YouTube transcript (O5_W3Y2f4YY) — Transcript
Full transcript
- 0:00সবাইকে টেকনিক ইজি এডুকেশনের ইউটিউব
- 0:01চ্যানেলে স্বাগত জানাচ্ছি। আজকে আমরা
- 0:03আলোচনা করব পদার্থ বিজ্ঞানের অন্যতম
- 0:05গুরুত্বপূর্ণ পদার্থের অবস্থা ও চাপ।
- 0:08পদার্থ বিজ্ঞানের সবগুলো অধ্যায় নিয়ে
- 0:10সবগুলো টপিক নিয়ে আমাদের অলরেডি একটা
- 0:12প্লেলিস্ট YouTube [মিউজিক] চ্যানেলে
- 0:13আপলোড করা আছে। তবুও আমরা নতুন এই ভিডিওটা
- 0:16বানাচ্ছি নতুন একটি নিয়মে। সেটা হচ্ছে
- 0:18প্রত্যেকটা অধ্যায়কে দুটো ভাগে ভাগ করে
- 0:21নিব। একটা পর্বে আমরা অধ্যায়ের সমস্ত
- 0:24থিওরিটিক্যাল টপিক নিয়ে আলোচনা করব এবং
- 0:27দ্বিতীয় পর্বে গিয়ে আমরা সেইখানে এ
- 0:29অধ্যায়ের বইয়ের দেওয়া ম্যাথগুলো এবং
- 0:32বিভিন্ন বোর্ড পরীক্ষা ও স্কুলের
- 0:34পরীক্ষায় আসা সৃজনশীল গুলা সলিউশন করে
- 0:36দেখাবো। তাই দুটো পর্বই সবার জন্য খুবই
- 0:39গুরুত্বপূর্ণ। প্রত্যেকেই হচ্ছে দুটো পর্ব
- 0:41সম্পূর্ণ দেখার চেষ্টা করবে। আমরা পঞ্চম
- 0:43অধ্যায় নিয়ে কথা বলতে গেলে প্রথম যে
- 0:45টপিকটা নিয়ে কথা বলব সেটা হচ্ছে চাপ। এই
- 0:48চাপ শব্দের সাথে আমরা প্রতিনিয়ত খুব
- 0:50পরিচিত। ঢাকা শহরে আমরা যারা থাকি বাস
- 0:52ভর্তি লোক তবুও হেল্পার মামা বলে মামা
- 0:54একটু পেছনে চাপ দেন কিংবা যখন আমরা
- 0:55ক্লাসরুমে যাই বন্ধুকে বলি একটু চাপ দিয়ে
- 0:57বর পড়াশোনার চাপ অনেকভাবে আমরা চাপ
- 1:00শব্দটাকে ব্যবহার করে থাকি কিন্তু পদার্থ
- 1:02বিজ্ঞান এই চাপ শব্দটাকে কিভাবে ব্যবহার
- 1:05করে সেটা এখন আমাদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ চল
- 1:07সেই বিষয়টা নিয়ে আমরা একটু কথা বলে নিই
- 1:09তো সেটা সম্পর্কে জানার জন্য আগে আমাদের
- 1:12চাপের সংজ্ঞাটা জানতে হবে চাপের সংজ্ঞাটা
- 1:14কি আমি আগে একটু লিখে নিই চাপের সংজ্ঞাটা
- 1:17প্রতি একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে প্রযুক্ত
- 1:22বলকে চাপ বলে। আমরা প্রথমে একটু সংজ্ঞাটা
- 1:24দেখে নিই তারপর এটাকে একটু পোস্টমর্টেম
- 1:26করে নিব। প্রতি একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে
- 1:29প্রযুক্ত বলকে চাপ বলে। তো প্রতি একক
- 1:32ক্ষেত্রফল বলতে কি বুঝানো হয়?
- 1:34ক্ষেত্রফলের একক পরিমাণ সেটা হতে পারে এক
- 1:36বর্গমিটার। সেটা হতে পারে এক বর্গ
- 1:38কিলোমিটার। সেটা হতে পারে এক বর্গ
- 1:40মিলিমিটার। এই একক পরিমাণ ক্ষেত্রফলে
- 1:42লম্বভাবে। কথাটা একটু মাথায় রাখো।
- 1:44লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকে চাপ বলে থাকে। এখন
- 1:48কথা হচ্ছে আমরা লম্বভাবে কেন উল্লেখ করে
- 1:50দিচ্ছি? তীর্যকভাবে যদি কোথাও বল প্রয়োগ
- 1:53করা হয় সেখানে কি চাপের সৃষ্টি হবে না?
- 1:55অবশ্যই সৃষ্টি হবে। কিন্তু ব্যাপারটার
- 1:57জন্য একটু বলে নিই সেটা হচ্ছে ধরো কোন
- 1:58একটা পৃষ্ঠ হয় এরকম একটা পৃষ্ঠের উপর
- 2:00তুমি এরকম তীর্যকভাবে বল প্রয়োগ করতেছো।
- 2:03যখন তীর্যকভাবে বল প্রয়োগ করবা এই বলের
- 2:05দুটো উপাংশ তৈরি হবে। একটা হচ্ছে আনুভূমিক
- 2:08উপাংশ। একটা হচ্ছে উলম্ব উপাংশ। এখন আমার
- 2:11পৃষ্ঠের উপর এই আনুভূমিক উপাংশটা কি আসলে
- 2:14কোন রকম চাপ প্রয়োগ করতেছে? কোনরকমই চাপ
- 2:17প্রয়োগ করতেছে না বা বল প্রয়োগ করতেছে
- 2:18না। এখানে চাপ সৃষ্টির জন্য মূলত কোন
- 2:21অংশটা দেয়? শুধুমাত্র উলম্ব অংশটা দেয়।
- 2:23এইজন্যই আমরা সূত্রে আমরা বলে দিয়েছি
- 2:26লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকে চাপ বলে থাকে। এখন
- 2:30আমরা এই সূত্রটাকে আমরা যদি একটু সমীকরণে
- 2:34নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। তাহলে আমরা
- 2:36আমাদের সেই ছোটবেলার ঐকিক নিয়মে ফিরে
- 2:38যাই। ঐকিক নিয়মে আমরা লিখলে ধরো এ একক
- 2:40ক্ষেত্রফলে এ একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে
- 2:44প্রযুক্ত বল প্রযুক্ত বল এফ আমরা ধরে
- 2:47নিলাম এ একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে প্রযুক্ত
- 2:50বল হচ্ছে এফ এ একক বলতে হচ্ছে যেকোন আননোন
- 2:53একটা নাম্বার 10 কিলোমিটার হতে পারে 100
- 2:55কিলোমিটার হতে পারে পা কিলোমিটার হতে পারে
- 2:57একইভাবে এফ কেও হচ্ছে যেকোন একটা
- 3:00অ্যামাউন্টের হতে পারে সেই অ্যামাউন্টটা
- 3:02হতে পারে 10 নিউটন 50 নিউটন যেকোনটাই হতে
- 3:04পারে এইজন্য আননোন বলে হচ্ছে আমরা একটা
- 3:06সিম্বল দিয়ে লিখলাম সেটা হচ্ছে এ তাহলে এ
- 3:08একক ক্ষেত্রফলে যদি লম্বভাবে প্রযুক্ত বল
- 3:11এফ হয় তাহলে এক একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে
- 3:14প্রযুক্ত বল কত হবে? এফ বা এ আমাদের
- 3:16সাধারণ ঐকিক নিয়ম। এক একক ক্ষেত্রফলে
- 3:18লম্বভাবে প্রযুক্ত বলকে কি বলি? চাপ।
- 3:20তাহলে আমরা লিখতেই পারি চাপকে যেহেতু পি
- 3:23দ্বারা ডিনোট করা হয়ে থাকে। পি সমান এফ
- 3:25বাই এ। এটাই হচ্ছে আমাদের চাপ নির্ণয়ের
- 3:28সূত্র। পি ইকুয়াল এফ বাই এ। এটা অত্যন্ত
- 3:31গুরুত্বপূর্ণ। এটা আমরা সবসময় মনে রাখার
- 3:34চেষ্টা করব। এবং এটা থেকে আমরা আরো কিছু
- 3:37বাড়তি জিনিস জেনে নিব। সেটা হচ্ছে এই
- 3:40সমীকরণ থেকে আমরা একক এবং মাত্রা সমীকরণ
- 3:42বের করতে পারি। তাহলে আমরা দেখলাম পি সমান
- 3:45এফ বাই এ। এটা যদি আমরা মাত্রা সমীকরণ বের
- 3:47করতে চাই তাহলে প্রথমে আমরা এফ এর মাত্রা
- 3:50সমীকরণটা বের করতে হবে। পরে এ এর মাত্রা
- 3:52সমীকরণটা নিচে লিখবো। তো এফ সমান আমরা
- 3:55লিখতে পারি এম এ। নিউটন স্যারের দ্বিতীয়
- 3:57সূত্র থেকে এফ ইকু এম এ এবং এ লিখলাম। এখন
- 4:01এম হচ্ছে ভর। ভরের মাত্রা কি? ভরের মাত্রা
- 4:04হচ্ছে ক্যাপিটাল এম। আর এ হচ্ছে ত্বরণ।
- 4:07ত্বরণের মাত্রা কি? এলটি ইনভার্স টু। সেই
- 4:11সাথে ক্ষেত্রফল এ হচ্ছে দুটো দৈর্ঘ্যের
- 4:14গুণফল। অর্থাৎ দৈর্ঘ্য আর প্রস্থের গুণফল।
- 4:16তো তাদের মাত্রা হচ্ছে এল ইন এল অর্থাৎ এল
- 4:19স্কয়ার। তাহলে আমি যদি এল স্কয়ার কে
- 4:20উপরে নিয়ে যাই তাহলে কি দাঁড়াবে? এম
- 4:22এলটি ইনভার্স টু এল ইনভার্স টু। অর্থাৎ এল
- 4:26কে আমি এল স্কয়ার কে উপরে নিয়ে গেলাম।
- 4:28তাহলে এল ইনভার্স টু হয়ে গেল। তাহলে এখান
- 4:30থেকে যদি প্লাস ওয়ান আর মাইনাস টু নিয়ে
- 4:32চিন্তা করি তাহলে কি হবে? এম এল ইনভার্স
- 4:34ওয়ান টি ইনভার্স টু এটাই হচ্ছে চাপের
- 4:37মাত্রা সমীকরণ। এটা আমাদের জন্য
- 4:39গুরুত্বপূর্ণ। অনেক সময় পরীক্ষায় এসে
- 4:41থাকে। তার পরবর্তীতে আমরা এবার একটু চাপ
- 4:43নিয়ে কথা বলি। সেইম আমরা সমীকরণ থেকে
- 4:45হচ্ছে চাপ বের করব। অর্থাৎ পি ইকুয়াল এফ
- 4:48বাই এ থেকে আমরা একক বের করব। এফ এর একক
- 4:52কি? এফ হচ্ছে বল। বলের একক হচ্ছে নিউটন। এ
- 4:55হচ্ছে ক্ষেত্রফল। ক্ষেত্রফলের একক কি?
- 4:57বর্গমিটার। আমরা এসআই একক নিয়ে কথা
- 4:59বলতেছি। যেহেতু আমাদের ম্যাথ করার সময়
- 5:01বেশিরভাগ সময় সিস্টেম অফ ইন্টারন্যাশনাল
- 5:03বা এস একক ব্যবহার করব। তাহলে আমি যদি
- 5:05আগের মতই এম স্কয়ার কে উপরে নিয়ে যাই
- 5:07তাহলে কি দাঁড়াবে? নিউটন পার বর্গমিটার।
- 5:10যেটাকে বলা হয়ে থাকে প্যাসকেল। বিজ্ঞানী
- 5:13প্যাস্কেল স্যারের নাম অনুসারে এর নামকরণ
- 5:15করা হয়েছে প্যাস্কেল। অর্থাৎ প্যাস্কেল
- 5:17মানে কি? নিউটন পার বর্গমিটার। দুটো এককই
- 5:20আমরা মনে রাখার চেষ্টা করব। কারণ
- 5:22এমসিকিউতে অনেক সময় বহুপদীতে এসে থাকে
- 5:24নিচের কোনটি চাপের একক? আমাকে দুটো অপশন
- 5:27থাকলে দুটো অপশনই অর্থাৎ এক এবং দুই।
- 5:29সেক্ষেত্রে এক এবং দুই দুটোই মার্ক করতে
- 5:30হবে। অর্থাৎ নিউটন পার বর্গমিটার এবং
- 5:32প্যাসকেল দুটোই আমাদের জন্য চাপের একক
- 5:35হিসেবে গৃহীত হবে। এরপরে আমরা একটু জেনে
- 5:38নিই এক প্যাসকেল বলতে কি বুঝানো হয়ে
- 5:40থাকে? এক প্যাসকেল বলতে কি বুঝানো হয়ে
- 5:43থাকে সেই জিনিসটা জেনে নিই। তার জন্য একটা
- 5:45গল্প বলি। ধরো আমরা একটা একদম সম্পূর্ণ
- 5:47কাল্পনিক গল্প। এর কোন বাস্তব অস্তিত্ব
- 5:49নাই। সুতরাং বাস্তবের সাথে কে কখন
- 5:51জন্মগ্রহণ করেছে বেঁচে ছিল কিনা সেই
- 5:53বিষয়টা আমরা রিলেট করার চেষ্টা করবো না।
- 5:55আমরা আমাদের পরিচিত তিনজন বিজ্ঞানী নিয়ে
- 5:57কথা বলি। একজন হচ্ছে নিউটন, একজন হচ্ছে
- 5:59স্যার প্যাসকেল, আরেকজন হচ্ছে স্যার
- 6:00আলবার্ট আইনস্টাইন। আল আইনস্টাইন তাদের
- 6:02দুজনের অনেক পরে জন্মগ্রহণ করেছেন। তবু
- 6:04আমি গল্পের স্বার্থে তিনজনকে ধরে নিলাম
- 6:06একই সময় জন্মগ্রহণ করেছে। একই সময় ছিল।
- 6:08তো তারা একদিন চিন্তা করলেন তারা লুকোচুরি
- 6:10হাইড এন্ড সিক খেলবে। এখন সেই সিস্টেমের
- 6:12অনুসারে প্রথমে হচ্ছে স্যার আলবাট
- 6:14আনস্টাইন চোখ বন্ধ করে দাঁড়ালেন এবং
- 6:15নিউটন স্যার আর প্যাসকেল স্যার লুকানোর
- 6:17কথা ছিলেন। প্যাসকেল স্যার দৌড় দিয়ে
- 6:19হচ্ছে গাছের পেছনে লুকায় গেলেন। আর নিউটন
- 6:21স্যার রাস্তার মাঝখানে দাঁড়িয়ে উদাস
- 6:23ভঙ্গিতে আকাশ দেখতেছে। ভাগ্য ভালো গাছের
- 6:26নিচে যায় নাই। না হলে নতুন ফল পড়তো আর
- 6:27নতুন কিছু আবিষ্কার হয়ে যেত। যাই হোক।
- 6:29তারপর আলবার্ট আইনস্টাইন স্যার হচ্ছে চোখ
- 6:31খুলে দেখলেন। নিউটন স্যার তার সামনে
- 6:33দাঁড়িয়ে আছেন। আলবার্ট আইনস্টাইন স্যার
- 6:34তো খুশিতে বললেন নিউটন আমি তোমাকে দেখে
- 6:36ফেলেছি। সুতরাং এখন তুমি চোখ বন্ধ করে
- 6:38দাঁড়াবে আমরা লুকাবো। নিউটন স্যার
- 6:40গাম্ভীর্য নিয়ে বললেন না আপনি তো আমাকে
- 6:43দেখেননি আলবার্ট আইনস্টাইন স্যার কিছুটা
- 6:45অবাক হলেন কি বলো তুমি আমার সামনে
- 6:47জলজ্যন্ত দাঁড়িয়ে আছো আবার বলতেছে আমি
- 6:48তোমাকে দেখিনি নিউটন স্যার ব্যাখ্যা করলেন
- 6:51দেখুন আমি আমার চারপাশে এক বর্গমিটারের
- 6:54একটা ক্ষেত্রফল একেছি এক বর্গমিটারের একটা
- 6:57ক্ষেত্রফল একেছি তার উপর কে দাঁড়িয়ে আছে
- 6:59তার উপর আমি একা নিউটন দাঁড়িয়ে আছি
- 7:02আপনার বিজ্ঞান কি বলে এক বর্গমিটার
- 7:04ক্ষেত্রফলের উপর যদি এক নিউটন বল প্রয়োগ
- 7:07করা হয় তাকে বলা হয়ে থাকে এক প্যাসকেল।
- 7:10তাহলে আপনি যাকে দেখতেছেন সে আসলে নিউটন
- 7:12না। সে আসলে প্যাস্কেল। সুতরাং এখন চোখ
- 7:14বন্ধ করে দাঁড়ানোর ব্যাপার হলে প্যাসকেলই
- 7:16দাঁড়াবেন। ঠিক আছে? আমি দাঁড়াবো না। এটা
- 7:18সম্পূর্ণটা নিচক গল্প। এর মাধ্যমেই কিন্তু
- 7:21আমরা আমাদের সংজ্ঞাটা বলার চেষ্টা করেছি।
- 7:23সংজ্ঞাটা কিন্তু আমরা অলরেডি বলে ফেলেছি।
- 7:25একটু ধরে নিই কোথায় বলেছি। সেটা হচ্ছে
- 7:28প্রতি একক ক্ষেত্রফলে অর্থাৎ এক
- 7:30বর্গমিটারে যদি এক নিউটন বল প্রয়োগ করা
- 7:33হয়। যেই চাপের সৃষ্টি করা হয় সেই চাপটাই
- 7:36হচ্ছে প্যাসকেল। এটাই হচ্ছে এক প্যাসকেল
- 7:38বলতে বুঝানো হয়ে থাকে। তাহলে যদি
- 7:40আমাদেরকে বলা হয়ে থাকে 10 প্যাস্কেল কাকে
- 7:43বলে? সাধারণতই খুব সহজেই আমরা বলতে পারবো
- 7:46যে এক বর্গমিটারে যদি 10 নিউটন বল প্রয়োগ
- 7:48করা হয় যেই চাপের সৃষ্টি হবে তাকে বলা
- 7:50হবে 10 প্যাস্কেল। যদি বলা হয়ে থাকে 100
- 7:53প্যাসকেল কাকে বলা হয়ে থাকে? একদমই সহজ।
- 7:56আমরা এতক্ষণে নিশ্চয়ই পেরে যাওয়ার কথা
- 7:58যে এক বর্গমিটারে 100 নিউটন বল প্রয়োগ
- 8:01করলে যেই চাপের সৃষ্টি হয় তাকে বলা হয়ে
- 8:03থাকে 100 প্যাস্কেল। আমরা একটু আগে চাপ
- 8:05থেকে যে সমীকরণটা পেলাম সেটা হচ্ছে পি
- 8:07ইকুয়াল এফ বাই এ। এখন আমরা এই সমীকরণের
- 8:10কিছু বাড়তি জিনিস একটু দেখে নিই। সেই
- 8:12জিনিসটা হচ্ছে ধরো কোন একটা ক্ষেত্রে আমরা
- 8:15ক্ষেত্রফলটাকে কনস্ট্যান্ট রাখলাম। তাহলে
- 8:17ক্ষেত্রফল যদি কনস্ট্যান্ট হয়ে যায় তাহলে
- 8:19কি দাঁড়াবে? পি সমানুপাতিক এফ অর্থাৎ চাপ
- 8:23এবং বল পরস্পর সমানুপাতিক হয়ে থাকবে।
- 8:26ব্যাপারটা একটু চিন্তা করে দেখি। ধরো
- 8:29আমাদের বাসায় জুতা আছে না? একদম নিচেরটা
- 8:32লেভেল। এরকম একটা জুতা। ধর আমাদের সূর্য
- 8:34জোতাটা যেরকম সোলটা যেরকম লেভেল হয়ে থাকে
- 8:36সেরকম সুয়ের তুমি যদি পড়ে তোমার কোন
- 8:40ফ্রেন্ডের পায়ের উপর দাঁড়াও তাহলে সে যে
- 8:42পরিমাণ চাপ অনুভব করবে যদি তোমার বাবা সেই
- 8:45পরিমাণ জুতো পড়ে তোমার ফ্রেন্ডের পায়ের
- 8:48উপর দাঁড়ায় তাহলে কি তার চাইতে কম চাপ
- 8:49অনুভব করবে না বেশি চাপ অনুভব করবে অবশ্যই
- 8:52বেশি চাপ অনুভব করবে একটা জিনিস খেয়াল
- 8:54রেখো আমরা কিন্তু হচ্ছে জুতোর জুতো
- 8:56পরিবর্তন করিনি অর্থাৎ ক্ষেত্রফলের কিন্তু
- 8:58পরিবর্তন হচ্ছে না পরিবর্তন কার হচ্ছে
- 9:00একবার তুমি দাঁড়াচ্ছ আরেকবার তোমার বাবা
- 9:03বাবা দাঁড়াচ্ছে তার মানে আমরা বলের
- 9:04পরিবর্তন করতেছি এবং আমরা দেখতে পাচ্ছি
- 9:07আমি যতই বল বাড়াচ্ছি অর্থাৎ তুমি থেকে
- 9:09তোমার বাবা হয়ে যাচ্ছো তখন কি হচ্ছে
- 9:12তোমার ফ্রেন্ডের পায়ের উপর বেশি পরিমাণ
- 9:13চাপ প্রয়োগ হচ্ছে এইজন্য আমরা বলতে পারি
- 9:16পি সমানুপাতিক এফ এবং পরবর্তী অংশে একটু
- 9:20খেয়াল করি সেটা হচ্ছে আমরা যদি এবার এফ
- 9:21কে কনস্ট্যান্ট রাখি তাহলে কি দাঁড়াবে পি
- 9:25ইনভার্স প্রপোরশনাল এ অর্থাৎ পি আর
- 9:28ক্ষেত্রফলের সম্পর্ক চাপ আর ক্ষেত্রফলের
- 9:30সম্পর্ক হয়ে যাবে ব্যস্তানুপাতিক সেটা
- 9:32সেটা কিরকম? আমরা আবারও সেই জুতার
- 9:34অবস্থাতে ফিরে যাই। ধরো তুমি তোমার বাবার
- 9:37প্লেন সু যেটা আছে সেটা পড়ে যদি তোমার
- 9:39ফ্রেন্ডের পায়ের উপর দাঁড়াও সে যেরকম চাপ
- 9:42অনুভব করবে যদি একটা পেন্সিল হিলের সু পড়ে
- 9:44তোমার ফ্রেন্ডের পায়ের উপর দাঁড়াও তখন কি
- 9:46অবস্থা হবে? এমনটাও ঘটতে পারে পা ছিদ্র
- 9:48হয়ে নিচের দিকে চলে যেতে পারে। ঠিক আছে?
- 9:50তাহলে দুটো ক্ষেত্রে আমি কি করলাম? আমি
- 9:52কিন্তু তোমাকে ঠিক রেখেছি। অর্থাৎ
- 9:54প্রযুক্ত বলটা ঠিক রেখেছি। পরিবর্তন কি
- 9:56করেছি? পরিবর্তন কি করেছি? পরিবর্তনটা
- 9:58করেছি এ অর্থাৎ ক্ষেত্রফলের। একবার বড়
- 10:01সোলের হচ্ছে জুতা পড়ে দাঁড়াতে বললাম
- 10:03আরেকবার হচ্ছে পেন্সিল হিলের জুতা পড়ে
- 10:05দাঁড়াতে বললাম। যখনই আমি দেখতেছি
- 10:06ক্ষেত্রফলকে কমিয়ে দিচ্ছি তখনই কিন্তু
- 10:09আমার চাপের পরিমাণ বেড়ে যাচ্ছে। যখনই আমি
- 10:11ক্ষেত্রফল বাড়িয়ে দিব তখনই কিন্তু আমার
- 10:13চাপের পরিমাণ কমে যাবে। এটা নিয়ে এবার
- 10:162020 সালে ঢাকা বোর্ডে এসএসসি পরীক্ষায়
- 10:18একটা প্রশ্ন এসেছিল। সেটা হচ্ছে এরকম একটা
- 10:20ইট দিয়ে যার দৈর্ঘ্য প্রস্থ যার দৈর্ঘ্য
- 10:24প্রস্থ উচ্চতা দেয়া ছিল এবং বলা হলো এই
- 10:27ইটটাকে কিভাবে রাখলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ
- 10:31চাপ প্রয়োগ করবে। এখন আমরা একটা জিনিস
- 10:33একটু আগেই দেখে এসেছিলাম পি আর
- 10:35ক্ষেত্রফলের সম্পর্ক হচ্ছে
- 10:36ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ ক্ষেত্রফল যেই
- 10:38পাশটাতে সবচেয়ে কম হবে সেই পাশটাতে চাপের
- 10:42পরিমাণ সবচেয়ে বেশি হবে। তাহলে আমি যদি
- 10:44ইটটাকে এইভাবে শোয়ায় রাখি তাহলে যেই
- 10:46পরিমাণ ক্ষেত্রফল হবে একটু যদি কাত করে
- 10:48শোয়ায় তাহলে তার চাইতে কম পরিমাণ
- 10:50ক্ষেত্রফল হবে। আর যদি একদম খাড়া করে এরকম
- 10:53করে দাঁড় করিয়ে দিই তাহলে কি হবে? সবচেয়ে
- 10:55কম পরিমাণ ক্ষেত্রফলে সে দাঁড়াবে। তাহলে
- 10:57কি হবে? সবচেয়ে বেশি পরিমাণ চাপ অনুভূত
- 11:00হবে। তাহলে আমাদেরকে যে প্রশ্নটা করেছিল
- 11:02কিভাবে রাখলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ চাপ
- 11:04অনুভূত হবে? সেটা হচ্ছে আমরা এভাবে ইটে
- 11:06দাঁড় করিয়ে দিলে সবচেয়ে বেশি পরিমাণ চাপ
- 11:08অনুভূত হবে। তাহলে চাপ সম্পর্কে আরেকটা
- 11:10জিনিস আমরা একটু জেনে নিই। চাপ কি স্কেলার
- 11:12রাশি না ভেক্টর রাশি? এটা খুবই
- 11:14গুরুত্বপূর্ণ এবং আমাদের সবার কাছে এটা
- 11:16অনেকের কাছে রহস্যময় মনে হতে পারে। কারণ
- 11:18ক্ষেত্রফল আছে। ক্ষেত্রফলের হচ্ছে একটা
- 11:20দিক তৈরি হয়। ক্ষেত্রফলের একটা মান তৈরি
- 11:22হয়। ক্ষেত্রফল যেভাবে আছে তার উপর লম্ব
- 11:24বরাবর তার দিক। তাহলে চাপ কি ভেক্টর রাশি
- 11:26না স্কেলার রাশি? একটু চিন্তা করি। আমরা
- 11:28বিষয়টা এভাবে চিন্তা করলে কি দাঁড়াবে?
