ট কারেন্ট যদি এ থেকে বিতে
- 2:08:34যায় তার মানে কারেন্ট সবসময় উচ্চ বিভব
- 2:08:36থেকে নিম্ন বিভবে যাবে তাহলে এটা প্লাস
- 2:08:38এটা মাইনাস
- 2:08:40কারেন্ট এ থেকে বিতে গেছে কারেন্ট এ থেকে
- 2:08:42বিতে গেছে আমি যদি এর ভোল্টেজটা একটু
- 2:08:44হিসাব করি দেখ একটা লুপ ঘুরাইলে ভোল্টেজ
- 2:08:45হিসাব হয়ে যাবে বা খুবই সহজ কথা এটা কি ভি
- 2:08:48আউটপুট না এটা সাপ্লাই ভোল্টেজ না ভালো
- 2:08:50করে বুঝ এখান থেকে 10 ভপ দেওয়া হইলো।
- 2:08:53তাহলে এই যে ডায়োড এই ডায়োডের ব্যারিয়ার
- 2:08:55ভাঙতে কিছু ভোল্টেজ ড্রপ হবে। কিছু
- 2:08:57ভোল্টেজ ড্রপ হয়ে যাবে সেটা ভি আউটপুট।
- 2:09:00তাহলে ভি আউটপুট হবে ভিএম মাইনাস ভিডি। ভি
- 2:09:03আউটপুট হবে ভিএম মাইনাস ভিডি। বিশ্বাস না
- 2:09:06হলে লুপ ঘোস। লুপ মাইনাস ভিএম দেন প্লাস
- 2:09:10ভিডি। প্লাস ভিডি দেন প্লাস ভি আউটপুট
- 2:09:15ইকুয়াল জির অতএব ভি আউটপুট দেখো এই যে
- 2:09:18ভিএম মাইনাস ভিডি এইভিএম মাইনাস ভিডি বল
- 2:09:22প্লাস না মাইনাস এই ভোল্টেজটা প্লাস না
- 2:09:25মাইনাস ভোল্টেজ প্লাস ভোল্টেজ অবশ্যই
- 2:09:27প্লাস ভোল্টেজ কেন কারণ এটা ডায়োড ভোল্টেজ
- 2:09:30না এটা যদি 0.7 ধর সিলিকনের জন্য 07 07 এর
- 2:09:34বেশি না হয় তাহলে তো কারেন্টই প্রবাহ হবে
- 2:09:36না তাহলে এই ভোল্টেজটা 07 এর বেশি অর্থাৎ
- 2:09:39এইভিএম এর মানটা এটা এই ডায়োড ভোল্টেজের
- 2:09:42চেয়ে বেশি। তাহলে ভিএম যদি ভিডি এর চেয়ে
- 2:09:43বেশি হয় তাহলে এই মানটা কেমন মান পাবো
- 2:09:45আমরা? পজিটিভ মান পাবো। তাহলে ভোল্টেজ
- 2:09:47দেখো পজিটিভ পেয়ে যাচ্ছি। এটা পজিটিভ হাফ
- 2:09:49সাইকেল। এবার আসো নেগেটিভ হাফ সাইকেল।
- 2:09:52এবার নেগেটিভ হাফ সাইকেল।
- 2:09:56নেগেটিভ হাফ সাইকেলে কি হবে? নেগেটিভ হাফ
- 2:09:58সাইকেলে কোন কারেন্ট প্রবাহ হবে না।
- 2:10:02কেমনে? আচ্ছা দেখ
- 2:10:04নেগেটিভ হাফ সাইকেল। এটা মাইনাস আর এটা
- 2:10:07প্লাস। এই এটা রোধ। তাহলে রোধের এ প্রান্ত
- 2:10:12বি প্রান্ত এবার এটা মাইনাস মানে এটা
- 2:10:16মাইনাস এ দেখো মাইনাস মাইনাস আর এটা কি
- 2:10:20প্লাস এটা প্লাস কারেন্ট কোন দিক থেকে কোন
- 2:10:23দিকে যাওয়ার কথা কারেন্ট প্লাস থেকে
- 2:10:25মাইনাসের দিকে তো কারেন্ট এইযে এইযে এইদিক
- 2:10:28থেকে আসবে তো এসে দেখো উল্টা উল্টা আর
- 2:10:32দেখো এইযে মাইনাস প্লাস হওয়ার কথা ছিল
- 2:10:33প্লাস এটা প্লাস এটা মাইনাস কারেন্ট প্লাস
- 2:10:35থেকে মাইনাসে যাওয়ার কথা ছিল কিন্তু তা
- 2:10:37হচ্ছে না প্লাস থেকে মাইনাস এদিকে যাবে
- 2:10:40কারেন্ট কিন্তু এদিকে গেলে দেখতো দরজা তো
- 2:10:41বন্ধ তীর চিহ্ন মিলল না তাহলে এইটা
- 2:10:44রিভার্স বায়াস বাতিল রিভার্স বাস থাকলে
- 2:10:47খুভ থাকলে দরকার নেই ওখানে রিভার্স বাস
- 2:10:50থাকলে ওর দরকার নেই ওবাদ ওখানে নেই ওপেন
- 2:10:54ওপেন যদি হয় কোন কারেন্ট ফ্লো হবে এদিক
- 2:10:57দিয়ে কোন কারেন্ট ফ্লো হবে কোন কারেন্টইতো
- 2:10:59ফ্লো হবে না কোন কারেন্ট যদি ফ্লো না হয়
- 2:11:01তাহলে এরসে ভোল্টেজ কতভি আউটপুট কত জ
- 2:11:03ভোল্টেজ কোন ভোল্টেজ নেই
- 2:11:06কি নেই এর মধ্যে কোন আই যাবে না ওপেন
- 2:11:09সার্কিট ওপেন
- 2:11:10ওপেন সার্কিট তাহলে তুমি বল এই রোধের মধ্য
- 2:11:13দিয়ে কারেন্ট পজিটিভ সাইকেল ভালো করে
- 2:11:16বুঝবা পজিটিভ সাইকেল এদিকে নেগেটিভ জ আবার
- 2:11:19পজিটিভ এদিকে নেগেটিভ জ আবার পজিটিভ এদিকে
- 2:11:23নেগেটিভ জ আবার পজিটিভ এদিকে নেগেটিভ জ এই
- 2:11:27রোধের মধ্য দিয়ে কারেন্ট সবসময় একমুখী
- 2:11:29কিনা একমুখী কিনা উত্তরটা বল
- 2:11:32এটাইতো একমুখী কারক আমরা এই রোধের
- 2:11:36ভোল্টেজটা পাব সেটা কিন্তু ডিসি ভোল্টেজ
- 2:11:38একমুখী কারক এটা ইনপুট। ইনপুট একবার এদিক
- 2:11:41দিয়ে একবার এদিক দিয়ে। একবার এদিক দিয়ে
- 2:11:43একবার এদিক দিয়ে গেছে। কিন্তু এর মধ্য
- 2:11:45দিয়ে এদিক দিয়ে আসলে কারেন্ট গেছে। এদিক
- 2:11:47দিয়ে আসলে কারেন্টটা যাইতে পারে নাই। বোঝা
- 2:11:50গেল? তা আমরা যদি ইনপুট আউটপুট ওয়েবশেপ
- 2:11:53আকি।
- 2:11:55ইনপুট
- 2:11:57আউটপুট
- 2:12:00ওয়েভ শেপ।
- 2:12:03এটা যদি আমরা আকি ইনপুট আউটপুট ওয়েবশেপ।
- 2:12:06এইটা যদি আমরা আকি তাহলে কেমন হবে বল
- 2:12:12ইনপুট আউটপুট ওয়েবশেপ যদি আকা হয়
- 2:12:22এক
- 2:12:24এটা ইনপুট এটা আউটপুট
- 2:12:27দেখো ভাইয়া এইটা আমাদের ভি ইনপুট
- 2:12:31টাইম এটা আমাদের ভি আউটপুট ভারসেস টাইম
- 2:12:37ভি ইনপুট ভারসেস ভি আউটপুট
- 2:12:50এই
- 2:12:53দেখো
- 2:12:56এই এই ইনপুট ইনপুট ছিল এরকম যার মান ছিল
- 2:13:02এটা ভিএম
- 2:13:04এটা মাইনাস ভিএম
- 2:13:06পজিটিভ হাফ সাইকেলে আমরা কারেন্ট কিন্তু
- 2:13:09পেয়েছি। কারেন্ট পেয়েছি ভোল্টেজ পেয়েছি।
- 2:13:12তাহলে পজিটিভ ভোল্টেজ পেয়েছি। এইযে এটা
- 2:13:14একটু কম। এর মানটা হবে ভিএম মাইনাস ভিডি।
- 2:13:20নেগেটিভ সাইলে জির পজিটিভ এইটা নেে জ
- 2:13:25তাহলে কি হইছে? এডি হিডি হিডি হ একমুখী
- 2:13:31কারক হ এটা হাফ রেক্টিফায়ার সার্কিট। এবার
- 2:13:35এরকমভাবে ফুল ওয়েব রেকটিফায়ার সার্কিট। তো
- 2:13:37ফুল ওয়েব রেকটিফায়ার সার্কিট দুইভাবে আকা
- 2:13:39যায়। ফুল ওয়েব রেকটিফায়ার সার্কিট দুই রকম
- 2:13:41হয়। দেখো
- 2:13:44এটা হচ্ছে আমাদের
- 2:13:46ইনপুট।
- 2:13:48এটা ভি ইনপুট যেটা হচ্ছে আমাদের এসি। আমরা
- 2:13:51একটা কাজ করব। একটা ট্রান্সফর্মার দিব।
- 2:13:54আগেও আমরা দিতে পারতাম। ঠিক আছে? একটা
- 2:13:56ট্রান্সফর্মার কেমন ট্রান্সফর্মার দিব
- 2:13:57বলতো? একটা স্টেপ ডাউন। কেন জান? কারণ
- 2:14:00আমরা এসি ভোল্টেজকে ডিসি করব। তো তো এই যে
- 2:14:04বাসা বাড়ির যে এসি ভোল্টেজ 220 ভোল্ট তো
- 2:14:06বিশাল মান তো এইটাকে আমরা ডিসি বানাবো তো
- 2:14:09এইটাকে ডিসি বানাইতে গেলে একটু কমাইতে হবে
- 2:14:12তো ভোল্টেজ আপ ডাউন করি কিভাবে
- 2:14:14ট্রান্সফর্মার দিয়ে তাহলে আমরা প্রথমে এই
- 2:14:16ডিসি ভোল্টেজটাকে সরি এসি ভোল্টেজটাকে
- 2:14:19একটা ট্রান্সফর্মারের মধ্যে দিব দিয়ে
- 2:14:22কেমন ট্রান্সফর্মার স্টেপ ডাউন স্টেপডাউন
- 2:14:25ট্রান্সফর্মারের মধ্যে দিলে কি হবে
- 2:14:27ভোল্টেজটা ড্রপ হবে ঠিক আছে ভোল্টেজের
- 2:14:29মানটা কমবে কারণ ডায়োড ডায়োড ধর মানে
- 2:14:33মানে ডায়োডের যে ভোল্টেজ, অপারেটিং
- 2:14:34ভোল্টেজ তো খুবই কম। দেখোতো 0.3, 0.7 তো
- 2:14:38ডায়োডে যদি 220 ভোল্ট ইনপুট দেওয়া হয়,
- 2:14:40ডায়োড পড়ে যাইতে পারে। তো এই কারণে আমরা
- 2:14:42কি করবো? ডায়োডে বেশি ভোল্টেজ ইনপুট দিব
- 2:14:44না। ইনপুট কম দিব। তো এই কারণে আমরা
- 2:14:46ভোল্টেজটাকে কমানোর জন্য এই ট্রান্সফর্মার
- 2:14:49রেকটিফায়ার সার্কিট এই ট্রান্সফর্মারের
- 2:14:51কোন কাজই নেই। এটা না দিলেও চলবে। কিন্তু
- 2:14:53বইয়ে দিছে বলে আমরা দিলাম। এইবার এখানে
- 2:14:55একটা ডায়োড যুক্ত করব।
- 2:14:58আর এইখানে একটা ডায়োড যুক্ত করব।
- 2:15:02এখানে একটা ডায়োড যুক্ত করব আর দিয়ে এখানে
- 2:15:06একটা রোধ আমরা
- 2:15:09এই রোধের একসে আর এর একসেভি আউটপুট নিব এর
- 2:15:13এক্রেসে ভি আউটপুটটা হবে আমার সবসময় ডিসি
- 2:15:16কেমনে ডি ধর আমি এই প্রান্তকে এই প্রান্ত
- 2:15:19এই প্রান্তকে বি প্রান্ত দিলাম দেখবা
- 2:15:21সবসময় এর মধ্য দিয়ে কারেন্ট সবসময় একই
- 2:15:24দিকে যাবে একমুখী হবে আচ্ছা সেটা কিভাবে
- 2:15:27আস দেখাই সেটা কিভাবে তাহলে পজিটিভ
- 2:15:31নেগেটিভ সাইকেল
- 2:15:34পজিটিভ হাফ সাইকেল এবং নেগেটিভ হাব সাইকেল
- 2:15:37দেখ
- 2:15:38এই যে ইনপুটটা এই যে ইনপুটটা এই ইনপুটটা
- 2:15:42এরকম না দেখতে এইযে এটা পজিটিভ হাফ সাইকেল
- 2:15:45এটা নেগেটিভ হাফ সাইকেল এখানে এখানে যে
- 2:15:48ভোল্টেজটা ইন্ডিউস হবে এখানে যে ভোল্টেজটা
- 2:15:50এই ট্রান্সফর্মারে ট্রান্সফর্মার কি করে
- 2:15:52ভোল্টেজটাকে আপ ডাউন করে অর্থাৎ মেইন
- 2:15:55ইনপুট শোন মেইন যে ইনপুটটা সেটা এরকম অনেক
- 2:15:58বড় এই যে অনেক বড়
- 2:16:01তারপরে এখানে আমরা কি করলাম? ওই
- 2:16:03ভোল্টেজটাকে এইখানে স্টেপ ডাউন করলাম।
- 2:16:06স্টেপ ডাউন করলে এখানে যেটা পাবো সেই
- 2:16:07মানটা হবে এরকম। কিন্তু তাও এস। তাহলে কি
- 2:16:10হইছে? এইযে ট্রান্সফর্মারের কাজ। এইযে
- 2:16:12ট্রান্সফর্মার। ঠিক আছে? এইযে
- 2:16:14ট্রান্সফর্মার এই কাজটা করছে।
- 2:16:17ট্রান্সফর্মার বড় ভোল্টেজকে ছোট ভোল্টেজ
- 2:16:19করছে। স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার।
- 2:16:22স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার। ভোল্টেজটা
- 2:16:24ভোল্টেজটাকে কমায় ফেলছে কিন্তু এসি আছে
- 2:16:28তাহলে এইখানে যে ভোল্টেজটা সেই ভোল্টেজটা
- 2:16:30কিন্তু এসি এইযে প্লাস দেখ ভালো করে বঝ
- 2:16:33এটা প্লাস এটা মাইনাস এ তো ব্যাপারটা কি
- 2:16:36হচ্ছে তুমি কি করছো দেখ ভালো করে বুঝবা এই
- 2:16:38জায়গাটা এই রোদের এই প্রান্ত নিয়ে এই যে
- 2:16:41ট্রান্জিস্টর মানে ট্রান্সফর্মারের যে
- 2:16:44কয়েল সেই কয়েলের মাঝখানে যুক্ত করছো তাহলে
- 2:16:46অর্ধেক কয়েলের ইন্ডিউস ভোল্টেজ এর জন্য আর
- 2:16:50অর্ধেক কয়েলের ইন্ডিউস ভোল্টেজ এর জন্য
- 2:16:52তাহলে এখানে যদি ইন্ডিউস ভোল্টেজ ধর ভিএম
- 2:16:55হয় তাহলে এর জন্য হবে অর্ধেক এইযে এটা
- 2:16:59মাইনাস এটা প্লাস এটা হবে ভিএমবাট অর্ধেক
- 2:17:03হবে ঠিক আছে অর্ধেক হবে তো আমাদের
- 2:17:06অর্ধেকটা অর্ধেক দরকার নেই আমরা জাস্ট
- 2:17:07ইনপুটটা বলতেছি এইযে প্লাস মাইনাস এটা
- 2:17:10ধরভিবাট
- 2:17:12আচ্ছা লিখেভিবা ঠিক একইভাবে এর জন্য এর
- 2:17:16জন্য হবে এইযে এটা প্লাস এটা মাইনাস
- 2:17:20ভিএমবাট এটা এটা কি পজিটিভ পজিটিভ
- 2:17:24সাইকেলের ব্যাপারটা কেমন হবে পজিটিভ হাফ
- 2:17:25সাইকেলে প্লাস মাইনাস প্লাস মাইনাস দুইটা
- 2:17:28দুইটা পোরশন দুইটা সার্কিট এখানে দুইটা
- 2:17:31সার্কিট এখানে অনেকে বুঝতে পারে না এই
- 2:17:32জায়গাটা জায়গাটা না বোঝার কিছু নাই খুবই
- 2:17:34সহজ জিনিস এখানে একটু কয়েল ছিল আমি
- 2:17:37কয়েলটাকে দুই ভাগ করে ফেলতেছি কয়েলটাকে
- 2:17:40দুই ভাগ করে ফেলতেছি এই একটু কয়েল তাহলে
- 2:17:42কয়েলটা এখন দুই ভাগ হয়ে কাজ করবে তাহলে
- 2:17:45দুই ভাগ হয়ে কাজ করলে হাফ ইন্ডিউস
- 2:17:47ভোল্টেজ এর জন্য ভিএমবাটু হাফ ইন্ডিস
- 2:17:49ভোল্টেজ এর জন্য ভিএমবাট প্লাস মাইনাস
- 2:17:51প্লাস মাইনাস এটা হচ্ছে পজিটিভ হাফ
- 2:17:53সাইকেল। তাহলে এইবার চিন্তা করে দেখো এই
- 2:17:55যে ডায়োডটা এই ডায়োডটা এই যে প্লাস আর
- 2:17:59এদিক দিয়ে মাইনাস। তারপরে এর এই যে মাইনাস
- 2:18:02মাইনাস মাইনাস মাইনাস। তাহলে এটা যদি
- 2:18:04মাইনাস হয় তাহলে এটা হবে প্লাস। ঠিক আছে
- 2:18:06বুঝলা? এটা প্লাস এটা প্লাস। তাহলে বাকিটা
- 2:18:09মাইনাস। এটা এই প্রান্ত মাইনাস। এই
- 2:18:11প্রান্ত যদি মাইনাস হয় তাহলে এটা মাইনাস।
- 2:18:13তাহলে বাকিটা প্লাস। এইবার দেখ এইটা আছে
- 2:18:15ফরওয়ার্ড বায়াস। এইটা কি? এইটা আছে
- 2:18:18রিভার্স বায়াস। তাহলে
- 2:18:21তাহলে বোঝো ভালো করে পজিটিভ হাব সাইকেলের
- 2:18:24ব্যাপার ছিল এটা
- 2:18:28এটা ফরওয়ার্ড বায়াস এটা কাজ করবে
- 2:18:32এটা রিভার্স বায়াস এটা কাজই করবে না এটা
- 2:18:34নেই এখানে নেই এটা বাদ ওটা রিভার্স বায়াস
- 2:18:37ওটা কাজই করবে না ওপেন এটা ফরওয়ার্ড বায়াস
- 2:18:40কাজ করবে কি কাজ করবে এইযে এখানে একটা ভি
- 2:18:43এটা প্লাস এটা মাইনাস ভি তাহলে চিন্তা করো
- 2:18:47এইযে এইটাকে নিয়ে এখানে বসা দিলাম আকলাম।
- 2:18:49তাহলে এটা হচ্ছে ফরওয়ার্ড বায়াসের হিসাব।
- 2:18:52ফরওয়ার্ড বায়াসের হিসাব। তাহলে এটা এ
- 2:18:54বিন্দু ছিল।
- 2:18:57এটা ছিল বি। এটা ছিল বি। তাহলে কারেন্টটা
- 2:19:00দেখাও তো। কারেন্টটা দেখতো। এইযে প্লাস
- 2:19:03থেকে কারেন্টের প্রবাহটা হবে।
- 2:19:06প্লাস থেকে কারেন্টের প্রবাহ হবে? হবে।
- 2:19:09হবে। কারেন্টের এইদিকে। তাহলে কারেন্ট এ
- 2:19:11থেকে বিতে যাচ্ছে। তাহলে এটা প্লাস এটা
- 2:19:14মাইনাস। এ থেকে বিতে যাচ্ছে। আরভি
- 2:19:16আউটপুটটা কি হবে?ভি আউটপুটটা হবেবাট
- 2:19:18মাইনাস ভিডিতো প্লাস মান এটা করে দেখাচ্ছি
- 2:19:21না এখানে ভি আউটপুট হবে ভিএমবাট এ থেকে
- 2:19:24এইটা ড্রপ করে যা রাখবে ড্রপ করে যা রাখবে
- 2:19:27যা অবশিষ্ট থাকবে তুমি বল কারেন্ট কোনদিক
- 2:19:29থেকে কোন দিকে গেল বল সেটা সেটা
- 2:19:31ইম্পর্টেন্ট কারেন্ট গেল এ থেকে বিত চিহন
- 2:19:33দেখ এইযে এটা প্লাস কারেন্ট এইভাবে ঘুরবে
- 2:19:36এইভাবে ঘুরবে আর নিচের লুপে কোন কারেন্ট
- 2:19:38থাকবে না কারণ নিচের ডটা রিভার্স বাস ছিল
- 2:19:41ঠিক আছে বোঝা গেছে এটা এটা হচ্ছে পজিটিভ
- 2:19:44সাইকেল
- 2:19:46পজিটিভ হাফ সাইকেল।
- 2:19:49এবার ঠিক একইভাবে নেগেটিভ হাফ সাইকেল কি
- 2:19:52হবে বলতো?
- 2:19:55দুই নম্বর
- 2:19:56নেগেটিভ হাফ সাইকেল।
- 2:20:00তাহলে নেগেটিভ হাফ সাইকেল আকো। এই চিত্র
- 2:20:04আকো এটা
- 2:20:12এবার নেগেটিভ হাফ সাইকেলে
- 2:20:18তাহলে নেগেটিভ হাব সাইকেলে এইযে এইটার
- 2:20:22দুইটা কয়েল এইযে এটা হচ্ছে ট্রান্সফর্মার
- 2:20:24কয়েল এবার নেগেটিভ সাইকেলে
- 2:20:29এটা হবে মাইনাস এটা হবে প্লাস এটা হবে
- 2:20:31মাইনাস এটা হবে প্লাস ভিএমবাট ভিএমবাট
- 2:20:35তাহলে তাকাও মাইনাস
- 2:20:38এটা প্লাস প্লাস তাহলে এটা মাইনাস এইটা
- 2:20:42ফরয়ার্ড
- 2:20:43আর এইটা এবার রিভার্স ব্যাস তাহলে উপরেরটা
- 2:20:46গায়েব হয়ে যাবে। উপরেরটা থাকবে না। এই
- 2:20:49বিন্দু কিন্তু বি বিন্দু ছিল। মাথায় রেখো।
- 2:20:51তাহলে উপরেরটা গায়েব হয়ে যাবে। উপরেরটা
- 2:20:53থাকবে না। নিচেরটা থাকবে।
- 2:20:59এই
- 2:21:00উপরের এটা নাই। এইযে এটা আর নাই। তাহলে
- 2:21:04উপরেরটা নাই। জাস্ট খালি নিচেরটা থাকবে।
- 2:21:07এইবার তুমি বলতো এই রোধের মধ্য দিয়ে এ
- 2:21:10থেকে বিতে কারেন্ট কোন দিক থেকে কোন দিকে
- 2:21:12যাবে? দেখো দেখে বল দেখে বল। দেখে বলো
- 2:21:14আন্দাজে ডিল ছড়া লাগবে না দেখে বলো এই যে
- 2:21:16এটা প্লাস এটা মাইনাস তাহলে কারেন্ট এই যে
- 2:21:18প্লাস এদিক দিয়ে যাবে এই যে এটা এটা মুছে
- 2:21:21দিই এটা যেহেতু ফরোয়ার্ড বায়াস
- 2:21:25এটা ফরওয়ার্ড বায়াস
- 2:21:28তাহলে ফরোয়ার্ড বায়াসে
- 2:21:31এইযে এটা ভিডি এটা প্লাস এটা মাইনাস তাহলে
- 2:21:35কারেন্ট এদিক দিয়ে যাবে এই প্লাস প্রান্ত
- 2:21:38থেকে কারেন্ট যাবে যাবে যাবে যাবে এ থেকে
- 2:21:40বিতে তাহলে এইবার বল এই রোধের মধ্য দিয়ে
- 2:21:44কারেন্ট এবার কোন থেকে কোন দিকে এ থেকে
- 2:21:46বির দিকে আর আগেরবার এ থেকে বি এর দিকে
- 2:21:49তাহলে একটা জিনিস খেয়াল করো এবার বোর্ডে
- 2:21:50দেখো এই জায়গাটাতে বুঝে গেল এবার এই
- 2:21:52জায়গাটা পজিটিভ হাফ সাইকেলে এইডটা কাজ
- 2:21:54করবে এটা করবে না তাহলে তখন কারেন্ট এইযে
- 2:21:58এই রোদের মধ্য দিয়ে এ থেকে বিতে ঢুকবে
- 2:22:00নেগেটিভ হাফ সাইকেলে এইটা এইটা কাজ করবে
- 2:22:03এইটা কাজ করবে না তাহলে তখন কারেন্ট এইদিক
- 2:22:05দিয়ে এ থেকে বিতে যাবে পজিটিভ হাফ সাইকেল
- 2:22:09নেগেটিভ হাফ সাইকেল পজিটিভ হাফ সাইকেল
- 2:22:11নেগেটিভ হাফ সাইকেল তাহলে দেখোতো এই এ
- 2:22:14থেকে বিতে না সবসময় এই রোদের মধ্য দিয়ে
- 2:22:16কারেন্টটা
- 2:22:17তাহলে এই রোদের মধ্য দিয়ে কারেন্টটা সবসময়
- 2:22:19এ থেকে বিতে আর ভোল্টেজ এটা সবসময় প্লাস
- 2:22:22এটা সবসময় মাইনাস এইযেভি আউটপুট কারণ
- 2:22:23কারেন্ট যায় প্লাস থেকে মাইনাসের দিকে
- 2:22:26প্লাস থেকে প্লাস থেকে মাইনাসের দিকে হয়ে
- 2:22:28গেল শেষ বুঝতে পারছো হয়ে গেল তাহলে এই এই
- 2:22:32যে এই যে রোধটা এই রোদের মধ্য দিয়ে যে
- 2:22:34ভোল্টেজটা আমি পাবো সেই ভোল্টেজটা সবসময়
- 2:22:37একমুখী কারেন্টটা সবসময় একমুখী ভোল্টেজটাও
- 2:22:40সবসময় প্লাস দেখো এইযে প্লাস এ থেকে বিতে
- 2:22:42দেখো প্লাস প্লাস এটা মাইনাস আবার এটাও এ
- 2:22:45থেকে বিতে প্লাস মাইনাস
- 2:22:48ঠিক আছে তাহলে এর জন্য ইনপুট আউটপুট
- 2:22:50ওয়েবশেপটা কেমন হবে এর জন্য ইনপুট আউটপুট
- 2:22:53ওয়েবশেপটা কেমন হবে
- 2:22:56ঠিক আছে আমি যদি এর জন্য ইনপুট আউটপুট
- 2:22:59ওয়েবশেপটা দেখাই
- 2:23:11ইনপুট
- 2:23:14আউটপুট
- 2:23:17ওয়েবশেপ
- 2:23:19তাহলে ইনপুট আউটপুট ওয়েবশেপটা হবে এরকম
- 2:23:25এটা হচ্ছে আমাদের ইনপুট
- 2:23:31ইনপুট
- 2:23:33আর আউটপুট কি হবে পজিটিভ হাফ সাইকেল
- 2:23:35পজিটিভ নেগেটিভকেল পজিটিভ দেখো পজিটিভ
- 2:23:37কিনা দেখ এইযে এ থেকে বি প্লাস মাইনাস বি
- 2:23:40আউটপুট আবার আবার এটার জন্য এ থেকে বি
- 2:23:42প্লাস মাইনাস আউটপুটভি আউটপুট অলয়েজ
- 2:23:45পজিটিভ এরকম অয়েজ পজিটিভ
- 2:23:49তাহলে এটা হচ্ছে আমাদের ভি ইনপুট এটা
- 2:23:52হচ্ছে আমাদের ভি আউটপুট এটডি
- 2:23:57এটাই হচ্ছে রেক্টিফায়ারের কাজ রেক্টিফায়ার
- 2:24:00এই এক ধরনের আছে ফুলওয়ে রেক্টিফায়ার
- 2:24:02আরেকটা আছে এটা দুইটা ডায়োড দিয়ে অনেক সময়
- 2:24:03পরীক্ষাতে বলবে দুইটি ডায়োড দিয়ে ফুল
- 2:24:06রেক্টিফায়ার এখানে দুইটা ডায়োড দিয়ে
- 2:24:10আর আমরা চাইলে চারটা ডায়োড দিয়ে ফুল
- 2:24:12রেকটিফায়ার তৈরি করতে পারি সেটাকে বলা হবে
- 2:24:14ব্রিজ রেক্টিফায়ার চারটা ডায়োড দিয়ে বি আর
- 2:24:17আই ডিজিই
- 2:24:19ব্রিজ রেক্টিফায়ার
- 2:24:22ব্রিজ রেক্টিফায়ার তৈরি হয় চারটি ডায়োড
- 2:24:25দিয়ে
- 2:24:28আচ্ছা এটার চিত্র কেমন হবে খুবই সহজ হুইট
- 2:24:31স্টোন ব্রিজের নাম শুন না চলতরিতে পড়া
- 2:24:33ওরকম হুইট স্টোন ব্রিজ সার্কিট হবে তাহলে
- 2:24:36এইটা হচ্ছে আমাদের ইনপুট ওকে দেন একটা
- 2:24:40ট্রান্সফরমার ট্রান্সফর্মার কি করবে?
- 2:24:41ভোল্টেজটাকে ভোল্টেজটার পিকটাকে কমায়
- 2:24:44দিবে। ভোল্টেজটাকে কমায় দিবে। স্টেপ ডাউন
- 2:24:46ট্রান্সফর্মার আমি যুক্ত করে দিব। স্টেপ
- 2:24:49ডাউন ট্রান্সফর্মার যুক্ত করে দিব।
- 2:24:52দিয়ে এবার এটা একটা ব্রিজ রেক্টিফায়ার
- 2:24:54হবে। এরকম দেখ তাকাও।
- 2:24:57এই দুইটা রোদ একই ক্রমে থাকবে। ভালো করে
- 2:25:00বুঝবা। বিপরীত দুইটা রোদ একই ক্রমে একই
- 2:25:02ক্রমে।
- 2:25:04করে থাকবে। এরকম
- 2:25:07একইদিকে। বাকি দুইটা উল্টা দিকে। এইযে
- 2:25:10বাকি দুইটা আমার একই ক্রমে কিন্তু এদের
- 2:25:11উল্টা দিকে এই
- 2:25:14এই যে এই এই যে সার্কিটটা মাঝখানে আমি রোদ
- 2:25:18লাগা দিব আমাদের বইয়ে এইটাকে এভাবে আকা
- 2:25:20আছে এই রোদটাকে এভাবে আকা আছে এই এই কাহিন
- 2:25:24করে আকা আছে একই কথা এভাবে আকলে হবে তাহলে
- 2:25:27এই যে রোদটা এই রোদের যে আউটপুটটা আমরা
- 2:25:30পাব এই রোদের যেভি আউটপুটটা পাব এই ভি
- 2:25:32আউটপুটটা এইটা সর্বদায় হচ্ছে পজিটিভ মান
- 2:25:36আসবে একমুখী আসবে কারেন্ট সবসময় একমুখী
- 2:25:39থাকবে কারেন্ট সবসময় একমুখী থাকবে। ধর এটা
- 2:25:41এ বিন্দু, এটা বি বিন্দু। তুমি দেখবা
- 2:25:43যেকোন ক্ষেত্রে পজিটিভ হাফ সাইকেল,
- 2:25:44নেগেটিভ হাফ সাইকেল কারেন্ট সবসময় একমুখী
- 2:25:47থাকবে। যে ভাই আপনার কথা কি সত্যি? দেখো
- 2:25:50সত্যি কিনা? তাহলে এই যে এই যে ইনপুটটা এই
- 2:25:52ইনপুটটা হচ্ছে এরকম বড়। এইযে এরকম বড়।
- 2:25:56তাহলে তার জন্য এই যে স্টেপ ডাউন
- 2:25:59ট্রান্সফর্মার।
- 2:26:00স্টেপ
- 2:26:02ডাউন ট্রান্সফর্মার কি হবে? ইনপুট ভোল্টেজ
- 2:26:05এসি থাকবে। বি ইনপুট ভোল্টেজ এসি থাকবে।
- 2:26:07কিন্তু একটু কমে আসবে। এরকম কমে আসবে। তো
- 2:26:10এইবার এই স্টেপ ডাউন ট্রান্সফর্মার নিয়ে
- 2:26:12আমরা এবার ডায়োড চারটা ডায়োড ডায়োড ওয়ান,
- 2:26:16ডায়োড টু, ডায়োড থ্রি এন্ড ডায়োড ফোর।
- 2:26:21চারটা ডায়োড আমরা ব্যবহার করব। ঠিক আছে?
- 2:26:23তাহলে আসো পজিটিভ হাফ সাইকেল। এবার কপি
- 2:26:25কপি করে আকে ফেলতে হবে। পজিটিভ হাফ সাইকেল
- 2:26:28যখন
- 2:26:33পজিটিভ
- 2:26:35হাফ সাইকেল যখন তাহলে যখন পজিটিভ হাব
- 2:26:38সাইকেল দেখো চিন্তা করো পজিটিভ হাব সাইকেল
- 2:26:40যখন হবে তখন এইটা হবে আমার প্লাস এটা হবে
- 2:26:43মাইনাস এইযে বিএম
- 2:26:46আমরা পিক ভ্যালু নিয়ে হিসাব করব তাহলে
- 2:26:48এটা প্লাস চিন্তা করে দেখো এটা প্লাস এটা
- 2:26:51প্লাস
- 2:26:53ঠিক আছে
- 2:27:03পজিটিভ হাফ সাইকেল যখন এটা প্লাস এটা
- 2:27:05প্লাস এইযে এটা প্লাস এটাও প্লাস তাহলে
- 2:27:09চিন্তা করো বোর্ডে তাকাও প্লাস এই প্লাস
- 2:27:12কে টেনে নিয়ে যাও প্লাস কে টেনে নিয়ে
- 2:27:13যাও নিয়ে যাও নিয়ে যাও প্লাস প্লাসকেটে
- 2:27:16নিয়ে যাও এইযে প্লাস এটা মাইনাস মাইনাস
- 2:27:20মাইনাস মাইনাস মাইনাস মাইনাস মাইনাস
- 2:27:22মাইনাস মাইনাস তাহলে দেখ এটা মাইনাস হলে
- 2:27:24এটা প্লাস এটা মাইনাস হলে এটা প্লাস এটা
- 2:27:27প্লাস হলে এটা মাইনাস এটা প্লাস হলে এটা
- 2:27:28মাইনাস এবার দেখতো কোনটা ফরওয়ার্ড কোনটা
- 2:27:30রিভার্স কারেন্ট প্লাস থেকে মাইনাসের দিকে
- 2:27:33যায় কারেন্ট এদিকে যায় ঠিক আছে ফরওয়ার্ড
- 2:27:35বায়াস তীর চিহ্নের সাথে মিলে গেছে।
- 2:27:37কারেন্ট প্লাস থেকে মাইনাসের দিকে এদিকে
- 2:27:39যায়। ঠিক আছে। ফরওয়ার্ড বায়াস মিলে গেছে।
- 2:27:41কিন্তু এইটা আর এইটা কারেন্ট প্লাস থেকে
- 2:27:43মাইনাসের দিকে যায়। না তীর চিহ্নের সাথে
- 2:27:45মিলে নাই। প্লাস থেকে মাইনাসের দিকে
- 2:27:47কারেন্ট যাবে। না তীরচিহনের সাথে মিলে
- 2:27:48নাই। তাহলে এই দুইটা রিভার্স বায়াস। যে
- 2:27:50দুইটা রিভার্স বায়াসে থাকবে ওই দুইটাকে
- 2:27:51খতম করে ফেলব। যে দুটো রিভার্স বায়াসে
- 2:27:54থাকবে ওই দুইটাকে আমরা খতম করে ফেলব।
- 2:27:56তাহলে আসো খতম করে ফেলি।
- 2:27:59দুইটাকে আমরা খতম করে ফেলি। তাহলে খতম খতম
- 2:28:03খতম। এটা খতম।
- 2:28:05খতম খতম খতম এইটা খতম।
- 2:28:09এই যে এই দুইটা খতম হয়ে গেছে। এই দুইটা
- 2:28:12খতম হয়ে গেল। তাহলে থাকলো কোনটা কোনটা?
- 2:28:15এইটা থাকলো আর এইটা থাকলো। তাহলে এই
- 2:28:16দুইটার ওই যে ডাইরেক্ট ভোল্টেজ ভিডি ওয়ান
- 2:28:18ভিডিট। বাভিডিফ ডাইরেক্ট ভোল্টেজ। এইযে
- 2:28:22প্লাস মাইনাস এখানে মুছে খালি একটা এটা
- 2:28:24প্লাস এটা মাইনাস। এটা প্লাস এটা মাইনাস
- 2:28:26দিব। তো এটা আকলাম না। ঠিক আছে? তাহলে
- 2:28:28তুমি এবার চিন্তা করে দেখো কারেন্ট এবার
- 2:28:30দেখতো কোন বিন্দু থেকে কোন বিন্দুর দিকে
- 2:28:32যাচ্ছে। এই যে লাল কালি দিয়ে আকি কারেন্ট
- 2:28:34এইভাবে প্রবাহ হবে এইভাবে ঢুকবে ঢুকে এই
- 2:28:38যে এইভাবে ঘুরে আসতেছে কারেন্ট তাহলে
- 2:28:41কারেন্ট দেখতো এই রোদের মধ্য দিয়ে কোন দিক
- 2:28:42থেকে কোন দিকে গেল এ থেকে বিতে গেল তাহলে
- 2:28:45এটা প্লাস এটা মাইনাস বি আউটপুট এবং
- 2:28:48কারেন্ট সবসময় এ থেকে বিতে কারেন্ট সবসময়
- 2:28:50এ থেকে বিতে কারেন্ট সবসময় এ থেকে বিতে এ
- 2:28:53থেকে বিতে তাহলে ভোল্টেজ এ হবে প্লাস বি
- 2:28:55হবে মাইনাস এ প্রান্ত হবে প্লাস বি
- 2:28:57প্রান্ত হবে মাইনাস বল বুঝছো কিনা কারেন্ট
- 2:29:00এই রোদের মধ্য দিয়ে এ থেকে বিতে যাচ্ছে
- 2:29:02সেইভাবে ঘুরে এ থেকে বিতে যাচ্ছে তাই না?
- 2:29:04দেখো তাকাও তাকাও আবার তাকাও। এইভাবে এই
- 2:29:07মুছে ফেললাম।
- 2:29:11কারেন্ট এদিক দিয়ে এইভাবে ঘুরে এভাবে
- 2:29:13যাচ্ছে। তাহলে কারেন্ট এ থেকে বিতে
- 2:29:15যাচ্ছে। এটা প্লাস এটা মাইনাস। আউটপুট।
- 2:29:20বুঝ? এবার আস নেগেটিভ সাইকেল। নেগেটিভ
- 2:29:22সাইকেল হলে কি হবে? নেগেটিভ হাফ সাইকেল
- 2:29:24হলে এই যে এটা এবার হবে মাইনাস
- 2:29:33নেগেটিভ হাফ সাইকেল
- 2:29:35এটা হবে মাইনাস এটা হবে প্লাস ভিএম ওকে
- 2:29:38তাহলে মাইনাস দেখো
- 2:29:42মাইনাস এইযে এটা মাইনাস
- 2:29:51এটা মাইনাস মাইনাস মাইনাস প্লাস প্লাস
- 2:29:55প্লাস প্লাস এটা প্লাস হলে এটা মাইনাস এটা
- 2:29:58প্লাস হলে এটা মাইনাস এটা মাইনাস হলে এটা
- 2:30:00প্লাস এটা মাইনাস হলে এটা প্লাস তাহলে এটা
- 2:30:03ফরওয়ার্ড বাস দেখ এটা ফরয়ার্ড এবার এই
- 2:30:05দুইটা রিভার্স ওই দুইটা ডায়োড এবার গায়েব
- 2:30:08করে দাও এই দুইটা ডায়োড এবার গায়েব করে
- 2:30:11দাও
- 2:30:17এই দুইটা ডায়োড গায়েব করে দাও তাহলে এইটা
- 2:30:19গায়েব করে দাও
- 2:30:22ওকে ওকে? আর এইটা গায়েব করে দাও। এই যে
- 2:30:26গায়েব করে দিলা। ঠিক আছে গায়েব করে দিলা।
- 2:30:29এই বিন্দু কিন্তু এ। এইবার তুমি দেখতো
- 2:30:32কারেন্ট কোন দিক থেকে কোন দিকে যাবে?
- 2:30:34কারেন্ট প্লাস এটা। এদিক থেকে যাওয়া শুরু
- 2:30:37করবে। ঘুরে এই ডায়োডের মধ্য দিয়ে গিয়ে
- 2:30:40এইভাবে ঘুরে কারেন্ট এইভাবে ঘুরে আসবে।
- 2:30:42তাহলে এই রোধের মধ্য দিয়ে কারেন্ট কোন দিক
- 2:30:44থেকে কোন দিকে গেল?