- 11:30সেটা হচ্ছে এরকম একটা বেলুন চিন্তা করি।
- 11:34ঠিক আছে? এই বেলুন ভর্তি হচ্ছে আমার বাতাস
- 11:36বা তরল পদার্থ। চাপ শব্দটা আমরা সবচেয়ে
- 11:39বেশি ব্যবহার করব বাতাস এবং তরল পদার্থের
- 11:41উপরে। আচ্ছা তাহলে এই বেলুন ভর্তি হচ্ছে
- 11:43বাতাস বা তরল। আমি যদি ঠিক উপর থেকে নিচের
- 11:47দিকে চাপ প্রয়োগ করি তাহলে সেই চাপের দিক
- 11:50হওয়ার কথা ছিল কি? সোজা নিচের দিকে।
- 11:52কিন্তু একটা জিনিস খেয়াল করে দেখোতো যদি
- 11:54আমি এখানে এই বরাবর এটা ছিদ্র করে দিই।
- 11:56যদি এই বরাবর এটা ছিদ্র করে দিই। যদি এই
- 11:59বরাবর এটা ছিদ্র করে দিই। তাহলে আমি যদি
- 12:00এদিক থেকে চাপ দিই তাহলে পানি কি
- 12:02শুধুমাত্র এই ছিদ্র বরাবর পড়বে? নাকি
- 12:04বাকি ছিদ্রগুলা বরাবরও পড়বে? তাহলে আমি
- 12:07দেখো যেই দিকে বল প্রয়োগ করতে চাপ
- 12:09প্রয়োগ করতেছি সেটা ঠিক সরাসরি না গিয়ে
- 12:12সবদিকেই প্রবাহিত হচ্ছে। অর্থাৎ এইদিক
- 12:14এইদিক সবদিকে হচ্ছে প্রবাহিত হতে শুরু
- 12:17করেছে। তার মানে চাপের কোন নির্দিষ্ট দিক
- 12:20কিন্তু হচ্ছে না। সে সবদিকে প্রবাহিত
- 12:22হচ্ছে। তার মানে আমরা ভেক্টর কিন্তু জানি
- 12:25যে যার নির্দিষ্ট দিক ও মান আছে তাকে
- 12:27ভেক্টর রাশি বলে। যেহেতু চাপের নির্দিষ্ট
- 12:30দিক নাই সে সবদিকেই প্রবাহিত থাকে। সুতরাং
- 12:32চাপকে আমরা বলে নিব যে স্কেলার রাশি। এখন
- 12:35আমরা যে টপিকটা নিয়ে আলোচনা করবো সেটা
- 12:37হচ্ছে ঘনত্ব। এটা অন্যতম একটা
- 12:39গুরুত্বপূর্ণ টপিক। আমরা একটু মনোযোগ
- 12:42দিয়ে খেয়াল করি। ঘনত্ব কাকে বলে? প্রথমে
- 12:44আমরা চিড়াচড়িত নিয়ম আমরা তার একটু
- 12:46সংজ্ঞাটা দেখে তার সাথে একটু পরিচয় হয়ে
- 12:47নিই। ঘনত্ব হচ্ছে প্রতি একক আয়তনে বস্তুর
- 12:51ভরকে ঘনত্ব বলে। প্রতি একক আয়তনে বস্তুর
- 12:53ভরকে ঘনত্ব বলে। একটু লিখে নিই। প্রতি একক
- 12:57আয়তনে প্রতি একক আয়তনে যে ভর তাকে ঘনত্ব
- 13:00বলে। এখন আমরা যদি সেটাকে আবারও আগের মত
- 13:02ঐকিক নিয়মে নিয়ে যাই। ধরো ভি আয়তনে ভর
- 13:06হচ্ছে এম। আবারও আগের কথা যে ভি যেকোন
- 13:10ভ্যালু হতে পারে। এইজন্য আমরা সিম্বল
- 13:12দিয়ে লিখলাম। একই কথা এম এর ক্ষেত্রেও।
- 13:14তো একক আয়তনে ভর কত হবে? ঐকিক নিয়ম
- 13:17এমবাভি। আমরা একটু আগেই বলেছিলাম একক
- 13:20আয়তনে ভরকে ঘনত্ব বলে। তাহলে ঘনত্বকে যদি
- 13:23রো দ্বারা লেখা হয়ে থাকে তাহলে রো
- 13:25ইকুয়াল এমবাভি। অর্থাৎ ঘনত্ব রো ইকুয়াল
- 13:29এমবাভি। এই সূত্রটা আমরা মনে রাখার চেষ্টা
- 13:31করব। আমাদের আরো একটা গুরুত্বপূর্ণ সূত্র
- 13:34হচ্ছে রো ইকুয়াল এমবাভি। এখন এটা থেকে
- 13:37হচ্ছে আগের মতই আমরা একক এবং মাত্রা
- 13:39সমীকরণ দেখার চেষ্টা করব। একক কি? একক হবে
- 13:42হচ্ছে এম এর এম মানে ভর। ভরের একক হচ্ছে
- 13:46কেজি। আমরা এসই একক নিয়ে বারবার কথা বলব।
- 13:48কেজি আর আয়তন। আয়তন মানে হচ্ছে ঘনমিটার।
- 13:51আমরা পেলাম ঘনত্ব রো ইকুয়াল এম এর এককটা
- 13:55লিখলাম কেজি। ভি এর একক হচ্ছে ঘনমিটার।
- 13:57তাহলে এটাকে লেখা যায় কেজি পার ঘনমিটার।
- 14:01এটাই হচ্ছে আমার ঘনত্বের একক। এরপর আমরা
- 14:03ঘনত্বের মাত্রা নিয়ে একটু কথা বলে দেখি।
- 14:05মাত্রাটা কি হবে? খুবই সহজ একটা মাত্রা।
- 14:08এই যে ঘনত্বের মাত্রা সেটা হচ্ছে এম এর
- 14:11মাত্রা কি হবে? এম মানে হচ্ছে ভর। ভরের
- 14:14মাত্রা হচ্ছে ক্যাপিটাল এম আর ভি। সেটা
- 14:16হচ্ছে আয়তন। সেটার মাত্রা হচ্ছে এল কিউব।
- 14:19কেন এল কিউব? কারণ আয়তন মানে দৈর্ঘ্য,
- 14:21প্রস্থ, উচ্চতা। তিনটা দৈর্ঘ্যের গুণফল।
- 14:23একটার জন্য যদি এল হয় তাহলে তিনটার জন্য
- 14:26এল কিউব। তাহলে এটা কি দাঁড়াবে? এম এল
- 14:29ইনভার্সথ এটা হচ্ছে আমাদের ঘনত্বের মাত্রা
- 14:32সমীকরণ। এটা আমাদের জন্য খুবই
- 14:34গুরুত্বপূর্ণ। এরপর আমরা এটা থেকে আরো
- 14:36কিছু জিনিস দেখে নিই। সেটা হচ্ছে রো
- 14:38ইকুয়াল এমবাভি। আমরা যদি কোথাও এম কে
- 14:41কনস্ট্যান্ট রাখি তাহলে রো সমান সমানুপাতী
- 14:44কি হবে? ও বাই ভি। আমরা যদি ভরকে
- 14:47কনস্ট্রেন্ট রেখে আয়তনের পরিবর্তন করে
- 14:50থাকি তাহলে রো আর আয়তনের মধ্যে অর্থাৎ
- 14:53ঘনত্ব আর আয়তনের মধ্যে সম্পর্ক হচ্ছে
- 14:55ব্যস্তানুপাতিক। অর্থাৎ ভরকে অপরিবর্তিত
- 14:58রেখে যদি আমি আয়তন বাড়াতে থাকি তাহলে
- 15:01সেই ক্ষেত্রে রো এর মান অর্থাৎ ঘনত্বের
- 15:03মান কমে যাবে এবং আমরা যদি হচ্ছে আয়তন
- 15:05কমাতে থাকি তাহলে সেই ক্ষেত্রে হচ্ছে
- 15:07ঘনত্বের মান বেড়ে যাবে। এই কথাটা হচ্ছে
- 15:09একটু মনে রাখবা। কারণ আমরা একটু পরে এই
- 15:12বিষয় নিয়ে আরো কিছু জিনিস কথা বলে নিব।
- 15:14তার আগে তোমাদের বইয়ে একটা ছক দেয়া ছিল
- 15:16ঘনত্বের বিভিন্ন পদার্থের ঘনত্ব নিয়ে।
- 15:18সেই ছকটা আমি একটু আলোচনা করে দিই। সেটা
- 15:21হচ্ছে পানির ঘনত্ব দেয়া ছিল। তোমাদের
- 15:22বইয়ে সবগুলা ছিল সিজিএস এককে অর্থাৎ
- 15:25গ্রাম পার সিসি ইউনিটে। সেটা কি ছিল? পানি
- 15:27সমান হচ্ছে 1.00 পারদ সমান 13.6 সেগুলাকে
- 15:31আমাদের যেহেতু ম্যাথে করা ম্যাথ করার সময়
- 15:34এগুলা কেজি পার ঘনমিটার বা এসআই এককে
- 15:37ব্যবহার করতে হবে। এইজন্য এগুলাকে আমি
- 15:39এসআই এককে নিয়ে গেছি। সেটার জন্য কি
- 15:41করেছি? কিছুই না তোমাদের এইখানে যে
- 15:43ভ্যালুগুলো দেয়া ছিল প্রত্যেকের সাথে
- 15:441000 গুণ করে দিয়েছি প্রত্যেকের সাথে
- 15:471000 গুণ করে দিয়েছি তাহলে আমার এই
- 15:49ভ্যালুগুলা দাঁড়ায় প্রশ্ন আসতে পারে
- 15:501000 কেন দাঁড় করিয়ে দিয়েছি আমরা একটু
- 15:52এককটার দিকে খেয়াল করি এককটা কি একক
- 15:55হচ্ছে গ্রাম বাই সিসি এখন আমি জানি
- 15:59গ্রামকে যদি কেজিতে নিতে হয় তাহলে 1000
- 16:02দ্বারা ভাগ করতে হয় আর যদি সিসি কে যদি
- 16:05আমার ঘনমিটারে নিয়ে যেতে হয় তাহলে কত
- 16:08দ্বারা ভাগ করতে হয় 10 লক্ষ দ্বারা ভাগ
- 16:11করতে হয়। এখন এই 1000 আর 10 লক্ষ কাটাকাটি
- 16:14করো দেখা যাবে সেটা পাবে হচ্ছে 1000।
- 16:17অর্থাৎ আমি যদি সিজিএস এককে দেয়া থাকলে
- 16:20তাকে 1000 দ্বারা গুণ করে দিই তাহলে সেটা
- 16:22পাব কেজি পার ঘনমিটার এককে। এইটা ছিল
- 16:26হচ্ছে ঘনত্বের বেসিক জিনিসগুলো। এবং ঘনত্ব
- 16:28আমাদের জীবনে প্রতিদিন খুবই গুরুত্বপূর্ণ।
- 16:30তার একটু কিছু আলোচনা আমরা করে দেখি। সেটা
- 16:32হচ্ছে আমরা চুলায় হচ্ছে পানি গরম করে থাকি
- 16:35না। চুলায় পানি গরম করার সময় আমাদের কি
- 16:37হয়ে থাকে? আমরা হচ্ছে এরকম চুলার উপর
- 16:39পাত্রটা রেখে নিচে তাপ দিতে শুরু করি। এই
- 16:42তাপটা প্রথমে কে গ্রহণ করবে? পাত্রের
- 16:44নিচের যে পানিগুলো আছে সে পানিগুলা গ্রহণ
- 16:46করে থাকবে। এখন পাত্রের নিচের যে পানিগুলো
- 16:49আছে তারা উষ্ণ হওয়ার পর যদি তারা উপরে না
- 16:53উঠে আসে তাহলে উপরের পানিগুলো নিচে নামার
- 16:55কোন সুযোগ নাই। এবং তাহলে তাপ আর উপরের
- 16:57পানিতে লাগার কোন সুযোগ নাই। সেক্ষেত্রে
- 16:59হচ্ছে আমার পুরো পাতিলের পানি গরম হবে না।
- 17:01কিন্তু এক্ষেত্রে দেখা যায় কি যদি আমি
- 17:03তাপ দিতে থাকি তাহলে পাত্রের তলার যে
- 17:05পানিগুলো আছে তারা তাপ গ্রহণ করার ফলে
- 17:08তাদের আয়তন বৃদ্ধি পায়। আমরা চাপ এই যে
- 17:11যখন হচ্ছে তাপমাত্রার অধ্যায়টা পড়বো
- 17:13অর্থাৎ ষষ্ঠ অধ্যায় পড়বো তখন দেখব যে
- 17:15তাপ প্রয়োগে যেকোনো পদার্থের আয়তন
- 17:17বৃদ্ধি পায়। তাহলে আমার তরল পদার্থ নিচের
- 17:19গুলা যখন হচ্ছে যে তাপ দেওয়া হয় তখন তার
- 17:22আয়তন বৃদ্ধি পায়। আর আমরা বলেছিলাম
- 17:24আয়তন বৃদ্ধি পেলে কি হবে? ঘনত্ব কমে
- 17:26যাবে। তার মানে এটা ঘনত্ব কমে যাওয়ার ফলে
- 17:28এই পানিগুলা উপরে চলে আসবে এবং উপরের
- 17:30পানিগুলা নিচে চলে আসবে। এভাবে
- 17:32ক্রমাণ্যয়ে একচেঞ্জের মাধ্যমে হচ্ছে পুরো
- 17:35পাত্রের পানিগুলা হচ্ছে গরম হয়ে যাবে।
- 17:37কিন্তু যদি ব্যাপারটা এরকম হয় যে আমি উপর
- 17:40থেকে শুধু তাপ দিচ্ছি। উপর থেকে তাপ দিলে
- 17:42কি এরকম ঘটার কোন সম্ভাবনা আছে? উপরের
- 17:44পানি হালকা হয়ে কি নিচে যাবে? না। সেই
- 17:46ক্ষেত্রে তাহলে উপরের পানিগুলোই হচ্ছে
- 17:48শুধু গরম হবে। সেটার উদাহরণ কিন্তু আমরা
- 17:51পেয়ে থাকি। আমরা যখন হচ্ছে নদীতে বা
- 17:53পুকুরে গোসল করতে যাই তখন দেখবা
- 17:55গ্রীশবকালে উপরের পানিগুলা গরম নিচের
- 17:58পানিগুলা ঠান্ডা। এর কারণ কি? এর কারণে এই
- 18:00যে একটু আগে আমরা ঘনত্ব নিয়ে বলেছি যখন
- 18:02সূর্যের আলো পড়ে তখন উপরের স্তরের পানি
- 18:04যেগুলো আছে সেই পানিগুলাই হচ্ছে তাপ শোষণ
- 18:08করে হালকা হয়ে যায়। কিন্তু তারা কখনো
- 18:10নিচে নামে না। যার ফলে নিচ পর্যন্ত পানি
- 18:12পৌঁছাতে পারে না। তাপ পৌঁছাতে পারে না বলে
- 18:14সেক্ষেত্রে নিচের পানি আর কখনো উষ্ণ হয়
- 18:16না। এছাড়া আরো অনেক ব্যবহার আছে। আমরা
- 18:19হচ্ছে ফানুস উডাই না। হুমায়ন আহমেদ স্যার
- 18:21বলে গেছিলেন এনে দাও 100 ফান মানুষ আজন্ম
- 18:23সলজ্য স্বাদ একদিন আকাশে ফানুস উডায়।
- 18:25হ্যাঁ ফান মানুষ উড়ানোর কথা বলে গেছিলেন।
- 18:27তো সেই ফানুস উডানোর ক্ষেত্রে কি কি
- 18:29ব্যবহার করা হয়ে থাকে? আমাদের কিন্তু এই
- 18:31ঘনত্বের কনসেপ্টটাই ব্যবহার করা হয়ে
- 18:33থাকে। ফিজিক্স একটা কিন্তু রোমান্টিক
- 18:35থ্রিলার উপন্যাস। সেখানে পড়তে পরতে
- 18:36কিন্তু রোমান্টিকতা আছে। আচ্ছা সেই
- 18:38জিনিসটাতে আসি। যখন আমরা মানুষ উড়াই তখন
- 18:42দেখা যাবে এই মানুষের এইখানে হচ্ছে আগুন
- 18:44জ্বালানো হয়ে থাকে। এই আগুন জ্বালানোর
- 18:46ফলে কি হয়? মানুষের ভেতরে যে বাতাসগুলো
- 18:48আছে এরা আয়তন বৃদ্ধি পায় যার ফলে ঘনত্ব
- 18:51কমে যায়। এখন চারপাশের বাতাসের তুলনায়
- 18:53তার ভেতরের যে বাতাসগুলো আছে তাদের
- 18:56ক্ষেত্রে কি হয়? ঘনত্ব কমে যায়। যার ফলে
- 18:58মানুষটা হালকা হয়ে উপরে উঠতে শুরু করে।
- 19:00এমনটা কিন্তু আমরা ওযে ছোট রাস্তার পাশে
- 19:02হচ্ছে বেলুন বিক্রেতার ক্ষেত্রে হচ্ছে
- 19:04এরকমটা দেখে থাকি। তাহলে এইরকম আরো একটা
- 19:06ব্যবহার আমরা মজার বলে দিই। সেটা হচ্ছে
- 19:09আমাদের ডিম সম্পর্কে জানার জন্য যে ডিমটা
- 19:11কি পচা না ভালো? এটা জানার জন্য কিন্তু
- 19:13আমরা এই ঘনত্বের কনসেপ্টটাই ব্যবহার করতে
- 19:15পারি। সেটা কি করে? ডিমকে নিয়ে পানিতে
- 19:17রেখে দাও। ডিমটা যদি ডুবে যায় তাহলে
- 19:19ভালো। ডিমটা যদি ভেসে থাকে তাহলে ডিমটা
- 19:22পচা। কেন? ডিম যদি পচে যায় তার ঘনত্ব কমে
- 19:25যাবে। হালকা হয়ে যাবে পানির ঘনত্বের
- 19:27তুলনায়। যার ফলে হচ্ছে সে ভেসে থাকবে।
- 19:30তাহলে এই ছিল হচ্ছে মোটামুটি ঘনত্ব নিয়ে
- 19:32কথাবার্তা। এই পর্যন্ত রাখি। এরপরে আমরা
- 19:35অন্য টপিকের দিকে মুভ করি। এবার আমরা একটা
- 19:37জিনিস নিয়ে কথা বলব সেটা হচ্ছে তরলের
- 19:39অভ্যন্তরে কোন বিন্দুতে যেই পরিমাণ চাপ
- 19:42অনুভূত হচ্ছে সেই চাপ কিভাবে নির্ণয় করব
- 19:45সেই জিনিসটা বের করার চেষ্টা করব এবং
- 19:46সূত্র তৈরি করব। আচ্ছা তার আগে আমার হচ্ছে
- 19:49তরলের অভ্যন্তরে কোন বিন্দুতে চাপ নির্ণয়
- 19:51করার জন্য আমার একটা জিনিস প্রয়োজন তরলের
- 19:53অভ্যন্তরে কোন বিন্দুতে বলতে কি বুঝায়?
- 19:55আমি এখানে লিখে রেখেছি তরল পদার্থের ভেতরে
- 19:58কোন বিন্দুতে চাপ বলতে ঠিক ওই বিন্দুর
- 20:01চারদিকে প্রতি একক ক্ষেত্রফলের উপর
- 20:03লম্বভাবে অনুভূত বলকে বুঝায়। অর্থাৎ
- 20:05ব্যাপারটা অনেকটা এইরকম তরল পদার্থের
- 20:08অভ্যন্তরে কোন বিন্দুতে বা ভিতরে কোন
- 20:10বিন্দুতে চাপ বলতে ধর এই বিন্দুতে আসলে
- 20:12চাপ বলতে কি বুঝানো হবে? ঠিক ওই বিন্দুর
- 20:15চারিদিকে এই যে ওই বিন্দুর হচ্ছে চারিদিকে
- 20:17প্রতি একক ক্ষেত্রফলের উপর প্রতি একক
- 20:19ক্ষেত্রফল যদি আমরা চিন্তা করি এই প্রতি
- 20:21একক ক্ষেত্রফলে লম্বভাবে অনুভূত বলকে
- 20:25বুঝানো হয়ে থাকে তরলের অভ্যন্তরে কোন
- 20:27বিন্দুতে চাপ বলতে এখন এটা আমরা কি করে
- 20:29নির্ণয় করব যে আমার তরলের অভ্যন্তরে কোন
- 20:31বিন্দুতে চাপ কি হবে তার জন্য ধরো আমরা
- 20:33এরকম একটা পাত্র কল্পনা করি এই পাত্রের
- 20:36আমরা এই বিন্দুতে হচ্ছে আমরা চাপ নির্ণয়
- 20:39করব যে এই বিন্দুতে চাপের পরিমাণ কত তার
- 20:41জন্য একটা কাজ করি তরলের একদম আপার লেয়ার
- 20:44আপার লেয়ার থেকে একটা সিলিন্ডার কল্পনা
- 20:46করে নিই। এরকম একটা সিলিন্ডার কল্পনা করে
- 20:49নিলাম। যেই সিলিন্ডারের ক্ষেত্রফল হচ্ছে
- 20:51এ। ক্ষেত্রফল হচ্ছে এ আর উচ্চতা হচ্ছে
- 20:56উচ্চতা হচ্ছে এইচ। এই সিলিন্ডারের
- 20:58ক্ষেত্রফল হলো এ এবং উচ্চতা হচ্ছে এইচ।
- 21:00এখন সে এই বিন্দুতে কি পরিমাণ বল প্রয়োগ
- 21:03করতেছে। খুব স্বাভাবিক এবং সহজ ানসার। এই
- 21:06সিলিন্ডারে যেই পরিমাণ পানি আছে সেই
- 21:08পরিমাণ পানির ওজন যা সেটাই তো এই বিন্দুতে
- 21:11বল প্রয়োগ করতেছে। তাহলে আমরা লিখতে পারি
- 21:13প্রযুক্ত বল সমান প্রযুক্ত বল সমান তরলের
- 21:16ওজন। বলে নিই ওজন কিন্তু ভাইয়া ওয়ান
- 21:18কাইন্ড অফ বল। কি রকম? ওজন বলতে বুঝানো
- 21:21হয় পৃথিবী কোন বস্তুকে যেই বলে আকর্ষণ
- 21:23করে। তাহলে পৃথিবীর আকর্ষিত বলটাকেই তো
- 21:26আমরা ওজন বলতেছি। এইজন্য এইখানে যেই
- 21:28পরিমাণ তরল আছে তার যে ওজন সেই পরিমাণ বল
- 21:31সে এই বিন্দুতে প্রয়োগ করতেছে। তা এখন আম
- 21:33তরলের ওজন কি হবে? তরলের ওজন হচ্ছে ডবলি
- 21:36ইকয় এমজি আমরা সূত্র জানি তাহলে এমজি এম
- 21:38ইকয়ালটু কি হবে রোভিজি
- 21:42ঠিক আছে এইটাই হচ্ছে আমার তরলের অভ্যন্তরে
- 21:44কোন বিন্দুতে প্রযুক্ত বল এখন আমরা এটাকে
- 21:47আবার সিম্প্লিফাই করতে পারি ভি ইকুয়াল
- 21:49আমরা যখন ঘনত্ব পড়েছিলাম সেখানে কি
- 21:51লিখেছিলাম রো ইকুয়াল এমবাভি রইক এবাভি এই
- 21:55এম এর পরিবর্তে কি লেখা যায় রভি এইযে এম
- 21:58এর পরিবর্তে আমরা রোভি লিখলাম এখন আবার ভি
- 22:02আয়তন সমান কি আয়তন সমান হচ্ছে
- 22:04ক্ষেত্রফল ইনটু উচ্চতা। তাহলে আমি যদি ভি
- 22:08কে রিপ্লেস করে দিই তাহলে কি হবে? এ এইচ
- 22:12রোজি এটাই হচ্ছে তরলের অভ্যন্তরে এই
- 22:15বিন্দুতে প্রযুক্ত বল। এখন আমি নির্ণয় করব
- 22:18চাপের পরিমাণ কত? আমরা জানি চাপ পি ইকুয়াল
- 22:22এফ বাই এফ কত পেয়েছি? এফ হচ্ছে এ এইচ রোজি
- 22:29এবং এর পরিমাণ কত? এই ধরে নিলাম। তাহলে
- 22:32হচ্ছে পি সমান কি দাঁড়াচ্ছে এই এ আর এই এ
- 22:35ক্যান্সেল আউট তাহলে দাঁড়াবে পি ইকুয়াল
- 22:37এইচ রোজি পি ইকুয়াল এইচ রোজি এখানে এইচ
- 22:41এর পরিচয় কি এইচ এর পরিচয় হচ্ছে তরলের
- 22:44অভ্যন্তরে যেই বিন্দুতে চাপ নির্ণয় করতে
- 22:47বলবে তরলের মুক্ত স্তর থেকে সেই বিন্দুর
- 22:50গভীরতা যেমনটা এইখানের ক্ষেত্রেই বললাম যে
- 22:54এই বিন্দুতে আমি হচ্ছে চাপ নির্ণয় করব
- 22:56তাহলে মুক্ত স্তর থেকে এই বিন্দুর গভীরতা
- 22:59কতটুকু সেটাই হচ্ছে এই আমি কিন্তু এই পুরো
- 23:02পাত্রের গভীরতাটুকু নিবো না। যেই বিন্দুতে
- 23:05নির্ণয় করতে বলবে সেই বিন্দুর পর্যন্ত
- 23:08গভীরতা হচ্ছে এইচ। ঘনত্ব কি? ঘনততর। যেই
- 23:11তরল নিয়ে বলবে সেই তরলের ঘনত্ব। আর আমরা
- 23:13জানি জি হচ্ছে গ্রাভিটেশনাল এক্সিলারেশন।
- 23:16তার আগে একটা জিনিস একটু বলে নিই। সেটা
- 23:17হচ্ছে আমরা যে এখানে ধরেছিলাম এ। কিন্তু
- 23:20আমরা ধরেছিলাম এই যে সিলিন্ডারের তলা তলার
- 23:23ক্ষেত্রফল যতটুকু সেই জিনিসটা। আমরা
- 23:25কিন্তু পাত্রের ক্ষেত্রফল পাত্রের তলার
- 23:28ক্ষেত্রফল চিন্তা করিনি। তার মানে এখান
- 23:30থেকে আরো একটা জিনিস আমরা স্পষ্ট বলতে
- 23:32পারি সেটা হচ্ছে বল যতটুকু যুগলে প্রযুক্ত
- 23:35হবে আমরা সেইটুকুই ক্ষেত্রফল চিন্তা করব।
- 23:37যেমনটা ধরো আমরা যদি এরকম একটা টেবিল
- 23:39চিন্তা করি। হ্যাঁ এই টেবিলের উপর এই
- 23:41জায়গাটাতে হচ্ছে আমি বল প্রয়োগ করতেছি।
- 23:44এখন আমি যদি চাপ ক্যালকুলেশন করতে যাই সেই
- 23:47সময় আমি কি পুরো টেবিলের ক্ষেত্রফল নিব?
- 23:49নাকি শুধু যেইটুকু জুড়ে হচ্ছে চাপ
- 23:52প্রয়োগ হচ্ছে সেইটুকু নিব? অবশ্যই পুরো
- 23:54টেবিল না শুধুমাত্র যেইটুকু জুড়ে হচ্ছে
- 23:57বল প্রয়োগ হচ্ছে সেইটুকুর ক্ষেত্রফল
- 23:59কাউন্ট করব। আচ্ছা এইখানে সূত্রটা একটু
- 24:02লেখা যায়। আমরা এই সূত্রটাকে যদি একটু
- 24:03বাড়ায় নিই তাহলে কি হবে? পি সমানুপাতিক
- 24:06এইচ রোজি যেহেতু কনস্ট্যান্ট
- 24:09গ্রাভিটেশনালঅিলারেশন। তো
- 24:10গ্রাভিটেশনালঅিলারেশন যেহেতু কনস্ট্যান্ট
- 24:12সে কনস্ট্যান্ট বাদ দিয়ে আমরা সমানুপাতিক
- 24:14চিহ্ন নিয়ে এসেছি। তাহলে কি দাঁড়ালো? পি
- 24:16সমানুপাতিক এইচ রো। এর মানে কি? তরলের
- 24:20অভ্যন্তরে কোন বিন্দুতে চাপ এর গভীরতার
- 24:23এবং ঘনত্বের সমানুপাতিক। অর্থাৎ গভীরতা
- 24:26বাড়তে থাকলে চাপ বাড়তে থাকবে এবং ঘনত্ব
- 24:30বাড়তে থাকলে তরলের অভ্যন্তরে কোন
- 24:31বিন্দুতে চাপের পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকবে।
- 24:33এটার আমরা বাস্তব উদাহরণ সবসময় দেখে
- 24:35থাকি। আমাদের বাসায় ট্যাংগুলা পানির যে
- 24:38ট্যাংগুলো এগুলা কোথায় থাকে? আমাদের
- 24:39বাসার ছাদে থাকে না। হ্যাঁ। এবং আমরা যারা
- 24:42গ্রাউন্ড ফ্লোরে বসবাস করি তাদের বাসায়
- 24:44ট্যাব খুলে দেখবা পানির যে প্রেসার বা
- 24:47পানির যে চাপ থাকে উপরের স্তরে গেলে
- 24:49কিন্তু সেই চাপটুকু পাওয়া যায় না এবং
- 24:51অনেক ছয় তলা 10 তলা বিল্ডিং এর দেখবা
- 24:53গ্রাউন্ড ফ্লোরে যারা থাকে তারা হচ্ছে ওই
- 24:55যে কলের কলের মুখে হচ্ছে আলাদা একটা কিছু
- 24:58লাগিয়ে নেয় যাতে হচ্ছে পানির প্রেসারটা
- 25:00কম থাকে এর পেছনে কারণ কি ওই যে ফিজিক্সই
- 25:02দায় যে পি সমানুপাতিক এইচ রো অর্থাৎ যখনই
- 25:06গভীরতা বাড়তেছে তখনই সেই বিন্দুতে চাপের
- 25:09পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। তাহলে এই
- 25:12টপিকের ব্যাপারগুলো ছিল কি? তরলের
- 25:14অভ্যন্তরে কোন বিন্দুতে চাপ বলতে কি
- 25:16বুঝায়? সেই চাপ আমি কি করে নির্ণয় করতে
- 25:18পারবো? সেই সূত্র এবং আমার সেই সূত্র থেকে
- 25:22আমরা ডেভেলপ করেছিলাম পি সমানুপাতিক এইচ
- 25:24রো অর্থাৎ গভীরতা এবং ঘনত্ব বাড়ার
- 25:27সাথে সাথে চাপ বৃদ্ধি পেতে থাকে। এবার
- 25:29আমরা যেটা নিয়ে আলোচনা করবো সেটা হচ্ছে
- 25:31প্লবতা। প্লবতা জিনিসটা যদি আমাকে সহজে
- 25:33ডিস্ক্রাইব করতে বা ব্যাখ্যা করতে বলা হয়
- 25:35আমি একটা শব্দই বলব সেটা হচ্ছে তরল বা
- 25:38বায়ুবীয় পদার্থ অর্থাৎ প্রবাহী। প্রবাহী
- 25:41ঊর্ধ্মুখী যে বল প্রয়োগ করে তাকেই প্লবতা
- 25:44বলে। এই জিনিসটা আসলে কি ঘটে? মানে তরলে
- 25:46যদি কোন বস্তুকে ডুবানো হয়ে থাকে তাহলে
- 25:48তরল কি তাকে উপরের দিকে ঠেলতে থাকে? হ্যাঁ
- 25:51অবশ্যই এই জিনিসটা ঘটে এবং আমরা প্রতিদিন
- 25:53আমরা এই জিনিসটার সাথে পরিচিত। আজকে একটু
- 25:55পরীক্ষা করে দেখতে পারো। ওয়াশরুমে আমাদের
- 25:58এক বালতি পানি নিয়ে সেই পানিবর্তী বালতি
- 26:00থেকে বালতির নিচ থেকে এক মগ পানি উঠায়
- 26:03আনার সময় দেখবা যে কিছুটা হালকা অনুভব
- 26:05করতেছো। যদি বালতিটা খালি থাকতো সেই এক মগ
- 26:07পানিকে যদি নিচ থেকে উঠায়ে আনতে যেতা তখন
- 26:09দেখতা যে কিছুটা ভারী অনুভব হচ্ছে। তাহলে
- 26:11একটা ক্ষেত্রে ভারী অনুভব হচ্ছে আরেকটা
- 26:13ক্ষেত্রে হালকা অনুভব হচ্ছে। এর পেছনের
- 26:16কারণটা কি? এর পেছনের কারণ হচ্ছে প্লবতা।
- 26:18অর্থাৎ যখনই তরলের মধ্যে কোন বস্তুকে
- 26:20ডুবানো হয়ে থাকে তখনই তরল তাকে উপরের
- 26:23দিকে একটা বল প্রয়োগ করতে থাকে। সেটা আরো
- 26:26একটা সহজ। তোমাদের বইয়ে হচ্ছে ব্যাখ্যা
- 26:28দেয়া আছে। সেটা হচ্ছে কি? আমি যদি হচ্ছে
- 26:30একটা প্লাস্টিক রাবার ব্যান্ডের মাথায়
- 26:32একটা কোন একটা কিছু ভারি ঝুলিয়ে দিয়ে
- 26:33বাতাসের যদি আমি ঝুলিয়ে রাখি তখন যতটুকু
- 26:36প্রসারিত হবে সেটাকে যদি আমি তরলের মধ্যে
- 26:38ঝুলিয়ে রাখি তার থেকে কিছুটা কম প্রসারিত
- 26:41হবে কেন কম প্রসারিত হবে ওই একই কথা তরল
- 26:44তাকে কিছুটা বল উপরের দিকে ঠেলতেছে সে
- 26:47জিনিসটা আমরা যে আর্কিমিডিসের সূত্রে আবার
- 26:50আলোচনা করব এখানে এইটুকু হচ্ছে বলে নেই
- 26:52তরল বা বায়বীয় পদার্থে আংশিক বা
- 26:55সম্পূর্ণভাবে নিমজ্জিত কোন বস্তুর উপর তরল
- 26:58বাবা বায়বীয় পদার্থ লম্বভাবে যে
- 27:01ঊর্ধ্মুখী বল প্রয়োগ করে তাকে প্লবতা
- 27:03বলে। এতক্ষণ পর্যন্ত কিন্তু এই কথাটাই
- 27:05বললাম। প্লবতা মানে কি? প্লবতা মানে হচ্ছে
- 27:08তরল ঊর্ধ্মুখী যে বল প্রয়োগ করে। তাহলে
- 27:10এবার আমরা দেখি একটু প্লবতা নির্ণয় করতে
- 27:12পারি কিনা। কি করে প্লবতা নির্ণয় করবে?
- 27:14আমরা আগের মত এরকম একটা পাত্র কল্পনা করি।
- 27:16সেই পাত্রের তরলের মধ্যে সম্পূর্ণ
- 27:20নিমজ্জিত একটা সিলিন্ডার আছে। সম্পূর্ণ
- 27:23নিমজ্জিত একটা সিলিন্ডার। অর্থাৎ পাত্রের
- 27:25মধ্যে একদম সম্পূর্ণ ডুবে গেছে। হ্যা। আর
- 27:28সবদিকে হচ্ছে তরল অনুভূত আছে। আমি দুটো
- 27:32বিন্দু নিয়ে নিই। এটা হচ্ছে ধরো পি কিউ
- 27:34আর এটা হচ্ছে আর এস। এইটার উপরে আসলে
- 27:37প্লবতা কত সেই জিনিসটা হিসাব করার চেষ্টা
- 27:40করব। এখন দেখো আমার এই বিন্দুতে কত বল
- 27:43প্রয়োগ হবে। আমরা চাপের সূত্র থেকে জানি
- 27:46পি ইকুয়াল এফ বাই এ। প্রথমেই বলেছিলাম এই
- 27:49সূত্র আমরা প্রচুর ব্যবহার করব। তাই মনে
- 27:51রাখবা পি সমান এফবাই এ। তাহলে এফ সমান কি
- 27:54হবে? এফ সমান হচ্ছে পি। এবার এখানে আরো
- 27:58কিছু জিনিস আমি একটু ব্যাখ্যা করে নিই।
- 27:59সেটা হচ্ছে ধরে নাও তরলের উপর থেকে এই যে
- 28:02সিলিন্ডারের উপর স্তর পর্যন্ত সেই
- 28:04দূরত্বটা হচ্ছে এইচও। তারপরে তরলের উপর
- 28:08থেকে সিলিন্ডারের যে গভীরতা সেই পর্যন্ত
- 28:11যে দূরত্ব সেটা হচ্ছে এইচটু। আর এই যে
- 28:14সিলিন্ডারের উচ্চতা সেটা হচ্ছে এইচ। এই
- 28:17জিনিসটার সাথে পরিচিত হয়নি। সেই সাথে এই
- 28:19যে ক্ষেত্রফল সেটা হচ্ছে আমার এ। এবার
- 28:22আমরা আলোচনায় আসি পি সমান এফ সমান হচ্ছে
- 28:25প। এখন আমি জানি তরলের অভ্যন্তরে কোন
- 28:28বিন্দুতে চাপ নির্ণয় সূত্র কি পেয়েছিলাম
- 28:30একটু আগেই পি সমান এইচ রোজি তাহলে আমার এই
- 28:35বিন্দুতে চাপের পরিমাণ কত হবে চাপের
- 28:38পরিমাণ এখান পর্যন্ত গভীরতা কত এইচ ওয়ান
- 28:40তাহলে এইচও রোজি তার মানে আমি এখানে এফও
- 28:44সমান লিখতে পারি এফও বলতে কি বুঝাচ্ছি পি
- 28:46কিউ বিন্দুতে যেই বল প্রযুক্ত হচ্ছে নিচের
- 28:49দিকে যেই বল প্রযুক্ত হচ্ছে নিচের দিকে
- 28:52সেইটুকুই হচ্ছে এফওয় তাহলে এফও পি সমান
- 28:54হচ্ছে এইচ ও রো জি এ এটা হচ্ছে এই
- 29:00বিন্দুতে প্রযুক্ত বল। এখন নিচের দিক থেকে
- 29:03একটা বল তো উপরের দিকেও ক্রিয়া হচ্ছে।
- 29:05কারণ আমরা জানি তরলের অভ্যন্তরে চাপ
- 29:07সবদিকে সমানভাবে হচ্ছে কাজ করতে থাকে। তার
- 29:10মানে উপরের দিকে একটা বল কাজ করতেছে। চাপ
- 29:12কাজ করে সেই সাথে হচ্ছে বল কাজ করতেছে।
- 29:15এখন এখানে নিচের দিকে একটা বল কাজ করতেছে।
- 29:16নিচের দিকেরটা আমরা কাউন্ট করলাম না। শুধু
- 29:18উপরের দিকেটা কাউন্ট করলাম। তো উপরের
- 29:20দিকেরটাকে যদি আমরা এফট ধরে নিই। এফট সমান
- 29:23কি হবে? সেইম। এখান থেকে এইখানের গভীরতা
- 29:26কত? এইচ2 তাহলে এইচ2 রো জি এ এ হচ্ছে
- 29:30পাত্রের ক্ষেত্রফল। জি
- 29:31গ্রাভিটেশনালঅেলারেশন আর রোটা হচ্ছে তরলের
- 29:34ঘনত্ব। যেই তরলের মধ্যে আমরা ডুবালাম। ঠিক
- 29:36আছে? এখন প্রশ্ন আসতে পারে ভাইয়া উপরের
- 29:38দিক থেকে আর নিচের দিক থেকে হচ্ছে
- 29:40ব্যাপারটা কাউন্ট করতেছি। কিন্তু পাশের
- 29:42দিকের গুলা হচ্ছে কাউন্ট করতেছি না কেন?
- 29:44যেহেতু এই ক্ষেত্রে এইটা আর এইটার গভীরতা
- 29:47সমান কিংবা এইটা আর এইটার গভীরতা সমান।
- 29:50তার মানে কি? এইখানে যেই পরিমাণ বল
- 29:52প্রযুক্ত হচ্ছে এখানেও ঠিক সেই পরিমাণ বল
- 29:55প্রযুক্ত হচ্ছে। তার মানে বিপরীত দিক থেকে
- 29:57পরস্পর বিপরীত দিক থেকে সমপরিমাণ যদি দুটো
- 30:00বল প্রয়োগ হতে থাকে তাহলে কি হবে? এখানে
- 30:03বলটা আল্টিমেটলি জিরো হয়ে যাচ্ছে। যার
- 30:06ফলে পাশেরগুলা আমরা কাউন্ট করতেছি না এবং
- 30:08উপরের গুলা আর নিচের গুলা কাউন্ট করতেছি।
- 30:10এবার হয়তো আরেকটা প্রশ্ন আসতে পারে যে
- 30:13তাহলে হচ্ছে উপরের দিক থেকে আর নিচের দিক
- 30:14থেকে বলটাও তো ক্যান্সেল আউট হয়ে যাওয়ার
- 30:16কথা ছিল। কিন্তু সেই ক্ষেত্রে ক্যান্সেল
- 30:18আউট কেন হচ্ছে না? কারণ আমরা দেখতেছি
- 30:21প্রথমটার ক্ষেত্রে গভীরতা এইচও
- 30:23দ্বিতীয়টার ক্ষেত্রে হচ্ছে গভীরতা এইচ2
- 30:26তাহলে এইচওয়ান এর চাইতে এইচ2 যেহেতু বেশি
- 30:29দ্বিতীয় ক্ষেত্রে বলের পরিমাণ বেশি প্রথম
- 30:31ক্ষেত্রে বলের পরিমাণ কম যেহেতু দুটোর
- 30:33মধ্যে পার্থক্য আছে এইজন্য হচ্ছে এখানে
- 30:35আলাদা করে সেই জিনিসটা কাউন্ট হচ্ছে
- 30:37অর্থাৎ তারা ক্যান্সেল আউট হচ্ছে না এবার
- 30:39আমরা যদি চিন্তা করি এই পাত্রের উপর
- 30:41কার্যকর বল কত কার্যকর বল কত সেটাকে যদি
- 30:44আমরা এফ দিয়ে লিখি এফ সমান কি দাঁড়াবে
- 30:47এফট - F1 F2 থেকে F1 কেন মাইনাস করলাম
- 30:52কারণ আমরা দেখতেছি F2 বড় হবে কি করে
- 30:54বুঝলাম এই যে H2 এর মান H1 এর চাইতে বেশি
- 30:57তো F2 এর মান কত fট এর মান হচ্ছে এইচ2 রো
- 31:02জি এ মাইনাস এফওয়ান এর মান কত এইচওয় রোজি
- 31:08এখান থেকে আমরা কিছু জিনিস কমন নিয়ে নিতে
- 31:11পারি সেই কমন জিনিসটা হচ্ছে এ আর এই পাশে
- 31:15হচ্ছে তাহলে কি থাকে এইচটু মাইনাস এইচও আর
- 31:18হচ্ছে রোজি। কেন রোজি কে এপাশে লিখলাম?
- 31:21একটু পরে বলতেছি। এখন একটু খেয়াল করো তো
- 31:23এইচ2 থেকে এইচওয় মাইনাস করলে কি পাবো?
- 31:26এইযে এইচটু হচ্ছে পুরোটা অর্থাৎ তরলের উপর
- 31:28থেকে নিচ পর্যন্ত গভীরতাটুকু। এইচওয় হচ্ছে
- 31:32কি? তরলের মুক্ত স্তর থেকে সিলিন্ডার উপর
- 31:34স্তর পর্যন্ত। তাহলে এইটুকু থেকে যদি আমি
- 31:37এইটুকু বাদ দিয়ে দিই তাহলে যেটা পাচ্ছি
- 31:39সেটা সিলিন্ডারের উচ্চতা। তার মানে আমি
- 31:41লিখতেই পারি এ আর এইচটু মাইনাস এইচওয় মানে
- 31:44হচ্ছে এইচ। অর্থাৎ সিলিন্ডারের উচ্চতা। আর
- 31:47হচ্ছে রোজি। এখন এবার খেয়াল করো এ এইচ
- 31:50মানে কি? ক্ষেত্রফল আর উচ্চতা। ক্ষেত্রফল
- 31:53আর উচ্চতাটা কি বলা হয়? ক্ষেত্রফল আর
- 31:55উচ্চতার গুণফল হচ্ছে আয়তন। তাহলে রোভি
- 31:58রোজি। এখন ভিটা কি? ভিটা হচ্ছেযে যেই
- 32:03সিলিন্ডারটাকে ডুবানো হলো সেই সিলিন্ডারের
- 32:05আয়তন। এবং সিলিন্ডারটাকে যখন ডুবিয়েছিলাম
- 32:08তখন সিলিন্ডারটা কি করেছে? তার আয়তনের
- 32:11সমান। অর্থাৎ তার আয়তন যতটুকু সেই পরিমাণ
- 32:13পানি অপসারণ করেছে। আর রো টা কি? রো টা
- 32:16হচ্ছে পানির ঘনত্ব। জি টা কি? জি হচ্ছে
- 32:20গ্রাভিটেশনাল এক্সিলারেশন। তার মানে আমি
- 32:22এটাকে বলতেই পারি অপসারিত পানির ওজন।
- 32:26অপসারিত পানির ওজন। অর্থাৎ সিলিন্ডারটাকে
- 32:30যখন আমি ডুবালাম সিলিন্ডারটার উপর
- 32:32প্লবতাটা কতটুকু কাজ করতেছে। এই যে আমি
- 32:34এখানে যেটা কার্যকর বললাম সেটাই
- 32:36আল্টিমেটলি হচ্ছে প্লবতা। অর্থাৎ
- 32:38ঊর্ধ্মুখী বলটা। এই প্লবতটা কি পেয়েছিলাম?
- 32:41অপসারিত পানির ওজন। সুতরাং আমরা বলতে পারি
- 32:44কোন বস্তুকে যদি আমি তরলে ডুবাই তাহলে
- 32:47বস্তুর উপর সেই পরিমাণ ঊর্ধ্মুখী বল কাজ
- 32:49করবে সে যতটুকু পানিকে অপসারণ করবে।
- 32:53সুতরাং ঊর্ধ্মুখী বল বা প্লবতা সেটা বস্তু
- 32:57কর্তৃক অপসারিত পানির ওজনের সমান। আচ্ছা
- 33:00আমরা এখন আলোচনা করব পদার্থ বিজ্ঞানের
- 33:02অন্যতম বিখ্যাত যে সূত্রটা সেটা হচ্ছে
- 33:04আর্কিমিডিসের সূত্র। সেই সূত্রের পেছনের
- 33:07গল্পটা। আমি আবার একটু বলে নিচ্ছি। এই
- 33:09গল্পটা আমরা সবাই শুনে অভ্যস্ত। তবুও আমি
- 33:11বলে নিচ্ছি। প্রাচীন সিরাকিউস শহরে একজন
- 33:14রাজা ছিলেন রাজা হিয়রো। সিরাকিউস শহরের
- 33:16রাজা হিয়েরো তার শখের জন্য তিনি তার জন্য
- 33:19একটা স্বর্ণের মুকুট বানাতে তার রাজ্যের
- 33:22স্বর্ণকারকে অর্ডার দিলেন। কিছুদিন পর
- 33:24স্বর্ণকার তাকে এত সুন্দর একটা মুকুট
- 33:27বানিয়ে উপহার দিলেন সেই মুকুটটা দেখে
- 33:29রাজার ভীষণ পছন্দ হয়ে থাকেন। কিন্তু তার
- 33:32কিছুটা সন্দেহ লাগতে শুরু করে যে
- 33:34স্বর্ণকার কি সমস্তটাই স্বর্ণ দিয়েছিল?
- 33:36নাকি কিছু ভেজাল মিশিয়েছিল? এখন তিনি
- 33:38মুকুটটা ভাঙতেও চাচ্ছেন না এতটাই সুন্দর
- 33:41আবার তিনি কনফার্মও হতে চাচ্ছেন যে এটা কি
- 33:44আসল না কিছু পরিমাণ ভেজাল মিশ্রিত। তো এই
- 33:47দায়িত্বের ভার কাকে দিবে? দায়িত্বের
- 33:49সবচেয়ে ওই রাজ্যের সবচেয়ে জ্ঞানী
- 33:51ব্যক্তি মহান আর্কিমিডিস মহান আর্কিমিডিস
- 33:53কে ডেকে বললেন বিজ্ঞানী আপনাকে এখন বের
- 33:56করতে হবে এই স্বর্ণের মুকুটটা কি আসল নাকি
- 33:59নকল। তো তিনি যথারীতি আমরা সেই গল্পটাই
- 34:01বলতেছি যে তিনি যথারীতি একদিন কাপড়
- 34:03চ-চোপড় ছেড়ে খুব চিন্তিত। খুব চিন্তিত।
- 34:05তার এটা বের করতে হবে। রাজার আদেশ বলে
- 34:07কথা। তো তিনি কাপড়-চোপড় ছেড়ে বাত ট্যাবের
- 34:10মধ্যে হচ্ছে লাফ দিলেন। বাথ ট্যাবের মধ্যে
- 34:12লাভ দেওয়ার সাথে সাথে দেখলেন কিছু পরিমাণ
- 34:13পানি ছিটকে পড়ে গেছে। উনার তো এটা মাথায়
- 34:16ধরে গেছে। উনি ওই কাপড় চোপড় ছাড়া অবস্থায়
- 34:18রাজদরবারে দৌড় দিয়েছেন ইউরেকা ইউরেকা বলে।
- 34:20ইউরেকা মানে হচ্ছে পেয়েছি পেয়েছি। রাজাকে
- 34:23গিয়ে বললেন যে রাজা আমি পেয়ে গেছি। কি
- 34:25পেয়েছেন? স্বর্ণের মুকুট কি খাদযুক্ত নাকি
- 34:28খাদমুক্ত? সেটা বের করার উপায় পেয়ে গেছি
- 34:30না ভেঙে। তখন রাজা বললেন ঠিক আছে আপনি তো
- 34:33একটা মহান কাজ করে ফেলেছেন কিন্তু এটা তো
- 34:34একটা রাজদরবার কাপড় চোপড়টা একটু পড়ে
- 34:37নেন তাই না যাই হোক তো তিনি যে কাজটা
- 34:39করেছিলেন সেটা কি ছিল খুবই সিম্পল আমাদের
- 34:42বইয়ে গল্পটা বলা হয়ে থাকলেও কখনো বলা
- 34:44হয়ে থাকে না যে স্বর্ণের মুকুটটা আসল না
- 34:46ভেজাল যুক্ত সেটা কি করে নির্ণয় করতে হয়
- 34:49সেটা আমরা ঘনত্বের টপিকটা পড়ে এসেছিলাম
- 34:51তখন আমরা দেখেছিলাম রো ইকুয়াল এমবাভি
- 34:54এখান থেকে লিখতে পারি রইক এবাভি এখন আমি
- 34:57যদি এখানে এম এর ভ্যালুটা এবং ভি এর
- 34:59ভ্যালুটা ইনপুট দিয়ে দেই তাহলে আমরা তার
- 35:02ঘনত্ব পেয়ে যাব। এখন ওই মুকুটের ঘনত্বটা
- 35:05যদি স্বর্ণের অরিজিনাল ঘনত্বের সাথে মিলে
- 35:08যায় তাহলে এটা ভেজাল মুক্ত। আর যদি
- 35:10অরিজিনাল ঘনত্বের সাথে না মিলে যায় তাহলে
- 35:12এটা ভেজাল যুক্ত। তো এটার জন্য আমরা ভর না
- 35:15হয়েছে নিক্তি দিয়ে মেপে নিলাম। আয়তন কি
- 35:17করে বের করব? এইজন্য সমস্যাটা হয়েছিল।
- 35:20ওনাকে তো ভাঙ্গা মুকুটটাকে তো ভাঙ্গা যাবে
- 35:22না। তো তিনি বাথট্যাপে গোসল করতে গিয়ে যে
- 35:24জিনিসটা অবজার্ভ করেছিলেন সেটা কি ছিল?