- 2:30:47কারেন্ট কোন দিক থেকে কোন দিকে গেল? এ
- 2:30:49থেকে বি এর দিকে।
- 2:30:51ক্লিয়ার কিনা? এ থেকে বি এর দিকে গেছে
- 2:30:54কিনা? এ থেকে বি এর দিকে। আগে কারেন্ট কোন
- 2:30:56দিকে? কোনদিকে? এ থেকে বি এর দিকে। তাহলে
- 2:30:58সবসময় এই রোদের মধ্য দিয়ে কারেন্ট একই
- 2:31:00দিকে না এবং এ প্রান্ত ভোল্টেজের জন্য
- 2:31:02প্লাস বি প্রান্ত মাইনাস। বুঝ কিনা? এবার
- 2:31:05বলে থাকো। আমি আরেকবার একটু সুন্দর করে
- 2:31:07দেখাই। যখন পজিটিভ হাফ সাইকেল তখন কারেন্ট
- 2:31:09এইভাবে গিয়ে এই রোধের মধ্য দিয়ে দেখো এইটা
- 2:31:13ইনপুট। ইনপুট কিন্তু কারেন্ট একবার এদিক
- 2:31:15দিয়ে পাঠাচ্ছে। একবার এদিক দিয়ে পাঠাবে।
- 2:31:17তাহলে এবার এদিক দিয়ে পাঠালে এই রোধের
- 2:31:20মধ্য দিয়ে কিন্তু কারেন্ট এ থেকে বিতে
- 2:31:21গেছে। আবার আবার কারেন্ট যখন উল্টা দিক
- 2:31:25দিয়ে পাঠানো হবে অর্থাৎ ইনপুটের নেগেটিভ
- 2:31:27হাফ সাইকেলে কারেন্ট যখন উল্টা দিক দিয়ে
- 2:31:29যাচ্ছে তখন আবারো আবারো আবারো কারেন্ট
- 2:31:33কিন্তু এ থেকে বি এর দিকেই যাচ্ছে। এ থেকে
- 2:31:35বি অর্থাৎ এই রোধের মধ্য দিয়ে কারেন্ট
- 2:31:37সবসময় এদিকে। এভাবে আসলে এই এভাবে গেলে
- 2:31:41এই। এভাবে আসলে এই এভাবে গেলে এই। তাহলে
- 2:31:45কারেন্ট কিন্তু এই রোদের মধ্য দিয়ে
- 2:31:46সবসময় একই দিকে এ থেকে বিতে এই কারণে এ
- 2:31:49হবে প্লাস বি হবে মাইনাস তাহলে ভোল্টেজও
- 2:31:51সবসময় পজিটিভই থাকবে এবং কারেন্টও দেখো এ
- 2:31:54থেকে বিতে একমুখী থাকবে এটাই হচ্ছে একমুখী
- 2:31:56কারক এটাই একমুখী কারক বুঝলা কিনা
- 2:32:00তাহলে আমরা ইনপুট আউটপুট ওয়েবশে যদি আকি
- 2:32:03এটা ফুল ওয়েব এটা ইনপুট
- 2:32:06আর এটা হবে আউটপুট
- 2:32:09আউটপুট তাহলে ইনপুট এরকম
- 2:32:15আউটপুট হবে গচাং গাচাং গাচাং গচা এরকম এটা
- 2:32:19আউটপুট হবে ঠিক আছে ওকে তাহলে এই ফুল ওয়েব
- 2:32:23রেক্টিফায়ার হাফ রেক্টিফায়ার আমরা পড়ে
- 2:32:25ফেললাম এবার এই অধ্যায়ের সেই মেইন জিনিস
- 2:32:28কি ট্রান্জিস্টর কি ট্রান্জিস্টর
- 2:32:33ট্রান্জিস্টর মানে ডায়োড ডায়োড মানে দুইটা
- 2:32:36টার্মিনাল পিএন জাংশন ডায়োড আচ্ছা ডায়োড
- 2:32:38কয় ধরনের হয় এক ধরনের পিএন জাংশন ডায়ড
- 2:32:41কিন্তু ট্রান্জিস্টরটা টারমিনাল এই কারণে
- 2:32:43ট্রান্জিস্টর হয় তিন ধরনের দুই ধরনের
- 2:32:46কিভাবে পি এন পি পি এন পি দুটো পি মাঝখানে
- 2:32:52এন দুটো এন মাঝখানে পি পি এন পি এন পি এন
- 2:32:56পি এন পি এন পি এন তাহলে পিএনপি এন পিএন
- 2:33:01দুই ধরনের ট্রানজিস্টর হয় ট্রান্জিস্টর
- 2:33:03দুই ধরনের হয় আসো দেখি
- 2:33:07ট্রানজিস্টর পিএনপি ট্রান্জিস্টর
- 2:33:11পিএনপি
- 2:33:13ট্রান্জিস্টর
- 2:33:16পিএনপি ট্রান্জিস্টর
- 2:33:21তো পিএনপি ট্রান্জিস্টর কেমন আমি একটা
- 2:33:23সিলিকনের পাত নিব
- 2:33:26নিয়ে মাঝখানে
- 2:33:29এন টাইপের ডপিং করব আর দুই পাশে পি টাইপের
- 2:33:32ডপিং করব এবার এই তিন জায়গা থেকে তিনটা
- 2:33:34তার বের করব দুই পাশে দুইটা পি থেকে দুইটা
- 2:33:39আর মাঝখানে এন থেকে একটা এই মাঝখানে যেটা
- 2:33:42এটাকে বলা হয় বেজ।
- 2:33:44বেজ বা বাংলায় বললে ভূমি প্রান্ত। ভূমি
- 2:33:48কেন সে ধারণ করছে বেজ। কাকে? এই পাশের পি
- 2:33:52আর এই পাশের পিকে। এই একপাশের পি কে বলা
- 2:33:54হয় কালেক্টর বা সংগ্রাহক।
- 2:33:58কালেক্টর
- 2:34:00বা এইটা যদি সংগ্রাহক হয় আমরা নরমালি
- 2:34:03সবসময় ডান পাশেরটাকে সংগ্রাহক বলি। তাহলে
- 2:34:05বাম পাশের এটার নাম হচ্ছে নিঃস্বারক। বা
- 2:34:08ইমিটার।
- 2:34:10ইমিটার বা বাংলায় বললে নিঃস্বারক।
- 2:34:15নিঃসারক আমরা বেসকে বি দিয়ে লিখবো।
- 2:34:19কালেক্টর সি আর ইমিটারকে ই দিয়ে লিখব।
- 2:34:22এইযে এনপিএন ট্রান্জিস্টর।
- 2:34:26এনপিএন ট্রান্জিস্টর।
- 2:34:29আর পিএনপি ট্রান্জিস্টর।
- 2:34:33পিএনপি
- 2:34:35ট্রান্জিস্টর।
- 2:34:41পিএনপি ট্রান্জিস্টর এটা পি এটা এন এটা পি
- 2:34:46পিএনপি ট্রান্জিস্টর
- 2:34:49এটা কালেক্টর
- 2:34:51এটা বেস আর এটা ইমিটার
- 2:34:55তো এবার দেখ সরি সরি সরি দুইটাতে একই করে
- 2:34:58ফেললাম নাউজুবিল্লাহ
- 2:35:01এটা পিএনপি এটা এনপিএন সরি এনপিএন এনপিএন
- 2:35:05ট্রান্জিস্টর
- 2:35:08এনপিএন ট্রান্জিস্টর। এনপিএন ট্রান্জিস্টর
- 2:35:11কি হবে? এনপিএন ট্রান্জিস্টর হবে
- 2:35:17দুই পাশে এন আর মাঝখানে পি। তিনটা
- 2:35:21টার্মিনাল। আগে যেমন পিএন জাংশন ডায়োডে
- 2:35:23দুইটা ছিল। আমরা একপাশে পি টাইপ ডপিং,
- 2:35:26একপাশে এন টাইপ ডপিং করতাম। এবার আসলে এন
- 2:35:28টাইপ ডপিং, পি টাইপ ডপিং, এন টাইপ ডপিং
- 2:35:30এবং মাথায় রাখবা মাঝখানের অংশে কিন্তু খুব
- 2:35:32হালকাভাবে ডপিং করা। এই দেখো এ কারণে আমরা
- 2:35:34শুরুভাবে আকতেছি। এন পি এন
- 2:35:38এন পি এন তাহলে এইটা হচ্ছে
- 2:35:42কালেক্টর এইটা তাহলে হবে ইমিটার এইটা হবে
- 2:35:45বেস
- 2:35:47ওকে তাহলে এটার বাংলা লিখলাম না মানে পুরা
- 2:35:50ডিটেলস লিখলাম না যেহেতু একটা লিখছি তাহলে
- 2:35:53এটা সংগ্রাহক
- 2:35:55এটা ভূমি বা বেজ এবং এটা নিঃসারক
- 2:36:00নিঃসারক এই দুই ধরনের ট্রান্জিস্টর আমি
- 2:36:03তোমাকে আগে ট্রান্জিস্টরটা দেখালাম
- 2:36:04ট্রানজিস্টর কি আসলে তাহলে বল
- 2:36:06ট্রান্জিস্টর কি আমরা থিওরির ডিপে খুব
- 2:36:09ঢুকবো না এখন দরকার নাই ট্রান্জিস্টর কি
- 2:36:12ভাই তিনটা টার্মিনাল থাকবে দুইটা পি এর
- 2:36:15মাঝখানে একটা এন অথবা দুইটা এন এর মাঝখানে
- 2:36:16একটা পি একটা সিলিকনের স্ট্রাকচার নিয়ে
- 2:36:19আমরা তিনবার ডপিং করব এবং মাথায় রাখবা
- 2:36:21মাঝখানে যেটাকে ডোপিং করা হয় সেটাকে খুব
- 2:36:23হালকাভাবে ডোপিং করা হয় মাঝখানেরটার নাম
- 2:36:25কি বেজ বেজ কেন সে ইমিটার এবং কালেক্টর
- 2:36:27দুইটাকে ধারণ করে রাখছে এই কারণে সে ভূমি
- 2:36:30বেজ বুঝতে পারছ এবার আমরা যেমন ডায়োডের
- 2:36:35একটা সিম্বল জানি এটা রোধের যেমন একটা
- 2:36:38সিম্বল জানি ঠিক তেমনি আমাদের এই যে
- 2:36:41ট্রানজিস্টরেরও সিম্বল লাগবে
- 2:36:42ট্রানজিস্টরের সিম্বল খুবই সহজ সবাই একটু
- 2:36:44বোর্ডে থাকো একটা গোল্লা দিবা ঠিক আছে
- 2:36:47একটা গোল্লা দিবা একটা গোল্লা দিবা দিয়ে
- 2:36:51এই বৃত্তের একটা যা আকবা একটা যা আকবালা
- 2:36:57আকার পরে এবার দেখো এরকম তিনটা
- 2:37:00তিনটা টার্মিনাল বের করবা তিনটা তার বের
- 2:37:03করবা
- 2:37:03ঠিক কিভাবে এখানেও তাই তিনটা তার বের করবা
- 2:37:08এইবার আমি তোমারে একটু আকা শিখাই ভালো করে
- 2:37:10বোঝো ইমিটার
- 2:37:13বেজ কালেক্টর
- 2:37:17ইমিটার
- 2:37:18বেজ কালেক্টর দেখো এই পর্যন্ত সব সেম এই
- 2:37:23পর্যন্ত সব সেম এবার কথা হচ্ছে বুঝবো
- 2:37:25কেমনে কোনটা পিএনপি কোনটা এনপিএন এটা কি
- 2:37:28পিএনপি না পি
- 2:37:30এন পি এটা
- 2:37:33এন পি এন পিএন পি এন পিএন পিএন পি এন পি
- 2:37:39এন পি এন পি এন পিএন এবার কথা হচ্ছে বুঝার
- 2:37:43উপায় কি আমি কি সবসময় পিএন পিএন পিএন
- 2:37:45লিখে দিব ন বুঝবো কিভাবে একটা তীর চিহ্ন
- 2:37:48দিয়ে জাস্ট একটা তীর চিহ্ন দিয়ে বুঝে
- 2:37:50ফেলব ঘটনা মজার ব্যাপার হচ্ছে এটা তীর
- 2:37:53চিহ্নটা কোথায় দিব বেজ ইমিটার সেকশনে
- 2:37:55কোথায় বেজ ও ইমিটার সেকশনে ইমিটার সেকশনে
- 2:38:04বেজ
- 2:38:06ইমিটার
- 2:38:08সেকশনে
- 2:38:11তীর চিহ্ন বসাবো
- 2:38:13বেজ ইমিটার সেকশনে তীর চিহ্ন বসাবো তীর
- 2:38:15চিহ্ন বসাবো পি থেকে এন এর দিকে তাই না
- 2:38:17তড়িৎ প্রবাহ কোন দিক থেকে কোন দিকে পি
- 2:38:19থেকে এন এর দিকে কোথায় বেজ ইমিটার সেকশনে
- 2:38:21আসো তাকাও বোর্ডে
- 2:38:23বেজ ইমিটার পি থেকে এন এর দিকে এই যে তীর
- 2:38:26চিহ্ন পি থেকে এন এর দিকে এই তীর চিহ্ন
- 2:38:29দেখে ফেললেই কেল্লাতে এই তীর চিহ্ন বুঝে
- 2:38:32গেলেই হতে তীর চিহ্ন পি থেকে এন এর দিকে
- 2:38:34পি থেকে এন এর দিকে ওকে এবার আস বেজমিটার
- 2:38:38সেকশন বেজমিটার সেকশন তীর চিহ্ন পি থেকে
- 2:38:40এন এর দিকে পি থেকে এন এর দিকে তড়িৎ
- 2:38:43প্রবাহ যেদিকে হয় আসলে তাহলে আমরা কোথায়
- 2:38:45তীর চিহ্ন দিব বেজমিটার সেকশনে তীর চিহ্ন
- 2:38:47দিব কোন দিক থেকে কোন দিকে পি থেকে এন এর
- 2:38:50দিকে পি থেকে এন এর দিকে তাহলে এবার
- 2:38:52শর্টকাট বলি তীর চিহ্ন যদি বেজমিটার
- 2:38:54সেকশনে অন্তর্মুখী দেখো তাহলে পিএনপি আর
- 2:38:58যদি বহির্মুখী দেখো তাহলে এনপিএন
- 2:39:01বহির্মুখী দেখলে
- 2:39:04বহির্মুখী দেখলে এনপিএন আর তীর চিহ্ন
- 2:39:07অন্তর্মুখী দেখলে
- 2:39:10অন্তর্মুখী দেখলে পিএনপি ওকে এবার এই
- 2:39:15ট্রান্জিস্টর আমরা সার্কিটে নিয়ে বসাবো
- 2:39:17বসা বিভিন্ন ধরনের কাজ করব ট্রান্জিস্টরের
- 2:39:20দুইটা ব্যবহার আছে ট্রান্জিস্টরকে ভাই কি
- 2:39:22কাজে লাগে ডায়োডকে নয়তো বুঝলাম যে
- 2:39:25ডায়োডকে কি কাজে লাগে ডায়োডকে
- 2:39:26রেক্টিফিকেশনের কাজে লাগে রেকটিফায়ার
- 2:39:28হিসেবে আমরা ডায়োডকে ব্যবহার করি কিন্তু
- 2:39:30ট্রানজিস্টরকে কি হিসেবে ব্যবহার করি?
- 2:39:32ট্রানজিস্টরে দুইটা ব্যবহার আছে।
- 2:39:33ট্রানজিস্টরে দুইটা ব্যবহার। একটা হচ্ছে
- 2:39:36অ্যামপ্লিফিকেশনের কাজে বা বিবর্ধক
- 2:39:39হিসেবে। সিগনাল বিবর্ধনের কাজে।
- 2:39:42বিবর্ধক হিসাবে
- 2:39:45বা অ্যামপ্লিফায়ার হিসাবে।
- 2:39:48এমপ্লিফায়ার।
- 2:39:50এমপ্লিফায়ার হচ্ছে এই যে আমরা অনেক সময়
- 2:39:51মাইকে কথা বলি না। স্পিকারে। তো স্পিকারে
- 2:39:54কথা বললে এই কথাটা আমি আস্তে বলতেছি।
- 2:39:56কিন্তু স্পিকার থেকে মাইক থেকে অনেক জোরে
- 2:39:58শোনা যাচ্ছে। তাহলে কি করা হচ্ছে? এই যে
- 2:40:00আমার যে ভয়েস সিগনালটা ভালো করে শুনবা।
- 2:40:01ভয়েস সিগনালটাকে ইলেকট্রিক্যাল সিগনালে
- 2:40:03কনভার্ট করা হচ্ছে। সেই ইলেকট্রিক্যাল
- 2:40:05সিগনালটাকে আগে বিবর্ধিত করা হচ্ছে।
- 2:40:08বিবর্ধত সিগনাল করা হচ্ছে। বড় সিগনাল করা
- 2:40:12হচ্ছে। দেন সেটাকে আবার ভয়েস সিগনালে
- 2:40:14কনভার্ট করা হচ্ছে। তো তখন আমি আস্তে কথা
- 2:40:16বললে তুমি জোরে শুনতেছো? মাইকে কথা বললে।
- 2:40:18তো এই এমপ্লিফিকেশনের কাজই করা হচ্ছে।
- 2:40:21এটাকে বলা হয় সিগনাল বিবর্ধন বা
- 2:40:23এমপ্লিফিকেশন। আরেকটা হচ্ছে সুইচ হিসাবে।
- 2:40:26সুইচ
- 2:40:28সুইচ হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
- 2:40:33সুইচ হিসাবে ট্রান্জিস্টরকে ব্যবহার করা
- 2:40:37হয়। এই এই দুইটা কাজ। আমি একটু এবার
- 2:40:39তোমাকে বুঝাই এমপ্লিফিকেশনের কাজে। ধর
- 2:40:41ট্রানজিস্টর।
- 2:40:43এই বক্সের মধ্যে ট্রান্জিস্টর আছে।
- 2:40:48ট্রানজিস্টর।
- 2:40:56ট্রান্জিস্টর যে সার্কিট সে একটা ছোট
- 2:41:00সিগনালকে ইনপুট হিসেবে নিবে।
- 2:41:03এইযে ছোট একটা ভয়েস সিগনাল ধর ইনপুট
- 2:41:06হিসেবে নিল। নিয়ে সেটাকে বিবর্ধত করবে।
- 2:41:09এবং একটা জিনিস মাথায় রাখবা ট্রান্জিস্টর
- 2:41:11কিন্তু সিগনালকে বিবর্ধিত করে ফেজ 180
- 2:41:14ডিগ্রি উল্টয় দেয়। ফেজ শিফট করে দেয় 180
- 2:41:17ডিগ্রি। অর্থাৎ এটা এরকম আছে না?
- 2:41:20সিগনালটা? এই সিগনালটা এরকম হয়ে যাবে।
- 2:41:23অনেকে ভাই এটা কি রেক্টিফিকেশন না? না
- 2:41:25রেকটিফিকেশন কেন হবে? এটা কি দেখো এসি
- 2:41:27আছে। এসি এসি এসি ডিসি হয়ে যায় নাই। এসি
- 2:41:31এসি কিন্তু সিগনালটা বিবর্ধত হইছে।
- 2:41:34সিগনালে দেখ এইযে ভোল্টেজটার পি প ছোট ছিল
- 2:41:38সেই ভোল্টেজটা বিবর্ধত হইছে। ঠিক আছে?
- 2:41:41তাহলে ছোট সিগনালকে বিবর্ধিত সিগনালে
- 2:41:43কনভার্ট করা হয়েছে। এটাই হচ্ছে
- 2:41:44এমপ্লিফিকেশন। এটা ইনপুট
- 2:41:48এটা পাওয়া যাবে আউটপুট। এবং মাথায় রাখবা
- 2:41:50এই জিনিসটা কিন্তু এমসিকিউতে আসে যে
- 2:41:52ট্রান্জিস্টরের অ্যামপ্লিফায়ারের জন্য
- 2:41:53এমপ্লিফিকেশন এর জন্য দশার পরিবর্তন কত
- 2:41:56হয়? 180 ডিগ্রি দশা পরিবর্তন
- 2:42:00বা ফেস শিফট
- 2:42:02ফেস
- 2:42:04শিফট 180 ডিগ্রি হয়। দেখো 180 ডিগ্রি ঘুরে
- 2:42:08গেছে। এটা উল্টে গেছে। এটা উল্টে গেছে।
- 2:42:10দেখ উল্টে গেছে। 180 ডিগ্র ফেস শিফ হছে।
- 2:42:12আর সুইচ হিসেবে সুইচের দুইটা মোড আছে।
- 2:42:15আমরা আমরা নরমালি কি করি? একটা সুইচকে
- 2:42:19দুইটা মোডে কাজ করায়। সুইচের দুইটা মোড
- 2:42:21থাকে। এইযে এটা হচ্ছে অফ মোড। অফ। আর
- 2:42:25সুইচের এই যে মোডটা এটা হচ্ছে অন মোড। অন
- 2:42:28এইযে অন মোড। তো সুইচের এইযে দুইটা মোড
- 2:42:32আছে। এইযে এরকমভাবে চাপ দিবা সুইচ চাপ
- 2:42:34দিবা। তাহলে এইযে শর্ট সার্কিট হয়ে যাবে।
- 2:42:37কারেন্ট প্রবাহিত হবে। আর এটা অন। এটা
- 2:42:39হচ্ছে সুইচ অন। আর এটা হচ্ছে সুইচ অফ।
- 2:42:42সুইচের এরকম দুইটা মোড আছে। তো আমরা কি
- 2:42:44করব? কোন ম্যানুয়াল সুইচ ব্যবহার করবো
- 2:42:45না। আমরা ট্রান্জিস্টর দিয়ে কাজটা করব।
- 2:42:48ট্রান্জিস্টর
- 2:42:51দিয়ে
- 2:42:52এই অন এবং অফ মোডে কাজ করাবো। অন এবং অফ
- 2:42:57মোডে
- 2:42:59কাজ করাবো।
- 2:43:01ট্রান্জিস্টর দিয়ে। তো ট্রান্জিস্টরের এই
- 2:43:03দুইটা ব্যবহার। একটা সুইচ হিসেবে আরেকটা
- 2:43:06এমপ্লিফিকেশনের কাজে। তো আসো আমরা একটু
- 2:43:08দেখি ট্রান্জিস্টর এমপ্লিফিকেশনের কাজে
- 2:43:11কিভাবে ব্যবহার হয়। এটা আমি খুবই ছোট করে
- 2:43:13ব্যাখ্যা করব। খুবই ছোট করে ব্যাখ্যা করব।
- 2:43:16দেখো
- 2:43:18আমরা
- 2:43:19একটা ট্রান্জিস্টর নিলাম। এই যে আচ্ছা কি
- 2:43:23ট্রান্জিস্টর নিব? এন পিএন পিএনপি
- 2:43:24যেকোনটাই নিতে পারো। আমরা এন পিএন নিলাম।
- 2:43:28এন পি এন।
- 2:43:30এটা এন এটা পি। এটা এন। তাহলে এন মানে
- 2:43:35প্রচুর পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন আছে। প্রচুর
- 2:43:38পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন।
- 2:43:42প্রচুর পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন আছে।
- 2:43:46এন প্রচুর পরিমাণে ফ্রি ইলেকট্রন আছে।
- 2:43:52আর মাঝখানে হচ্ছে পি টাইপ। পি মানে হোল
- 2:43:55আছে। হোল বা ভকেন্ট।
- 2:43:58এইটা মাঝখানেরটা হচ্ছে বেজ।
- 2:44:02এটা কালেক্টর। এটাকে ধরলাম ইমিটার। দেখ
- 2:44:04মাঝখানে বেজ। ভাই এভাবে কেন আকলেন? এটাকে
- 2:44:07এভাবে আকা যাই। এইযে বেজ কালেক্টর ইমিটার।
- 2:44:11তো কথা কোন সমস্যা নেই। তো আমি এভাবেই
- 2:44:12আকলাম কোন আপত্তি নেই। এইবার তুমি কি
- 2:44:14করবা? এই বেজ এবং ইমিটারের মধ্যে একটা
- 2:44:17ব্যাটারি সংযোগ দিবা। বেজ এবং ইমিটারের
- 2:44:21মধ্যে কি করবা? বেজ এবং ইমিটারের মধ্যে
- 2:44:23একটা ব্যাটারি লাগায় দিবা। বেজ এবং ইমিটার
- 2:44:26এর মধ্যে
- 2:44:28একটা ব্যাটারি দিবা। ব্যাটারির এটা হবে
- 2:44:30প্লাস। এটা হবে মাইনাস। একটা ছোট ব্যাটারি
- 2:44:33দিবা। আর কালেক্টর এবং ইমিটারের মাঝে
- 2:44:38কালেক্টর
- 2:44:42কালেক্টর
- 2:44:44এবং এমিটারের মাঝে আরেকটা ব্যাটারি দিবা।
- 2:44:46এটা একটা বড় ব্যাটারি। এটা একটা বড়
- 2:44:48ব্যাটারি দিবা।
- 2:44:50আর এইখানে ধর একটা বাল্ব।
- 2:44:53এটা একটা বাল্ব। আর এইখানে একটা ছোট্ট
- 2:44:56বাল্ব। এইযে এখানে একটা ছোট্ট বাল্ব।
- 2:44:59যুক্ত করে দিছে। এই যে এইটা হচ্ছে কমন
- 2:45:02ইমিটার সার্কিট। কমন ইমিটার সার্কিট। কমন
- 2:45:07ইমিটার কেন?
- 2:45:11কমন ইমিটার কেন?
- 2:45:14কারণ
- 2:45:16ইমিটারটাকেযে ইমিটার ইমিটারটাকে
- 2:45:19কালেক্টরের সাথে ইমিটারকে বেজের সাথে
- 2:45:23এইখানে নিয়ে কমন করে দেওয়া হয়েছে। বুঝ
- 2:45:26এই নিচে কি ইমিটার না? ইমিটারকে বেজের এক
- 2:45:29প্রান্ত এসে ইমিটারে দেখ বেজ ইমিটার।
- 2:45:33কালেক্টর থেকে এক প্রান্ত ইমিটার ঢুকা
- 2:45:35দেওয়া হয়েছে। তাহলে এই প্রান্তটা কমন।
- 2:45:37অর্থাৎ এর ভোল্টেজটা জিরো। এটা হচ্ছে
- 2:45:39গ্রাউন্ড। এইযে গ্রাউন্ড এর রেফারেন্স
- 2:45:41ভোল্টেজ জির। এইবার শোন এইবার দেখা যাবে
- 2:45:44কি? এই পাশটা আমাদের ইনপুট। এই বেজ ইমিটার
- 2:45:48সেকশন আমাদের ইনপুট। আর এই কালেক্টর
- 2:45:51ইমিটার সেকশন হচ্ছে আমাদের আউটপুট। তো
- 2:45:53দেখা যাবে কি? বেজে বেজ ইমিটার ইনপুটে
- 2:45:56সামান্য কারেন্ট হলে কালেক্টরে বিশাল
- 2:45:59কারেন্টের প্রভাব হবে। এটা কেমনে হবে একটু
- 2:46:01তুমি বুঝ। আসো একটু হালকা পাতলা বুঝলেই
- 2:46:03হবে। খুব ডিটেলস বোঝার দরকার নেই। এটা কি
- 2:46:06মাইনাস না?
- 2:46:08এটা কি মাইনাস না? এই মাইনাস গিয়ে এই
- 2:46:11পাশের যে ইলেকট্রন এই ইলেকট্রনকে ঠেলা
- 2:46:13দিবে। ঠেলা দিলে এই ইলেকট্রনগুলো ওদিকে
- 2:46:15যাবে। ধরো এইখান থেকে দেখো মাঝখানের অংশটা
- 2:46:18বেজ। এটা কিন্তু খুবই হালকাভাবে ডোপিং
- 2:46:20করা। মানে কি? মানে এইখানে যদি 100
- 2:46:22ইলেকট্রন হয়। 100 ইলেকট্রন হয় তাহলে এখানে
- 2:46:26ফাঁকা চেয়ার আছে পাঁচটা। 100 ইলেকট্রনের
- 2:46:28পাঁচটা ইলেকট্রন এখানে বসবে। বাকি 95 টা
- 2:46:32ইলেকট্রন এদিকে যাওয়ার একটা চেষ্টা করবে।
- 2:46:34এখন তুমি বলতে পারো যে ভাই বাকি 95 টা
- 2:46:36ইলেকট্রন এদিকে যে যাবে আপনি বলতেছেন এই
- 2:46:39পাশে তো অলরেডি অনেক ইলেকট্রন আছে। তো
- 2:46:41দেখো কি হবে? আগে আমি এখানে পাঁচটা
- 2:46:43ইলেকট্রন যেটা বসলো সেই কটার ভাগ্যের কথা
- 2:46:45বলি। যে পাঁচটা ইলেকট্রন এখানে বসে গেল
- 2:46:48100টা আসলো। আবারো বলতেছি ভালো করে শোন।
- 2:46:50এটা মাইনাস মাইনাস এসে এই ইলেকট্রন গুলাকে
- 2:46:53একটু ধাক্কা দিবে। ফোরস ফোরস দিলে 100টা
- 2:46:55ইলেকট্রন ধর এদিকে যাচ্ছে। 100টা ইলেকট্রন
- 2:46:59ইমিটার থেকে নিরণ হয়ে নিস্মরণ হয়ে বেজে
- 2:47:02ঢুকলো। বেজে ঢোকার পরে চেয়ার আছে পাঁচটা।
- 2:47:04পাঁচটা বসলো বাকি 95 টা ওদিকে যাওয়ার একটা
- 2:47:06চেষ্টা করবে। এই পাঁচটা বসে থাকার পরে এই
- 2:47:09যে ব্যাটারি প্লাস আছে না দেখ এই পাশে
- 2:47:11প্লাস। তাহলে প্লাস কি করবে? ওই বসে যাওয়া
- 2:47:13ইলেকট্রনগুলাকে এদিকে টান দেবে। এদিকে টান
- 2:47:15দিয়ে নিয়ে আসবে। তাহলে দেখা যাবে কি? ওই
- 2:47:17ইলেকট্রনগুলা আস্তে আস্তে এদিকে আসতে
- 2:47:19থাকবে। ভালো করে বোঝ। ইলেকট্রনগুলা
- 2:47:22ইলেকট্রনগুলা এদিকে আসতে থাকবে।
- 2:47:24ইলেকট্রনগুলা এদিকে আসতে থাকবে। তাহলে
- 2:47:26এদিক থেকে ইলেকট্রনগুলো আসবে। কয়টা
- 2:47:28ইলেকট্রন? পাঁচটা ইলেকট্রন বেশি না। এই
- 2:47:31পাঁচটা ইলেকট্রন এদিকে আসতে থাকবে। তাহলে
- 2:47:33পাঁচটা ইলেকট্রন এদিকে আসলে এর মধ্য দিয়ে
- 2:47:35ইলেকট্রনের ফ্লো। তাহলে উল্টা দিকে হবে
- 2:47:37কারেন্টের ফ্লো। তাহলে বাল্বটা জ্বলবে।
- 2:47:39কিন্তু পাঁচটা ইলেকট্রনের জন্য বাকি 95 টা
- 2:47:41কোথায়? বাকি 95টা এদিকে গেছে। এখন তুমি
- 2:47:43মনে করতে ভাই এখানে তো অলরেডি অনেকগুলো
- 2:47:45ইলেকট্রন আছে। এখানে তো আবার 100 ইলেকট্রন
- 2:47:47আছে। ঠিক আছে? 100 ইলেকট্রন আছে। কিন্তু
- 2:47:49তুমি দেখ এই প্রান্তে নিয়ে আমি এইযে প্লাস
- 2:47:52একটা বড় ব্যাটারির সাথে যুক্ত করছি। তাহলে
- 2:47:54এই প্লাস কি করবে? এই প্লাস এই পাশের যে
- 2:47:56ইলেকট্রন এই ইলেকট্রনগুলাকে টান দিতে
- 2:47:58থাকবে। তাহলে আল্টিমেটলি এখানে একটা বড়
- 2:48:01ব্যাটারি কিন্তু বড় ব্যাটারি। তাহলে বড়
- 2:48:02ব্যাটারি হলে এইটা যদি প্লাস হয় সেই
- 2:48:05প্লাস এই পাশের 100 ইলেকট্রন আবার এখান
- 2:48:08থেকে যে 95 টা ইলেকট্রন এদিকে গেল বেস
- 2:48:09থেকে যে 95 টা ইলেকট্রন ক্ষরিত হয়ে
- 2:48:11কালেক্টরের দিকে কালেক্টরের দিকে গেল সেই
- 2:48:1495 টা আর 100 টা। তাহলে টান দিলে এই
- 2:48:17লাইনের মধ্য দিয়ে এই লাইনের মধ্য দিয়ে
- 2:48:19195 টা ইলেকট্রন বের হয়ে আসবে। সেই 195
- 2:48:22টা ইলেকট্রন এদিক দিয়ে যাবে। 195 টা
- 2:48:25ইলেকট্রন 195 টা ইলেকট্রন এসে এদিক দিয়ে
- 2:48:28ঢুকবে এই যে তাকাও এইদিক দিয়ে এসে 195 টা
- 2:48:31ইলেকট্রন ঢুকবে
- 2:48:34195টা ইলেকট্রন ঢুকবে আবার এইদিক দিয়ে
- 2:48:37পাঁচটা ইলেকট্রন এই পাঁচটা ইলেকট্রন এইদিক
- 2:48:39দিয়ে ঢুকবে এইযে পাচটা ইলেকট্রন ঢুকবে
- 2:48:42আলটিমেটলি দেখ 200 ইলেকট্রন ঢুকলো আবার
- 2:48:44চিন্তা কর 200 ঢুকলো ঢুকার পরে পাঁচটা
- 2:48:47এদিকে 195টা এদিকে ভাই এই পাশে 195টা আসতে
- 2:48:52পারে না ছোট ব্যাটারি আর এই পাশে বড়
- 2:48:54ব্যাটারি তাহলে এই পাশের টার্নটা বেশি
- 2:48:56তাহলে এই কারণে এই কারণে দেখা যাবে এই
- 2:48:59পাশে বেশি ইলেকট্রন আসবে এই পাশে কম
- 2:49:01ইলেকট্রন যাবে বুঝলাম তাহলে তখন এখানে
- 2:49:04কারেন্ট কম তাহলে এই রোধের ভোল্টেজ কম
- 2:49:08এখানে কারেন্ট বেশি এই রোধের ভোল্টেজ বেশি
- 2:49:10তাহলে আমি দেখা যাবে কি যে এর ইনপুট এর
- 2:49:15ভোল্টেজ ইনপুট পাবো এইটুকু কিন্তু এর
- 2:49:17ভোল্টেজটা পাবো বিশাল বড় ভোল্টেজ এরকম
- 2:49:20ঠিক আছে এর ফেস শিফট হবে 180 এটা কেন হবে
- 2:49:23এটা এখন জানতে হবে না শুধু বিশ্বাস করো
- 2:49:26কিন্তু এখানে ভোল্টেজটা কম এখানে
- 2:49:27ভোল্টেজটা হয়ে যাবে বেশি বুঝতে পারছো
- 2:49:31তাহলে এইভাবেই আসলে এমপ্লিফিকেশনের কাজ
- 2:49:33করে তোমাকে এবার আমি একটা সহজ উদাহরণ দিই
- 2:49:35দেখো বুঝ মনে করো এইটা একটা খাল
- 2:49:39এটা একটা নালা এইটা একটা বড় খাল মানে
- 2:49:42পুকুর সরি পুকুর এখানে প্রচুর পানি আছে
- 2:49:46এখানে পানি নেই শুকনা খাল শুকনা পানি নেই
- 2:49:51আর এখানে আবার পানি ভরা আছে
- 2:49:53তুমি এখানে একটা পাম্প লাগাইছো। এখানে
- 2:49:55একটা পাম্প লাগাইছো। চিন্তা করো দুইটা
- 2:49:58পাম্প লাগাইছো। এই পাম্পটা বড় পাম্প। এই
- 2:50:00পাম্পটা ছোট পাম্প। তাহলে পাম্প কি করবে?
- 2:50:02এই জায়গার পানিকে ঠেলে এখানে পাঠাবে। এটা
- 2:50:04ভরে যাবে। কিন্তু এ জায়গা তো ছোট। জায়গা
- 2:50:07ছোট হলে এখানে পানি ভরে যাওয়ার পরে সেই
- 2:50:09পানিগুলাকে এদিকে পাঠা দিবে। ঠিক আছে?
- 2:50:11কেন? কারণ এই পাম্পটা ও পানিকে টেনে নিয়ে
- 2:50:12আসবে। তাই না? বল। এই যে পাম্পটা আছে এই
- 2:50:16পাম্পটা এই পানিগুলাকে টেনে নিয়ে আসবে।
- 2:50:18আবার এই পাম্পটা বড় পাম্প। তাহলে বড় পাম্প
- 2:50:20যদি হয় তাহলে এই পাশের পানিকে তো টেনে
- 2:50:22নিয়ে আসবেই। আবার এদিক থেকে যে পানি শেষ
- 2:50:25করে পাঠানো হচ্ছে সেই পানিকে সেই পানির
- 2:50:28ম্যাক্সিমাম 95 পানি কেও এইদিকে টেনে
- 2:50:30আসবে। তাহলে আল্টিমেটলি এই লাইনে পানি
- 2:50:32বেশি কারেন্ট বেশি। কারেন্ট বেশি ভোল্টেজ
- 2:50:34বেশি। এই লাইনে পানি কম, কারেন্ট কম,
- 2:50:36ভোল্টেজ কম। তাহলে এটা ইনপুট ভোল্টেজ কম।
- 2:50:39এটা আউটপুট ভোল্টেজ বেশি। ইনপুট ভোল্টেজটা
- 2:50:43কম। আর এটার আউটপুট ভোল্টেজটা আউটপুট
- 2:50:46ভোল্টেজটা বেশি। তো এটাই হচ্ছে
- 2:50:48এমপ্লিফিকেশন। এভাবে এমপ্লিফায়ারে কাজ
- 2:50:50করতেছে। যেকোন ট্রান্জিস্টর সার্কিটের
- 2:50:53ক্ষেত্রে আমি তো তোমারে একটা দেখালাম।
- 2:50:54এরকম তিনটা সার্কিট আছে। কমন ইমিটার, কমন
- 2:50:58বেজ, কমন কালেক্টর। তিনটা সার্কিট আছে।
- 2:51:01যেকোন ট্রান্জিস্টর সার্কিটের ক্ষেত্রে
- 2:51:03একটা সূত্র সবসময় মাথায় রাখবা। সেটা হচ্ছে
- 2:51:06আই
- 2:51:07ইমিটার কারেন্ট হবে বেস কারেন্ট ও
- 2:51:09কালেক্টর কারেন্টের যোগফল। এবার দেখ এটা
- 2:51:11বিশ্বাস করার দরকার না। এটা আমি তোমা
- 2:51:12প্রমাণ করে দেখাচ্ছি। এখানে তুমি চিন্তা
- 2:51:14করতো এইটাকে যদি আমি একটা পয়েন্ট চিন্তা
- 2:51:18করি। এই যে এটাকে যদি আমি একটা পয়েন্ট
- 2:51:20চিন্তা করি ভালো করে বুঝবা এইখান থেকে
- 2:51:25এদিক দিয়ে ইলেকট্রন বের হয়ে আসতেছে এই যে
- 2:51:28এদিক থেকে ইলেকট্রন বের হয়ে আসতেছে এদিক
- 2:51:30থেকে ইলেকট্রন বের হয়ে আসতেছে বের হয়ে এই
- 2:51:33ইলেকট্রনগুলো একসাথে এদিকে ঢুকতেছে তাই
- 2:51:36কিনা তাহলে দেখো
- 2:51:39এটা কালেক্টর ছিল এটা বেস ছিল আর এটা
- 2:51:42ইমিটার ছিল তাহলে এগুলা এই ডিরেকশন গুলা
- 2:51:45কিসের ডিরেকশন ইলেকট্রনের ডিরেকশন
- 2:51:48ইলেকট্রন বেস থেকে বের হচ্ছে। তাহলে
- 2:51:49ইলেকট্রন প্রবাহের উল্টা দিক হচ্ছে
- 2:51:50কারেন্টের প্রবাহ। তাহলে কারেন্ট ঢুকবে।
- 2:51:53এই যে কারেন্ট বেজে ঢুকবে। তাহলে এটা
- 2:51:55হচ্ছে বেস কারেন্ট। তাহলে বেস দিয়ে
- 2:51:57ঢুকতেছে। বুঝলা কিনা? ইলেকট্রন প্রবাহের
- 2:52:00উল্টা দিকেই তো কারেন্টের প্রবাহ।
- 2:52:01ইলেকট্রন যদি এদিকে আসে তাহলে কারেন্ট
- 2:52:02এদিক দিয়ে যাবে। তাহলে কারেন্টের প্রবাহ
- 2:52:05এইযে এটা আইবি বেস দিয়ে ঢুকতেছে। কালেক্টর
- 2:52:08দিয়ে ইলেকট্রন বের হয়ে আসতেছে। তাহলে
- 2:52:10কালেক্টর কারেন্ট এভাবে ঢুকবে। আই। এবার
- 2:52:14ইমিটারের ইলেকট্রন এদিক দিয়ে ঢুকতেছে।
- 2:52:16তাহলে ইমিটার দিয়ে কারেন্ট বের হবে। তাহলে
- 2:52:18এইটা হচ্ছে আই
- 2:52:20আই বুঝলা? তাহলে চিন্তা করো। এবার তাকাও
- 2:52:24বোর্ডে দেখাও। আই এসে ভাগ হয়ে আই। আই ভাগ
- 2:52:29হয়ে আইবি।
- 2:52:31আই ভাগ হয়ে কিছুটা আই। আই ভাগ হয়ে কিছুটা
- 2:52:35আইবি। আলমেটলি সহজ কথা আমি যদি এটাকে একটা
- 2:52:37নোড চিন্তা করি। এটাকে একটা নোড চিন্তা
- 2:52:40করলাম। একটা বিন্দু চিন্তা করলাম। এই
- 2:52:42বিন্দুতে আইসি কারেন্ট ঢুকলো।
- 2:52:46আইবি কারেন্ট ঢুকলো। দেখ আইসি কারেন্ট
- 2:52:49আইসি কারেন্ট ঢুকলো। আইবি কারেন্ট ঢুকলো।
- 2:52:52আর আই কারেন্ট বের হয়ে আসলো। তাহলে খাটাও
- 2:52:56তো কেসি খাটি। কেসি খাটা মানে কি? আসলো
- 2:53:00কারেন্ট সমান সমান গেল কারেন্ট। তাহলে এই
- 2:53:02পয়েন্টে আসলো কারেন্ট আই। আসলো কারেন্ট
- 2:53:04আইবি। গেল কারেন্ট বের হয়ে আসলো আই। আই
- 2:53:07ইকুয়ালটু কি হবে? আইবি
- 2:53:10প্লাস আই। আই ইকুয়াল টু কি হবে? আইবি
- 2:53:14প্লাস আই সি।
- 2:53:16বুঝতে পারছো? এই সূত্রটা মাথায় রাখবা।
- 2:53:18খুবই খুবই ইম্পর্টেন্ট সূত্র। আমরা এই
- 2:53:21পর্যন্ত যা কিছু পড়লাম এটা আট মিনিটের
- 2:53:24একটা ভিডিওতে আমরা শেষ করে ফেলব। যা কিছু
- 2:53:27পড়লাম একবার রিভাইজ।
- 2:53:29ইউটি এ একটা ভিডিও আছে যে হাউ
- 2:53:32ট্রান্জিস্টর ওয়ার্ক। একটা এনিমেশন ভিডিও।
- 2:53:34এটা দেখলে এই পুরো অধ্যায়ের রিভিশন হয়ে
- 2:53:37যাবে। পুরো অধ্যায় একেবারে প্রথম থেকে যা
- 2:53:39পড়ছি। তা আমরা একটু এই জিনিসটা একটু
- 2:53:41দেখবো। ঠিক আছে?