- 35:26যদি তিনি যখন হচ্ছে বাত ট্যাবের মধ্যে লাভ
- 35:28দিচ্ছেন তখন কিছু পরিমাণ পানি বাহিরে পড়ে
- 35:30আসতেছে। তার মানে কোন বস্তুকে যখন তরলে
- 35:32ডুবানো হয়ে থাকে তখন বস্তু তার আয়তনের
- 35:36সমান তার আয়তন যতটুকু ততটুকু পানিকে
- 35:38সরিয়ে দেয়। এটা সম্পর্কে আরো বিস্তারিত
- 35:40আলোচনা করব আরকমিডিসের সূত্রে। এখানে শুধু
- 35:42এইটুকুই বলে নিই যে বস্তুটা হচ্ছে তার
- 35:44আয়তনের সমান তরল অপসারণ করে থাকে। এখন
- 35:47সেই ওই যে স্বর্ণের মুকুটটাকে যখন তরলে
- 35:49ডুবালেন সেই তরলটা সেই স্বর্ণের মুকুটটা
- 35:52যতটুকু তরল অপসারণ করলেন তার আয়তন মেপে
- 35:54নিলেন এবং নিক্তি দিয়ে ভর মেপে সেটা
- 35:56এখানে বসিয়ে দিলেন। এরপর যেই ঘনত্বটা
- 35:59পাচ্ছেন সেটা যদি স্বর্ণের ঘনত্বের সমান
- 36:00হয়ে থাকে তাহলে মুকুটটা আসল। যদি
- 36:02স্বর্ণের ঘনত্বের সমান না পেয়ে থাকে
- 36:04তাহলে মুকুটটা আসল না। খুব সিম্পল
- 36:07ব্যাপার। উনি এটা আবিষ্কার করে দিয়ে
- 36:09গেছিলেন। কিন্তু এটা ছিল পদার্থ বিজ্ঞানের
- 36:11যুগান্তকারী একটা আবিষ্কার। সে আবিষ্কারটা
- 36:14কি করে যুগান্তকারী হয়েছে সেটা আমরা যখন
- 36:16ব্যাক আর্কিমিডিসের সূত্রটা পড়বো এবং তার
- 36:18এপ্লাই গুলা দেখবো তখন দেখবো এটা কতটা
- 36:21গুরুত্বপূর্ণ ছিল। আমরা আর্কিমিডিসের
- 36:23সূত্রের পেছনের গল্পটা জানলাম। এবার আমরা
- 36:25সূত্রটা জানি। বলেছিলাম এটা পদার্থ
- 36:27বিজ্ঞানের সবচেয়ে যুগান্তকারী একটা
- 36:28আবিষ্কারগুলোর মধ্যে একটি। কোন বস্তুকে
- 36:31তরল বা বায়বীয় পদার্থে ডুবানো হলে
- 36:34বস্তুর হারানো ওজন অপসারিত তরল বা
- 36:36বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। বইয়ের
- 36:39মধ্যে অনেক কঠিন কঠিন ওয়ার্ড ব্যবহার করা
- 36:41হয়ে থাকে। সেখান থেকে হচ্ছে আমি কিছুটা
- 36:42সহজ ওয়ার্ড করেছি। এজন্য একটু পরিবর্তন
- 36:45হয়েছে সূত্রটার। সেটা নিয়ে বিব্রত হওয়ার
- 36:47কিছু নাই। কোন বস্তুকে তরল বা বায়বীয়
- 36:49পদার্থে ডুবানো হলে সেই ডুবানোটা আংশিক
- 36:52হতে পারে বা সম্পূর্ণ হতে পারে। তবে
- 36:54ডুবানোর ফলে বস্তুর হারানো ওজন। এই
- 36:56জিনিসটা একটু মাথায় নিব আমরা। হারানো ওজন
- 36:58বলতে কি বুঝানো হয়ে থাকে? অপসারিত তরল বা
- 37:01বায়ুবীয় পদার্থের ওজনের সমান। এই জিনিসটা
- 37:04আবার কি বুঝানো হচ্ছে? অপসারিত তরল বা
- 37:06বায়বীয় পদার্থের ওজনের সমান। সেই
- 37:08জিনিসগুলো আগে আমরা স্পেসিফিক ব্যাখ্যা
- 37:10দিয়ে থাকি। প্রথম যে জিনিসটা হচ্ছে বস্তুর
- 37:12হারানো ওজন। বস্তুর হারানো ওজন বলতে
- 37:14বুঝানো হয় আমরা একটু আগে প্লবতা পড়তে
- 37:17গিয়ে দেখে এসেছিলাম যখনই কোন বস্তুকে
- 37:19তরলে ডুবানো হয় তখন তার উপর তরল একটা
- 37:22ঊর্ধ্মুখী বল দেয়। এই ঊর্ধ্মুখী বলের
- 37:25কারণে বস্তুর ওজন কিছুটা কম অনুভূত হয়।
- 37:28বস্তুর ওজন কিছুটা কম অনুভূত হয়। এই
- 37:31অনুভূত কম ওজনটাকে যেমন আমি যদি ধরো একটা
- 37:34মার্বেলের কথা চিন্তা করি। এই মার্বেলটার
- 37:36বাতাসে ওজন পেলাম আমি 10 নিউটন। ধরে নাও
- 37:40বাতাসে ওজন পেলাম 10 নিউটন। এবং
- 37:42মার্বেলটাকে আমি যখন তরলে ডুবাবো তখন ওই
- 37:46প্লবতার কারণে কিছু পরিমাণ ওজন তার কম
- 37:49অনুভূত হবে। যেটাকে আমরা নাম দিচ্ছি
- 37:51হারানো ওজন। সেই অনুভূত কম ওজনটুকু কত?
- 37:54ধরে নাও। পানির মধ্যে তার হারানো অনুভূত
- 37:57ওজন হচ্ছে পা নিউটন। তাহলে তার হারানো ওজন
- 38:00কত হবে? হারানো ওজন সমান হবে 10 মাইনাসফ
- 38:04মানে হচ্ছেফাইভ নিউটন। অর্থাৎ আমি যখন
- 38:06মার্বেলটাকে বাতাস থেকে পানিতে ডুবাচ্ছি
- 38:09তখন তার ওজন হয়ে যাচ্ছেফাইভ নিউটন। অর্থাৎ
- 38:12সেফাইভ নিউটন ওজন হারিয়ে ফেলতেছে। কেন
- 38:15হারাচ্ছে? বা কম অনুভূত হচ্ছে। কারণ তরল
- 38:19বা বায়বীয় পদার্থ তার উপর একটা ঊর্ধ্মুখী
- 38:21বল প্রয়োগ করে থাকবে। এবার আসি অপসারিত
- 38:25তরল বলতে কি বুঝানো হচ্ছে? একটা গ্লাস
- 38:27নাও। একদম টুইটুম্বুর পানি দ্বারা একদম
- 38:30টুইটুম্বুর গ্লাসটা আমি যখন এই গ্লাসের
- 38:32মধ্যে ওই মার্বেলটাকে এই মার্বেলটাকে এনে
- 38:35ফেলবো তখন কি হবে তখন এই গ্লাস থেকে কিছু
- 38:38পরিমাণ পানি এরকম গড়িয়ে নিচে পড়ে যাবে
- 38:40না কিছু পরিমাণ পানি অবশ্যই যেহেতু
- 38:43গ্লাসটা টুইটুম্বুর এখন আমি বাড়তি কিছু
- 38:45ঢুকালে সেখান থেকে কিছু পরিমাণ পানি পড়ে
- 38:47যাবে এই যে এখানে যতটুকু পানি পড়ে গেছে
- 38:49এই পানিটুকুর ওজন নিলে দেখবে যে পাঁচ
- 38:53নিউটন হয়ে গেছে এটাকেই আর্কিমিডিস স্যার
- 38:56বলেছেন যে কোন বস্তুকে যদি তরলে ডুবানো
- 38:58হয় তাহলে বস্তুর হারানো ওজন এই যে হারানো
- 39:02ওজনটুকু কি হবে? বস্তু কর্তৃক অপসারিত।
- 39:05এইযে অপসারিত বলতে হচ্ছে ডুবানোর পরে
- 39:07যেইটুকু পানি ছিটকে বাহিরে পড়ে গেছে
- 39:09সেইটুকুর ওজনের সমান। অর্থাৎ হারানো ওজন
- 39:12আর হচ্ছে অপসারিত তরলের ওজনের সমান। এরপর
- 39:16আমরা এই সূত্র থেকে আরো বাড়তি কিছু জিনিস
- 39:18জেনে নিব। সেটা হচ্ছে স্যার বলে গেছেন
- 39:20বায়বীয় পদার্থের ওজনের হারানো ওজনের
- 39:23সমান। সেই সাথে আমরা আরো জানবো যে প্লবতা
- 39:26সমান। প্লবতা সমান। তারপরে আরো একটা জিনিস
- 39:29জানবো ঊর্ধ্মুখী বল। যেটাকে আমরা প্লবতা
- 39:32বলে থাকি। ঊর্ধ্মুখী বল। তারপরে আরো জিনিস
- 39:36কার্যকর বল। কার্যকর বল। এই তিনটা জিনিস
- 39:39আমরা একটু বাড়তি মনে রাখবো। যেটা
- 39:40আমাদেরকে সৃজনশীল সলভ করার জন্য খুবই
- 39:42গুরুত্বপূর্ণভাবে হেল্প করবে। অর্থাৎ
- 39:45সূত্রটাকে আমরা যদি এখন বলি কোন বস্তুকে
- 39:47তরল বা বায়ুবীয় পদার্থে ডুবানো হলে
- 39:49আংশিক বা সম্পূর্ণ ডুবানো হলে বস্তুর
- 39:52হারানো ওজন অপসারিত তরল বা বায়ুবীয়
- 39:54পদার্থের ওজনের সমান প্লবতার সমান
- 39:57ঊর্ধ্মুখী বলের সমান কার্যকর বলের সমান
- 40:00ঊর্ধ্মুখী বলের সমান বা কার্যকারী বলের
- 40:04সমান এইটুকু আমি মনে রাখবো তারপর এই
- 40:06সূত্রের আরো একটা জিনিস আরো একটা অংশ যেটা
- 40:09আমরা গল্পটার মধ্যে বলে এসেছিলাম সেই
- 40:12জিনিসটাও আমরা মনে রাখবো যেটা আমাদেরকে
- 40:14সৃজন শীল সলভ করার ক্ষেত্রে খুব হেল্প
- 40:16করবে। সেটা কি? কোন বস্তুকে তরলে ডুবানো
- 40:19হলে তরলে ডুবানো হলে বস্তু তার আয়তনের
- 40:25সমান আয়তনের সমান তরল অপসারণ করে। এই
- 40:30জিনিসটা আমরা খুব গুরুত্ব সহকারে মনে
- 40:32রাখবো। তাহলে আর্কিমিডিসের সূত্রটা বইয়ে
- 40:34যেভাবে দেয়া আছে তার থেকে আমরা বেশি কিছু
- 40:36বেশ কিছু নতুন জিনিস জেনে নিব। কোন
- 40:38বস্তুকে তরল বা বায়ুবীয় পদার্থে ডুবানো
- 40:40হলে বস্তুর হারানো ওজন অপসারিত তরল বা
- 40:43বায়ুবীয় পদার্থের ওজনের সমান বা তরল বা
- 40:45বায়ুবীয় পদার্থের প্লবতা বা ঊর্ধ্মুখী
- 40:48বল বা কার্যকর অর্থাৎ বস্তুর উপর কার্যকর
- 40:51বলের সমান। সেই সাথে আরো একটা জিনিস খুব
- 40:54ভালো করেই মনে রাখবো। কোন বস্তুকে তরলে
- 40:57ডুবানো হলে বস্তু তার আয়তনের সমান তরল
- 41:01অপসারণ করে। অর্থাৎ বস্তুর আয়তন যতটুকু
- 41:04হবে অপসারিত তরলের আয়তনও কিন্তু ততটুকু
- 41:07হবে। বস্তুর আয়তন আর অপসারিত তরলের আয়তন
- 41:10দুটো সমান হয়ে থাকবে। আর্কিমিডুসের
- 41:12সূত্রের কথা আমি বারবারই একটা কথা বলতেছি।
- 41:14এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার। তো সেই
- 41:16আবিষ্কারের আমরা এখন কিছু জিনিস দেখবো।
- 41:18কিছু প্রভাব বা তার উপর ভিত্তি করে যেটা
- 41:20আমাদের দৈনন্দিন জীবনে বা আমাদের
- 41:22বিজ্ঞানের জীবনে যে যুগান্তকারী
- 41:23পরিবর্তনগুলো এনেছে। তার আগে আমরা একটা
- 41:25জিনিস ক্লিয়ার করে নেই। কোন একটা বস্তুকে
- 41:28যদি তরলে ফেলে দেওয়া হয়। বস্তুটা কি
- 41:30ডুববে না ভাসবে? হ্যাঁ যেমন হচ্ছে যে এটা
- 41:33কি বলে আমাদের একটা ভাব সম্প্রসারণে এসে
- 41:36থাকে যে হচ্ছে যে লোহা যদি হচ্ছে জলে ডুবে
- 41:38যায় তাহলে লোহার জাহাজ কেন ভেসে থাকে
- 41:41অনেক সাধারণ মানুষের উত্তর হয়ে থাকে
- 41:42আল্লাহর লীলা খেলা কিন্তু আমরা তো সেদিকে
- 41:44যাবো না আমরা যেহেতু পদার্থ বিজ্ঞানের
- 41:46স্টুডেন্ট সুতরাং আমার পদার্থ বিজ্ঞান
- 41:47নিয়েই হচ্ছে সেটাকে বিশ্লেষণ করার চেষ্টা
- 41:49করব আমি এখানে একটা চিত্র আকলাম একটা
- 41:51পাত্রবর্তী পানি সেই পাত্রের মধ্যে একটা
- 41:53বস্তুকে ডুবালাম এখন বস্তুটা তরলের নিচের
- 41:56দিকে একটা বল প্রয়োগ করবে নিচের দিকে
- 41:58প্রযুক্ত বল সেটা কি হবে সেটাড ডওয় এখন
- 42:01কতটুকু বল প্রয়োগ করবে? বস্তুর ওজন
- 42:04যতটুকু বস্তুর ওজন যতটুকু হবে সেটাই তো সে
- 42:08তার নিচের দিকে প্রয়োগ করবে। অর্থাৎ
- 42:10নিচের দিকে প্রযুক্ত বল হচ্ছে বস্তুর
- 42:12ওজনের সমান। সেটা হচ্ছে ডবলিউও। এখন আমরা
- 42:15আবারও কিন্তু একটা জিনিস জানি। যদি
- 42:17বস্তুকে তরলে ডুবানো হয়ে থাকে তরল তাকে
- 42:20একটা ঊর্ধ্মুখী বল প্রয়োগ করবে। হ্যা
- 42:22তাহলে তরলের ঊর্ধ্মুখী বলটাকে সেই
- 42:24ঊর্ধ্মুখী বলটা কি হবে? সেটা হচ্ছে প্লবতা
- 42:27বা অপসারিত তরলের ওজনের সমান। আমরা একটু
- 42:30আগে আর্কিমিডিসের সূত্রে দেখে এসেছিলাম
- 42:32প্লবতা বা অপসারিত তরলের ওজনের সমান।
- 42:34তাহলে ঊর্ধ্মুখী যেই বলটা প্রয়োগ হচ্ছে
- 42:37সেটাকে যদি আমরা ডবলিউট ধরি তাহলে সেটাকে
- 42:39আমরা লিখতে পারি অপসারিত তরলের ওজন সমান
- 42:43হচ্ছে ডবলিউট। তাহলে আমরা দুটো সম্পর্ক
- 42:45আগে তৈরি করে নিলাম। একটা হচ্ছে কোন
- 42:47বস্তুকে তরলে ডুবানো হলে যেই নিচের দিকে
- 42:49বল প্রয়োগ করতেছে সেটাকেও ডবলিউও এবং তরল
- 42:52তার উপর যে ঊর্ধ্মুখী বল প্রয়োগ করতেছে
- 42:55সেটা হচ্ছে অপসারিত তরলের ওজনের সমান।
- 42:58যেটাকে ধরে নিয়েছি ডব্লিউট আর এখন আমরা
- 43:01দেখি ডবলিউ আর ডব্লিউট এর মধ্যে সম্পর্ক
- 43:04যদি কি রকম হয় যেমন ধরো ডবলিউ যদি ডবলিউট
- 43:08এর চাইতে বড় হয় এর মানে কি আমি এখান
- 43:10থেকে মিলায় নেওয়ার চেষ্টা করো যে বস্তুর
- 43:12ওজন বস্তু কর্তৃক অপসারিত তরলের ওজনের
- 43:16চাইতে বেশি বস্তুর ওজন বস্তু কর্তৃক
- 43:18অপসারিত তরলের ওজনের চাইতে বেশি অর্থাৎ
- 43:20নিচের দিকে যে বলটা প্রয়োগ হচ্ছে সেটা
- 43:22তার উপর যে ঊর্ধ্মুখী বল প্রয়োগ হচ্ছে
- 43:24তার চাইতে বেশি তাহলে সেই ক্ষেত্রে কি
- 43:26ঘটবে অবশ্যই বস্তুটা ডুবে যাবে। বস্তুটা
- 43:29ডুবে যাবে। এরপর যদি দুটো সমান হয়ে যায়
- 43:32অর্থাৎ বস্তুর ওজন আর অপসারিত ত্বরণের ওজন
- 43:35সমান হয়ে যায় তাহলে দুটো বল কাটাকাটি
- 43:37হয়ে যাবে। সেই ক্ষেত্রে কি হবে? ডুবন্ত
- 43:40অবস্থায় ভাসবে। ডুবন্ত অবস্থায় ভাসবে।
- 43:44ডুবন্ত অবস্থায় ভাসবে বলতে কি বুঝানো
- 43:46হয়ে থাকে? কখনো একটা আইসকে পানির মধ্যে
- 43:49ফেলে দিয়ে দেখো। আইসটা হচ্ছে পানির নিচেও
- 43:51পড়ে যাবে না। একদম উপরেও ভেসে থাকবে না।
- 43:54এই যে এরকম লেয়ারের মধ্যে এরকম করে ভেসে
- 43:56থাকবে। এটাকে বলা হয়ে থাকে ডুবন্ত
- 43:58অবস্থায় ভাষা। এরপরে তৃতীয় সম্পর্কটা
- 44:01দেখি সেটা কি? সেটা হচ্ছে যদি ডবলিও
- 44:05ডবলিউট এর চাইতে ছোট হয়ে থাকে। এর থেকে
- 44:08ছোট হওয়ার মানে কি? বস্তুর ওজন বস্তু
- 44:11কর্তৃক অপসারিত তরলের ওজনের চাইতে কম। সেই
- 44:14ক্ষেত্রে বস্তুর উপর ঊর্ধ্মুখী বলটা বেশি
- 44:17প্রয়োগিত হচ্ছে। তাহলে সেক্ষেত্রে কি
- 44:19হবে? বস্তু উপরে উঠে চলে আসবে। অর্থাৎ
- 44:21ভাসবে। তাহলে বস্তু কখন ডুববে কখন ভাজবে
- 44:26সেটা নির্ভর করতেছে বস্তুর ওজন আর বস্তু
- 44:29কর্তৃক অপসারিত তরলের ওজনের উপর। ঠিক আছে?
- 44:32এখন তাহলে এবার আমরা সেই ব্যাখ্যাটাই আসি
- 44:34যে লোহার জাহাজ ভেসে থাকে কেন? তাহলে আমরা
- 44:36এইখানের ক্ষেত্রে মিলে নিই ভেসে থাকার
- 44:39জন্য কি করতে হবে? তার ওজনটা কি করতে হবে?
- 44:42অপসারিত তরলের ওজনের চাইতে কম হতে হবে।
- 44:45এখন কোন একটা জাহাজ যদি বেশি পরিমাণে
- 44:48অর্থাৎ তার ওজনের চাইতে বেশি পরিমাণ ওজনের
- 44:50পানি অপসারণ করে তাহলে সে সিম্পলি ভেসে
- 44:53থাকবে। জাহাজগুলা যদি খেয়াল করে থাকো
- 44:55তাহলে একটা জিনিস দেখবে আমরা যে
- 44:56প্ল্যাটফর্মে বসি বা থাকি তার নিচে এইরকম
- 44:59বড় করে একটা হচ্ছে ডেক থাকে নিচের দিকে।
- 45:02এটার কাজ কি? এটার কাজ এরকম তো প্লেনও
- 45:05বানাতে পারতো যে একদম বরাবর সমান করেও
- 45:06বানাতে পারত। কিন্তু এরকম নিচের দিকে
- 45:08এইটুকু বানায় কেন? এইটুকু বানানো হয়ে
- 45:11থাকে যাতে সে বেশি পরিমাণ তরল অপসারণ করে।
- 45:14কারণ তার অপসারিত তরলের ওজন বেশি হওয়া
- 45:18শর্তেই কিন্তু সে ভেসে থাকতে পারবে। এখন
- 45:21আমি আরো একটা জিনিস সহজ করে ব্যাখ্যা করি।
- 45:23সেটা হচ্ছে ধরো একটা মার্বেলকে। এই
- 45:25মার্বেলকে আমি যদি পানির মধ্যে ছেড়ে দিই
- 45:28তাহলে কি হবে? এটা ডুবে যাবে। কিন্তু আমি
- 45:30কি এই মার্বেলকে ভাসিয়ে রাখতে পারবো?