- 2:53:46[গলা পরিষ্কার করা]
- 2:54:08>> [মিউজিক]
- 2:54:09>> দেখ
- 2:54:11কি বলতেছে এইযে এই যে মানে
- 2:54:16বিভিন্ন ইলেকট্রিকাল ইলেকট্রনিক
- 2:54:18ইকুইপমেন্টলেট্রনিক
- 2:54:21ইকুইপমেন্ট মোবাইল মোবাইল, ফোন, ল্যাপটপ,
- 2:54:24পিসি, ক্যালকুলেটর এগুললা তৈরি করতে গেলে
- 2:54:26ট্রান্জিস্টর লাগে। ঠিক আছে? এগুললা তৈরি
- 2:54:28করতে গেলে বিভিন্ন ধরনের মনে করো ডায়োড
- 2:54:31লাগে। তো এই ডায়োড, ট্রান্জিস্টর এগুলা
- 2:54:34কিভাবে তৈরি করা হয়? এগুললা তৈরি করা
- 2:54:35অর্ধপরিবাহী দিয়ে। তাহলে
- 2:54:43এবার আমরা কি করতে চাই? কন্ডাক্টিভিটি
- 2:54:44বাড়াইতে চাই। স্থায়ীভাবে চার্জ ক্যারিয়ার
- 2:54:47চাই। তো তার জন্য কি করব? এইযে পঞ্চযোজি
- 2:54:49মৌল মিশা।যোজ তো পঞ্চযোজী মৌল দেখো এইযে
- 2:54:52পাঁচটা ইলেকট্রন নিয়ে ঢুকছে একটা ত্যাগ
- 2:54:54করে দিবে ত্যাগ করে দিয়ে এ প্লাস আয়নে
- 2:54:56পরিণত হবে
- 2:55:06এবার আমরা কি চাই তড়িৎ প্রবাহ চাই তড়িৎ
- 2:55:09প্রবাহ এইযে একটা ব্যাটারি আনলাম তো
- 2:55:11ব্যাটারিটাকে দেখো এমন ভাবে লাগাইছি একটু
- 2:55:12দেখ খেয়াল করো এই পাশে প্লাস এই পাশে
- 2:55:14মাইনাস তাহলে এন এর সাথে প্লাস আর পি ছিল
- 2:55:17এটা পি এর সাথে মাইনাস তাহলে হোলগুলাকে
- 2:55:20এদিকে নিয়ে আসবে আর প্লাস ইলেকট্রনগুলা
- 2:55:22টেন ওদিকে নিয়ে যাবে আলটিমেটলি
- 2:55:24ব্যারিয়ারটা বড় হয়ে গেল চলে আসবে এক
- 2:55:26লেয়ার থেকে এক লেয়ার এক লেয়ার থেকে এক
- 2:55:28লেয়ার জাম্প করে জাম্প করে
- 2:55:31এবার তাহলে এখানে কি হইছে প্লাসের সাথে পি
- 2:55:34আছে মাইনাসের সাথে এন আছে এই মাইনাস
- 2:55:36ইলেকট্রনগুলাকে পুশ করবে ইলেকট্রনগুলাকে
- 2:55:39ঠেলবে ইলেকট্রনগুলা কিছু ইলেকট্রন এখানে
- 2:55:41বসবে কিন্তু বসার পরে আবার এই প্লাসের
- 2:55:42টানকে সেই ইলেকট্রনগুলা এইদিকে চলে আসবে
- 2:55:44তাহলে এখান থেকে যে অনেক অনেক ইলেকট্রন
- 2:55:47গেল সেই ইলেকট্রনগুলা কোথায় গেল সেই
- 2:55:49ইলেকট্রনগুলাকে আমরা টানার ব্যবস্থা করব।
- 2:55:51কিভাবে টানার ব্যবস্থা করব? তাহলে আমরা ওই
- 2:55:52যে কালেক্টর দেখো
- 2:55:55এই যে এই পাশ থেকে যে অনেক ইলেকট্রন
- 2:55:56যাচ্ছে এই ইলেকট্রনগুলাকে আমরা ক্যাচ করার
- 2:55:59ট্রাই করব। তো ক্যাচ করার ট্রাই করব
- 2:56:00কিভাবে? একটা বড় ব্যাটারির প্লাস এখানে
- 2:56:02লাগায় দিব। এই প্লাসটা লাগায় দিলে এই
- 2:56:04পাশের ইলেকট্রনগুলা তো আছে। এখানে যে ফ্রি
- 2:56:06ইলেকট্রনগুলা ছিল সেই ইলেকট্রনগুলা আবার
- 2:56:08এই পাশ থেকে যে ম্যাক্সিমাম ইলেকট্রনগুলা
- 2:56:09যাচ্ছে সবাইকে টেনে এদিকে নিয়ে আসবে।
- 2:56:11তাহলে দেখ এই তারে দেখ ইলেকট্রন বেশি। দেখ
- 2:56:14এই তারে দেখ ইলেট্রন বেশি। এই তারে দেখ
- 2:56:16ইলেট্রন কম। তাহলে এই বাল্বটা কম জ্বলবে।
- 2:56:18এটা বেশি চলবে এটা ইনপুট ছোট ছোট ইনপুট
- 2:56:22ছোট সিগনাল ঠিক আছে তার তুলনায় এটা
- 2:56:25বিবর্ধিত সিগনাল দেখ বেশি কারেন্ট এবার
- 2:56:27আমরা যদি তীর চিহ্ন চাই দেখ ইলেকট্রন ফ্লো
- 2:56:30এইদিকে তাহলে কারেন্ট ফলো উলটা ইলেকট্রন
- 2:56:33ফ্লো এইদিকে কারেন্ট ফলো এইটা এটা আইবি
- 2:56:37এটা আই আইবি বেজে কারেন্ট ঢুকতেছে আইবি
- 2:56:42আইি আইবি আইি যোগ হয়ে আই বুঝ এইযে আই আইবি
- 2:56:48যোগ হয়ে এদিকে হচ্ছে আইবি কারেন্ট
- 2:56:51ইলেকট্রন প্রবাহের উল্টা আর ইলেকট্রন
- 2:56:54ইমিটার থেকে যাচ্ছে ইমিটার ইলেকট্রন
- 2:56:55নিস্সরণ করে দেখ নিমরণ করে পাঠায় দিচ্ছে
- 2:56:58বেস থেকে ঘুরে আবার ইমিটারে যাচ্ছে
- 2:57:00কালেক্টর হয়ে ঘুরে আবার ইলেকট্রন ইমিটারে
- 2:57:02ঢুকতেছে
- 2:57:07ছোট সিগনাল বড় সিগনাল কি হল বিবর্ধনের কাজ
- 2:57:10করল
- 2:57:21এগুলা কি আমরা দেখবো পরে তুমি দেখো
- 2:57:23এমপ্লিফিকেশনটা বুঝ কিনা আমি যদি আরো বেশি
- 2:57:26এই যে পুরো এই জিনিসটা আসলে ছোট সিগনাল
- 2:57:28সেটাই দেখো বিবর্ধত বড় সিগনা পরিণত হচ্ছে
- 2:57:34এবার আরেকটা কাজ আছে সেটা হচ্ছে সুইচ
- 2:57:35হিসেবে এটা আমরা এখনো পড়িনি তাহলে বোঝা
- 2:57:37গেল ট্রান্জিস্টর এমপ্লিফিকেশন জন্য
- 2:57:40কিভাবে কাজ করে বা এমপ্লিফিকেশনের কাজে
- 2:57:41কিভাবে ব্যবহৃত হয় এটা কিন্তু পরীক্ষাতে
- 2:57:44সুন্দর করে যে কথাগুলো বললাম এগুলো একটু
- 2:57:45লিখে দিলেই হয়ে যাবে। এবার আস সূত্র খুব
- 2:57:48ইম্পর্টেন্ট জিনিস। সূত্র হচ্ছে এই যে আই
- 2:57:53এটা ইকুয়ালটু আইসি প্লাস আইবি। তো এইযে
- 2:57:58বিটা এবং আলফা। আলফার নাম হচ্ছে
- 2:58:01প্রবাহ বিবর্ধন গুণক।
- 2:58:04প্রবাহ বিবর্ধন গুণক। বা ইংরেজিতে বললে
- 2:58:08এটাকে বলা হয় কারেন্ট
- 2:58:11এমপ্লিফিকেশন ফ্যাক্টর।
- 2:58:14এমপ্লিফিকেশন
- 2:58:17এমপ্লিফিকেশন ফ্যাক্টর
- 2:58:20ইংরেজিতে বলা হয় কারেন্ট এমপ্লিফিকেশন
- 2:58:22ফ্যাক্টর এটাকে আলফা দিয়ে আমরা প্রকাশ করি
- 2:58:24আলফা দাগ আরেকটা হচ্ছে প্রবাহ লাভ
- 2:58:29প্রবাহ লাভ বা এটাকে ইংরেজিতে বলা হয়
- 2:58:33কারেন্ট গেইন
- 2:58:35যেটাকে আমরা বিটা দিয়ে প্রকাশ করি দিলাম
- 2:58:38দাগ এবার আসো সূত্র লিখবো খুব মজার আইসি
- 2:58:41সবসময় উপরে বসায় দিবা আই আই আই উপরে বিটা
- 2:58:45আছে না বিটা হলে আইবি নিচে তাহলে বাকি কে
- 2:58:48থাকলো আলফার জন্য কে নিচে আই সহজ তাহলে কি
- 2:58:51বললাম আই সবসময় উপরে বিটার জন্য আইবি
- 2:58:54আলফার জন্য আই শেষ বুঝতে পারছো
- 2:58:59বোঝা গেছে তাহলে এবার আসো আই ইকয় আই প্লাস
- 2:59:02আইবি আমি চাই আলফা বিটার মধ্যে একটা
- 2:59:04সম্পর্ক
- 2:59:06তাহলে কালেক্টর কারেন্ট আর ইমিটার
- 2:59:08কারেন্টের রেশিও হচ্ছে আলফা আর কালেক্টর
- 2:59:10কারেন্ট আর বেস কারেন্টের রেশিও হচ্ছে বেস
- 2:59:13কারেন্টের রেশি হচ্ছে বিটা বিটাকে বলা হয়
- 2:59:14প্রবাহ লাভ আলফা কে বলা হয় প্রবাহ বিবর্ধন
- 2:59:17গুণক একটা কাজ করি আমরা আইসি দিয়ে ভাগ করে
- 2:59:20দিতো আইবা আই আইবা আই মানেও আইবিবা আই
- 2:59:27মানে আইবিবা আই মানে ও বাই বিটা এটাই
- 2:59:30হচ্ছে আলফা এবং বিটার সম্পর্ক এই
- 2:59:32সম্পর্কটা মাথায় রাখবা এবার অনেক সময়
- 2:59:34এমসিকউতে আসে নিচের কোনটি সঠিক সম্পর্ক তো
- 2:59:36তার জন্য দেখো আমি একটু করে দেখাই ওবা
- 2:59:38আলফা বিটা কমন নাও বিটা প্লাস ওয়ান তাহলে
- 2:59:41অতএব আলফা ইকুয়াল টু বিটা ডিভাইডেড বাই
- 2:59:44বিটা প্লাস ওয়ান বাট এটা মুখস্ত রাখার
- 2:59:46দরকার নেই বুঝছো তুমি মুখস্ত রাখবা এইটা
- 2:59:48সব মুখস্ত থাকবে না কিন্তু আবার ওয়ান বাই
- 2:59:51বিটা ইকুয়ালটু দেখো ও বাই আলফা মাইনাস
- 2:59:54ওয়ান
- 2:59:56ডিভাইডেড বাই বিটা ইকয়ালটু নিচে আলফা ও
- 2:59:59মাইনাস আলফা অ বিটা ইকয় আলফা ডিভাইডেড বাই
- 3:00:02ও মাইনাস আলফা এই যে লাস্টের দুইটা এই
- 3:00:05দুইটা বক্স সূত্র মুখস্ত রাখবা না কিন্তু
- 3:00:07তাহলে কিন্তু পাগল হয়ে যাবা কেন পাগল হয়ে
- 3:00:09যাবা তখন সূত্র লিখতে গিয়ে দেখ কনফিউশন
- 3:00:11আলফা ইকয়ালটু বিটা উপরে নাকি বিটা প্লাস
- 3:00:14ওয়ান উপরে বিটা প্লাস ওয়ান নাকি ওয়ান
- 3:00:16প্লাস বিটা বিটা মাইনাস ওয়ান নাকি বিটা
- 3:00:18প্লাস ওয়ান মানে জড়ায় ফেলবা এই যেমন ওয়ান
- 3:00:22মাইনাস আলফা নাকি আলফা মাইনাস জড়াই ফেলবা
- 3:00:24আলফা উপরে না ও মাইনাস আলফা উপরে জড় ফেলবা
- 3:00:27এই কারণ দরকার নেই মাথায় রাখবা ও বা আলফা
- 3:00:29ইকয় ও প্লাস ও বা বিটা ওবা আলফা ইকয় ও
- 3:00:32প্লাস ও বা বিটা শেষ কাহিন খতম বঝা গেল
- 3:00:36এইবার আসো ট্রান্জিস্টরের সার্কিট হয় তিন
- 3:00:39ধরনের তিন ধরনের ছয়টা সার্কিট কমন ইমিটার
- 3:00:43কমন বেস কমন কালেক্টর তো বইয়ে এই যে কমন
- 3:00:46ইমিটার কমন বেস কমন কালেক্টর সার্কিটগুলো
- 3:00:48আকা আছে তো এগুলা না তোমরা অনেক সময়
- 3:00:50ঠিকঠাক করে আকতে পারো না অনেক সময় মুখস্ত
- 3:00:52করো বিশেষ করে ব্যাটারি পোলারিটি এটা
- 3:00:54প্লাস মাইনাস ওটা মাইনাস প্লাস এটা প্লাস
- 3:00:56মাইনাস ওটা প্লাস মাইনাস মানে এই যে
- 3:00:59মুখস্ত করো মুখস্ত করা লাগবে না তোমার
- 3:01:01দেখো তুমি আমি এখন ছয়টা সার্কিট একে ফেলব
- 3:01:04তুমি আগে থেকে ধর ছয়টা সার্কিট আকতে পারো
- 3:01:05না কোন টেনশন করার কিছু নাই জাস্ট আমি
- 3:01:08কিভাবে আকি ফলো নিজে আকতে পারবা জাস্ট
- 3:01:11একটা সূত্র মাথায় রাখতে হবে সেটা হচ্ছে আই
- 3:01:13ইকয়ালটু আইসি প্লাস আইবি যেকোন সার্কিটের
- 3:01:16জন্য এটা সঠিক সূত্র আইকু বল আমার সাথে বল
- 3:01:19আই ইকয়াল আই প্লাস আইবি যেকোন সার্কিটের
- 3:01:22জন্য এটা সঠিক সূত্র এটা জাস্ট মাথায়
- 3:01:24থাকলে তুমি যেকোন সার্কিট আকতে পারবা বঝা
- 3:01:27গেছে আস তাহলে আমরা প্রথমে দেখি কমন
- 3:01:30ইমিটার সার্কিট
- 3:01:33কমন
- 3:01:35ইমিটার
- 3:01:39সার্কিট কমন ইমিটারের দুইটা সার্কিট হবে
- 3:01:43পিএনপি আর এনপি এন
- 3:01:47মাথায় রাখবা যেটা কমন সেটারে ধরে নিচে
- 3:01:51আকবা কি বললাম যেটা কমন সেটারে ধরে নিচে
- 3:01:55আকবা প্রথমে আসো আমরা পিএনপি আকব
- 3:01:59তাহলে যেটা কমন কমন ইমিটার ইমিটার কমন
- 3:02:03নিচে আকব আমি যদি এইভাবে আকি তাহলে তো বেজ
- 3:02:05নিচে হয়ে গেল আচ্ছা তাহলে আখব
- 3:02:09তাহলে ইমিটার কে নিচে এই
- 3:02:13বেজ কালেক্টর ইমিটার
- 3:02:16ইমিটার
- 3:02:18বেস কালেক্টর
- 3:02:22এন পি এনপি পি
- 3:02:25এন পি পিএনপি তীর চিহ্ন দিতে হবে বেজ
- 3:02:31ইমিটার সেকশনে তীর চিহ্ন দিব যেহেতু পি
- 3:02:34এনপি পি থেকে এন এর দিকে এবং অন্তর্মুখী
- 3:02:36তাই না বলতো শর্টকাট শিখেছি পিএনপি মানে
- 3:02:39অন্তর্মুখী কোথায় অন্তর্মুখী এখানে না
- 3:02:40কিন্তু বেজ ইমিটার সেকশনে বেজ ইমিটার
- 3:02:43সেকশনে অন্তর্মুখী এইবার এটা কি সার্কিট
- 3:02:46কমন ইমিটার সার্কিট তাহলে ইমিটারটাকে কমন
- 3:02:49করব তাহলে কালেক্টরের সাথে এইযে কালেক্টর
- 3:02:53এর সাথে একটা রোধ বেজের সাথে একটা রোদ
- 3:02:56দিয়ে ইমিটারের সাথে কমন করে ফেলব এইযে
- 3:03:00এইখানে কমন হবে এই কমন মানে গ্রাউন্ড যে
- 3:03:03কমন সে গ্রাউন্ড এখানে দুইটা সাপ্লাই
- 3:03:06ভোল্টেজ দিতে হবে এবার ঝামেলাটা কোথায়?
- 3:03:08ভোল্টেজের প্লাস মাইনাস নাকি প্লাস মাইনাস
- 3:03:13কেমন হবে? এই কেমন হবে এটা বোঝা খুবই সহজ।
- 3:03:16জাস্ট খালি একটা সূত্র মাথায় রাখতে হবে।
- 3:03:18সেটা হচ্ছে যেকোন সার্কিটের জন্য আই
- 3:03:20ইকুয়াল আইবি প্লাস আই। আর এই তীর চিহ্ন সব
- 3:03:24বলে দিবে। তীর চিহ্ন সব বলে দিবে। তীর
- 3:03:26চিহ্ন সব ফাস করে দিবে। দেখো এই তীর চিহ্ন
- 3:03:28তাহলে এই তীর চিহ্ন ইমিটার দিয়ে ঢুকতেছে
- 3:03:30না তাহলে ইমিটারের কারেন্টটা ঢুকতেছে দেখো
- 3:03:32দেখ ইমিটারে কারেন্টটা ঢুকতেছে তাহলে
- 3:03:36ইমিটারের কারেন্ট ঢুকলে ইমিটার কারেন্ট
- 3:03:38হবে ইকুয়াল বেজ আইবি প্লাস আই ইমিটারের
- 3:03:42কারেন্ট যদি ঢোকে কালেক্টরের কারেন্ট বের
- 3:03:44হয়ে আসবে
- 3:03:46ইমিটারে কারেন্ট যদি ঢোকে বেজের কারেন্ট
- 3:03:49বের হয়ে আসবে তাহলে এবার বল ব্যাটারির
- 3:03:55প্লাস থেকে কারেন্ট যায় আর মাইনাস দিয়ে
- 3:03:58কারেন্ট ঢোকে এইযে প্লাস দিয়ে এসে মাইনাস
- 3:04:02দিয়ে ঢোকে প্লাস দিয়ে বের হয়ে মাইনাস দিয়ে
- 3:04:04ঢোকে তাহলে বোর্ডে তাকাও আই আসছে আসছে
- 3:04:07আসছে আসছে আসছে আইু ঢুকবে ঢুকবে তাহলে
- 3:04:11কোথা দিয়ে ঢুকবে মাইনাস দিয়ে ঢুকবে আর এটা
- 3:04:14প্লাস এটা কোথায় এটা দিছি আমরা কালেক্টরে
- 3:04:17তাহলে এটার নাম বলব ভিসি কেন সিসি বলব
- 3:04:20কারণ শুধু যদি ভিসি বলি তাহলে বোঝা যাবে
- 3:04:22কালেক্টর টার্মিনাল ভোল্টেজ কালেক্টরের
- 3:04:25ভোল্টেজ এই জায়গার ভোল্টেজ বোঝা যাবে দেখ
- 3:04:27কালেক্টর এই জায়গার ভোল্টেজ বোঝা যাবে ভি
- 3:04:29কিন্তু এটাতো ভিনারে ভাই তাই না তাহলে
- 3:04:32এটার নাম দিব এটা ভিিসি কালেক্টর সাপ্লাই
- 3:04:34ভোল্টেজ এবার আস বেজের কারেন্ট বেজের
- 3:04:38কারেন্ট বের হয়ে আসতেছে বের হয়ে কারেন্ট
- 3:04:40এখানে আসবে এখানে এখানে ঢুকবে কারেন্ট
- 3:04:42এখানে ঢুকে কোথা দিয়ে ঢুকবে মাইনাস দিয়ে
- 3:04:45ঢুকবে মাইনাস দিয়ে ঢুকবে এটা মাইনাস এটা
- 3:04:48হবে প্লাস এটা বেজে এটাকে বলব আমরা ভি
- 3:04:52বুঝলা কিনা
- 3:04:55খুব সহ
- 3:04:56এই যে এই যে রোদটা এটা আমার আউটপুট
- 3:04:58রেজিস্টেন্স আর আউটপুট বা কালেক্টর
- 3:05:02রেজিস্টেন্স আরসি বা অনেক সময় এটাকে লোড
- 3:05:05রেজিস্টেন্স আর এলও বলে এরসে আমরা আউটপুট
- 3:05:09নিব এরসে আমরা আউটপুট নিব আউটপুট হবে ভি
- 3:05:12আউটপুট ঠিক আছে এটা আমার ইনপুট এটা হচ্ছে
- 3:05:15আরবি দেখো ইনপুট রেজিস্টেন্স আরবি বা আর
- 3:05:18ইনপুট এর এক্রসে আমরা ইনপুট নিব ইনপুট নিব
- 3:05:23এর বুঝলে কি তাহলে এটা কি গেল কমন ইমিটার
- 3:05:29এবার আসো কমন ইমিটার পিএনপি কমন ইমিটার এন
- 3:05:33পিএন আকো দেখো খুব সহজ একটা নিজে নিজে
- 3:05:35আকতে পারলে মজা এন পি এন তাহলে কে কমন
- 3:05:40ইমিটার কমন তাহলে ইমিটার কে নিচে কমন
- 3:05:44ইমিটার ইমিটার কে নিচে
- 3:05:47ইমিটার কমন ইমিটার কে নিচে ওকে
- 3:05:51তাহলে এটা ইমিটার এটা বেজ এটা কালেক্টর
- 3:05:56এন পি এন তাহলে তীর চিহ্ন হবে বেজ ইমিটার
- 3:06:01সেকশনে বেজ ইমিটার সেকশনে পি থেকে এন এর
- 3:06:04দিকে বেজ ইমিটার পি থেকে এন এর দিকে দেখ
- 3:06:06বুঝে বুঝে আকতেছি একটা নিজে আকবা বুঝলা
- 3:06:09তাহলে দেখবা কাজ হয়ে গেছে তাহলে এবার আমরা
- 3:06:11ইমিটারকে কমন করব তাহলে বেজের সাথে একটা
- 3:06:14রোদ দি
- 3:06:16বেজের সাথে একটা রোদ দিয়ে ইমিটারের সাথে
- 3:06:19কমন কালেক্টরের সাথে একটা রোদ দিয়ে
- 3:06:24এমিট সাথে কমন এমিটার কমন গ্রাউন্ড যে কমন
- 3:06:27সে গ্রাউন্ড তাহলে এটা আর সি বা আর আউটপুট
- 3:06:33এর এক্রসে নিব আমরা ভি আউটপুট
- 3:06:36এটা আরবি বেস রেজিস্টেন্স বা আর ইনপুট
- 3:06:41এর এক্রসে নিব আমরা ভি ইনপুট এবার আস দুটো
- 3:06:45ব্যাটারি বসাব এই দুটো ব্যাটারি পোলারিটি
- 3:06:47কেমনে বসাব এই তীর চিহ্ন আমাকে সব বলে
- 3:06:49দিবে আর আর সূত্র হবে আই
- 3:06:54ইকুয়াল আইবি প্লাস আইসি যেকোন ক্ষেত্রে
- 3:06:57তাহলে চিন্তা করো
- 3:06:59ইমিটার দিয়ে এই যে তীর চিহ্ন অনুযায়ী
- 3:07:01ইমিটার দিয়ে কারেন্ট বের হয়ে আসতেছে
- 3:07:03ইমিটারের কারেন্টের ডিরেকশন আমরা পেয়ে
- 3:07:06গেছি তাহলে চিন্তা করো ইমিটার কারেন্ট
- 3:07:08সমান সমান বেজ আর কালেক্টর কারেন্টের
- 3:07:10যোগফল ইমিটার যদি বের হয়ে আসে তাহলে
- 3:07:12কালেক্টরের কারেন্ট ঢুকবে বেজের কারেন্ট
- 3:07:14ঢুকবে কালেক্টর কারেন্ট ঢুকবে বেজের
- 3:07:16কারেন্ট ঢুকবে তাহলে বেজের কারেন্ট ঢুকছে
- 3:07:20আইবি কালেক্টর কারেন্ট ঢুকছে আইসি তাহলে
- 3:07:24আইবি আই সি আই সি আইবি যোগ হয়ে আই বুঝলা
- 3:07:32তাহলে আই দেখ এদিক দিয়ে যাচ্ছে এইযে
- 3:07:34যাচ্ছে আই তাহলে ব্যাটারির প্লাস দিয়ে
- 3:07:36কারেন্ট যাবে এইযে প্লাস আর এটা মাইনাস
- 3:07:38ভিসি আইবিও এদিক দিয়ে যাচ্ছে দেখো আইবি
- 3:07:42তাহলে এটা হবে প্লাস এটা হবে মাইনাস ভিবি
- 3:07:47বল স্যার কি রাখতে পারলাম কিনা খুবই সহজ
- 3:07:50এবার আসো আমরা তিন ধরনের গেইন হিসাব করব
- 3:07:52গেইন
- 3:07:53আমরা এই সার্কিটগুললা কেন ব্যবহার করি?
- 3:07:55এমপ্লিফিকেশনের কাজে। তা এমপ্লিফিকেশন
- 3:07:57মানে কি? বিবর্ধন। তালে বিবর্ধন মানে কি?
- 3:07:59আউটপুট বাই ইনপুট। তাহলে তিনটা গেইন।
- 3:08:02কারেন্ট গেইন। কারেন্টের আউটপুট ইনপুট।
- 3:08:04ভোল্টেজের আউটপুট বাই ইনপুট। পাওয়ারের
- 3:08:07আউটপুট বাই ইনপুট। কারেন্ট গেইন। ভোল্টেজ
- 3:08:09গেইন। পাওয়ার গেন। তিনটা গেন আমরা বের
- 3:08:11করব। আসলে প্রথমে আসো। কারেন্ট গেইন।
- 3:08:14যেটাকে বলা হচ্ছে প্রবাহ লাভ।
- 3:08:18কারেন্ট
- 3:08:20গেইন
- 3:08:21বাংলায় বললে প্রবাহ লাভ গেইন মানে লাভ
- 3:08:26প্রবাহ লাভ এটাকে প্রকাশ করা হয় এ আই দিয়ে
- 3:08:29এ দিয়ে আমরা গেইন প্রকাশ করি ঠিক আছে এ আই
- 3:08:32আই আউটপুট
- 3:08:34ডিভাইডেড বাই আই ইনপুট ভালো করে বোঝ আই
- 3:08:38আউটপুট আই ইনপুট তাহলে অতএব এ আই আউটপুট
- 3:08:41কারেন্ট কোনটা আই ইনপুট কারেন্ট আইবি
- 3:08:44আউটপুট কারেন্ট আই ইনপুট কারেন্ট আইবি এই
- 3:08:47এই পাশটা আমার কালেক্টর কালেক্টর মানে কি?
- 3:08:48সংগ্রাহক সংগ্রহ করি আউটপুট আর এটা তাহলে
- 3:08:52ইনপুট। এটা হচ্ছে কমন। সবসময় মাথায় রাখবা
- 3:08:55যে কমন তার ডান পাশে কালেক্টর আউটপুট
- 3:08:58ইনপুট। আউটপুট ইনপুট কমন আউটপুট ইনপুট কমন
- 3:09:01বুঝ তাহলে এ আই এটা হবে আই
- 3:09:07ডিভাইডেড বাই আই। শেষ। এইবার খুব মনোযোগ
- 3:09:11দিয়ে শোনো আইসি বাই আইবি মানে কমন ইমিটার
- 3:09:16সার্কিটের কারেন্ট গেইন আইসি বাই আইবি
- 3:09:18দ্যাট ইজ বিটা এই যে সূত্র
- 3:09:21ইজ বিটা
- 3:09:24বুঝ আইবা আইবি মানে কি আইসি বাই আইবি মানে
- 3:09:27বিটাই
- 3:09:30কারেন্ট গেন এবার আস ভোল্টেজ গেন
- 3:09:35এবার আস ভোল্টেজ
- 3:09:40গেইন
- 3:09:41ভোল্টেজ যদি গেইন হয় অর্থাৎ এভি ভোল্টেজ
- 3:09:45গেইন
- 3:09:47বিভব বিবর্ধন
- 3:09:49বিভব
- 3:09:52বিবর্ধন
- 3:09:55বিবর্ধন তাহলে ভোল্টেজ গেন ভি আউটপুট
- 3:10:00বাভি ইনপুট ভিই আইর ভি আউটপুট বাভি
- 3:10:03ইনপুটভি আইরভি আউটপুট এইযেভি আউটপুটভি
- 3:10:06আউটপুট আইর আই আরি আই আরি আই সি আর সি
- 3:10:13ইনপুট এইযে এর ইনপুটভিল আই আর আইর আইবি
- 3:10:18আরবি
- 3:10:19আইবি
- 3:10:22আরবি এবার আইবা আইবি মানে কি আইবা আইবি
- 3:10:26মানে বিটা অথবা এ ঠিক আছে বিটা বাই
- 3:10:30ঠিক আছে তাহলে এটাকে এইযে লিখলাম বিটা
- 3:10:33আরবা
- 3:10:35আরবি
- 3:10:38তাহলে এভি ইকুয়ালটু
- 3:10:40এইযে এই একটা সূত্র
- 3:10:44এই একটা সূত্র ওকে
- 3:10:47একটা সহজ কথা বলব সহজ কথা হচ্ছে এই
- 3:10:51কারেন্ট কারেন্ট গেইনের সাথে আউটপুট
- 3:10:53ভোল্টেজ বাই ইনপুট ভোল্টেজ সরি কারেন্ট
- 3:10:56গেইনের সাথে আউটপুট রোধ বাই ইনপুট রোধ
- 3:10:59আউটপুট রোধ বাই ইনপুট রোধ গুণ দিলে
- 3:11:01ভোল্টেজ গেছে
- 3:11:04এবার আস পাওয়ার গেন পাওয়ার
- 3:11:07পাওয়ার গেইন
- 3:11:10পাওয়ার গেইন
- 3:11:12বা ক্ষমতা বিবর্ধন
- 3:11:16ক্ষমতা বিবর্ধন হবে অপূর্ব ফিজিক্স এপি
- 3:11:20ভোল্টেজ গেইন হচ্ছে অপূর্ব ভাই এভি তাহলে
- 3:11:23পি আউটপুট
- 3:11:26বাই পি ইনপুট পইকা পইভি
- 3:11:30তাহলে পইকভি আউটপুট আই
- 3:11:34আইভি আউটপুট
- 3:11:36পইক ভি আই ভি ইনপুট আরবি ইনপুট আইবি
- 3:11:42আইবিভি ইনপুট এইবার মজার ব্যাপার দেখভি
- 3:11:45আউটপুট বাভি ইনপুট মানে কি এবি
- 3:11:48অতএব একা
- 3:11:51এভি ই আইবা আইবি এইবার তাকাও আইবা আইবি
- 3:11:56মানে কি আইবা আইবি মানে বিটা অর্থাৎ এ ঠিক
- 3:11:59আছে এ সহজ কথা পাওয়ার গেইন আর ভোল্টেজ
- 3:12:02গেইন এর গুণফল পাওয়ার গেইন আর ভোল্টেজ
- 3:12:05সরি কারেন্ট গেইন আর ভোল্টেজ গেইনের গুণফল
- 3:12:07পাওয়ার গেন বুঝতে পারছো এই একটা জিনিস
- 3:12:10আরো একটা জিনিস দেখানো যায় সেটা হচ্ছে
- 3:12:12এপি ইকয়ালটু
- 3:12:15পি আউটপুট বাই পি ইনপুট
- 3:12:18পি আউটপুট বাই পি ইনপুট
- 3:12:21তো পি ইকয়ালটু কি আই স্কয়ার আর আই স্কয়ার
- 3:12:24তাহলে আই সি স্কয়ার
- 3:12:27আই সি স্কয়ার আর সি পি ইনপুট তাহলে আইবি
- 3:12:31স্কয়ার পি ইনপুট ইনপুট পাওয়ার পাওয়ার
- 3:12:35আই স্কয়ার আর আই স্কয়ার আই স্কয়ার আর আই
- 3:12:38স্কয়ার আর এবার আইবা আইবি মানে বিটা দেখ
- 3:12:42এটা বিটা স্কয়ার এটা বিটা স্কয়ার আরবা
- 3:12:47আরবি এটাও কিন্তু দেখানো যায় এটাও কিন্তু
- 3:12:50দেখানো যায় বুঝতো আমাদের এই সূত্রগুলো
- 3:12:53মুখস্ত রাখার কোন দরকার নেই আমি সূত্রগুলো
- 3:12:54জাস্ট বের করা শিখলাম কিনা বের করা শিখলাম
- 3:12:57ওকে ডান আমরা ম্যাথ করার সময় সূত্র মুখস্ত
- 3:12:59করাই লাগবে না আমরা সবসময় মাথায় রাখব
- 3:13:01আউটপুট বাই ইনপুট শেষ এটুকু মাথায় রাখলেই
- 3:13:04আউটপুট বা ইনপুট। এই যে আমার আউটপুট। এই
- 3:13:07যে আমার ইনপুট। এটা মাথায় রাখলেই কাজ শেষ।
- 3:13:09এটা যদি বুঝো ভাই তুমি এবার যেকোন রাখতে
- 3:13:12পারবা। তাহলে তুমি এবার আমাকে একটু কমন
- 3:13:17তুমি এবার আমাকে একটু কমন বেস একে দাও।
- 3:13:20কমন বেস সার্কিট।
- 3:13:24কমন বেস সার্কিট।
- 3:13:29কমন বেজ। তাহলে কমন বেস পি এনপি। এবার আমি
- 3:13:33একটু দ্রুত আকি।
- 3:13:34পি এনপি তাহলে যেটাকে কমন করবো সেটাকে আমি
- 3:13:37নিচে আকবো এই যে বেজটাকে কমন তাহলে বেজ
- 3:13:40এবার নিচে থাকবে এইযে বেজ নিজে এটা বেজ
- 3:13:44আউটপুট সবসময় সংগ্রাহক আউটপুট হয় সংগ্রহ
- 3:13:48করি তাহলে এই পাশে সংগ্রাহক কালেক্টর
- 3:13:51এটা কালেক্টর আর এটা হবে ইমিটার তাহলে
- 3:13:55কালেক্টরে একটা রোদ ইমিটারে একটা রোদ দিয়ে
- 3:13:58বেজের সাথে আমরা কমন করে ফেলব
- 3:14:01বেজ গ্রাউন্ড কমন
- 3:14:04এইবার এটা কি সার্কিট? এটা হচ্ছে পিএনপি।
- 3:14:07পি এন পি বেজ আর ইমিটার সেকশনে তীর চিহ্ন
- 3:14:11দিব পি থেকে এন এর দিকে। এইযে তীরচিহন এই
- 3:14:13তীর চিহ্ন সব ঘটনা ঘট দিবে। তাহলে দেখ
- 3:14:16তীরচিহ্ন বলতেছে ইমিটার কারেন্ট ঢুকবে।
- 3:14:18তাহলে এই হচ্ছে ইমিটার কারেন্ট। যেটা
- 3:14:20ঢুকছে তাহলে বেস কারেন্ট বের হয়ে আসবে।
- 3:14:23বুঝতো? ইমিটার কারেন্ট ঢুকছে বেস বের হয়ে
- 3:14:25আসবে। কানেক্টরও বের হয়ে আসবে। কারণ সূত্র
- 3:14:28ভাই এটা সেম থাকবে। আই ইকুয়ালটু আই প্লাস
- 3:14:32আইবি। ভাই এটা এটা চেঞ্জ হবে না এটা সেম
- 3:14:34থাকবে এবার তাহলে দেখো ব্যাটারিগুলা কেমন
- 3:14:37বসবে
- 3:14:38কারেন্ট এদিক দিয়ে যাচ্ছে তাহলে এটা প্লাস
- 3:14:40এটা মাইনাস এবার দেখো এটা কিন্তু ভি নট
- 3:14:43ভিবি
- 3:14:45কারেন্ট আসছে আসে মাইনাসে এটা মাইনাস এটা
- 3:14:47প্লাস তাহলে এটা ভিসি শেষ এইটা হবে এবার
- 3:14:51আর সি এটা হবে আমার আর আউটপুট এরসে আমি ভি
- 3:14:55আউটপুট নিব
- 3:14:57এইটা হবে আমার আর এবার দেখ আরটাই আমার আর
- 3:15:00ইনপুট এর এক্রসে আমি ইনপুট নিব বি ইনপুট
- 3:15:05বি ইনপুট নিব হয়ে গেল সার্কিট সার্কিট
- 3:15:09টাকা এইবার আমরা যদি এনপিএনটা কি এনপিএন
- 3:15:14দাও গলা দাও দিয়ে যারে কমন করব তারে নিচে
- 3:15:18বেজ কমন করব বেজ নিচে এটা তাহলে কালেক্টর
- 3:15:21এটা তাহলে ইমিটার এবার ট্রান্জিস্টর
- 3:15:23সার্কিটটা কেমন এন পি এন এন পি এন বেজ
- 3:15:28ইমিটার সেকশনে তীর চিহ্ন হবে বহির্মুখী পি
- 3:15:30থেকে এন এর দিকে এই তীর চিহ্ন সব ঘটনা
- 3:15:32ঘটায় দিবে। আমরা কি করব? কালেক্টরের সাথে
- 3:15:35একটা রোদ দিয়ে বেজের সাথে কমন করব।
- 3:15:38ইমিটারের সাথে একটা রোদ দিয়ে বেজের সাথে
- 3:15:41কমন করব। বেজ থাকবে গ্রাউন্ড। তাহলে এই
- 3:15:44তীর চিহ্ন আমাদের সব ঘটনা ঘটায় দিবে।
- 3:15:46ইমিটার কারেন্ট বের হয়ে আসতেছে। ইমিটার
- 3:15:49কারেন্ট যদি বের হয়ে আসে তাহলে বেস
- 3:15:50কারেন্টটা ঢুকবে। কালেক্টর কারেন্টটা
- 3:15:53ঢুকবে। কালেক্টর কারেন্ট এদিক দিয়ে ঢোকে
- 3:15:56তাহলে এটা প্লাস। এটা মাইনাস ভিিসিসি।
- 3:15:59ইমিটার কারেন্ট আসতেছে আসে এটা মাইনাসে
- 3:16:02এটা প্লাস তাহলে ভিই মজার ব্যাপার হচ্ছে
- 3:16:05এর ঠিক উল্টাটা
- 3:16:08এটা হচ্ছে
- 3:16:09আরসি
- 3:16:11আর আউটপুট এর এক্রসে ভি আউটপুট পাব আমরা
- 3:16:16এটা হচ্ছে আরই
- 3:16:18এটা আর ইনপুট
- 3:16:22এটা আর
- 3:16:24বা আর ইনপুট
- 3:16:26এর এক্রসে আমরা ভি ইনপুটটা পাব বুঝছো কমন
- 3:16:30আউটপুট ইনপুট কমন আউটপুট ইনপুট দেখো
- 3:16:34সার্কিট আকা কত সহজ এটা নাকি অনেকে আকতে
- 3:16:36পারে না কেন আকতে পারবে না বল তাহলে এবার
- 3:16:39আস প্রবাহ লাভ এবার দেখো প্রবাহ লাভ
- 3:16:43প্রবাহ লাভ বা কারেন্ট গেইন গেইন
- 3:16:47কারেন্ট
- 3:16:49গেইন
- 3:16:51এ আই তাহলে আই আউটপুট আই ইনপুট
- 3:16:57আই আউটপুট আই ইনপুট তাহলে অতএব এ আই আই
- 3:17:03আউটপুট কত আই সি আই ইনপুট কত আই এবার তুমি
- 3:17:09বলতো আইবা আই মানে আলফা না বল আইবা আই
- 3:17:15মানে আলফা না জানো না লেখা আছে না আগে
- 3:17:17এটাকে কি ধরা হয় আলফা ধরা হয় এইবার দেখ
- 3:17:20একটা খটকার ব্যাপার আছে আলফা বিটা নিয়ে
- 3:17:22বইয়ের প্রবলেমগুলোতে খুব ঝামেলা আলফা বিটা
- 3:17:25নিয়ে বইয়ের প্রবলেমগুলোতে খুব ঝামেলা ভাই
- 3:17:27ঝামেলা করা যাবে না। সহজ জিনিস শোন আলফা
- 3:17:31এবং বিটা দুইটাই কারেন্ট গেইন। ইয়েস।
- 3:17:34দুইটাই কারেন্ট গেইন। দুটাই প্রবাহ লাভ।
- 3:17:36দুটাই প্রবাহ লাভ। দুটাই কারেন্ট গেইন।
- 3:17:39কনফার্ম।
- 3:17:41তাহলে ভাই আলফা কে যে আমরা প্রবাহ বিবর্ধন
- 3:17:44গুণক লিখছিলাম। এই যে আলফা আলফা কে
- 3:17:48লিখছিলাম প্রবাহ বিবর্ধন গুণক। আর বিটা কে
- 3:17:50লিখছিলাম প্রবাহ লাভ। ভাই দুটোই প্রবাহ
- 3:17:52লাভ।
- 3:17:54ঠিক আছে? এবার এইটার আলাদা একটা নাম
- 3:17:56দেওয়া হয়েছে কারেন্ট এমপ্লিফিকেশন
- 3:17:58ফ্যাক্টর বা প্রবাহ বিবর্ধন গুণক। এইবার
- 3:18:01শোন আলফা আর বিটার আসল কাহিনী বলি। দুটোই
- 3:18:04প্রবাহ লাভ।
- 3:18:06এই বিটা হচ্ছে কমন ইমিটারের প্রবাহ লাভ।
- 3:18:10আর আলফা হচ্ছে কমন বেজের প্রবাহ লাভ।
- 3:18:14বুঝতে পেরেছ? কমন বেজের প্রবাহ লাভ। কমন
- 3:18:17ইমিটারের প্রবাহ লাভ। দেখো এইযে কমন
- 3:18:19ইমিটারের প্রবাহ লাভ হচ্ছে বিটা। আর কমন
- 3:18:23বেজের প্রবাহ লাভ হচ্ছে আলফা। এটাই মাথায়
- 3:18:25রাখবা। এখন আমাদের ওই বইয়ের বাংলা কথা
- 3:18:28বলছে প্রবাহ বিবর্ধন গুণকটা এইটার নাম
- 3:18:30দিছে আলফা। আর প্রবাহ লাভের নাম দিছে
- 3:18:32বিটা। বুঝ বই অনুযায়ী মাথায় রাখবা। আচ্ছা
- 3:18:35ঠিক আছে। প্রবাহ বিবর্তন গুণক মানে আলফা।
- 3:18:37আর প্রবাহ লাভ মানে বিটা। কিন্তু আমি মনে
- 3:18:39মনে জানব ও আচ্ছা দুটোই তো প্রবাহ লাভ।
- 3:18:42দুটাই কারেন্ট গেন। একটা কমন ইমিটারের
- 3:18:45যেটা বিটা আরেকটা কমন বেজের। যেটা হচ্ছে
- 3:18:47আলফা। এভাবে মাথায় রাখব। বুঝতে পার
- 3:18:49ঝামেলাটা যেন না হয়। এবার আসো কারে এবার
- 3:18:53এবার আসো ভোল্টেজ বিবর্ধন বিভব
- 3:18:57বিভব বিবর্ধন
- 3:19:00বা ভোল্টেজ
- 3:19:02গেইন তাহলে ভোল্টেজ গেইন এভি
- 3:19:06ভি আউটপুট ভি ইনপুট ভিইকা আই আর তাহলে আই
- 3:19:11সি আর সি আই সি আর সি
- 3:19:15আর আই আর
- 3:19:19আই ই আর ওকে এবার আই সি বা আই মানে আই সি
- 3:19:25বা আই মানে আলফা বা এ আ এইযে আলফা বা এ আর
- 3:19:29সি বাই এবি তো এবি আর এই সূত্র এই
- 3:19:32সূত্রগুলা লাগবে না আমাদের এই মেইন সূত্র
- 3:19:34জানা থাকলে ম্যাথ করা যাবে আরেকটা হচ্ছে
- 3:19:36পাওয়ার
- 3:19:39ক্ষমতা বিবর্ধন
- 3:19:43বা পাওয়ার গেইন
- 3:19:45পাওয়ার গেইন এপি তোমার পরীক্ষায় আসলে
- 3:19:48কমন ইমিটারটাই পরীক্ষায় আসবে কমন বেস
- 3:19:50খুবই রেয়ার। 100 টা ম্যাথের মধ্যে 95 টা
- 3:19:52ম্যাথ হচ্ছে কমন ইমিটার। আর চারটা ম্যাথ
- 3:19:55হচ্ছে কমন বেজ। একটা ম্যাথ হচ্ছে কমন
- 3:19:58কালেক্টর। তাহলে এটা হচ্ছে পি আউটপুট
- 3:20:02পি ইনপুট। তাহলে এপি ইকয়ালটু পি ইকয়ালটু
- 3:20:04আই স্কয়ার আর তাহলে আই স্কয়ার দেখো আউটপুট
- 3:20:08আই সি তার স্কয়ার আর সি আর ইনপুট হবে আই
- 3:20:15তার স্কয়ার আর এবার আইবা আই মানে কিন্তু
- 3:20:18আলফা অতএব এটা মানে আলফা স্কয়ার আরসিবা
- 3:20:25আরেকটা জিনিস লেখা যায় যেটা আমরা একটু
- 3:20:28আগেও লিখছিলাম যেকোন পাওয়ার গেইন হবে
- 3:20:30কারেন্ট গেইন আর ভোল্টেজ গেন গুণফল
- 3:20:32কারেন্ট গেন আর ভোল্টেজ গেইনের গুণফল
- 3:20:35পাওয়ার গেইন হবে কারেন্ট গেইন আর ভোল্টেজ
- 3:20:37গেইনের গুণফল শেষ
- 3:20:40বাকি থাকলো কমন কালেক্টর নাচ জলদি একে
- 3:20:43ফেলি এটা কমন
- 3:20:47কমন কালেক্টর
- 3:20:52কমন কালেক্টর সার্কিট
- 3:20:58যেটা কমন থাকবে সেটাকে আকবো নিচে সূত্র
- 3:21:01মেইন সূত্র আই ইকয়াল আইবি
- 3:21:05প্লাস আই সি মূল সূত্র এটা এবার পি এন পি
- 3:21:09যে কমন ভাই কমন কালেক্টর কালেক্টর কমন
- 3:21:12কালেক্টর কি আকব নিচে এটা বে এইটা এবার
- 3:21:17ইমিটার হবে আর কালেক্টর হবে নিচে তাহলে
- 3:21:20ইমিটার থেকে একটা রোদ এনে কালেক্টরের সাথে
- 3:21:23বেজ থেকে একটা রোদ এনে কালেক্টরের সাথে
- 3:21:25কমন করে দিব কমন
- 3:21:28এই
- 3:21:31পি
- 3:21:32পিএনপি
- 3:21:33পি এন পি তীর চিহ্ন হবে বেজ ইমিটার সেকশনে
- 3:21:37পি থেকে এন এর দিকে এইযে অন্তর্মুখী এই
- 3:21:40তীরচিহন সব ঘটনা ঘট দিবে তাহলে তীরচিহন
- 3:21:42বলতেছে যে ইমিটার কারেন্ট ঢুকতেছে ইমিটার
- 3:21:45কারেন্ট যদি ঢোকে ইমিটার কারেন্ট যদি ঢোকে
- 3:21:48বেস কারেন্ট বের হয়ে আসবে কালেক্টর
- 3:21:50কারেন্ট বের হয়ে আসবে বেস কারেন্ট আসে
- 3:21:53কারেন্ট আসে এটা মাইনাস তাহলে এটা প্লাস
- 3:21:56এটা হবে ভিবি
- 3:21:58কারেন্ট এদিক দিয়ে যাচ্ছে তাহলে এটা প্লাস
- 3:22:01এটা মাইনাস এটা ভি
- 3:22:07এই যে রোদটা এই রোদটা আর
- 3:22:12আউটপুট
- 3:22:13এর এক্রসে আমরা ভি আউটপুট পাব এটা আরবি
- 3:22:20এটা আর ইনপুট
- 3:22:22আর ইনপুট এর এক্রসে আমরা ভি ইনপুট পাব ডান
- 3:22:26আকা হয়ে গেল এবার এনপিএন চট জলদি এনপিএনটা
- 3:22:30ফেলি
- 3:22:31এন পি এন
- 3:22:36এনপি এন
- 3:22:40বেজ
- 3:22:42ইমিটার কালেক্টর
- 3:22:44এটা কি এনপি এন
- 3:22:47এনপিএন যদি হয় বেজ ইমিটার সেকশনে পি থেকে
- 3:22:50এন এর দিকে তীর চিহ্ন হবে বহির্মুখী এই
- 3:22:54তাহলে এখান থেকে একটা রোদ
- 3:22:58এখানে একটা রোধ
- 3:23:00দিয়ে কালেক্টরের সাথে কমন
- 3:23:03দিয়ে কালেক্টরের সাথে কমন
- 3:23:07ওকে
- 3:23:08তাহলে এইটা
- 3:23:14আর
- 3:23:16এটা আরবি
- 3:23:18এবার এই তীর চিহ্ন সব ঘটনা ঘটা দিবে
- 3:23:20ইমিটার কারেন্ট বের হয়ে আসতেছে ইমিটার
- 3:23:23কারেন্ট যদি বের হয়ে আসে বের হয়ে আসে
- 3:23:25কালেক্টর ঢুকবে বেস ঢুকবে কারণ এই সূত্রটা
- 3:23:29সত্য এই সূত্রটা মাথায় রাখলে সব পারা
- 3:23:31যাবে। তাহলে দেখো বেস যাচ্ছে তাহলে এটা
- 3:23:35প্লাস এটা মাইনাস এটা ভিবি
- 3:23:39ইমিটার আসছে এটা মাইনাস এটা প্লাস এটা ভি
- 3:23:47এটা ভি এটা ভিবি ওকে ওকে ডান তাহলে এটা
- 3:23:52আমাদের আর আউটপুট এর এক্রসে আমরা নিব ভি
- 3:23:56আউটপুট এটা আমাদের আর ইনপুট
- 3:24:00এর এক্রসে নেব ভি ইনপুট তাহলে এবার আসো এর
- 3:24:05প্রবাহ লাভ
- 3:24:08প্রবাহ লাভ বা
- 3:24:12কারেন্ট গেইন কি হবে এ আই আই আউটপুট
- 3:24:18বাই আই ইনপুট সূত্র কিছুই মনে রাখা লাগবে
- 3:24:21না এগুলো আমরা এমনিই পাব ম্যাথ করার সময়
- 3:24:24দেখব আই আউটপুট আই আউটপুট আই
- 3:24:28ইনপুট ইনপুট হচ্ছে আইবি ভাই এটা হবে নাারে
- 3:24:32ভাই এটা কমন আউটপুট ইনপুট কমন আউটপুট
- 3:24:36ইনপুট তাহলে এটা হবে আইবি এবার আইবা আইবি
- 3:24:40এটাকে বলা হয় গামা আলফা বিটা গামা গামা কি
- 3:24:44গামাও প্রবাহ লাভ কিন্তু কোন সার্কিটের
- 3:24:47কমন কালেক্টরের প্রবাহ লাভকে গামা বলে কমন
- 3:24:50ইমিটারের প্রবাহ লাভকে বিটা বলে কমন বেজের
- 3:24:53প্রবাহ লাভকে আলফা বলে আর কমন কালেক্টরের
- 3:24:56প্রবাহ লাভকে গামা বলে
- 3:25:02এবার প্রবাহ লাভ গেল। এবার বিভব বিবর্ধন
- 3:25:07বিভব
- 3:25:10বিভব
- 3:25:12বিবর্ধন
- 3:25:14বা ভোল্টেজ
- 3:25:16ভোল্টেজ গেইন ভোল্টেজ গেইন এভি ভি আউটপুট
- 3:25:21চটজলদি ভি আউটপুট ভি ইনপুট ভিইক আই আর আই
- 3:25:26আর
- 3:25:27ডিভডেড বাই আইবি আইবি আরবি দেখে দেখে আইবি
- 3:25:32আরবি আই বাই আইবি আই বা আইবি মানে গামা
- 3:25:38এইযে শেষ
- 3:25:41দট ইজ এবি
- 3:25:43আর কি থাকলো পাওয়ার
- 3:25:46পাওয়ার গেইন
- 3:25:49ক্ষমতা বিবর্ধন
- 3:25:55তাহলে এপি হবে অপূর্ব বাই হবে পি আউটপুট
- 3:25:59পি ইনপুট পি ইকটু আই স্কয়ার আর আই
- 3:26:02স্কয়ার ভাই অনেকে ভাই কোন সার্কিট
- 3:26:04আকতেছেন এটা না এটা দুইটাই একই আই আই
- 3:26:08স্কয়ার আর
- 3:26:11আইবি
- 3:26:13তার স্কয়ার আরবি আইবা আইবি মানে আইবা আইবি
- 3:26:18মানে গা
- 3:26:21গা স্কয়ার
- 3:26:23আরবা আরবি
- 3:26:27এইটা হচ্ছে
- 3:26:30আর এপি
- 3:26:33এপি ইকয়ালটু পি আউটপুট বাই পি ইনপুট
- 3:26:35আরেকটা কাজ করা যায় পি ইকালটু পই ভি আই ভি
- 3:26:41ভি আউটপুট
- 3:26:44আই
- 3:26:46পি ইনপুট ভি আই তাহলে ভি ইনপুট আরবি
- 3:26:51ভি ইনপুট সরি ভি আইভি আই আইবি
- 3:26:56এইবার দেখো ভি আউটপুট বাভি ইনপুট মানে এভি
- 3:27:00আর আইবা আইবি মানে আই বা আইবি মানে এ আ
- 3:27:04তাহলে সহজ কথা হচ্ছে পাওয়ার গেইন হবে
- 3:27:06যেকোনো ক্ষেত্রে ভোল্টেজ গেইন আর কারেন্ট
- 3:27:08গেইনের গুণফল পাওয়ার গেইন হবে ভোল্টেজ
- 3:27:11গেইন আর কারেন্ট গেইনের গুণফলড ডান তাহলে
- 3:27:16শেষ আমাদের এই অধ্যায়ের যা পড়ার দরকার
- 3:27:19ছিল মোটামুটি হয়ে গেছে যা আমাদের পড়ার
- 3:27:22দরকার ছিল তা আমরা মোটামুটি পড়ে ফেলছি
- 3:27:24আরেকটা জিনিস আমরা দেখবো সেটা হচ্ছে
- 3:27:26ট্রানজিস্টর কিভাবে সুইচ হিসেবে কাজ করে
- 3:27:28এটা আমরা প্রবলেম সলভ করতে গিয়ে দেখব
- 3:27:30একটা কোশ্চেন আছে
- 3:27:31সেখানে আমরা দেখব ট্রান্জিস্টর
- 3:27:34এজ এ সুইচ
- 3:27:37এজ এ সুইচ এস ডবউ আই টি সি এই
- 3:27:40ট্রান্জিস্টর এজ এ সুইচ
- 3:27:43ঠিক আছে এটা আমরা দেখব এখানে যা লিখে দিব
- 3:27:45পরীক্ষায় আসলে তাই লিখবা ট্রান্জিস্টর এজ
- 3:27:48এ সুইচ সুইচ হিসেবে কিভাবে কাজ করে তাহলে
- 3:27:51আমাদের মোটামুটি আলোচনা ডান এবার আমরা
- 3:27:54প্রবলেম সলভ করব
- 3:27:57ঠিক আছে তো চল একটু পানি খেয়ে নিই
- 3:28:09মজার ব্যাপার হচ্ছে সার্কিটগুলা সলভ হয়ে
- 3:28:12যাবে তুড়িতে তুড়িতে সলভ হ্যা আসো দেখো
- 3:28:16আমরা ক খ দেখতেছি না আমরা দেখব হচ্ছে তাও
- 3:28:19দেখ ডায়োডের জেনার ক্রিয়া ব্যাখ্যা করো
- 3:28:21জেনার ক্রিয়া ব্যাখ্যা করো রিভার্স বায়াসে
- 3:28:23যে ভোল্টেজ দিলে ডায়োড পড়ে যাবে চিত্র একে
- 3:28:25সুন্দর করে ব্যাখ্যা করে দিবা তারপরে নগেট
- 3:28:28কি নগেট কি প ঠিক আছে? এগুলা কিন্তু
- 3:28:31আইসিটিতে পড়ছে। এগুলা কিন্তু আমি সময় নষ্ট
- 3:28:32করবো না। তো চল দেখো এইটা একটা সার্কিট
- 3:28:36দেওয়া আছে। বলতো এটা কি সার্কিট?