- 45:32হ্যাঁ। আমি যদি দত্ত টাইপের কিছু হয়ে
- 45:34থাকে তাহলে ভাসিয়ে রাখতে পারব। সেটা কি
- 45:37করে? সেটা দিয়ে এই মার্বেলটাকে দিয়ে যদি
- 45:40বেশি পরিমাণ পানি অপসারণ করতে পারি। ধরো
- 45:42আমি একটা আধ্যাত্মিক ক্ষমতা বলে এই
- 45:44মার্বেলটাকে হচ্ছে ফু দিয়ে একটা বেলুনের
- 45:46মত বানায় ফেললাম। তাহলে তার আয়তন বেড়ে
- 45:48গেছে। তো তার আয়তন যখন বেড়ে যাবে তখন সে
- 45:50তরলের মধ্যে রাখলে কি হবে? সে বেশি পরিমাণ
- 45:52পানি অপসারণ করবে। তাহলে বেশি পরিমাণ পানি
- 45:55অপসারণ করলে সে ভেসে থাকবে। তাহলে বস্তু
- 45:58ভে আসবে নাকি ডুববে? তার জন্য এখন থেকে আর
- 46:01কখনো আল্লাহ লীলা খেলা না বলে ফিজিক্সের
- 46:03পেছনের থিওরিটা তোমরা ব্যাখ্যা করতে
- 46:05পারবে। এটা নিশ্চয় এখন পারার কথা। এখন
- 46:08আমরা দেখলাম যে হচ্ছে ডুবে থাকা ভেসে থাকা
- 46:10কিসের উপর নির্ভর করতেছে বা জাহাজটা
- 46:12কিভাবে ভেসে থাকতেছে সেটা আমরা নির্ণয়
- 46:14করে ফেলেছি। এখন তারপরও আমরা দেখে থাকি
- 46:17আমাদের দেশে মাঝেমধ্যে প্রায় হচ্ছে লঞ্চ
- 46:19দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। এই লঞ্চ দুর্ঘটনা ঘটার
- 46:22পেছনের কারেন্ট কি? অনেকগুলা কারণ আছে।
- 46:24প্রথম যে জিনিসটা কারণ মূল কারণ যেটা সেটা
- 46:27হচ্ছে অসৎ উদ্দেশ্য বা অসৎ উপায়ে টাকা
- 46:30ইনকাম করার একটা উদ্দেশ্য। এটাই প্রধান
- 46:32কারণ বলে আমি চিহ্নিত করি। তো যেমন যে
- 46:34জিনিসটা করা হয় বেশি পরিমাণ যাত্রী
- 46:36নেওয়ার জন্য যেই নকশায় ইঞ্জিনিয়ার
- 46:38দিয়ে থাকেন সেটাকে কিছুটা পরিবর্তন করে।
- 46:40তো কোন ইঞ্জিনিয়ার যে নকশাটা তৈরি করেন
- 46:43সেটা কিন্তু কতটুকু ভাসবে ডুববে তার
- 46:45ক্যালকুলেশন করে তৈরি করে। এই নকশাটার
- 46:47ক্ষেত্রে যদি পরিবর্তন করে থাকে তাহলে
- 46:49জাহাজের ভর কেন্দ্র পরিবর্তিত হয়ে যায়।
- 46:51যেটার জন্য ডুবে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা
- 46:53তৈরি হয়। তারপরে সেকেন্ড যে ব্যাপারটা
- 46:55সেটা হচ্ছে অতিরিক্ত। অর্থাৎ তার ধারণ
- 46:57ক্ষমতার চাইতে বেশি পরিমাণ যাত্রী যদি
- 47:00ধারণ করে থাকে। আমরা ঈদের সময় দেখে থাকি
- 47:03যে আমাদের লঞ্চে হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে
- 47:04যাত্রী যেয়ে থাকে। যেটা আসলেই আমাদের
- 47:07জন্য দুর্ঘটনা প্রবণ বা দুর্ঘটনা ঘটার
- 47:09জন্য একটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ বিষয়। কারণ
- 47:12আমি জানি তার লেভেল কতটুকু, তার আয়তন
- 47:14কতটুকু, সে কতটুকু পানি অপসারণ করতে
- 47:16পারবে। এখন তার থেকে যদি আমি যাত্রী নিয়ে
- 47:18তার ভর বাড়াতে থাকি তাহলে ডুবে যাওয়ার
- 47:20একটা সম্ভাবনা তৈরি হবে। তারপরে হচ্ছে
- 47:22দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া। এটা তো হচ্ছে যেই
- 47:25স্রষ্টার ইচ্ছা। তো সেটা হচ্ছে যে প্রয়োগ
- 47:27করে ব্যবহারিত হয়ে থাকে বা কারণ হয়ে
- 47:29থাকে যে দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়া এবং
- 47:32সর্বশেষ যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে লঞ্চে
- 47:34লঞ্চে দুর্ঘটনা বাড়ি সংঘর্ষ ঘটা ঠিক আছে
- 47:36এটা বাংলাদেশে বেশি হয়ে থাকে যেটা হচ্ছে
- 47:39দক্ষতার অভাব কিংবা হচ্ছে কমিউনিকেশন বা
- 47:41সমন্বয়ের অভাবটা হয়ে থাকে এইজন্য এই
- 47:44সমস্যাটা সৃষ্টি হয় তাহলে এইগুলা থেকে
- 47:46পরিত্রাণের উপায় কি পরিত্রাণের উপায়
- 47:48হচ্ছে আমার নকশা পরিবর্তন করা যাবে না
- 47:50ধারণ ক্ষমতার অধিক যাত্রী হচ্ছে আমি বহন
- 47:53করতে পারবো না যাতে লঞ্চে সংঘর্ষণ না ঘটে
- 47:56তার জন্য কি হবে? তার জন্য আমার হচ্ছে যে
- 47:59প্রত্যেকটা লঞ্চ টার্মিনালের সাথে একটা
- 48:01সমন্বয় তৈরি করে নিতে হবে। তারপরে যে
- 48:03জিনিসটা সেটা হচ্ছে আবহাওয়ার সংকেতগুলো
- 48:06মেনে চলতে হবে। যখন বলা হয়ে থাকে লঞ্চ
- 48:08চালানো যাবে না সেক্ষেত্রে কোনভাবেই ঝুঁকি
- 48:10নিয়ে যাতে না চালানো যায়। আর দক্ষ নাবিক
- 48:13বা চালক ব্যবহার করা। অনেক সময় দেখা যায়
- 48:16ইনস্ট্যান্ট কিছু ক্ষেত্রে হচ্ছে যে
- 48:18সমস্যা তৈরি হয়ে থাকে। কালবৈশাখী ঝড়
- 48:20হঠাৎ শুরু হয়ে যেতে পারে। সেইটা থেকে
- 48:21রক্ষা পাওয়ার জন্য আমার যেই জিনিসটা
- 48:23প্রয়োজন সেটা হচ্ছে নাবিককে দক্ষ হতে
- 48:25হবে। আর আরেকটা জিনিস ঘটে থাকে সেটা হচ্ছে
- 48:28নাব্যতা কমে গেলে তখন হচ্ছে যে জাহাজকে
- 48:31দেখা যায় বা লঞ্চকে দেখা যায় হচ্ছে
- 48:32তোমার
- 48:34নদীর পানির মধ্যে চড়ের মধ্যে আটকে যেতে
- 48:37থাকে। ঠিক আছে? তাহলে আমরা নাব্যতা
- 48:39সম্পর্কে ধারণা নিয়ে সেই সেই হিসেবে
- 48:41হচ্ছে লঞ্চ চালনা করলে তাহলে আমাদের এই নো
- 48:44দুর্ঘটনা ঘটবে না এবং আমাদের মূল্যবান
- 48:46প্রাণেরও ক্ষয়ক্ষতি হবে না। এখন আমরা যে
- 48:49টপিকটা আলোচনা করবো সেটা হচ্ছে প্যাসকেলের
- 48:51সূত্র। প্যাসকেল বিজ্ঞানী ব্লেজ প্যাসকেল
- 48:53এই সূত্রটি দিয়েছিলেন সেটাও আমাদের জন্য
- 48:54খুবই গুরুত্বপূর্ণ এবং এটার উপর ভিত্তি
- 48:57করে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটা যন্ত্র
- 48:59তৈরি করা হয়েছিল। যেটা ছিল হচ্ছে
- 49:00হাইড্রলিক মেশিন। সেটা কিভাবে কাজ করে
- 49:02সেটা কি? আমরা একটু পরে আলোচনা করি। আগে
- 49:04প্রথমে সূত্রটা দেখে নেই। সূত্রটা একটু
- 49:06বড় মনে হতে পারে। কিন্তু খুবই সহজ একটা
- 49:08সূত্র মনে থাকবে খুব সহজে আবদ্ধ পাত্রে
- 49:12তরল বা বায়ুবীয় পদার্থের উপর বাহির থেকে
- 49:15চাপ প্রয়োগ করলে বাহির থেকে আমি যদি চাপ
- 49:17প্রয়োগ করি সেই চাপ কিছুমাত্র না কমে
- 49:20অর্থাৎ আমি যতটুকু চাপ প্রয়োগ করতেছি
- 49:21ততটুকু চাপই কি হবে তরল বা বায়ুবীয়
- 49:25পদার্থের সবদিকে অর্থাৎ পাত্রের সমস্ত
- 49:28তরলের সবদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হবে এবং
- 49:31পাত্রের গায়ে অর্থাৎ যেই পাত্রে আমি যে
- 49:34আবদ্ধ পাত্রের কথা বললাম সে আবদ্ধ পাত্রে
- 49:36হচ্ছে লম্বভাবে ভাবে ক্রিয়া করবে। এটা
- 49:38যদি আমরা একটু চিত্র দিয়ে দেখতে চাই
- 49:40তাহলে ব্যাপারটা এইরকম ধরো এইরকম একটা
- 49:42চিত্র হ্যা মানে একটা বেলুন আবদ্ধ পাত্রে
- 49:44বেলুন বেলুনের মধ্যে হচ্ছে বাতাস অথবা তরল
- 49:47যেকোন একটা পদার্থ আছে তার মধ্যে আমি কি
- 49:49করলাম বাহির থেকে এরকম চাপ দেওয়া শুরু
- 49:51করলাম এই চাপ কি হবে কিছুমাত্র না কমে
- 49:54সবদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হবে অর্থাৎ ধরে
- 49:57নাও আমি ফর এক্সাম্পল বলে নিলাম এখানে
- 49:59হচ্ছে ফাইভ প্যাসকেল চাপ প্রয়োগ করতেছি
- 50:01ফাইভ প্যাসকেল চাপ প্রয়োগ করতেছি এই চাপ
- 50:04কিছুমাত্র না কমে একদম সমানভাবে এইখানে
- 50:07এসে ক্রিয়া হবেই এইখানে এসে ক্রিয়া হবে।
- 50:09এইখানে এসে ক্রিয়া হবে। এইখানে এসে ক্রিয়া
- 50:11হবে। অর্থাৎ সমানভাবে সঞ্চালিত হবে
- 50:13সবদিকে। এখানেও ফাইভ প্যাস্কেল হবে।
- 50:15এখানেও ফাইভ প্যাসকেল হবে। এখানেও ফাইভ
- 50:17প্যাস্কেল হবে। অর্থাৎ কোথাও কিছুমাত্র
- 50:19কমবে না। এটাই ছিল হচ্ছে প্যাস্কেলের
- 50:21সূত্র। আবদ্ধ পাত্রে বাহির থেকে চাপ দিব।
- 50:23সেই চাপ কিছুমাত্র না কমে সবদিকে সমানভাবে
- 50:26সঞ্চালিত হবে এবং পাত্রের গায়ে লম্বভাবে
- 50:29ক্রিয়া করতে থাকবে। এই সূত্রের উপর ভিত্তি
- 50:31করে যে যন্ত্রটা আমার তৈরি করা হয়েছিল
- 50:34সেটা হচ্ছে হাইড্রলিক মেশিন। হাইড্রোলিক
- 50:37মেশিন। এই হাইড্রলিক মেশিন কিভাবে কাজ করে
- 50:39সেটা নিয়ে আমরা একটু জানবো। ধরো আমি দুটো
- 50:41সিলিন্ডার নিলাম। দুটো সিলিন্ডার নিলাম।
- 50:43এই একটা সিলিন্ডার এটা খুব একটা চিকন। এবং
- 50:47এই একটা সিলিন্ডার যেটা মোটামুটি মোটা।
- 50:50ঠিক আছে? এই সিলিন্ডার দুটোর তলাকে আমি
- 50:53একটা কিছু দিয়ে কানেক্ট করে দিলাম।
- 50:54অর্থাৎ সিলিন্ডার দুটো হচ্ছে এরকম হয়ে
- 50:56গেল। এরকম আমি দুটোকে কানেক্ট করে দিলাম।
- 50:59ঠিক আছে? এখন দেখো একটা জিনিস খেয়াল করো।
- 51:01এই সিলিন্ডারের যে ক্ষেত্রফল এই
- 51:03সিলিন্ডারের ক্ষেত্রফল হচ্ছে তার তুলনায়
- 51:05কিছুটা বেশি। আমি এখন যদি এখানে এফ ও
- 51:08পরিমাণ বল প্রয়োগ করি এবং এই সিলিন্ডারের
- 51:11যদি ক্ষেত্রফল হয় এও এইখানে আমার
- 51:14প্রযুক্ত বলে এফও এবং এর ক্ষেত্রফল হচ্ছে
- 51:17এও। তাহলে চাপ কি হবে? চাপ আমরা জানি এফও
- 51:20বাই এও হবে। এখন কথা কি ছিল? এটা যদি তরল
- 51:23ভর্তি হয় অর্থাৎ বায়ু বা অথবা
- 51:25বায়ুভর্তী হয় তাহলে আমার প্যাস্কেলের
- 51:28সূত্র অনুসারে এই চাপ কিছুমাত্র না কমে
- 51:31সবদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হবে। অর্থাৎ তার
- 51:33মানে এখানে আমি যে পরিমাণ চাপ প্রয়োগ
- 51:35করতেছি সেই চাপ এসে এখানে উপরের দিকে
- 51:37ক্রিয়া হতে শুরু করবে। অর্থাৎ এখানে
- 51:39প্রাপ্ত চাপও অবশ্যই আমার এফও বাই এও হতে
- 51:44বাধ্য। প্যাস্কেলের সূত্র অনুসারে। তাহলে
- 51:46এখানে প্রাপ্ত বলের পরিমাণ কত হবে?
- 51:48প্রাপ্ত বলের পরিমাণকে যদি আমরা এফট ধরি
- 51:50তাহলে এফট সমান হবে এফও বাই এও ইনটু
- 51:54ক্ষেত্রফল আমরা চাপের সূত্র থেকে দেখে
- 51:56এসেছিলাম পি ইকুয়াল
- 51:59পি ইকুয়াল এফ বাই এ তাহলে এফ সমান হবে পি
- 52:04এফ সমান হচ্ছে পি এইজন্য এফট সমান হচ্ছে
- 52:08এই যে আমি প্রথম সিলিন্ডারে যেই চাপ
- 52:11প্রয়োগ করেছিলাম এফও বা এও তার সাথে গুণ
- 52:14হবে দ্বিতীয় সিলিন্ডারের ক্ষেত্রফল
- 52:16এইজন্য এফট সমান এফওবা এও ই এট এখন একটা
- 52:21জিনিস খেয়াল করো সেটা হচ্ছে আমি যদি এই
- 52:23ক্ষেত্রফলকে অর্থাৎ এইখানে যে ক্ষেত্রফল
- 52:26ছিল তার থেকে এটাকে যদি 10 গুণ করে দিই
- 52:28এটাকে 10 গুণ বাড়িয়ে দিই অর্থাৎ এখানে
- 52:31যদি হচ্ছে এক বর্গমিটার হয় এখানে যদি আমি
- 52:3310 বর্গমিটার করে দিই তাহলে কি দাঁড়াবে
- 52:35এফওবা এও ইনটু এটা কত হবে এওয়ান এর 10
- 52:39গুণ অর্থাৎট ই এও এও এও ক্যান্সেল আউট
- 52:43হয়ে গেলে কি দাঁড়াবেট এফও অর্থাৎ এফট এর
- 52:46মান হয়ে যাচ্ছে এফও এর 10 গুণ তার মানে
- 52:49আমি বলতে পারি এখানে কম কষেত্র ফল ছিল
- 52:52এখানে বেশি ক্ষেত্রফল। ক্ষেত্রফলকে যখন
- 52:54আমি 10 গুণ করে দিচ্ছি এখানে যেই বল
- 52:56প্রয়োগ করেছি সেটা তার 10 গুণ হয়ে
- 52:58যাচ্ছে ক্ষেত্রফলকে 10 গুণ করার সাপেক্ষে।
- 53:01এই হাইড্রোলিক মেশিনটা এভাবেই কাজ করে।
- 53:03অর্থাৎ আমি কম বল প্রয়োগ করে বেশি পরিমাণ
- 53:06বল লাভ করতে পারি। এখানে যদি আমি হচ্ছে
- 53:08একজন মোটা মানুষকে একদম মোটা একজন মানুষকে
- 53:10এখানে বসিয়ে দেই। ছোট একজন মানুষও যদি
- 53:12চাপ দেই। হ্যাঁ তাহলে বলটা তো এখানে এসে
- 53:15বেড়ে যাবে। যার ফলে হচ্ছে মোটা লোকটাও
- 53:16হচ্ছে যে ছিটকে পড়ে যাবে। এটাই হচ্ছে
- 53:19হাইড্রলিক মেশিনের গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োগ।
- 53:22ঠিক আছে? তাহলে আমরা এই হাইড্রলিক মেশিনটা
- 53:24কিভাবে তৈরি করতে পারতেছি? প্যাসকেলের
- 53:26সূত্র অনুসারে। প্যাস্কেলের সূত্র অনুসারে
- 53:28কি হবে? আবদ্ধ পাত্রে আমি যদি বাইর থেকে
- 53:30চাপ প্রয়োগ করি সেই চাপ কিছু না মাত্র না
- 53:32কমে সবদিকে সমানভাবে সঞ্চালিত হবে। সুতরাং
- 53:34এখানে যে চাপ প্রয়োগ করতেছি এখানেও সেই
- 53:37পরিমাণ চাপ পেতে বাধ্য। এখন আমি
- 53:40ক্ষেত্রফলকে যখন বাড়িয়ে দিচ্ছি অর্থাৎ
- 53:41প্রথম ক্ষেত্রফলের থেকে 10 গুণ করে
- 53:43দিচ্ছি। তাহলে এখানে আমি পেয়ে যাচ্ছি এফট
- 53:46এর মান এফওয়ান এর 10 গুণ। তাহলে এই
- 53:48সূত্রটাকে আমরা সুন্দর করে সাজিয়ে লিখতে
- 53:50পারি। সেটা কি? এফট বাই এফও ইকুয়াল এটু
- 53:55বাই এও। এটাই হচ্ছে আমাদের প্যাস্কেল
- 53:58সারের সূত্রের সমীকরণ রূপ। এটা ছিল তার
- 54:01বিবৃতি। এটা হচ্ছে তার সমীকরণ রূপ। অর্থাৎ
- 54:04এফট বা এওয় ইকুয়াল এটু বাই এওয়। যেটার উপর
- 54:07ভিত্তি করে আমাদের হাইড্রোলিক মেশিনটা
- 54:09তৈরি করা হয়েছে। অর্থাৎ কম বল প্রয়োগ করে
- 54:12বেশি বল লাভের একটা যন্ত্র তৈরি করা হয়ে
- 54:14গেছে। টরেসিলির পরীক্ষা নিয়ে এবার কথা
- 54:16বলব। টরিসলির পরীক্ষা নিয়ে কথা বলার জন্য
- 54:19আমাদের প্যাসকেল স্যারের সূত্রটা একটু
- 54:21বোঝার দরকার ছিল। যেহেতু প্যাসকেল স্যারের
- 54:23সূত্রটা আমরা বুঝে এসেছি তখন আমরা এবার
- 54:25টরিসলির পরীক্ষাটা বুঝতে সুবিধা হবে। যদিও
- 54:27টরিসলি ছিলেন প্যাসকেল স্যারের অনেক পুরনো
- 54:30মানে অনেক পূর্বের প্রায় হচ্ছে যে
- 54:32গ্যালিলিওর বন্ধু ছিলেন টরিসলি স্যার। তো
- 54:34তারপরে হচ্ছে যে প্যাসকেল স্যার সূত্রটা
- 54:36দিয়েছিলেন। তো টরিসলির পরীক্ষা বুঝার
- 54:38ক্ষেত্রে প্যাসকেল স্যারের সূত্রটা খুব
- 54:40দারুণভাবে কাজে লাগে। টরিসলি স্যারের
- 54:42পরীক্ষাটা কি ছিল? এরকম একটা পাত্র নিলেন
- 54:44উনি। যেই পাত্রটা হচ্ছে পারদে পরিপূর্ণ
- 54:47ছিলেন। এই পাত্রটা হচ্ছে পারদে পরিপূর্ণ।
- 54:50তিনি একটা টেস্ট টিউব নিলেন। সেই টেস্ট
- 54:53টিউবের আমি ধরে নিলাম।
- 54:55এইটা হচ্ছে সেই টেস্ট টিউবটা। যেই টেস্ট
- 54:58টিউবের এক মাথা বন্ধ আরেক মাথা খোলা। এবং
- 55:00এই টেস্ট টিউবের উচ্চতা হচ্ছে 100
- 55:04সেন্টিমিটার। 100 সেন্টিমিটার। এটা আমরা
- 55:06ধরে নিলাম। এখন উনি কি করলেন? এটাকে হচ্ছে
- 55:09যে পারদ দ্বারা পরিপূর্ণ করলেন। এই টেস্ট
- 55:12টিউবটা হচ্ছে পারদ দ্বারা পরিপূর্ণ করলেন।
- 55:14তারপর তিনি তার এই এক মুখটাকে এইভাবে চেপে
- 55:17ধরে এই পাত্রের মধ্যে এনে উপর করে রেখে
- 55:20দিলেন। অর্থাৎ ব্যাপারটা এরকম হয়ে যায়
- 55:22তখন
- 55:24ব্যাপারটা এরকম হয়ে যায়। পাত্রের মধ্যে
- 55:26তরল ছিল, পারদ ছিল এবং এই টেস্ট টিউবের
- 55:30মধ্যে হচ্ছে পারদ ছিলেন এবং এই পারদ
- 55:32পরিপূর্ণ ছিলেন। এখন যখন আমি উপর করে
- 55:34দিচ্ছি আমরা জানি অভিকর্ষ বলের প্রভাবে
- 55:36পারদগুলা নিচে পড়ার কথা। কিন্তু দেখা
- 55:38যায় একটা স্টেজে এসে একটা অবস্থানে এসে
- 55:41পারতদগুলো আর নিচে নামতেছে না। এইখানেই
- 55:43থেমে যাচ্ছে। এবং ওই সময় যদি বায়ুচাপ
- 55:45স্বাভাবিক থাকে স্বাভাবিক বায়ুচাপ বলতে
- 55:48হচ্ছে ওয়ান অটমোসফিয়ারকে বুঝাচ্ছি।
- 55:50ওয়ান অটমোসফিয়ার থাকে তাহলে এই যে
- 55:53পারদের উচ্চতা সেটা হয়ে থাকে 76
- 55:56সেন্টিমিটার। অর্থাৎ পারদটা 76
- 55:58সেন্টিমিটার এ আর নিচে নামতে চায় না। তার
- 56:01মানে আমরা ওয়ান অটমোসফিয়ারকে এখন
- 56:03এইভাবেও সংজ্ঞায়িত করতে পারি। যেই পরিমাণ
- 56:06চাপ থাকলে পারদ স্তম্ভের উচ্চতা বা পারদের
- 56:1076 সেন্টিমিটার একটা পিলার তৈরি হবে
- 56:12সেটাকে আমরা ওয়ান অটমোসফিয়ার বলব। এখন
- 56:15আমার প্রশ্ন হচ্ছে বা তোমাদের মনে প্রশ্ন
- 56:17জাগতে পারে এইটা কেন নেমে যাচ্ছে না? এই
- 56:19পারদটা কেন নিচের দিকে নেমে যাচ্ছে না।
- 56:22এটার জন্য আমাদের সেই ব্যাখ্যাটা অর্থাৎ
- 56:24প্যাস্কেল স্যারের ব্যাখ্যাটা সেটা হচ্ছে
- 56:26এই চারপাশে এই পাত্রের চারদিকে তো হচ্ছে
- 56:28বায়ু দ্বারা পরিপূর্ণ। তো বায়ুগুলা তো
- 56:30হচ্ছে এর উপর একটা চাপ প্রয়োগ করতেছে না।
- 56:32বায়ুগুলা এর উপর চাপ প্রয়োগ করতেছে না।
- 56:34এই চাপ প্রয়োগ করার ফলে সেই চাপগুলা
- 56:37প্যাসকেল স্যারের সূত্র অনুসারে কি?
- 56:39কোনরকম না কমে সমানভাবে সঞ্চালিত হবে। তার
- 56:42মানে এই চাপগুলা এসে টেস্ট টিউবের ভেতরে
- 56:44এরকম চাপ দিতে শুরু করবে। এই বায়ুচাপের
- 56:47কারণে এই পারদ স্তম্ভটা 76 সেন্টিমিটার এর
- 56:51আর নিচে নামতে পারে না। এইজন্য স্বাভাবিক
- 56:54বায়ুচাপকে ওয়ান অটমোসফিয়ার বা 76
- 56:57সেন্টিমিটার পারদ স্তম্ভ বা পারদের পিলার
- 56:59বলা হয়ে থাকে। এখন এবার একটা জিনিস খেয়াল
- 57:01করো। এই 76 সেন্টিমিটার কি বুঝাচ্ছে?
- 57:03বায়ুর স্বাভাবিক তাপমাত্রা স্বাভাবিক চাপ
- 57:06বুঝাচ্ছে। এখন এইটার উপর ভিত্তি করেই
- 57:09কিন্তু হচ্ছে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দেওয়া
- 57:11যায়। যেটা হচ্ছে ব্যারোমিটার আবহাওয়া
- 57:13সম্পর্কে বা বায়ুর চাপ সম্পর্কে হচ্ছে
- 57:17পূর্বাভাস দেওয়ার জন্য যে যন্ত্রটা
- 57:18ব্যবহার করা হয়ে থাকে বায়ুচাপ মাপার
- 57:20জন্য ব্যারোমিটার। তো এই ব্যারোমিটার
- 57:22কিভাবে কাজ করে? এইখান থেকে একটা জিনিস
- 57:24খেয়াল করো। এইখানে যদি হঠাৎ করে চাপ কমতে
- 57:27শুরু করে। হঠাৎ করে চাপ কমতে শুরু করে
- 57:30তাহলে কি হবে? এই উচ্চতাটা হচ্ছে কিছুটা
- 57:32কমে যেতে শুরু করবে। এখন বিজ্ঞানীরা যদি
- 57:34দেখেন যে কোথাও হঠাৎ করে এই পারদ স্তম্ভের
- 57:38উচ্চতাটা কমে গেছে। তখন তারা কি
- 57:40সিদ্ধান্তে আসতে পারেন? যে বায়ুর চাপ খুব
- 57:42দ্রুত কমে যাচ্ছে। বায়ুর চাপ খুব দ্রুত
- 57:45কমে যাওয়ার মানে হচ্ছে সেখানে বায়ুর
- 57:47শূন্যতা তৈরি হতে পারে এবং জলীয় বাষ্প
- 57:49পরিপূর্ণ হতে পারে। এইটা একটু বলে নিই যে
- 57:52জলীয় বাষ্পে পরিপূর্ণ হলে বায়ুর চাপ কেন
- 57:55কমে যেতে শুরু করে। একটা জিনিস খেয়াল করো
- 57:57পানির সংকেত কি? এইচ2 তাহলে পানির আণবিক
- 58:01ভর কত হবে? হাইড্রোজেন হচ্ছেও ইনটু প্লাস
- 58:04হচ্ছে অক্সিজেন 16। তার মানে হচ্ছে 18।
- 58:07এখন বায়ুতে কি কি থাকে? বায়ুতে
- 58:09হাইড্রোজেন থাকে। তারপরে হচ্ছে নাইট্রোজেন
- 58:11থাকে এবং থাকে হচ্ছে অক্সিজেন। এই তিনটা
- 58:15মূল উপাদান নিয়ে আমরা একটু কথা বলি।
- 58:16নাইট্রোজেনের পারমাণবিক ভর 14। তাহলে দুটা
- 58:18পরমাণু হলে 14 দুগুনে 28। অক্সিজেন 16। 16
- 58:2116 দুগ 32 এবং হাইড্রোজেন হাইড্রোজেন কত?