- 3:28:38ট্রান্জিস্টর সার্কিট। কি বলছিলাম?
- 3:28:39ট্রান্জিস্টর থেকে প্রশ্ন আসবে। কমন বেজ
- 3:28:41না কমন ইমিটার না কমন কালেক্টর? এই দেখো
- 3:28:44কমন ইমিটার। এইযে ইমিটার কমন। ইমিটার এইযে
- 3:28:47কালেক্টরের সাথেও কমন ইমিটার। এইযে বেজের
- 3:28:50সাথেও কমন। অনেকে বল ভাই কি বিদঘুটে
- 3:28:52সার্কিট রাখছে। কোন বিদঘুটে সার্কিট না।
- 3:28:53সহজ। কি বলছে? ট্রান্জিস্টরটির প্রবাহ
- 3:28:57বিবর্ধন গুণক নির্ণয় কর। সবসময় মাথায়
- 3:28:59রাখবা প্রবাহ বিবর্ধন গুণক বললেই আলফা
- 3:29:01গুণক বললেই আলফা প্রশ্নে বাংলা লেখা
- 3:29:03থাকলেই আলফা প্রশ্ন পড়ে যদি বুঝতে পারো
- 3:29:06তাহলে বুঝে গেছো কোন সমস্যা নেই তাহলে
- 3:29:08প্রবাহ বিবর্ধন গুণক অন্য কোন কিছু লিখে
- 3:29:10নাই তাহলে প্রবাহ বিবর্ধন গুণক মানে
- 3:29:12আলফাটা চাইছে আলফা আমাদের বের করতে হবে আর
- 3:29:15উদ্দীপকের বর্তনী থেকে বিবর্জিত সংকেত
- 3:29:16পাওয়া সম্ভব কিনা গাণিতিক বিশ্লেষণের
- 3:29:18মাধ্যমে মতামত দিতে হবে বিবর্ধিত সংকেত
- 3:29:20পাওয়ার জন্য ভোল্টেজ গেইন বের করতে হবে
- 3:29:23সংকেত বিবর্ধিত পাওয়া যাবে কিনা অর্থাৎ
- 3:29:25ভোল্টেজ বিবর্ধিত হবে কিনা অর্থাৎ ভোল্টেজ
- 3:29:27গেইন আমাদের বের করতে আস তাহলে প্রবাহ
- 3:29:29বিবর্ধন গুণক আলফা নির্ণয় করতে বলছে।
- 3:29:33তাহলে আলফাটা আমরা এই সার্কিট থেকে
- 3:29:34নির্ণয় করব। কি কি দেওয়া আছে? দেখো এই
- 3:29:36সার্কিটে কি কি দেওয়া আছে?
- 3:29:40এই সার্কিটটা কমন কমন ইমিটার।
- 3:29:43এই যে তীর চিহ্ন বহির্মুখী বহির্মুখী মানে
- 3:29:46এটা এনপিএন।
- 3:29:48এটা এনপিএন। এটা ইমিটার। এটা কালেক্টর।
- 3:29:51এটা বেস। আমাদের দেওয়া আছে হচ্ছে এখানে
- 3:29:56যে রোদটা
- 3:29:58এই ব্যাটারির মান আমি কত জানিনা। এখানে যে
- 3:30:01রোদটা সেটা আর এল লোড রেজিস্টেন্স মানে
- 3:30:04কালেক্টরের সাথে যুক্ত। তার মানে এটা আরসি
- 3:30:07দেওয়া আছে। এই আরসি হচ্ছে 12 ওহম। আর এই
- 3:30:11ভি আউটপুট হচ্ছে দেখ আর এর এক্রসে দুই
- 3:30:13প্রান্তের বিভব। এইযে আর এর এক্রসে দুই
- 3:30:16প্রান্তের বিভব আমাদের ভি আউটপুট। আর এই
- 3:30:19পাশে ইনপুট রেজিস্টেন্স। তারপর এখানে একটা
- 3:30:22ব্যাটারি। এই ব্যাটারির মান আমাদের জানা
- 3:30:24নাই। এটা আর ইনপুট। এই আর ইনপুট হচ্ছে সাত
- 3:30:28ওহম। এই আর ইনপুট মানে এটা আরবি আসলে এবার
- 3:30:33এর দুই প্রান্তের ভোল্টেজ এটা ভি ইনপুট
- 3:30:36দেওয়া আছে। ভি ইনপুট দেওয়া আছে 0.28
- 3:30:40ভোল্ট। বাহ সুন্দর।
- 3:30:43তাহলে আমরা আইসি জানি। এই যে আইসিটা জানি
- 3:30:49সেটা হচ্ছে 60 মিলিঅম্পিয়ার।
- 3:30:52ওকে। আমাদের বলছে প্রবাহ বিবর্ধন গুণক
- 3:30:55আলফা বের করো। আলফা মানে আই সি বাই আই।
- 3:31:01আই সি জানা আছে কিন্তু আই জানা নাই। 60
- 3:31:05মিলিঅম্পিয়ার। তাহলে 60 ইট টু দি পাওয়ার
- 3:31:08মাইনাসথ জানা আছে বা মিলিঅম্পিয়ারই আমরা
- 3:31:10নিব। 60 মিলিঅম্পিয়ার। আইটাও
- 3:31:14মিলিঅম্পিয়ারই নিব। কিন্তু আই তো দেওয়া
- 3:31:17নাই।
- 3:31:19আই তো দেওয়া নাই। আই আমাদের লাগবে। ওকে।
- 3:31:23তুমি একটা জিনিস দেখোতো। এই যে এটা আই সি
- 3:31:26এটা হবে আইবি। এই যে ইমিটার কারেন্ট বের
- 3:31:30হয়ে আসবে। ইমিটার কারেন্ট বের হয়ে আসবে।
- 3:31:32আইবি ঢুকবে আই সি ঢুকবে। আইবি তো পেয়ে
- 3:31:35গেছি। দেখো ভোল্টেজ জানা আছে রোধ জানা
- 3:31:37আছে। ভোল্টেজ জানা রোধ জানা। তাহলে এর
- 3:31:39কারেন্ট পাওয়া যাবে না। এর কারেন্ট
- 3:31:41পাওয়া যাবে না? আইবি পাওয়া যাবে না বল।
- 3:31:43এর চেয়ে সহজ সার্কিট হবে না। এর ভোল্টেজ
- 3:31:46জানা রোধ জানা। তাহলে এর মধ্য দিয়ে আইবি
- 3:31:48তো পেয়ে যাব। আইবি তো পেয়ে গেছি। আইবি
- 3:31:51হচ্ছে
- 3:31:52ভি ইনপুট ডিভাইডেড বাই আর ইনপুট
- 3:31:56তাহলে ভি ইনপুট 0.28 ভোল্ট আর সে আচ্ছা
- 3:32:01ভোল্ট বাই সে ওহম কিন্তু এম্পিয়ার পাব প28
- 3:32:05ভাগ সে 0.04
- 3:32:07এম্পিয়ার
- 3:32:090.04
- 3:32:10এম্পিয়ার এটা আইবি এটা আইবি তাহলে আমাদের
- 3:32:14লাগবে আই আই হবে আই সি প্লাস আইবি
- 3:32:20বাই আই কত 60 মিলিঅম্পিয়ার 60 ইট টু দি
- 3:32:24পাওয়ার মাইনাসথ আর আইবি এর মান 0.04
- 3:32:28তাহলে 60 এক্সপোনেটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ
- 3:32:31য04
- 3:32:330.1 এম্পিয়ার
- 3:32:360.1 এমপিয়ার তাহলে উপরে আই সি হচ্ছে 60
- 3:32:41ইনটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস থ্র আর আই
- 3:32:44হচ্ছে 0 পয়েন্টও
- 3:32:47সটি
- 3:32:49এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস থ ভাগ
- 3:32:52পয়েন্টও
- 3:32:540.6
- 3:32:560.6
- 3:32:57এটা হচ্ছেসার একটা জিনিস দেখবা আলফার মান
- 3:33:00কখনো এক এর চেয়ে বেশি হবে না ভাই আপনি
- 3:33:02কেমনে বুঝলেন আপনি কেমনে বুঝলেন আলফা
- 3:33:06ইকয়ালটু কি আইবা আই না তো আই আই থেকে বড়
- 3:33:10কেন কারণ আই হয় আই এর সাথে আইবি যোগ করে
- 3:33:15উপরে ছোট নিচে বড় এর মানটা সবসময় একের কম
- 3:33:17হবে এবং সেটাই হছে এবং সেটাই হবার
- 3:33:23বলছে উদ্দীপকের বর্তনী থেকে বিবর্তিত
- 3:33:25সংকেত পাওয়া সম্ভব কিনা হয়েই তো গেছে দুই
- 3:33:27লাইনের ম্যাথ গ এর চেয়ে ঘ সহজ দেখো দুই
- 3:33:31নম্বর ভি ইনপুট কত তোমার ভি ইনপুট তুমি
- 3:33:34পাইছো তো দেওয়াই আছে 0.28
- 3:33:36ভ তাহলে তোমার লাগবে ভি আউটপুট ভি আউটপুট
- 3:33:39ভিইক আইর ভি আউটপুট ভিইক আইর এইযে দেখ আই
- 3:33:44জানো আর জানো আই জানো আর জানেভি
- 3:33:48আউটপুট আইর আই আর সি বা আরল যাই বল না কেন
- 3:33:55তাহলে এভি ভোল্টেজ গেইন হবে ভি আউটপুট বাই
- 3:34:01ভি ইনপুট এবার মান বসাইভিক আই আই এর মান
- 3:34:0460 ইট টুদি পাওয়ার মাইনাসথ আর আরসি এর
- 3:34:08মান 12 ওহম তাকে ভাগ দিব কত দিয়ে ভাগ দিব
- 3:34:12ভি ইনপুট দিয়ে ভি ইনপুট হবে 0.28
- 3:34:16এই মানটা যদি এক এর চেয়ে বেশি হয় তাহলে
- 3:34:18ভোল্টেজ বিবর্ধিত হয়েছে একের চেয়ে কম
- 3:34:20হলে বিবর্তিত হয়নি 60 এক্সপোটেনশিয়াল
- 3:34:23ফাংশন মাইনাসথ
- 3:34:25গুণ 12 তাকে ভাগ দিয়ে তো 2.5 সে হ্যা
- 3:34:312.57
- 3:34:32এটা এক এর চেয়ে বড় তো এটা তো এক এর চেয়ে
- 3:34:35বড় 2.5 সে এটার মান এক এর চেয়ে বেশি তাহলে
- 3:34:40হ্যাঁ বিবর্ধিত হয়েছে
- 3:34:42বিবর্ধিত
- 3:34:46হয়েছে তাহলে বিবর্ধিত সংকেত পাওয়া সম্ভব
- 3:34:49কিনা ইয়েস বিবর্ধিত সংকেত পাওয়া সম্ভব
- 3:34:52বিবর্ধিত সংকেত পাওয়া সম্ভব
- 3:34:56দেখ সেম ধরনের সার্কিট
- 3:35:02সেম ধরনের সার্কিট দৃশ্যকল্প এক এটা আর
- 3:35:06দৃশ্যকল্প দুই এটা ওকে আসো দৃশ্যকল্প দুই
- 3:35:10দুই এর কাজ সারি প্রথমে এই দেখ তাপমাত্রা
- 3:35:12বৃদ্ধিতে অর্ধপরিবাহী তড়িৎ পরিবাহিতা
- 3:35:14বৃদ্ধি পাই কেন ব্যাখ্যা করতো ব্যাখ্যা
- 3:35:16করছি না ডোপিং কাকে বলে ব্যাখ্যা কর দেখতো
- 3:35:18ব্যাখ্যা করছি না আমরা করছি না সব লিখছি
- 3:35:21না আমরা দৃশ্যকল্প দুই এর বর্তনীর
- 3:35:23নিঃস্বারক প্রবাহ নির্ণয় কর দৃশ্যকল্প
- 3:35:25দুই এটা দৃশ্যকল্প দুই এর বর্তনীর
- 3:35:30দুই এর বর্তনীর বর্তনী এমনে এমনে আছে একটু
- 3:35:35ছোট্ট করে কোন মতে একে নিব এই যে এটা
- 3:35:38ইমিটার আই কমন ইমিটার এইটা হচ্ছে কালেক্টর
- 3:35:44কারেন্ট
- 3:35:45আর এটা হচ্ছে বেস ভাই এখানে কোন রোদ দেয়নি
- 3:35:48এখানে কোন রোদ দেয়নি এখানে রোদ দিছে এখানে
- 3:35:50দেয়নি দেওয়ার দরকার নেই না দিলেও আমরা
- 3:35:51বুঝেনি ওখানে আছে রোদ ঠিক আছে না দিলেও
- 3:35:54কোন সমস্যা নেই দেখবা প্রশ্ন পড়ে বুঝে যাব
- 3:35:55ওখানে একটা রোদ আছে ঠিক আছে আপাতত না আকতে
- 3:36:00আপাতত না কি দেখি প্রশ্ন পড়ে বুঝে যাব
- 3:36:02যেখানে রোদ আছে একটা ওই রোধটা হচ্ছে ইনপুট
- 3:36:05রোধ বা গতীয় রোধ অনেক সময় আমাদের বলবে
- 3:36:09গতীয় রোধ বা ইনপুট রোধ তাহলে এই যে এইটা
- 3:36:13গতীয় রোধ মানে ডাইনামিক রেজিস্টেন্স
- 3:36:16এটা আইবি তাহলে দেখো কি দেওয়া আছে আইসি
- 3:36:19দেওয়া আছে
- 3:36:215.4 মিলিঅম্পিয়ার
- 3:36:25আর এল বা আরসি
- 3:36:28এটা দেওয়া আছে 45 ওহম।
- 3:36:33আর বলা আছে কি? উদ্দীপকে একটি কমন ইমিটার
- 3:36:36ট্রান্জিস্টর বর্তনী দেখানো হলো বর্তনীর
- 3:36:39গতিরোধ ও ভার রোধ যথাক্রমে। এই ভাররোধ
- 3:36:42মানে লোড রেজিস্টেন্স। এইযে লোড
- 3:36:43রেজিস্টেন্স মানে আউটপুট। মাথায় রাখবা
- 3:36:46ভাররোধ মানে আউটপুট। এটার নামই ভাররোধ। এই
- 3:36:49আর এল মানে লোড রেজিস্টেন্স। বুঝছো? এই
- 3:36:53কথাগুলোতে কিন্তু ভয় পাবা না। আর বর্তনীর
- 3:36:55গতিরোধ। গতিরোধ মানে ইনপুট রেজিস্টেন্স।
- 3:36:57এই যে এখানে একটা তাহলে ইনপুট রেজিস্টেন্স
- 3:36:59আছে। ঠিক আছে? আর ইনপুট বা আরবি সেটা আছে
- 3:37:04কত সেটা? সেটা হচ্ছে 55 ওহম। এইযে এটা
- 3:37:08হচ্ছে 55। এটাকে বলা হয় গতীয়রোধ। তাহলে
- 3:37:12মাথায় ঢুকছে? বল। গতিরোধ মানে কি? ইনপুট।
- 3:37:15আর ভাররোধ মানে কি? আউটপুট। তাহলে গতীয়রোধ
- 3:37:18ভাররোধ দেওয়া আছে। বর্তনীর কারেন্ট গেইন
- 3:37:2080। দেখো অনেকে ভাবে ভাই কারেন্ট গেন। এটা
- 3:37:23কি আলফা না বিটা? দেখো প্রথম কথা হচ্ছে
- 3:37:25কারেন্ট গেইন বলছে কারেন্ট গেইন মানে
- 3:37:27প্রভাব লাভ প্রভাব লাভ মানে বিটা আর
- 3:37:28তারপরে কথা হচ্ছে এক এর চেয়ে বড় এক এর
- 3:37:30চেয়ে বড় বিটা এক এর চেয়ে বড় আলফা এক এর
- 3:37:33চেয়ে ছোট কথা শেষ একটু বুদ্ধি খাটাইতে হবে
- 3:37:35একটু কমন সেন্স খাটাইতে হবে এটা 80 তাহলে
- 3:37:3880 মানে এক এর চেয়ে বড় 80 মানে এক এর চেয়ে
- 3:37:42বড় তাহলে ওটা বিটা দেওয়া আছে বিটা দেওয়া
- 3:37:45আছে 80 ওকে এবং কালেক্টর কারেন্ট দেওয়া
- 3:37:48আছে কালেক্টর কারেন্ট আমাদের কি বলছে
- 3:37:50দশকল্প দুই আগে নিসরক প্রবাহ নির্ণয় কর
- 3:37:53নিরক প্রবাহ মানে কি চাইছে? আই চাইছে।
- 3:37:57তাহলে বিটা থেকে আই বের করা যাবে? না বিটা
- 3:38:00থেকে আইবি বের করা যাবে। হ্যা আইবি বের
- 3:38:02করা গেলেই তো হয়ে গেছে। বিটা ইকুয়ালটু
- 3:38:06আই বা আইবি।
- 3:38:09তো বিটার মান 80
- 3:38:11আই এর মান 5.4
- 3:38:16মিলিঅম্পিয়ার।
- 3:38:18তাহলে আইবি এর মান মিলি এম্পিয়ারই পাবো।
- 3:38:22আইবি এর মান হবে 5.4 ভাগ 80
- 3:38:280.06
- 3:38:3375
- 3:38:35মিলিঅম্পিয়ার
- 3:38:37তাহলে অতএব আই হবে
- 3:38:42আইবি প্লাস আইসি
- 3:38:460.06 06
- 3:38:4975
- 3:38:50আর আইসি হবে 5.4
- 3:38:54এত মিলি এম্পিয়ার
- 3:38:57তাহলে এটার সাথে যোগ 5.4
- 3:39:01এইযে 5.46 স সেফ এত মিলিম্পিয়ার নিস্ক
- 3:39:06প্রবাহ ডান ঠিক আছে এইযে নিসরক প্রভাব বের
- 3:39:09করছি ধর এর সাথে আমাকে যদি বলতো যে ছিল
- 3:39:12কোশ্চেনটা ছিল কিন্তু একই কোশ্চেন বলে বাদ
- 3:39:14দিয়ে দি এখানে সেটা হচ্ছে ভোল্টেজ গেইন
- 3:39:16হবে কিনা ভোল্টেজ বিবর্ধিত হবে কিনা
- 3:39:21ভোল্টেজ বিবর্ধিত
- 3:39:24হবে কিনা দেখি হয় কিনা ভোল্টেজ বিবর্ধিত
- 3:39:27হবে কিনা আমরা কি বের করব ভোল্টেজ গেন বের
- 3:39:29করব তাহলে এভিকভি আউটপুট
- 3:39:32বাভি ইনপুট ভিইক আই আর আই সি আর সি
- 3:39:38আর এর ক্ষেত্রে আইবি আই আইবি আরবি
- 3:39:45আইবি
- 3:39:47আরবি তো আইবা আইবি মানেই তো বিটা তাহলে
- 3:39:51বিটা আর সিবা আরবি বিটার মানই তো দেওয়া
- 3:39:54আছে 80 বিটার মানই তো দেওয়া আছে 80 আরসি
- 3:39:58এর মান 45 আর এটা 55 45 আর এটা 55
- 3:40:06তাহলে 45 ভাগ 55 গুণ 80 তাহলে 65দমিক
- 3:40:1565দমিক
- 3:40:1745 পা এইযে 65.45
- 3:40:20হলে এক এর চেয়ে বেশি না এভি এর মান এক এর
- 3:40:23চেয়ে বেশি তাহলে ভোল্টেজ বিবর্ধত হবে কিনা
- 3:40:25ইয়েস বিবর্ধত হবে
- 3:40:29ভোল্টেজ সিগনাল বড় হবে কারণ ইনপুটের
- 3:40:31তুলনায় আউটপুট বেশি কি মজার না এগুলা নাকি
- 3:40:35পরীক্ষায় আসে বলতো কি লজ্জার কথা এই এত
- 3:40:39সহজ ম্যাথ পরীক্ষায় আসে আর যে গাধাটা এই
- 3:40:42ট্রানজিস্টর না পড়ে পরীক্ষার হলে গেছে
- 3:40:45এরকম একটা ম্যাথ আসছে ওর জীবনে এই আফসোস
- 3:40:48তো কোন কিছু দিয়ে পূরণ হবে
- 3:40:50এই জীব এই আফসোস তো কোন কিছু দিয়ে পূরণ
- 3:40:52করা সম্ভব না বল এবার আসো আমরা দৃশ্যকল্প
- 3:40:56দুই করছি এবার দৃশ্যকল্প এক দৃশ্যকল্প এক
- 3:40:59এর বর্তনী থেকে 100% ভোল্টেজ গেইন পাওয়া
- 3:41:01যাবে কিনা একই টাইপের সার্কিট এইযে দেখ
- 3:41:03অন্তর্গামী রোধ মানে ইনপুট রেজিস্টেন্স
- 3:41:05প্রবাহ বিবর্ধক দেওয়া আছে এই যে প্রবাহ
- 3:41:08বিবর্ধক কি এটা বিটা দেওয়া আছে তাহলে এই
- 3:41:10যে সার্কিটটা
- 3:41:12একই ধরনের সার্কিট
- 3:41:15এটা আর এল
- 3:41:18এটা আই
- 3:41:20এই পুরা সেম সেম পুরা সেম সেম ম্যাথ এটা
- 3:41:24আই সি এটা 5.4
- 3:41:27মিলিঅম্পিয়ার
- 3:41:29আর এল এটা হচ্ছে 60টি ওহম
- 3:41:34তারপর এই যে অন্তর্গামী রোধ আর ইনপুট বা
- 3:41:38আরবি
- 3:41:40আর ইনপুট বা
- 3:41:43আরবি
- 3:41:44এটা হচ্ছে 40 ওহম
- 3:41:4740 ওহম
- 3:41:55ওকে তাহলে আমাদের কি বের করতে হবে? আমাদের
- 3:41:58বের করতে হবে
- 3:42:01100% ভোল্টেজ গেইন পাওয়া যাবে কিনা। এবি
- 3:42:03ইকয়ালটু
- 3:42:06ভি আউটপুট বাই ভি ইনপুট ভি ইকয়ালটু আই আর
- 3:42:12আই সি আর সি
- 3:42:14আর এটা হবে আইবি আরবি।
- 3:42:20আইবি
- 3:42:23আইবি আরবি। তোমার দেখো যত ম্যাথ আসুক তুমি
- 3:42:26দেখবা কমন ইমিটারই বেশি এটাও কমন ইমিটার
- 3:42:28এটাও কমন ইমিটার এটাও কমন ইমিটার আগেরটাও
- 3:42:30কমন ইমিটার কমন ইমিটারই বেশি থাকবে এবার
- 3:42:33আই সি বা আইবি মানে বিটা
- 3:42:36আর সি বা আরবি
- 3:42:40তো বিটার মান
- 3:42:42এই যে 80
- 3:42:45গুণ আর সি এর মান
- 3:42:4860
- 3:42:50আরবি এর মান 40
- 3:42:53তাহলে তাহলে 60 ভাগ
- 3:42:5640
- 3:42:58গুণ 80 তাহলে 120
- 3:43:03120 120 গুণ হবে। তাহলে আমাদের বলছে 100%
- 3:43:08ভোল্টেজ গেইন পাওয়া যাবে কিনা? 100% মানে
- 3:43:10কি জানো? 100% ভোল্টেজ গেইন মানে যে যা
- 3:43:14ছিল তার 100 গুণ পাইছে। মানে 100% বেশি
- 3:43:17পাইছে কিনা? তার মানে দ্বিগুণ আর কি। 100%
- 3:43:20ভোল্টেজ গেইন হইছে কিনা। এখানে 100% এর
- 3:43:23চেয়ে বেশি 120 গুণ হইছে তাহলে এবি হবে 120
- 3:43:28গুণ 100%
- 3:43:30তাই না এইটারে এবার মানে এইটা দেখো এটা তো
- 3:43:32একটা এফিশিয়েন্সি তাই না আউটপুট বা ইনপুট
- 3:43:34আউটপুট বা ইনপুট তার মানে এত গুণ তাহলে কত
- 3:43:37শতাংশ বাড়ছে তাহলে কত শতাংশ 12
- 3:43:44এত পারসেন্ট 100% এর চেয়ে বেশি 100
- 3:43:48পারসেন্ট এর
- 3:43:50100% এর বেশি ভোল্টেজ হ ঠিক আছে শেষ
- 3:43:57ডান এবার দেখো বাংলায় বলে দিছে বলছে একটি
- 3:44:01দুর্বল সংকেত 125 গুণ বিবর্তিত করার জন্য
- 3:44:04একটি কমন ইমিটার এইযে কমন ইমিটার
- 3:44:07ট্রান্জিস্টর পিট প্রবাহ পিট মানে হচ্ছে
- 3:44:10বেজ ভূমি
- 3:44:12বেজ ভূমি ভূমি এত মাইক্রোঅম্পিয়ার
- 3:44:15পরিবর্তন করলে সংগ্রহক প্রভাবে সংগ্রহক
- 3:44:17প্রবাহে এত মিলিঅম্পিয়ার পরিবর্তন হয়
- 3:44:19তাহলে দেখবি বিবর্ধিত করার জন্য একটা কমন
- 3:44:22ইমিটার কমন ইমিটার রেখে ফেলি।
- 3:44:26কমন ইমিটার
- 3:44:30চটপট কমন ইমিটার রেখে ফেলব।
- 3:44:37কমন ইমিটার এনপিএন না পিএনপি
- 3:44:40বলে নাই। আচ্ছা তাহলে যেকন একটা ধরলেই
- 3:44:42হবে। আমরা এনপিন ধরি তাহলে এনপি এন
- 3:44:46এটা আই
- 3:44:49এটা আই সি
- 3:44:51এটা তাহলে আইবি
- 3:44:54এটা আর সি আর এল বা আর আউটপুট
- 3:44:58এটা আরবি
- 3:45:00আর ইনপুট
- 3:45:02ঠিক আছে এবার ট্রান্জিস্টরে পিট প্রবাহ
- 3:45:05পিট মানে বেজ এ বেস প্রবাহ
- 3:45:10বেস প্রবাহ বেস প্রবাহের পরিবর্তন করলে
- 3:45:12ভাই পরিবর্তন আর প্রবাহ একই রকম তা আমি ডল
- 3:45:16আইবি লিখতেছি যেহেতু পরিবর্তন দেওয়া আছে
- 3:45:18শুধু আইবি দিলে শুধু আইবি লিখতাম তাহলে ডল
- 3:45:20আইবি 20 মাইক্রো এম্পিয়ার
- 3:45:23ওকে সংগ্রাহক প্রবাহের পরিবর্তন অর্থাৎ ডল
- 3:45:26আইসি
- 3:45:28ড আই হচ্ছে 3 মিলিঅম্পিয়ার ডান কি চাইছে
- 3:45:31উদ্দীপকের ট্রান্জিস্ট ট্রান্জিস্টরটি
- 3:45:33প্রবাহ বিবর্ধক গুণক নির্ণয় করো গুণক মানে
- 3:45:36আলফা গুণক মানে আলফা তাহলে তুমি আমাকে বল
- 3:45:40আইবি দেওয়া আছে আই দেওয়া আছে আই কত তাহলে
- 3:45:43ড আই কত ড আই হবে ড আইবি
- 3:45:49প্লাস
- 3:45:50আই
- 3:45:52আইবি আর আইস এর যোগফল তাহলেট ইটুট টু দি
- 3:45:55পাওয়ার মাইনাস সিক্স আরথ ইটুট টু দি
- 3:45:59পাওয়ার মাইনাসথ যোগ করলে এম্পিয়ার পাবট
- 3:46:02এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস সিক্স
- 3:46:05যোগথ এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ
- 3:46:090.0302 জ
- 3:46:11এত এম্পিয়ার এত এম্পিয়ার গুণক আলফা আলফা
- 3:46:16মানে উপরে আইসি নিচে কি আইড
- 3:46:21আর শুধু আইবা আইবি আই একই কথা ভাই
- 3:46:24পার্থক্য দিয়ে হিসাব করা দিয়ে হিসাব করা
- 3:46:26একই কথা মান দিয়ে শুধু মান দিয়ে হিসাব করা
- 3:46:28একই কথা ড আইথ মিলিঅম্পিয়ারথ ইট টু দি
- 3:46:32পাওয়ার মাইনাসথ আর ড আই হচ্ছে 0.0302 জথ
- 3:46:38তাহলে থ্রি এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস
- 3:46:40থ্র ভাগ পয়েথ2
- 3:46:460 পয়ে না33
- 3:46:49এইযেসার অবশ্যই মানটা একচেয়ে কম হবে গুণক
- 3:46:52বললেই আলফা বললে একের চেয়ে কম হবে
- 3:46:55উদ্দীপকের ট্রান্জিস্টরটি দ্বারা লক্ষ্য
- 3:46:58অর্জন করা সম্ভব কিনা 125 গুণ বিবর্ধন
- 3:47:00পাওয়া যাবে কিনা এটা আমাদের বের করতে হবে
- 3:47:03125 গুণ বিবর্ধন পাও পাওয়া যাবে কিনা?
- 3:47:07125 গুণ বিবর্ধন পাওয়া যাবে কিনা? একটি
- 3:47:10দুর্বল সংকেত এত গুণ বিবর্ধত করার জন্য
- 3:47:12একটি কমন এমিটার ট্রান্জিস্টরের পিঠ
- 3:47:13প্রবাহ এত পরিবর্তন করলে সংগ্রহক প্রবাহ
- 3:47:15এত পরিবর্তন হয়। আর তো কিছু দিয়ে
- 3:47:17দেয়নি। তাহলে এখানে কোন গেইন বের করতে
- 3:47:19বলছে একটু বুদ্ধি খাও তো। শুধু কারেন্ট
- 3:47:22দেওয়া আছে। কোন রোধের কথা বলা নাই। তাহলে
- 3:47:24বলতো কোন গেইন?
- 3:47:26ভোল্টেজ গেন। ভোল্টেজ গেন কেমনে বের করবা?
- 3:47:29ভোল্টেজ গেন তুমি কিভাবে বের করবা? বল
- 3:47:32ভোল্টেজ গেন তো এখানে বের করা সম্ভব না।
- 3:47:34এখানে রোদ দেওয়া আছে নেই তাহলে আমাদের এত
- 3:47:37গুণ বিবর্জিত তার মানে কারেন্টকে বিবর্জিত
- 3:47:39কারেন্ট এত গুণ ভাই বলেনি যে বলেনি এটা তো
- 3:47:42বুঝে নিতে হবে তোমার বলেনি বলবে কেন সব
- 3:47:44কথা এটা তো বুঝে নিতে হবে তাহলে আমাদের এত
- 3:47:48গুণ বিবর্জিত করার জন্য বিটাটা বের করব
- 3:47:51অর্থাৎ কারেন্ট গেইনটা বের করব তাহলে আই
- 3:47:54আউটপুট
- 3:47:56আই ইনপুট
- 3:47:59আই আউটপুট আই ইনপুট
- 3:48:02তাহলে আই আউটপুট কোনটা আই
- 3:48:05ড আই আর ইনপুট কোনটা ডল আইবি ও আচ্ছা বিটা
- 3:48:12চাইছে তাহলে ড আইথ
- 3:48:15ইনটুট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ আর ড আইবিট ইট
- 3:48:19টু দি পাওয়ার মাইনাস সিক্স
- 3:48:23তাহলে থ্রি এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ
- 3:48:26ভাগ
- 3:48:2720 এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস সিক্স 150
- 3:48:32তা আমাদের বলছিল 125 গুণ বিবর্তিত করার
- 3:48:35জন্য 125 এর চেয়েও বেশি।
- 3:48:38125 গুণেরও বেশি।
- 3:48:41গুণেরও বেশি। ঠিক আছে? কারেন্ট সিগনাল
- 3:48:44বিবর্তিত।
- 3:48:46কারেন্ট বিবর্জিত। আমাদের যদি অনেকে বলে
- 3:48:48ভাই ভোল্টেজ কখন বের করব? কখন কারেন্ট?
- 3:48:51যখন রোধ দেওয়া থাকবে যখন তুমি ভোল্টেজ বের
- 3:48:53করতে পারবা তখন ওটাই বের করবা। আর ভোল্টেজ
- 3:48:54বের করার অপশন তো নেই আমার এখানে। তাহলে
- 3:48:56আমরা কি করবো? কারেন্ট বের করব। তাহলে
- 3:48:58কারেন্ট বিবর্ধিত হবে।
- 3:49:01কারেন্ট এতগুণ বিবর্তিত হবে। ডান।
- 3:49:06ওকে।
- 3:49:08আস
- 3:49:09এবার
- 3:49:12এত ওহম রোধের একটি বৈদ্যুতিক বাল্ব হতে
- 3:49:14সর্বাধিক উজ্জ্বলতা পেতে কমপক্ষে এত ভুল
- 3:49:17প্রয়োজন। গুড। বাল্বটিকে একটি কমন ইমিটার
- 3:49:20ট্রান্জিস্টরের আউটপুটে যুক্ত করা হয়েছে।
- 3:49:22কমন ইমিটার।
- 3:49:26কমন ইমিটারের আউটপুটে যুক্ত করা হয়েছে।
- 3:49:34ওকে এইযে এখানে যুক্ত করা হয়েছে। তাহলে
- 3:49:37এর রোধ কত? আরসি রোধ কত? 100 ওহম।
- 3:49:43কমপক্ষে 220 ভোল্ট পাওয়া প্রয়োজন। তাহলে
- 3:49:45এরসে 220 ভোল্ট পাচ্ছে কিনা আমি জানিনা।
- 3:49:47কিন্তু প্রয়োজন বাটিকে একটি কমন ইমিটার
- 3:49:50ট্রান্জিস্টরের আউটপুটে যুক্ত করা হলো।
- 3:49:52ইনপুটে 1.15 ভোল্ট বিভব প্রয়োগ করা হলো।
- 3:49:55এই যে ইনপুট ইনপুট ইনপুটে ভি ইনপুট 1.15
- 3:50:00ভোল্ট প্রয়োগ করা হলো। প্রয়োগ করা হলে
- 3:50:03বেস প্রবাহ এত মিলি এম্পিয়ার পাওয়া
- 3:50:05যায়। বেস প্রবাহ আইবি সেটা পাওয়া যায়
- 3:50:0930 মিলিঅম্পিয়ার। ওকে? ট্রান্জিস্টরের
- 3:50:13প্রবাহ লাভ বিটা দেওয়া আছে। বিটা দেওয়া
- 3:50:16আছে 50 না সরি 75। বিটা দেওয়া আছে 75
- 3:50:20উদ্দীপকের ট্রান্জিস্টরই প্রবাহ বিবর্ধন
- 3:50:23গুণক মানে আলফা নির্ণয় করো বলে দিছে গুণক
- 3:50:26আলফা নির্ণয় করো তাহলে গ নম্বর আলফা
- 3:50:30ইকুয়ালটু
- 3:50:32আই সি বাই আই
- 3:50:35আই জানা আছে না আই জানা আছে না বিটা জানা
- 3:50:39আছে না মজার ব্যাপার হচ্ছে বিটা থেকেই তো
- 3:50:42আলফা বের করা যায় আলফা বিটার একটা
- 3:50:43সম্পর্ক আছে না ও বাই আলফা ইকুয়াল ও
- 3:50:47প্লাস ও বাই বিটা শেষ তো তাহলে তো আলফা
- 3:50:51বের হয়ে যাবে
- 3:50:52ও ডিভাইডেড বা আলফা ওান প্লাস ওান বাই
- 3:50:55বিটা বিটা মানে কি 75 অতএব আলফা ইকুয়ালটু
- 3:51:00ও প্লাস 75 এর ইনভার্স টোটালটার ইনভার্স 0
- 3:51:04পয়ে না868
- 3:51:08তুমি যদি মনে কর না ভাই আমি এভাবে বের
- 3:51:10করবো না তা আমি কিভাবে বের করব আমি হচ্ছে
- 3:51:12আই বের করে তারপরে করব আই বের করে হ্যা
- 3:51:16করা যাবে বিটা আছে না বিটা ইকয়ালটু কি
- 3:51:19বিটাইক হচ্ছে আইবা
- 3:51:21আইবি তাহলে বিটার মান কত বিটার মান 75
- 3:51:26আইসি ডিভাইডেড বাই আইবি এর মান 30
- 3:51:28মিলিঅম্পিয়ার 30 ইট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ
- 3:51:32তাহলে এখান থেকে আইসি পাব 75 গু 30 এক্স
- 3:51:36পোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ 2 পয়েন্ট 25ফ
- 3:51:41মিলিঅম্পিয়ার সরি অ্যাম্পিয়ার এটা আই
- 3:51:45তাহলে আলফা হচ্ছে
- 3:51:48আই বা আই
- 3:51:50তো আই সি মানে 2.25
- 3:51:54আর আই মানে আইবি প্লাস আই সি আই মানে কি
- 3:51:57আইবি প্লাস আই সি তাহলে 30 গুট টু দি
- 3:52:02পাওয়ার মাইনাসথ যোগ 2.25 দেখো একই জিনিস
- 3:52:06আসবে 2.25 ভাগ
- 3:52:0930 এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ
- 3:52:12যোগ 2.25
- 3:52:16তাহলে জ পয়েন্ট না8
- 3:52:20স8 এইসার
- 3:52:22এই ওকে উদ্দীপকের বাল্বটি হতে সর্বাধিক
- 3:52:26উজ্জ্বলতা পাওয়া যাবে কিনা উদ্দীপকের
- 3:52:28বাল্ব কোনটা এইটা সর্বাধিক উজ্জ্বলতা
- 3:52:31পাওয়া যাবে কিনা তাহলে আমাদের দেখতে হবে
- 3:52:33এর আউটপুট ভোল্টেজ সেটা 100 হইছে কিনা সরি
- 3:52:36220 হইছে কিনা আউটপুট ভোল্টেজটা বের করে
- 3:52:39চেক করতে হবে তাহলেভি আউটপুট আমরা বের করব
- 3:52:42আউটপুট ভি ইকয়ালটু আই আর তাহলে আই সি আর
- 3:52:46সি আইসি এর মানে এইযে আইসি এর মান 2.25
- 3:52:502.25 আর আরসি এর মান 100 তাহলে 2.25
- 3:52:57100 বা 225 হ্যা সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতার চেয়ে
- 3:53:01বেশি উজ্জ্বলতায় চলবে এটা আবার কেমন কথা
- 3:53:04ভাই সর্বোচ্চ উজ্জ্বল উজ্জ্বলতার চেয়ে
- 3:53:06বেশি উজ্জ্বলতা জ্বলবে এই শোন তাকাও এদিকে
- 3:53:08তাকাও ধর 220 ভোল্ট প্রয়োজন 220 ভোল্টের
- 3:53:14কম পাইছে তাহলে জ্বলবে কিন্তু সর্বোচ্চ
- 3:53:16উজ্জ্বলতা না তার কম উজ্জ্বলতায় 220 ভোল্ট
- 3:53:19প্রয়োজন সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতার জন্য তার
- 3:53:21চেয়ে বেশি পাইছে তাহলে কি হবে সর্বোচ্চ
- 3:53:24উজ্জ্বলতার চেয়েও বেশি উজ্জ্বলতা জবে মানে
- 3:53:27রিক্সি অর্থাৎ বাল্ব কেটে যাইতে পারে
- 3:53:30বাল্ব কেটে যাইতে পারে কি কথা বুঝছো তাহলে
- 3:53:32সর্বোচ্চ উজ্জ্বলতার চেয়েও বেশি
- 3:53:34উজ্জ্বলতায় জ্বলতে পারবে
- 3:53:36সর্বোচ্চ
- 3:53:39উজ্জ্বলতার
- 3:53:42উজ্জ্বলতার
- 3:53:46চেয়েও
- 3:53:48বেশি উজ্জ্বলতা পাবে
- 3:53:50তো এটা অনিরাপদ উজ্জ্বলতা ঠিক আছে এটা
- 3:53:53অনিরাপদ মানে বাল্ব কেটে যেতে পারে
- 3:53:56অনিরাপদ বাল্ব
- 3:54:00কেটে যেতে পারে। ঠিক আছে? ডান
- 3:54:05দেখো দুটো সার্কিট দেওয়া আছে। দৃশ্যকল্প
- 3:54:07এক দৃশ্যকল্প দুই। দুটোই কমন ইমিটার। কমন
- 3:54:10ইমিটার ছাড়া কিছুই আসে না। কমন ইমিটার কমন
- 3:54:12দুট কমন ইমিটার।
- 3:54:14দৃশ্যকল্প এক এর বর্তন থেকে 100% ভোল্টেজ
- 3:54:17গেইন পাওয়া সম্ভব কিনা? দেখো আরএল দেওয়া
- 3:54:19আছে, আইসি দেওয়া আছে, আইবি দেওয়া আছে,
- 3:54:21বিটা দেওয়া আছে। দুনিয়ার সবই দেওয়া আছে।
- 3:54:23দুনিয়ার সবই তো দেওয়া আছে।
- 3:54:27তাহলে 100% ভোল্টেজ গেইন পাওয়া যাবে কিনা?
- 3:54:30না। একটা জিনিস দেওয়া নাই।
- 3:54:34একটা জিনিস দেওয়া নাই। ইনপুট রেজিস্টেন্স
- 3:54:36দেওয়া নাই। ইনপুট রেজিস্টেন্স ছাড়া তো
- 3:54:38তুমি বের করতে পারবা না। দেখো গ নম্বর। গ
- 3:54:41নম্বরে কি কি দেওয়া আছে? আইসি দেওয়া আছে।
- 3:54:44কত?
- 3:54:4510 মিলিঅম্পিয়ার। ওকে।
- 3:54:49তারপর আর এল বা আরসি দেওয়া আছে কত? 50
- 3:54:55ওহম।
- 3:54:57আইবি দেওয়া আছে। আইবি হচ্ছে 0.2
- 3:55:01মিলিঅম্পিয়ার।
- 3:55:03তারপর তারপর তারপর তারপর কি? তারপর বিটা
- 3:55:07দেওয়া আছে। বিটা হচ্ছে 49। তো এখানে
- 3:55:12প্রশ্নে কি দেওয়া নাই? প্রশ্নে দেওয়া নাই।
- 3:55:14ইনপুট রোধটা দেওয়া নাই। এটা বলা ছিল। এটা
- 3:55:16আসলে লিখতে ভুলে গেছে। আমি একটু দেখে নিই।
- 3:55:19এটা আসলে বলা ছিল। এটা আসলে লেখা হয়নি
- 3:55:22এখানে।
- 3:55:48>> [গলা পরিষ্কার করা]
- 3:55:50>> তোমাদের প্রশ্ন দেখে বুঝে যাইতে হবে।
- 3:55:52প্রশ্নে ভুল টুল থাকলে এগুলা কিন্তু বুঝতে
- 3:55:54হবে। য প্রশ্নে ভুল আছে বুঝে যাইতে হবে।
- 3:55:58বুদ্ধিঘাটা এটা কত নম্বর? ছয় নম্বর।
- 3:56:02ছয় নম্বর কই গেল?
- 3:56:07এই যে
- 3:56:10যদি ইনপুট
- 3:56:13এত হয় তবে 100% ভোল্টেজ গেইন পাওয়া সম্ভব।
- 3:56:15পাওয়া সম্ভব কিনা? বলছে ইনপুট যদি এত হয়
- 3:56:18তাহলে ভোল্টেজ গেইন পাওয়া সম্ভব। মানে
- 3:56:20ইনপুট বের করে দেখাইছে। ঠিক আছে? ইনপুট
- 3:56:23ভোল্টেজ গেইন পাওয়া সম্ভব কিনা। তো কিনা
- 3:56:25তো আমি যাচাই করব। তো এখানে আর ইনপুট
- 3:56:28লাগবে। কেন? কারণ এবি যদি আমি বের করতে
- 3:56:30চাই তাহলে এবি হচ্ছে ভি আউটপুট বাই ভি
- 3:56:35ইনপুট ভি ইকালটু আই আর আই আর আই সি আর সি
- 3:56:43আইবি
- 3:56:45আরবি
- 3:56:47তাহলে আইসি বা আইবি মানেই তো বিটা আরসি
- 3:56:51বাই আরবি তো দেখো 100 পারসেন্ট মানে 100
- 3:56:55পারসেন্ট মানে 100 বা 100 বুঝ এক
- 3:56:59বিটার মান কত? বিটার মান হচ্ছে 49।
- 3:57:03তো আরসি এর মান কত? আরসি এর মান হচ্ছে 50।
- 3:57:06আরবি এর মান তো লাগবেই। তাহলে আরবি আমি
- 3:57:10লিখে দিব আরবি এত হলে হবে।
- 3:57:1249 গুণ 50
- 3:57:162450
- 3:57:18ইনপুট এত হলে আরবি বা ইনপুট
- 3:57:22আর ইনপুট
- 3:57:23এত হলে
- 3:57:28এত হলে
- 3:57:31100 পারসেন্ট গেইন পাওয়া যাবে
- 3:57:34গেইন
- 3:57:36পাওয়া
- 3:57:38যাবে ওকে দৃশ্যকল্প দুই এর বর্তনীতে আরএল
- 3:57:41এর মান অর্ধেক করা হলে ভোল্টেজ গেইন
- 3:57:44পূর্বের অর্ধেক হবে কিনা? আর এল এর মান
- 3:57:46অর্ধেক করা হলে ভোল্টেজ গেইন পূর্বের
- 3:57:48অর্ধেক হবে কিনা? ভি ইনপুট দেওয়া আছে
- 3:57:52আর আইসি দেওয়া আছে। আর এল দেওয়া আছে। আই
- 3:57:55দেওয়া আছে। ওকে কোন সমস্যা না। তাহলে ঘ
- 3:57:59নম্বর দেখি। তাহলে প্রথম ক্ষেত্রে
- 3:58:03প্রথম ক্ষেত্রে এবি এবি ও ভি আউটপুট বা ভি
- 3:58:08ইনপুট ভিই ইকটু আই আর আই সি আর সি মানে আর
- 3:58:13এল ডিভাইডেড বাই আইবি আরবি তো এটা দেওয়াই
- 3:58:16আছে দেখবি আউটপুট
- 3:58:19আরটা বি ইনপুট বি ইনপুটের মানটাই দেওয়া
- 3:58:21আছে আর এটা হচ্ছে আই সি
- 3:58:25আর এল
- 3:58:28আইসি আর এল
- 3:58:30আর ভি ইনপুটের মানটাই দেওয়াই আছে। তাহলে
- 3:58:34আইসি এর মান 0.99
- 3:58:36গুট 10 টু দি পাওয়ার মাইনাসথ আরএল এর মান
- 3:58:406400 সরি 6800 আর ভি ইনপুটের মান 0.01
- 3:58:47তাহলে 6800
- 3:58:50গুণ না এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ তাকে
- 3:58:54ভাগ পয়েন্ট01
- 3:58:56তাহলে 673 প2 এত ছিল। এবার দ্বিতীয়
- 3:59:01ক্ষেত্রে আমিই এই এটার মান অর্ধেক করে
- 3:59:03ফেলব। তো এটার মান অর্ধেক করে ফেলব। তাহলে
- 3:59:06এটার মান যা থাকবে তার অর্ধেক বসায় দিব।
- 3:59:08অর্ধেক বসা দিয়ে দেখব হয় কিনা।
- 3:59:11এভিট খুব সিম্পল ভাবে চিন্তা করবা। ভি
- 3:59:14আউটপুট বাইভি ইনপুট
- 3:59:17তাহলে 0.99 গুট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ
- 3:59:226800 ভাগদ হ্যা অর্ধেকইতো হবে এটা 0.01
- 3:59:27তাহলে না এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস
- 3:59:30থ্রি গুণ
- 3:59:326800 ভাগ 2 ম্যাথটা সুন্দর ম্যাথ না ভাল
- 3:59:35লাগে নাই তো 336
- 3:59:40336.6
- 3:59:42তাহলে এভিও
- 3:59:44আর এভিট
- 3:59:47এভিও আর এভিট
- 3:59:50673.2
- 3:59:53আর 336.673.2
- 3:59:58পয়েন্ট ভাগ এন্সার দুই হ্যাঁ
- 4:00:03এন্সার হচ্ছে হ্যা বুঝছো বুঝতে পারছো
- 4:00:10ছয় নম্বর তাই না দেখি উত্তর মিলছে কিনা
- 4:00:16অর্ধেক ভোল্টেজ গেইন পূর্বের অর্ধেক হবে
- 4:00:18হ্যাঁ ঠিক আছে ভোল্টেজ গেইন পূর্বের
- 4:00:20অর্ধেক হবে ওকে দেখো অনেকে আবার এটা বলতে
- 4:00:24পারে যে ভাই ধরেন এই রোদের মানটা যদি
- 4:00:26চেঞ্জ করি তাহলে কারেন্টের মানের চেঞ্জ
- 4:00:27হবে উত্তর হচ্ছে না চেঞ্জ হবে না। ঠিক
- 4:00:30আছে? খুব সিম্পল ভাবে চিন্তা করবা।
- 4:00:32পরীক্ষার হলে বসে খুব প্যাচ নিয়ে চিন্তা
- 4:00:34করবা না। পরীক্ষার হলে তুমি চিন্তা করবা
- 4:00:36তুমি নিষ্পাপ। নিষ্পাপ দুধের শীর্ষে
- 4:00:38চিন্তা করবা। যে তোমার মনে কোন পাপ নাই।
- 4:00:41তুমি একেবারে সহজ সরল মন নিয়ে ম্যাথ করে
- 4:00:42চলে আসবা। বেশি ঘুরানো পেচানো মন নিয়ে
- 4:00:45ম্যাথ করতে গেলে দেখবা ম্যাথ হবে না।
- 4:00:46বিশেষ করে বোর্ড পরীক্ষার ম্যাথ হবে না।
- 4:00:48ঠিক আছে? বোর্ড কোশ্চেন গুলা অত ঘুরায়
- 4:00:49পেচাই করে না। বোর্ড কোশ্চেন সলভ করবা
- 4:00:52খুবই আরামস।
- 4:00:53এবার দেখো দুনিয়ার সবচেয়ে সহজ একটা
- 4:00:56সার্কিট। সহজ একটা সার্কিট কি বলছে যে এটা
- 4:01:00একটা রোধ এটা একটা ব্যাটারি এই ব্যাটারিটা
- 4:01:02পরিবর্তনশীল ব্যাটারি ব্যাটারির ভোল্টেজটা
- 4:01:05দুই থেকে 20 ভোল্ট পর্যন্ত হতে পারে
- 4:01:07কারেন্ট হচ্ছে আই বলছে বর্তনীর সর্বোচ্চ
- 4:01:09তড়িৎ প্রবাহ নির্ণয় নির্ণয় করো ভাই
- 4:01:11বর্তনীর সর্বোচ্চ তড়িৎ প্রবাহ আই হবে যখন
- 4:01:13ভোল্টেজটা সর্বোচ্চ হবে এর চেয়ে সহজ
- 4:01:16ম্যাথ হয় না এটা কোথায় আসছিল সিলেট
- 4:01:17বোর্ড 25 আসছিল তাহলে আই ম্যাক্সিমাম হবে
- 4:01:21যখন ভি ম্যাক্স হবে ভি ম্যাক্স ডিভাইডেড
- 4:01:24বা আরভি ম্যাক্সটা কত দ থেকে 20 তাহলে 20
- 4:01:27হচ্ছে ভি ম্যাক্স ডিভাইডেড বা আর এর মান
- 4:01:30যেহেতু দেওয়া নাই তাহলে এটাই হচ্ছেসার এত
- 4:01:32এম্পিয়ার এটাইসার আসলেই এটাইসার শেষ
- 4:01:36উদ্দীপকে আর এর পরিবর্তে অর্থাৎ এই রোধের
- 4:01:38পরিবর্তে একটা পিএন জাংশন ডায়েট ব্যবহার
- 4:01:40করলে আইভি লেখচিত্রের কোন পরিবর্তন
- 4:01:43পরিলক্ষিত হবে কিনা হ্যাঁ হবে তো হবে যখন
- 4:01:46রোদ আছে যখন রোদ আছে
- 4:01:51যখন
- 4:01:52রোদযুক্ত
- 4:01:55রোদযুক্ত
- 4:01:57তখন আই বনাম ভি এর গ্রাফ
- 4:02:00তখন আই বনাম ভি এর গ্রাফ মূল বিন্দুগামী
- 4:02:04সরল রেখা ভিইকা আই আর
- 4:02:07ভিইকাল আই আর তাহলে ভিইকাল আর আই
- 4:02:13ঠিক আছে
- 4:02:16তাহলে আমরা আই নিছি ওয় অক্ষে আচ্ছা ভিইকা
- 4:02:21আই আর আই ইকয়ালু ভিবা আর তাহলেওবা বা আর
- 4:02:26ইভি ভি এক্স অক্ষে
- 4:02:30আই ওয় অক্ষে এই ওান বাই আর মানে
- 4:02:33কনস্ট্যান্ট যেটা জি যেটা হচ্ছে পরিবাহিতা
- 4:02:36জি তাই না তাহলে এর ঢাল হবে ওান বাই আর
- 4:02:41মানে পরিবাহিতা জি একটা মূলবিন্দুগামী সরল
- 4:02:45রেখা পাওয়া যাবে ঠিক আছে মূলবিন্দুগামী
- 4:02:47সরল রেখা পাওয়া যাবে আর যদি ডায়োড হয় পিএন
- 4:02:51জাংশন ডায়োড হয় পিএন জাংশন ডায়োড হলে
- 4:02:55ডায়েড হলে তখন আকছি কিন্তু
- 4:02:59ভি এফ
- 4:03:01আই এফ
- 4:03:03আর ভি আর
- 4:03:05আই আর তাহলে এর গ্রাফটা হবে
- 4:03:09যদি ডায়োড কোন ডায়োড বলে নাই তাহলে সিলিকন
- 4:03:12ডায়োড হলে 0.7 আর জার্মেনিয়াম হলে 0.3
- 4:03:16এইযে এটা জার্মেনিয়াম এটা সিলিকন 0.7
- 4:03:20ভোল্ট আকা হয়েছে আর এইদিকে কারেন্ট খুবই
- 4:03:23কম হবে এইযে কারেন্ট খুবই কম হবে একসময় এই
- 4:03:27তাহলে এইটা হচ্ছে ব্রেকডাউন ভোল্টেজ বা
- 4:03:29জেনার ভোল্টেজ ভিজি অথবা ভি আর যেটা দিয়ে
- 4:03:33লিখো না কেন ব্রেকডাউন ভোল্টেজ আর এই
- 4:03:35কারেন্টটা হচ্ছে খুবই সামান্য কারেন্ট এটা
- 4:03:37হচ্ছে লিকেজ কারেন্ট লিকেজ কারেন্ট
- 4:03:41ঠিক আছে এই কারেন্ট হচ্ছে ক্ষরণ কারেন্ট
- 4:03:44বাংলায় বললে ক্ষরণ কারেন্ট তো গ্রাফ কেমন
- 4:03:47হবে গ্রাফ এমন হবে সুন্দর করে একে দিবা এই
- 4:03:50দেখ এখানে এর উত্তরটা লেখা আছে ঘয়ের
- 4:03:52উত্তরটা যেটা হচ্ছে মূলবিন্দু সরল রেখা
- 4:03:54হবে এই যে এটা আর পরবর্তীতে এই যে এটা
- 4:03:58সম্মুখ প্রবাহ এটা ক্ষরণ কারেন্ট এইযে এটা
- 4:04:00হচ্ছে ক্ষরণ কারেন্ট এটা হচ্ছে ব্রেকডাউন
- 4:04:02ভোল্টেজ ঠিক আছে আর যখন এইযে সবচেয়ে বেশি
- 4:04:05কারেন্ট পাওয়া যাবে এই ব্রেকডাউন
- 4:04:06ভোল্টেজের বেশি কারেন্ট পাওয়া যাবে এটাকে
- 4:04:08বলা হয় এভেলেন্স কারেন্ট এইযে লেখা আছে
- 4:04:10এভলেন্স কারেন্ট এগুলা কিন্তু এমসিকউর
- 4:04:12জন্য একটু মাথায় রেখো এখানে যা লেখা আছে
- 4:04:14সুন্দর করে পড়বা আমি একটু পড়ে দিই ডায়োডের
- 4:04:16সম্মুখবর্তী ঝোকে প্রযুক্ত ভোল্টেজের মান
- 4:04:18অপারেটিং ভোল্টেজের বেশি হলে এইযে
- 4:04:19অপারেটিং ভোল্টেজ এই পয়েন্টে অপারেটিং
- 4:04:21ভোল্টেজ অপারেটিং ভোল্টেজের বেশি হলে
- 4:04:23তড়িৎ প্রবাহ সূচকীয় হারে বাড়ে। সূচকীয়
- 4:04:26মূলবিন্দুগামী সরল রেখা না সূচকীয় হারে।
- 4:04:28এই যে সূচকীয় হারে কারেন্টটা বাড়ে। তো
- 4:04:31সিলিকনের ক্ষেত্রে ভোল্টেজের মান 0.7
- 4:04:34অপারেটিং ভোল্টেজ জারমিনিয়ামের ক্ষেত্রে
- 4:04:350.3 ডায়োডের বিপরীতকে প্রাথমিক অবস্থায়
- 4:04:38খুব অল্প মানের মাইক্রো এম্পিয়ার এককে
- 4:04:41প্রবাহ লক্ষ্য করা যায়। একে লিকেজ
- 4:04:43কারেন্ট বলে। বা খনর কারেন্ট বলে।
- 4:04:45ভোল্টেজের একটি নির্দিষ্ট মান পর্যন্ত
- 4:04:47রিভার্স বায়াস ভোল্টেজ বৃদ্ধি করলেও
- 4:04:49ক্ষরণ কারেন্টের কোন পরিবর্তন হয় না।যে
- 4:04:50খরণ কারেন্ট একই থাকে। ক্ষরণ কারেন্টের
- 4:04:53কোন পরিবর্তন হয় না। তবে রিভার্স বায়াস
- 4:04:55বৃদ্ধি করতে থাকলে একসময় হঠাৎ রিভার্স
- 4:04:57কারেন্টের মান অনেক বেশি হয়ে যায়। অনেক
- 4:04:59বেশি হয়ে যায়। এই কারেন্টটাকে
- 4:05:01এভারেলেন্স কারেন্ট বলে। আর যে ভোল্টেজ
- 4:05:03প্রয়োগ করলে রিভার্স বায়াসে কারেন্টের
- 4:05:05মান অনেক বেশি হয়ে যায় ডায়োডটা পুড়ে
- 4:05:07বা নষ্ট হয়ে যায় সেই ভোল্টেজটাকে বলা
- 4:05:08হয় ব্রেকডাউন ভোল্টেজ। শেষ।
- 4:05:11বুঝছো? চিত্র একে সুন্দর করে বাংলা কথাটা
- 4:05:13লিখে দিবা।
- 4:05:15এবার আসো সাধারণ ইমিটার। আবার সাধারণ কমন
- 4:05:17ইমিটার। ট্রানজিস্টর সার্কিটের ইনপুট
- 4:05:19ভোল্টেজ। তাহলে ভি ইনপুট দেওয়া আছে এবার
- 4:05:22চিত্র রাখতেছি না 1.1 ভোল্ট
- 4:05:25থেকে বৃদ্ধি করে আচ্ছা ইনপুট এত থেকে
- 4:05:28বৃদ্ধি করে 1.6 ভোল্ট করা হলো তাহলে
- 4:05:31ইনপুটের পরিবর্তন কত পরিবর্তন ডলভি ইনপুট
- 4:05:35পরিবর্তন 1.6 থেকে
- 4:05:381.1
- 4:05:40তাহলে 0.5
- 4:05:420.5 ভ
- 4:05:44এতে পিট প্রবাহ এত থেকে বৃদ্ধি পেয়ে এত
- 4:05:46হলো পিট প্রবাহ মানে বেজ তাহলে ডল আইবি
- 4:05:51ডল আইবি এত থেকে বৃদ্ধি পেয়ে এত হল তাহলে
- 4:05:5428 বিয় আ
- 4:05:5720 মিলিঅম্পিয়ার
- 4:06:00ফলে আউটপুট লোড রেজিস্টেন্স এত এর জন্য
- 4:06:03কারেন্ট গেইন এত পাওয়া যায় আউটপুট লোড
- 4:06:05রেজিস্টেন্স মানে আরসি বা আর এল এটা 150
- 4:06:10ওহম তার জন্য কারেন্ট গেইন বিটা 75 পাওয়া
- 4:06:15যায়। ওকে এমিটার প্রবাহের এমিটার
- 4:06:18প্রবাহের পরিবর্তন ডল আই বের করো। এই
- 4:06:21তথ্যগুলো দেওয়া আছে।
- 4:06:23তাহলে গ নম্বর ডল আই নির্ণয় করো। খুবই
- 4:06:28খুবই সহজ। বল পারবো? আইবি দেওয়া আছে বিটা
- 4:06:32দেওয়া আছে। তাহলে বিটা ইকুয়ালটু বিটা
- 4:06:35ইকয়ালটু কি? বিটা ইকয়ালটু আই সি বাই আইবি
- 4:06:39ডল আই সি বাই ডল আইবি তাই না তাহলে বিটার
- 4:06:43মান 75
- 4:06:46ডল আইবি এর মান 20 মিলিঅম্পিয়ার
- 4:06:50তাহলে উপরে ডল আই সি
- 4:06:53তাহলে ডল আই সি হবে 75 গু ক
- 4:06:5875 গু ক 1500 মিলিঅম্পিয়ার
- 4:07:04ওকে তাহলে তাহলে δল আই হবে
- 4:07:09δল আই সি প্লাস δল আইবি
- 4:07:14তাহলে δ আই সি 1500
- 4:07:17আর এটা হচ্ছে 20
- 4:07:201520
- 4:07:22মিলিঅম্পিয়ার ডান
- 4:07:25উদ্দীপকের ট্রান্জিস্টরের ক্ষেত্রে ক্ষমতা
- 4:07:27লাভ এত পাওয়া যাবে কিনা গুড ক্ষমতা লাভ
- 4:07:30অপূর্ব ভাই এপি প আউটপুট
- 4:07:35পি ইনপুট পি আউটপুট পি ইনপুট পি ইকয়ালটু
- 4:07:39কি পি ইকয়ালটু আই স্কয়ার আর পইক আই স্কয়ার
- 4:07:44আর আমাদের দেওয়া আছে দুইটা ভোল্ট আমাদের
- 4:07:46দেওয়া আছে ইনপুট ভোল্টেজ ইনপুট রোধ দেওয়া
- 4:07:49নাই অনেকভাবে বের করা ইনপুট রোধ তুমি বের
- 4:07:52করেও করতে পারো অনেকভাবে পাওয়ার গেন
- 4:07:55অনেকভাবে বের করা যায় যার যেটা মাথায় আসবে
- 4:07:57সেই সেটা করবা কোন সমস্যা নেই তাহলে
- 4:08:00পাওয়ার গেন হবে পইভি
- 4:08:04তাহলে ভি আউটপুট
- 4:08:07ভি আই আই আউটপুট আই আউটপুট মানে আইসি আইসি
- 4:08:12বা ডল আইসি ভি ইনপুট
- 4:08:16ভিইকা ভি আই আইবি
- 4:08:21এবার আউটপুট
- 4:08:24আউটপুট ভোল্টেজ কি আমরা জানি আউটপুট
- 4:08:27ভোল্টেজটা তো আমরা জানি না বের করতে পারব
- 4:08:29আউটপুট ভোল্টেজ হবে আউটপুট কারেন্ট এইযেভি
- 4:08:33ভি আই আর তাহলে এই যে আই আর আই সি আর সি
- 4:08:38তাহলে এটা হবে আই সি আর সি আবার একটা আই
- 4:08:42সি বা একবার আমরা লিখে দিতে পারতাম যে পি
- 4:08:46আউটপুট হবে আই স্কয়ার আর ঠিক আছে একবারে
- 4:08:49লেখা যেত আই স্কয়ার আর ডিভাইডেড বাই ভি
- 4:08:52ইনপুট আরবি
- 4:08:55ভি ইনপুট আরবি সরি আইবি
- 4:08:59আইবি অনেকে ভাই ভি ইনপুটকে আপনি এটা
- 4:09:02লিখতেছেন না কেন ভি আই আই আর তো দেওয়া নাই
- 4:09:05আর তো দেওয়া নাই এই কারণে লিখতেছি না
- 4:09:08তাহলে এখান থেকে আই সি
- 4:09:12আইসি এর মান এইযে 1500 মিলি এম্পিয়ার
- 4:09:15তাহলে 1500 গুণট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ তার
- 4:09:18স্কয়ার
- 4:09:19আরসি এর মান 150
- 4:09:24ডিভাইডেড বাইভি ইনপুট হবে 0.5
- 4:09:28আর আইবি হবে আইবি আইবি আইবি আইবি আইবি
- 4:09:31আইবিট মিলিঅম্পিয়ার তাহলে 20 ইট টু দি
- 4:09:34পাওয়ার মাইনাস থ
- 4:09:371500 গুণ এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস থ্র
- 4:09:41তার স্কয়ার গুণ 150 তাকে ভাগ দিব পয়েন্ট5
- 4:09:46গু 20 এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস থ্র
- 4:09:49দিয়ে 33750
- 4:09:54আর 35000 35 হ পাওয়া সম্ভব না তাহলে এসার
- 4:09:58হচ্ছে না বুঝতে পারছো তো এভাবে করা যায়
- 4:10:02আরেকটা ভাবে করা যায় অর
- 4:10:04অর দেখবা
- 4:10:07অর হচ্ছে
- 4:10:09অর তুমি দেখো ভি ইনপুট জানো আর আই ইনপুট
- 4:10:14জানো তাভিই আইর
- 4:10:17ভি ইনপুট ইকয়ালটু আইবি
- 4:10:20আরবি
- 4:10:21আইর তাহলে এটার মান জ পয়েন্ট ফাইভ
- 4:10:26আইবি এর মান 20 মিলি এম্পিয়ার তো 20 ইট 10
- 4:10:30টু দি পাওয়ার মাইনাসথ ইনটু আরবি তাহলে
- 4:10:34অতএব আরবি
- 4:10:36পয়ে5 ভাগ 20 এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ
- 4:10:42তাহলে এটা 25 ওকে আর পাওয়ার গেইন এপি
- 4:10:46ইকুয়ালটু দেখতো একটা সূত্র ছিল না এপি ইকয়
- 4:10:49বিটা স্কয়ার মানে কারেন্ট গেইনের স্কয়ার
- 4:10:53তাহলে বিটা স্কয়ার কারেন্ট
- 4:10:55স্কয়ার আই বাই আরবি দেখো এটাও হবে তাহলে
- 4:10:59বিটার মান 75 75 এর স্কয়ার
- 4:11:03আইসি এর মান 150 আর আইবি এর মান 25
- 4:11:09তাহলে 150 ভাগ 25ছ
- 4:11:12গু 75 এর স্কয়ার এইযে 33750
- 4:11:1733750
- 4:11:19এভাবে করা যাবে
- 4:11:21যার যেটা ভালো লাগে করবা কিন্তু ঘুরে ফিরে
- 4:11:23সব একই রকম
- 4:11:25চিত্রে ট্রান্জিস্টর দুটি লক্ষ্য করো।
- 4:11:27দুইটা ট্রান্জিস্টর দেওয়া আছে।
- 4:11:30ট্রান্জিস্টর দুইটা লক্ষ্য করে আমাদের
- 4:11:32প্রবলেম সলভ করতে বলছে। ওকে? তাহলে
- 4:11:36ট্রান্জিস্টর দুটি লক্ষ্য করতেছি আমরা
- 4:11:37লক্ষ্য করলাম গতিরোধ কাকে বলে জানি। তারপর
- 4:11:40সম্মুখী যোগ ব্যবস্থায় প্রবাহ কোন দিকে
- 4:11:42বৃদ্ধি পায়। উদ্দীপকের এক নং
- 4:11:44ট্রান্জিস্টরের নিঃসারক প্রবাহ নির্ণয়
- 4:11:46করো। কোনটা এক নং ট্রান্জিস্টর? এটা। এর
- 4:11:49নিঃস্বারক প্রবাহ বের করতে বলছে। দেখো কত
- 4:11:51সহজ। নিসরক প্রবাহ এটা কেমন সার্কিট
- 4:11:55কিভাবে বুঝবো কিভাবে বুঝবো বল কিভাবে
- 4:11:59বুঝবো আচ্ছা বোঝার দরকারও নেই কোন সার্কিট
- 4:12:03বোঝার দরকারও নেই এইযে এই তীরচিন আমাকে
- 4:12:05বলে দিবে এটা ইমিটার এটা বেস তাহলে এটা
- 4:12:08কালেক্টর তাহলে এটা কালেক্টর কারেন্ট
- 4:12:11দেওয়া আছে এটা আইসি দেওয়া আছে 1.056
- 4:12:15মিলিঅম্পিয়ার
- 4:12:17ঠিক আছে আর আলফা দেওয়া আছে 0.96
- 4:12:22নিসারক প্রবাহ বের করতে বলছে আই কি সহজ
- 4:12:26ম্যাথ তাহলে আলফা ইকয়ালটু কিভাবে বুঝলাম
- 4:12:29যেটা আই আরে এটা তীর চিহ্ন আছে তীর চিহ্ন
- 4:12:31থাকবে ইমিটারে তাহলে এটা কালেক্টর এটা বেস
- 4:12:34তীর চিহ্ন থাকবে ইমিটার এটা এটা কালেক্টর
- 4:12:36এটা বেস আলফাই ইকয় আইবা আই [প্রশংসা]
- 4:12:41অতএব আই ইকুয়ালটু
- 4:12:44আই সিও পয়ে0ফ
- 4:12:48স ডিভাইডেড বাই আলফা 0.96
- 4:12:53উপরে কিন্তু এটা মিলিঅম্পিয়ারে আছে। ওকে
- 4:12:561.056
- 4:12:58ভাগ 96 1.1 মিলিঅম্পিয়ার হয়ে গেল। বিবর্ধক
- 4:13:05হিসেবে উদ্দীপকের কোন ট্রান্জিস্টরটি বেশি
- 4:13:07উপযোগী গাণিতিক বিশ্লেষণ করো। বিবর্ধক
- 4:13:09হিসেবে বিবর্ধক তার মানে আমরা প্রবাহ লাভ
- 4:13:11বের করে দেখব। কারেন্ট যেহেতু কারেন্ট
- 4:13:13দেওয়া আছে কোন রোধ দেওয়া নেই। তাহলে
- 4:13:15প্রবাহ লাভ বের করে দেখব। তাহলে ঘ নম্বর
- 4:13:19প্রথম সার্কিটের প্রবাহ লাভ তাহলে প্রবাহ
- 4:13:22লাভ এ আই ওান তাহলে প্রথম সার্কিটের
- 4:13:26ক্ষেত্রে এ আই ওয়ান মানে বিটা ওয়ান সহজ
- 4:13:28কথা বিটাওয় তাহলে বিটা ইকয়ালটু সূত্র কি
- 4:13:31বিটা ইকয়ালটু হচ্ছে আইবা আইবি আইবা আইবি
- 4:13:35অথবা আলফা যেহেতু দেওয়া আছে তাহলে বিটা
- 4:13:38কিন্তু ওখান থেকেও বের করা যায় ঠিক আছে
- 4:13:41ওখান থেকেও বের করা যায় অথবা আইবা আইবি
- 4:13:43দিয়ে বের করা যাবে আই এর মান হচ্ছে আই এর
- 4:13:46মান হচ্ছে
- 4:13:47প0ফ6
- 4:13:50এত মিলিঅম্পিয়ার আর আইবি হবে আই মাইনাস আই
- 4:13:53আই
- 4:13:55মাইনাস আই ঠিক আছে এভাবে বের করা যায় আবার
- 4:13:59তুমি আলফা থেকেও বিটা বের করতে পারো
- 4:14:03তাকে ভাগ দিবও পও মাইনাস056
- 4:14:07দিয়ে 24 এটা 24 আর দ্বিতীয় সার্কিটের
- 4:14:12ক্ষেত্রে এ আইট
- 4:14:15এটা বিটাট
- 4:14:16বিটাটু এটা আই সি বাই আইবি
- 4:14:20তাহলে এই ক্ষেত্রে এই দেখো এটা ইমিটার এটা
- 4:14:24বেস তো এটা কালেক্টর এটা কালেক্টর কারেন্ট
- 4:14:27আর এটা ইমিটার কারেন্ট দেওয়া আছে কালেক্টর
- 4:14:30কারেন্ট আর ইমিটার কারেন্ট তাহলে ইমিটার
- 4:14:31কারেন্ট হচ্ছে কালেক্টর কারেন্ট হচ্ছে
- 4:14:341.25
- 4:14:36মিলিঅম্পিয়ার আর বেস কারেন্ট হবে ইমিটার
- 4:14:38কারেন্ট মাইনাস বেস কারেন্ট তাহলেও পয়েন্ট
- 4:14:43356
- 4:14:44মাইনাস প2525
- 4:14:49ভাগ
- 4:14:511.356
- 4:14:53মাইনাস25
- 4:14:5511.79 স তাহলে প্রথমটা ভালো হবে বিটাও
- 4:15:00গ্রেটার দে বিটাটু তাহলে বিবর্ধক হিসেবে
- 4:15:02প্রথমটা ভালো প্রথমটা ভালো প্রথমটা উপযোগী
- 4:15:08বুঝছ পারা যাবে আরে সহজ ম্যাথ কেন পারবা
- 4:15:12না বল অবশ্যই ভাই পারা যাবে একটি এনপি
- 4:15:15একটি পিএনপি ট্রাানজিস্টরের এত সেকেন্ড
- 4:15:18সময় 100টি হোল ইমিটার অঞ্চল থেকে নির্গত
- 4:15:21হয় হোল মানে কি চার্জ বাহক চার্জ বাহক
- 4:15:24নির্গত হয় কোত থেকে নির্গত হয় কোত থেকে
- 4:15:26বড় ইমিটার অঞ্চল হতে নির্গত হয়। তার মানে
- 4:15:29ইমিটার অঞ্চলের কারেন্ট পেয়ে যাব। আই
- 4:15:31ইকুয়াল কিউবাটি না কিউবাটি এতটি হোল
- 4:15:36সংখ্যা তাহলে কিউবাটি ইকয় আই এ ডিভেডবাটি
- 4:15:41বুঝ যদি কিউ পরিমাণ চার্জটি সময় প্রবাহিত
- 4:15:45হয় তাহলে কারেন্ট কত? আই ইকুয়াল কিউ
- 4:15:48ডিভেডবাটি চার্জ প্রবাহের হার কিউ ইকয়
- 4:15:50আইটি তো কিউ মানে কি? এ 100টা হোল হোলের
- 4:15:55চার্জ আর ইলেকট্রনের চার্জ একই 100 গুণ
- 4:15:581.6 ইট টু দি পাওয়ার মাইনাস 19 তাকে ভাগ
- 4:16:02দিব টি দিয়েট টু দি পাওয়ার মাইনাস এ
- 4:16:04সেকেন্ডে শেষ
- 4:16:07100 গুণ 1.6 এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস
- 4:16:1119 তাকে ভাগ দিবট টু দি পাওয়ার মাইনাস এ
- 4:16:16এত সেকেন্ডে
- 4:16:18ওবা বিশাল মান আসছে
- 4:16:231.6 সক্স ইনটু 10 টু দি পাওয়ার মাইনাস না
- 4:16:26এম্পিয়ার এটা বুঝতে পারলা আমাদের যদি বলে
- 4:16:31যে কিউ পরিমাণ চার্জটি সময় প্রবাহিত হল
- 4:16:33তাহলে কারেন্ট কত কারেন্ট হচ্ছে আইক
- 4:16:34কিউবাটি আর কিউ যদি হয় 10টা ইলেকট্রনের
- 4:16:37জন্য তাহলে 10টা ইলেকট্রনের চার্জ 10 গুণ
- 4:16:39একটা ইলেকট্রনের চার্জ যদি হয় 50টা
- 4:16:42ইলেকট্রন তাহলে 50 গুণ একটা ইলেকট্রনের
- 4:16:44চার্জ টোটাল চার্জ তো হোল আর ইলেকট্রনের
- 4:16:46চার্জ তো একই তাহলে 100টা হোল নির্গত হইছে
- 4:16:49ঠিক আছে চার্জ বাহুক এখানে হোলের কথা বলা
- 4:16:51হইছে এই কারণে দেখ পিএনপি ট্রজিস্টার
- 4:16:53মেজরিটি চার্জ কি আর কি পি এন পপিএন
- 4:16:55ট্রান্জিস্টরে ইলেকট্রন ফ্লো হবে আর
- 4:16:57পিএনপি ট্রান্জিস্টরে হোল ফ্লো হবে এবার
- 4:17:00বলতেছে নির্গত হয় যার আবার 97% পিট অঞ্চল
- 4:17:04অতিক্রম করে সংগ্রাহকে পৌঁছে 97% পিট
- 4:17:07অতিক্রম করে সংগ্রহকে চলে যায় যার 97%
- 4:17:11তাহলে এর এই কারেন্টের 97 পারসেন্ট হবে
- 4:17:13ইমিটার কারেন্ট আইসি হবে 97 পারসেন্ট আই
- 4:17:210.97
- 4:17:261.6 ইনটু 10 টু দি পাওয়ার মাইনাস না
- 4:17:30প97 গুণ
- 4:17:331.6 এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস না
- 4:17:37তাহলে হবে 1.55 ফফ গুণট টু দি পাওয়ার
- 4:17:41মাইনাস না এম্পিয়ার কি চাইছে এবার বলছে
- 4:17:45ইমিটার প্রবাহ নির্ণয় করো ইমিটারের
- 4:17:48প্রবাহ নির্ণয় করো হয়ে গেছে এটা গ ডান
- 4:17:52উদ্দীপকের আলোকে আলফা ইকয়ালটু বিটা ওান
- 4:17:55প্লাস বিটা সত্যতা যাচাই করো আচ্ছা যাচাই
- 4:17:58করি আসো ঘ আই বের করছি আই কত হবে আই হবে
- 4:18:04আই হবে আই
- 4:18:06প্লাস আইবি
- 4:18:10তাহলে আমাদের লাগবে কি? আমাদের লাগবে আইবি
- 4:18:14লাগবে। আইবি
- 4:18:16আইবি ইকয়ালটু হবে
- 4:18:19আই এর মান 1.6 ইটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস
- 4:18:23না বিয় 1.55 ইনটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস না
- 4:18:281.6 এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস না বিয়
- 4:18:311.55 এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস না
- 4:18:386 এক্সপোনেশিয়াল ফাংশন মাইনাস না
- 4:18:42বিয়গ 1.55 ফ এক্সপেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস না
- 4:18:47তাহলেফাইভ ইটুট
- 4:18:50টু দি পাওয়ার মাইনাস ইলেভেন এম্পিয়ার এটা
- 4:18:53আইবি তাহলে আমরা এখন বিটা আর আলফা বের করব
- 4:18:56বের করে যাচাই করে দেখব এটা হয় কিনা তাহলে
- 4:18:59আলফা হচ্ছে
- 4:19:02আলফা হচ্ছে আই সি বাই আই
- 4:19:06ঠিক আছে আমি আর মানগুলো লিখছি না আমি
- 4:19:07ক্যালকুলেটর চাপ দিচ্ছি বুঝ55
- 4:19:11এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস না একে ভাগ
- 4:19:14দিব আই দিয়ে। আই 1.6 এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন
- 4:19:18মাইনাস না
- 4:19:20এই মানটা হবে অবশ্যই একের চেয়ে কম।
- 4:19:240.96875
- 4:19:27এটা আলফা আর বিটা ইকয়ালটু হবে আইসি বাই
- 4:19:31আইবি
- 4:19:33আইসি এর মান 1.55
- 4:19:36এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস না ভাগ আইবি
- 4:19:40ফ এক্সপোনেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসলে
- 4:19:43তাহলে এটা হবে 31
- 4:19:46এবার আমাদের বলছে আলফা ইকয়ালটু বিটা
- 4:19:48ডিভাইডেড বাই ওান প্লাস বিটা হয় কিনা
- 4:19:50তাহলে দেখি দেখি হয় কিনা আলফা ইকয় বিটা
- 4:19:54ডিভাইডেড বাইও প্লাস বিটা বিটার মান কত 31
- 4:19:58আর নিচে 31য একও প্লাস 31 তাহলে 31 ভাগ 32
- 4:20:0231 ভাগ 32 এই 0.96 না স75
- 4:20:08একেবারে কাটাই কাটাই ঠিকই আছে
- 4:20:11একেবারে কাটাই কাটাই যে হ্যাঁ সত্য এর
- 4:20:15সত্যতা যাচাই করো হ্যা সত্য ঠিকই আছে আলফা
- 4:20:18হইছে এই আলফার মান এইয
- 4:20:23সহজ না ওকে
- 4:20:26উদ্দীপক লক্ষ্য করো আবার একটা কমন ইমিটার
- 4:20:28সার্কিট চিতের ডিভাইস দ্বারা দিক পরিবর্তী
- 4:20:30ইনপুট সিগনালের বিবর্ধন প্রক্রিয়া
- 4:20:32ব্যাখ্যা করো বিবর্ধন প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা
- 4:20:34করো এটা থিওরি চাইছে
- 4:20:36ঠিক আছে? এটা থিওরি। একটু থিওরি ব্যাখ্যা
- 4:20:38করতে হবে। ঠিক আছে? ওই যে আমরা যেটা চিত্র
- 4:20:41একে দেখাইছিলাম কমন ইমিটার কিভাবে বিবর্ধন
- 4:20:44করে সেই থিওরি। আর আইসি এর মান নির্ণয়
- 4:20:46করতে বলছে। এটা হোমওয়ার্ক দিয়ে দিলাম।
- 4:20:48পারবা আশা করি।
- 4:20:51তারপরে একটি এনপিএন ট্রান্জিস্টরের সাধারণ
- 4:20:53নিঃস্বরক সংযোগ বর্তনীতে সংগ্রাহকে
- 4:20:55প্রযুক্ত বায়াসিং ভোল্টেজ এত। এই যে এবার
- 4:20:58দেখো ভিসিসি এর মান দিচ্ছে। ইনপুট রোধ আর
- 4:21:01ইনপুট এত। সংগ্রাহক বর্তনীতে লোড রোধ এত।
- 4:21:04এর মধ্য দিয়ে আইসি এত তড়িৎ প্রবাহিত হয়
- 4:21:06প্রবাহ বিবর্তন গুণক সবই তো বলে দিছে
- 4:21:08তাহলে কি নির্ণয় করতে বলছে
- 4:21:09ট্রান্জিস্টরটির সংগ্রাহক
- 4:21:12সংগ্রাহক নিঃসারক ভোল্টেজ ভিসি নির্ণয়
- 4:21:14করো সুন্দর কোশ্চেন খুবই সুন্দর কোশ্চেন
- 4:21:17এইযে এটা একটু ব্যতিক্রম গ নম্বর আস চিত্র
- 4:21:21আখবো সাধারণ নিঃস্বারক কমন ইমিটার কমন
- 4:21:25ইমিটার সার্কিট একে ফেলব একটা
- 4:21:28এইযে কমন ইমিটার এটা বেজ এটা কালেক্টর এটা
- 4:21:33ইমিটার
- 4:21:35এই যে একটা রোধ
- 4:21:38বেজের সাথে একটা রোধ যুক্ত করে এভাবে
- 4:21:40যুক্ত করছি
- 4:21:44এন পিএন বলছে এন পিএন তীর চিহ্নযে
- 4:21:48বহির্মুখী
- 4:21:50তীর চিহ্ন বহির্মুখী
- 4:21:52এটা এন পি এন
- 4:21:56তাহলে বেজ
- 4:21:58আইবি
- 4:22:00এটা আই সি
- 4:22:03আর এটা আই তাইতো
- 4:22:06ভি সিসি
- 4:22:0912 ভোল্ট এটা মাইনাস এটা প্লাস এদিক দিয়ে
- 4:22:12কারেন্ট যায় এটা মাইনাস এটা প্লাস এটা
- 4:22:15ভিবি এটা জানিনা কত বাট এটা 12 ভোল্ট
- 4:22:17দেওয়া আছে এটা 12 ভোল্ট এবার তাকাও
- 4:22:22ইনপুট রেজিস্টেন্স আরবি
- 4:22:26বা আর ইনপুট এটা 200 ওহম
- 4:22:30তারপরে লোড রেজিস্টেন্স আর সি বা আর এল
- 4:22:34এটা হচ্ছে ওয়ান কিলো ওহম
- 4:22:38ওান কিলোওহম আইসি এর মান ও মিলিঅম্পিয়ার
- 4:22:44তড়িৎ প্রবাহিত হয় আলফার মান
- 4:22:480.98
- 4:22:50এবার তাকাও আমাদের বলছে ট্রান্জিস্টরের
- 4:22:53সংগ্রাহক নিস্বারক ভোল্টেজ ভিসি নির্ণয়
- 4:22:55করো এদিকে তাকাও সি আর এর ভোল্টেজ বলতো আর
- 4:23:00ভোল্টেজ কি একই অনেকে ভাবে কি ভাই এটা এন
- 4:23:03এটাও এন তাহলে মনে ভোল্টেজ একই নটা
- 4:23:06কালেক্টর এটা ইমিটার এদের মধ্যে একটা
- 4:23:07ভোল্টেজ ডিফারেন্স আছে তো সেটা আমরা বের
- 4:23:09করব কিভাবে বের করব একটা লুপ ঘুরাবো কাজ
- 4:23:11শেষ এখানে একটা লুপ ঘুরাও একটা লুপ ঘুরাও
- 4:23:15লুপ ঘুরাইলে কাজ শেষ এদিক দিয়ে যাও না
- 4:23:17এভাবে লুপ ঘুরে আসো লুপ ঘুরে আসলে কাজ শেষ
- 4:23:20তাহলে কেসিএল খাটিয়ে পাই সরি কেবিএল
- 4:23:23খাটিয়ে পাই খাটাও তো কেবি পাই আসো শুরু
- 4:23:25করো এদিক দিয়ে যাও ঢুকো ঢুকো এর মধ্যে
- 4:23:27ঢুকো তাহলে মাইনাস ভিসি দেখ মাইনাস ভিিসি
- 4:23:32ঢোকো মাইনাস ভিসি তারপরে তারপরে তারপরে এর