- 58:25এক। তাহলে এক দুগদ। টোটাল কত দাঁড়াচ্ছে
- 58:28এখানে? 30 আর হচ্ছে 32। মানে হচ্ছে 52।
- 58:31এখন দেখো বায়ুর পারমাণবিক আণবিক ভর
- 58:34দাঁড়াচ্ছে হচ্ছে 52। এবং পানির ক্ষেত্রে
- 58:38সেটা 18। সুতরাং বায়ুর স্থানটাকে যদি
- 58:42পানি বা জলীয় বাষ্প জলীয় বাষ্প মানেই
- 58:44কিন্তু পানি। জলীয় বাষ্পে এসে দখল করে
- 58:46ফেলে তখন তার আণবিক ভর কমে যাচ্ছে। এই
- 58:49আণবিক ভর কমে যাওয়ার ফলে অর্থাৎ কোথাও
- 58:51জলীয় বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে
- 58:54এবং বায়ুর পরিমাণ কমে যাওয়ার ফলে সেখানে
- 58:56নিম্নচাপের সৃষ্টি হতে পারে। এখন এই
- 58:58নিম্নচাপ যদি হঠাৎ করে সৃষ্টি হয় তখন সেই
- 59:01শূন্যস্থান দখল করার জন্য চারপাশের
- 59:04বায়ুগুলো প্রচন্ড বেগে সেইখানে ছুটে আসতে
- 59:06শুরু করে। যখন প্রচন্ড বেগে ছুটে আসে তখন
- 59:09তাদের মধ্যে কি হবে? সংঘর্ষ হবে এবং সবাই
- 59:12যখন চারদিক থেকে আসতে শুরু করতেছে তাদের
- 59:14মধ্যে একটা ঘূ্ণন সৃষ্টি হবে। এই ঘূ্ণনের
- 59:17ফলে কি হবে? ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে।
- 59:20এইজন্য বিজ্ঞানীরা যদি কোথাও দেখেন যে
- 59:22টরিসিলির এই যে পরীক্ষার পারদ স্তম্ভের
- 59:25উচ্চতা হঠাৎ করে কমে যেতে শুরু করে। হঠাৎ
- 59:28করে কমে যাওয়া শুরু করা মানে হচ্ছে বলতে
- 59:30পারেন যে কিছুক্ষণের মধ্যে বা কিছু সময়ের
- 59:32মধ্যে হচ্ছে ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হতে পারে।
- 59:35এই উচ্চতাটা যদি ধীরে ধীরে কমে তার মানে
- 59:38কি? ধীরে ধীরে জলীয় বাষ্পেও তারা বায়ুটা
- 59:40পরিপূর্ণ হচ্ছে। বায়ুর পরিমাণ ধীরে ধীরে
- 59:42কমতেছে। তখন সেখান থেকে বলা যায় যে জলীয়
- 59:45বাষ্পের পরিমাণ বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর মানে
- 59:47বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা আছে। এবং থার্ড
- 59:49আরেকটা জিনিস সেটা হচ্ছে কি? যদি এই
- 59:52উচ্চতাটা কিছু পরিমাণ বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- 59:54কিছুটা 76 থেকে কিছুটা বৃদ্ধি পেতে থাকে।
- 59:57তার মানে কি? জলীয় বাষ্পের পরিমাণ কমে
- 59:59যাচ্ছে। অর্থাৎ আবহাওয়া শুষ্ক হতে শুরু
- 1:00:01করেছে। তখন বলা যায় হচ্ছে ঝলমলে রোধ দেখা
- 1:00:04যেতে পারে। তার মানে আমরা এই পারদস্ত
- 1:00:07স্তম্ভ দিয়ে আমরা আবহাওয়া সম্পর্কে একটা
- 1:00:09ধারণা পেতে পারি। এটা যদি খুব দ্রুত কমে
- 1:00:12যায় তাহলে ঘূর্ণিঝড়ের সৃষ্টি হতে পারে।
- 1:00:14এটা যদি ধীরে ধীরে কমে তাহলে আমরা বলতে
- 1:00:17পারি বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা হবে এবং এটা
- 1:00:19যদি ধীরে ধীরে বৃদ্ধি পেতে থাকে তার মানে
- 1:00:21আবহাওয়া শুষ্ক রোদ্রের রোদ্র সৃষ্টি হবে।
- 1:00:25তাহলে এই জিনিসটা একটু বুঝে নিবা যে
- 1:00:27জলীয়বাষ্প বৃদ্ধি পেলে কেন বায়ুর চাপ
- 1:00:30কমতে থাকে সেটা এইখান থেকে ব্যাখ্যা করার
- 1:00:32চেষ্টা করেছি। তাহলে টরিসলের এইখানে আমরা
- 1:00:35দেখলাম এইটুকু হচ্ছে পারদস্তম্ভ তৈরি হয়।
- 1:00:37তাহলে এই জায়গাটা হচ্ছে শূন্য রয়ে
- 1:00:39যাচ্ছে না। সেই জায়গাটার পরিমাণ কত? 24
- 1:00:41সেন্টিমিটার। এই জায়গাটাকে হচ্ছে বলা
- 1:00:43হয়ে থাকে টরিসলির শূন্যতা। টরিসলির
- 1:00:46শূন্যতা। অর্থাৎ যে স্তম্ভটা তৈরি হচ্ছে
- 1:00:48সেটা হচ্ছে পারদ স্তম্ভ। আর এখানে যে
- 1:00:50শূন্যতা তৈরি হচ্ছে সেটা হচ্ছে টরিসলির
- 1:00:52শূন্যতা। কিন্তু আমরা জানি পদার্থ বিজ্ঞান
- 1:00:54একটা বিখ্যাত বিষয় সেটা হচ্ছে প্রকৃতি
- 1:00:56কখনো শূন্যতা পছন্দ করে না। তার মানে কি
- 1:00:58এখানে শূন্যতা তৈরি হচ্ছে না? পদার্থ
- 1:01:00বিজ্ঞান ভুল না প্রকৃতির ক্ষেত্রে
- 1:01:01সমস্যাটা তৈরি হচ্ছে। আসলে এখানে কিছু
- 1:01:03পরিমাণ হচ্ছে পারদ বাষ্প সেই জায়গাটুকু
- 1:01:06দখল করে নিয়ে থাকে। আমরা যদি টরিসিসলির
- 1:01:09হচ্ছে পারদ স্তম্ভের ব্যাপারটা বুঝে ফেলি।
- 1:01:11তাহলে এবার আমরা একটু ক্যালকুলেশন দেখি।
- 1:01:14আমাদের ভূপৃষ্ঠে কি পরিমাণ চাপ সৃষ্টি
- 1:01:16করতেছে সে ব্যাপারটা দেখার জন্য আমরা একটু
- 1:01:19আগে একটা সূত্র বের করেছিলাম না যে বায়ুর
- 1:01:21তরলের অভ্যন্তরে বা বায়ুবীয় পদার্থের
- 1:01:23অভ্যন্তরে চাপ নির্ণয়ের সূত্র কি? সেই
- 1:01:25সূত্রটা ছিল পি ইকুয়াল এইচ রোজি। আমরা
- 1:01:30এখানে কাকে নিয়ে কথা বলতেছি? পারদস্ত
- 1:01:32স্তম্ভ নিয়ে কথা বলতেছি। তাহলে এই উচ্চতা
- 1:01:34হচ্ছে পারদস্ত স্তম্ভের সমান। সেই
- 1:01:35পারদস্তম্ভের উচ্চতাটা কত? 76
- 1:01:38সেন্টিমিটার। আমরা যদি এসআই এককে কনভার্ট
- 1:01:40করে নিই অর্থাৎ মিটারে নিয়ে যাই তাহলে
- 1:01:42সেটা হবে জ
- 1:01:440 প76
- 1:01:46মিটার এবং রো বইয়ের মধ্যে পারদের যে
- 1:01:48ঘনত্ব দেয়া আছে তার থেকে আমি এক্সট
- 1:01:50ভ্যালুটা লিখলে সেটা হবে এই 13604.325
- 1:01:56এটা হচ্ছে পারদের ঘনত্ব এবং তার সাথে গুণ
- 1:01:59হবে হচ্ছে 9.8 গ্রাভিটেশনালঅিলারেশন যেটা
- 1:02:03আমরা জানি। তাহলে এখান থেকে ভ্যালুগুলো
- 1:02:05একটু চিন্তা করে নাও। আমি আরেকবার রিপিট
- 1:02:06করে দিচ্ছি। সেটা হচ্ছে পারদের উচ্চতা
- 1:02:09সেটা হচ্ছে 0.76
- 1:02:10স মিটার এবং আমার যে পারদের ঘনত্ব যেহেতু
- 1:02:14আমি পারদ স্তম্ভ নিয়ে কথা বলতেছি সুতরাং
- 1:02:16আমি পারদের ঘনত্বটা ব্যবহার করব সেটা
- 1:02:18হচ্ছে 13604.325
- 1:02:20আর তার সাথে গুণ হবে কত গ্রাভিটেশনাল
- 1:02:23এক্সিলারেশন বাজি যেটা হচ্ছে 9.8 এ এটাকে
- 1:02:27যদি আমরা ক্যালকুলেশন করি তাহলে পাবো এই
- 1:02:30ভ্যালুটা অর্থাৎ এটা অনেক বড় একটা ভ্যালু
- 1:02:33এটাকে যদি আমি লিখতে চাই এটাকে আমি
- 1:02:35এইভাবেও লিখতে পারি ওয়ান ইনটুট টু দি
- 1:02:37পাওয়ার ফাইভ এটা কি প্যাসকেল এককে হবে
- 1:02:40তাহলে এটা হচ্ছে ওয়ান ইনটুট টু দি
- 1:02:41পাওয়ারফ প্যাসকেল তাহলে স্বাভাবিক
- 1:02:43বায়ুচাপ বলতে আসলে আমাদের ভূপৃষ্ঠে
- 1:02:46প্রায় 10 টু দি পাওয়ার ফাইভ প্যাসকেল
- 1:02:49চাপ প্রয়োগ হয়ট টু দি পাওয়ারফ
- 1:02:51প্যাস্কেল চাপ প্রয়োগ হয় এটা প্রচন্ড
- 1:02:54খুব বড় মানের একটা চাপ এই চাপটা তোমাদের
- 1:02:56বইয়ে একটা সুন্দর উদাহরণ দিয়ে বলা
- 1:02:58হয়েছে। হাতির ওজনের সমান একটা হাতি যে
- 1:03:01পরিমাণ চাপ প্রয়োগ করতে পারবে সেই চাপটা
- 1:03:03হচ্ছেট টু দি পাওয়ার ফাইভ প্যাসকেল।
- 1:03:05তাহলে আমরা ভূপৃষ্ঠে যদি 10 টু দি পাওয়ার
- 1:03:06ফাইভ প্যাস্কেল পাই এই চাপটা কি পরিমাণ বল
- 1:03:09প্রয়োগ করে? আমরা যদি ধরি আমাদের মানুষের
- 1:03:12একটা পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল হচ্ছে এক
- 1:03:14বর্গমিটার। ধরে নিলাম। তাহলে সেক্ষেত্রে
- 1:03:16বল হবে কি? এফ ইকুয়াল পি। পি এর মান তো
- 1:03:19পেলামট টু দি পাওয়ার ফাই। এবং আমি এক
- 1:03:22পৃষ্ঠের ক্ষেত্রফল ধরে নিয়েছি ওয়ান। তার
- 1:03:24মানে কত? 10 টু দি পাওয়ারফ নিউটন। অর্থাৎ
- 1:03:27আমাদের একটা পৃষ্ঠের উপর বায়ুমন্ডল
- 1:03:30প্রায় 10 টু দি পাওয়ার 5 নিউটন বল
- 1:03:33প্রয়োগ করতেছে। এত বড় একটা বল যেটা একটা
- 1:03:36হাতির ওজনের সমান। এত পরিমাণ বল প্রয়োগ
- 1:03:38করার পরেও আমরা কেন সেটা অনুভব করতে
- 1:03:41পারতেছি না? কারণ আমাদের শরীরের
- 1:03:43অভ্যন্তরেও কিন্তু বাতাস আছে এবং আমাদের
- 1:03:46শরীরের অভ্যন্তরে রক্তচাপ বলে একটা কথা
- 1:03:48আছে। যার ফলে শরীরের ভেতরে রক্তচাপ এবং
- 1:03:51বায়ুর চাপ দুটোকে পরস্পর হচ্ছে জিরো করে
- 1:03:55দিচ্ছে। অর্থাৎ এটা যদি আমরা ধরে নিই আমার
- 1:03:57বডির বাহিরের আবরণ তাহলে বরের ভেতর থেকে
- 1:04:01যেই চাপটা আসতেছে এবং বড়ের বাহির থেকে
- 1:04:03যেই চাপটা আসতেছে সেই দুটো চাপ সমান
- 1:04:06হওয়ার ফলে আল্টিমেটলি আমার উপর আসলে কোন
- 1:04:08চাপ অনুভূত হতে পারবে না। কারণ দুটো বলকে
- 1:04:11হচ্ছে বিপরীতমুখী হওয়ায় দুটো বল একটা
- 1:04:13অন্যটাকে ক্যান্সেল আউট করে দেয়। এখন
- 1:04:15আসলেই কি এটা সত্যি যে হচ্ছে এরকম একটা
- 1:04:17চাপ প্রয়োগ হচ্ছে বা আমার বডির ভেতরে
- 1:04:19এরকম একটা চাপ প্রয়োগ হচ্ছে। এই জিনিসটা
- 1:04:21আমরা খুব সহজে ফিল করতে পারি। সেটা হচ্ছে
- 1:04:23আমি একটা মুভির নাম বলি। দা মার্শিয়ান দা
- 1:04:26মার্শিয়ান মুভিটা দেখতে পারো। এই মুভিটা
- 1:04:28দেখতে গেলে দেখবা একটা পর্যায় হচ্ছে একদম
- 1:04:30শেষের দিকে সে হচ্ছে স্পেস জানে ওঠার জন্য
- 1:04:33তার যে এয়ার সুট ছিল এয়ার সুটটাকে ছিদ্র
- 1:04:36করে দেয় এবং প্রচন্ড বেগে বাতাসটা বের হয়ে
- 1:04:39আসে। তারপর সে নিউটনের তৃতীয় সূত্রটাকে
- 1:04:41ব্যবহার করে কিছুটা উপরে উঠে আসে। এখন এই
- 1:04:44মুভিটার কথা এই জন্য বললাম সেখানে
- 1:04:46প্রত্যেককেই দেখবা যখন স্পেসে যায় তখন
- 1:04:48তারা একটা এয়ার সুট পড়ে থাকে। এই এয়ার
- 1:04:50সুটটা কেন পড়তে হয়? তারা যদি হচ্ছে আমাদের
- 1:04:52মত এরকম জামা কাপড় পড়ে যায় তাহলে কি
- 1:04:54সমস্যাটা সৃষ্টি হবে এইটা দ্বারা আমরা
- 1:04:56বুঝতে পারি আমাদের শরীরের অভ্যন্তরে যে
- 1:04:58আসলে চাপ আছে সেই ব্যাপারটা কি করে ও যদি
- 1:05:01হচ্ছে স্পেস সুটটা না পড়ে যায় তাহলে সে
- 1:05:04সেখানে যাওয়ার পর বাহির থেকে তো তার উপর
- 1:05:07আর কোন চাপ প্রয়োগ হচ্ছে না তার উপর কোন
- 1:05:09চাপটা প্রয়োগ হচ্ছে শুধুমাত্র শরীরের
- 1:05:11অভ্যন্তরে চাপটা সেই চাপটা আমাদের
- 1:05:13ভূপৃষ্ঠের চাপের প্রায় সমান অর্থাৎ 10 টু
- 1:05:15দি পাওয়ার 5 প্যাসকেল তার মানে তার বাহির
- 1:05:18থেকে যেহেতু চাপ প্রয়োগ হচ্ছে না ভেতরের
- 1:05:20এই চাপের ফলে সে মুহূর্তের মধ্যে একটা
- 1:05:22বোমার মত ব্লাস্ট হয়ে যাবে। এইজন্য যাতে
- 1:05:25বাহির থেকে চাপ দিয়ে ভেতরের চাপটাকে
- 1:05:29অপটিমাইজ বা হচ্ছে বাদ দিয়ে ক্যান্সেল
- 1:05:31আউট করে দেওয়া যায়। এইজন্য হচ্ছে ওই
- 1:05:33স্পেস সুটটা পড়া হয়। এই স্পেস সুটের কাজ
- 1:05:35হচ্ছে বাহির থেকে চাপ দিয়ে ভেতরের
- 1:05:37চাপটাকে কন্ট্রোল করে রাখা। এবং এটা হচ্ছে
- 1:05:40আমরা যারা হচ্ছে প্লেনের মধ্য দিয়ে যায়।
- 1:05:42প্লেনের ক্ষেত্রেও হচ্ছে যে দেখতে পাবা যে
- 1:05:44প্লেনে তোমার হচ্ছে বাহির থেকে কৃত্রিম
- 1:05:47চাপ তৈরি করার চেষ্টা করা হয়ে থাকে। কিছু
- 1:05:49কিছু যখন বড় প্লেনগুললা উপর দিকে যায় তখন
- 1:05:52কৃত্রিম চাপ সৃষ্টি করা হয়। না হলে আমাদের
- 1:05:55প্লেনের যে যাত্রীগুলা থাকে তাদের হচ্ছে
- 1:05:57যে অস্বস্তি শুরু হয়। শ্বাসপ্রশ্বাসে
- 1:05:59সমস্যা হতে শুরু করে এবং নাক মুখ দিয়ে
- 1:06:01ব্লিডিং হতেও শুরু করে। ইভেন হচ্ছে
- 1:06:03এভারেস্টের চুড়ায় গেলেও এভারেস্টের চুড়ায়
- 1:06:05গেলেও হচ্ছে বায়ুর চাপ অনেক কমে যায়। যার
- 1:06:07ফলে সেখানে কি সমস্যাটা হয়? ওই যে বাহিরের
- 1:06:10চাপটা কম থাকার ফলে যদি আমার সমস্ত কিছু
- 1:06:13ঠিকভাবে না থাকে তখন আমার নাক মুখ দিয়ে
- 1:06:16রক্ত বের হতে শুরু করে দেয়। কারণ বাহিরের
- 1:06:19চাপটা ভেতরের চাপটাকে ক্যান্সেল আউট
- 1:06:21করতেছে না। এর মানে আমি এখান থেকেই বলতে
- 1:06:22পারি বাহিরের চাপ এবং ভেতরের চাপ দুটো আছে
- 1:06:25বলেই আমরা ভূপৃষ্ঠে স্বাভাবিক অবস্থায়
- 1:06:27আছি। যখনই আমি ভূপৃষ্ঠ থেকে বাহিরে যাচ্ছি
- 1:06:30তখনই আমার সমস্যা সৃষ্টি হতে শুরু করে
- 1:06:33দিচ্ছে। এবং এই চাপটা প্রতিনিয়ত খুবই
- 1:06:36গুরুত্বপূর্ণ। যেমন একটা প্রশ্ন আসে
- 1:06:38এভারেস্টের চুড়ায় রান্না করা কঠিন কেন?
- 1:06:40এভারেস্টের চুড়ায় রান্না করা কঠিন কেন?
- 1:06:43এভারেস্টের চূড়ায় বায়ুর চাপ মোটামুটি
- 1:06:46পৃথিবীর চাপের পৃথিবীর ভূপৃষ্ঠে যে চাপ
- 1:06:48তার 30% হয়ে যায়। অর্থাৎ 30% বলতে আমি
- 1:06:51এক্সাম্পল দিয়ে এরকমটা বুঝাচ্ছি। ধরো যদি
- 1:06:54হচ্ছে
- 1:06:56পৃথিবীর পৃষ্ঠে হচ্ছে ওয়ান অটমোসফিয়ার
- 1:06:58হয়ে থাকে এভারেস্টের চুড়ায় সেটা হয়ে
- 1:07:00যাবে 0.3 অটমোসফিয়ার। অর্থাৎ অনেক কমে
- 1:07:02যাবে। এখন এই চাপ কমে যাওয়ার ফলে তরল
- 1:07:06পদার্থের স্ফুটনাঙ্কের মান কমে যায়। কেন
- 1:07:09কমে যায়? কোন পদার্থের ক্ষেত্রে কমে যায়
- 1:07:10সেটা আমরা ষষ্ঠ অধ্যায়ে আলোচনা করব।
- 1:07:12এইখানে শুধু এইটুকু বলে রাখি যদি বায়ুর
- 1:07:15চাপ কমে যায় তরল পদার্থের স্ফুটানাঙ্কের
- 1:07:18মান কমে যায়। এখন এতে সমস্যা হয় ধরো আমি
- 1:07:20বাতিলভর্তি পানি নিয়ে তার মধ্যে মাংস
- 1:07:23সিদ্ধ করতে দিলাম। একটু পরে দেখা যাবে
- 1:07:25হচ্ছে ওই যে বায়ুচাপ কম থাকার কারণে অল্প
- 1:07:27চাপে হচ্ছে পানি অল্প তাপমাত্রায়
- 1:07:29পানিগুলো বাষ্পে পরিণত হতে শুরু করবে।
- 1:07:31তাহলে সেই ক্ষেত্রে হচ্ছে আমার রান্না করা
- 1:07:33কঠিন হয়ে যাবে। এই সমস্যার সমাধানে কি
- 1:07:35করা যায়? এই সমস্যার সমাধানে প্রেসার
- 1:07:38কুকার ব্যবহার করতে পারি। অর্থাৎ
- 1:07:39কৃত্রিমভাবে প্রেসার তৈরি করে আমরা সেখানে
- 1:07:42হচ্ছে চাপটাকে কন্ট্রোল করে রান্না করতে
- 1:07:44পারি। আবার আমরা যদি সমুদ্রের গভীরে যেতে
- 1:07:47চাই আমরা তো শুধু স্পেসে যাওয়ার কথা
- 1:07:49বললাম। যদি আমরা সমুদ্রের গভীরেতে যেতে
- 1:07:51চাই তাহলে সেক্ষেত্রে কি হবে? আমরা জানি
- 1:07:54সমুদ্রের যত গভীরে যেতে থাকবো ততই আমাদের
- 1:07:56উপরে পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পেতে থাকবে। এই
- 1:07:59পানির উচ্চতা বৃদ্ধি পাওয়ার ফলে যত গভীরে
- 1:08:01যেতে থাকবো ততই সেখানে আমার চাপের পরিমাণ
- 1:08:05বৃদ্ধি পেতে থাকবে। এবং এটা একটা আনুমানিক
- 1:08:07ক্যালকুলেশন বলা যায় যে প্রতি 10 মিটার
- 1:08:10প্রতি 10 মিটার গভীরতার জন্য বায়ুর চাপ
- 1:08:13প্রায় ওয়ান অটমোসফিয়ার বৃদ্ধি পেতে
- 1:08:15থাকে। অর্থাৎ সমুদ্রের অভ্যন্তর তো বায়ু
- 1:08:17না পানির চাপ হচ্ছে প্রায় ওয়ান
- 1:08:18অটমোসফিয়ার করে বৃদ্ধি পেতে থাকে। তার
- 1:08:20মানে আমি যদি হচ্ছে এক কিলোমিটার গভীরে
- 1:08:22যাই এক কিলোমিটার গভীরে যাই তাহলে সে
- 1:08:25ক্ষেত্রে চাপ প্রায় 100 অটমোসফিয়ার
- 1:08:27বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। যেটা হচ্ছে প্রচন্ড
- 1:08:29চাপ। তার মানে হচ্ছে আমরা সমুদ্রের
- 1:08:31গভীরেতে যেতে চাইলে হচ্ছে সেক্ষেত্রে চাপ
- 1:08:33বাড়তেছে। কিন্তু আমরা যখন হচ্ছে উপরের
- 1:08:35দিকে যাচ্ছি তখন সেই ক্ষেত্রে কি সমস্যা
- 1:08:37হচ্ছে? সেই ক্ষেত্রে হচ্ছে আমার চাপের
- 1:08:39পরিমাণ কমে যাচ্ছে। দুটো ক্ষেত্রে ভিন্নতা
- 1:08:41কেন? ভিন্নতা হচ্ছে আমরা ভূপৃষ্ঠ থেকে
- 1:08:44ভূপৃষ্ঠে হচ্ছে প্রচুর পরিমাণে বায়ু
- 1:08:46থাকে। যার ফলে আমরা জানি গ্যাসীয়
- 1:08:48পদার্থকে চাপ দিয়ে কমিয়ে ফেলা যায়। যার
- 1:08:50ফলে ভূপৃষ্ঠে অনেক বায়ু থাকার কারণে
- 1:08:52সেখানে ঘনত্ব বেশি থাকে। আর ভূপৃষ্ঠ থেকে
- 1:08:55যত উপরের দিকে উঠতে থাকি সেক্ষেত্রে হচ্ছে
- 1:08:57ঘনত্বের পরিমাণ কমতে থাকে। কারণ বায়ুর
- 1:08:59পরিমাণ বাড়তে থাকে। বায়ুর পরিমাণ কমতে
- 1:09:02থাকে। যার ফলে হচ্ছে ঘনত্বের পরিমাণ কমে
- 1:09:04যেতে শুরু করে। এইজন্য উপরের দিকে গেলে
- 1:09:06প্রতিনিয়ত হচ্ছে বায়ুর চাপ কমতে থাকে।
- 1:09:08আর সমুদ্র থেকে গভীরের দিকে যেতে থাকলে
- 1:09:11প্রতিনিয়ত হচ্ছে বায়ুর চাপ তরলের চাপ
- 1:09:14বৃদ্ধি পেতে থাকে। যেটা বলে নিয়েছিলাম যে
- 1:09:16প্রতি 10 মিটার গভীরতার জন্য এক
- 1:09:18অটমোসফিয়ার করে চাপ বৃদ্ধি পেতে শুরু
- 1:09:21করে। এইজন্য আমাদেরকে কোথাও মহাশূন্যে
- 1:09:24যেতে হলে আমাকে যেমন সেই সম্পর্কে একটা
- 1:09:26ধারণা নিয়ে যেতে হবে। একইভাবে সমুদ্রের
- 1:09:28গভীরে ডুবরিরা যখন যায় তারা হচ্ছে যে এই
- 1:09:32সম্পর্কে একটা ধারণা নিয়ে যায় এবং সেইসব
- 1:09:35বিষয় জেনে তারপরে হচ্ছে তারা সমুদ্র বা
- 1:09:37মহাশূন্যে যাওয়া শুরু করে। এরপর আমরা
- 1:09:39স্থিতিস্থাপকতা নিয়ে কথা বলি।
- 1:09:41স্থিতিস্থাপকতা পদার্থের একটা ধর্ম। প্রথম
- 1:09:43কথা হচ্ছে স্থিতিস্থাপকতা পদার্থের একটা
- 1:09:45ধর্ম। সেই ধর্মটা কি ধর্ম বা কি কাজ করে?