- 4:23:36মধ্য দিয়ে কারেন্ট এদিকে যাচ্ছে রোধে
- 4:23:38সবসময় প্লাস নিবা এইযে কারেন্ট যেহেতু
- 4:23:40এদিকে যাচ্ছে তাহলে এটা প্লাস এটা মাইনাস
- 4:23:43তাহলে এটা হচ্ছে মাইনাস ভিসিসি দেখ লুপ
- 4:23:45অনেকে ঘুরাইতে পারে না মাইনাস ভিসি মাইনাস
- 4:23:47ভিসি প্লাস আইসি আরসি তারপরে ঘুরে এটা
- 4:23:51প্লাস ভি বুঝলা বুঝ সহজ জিনিস একটু বোঝার
- 4:23:55ট্রাই করো তাহলে বুঝে যাবা এদিক দিয়ে
- 4:23:57যাচ্ছি মাইনাস এইযে মাইনাস মাইনাস ভিসি
- 4:24:00প্লাস নিব না আমি তো ঢোকার সময় নিব বের
- 4:24:02হওয়ার সময় নিব না ঢোকার সময় নিব বের
- 4:24:05হওয়ার সময় নিব না তাহলে মাইনাস ভি সিসি
- 4:24:08প্লাস এর ভোল্টেজ আই আর সি দেন ঘুরে এবার
- 4:24:12এটা সি আর এর ভোল্টেজ ভি আর কেউ নাই আর এর
- 4:24:17ভোল ভোল্টেজ আর কেউ নেই
- 4:24:19তাহলে মাইনাস ভিসি প্লাস
- 4:24:23আই সি আরসি
- 4:24:26প্লাস
- 4:24:28ভিি ইকুয়াল জির যদি না বোঝ কোন সমস্যা নেই
- 4:24:31এটা আমরা আরেকবার দেখব কোন সমস্যা নেই
- 4:24:33তাহলে অতএব ভিিসি হচ্ছে ভি হচ্ছে দেখ ভিসি
- 4:24:40পাশে গেল মাইনাস আরসি আরি
- 4:24:44ভিসি এর মান 12 বিয় আই এর মান মিলি
- 4:24:47এপিয়ারও ইটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস থ্র আর
- 4:24:50আরসি এর মান এক কিলোম মানে 1000 শেষ
- 4:24:54তাহলে 12 বিয় ও এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন
- 4:24:57মাইনাসথ
- 4:24:59গু 1000
- 4:25:01হয়ে যাবে মানে এক বিয় যাবে
- 4:25:0411
- 4:25:06এটা সুন্দর কোশ্চন ঠিক আছে ঘ আর কিছুই না
- 4:25:10এটা আরেকটাভাবে বের করা যাই দেখ
- 4:25:14তুমি কি বের করতে চাওভি না
- 4:25:18সি আরই এদের ভোল্টেজ ডিফারেন্সটা তাইতো এই
- 4:25:21ভোল্টেজ ডিফারেন্সটা বের করতেও তাইতো এখান
- 4:25:24থেকে সাপ্লাই আসতেছে তাহলে সাপ্লাই আসতেছে
- 4:25:26কত 12 আসতেছে আসতেছে আসতেছে এইখানে এই
- 4:25:31রোদটা ভোল্টেজ কিছু ড্রপ করে রেখে দিল কত
- 4:25:34এর ভোল্টেজ কতভি আইর আই আর সি ড্রপ করে
- 4:25:37রেখে দিল যা থাকলো যা থাকলো যা থাকলো যা
- 4:25:41থাকলো সেটাই সি আর এর ভোল্টেজ বুঝভি
- 4:25:44হবে সাপ্লাই ভোল্টেজ ভি সিসি থেকে যাচ্ছে
- 4:25:47যাচ্ছে যাচ্ছে রাস্তার মাঝখানে এই এইটা
- 4:25:50ধরছে ডাকাত ধরছে তাহলে ডাকাত ধরে রেখে দিল
- 4:25:52আইসি আর সি যা থাকলো সেটাই ভি সি শেষ একই
- 4:25:56কথা
- 4:25:57একই কথা এবার ট্রানজিস্টরটি ভোল্টেজ
- 4:26:01বিবর্ধক হিসেবে কাজ করে গাণিতিক বিশ্লেষণ
- 4:26:03করো ভোল্টেজ বিবর্ধক হিসেবে কাজ করে এটার
- 4:26:05গাণিতিক বিশ্লেষণ করতে গেলে ভোল্টেজ গেইন
- 4:26:07বের করতে হবে এবি বের করতে হবে ভি আউটপুট
- 4:26:09বাভি ইনপুট ভি আউটপুট বাই ভি ইনপুট ভি ইকয়
- 4:26:13আইর
- 4:26:14আই আর সি আইবি আরবি আইবি আরবি ওকে
- 4:26:21আমাদের আলফা দেওয়া আছে আলফা দেওয়া আছে ওকে
- 4:26:25আলফা দেওয়া থাকলে আমরা বিটা বের করতে পারব
- 4:26:28আলফা দেওয়া থাকলে
- 4:26:310.98ও
- 4:26:34বাই আলফা ইকুয়ালটু ও প্লাস ও বাই বিটাও
- 4:26:39বাই 0.98 না এটা ইকুয়ালটু ওান প্লাস ওান
- 4:26:43বাই বিটা অতএব বিটা ইকুয়ালটু
- 4:26:49ও ভাগ পয়েন্ট না8
- 4:26:54ও ভাগ পয়ে না8
- 4:26:57বিয়গ এক যা হবে তার ইনভার্স 49
- 4:27:02বিটা 49
- 4:27:04ওকে এবার দেখো আইসি বা আইবি মানে এই আইসি
- 4:27:08বা আইবি এটা মানে মানেই হচ্ছে আইবা আইবি
- 4:27:11মানেই হচ্ছে
- 4:27:13বিটা আইসি বা আইবি বিটা আর সি আরবি
- 4:27:17[গলা পরিষ্কার করা]
- 4:27:18বিটার মান 49
- 4:27:21আরসি এর মানও কিলোম আর এটা 200 এটা 1000
- 4:27:26আর এটা 200
- 4:27:29তাহলে 49 গুণ 1000
- 4:27:34ভাগ 200
- 4:27:37245
- 4:27:39200 45 তাহলে ভোল্টেজ বিবর্ধক হিসেবে কাজ
- 4:27:42করে হ্যাঁ করে কারণ এই যে এক এর চেয়ে
- 4:27:44বেশি তাহলে ভোল্টেজ বিবর্ধক হিসেবে কাজ
- 4:27:46করে কিনা উত্তর হচ্ছে হ্যাঁ করে
- 4:27:50উত্তর হ্যাঁ করে এবার দেখো
- 4:27:55এইটা একটা সার্কিট দেওয়া আছে সার্কিট তো
- 4:27:57না আইভি লেখচিত্র যেটা আমরা জানি চিনি
- 4:28:00এবার বলছে এবি অংশের গতিয়ী রোধ বের করো
- 4:28:03দেখো এইটার জন্য আমি এই ম্যাথটা দিছি
- 4:28:04গতিরোধ মানে ডাইনামিক রেজিস্টেন্স
- 4:28:07ডাইনামিক রেজিস্টেন্স মানে ডায়োডের রোধ
- 4:28:10সহজ কথা ডায়োডের আনুমানিক রোধ কিভাবে বের
- 4:28:14করবা রোধ যেভাবে বের করে রোধ আর ইকয়ালটু
- 4:28:18ভিইকা আই আর তাহলে আর ইকয়ভিবা ডভিবা ড আই
- 4:28:23ডভিবা আই দেখ এই যে এই যে এটা আই
- 4:28:30এটা ফরওয়ার্ড কারেন্ট আই এটা ফরওয়ার্ড
- 4:28:32ভোল্টেজ ভি এফ কারেন্ট এইযে অপারেটিং
- 4:28:36অপারেটিং ভোল্টেজের পরে কারেন্ট দেখবা
- 4:28:38এরকম হাটু ভাজ উঠে গেছে। দেখ এটা একটু
- 4:28:40অনেকটা হাঁটু ভাজ করার মত না। দেখতো এই
- 4:28:42জায়গাটা এইযে খেয়াল করো এই জায়গাটা একটু
- 4:28:44হাটু ভাজ করার মত না। হাটু ভাজ করে এভাবে
- 4:28:46উঠে গেছে। এইযে অপারেটিং ভোল্টেজ দেন এরকম
- 4:28:49উঠে গেছে। তো এখানে একটা জিনিস দেখো। এই
- 4:28:52যে এইযে কারেন্ট এইযে হঠাৎ করে এইযে বেড়ে
- 4:28:55গেল। দেখো ভোল্টেজের সামান্য পরিবর্তনে
- 4:28:58কারেন্টের পরিবর্তন অনেক বেশি। এইযে
- 4:29:01ভোল্টেজের সামান্য পরিবর্তন। এই সামান্য
- 4:29:03পরিবর্তনে কারেন্টের পরিবর্তনটা দেখো অনেক
- 4:29:07বেশি হয়। এ ভোল্টেজের সামান্য পরিবর্তনে
- 4:29:09কারেন্টের পরিবর্তনটা অনেক বেশি হয়।
- 4:29:11এখানে যে ভোল্টেজটা এই ভোল্টেজটাকে বলা
- 4:29:13হয় নি ভোল্টেজ। নি কে এনডবই কেন? এইযে
- 4:29:16হাটু ভাজ করা না কে এনডব নি ভোল্টেজ। ঠিক
- 4:29:20আছে? এগুলা পরে একটা চিত্র দেখবা লেখা আছে
- 4:29:22আমি বুঝা দিব। তো নি ভোল্টেজ। তো এটা
- 4:29:25হচ্ছে কি? ডভি
- 4:29:27আর এটা হচ্ছে ড আই। তাহলে আমরা এখান থেকে
- 4:29:30আনুমানিক ডায়োডের রোদ বের করতে পারি। রোদ
- 4:29:33মানে কি? রোদ মানে ভোল্টেজ আর কারেন্টের
- 4:29:35রেশিও। ভোল্টেজ আর কারেন্টের রেশিও তাহলে
- 4:29:37এইযে ডায়োডের ডায়নামিক রেজিস্টেন্স হবে
- 4:29:40ডলভি বাই ডল আই এবার এখানে বসাও ডলভি বাই
- 4:29:43ড আই বসাও ডভি ভোল্টেজের পরিবর্তন বসাও
- 4:29:460.8 আর 0.58
- 4:29:48প8 মাইনাস পয়ে5
- 4:29:51আর ডল আই আই হচ্ছেট মাইনাসট 20 মাইনাসট
- 4:29:56কিন্তু মিলিঅম্পিয়ার আর এটা কিন্তু ভোল্টে
- 4:29:59গুট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ তাহলে ওহম পাওয়া
- 4:30:01যাবে তাহলে পয়েন্ট8
- 4:30:04মাইনাস পয়ে5 ভাগ
- 4:30:08এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ
- 4:30:1130 গতীয়রোধ ডাইনামিক রেজিস্টারস গতীয়রোধ
- 4:30:16বা কি ডাইনামিক রেজিস্টেন্স লেখচিত্রের ও
- 4:30:19সিডি আর ও এবি অংশের তুলনামূলক বিশ্লেষণ ও
- 4:30:25সিডি ও এবি তুলনামূলক বিশ্লেষণ কর থিরি
- 4:30:31এইযে
- 4:30:33আচ্ছা নেই
- 4:30:35আচ্ছা নেই এখানে কোনটা ছিল
- 4:30:39আচ্ছা তুলনামূলক বিশ্লেষণ তুলনামূলক
- 4:30:41বিশ্লেষণ মানে কি যা চিত্র একে বুঝাইছি
- 4:30:44ওগুলা থিরি কি পারবা কিনা বলো
- 4:30:49থিওরি লিখে দিবা শেষ
- 4:30:53এটাও কমন ইমিটার আলফা
- 4:30:57এই যে এটা দরকার ইয়েস এই যে ঘ উদ্দীপকের
- 4:31:02বর্তনীটিকে সুইচ হিসেবেও কাজ করানো সম্ভব
- 4:31:05গাণিতিকভাবে বিশ্লেষণ করো এইযে সুইচ
- 4:31:08হিসেবে কাজ করানো সম্ভব এটা বিশ্লেষণ করো
- 4:31:09এটা থিওরি কিন্তু তাহলে থিওরির ব্যাখ্যাটা
- 4:31:12আমরা কিভাবে দিব এই থিওরির ব্যাখ্যাটা
- 4:31:15কিভাবে দিব খুব ইম্পর্টেন্ট
- 4:31:17আস উদ্দীপকের আইবিটা আগে বের করে রাখি।
- 4:31:19আলফা দেওয়া আছে, আই দেওয়া আছে আর আই দেওয়া
- 4:31:23আছে। ইনপুট রোদ দেওয়া আছে। লোড
- 4:31:25রেজিস্টেন্স দেওয়া আছে। আইবি বের করতে
- 4:31:27বলছে। ওকে আলফা দেওয়া আছে না? 0.98
- 4:31:33আর আই দেওয়া আছে 1.5 মিলিঅম্পিয়ার।
- 4:31:38আমি আইবি বের করব। আলফা ইকুয়ালটু
- 4:31:43আই সি বাই আই।
- 4:31:46আলফার মান 0.98
- 4:31:49আই সি ডিভাইডেড বাই আই এর মান 1.5
- 4:31:53মিলিঅম্পিয়ার
- 4:31:55তাহলে আইসি হবে 1.5 ইটু
- 4:31:58না8
- 4:32:00পয়ে47 মিলিঅম্পিয়ার
- 4:32:03আইবি লাগবে আই হবে
- 4:32:08আইসি প্লাস আইবি
- 4:32:10তাহলে অতএব আইবি হবে
- 4:32:14আই মাইনাস আই আই এর মান 1.5
- 4:32:19মাইনাস 1.47
- 4:32:22মিলি এম্পিয়ার
- 4:32:241.5 মাইনাস.47
- 4:32:270.03 মিলিঅম্পিয়ারসার
- 4:32:32ওকে
- 4:32:34বুঝ নম্বর এবার আসো ঘ নম্বর হচ্ছে কিভাবে
- 4:32:39ট্রান্জিস্টরকে সুইচ হিসেবে কাজ করানো
- 4:32:42যায়। এটা কিন্তু সৃজনশীল প্রশ্ন যদি আসে
- 4:32:44একেবারে থিওরি লিখে দিতে হবে মুখস্ত কথা
- 4:32:46মুখস্ত না বুঝে কথা তা আমরা একটু সেই
- 4:32:49জিনিসটা একটু দেখি ট্রান্জিস্টরকে আমরা
- 4:32:51কিভাবে সুইচ হিসেবে কাজ করাইতে পারি
- 4:32:54এই যে এখানে লিখছিলাম ট্রান্জিস্টর এজ এ
- 4:32:57সুইচ তো তুমি প্রথমে বুঝবা সুইচের কয়টা
- 4:32:59মোড
- 4:33:01এস ডব্লিউ আইটি সিএইচ সুইচের মোড কয়টা আছে
- 4:33:06মোড আছে দুইটা
- 4:33:08একটা অন মোড
- 4:33:11আরেকটা অফ মোড দেখবা বইতে কি হিবি মানে
- 4:33:15হিজিবিজি কথা লেখা আছে এগুলা পড়ে কিছু
- 4:33:18বোঝা যায় না তুমি খুব সুন্দর করে বোঝ দেখো
- 4:33:20ট্রাানজিস্টর কিভাবে সুইচ হিসেবে কাজ করে
- 4:33:22অন মোড আর অফ মোড আমরা যখন সুইচ দেখি তো
- 4:33:28অফ মোডে সুইচ কেমন থাকে এরকম অফ অফ মোডে
- 4:33:32ওপেন সার্কিট থাকে কারেন্ট পাস করতে পারে
- 4:33:34না কারেন্ট পাস করতে পারে না তাহলে আই হয়
- 4:33:37জিরো আর অন মোডে এই যে অন এটা অন তো অন
- 4:33:42মোডে এটা শর্ট হিসেবে কাজ করে। দেখো
- 4:33:44সার্কিট শর্ট। এখান থেকে কারেন্ট ওই পাশে
- 4:33:47যাইতে পারবে। এখানে যাইতে পারছে নাই।
- 4:33:49কিন্তু এখানে আই তাহলে কি হবে? নট জিরো।
- 4:33:52তো আমি
- 4:33:54কোন ম্যানুয়াল সুইচ ব্যবহার করবো না। আমি
- 4:33:57ট্রান্জিস্টর সার্কিটে এমন কিছু একটা করব
- 4:34:00যাতে দেখি বাল্ব খালি জ্বলতেছে নিতেছে।
- 4:34:03জ্বলতেছে নিতেছে। জ্বলতেছে নিতেছে। বুঝছো?
- 4:34:06ধর তোমার দায়িত্ব পড়ছে বিয়েবাড়ি
- 4:34:08লাইটিং বানানো। তো তুমি বিয়েবাড়ি লাইটিং
- 4:34:10বানাবা। এখন তুমি কি কোন সুইচের কাছে
- 4:34:13কাউকে রেখে দিবা যে এই তুই খালি অন করবি?
- 4:34:14অফ করবি অন করবি অফ করবি অন করবি অফ করবি?
- 4:34:16না। তুমি কি করবা? এমন কিছু একটা করবা
- 4:34:19যাতে বাল্বগুলো একবার জ্বলে একবার নেবে।
- 4:34:21একবার জ্বলে একবার নেবে। একবার জলে একবার
- 4:34:22নেবে। এই কাজটা করবা। অটোমেটিক কিছু একটা
- 4:34:25করবা। এইটা আমরা এই ট্রান্জিস্টরের
- 4:34:27মাধ্যমে করতে পারি। ঠিক আছে? আমি একটু
- 4:34:29দেখে নিই কতটুকু চার্জ আছে।
- 4:34:38[গলা পরিষ্কার করা]
- 4:34:42তো এইটা আমরা ট্রান্জিস্টরের মাধ্যমে করতে
- 4:34:45পারবো। তো কোন ধরনের সার্কিট আমরা ব্যবহার
- 4:34:48করব? আমরা ব্যবহার করব দেখো সুইচ হিসেবে
- 4:34:51বা এমপ্লিফিকেশনের কাজে সহজ কথা সব
- 4:34:53ক্ষেত্রেই কমন ইমিটার সার্কিট।
- 4:34:56কমন ইমিটার সার্কিট। এটাই কাজের সার্কিট।
- 4:34:58বাকিগুলা তেমন বেশি কাজে লাগে না। কমন
- 4:35:01ইমিটার সার্কিট। এমপ্লিফিকেশনের কাজেও কমন
- 4:35:03ইমিটার। আবার
- 4:35:06সুইচের কাছেও কমন ইমিটার তাহলে কমন ইমিটার
- 4:35:09একটা সার্কিট একে ফেল এটা বেজ কালেক্টর
- 4:35:14ইমিটার কমন ইমিটার ধর এনপিএন এইযে তীর
- 4:35:16চিহ্ন বাইরের দিকে দিলাম বেজের সাথে এখানে
- 4:35:19একটা রোধ
- 4:35:21দিয়ে ব্যাটারি কালেক্টরের সাথে এখানে একটা
- 4:35:25রোধ
- 4:35:26এইযে ব্যাটারি এটা ভি সিসি এটা ভিবি মনে
- 4:35:31পড়ে এইযে ইমিটার কারেন্ট বের হয়েস
- 4:35:36কালেক্টর কারেন্ট ঢুকবে
- 4:35:38বেস কারেন্টও ঢুকবে যেহেতু কারেন্ট ঢুকবে
- 4:35:41তাহলে এটা মাইনাস এটা প্লাস প্লাস দিয়ে
- 4:35:43কারেন্ট যাচ্ছে এটা আরবি কারেন্ট এদিক
- 4:35:46দিয়ে যাচ্ছে এটা প্লাস এটা মাইনাস এটা
- 4:35:48ভিসি এটা আরসিন
- 4:35:51আমরা কি করব আমরা এইখানে এই যে এটা হচ্ছে
- 4:35:54বাল্ব ধর এইটা হচ্ছে আমাদের বাল্বটা
- 4:35:58এই বাল্বটা একবার জ্বলবে নিভবে জ্বলবে
- 4:36:00নিভবে কিন্তু আমরা এখানে কোন এরকম
- 4:36:02ম্যানুয়াল সুইচ ব্যবহার করব
- 4:36:05তাহলে আমরা কি করবো ভালো করে শোনো আমরা
- 4:36:07ইনপুটে এমন কিছু একটা করব যাতে যাতে এই
- 4:36:12ভোল এই বাল্বটা একবার জলে একবার নেবে জলে
- 4:36:14একবার নিবে জলে একবার নেবে আচ্ছা এটা
- 4:36:17কেমনে সম্ভব ইনপুটে কি চেঞ্জ করব ইনপুটে
- 4:36:20ভোল্টেজটা একটা ভেরিয়েবল ভোল্টেজ লাগায়
- 4:36:23দিব এই ভোল্টেজের মান বাড়বে কমবে বাড়বে
- 4:36:27কমবে বাড়বে কমবে ওই বাল্বটা জ্বলবে নিবে
- 4:36:30জ্বলবে নিবে জ্বলবে নিবে কথা হচ্ছে এই
- 4:36:32ভোল্টেজের সাথে ওর কি সম্পর্ক সেটাই আমরা
- 4:36:34একটু দেখতে চাই। আসো তুমি এখানে একটা লুপ
- 4:36:37ঘুরাও তো। লুপ এভাবে লুপ ঘুরাওতো ঘুপ লুপ
- 4:36:41ঘুরাইলে তুমি বলতো লুপ ঘলে লুপ ইকুয়েশনটা
- 4:36:44কি দাড়াবে? ঘ এইদিক দিয়ে এইখানে কি পাচ্ছ?
- 4:36:48মাইনাস ভিবি ঘও। তাহলে আমরা কেভিএল এপ্লাই
- 4:36:51করে পাই। মাইনাস ভিবি। ওকে? দেন আসো।
- 4:36:58এইটা। তাহলে কারেন্ট তো এদিক দিয়ে যাচ্ছে।
- 4:37:00তাহলে প্লাস এটা মাইনাস এটা। রোদের আগে
- 4:37:02অলওয়েজ প্লাস তাহলে প্লাস আইবি আরবি দেন
- 4:37:09যাও যাও যাও যাও যাও তারপরে এখানে আর
- 4:37:11এখানে দেখো এটা বেজ এটা ইমিটার বেজ আর
- 4:37:14ইমিটারের মধ্যে একটা ভোল্টেজের ডিফারেন্স
- 4:37:16অবশ্যই থাকবে তাহলে প্লাস ভিবি ইকুয়াল জির
- 4:37:21দেখ আর কেউ নেই বুঝলা লুপ ঘান বুঝলা এটা
- 4:37:23অনেকে বুঝে না আবার বোঝ দেখ ভালো করে এদিক
- 4:37:26দিয়ে আসো মাইনাস ভিবি
- 4:37:29প্লাস আইবি আরবি আইবি আরবি প্লাস আইবি
- 4:37:32আরবি এর ভোল্টেজ দেন প্লাস ভিবি ভিবি
- 4:37:36তারপর আর কেউ নেই জ
- 4:37:39তাহলে এখান থেকে তুমি আমারে বলতো আইবি কত
- 4:37:41হবে আইবি
- 4:37:45এই আইবিটা হবে ভিবি ও পাশে গেল
- 4:37:49মাইনাস ভিবি
- 4:37:52ডিভাইডেড বাই আর আইবি
- 4:37:55এই ভিবি কত জানবি এটা ডাইরেক্ট ভোল্টেজ
- 4:38:00আর আমরা নরমালি সিলিকন দিয়েই ট্রান্জিস্টর
- 4:38:02তৈরি করি। তাহলে এটা তো 0.7 ভোল্ট। ভিবি
- 4:38:060.7 ভোল্ট। এ কেমনে? কেমনে? এটা এন এটা পি
- 4:38:10এটা এন পিএন জাংশন না? আর এটা ডায়োড না?
- 4:38:14সিলিকন দিয়ে তৈরি না। দেখতো তীর চিহ্ন। পি
- 4:38:17এন সিলিকন দিয়ে তৈরি। পিন এটা কত ভোল্টেজ
- 4:38:20হবে? এটা কত ভোল্টেজ হবে? বল কত ভোল্টেজ
- 4:38:23হবে? 0.7 ভবি 0.7
- 4:38:28অতএব আইবি হচ্ছে
- 4:38:31ভিবি
- 4:38:33মাইনাস 0.7
- 4:38:35ডিভেডবা আরবি
- 4:38:38আইবি এর সাথে আইসি এর একটা সম্পর্ক আছে না
- 4:38:41কেমনে
- 4:38:43কিভাবে আমরা এখানে যদি একটা লুপ ঘ এই
- 4:38:46লুপটা এখানে লাগবে না কিন্তু আগে একবার
- 4:38:48দেখছি না অনেকে ভাই এই লুপটা আপনি এদিক
- 4:38:50দিয়ে গেছেন এই লুপটা এদিক দিয়ে গেছেন কেন
- 4:38:52ভাই কারেন্ট যেদিকে আমি সেদিকে কারেন্ট
- 4:38:54যেদিকে আমি সেদিকে কারেন্ট এই এদিকে
- 4:38:57কারেন্ট এই কেন গেছি তাহলে এখানে লুপ যদি
- 4:39:01এদিক দিয়ে শুরু করো অলরেডি একবার দেখে
- 4:39:02আসছি কিন্তু এদিক দিয়ে শুরু
- 4:39:04মাইনাস ভিসিসি এখানে যদি আমরা কেসিএল
- 4:39:06কাটাই
- 4:39:08বা কেবিএল আর কি কেবিএল খাটাই তাহলে
- 4:39:11মাইনাস ভিসি মাইনাস ভিসি এই এটা প্লাস আই
- 4:39:17আর সিন দেন
- 4:39:20এইটা আর এইটা অনেকে বলতে ভাই এটা আর এটার
- 4:39:23মধ্যে 0.7
- 4:39:24না এটা এন এটা এন দুটো একই মানে দুটো এন
- 4:39:28দুটো পিএন না পিএন জাংশন না তাহলে সর
- 4:39:30ভোল্টেজ ড্রপ আমি কত জানি না আই আরসি
- 4:39:33প্লাস ভি ইকুয়াল জির এটা লিখে রাখলাম এটা
- 4:39:37আমাদের লাগবে না এখানে লাগবে না সুইচ
- 4:39:39হিসেবে দরকার নাই জাস্ট খালি লিখে রাখলাম
- 4:39:41তাহলে দুটো লুপে আমরা দুটো ইকুয়েশন কিন্তু
- 4:39:43খাটালাম দুটো লুপে এই দুটো লুপ ইকুয়েশন
- 4:39:46লিখতে পারলে কেউ যদি মানে জটিল কোন ম্যাথ
- 4:39:48দেয় তুমি পারবা এই দুইটা ইকুয়েশন লিখতে
- 4:39:50পারলে ঠিক আছে অনেকে সূত্র মুখস্ত করে
- 4:39:52আইবি মাই 0.7বা আরবি কোন সমস্যা নেই সূত্র
- 4:39:56মুখস্ত করলেও হবে ঠিক আছে আর এই ক্ষেত্রে
- 4:39:59মাইনাস ভিসি প্লাস আই সিআর সি প্লাস ভি
- 4:40:02ইকুয়াল জির
- 4:40:05ওকে কঠিন না কিন্তু সহজ এবার কথা হচ্ছে
- 4:40:08আমরা তো ছিলাম সুইচ হিসেবে ব্যবহার দেখ এই
- 4:40:11বাল্বটা যদি জ্বলতে হয় তাহলে এর মধ্য দিয়ে
- 4:40:13কারেন্ট আইসি থাকতে হবে আই থাকতে হবে আর
- 4:40:17এই আই এর মানটা আইবি এর উপর ডিপেন্ড করে
- 4:40:19কিভাবে বিটা ইকয়ালবি
- 4:40:22বিটা ইকুয়ালটু আই সি বাই আইবি তাহলে অতএব
- 4:40:28আই সি ইকুয়ালটু বিটা আইবি এইবার
- 4:40:31[নাক ডাকা] তাকাও এইবার আমি ধরো চাই এই
- 4:40:35বাল্বটা জ্বলবে
- 4:40:37ঠিক আছে আমি চাই এই বাল্বটা জ্বলবে তাহলে
- 4:40:39বাল্বটা অন মোডে কাজ করবে অন মোডে তো অন
- 4:40:44মোডের জন্য অন মোডের জন্য আমাদের কি হইতে
- 4:40:47হবে আইসি এর মান এর মধ্য দিয়ে কারেন্ট
- 4:40:48ফ্লো হইতে হবে অর্থাৎ কারেন্ট জিরো হওয়া
- 4:40:51যাবে না এইযে কারেন্ট জিরো হওয়া যাবে না।
- 4:40:53শর্ট সার্কিট হিসেবে কাজ করবে। কারেন্ট
- 4:40:55ফ্লো হইতে হবে। তাহলেই কিন্তু অন মোডে কাজ
- 4:40:57করবে। বুঝলা? তাহলে এই বাল্বটা যদি জ্বলবে
- 4:41:00চায় তার মানে এর মধ্য দিয়ে কারেন্ট ফ্লো
- 4:41:02হইতে হবে। অর্থাৎ আইসি থাকতে হবে। আইসি
- 4:41:06জিরো হওয়া যাবে না। আইসি কে নট জিরো হতে
- 4:41:09হবে।
- 4:41:10হতে হবে। এটা কি সবাই বুঝছো কিনা? এবার
- 4:41:15আইসি নট জিরো হইতে হবে। দেখ আই এর মানটা
- 4:41:18ডিপেন্ড করে আইবি এর উপর। বিটা তো একটা
- 4:41:20ধ্রুবক। বিটা কি? বিটা হচ্ছে আইর আইবি এর
- 4:41:22রেশিও রেশিও তো বিটা তো একটা রেশিও যে
- 4:41:25আইবি এর তুলনায় আই কত বেশি আই যদি থাকতে
- 4:41:28হয় তাহলে আইবি কেও থাকতে হবে আই যদি জিরো
- 4:41:31না হয় আইবি কেও জিরো হওয়া যাবে না তাহলে
- 4:41:34আই জিরো হওয়া চলবে না আই নট জিরো হতে হবে
- 4:41:37অতএব আইবিও নট জিরো হতে হবে আইবিও নট জিরো
- 4:41:40হতে হবে
- 4:41:42আইবি বুঝতে পারতে আইর মানটা আইবি এর উপর
- 4:41:45ডিপেন্ড করে আই জিরো হওয়া যাবে না বাল
- 4:41:48জ্বলবে আই জির হওয়া যাবে না মানে আইবিও
- 4:41:51জির হওয়া যাবে না আইবি জির হয়ে গেলে আই
- 4:41:52জির হয়ে যাবে কি বোঝা গেছে আচ্ছা আইবি
- 4:41:57তাহলে জিরো হওয়া যাবে না ওকে আইবি হচ্ছে
- 4:42:00এই নিচে তো রোদ আরবি এই রোদটা উপরে ভিবি
- 4:42:05সাপ্লাই ভোল্টেজ এইটা মাইনাস 0.7 সে ভল।
- 4:42:09আচ্ছা উপরে যদি এটা জিরো হয় তাহলে তো আইবি
- 4:42:12জিরো হয়ে যাবে। তার মানে যেহেতু আইবি জিরো
- 4:42:14হওয়া যাবে না। তার মানে উপরের এইটা জিরো
- 4:42:16হওয়া যাবে না। তাহলে সেই ক্ষেত্রে তাইলে
- 4:42:19ভিবি
- 4:42:21মাইনাস 0.7
- 4:42:23এইটা জিরোর চেয়ে বেশি হইতে হবে। এটা জির
- 4:42:26হওয়া যাবে না। কথা কি বুঝ? এটা জিরো হওয়া
- 4:42:29যাবে না। ভিবি মাইনাস 0.7 এটা যেন জিরোর
- 4:42:32চেয়ে বেশি হয়। এটা জির হওয়া যাবে না। কেন
- 4:42:33ভাই? নেগেটিভ হতে পারে না। কেমনে নেগেটিভ
- 4:42:35হবে? নেগেটিভ হলে তো হবেই না। নেগেটিভ হলে
- 4:42:38এটা জিরোর চেয়ে কম কেমনে বলি? তাহলে তো
- 4:42:40চিন্তা করো এই পি
- 4:42:43সরি পি এন মানে বি ওটা 0.7 তোভিবি এর মান
- 4:42:48যদি 0.7 এর কম হয় তাহলে তো ব্যারিয়ারই
- 4:42:50ভাঙবে না। তাহলে তো ব্যারিয়ার
- 4:42:52পটেনশিয়ালটাই ভাঙতে পারবে না। তার মানে
- 4:42:54এখানকার সাপ্লাই ভোল্টেজটা এটলিস্ট 07 এর
- 4:42:57বেশি হতে হবে। কাউকে বলা যাবে না। কিন্তু
- 4:43:01হতে হবে এটা 07 এর বেশি হইতে হবে। তাহলে
- 4:43:05কারেন্ট ফ্লো হবে কি বুঝছো হয়েই তো গেছে
- 4:43:10বলেই তো ফেলছি ঘটনা এই মানটা যদি 0.7 এর
- 4:43:14বেশি হয় তাহলে আইবি থাকবে আইবি থাকলে আইসি
- 4:43:17থাকবে বাল্ব জ্বলবে
- 4:43:20আর এই মানটা যদি 0.7 এর কম হয়
- 4:43:24অথবা 0.7 এর সমান হয় চিন্তা করতো ভিবি এর
- 4:43:28মানটা 0.7
- 4:43:29সমান অথবা কম তাহলে 0.7 বসাও জির আইবি জির
- 4:43:34আর 0.7 কম হলে তো কারেন্ট ফ্লো হবে না
- 4:43:37ব্যারিয়ার তো ভাঙতে পারবে না আইবি তখন
- 4:43:40জিরো থাকবে আইবি জির হলে আই জির বাল্ব
- 4:43:42জ্বলবে না অফ থাকবে বুঝলা তাহলে আমরা অন
- 4:43:46মোড ভালো করে দেখ অন মোড আই জির হওয়া চলবে
- 4:43:49না আই জির হওয়া চলবে না মানে আইবি জির
- 4:43:52হওয়া চলবে না আইবি নট জির আইবি নট জির তার
- 4:43:55মানে উপরের মানটা জিরোর চেয়ে কম বা সমান
- 4:43:58হওয়া যাবে না জিরোর বেশি হতে হবে জির বেশি
- 4:44:00হতে হবে অতএব দেখভিবি সাপ্লাই ভোল্টেজটা 0
- 4:44:04সেভেন ভোল্টেজ এর চেয়ে বেশি হইতে হবে। এই
- 4:44:07ভোল্টেজটা 0.7 এর বেশি হলে বাল্ব জ্বলবে।
- 4:44:10অফ মোড কি তাইলে বল? এটা তো পারা যাবে। অফ
- 4:44:14মোড। অফ মোডে এর মধ্য দিয়ে কারেন্ট যাবে
- 4:44:16না। তার মানে আইসি জিরো হবে। আইসি যদি
- 4:44:20জিরো হয় আইসি যদি জিরো হয় আইবিও জিরো হবে।
- 4:44:24আইবিও জিরো হবে। এবার আইবিকে জিরো হতে হলে
- 4:44:28কি করতে হবে বল? এই আইবি থাকা যাবে না।
- 4:44:31আইবি জির হতে হবে। তাহলে এই যে উপরের ভিবি
- 4:44:36ভিবি
- 4:44:38মাইনাস 0.7
- 4:44:40এর মান হইতে হবে ইকুয়াল জির ইকুয়াল জির
- 4:44:43এটা যদি জিরো হয় এটা জির হলে আইবিজ আইবি
- 4:44:46জির হলে আই জির আইজ হলে বাল জ্বলবে না অফ
- 4:44:49থাকবে তাহলে ভিবি এর মান কত হইতে হবে 07
- 4:44:53ভোল্টেজের সমান হইতে হবে কেন এটার মান
- 4:44:57জিরোর চেয়ে কম হলেও হতো হবে হ্যা এইযে
- 4:45:00এটার মান জিরোর চেয়ে কম হলে হতো হবে এটার
- 4:45:04মান যদি জিরোর চেয়ে কম হয় জিরোর চেয়ে কম
- 4:45:07তার মানে এই ভোল্টেজটা 07 এর চেয়ে কম তো
- 4:45:100.7 এর চেয়ে যদি কম হয় তাহলে ব্যারিয়ারই
- 4:45:12তো ভাঙবে না। এখান থেকে যে সাপ্লাই
- 4:45:14ভোল্টেজ যাচ্ছে এই নেতা তো মনে করো যে জোর
- 4:45:17নেই নেতার জোর নেই। তাই না? ওই যে রিভার্স
- 4:45:20মানে ফরওয়ার্ড বায়াসে এটলিস্ট 0.7 এর বেশি
- 4:45:23তো দিতে হবে। তাহলে এটা একটা ডায়োড। এটার
- 4:45:26জন্য এটলিস্ট 0.7 এর চেয়ে বেশি হইতে হবে।
- 4:45:28না হলে তো ব্যারিয়ারই ভাঙবে না। বুঝতে
- 4:45:31পারছো? তাহলে লেস দেন এটা লেস দেন অর
- 4:45:33ইকুয়াল জির। তাহলে ভিবি হবে লেস দেন অর
- 4:45:36ইকুয়াল জ.7 তাহলে তখন বাল্বটা অফ থাকবে।
- 4:45:39তাহলে একটা জিনিস চিন্তা করো আমি এই যে
- 4:45:42ভোল্টেজটা আছে এই যে ভোল্টেজটা এই ভোল্টেজ
- 4:45:44একবার 0.7 এর বেশি একবার 0.7 এ কম 0.7 এ
- 4:45:48বেশি 0.7 এ কম তাহলে বাল্ব জ্বলবে নিবে
- 4:45:50জ্বলবে নিবে। তাহলে আমরা যদি একটু এইযে
- 4:45:53চিত্র আখি এরকম
- 4:45:56যে ইনপুট তো আমি দিচ্ছি। তাহলে ইনপুট দিলে
- 4:45:59এই যে ভিবি
- 4:46:01ভি বিবি টাইম টি। তাহলে ব্যাপারটা কেমন
- 4:46:04হবে? এই মানটা ধরো 0.7
- 4:46:08এই যেটা 0.7 আমি চাই ধর দুই সেকেন্ড পর পর
- 4:46:13বাল্ব জ্বলবে নিবে দুই সেকেন্ড পর পর
- 4:46:16তাহলে আমি কি করব দুই সেকেন্ড ভোল্টেজের
- 4:46:19ভিবি এর মানটা 0.7 সে বেশি রাখবো। পরের
- 4:46:22দুই সেকেন্ডে এর চেয়ে কমায় দিব।
- 4:46:26কমায় দিব।
- 4:46:30এই তারপরে আবার বেশি করব।
- 4:46:36তারপরে আবার কমায় দিব। এই দুই সেকেন্ড
- 4:46:40পরপর জ্বলবে। দুই সেকেন্ড পর পর নিকবে।
- 4:46:42এরকম হবে। ঠিক আছে? এটা ধর দুই সেকেন্ড।
- 4:46:47এটা দুই চার ছয় আট ধর এটা সেকেন্ড এককে
- 4:46:52তাহলে এই যে এইটুকু অন তারপরে অফ তারপরে
- 4:46:59অন তারপরে অফ সুইচ দুই সেকেন্ড পর পর অন
- 4:47:04অফ অন অফ অন অফ এবার দেখো আমরা যে একটা
- 4:47:06ভিডিও দেখতেছিলাম না এটা একটু শেষ করি যে
- 4:47:09এর আরেকটা ব্যবহার আছে কি সুইচ এই দেখো
- 4:47:12সুইচ কি হচ্ছে এই যে একটা ভেরিয়েবল
- 4:47:14ভোল্টেজ লাগাইছি এই যে ইনপুটে দেখ এটা
- 4:47:17আউটপুট এইযে আউটপুট ব্যাটারি এখানে ইনপুটে
- 4:47:19একটা ভোল্টেজ লাগাইছি ভালো করে দেখো এই যে
- 4:47:21একটা লাল দাগ এটা একটা ভেরিয়েবল ভোল্টেজ
- 4:47:23সোর্স এই মানটা 0.7 এর কম আসবে দেখবা নিবে
- 4:47:27যাবে 07 বেশি যাবে বাল্ব জ্বলবে 07 কম
- 4:47:29আসবে বা যাবে 07 বেশি হবে বা জ্বলবে তাহলে
- 4:47:32এই লাইনে কোন ম্যানুয়াল অন অফ অন অফ সুইচ
- 4:47:35নাই আমি জাস্ট একটা ভেরিয়েবল ভোল্টেজ
- 4:47:37সোর্স ইনপুটে বসা দিয়ে বাড়ি চলে গেছি
- 4:47:39দেখতেছি বাল্বটা একবার জ্বলতেছে নিভতেছে
- 4:47:40জ্বলতেছে নিতেছে এর জন্য এখানে কি লাগবে
- 4:47:42ভেরিয়েবল ভোল্টেজ সোর্স লাগবে দেখ
- 4:47:46এইযে নিচে নামে এইযে দেখো নিচে নেমে গেছে
- 4:47:49অফ হয়ে গেছে আবার
- 4:47:52আবার নিচে নেমে যাবে অফ হয়ে যাবে এইযে
- 4:47:55বুঝতে পারছ এই হচ্ছে ঘটনা
- 4:47:59তাহলে আমাদের টপিকও কিন্তু শেষ এবার যদি
- 4:48:02পরীক্ষায় আসে কিভাবে সুইচ হিসেবে কাজ করে
- 4:48:04এইটুকু যদি লিখে দিতে পারো চারে আট পেয়ে
- 4:48:06যাবা চারে আট পেয়ে যাবা
- 4:48:14তাহলে আমাদের
- 4:48:17এই পৃষ্ঠাগুলো লাগলো না।
- 4:48:20একটু কেটে দিই
- 4:48:22তাহলে পৃষ্ঠা কমে আসবে।
- 4:48:30একটা পৃষ্ঠা থাকুক।
- 4:48:38ওকে আমাদের হয়ে গেছে প্রায়।
- 4:48:40এইটা হচ্ছে একটা কমন বেস সার্কিট। আসো
- 4:48:42একটা কমন বেস সার্কিট করে দিই। সহজ জিনিস।
- 4:48:45এ দেখো বেস কমন ইনপুট দেওয়া আছে। ইনপুট
- 4:48:48ভোল্টেজ দেওয়া আছে। আর এল দেওয়া আছে। ওকে?
- 4:48:50গুড। আইসি বলা আছে। ঠিক আছে? প্রদত্ত
- 4:48:54চিত্র থেকে আইবি এর মান নির্ণয় করো। আইসি
- 4:48:56দেওয়া আছে।
- 4:48:58আই দেওয়া আছে 35 মিলিঅম্পিয়ার।
- 4:49:0135 মিলিঅম্পিয়ার। আইও বের করতে পারব। দেখ
- 4:49:04এই রোদ জানি ভোল্টেজ জানি। তাহলে রোদ জানি
- 4:49:07ভোল্টেজ জানি। আই বের করতে পারব না। আই
- 4:49:10ইকয়ালটু ভি ইনপুট
- 4:49:12ডিভাইডেড বাই আর ইনপুট ঠিক আছে এটা আই
- 4:49:16আসবে এইযে দেখো আই আই আসবে তাহলে এটার মান
- 4:49:21ও ভোল্ট
- 4:49:23আর এটা 25 ওহম
- 4:49:27তাহলে এক ভাগ 25 এক ভাগ 25 0.04
- 4:49:32এম্পিয়ার
- 4:49:35প্রদত্ত চিত্র থেকে আইবি বের করো আইবি হবে
- 4:49:40আই মাইনাস আই সি
- 4:49:43আই এর মান 0.04 মাইনাস আই সি এর মান 35
- 4:49:48গুট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ
- 4:49:51তাহলে প04 মাইনাস
- 4:49:5535 এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ
- 4:49:580.005 জ5
- 4:50:02এত এম্পিয়ার
- 4:50:04ডান চিত্র অনুসারে আউটপুট সিগনালের মান
- 4:50:07ইনপুট সিগনালের মান অপেক্ষা বেশি হবে কিনা
- 4:50:10দেখি আউটপুট সিগনাল গ নম্বর ইনপুট সিগনাল
- 4:50:14তো বের হয়ে আছে ইনপুট সিগনাল তো দেখাই
- 4:50:16যাচ্ছে এক ভোল্ট এবার আউটপুট সিগনালটা বের
- 4:50:19করব আউটপুট সিগনালটা হবে
- 4:50:22আইসি
- 4:50:24আর এল আইসি এর মান 35 মিলি এম্পিয়ার
- 4:50:29তাহলে 35 গুণট টু দি পাওয়ার মাইনাসথ আর
- 4:50:32এলট
- 4:50:34আর এলটু
- 4:50:3635 এক্সপোনেটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাসথ গুণদ
- 4:50:400.07
- 4:50:420.07 ভল্ট না 0.07
- 4:50:47ভ তাহলে এই মানটা ইনপুটের চেয়ে কম বি
- 4:50:50ইনপুটের চেয়ে কম তো আউটপুট সিগনালের মান
- 4:50:52ইনপুট সিগনালের মান অপেক্ষা বেশি হবে কিনা
- 4:50:54না উত্তর হচ্ছে না
- 4:50:57দেখ কত সহজ
- 4:51:00ঠিক আছে এবার দৃশ্যকল্প এক আর দুই এটা
- 4:51:04একটা কমন ইমিটার সার্কিট আবার দেওয়া আছে
- 4:51:06কমন ইমিটার সার্কিট তার সবকিছু বলা আছে এত
- 4:51:08সিগনালকে বিবর্তিত করার জন্য
- 4:51:12ঠিক আছে এইযে এত এর সিগনালটাকে বিবর্তিত
- 4:51:14করার জন্য এটা ইনপুট
- 4:51:16যুক্ত করায় ফলে পিট প্রবাহের পরিবর্তন হয়।
- 4:51:19এত দৃশ্যকল্প এক হতে ইনপুট রোধের মান কত?
- 4:51:22এই ইনপুট রোধের মানটা বের করতে বলছে। দেখো
- 4:51:25আর ইনপুট
- 4:51:27বা আরবি নির্ণয় করো। ওকে? এত ভোল্টের একটি
- 4:51:33সিগনালকে বিবর্তিত করার জন্য। তার মানে
- 4:51:34ইনপুট সিগনাল দেওয়া আছে। তাহলে ভি ইনপুট
- 4:51:37দেওয়া আছে 0.5 ভোল্ট। এবার দেখো এর রোদ
- 4:51:42দেওয়া আছে এর ভোল্টেজ দেওয়া আছে তাহলে এটা
- 4:51:45তো আইবি এখান থেকে তো আমি সরি আই সি আইসি
- 4:51:48পেয়ে যাব আই ইকয়ালটু ভি আউটপুট
- 4:51:53ডিভেডবাইক আই আর তাহলে আর সিভিক আই আরভি
- 4:51:58আউটপুট কত 20 ভাগ আরসি কত 100 কিলোহম
- 4:52:04100 গুণ
- 4:52:061000
- 4:52:08তাহলে 20 ভাগ
- 4:52:10100 গুণ 1000
- 4:52:140.0
- 4:52:1702 এত এম্পিয়ার এটা হচ্ছে আই
- 4:52:21কিন্তু আমাদের ইনপুট রোদের মান ওকে ইনপুট
- 4:52:23রোদের মান বের করা যাবে আলফা দেওয়া আছে
- 4:52:26ইনপুট রোদের মান বের করা যাবে ইনপুট রোধ
- 4:52:28পাওয়া যাবে ইনপুট কারেন্ট আইবি পাইলে আইবি
- 4:52:30পাইতে হবে তাহলে আলফা দেওয়া আছে 0.98
- 4:52:36আলফা থেকে বিটা বের করো বিটা থেকে আইবি
- 4:52:37বের করো অথবা আলফা থেকে আইসি বের করো আইসি
- 4:52:40থেকে আইবি বের করো যা তোমার ভালো লাগে
- 4:52:42আলফা ইকয়ালটু আই সি বাই
- 4:52:45আই
- 4:52:48জ পয়েন্ট
- 4:52:5198
- 4:52:53আই এর মান 0.002 জট
- 4:52:56ডিভাইডেড বাই আই
- 4:52:59অতএব আই হবে
- 4:53:02প002
- 4:53:04ভাগ প98
- 4:53:07প98
- 4:53:110.002 জট
- 4:53:1604
- 4:53:1808 এম্পিয়ার ঠিক আছে সাইন্টিফিকে লিখতে
- 4:53:22পারো কোন সমস্যা নেই এটা আই
- 4:53:25অতএব আইবি পাওয়া যাবে
- 4:53:28আই মাইনাস আই সি আই থেকে আই বাদ দিয়ে দাও
- 4:53:33এসার বিয় প02
- 4:53:37তাহলে এটা পাওয়া যাবে সাইন্টিফিকা লিখিন
- 4:53:404 জ8
- 4:53:43স ইনটুট টু দি পাওয়ার মাইনাস সক্স
- 4:53:46এম্পিয়ার
- 4:53:47তাহলে আমাদের ভি ইনপুট ভিইকা আই আর আই আর
- 4:53:52তাহলে আইবি দেখ ভি ইনপুট এইযেভি ইনপুট
- 4:53:56ভিইকা আই আর ভিইকা আই আর ইনপুট রোধ
- 4:54:01ভি ইনপুটভিইক আই আর আর ইনপুট তাহলে এটার
- 4:54:06মান কত 0.5
- 4:54:09আর আইবি এর মান হচ্ছে 4 জও স ইনটুট টু দি
- 4:54:13পাওয়ার মাইনাস সিক্স দেন আর ইনপুট
- 4:54:17এবার আর ইনপুটের মানটা এখান থেকে বের করবা
- 4:54:19যা আসে ঠিক আছে দৃশ্যকল্প দুই হতে বাল্বটি
- 4:54:23সবসময় জ্বলতে থাকবে এটি সম্ভব করতে হলে
- 4:54:26ডিও ও ডিট এর সংযোগে কি পরিবর্তন আনতে হবে
- 4:54:29বাল্বটি সবসময় জ্বলতে থাকবে এই যে এই
- 4:54:32বাল্বটি সবসময় জ্বলতে থাকবে এটি সম্ভব
- 4:54:34করতে হলে ডিও ও ডিট এর সংযোগে কি পরিবর্তন
- 4:54:38আনতে হবে ডিও ডিও ওডিট এর সংযোগে কি
- 4:54:41পরিবর্তন আনতে হবে?
- 4:54:47[দীর্ঘশ্বাস][হাঁফ]
- 4:54:49দেখো
- 4:54:51এই যে এইটা এটা এসি। তাহলে বাল্বটা সবসময়
- 4:54:55জ্বলবে না। কারণ দেখো এদিক দিয়ে কারেন্ট
- 4:54:58এদিক দিয়ে যাইতে পারবে না। এই যে এটা হবে
- 4:55:00না। আবার এদিক দিয়ে গিয়ে কারেন্ট আবার
- 4:55:03এদিকেও আসতে পারবে না। সেটা সম্ভব হবে না।
- 4:55:06তাহলে বাল্বটা জ্বলবে যদি এই ডায়োড আর এই
- 4:55:09ডায়োডটা এভাবে থাকে তাহলে বাল্বটা জ্বলবে।
- 4:55:12ঠিক আছে? আর আমি চাই সবসময় জ্বালাবো।
- 4:55:15সবসময় জ্বালায় রাখতে চাই। অর্থাৎ কারেন্ট
- 4:55:18এদিক দিয়ে আসলেও যেন বাল্বটা জ্বলে। আবার
- 4:55:21কারেন্ট যদি এদিক দিয়ে যায় তাও যেন
- 4:55:22বাল্বটা জ্বলে। আমি এই জিনিসটা চাই।
- 4:55:25বাল্বটাকে
- 4:55:27সবসময় জ্বালিয়ে রাখতে হলে সবসময় জলি
- 4:55:29রাখতে হলে কি ব্যবস্থা নিতে হবে?
- 4:55:33এইযে
- 4:55:36ঘ নম্বর দেখো আমি চাই বাল্বটা সবসময়
- 4:55:39জ্বলুক।
- 4:55:41তাহলে
- 4:55:43আসো পজিটিভ হাফ সাইকেল। পজিটিভ হাফ
- 4:55:45সাইকেলও জ্বলতে হবে।
- 4:55:48পজিটিভ হাফ সাইকেল সি ওয়াই সি এলই পজিটিভ
- 4:55:52হাফ সাইকেল দেখো এটার পজিটিভ হাফ সাইকেল
- 4:55:54দেখো
- 4:55:55তাহলে এটা প্লাস এটা মাইনাস এই পজিটিভ হাফ
- 4:55:58সাইকেল
- 4:56:00গিয়ে
- 4:56:03এই হচ্ছে ডায়োড এটা
- 4:56:06এ হচ্ছে বাল্বটা
- 4:56:09এই ডায়োডটা এইটা
- 4:56:13এইটা
- 4:56:16আর এইটা দেখো তাকাও পজিটিভ হাব সাইকেলে
- 4:56:23কারেন্ট এদিক দিয়ে যাবে। এটা প্লাস
- 4:56:25কারেন্ট এদিক দিয়ে যাবে। তাহলে কারেন্ট
- 4:56:28এদিক দিয়ে যাবে। এই বাল্বের মধ্য দিয়ে
- 4:56:29কারেন্ট আসতে হবে। আমাদের বলছে যে সবসময়
- 4:56:32জ্বলবে। এর জন্য এর জন্য ডিও আর ডিট এর
- 4:56:36সংযোগে কি পরিবর্তন আনতে হবে? এই কষেত্রে
- 4:56:38বাল্বটা কি জ্বলতেছে?
- 4:56:40বাটা কি জ্বলতেছে? আমি ডিফর চেঞ্জ করতে
- 4:56:43পারবো না। ডিও আর ডিট চেঞ্জ করব। এইযেডিও
- 4:56:46আরডিটটাকে চেঞ্জ করব। ডি থ3 আর ডি ফোর কে
- 4:56:50চেঞ্জ করতে পারব না। দেখো বাল্বটা জ্বলতো।
- 4:56:52বাল্বটা জ্বলতো যদি এদিকে থাকতো এটা এটা
- 4:56:54যদি এরকম করে থাকতো কিন্তু এটাকে আমি
- 4:56:56চেঞ্জ করতে পারবো না। আমার চেঞ্জ করতে হবে
- 4:56:58ডি ওয়ান আর ডি টু কে চেঞ্জ করতে হবে।
- 4:57:00তাহলে দেখতো এইদিক দিয়ে এসে কারেন্ট এইদিক
- 4:57:04দিয়ে এইভাবে যাবে। এইভাবে হইতে পারে।
- 4:57:07তাহলে আমি এইটাকে জাস্ট ঘুরায় দিতে পারি।
- 4:57:09ঠিক আছে? তাহলে আমাদের কি করতে হবে? এই
- 4:57:11ডায়োডটাকে ঘুরাই দিতে হবে। তাহলে এই
- 4:57:13ডায়োডটাকে ঘুরাই দিতে হবে। এইযে যেটাকে
- 4:57:15ঘুরায় দিচ্ছি সেটাকে আমি আকতেছি এইভাবে।
- 4:57:18এইযে দেখ এভাবে ঘুরায় দিলাম এভাবে আমি
- 4:57:21ঘুরায় দিলাম
- 4:57:25আর
- 4:57:27তাহলে এদিক দিয়ে গিয়ে এইভাবে চলে আসবে
- 4:57:29কারেন্ট
- 4:57:31এই দেখ এদিক দিয়ে গিয়ে কারেন্ট এই পথে চলে
- 4:57:35আসবে তাহলে ভার্বটা জ্বলবে এটা হচ্ছে
- 4:57:38পজিটিভ সাইকেলে তাহলে পজিটিভ সাইকেলে
- 4:57:40ভার্বটা জ্বলবে তো তার জন্য এই যে এই
- 4:57:42দুইটা কি বলছিলাম যে বিপরীত দুইটা থাকবে
- 4:57:45একই ক্রমে এই দুইটা থাকবে একই ক্রমে এই
- 4:57:47দুইটা থাকবে একই ক্রমে এই কাজটা আমাদের
- 4:57:48করতে হবে তা আমি এইডি3 আরডিফ কে চেঞ্জ
- 4:57:52করবো না তাহলেডি3 বিপরীত সবসময় শর্টকাট
- 4:57:55আসো আমি আগে শর্টকাট বলে দিই না বিপরীত
- 4:57:58এটা তো হিট স্টোন ব্রিজ তাহলে বলতো এর
- 4:58:00বিপরীতে কোনটা এর বিপরীতে এটা এর বিপরীতে
- 4:58:03এটা এর বিপরীত এটা তাহলে এই দুইটা থাকবে
- 4:58:06একই ক্রমে এই দুইটা থাকবে একই ক্রমে তা
- 4:58:08আমি চেঞ্জ করব ডি ওয়ান আর ডি টু কে তাহলে
- 4:58:10ডিফো এর মত হবে ডি ওয়ান আর ডিথির মত হবে
- 4:58:14ডি টু শেষ ডি থ্রির মত হবে ডি টু তাহলে
- 4:58:17শেষ
- 4:58:18তাহলে এই যে এইটাকে ঘুরায় দিই।
- 4:58:22এটাকে যদি ঘুরায় দিই এই
- 4:58:27তাহলেই হয়ে গেছে। এইযে দেখ এবার যখন এটা
- 4:58:31এটা প্লাস এটা যখন প্লাস তখন এটা প্লাস
- 4:58:36এটা প্লাস। এটা যখন মাইনাস এটা মাইনাস এটা
- 4:58:38মাইনাস। তাহলে এটা প্লাস হলে এটা মাইনাস।
- 4:58:42তারপরে এটা মাইনাস হলে এটা প্লাস। আবার
- 4:58:45এটা প্লাস হলে এটা মাইনাস। এটা মাইনাস হলে
- 4:58:46এটা প্লাস তাহলে এটা দেখো ফরওয়ার্ড বায়াস
- 4:58:49আর এইটা আছে ফরওয়ার্ড বায়াসে এই দুইটা
- 4:58:52ফরওয়ার্ড বাসে আছে তাহলে পজিটিভ হাফ
- 4:58:55সাইকেলে তাকাও পজিটিভ হাফ সাইকেলে
- 4:59:06পজিটিভ হাফ সাইকেলে
- 4:59:23এই পজিটিভ হাফ সাইকেলে কি হবে? পজিটিভ হাফ
- 4:59:27সাইকেলে
- 4:59:28এইটা ফরওয়ার্ড বাস এটা ফরওয়ার্ড বাস। এইটা
- 4:59:30আর এইটা রিভার্স বায়াস। তাহলে এই দুইটা
- 4:59:32নাই হয়ে যাবে। এইযে এইটা নাই হয়ে যাবে। এই
- 4:59:37এটা থাকবে না এইটা থাকবে না এটা থাকবে না
- 4:59:41তাহলে কারেন্ট তখন এভাবে পাস করবে
- 4:59:45এটাতে লেখার কি আছে লেখার কিছু নেই চিত্র
- 4:59:47রেখে দিবা যে কারেন্ট এইযে দেখো কারেন্ট
- 4:59:50এদিক দিয়ে এভাবে ঘুরে
- 4:59:54এইভাবে ঘুরে আসবে তা বাল্বের মধ্য দিয়ে
- 4:59:56কারেন্ট যাবে তাহলে বাল্বটা জ্বলবে
- 4:59:59বাল্ব জ্বলবে
- 5:00:02এবার আস নেগেটিভ সাইকেল
- 5:00:05তাহলে এবার নেগেটিভ
- 5:00:09হাফ সাইকেলে
- 5:00:15নেগেটিভ হাফ সাইকেলে কি হবে?
- 5:00:19নেগেটিভ হাফ সাইকেলে দেখো কি হয়? ঘটনা কি
- 5:00:21ঘটে?
- 5:00:32আচ্ছা আমরা তো চেঞ্জ করতেছি। এই দুইটাকে
- 5:00:34ওই দুইটাকে শুধু সবুজ করে আকি
- 5:00:37এই দুইটাকে চেঞ্জ করছি
- 5:00:45এই
- 5:01:01দেখো এইবার এটা মাইনাস
- 5:01:05আর এটা প্লাস
- 5:01:07তাহলে এইটা যদি প্লাস হয় এটা যদি প্লাস হয়
- 5:01:10এটা প্লাস এটা মাইনাস প্লাস মাইনাস এটা
- 5:01:13যদি মাইনাস হয় এটা মাইনাস এটা প্লাস
- 5:01:16মাইনাস প্লাস তাহলে এইবার দেখ এটা
- 5:01:18ফরওয়ার্ড ব্যাস আর এইটা ফরডস বাকি দুইটা
- 5:01:22দুইটারস
- 5:01:24এইটা আর এটা নাই হয়ে যাবে
- 5:01:27এইটা আর এইটা নাই হয়ে যাবে
- 5:01:42তাহলে তখন এইদিক দিয়ে কারেন্ট এটার মধ্যে
- 5:01:46দিয়ে আর এটার মধ্যে দিয়ে পাস করবে। তাহলে
- 5:01:48এইটা আর থাকবে না।
- 5:01:51এইটা আর থাকবে না।
- 5:01:54তাহলে কারেন্ট তখন এই যে এইভাবে গিয়ে
- 5:01:59এইভাবে বাল্বের মধ্য দিয়ে গিয়ে এইভাবে পাস
- 5:02:01করে আসবে। তাহলে বাল্বের মধ্য দিয়ে
- 5:02:03কারেন্ট যাবে। বাল্ব জ্বলবে। তাহলে সকল
- 5:02:06ক্ষেত্রে বাল্ব জ্বলবে।
- 5:02:08ঠিক আছে? সকল ক্ষেত্রে বাল্ব জ্বলবে। দুই
- 5:02:10ক্ষেত্রে আমরা আউটপুট পাচ্ছি। দুই
- 5:02:13ক্ষেত্রে আমরা আউটপুট পাচ্ছি। বাল্ব চলবে।
- 5:02:16ঠিক আছে?
- 5:02:18কিন্তু আমি কিন্তু এসি পাইনি
- 5:02:23এসি প্যাসিরি
- 5:02:25ডিসি পাইছি দেখ কারেন্ট আগেরবার এদিক থেকে
- 5:02:29গিয়ে এটা এটা বি কারেন্ট কিন্তু এর মধ্য
- 5:02:32দিয়ে এ থেকে বিতে গেছে এবারও কারেন্ট এটা
- 5:02:34এটা বি এ থেকে বিতে গেছে দেখ কারেন্ট এ
- 5:02:37থেকে বিতে যাচ্ছে কারেন্ট এ থেকে বিতে
- 5:02:39যাচ্ছে আমরা কিন্তু একে ডিসি করে ফেলছি
- 5:02:44ডি করে ফেলছি এরকম ছিল সেটার এখন এরকম
- 5:02:48হয়ে গেছে। এটা ইনপুট
- 5:02:52আর এটা আউটপুট হয়ে গেছে। এটা আউটপুট শেষ।
- 5:02:59এটা হোমওয়ার্ক নিজে করবা।
- 5:03:04এবার দেখো এটা একটা সহজ সার্কিট। এরকম
- 5:03:07একটা ওই যে সম্মিলিত বোর্ড 18। 18 18
- 5:03:09সালের। এটা উদ্ভট কোশ্চেন আসছিল। তো কিছু
- 5:03:12না আহামরি করছে কঠিন কিছু না এটা ছয় ভোল্ট
- 5:03:14আছে এটাদুই ওহমদুই ওহমদুই ওহমের দুটো
- 5:03:17রোধকে সমান্তরালে যুক্ত এখানে একটা এলইডি
- 5:03:19বাল্ব এই চিত্র আর এই চিত্র সেম চিত্র
- 5:03:22দেওয়া আছে বলছে এক নং চিত্রের বর্তনীর ও
- 5:03:26আচ্ছা সেম চিত্র না এখানে একটু পার্থক্য
- 5:03:28আছে এখানে কিন্তু এইযে চিত্র আকা ঠিক নাই
- 5:03:30আকা ঠিক নাই মানে কি এখানে কিন্তু একটা
- 5:03:33এইযে এন গেট আছে আমি এই চিত্র একে দিচ্ছি
- 5:03:35এই চিত্র আকা ঠিক নাই এখানে প্রথমে আস এই
- 5:03:37সার্কিট এই সার্কিটে কোন গেটে কিছু নাই
- 5:03:40বলছে একং চিত্রের বর্তনীর মূল প্রবাহ বের
- 5:03:43করো। এটা কোন কথা? এক নং চিত্রের বর্তনীর
- 5:03:46মূল প্রবাহ বের করো যে ভাই এই যে এলইডি
- 5:03:48বাড়বে এলডি বাড়বে রোদ কত? এর রোদ অতি
- 5:03:50নগণ্য। যেহেতু রোদ দেয়নি। যেহেতু রোদ
- 5:03:52দেয়নি সেহেতু রোদ অতি নগণ্য। এখানেই করে
- 5:03:54ফেলি। গ নম্বর।
- 5:03:58তাহলে এটাছ ভোল্ট। দেখো এর কোন রোদ দেওয়া
- 5:04:00নেই। তাহলে ধরে নিব এর কোন রোধ নেই। আসলে
- 5:04:02রোদ অতি নগণ্য। তাহলে এটাছ ভোল্ট।
- 5:04:06এটাছ ভোল্ট। এটাদ ওহম।
- 5:04:10আর এখানে দুই ওহমের দুটো আছে দুই ওহমদুই
- 5:04:15ওহম কিসে আছে সমান্তরালে আছে এই
- 5:04:20সমান্তরালে আছে আর এখানে বাল্ব আছে
- 5:04:23বাল্বের রোধ অতি নগণ্য এটাদ ওহম এটাদ ওহম
- 5:04:27তাহলে দুই আর দুই সমান্তরালে এক তন তাহলে
- 5:04:30তুল্যরোধ তুল্যরোধ আর হবেদযোগ
- 5:04:34এক তহম তাহলে কারেন্ট আই হবে ভিবা আর শেষ
- 5:04:40ছয় ভাগনদু এম্পিয়ার কারেন্ট হবেদ এম্পিয়ার
- 5:04:43বর্তনের মূল প্রবাহ হচ্ছে দুই এম্পিয়ার
- 5:04:45এইযে মূল প্রবাহ বা মূল প্রবাহটা এদিক
- 5:04:48দিয়ে যাবে পজিটিভ থেকে মূল প্রবাহ আই ঠিক
- 5:04:51আছে
- 5:04:53আইড
- 5:04:55হয়ে গেল আচ্ছা এবার দুই নং চিত্রের এলইডি
- 5:04:59বাতি জ্বলবে কিনা ব্যাখ্যা করো দুই নং
- 5:05:02চিত্রের এলইডি বাতি এইযেদুই নং চিত্রের
- 5:05:04এলইডি বাতি এখানে কি আছে এখানে এইযে গেট
- 5:05:07আছে এইযে এটা এন্ড গেট
- 5:05:09দেন তার মাথায় একটা নট বসানো আসলে তো
- 5:05:12চিত্রটা এরকম আর কি এই
- 5:05:17দেন
- 5:05:21এই একটা রোধ
- 5:05:24আর এই একটা রোধ দুটো রোধ সমান্তরালে
- 5:05:28এই দুটো রোধের
- 5:05:33এই দুটো রোধের ইনপুটটাকে
- 5:05:36একটা এন গেটে দেওয়া আছে।
- 5:05:39দেন সেটা যেটা হবে সেটা একটা নট দেওয়া আছে
- 5:05:42নট গেট এইযেটা
- 5:05:44এর সামনে এখানে একটা নট দেওয়া আছে আর কি
- 5:05:47এরকম এটাকে এভাবে একে ফেলছে
- 5:05:51তো এটা দিয়ে তারপরে এলইডি বাল্বটা এই
- 5:05:56তাহলে এই যে এটা এন গেট তারপরে নট গেট
- 5:06:00এভাবে ছিল আর কি এন গেট তারপরে নট গেট
- 5:06:03এইযে এটা এন গেট তারপরে নট গেট আছে তাহলে
- 5:06:07ব্যাপারটা কি হবে
- 5:06:09[গলা পরিষ্কার করা]
- 5:06:10ভার্বটা জ্বলবে কিনা ভার্বটা জ্বলবে যদি
- 5:06:13এখানকার এখানকার দেখো এটা একটা গেটের মত
- 5:06:16এই যে এটা এ আর এটা বি এ ইনপুট বি ইনপুট
- 5:06:21আর এখান থেকে এই যে প্রথমে এটা হবে
- 5:06:25ওয়াই আর দেন ফাইনাল আউটপুট হবে ওয়াই
- 5:06:27প্রাইম বুঝতে পারতেছো এইযে এটা হবে ওয়াই
- 5:06:47এইযে এখানে হবে এটা হবে ওয়াই দেন ফাইনাল
- 5:06:51আউটপুট হবে ওয়াই প্রাইম ঠিক আছে এটাই এটাই
- 5:06:54এখন আমাদের হিসাব নিকাশ করে দেখতে হবে
- 5:06:59এই যে রোদটা দুই ওহম এটা দুই ওহম এটা দুই
- 5:07:03ওহম
- 5:07:04আর এই যে ব্যাটারিটা এটাছয় ভোল্টের
- 5:07:06ব্যাটারি। তো শোন এখানে কি হিসাব করব?
- 5:07:10দেখো বর্তনীর মূল প্রবাহ আমরা কত
- 5:07:13পাইছিলাম? দুই এম্পিয়ার না? তাহলে এর মধ্য
- 5:07:15দিয়ে এক এম্পিয়ার এর মধ্য দিয়ে এক
- 5:07:16এম্পিয়ার। এক এম্পিয়ার এক এম্পিয়ার। তাহলে
- 5:07:20চিন্তা করো এর মধ্যে কারেন্ট আছে কিনা?
- 5:07:22ইয়েস। হলে এক। কারেন্ট আছে কিনা? আছে।
- 5:07:25ইয়েস। হলে এক নো হলে জির। তাই না? আছে।
- 5:07:29এক। কারেন্ট আছে। কারেন্ট যাচ্ছে? হ্যা।
- 5:07:32তাহলে এক। আর কারেন্ট যদি না যায় তাহলে
- 5:07:34ইনপুট জিরো তাইতো লজিক জির বুঝতে পারছো
- 5:07:38তাহলে তুমি চিন্তা করো দেখো এটা এ আর এটা
- 5:07:42বি তাহলে আমি আমি একটু তোমারে বলি এ ও
- 5:07:49বি কারেন্ট আছে কারেন্ট ওয়ান এই ওয়ান
- 5:07:52কিন্তু ওয়ান অ্যাম্পিয়ার সেই ওয়ান না
- 5:07:54কিন্তু কারেন্ট যাচ্ছে কারেন্ট আছে কিনা
- 5:07:57ইয়েস ওয়ান কারেন্ট যাচ্ছে ইয়েস ওয়ান
- 5:08:01দুইটাই ওয়ান ওয়ান এটা কি এন গেট না এটা এন
- 5:08:07গেট না তাহলে ওয়ান ওয়ান হলে এটাও তো ইনপুট
- 5:08:10তো হবে ওয়ান ইনপুট ওয়ান হবে তার আবার নট
- 5:08:14নট মানে জির ইনপুট ওয়ান ওয়ও এর নট গেট নট
- 5:08:20গেট ওয় প্রাইম ওয় প্রাইম জির তাহলে
- 5:08:22বাল্বের এক্রসে বাল্বের আউটপুট কত আউটপুট
- 5:08:25জিরো আউটপুট জিরো হলে বাল্ব অফ শেষ কাহিনী
- 5:08:29খতম এটাই বোঝার ভাই এইটুকুই এইটুকুই এখন
- 5:08:32এইটুকুই এখন একটু মানে বড় করে লিখতে হবে
- 5:08:36কিভাবে একটা সত্য সারণী বানা ফেলতে হবে
- 5:08:39একটা সত্য সারণী বানা ফেলতে হবে সত্য
- 5:08:42সারণীতে এটা এ হবে এটা বি হবে এটা ওয়াই
- 5:08:46হবে লাস্টে ওয়াই প্রাইম হবে
- 5:08:49তাহলে লজিক চারটা
- 5:08:52জও
- 5:08:54জও আস দেখ কি হয় জির এটা কিন্তু এন্ড গেট
- 5:08:59তারপরে নট গেট জিরো জিরো হলে জিরো
- 5:09:03ঠিক আছে আরও প্রাইম তখন হবে ওয়ান জওয় এন
- 5:09:07গেটে জওয় জির ওয়ান ও জও
- 5:09:13ওও এন গেটে দুটোই থাকতে হবে এন গেটে কি
- 5:09:17করতে হবে দুটোই থাকতে হবে অর গেটে যেকন
- 5:09:19একটা থাকলে হবে যদি অর গেট হইতো তাহলে
- 5:09:22জওয়ান ওয়ান হইতো জয় হইতো ওয়ান হইতো কিন্তু
- 5:09:26এটা এন গেট এন গেটে জ জও জও জও ওও
- 5:09:35তাহলে এটা ওয়ান আর ওই প্রাইম নট গেট এটা
- 5:09:38এন গেট
- 5:09:40আর এটা নট গেট তাহলে নট গেট এটা যদি এক হয়
- 5:09:44তাহলে এটা হয়ে যাবে জির এবার দেখতো আমাদের
- 5:09:46এখানে এটা কোন লজিক এখানে এই লজিকটা এই
- 5:09:50লজিকটা এটা দেখ এও দেখ এও কারেন্ট আছে
- 5:09:56কারেন্ট আছে ইয়েস বলে ওয়ান বিও কারেন্ট
- 5:09:59আছেস বলে ওয় তাহলে এওয়ান বি ওয়ান তাহলে
- 5:10:03দেখতো ফাইনাল আউটপুট ওয়াই প্রাইম কত তাহলে
- 5:10:05তখন ওয়াই হয়ে যাবে ওয়ান আর ওয়াই প্রাইম
- 5:10:09হবে জিরওয় প্রাইম জির মানে নো কারেন্ট নেই
- 5:10:13কারেন্ট নেই নো মানে কারেন্ট আর নেই তাহলে
- 5:10:16বাল্বের এক্রসে কারেন্ট নেই এই বাল্বটার
- 5:10:18এক্রসে কারেন্ট নেই কারেন্ট ঢুকছে না
- 5:10:20তাহলে কারেন্ট যেহেতু নেই তাহলে বাল্ব অফ
- 5:10:23উদ্দীপকের বাল্বটা অন হবে না অফ হবে অফ
- 5:10:26থাকবে শেষ
- 5:10:28সৃজনশীল প্রশ্ন ডান
- 5:10:30আরে মজা তো সৃজনশীল প্রশ্ন শেষ
- 5:10:35তাহলে এবার গেটাঘেট কয়েকটা এমসিকউ আরে
- 5:10:38এমসিকউ খুবই সহজ
- 5:10:41হয়ে গেছে আমাদের এমসিকিউ খুবই খুবই সহজ
- 5:10:46ওকে নিচের কোনগুলি অর্ধপরিবাহক সিলিকন
- 5:10:50জারমেনিয়াম কার্বন সিলিকন জার্মেনিয়াম
- 5:10:54কার্বন এই যেটা
- 5:10:56যোজন ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে
- 5:10:58ফাঁকা থাকে ফাঁকা থাকে না নিজের কোনটিতে
- 5:11:01ফাঁকা থাকে না ওভারল্যাপ করে কোনটিতে
- 5:11:03পরিবাহীতে পরিবাহী কোনটা পরিবাহী তামা তাম
- 5:11:06হয়ে গেছে এটা তামা ওকে অর্ধপরিবাহীর
- 5:11:09আপেক্ষিক রোধের মান কত এগুলো একটু মুখস্ত
- 5:11:12করতে হবে বই থেকে অর্ধপরিবাহীর আপেক্ষিক
- 5:11:14রোদের মান 10 টু দি পাওয়ার মাইনাসফ ওহম
- 5:11:16মিটার এটা মুখস্ত করে নিবা একটু হ্যা এ
- 5:11:18বইয়ে কিছু তথ্য আছে তাপমাত্রা বৃদ্ধি
- 5:11:20পেলে পরিবাহীর পরিবাহকত্ব কিভাবে কিভাবে
- 5:11:23তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে পরিবাহীর পরিবাহীর
- 5:11:26রোধ বাড়ে
- 5:11:27রোদ বাড়ে তাহলে রোধ যদি বাড়ে তাহলে
- 5:11:32পরিবাহকত্ব কি হবে? পরিবাহকত্ব কোনটা?
- 5:11:37আপেক্ষিক রোধের উল্টাটা। ঠিক আছে?
- 5:11:40আপেক্ষিক রোধের উল্টাটা। সিগমার উল্টাটা।
- 5:11:43তাহলে আপেক্ষিক রোধ। রোধ তো বাড়ে। রোধ কি
- 5:11:47হয়? বাড়ে। তাহলে পরি বহুগত কি হবে? কমবে।
- 5:11:52বুঝছো জি যেমন আর এর উল্টাটা জি কি
- 5:11:56পরিবাহিতা পরিবাহিতা রোধের উল্টা আর
- 5:11:59পরিবাহকত্ব আপেক্ষিক রোধের উল্টা সিগমা
- 5:12:01দিয়ে লেখা হয় তাহলে রোধ বাড়ে পরিবাহকত্ব
- 5:12:04কমে আপেক্ষিক রোধ বাড়বে পরিবাহকত্ব কমবে
- 5:12:06তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে তাহলে কি হবে হ্রাস
- 5:12:09পাবে তাহলে কি হবে হ্রাস পাবে
- 5:12:13পরিবাহীর তাপমাত্রার সাথে পরিবাহিতার
- 5:12:16সম্পর্ক নিচের কোনটি পরিবাহীর তাপমাত্রার
- 5:12:19সাথে পরিবাহিতার সম্পর্ক জি এর সাথে তো
- 5:12:22দেখো রোধের সাথে তাপমাত্রার সম্পর্ক
- 5:12:24সমানুপাতিক। আর এর সাথে তাপমাত্রার
- 5:12:26সম্পর্ক সমানুপাতিক। তাহলে জি এর সাথে হবে
- 5:12:29ব্যস্তানুপাতিক। তাহলে আর এর সাথে
- 5:12:31তাপমাত্রার সম্পর্ক হবে ব্যস্তানুপাতিক।
- 5:12:33মানে জি এর সাথে তাপমাত্রার সম্পর্ক হবে
- 5:12:35ব্যস্তানুপাতিক। তাহলে জি ও তাপমাত্রা
- 5:12:39জি ও তাপমাত্রা
- 5:12:41ব্যস্তানুপাতিক।
- 5:12:44ব্যস্তানুপাতিক।
- 5:12:46ব্যস্তানুপাতিক।
- 5:12:48তাহলে ব্যস্তানুপাতিক কোথায় আছে?
- 5:12:50সমানুপাতিক
- 5:12:52উঠে গেছে উঠে গেছে ব্যস্তানুপাতিক এই
- 5:12:54একটাই আছে তাহলে ওটাই হবে যোজন ব্যান্ড ও
- 5:12:57পরিবহন ব্যান্ডের মধ্য ব্যান্ডের ইলেকট্রন
- 5:12:59সংখ্যা সমান থাকে কিসে পরিবাহিতে
- 5:13:02পরিবাহিতে ওভারল্যাপ করে যোজন ব্যান্ডের
- 5:13:05উপরেই পরিবহন ব্যান্ড পড়ে যায় তাহলে
- 5:13:07ওভারল্যাপ করে তাহলে পরিবাহিতে একটি
- 5:13:09পদার্থের যোজন ব্যান্ড প্রায় পূর্ণ এবং
- 5:13:11পরিবহন ব্যান্ড প্রায় খালি যোজন ব্যান্ড
- 5:13:15পূর্ণ পরিবহন ব্যান্ড খালি ব্যান্ড দুটির
- 5:13:17শক্তি ব্যবধান খুবই বেশি
- 5:13:19পদার্থটি হলো খুবই বেশি যদি হয় শক্তি
- 5:13:22ব্যবধান যদি বেশি হয় তাহলে অন্তরক খুবই
- 5:13:25বেশি নিচের কোনটি অন্তরুক জার্মেনিয়াম
- 5:13:29রুপাতামা হীরক জারমেনিয়াম রুপাতামা হীরক
- 5:13:32হীরক
- 5:13:34নিচের কোনটির ক্ষেত্রে যোজন ব্যান্ড এবং
- 5:13:36পরিবহন ব্যান্ডের ইলেকট্রনের শক্তির
- 5:13:37উপরিপাতন ঘটে ওভারল্যাপ করে পরিবাহী
- 5:13:42ওভারল্যাপ করে পরিবাহী সিলিকনের জন্য যোজন
- 5:13:45ব্যান্ড ও পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে শক্তি
- 5:13:46ব্যবধান কত সিলিকন জার্মেনিয়ামের জন্য
- 5:13:48যোজন ন্ড এবং পরিবহন ব্যান্ডের মধ্যে
- 5:13:50শক্তি ব্যব ইলেকট্রো ভোল্টের কম বা সমান
- 5:13:53ঠিক আছে এটা কিন্তু আমরা লিখে দিছি তাহলেও
- 5:13:56পও ইলেকট্রো ভোল্ট কম বা সমান আর কি
- 5:13:58সিলিকনের জন্য নি ভোল্টেজ কত এইযেনি
- 5:14:01ভোল্টেজ নি ভোল্টেযে অপারেটিং ভোল্টেজটাই
- 5:14:04নি ভোল্টেজ তাহলে কত 07 ভ্যান্ড
- 5:14:09তত্ত্বের আলোকে কোন পদার্থের মধ্যবর্তী
- 5:14:12শক্তি ব্যবধান অনধিক 1.1 ইলেকট্রো ভোল্ট
- 5:14:16অনধিক
- 5:14:17অনধিক মানে 1.1 ইলেকট্রো ভোল্টের বেশি না
- 5:14:20কম তাহলে এই যে কম অনধিক বুঝছো অধিক না
- 5:14:261.1 ইলেকট্রো ভোল্ট এটা কম হচ্ছে কার জন্য
- 5:14:30অর্ধপরিবাহীর জন্য এখন কে এখানে
- 5:14:32অর্ধপরিবাহী আছে খুঁজে বের করো
- 5:14:34অর্ধপরিবাহী আছে সিলিকন
- 5:14:37অর্ধপরিবাহীর বৈশিষ্ট্য নয় কোনটি
- 5:14:39তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে রোদ হ্রস পাই এটা
- 5:14:41সত্যি গঠন ক্লাস আকৃতির হ্যা ক্রিস্টাল
- 5:14:44আকৃতির আপেক্ষিক 10 টু পাওয়ার মাইনাসফ ওম
- 5:14:46মিটার থেকে 0
- 5:14:47মিটার পরিবহন ব্যান্ডে প্রচুর মুক্ত
- 5:14:49ইলেকট্রন থাকে মামার বাড়ি পরিবহন
- 5:14:51ব্যান্ডে প্রচুর মুক্ত ইলেকট্রন থাকে না
- 5:14:52তো
- 5:14:56অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে শক্তি ব্যবধান
- 5:14:58অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রে না এটা মিথ্যা কথা
- 5:15:01অর্ধপরিবাহীর ক্ষেত্রেছয় থেকে 15 না
- 5:15:03অর্ধপরিধ পরিবাহীর ক্ষেত্রেও পয়েন্টও
- 5:15:04তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে রোধ রোধকতা হ্রাস
- 5:15:07পায় রোদ হ্রাস পায় হ্যা হ্রাস পাই সত্যি
- 5:15:09কথা তাপমাত্রা বৃদ্ধি করলে রোদ্র হ্রাস
- 5:15:12পায় পরম শূন্য তাপমাত্রায় অপরিবাহী
- 5:15:14ন্যায় আচরণ করে হ্যাঁ এটা সত্য কথা এটা
- 5:15:16দেখবা বইতে
- 5:15:18পরম শূন্য তাপমাত্রায় অপরিবাহী ন্যায়
- 5:15:20আচরণ করে এটা তো এমনি বোঝা যায় কেন পরম
- 5:15:23শূন্য তাপমাত্রা কি মাইনাস 273 ডিগ্রি
- 5:15:25সেলসিয়াস জিরো কেলভিন তার মানে কক্ষ
- 5:15:27তাপমাত্রার নিচে তো কক্ষ তাপমাত্রার নিচে
- 5:15:29সেটা কিসের মত কাজ করে ইনসুলেটর মত কাজ
- 5:15:30করে অন্তরকের মত কাজ করে তাহলে দুই আর তিন
- 5:15:33সঠিক দুই আর তিন সঠিক নিষিদ্ধ শক্তি
- 5:15:36ব্যান্ড থাকে কার নিষিদ্ধ শক্তি ব্যান্ড
- 5:15:39থাকে পরিবহন ব্যান্ড এবং যোজন ব্যান্ডের
- 5:15:41মধ্যে ফাঁকা কার থাকে অর্ধপরিবাহিতা আর
- 5:15:43অন্তরকী দুই আর তিন নিচের কোনটি সঠিক
- 5:15:46পরিবাহিত থাকে না না থাকে না কারণ
- 5:15:48পরিবাহিত ওভারল্যাপ হয় মাঝখানে ফাঁকা
- 5:15:50থাকে না তো ওভারল্যাপ হয়
- 5:15:53বিশুদ্ধ সিলিকন ক্লাসের সাথে কোন অপদ্রব্য
- 5:15:56যোগ করলে ওয়ার্ড পি টাইপ হবে তাহলে পি
- 5:15:58টাইপ হচ্ছে পঞ্চজি মৌল অ্যালুমিনিয়াম
- 5:16:00বোরন ঠিক আছেসার হচ্ছে বোরন বোরন বোরন পি
- 5:16:05টাইপ অর্ধপরিবাহী তৈরিতে কোন মৌলটি ডপিং
- 5:16:07করা হয় পি টাইপ পি টাইপে ইন্ডিয়াম এগুলো
- 5:16:11একটু বই থেকে পড়বা কিন্তু হ্যা পি টাইপের
- 5:16:13জন্য কি কি লাগে ইন্ডিয়াম
- 5:16:16তারপরে পর্যায়সারণীর কোন মৌলটি ব্যবহার
- 5:16:18করে এন টাইপ অর্ধপরিবাহী পঞ্চযোজী এখন
- 5:16:20পঞ্চযোজি কোনটা বিসমাত আরসেনিক এগুলা
- 5:16:23বিসমাত আরসেনিক একটি এন টাইপ অর্ধপরিবাহীর
- 5:16:26বৈশিষ্ট্য হলো এন টাইপ অর্ধপরিবাহীতে দেখি
- 5:16:28তো কি হয় এটি ঋণাত্মক চার্জ গস্ত না
- 5:16:32ঋণাত্মক চার্জ না এটি আধান নিরপেক্ষ কেন
- 5:16:36অনেকে ভাই এন টাইপ অর্ধপরিবাহী আমি
- 5:16:37দেখাইছি কিন্তু এটা কিন্তু করে দেখাইছি
- 5:16:39কিউ জির পি টাইপ বল এন টাইপ বল কিউ কিন্তু
- 5:16:42জির এখন যার মেজরিটি চার্জ ক্যারিয়ার
- 5:16:44যেটা সেই সেই অনুযায়ী নাম হবে। বুঝতে
- 5:16:47পারছো? যার মেজরিটি চার্জ যেটা সেই
- 5:16:49অনুযায়ী নাম হবে। তাহলে এটা আধার
- 5:16:51নিরপেক্ষ। এটা সত্য কথা। একটি অপদ্রবযুক্ত
- 5:16:55অর্ধপরিবাহী পি অথবা এন ধরণ নির্ণয় করা
- 5:16:59হয়। নির্ণয় করা হয় ওর তাপের ধারকত্ব মেপে
- 5:17:03বিদ্যুৎ পরিবাহিতা মেপে ওর রোধের সহগ মেপে
- 5:17:06হল ইফেক্ট পরীক্ষার সাহাযে রোধের সহগ
- 5:17:08মেপে। রোধের সহগ মেপে একটি অপদ্রব্যযুক্ত
- 5:17:11অর্ধপরিবাহী
- 5:17:13পি অথবা এন ধরণ নির্ণয় করা যায়।
- 5:17:16অর্ধপরিবাহী পি নাকি এন এই ধরণ নির্ণয়
- 5:17:19করা যায়
- 5:17:23ওয়ার রোধের সহগ মেপে। এটাই মনে হয় হবে।
- 5:17:26আমি নট সিওর। এটা জ্ঞানমূলক কোশ্চেন। আমি
- 5:17:28একটু দেখে নিই। আবার ভুল না হয়ে যায়।
- 5:17:31জ্ঞানমূলক কোশ্চেন। কত নম্বর? 27
- 5:17:35এমসিকিউ 27।
- 5:17:40সরি হল ইফেক্ট পরীক্ষার সাহায্যে হল
- 5:17:43ইফেক্ট পরীক্ষার সাহায্যে আচ্ছা পি টাইপ
- 5:17:45আর ও হ্যা হ্যা এটা পারলাম না
- 5:17:49ওই যে আমরা চতুর্থ অধ্যায় পড়ছিলাম যে
- 5:17:53আদানবাহক পি টাইপ নাকি এন টাইপ আদানবাহক
- 5:17:56হোল নাকি ইলেকট্রন আদানবাহক পজিটিভ নাকি
- 5:17:59নেগেটিভ এটা নির্ণয় করা হয় হল ইফেক্ট
- 5:18:01পরীক্ষার মাধ্যমে হল ইফেক্ট পরীক্ষার
- 5:18:03মাধ্যমে নিচের পি বিন্দুর বিভবের নাম কি
- 5:18:06কোথায় পবি বিন্দু
- 5:18:07বিন্দু জেনার বিভব বা ব্রেকডাউন ভোল্টেজ
- 5:18:10বাংলায় বললে বিনাশী বিভব ব্রেকডাউন
- 5:18:12ভোল্টেজ
- 5:18:15ব্রেকডাউন ভোল্টেজ ওকে ব্রেকডাউন ভোল্টেজ
- 5:18:19পিএন জাংশনের সংযোগস্থলে ডিপ্লেশন স্তর
- 5:18:22মানে নিঃশ্েষিত স্তর সৃষ্টির কারণ হল
- 5:18:26আদানবাহকের ব্যাপন ওই যে ব্যাপন মানে কি
- 5:18:28এপাশের ইলেকট্রন ওই পাশে হোলে গিয়ে বসে
- 5:18:30পড়ছে এই যে ইলেকট্রনগুলো এই পাশের হোল বা
- 5:18:33ভ্যাকানন্টে গিয়ে কি করছে বসে পড়ছে এটা
- 5:18:35একটা ব্যাপন প্রক্রিয়া তাহলে আদান বাহকের
- 5:18:38ব্যাপন ব্যাপনের মাধ্যমে ইলেকট্রনগুলো
- 5:18:40ছড়ায়ে খোল বা ফাঁকা স্থানে গিয়ে বসে
- 5:18:42পড়ছে। ডায়োডের পিএন জংশনে বহিষ্ঠ
- 5:18:45ভোল্টেজ প্রয়োগ করা না হলে ওহার
- 5:18:47নিঃশ্েষিত অঞ্চলে থাকে আমি যদি বহিষ্ঠ
- 5:18:49ভোল্টেজ যদি প্রয়োগ না করি বাইরে থেকে
- 5:18:52যদি ভোল্টেজ আমি না দিই তাহলে তাহলে করো
- 5:18:55না হলে ওহার নিঃশ্েষিত অঞ্চলে কি থাকে?
- 5:18:57নিঃশেষিত অঞ্চলে শুধুমাত্র চার্জ থাকে। ওই
- 5:19:00যে গোল্লাগুলা নিঃশেষিত অঞ্চলে কি থাকে?