- 1:09:48সেটা এখানে সংজ্ঞার মধ্যে আমি ক্লিয়ার
- 1:09:50করার চেষ্টা করেছি। বাহ্যিক বল প্রয়োগ
- 1:09:52করে কোন বস্তুর আকার বা আয়তনের পরিবর্তন
- 1:09:56চেষ্টা করলে অর্থাৎ আমি যদি বাহ্যিকভাবে
- 1:09:58বল প্রয়োগ করে কোন বস্তুর আকারের বা
- 1:10:00আকৃতির পরিবর্তন করার চেষ্টা করি তাহলে
- 1:10:03বস্তুর একটা ধর্ম আছে যে আমার এই
- 1:10:05প্রচেষ্টাকে বাধা প্রদান করবে এটা আমরা
- 1:10:07সহজেই ফিল করতে পারি এটা প্লাস্টিকের
- 1:10:09বোতলকে যদি এরকম চাপ দিতে থাকি তখন কি হবে
- 1:10:11আমাকে একটা বল প্রয়োগ করতে হচ্ছে এই বলটা
- 1:10:13কোত থেকে এটা কেন প্রয়োগ করা হচ্ছে কারণ
- 1:10:15বস্তুর অভ্যন্তরে এটা ধর্ম আমার এই
- 1:10:16প্রচেষ্টাকে বাধা প্রদান করতেছে এবং আমি
- 1:10:18এটা ছাড়ার সাথে সাথে অর্থাৎ বলটা অপসারণ
- 1:10:21সাথে সাথে বস্তু কি করবে? তার আগের
- 1:10:23অবস্থানে ফিরে আসবে। এটার উদাহরণ হিসেবে
- 1:10:25আমরা রাবারকে ব্যবহার করতে পারি। রাবারের
- 1:10:27ক্ষেত্রে যদি আমরা বাহ্যিক বল প্রয়োগ করি
- 1:10:29রাবারের অভ্যন্তরীণ একটা ধর্ম আমার এই
- 1:10:31প্রচেষ্টাকে বাধা প্রদান করবে। এবং আমি
- 1:10:33এটা যদি হচ্ছে টানার পর ছেড়ে দিই তাহলে
- 1:10:35সে আবার তার পূর্বের অবস্থানে ফিরে আসবে।
- 1:10:37বস্তুর এই যে ধর্ম অর্থাৎ তার পূর্বের
- 1:10:40অবস্থায় ফিরে আসার যে ধর্ম এটাই হচ্ছে
- 1:10:42স্থিতিস্থাপকতা। এটা আমাদের সবার সহজাত
- 1:10:45একটা ধর্ম। এটাকে একটু যদি আমি বলি ধর এটা
- 1:10:47পদার্থের মধ্যে এরকম হচ্ছে অনেকগুলা অণু
- 1:10:50আছে হ্যাঁ এরকম অনেকগুলা অণু আছে এখন এই
- 1:10:53অণুটার মধ্যে আমি বল প্রয়োগ করে তার
- 1:10:56অবস্থানটা কিছুটা সরিয়ে দিলাম ধর এইখানে
- 1:10:58নিয়ে আসলাম অণুটার অবস্থানটা এখন এইখানে
- 1:11:01সরিয়ে নিয়ে আসার ফলে অণুটা দেখা যাবে
- 1:11:04তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যাওয়ার জন্য
- 1:11:05একটা ধর্ম প্রদর্শন করবে অর্থাৎ বস্তু
- 1:11:07অণুটা চাইবে তার আগের অবস্থানে ফিরে আসতে
- 1:11:10এটা আমরা স্বাভাবিক জীবনও দেখে থাকি যে
- 1:11:11আমি মার্কারটাকে যদি উপরে উঠাই তাহলে
- 1:11:13ছেড়ে দিলেই সে কিন্তু তার আগের অবস্থানে
- 1:11:15ফিরে ফিরে যাবে। কেন? তার মধ্যে যখন উপরে
- 1:11:17উঠিয়েছিলাম তার মধ্যে কিছু পরিমাণ শক্তি
- 1:11:19সঞ্চিত হয়েছে। সে চায় সে শক্তিটা বর্জন
- 1:11:21করে তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে যেতে। এটাই
- 1:11:24হচ্ছে বস্তুর স্থিতিস্থাপকতা। অর্থাৎ
- 1:11:26বস্তু সাধারণত তার পূর্বের অবস্থায় ফিরে
- 1:11:29আসতে চায়। এখন আমরা দেখব বিকৃতি কাকে
- 1:11:32বলে। তো প্রথমে আমরা আগে ডেফিনেশনটার সাথে
- 1:11:34পরিচিত হয়ে নিই। বিকৃতি হচ্ছে
- 1:11:36স্থিতিস্থাপক বস্তুর উপর বাহ্যিক বল
- 1:11:38প্রয়োগের ফলে একক দৈর্ঘ্য বা আয়তনে যে
- 1:11:41পরিবর্তন ঘটে তাকে বিকৃতি বলে। এখন বিকৃতি
- 1:11:43জিনিসটার সাথে কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত
- 1:11:45পরিচিত। যেকোন কিছুর আকৃতির যে পরিবর্তন
- 1:11:48দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন হতে পারে, আয়তনের
- 1:11:50পরিবর্তন হতে পারে। এটাকে আমরা নরমালি
- 1:11:52বিকৃতি জানি। পদার্থ বিজ্ঞানে এটাকে শুধু
- 1:11:54একটু বাড়তি জিনিস বলে দিয়েছে। একক
- 1:11:55দৈর্ঘ্য বা একক আয়তনে যে পরিবর্তন ঘটে
- 1:11:58তাকে বিকৃতি বলে। তাহলে আমরা ডেফিনেশনটা
- 1:12:00লিখলে দাঁড়াবে। তাহলে স্থিতিস্থাপক
- 1:12:01বস্তুর উপর আমি যখন বাহ্যিকভাবে বল
- 1:12:03প্রয়োগ করব তখন একক, দৈর্ঘ্য বা আয়তনে
- 1:12:06যে পরিবর্তন ঘটবে তাকে হচ্ছে বিকৃতি বলে।
- 1:12:09যেমন ধরো আমরা যদি এটা সমীকরণ দিয়ে
- 1:12:11ডেভেলপ করার চেষ্টা করি ব্যাপারটা কিরকম
- 1:12:13ধরো একটা বস্তুর দৈর্ঘ্য ছিল আদি দৈর্ঘ্য
- 1:12:15হচ্ছে এল নট ইনিশিয়াল অবস্থায় তার
- 1:12:17দৈর্ঘ্য হচ্ছে এল নট আমি তাকে কি করলাম
- 1:12:19টেনে লম্বা করলাম তো নতুন যে দৈর্ঘ্য
- 1:12:21পেলাম সেটা হচ্ছে আমার এল তাহলে
- 1:12:23পরিবর্তনটা কত পরিবর্তন নিশ্চয় এল মাইনাস
- 1:12:26এল নট অর্থাৎ নতুন যে দৈর্ঘ্য তার থেকে
- 1:12:30আদি দৈর্ঘ্যটা বিয়োগ করলে তো আমি আমার
- 1:12:31পরিবর্তনটা পেয়ে যাব এজন্য এল মাইনাস এল
- 1:12:34নট এখন এটা হচ্ছে আমার এল নট এর জন্য
- 1:12:36অর্থাৎ এল নট বস্তুর পরিবর্তন কত হল এল
- 1:12:39মাইনাস এল নট তাহলে ঐকিক নিয়ম একক
- 1:12:42দৈর্ঘ্য পরিবর্তন কত হবে একক দৈর্ঘে এল
- 1:12:44মাইনাস এল নবা এল নট এটাই হচ্ছে আমার
- 1:12:48দৈর্ঘ্য বিকৃতি এবার যদি আমি আয়তন বিকৃতি
- 1:12:51চিন্তা করি আয়তন বিকৃতি কি হবে আয়তনের
- 1:12:54পরিবর্তন এইখানে আরেকটা জিনিস আমরা যেটা
- 1:12:56করতে পারি এইযে এল মাইনাস এল নট
- 1:12:58পরিবর্তনটাকে সরাসরি স্মল এল দ্বারা
- 1:13:00রিপ্রেজেন্ট করে দিতে পারি অর্থাৎ এল
- 1:13:02মাইনাস এল নট মানে হচ্ছে স্মল এল আর এই যে
- 1:13:04এল নট সেটা হচ্ছে আমার আদি দৈর্ঘ্য এরপর
- 1:13:07আয়তন পরিবর্তনে কি হবে দেখো আয়তনের
- 1:13:09ক্ষেত্রে যদি আমি ধরি আদি আয়তন ছিল ভি নট
- 1:13:13এবং নতুন আয়তন হয় ভি তাহলে আমার
- 1:13:15পরিবর্তন কত ভি মাইনাস ভি নট সেইমভাবে আমি
- 1:13:18বলতে পারি কি একক আয়তনের পরিবর্তন কত হবে
- 1:13:21ভি মাইনাসভি ননবাভি নন এটাই হচ্ছে আমার
- 1:13:25আয়তন বিকৃতি তাহলে আমি লিখতে পারি বিকৃতি
- 1:13:27সমান অর্থাৎ দৈর্ঘ্য বিকৃতির ক্ষেত্রে এল
- 1:13:29মাইনাস এল নবা এল নট আর আয়তন বিকৃতির
- 1:13:32ক্ষেত্রে ভি মাইনাস ভি নটবাভি নট এটাই
- 1:13:35হচ্ছে আমার বিকৃতি নিয়ে কথাবার্তা এরপরে
- 1:13:37আমরা দেখব পীরণ কাকে বলে? পীরণ জিনিসটা
- 1:13:40হচ্ছে যদি আমি সিম্পলি বলি সে ব্যাপারটা
- 1:13:42কি? আমি যখন কোন একটা বস্তুর বিকৃতি করার
- 1:13:44চেষ্টা করা হব বিকৃতি করার চেষ্টা করা হলে
- 1:13:47বস্তুর অভ্যন্তরে আমি যে বিকৃত করার জন্য
- 1:13:50বল প্রয়োগ করেছি তার বিপরীত একটা বলের
- 1:13:53উদ্ভব হবে। এইযে প্রতি একক ক্ষেত্রফলে যেই
- 1:13:56পরিমাণ বলের উদ্ভব হবে অর্থাৎ বস্তুর
- 1:13:58অভ্যন্তরে উদ্ভূত বল। সেই বলটাকেই বলব
- 1:14:01আমরা পীরণ। তাহলে আমরা যদি ডেফিনেশন লিখি
- 1:14:03ডেফিনেশনটা কি দাঁড়াবে? ডেফিনেশনটা একটু
- 1:14:05দেখি। ডেফিনেশনটা কি ছিল? আমি যদি কোন
- 1:14:07একটা বস্তুর বিকৃতি করি তাহলে তার জন্য
- 1:14:10আমাকে একটা বল প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু
- 1:14:12বস্তুটা তো স্থিতিস্থাপক। যার ফলে কি হবে?
- 1:14:14সে আমি যেই বল প্রয়োগ করব সেই বলের
- 1:14:17বিপরীতে বস্তুর অভ্যন্তরে একটা বলের
- 1:14:19সৃষ্টি হবে। এই সৃষ্ট বলটা প্রতি একক
- 1:14:22ক্ষেত্রফলে কি পরিমাণ সৃষ্ট হবে সেটাই
- 1:14:24হচ্ছে আমার পীরণ। তো এটা যদি আমরা ঐকিক
- 1:14:27নিয়মের সিস্টেমে আমরা সমীকরণ দিয়ে
- 1:14:28চিন্তা করি সেটা কি হবে? ধর একটা বস্তুর এ
- 1:14:31ক্ষেত্রফলে উদ্ভূত বলের পরিমাণ হচ্ছে এফ।
- 1:14:33তাহলে একক ক্ষেত্রফলে উদ্ভূত বলের পরিমাণ
- 1:14:35কি? এফ বাই এ। একটা জিনিস বারবার কিন্তু
- 1:14:38আমি বলে দিচ্ছি। আমি যে বল প্রয়োগ করতেছি
- 1:14:40সেটা কিন্তু পীরণ না। আমার বলের বিপরীতে
- 1:14:43বস্তুর অভ্যন্তর যে বল উদ্ভব হচ্ছে প্রতি
- 1:14:45একক ক্ষেত্রফলে সেটাই হচ্ছে পীরণ। অর্থাৎ
- 1:14:47উদ্ভূত বলটাই হচ্ছে পীড়ন। তাহলে এটাকে
- 1:14:49আমরা লিখতে পারি এফ বা এ। তার মানে হচ্ছে
- 1:14:51পীরণ সমান এফ বা এ। এটা যদি আমরা একক
- 1:14:54চিন্তা করি একক কি হবে? অর্থাৎ পীরণের
- 1:14:56একক। বলের একক হচ্ছে নিউটন। আর ক্ষেত্রফল
- 1:14:58মিটার স্কয়ার। তাহলে কি হবে? নিউটন পার
- 1:15:01বর্গমিটার। এটাই হচ্ছে আমার পীরণের একক।
- 1:15:04কিন্তু তুমি যদি বিকৃতির এককের কথা চিন্তা
- 1:15:07করো বিকৃতি কি ছিল? আমার উপরে ছিল
- 1:15:09দৈর্ঘ্যের পরিবর্তন। নিচে ছিল আদি
- 1:15:11দৈর্ঘ্য। বিকৃতি মানে হচ্ছে দুটো
- 1:15:12দৈর্ঘ্যের অনুপাত। তো দুটো একই রাশির যদি
- 1:15:15অনুপাত হয় তার কি কোন একক হওয়ার
- 1:15:16সম্ভাবনা আছে? এখানে কোন একক নাই। তার
- 1:15:18মানে বিকৃতির কোন একক নাই। আর পীড়নের একক
- 1:15:21কি? নিউটন পার বর্গমিটার। এখন আমরা দেখব
- 1:15:23হুকের সূত্র। সূত্রটা কি? স্থিতিস্থাপক
- 1:15:26সীমার মধ্যে পীড়ন বিকৃতির সমানুপাতিক। আর
- 1:15:28নাম দেখে আমরা বুঝতেছি এটা বিজ্ঞানী হুক
- 1:15:30সাহেব দিয়েছিলেন এই সূত্রটি সেখানে
- 1:15:32জিনিসটা কি প্রথমে যে জিনিসটা সেটা হচ্ছে
- 1:15:34স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে স্থিতিস্থাপক
- 1:15:36সীমা জিনিসটা কি আমরা স্থিতিস্থাপকতা বুঝি
- 1:15:38অর্থাৎ বস্তু যে আদি অবস্থায় ফিরে আসতে
- 1:15:40চায় সেটাই হচ্ছে তার স্থিতিস্থাপক ধর্ম
- 1:15:43কিন্তু স্থিতিস্থাপক সীমার জিনিসটা হচ্ছে
- 1:15:45কি তার জন্য ধর একটা সিম্পল উদাহরণ দিই
- 1:15:47এইযে আমার হাতে একটা রাবারের ব্যান্ড আছে
- 1:15:49এটাকে আমি টানলাম কি হবে আগের অবস্থায়
- 1:15:52ফিরে আসবে আরেকটু জোরে টানলাম ফিরে আসবে
- 1:15:54কিন্তু সবসময় কি এমন হবে দেখতো
- 1:15:58ছিড়ে গেছে না? এর মানে কি? একটা বস্তুকে
- 1:16:01আমি যদি একটা সীমার বাহিরে বল প্রয়োগ করি
- 1:16:04তাহলে বস্তুটা ছিড়ে যাবে। একটা সীমা
- 1:16:06পর্যন্ত সে কি করবে? পূর্বের অবস্থায় ফিরে
- 1:16:08আসতে পারে। কিন্তু এই সীমার বাহিরে যদি
- 1:16:11আমি বল প্রয়োগ করি তাহলে বস্তুটা কিন্তু
- 1:16:12আর পূর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে না। তার
- 1:16:14মানে স্থিতিস্থাপক সীমা হচ্ছে সেই
- 1:16:16জিনিসটা। যেই পর্যন্ত বস্তু তার পূর্বের
- 1:16:19অবস্থায় ফিরে আসা পর্যন্ত হচ্ছে ক্ষমতা
- 1:16:21রাখে। আর যেই সীমার বাহিরে বল প্রয়োগ
- 1:16:23করলে বস্তু আর ফিরে আসবে না সেই সীমাটাই
- 1:16:25হচ্ছে স্থিতিস্থাপক সীমা। এই সীমার মধ্যে
- 1:16:28বিজ্ঞানী হুক সাহেব বলেছেন পীড়ন বিকৃতির
- 1:16:30সমানুপাতিক। এটা যদি আমরা লিখি তাহলে
- 1:16:32এভাবে লিখতে পারি। পীড়ন সমানুপাতিক
- 1:16:34বিকৃতি। তো আমরা যদি এটাকে আরেকটু
- 1:16:37প্রিসাইজ করে ফেলি তাহলে কি হবে? পীড়ন
- 1:16:40ডিভাইডেড বিকৃতি ইকুয়াল ধ্রুবক। অর্থাৎ
- 1:16:43আমরা সমানুপাতিক চিহ্নটা উঠায় দিয়ে একটা
- 1:16:45সমান চিহ্ন নিয়ে আসছি। আর সেটা হয়ে গেছে
- 1:16:47ধ্রুবক। এই ধ্রুবকটার পরিচয় হচ্ছে আমি
- 1:16:50যদি দৈর্ঘ্য বিকৃতি নিয়ে কথা বলি তাহলে
- 1:16:53সেটা হচ্ছে ইয়াং মডুলাস। আর যদি আমি
- 1:16:55আয়তন বিকৃতি নিয়ে কথা বলি তাহলে সেটা
- 1:16:57হচ্ছে বালক মডুলাস। ব্যাপারটা কি? আমরা
- 1:16:59যদি এবার সমীকরণ দিয়ে পুরো ব্যাপারটা
- 1:17:01লেখার চেষ্টা করি তাহলে কি হবে? দেখো আমরা
- 1:17:03পীরণের সমীকরণ একটু আগে কি পেয়েছিলাম?
- 1:17:05এফবা এ আর বিকৃতির সেটা কি পেয়েছিলাম?
- 1:17:09স্মল এলবা এল নট। এইযে স্মল এল এর
- 1:17:11পরিচয়টা আমি কিন্তু ওখানে বলে দিয়েছি।
- 1:17:13সেটা হচ্ছে দৈর্ঘ্যের যে পরিবর্তন অর্থাৎ
- 1:17:15এল মাইনাস এল নট। আর এটা সমান আমি এখানে
- 1:17:17কি নিয়ে কথা বলতেছি দৈর্ঘ্য বিকৃতি নিয়ে
- 1:17:20তাহলে এখানে হবে ইয়াং মডুলাস অর্থাৎ
- 1:17:22ওয়াই সমান আমি লিখতে পারি এফ এল নট বাই এ
- 1:17:26স্মল এল এল নট মানে কি বস্তুটার আদি
- 1:17:28দৈর্ঘ্য আর স্মল এল জিনিসটা কি সেটা হচ্ছে
- 1:17:32পরিবর্তন যতটুকু হয়েছে সেটা আর এটাই
- 1:17:34হচ্ছে আমার ইয়াং মডুলাসের জন্য লিখতে
- 1:17:36পারি কিন্তু আমি যদি হচ্ছে বালক মডুলাসের
- 1:17:38জন্য লিখি অর্থাৎ আয়তন বিকৃতির জন্য লিখি
- 1:17:40তাহলে এই সমীকরণটা কি দাঁড়াবে আমার
- 1:17:42পীরণের ক্ষেত্রে কোন পরিবর্তন হবে না সেটা
- 1:17:45এফবা বা এ ঠিকই থাকবে। কিন্তু এখানে যেটা
- 1:17:48হবে সেটা হচ্ছে স্মল ভি। স্মলভি মানে কি?
- 1:17:51আয়তন কতটুকু পরিবর্তন হয়েছে অর্থাৎ ভি
- 1:17:54মাইনাস ভি নট আর ডিভাইডেড ভি নট ইকুয়াল
- 1:17:57বালক মডুলাস অর্থাৎ বি তাহলে এটাকে লেখা
- 1:18:00যায় বি ইকুয়াল অর্থাৎ এফভি নটবা এভি। এই
- 1:18:06স্মলভি এর পরিচয় কি? আয়তনের পরিবর্তন।
- 1:18:08আর ভি নট এর পরিচয় কি? ভি নট এর পরিচয়
- 1:18:10হচ্ছে আদি আয়তন। এফ মানেই কিন্তু বস্তুর
- 1:18:13অভ্যন্তরে যে বলের উদ্ভব হবে। আর এ হচ্ছে
- 1:18:15আমি যেই বস্তুর উপর বল প্রয়োগ করব সেই
- 1:18:17বস্তুর যে ক্ষেত্রফল সেটা। তাহলে এখন
- 1:18:20আমাকে ইয়াং মডুলাস আর বালক মডুলাস নিয়ে
- 1:18:22বুঝতে হবে। তো ইয়াং মডুলাস জিনিসটা কি?
- 1:18:24আর বাল্বক মডুলাস জিনিসটা কি? আমি হচ্ছে
- 1:18:26যে ইয়াং মডুলাস নিয়ে একটু কথা বলে দিই।
- 1:18:28আর সেই সাথে হচ্ছে বালক মডুলাস নিয়ে অল্প
- 1:18:30একটু কথা বলব। ইয়াং মডুলাসের আমরা যদি
- 1:18:31একটু ডেফিনেশনটা লিখি সেটা প্রথমে আমরা
- 1:18:34সিম্পল একটা ব্যাপার দিয়ে করতে পারি।
- 1:18:35সেটা হচ্ছে কি? ওয়াই সমান আমরা কি
- 1:18:38পেয়েছিলাম? আমি যে পীড়ন বাই বিকৃতি
- 1:18:39পেয়েছি না। তার মানে আমি এটা বলতে পারি
- 1:18:41পীড়ন আর দৈর্ঘ্য বিকৃতির অনুপাতকে আমি
- 1:18:44ইয়াং মডুলাস বলতে পারি। পীড়ন আর দৈর্ঘ্য
- 1:18:46বিকৃতির অনুপাতকে। এখন এখান থেকে যদি আমি
- 1:18:48এককটা চিন্তা করি এককটা কি হবে? এককটা যদি
- 1:18:51আমি এখানে একটু লিখে দিই সেটা হচ্ছে দেখো
- 1:18:53আমার পীড়নের একক হচ্ছে নিউটন পার
- 1:18:56বর্গমিটার। আর বিকৃতির কিন্তু কোন একক
- 1:18:58নাই। তার মানে কি? আমি ইয়াং মডুলাসের একক
- 1:19:01হিসেবে কি লিখতে পারি না? নিউটন পার
- 1:19:03বর্গমিটার। তার মানে ইয়াং মডুলাসের একক আর
- 1:19:05পীরণের একক দুটোই সমান হয়ে গেছে। এখন এটা
- 1:19:08যদি আমরা একটু ভালো করে বুঝতে চাই তাহলে
- 1:19:11আমার এই সমীকরণ অর্থাৎ এই অনুপাত দিয়ে আমি
- 1:19:13খুব ভালোভাবে বুঝতে পারবো না। তার জন্য
- 1:19:15অন্য একটা ডেফিনেশন আমাদের জানা দরকার।
- 1:19:16সেই ডেফিনেশনটা কি? সেই ডেফিনেশনটা হচ্ছে
- 1:19:18একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল বিশিষ্ট কোন
- 1:19:21তারের দৈর্ঘ্য বরাবর স্থিতিস্থাপক সীমার
- 1:19:25মধ্যে যে বল প্রয়োগ করলে দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি
- 1:19:28আদি দৈর্ঘ্যের সমান হবে। দেখো এই
- 1:19:30ডেফিনেশনটা দ্বারা আমরা জিনিসটা কিন্তু
- 1:19:31আরেকটু প্রিসাইসলি বুঝতে পারি। জিনিসটা কি
- 1:19:33হয়ে গেছে? একটা একক প্রস্থচ্ছেদের
- 1:19:35ক্ষেত্রফল আছে। প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
- 1:19:37মানেই তো বুঝো যেটা 1 mm। এর উপর আমি
- 1:19:40দৈর্ঘ্য বরাবর বল প্রয়োগ করব। অবশ্যই
- 1:19:43স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে। আর দৈর্ঘ্য
- 1:19:45বরাবর কেন বলতেছি? কারণ আমি ইয়াং মডুলাস
- 1:19:46নিয়ে কথা বলতেছি। যদি বাল্ব মডুলাস নিয়ে
- 1:19:48কথা বলতাম তখন আয়তন বিকৃতির কথা বলতাম।
- 1:19:51তাহলে যেই পরিমাণ বল প্রয়োগ করলে অর্থাৎ
- 1:19:53দৈর্ঘ্য বরাবর যেই পরিমাণ বল প্রয়োগ করলে
- 1:19:55এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি আদি দৈর্ঘ্যের সমান হবে
- 1:19:57তখন সেই পরিমাণ বলকেই আমি বলব ইয়াং
- 1:20:00মডুলাস। ব্যাপারটা যদি আমরা একটু
- 1:20:02এক্সাম্পল দিয়ে চিন্তা করি সেটা হচ্ছে
- 1:20:03ইস্পাতের ইয়াং মডুলাসট ইনটু 10 টু দি
- 1:20:06পাওয়ার 11 নিউটন পার বর্গমিটার বলতে কি
- 1:20:09বুঝো? অর্থাৎ ইস্পাতের ইয়াং মডুলাস হচ্ছেট
- 1:20:11ইট 10 টু দি পাওয়ার 11 নিউটন পার
- 1:20:13বর্গমিটার। এখন এটা যদি আমরা এই
- 1:20:14ডেফিনেশনটা দিয়ে ব্যাখ্যা করার চেষ্টা করি
- 1:20:17সেটার জন্য আমরা আগের সমীকরণটা একটু খেয়াল
- 1:20:19করো। আমরা জানি কি? ওয় ইকুয়াল একটু আগে
- 1:20:21আমরা হুকের সূত্র থেকে দেখিয়েছি। ওয়
- 1:20:23ইকুয়াল এফ এল নবা এ স্মল এ। এখন এইখানে
- 1:20:30আমার এ বলেছি একক প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল
- 1:20:33বিশিষ্ট অর্থাৎ এ এর মান হচ্ছে ওয়ান আর এল
- 1:20:36যেটা অর্থাৎ স্মল এল সেটা হচ্ছে
- 1:20:38পরিবর্তনটা আদি দৈর্ঘ্যের সমান হবে তো আদি
- 1:20:41দৈর্ঘ্য কত এল নট তার মানে এল এর পরিমাণ
- 1:20:44হবে এল নট আর এফ থাকলো এল নটও থাকলো এখন
- 1:20:47এখান থেকে আমি কি এল নট আর এল নট
- 1:20:49ক্যান্সেল আউট করে দিতে পারি এর মানে
- 1:20:50হচ্ছে ওয় ইকুয়াল এফ অর্থাৎ যেই পরিমাণ বল
- 1:20:53প্রয়োগ করলে একক দৈর্ঘ্য আর যেই পরিমাণ বল
- 1:20:57প্রয়োগ করলে তার দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি আদি
- 1:20:59দৈর্ঘ্যের সমান হবে সেটাকে আমি বলতেছি
- 1:21:00ইয়াং মডুলাস। এখন ইস্পাতের ইয়াং মডুলাস ইট
- 1:21:03টু পায়ার 11 নিউটন পার বর্গমিটার বলতে কি
- 1:21:05বুঝি? সেই জিনিসটা হচ্ছে একটা ইস্পাতের
- 1:21:07তার যার প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল হচ্ছে এক
- 1:21:09বর্গমিটার। তার উপর আমি যদিটু ইট টু দি
- 1:21:12পাওয়ার 11 নিউটন বল প্রয়োগ করি তাহলে এর
- 1:21:15দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি আদি দৈর্ঘ্যের সমান হবে।
- 1:21:17ব্যাপারটা যদি ধরো একটা ইস্পাত তারের
- 1:21:19দৈর্ঘ্য হচ্ছে এক মিটার। ইস্পাত তারের
- 1:21:22দৈর্ঘ্য হচ্ছে এক মিটার। আর এর
- 1:21:23প্রস্থচ্ছেদের ক্ষেত্রফল হচ্ছে এক
- 1:21:24বর্গমিটার। এর উপর যদি আমিটু ইটু 10 টু দি
- 1:21:27পাওয়ার 11লে নিউটন বল প্রয়োগ করি তাহলে
- 1:21:29এর দৈর্ঘ্য হয়ে যাবেটু মিটার তাহলে
- 1:21:31পরিবর্তন কত হবেটু মাইনাস ও সমান হচ্ছে 1
- 1:21:34মিটার এটাই হচ্ছে তার পরিবর্তন কিন্তু এই
- 1:21:37ডেফিনেশনটা দিয়ে আমি যা বুঝি সেখানে
- 1:21:39কিন্তু একটা সমস্যা সৃষ্টি হয়ে যায়
- 1:21:41সমস্যাটা কোথায় সমস্যাটা হচ্ছে
- 1:21:42স্থিতিস্থাপকতার সীমা অর্থাৎ স্থিতিস্থাপক
- 1:21:46সীমা যে জিনিসটা এইখানে একটু বড় সমস্যা
- 1:21:48হয়ে যায় কারণ স্থিতিস্থাপক সীমার মধ্যে
- 1:21:50বল প্রয়োগ করে কোন বস্তুর দৈর্ঘ্য
- 1:21:53পরিবর্তন আদি দৈর্ঘ্যের সমান করতে পারি
- 1:21:56না। তাহলে আমাকে কি করতে হবে? এই
- 1:21:58ডেফিনেশনে ছোট্ট একটা পরিবর্তন আনতে হবে।
- 1:22:00ছোট্ট একটা পরিবর্তন সেটা কি? এই যে আমরা
- 1:22:02লিখলাম যে বল প্রয়োগ করলে দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি
- 1:22:04আদি দৈর্ঘ্যের সমান হয় সেটা বলব যে বল
- 1:22:07প্রয়োগ করলে দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি আদি
- 1:22:09দৈর্ঘ্যের এক লক্ষ ভাগের এক ভাগ হবে। আদি
- 1:22:12দৈর্ঘ্য এক লক্ষ ভাগের এক ভাগ হবে। তাহলে
- 1:22:14সেই পরিমাণ বলের এক লক্ষ গুণকে হচ্ছে
- 1:22:17ইয়াং মডুলাস বলব। অর্থাৎ এই সূত্রটাই
- 1:22:19বলতেছি। তবে আমরা ভ্যালুগুলো একটু চেঞ্জ
- 1:22:21করে বলতেছি। সেটা কি? ধরো একটা কোন তারের
- 1:22:23দৈর্ঘ্য হচ্ছে এক লক্ষ মিটার। ঠিক আছে?
- 1:22:25এখন আমি যদি তার উপর এক নিউটন বল প্রয়োগ
- 1:22:28করি তার দৈর্ঘ্য এক লক্ষ ভাগের এক ভাগ
- 1:22:30অর্থাৎ এক মিটার প্রসারিত হলো। তাহলে আমার
- 1:22:32প্রযুক্ত বল কত ছিল? এক নিউটন। তার এক
- 1:22:35লক্ষ গুণ হবে কত? এক লক্ষ গুণ হবে এক লক্ষ
- 1:22:38নিউটন। তাহলে এক লক্ষ মিটার দৈর্ঘ্যের উপর
- 1:22:40এক লক্ষ মিটার বল যদি প্রয়োগ করি তাহলে
- 1:22:42তার দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি আদি দৈর্ঘ্যের সমান
- 1:22:44হবে। তার মানে হচ্ছে ব্যাপারটা এখন আমার
- 1:22:47কিন্তু প্রিসাইজ হয়ে যাবে। কারণ আমি এখন
- 1:22:48স্থিতিস্থাপক সীমার জিনিসটা নিয়ে আর একটু
- 1:22:51সমস্যার মধ্যে পড়বো না। তাহলে যদি কোন
- 1:22:53একটা বস্তুর বা কোন একটা তারের আদি
- 1:22:55দৈর্ঘ্যের উপর যে পরিমাণ বল প্রয়োগ করলে
- 1:22:58এর দৈর্ঘ্য বৃদ্ধি আদি দৈর্ঘ্যের এক লক্ষ
- 1:23:01ভাগের এক ভাগ হবে সেই পরিমাণ বলের এক লক্ষ
- 1:23:04গুণকে বলব আমরা ইয়াং মডুলাস। আশা করি
- 1:23:06ইয়াং মডুলাস নিয়ে আর কোন সমস্যা হওয়ার
- 1:23:07কথা না। আর ইয়াং মডুলাসের সমীকরণটা হচ্ছে
- 1:23:09এটাই ব্যবহার করব ওয়া ইকুয়াল এফ এল নবা
- 1:23:12এ স্মল এ। এবার যদি বালক মডুলাস বলি তাহলে
- 1:23:15এখানে কি করব? শুধুমাত্র দৈর্ঘ্য বরাবরের
- 1:23:18পরিবর্তে আয়তন বরাবর বলব। আর সেই
- 1:23:20ক্ষেত্রে হচ্ছে আমার এই যে এল নট আর স্মল
- 1:23:23এল এটাকে হচ্ছে ভি নট আর হচ্ছে স্মলভি
- 1:23:26দ্বারা রিপ্রেজেন্ট করে দিব। আর ওয়াইটা
- 1:23:27হয়ে যাবে ভি। অর্থাৎ ব্যাপারটা দাঁড়াবে
- 1:23:29ভি ইকুয়াল। যেটা আমি এখানে অলরেডি আগে
- 1:23:31লিখে রেখেছিলাম সে ক্ষেত্রে আমি এটাকে বলব
- 1:23:33বালক মডুলাস। অর্থাৎ যে পরিমাণ বল প্রয়োগ
- 1:23:35করলে আয়তন কি হবে? আদি আয়তনের সমান
- 1:23:38পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে। সেটাকেই বলব হচ্ছে
- 1:23:41বালক মডুলাস। আমরা পদার্থের এখন চতুর্থ
- 1:23:43অবস্থা নিয়ে কথা বলব সেটা হচ্ছে পদার্থের
- 1:23:45প্লাজমা অবস্থা। আমরা সাধারণত হচ্ছে যেই
- 1:23:48যেই অবস্থাগুলো নিয়ে পরিচিত সেটা হচ্ছে
- 1:23:51কঠিন। তারপরে তরল তারপরে গ্যাসীয় বা
- 1:23:55বায়োবীয় যেটাই বলি। গ্যাসীয় অবস্থা। এই
- 1:23:58তিনটা অবস্থা নিয়ে আমরা সাধারণত পরিচিত
- 1:24:01হয়ে থাকি। আমরা আজকে নতুন একটা সম্পর্কে
- 1:24:03জানবো। সেটা হচ্ছে নতুন একটা অবস্থা
- 1:24:04সম্পর্কে জানবো। প্লাজমা অবস্থা। প্লাজমা
- 1:24:07অবস্থা। এই প্লাজমা নামটা প্রথম দিয়ে
- 1:24:10থাকেন একজন বিজ্ঞানী আরবেন লেইং মোর।
- 1:24:12আরবেন লেইং মোর প্রথম প্লাজমা শব্দটি
- 1:24:14হচ্ছে ব্যবহার করে থাকেন এবং প্লাজমা
- 1:24:16হচ্ছে আমরা বায়োলজি পড়ার সময় হচ্ছে
- 1:24:18রক্তের প্রবাহের জন্য প্লাজমা শব্দটি
- 1:24:20ব্যবহার করে থাকি। তো আমরা পদার্থ
- 1:24:22বিজ্ঞানে সেটাকে কি অবস্থায় বর্ণনা করা
- 1:24:24হয়ে থাকে সেটা নিয়ে কথা বলব। আমরা একটা
- 1:24:26জিনিস জানি কঠিন পদার্থকে যদি আমি তাপ
- 1:24:28দিয়ে থাকি তাহলে সেটা তরলে পরিণত হয়।
- 1:24:31তরলকে যদি তাপ দিয়ে থাকি তখন সে গ্যাসীয়
- 1:24:34অবস্থায় পরিণত হয়। কেন পরিণত হয় সেটা
- 1:24:37বললে যে প্রত্যেকটা অণু পরপরমাণুর মধ্যে
- 1:24:39যে আন্তণবিক আকর্ষণটা আছে সে আকর্ষণটা
- 1:24:42কমতে থাকে। কঠিনে যে আন্তণবিক আকর্ষণ
- 1:24:44তরলের ক্ষেত্রে সেটা একটু কমে যায়। সেটা
- 1:24:46কিসের জন্য? তাপ দেওয়ার কারণে। তরলকে যদি
- 1:24:49আমি আবার তাপ দিতে শুরু করি তখন সে
- 1:24:51গ্যাসীয় অবস্থায় উপনীত হয়। অর্থাৎ
- 1:24:52আন্তণবিক আকর্ষণ বল নাই বললেই চলে। এই
- 1:24:56গ্যাসীয় অবস্থাকে যদি আমি তাপ দিয়ে
- 1:24:58থাকি, গ্যাসীয় অবস্থাকে তাপ দিলে যে
- 1:25:00অবস্থায় পরিণত হয় সেটাই হচ্ছে আমার
- 1:25:02প্লাজমা অবস্থা। প্লাজমা অবস্থা আর
- 1:25:05গ্যাসীয় অবস্থার মধ্যে সূক্ষ কিছু
- 1:25:07পার্থক্য আছে। প্লাজমা অবস্থাটা অনেকটাই
- 1:25:09গ্যাসীয় অবস্থার মতোই। কিন্তু তার কিছু
- 1:25:12বৈশিষ্ট্য আছে যেই বৈশিষ্ট্যগুলো গ্যাসীয়
- 1:25:15অবস্থার চাইতে আলাদা বলে একে প্লাজমা
- 1:25:17অবস্থা বলে নির্ধারণ করা হয়ে থাকে। সেই
- 1:25:20অবস্থাগুলো কি? আমরা জানি গ্যাসের কিন্তু
- 1:25:23কোন নির্দিষ্ট আকার আয়তন নাই। গ্যাসের কোন
- 1:25:25নির্দিষ্ট আকার আয়তন নাই। কিন্তু
- 1:25:27প্লাজমাকে আমরা যদি চুম্বক ক্ষেত্রের
- 1:25:30মধ্যে আবদ্ধ করি তাহলে সে একটা নির্দিষ্ট
- 1:25:32আকার আয়তন তৈরি করে। অর্থাৎ নির্দিষ্ট
- 1:25:34আকার প্রদান করা সম্ভব যেটা গ্যাসের
- 1:25:36ক্ষেত্রে সম্ভব না। তাহলে একটা বৈশিষ্ট্য
- 1:25:38কি বললাম? সেটা হচ্ছে চৌম্বক ক্ষেত্র
- 1:25:41দিয়ে চুম্বক ক্ষেত্র দিয়ে নির্দিষ্ট
- 1:25:45আকার দেয়া সম্ভব। নির্দিষ্ট আকার দেয়া
- 1:25:48সম্ভব। এটা হচ্ছে প্লাজমার ক্ষেত্রে। আর
- 1:25:50একটা অবস্থা নিয়ে কথা বলব। আমরা জানি
- 1:25:52গ্যাসীয় বা বায়ু কখনো বিদ্যুৎ পরিবহন
- 1:25:55করে না। গ্যাসীয় পদার্থ বা বায়ুবীয়
- 1:25:56পদার্থ কখনো বিদ্যুৎ পরিবহন করে না। কারণ
- 1:25:59কি? বিদ্যুৎ পরিবহনের জন্য সবচেয়ে
- 1:26:01ইম্পর্টেন্ট যে জিনিসটা প্রয়োজন সেটা
- 1:26:03হচ্ছে ইলেকট্রনের প্রবাহ। আর এই
- 1:26:06ইলেকট্রনের প্রবাহের জন্য আমার মুক্ত
- 1:26:08ইলেকট্রন প্রয়োজন হয়। গ্যাসীয় পদার্থের
- 1:26:10ক্ষেত্রে সেরকম হয় না। আমরা যদি পরমাণু
- 1:26:13সেল তৈরি করার চিন্তা করি পরমাণুর গঠন
- 1:26:15সেটা কিরকম? তার কেন্দ্রে থাকে
- 1:26:17নিউক্লিয়াস তার চারপাশে এরকম
- 1:26:19কক্ষপথগুলোতে হচ্ছে ইলেকট্রনগুলা ঘুরাঘুরি
- 1:26:21করে থাকে। ঠিক আছে? এবং আমরা যদি এই
- 1:26:24কক্ষপথ থেকে যদি আমি একে তাপ দিই তখন সে
- 1:26:26ইলেকট্রন লাভ দিয়ে হচ্ছে বাহিরের স্তরে
- 1:26:29আসে। তারপরে যদি আরো তাপ দিয়ে থাকে তখন
- 1:26:31সে পরমাণু থেকে মুক্ত অবস্থায় চলে যায়।
- 1:26:34এবং আমরা জানি পরমাণুর কেন্দ্রে যতটা
- 1:26:36প্রোটন থাকে অর্থাৎ ধনাত্মক চার্জ যুক্ত
- 1:26:39কণা থাকে বাহিরে ঠিক ততগুলো ঋণাত্মক চার্জ
- 1:26:42যুক্ত কণা থাকে। যার ফলে একটা পরমাণু আধান
- 1:26:45নিরপেক্ষ হয়ে থাকে। কিন্তু আমি যদি
- 1:26:48পরমাণুতে তাপ দিতে শুরু করি ওই যে
- 1:26:50গ্যাসীয় অবস্থার পরেও তাপ দিই তখন দেখা
- 1:26:53যায় এই ইলেকট্রনটা পরমাণু থেকে বের হয়ে
- 1:26:57চলে আসে। পরমাণু থেকে বের হয়ে চলে আসে সে
- 1:26:59হচ্ছে বাহিরে ঘোরাঘুরি করতে থাকে। একই
- 1:27:01সাথে আরো যে জিনিসটা ঘটে সেটা হচ্ছে
- 1:27:03পরমাণুটা আয়নে পরিণত হয়। তাহলে কোন
- 1:27:06গ্যাসীয় আবদ্ধ পাত্রে গ্যাসীয় পদার্থকে
- 1:27:09যদি আমি তাপ দিতে থাকি সেখানে ইলেকট্রন
- 1:27:11মুক্ত হবে। সেই সাথে পরমাণুগুলো আয়নিত
- 1:27:15হবে। অর্থাৎ ইলেকট্রন মুক্ত ইলেকট্রন এবং
- 1:27:17আয়নের একটা মিশ্রণ তৈরি হবে। এই
- 1:27:19অবস্থাটাই কিন্তু হচ্ছে প্লাজমা অবস্থা
- 1:27:22এবং সেই ক্ষেত্রে যেহেতু মুক্ত ইলেকট্রন
- 1:27:25রয়েছে সুতরাং প্লাজমা খুব সহজেই হচ্ছে
- 1:27:27বিদ্যুৎ পরিবহন করতে পারে। তাহলে
- 1:27:29গ্যাসিয়র চাদ চেয়ে প্লাজমার যে পার্থক্য
- 1:27:32মৌলিক পার্থক্য বা কেন আমি প্লাজমাকে
- 1:27:35চতুর্থ অবস্থা ব্যাখ্যা করেছি সেটা এখান
- 1:27:37থেকেই আমরা করতে পারি। সেটা কি? চুম্বক
- 1:27:39ক্ষেত্র দিয়ে নির্দিষ্ট আকার দেয়া
- 1:27:40সম্ভব। আরেকটা কি? আরেকটা হচ্ছে গ্যাসীয়
- 1:27:44পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন না করলেও প্লাজমা
- 1:27:47পদার্থ বিদ্যুৎ পরিবহন করে থাকে। প্লাজমা
- 1:27:50পদার্থ আমরা কোথায় দেখে থাকি? আমাদের
- 1:27:52বাসায় টিউবলাইট থাকে না বা ফ্লোরেসেন্ট
- 1:27:54বাল্ব থাকে না? এই ফ্লোরেসেন্ট বাল্ব বা
- 1:27:56টিউবলাইটের মধ্যে হচ্ছে প্লাজমা পদার্থ
- 1:27:57থাকে। তারপরে হচ্ছে আমরা যে বজ্রপাতের সময়
- 1:28:00যে আলোটা দেখে থাকি সেটা হচ্ছে প্লাজমা
- 1:28:02পদার্থ। সূর্য হচ্ছে প্লাজমা পদার্থের
- 1:28:04সবচেয়ে উজ্জ্বল একটা বা প্রকৃষ্ট একটা
- 1:28:07উদাহরণ। এছাড়া আমরা যে রাতের আকাশে তারা
- 1:28:09দেখি বা নক্ষত্র যেগুলাকে বলে থাকি এরাও
- 1:28:12কিন্তু প্লাজমা পদার্থের তৈরি। তাহলে
- 1:28:14আমাদের চারপাশে কিন্তু আমরা প্রতিনিয়ত
- 1:28:16প্লাজমা পদার্থ দেখে অভ্যস্ত। হয়তো এটা
- 1:28:18সম্পর্কে আগে জানতাম না। আজকের পর অন্তত
- 1:28:21জেনে থাকবা। তাহলে তোমার পদার্থ বিজ্ঞান
- 1:28:23সম্পর্কে নতুন একটা জিনিস জানতেছো।
- 1:28:25পদার্থের আরেকটা নতুন অবস্থা সেটা হচ্ছে
- 1:28:28প্লাজমা অবস্থা। আমরা টপিকের এই অধ্যায়ের
- 1:28:31সবচেয়ে শেষের টপিক্সে চলে এসেছি। অর্থাৎ
- 1:28:33পদার্থের আণবিক গতিতত্ত্ব। এতক্ষণ যা
- 1:28:36পড়েছি সেই পদার্থগুলোর মধ্যে
- 1:28:38অনুপরমাণুগুলো কি রকম কি আচরণ করে সেটা
- 1:28:41নিয়ে এখানে কথা বলে থাকবো। তো এখানে
- 1:28:43হচ্ছে আমি পাঁচটা পয়েন্ট লিখে দিয়েছি।
- 1:28:45সেই পাঁচটা পয়েন্ট একটু বলে দিব। সেটা
- 1:28:47হচ্ছে পদার্থ অসংখ্য ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণার
- 1:28:50সমন্বয় গঠিত। পদার্থ অসংখ্য ক্ষুদ্র
- 1:28:53ক্ষুদ্র কণার সমন্বয় গঠিত। আমরা জানি
- 1:28:55প্রত্যেকটা পদার্থ অসংখ্য ছোট ছোট অণু আর
- 1:28:57পরমাণুর সমন্বয় গঠিত। এটা হচ্ছে প্রথম
- 1:29:00কথা। দ্বিতীয়টা হচ্ছে এদেরকে বিন্দুবদ
- 1:29:02বিবেচনা করা হয়। বিন্দুবদ মানে হচ্ছে
- 1:29:05বিন্দুর মত সবচেয়ে ক্ষুদ্র। অর্থাৎ
- 1:29:07পদার্থের অণুগুলো বিন্দুর মত ছোট ছোট হয়ে
- 1:29:10থাকে। পরেরটা হচ্ছে পদার্থের অণুগুলো
- 1:29:12সর্বদা গতিশীল। যেকোন পদার্থ গ্যাসীয়
- 1:29:15হোক, তরল হোক, বায়বীয় হোক সবগুলো কণায়
- 1:29:19সবসময় গতিশীল। তারা ছোটাছুটি করতে থাকে।
- 1:29:21এখন গ্যাসের ক্ষেত্রে এই ছোটাছুটির পরিমাণ
- 1:29:24বেশি হয়ে থাকে। তরলের ক্ষেত্রে সেই
- 1:29:26ছোটাছুটির পরিমাণ তুলনামূলক কম হয়ে থাকে
- 1:29:28এবং কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে আন্তণবিক
- 1:29:31আকর্ষণ বলটা বেশি বলে সেই ক্ষেত্রে এই
- 1:29:34ছোটাছুটিটা হয় না বললেই চলে। কিন্তু তুমি
- 1:29:36যখন এটাকে তাপ দিবা তখন কিন্তু তাদের
- 1:29:38ছোটাছুটি বৃদ্ধি পেয়ে যাবে। এটাই হচ্ছে
- 1:29:40পদার্থের অণুগুলো সর্বদা গতিশীল। এবং চার
- 1:29:42নাম্বার যেটা আছে তরল ও গ্যাসীয় অণুগুলো
- 1:29:45এলোমেলো ছোটাছুটির কারণে পাত্রের গায়ে
- 1:29:47সংঘর্ষে লিপ্ত হয়ে থাকে। এটা হচ্ছে যেই
- 1:29:51পাত্রে আমরা তরলকে রাখি অথবা গ্যাসীয়
- 1:29:53পদার্থকে রাখি সেটা সেই পাত্রের গায়ে
- 1:29:56হচ্ছে কি হয়? অণুগুলা হচ্ছে চারোদিকে
- 1:29:58ছোটাছুটি করতে থাকে। এই ছোটাছুটি করার
- 1:30:02কারণে এরা পাত্রের গায়ে বারবার ধাক্কা
- 1:30:05ধাক্কা খেয়ে থাকবে। আর শেষের যে এটা
- 1:30:08সেগুলো হচ্ছে অণুগুলোর মধ্যে দূরত্ব। এটা
- 1:30:10গ্যাসীয় পদার্থের ক্ষেত্রে অণুগুলোর মধ্যে
- 1:30:13দূরত্ব হচ্ছে বেশ বেশি হয়ে থাকে। যার ফলে
- 1:30:16কম সংখ্যক অণু অনেক জায়গা দখল করে নিতে
- 1:30:19পারে। ঠিক আছে? এবং তরল পদার্থের ক্ষেত্রে
- 1:30:22সেই দূরত্বটা তুলনামূলক কম হয়ে থাকে।
- 1:30:25কঠিন পদার্থের ক্ষেত্রে সেই দূরত্ব নাই
- 1:30:27বললেই চলে। এর পেছনে কারণ একটাই বারবার
- 1:30:30সেটা হচ্ছে আন্ত আণবিক আকর্ষণ বল। ঠিক
- 1:30:33আছে? এইগুলাই ছিল হচ্ছে আমার পদার্থের
- 1:30:36গ্যাসীয় পদার্থের আণবিক গতিতর্থ। অর্থাৎ
- 1:30:39অণুগুলা কিরকম আচরণ করে সেই সম্পর্কে
- 1:30:42ব্যাখ্যা। অনেক লম্বা একটা ক্লাস হয়ে
- 1:30:45গেছে। আমাদের সাথে এতক্ষণ ধৈর্য ধরে থাকার
- 1:30:48জন্য ধন্যবাদ। আশা করি তোমরা এই ভিডিও
- 1:30:50থেকে উপকৃত হয়েছো এবং এই অধ্যায়ের
- 1:30:53দ্বিতীয় পর্বে এই অধ্যায়ের যতগুলো সূত্র
- 1:30:56তৈরি করেছিলাম এবং যতগুলো
- 1:31:00থিওরি ব্যাখ্যা করেছিলাম সেইগুলো নিয়ে
- 1:31:02পরীক্ষায় আসা বিভিন্ন সৃজনশীল এবং বোর্ড
- 1:31:05পরীক্ষায় আসা প্রশ্নগুলোর মধ্যে এপ্লাই
- 1:31:07করব এবং প্রশ্নগুলো সমাধান করব। সুতরাং
- 1:31:10দ্বিতীয় পর্বটা প্রথম পর্বের তুলনায় কোন
- 1:31:12অংশেই কম ইম্পর্টেন্ট না। বরং আমি বলব
- 1:31:15বেশি ইম্পর্টেন্ট। তাই দ্বিতীয় পর্বটাও
- 1:31:17অবশ্যই দেখবে এবং আমাদের সাথেই থাকবে।
About this transcript
This page contains the full transcript of YouTube transcript (O5_W3Y2f4YY) , generated from the public captions YouTube serves with the video. The transcript has 14,794 words across 2,224 segments, with the original timestamps preserved so you can click any line to jump to that moment in the embedded player.
What you can do with it
Use the transcript to take notes, quote the speaker, build a study guide, generate a summary with ChatGPT or Claude via the YouTube Summary tool, or export it as a timed subtitle file with YouTube to SRT. You can also re-open it in the transcriber to translate the transcript into 100+ languages.
Free YouTube transcript tool
YouTube2Text is a free YouTube transcript generator — no signup, no daily limit. Paste any YouTube link and get the full transcript instantly, with timestamps, click-to-jump, translation to 100+ languages, AI prompts for ChatGPT, Claude, and Gemini, and exports to TXT, SRT, VTT, or Markdown.