- 5:19:02নিশেষিত অঞ্চলে এই যে নিঃশেষিত অঞ্চল
- 5:19:06এপাশে হচ্ছে প্লাস আয়ন থাকে আর এপাশে
- 5:19:10থাকে মাইনাস আয়ন এখানে কোন চার্জ
- 5:19:12ক্যারিয়ার থাকে না শুধু হোল থাকে নো শুধু
- 5:19:15আয়ন থাকে তারপরে শুধু ইলেকট্রন থাকে
- 5:19:18ইলেকট্রন হোল উভয় থাকে না ইলেকট্রন হোলও
- 5:19:20থাকে না শুধু ইলেকট্রনও থাকে না শুধু হোলও
- 5:19:22থাকে না শুধু আয়নই থাকে কোন চার্জ
- 5:19:25ক্যারিয়ার থাকে না নিচের কোনটি ডায়োডের
- 5:19:27সম্মুখী যোগ নির্দেশ করে এই যে ডায়োড এই
- 5:19:29পাশে থাকবে উচ্চ ওপাশে থাকবে নিম্ন এইযে
- 5:19:31এটা সম্মুখী শেষ
- 5:19:32দেখে ফেলছি এটা প্লাস ওয়ান ওটা মাইনাস
- 5:19:34ওয়ান তাহলে এটা উচ্চ বিভব এটা নিম্ন বিভব
- 5:19:37শেষ উচ্চ বিভব থেকে নিম্ন বিভব কারেন্ট
- 5:19:40যাবে মিলে গেছে এটা মাইনাস ওয়ান ওটা প্লাস
- 5:19:42টু না এটা মাইনাস ওয়ান ওটা জির না এটা
- 5:19:44নিম্ন ওটা উচ্চ হয়ে গেল হয় না মাইনাসদ
- 5:19:47প্লাস ওয় না প্লাস ওয় মাইনাস ওয়ান না সরি
- 5:19:50এইযে এটাতো উত্তর সরি এটা হ্যা ওকে
- 5:19:56অর্ধপরিবাহী ডায়োডে ডায়োড বিমুখী ঝোকে
- 5:19:59থাকাকালে বিমুখী ভোল্টেজ বৃদ্ধি করলে একটি
- 5:20:02বিশেষ ভোল্টেজ প্রবাহমাত্রা
- 5:20:04অনিয়ন্ত্রিতভাবে বেড়ে যায় সেটি হল
- 5:20:07বল ব্রেকডাউন ভোল্টেজ কোনটা সেটা জেনার
- 5:20:11ভোল্টেজ ব্রেকডাউন ভোল্টেজ শেষ
- 5:20:15এবার দেখ এখানে কিছু ভোল্টেজের কথা লেখা
- 5:20:16আছে এগুলো একটু পড়বা অপারেটিং ভোল্টেজ
- 5:20:19কাকে বলে সম্মুখী ঝোকে কোষের যে বিভব যে
- 5:20:23বিভব থেকে তড়িৎ প্রবাহ শুরু হয় সেই
- 5:20:25বিভবকে ডায়োডের অপারেটিং ভোল্টেজ বলে
- 5:20:27যেমন সিলিকনের জন্য 07 জার্মেনিয়ামের
- 5:20:29জন্য 03 সূচন বা কাটিন ভোল্টেজ। ঠিক আছে?
- 5:20:34তো কাটিন ভোল্টেজ বা থ্রেশর ভোল্টেজ কি?
- 5:20:37সম্মুখ যোগে কোষের যে বিভবের পর থেকে
- 5:20:39সূচকীয় হারে তড়িৎ প্রবাহ শুরু হয় তাকে
- 5:20:43তাকে হচ্ছে এই যে অপারেটিং ভোল্টেজ নি
- 5:20:46ভোল্টেজ। নি ভোল্টেজ এটাই দেখ নি ভোল্টেজ।
- 5:20:49বাথ্রেশ ভোল্টেজ। এই যে ভোল্টেজের পর থেকে
- 5:20:52সূচকীয় হারে বাড়ে। এইযে দেখ এই ভোল্টেজের
- 5:20:54পর থেকে সূচকীয় হারে বাড়ছে। তো যে
- 5:20:56ভোল্টেজের পর থেকে সূচকীয় হারে বাড়ে তাকে
- 5:20:59বলা হয় নি ভোল্টেজ। নি মানে দেখো এটা মনে
- 5:21:01হয় না আমরা একটু হাঁটু ভাজ করে বসলে মনে
- 5:21:03হয় না কেউ একজন এখানে হাঁটু ভাজ করে বসে
- 5:21:04পড়ছে এইযে হাঁটু ভাজ করা ভোল্টেজ তো এটাকে
- 5:21:07বলা হয় নি ভোল্টেজ আর কি তারপরে লিকেজ
- 5:21:11প্রবাহ বা দ্বিমুখী সম্পৃক্ত প্রবাহ লিকেজ
- 5:21:13প্রবাহ দেখাইছি জেনার ক্রিয়া বা জেনার
- 5:21:16ভোল্টেজ দেখাইছি তো এটা একটু পড়বা বুঝ
- 5:21:18এগুলো এমসিকউর জন্য একটু পড়ে রাখবা এখানে
- 5:21:20দেওয়া আছে সুন্দর করে
- 5:21:22নিচের ডায়োড বরাবর ভি আউটপুটের আসন্ন মান
- 5:21:26কত হবে ডায়োড বরাবর ভি আউটপুটের আসন্ন এই
- 5:21:30যে এটা একটা ডায়োড। এত ছোট করে কেন আখছে?
- 5:21:33এটা একটা ডায়োড। ডায়োড বরাবর আসন্ন মান কত
- 5:21:37হবে?
- 5:21:40এটা আর আর
- 5:21:43নিচের ডায়োড বরাবর ভি আউটপুটের আসন্ন মান।
- 5:21:48ডায়োড বরাবর ভি আউটপুটের আসন্ন মান কত
- 5:21:50হবে?
- 5:21:57হুম।
- 5:22:00নিচের ডায়োড বরাবর ভি আউটপুটের আসন্ন মান।
- 5:22:05এটাই তো ডায়োড। এই ডায়োড বরাবর ভি
- 5:22:08আউটপুটের আসন্ন মান কত হবে? এখান থেকে
- 5:22:11কারেন্ট এটা প্লাস এটা মাইনাস। তো কারেন্ট
- 5:22:14তো যাবেই না। দেখো এটা এটা এইযে বাধা। এটা
- 5:22:18কোন বায়াসে আছে? এটা প্লাস। এটা মাইনাস।
- 5:22:20তাহলে প্লাস আর এটা মাইনাস। এতো রিভার্স
- 5:22:23বায়াস। তাহলে রিভার্স বায়াসে কোন কারেন্ট
- 5:22:26ফ্লো হবে না। কারেন্ট যদি ফ্লো না হয়
- 5:22:30তাহলে এর মধ্য দিয়ে কোন কারেন্ট যাবে না।
- 5:22:32এর মধ্য দিয়ে কোন কারেন্ট যাবে না। এই যে
- 5:22:34এরকম ওপেন হয়ে থাকবে। তাহলে এর দুই
- 5:22:36প্রান্তের ভোল্টেজ কত? এর দুই প্রান্তের
- 5:22:38ভোল্টেজ হচ্ছে সাপ্লাই ভোল্টেজ 10 ভোল্ট
- 5:22:39সমান। কেন? কারণ এর মধ্য দিয়ে কোন কারেন্ট
- 5:22:41নাই। আইজ এর মধ্য দিয়ে কোন কারেন্ট নাই।
- 5:22:44আই জির। তাহলে এই দুই বিন্দুর ভোল্টেজ
- 5:22:46মানে এই ভোল্টেজ। ঠিক আছে? এই দুই বিন্দুর
- 5:22:49ভোল্টেজ বি আউটপুট মানে 10 ভোল্ট। বুঝতে
- 5:22:51পারতে দেখলেই বোঝা যাচ্ছে। তাহলে এন্সার
- 5:22:54হচ্ছে 10 ভোল্ট। ওকে
- 5:22:58জেনার জার্মেনিয়ামের তৈরি
- 5:23:02একটি পিএন ডায়োডের সম্মুখী ঝোকে সংযুক্ত
- 5:23:05করায় নিচের আইভি লেখচিত্র পাওয়া গেল।
- 5:23:08ওইয
- 5:23:10লেখচিত্র ওপি দ্বারা নির্দেশিত বিভবকে কি
- 5:23:12বলে? ওপি অপারেটিং ভোল্টেজ।
- 5:23:15ওপি অপারেটিং ভোল্টেজ বা ব্যারিয়ার
- 5:23:17পটেনশিয়াল। বায়াসিং ভোল্টেজ, বিভব বাধা
- 5:23:21ভোল্টেজ, হল ভোল্টেজ, বিনাশী ভোল্টেজ,
- 5:23:23বিভব বাধা ভোল্টেজ মানে ব্যারিয়ার
- 5:23:25পটেনশিয়াল। তাই না? এটা দুইটা নাম আছে।
- 5:23:27এইযে ওপি ওপি এটা হচ্ছে ব্যারিয়ার
- 5:23:31পটেনশিয়াল।
- 5:23:33ব্যারিয়ার
- 5:23:35পটেনশিয়াল।
- 5:23:37ঠিক আছে? ব্যারিয়ার পটেনশিয়াল। আরেকটা কি
- 5:23:39জানলাম? আরেকটা হচ্ছে অপারেটিং ভোল্টেজ।
- 5:23:42অপারেটিং ভোল্টেজ।
- 5:23:46ওকে? তাহলে ব্যারিয়ার মানে কি? বিভব বাধা।
- 5:23:49বিভব বাধা ভোল্টেজ। সেমিকন্ডাক্টর ডায়োডকে
- 5:23:53কি বলা হয়? সেমিকন্ডাক্টর ডায়োডকে কি বলা
- 5:23:57হয়? এমপ্লিফায়ার, রেকটিফায়ার,
- 5:23:59ট্রান্জিস্টর, ফিল্টার, রেকটিফায়ার।
- 5:24:02সেমিকন্ডাক্টর ডায়োড। একটা ডায়োড। একটা
- 5:24:04ডায়োড যদি থাকে একটা সার্কিটে। একটা ডায়োড
- 5:24:07যদি যুক্ত করে দেওয়া হয় তাহলে এটা কি
- 5:24:09হিসেবে কাজ করে? এটা রেকটিফায়ার হিসেবে
- 5:24:11কাজ করে। রেকটিফায়ার। শুধু ডায়োড থাকলে
- 5:24:15রেকটিফায়ার। এটা অ্যামপ্লিফায়ার না
- 5:24:17ট্রান্জিস্টর না ফিল্টার না কি ডায়োড
- 5:24:19থাকলে রেক্টিফায়ার নিচের কোন ডিভাইসটি
- 5:24:24পরিবর্তী প্রবাহকে একমুখী প্রবাহে পরিণত
- 5:24:26করে ডায়োড এই যে এটা গ ডায়োড এটা ডায়োড না
- 5:24:29এটাও ডায়োড না এটাও ডায়োড না এটা হচ্ছে নট
- 5:24:31গেট
- 5:24:33পূর্ণ তরঙ্গ রেক্টিফায়ারের সর্বোচ্চ কতটি
- 5:24:35ডায়োড ব্যবহার করা যায় পূর্ণ তরঙ্গ
- 5:24:37রেকটিফায়ারের সর্বোচ্চ দুটো যায় দুটো যায়
- 5:24:40চারটাও যায় তাহলে সর্বোচ্চ কত সর্বোচ্চ
- 5:24:43চারটা আর সর্বনিম্ন কত সর্বনিম্ন
- 5:24:47পূর্ণ তরঙ্গ রেখে আর একমুখী অর্ধতরঙ্গতে
- 5:24:50একটা অর্ধতরঙ্গতে জাস্ট একটা সর্বোচ্চ
- 5:24:53কয়টা যায় চারটা
- 5:24:56চারটা ব্যবহার করলে তাকে কি বলা হয় ব্রিজ
- 5:24:58রেক্টিফায়ার বলা হয় ওকে নিম্নের বর্তনীর
- 5:25:02আউটপুট কোনটি আউটপুট এইযে এর আউটপুট তাহলে
- 5:25:06এটা ভি ইনপুট একটা আছে একটা তাহলে এটা
- 5:25:10একমুখী কারক হবে এইযে এরকম নাই এরকম নাই
- 5:25:14ঠিক আছে
- 5:25:16কই এটা এইযেভি আউটপুট ও না এটা তো প্রথমে
- 5:25:19জিরো তারপরে এটা আসলে উত্তর নাই এটার
- 5:25:22উত্তর নাই
- 5:25:24উত্তর নাই এটা হবে এটা তো নাই দেখ অপশনে
- 5:25:27নাই এটার উত্তর নাই আসলে উত্তর নাই হ্যা
- 5:25:31একটি 1.5 ভোল্ট
- 5:25:34বাল্ব একটি ডায়োডের সাথে দুটি 15 ভোল্ট
- 5:25:38এসি এবং দুটি 15 ভোল্ট ডিসিতে চিত্র
- 5:25:41অনুযায়ী বিভিন্ন সংযোগে যুক্ত করা হল এটা
- 5:25:43খুবই সুন্দর একটা
- 5:25:45মানে কোশ্চেন এই যে এই একটা হচ্ছে
- 5:25:51সরি এই যে এটা হচ্ছে বাল্ব এটা হচ্ছে বাল
- 5:25:54বাল বাল এইটা হচ্ছে ডিসি ডিসি এসি এসি দেখ
- 5:25:59এইযে এসি এসি ডিসি ডিসি আমাদের কি বলছে 15
- 5:26:03ভোল্টের এসি ও ডিসিতে যুক্ত করা হয়েছে আর
- 5:26:061.5 ভোল্টের বাল্ব বাল 1.5 ভোল্টের
- 5:26:11ভোল্টের 1.5 ভোল্টের
- 5:26:14ভল্ট কোন বর্তনীতে বাল্বটি একেবারেই
- 5:26:18জ্বলবে না? একেবারেই জ্বলবে না। দেখো
- 5:26:22এসিতে কিন্তু জ্বলবে। এদিক দিয়ে দেখো যখন
- 5:26:25পজিটিভ হাফ সাইকেল ডায়োডটা যেভাবে আছে
- 5:26:27পজিটিভ হাফ সাইকেল বাধা পেয়ে গেছে। এদিক
- 5:26:29দিয়ে যখন কারেন্ট ঘুরবে বাধা পেয়ে গেছে।
- 5:26:31এদিক দিয়ে যখন কারেন্ট ঘুরবে তখন জ্বলবে
- 5:26:33না। কিন্তু এদিক দিয়ে যখন আসবে তখন কিন্তু
- 5:26:35জ্বলবে। তাহলে এটা জ্বলবে। এটা কিন্তু
- 5:26:38জ্বলবে। নেগেটিভ হাব সাইকেলে জ্বলবে। কখন?
- 5:26:41নেগেটিভ হাব সাইকেলে।
- 5:26:43নেগেটিভ হাফ সাইকেলে জ্বলবে। এটা এটা
- 5:26:46পজেটিভ হাফ সাইকেলেই জ্বলবে। দেখো এই দিক
- 5:26:48দিয়ে জ্বলবে। ঠিক আছে? এটা পজেটিভ হাফ
- 5:26:50সাইকেলে জ্বলবে।
- 5:26:52এটা জ্বলবে
- 5:26:55পজিটিভ হাফ সাইকেলে।
- 5:26:58পজেটিভ হাফ সাইকেলে জ্বলবে। এইবার আসো
- 5:27:00এইটা। এইটা হ্যা সবসময় জ্বলবে। এই দেখো
- 5:27:03সবসময় জ্বলবে। এই দেখো কারেন্ট এইদিক
- 5:27:05দিয়ে যাচ্ছে। মিলে গেছে। সবসময় জ্বলবে।
- 5:27:07কিন্তু এইবার থাকো। এটা প্লাস এটা মাইনাস।
- 5:27:10কারেন্ট এইদিক দিয়ে যাবে। মিলল এটা তো
- 5:27:12রিভার্স ব্যায়াসে আছে। তাহলে এটা
- 5:27:14একেবারেই জ্বলবে না। একেবারেই জ্বলবে না।
- 5:27:16রিভার্স ব্যায়াস।
- 5:27:19উদ্দীপকের একটি ডায়োডের আইভি লেখচিত্র
- 5:27:21দেখানো হলো। ডায়োডের গতিয়ী কত? গতিয়ী
- 5:27:23এই যে ভোল্টেজ ডলভি
- 5:27:26আর কারেন্ট ডল আই। তাহলে গতীয়রোধ বের
- 5:27:30করবা। আর ইকয়ালটু
- 5:27:32ডলভি বাই ড আই। নিজেরা পারবা। আশা করি দুই
- 5:27:36আসবে। করে দেখো।
- 5:27:38ঠিক আছে? একটা প জাংশন ডায়োডে এত ভোল্ট
- 5:27:42বিভব পার্থক্যে পরিবর্তনের জন্য এত
- 5:27:45মিলিঅম্পিয়ার তড়িৎ প্রবাহের পরিবর্তন
- 5:27:46পাওয়া গেল। ডায়োডের গতি অনুরোধ হোমওয়ার্ক।
- 5:27:49বিমুখী যোগের বৈশিষ্ট্য বিমুখী যোগে কি
- 5:27:52হয়? বিমুখী যোগে বিভব প্রাচীরটা বড় হয়।
- 5:27:55বিভব প্রাচীর বৃদ্ধি পায় দান। রোধ
- 5:27:58উচ্চমানের হয়। হ্যাঁ। কারেন্ট তো প্রবাহিত
- 5:28:01হয় না। কারেন্ট প্রবাহিত হয়। তাহলে রোধ তো
- 5:28:03অনেক বেশি হয়। প্রাথমিক পর্যায়ে প্রবাহ
- 5:28:06পাওয়া যায় না। হ্যাঁ। প্রাথমিক পর্যায়ে
- 5:28:09প্রবাহ পাওয়া যায় না কিন্তু সামান্য
- 5:28:11প্রবাহ পাওয়া যায় যেটা লিকেজ কারেন্ট
- 5:28:12ওটাকে আসলে প্রবাহ বলে ধরাও যায় না ওটা
- 5:28:15আসলে ব্যাটারির জন্য কোন প্রবাহ না ওটা
- 5:28:16হচ্ছে লিকেজ কারেন্ট এগুলা নিয়ে তোমরা
- 5:28:19আরো বড় হইলে লিকেজ কারেন্ট কি হোয়াট ইজ
- 5:28:20লিকেজ কারেন্ট এগুলা আরো বড় হলে খুব
- 5:28:22বিস্তারিত তুমি পড়বা ঠিক আছে তার মানে
- 5:28:25আমি বলতে পারতেছি এক আর দুই ঠিক আছে এক আর
- 5:28:27দুই পূর্ণ তরঙ্গ একমুখী কারক বর্তনী তৈরি
- 5:28:30করা যায় পূর্ণ তরঙ্গ তৈরি করা যায় দুটো
- 5:28:33ডায়োড দিয়ে চারটা ডায়োড দিয়ে দুটো
- 5:28:35ডায়োড দিয়ে চারটা ডায়োড দিয়ে তৈরি করা
- 5:28:36যায়
- 5:28:37শেষ
- 5:28:39নিচের উদ্দীপকটা লক্ষ্য করো এত এত
- 5:28:41প্রশ্নের উত্তর দাও আচ্ছা জার্মেনিয়াম
- 5:28:43আছে সিলিকন আছে এটাছয় ভোল্ট এই যে তাহলে
- 5:28:45এইযেছয় ভোল্টটাকে এভাবে আকবো যেহেতু
- 5:28:47প্লাস দিয়ে এই মাথার সাথে এটা যুক্ত
- 5:28:49তাহলে দেখ এটা প্লাস এই দেখ প্লাস এইযে এই
- 5:28:53প্রান্ত প্লাস এই প্রান্ত প্লাস তাহলে
- 5:28:55ডায়োডের এটা প্লাস এটা মাইনাস ঠিক
- 5:28:57একইভাবে এটা প্লাস এটা মাইনাস মানে সহজ
- 5:28:58কথা আমি যেটা বুঝি সেটা হচ্ছে এটা প্লাস
- 5:29:01কারেন্ট এদিক দিয়ে যাবে মিলে গেছে তাহলে
- 5:29:03এটা ফরওয়ার্ড বাস আবার কারেন্ট এদিক
- 5:29:05দিয়ে যাবে তচনের সাথে মিলে গেছে তাহলে
- 5:29:07এটা ফরওয়ার্ড ব্যাস তাহলে মাইনাস সিক্স
- 5:29:10দেখো ঘর মাইনাস সিক্স জারমেনিয়াম প্লাস
- 5:29:130.3
- 5:29:15সিলিকন প্লাস 0.7 সে তারপর আমাদের কি
- 5:29:18চাইছে এস আই এর নি ভোল্টেজ কত সিলিকনের নি
- 5:29:21ভোল্টেজ 0.7
- 5:29:23আর 2 কিলোম রোধের মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ
- 5:29:27আচ্ছা এর মধ্য দিয়ে তড়িৎ প্রবাহ তাহলে
- 5:29:28প্লাসট ই আই ইকয়ালটু জব
- 5:29:32আইকয়ালটু হবেছ
- 5:29:34বিয় একচ ভাগদ সরি পা ভাগদ পা ভাগদ 2.5
- 5:29:41মিলিঅম্পিয়ার
- 5:29:432.5 মিলিম্পিয়ার শেষ বল সহজ না করাইছি না
- 5:29:47এগুলা
- 5:29:49ট্রান্জিস্টরের মাঝখানের অংশকে কি বলে
- 5:29:51মাঝখানের অংশকে ভূমি বলে পিঠ বলে ভূমি বা
- 5:29:54পিঠ বলে একটি ট্রান্জিস্টরে নিঃসরক ভূমি
- 5:29:59সংগ্রহক ডোপিং এর মাত্রা ডোপিং এর মাত্রা
- 5:30:01কোথায় বেশি হবে ডোপিং এর মাত্রা সবচেয়ে
- 5:30:04কম হবে মাঝখানে মাঝখানে সবচেয়ে কম হবে আর
- 5:30:07ইমিটারে সবচেয়ে বেশি ডোপিং হবে কেন কারণ
- 5:30:10ইমিটার থেকে নিস্সরণ হয় চার্জ নিঃস্মরণ
- 5:30:12হয় বেজে কম ইমিটারে সবচেয়ে বেশি
- 5:30:16কালেক্টরের মাঝারি তাহলে কি হবে ডায়োডের
- 5:30:19ই হবে ইমিটার বেজ ইমিটার কালেক্টর বেজ
- 5:30:22ইমিটার কালেক্টর বেজ ইমিটার কালেক্টর বেজ
- 5:30:25এইযে এটা ডায়ডের মাত্রা নিচের চিত্রে
- 5:30:28কোনটি এনপিএন ট্রান্জিস্টর এনপিএন মানে
- 5:30:31তীরচিহ্ন বহির্মুখী বেজ ইমিটার সেকশনে
- 5:30:33তীরচিহ্ন বহির্মুখী বেজ ইমিটার সেকশনে
- 5:30:35তীরচিহ্ন বহির্মুখী এনপিএনড
- 5:30:40চিত্রে জেট চিহ্নিত প্রান্তটি কি হবে জে
- 5:30:43চিহ্নিত প্রান্ত
- 5:30:45এটা বেজ এটা ইমিটার কারণ বেজ ইমিটার
- 5:30:47সেকশনেই তীর চিহ্ন হয় তাহলেজ চিহ্নিত
- 5:30:50প্রান্তটা ইমিটার
- 5:30:52ইমিটার আচ্ছা নিঃসারক নিস্বারক আছে এবার
- 5:30:55এটা কোন ইমিটার দেখ ভিতরের দিকে তাহলে
- 5:30:57ভিতরের দিকে হলে পিএনপি পি এন পি ঠিক আছে
- 5:31:02তাহলে পি টাইপ নিঃস্বারক এইযে পি টাইপ
- 5:31:05নিস্বারক পি টাইপ নিঃস্বারক একটি
- 5:31:08ট্রান্জিস্টরে কতটি পিএন জাংশন থেকে দুটো
- 5:31:10ট্রান্জিস্টরে দুটো পিএন জাংশন দেখ পন এন
- 5:31:14পিএন দুটো
- 5:31:17ট্রান্জিস্টর হলো ট্রান্জিস্টর কি?
- 5:31:19ইলেকট্রন প্রভাবিত ডিভাইস। গর্ত প্রভাবিত
- 5:31:23ডিভাইস। চাপ প্রভাবিত ডিভাইস। তাপমাত্রা
- 5:31:25প্রভাবিত ডিভাইস। ট্রান্জিস্টর হলো
- 5:31:28তাপমাত্রা প্রভাবিত ডিভাইস। আচ্ছা এটা
- 5:31:30জ্ঞানমূলক। এটা আমার জানা নাই। হয়তো বইয়ে
- 5:31:32আছে। সাধারণ নিঃসরক বিবর্ধকে
- 5:31:35ট্রানজিস্টরের বিপরীতে ইনপুট ও আউটপুট
- 5:31:37সংকেতের মধ্যে দশা পার্থক্য কত? বল।
- 5:31:40ট্রান্জিস্টরের ইনপুট এই আর আউটপুট এই
- 5:31:45তাহলে ফেজ ডিফারেন্স কত 180 বা পাই ফেজ
- 5:31:49ডিফারেন্স 180 বা পাই
- 5:31:52একটি ট্রান্জিস্টরের
- 5:31:54সংগ্রাহক প্রবাহ দেওয়া আছে সংগ্রাহক
- 5:31:57প্রবাহ মানে কি আইসি ভূমি প্রবাহ মানে কি
- 5:32:00আইবি তাহলে নিসারক প্রবাহ হবে এই দুইটার
- 5:32:03যোগফল এই দুইটার যোগফল এইযে করে দেওয়া আছে
- 5:32:065 পও
- 5:32:08কোন সাধারণ নিরক এন পি এন ট্রান্জিস্টর
- 5:32:11বর্তনীতে আইবি এত আই এত বর্তনীর প্রবাহ
- 5:32:15লাভ বিটা কত বিটা ইকয়ালটু হবে আইবা আইবি
- 5:32:20এবার আই কত আই দেওয়া নাই আইবি কত আইবি
- 5:32:25সক্স ইটুট টু দি পাওয়ার মাইনাসফ আই হবে আই
- 5:32:28মাইনাস আইবি অর্থাৎ 4.38 ইটুট টু দি
- 5:32:32পাওয়ার মাইনাসথ বিয় স ইট টু দি পাওয়ার
- 5:32:34মাইনাসফ তাহলে 4.38
- 5:32:37এক্সপোটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস থ্র বিয়গ
- 5:32:41সিক্স এক্স পটেনশিয়াল ফাংশন মাইনাস ফাই
- 5:32:44তাকে ভাগ দিব সিক্স এক্সপেনশিয়াল ফাংশন
- 5:32:46মাইনাসফ দিয়ে 72
- 5:32:51ঠিক আছে এখানে কি করছে ওখানে ওরা আলফাও না
- 5:32:54এভাবে করছে তুমি চাইলে আলফা বের করেও করতে
- 5:32:56পারো তোমার যেটা খুশি তুমি যদি মনে কর যে
- 5:32:59ভাই আইবি দেওয়া আছে আই দেওয়া আছে না আলফা
- 5:33:02বের করতে পারবা না আলফা বের করতে গেলে তো
- 5:33:04তোমার লাগবে আই লাগবে ঠিক আছে হবে না
- 5:33:06এভাবে করতে হবে কোন ট্রান্জিস্টরে ডল আইবি
- 5:33:09এত ড আই এত হলে বিট এর মান কত খুব কঠিন
- 5:33:12কোশ্চেন এগুলো আমরা পারি না
- 5:33:15একটি ট্রান্জিস্টরের কমন ইমিটার বিন্যাসের
- 5:33:17ক্ষেত্রে প্রবাহ লাভ বিটা এর জন্য কোনটি
- 5:33:20সঠিক একটি ট্রান্জিস্টরের কমন ইমিটার কমন
- 5:33:23ইমিটারের ক্ষেত্রে বিটার মান এক এর চেয়ে
- 5:33:25বেশি হয় বিটার মান একের চেয়ে বেশি হয়
- 5:33:27কমন ইমিটারে বিটার মান এক এর চেয়ে বেশি
- 5:33:29হয় আলফার মান একের চেয়ে কম হয় মাথায়
- 5:33:31রাখবা নিম্নের কোন সম্পর্কটি সঠিক ক্ষমতা
- 5:33:35লাভ
- 5:33:36ক্ষমতা লাভ হচ্ছে পাওয়ার গেইন হচ্ছে
- 5:33:39অপূর্ব ভাই হচ্ছে
- 5:33:42অপূর্ব ফিজিক্স হচ্ছে অপূর্ব ভাই
- 5:33:46আর এ আই এদের গুণফল
- 5:33:49ঠিক আছে তাহলে ক্ষমতা লাভ হবে প্রবাহ লাভ
- 5:33:53আর ভোল্টেজ লাভের গুণফল ঘটি ট্রান্জিস্টর
- 5:33:56বর্তনীতে এমিটার কারেন্ট এত এবং বেস
- 5:33:58কারেন্ট এত পাওয়া গেল প্রবাহে বিবর্ধন
- 5:34:01গুণক আলফা এর মান বের করো বেস কারেন্ট
- 5:34:03পাওয়া গেছে আইবি
- 5:34:0620 মাইক্রোঅম্পিয়ার
- 5:34:09আর ইমিটার কারেন্ট আই
- 5:34:12টু মিলিঅম্পিয়ার
- 5:34:14বের করবা আলফার মান বের করবা আলফা ইকয়াল
- 5:34:18আইবা
- 5:34:20আই আগে একটা করছি এটাই বের করছে
- 5:34:25উদ্দীপক পড় উদ্দীপকের আলোকে সসার দাও
- 5:34:27উদ্দীপকের আলোকেসার সহজ হয় কমন বেজ
- 5:34:30ট্রান্জিস্টরের বিবর্ধকের ইনপুট ও
- 5:34:33আউটপুটের রোধ বিবর্ধক ইনপুট রোধ
- 5:34:37আউটপুট রোধ
- 5:34:40নিঃসারক প্রবাহমাত্রা
- 5:34:43এবং আলফা এত ভোল্টেজ বিবর্ধন কত কমন বেজের
- 5:34:47ভাই কমন বেজ বেজ যদি কমন করি
- 5:34:55বেজ যদি কমন করি তাহলে এটা কালেক্টর
- 5:35:00এটা ইমিটার
- 5:35:02ঠিক আছে কালেক্টর ইমিটার এটা আমার আউট পুট
- 5:35:06এই পাশে আমার ইনপুট
- 5:35:10আরসি
- 5:35:11আরই
- 5:35:13আর ইন
- 5:35:15আর আউট
- 5:35:17আমাদের ভোল্টেজ বিবর্ধন চাইছে ভাই ভোল্টেজ
- 5:35:20বিবর্ধন এবি এবিকাভি আউটপুট ভিইকা আই আর
- 5:35:24আই সি আর সি
- 5:35:27আই
- 5:35:29আরই আই সি বা আই মানে আলফা আইবা আই মানে
- 5:35:34আলফা
- 5:35:35আলফা আরসি বাই আর তার মানে আরসি আউটপুট
- 5:35:39আলফার মান 0.98
- 5:35:43আরসি মানে আউটপুট আউটপুট কত 300 কিলোহম
- 5:35:47তাহলে 300 গু 1000
- 5:35:50300 গুণ 1000
- 5:35:52ভাগ ইনপুট হচ্ছে 300 300 300 কাটাকাটি
- 5:35:571000 গু98
- 5:36:011000 গু98 980
- 5:36:10ভোল্টেজ বিবর্ধন কমন বেজ হ গে নাি
- 5:36:16কি করছে বোর্ডের কোশ্চেন এটা কি একটু
- 5:36:19বুঝেশুনে করবে না 980 হবে ভাই ভোল্টেজ
- 5:36:22গেইন ভোল্টেজ গেইন ওরা বিটা কেন গুণ করবে
- 5:36:25হায় হায় এটা ভুল আছে কোশ্চেন ভুল আছে এইযে
- 5:36:29মানে অপশন দেখ নাই 980 নাই অপশনে ঠিক আছে
- 5:36:32এটা যে কোশ্চেন করছে সে আসলে বুঝি না কিছু
- 5:36:34কমন কালেক্টর কমন ইমিটার হলে এটা হইতো কমন
- 5:36:38ইমিটার হলে এটা হইতো এই কি অবস্থা ছি এটা
- 5:36:42প্রশ্নই ভুল বুঝ এখন কি করবা কি করবা
- 5:36:45কপালের দোষ ছাড়া আর কি করবা টিচার মানে
- 5:36:48যদি কোশ্চেন এরকম ভুল করে তাহলে আর কি
- 5:36:50করবা কপালের দোষ ছাড়া তো আর কিছু করার নাই
- 5:36:52বেজের প্রবাহমাত্রা বের করো বেজ প্রবাহ
- 5:36:54বের করতে বলছে প্রবাহমাত্রা ইমিটারে
- 5:36:57প্রবাহমাত্রা দেওয়া আছে আলফা দেওয়া আছে
- 5:36:59তাহলে আলফা ইকয়ালটু
- 5:37:02আই সি বাই
- 5:37:04আই
- 5:37:06আলফার মান 0.98
- 5:37:10আই সি জানিনা আইট মিলিঅম্পিয়ার
- 5:37:15তাহলে আই সি হবে দুই গুণ প98
- 5:37:191.96 মিলিঅম্পিয়ার তাহলে বেজের প্রবাহ হবে
- 5:37:25আই থেকে আইসি বাদ দিয়ে দাও আই থেকে আইসি
- 5:37:30বাদ দিয়ে দাও তাহলে দুই থেকে 1.96 বাদ দাও
- 5:37:34দুই বিয়োগ এনসার 0.04 0.04
- 5:37:37মিলি এমপিয়ার এটা ঠিক আছে এটা ঠিক আছে
- 5:37:42চিত্রের প্রদত্ত ডিভাইসটি ডিভাইসটি
- 5:37:44ট্রান্জিস্টর
- 5:37:46ডিভাইসটি এনপিএন নাকি পিএনপি তীর চিহ্ন
- 5:37:48বাইরের দিকে তীর চিহ্ন বাইরের দিকে এনপিএন
- 5:37:52না
- 5:37:54মানে পিএনপি না এনপিএন তীর চিহ্ন
- 5:37:56বহির্মুখী তাহলে এন পি এন এটা তাহলে
- 5:38:00মিথ্যা এটা দুর্বল সংকেত বিবর্তিত করে করে
- 5:38:03গুড
- 5:38:04সুইজ হিসেবে ব্যবহিত হয় হ্যা হয় তাহলে দুই
- 5:38:07আর তিন
- 5:38:09দুই এবং তিন বাহ উদ্দীপকের আলোকে
- 5:38:14উদ্দীপকের আলোকে 84 85 বিশুদ্ধ
- 5:38:17অর্ধপরিবাসের ত্রিযোজী ও পঞ্চযোজী মৌল
- 5:38:19ডোপিং করে যথাক্রমে এক্স ওয়াই
- 5:38:21এক্সট্রিনসিক মানে বহির্জাত মানে ভেজাল
- 5:38:24মিশ্রিত মানে দূষিত ভেজাল মিশ্রিত
- 5:38:29অর্ধপরিবাহী তৈরি করা হলো গুড ডোপাইনকৃত
- 5:38:32অর্ধপরিবাহীর
- 5:38:35এক্স হচ্ছে ত্রিযোজী
- 5:38:37তাহলে এক্স হচ্ছে পি টাইপ ওয়াই হচ্ছে
- 5:38:40পঞ্চযোজি এন টাইপ তাহলে এক্স ধনাত্মক
- 5:38:42চার্জে চার্জিত হয় কেউ কোন চার্জে চার্জিত
- 5:38:46হয় না এটা মিথ্যা কথা চার্জ নিরপেক্ষ ওয়
- 5:38:50এর সংখ্যালঘু বাহক হচ্ছে হোল ওয় হচ্ছে এন
- 5:38:53টাইপ হ্যা তার সংখ্যালঘুরা হচ্ছে হোল ওয়
- 5:38:56এর সংখ্যাগুরু বাহক ইলেকট্রন হ্যা এই
- 5:38:58দুইটা সঠিক এই দুইটা সঠিক দুই আর তিন সঠিক
- 5:39:00দেখ পি টাইপ এন টাইপ কেউ কিন্তু চার্জিত
- 5:39:03না চার্জ নিরপেক্ষ পি টাইপে পজিটিভ টাইপ
- 5:39:06চার্জ ক্যারিয়ার হোল বেশি তারা
- 5:39:09সংখ্যাগুরু ইলেকট্রন সংখ্যালঘু এন টাইপে
- 5:39:11হোল সংখ্যালঘু আর ইলেকট্রন হচ্ছে সংখ্যাগু
- 5:39:16ওয়াই এক্স ওয়াই বিন্যাসে যুক্ত করে যে
- 5:39:19ডিভাইস তৈরি করা যায় ওয়াই
- 5:39:23এক্স ওয়াই ওয়াই মানে এন টাইপ আর এক্স
- 5:39:28মানে পি টাইপ তাহলে এন পি এন ট্রান্জিস্টর
- 5:39:31তাহলে ট্রান্জিস্টর কি করে লজিক পরিবর্তন
- 5:39:34কারেন্ট পরিবর্তন ভোল্টেজ পরিবর্তন তড়িৎ
- 5:39:37সংকেত পরিবর্তন তড়িৎ সংকেত পরিবর্তন করে
- 5:39:40তড়িৎ সংকেতকে পরিবর্তন করতে পারে ঠিক আছে
- 5:39:44তড়িৎ সংকেতকে পরিবর্তন করতে পারে মানে
- 5:39:47সংকেতকে বিবর্তিত করে পারে এমপ্লিফিকেশনের
- 5:39:49কাজে ওকে নিচের অনুচ্ছেদ পড় এত এত
- 5:39:52প্রশ্নের উত্তর দাও নিসরক প্রবাহ
- 5:39:56হোমওয়ার্ক ভদ্রতার খাতিরে অনেক করে দিছি
- 5:39:59ঠিক আছে এইবার আসো সংখ্যা পদ্ধতি এটা
- 5:40:02আইসিটি
- 5:40:04ঠিক আছে এগুলা ফিজিক্সের টিচাররা পারে না।
- 5:40:07বুঝছো? আর সহজ কথা হচ্ছে কি? সংখ্যা
- 5:40:09পদ্ধতি আসলে তুমি যদি এমসিকিউতে আসলে তুমি
- 5:40:12যদি মানে খাতা কলমে করো তাহলে তোমার মত
- 5:40:15বলদ আর কেউ নাই। ক্যালকুলেটর এগুলা ইজিলি
- 5:40:18করা যায়। আশা করি এই জিনিসগুলো তোমরা
- 5:40:19পারো। বুঝ? আর লাস্টের দিকে কিছু এইযে গেট
- 5:40:22আছে। এইযে এরকম গেট আছে। দেখো সংখ্যা
- 5:40:25পদ্ধতি একটা থেকে আরেকটাতে রূপান্তর এগুলো
- 5:40:27একটু দেখবা। এগুলো তোমরা বোর্ড সিরিতে এই
- 5:40:29কারণে আমি আর সময় নষ্ট করছি না। ঠিক আছে?
- 5:40:31আর এই যে গেট আছে বুলিয়ান অ্যালজেব্রা।
- 5:40:33এইগুলা একটু দেখে যাবা। আইসিটির বই থেকে
- 5:40:35দেখে যাবা। ফিজিক্সের বই থেকেও দেখতে হবে
- 5:40:37না। আইসিটির বই থেকে একটু দেখে যাবা।
- 5:40:39তাহলে হয়ে যাবে। বলতো এইটা কোন সার্কিট?
- 5:40:42এই এই সার্কিটটা কোন গেট নির্দেশ করে
- 5:40:43বলতো? কোন গেট নির্দেশ করবে? যদি এইটা অন
- 5:40:47থাকে তাও এই বাল্বটা জ্বলবে। এই যে এই
- 5:40:51ভোল্টেজের জন্য এই বাল্বটা জ্বলবে। দেখো
- 5:40:53এটা তুমি অন করে দাও। কোন সমস্যা নেই।
- 5:40:57তাহলে এবি
- 5:41:00দেখো এ বি আর ওয়াই জিরো জিরো দেখো দুটোই
- 5:41:05জিরো আছে তাও বাল্ব জ্বলতেছে তাহলে
- 5:41:07জ্বলতেছে ওয়ান এবার এইটাকে অন করে দাও করো
- 5:41:11সমস্যা কি বাল এখান থেকে কারেন্ট যাবে
- 5:41:14তাহলে জওয়
- 5:41:17জওয়ান বাল্ব জ্বলবে ওয়ান ওান জির তাও
- 5:41:22জ্বলবে ওয়ান কিন্তু দুটোই যদি অন করে দাও
- 5:41:25এটাও ওয়ান এটাও ওয়ান হলে তাহলে কি হবে জান
- 5:41:27এখান থেকে কারেন্ট এই শর্ট সার্কিট পথে
- 5:41:29এদিকে চলে আসবে তখন এই বাল্বটা আর জ্বলবে
- 5:41:31না তাহলে ওয়ান ওয়ান হইলে হবে জিরো
- 5:41:34ঠিক আছে ওয়ান ওয়ান হইলে হবে বাল্ব আর
- 5:41:36জ্বলবে না তখন হয়ে যাবে জির তাহলে এটা কোন
- 5:41:39গেট এন গেট হইতো এন গেট হইতো যদি জওয়
- 5:41:44হইতো তাহলে এন গেট হতো এটা ন গেট হয়ে গেছে
- 5:41:48গেট
- 5:41:50উদ্দীপকের বর্তনী এটা কোন লজিক গেট প্রকাশ
- 5:41:54করে অর এইযে এটা হচ্ছে বাল
- 5:41:56এটা দিলে বাল্ব জ্বলবে। এইযে তারপরে হয়
- 5:42:00এটা দিবা এটা দিবা তাও বাল্ব জ্বলবে। এইযে
- 5:42:04বাল্ব জ্বলবে। দুটোই দিবা তাও বাল্ব
- 5:42:07কারেন্ট গিয়ে জ্বলবে। কিন্তু যদি দুটো অফ
- 5:42:09থাকো এবি ওয়াই দেখো জও
- 5:42:15ও জও
- 5:42:18ও অরগেট অরগেট
- 5:42:22ঠিক আছে তো ভালো করে পড়াশোনা করতে হবে ঠিক
- 5:42:26আছে নকল আর হবে না পড়তে হবে পড় বেশি বেশি
- 5:42:30করে পড় বেশি বেশি করে প্রাকটিস করো এইতো
- 5:42:33এই ক্লাসটা করলা দেখতো বোর্ড কোশ্চেন তো
- 5:42:35সবই করে দিলাম আছে বাকি কিছু তো হয়েই তো
- 5:42:38গেল। তো এইভাবে একটা ছোট্ট প্রিপারেশন
- 5:42:41নিয়ে গেলেই তো ভালো হয়ে যায় পরীক্ষা।
- 5:42:43তাহলে প্রিপারেশন নাও। পরীক্ষার আগে তাহলে
- 5:42:45ওই যে কোশ্চেনের পিছনে ছুটতে হবে না।
- 5:42:47সাজেশনে পিছনে ছুটতে হবে না। ঠিক আছে?
- 5:42:50কয়েকটা অধ্যায় পড়ে চলে যাবা। দেখবা
- 5:42:52পরীক্ষা ভালো হয়ে গেছে। ভালো করে পড়ে
- 5:42:54যাবা। অবশ্যই ভালো করে পড়ে যাবা। নিজে
- 5:42:56প্রাকটিস করবা। নিজে খাতা কলমে লিখতে হবে।
- 5:43:00বুঝতে পারছো? কোনমতে বোর্ড পরীক্ষাটা পার
- 5:43:02হয়ে আসো। তারপরে তুমি যেদিকে টার্গেট
- 5:43:06করো। তোমার যদি টার্গেট ভার্সিটি থাকে
- 5:43:08টার্গেট ইঞ্জিনিয়ারিং থাকে টার্গেট
- 5:43:09মেডিকেল থাকে তোমার যেটা টার্গেট হবে
- 5:43:12পরীক্ষা দিবা সুন্দর করে আগে পরীক্ষা দিবা
- 5:43:14তো পরীক্ষা দিবা পরীক্ষা দিলে তো তুমি
- 5:43:16বুঝতে পার যে তোমার পরীক্ষা ভালো হচ্ছে তো
- 5:43:18তখন তুমি কি করবা তুমি
- 5:43:21[নাক ডাকা]
- 5:43:25কি হলো
- 5:43:30তো তুমি পরীক্ষাগুলো দিবা সুন্দর করে
- 5:43:32ঠান্ডা মাথায় পরীক্ষাগুলো দিবা
- 5:43:39পরীক্ষাগুলো দিলে তুমি বুঝতে পারবা যে
- 5:43:41পরীক্ষা ভালো হচ্ছে। তো তারপরে এর পরের
- 5:43:44ধাপের জন্য ভালো করে প্রিপারেশন প্রথম
- 5:43:47থেকে নিতে হবে। বুঝছো? পরে আর সময় নষ্ট
- 5:43:50করবা না। একবার তো সময় নষ্ট করছো। টে
- 5:43:52পাচ্ছ তাই না? যে ভুল করে ফেলছো।
- 5:43:55পরবর্তীতে এডমিশনের সময় আর ভুল করা যাবে
- 5:43:57না। একেবারে শুরু থেকে প্রিপারেশন নেওয়া
- 5:44:00শুরু করে দিতে হবে। বোর্ড পরীক্ষা শেষ।
- 5:44:02এডমিশনের ক্লাস যখনই শুরু হবে যখনই আমরা
- 5:44:05ধর শুরু করব সাথে সাথে শুরু করে দিতে হবে
- 5:44:08কোনভাবেই আর পিছে ফিরে তাকানো যাবে না
- 5:44:10ওটাই আসল খেলার মাঠ এডমিশনেই আসল খেলার
- 5:44:13মাঠ বোর্ড পরীক্ষায় সবারই ভালো হবে
- 5:44:16এডমিশনে আসল খেলার মাঠ ওইখানে যে বাজিমাত
- 5:44:19করে দিতে পারবে যে গোল দিতে পারবে সেই
- 5:44:21ম্যান অফ দা ম্যাচ হবে তো ভালো করে
- 5:44:23পড়াশোনা করো বোর্ড পরীক্ষায় উত্তরে আসো আর
- 5:44:25তারপরে মেইন যুদ্ধটা হবে এডমিশন টেস্টে
- 5:44:29সেই যুদ্ধে জয়ী হইতে হবে তো সবাই ভালো
- 5:44:31থাকো সুস্থ থাকো টাটা
- 5:44:38এক্সপোর্ট পিডিএফ
- 5:44:43সেভ
About this transcript
This page contains the full transcript of এক ক্লাসেই 'সেমিকন্ডাক্টর ও ইলেক্ট্রনিক্স' এর BASIC, CQ, MCQ 100% শেষ || Apurbo Opu || HSC 2026 by Apurbo physics, generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 44,514 words across 7,195 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.
What you can do with it
Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.
Free YouTube transcript tool
YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.